Author: banglarmukh official

  • আন্দোলনে পরাজিতরা নির্বাচনেও পরাজিত হবে

    আন্দোলনে পরাজিতরা নির্বাচনেও পরাজিত হবে

    আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক এনামুল হক শামীম বলেছেন, ৫ জানুয়ারি নির্বাচনে সরকারের ধারাবাহিকতা ছিল বলেই আজকে বাংলাদেশ সব সূচকে এগিয়ে যাচ্ছে। উন্নয়নের ধারাবাহিকতার জন্য সরকারের ধারাবাহিকতাও প্রয়োজন। এ জন্য আগামী নির্বাচনেও আওয়ামী লীগকে ক্ষমতায় আনতে হবে। যারা আন্দোলনে পরাজিত হয়, তারা নির্বাচনেও পরাজিত হবে। বিএনপি নেত্রী খালেদা জিয়া সরকার পতনের আন্দোলনে পরাজিত হয়েছিলেন, এবার একাদশ সংসদ নির্বাচনেও পরাজিত হবে।

    আজ শুক্রবার সরকারের চার বছর পূর্তি উপলক্ষে শরীয়তপুরের নড়িয়ার ঘড়িসা ইউনিয়নের নোয়াদার বাঙলাবাজার মাঠে আওয়ামী লীগের উদ্যোগে আলোচনা সভা ও শীতবস্ত্র বিতরণ অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

    ঘড়িসার ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি আকবর হোসেন হাওলাদারের সভাপতিত্বে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, উপজেলা চেয়ারম্যান একেএম ইসমাইল হক, সখিপুর থানা সভাপতি হুমায়ুন কবির মোল্লা, নড়িয়ার আওয়ামী লীগ নেতা ও ইউপি চেয়ারম্যানদের মধ্যে হাবিবুর রহমান সিকদার, আবদুর রব খান, হাসেম দেওয়ান, এনায়েতউল্লাহ মুন্সি, আলমগীর হোসেন, লিয়াকত হোসেন মুন্সি, ফজলুল হক মাল, আলম বয়াতি, আদিল মুন্সি, জহির শিকদার, মনির হোসেন সুমন, সানাউল্লাহ, ছাত্রলীগের ফরহাদ হোসেন রিয়াদ, মফিজুর রহমান হিরু প্রমুখ।

    এনামুল হক শামীম বলেন, সংবিধান অনুযায়ী নির্বাচিত সরকারের অধীনেই নির্বাচন হবে। সংবিধানের বাইরে গিয়ে অনির্বাচিতদের হাতে ক্ষমতা ছেড়ে দেওয়া হবে না। নিয়ম অনুযায়ী বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাই নির্বাচনকালীন সরকারের প্রধান থাকবেন। প্রধানমন্ত্রীর অধীনেই বিএনপিকে নির্বাচনে অংশ নিতে হবে।

    তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থাকলে দেশের উন্নয়ন হয়। বিশ্ব দরবারে মাথা উচু করে দাঁড়ায়। আর বিএনপি ক্ষমতায় থাকলে দেশ দুর্নীতিতে চ্যাম্পিয়ন হয়। বিদেশে ভাবমূর্তি নষ্ট হয়। দেশের অর্থ পাচার হয়। তাই বাংলাদেশকে এগিয়ে নিতে হলে, দেশের স্বাধীনতা সার্বভৌমত্ব অক্ষুন্ন রাখতে হলে তৃতীয় মেয়াদে আওয়ামী লীগকে ক্ষমতায় আনতে হবে। সরকারের ধারাবাহিকতা ছিল বলেই আজকে নিজস্ব অর্থায়নে পদ্মা সেতু হচ্ছে। বড় বড় মেগাপ্রকল্প বাস্তবায়ন হচ্ছে।

  • আনসার সদস্যের অবহেলায় সেফ হোম থেকে ৭ কিশোরীর পলায়ন!

    আনসার সদস্যের অবহেলায় সেফ হোম থেকে ৭ কিশোরীর পলায়ন!

    চট্টগ্রামের হাটহাজারী উপজেলার ফরহাদাবাদ ইউনিয়নে মহিলা ও শিশু-কিশোরী হেফাজতিদের নিরাপদ আবাসন কেন্দ্র (সেফ হোম) থেকে সাত কিশোরী দায়িত্বরত আনসার সদস্যদের অবহেলায় পালাতে সক্ষম হয়েছে। সাত কিশোরীর পালানোর ঘটনায় গঠিত তদন্ত কমিটি বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় দায়িত্বে অবহেলার কথা উল্লেখ করে একটি প্রতিবেদন দেন।

    জানা যায়, সমাজসেবা অধিদপ্তর পরিচালিত চট্টগ্রাম বিভাগের একমাত্র নিরাপদ আবাসন কেন্দ্র (সেফ হোম) থেকে গত মঙ্গলবার রাতে খাবার কক্ষের পেছনের গ্রিল ভেঙ্গে সাত কিশোরী পালিয়ে যায়। এ ঘটনার পর সমাজ সেবা অধিদপ্তর চট্টগ্রামের বিভাগীয় পরিচালক ড. নাজনীন কাউসার চৌধুরীকে প্রধান, অতিরিক্ত পরিচালক বন্দনা দাশ ও উপ-পরিচালক শহীদুল ইসলামকে সদস্য করে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করে। কমিটি ‘ঘটনার দিন কর্তব্যরত আনসার সদস্যের অবহেলার কারণেই কিশোরীরা পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়েছে’ বলে উল্লেখ করে বৃহষ্পতিবার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করে।

    সমাজ সেবা অধিদপ্তর চট্টগ্রামের বিভাগীয় পরিচালক ড. নাজনীন কাউসার চৌধুরী বলেন, ‘প্রাথমিকভাবে দায়িত্বরত আনসার সদস্যের অবহেলার বিষয়টি উঠে আসে। তদন্ত কমিটি পর্যালোচনা করে দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। বিষয়টি আমরা খতিয়ে দেখছি।’

    চট্টগ্রাম জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (উত্তর) মশিউর দৌলা রেজা বলেন, ‘পালিয়ে যাওয়া কিশোরীদের এখনো উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি। তাদের উদ্ধারে হাটহাজারী থানা পুলিশের অভিযান অব্যাহত আছে।’

    জেলা সমাজ সেবা অফিস সূত্রে জানা যায়, নিখোঁজ থাকা কিশোরীরা হলেন- ময়না, জান্নাতী, আরিফা ইসলাম, তুহিন আকতার, লিজা আকতার, দিলরুবা সিদ্দিকা পাখি ও লিজা মণি। পালিয়ে যাওয়া সুমাইয়া (১৯) নামের এক তরুণীকে গত বুধবার সকালে স্থানীয় নুর আলী মিয়ার হাট থেকে জনতা আটক করে সেফ হোমের কর্মকর্তাদের কাছে হস্তান্তর করে। প্রথমে আটজন পালালোও এখনো নিঁখোজ আছে সাতজন। পালানো কিশোরীদের বাড়ি কক্সবাজার, নোয়াখালী ও কুমিল্লায়। এদের বয়স ১২ থেকে ১৭ এর মধ্যে। বিভিন্ন মামলার ভুক্তভোগী হিসেবে আদালতের নির্দেশে তারা এ সেফ হোমে ছিল। বর্তমানে এখানে মোট ৫৬ জন হেফাজতি মহিলা ও শিশু ছিল।

    জানা যায়, তদন্ত কমিটির সদস্যরা গতকাল সরেজমিনে ঘটনাস্থলে পরিদর্শন করে। নিরাপদ হেফাজতিদের পালানোর বিষয়টি তদন্ত করে একটি প্রতিবেদন তৈরি করে গতকাল ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের বরাবারে প্রেরণ করেন। প্রতিবেদনে প্রাথমিকভাবে ঘটনার দিন সেফ হোমে দায়িত্বরত আনসার সদস্যের অবহেলাকে দায়ী করা করা হয়েছে। ঘটনার সময় কর্তব্যরত আনসার সদস্য সেফ হোমে উপস্থিত ছিল না বলেও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়। এ কারণেই হেফাজতি কিশোরীরা পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়েছে বলে জানায় তদন্ত কমিটি।

    অভিযোগ উঠেছে, ঘটনার দিন রাত ২টা পর্যন্ত একজন আনসার সদস্য ডিউটিতে ছিলেন। ডিউটি শেষে তিনি ঘুমিয়ে পড়েন। রাত ২টা থেকে যে আনসার সদস্যের ডিউটি ছিল তিনি কর্মস্থলে অনুপস্থিত ছিলেন। এ সময় হেফাজতিরা কেন্দ্রের রান্না ঘরের পেছনের জানালার লোহার গ্রিল ধাক্কা দিয়ে সহজে ভেঙ্গে পালিয়ে যায়। গ্রিলটি মরিচা ধরে নড়বড়ে হয়ে গিয়েছিল।

  • ফিল্মি স্টাইলে’ বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে ছাত্রীকে রাতভর ধর্ষণ

    ফিল্মি স্টাইলে’ বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে ছাত্রীকে রাতভর ধর্ষণ

    গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জে দশম শ্রেণির এক ছাত্রীকে ‘ফিল্মি স্টাইলে’ বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে রাতভর ধর্ষণের অভিযোগ পাওয়া গেছে।

    বুধবার রাতে ওই মেয়ের মা বাদী হয়ে বুধবার রাতে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে গোবিন্দগঞ্জ থানায় একটি মামলা করেছেন।

    মেয়েটির মা জানান, উপজেলার বিশুবাড়ী গ্রামে তাদের বাড়ি হলেও ঘটনার দিন তার মেয়ে সাহেববাড়ী গ্রামে খালার বাড়িতে ছিল। সেখান থেকে সোমবার রাতে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে মোটরসাইকেলে তুলে নিয়ে যায় ৪/৫ জনের সংঘবদ্ধ দুর্বৃত্ত দল। পরে দুর্বৃত্তরা মেয়েটিকে কাঁঠালবাড়ি এলাকার একটি বাড়িতে নিয়ে যায়। সেখানে দুবৃত্তদের একজন তাকে রাতভর ধর্ষণ করে। এরপর মঙ্গলবার সকালে তার বাড়ির কাছে রেখে চলে যায়।

    ভিকটিমের মেডিকেল টেস্ট সম্পন্ন হয়েছে জানিয়ে গোবিন্দগঞ্জ থানার ওসি মজিবুর রহমান বলেন, আসামিদের গ্রেফতারে চেষ্টা চলছে।

  • বিএনপি সুপ্রিম কোর্টকে রাজনৈতিক মঞ্চ বানিয়েছে-এ্যাড. ইউসুফ হোসেন হুমাউন

    বিএনপি সুপ্রিম কোর্টকে রাজনৈতিক মঞ্চ বানিয়েছে-এ্যাড. ইউসুফ হোসেন হুমাউন

    বরিশালে বঙ্গবন্ধু আওয়ামী আইনজীবী পরিষদের বলিশাল বিভাগীয় প্রর্যায়ের সদস্য সংগ্রহ কার্যক্রমের শুভ উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি বঙ্গবন্ধু আওয়ামী আইনজীবী পরিষদের আহবায়ক এ্যাড. ইউসুফ হোসেন হুমাউন বলেছেন বিএনপির আইনজীবী সুপ্রিম কোট আইনজীবী ভবনকে এখন একটি রাজনৈতিক মঞ্চ বানিয়েছে। আমরাও এক সময়ে ছিলাম তখন রাজনৈতিক কর্মকান্ড চালাই নি। এবার যদি আমরা আসতে পারি তাহলে ঢাকার বাহিরে যদি সার্কিট বেঞ্চ হয় তাহলে সেটি সবার আগে বরিশালে হবে। আজ বিকালে বরিশাল শহীদ আঃ রব সেরনিয়াবাত আইনজীবী ভবন মিলনায়তনে বঙ্গবন্ধু আওয়ামী আইনজীবী পরিষদ বরিশাল জেলা কমিটির আয়োজনে সদস্য সংগ্রহ কার্যক্রম উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি একথা বলেন।

    বরিশাল পাবলিক প্রসিকিউটর এ্যাড. গিয়াস উদ্দিন কাবুলের সভাপতিত্বে সদস্য সংগ্রহ অনুষ্ঠানের বিশেষ অতিথি সাবেক স্বরাস্ট মন্ত্রী এ্যাড. সাহারা খাতুন বলেন ১৯৭৫ সালে খুনি মোস্তাক জিয়া চক্ররা সেদিন বঙ্গবন্ধু সহ তার পরিবারের সকল সদস্যকে হত্যা করেছে ভাগ্যক্রমে আমাদের নেত্রী শেখ হাসিনা ও তার বোন শেখ রেহানা দেশের বাহিরে থাকায় তারা বেচে গেছেন বলে আজ তিনি আমাদের সহ দেশ পরিচালনা করে বাংলাদেশকে একটি বিশ্বের কাছে রোল মডেল হিসাবে তুলে ধরেছেন।

    এসময় আরো বক্তব্য রাখেন সাবেক চীফ হুইফ সংসদ সদস্য আবুল হাসনাত আবদুল্লাহ’র ভাগ্নে ব্যারিস্টার তৌহিদুর রহমান সুজন,সংসদ সদস্য জেলা আওয়ামীলীগ সাধারন সম্পাদক এ্যাড. তালুকদার মোঃ ইউনুস,সুপ্রিম কোট বার এসোসিয়েশনের কোষাধাক্ষ এ্যাড. রফিকুল ইসলাম হিরু,সুপ্রিম কোর্ট বার সদস্য এ্যাড, ফজলুর রহমান,এ্যাড.এবিএম বায়জিদ, বঙ্গবন্ধু আইনজীবী পরিষদ প্রস্তুত কমিটির সদস্য এ্যাড. আজহার উল্লাহ ভূইয়া,এ্যাড.সেলিনা পারভীন,এ্যাড.মাহামুদুর রহমান লিটন,বরিশাল আইনজীবী সমিতি সভাপতি এ্যাড.আলহাজ ওবায়েদ উল্লাহ সাজু,পটুয়াখালী বার সমিতির সভাপতি এ্যাড. ইউসুব আলি হাওলাদার,ভোলা আইনজীবী সমিতির সাধারন সম্পাদক নুরুল আলম নুরনবী।

    এসময় মঞ্চে আরো উপস্থিত ছিলেন সুপ্রিমকোট বার সমিতির সদস্য বরিশাল মহানগর আওয়ামীগ সভাপতি এ্যাড. গোলাম আব্বাস চৌধুরী দুলাল,বরিশাল আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি এ্যাড. আনিস উদ্দিন শহীদ প্রমুখ। এসময় অনুষ্ঠান সঞ্চলনা করেন সাবেক সভাপতি ও বরিশাল মহানগর আওয়ামীলীগ সাধারন সম্পাদক এ্যাড.একে এম জাহাঙ্গির।

  • বরিশাল সিটি নির্বাচন- আ’লীগে একক প্রার্থী, জোটে একাধিক, চূড়ান্ত হয়নি বিএনপির প্রার্থী

    বরিশাল সিটি নির্বাচন- আ’লীগে একক প্রার্থী, জোটে একাধিক, চূড়ান্ত হয়নি বিএনপির প্রার্থী

    ছয় সিটি করপোরেশনের নির্বাচনকে সামনে রেখে উষ্ণতা বাড়ছে রাজনীতিতে। যেকোনো মুহূর্তে ঘোষণা হতে পারে তফসিল। তাই নগর পিতার আসনে বসতে দলীয় মনোনায়ন পাওয়ার জন্য দৌড়ঝাঁপ শুরু হয়ে গেছে প্রার্থীদের। বরিশাল সিটি করপোরেশন (বিসিসি) নির্বাচনকে সামনে রেখে আলোচনায় রয়েছেন ২০ দলীয় জোট ও মহাজোটের প্রার্থীরা। তবে লড়াইটা যে ক্ষমতাসীদের জন্য মসৃণ নয়, তা বলে দেয় ২০১৫ সালের বিসিসি নির্বাচনের ইতিহাস।

    আধুনিক বরিশাল রূপকার ও জননন্দিত মেয়র হয়েও প্রয়াত শওকত হোসেন হিরণ সেই নির্বাচনে ১৬ হাজার ৯৪৬ ভোটে হেরে যান বিএনপি’র প্রার্থী ও বর্তমান সিটি মেয়র আহসান হাবিব কামালের কাছে। যদিও হেফাজত ইস্যুতে প্রভাবিত ওই নির্বাচনে আওয়ামী লীগের ভোট বাড়ার বিষয়টিও সামনে বেড়িয়ে আসে। এদিকে একক প্রার্থী হিসেবে জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি সংসদ সদস্য আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহর ছেলে যুবনেতা সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহ’র নাম ঘোষণা করে কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের কাছে সুপারিশ পাঠানো হয়েছে। কিন্তু স্থানীয় আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে একক সিদ্ধান্ত হলেও মহাজোটের শরীক দলগুলো এখনো সমর্থন দেয়নি। ঘোষণা করা হতে পারে জাতীয় পার্টি (এরশাদ) থেকে মেয়র প্রার্থীর নাম।

    এরইমধ্যে বাসদের প্রার্থী হিসেবে তরুণ নারীনেত্রী ডা. মনিষা চক্রবর্তী ও সিপিবির প্রার্থী হিসেবে অ্যাডভোকেট এ কে আজাদের নাম ঘোষণা করা হয়েছে। তবে প্রথমবারের মতো মেয়র প্রার্থী হিসেবে কোনো নারী প্রার্থীর নাম ঘোষণা করায় আলোচনায় রয়েছেন ডা. মনিষা চক্রবর্তী। দল চাইলে নির্বাচন করতে দ্বিমত নেই জেলা আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি কর্নেল (অব) জাহিদ ফারুক শামীমও মহানগর যুবলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক মাহামুদুল হক খান মামুনের। অপরদিকে, এখন পর্যন্ত কোনো প্রার্থীর নাম ঘোষণা কিংবা চূড়ান্ত করেনি ২০ দলীয় জোট। শোনা যাচ্ছে, ২০০৩ সালে বিসিসিকের প্রথম নির্বাচনে চারদলীয় জোট প্রার্থী হয়ে বিজয়ী ও বর্তমান বিএনপির কেন্দ্রীয় যুগ্ম মহাসচিব মজিবর রহমান সরোয়ার প্রার্থী হতে চান না। তবে বর্তমান মেয়র বিএনপি নেতা আহসান হাবিব কামালের হঠাৎ করে দলীয় কর্মসূচিতে বেশি অংশ নেওয়াতে বোঝা যাচ্ছে তিনি আবারো প্রার্থী হতে চাইছেন। তার সঙ্গে প্রার্থীর খাতায় যুক্ত হয়েছে- কেন্দ্রীয় বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান বেগম সেলিমা রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক সাবেক সংসদ সদস্য বিলকিস জাহান শিরিন, দক্ষিণ জেলা বিএনপির সভাপতি এবায়েদুল হক চান, সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট আবুল কালাম শাহিন, বর্তমান প্যানেল মেয়র ও মহানগর বিএনপির সহসভাপতি কেএম শহিদুল্লাহ, সাধারণ সম্পাদক জিয়া উদ্দিন সিকদার, সাংগঠনিক সম্পাদক কাউন্সিলর আলতাফ মাহমুদ সিকদার ও ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় নেত্রী আফরোজা খানম নাছরিনের নাম।

    অপরদিকে জোট-মহাজোটের বাহিরে এককভাবে প্রার্থী দিচ্ছেন ইসলামী শাসনতন্ত্র আন্দোলন। বিএনপির কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক বিলকিস জাহান শিরিন বলেন, নির্বাচনের পরিবেশ তৈরি করে দেওয়া হলে আসন্ন সিটি করপোরেশন নির্বাচনেও অংশ নেবে বিএনপি। অপরদিকে মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি অ্যাডভোকেট গোলাম আব্বাস চৌধুরী দুলাল বলেন, মনোনায়ন যে কেউ চাইতে পারেন, কিন্তু আমরা তৃণমূল নেতা-কর্মীদের দাবির মুখে মহানগর আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে যুগ্ম আহ্বায়ক সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহ’র নাম মেয়র প্রার্থী হিসেবে কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের কাছে পাঠিয়েছি।

  • বরিশালে উন্নয়ন মেলার উদ্বোধণ করলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

    বরিশালে উন্নয়ন মেলার উদ্বোধণ করলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

    “উন্নয়নের রোল মডেল, শেখ হাসিনার বাংলাদেশ” শ্লোগানকে সামনে রেখে সারাদেশের সাথে একযোগে বরিশালেও শুরু হয়েছে তিনদিনের উন্নয়ন মেলা। জেলা প্রশাসনের আয়োজনে সকাল নয়টায় সার্কিট হাউস থেকে একটি বর্ণাঢ্য র‌্যালী বের হয়ে মেলা প্রাঙ্গন বঙ্গবন্ধু উদ্যানে গিয়ে মিলিত হয়। এরপর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে মেলার শুভ উদ্বোধণ করেন।

    জেলা প্রশাসক মোঃ হাববিুর রহমানের সভাপতিত্বে উন্নয়ন মেলায় প্রধান অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশনের চেয়ারম্যান আবু হেনা মোঃ রহমাতুল মুনিম। মেলায় সরকারী ও বেসরকারী প্রতিষ্ঠানের ১৬৪টি স্টল রয়েছে। এছাড়াও প্রতিযোগীতামূলক চিত্রাঙ্কন, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও দেশীয় খেলাধুলার আয়োজন করা হয়েছে।

    উদ্বোধনী অনুষ্ঠান শেষে বরিশাল উন্নয়ন মেলার প্রধান অতিথি বাংলাদেশ  প্রেটোলিয়াম কর্পোরেশনের চেয়ারম্যান আবু হেনা রাহমাতুল মুনিম বলেন আমাদের দেশে রাজনৈতিক স্বদিচ্ছা সহ ঘুস, দূর্নীতি বন্ধ হলে এদেশ এগিয়ে যেতে বেশী সময় লাগবেনা। আমাদের কিছু ক্ষেত্রে রাজনৈতিক স্বদিচ্ছার অভাবে অনেক সময় উন্নয়ন থমকে দাড়ায়।আমাদের জন সঙক্ষা আছে তা কর্ম অক্ষম। আমরা আজ যেখানে দাড়িয়ে আছি এক সময়ে চিন এ জায়গায় ছিল আজ তারা বিশ্বের কাছে মাথা ব্যাথা হয়ে দাড়িয়েছে। পরে তিনি মেলার বিভিন্ন স্টল পরিদশন করে দেখেন।

    মেলায় আয়কর বিভাগ,মেট্রোপলিটন ও জেলা পুলিশ,ফায়ার সার্ভিস,বিসিসি,কৃর্ষি অধিদপ্তর,ভ্যাট কার্যলয়ের স্টল সহ সরকারী-বেসরকারী উন্নয়ন সংস্থার বিবিন্ন স্টল মেলায় অংশ গ্রহন করেন। একইদিন জেলার গৌরনদী, আগৈলঝাড়া, উজিরপুর, বাবুগঞ্জ, মুলাদী, বাকেরগঞ্জ, বানারীপাড়া, হিজলা ও মেহেন্দীগঞ্জ উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে স্ব-স্ব উপজেলায় বর্ণাঢ্য আয়োজনে তিন দিনব্যাপী উন্নয়ন মেলার উদ্বোধণ করা হয়েছে।

  • যে কারণে চুল বড় রেখেছেন বিজয়

    যে কারণে চুল বড় রেখেছেন বিজয়

    ২০১৫ সালের বিশ্বকাপের পর দীর্ঘ সময় জাতীয় দলের বাইরে ছিলেন এনামুল হক বিজয়।  তিন বছর পর ফের ডাক পেয়েছেন এ উইকেটরক্ষক-ব্যাটসম্যান।  নতুন বছরে সবকিছু নতুন করে শুরু করতে চান।  কিন্তু পুরোনো চুলগুলো রেখেই দিতে চান বিজয়।

    অন্য ক্রিকেটারদের তুলনায় বেশি লম্বা হওয়ায় বিজয়ের চুলে চোখ পড়বেই।  তিনি জানিয়েছেন, বড় চুল রাখার রহস্য।  চুল নিয়ে বিজয় বলেছেন, আম্মু পছন্দ করে। আম্মুর জন্যই রাখা।  তিনি বলেছেন,অনেক দিন পর জাতীয় দলে আসছো, চুল বড়ই থাক।  মন দিয়ে খেলো।  দলের জন্য ভালো কিছু করার চেষ্টা করো। পরে যদি মনে চায় ফেলে দিয়ো।

    ভক্তরাও বিজয়ের চুলের প্রশংসা করেছেন।  ফেসবুকে বিজয়ের শেয়ার করা ছবিতে অনেকে তো রীতিমতো বিজয়কে আর চুল না কাটারই অনুরোধ করেছেন! এ নিয়ে বিজয় বলেন, আম্মু বললো চুল থাকুক।  চুল নিয়ে চিন্তা করার দরকার নাই।

  • পাঁচ সিটিতে প্রার্থী কারা

    পাঁচ সিটিতে প্রার্থী কারা

    পাঁচ সিটিতে আওয়ামী লীগের প্রার্থিতা নিয়ে তুমুল আলোচনা চলছে। এর মধ্যে সিলেটে বদর উদ্দিন আহমদ কামরান এবং রাজশাহীতে এ এইচ এম খায়রুজ্জামান লিটনকে সবুজ সংকেত দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আর খুলনা, গাজীপুর ও বরিশালে এখনো প্রার্থী চূড়ান্ত হয়নি। দলের দুজন করে সম্ভাব্য প্রার্থী এই সিটিগুলোতে কাজ করছেন। তারা নিজেরাই প্রার্থী হিসেবে প্রচারণাও চালাচ্ছেন।

    খুলনায় তালুকদার আবদুল খালেকের পাশাপাশি শেখ সালাহউদ্দিন জুয়েল সমান্তরালভাবে তত্পর। বরিশালে সাদিক আবদুল্লাহসহ আরও কয়েকজন প্রার্থী তত্পর রয়েছেন। একইভাবে গাজীপুরে আজমত উল্লাহ খান ও জাহাঙ্গীর আলম দুজনই সবুজ সংকেত পাওয়ার দাবি নিয়ে মাঠে রয়েছেন। তবে স্থানীয়ভাবে দলের কাছে এখনো কোনো নির্দেশনা যায়নি কেন্দ্র থেকে। এ কারণে এই এলাকাগুলোতে চূড়ান্ত প্রার্থী কে তা স্পষ্ট নয়। আওয়ামী লীগের একজন কেন্দ্রীয় নেতা জানান, শিগগির তারা প্রার্থিতা পরিষ্কার করে দেবেন। গ্রহণযোগ্য নেতাদেরকেই মনোনয়ন দেওয়া হবে। ২৬ ফেব্রুয়ারিতে ঢাকা উত্তর সিটির মেয়র পদে উপনির্বাচন দিয়ে শুরু হবে সিটির ভোটযুদ্ধ। ১৩ মার্চে রয়েছে সংসদের দুটি আসনে উপনির্বাচন। এরপরই ধারাবাহিকভাবে পাঁচ সিটিতে ভোট আয়োজন করবে নির্বাচন কমিশন। এক্ষেত্রে গাজীপুর সিটিতে ভোট হতে পারে মার্চ-এপ্রিলে। আর জুনের মধ্যে রাজশাহী, খুলনা, বরিশাল ও সিলেট সিটি করপোরেশনে ভোট করবে ইসি।

    গাজীপুরে খোঁজ নিয়ে জানা যায়, সেখানে নির্বাচনী হাওয়া বইছে। পোস্টার-বিলবোর্ড ছেয়ে গেছে সিটির অলি-গলি থেকে রাজপথ। মেয়র পদে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পেতে আগ্রহী গাজীপুর মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি ও টঙ্গী পৌরসভার সাবেক মেয়র আজমত উল্লাহ খান, গাজীপুর মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম ও গাজীপুর মহানগর যুবলীগের আহ্বায়ক কামরুল আহসান সরকার রাসেল। যদিও দলের সবুজ সংকেত পাওয়ার দাবি করে নির্বাচনী মাঠে রয়েছেন আজমত উল্লাহ খান ও জাহাঙ্গীর আলম। এ ছাড়া সিটি করপোরেশনের ভারপ্রাপ্ত মেয়রের দায়িত্ব পালনকারী মহানগর আওয়ামী লীগের সহসভাপতি আসাদুর রহমান কিরণও দলীয় মনোনয়ন চাইতে পারেন বলে জানা গেছে।

    খোঁজ নিয়ে জানা যায়, সিলেট সিটি নির্বাচনকে কেন্দ্র করে আওয়ামী লীগসহ অন্যান্য দলের সম্ভাব্য মেয়র প্রার্থীরা বেশ কিছুদিন ধরেই নির্বাচনী তত্পরতা চালাচ্ছেন। তবে বছরের শুরুতেই সেই তত্পরতায় গতি পেয়েছে। ইংরেজি নববর্ষের শুভেচ্ছা পোস্টারে ছেয়ে গেছে নগরী। আবার বিলবোর্ডের মাধ্যমে নগরবাসীকে শুভেচ্ছা জানিয়ে নিজেদের অবস্থান জানান দিয়েছেন সম্ভাব্য প্রার্থীরা। তবে আওয়ামী লীগের উচ্চপর্যায়ের সবুজ সংকেত নিয়ে নির্বাচনী মাঠে নেমেছেন বলে দাবি সাবেক মেয়র বদর উদ্দিন আহমদ কামরানের। তিনি দলীয় কর্মসূচির পাশাপাশি বিভিন্ন পেশাজীবী সংগঠনের সঙ্গে বৈঠক করছেন। যদিও মেয়র পদে নির্বাচন করতে চাইছেন সিলেট মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আসাদ উদ্দিন আহমদ এবং জেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক মাহিউদ্দিন আহমদ সেলিম। স্থানীয়ভাবে কথা বলে জানা যায়, রাজশাহী সিটি করপোরেশন (রাসিক) নির্বাচনকে সামনে রেখে ইতিমধ্যে প্রচারণায় নেমে পড়েছেন সম্ভাব্য মেয়র প্রার্থীরা। গত দুই নির্বাচনে লড়াই হয়েছে নগর আওয়ামী লীগ সভাপতি এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটন ও নগর বিএনপি সভাপতি মোসাদ্দেক হোসেন বুলবুলের মধ্যে। এবারও নৌকা-ধানের শীর্ষের লড়াই হবে এই সিটিতে। ইতিমত্যে আওয়ামী লীগের মেয়র প্রার্থী হিসেবে এ এইচ এম খায়রুজ্জামান লিটন কেন্দ্রের সবুজ সংকেত পেয়ে মাঠে নেমেছেন। ২০০৮ সালে মেয়র হিসেবে নির্বাচিত হন রাজশাহী মহানগর আওয়ামী লীগের এই সভাপতি। যদিও ২০১৩ সালের নির্বাচনে মেয়র পদ যায় বিএনপির ঘরে। আওয়ামী লীগের প্রার্থী হিসেবে খায়রুজ্জামান লিটন মাঠে নেমেছেন। তিনি ওয়ার্ড পর্যায়ে কাজ শুরু করেছেন, করছেন উঠান বৈঠকও। খায়রুজ্জামান লিটন মেয়র থাকাকালীন যে উন্নয়ন করেছেন, সেই উন্নয়নের কারণেই নগরবাসী আগামীতে নৌকা প্রতীকে ভোট দেবেন এমনটাই আশা নেতা-কর্মীদের। স্থানীয় নেতা-কর্মীদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, খুলনা সিটি করপোরেশন (কেসিসি) নির্বাচনের দিনক্ষণ চূড়ান্ত না হলেও এ নির্বাচনকে বাড়তি গুরুত্ব দিয়ে আগেভাগেই প্রচারণায় নেমেছে আওয়ামী লীগ। দলের প্রার্থিতা এখনো চূড়ান্ত না হওয়ায় হেভিওয়েট প্রার্থীর পাশাপাশি তরুণ নেতৃত্বের প্রচারণায় ছড়াচ্ছে রাজনৈতিক উত্তাপ। নগরবাসীকে শুভেচ্ছা জানিয়ে টাঙানো পোস্টার, ব্যানার আর ফেস্টুনে অলিগলি ছেয়ে গেছে। ভোটারদের সঙ্গে কুশল বিনিময়, পাড়া-মহল্লার ক্লাব উন্নয়নে অনুদান, প্রচার-প্রচারণার পাশাপাশি কেন্দ্রে লবিংয়ে ব্যস্ত সময় পার করছেন সরকারদলীয় মনোনয়ন প্রত্যাশী সম্ভাব্য মেয়র প্রার্থীরা। এবার খুলনা সিটিতে আওয়ামী লীগের সম্ভাব্য মেয়র প্রার্থী হিসেবে মহানগর আওয়ামী লীগ সভাপতি তালুকদার আবদুল খালেক এমপি এবং প্রধানমন্ত্রীর চাচাতো ভাই খুলনা বিভাগীয় অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন মালিক গ্রুপের সভাপতি শেখ সালাহ উদ্দিন জুয়েল আলোচনায় রয়েছেন। এ ছাড়া প্রচারণায় রয়েছেন আওয়ামী লীগের দুই তরুণ নেতা খুলনা সদর উপজেলা সভাপতি ও খুলনা চেম্বারের পরিচালক সাইফুল ইসলাম এবং জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি যুবলীগ নেতা সরদার আনিছুর রহমান পপলু। সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে খুলনা চেম্বার অব কমার্সের সভাপতি কাজী আমিনুল হকের নামও আলোচনায় আছে। স্থানীয়ভাবে জানা যায়, বরিশাল সিটির সম্ভাব্য নির্বাচনকে সামনে রেখে প্রচারণায় ব্যস্ত ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের একাধিক সম্ভাব্য প্রার্থী। আটঘাট বেঁধে নির্বাচনী মাঠে নেমেছেন তারা। যদিও এই সিটিতে আওয়ামী লীগ এখনো মেয়র প্রার্থী চূড়ান্ত করতে পারেনি। আওয়ামী লীগের একটি অংশ জেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি সাবেক চিফ হুইপ আবুল হাসানাত আবদুল্লাহ এমপির বড় ছেলে মহানগর আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সাদিক আবদুল্লাহকে মেয়র পদে মনোনয়ন চান। তবে সাদিককে একক প্রার্থী মানতে নারাজ আওয়ামী লীগের আরেকটি অংশ। জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি কর্নেল (অব.) জাহিদ ফারুক শামীম, মহানগর আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহসভাপতি আফজালুল করিম, সদর আসনের এমপি জেবুন্নেছা আফরোজ এবং মহানগর যুবলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক মাহমুদুল হক খান মামুন আগামী সিটি নির্বাচনে মেয়র পদে দলের মনোনয়ন চাইবেন বলে জানিয়েছেন।

  • যে ফাঁদে ফেলে ছাত্রীকে একাধিকবার ধর্ষণ করে সেই ডাক্তার

    যে ফাঁদে ফেলে ছাত্রীকে একাধিকবার ধর্ষণ করে সেই ডাক্তার

    চিকিৎসা দেওয়ার নামে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের যৌন ও চর্ম বিশেষজ্ঞ ডা. মো. রিয়াদ সিদ্দিকীর বিরুদ্ধে জোরপূর্বক যৌন হয়রানি ও একাধিকবার ধর্ষণের অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনার পর নির্যাতিতার বাবা কামাল হোসেন বাদী হয়ে গতকাল সোমবার শাহবাগ থানায় একটি মামলা করেছেন। অনেকের কাছে হয়তো প্রশ্ন আসতে পারে একবার ধর্ষিত হওয়ার পরও কেন ওই ছাত্রী ওই ডাক্তারের কাছে চিকিৎসা নিতে গেলেন? আসলে ওই ছাত্রী পরবর্তীতে চিকিৎসা নিতে যায়নি, তাকে যেতে বাধ্য করা হয়েছিল। মামলার এজহার থেকে এ বিষয়ে পরিষ্কার ধারণা পাওয়া যায়।

    এতে বলা হয়, গত বছরের ৬ অক্টোবর দ্বাদশ শ্রেণির ওই ছাত্রী মো. রিয়াদ সিদ্দিকীর কাছে চিকিৎসা নিতে গেলে ওই ডাক্তার তাকে বিবস্ত্র করে স্পর্শকাতর জায়গাসহ শরীরের বিভিন্ন জায়গায় মলম লাগায়। এ সময় ছাত্রী বাধা দিলে ডাক্তার তাকে বাধা দেওয়ার জন্য তাকে শাসায় এবং কাউকে না জানানোর কথা। মেয়েটি লোকলজ্জার ভয়ে বিষয়টা কাউকে জানায়নি। পরবর্তী তারিখে চিকিৎসা নিতে গেলে ওই ডাক্তার প্রথমে তাকে বিবস্ত্র করে মলম লাগায়। এরপর ধর্ষণ করে। সেই দৃশ্য ভিডিও করে রাখা হয়েছে জানিয়ে ওই চিকিৎসক তখন মেয়েটিকে হুমকি দেয়, ঘটনা কাউকে বললে ভিডিও ইন্টারনেটে ছেড়ে দেওয়া হবে। ফলে ভয়ে মেয়েটি কাউকেই বিষয়টি জানায়নি।

    পরবর্তীতে মেয়েটি আর ওই ডাক্তারের কাছে চিকিৎসা নিতে যায়নি। তখন ফন্দি করে ডা. রিয়াদ সিদ্দিকী মেয়েটির পরিবারকে জানান, তার (মেয়েটির) শরীরের মরণব্যাধী বাসা বেঁধেছে। এবং তার চিকিৎসার জন্য মেডিকেল বোর্ড বসানো হবে। ডা. রিয়াদ সিদ্দিকীর কথা মতো মেয়েকে নিয়ে গত ৩১ ডিসেম্বর কামাল হোসেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে হাজির হন। তখন পরিবারের লোকজনদের অপেক্ষা করতে বলে ওই ডাক্তার মেয়েটিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের বি-ব্লকের চতুর্থ তলার একটি নির্জন রুমে নিয়ে ধর্ষণ করতে গেলে ওই ছাত্রী কান্নাকাটি ও চিৎকার করে। এ সময় ওই ডাক্তার তাকে ওপর থেকে ফেলে দেওয়ার হুমকি দেয় এবং জোরপূর্বক আবারও ধর্ষণ করে পালিয়ে যায়।

  • স্কুলছাত্রীকে ইভটিজিংয়ের ঘটনায় ১২ পুলিশ প্রত্যাহার, ক্যাম্প ইনচার্জকে থানায় ফেরৎ

    স্কুলছাত্রীকে ইভটিজিংয়ের ঘটনায় ১২ পুলিশ প্রত্যাহার, ক্যাম্প ইনচার্জকে থানায় ফেরৎ

    খুলনার বটিয়াঘাটায় স্কুলছাত্রীকে ইভটিজিংয়ের ঘটনায় বাইনতলা পুলিশ ক্যাম্পের ১২ পুলিশ সদস্যকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। এছাড়া ক্যাম্পের ইনচার্জ বটিয়াঘাটা থানা পুলিশের উপ-পরিদর্শক মো. কামরুজ্জামানকে থানায় ফেরৎ পাঠানো হয়েছে। এর আগে বিক্ষুদ্ধ গ্রামবাসীরা স্কুল ছাত্রীকে ইভটিজিংয়ের ঘটনায় পুলিশ ক্যাম্প ঘেরাও করে রাখে ও জড়িত পুলিশ সদস্যদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানায়। এসব ঘটনায় এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে।

    গতকাল (মঙ্গলবার) সকালে বটিয়াঘাটা উপজেলার খারাবাদবাইনতলা স্কুল ও বাইনতলা পুলিশ ক্যাম্পের সামনে এসব ঘটনা ঘটে। প্রাথমিকভাবে ইভটিজিংয়ে জড়িত ৫ পুলিশ সদস্য জাহিদ (ক. নং. ৪২৪), আবির (ক.নং. ১৬৮৩), রিয়াজ (ক. নং. ৯৮৫), সুমন্ত ও নাঈম (ক. নং. ২২০৮) কে বরখাস্তের কথা জানানো হলেও পরে অভিযুক্ত ৫ জনসহ ক্যাম্পের ১২ পুলিশ সদস্যকে পুলিশ লাইনে প্রত্যাহার করা হয় এবং তদন্ত করে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানানো হয়। পুলিশ সুপার নিজামুল হক মোল্লা এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

    জানা যায়, বখাটেদের ইভটিজিং প্রতিরোধসহ এলাকার আইন-শৃংখলা রক্ষার জন্য উপজেলার বাইনতলা স্কুল এন্ড কলেজ ভবনের পাশেই বাইনতলা অস্থায়ী পুলিশ ক্যাম্প স্থাপন করা হয়। কিন্তু এই ক্যাম্পের পুলিশ সদস্যরাই স্কুলগামী মেয়েদের প্রতিনিয়ত ইভটিজিং করতো।

    স্থানীয় আমিরপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান গোলদার জানান, গতকাল সকালে স্কুলের দশম শ্রেণির এক ছাত্রীকে পুলিশ সদস্যরা ইভটিজিং করলে তার ভাই তরিকুল ইসলাম এর প্রতিবাদ করেন। অভিযুক্ত পুলিশ সদস্যরা এসময় ওই যুবককে নির্যাতনসহ তার ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ভাংচুর করে। এতে বিক্ষুদ্ধ এলাকাবাসী পুলিশ ক্যাম্প ঘেরাও করে।

    নির্যাতিত যুবক তরিকুল ইসলাম জানান, ‘’আমি ক্যাম্প ইনচার্জকে বিষয়টি জানাতে গেলে তাকে পাইনি। পরে দোতলার বারান্দায় বসে থাকা পুলিশ সদস্যদের এভাবে মেয়েদেরকে ইভটিজিং না করার জন্য অনুরোধ করি। এরপর আমি ক্যাম্পের সামনে আমার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে এলে চার পুলিশ সেখানে ঢুকে কম্পিউটারসহ অন্যান্য মালামাল ভাংচুর করে। আমাকে ধরে ক্যাম্পের দোতলায় নিয়ে নির্মম নির্যাতন করে।”

    স্থানীয়রা জানায়, এসময় পুলিশকে বাধা দিতে গেলে তারা গুলি করবে বলে হুমকি দেয়। বাইনতলা স্কুলের ম্যানেজিং কমিটির সদস্য হাছিব গোলদার জানান, মেয়েদের সবসময়ই ক্যাম্পের পুলিশরা ইভটিজিং করতো। আগেও কয়েকদফা তাদেরকে নিষেধ করা হলেও তারা তা’ শোনেনি। বরং মেয়েদেরকে মোবাইল নম্বর দেওয়া, তাদের পেছন পেছন বাড়ি যাওয়া ও তাদের কথামতো চলার জন্য হুমকি দিতো। তিনি জানান, ইভটিজিংয়ের প্রতিবাদ করায় সকালে স্থানীয় যুবককে মারধরের ঘটনা ছড়িয়ে পড়লে গ্রামবাসীরা পুলিশ ক্যাম্প ঘেরাও করে। এসময় তীব্র উত্তেজনা দেখা দেয়। খবর পেয়ে পুলিশের ঊর্ধতন কর্মকর্তরা ঘটনাস্থলে এসে কয়েকজনকে বরখাস্ত করলে পরিস্থিতি শান্ত হয়।

    বটিয়াঘাটার থানার ওসি মোজাম্মেল হক মামুন জানান, প্রাথমিকভাবে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় ৫ পুলিশ সদস্যকে বরখাস্ত করা হয়েছে। একই সাথে ঘটনার সময় ক্যাম্পে উপস্থিত না থাকায় ক্যাম্প ইনচার্জ মো. তারিকুজ্জামানসহ ওই ক্যাম্পের ১১ পুলিশকে প্রত্যাহার করা হয়েছে।

    তবে পুলিশ সুপার নিজামুল হক মোল্লা জানান, আপাতত কাউকে বরখাস্ত করা হচ্ছে না। ক্যাম্পের ১২ জনকে পুলিশ লাইনে প্রত্যাহার করা হয়েছে। সেখানে নতুন পুলিশদের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

    অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. নাইমুল হক জানান, এলাকাবাসীর সাথে কথা বলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নেওয়া হয়েছে।