Author: banglarmukh official

  • সাকিবকে দলে নিতে মরিয়া দিল্লি

    সাকিবকে দলে নিতে মরিয়া দিল্লি

    আইপিএলের আগামী আসরে প্রতিটি দলেই আসছে ব্যাপক পরিবর্তন। বেশিরভাগ তারকাকেই ছেড়ে দিয়েছে দলগুলো। দীর্ঘ সাত বছর পর কেকেআর এবার ছেড়ে দিয়েছে বাংলাদেশি অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসানকেও। এবার এ অলরাউন্ডারকে দলে পেতে মরিয়া দিল্লি ডেয়ার ডেভিলস।

    চলতি মাসের ২৭ আর ২৮ জানুয়ারি আইপিএলের নিলাম হবে ব্যাঙ্গালুরুতে। এর আগেই প্রতিদল কম্বিনেশন অনুযায়ী নিজেদের মতো করে খেলোয়াড় নির্ধারণ করে রাখছে। সেই হিসেবে দিল্লির নজরে আছে ডি কক, গৌতম গম্ভীর, সাকিব আল হাসান, কেন উইলিয়ামসন ও প্যাট কামিন্স।

    ডি কক

    দক্ষিণ আফ্রিকার উইকেটরক্ষক ব্যাটসম্যান এ এর আগেও দিল্লির হয়ে আইপিএল মাতিয়েছেন। ইনিংসের শুরুতে ব্যাট হাতে রানের গতি বাড়াতে বাঁহাতি এ ব্যাটসম্যানের জুড়ি নেই। তার অন্তর্ভুক্তি দলকে আরও যে শক্তিশালী করবে এ নিয়ে কোনো সন্দেহ নেই।

    গৌতম গম্ভীর

    আইপিএলের সূচনাটা দিল্লি থেকেই শুরু করেছিলেন এলাকার ছেলে গম্ভীর। এরপরই যোগ দেন কলকাতা নাইট রাইডার্সে। তবে এবার কলকাতা দলটির অধিনায়ককে ছেড়ে দিয়েছে। আর দিল্লিও চাচ্ছে তাকে দলে ভিরিয়ে তার অধিনায়কত্বকে কাজে লাগাতে।

    সাকিব আল হাসান

    ক্রিকেটের তিন ফরমেটের শীর্ষ অলরাউন্ডার। সাত বছর ছিলেন কলকাতায়। দুইবার ব্যাটে বলে দুর্দান্ত পারফরমেন্স করে দলের শিরোপা জয়ে রাখেন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা। তবে এবার শীর্ষ এ অলরাউন্ডারকে ছেড়ে দিয়েছে নাইট রাইডার্স। এ সুযোগ ভালোভাবেই নিতে মরিয়া দিল্লি।

    কেন উইলিয়ামসন

    কিউই অধিনায়ক কেন উইলিয়ামসন ব্যাট বেশ ধারাবাহিক। নিয়মিত রান পাচ্ছেন। সানরাইজার্স হায়দরাবাদ তাকে ছেড়ে দেওয়ায় দিল্লির নজর তার দিকে। দলের তিন নম্বর পজিশনে ব্যাট করার সঙ্গে সঙ্গে তার নেতৃত্ব জ্ঞানকেও কাজে লাগাতে চায় দলটি।

    প্যাট কামিন্সঃ

    বল হাতে চলতি বছর খুবই ধারাবাহিক অসি পেসার। এর আগে দিল্লির হয়ে নিজের নামের প্রতি সুবিচার করতে না পারলে যোগ দেন কলকাতায়। দল পরিবর্তন করে আবারও স্বরূপে ফেরেন এ তারকা। এরপরও এবার তাকে দলে রাখেনি কলকাতা। তাই দিল্লির আবার ঘরের ছেলেকে দলে ফেরানোর চিন্তা করছে।

  • গেট খুলতে দেরি হওয়ায় ছাত্রলীগ নেতার কাণ্ড

    গেট খুলতে দেরি হওয়ায় ছাত্রলীগ নেতার কাণ্ড

    লক্ষ্মীপুরে অক্সফোর্ড মডেল কলেজের পিয়ন মহসিন হোসেনকে মারধর করার অভিযোগ উঠেছে এক ছাত্রলীগ নেতার বিরুদ্ধে। শনিবার দুপুরে শহরের লিল্লাহ জামে মসজিদ সংলগ্ন ওই কলেজ গেটে এ ঘটনা ঘটে।

    তবে অভিযুক্ত সদর উপজেলা ছাত্রলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক করিমুল হক কনক ক্বারী বলেন, ছাত্রদের সামনে আমাকে অপমান করায় তাকে দুটি চড় দেয়া হয়েছে।

    খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। আহত মহসিন সদর হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন। এ ঘটনায় থানায় অভিযোগ করা হয়।

    স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, কলেজের দ্বাদশ শ্রেণির ছাত্র জাহেদ আলম নির্বাচনীয় পরীক্ষা তিন বিষয়ে অকৃতকার্য হয়। এতে কলেজ কর্তৃপক্ষ তার ফরম পূরণে অনিহা প্রকাশ করেন। একপর্যায়ে তাকে অভিভাবককে উপস্থিত করার জন্য বলা হয়। ঘটনার সময় জাহেদ ছাত্রলীগ নেতা কনক ক্বারীকে কলেজে নিয়ে আসেন। কনক গেট খুলতে বলতে পিয়ন অধ্যক্ষর অনুমতির জন্য যায়। এ সময় আসতে দেরি হওয়ায় তাকে এলোপাতাড়ি চড়-থাপ্পড়, কিল-ঘুষি দেয়া হয়। পরে শিক্ষকরা মহসিনকে উদ্ধার করে সদর হাসপাতালে নিয়ে যায়।

    সদর উপজেলা ছাত্রলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক করিমুল হক কনক ক্বারী বলেন, ছাত্রদের সামনে মহসিন আমার শার্টের কলার চেপে ধরেছে। এজন্য তাকে দুটি চড় দেয়া হয়। অধ্যক্ষের সঙ্গে এক নেতাকে ফোনে কথা বলিয়ে দিতে আমি সেখানে যাই। বিষয়টি সমাধানের চেষ্টা চলছে।

    অক্সফোর্ড কলেজের উপধ্যক্ষ মো. আশরাফুল ইসলাম জানান, এক ছাত্রের ফরম পূরণ না করার জের ধরে পিয়নকে বেধড়ক মারধর করা হয়। বিষয়টি থানা পুলিশ ও সিনিয়র নেতাদের জানানো হয়েছে।

    লক্ষ্মীপুর মডেল সদর থানা পুলিশের সহকারী উপ-পরিদর্শক (এএসআই) সাখাওয়াত হোসেন বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা হয়। এ ঘটনায় থানায় অভিযোগ করা হয়েছে। বিষয়টি স্থানীয়ভাবে সামাধানের চেষ্টা চলছে।

  • ৫ হাজার যাত্রী নিয়ে আটকা পড়ল ৪টি লঞ্চ

    ৫ হাজার যাত্রী নিয়ে আটকা পড়ল ৪টি লঞ্চ

    পটুয়াখালীর তেঁতুলিয়া নদীর ডুবোচরে আটকা পড়ছে ঢাকাগামী ৪টি লঞ্চ। শনিবার সন্ধ্যায় পটুয়াখালীর লোহালিয়ার একটি ডুবোচরে এসব লঞ্চ যাত্রী নিয়ে আটকা পড়ে। এ চারটি লঞ্চে অন্তত ৫ হাজার যাত্রী রয়েছেন।

    লঞ্চগুলো হচ্ছে- ঢাকাগামী এমভি সুন্দরবন-৯, এমভি সাত্তার খান, এমভি জামাল-৫ ও এমভি জামাল-৬। লঞ্চগুলো যাত্রী নিয়ে লোহালিয়ার ডুবোচরে আটকা পড়ে। শনিবার রাত সাড়ে ৭টার দিকে এ ঘটনা ঘটে বলে নিশ্চিত করেছেন পটুয়াখালীর নৌবন্দরের এক কর্মকর্তা।

    তবে এ কর্মকর্তা বলেছেন, চারটি লঞ্চে অন্তত ৫ হাজার যাত্রী রয়েছে। যাত্রীদের কোনো ক্ষয়ক্ষতি হয়নি। নদীতে জোয়ার আশার সঙ্গে সঙ্গে আটকা পড়া লঞ্চগুলো ঢাকার উদ্দেশে ছেড়ে যাবে।

    এ বিষয়ে আটকা পড়া এমভি সুন্দরবন-৯ লঞ্চের সুপারভাইজার মো. আব্দুর রাজ্জাক বলেন, পটুয়াখালীর লোহালিয়ার ঝিলনা এলাকায় চারটি লঞ্চ আটকা পড়েছে। এর মধ্যে সুন্দরবন-৯ লঞ্চই ছাড়াও ঢাকাগামী সত্তর খান, জামাল-৫ ও জামাল-৬ লঞ্চ রয়েছে।

    জানতে চাইলে পটুয়াখালী নদী বন্দরের উপ-পরিচালক আব্দুর রাজ্জাক বলেন, পটুয়াখালী থেকে ঢাকার উদ্দেশে ছেড়ে আসা সব লঞ্চের ইনচার্জের সঙ্গে কথা হয়েছে। তারা জানিয়েছে, ভাটার কারণে চারটি লঞ্চ ডুবোচরে আটকা পড়েছে। কিছুক্ষণ পর জোয়ার শুরু হতে পারে। জোয়ার শুরু হলে লঞ্চগুলো ঢাকার উদ্দেশে ছেড়ে যাবে। তবে লঞ্চের যাত্রীদের কোনো সমস্যা হয়নি। তারা সবাই নিরাপদে আছেন।

  • শেখ হাসিনার ভাষণে জনগণ নয়, বিএনপিই হতাশ : কাদের

    শেখ হাসিনার ভাষণে জনগণ নয়, বিএনপিই হতাশ : কাদের

    আওয়ামী লীগ সভানেত্রী ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভাষণে জনগণ নয়, বিএনপিই হতাশ। আগামী জাতীয় নির্বাচনে হেরে যাওয়ার ভয়ে বিএনপি নেতারা এখন আবোল তাবোল বকছেন। মিথ্যাচারের পুরনো ভাঙা রেকর্ড আবারো বাজাচ্ছেন তারা। আজ তারা (বিএনপি নেতা) হতাশার বালুচরে হাবুডুবু খাচ্ছেন।

    আগুন সন্ত্রাস চালিয়ে তারা তাদের ভোট ব্যাংকের যে ক্ষতি করেছেন তার মাশুল তাদের অনেকদিন দিতে হবে। এ মাশুল শুধু নির্বাচনে নয়, আরও অনেক দিন দিতে হবে।

    শনিবার সন্ধ্যায় শেখ হাসিনার ধানমন্ডি রাজনৈতিক কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের একথা বলেন।

    তিনি বলেন, নির্বাচনে অংশ নেয়া বিএনপির অধিকার, এটা সুযোগ নয়। সরকারের দয়া দাক্ষিণ্যের ওপর বিএনপি নির্বাচন করবে? তাহলে সংলাপে বসাবসি কি প্রয়োজন? এখানে জটিলতা আছে বলে জনগণ মনে করে না। সংলাপ কেন হবে না? প্রয়োজন হলে হবে কিন্তু এখন নির্বাচনের ব্যাপারে সংলাপের প্রয়োজন দেখছি না। তাছাড়া সংলাপের রাস্তা বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া নিজেই বন্ধ করেছেন। টেলিফোনে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে অসৌজন্য আচরণ করেছিলেন। অশ্রাব্য ভাষার ব্যবহার করেছিলেন। সেদিন প্রধানমন্ত্রীর আহ্বানে গণভবনে আসলে বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিবেশ অন্যরকম হতো।

    ওবায়দুল কাদের বলেন, আরাফাত রহমান কোকো মারা যাবার পর প্রধানমন্ত্রী তাকে সমবেদনা জানাতে গেলে দরজা বন্ধ করে দিয়েছিলেন। এর মাধ্যমে সংলাপের পরিবেশ নষ্ট করেছিল বিএনপি। সেদিন ঘরের দরজা বন্ধ করে সংলাপের দরজা বন্ধ করেছে।

    সেতুমন্ত্রী বলেন, সংলাপের আহ্বান বিএনপির স্ট্যান্টবাজি, সংলাপের কথা যতই বলে। সংলাপের মানসিকতা তাদের মধ্যে নেই। সংলাপ তারা চাই না, সংলাপের ইচ্ছা থাকলে সেদিন নোংরা ভাষায় সংলাপের আহ্বান প্রত্যাখ্যান করতো না। ক্রাইসিস পরিস্থিতি সৃষ্টি তারা জনগণকে নিয়ে করতে পারবেন না। তাদের জনগণের সমর্থন নেই। তারা পারবে আগুন সন্ত্রাস করতে। তবে এটা করলে জনগণই তাদের প্রতিহত করবে। সংলাপের দরজা আমরা বন্ধ করি নাই। রাজনৈতিক দল হিসেবে তা আমরা পারি না। তবে সেটা বিএনপির সঙ্গেই হতে হবে এমন কোনো কথা নেই। অন্য কারো সঙ্গেও হতে পারে। আর নির্বাচন সুষ্ঠু হলে সংলাপের প্রয়োজন কি?

    আওয়ামী লীগের শাসনামল পাকিস্তানের স্বৈরশাসক আইয়ুব খানের সঙ্গে তুলনার কঠোর সমালোচনা করে কাদের বলেন, শেখ হাসিনার শাসনামল আইয়ুব খানের সঙ্গে তুলনা করে, তারা প্রকারান্তরে পাকিস্তানের ভাবধারায় বিশ্বাস করে এবং তাদের রাজনীতি এটা বুঝিয়ে দিয়েছেন।

    সংবিধানে নির্বাচনকালীন সরকারের বিষয়টি উল্লেখ নেই মওদুদ আহমেদ এমন বক্তব্যের বিষয়ে তিনি বলেন, মওদুদ সাহেবের ব্যাপারে যত কম কথা বলা যায় তত ভালো। তিনি বহুরূপি ব্যারিস্টার। তিনি আইনের কথা বলে বেআইনি কথা বলছেন। সংবিধানে সবই আছে। আইন আছে, অনেক বিধি-বিধান আছে। আপনি আরেকবার ভালো করে সংবিধান দেখবেন। প্রধানমন্ত্রীর জাতির উদ্দেশ্যে দেয়া ভাষণ জনগণ গ্রহণ করেছে। এ ভাষণ যারা শুনেছেন তারা এক বাক্যে গ্রহণ করেছে, প্রশংসা ও সমর্থন করেছে। প্রধানমন্ত্রীর এ ভাষণ গঠনমূলক ইতিবাচক ও রাষ্ট্রনায়ক সুলভ। এ ভাষণ পরবর্তী নির্বাচনকে কেন্দ্র করে নয়, পরর্বতী প্রজন্মের কথা মাথায় রেখে প্রধানমন্ত্রী দিয়েছেন। দলমত নির্বেশেষে এমনকি বিএনপি সমমনা ও সমর্থকরাও পজেটিভ রাষ্ট্রনায়ক হিসেবে দেখেন। তিনি জাতির স্বার্থে এ ভাষণ দিয়েছেন।

    সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন মাহবুব উল আলম হানিফ, আহমদ হোসেন, ফরিদুন্নাহার লাইলী, আবদুস সোবহান গোলাপ, দেলোয়ার হোসেন, সুজিত রায় নন্দী, রোকেয়া সুলতানা, বিপ্লব বড়ুয়া, আনোয়ার হোসেন, গোলাম রাব্বানী চিনু প্রমুখ।

  • মনোনয়নপত্র নিলেন মেয়র প্রার্থী আতিকুল

    মনোনয়নপত্র নিলেন মেয়র প্রার্থী আতিকুল

    ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের (ডিএনসিসি) মেয়র পদে উপ-নির্বাচনে বিজিএমইএ’র সাবেক সভাপতি আতিকুল ইসলাম আওয়ামী লীগের মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছেন। আজ (শনিবার) সকাল থেকে মনোনয়ন ফরম দেয়া শুরু করেছে আওয়ামী লীগ, চলবে আগামী সোমবার (১৫ জানুয়ারি) পর্যন্ত।

    শনিবার বিকেলে আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার ধানমন্ডির রাজনৈতিক কার্যালয়ে এসে দলের দফতর সম্পাদক আবদুস সোবাহান গোলাপের কাছ থেকে আতিকুল ইসলামের পক্ষে তার প্রতিনিধিরা মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেন। প্রতিনিধি দলে ছিলেন তার নির্বাচনী সমন্বয়ক একেএম মিজানুর রহমান ও সহকারী সমন্বয়ক ইমতিয়াজ মঈনুল ইসলাম।

    এর আগে সকালে ফরম সংগ্রহ করেন দুই মেয়র প্রার্থী রাসেল আশেকী এবং আদম তমিজি হক। এদিন আরও মনোনয়ন কিনেছেন প্রিন্সিপাল শাহ আলম ও মনিপুর স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ ফরহাদ হোসেন।

  • ওসমান ফারুকের বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের সম্পৃক্ততা মিলছে

    ওসমান ফারুকের বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের সম্পৃক্ততা মিলছে

    মুক্তিযুদ্ধের সময় দেশের মানুষ যখন হত্যা ও গণহত্যার ভয়ে প্রাণ নিয়ে পালিয়ে বেড়াতেন তখন আলবদর বাহিনী ও সেনা সদস্যদের সঙ্গে নিয়ে ড. ওসমান ফারুক বিভিন্ন হুমকি দিতেন ময়মনসিংহ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বর্তমানে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়) শিক্ষকদের। তার হুমকি আর নিযার্তনের ভয়ে তটস্থ থাকতেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকরা। হুমকি দিয়ে তার সহযোগী শিক্ষকদের মাধ্যমে বিভিন্ন মহল্লা ও বাড়ি থেকে সুন্দরী নারীদের তুলে আনতেন। পরে সেসব নারীদের ওপর নির্যাতন করত পাকিস্তানি নরপশুরা।
    মানবতাবিরোধী অপরাধ তদন্ত সংস্থার সূত্র এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন। সূত্র আরও জানায়, ১৯৭১ সালের আগে থেকেই ময়মনসিংহ শহরের বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় বসবাস করার সুবাদে অনেক কিছু তার জানা ছিল। কারা মুক্তিযোদ্ধা এবং আওয়ামী লীগ করেন তা জানতেন তিনি। শিক্ষক, কর্মচারী ও আশপাশের এলাকার সুন্দরী নারীদের ধরে আনা হতো। নারীদের ধরে নিয়ে আসার পর কথা না শুনলে চলত নির্যাতন। এমন অভিযোগসহ নানা তথ্য ওঠে আসছে ড. ওসমান ফারুকের বিরুদ্ধে।

    এ বিষয়ে জানতে চাইলে তদন্ত সংস্থার কো-অর্ডিনেটর এম সানাউল হক জানান, বিএনপি নেতা ড. ওসমান ফারুকের অপরাধ বিষয়ে অনুসন্ধান শেষে তদন্ত শুরু করার পর তা অব্যাহত রয়েছে। তার বিরুদ্ধে অপরাধের তথ্য মিলছে। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা  মো. হেলাল উদ্দিন  জানান, তার বিরুদ্ধে ১৯৭১ সালে সংঘটিত অপরাধের তথ্য ওঠে আসছে এবং অপরাধের সম্পৃক্ততা মিলছে। তদন্ত চলমান রয়েছে। আরো বেশ কিছু সময় ধরে তদন্ত কাজ চালিয়ে যেতে হবে।

    তিনি জানান, বিএনপির প্রভাবশালী নেতা ও সাবেক মন্ত্রী ড. ওসমান ফারুকের বিরুদ্ধে ২০১৭ সালের ৪ জানুয়ারি থেকে আনুষ্ঠানিক তদন্ত শুরু করা হয়েছে। তার অপরাধ বিষয়ে জানার জন্য জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে ধর্মমন্ত্রী প্রিন্সিপাল মো. মতিউর রহমান, কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের তৎকালীন রেজিস্ট্রার, ডেপুটি রেজিস্ট্রার ও বর্তমান প্রো-ভিসিসহ বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা এবং মুক্তিযোদ্ধা, প্রত্যক্ষদর্শীসহ ৪০ থেকে ৪৫ জনকে। জিজ্ঞাসাবাদ এবং দালিলিক প্রমাণ মিলিয়ে পাওয়া তথ্য উপাত্ত থেকে ওসমান ফারুকের অপরাধের সম্পৃক্ততা পাওয়া যাচ্ছে বলে জানা গেছে। তবে, মামলার স্বার্থে সাক্ষীদের নাম প্রকাশ করা যাবে না।

    এর আগে মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে ইতোমধ্যে বিএনপির শীর্ষ পর্যায়ের নেতা সালাহ উদ্দিন কাদের চৌধুরী ও জামায়াতে ইসলামীর নেতা মতিউর রহমান নিজামী, আলী আহসান মুহাম্মদ মুজাহিদ, কামারুজ্জামান, কাদের মোল্লা ও মীর কাসেম আলীসহ ৬ জনের ফাঁসি কার্যকর করা হয়েছে। ট্রাইব্যুনালে কারাদণ্ড ঘোষণার পর আপিল শুনানির সময় জামায়াতের সাবেক আমির গোলাম আযম ও বিএনপি সরকারের সাবেক মন্ত্রী আব্দুল আলিম মারা যান। এ ছাড়া জামায়াতের এক নায়েবে আমিরের অামৃত্যু কারাদণ্ড বহাল রয়েছে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগে।

    বর্তমানে প্রভাবশালী বিএনপি নেতা ড. ওসমান ফারুকের বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত চলছে। তার বিরুদ্ধে করা তদন্তে অপরাধের সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকার তথ্য পাওয়া যাচ্ছে বলেও আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল গঠিত তদন্ত সংস্থা সূত্রে তথ্য জানা গেছে। ড. ওসমান ফারুক বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ও সাবেক শিক্ষামন্ত্রী। তিনি বর্তমানে বিদেশে অবস্থান করছেন বলেও জানান তদন্ত সংস্থার সংশ্লিষ্ট সূত্র। তদন্তে ওসমান ফারুকের বিষয়ে অপরাধের তথ্য মিলছে বলে জানান তদন্ত সংস্থার জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা এম. সানাউল হক। তিনি আরও জানান, মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মো. হেলাল উদ্দিনসহ আরও একজন গুরুত্বপূর্ণ তদন্তকারী কর্মকর্তা সহযোগীদের নিয়ে তদন্ত কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন।

    ইতোমধ্যে ড. ওসমান ফারুকের অপরাধের বিষয়ে তার আগের কর্মস্থল (৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন) ময়মনসিংহ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় এলাকাসহ আশপাশে ওই মহানগরীর বিভিন্ন এলাকা ঘুরে তথ্য সংগ্রহের কাজ শুরু হয়েছে, যা এখনও চলছে। এছাড়া মুক্তিযুদ্ধকালীন মুক্তযোদ্ধা, ভিকটিম পরিবার, প্রত্যক্ষদর্শী সাক্ষীসহ দালিলিক প্রমাণ সংগ্রহের কাজ চলছে। এ মামলা প্রক্রিয়ার অগ্রগতি হচ্ছে, তার বিরুদ্ধে অপরাধের সম্পৃক্ততা পাওয়া যাচ্ছে।

    অন্যদিকে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মো. হেলাল উদ্দিন  জানান, ময়মনসিংহ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় সংলগ্ন গাঙ্গিনারপাড়, ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ এলাকার অপদা মোড়সহ বিভিন্ন এলাকায় অবস্থিত গণকবর, পাকিস্তানি আমির ক্যাম্প ,প্রত্যক্ষদর্শীদের কাছ থেকে বিভিন্ন ঘটনা এবং অপরাধে জড়িত থাকার তথ্য সংগ্রহের কাজ চলছে। তিনি আরও জানান, ময়মনসিংহ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে হাজারেরও বেশি লোককে হত্যা করা হয়েছে। তাই সেখানে শহীদদের স্মরণে স্মৃতিস্তম্ভ তৈরি করা হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয় সংলগ্ন খালপাড় কমিউনিটি সেন্টার ও নদীর তীরে গণকবর রয়েছে। এছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ের গেস্ট হাইস বর্তমান হলে পাক আর্মিদের ক্যাম্প ছিল বলে জানান তিনি।

    তদন্ত কর্মকর্তা মো. হেলাল উদ্দিন জানান, মামলার জন্য যেসব সাক্ষী রয়েছেন তাদের সবাই জানিয়েছেন, ৭১ সালে বিশ্ববিদ্যালয়ে রাজাকার, আলবদর ও আর্মিদের সমন্বয়ে তৈরি করা ক্যাম্পে আটককৃতদের নির্যাতনের পর হত্যা করা হতো। মুক্তিযুদ্ধ শুরু হওয়ার পর ট্রেন থেকে পাকিস্তানি আর্মিরা নেমে আসার সময় তাদের আমন্ত্রণ জানিয়ে কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে নিয়ে যাওয়া হয় এবং তাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রদের জন্য নির্মিত হলে থাকার জন্য বলা হয়। তখন পাক আর্মিরা সেখানে একটি ক্যাম্প স্থাপন এবং হলের কয়েকটি কক্ষে বসবাস করত। তিনি আরও জানান, তৎকালীন সময়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের কক্ষে ক্যাম্প ছাড়াও বর্তমান ডাক বাংলোয় পাকিস্তানিদের ক্যাম্প ছিল, যা তদন্তে ওঠে এসেছে। পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর তৈরি করা এসব ক্যাম্পে আর্মিরা বসবাস করত এবং ময়মনসিংহ সদরের বিভিন্ন এলাকা থেকে নারীদের ধরে এনে নির্যাতন করত। পাকিস্তানি সেনাদের সঙ্গে আল-বদর সদস্যরাও নারীদের ধরে আনতে সহযোগিতা করত।

    ওসমান ফারুকের মামলার সর্বশেষ অবস্থার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ১৯৭১ সালে ময়মনসিংহ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত ছাত্র এবং শিক্ষকদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। তাদের অবস্থান দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকার কারণে সাক্ষীদের কাছ থেকে তথ্য সংগ্রহ করার কাজ কিছুটা দেরি হচ্ছে। তাই এ মামলার তদন্তের প্রয়োজনে দেশের বিভিন্ন জেলায় সফর করতে হচ্ছে। অবসরপ্রাপ্ত এক শিক্ষকের বাড়ি রাজশাহী হওয়ায় চলতি সপ্তাহে সেখানে যাচ্ছেন ওই শিক্ষকের কাছ থেকে তথ্য সংগ্রহ করার জন্য। এর আগে ২০১৬ সালের ৪ মে, বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন চারদলীয় জোট আমলের প্রভাবশালী এ মন্ত্রীর নাম মানবতাবিরোধীদের তালিকায় আসে বলে জানিয়েছিলেন তদন্ত সংস্থার জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা এম. সানাউল হক মিয়া।

    একাত্তরে সংঘটিত হত্যা, গণহত্যা এবং মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। সানাউল হক বলেন, একাত্তরে সংঘঠিত মানবতাবিরোধী অপরাধের তদন্ত করতে গিয়ে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় ময়মনসিংহের ১১ জন প্রফেসরের নাম পাওয়া গেছে, যারা স্বাধীনতাবিরোধী কর্মকাণ্ড করেছেন। তাদের মধ্যে ড. ওসমান ফারুকের নামও দেখতে পান অনুসন্ধানকারীরা। তখন তিনি ময়মনসিংহ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে কর্মরত ছিলেন। তিনি বলেন, কাগজপত্রে দেখা যায়, একাত্তরে মুক্তিযুদ্ধের সময় ওসমান ফারুকসহ ১১ জন শিক্ষক পাকিস্তানি সেনাবাহিনীকে সহায়তা করেছিলেন। সে সময় ময়মনসিংহ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় স্বাধীনতাবিরোধী কর্মকাণ্ডে অংশ নেন তারা।

  • দার্শনিক আরজ আলী মাতুব্বর’র বাড়িতে আড্ডা ধানসিড়ি’র বাৎসরিক ভ্রমণ ভোজন অনুষ্ঠিত

    দার্শনিক আরজ আলী মাতুব্বর’র বাড়িতে আড্ডা ধানসিড়ি’র বাৎসরিক ভ্রমণ ভোজন অনুষ্ঠিত

    হুজাইফা রহমান:

    আড্ডা ধানসিড়ি’র বাৎসরিক ভ্রমণ ভোজন ও দার্শনিক আরজ আলী মাতুব্বর এর স্মৃতি বিজরিত আরজ দুয়ারে দিনব্যপি কর্মশালায় আরজ আলী মাতুব্বরের ওপর স্মৃতিচারণ, জীবনী পাঠ, তার কর্মময় জীবন নিয়ে আড্ডা ধানসিড়ির আড্ডারুগণ ও আড্ডা ধানসিড়ির সুভাকাঙ্ক্ষীরা বিষদ আলোচনা করেন ।

    আলোচনা সভার সভাপতিত্ত্ব করেেন বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র বরিশালের সমন্বয়কারী ও বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী রেজিষ্ট্রাড ড. বাহাউদ্দিন গোলাপ । অনুষ্ঠান সঞ্চালনার দায়িত্বে ছিলেন কবি ছোটন্দ্রনাথ চক্রবর্তী । অনুষ্ঠানের শুরুতে আড্ডা ধানসিড়ির পক্ষ থেকে শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন আড্ডারু কবি শফিক আমিন । আরজ আলী মাতুব্বরের ওপর পর্যায়ক্রমে আলোচনা করেন, আড্ডারু সামসুল ইসলাম, সাইফুল ইসলাম সাইফ, নাজমুল সামস, রবীন্দ্র রবীন, এস. কে. লুনা, আতিকুর রহমান হিমু, শফিক আমিন, অসীম কুমার বাড়ৈ, মোঃ রেজা, মোঃ আরিফ রহমান, মাহমুদ অর্ক্য, মোঃ মাসুদ মাহমুদ, মিনতী দাস, কাজী সাইফুল ইসলাম, আরজ আলী মাতুব্বরের মেয়ে বিয়াম্মা বেগম মুকুল এবং আরজ আলী মাতুব্বরের নাতি ও আরজ লাইব্রেরীর সাধারণ সম্পাদক শামীম মাতুব্বর।

    শেষ পর্বে আরজ আলী মাতুব্বরকে নিবেদিত কবিতা পাঠ করেন, কবি ইয়াসিন হীরা, কবি ও ছড়াকার জয়নাল আবেদীন, হুজাইফা রহমান, কবি আবদুর রহমান, কবি অনিতা পাণ্ডে প্রমুখ। অনুষ্ঠানের শেষে আরজ লাইব্রেরীর সভাপতি জনাব শাহ আজিজুর রহমান খোকন আগত সকলকে ধন্যবাদ বক্তব্যে ভবিষ্যতে এমন আরও অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে সাধারণ মানুষের ভেতর আরজ আলী মাতুব্বরকে তুলে ধরার অনুরোধ জানান । পরিশেষে আরজ লাইব্রেরীতে বই প্রদানের করা হয় এবং সভাপতি সবাইকে শুভেচ্ছা জানিয়ে ভবিষ্যতে এমন অনুষ্ঠানের আয়োজন করার প্রতিশ্রুতিতে সভা সমাপ্ত ঘোষণা করেন ।

  • ৩ জিডি, মানববন্ধন ও প্রশাসনে স্মারকলিপি দেয়ার পরও ব্যাবস্থা নেয়নি

    ৩ জিডি, মানববন্ধন ও প্রশাসনে স্মারকলিপি দেয়ার পরও ব্যাবস্থা নেয়নি

    সুবাশ দাস:

    দুর্নীতি, অর্থ আত্মসাৎ, যৗেন কেলেঙ্কারিতে যুক্ত কোয়ান্টাম ফাউন্ডেশন বরিশাল শাখার ফয়সাল মাহমুদ এবং সামিহা মাহমুদকে এখনও অপসারন করেনি ফাউন্ডেশন কর্তৃপক্ষ। এমনকি মাস্তান উল্লার বিরুদ্ধেও কোনো পদক্ষেপ নেয়নি। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন মহিলা সদস্য বলেন, “পরিচালক ফয়সাল মাহমুদ এবং তার মেয়ে সামিহা মাহমুদ অবৈধ যৌন কার্যক্রমে যুক্ত, তাছাড়া আর্থিক কেলেঙ্কারিতে যুক্ত। পত্রিকায় একাধিকবার আসছে। তারপরও তাকে আর তার পরিবারকে অপসারন করা হচ্ছেনা। ফলে আমরা বরিশালে মুখ দেখাতে পারছিনা”। আরও একজন বলেন, “পাবলিক ডোনেশনে পরিচালিত সংগঠনে এসব অনৈতিক ও অসামাজিক, অশ্লীল কাজের তীব্র নিন্দা জানাই।

    গুরুজীর প্রতি শ্রদ্ধা কমে যাচ্ছে, যে তিনি এখনও ফয়সাল মাহমুদ এবং সামিহা মাহমুদকে অপসারন/আইনি ব্যাবস্থায় নেয়নি”। বরিশাল অফিসে ফয়সাল মাহমুদ ও তার মেয়ে সামিহা মাহমুদের অফিস রুমে যৌন কেলেঙ্কারি ধরা পড়ার পরও অথরিটি ব্যাবস্থা নেয়নি। একারনে ক্ষোভে ফেটে পড়ছে সদস্যরা। শতাধিক সদস্যরা যাতায়াতও বন্ধ করে দিয়েছে। এমতাবস্থায় মহাজাতক প্রশ্নবিদ্ধ হচ্ছেন বলে জানা গেছে। সদস্যসহ বরিশালের সাধারন নাগরিকদের একটাই প্রশ্ন, “তাহলে ভারতের মত কি রামরহিম লীলা চলছে কোয়ান্টামেও”। অপকর্মের রাজস্বাক্ষী হওয়ায় নির্যাতনের স্বীকার সুভাশীষ দাস বলেন, “আশা করেছিলাম গুরুজী ব্যাবস্থা নিবে কিন্তু উল্টো কোন কারন দর্শানো ছাড়া আমার সদস্যপদ বাতিল করে ছবি টানিয়ে মানহানি করেছে। এবার খুব শীঘ্রই ফয়সাল মাহমুদের নামে আদালতে অন্যায়, অপকর্ম ধামাচাপা দিতে আমাকে হত্যার হুমকি দিয়ে চাকুরী থেকে সরানো অভিযোগে মামলা দায়ের করবো। সেই সাথে ছবি টানিয়ে হেনস্থা করার জন্য মানহানির মামলাও করবো”।

    ভুক্তভুগী সুমন চন্দ্র দাস বলেন, “সংখ্যালঘু বলে আমাদের উপর নির্যাতন হয়েছে, তা নাহলে সামিহা মাহমুদের সাথে অফিসে অশ্লীল কাজ করার পরও খোরশেদকে চাকুরী থেকে সরিয়ে সবার আড়ালে তাকে বাড়ি পাঠিয়েছে। এসব অপকর্মের বিচার চাই আমরা”। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক প্রবীন সদস্য বলেন, “আমরাই কোয়ান্টামের জন্ম দিয়েছি বরিশালে, অথচ আজ ঘৃনায় মুখ দেখাতে পারছি না, এদের জঘন্য কাজের জন্য”। কলঙ্কিত বরিশাল কোয়ান্টাম অফিস, এভাবেই হতাশার বাণী শোনাচ্ছেন বরিশালবাসী।সকলের দাবী, এখন সময় থাকতে প্রশাসনই ব্যাবস্থা নিক, যাতে এসবের পুনরাবৃত্তি না হয়।

  • ঢাকা পৌঁছেছে হাথুরুসিংহের শ্রীলঙ্কা দল

    স্বাগতিক বাংলাদেশ ও জিম্বাবুয়ের সঙ্গে ত্রিদশীয় সিরিজে অংশ নিতে চন্ডিকা হাথুরুসিংহের অধীনে ঢাকায় পৌঁছেছে শ্রীলঙ্কা দল। আজ শনিবার সকালে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমান বন্দরে পৌঁছায় তারা।

    হাথুরুসিংহের অধীনে লঙ্কানদের প্রথম মিশন এটি। অন্যদিকে, টাইগারদের সবশেষ আন্তর্জাতিক ম্যাচেও দলের দায়িত্বে ছিলেন হাথুরু। তাই সব কিছু মিলিয়ে এই ম্যাচকে ঘিরে ক্রিকেটপ্রেমীদের মধ্যে জল্পনা-কল্পানার শেষ নেই।

    ১৫ জানুয়ারি শুরু হবে মূল ত্রিদেশীয় টুর্নামেন্ট। এতে প্রতিটি দল প্রত্যেকের বিপক্ষে দু’বার করে খেলবে লিগ পর্যায়ে। এরপর অনুষ্ঠিত হবে ফাইনাল। টুর্নামেন্টের ৭টি ম্যাচই ফ্লাড লাইটের নিচে মিরপুরে অনুষ্ঠিত হবে। ১৫ জানুয়ারি বাংলাদেশ ও জিম্বাবুয়ের ম্যাচ দিয়ে শুরু হবে খেলা। এরপর ১৯ জানুয়ারি শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে, ২৩ জানুয়ারি আবার জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে এবং ২৫ জানুয়ারি আবার শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে খেলবে বাংলাদেশ। ১৭ ও ২১ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত হবে দুটি শ্রীলঙ্কা ও জিম্বাবুয়ে ম্যাচ। আর ২৭ জানুয়ারি ফাইনালের ভেতর দিয়ে পর্দা নামবে এই টুর্নামেন্টের।

  • মেয়েদের লজ্জাস্থানের ছবি তোলার জন্য জুতায় ক্যামেরা!

    মেয়েদের লজ্জাস্থানের ছবি তোলার জন্য জুতায় ক্যামেরা!

    বিনা অনুমতিতে নারীদের অশ্লীল ছবি তোলার বহু অভিযোগ এসে থাকে। তবে  এবার ভারতের কেরালার এক যুবক যা করে বসল, তা সম্ভবত ধারণা করতে পারেননি কেউই।

    নারীদের স্কার্টের নীচের ছবি তোলার জন্য জুতার মধ্যে মোবাইল ফোন লুকিয়ে রেখেছে এক যুবক ৷ প্রথমে জুতা কেটে আড়াআড়ি ভাবে দুভাগ করত বাইজু নামে সেই যুবক। এরপর একটি ছিদ্র করত৷ মোবাইল ফোনটি এমন ভাবে রাখত যে ক্যামেরাটি সেই ছিদ্রের ওপর থাকত ৷

    এরপর আগের মত জুতোটিকে সেলাই করে রাখা হত। নারীদের তার প্রতি কোনও সন্দেহও হয়নি কারণ চটিতে যে মোবাইল ফোন কেউ স্কার্টের নীচের ছবি তুলছে তা কেউ ভাবতেও পারেনি ৷ তবে পুলিশের নজর থেকে বাঁচতে পারেনি সেই ব্যক্তি ৷

    বাইজু নামের সেই যুবক কেরালের থ্রিসুর জেলার স্কুল আর্টস ফেস্টিভ্যালে ব্যবহার করেছিল৷ জুতার সাইডে ছিদ্র করে সোলের নীচে ফোনটি এমন করে রাখা ছিল যে ফাঁকা জায়গা থেকে সহজেই ছবি তোলা যাবে ৷ শুধু তাই নয় বাইজু একটি স্পেশ্যাল স্টিল কেস বানিয়েছিল যাতে ফোনটি চাপে পড়ে নষ্ট না হয় ৷ তবে তার ব্যবহার দেখে সন্দেহ হয় এক পুলিশকর্মীর ৷ তাকে ধরে তল্লাশি চালাতেই সামনে আসে সত্যিটা ৷