Author: Banglarmukh24
-

শিকারপুর জেলেদের মাঝে চাল বিতরণ
: বরিশালের উজিরপুর উপজেলার শিকারপুর ইউনিয়ন পরিষদে জেলেদের মাঝে চাল বিতরণ করা হয়।ইউনিয়নের মোট ৭০ জন জেলেদের প্রত্যেকে ৪০ কেজি করে চাল প্রদান করা হয়।আজ সকাল দশটায় ইউনিয়ন পরিষদ কমপ্লেক্সে জেলেদের হাতে চাল তুলে দেন ইউনিয়নপরিষদের চেয়ারম্যান মো সরোয়ার হোসেন হাওলাদার,উপজেলা বিআরডিবি কর্মকর্তা মোঃ হুমায়ুন কবির,ইউপি সদস্য আশরাফ হোসেন রাঢ়ী,মোহাম্মদ সেলিম মুন্সি,সংরক্ষিত আসনের ইউপি সদস্য মোছাম্মদ শিউলি বেগম সহ ইউ পি সদস্য বৃন্দ। -

করোনায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক অধ্যাপকের মৃত্যু
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্যুরিজম অ্যান্ড হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট বিভাগের সাবেক অধ্যাপক ও ফারইস্ট ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির ভাইস চ্যান্সেলর ড. নাজমুল করিম চৌধুরী করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন। (ইন্না লিল্লাহি…রাজিউন)।
গতকাল বুধবার দিবাগত রাতে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের আইসিইউতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান অধ্যাপক ড. নাজমুল করিম চৌধুরী। ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সহকারী পরিচালক ডা. মোহাম্মদ মোসাদ্দেক হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
তিনি বলেন, ‘ঢাবির সাবেক অধ্যাপক ড. নাজমুল করিম করোনাতেই মারা গেছেন। গত পরশু দিন তিনি হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন। পরে টেস্টে তার করোনা পজিটিভ এসেছে। এরপর থেকে তিনি হাসপাতালেই চিকিৎসাধীন ছিলেন।’
ডা. মোহাম্মদ মোসাদ্দেক হোসেন আরও বলেন, ‘তার আগে থেকেই কিছু শারীরিক জটিলতা ছিল। চিকিৎসাধীন অবস্থায় গতকাল বুধবার রাত দেড়টার দিকে তিনি মারা গেছেন।’
তবে অধ্যাপক ড. নাজমুল করিম করোনায় মারা যায়নি বলে দাবি করেছেন ফারইস্ট ইন্টান্যাশনাল ইউনিভার্সিটির ডেপুটি রেজিস্ট্রার মো.মামুন। তিনি বলেন, ‘ভিসি স্যার হার্ট অ্যাটাকে মারা গেছেন। তার করোনা হয়নি।’
গত পরশু দিন স্যারকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল বলেও জানান বিশ্ববিদ্যালয়ের ডেপুটি রেজিস্ট্রার।
মো.মামুন আরও বলেন, এর আগেও স্যারের (ড. নাজমুল করিম চৌধুরী) দুবার হার্ট অ্যাটাক হয়েছিল। তার দুটা রিং পরানো আছে।
এদিকে, অধ্যাপক ড. নাজমুল করিমের মৃত্যুতে শোক জানিয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. আখতারুজ্জামান। সেইসঙ্গে শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমাবেদনা জানান তিনি।
অধ্যাপক ড. আখতারুজ্জামান বলেন, ‘তিনি একজন খ্যাতিমান শিক্ষক ছিলেন। তার এমন মৃত্যু আমাদের সবাইকে ব্যথিত করেছে। আমি উনার আত্মার মাগফেরাত কামনা করছি। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় পরিবার উনার অবদান শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করবে।’
-

৯০ লাখ ২৫ হাজার পরিবারকে খাদ্য সহায়তা দিয়েছে আওয়ামী লীগ : ওবায়দুল কাদের
আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, করোনা ভাইরাসের সময়ে এ পর্যন্ত ৯০ লাখ ২৫ হাজার পরিবারকে খাদ্য সহায়তা দিয়েছে আওয়ামী লীগ।
বৃহস্পতিবার সকালে তার সরকারি বাসভবনে সমসাময়িক বিষয় নিয়ে আয়োজিত অনলাইন সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা জানান।
ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘এ পর্যন্ত আওয়ামী লীগ দলীয়ভাবে ৯০ লাখ ২৫ হাজার পরিবারকে খাদ্য সহায়তা এবং নগদ ৮ কোটি ৬২ লাখ টাকা অর্থ সহায়তা দিয়েছে।’
দলীয়ভাবে আওয়ামী লীগের ত্রাণ তৎপরতার কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, আওয়ামী লীগে ও সহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মী, দলীয় সংসদ সদস্যসহ আমাদের জনপ্রতিনিধি দলের পক্ষে সারাদেশে এই ত্রাণ ও আর্থিক সহায়তা দিয়েছেন। এখনও ত্রাণ সামগ্রী ও নগদ টাকা বিতরণ সারা দেশের তৃণমূল পর্যায়ে অব্যাহত রয়েছে। এছাড়া পিপিই, মাস্ক, গ্লাভস, স্যানিটাইজার, ব্লিচিং পাউডার ও স্প্রে মেশিনসহ স্বাস্থ্যসুরক্ষা সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে।
করোনা পরিস্থিতি সামনে আরও কঠিন হওয়ার আশঙ্কা প্রকাশ করে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, আক্রান্ত ২১০টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান ৩৭তম। সামনে আরও কঠিন সময় আসতে বলে অনেকে আশঙ্কা প্রকাশ করেছে। এই চ্যালেঞ্জিং সময় অতিক্রম করতে হবে আমাদের সাহসিকতার সাথে। এজন্য আওয়ামী লীগের সকল স্তরের নেতাকর্মীদের মানসিক প্রস্তুতি রাখার আহ্বান জানাচ্ছি।
তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ জনগণের পাশে আছে। এই মহামারী মোকাবেলায় শেখ হাসিনা যে ধৈর্য, কর্মনিষ্ঠা, প্রজ্ঞা, সাহস ও দায়িত্বশীলতা দেখিয়েছেন তা দেশে-বিদেশে প্রশংসিত হচ্ছে।
ওয়ান ইলেভেনের সময় দলীয় সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের বিষয়টি স্মরণ করে ওবায়দুল কাদের বলেন, আজ ৭ মে আমাদের রাজনৈতিক ইতিহাসে একটি স্মরণীয় দিন ২০০৭ সালের এই দিনে চিকিৎসা শেষে যুক্তরাষ্ট্র থেকে শত বাধা-বিপত্তি উপেক্ষা করে দেশে ফিরে আসেন আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা। তৎকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকার চেয়েছিল তিনি যেন দেশে ফিরে না আসেন।
কিন্তু বঙ্গবন্ধু কন্যা অসীম সাহসের সঙ্গে সকল ষড়যন্ত্র মোকাবেলা করে ফিরে আসেন দেশের মাটিতে। যাতে ফিরে না আসতে পারে সেজন্য ফিরে আসার দিনে তখনকার সরকার তখনকার সরকার তার বিরুদ্ধে মামলা করে ওয়ারেন্ট জারি করে আন্তর্জাতিক ফ্লাইটগুলোকে টিকিট না দেয়ার জন্য চাপ তৈরি করে। কিন্তু তাকে তারা বাধা দিয়ে রাখতে পারেনি। তিনি দেশে ফিরে আসেন।বাসস
-

গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে করোনায় আরও ১৩ জনের মৃত্যু
দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনাভাইরাসে (কোভিড-১৯) আরও ১৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে মোট মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়ালো ১৯৯ জনে। এই সময়ে দেশে আরও ৭০৬ জনের করোনা ভাইরাস শনাক্ত হয়েছে,
এ নিয়ে মোট আক্রান্তের সংখ্যা হয়েছে ১২ হাজার ৪২৫ জনে দাঁড়িয়েছে। এছাড়া এই সময়ে আক্রান্ত থেকে সুস্থ হয়েছেন ১৩০ জন। এ নিয়ে মোট সুস্থ হলেন ১৯১০ জন।
আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে করোনা পরিস্থিতি নিয়ে স্বাস্থ্য বুলেটিনে এ তথ্য জানান স্বাস্থ্য অধিদফতরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) অধ্যাপক নাসিমা সুলতানা।
-

ডিজিটালি বিচারকাজ চালাতে অধ্যাদেশ হচ্ছে
করোনা ভাইরাস প্রাদুর্ভাবের কারণে ভিডিও কনফারেন্সসহ অন্যান্য ডিজিটাল মিডিয়ার সাহায্যে বিচারকাজ সম্পন্ন করতে মন্ত্রিসভা ‘আদালত কর্তৃক তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহার অধ্যাদেশ, ২০২০’ এর খসড়ায় নীতিগত অনুমোদন দিয়েছে।
বৃহস্পতিবার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে গণভবনে বিশেষ ব্যবস্থায় অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার নিয়মিত বৈঠকে এই অনুমোদন দেয়া হয়। পরে বিকেলে সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম সাংবাদিকদের এব্যাপারে ব্রিফ করেন।
এছাড়া ‘মূল্য সংযোজন কর ও সম্পূরক শুল্ক (সংশোধন) আইন, ২০২০’ এর খসড়া এবং ‘দি ইনকাম ট্যাক্স (এমেনমেন্ড) অর্ডিন্যান্স, ২০২০’ এর খসড়ারও চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা।
মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, ‘প্রস্তাবিত অধ্যাদেশটি কার্যকর হলে বিদ্যমান প্রেক্ষাপটে ভিডিও কনফারেন্সসহ অন্যান্য ডিজিটাল মাধ্যমে বিচার কার্যক্রম পরিচালনা করা সম্ভব হবে।’
তিনি বলেন, ‘এই ব্যবস্থায় আসামিকে জেলখানায় রেখে, আইনজীবীকে বাসায় রেখে ও সাক্ষীকে অন্য জায়গায় রেখে ভিডিও কনফারেন্সিং ও অন্যান্য ডিজিটাল পদ্ধতি প্রয়োগ করে বিচারকার্য করা সম্ভব হবে। এটাই হলো এই অধ্যাদেশের মূল বিষয়।’
তিনি আরও বলেন, ‘এখন আইন মন্ত্রণালয় পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে রাষ্ট্রপতির অনুমোদন নিয়ে অধ্যাদেশ হিসেবে জারি করবে। আর পার্লামেন্ট বসার প্রথম দিনই এটি সেখানে উপস্থাপিত হবে।’
এই আইন প্রণয়নের প্রেক্ষাপট তুলে ধরে মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, কোভিড-১৯ এর কারণে দীর্ঘ সময় ধরে আদালত বন্ধ থাকায় মামলা জট যেমন বৃদ্ধি পাচ্ছে তেমনি বিচারপ্রার্থীরা বিচার প্রাপ্তি থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। সে অবস্থা দূর করার লক্ষ্যে এবং বিচার কার্যক্রম অব্যাহত রাখার জন্য ভিডিও কনফারেন্সিংসহ অন্যান্য ডিজিটাল মাধ্যমে বিচার কার্যক্রম করার জন্যই ‘আদালত কর্তৃক তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহার অধ্যাদেশ, ২০২০’ এর খসড়া চূড়ান্ত করা হয়েছে।
তিনি বলেন, যেহেতু সংসদ চলছে না, কাজেই এটিকে পাস করা যাবে না। তাই এটিকে অধ্যাদেশ আকারে চূড়ান্ত করা হয়েছে। বাসস
-

মতলব উত্তরে প্রধানমন্ত্রীর উপহার পেলেন বেদে সম্প্রদায়
চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলায় প্রধানমন্ত্রীর উপহার খাদ্য সামগ্রী পেলেন বেদে সম্প্রদায়। সোমবার (২০ এপ্রিল) সুজাতপুর বাজার এলাকায় প্রধানমন্ত্রীর উপহার খাদ্য সামগ্রী বেদে পরিবারের মাঝে পৌঁছে দিয়েছেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার এএম জহিরুল হায়াত।
প্রতিটি প্যাকেটে খাদ্য সামগ্রীর মধ্যে ছিল চাল, ডাল, আলু, পেঁয়াজ ভোজ্য তেল, গুড়া দুধ। এ সময় উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন অফিসার আওরঙ্গজেব, সিএ আমিনুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন।
উপহার বিতরণকালে ইউএনও এএম জহিরুল হায়াত বলেন, করোনা পরিস্থিতি মোকাবেলা করতে সরকারি নির্দেশনা মেনে ঘরে থাকা মানুষদের কথা ভেবে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উপহার (খাদ্য সামগ্রী) যাতে উপজেলায় যোগ্য পরিবারের মাঝে পৌঁছানো যায় এ কারণেই নিজ গাড়িতে করে প্রত্যন্ত এলাকা ঘুরে প্রাপ্য যোগ্য পরিবারের কাছে উপহার পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে।
-

বরিশালে দোকান খোলা রাখার ১৯ দোকানিকে সাড়ে ৭১ হাজার টাকা জরিমানা
মোঃ শাহাজাদা হিরা: বরিশাল জেলা প্রশাসনের নিয়মিত কর্মসূচির অংশ হিসেবে আজও বরিশাল নগরীতে মোবাইল কোর্ট অভিযান অব্যাহত আছে। আজ ২০ এপ্রিল সোমবার সকাল থেকে বরিশাল মহানগরীর চৌমাথা মোড়, নথুল্লাবাদ, কাশিপুর বাজার, বাংলা বাজার, আমতলার মোড়, সাগরদী, রুপাতলী, পুলিশ লাইন, বাজার রোড, কাঠপট্টি, পোট রোড, ফলপট্টি, গীর্জা মহল্লা, বান্দ রোড, চকবাজার, হাসপাতাল রোড, নতুন বাজার এবং লাকুটিয়া সড়ক এলাকায় জেলা প্রশাসন বরিশাল এর পক্ষ থেকে মোবাইল কোর্ট অভিযান পরিচালনা করা হয়। জনসমাগম করে অপ্রয়োজনীয় দোকান খোলা রেখে সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিত ও দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে বরিশাল জেলা প্রশাসনের মোবাইল কোর্ট অভিযান চালিয়ে বিভিন্ন অপরাধে ১৯ টি দোকান কে মোট ৭১ হাজার ৫০০ টাকা জরিমানা অাদায় করা হয়।
নগরীর বিভিন্ন স্থানে জেলা প্রশাসক ও বিজ্ঞ জেলা ম্যাজিস্ট্রেট এস, এম, অজিয়র রহমানের নির্দেশনায় মোবাইল কোর্ট অভিযান পরিচালনা করেন। এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট জেলা প্রশাসকের কার্যালয় বরিশাল মোঃ জিয়াউর রহমান এবং এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ সাইফুল ইসলাম। করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব সম্পর্কে গণসচেতনতা কার্যক্রম পরিচালনার পাশাপাশি এ সময় বিভিন্ন টি-স্টল, মুদি দোকান ও এলাকার মোড়ে মোড়ে যেখানেই জনসমাগম দেখা গেছে তা ছত্রভঙ্গ করা হয় এবং নিরাপদ দূরত্বে চলার নির্দেশনা, মাক্স পরার নির্দেশনা প্রদানের পাশাপাশি জেলা প্রশাসন এর পক্ষ থেকে মাক্স বিতরণ করা হয়। এসময় সবাইকে যৌক্তিক প্রয়োজন ছাড়া ঘরের বাইরে আসতে নিষেধ করা হয় এবং সন্ধ্যা ৬ টার মধ্যে জরুরি ঔষধ ব্যতীত সকল প্রকার দোকান বন্ধ রাখার নির্দেশ প্রদান করা হয়।
এসময় মোবাইল কোর্ট অভিযান পরিচালনায় করেন এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ জিয়াউর রহমান। অভিযান পরিচালনাকালে নগরীর পোর্ট রোড এলাকায় বেশ কয়েকটি জুতার দোকান ও মাছ ধরার বিভিন্ন উপকরন জাল বিক্রি করার দোকান খোলা রেখে জনসমাগম করে পণ্য বিক্রয় করছে পাশাপাশি সরকারি আদেশ অমান্য করে দোকান খোলা রেখে রোগের বিস্তারে ঝুঁকি বৃদ্ধি করার কারণে পোর্ট রোডের ৬ টি দোকানকে সংক্রামক রোগ (প্রতিরোধ, নিয়ন্ত্রণ ও নির্মূল) আইন ২০১৮ এর ২৫ (১) ধারায় বিভিন্ন অংকে মোট ৩০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়। এরপর নগরীর গির্জা মহল্লা এলাকায় গিয়ে দেখা যায়, মার্কেটের বাইরের অর্ধ শাটার খোল রেখে দোকানকে সংকেত দেয়ার জন্য বাইরে লোক দাঁড় করিয়ে রেখে ভেতরে স্বাভাবিকভাবেই দোকানের অভ্যন্তরে কাস্টমার রেখে কয়েকটি দোকানকে কার্যক্রম চালু অবস্থায় পাওয়া যায়। বিভিন্ন মোবাইল ও ইলেকট্রনিকস এর দোকান খোলা রেখে জনসমাগম করে দোকান পরিচালনা করছে তার এমন অভিযোগ আমলে নিয়ে গির্জা মহল্লা এলাকার ৯ টি দোকানকে একই আইনে মোট ৩৮ হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়। এসমসয়, বেশ কয়েকটি স্পটে টিসিবির পণ্য বিক্রয়ে ক্রেতাদের দীর্ঘ লাইনে সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিত করা হয়।
অভিযানের পাশাপাশি সচেতনামূলক কার্যক্রম হিসেবে বেশ কয়েকটি স্থলে মাস্ক বিতরণ করা হয়। আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা সহযোগিতা করেন এএসপি মুকুর চাকমার নেতৃত্বাধীন র্যাব-৮ এর একটি টিম। অপরদিকে করোনাভাইরাস সংক্রমণ প্রতিরোধে সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিতকরণ ও গণসচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ সাইফুল ইসলাম এর নেতৃত্বে নগরীর বিভিন্ন স্থানে অভিযান পরিচালনা করেন। এসময় নগরীর চকবাজার এবং বাজার রোডে অপ্রয়োজনীয় দোকান খোলা রেখে জনসমাগমের মাধ্যমে করোনা ভাইরাস সংক্রমণের আশঙ্কা তৈরীর অপরাধে দন্ডবিধির ১৮৬০ এর ২৬৯ ধারা মোতাবেক চারটি দোকানকে মোট ৩ হাজার ৫০০ টাকা জরিমানা করা হয়। অভিযানে আইনানুগ সহযোগিতা প্রদান করেন বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের একটি টিম। অভিযান শেষে এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেটদ্বয় বলেন, জনগণকে করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ থেকে রক্ষা এবং করোনা ভাইরাসের বিস্তার এবং এটিকে পুঁজি করে অসাধু ব্যবসায়ীদের বাজার অস্থিতিশীল করার অপচেষ্টা রোধকল্পে জেলা প্রশাসক ও বিজ্ঞ জেলা ম্যাজিস্ট্রেট এস, এম, অজিয়র রহমান সদা সচেষ্ট এবং তাঁর নির্দেশনায় নিয়মিত এ ধরণের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
-

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ নিয়ে বিকল্প পথ খুঁজছে আইসিসি
প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসের কারণে আগামী অক্টোবরে অস্ট্রেলিয়ায় অনুষ্ঠেয় টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ নিয়ে শঙ্কা জাগছে। বর্তমান পরিস্থিতি ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকলে বিশ্বকাপ এক বছর পিছিয়ে দেয়ার পরামর্শ ইতোমধ্যেই দিয়ে রেখেছেন বিশেষজ্ঞরা। কিন্তু এখনই বিশ্বকাপ পিছিয়ে দেয়া নিয়ে ভাবতে রাজি নয় ক্রিকেটের প্রধান সংস্থা ইন্টারন্যাশনাল ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি)। বিশ্বকাপ আয়োজনের ব্যাপারে আশাবাদী তারা। পাশাপাশি বিশ্বকাপের জন্য বিকল্প চিন্তা-ভাবনা করছে আইসিসি।
অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে ১৮ অক্টোবর থেকে ১৫ নভেম্বর পর্যন্ত বিশ্বকাপ অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। কিন্তু ইতোমধ্যে করোনাভাইরাসের কারণে আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্ট নিয়ে শঙ্কা তৈরি হয়েছে। এছাড়া আরও অন্যান্য ইভেন্টও সমস্যায় পড়তে পারে। তবে বিশ্বকাপ নিয়ে আইসিসির হাতে এখনো কিছুটা সময় আছে এবং নির্ধারিত সময়ে শুরুর জন্য প্রস্তুত তারা। কিন্তু পরিকল্পনা পরিবর্তন হতে পারে।
আইসিসির এক মুখপাত্র বলেন, ‘আইসিসির ইভেন্টগুলো নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী আয়োজনে আমরা প্রস্তুতি নিচ্ছি। যে অবস্থায় আছে, তা চালিয়ে যাবার জন্য আমরা পরিকল্পনা করছি। তবে দ্রুত পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে একটি বিচক্ষণ ও দায়িত্বশীল জরুরী পরিকল্পনা আমরা গ্রহণ করেছি।’
‘মহামারীর উপর ভিত্তি করে আমাদের কাছে সকল বিকল্প পথ আছে। আমরা বিশেষজ্ঞ ও কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে পরামর্শ নেয়ার কাজটি চালিয়ে যাবো। এটি নিয়ে অস্ট্রেলিয়া সরকার উপযুক্ত সময়ে সিদ্ধান্ত নিবে।’
-

রংপুর থেকে সরকারিভাবে ৫ হাজার শ্রমিক ধান কাটতে যাচ্ছে দক্ষিণাঞ্চলে
নভেল করোনা ভাইরাস আতঙ্ক উপেক্ষা করে রংপুর জেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে প্রায় পাঁচ হাজার কৃষি শ্রমিক ধান কাটতে যাচ্ছেন দক্ষিণাঞ্চলের বিভিন্ন জেলায়। কৃষি সম্প্রসারণ বিভাগ ও জেলা প্রশাসনের যৌথ উদ্যোগে গতকাল রবিবার (১৯ এপ্রিল) গঙ্গাচড়া উপজেলা থেকে ৮০ জন কৃষি শ্রমিক কুমিল্লা জেলার চৌদ্দগ্রাম উপজেলায় বাসযোগে সরকারিভাবে পাঠানো হয়েছে।
ইতিমধ্যে তাদের ডাক্তারি পরীক্ষাসহ যাবতীয় প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে। সরকারি খরচে বাসযোগে তারা সেখানে যাচ্ছেন বলে রংপুর কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের পরিচালক কৃষিবিদ আশরাফ আলী জানান।
রংপুর জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, রংপুরে কৃষি শ্রমিকের সংখ্যা প্রায় দুই লাখ। প্রতি বছর ধান কাটা মৌসুমে হাজার হাজার কৃষি শ্রমিক অর্থ উপার্জন করে সংসার চালাতে দক্ষিণাঞ্চলের বিভিন্ন জেলায় যায় ধান কাটতে। রংপুর অঞ্চলে বোরো ধান কাটতে আরও অন্তত ২৫ দিন সময় প্রয়োজন। দক্ষিণাঞ্চলে ধান ইতিমধ্যে পেকে যাওয়ায় কৃষি শ্রমিকের অভাবে ধান কাটা মাড়াই করা যাচ্ছে না। এবার করোনা ভাইরাস মহামারি আকারে ছড়িয়ে পড়ায় এবং সড়কপথে যান চলাচল বন্ধ থাকাসহ বিভিন্ন কারণে রংপুর থেকে কৃষি শ্রমিকরা যেতে পারছে না। এমনি অবস্থায় কৃষি শ্রমিক সংকট দূর করতে এবং কৃষি শ্রমিকদের দক্ষিণাঞ্চলে পাঠাতে কৃষি মন্ত্রণালয় জরুরি পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে।
গত শনিবার কৃষিমন্ত্রী আবদুর রাজ্জাক রংপুর থেকে জরুরি ভিত্তিতে কৃষি শ্রমিক পাঠাতে প্রতিবন্ধকতা দূর করা এবং তাদের উৎসাহিত করে সরকারি খরচে দক্ষিণাঞ্চলের বিভিন্ন জেলায় পাঠানোর নির্দেশনা দিয়েছেন। কৃষিমন্ত্রী নিজেই রংপুর কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের উপ-পরিচালক আশরাফ আলীর সঙ্গে টেলিফোনে কথা বলে প্রয়োজনীয় দিক নির্দেশনা প্রদান করেছেন বলে জানা গেছে।
এদিকে রংপুর কৃষি সম্প্রসারণ বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, মন্ত্রণালয় থেকে জেলা প্রশাসন ও তাদের দক্ষিণাঞ্চলের জেলাগুলোতে ধান কাটা শ্রমিক সংকট দূর করতে রংপুর থেকে দ্রুত কৃষি শ্রমিক পাঠানোর তাগিদ দেয়া হয়েছে। সে কারণে কৃষি শ্রমিকদের করোনার মধ্যেও উদ্বুদ্ধ করতে নানানমুখী উদ্যোগ নেয়েছে রংপুর কৃষি বিভাগ হয়েছে। যারা যেতে রাজি হয়েছেন তাদের স্বাস্থ্য পরীক্ষা করে প্রয়োজনীয় সনদপত্র সিভিল সার্জেন দফতর থেকে গ্রহণ করা হচ্ছে। সেই সঙ্গে যারা যাবেন তাদের জন্য পরিবহন ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে। এজন্য বাস ভাড়া করা হচ্ছে কৃষি শ্রমিকদের যাওয়ার জন্য কোন খরচ বহন করতে হবে না। সরকারি খরচে তাদের স্ব স্ব জেলা উপজেলায় পৌঁছে দেয়া হবে বলে জানা গেছে।
কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতর রংপুরের উপ-পরিচালক কৃষিবিদ আশরাফ আলীর সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি রংপুর থেকে কৃষি শ্রমিক পাঠানোর কথা স্বীকার করেন। তিনি বলেন, রংপুরে প্রায় দুই লাখেরও বেশি কৃষি শ্রমিক আছে যাদের অনেকেই প্রতি বছর ধান কাটার মৌসুমে ধান কাটতে দক্ষিণাঞ্চলের বিভিন্ন জেলাসহ হাওর অঞ্চলে যায় ধান কাটতে। সেখানে তাদের মজুরি বেশি পাওয়ায় তারা প্রতিবছরই যায়। কিন্তু এবার করোনার কারণে কৃষি শ্রমিকরাও আতঙ্কিত। তারপরেও তাদের সঙ্গে কথা বলে পাঠানোর ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে।
তিনি বলেন, বেশ কিছুদিন ধরে তারা কর্মহীন আর রংপুরে ধান কাটা মাড়াই আরও ১৫-২৫ দিন সময় লাগবে। কারণ রংপুরে আলু উত্তোলন করার পরেই ধানের চারা রোপণ করায় দেরিতে ধান পাকে।
তিনি জানান, গতকাল রবিবার জেলার গঙ্গাচড়া থেকে ৮০ জন কৃষি শ্রমিক কুমিল্লা জেলার চৌদ্দগ্রাম উপজেলায় পাঠানো হয়েছে। তাদের যাবার জন্য বাস ভাড়া করা হয়েছে। জ্বালানিসহ যাবতীয় খরচ আমরাই বহন করব। সেই সঙ্গে যারাই যেতে চান তাদের সরকারি খরচে পাঠানো হয়েছে বলে জানান তিনি।
-

করোনা আক্রান্ত রোগীর রক্ত দিয়ে চিকিৎসার পরিকল্পনা
করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত যেসব রোগী সুস্থ হয়ে উঠেছেন তাদের রক্ত ব্যবহার করে চিকিৎসার পরিকল্পনা করা হয়েছে। এ জন্য এই রোগ থেকে সেরে উঠা ব্যক্তিদের রক্ত দেওয়ার আহবান জানানো হয়েছে।
পরিকল্পনাটি করেছে ব্রিটেন। এছাড়া যুক্তরাষ্ট্রে ইতোমধ্যেই এ বিষয়ে বড় ধরনের গবেষণা শুরু হয়েছে। তাতে অংশ নিচ্ছে দেড় হাজারেরও বেশি হাসপাতাল।
বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়, এনএইচএস ব্লাড এন্ড ট্রান্সপ্ল্যান্ট বলছে, এই রক্ত দিয়ে চিকিৎসার বিষয়ে তারা পরীক্ষা চালাবে। এই চিকিৎসা পদ্ধতিকে বলা হয় কনভালেসেন্ট প্লাজমা থেরাপি।
বিজ্ঞানীরা আশা করছেন, করোনা ভাইরাস মোকাবেলায় আক্রান্ত ব্যক্তির শরীরে যে অ্যান্টিবডি তৈরি হয় সেটা দিয়ে তারা রোগীর শরীরে থাকা ভাইরাসটি নির্মূল করতে পারবেন।
প্রতিবেদনে বলা হয়, যখন একজন ব্যক্তি কোভিড-১৯ রোগে আক্রান্ত হন, তখন তার শরীরের রোগ প্রতিরোধী ব্যবস্থা ভাইরাসের সঙ্গে যুদ্ধ করতে এন্টিবডি তৈরি করে। এই এন্টিবডি করোনা ভাইরাসকে আক্রমণ করে। ফলে সময়ের সঙ্গে আক্রান্ত ব্যক্তির রক্তের তরল পদার্থ প্লাজমায় প্রচুর পরিমাণে এন্টিবডি তৈরি হয়।
এনএইচএস ব্লাড এন্ড ট্রান্সপ্ল্যান্ট বলছে, তারা এখন প্লাজমার এই এন্ডিবডি ব্যবহারের পদ্ধতিটি কাজে লাগাতে চায়।
সংস্থাটির দেওয়া এক বিবৃতিতে বলা হয়, আমরা মনে করি করোনা রোগীদের সম্ভাব্য চিকিৎসায় এটি হবে প্রাথমিক এক গবেষণা।
এই পরীক্ষায় দেখা হবে কনভালেসেন্ট প্লাজমা কোভিড-১৯ রোগীর শরীরে সঞ্চালিত করার পর সেটি কতো দ্রুত তাকে সারিয়ে তুলতে পারে। তবে কঠোর নিয়ন্ত্রণ ও নজরদারির মধ্যে মানুষের দেহে এই পরীক্ষা চালানো হবে।
করোনা রোগের চিকিৎসায় রক্তের প্লাজমার ব্যবহার নিয়ে যুক্তরাজ্যে বিভিন্ন গ্রুপ কাজ করছে।
কার্ডিফে ইউনিভার্সিটি হসপিটাল অব ওয়েলস ঘোষণা করেছে যে, তারাও এই পদ্ধতি পরীক্ষা করে দেখতে চায়।
অ্যাকাডেমি অব মেডিকেল সায়েন্সেসের প্রেসিডেন্ট প্রফেসর স্যার রবার্ট লেচলার বলেছেন, তিনি চান করোনা ভাইরাসে গুরুতর অসুস্থ রোগী, যাদের আর কোনো চিকিৎসার উপায় নেই, তাদের শরীরে এই কনভালেসেন্ট প্লাজমা চিকিৎসা চালানো হোক।
এদিকে এই পরীক্ষার জন্য রক্ত দিতে যুক্তরাষ্ট্রে ইতোমধ্যেই বহু মানুষ এগিয়ে এসেছে।
নিউইয়র্ক ব্লাড সেন্টারের প্রধান মেডিকেল অফিসার ব্রুস সাচিয়াস বলেছেন, শত শত মানুষ আসছে রক্ত দিতে। আমরা মাত্র এক হাজার ইউনিট সংগ্রহ করতে পেরেছি।
যুক্তরাষ্ট্রের মায়ো ক্লিনিকের প্রফেসর মাইকেল জয়নার বলেছেন, এই পদ্ধতিতে এখানে বড় ধরনের কোন স্বাস্থ্য ঝুঁকি চোখে পড়েনি। রোগীর শরীরে কোনো পার্শ্ব প্রতিক্রিয়াও দেখা যায়নি। কিছু কিছু ক্ষেত্রে অক্সিজেনের মাত্রার উন্নতি হওয়ার খবর পেয়েছি।
১০০ বছর আগে স্প্যানিশ ফ্লু মহামারির সময়েও এই পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়েছিলো। এবোলা ও সার্স রোগের চিকিৎসাতেও এই পদ্ধতি কাজে লাগানো হয়। সূত্র: বিবিসি