Author: banglarmukh official

  • পানি ছাড়া গোসলের ভিডিও ভাইরাল

    পানি ছাড়া গোসলের ভিডিও ভাইরাল

    শীতকাল কাল এলে অনেকেই যে কাজটা করতে সবচেয়ে বেশি ভয় পান সেটি হচ্ছে গোসল। আর শীতের মাত্রা যত বাড়তে থাকে গোসল ও পানির সংস্পর্শে যাওয়া মানুষের ততোই কমতে থাকে। অনেকে তো শীতে কাবু হয়ে পণ করে বসেন। এই শীতে সূর্যের দেখা না পাওয়া পর্যন্ত গোসল নয়। কিন্তু এবার ঠিকই এভাবে গোসল করতে চাইবেন অনেকে কারণ গোসল করতে তো আর পানি লাগছে না। তাই ঠাণ্ডারও ভয় নেই। সম্প্রতি পানি ছাড়াই গোসল করার একটি ভিডিও ভাইরাল হয়েছে। ভিডিওটি ভারতের।

    ‘ধরি মাছ, না ছুঁই পানি’ যারা বোঝেন, তারা ঠিকই বুঝবেন, পানি ছাড়া গোসল করার অর্থ কী!লোক দেখানো ভড়ং, রীতিনীতি, আচার-আচরণ – যাতে সাপও মরে না, আবার লাঠিও ভাঙে না; ঝড়ে কাক না পড়লেও, ফকিরের কেরামতি ঠিকই বাড়ে।

  • বিয়ের পরও যে নায়িকাদের সঙ্গে ‘পরকীয়ায়’ জড়ান হৃত্বিক!

    বিয়ের পরও যে নায়িকাদের সঙ্গে ‘পরকীয়ায়’ জড়ান হৃত্বিক!

    হৃতিক রোশন। বলিউডে এ অভিনেতা কৃষ চরিত্রে দর্শকদের কাছে বেশ জনপ্রিয়। ২০০০ সালে বিয়ে করেন সুজানে খানকে। তাদের দাম্পত্য জীবন দীর্ঘায়িত হয় প্রায় ১৪ বছর। এর পর ভেঙে যায় তাদের সংসার। কিন্তু হৃতিক সুজানের সঙ্গে বিয়ের পরও বলিউডের বেশ কয়েকজন অভিনেত্রীর সঙ্গে পরকীয়ায় জড়ান।

    যাদের মধ্যে রয়েছেন পতৌদির নবাব পরিবারের পুত্রবধূ কারিনা কাপুর খান থেকে শুরু করে কঙ্গনা রানাউয়াতও।

    ‘ইয়াদে’, ‘মুঝসে দোস্তি কারোগে’, ‘ম্যায় প্রেম কি দিওয়ানি’-র মত বেশ কয়েকটি সিনেমায় কারিনা কাপুরের সঙ্গে স্ক্রিন শেয়ার করেছেন হৃত্বিক।

    ওই সময় নাকি বেবোর সঙ্গে সম্পর্কে জড়ান হৃত্বিক। কিন্তু, বিষয়টি প্রকাশ্যে আসার পর ওই দু’জন একসঙ্গে কাজ করা বন্ধ করে দেন।

    শোনা যায়, ‘ব্যাং ব্যাং’-এর সময় নাকি ক্যাটরিনা কাইফের সঙ্গে সম্পর্কে জড়ান হৃত্বিক। যা নিয়ে রণবীর কাপুরের সঙ্গেও ক্যাটের অশান্তি শুরু হয়। যদিও, ওই সম্পর্ক বেশিদিন স্থায়ী হয়নি।

    ‘কাইটস’-এর সময় বারবারা মোরির সঙ্গে হৃত্বিকের সম্পর্কের কথা নতুন নয়। কিন্তু, সিনেমার প্রমোশনের জন্যই নাকি ওই গুজব ছড়ানো হয়, শোনা যায় এমন গুঞ্জনও।

    ‘কাইটস’ হোক কিংবা ‘কৃষ থ্রি’ হৃত্বিকের সঙ্গে কঙ্গনার সম্পর্কের কথা বলিউড ‘কুইন’ কিন্তু ঢাকঢোল পিটিয়েই সামনে এনেছেন। এমনকি, হৃত্বিক কখনো ভয় দেখিয়ে কখনো তার নগ্ন ছবি দেখিয়ে ‘ব্ল্যাকমেইল’ করেছেন বলেও অভিযোগ করেন কঙ্গনা রানাউয়াত।

    তবে গত ১০ জানুয়ারি ছিল হৃত্বিকের জন্মদিন। এবার ৪৪-এ পড়লেন তিনি। বয়স বাড়ছে ঠিকই কিন্তু, গ্ল্যামার তার কমছে না। তাই তো এখনো বলিউডের অন্যতম ‘হ্যান্ডসাম হাংক’ তিনি। ৪৪ তম জন্মদিনে হৃত্বিকের সঙ্গে দেখা যায় তার সাবেক স্ত্রী সুজান খানকেও। হৃত্বিক-সুজানকে একসঙ্গে দেখার পর থেকেই শুরু হয়েছে গুঞ্জন। এবার কি ফের হৃত্বিকের সংসারে ফিরছেন সুজান?

  • ‘ভুল’ বোতামে চাপ, যুক্তরাষ্ট্র জুড়ে ক্ষেপণাস্ত্র হামলার আতঙ্ক

    ‘ভুল’ বোতামে চাপ, যুক্তরাষ্ট্র জুড়ে ক্ষেপণাস্ত্র হামলার আতঙ্ক

    গত বছর জুড়েই যুক্তরাষ্ট্রকে ক্ষেপণাস্ত্র হামলার হুমকি দিয়ে আসছে উত্তর কোরিয়া। এ বছরও শুরু হয়েছে হুমকির মধ্য দিয়ে। এরইমধ্যে হাওয়াই রাজ্যে মার্কিন নাগরিকদের মোবাইলে ক্ষুদেবার্তায় জানিয়ে দেয়া হলো, ক্ষেপণাস্ত্র হামলা হতে পারে। তাই সবাই যেন নিরাপদ আশ্রয়ে চলে যায়।

    এ খবর আমেরিকার হাওয়াই রাজ্যের টেলিভিশন ও রেডিওতেও সম্প্রচার করা হয়। অবশ্য পরে জানানো হয়েছে, এক কর্মী ভুল করে বোতামে চাপ দেয়ায় এ বার্তা সবার কাছে চলে গেছে। এ নিয়ে আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই।

    রবিবার হাওয়াইয়ের ইমারজেন্সি ম্যানেজমেন্ট এজেন্সির পাঠানো ওই বার্তা নিয়ে তদন্তও শুরু হয়েছে। এ ঘটনায় ক্ষমা চেয়েছেন হাওয়াইরের গভর্নর ডেভিড ইজ। সূত্র : নিউ ইয়র্ক টাইমস

  • সংসদ নির্বাচন করতে চান বেবী নাজনীন

    সংসদ নির্বাচন করতে চান বেবী নাজনীন

    আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নীলফামারী-৪ আসনে (সৈয়দপুর-কিশোরগঞ্জ) লড়তে চান কন্ঠশিল্পী বেবী নাজনীন। শনিবার বিকেলে সৈয়দপুর জেলা বিএনপি কার্যালয়ে তিনি এ ঘোষণা দেন।

    বেবী নাজনীন বলেছেন, সামনে নির্বাচন, আপনাদের সঙ্গে থেকে কাজ করতে চাই। এ নিয়ে চিন্তা-ভাবনা করছি। আপনাদের সাথে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করে যাবো। দল চাইলে আগামী সংসদ নির্বাচনে প্রার্থী হবো।

    বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির আন্তর্জাতিক বিষয়ক সহ-সম্পাদক বেবী নাজনীন আরও বলেন, দলকে সংগঠিত করে আগামী দিনে আন্দোলন-সংগ্রামের জন্য প্রস্তুত থাকতে হবে।

    সৈয়দপুর জেলা বিএনপি কার্যালয়ে এসময় আরও ছিলেন দলের সহ-সভাপতি এহসানুল হক, পৌর বিএনপি সভাপতি শামসুল আলম, সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান এডভোকেট ওবায়দুর রহমান, বিএনপি নেতা প্রভাষক শওকত হায়াৎ শাহ, যুবদল সভাপতি আনোয়ার হোসেন প্রামানিক, ছাত্রদল সভাপতি রেজোয়ান হোসেন পাপ্পু, ছাত্রদল নেতা দিনার প্রমুখ।

  • ফেসবুকে সমালোচনার তীরে ক্ষত-বিক্ষত ভাবনা

    ফেসবুকে সমালোচনার তীরে ক্ষত-বিক্ষত ভাবনা

    ‘দুই দিনের বৈরাগী ভাতকে বলে ফ্রাইড রাইস’, ‘ভাল করে আয়নায় নিজেকে দেখেন’, ‘মানসিকতা এতো নিচু হয় ক্যামনে’- ফেসবুকে এ রকম নানা তির্যক মন্তব্যে ক্ষত-বিক্ষত হচ্ছেন অভিনেত্রী ভাবনা।

    মূলত, তার একটি মন্তব্যকে ঘিরে এরকম কটু বাক্যে জর্জরিত হচ্ছে তার নাম। একটি শীর্ষ স্থানীয় অনলাইন পোর্টালকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ভাবনা বলেন, ‘বাংলাদেশের কোন ব্রান্ড আমি কিনিও না, পরিও না। বাংলাদেশে কি কোন ব্রান্ড আছে নাকি।’ এই মন্তব্যের প্রকাশের পরপরই নড়েচড়ে উঠেছেন নেটিজেনরা।

    তাদের মতে গর্ব করার মতো অনেক ব্রান্ড রয়েছে বাংলাদেশের অথচ ভাবনার মতো একজন অভিনেত্রী দেশকে এভাবে হেয় করেন কিভাবে।

    এছাড়া সাক্ষাৎকারে ভাবনা আরও বলেন- বাংলাদেশ নয়, দুবাই এবং সিঙ্গাপুর থেকেই তিনি শপিং করেন। ইতিমধ্যে তার এ বক্তব্য ফেসবুকে ভাইরাল হয়ে ছড়িয়ে পড়েছে। এমনকি ওই পোর্টালের প্রকাশিত নিউজের কমেন্ট বক্সেও নানারকম মন্তব্যে জর্জরিত হচ্ছেন ভাবনা।

    আরশাদ সোহেল নামে একজন লিখেছেন- ‘ দেশকে এতো হেয় করে সেই দেশে থাকাই উচিৎ না’

    ফারজানা সুলতানা নামে একজন ফেসবুকে মন্তব্য করেছেন, কি আমার চেহারা,নাম হচ্ছে পেয়ারা। বিদেশি ব্রান্ডের নাম বললেই ফেমাস হওয়া যায়না। ফুটানি যত্তসব। বিদেশ চলে গেলেই পারে। এখানের কিছুই যখন পছন্দ না।’

    প্রিন্স সুজন নামে একজন মন্তব্য করেছেন- ‘এই মাকাল ফল কই থাইকা আসছে ? বাংলাদেশে কোন ব্র্যান্ড নাই ! এই মেয়েকে পাবনার মেন্টাল হাসপাতালে পাঠায় না কেন ?’

    এরকম তির্যক মন্তব্য বেগবান হচ্ছে সময়ের সাথে।

  • ফিরোজা থেকে আখেরি মোনাজাতে অংশ নিয়েছেন খালেদা জিয়া

    ফিরোজা থেকে আখেরি মোনাজাতে অংশ নিয়েছেন খালেদা জিয়া

    তাবলিগ জামাতের ৫৩তম বিশ্ব ইজতেমার প্রথম ধাপের আখেরি মোনাজাতে অংশ নিয়েছেন বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া।

    গুলশানের নিজ বাসভবন ফিরোজাতে বসেই টঙ্গীর তুরাগ তীরে বিশ্ব ইজতেমার আখেরি মোনাজাতে অংশ নেন তিনি।

    রোববার বেলা ১১টায় চেয়ারপারসনের বিশেষ সহকারি অ্যাডভোকেট শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাস এ তথ্য জানিয়েছেন।

    তিনি জানান, বিগত বছরের ন্যায় এবারও আখেরি মোনাজাতে অংশ নিয়েছেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া। তিনি বাসভবন ফিরোজায় বসে আখেরি মোনাজাতে অংশ নিয়েছেন।

    উল্লেখ্য, আগে দলীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে নিয়ে টঙ্গীতে বিশ্ব ইজতেমার আখেরি মোনাজাতে সরাসরি অংশ নিতেন বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া। তবে ২০১৪ সাল থেকে রাজনৈতিক পরিবেশ অনুকূলে না থাকায় আখেরি মোনাজাতে অংশ নিতে টঙ্গী যাচ্ছেন না তিনি।

  • গণভবন থেকে আখেরি মোনাজাতে অংশ নিলেন প্রধানমন্ত্রী

    গণভবন থেকে আখেরি মোনাজাতে অংশ নিলেন প্রধানমন্ত্রী

    তাবলিগ জামাতের ৫৩তম বিশ্ব ইজতেমার প্রথম ধাপের আখেরি মোনাজাতে অংশ নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। প্রধানমন্ত্রীর রাষ্ট্রীয় বাসভবন গণভবন থেকে তিনি এ মোনাজাতে অংশ নেন।

    এ সময় সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য সাহারা খাতুন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী দীপু মনি, কৃষি বিষয়ক সম্পাদক ফরিদুন্নাহার লাইলীসহ পরিবারের সদস্য ও আত্মীয়-স্বজন প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে মোনাজাতে শরিক হন।

    এ ছাড়া প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব মো. নজিবুর রহমান, সামরিক সচিব মেজর জেনারেল মিয়া মোহাম্মদ জয়নাল আবেদীন, প্রেস সচিব এহসানুল করিম, বিশেষ সহকারি আব্দুস সোবহান গোলাপসহ প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় ও গণভবনের কর্মকর্তা-কর্মচারীরাও প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে মোনাজাতে অংশ নেন। সূত্র : বাসস

  • আখেরি মোনাজাতে ইজতেমার প্রথম পর্ব সমাপ্ত

    আখেরি মোনাজাতে ইজতেমার প্রথম পর্ব সমাপ্ত

    আখেরি মোনাজাতের মধ্য দিয়ে শেষ হয়েছে তাবলিগ জামাতের ৫৩তম বিশ্ব ইজতেমার প্রথম ধাপ। রোববার সকাল ১০টা ৪০ মিনিটে মোনাজাত শুরু হয়ে বেলা ১১টা ১৫ মিনিটে শেষ হয়। ৩৫ মিনিটের এ মোনাজাতের ১৪ মিনিট আরবিতে ২১ মিনিট বাংলায় পরিচালিত হয়। মোনাজাত পরিচালনা করেন হাফেজ মাওলানা মোহাম্মদ জুবায়ের। এবারই প্রথম বাংলায় মোনাজাত হয়েছে।

    এর আগে সকাল সোয়া ৮টা থেকে বাংলা ভাষায় হেদায়েতি বয়ান শুরু হয়। এবার কাকারাইলের মুরুব্বি মাওলানা আবদুল মতিন বাংলায় এ হেদায়েতি বয়ান করেন।

    উল্লেখ্য, এর আগে তাবলিগ জামাতের গুরুত্বপূর্ণ এই কাজ ‘হেদায়েতি বয়ান ও আখেরি মোনাজাত’ বাংলাদেশের আলেমরা দুটি একত্রে কখনো করেননি বলে জানা যায়।

    সাধারণত শেষ দিনের হেদায়েতি বয়ান ও আখেরি মোনাজাত উভয়টি দিল্লি মারকাজ থেকে আসা মুরুব্বিরা করে থাকতেন এবং তা উর্দু ভাষায় হয়ে আসছে দীর্ঘদিন ধরে।

    কিন্তু এবার ইজতেমায় ভারতের দিল্লিরি নিজামুদ্দিন মারকাজের মুরুব্বি মাওলানা সাদ কান্ধলভী ইজতেমায় অংশগ্রহণ করতে না পারায় এই প্রথম বাংলাদেশি আলেমদের মাধ্যমে শেষ দিনের গুরুত্বপূর্ণ কাজ দুটি আঞ্জাম দেয়া হচ্ছে।

    তাছাড়া ঢাকাসহ পার্শ্ববর্তী জেলার ধর্মপ্রাণ মানুষ মোনাজাতে অংশ নিতে ভোর রাত থেকে ইজতেমার ময়দানের দিকে রওনা হয়েছেন।

    পুলিশ বলছে, আখেরি মোনাজাত শেষ না হওয়া পর্যন্ত টঙ্গী থেকে গাজীপুর চৌরাস্তা, পূবাইলের মিরেরবাজার ও আশুলিয়ায়ার আবদুল্লাহপুরে যান চলাচল বন্ধ থাকবে। তবে বিকল্প পথে চলতে পারবে। সাময়িক অসুবিধার জন্য আমরা যাত্রীদের কাছে ক্ষমাপ্রার্থী।

    আজ শেষ হচ্ছে ২০১৮ সালের বিশ্ব ইজতেমার প্রথম ধাপ। দ্বিতীয় ধাপ শুরু হবে আগামী ১৯ জানুয়ারি। ২১ জানুয়ারি আখেরি মোনাজাতের মাধ্যমে শেষ হবে এবারের বিশ্ব ইজতেমা।

  • ঢাকা উত্তরের মেয়র প্রার্থী চূড়ান্ত করতে বৈঠকে খালেদা জিয়া

    ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের উপ-নির্বাচনে মেয়র প্রার্থী চূড়ান্ত করতে বৈঠকে বসেছেন বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া। আজ শনিবার রাত সাড়ে ৯টায় গুলশানে দলটির চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে ২০ দলীয় জোটের শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে বৈঠকে বসেন তিনি।

    জানা গেছে, বৈঠকে অংশ নিয়েছেন দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ছাড়াও স্থায়ী কমিটির সদস্য খন্দকার মোশাররফ হোসেন, মওদুদ আহমদ, জমিরউদ্দিন সরকার, রফিকুল ইসলাম মিয়া, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, আব্দুল মঈন খান, নজরুল ইসলাম খান ও আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী।

    উল্লেখ্য, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের উপ-নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার আগেই জামায়াতে ইসলামী মেয়র পদে ঢাকা মহানগর উত্তরের আমির মুহাম্মদ সেলিমউদ্দিনকে মনোনয়ন দিলে জটিলতা সৃষ্টি হয়। এই পরিপ্রেক্ষিতে গত সপ্তাহে জোটের নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করেন বেগম খালেদা জিয়া। সেখানেই একক প্রার্থী চূড়ান্ত করতে সব দায়িত্ব চেয়ারপারসনের ওপর অর্পণ করা হয়।

  • আমি তো বাংলাদেশের পতাকা বহন করছি : সাব্বির

    আমি তো বাংলাদেশের পতাকা বহন করছি : সাব্বির

    সব মিলিয়ে সময়টা ভাল কাটছে না। এক কিশোর দর্শকের গায়ে হাত তোলার অপরাধে বড় শাস্তির খড়গ ঝুলছে তার ওপর। মোটা অঙ্কের অর্থ জরিমানা। বিসিবির কেন্দ্রীয় চুক্তি থেকে বাদ আর ছয় মাস ঘরোয়া ক্রিকেট থেকে নিষিদ্ধ। এতো গেল মাঠের বাইরের চিত্র।

    মাঠেও সাব্বির রহমান রুম্মনের অবস্থা কিন্তু তেমন ভালো না। শেষ ১০ মাস একদিনের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে রান খরায় তিনি। শারীরিকভাবে খুব ফিট। ফিটনেস ট্রেনিং আর বিপ টেস্টে ভালো করেন সময়। সাহস আছে। ভয়-ডর কম। স্ট্রোক খেলার সামর্থ্যও বেশ।

    একদিনের সীমিত ওভারের ফরম্যাটে সাব্বির হতে পারেন বাংলাদেশের ব্যাটিংয়ের এক কার্যকর অস্ত্র; কিন্তু সময়ের প্রবাহমানতায় সেই তেজোদ্দীপ্ত উইলোবাজিও কেমন যেন ফ্যাকাশে। ২০১৭ সালের ২৫ মার্চ ডাম্বুলায় শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে হাফ সেঞ্চুরির (৫৬ বলে ৫৪) পর শেষ ১২ ম্যাচে পঞ্চাশের ঘরে পা রেখেছেন মোটে একবার; ২৪মে ডাবলিনে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ফিফটিই (৮৩ বলে ৬৫) শেষ।

    তার আগে ও পরের ইনিংসগুলোয় রান খরায় ভুগছেন সাব্বির। টানা সেই সময়ের স্কোরগুলোর দিকে তাকালেই সে সত্যতা ফুটে উঠবে। গত বছর ২৫ মার্চ ডাম্বুলায় লঙ্কানদের সাথে হাফ সেঞ্চুরির পর থেকেই শুরু শনির দশা। শ্রীলঙ্কা (০), আয়ারল্যান্ড (০) ও নিউজিল্যান্ডের (১) সঙ্গে পরের তিন ম্যাচে করেছেন মোটে ১।

    পরের দুই ম্যাচে (৩৫+৬৫) মনে হচ্ছিল আবার নিজেকে ফিরে পেয়েছেন; কিন্তু এরপর আবার সেই তিমিরে পড়ে থাকা। শেষ সাত ইনিংসে কোন ফিফটি নেই। ২৪+৮+৮+১৯+১৯+১৭+৩৯ = মোট রান ১৩৮।

    এ রকম অবস্থায় দর্শকের গায়ে হাত তুলে সাধারণ ক্রিকেট অনুরাগী মহল ও ক্রিকেট বোর্ডের বিরাগভাজন হয়ে পড়েছেন তিনি। এক কথায় ‘খারাপ সময়’ সাব্বিরের। সব মিলিয়ে মানসিক চাপে বিপর্যন্ত এই টপ অর্ডার ব্যাটসম্যান।

    গত কিছু ম্যাচে ব্যাটে রান নেই। এ বোধ আছে ভিতরে। সে কথা স্বীকারও করেছেন অকপটে। তারপরও সব চাপ সামলে ঘরের মাঠে তিনজাতি আসরে ভাল খেলতে মুখিয়ে সাব্বির। তার দাবি এ আসরের জন্য নিজেকে বেশ ভালভাবেই প্রস্তুত করেছেন তিনি।

    আসর শুরুর ৪৮ ঘন্টা আগে তাই তো মুখে এমন আত্মবিশ্বাসী সংলাপ, ‘ব্যক্তিগতভাবে আমি ভালোভাবে প্রস্তুত। যদিও গত কয়েকটা ম্যাচ আমার খারাপ গেছে।’ সেই খারাপ খেলার কারণ খুঁজে বের করে ঘাটতি পুরণের চেষ্টাও করেছেন।

    সাব্বির বলেন, ‘আমি চেষ্টা করেছি, যেটা দুর্বল জায়গা আছে, তা শক্ত করার জন্য। সেসব নিয়ে কাজ করছি। এখন দেখা যাক, সামনে ম্যাচ আসছে। ভালো করার চেষ্টা করবো ইনশাল্লাহ।’

    নিজের দুর্বলতার কথা মিডিয়ার সামনে প্রকাশ করতে চান না অনেকেই; কিন্তু সাব্বির সাহস নিয়েই বলে ফেলেছেন, ‘আসলে দুর্বল জায়গাটা কীভাবে বলবো বলুন! কিছু স্পিন নিয়ে কাজ করেছি। সামনের পায়ে খেলা নিয়েও কাজ করেছি। নেটে একা একা এগুলো নিয়ে সময় কাটিয়েছি। যে দুর্বলতা ছিল, তা কাটিয়ে ওঠার চেষ্টা করেছি। ম্যাচে রান পাওয়া আসলে কপালের ব্যাপার। রান না পেলেই টেকনিক ভালো না, করলে ভালো না; আমার মনে হয় না ব্যাপারটা তেমন।’

    তার বিপক্ষে সেট হয়ে আউট হয়ে যাওয়ার অনেক অভিযোগ আছে। এমন নজিরও আছে বেশ কিছু। উইকেট ও পরিবেশ-পরিস্থিতির সঙ্গে নিজেকে খাপ খাইয়ে নিয়েও শেষ পর্যন্ত উইকেট দিয়ে আসার অভ্যাস আছে। এটা কেন? টেম্পারামেন্টে ঘাটতি?

    সাব্বির তা মনে করেন না। তার মূল্যায়ন, ‘এটা টেম্পারেমেন্টের ব্যাপার না। আমার খেলাই আসলে এমন। আগে যখন তিন নম্বরে খেলতাম, তখন ব্যাপারটা অন্যরকম ছিলো। এখন ছয়-সাত বা পাঁচ-ছয়ে খেলবো। এটা টিম ম্যানেজমেন্টের ব্যাপার। আমি যখন যেখানে খেলার সুযোগ পাবো, চেষ্টা করবো পরিস্থিতি অনুযায়ী খেলার। এখন আমি চিন্তা করছি, কখন কিভাবে খেলা উচিত তা নিয়ে। যদি উইকেটে থাকি, ম্যাচ ফিনিশ করবো ইনশা আল্লাহ।’

    মাঠের বাইরে অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ও অনভিপ্রেত আচরণের জন্য একটা বড়সড় শাস্তি পেয়েছেন। সেটা অবশ্যই তাড়া করে বেড়াচ্ছে তাকে। তাতে কী সাব্বিরের পারফরমেন্সে কোনো নেতিবাচক প্রভাব পড়বে? কেউ কেউ এমন ধারনা পোষণ করছেন।

    তবে সাব্বিরের কথা শুনে মনে হলো, তিনি শতভাগ পেশাদার মানসিকতা থেকেই দর্শক পেটানোর শাস্তির বিষয়গুলোকে মূল্যায়ন করছেন। তার চিন্তাটা একদম পেশাদার ক্রিকেটারের মতো। আজ বিকেলে শেরেবাংলায় জাতীয় দলের প্র্যাকটিসে ওই দর্শকের গায়ে হাত তোলার কারণে বোর্ডের বাৎসরিক কেন্দ্রীয় চুক্তির বাইরে ছিটকে পড়া, অর্থ দণ্ড আর ঢাকার প্রিমিয়ার লিগসহ আগামী ছয় মাস ঘরোয়া ক্রিকেটে নিষিদ্ধ হবার বিষয়টা ভিতরে ঠিকই কাজ করছে। তবে তিনি সেটাকে বড় মানসিক আঘাত হিসেবে দেখতে নারাজ।

    সাব্বির মানছেন, মানুষ হিসেবে ওই ঘটনাগুলো ভিতরে একরকম প্রভাব ফেলেছে; কিন্তু পেশাদার ক্রিকেটার হিসেবে তা নিয়ে না ভেবে মাঠে নিজের করণীয় কাজগুলো ঠিক মত করার কথাই ভাবছেন।

    তাইতো মুখে এমন সংলাপ, ‘মানুষ হিসেবে আমার ওপর এ ঘটনা অনেক প্রভাব ফেলেছে। তবে যদি পেশাদার খেলোয়াড় হিসেবে চিন্তা করি, তাহলে আর ওসব নিয়ে ভাবা ঠিক হবে না। আমি তা ভাবতেও চাই না। অতীত অতীতই! যা হওয়ার হয়ে গেছে। এটার কোনো নেতিবাচক প্রভাব যাতে খেলায় না পড়ে, সেটা নিয়ে চিন্তা করছি। চিন্তা করছি ন্যাশনাল টিমকে আমার জায়গা থেকে সেরাটা দিতে। কারণ আমি বাংলাদেশের পতাকা বহন করছি। চেষ্টা করছি ভালো কিছু করার জন্য।’