Author: Banglarmukh24

  • গত দুই দিনে চীনে করোনায় কেউ মারা যায়নি

    গত দুই দিনে চীনে করোনায় কেউ মারা যায়নি

    গত ৩১ ডিসেম্বর চীনের হুবেই প্রদেশের উহান শহরে প্রথম করোনার প্রকোপ দেখা দেয়। এরপর থেকেই উহানে আক্রান্ত ও মৃত্যুর সংখ্যা ক্রমাগত বাড়তে থাকে। কয়েক মাসেই করোনা মহামারি পরিস্থিতি তৈরি করেছে।

    চীনে করোনায় আক্রান্ত ও মারা যাওয়াদের মধ্যে বেশিরভাগই উহানের নাগরিক। তবে গত কয়েক মাসের প্রচেষ্টায় করোনা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হয়েছে বলে দাবি চীনের। তারা এই বিপর্যয় অনেকটাই কাটিয়ে উঠেছে।

    অন্যান্য দেশে করোনায় আক্রান্ত ও মৃত্যুর সংখ্যা বাড়তে থাকলেও চীনে আক্রান্ত ও মৃত্যুর সংখ্যা কমতে শুরু করায় কিছুটা স্বস্তি মিলেছে। এরই মধ্যে উহান থেকে লকডাউন তুলে নেওয়া হয়েছে। ফলে উহানে আটকা পড়া হাজার হাজার মানুষ বাড়ি ফিরতে শুরু করেছে।

    এদিকে, সবচেয়ে বড় সুখবর হচ্ছে গত দুদিনে চীনের কোথাও করোনায় আক্রান্ত হয়ে কারো মৃত্যুর খবর পাওয়া যায়নি। নতুন করে করোনায় আক্রান্তের ঘটনা ঘটলেও মৃত্যুর ঘটনা ঘটেনি।

    চীনের ন্যাশনাল হেলথ কমিশন জানিয়েছে, রোববার নতুন করে কেউ করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা যায়নি। আগের দিনও করোনায় নতুন করে কারো মৃত্যু হয়নি।

    তবে রোববার নতুন করে ১২ জন প্রাণঘাতী এই ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছে। এর মধ্যে আটজনই বহিরাগত। গত কয়েক সপ্তাহে স্থানীয়দের তুলনায বহিরাগতদের আক্রান্তের হার বেশি।

  • দেশে করোনায় মৃত্যু ১০০ ছাড়ালো, নতুন আক্রান্ত ৪৯২ জন

    দেশে করোনায় মৃত্যু ১০০ ছাড়ালো, নতুন আক্রান্ত ৪৯২ জন

    করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় ১০ জন মারা গেছেন। এ নিয়ে মৃত্যু দাঁড়ালো ১০১ জনে। ২৭৭৯ নমুনা পরীক্ষায় শনাক্তের পর নতুন করে ৪৯২ করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। এতে আক্রান্ত বেড়ে হয়েছে ২৯৪৮ জন।

    সোমবার (২০ এপ্রিল) দুপুরে স্বাস্থ্য অধিদফতরের করোনা ভাইরাস সংক্রান্ত নিয়মিত হেলথ বুলেটিনে এ তথ্য জানানো হয়। অনলাইনে বুলেটিন উপস্থাপন করেন স্বাস্থ্য অধিদফতরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা, তার সঙ্গে ছিলেন অধিদফতরের কেন্দ্রীয় ঔষধাগারের (সিএমএসডি) পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. শহীদুল্লাহ।

     

    হেলথ বুলেটিনে আরও জানানো হয়, নতুন করে মৃত ১০ জনের মধ্যে পুরুষ আটজন এবং নারী দুজন। বয়সভিত্তিক বিশ্লেষণে দেখা গেছে, এ ১০ জনের মধ্যে ষাটোর্ধ্ব চারজন, পঞ্চাশোর্ধ্ব চারজন এবং চল্লিশোর্ধ্ব দুজন। তাদের মধ্যে রাজধানী ঢাকায় মারা গেছেন পাঁচজন, নারায়ণগঞ্জে চারজন এবং নরসিংদীতে একজন মারা গেছেন।

    নতুন আক্রান্ত ৪৯২ জনের মধ্যে সর্বোচ্চ সংখ্যক ১৯ দশমিক ৫ শতাংশ রোগী গাজীপুরের।কিশোরগঞ্জের ১৩ দশমিক ৫ শতাংশ এবং নরসিংদীর রোগী ৬ শতাংশ। ঢাকা ও নারায়ণগঞ্জে আগের মতোই বেশি আছে রোগী।

    বুলেটিনে ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. শহীদুল্লাহ পিপিইসহ চিকিৎসা সামগ্রী গ্রহণ এবং তা চিকিৎসক-স্বাস্থ্যকর্মীদের মধ্যে বিতরণের তথ্য তুলে ধরেন। এছাড়া করোনার বিস্তাররোধে সবাইকে বাড়িতে থাকার এবং স্বাস্থ্য বিভাগের পরামর্শ মেনে চলার আহ্বান জানানো হয়।

  • বরিশালে কড়াকড়ির মধ্যেও লকডাউন উপেক্ষার প্রবণতা বাড়ছে

    বরিশালে কড়াকড়ির মধ্যেও লকডাউন উপেক্ষার প্রবণতা বাড়ছে

    প্রশাসনের কড়াকড়ির পরও বরিশালে লকডাউন উপেক্ষার প্রবণতা বাড়ছে। সোমবার অষ্টম দিনেও নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে রাস্তায় বেড়িয়েছেন প্রচুর সংখ্যক মানুষ।
    মুদি এবং ওষুধের দোকান ব্যতিত অন্যান্য ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখার নির্দেশ থাকলেও ক্রমান্বয়ে এই মুহূর্তে অপ্রয়োজনীয় দোকান খোলার হিরিক পড়েছে। বিশেষ করে নগরীর বাজার রোডে অপ্রয়োজনীয় এবং কাঠপট্টিতে প্রচুর সংখ্যক ইলেক্ট্রনিক্স দোকান খোলা রাখতে দেখা গেছে। সরকারি নির্দেশ বাস্তবায়নে জেলা প্রশসনের ভ্রাম্যমান আদালত এবং সেনাসহ আইন শৃঙ্খলা বাহিনী তৎপর থাকলেও লকডাউন পুরোপুরি কার্যকর হচ্ছে না বরিশালে।

    এদিকে জেলা প্রশাসন জনগণের শারীরিক দূরত্ব নিশ্চিত করতে নগরীর ৯টি বাজার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মাঠসহ খোলা জায়গায় স্থানান্তর করেছে। গতকাল সোমবার জেলা প্রশাসন এক গণবিজ্ঞপ্তিতে নগরীর ৯টি বাজার স্থানান্তরের ঘোষণা দেয়। পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত এই ঘোষনা বলবৎ থাকবে বলে গণবিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়।

    গত ১২ এপ্রিল বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন দুই রোগীর দেহে প্রথমবারের মতো করোনা সনাক্ত হওয়ায় ওইদিন রাতেই নগরীসহ পুরো জেলা লকডাউন ঘোষণা করে জেলা প্রশাসন। প্রথমদিকে মানুষের মধ্যে আইন মান্য করার প্রবণতা থাকলেও আস্তে আস্তে তারা অসহিষ্ণু হয়ে পড়েছেন। অনেকেই বিনা কারণে রাস্তাঘাটে বেড়িয়ে পড়েন। মুদী এবং ওষুধের দোকান ব্যতিত অন্যান্য ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখার নির্দেশনা থাকলেও নগরীর বিভিন্ন স্থানে এই মুহূর্তে অপ্রয়োজনীয় দোকান খোলা রাখার হিরিক পড়েছে।

    গত রোববার এবং গতকাল সোমবার জেলা প্রশাসনের ভ্রাম্যমান আদালত অপ্রয়োজনীয় দোকান খোলা রাখায় নগরীর বিভিন্ন স্থানে ২৯টি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান থেকে ৯৭ হাজার ৫০০ টাকা জরিমানা আদায় করেছে। এরপরও গতকাল সোমবার বাজার রোডে সুতার দোকানসহ নানা অপ্রয়োজনীয় দোকান এবং কাটপট্টিতে প্রচুর সংখ্যক ইলেক্ট্রনিক দোকান খোলা রাখতে দেখা গেছে।
    এছাড়াও বাজারঘাট, রাস্তা এবং ব্যাংকেও গতকাল অনেক মানুষ দেখা গেছে। রিক্সা, মোটর সাইকেল, বাই সাইকেল এবং ব্যক্তিগত যানবাহনের উপস্থিতি ছিলো চোখে পড়ার মতো। টিসিবি পন্য বিক্রির প্রতিটি পয়েন্টেও ছিলো দীর্ঘ লাইন। এসব স্থানে শারীরিক দূরত্ব অনুসরণের কোন বালাই ছিল না। নগরীর অনেক এলাকায় প্রায় স্বাভাবিক সময়ের মতো চিত্র দেখা গেছে।

    দিনের প্রথমভাগে এই চিত্র থাকলেও দুপুরের পর রাস্তাঘাটে মানুষ কমতে থাকে। বিশেষ করে সন্ধ্যার পর অনেকটাই কার্যকর হয় লকডাউন।
    এদিকে জনসমাগম রোধ ও শারীরিক দূরত্ব নিশ্চিত করতে নগরীতে ভ্রাম্যমান আদালত এবং র‌্যাব-পুলিশের পাশাপাশি গতকাল সেনা বাহিনীকে টহল দিতে দেখা গেছে।
    করোনা এড়াতে জনগণকে সরকারি স্বাস্থ্যবিধি মেনে নিজ নিজ ঘরে থাকার আহ্বান জানিয়েছেন বরিশালের জেলা প্রশাসক এসএম অজিয়র রহমান। জনগণের সুবিধার জন্য নগরীর ৯টি বাজার খোলা জায়গায় এবং বিভিন্ন মাঠে স্থানান্তর করা হয়েছে বলে জানান জেলা প্রশাসক।

  • বরিশালে বহিরাগত প্রবেশ বন্ধে সড়কে কঠোর অবস্থায় ডিসি খাইরুল আলম

    বরিশালে বহিরাগত প্রবেশ বন্ধে সড়কে কঠোর অবস্থায় ডিসি খাইরুল আলম

    শামীম আহমেদ ॥ বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার মোঃ শাহাবুদ্দিন খানের নির্দেশে কোভিড -১৯ করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে বরিশাল নগরীতে বহিরাগত প্রবেশ বন্ধে ডিসি (উত্তর) খাইরুল আলম সড়কে কঠোর অবস্থান গ্রহন করে চেকপোস্ট বসিয়ে নজরদারী করে যাচ্ছেন।

    রবিবার সকাল থেকে শুরু করে দিনভর বেলতলা ফেরীঘাট,চাঁদপাশা বটতলা,রামপট্রি বাজার,রায়পাশা কড়াপুর এলাকার প্রবেশ মুখে বরিশালের বাহির থেকে প্রবেশ বন্ধে চেকপোস্ট বসিয়ে অভিযান চালিয়েছে পুলিশ।

    এ সময় উপ-পুলিশ কমিশনার(উত্তর) মোঃ খাইরুল আলম বলেন, প্রাণঘাতি করোনা ভাইরাস এখন আর এক যায়গায় সীমাবদ্ধ নেই।দেশের সব যায়গায় ছড়িয়েছে।এ পরিস্তিতিতে আমাদের সকলের নিরাপত্তার স্বার্থে নিজেদের ঘরে থেকে প্রতিরোধ যুদ্ধ চালিয়ে যেতে হবে।আপনারা বিনা প্রয়োজনে বাহিরে ঘোরাফিরা করে নিজেদের বিপদ ডেকে আনবেন না। আমরা সবাই শারীরিক দুরত্ব বজায় রেখে নিজে সচেতন হয়ে অন্যকে সচেতন করে তুলতে পারলে ভয়াবহ এ রোগের হাত থেকে নিজেরা রক্ষাপাব। ভাল থাকবে আমাদের দেশ ও জাতি।

  • বরিশালে করোনা ইউনিটে চিকিৎসাধীন আরেক যুবকের মৃত্যু

    বরিশালে করোনা ইউনিটে চিকিৎসাধীন আরেক যুবকের মৃত্যু

    মাত্র ৯ ঘন্টার ব্যবধানে বরিশাল শেল-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ (শেবাচিম) হাসপাতালের করোনা ওয়ার্ডে আইসোলেশনে থাকা বেদে যুবকের মৃত্যু হয়েছে। আজ রোববার (১৯ এপ্রিল) বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে তার মৃত্যু হয়।

    মৃত্যু হওয়া যুবক লিটন (২৫) গত ১৭ এপ্রিল রাত ৯টায় জ্বর, সর্দি এবং কাশিসহ করোনার উপসর্গ থাকা সত্যেও তথ্য গোপন করে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সার্জারী ইউনিট-৩ এর ওয়ার্ডে ভর্তি হয়।

    বিষয়টি প্রকাশ পেলে ওইদিন রাত রাত ১০টার দিকে লিটন নামের ওই যুবককে করোনা ওয়ার্ডে আইসোলেশনে পাঠানো হয়েছিল। সেখানেই চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু হয়েছে লিটনের।

    বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শেবাচিম হাসপাতালের ওয়ার্ড মাস্টার আবুল কালাম। তিনি বলেন, মৃত যুবক লিটন মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলার সুলতানী গ্রামের আব্দুল সরদারের ছেলে। সে একজন বেদে ছিলেন বলে তার স্বজনদের কাছ থেকে জানাগেছে।

    এর আগে আজ রোববার সকাল পৌনে ৮টার দিকে শেবাচিমের করোনা ওয়ার্ডে আইসোলেশনে মৃত্যু হয় জাহাঙ্গির হোসেন নামের অপর এক ব্যক্তির। তার বাড়ি মঠবাড়িয়ায়। তিনিরও করোনাভাইরাসের উপসর্গ ছিল।

    ১৮ এপ্রিল রাত ৯টা ৫০ মিনিটে তিনি শেবাচিম হাসপাতালের করোনা ওয়ার্ডে ভর্তি হন। মৃতব্যক্তির নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষার জন্য পাঠানোর পাশাপাশি মৃতদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

    এছাড়া বিকেল সাড়ে ৫টায় মৃত্যু হওয়া যুবকের নমুনা সংগ্রহ করে তা পরীক্ষার জন্য শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজের পিসিআর ল্যাবে প্রেরণ করা হলেও রিপোর্ট পাওয়া যায়নি।

  • বরিশালে দোকান খোলা রেখে জমসমাগম করার অপরাধে ২৯ হাজার টাকা জরিমানা

    বরিশালে দোকান খোলা রেখে জমসমাগম করার অপরাধে ২৯ হাজার টাকা জরিমানা

    বরিশালে জেলা প্রশাসনের নিয়মিত কর্মসূচির অংশ হিসেবে আজও বরিশাল নগরীতে মোবাইল কোর্ট অভিযান অব্যাহত আছে। আজ ১৯ এপ্রিল রবিবার সকাল থেকে বরিশাল মহানগরীর চৌমাথা মোড়, নথুল্লাবাদ, কাশিপুর বাজার, বাংলা বাজার, আমতলার মোড়, সাগরদী, রুপাতলী, পুলিশ লাইন, কাউনিয়া, কাটপট্টি, বাজার রোড, লাইন রোড, ভাটিখানা, বিসিক নগরীর, নতুনবাজার ও ফলপট্টি এলাকায় জেলা প্রশাসন বরিশাল এর পক্ষ থেকে মোবাইল কোর্ট অভিযান পরিচালনা করা হয়।

    জনসমাগম করে অপ্রয়োজনীয় দোকান খোলা রেখে সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিত ও দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে বরিশাল জেলা প্রশাসনের মোবাইল কোর্ট অভিযান চালিয়ে বিভিন্ন অপরাধে ১২ টি দোকান এবং এক জম ব্যক্তিকে মোট ২৯ হাজার টাকা জরিমানা অাদায় করা হয়। নগরীর বিভিন্ন স্থানে জেলা প্রশাসক ও বিজ্ঞ জেলা ম্যাজিস্ট্রেট এস, এম, অজিয়র রহমানের নির্দেশনায় মোবাইল কোর্ট অভিযান পরিচালনা করেন। এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট জেলা প্রশাসকের কার্যালয় বরিশাল মোঃ নাজমূল হুদা এবং এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ আতাউর রাব্বী।

    করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব সম্পর্কে গণসচেতনতা কার্যক্রম পরিচালনার পাশাপাশি এ সময় বিভিন্ন টি-স্টল, মুদি দোকান ও এলাকার মোড়ে মোড়ে যেখানেই জনসমাগম দেখা গেছে তা ছত্রভঙ্গ করা হয় এবং নিরাপদ দূরত্বে চলার নির্দেশনা, মাক্স পরার নির্দেশনা প্রদানের পাশাপাশি জেলা প্রশাসন এর পক্ষ থেকে মাক্স বিতরণ করা হয়। এসময় সবাইকে যৌক্তিক প্রয়োজন ছাড়া ঘরের বাইরে আসতে নিষেধ করা হয় এবং সন্ধ্যা ৬ টার মধ্যে জরুরি ঔষধ ব্যতীত সকল প্রকার দোকান বন্ধ রাখার নির্দেশ প্রদান করা হয়।

    এসময় মোবাইল কোর্ট অভিযান পরিচালনায় করেন এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ নাজমূল হুদা।

    অভিযান পরিচালনাকালে নগরীর কাউনিয়া এলাকায় ইসমাইল ও জাহিদ লকডাউন অমান্য করে বিনা প্রয়োজনে বাইরে ঘোরাঘুরি করার অপরাধে সংক্রামক রোগ (প্রতিরোধ, নিয়ন্ত্রণ ও নির্মূল) আইন ২০১৮ এর ২৫ (১) ধারা মোতাবেক ৫০০ টাকা করে মোট ১ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। এসময় মোঃ রনি নামে এক ব্যক্তি মোবাইল কোর্টের কার্যকর ভিডিও করার অপরাধে একই আইনে ২ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। ইউনুস নামে এক ব্যক্তিকে অপ্রয়োজনীয় দোকান খোলা রেখে জনসমাগম করে পণ্য বিক্রয় করায় অপরাধে একই আইনে ১ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

    নতুনবাজার এলাকায় অপ্রয়োজনীয় দোকান খোলা রেখে জনসমাগম করায় ৩ দোকান কে মোট ৪ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। চৌমাথা এলাকায় কয়েকটি অপ্রয়োজনীয় দোকান ইলেকট্রনিকস দোকান খোলা রেখে ব্যাপক জনসমাগম করায় ৩ টি দোকান কে একই আইনে ৭৫০০ টাকা জরিমানা করা হয়। কাঠপট্টি এলাকায় বারবার সতর্ক করার পর ও অপ্রয়োজনীয় দোকান খোলা রেখে ব্যাপক জনসমাগম করায় মামুনকে ৫ হাজাট টাকা ও ফোরকান কে ৮ হাজার টাকা একই আইনে জরিমানা করা হয়। অন্য একটি দোকানে অধিক জনসমাগম ছিল কিন্তু আইন শৃঙ্খলা বাহিনী গেলে দোকান খোলা রেখে পালিয়ে যায়।

    তাদের সাথে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হয় কিন্তু না আসায় বাজার কমিটির মৌখিক অনুরোধের প্রেক্ষিতে সিলগালা করা হয়। এছাড়াও বেশ কয়েকটি স্পটে টিসিবির পণ্য বিক্রয়ে ক্রেতাদের দীর্ঘ লাইনে সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিত করা হয়। অভিযানের পাশাপাশি সচেতনামূলক কার্যক্রম হিসেবে বেশ কয়েকটি স্থলে মাস্ক বিতরণ করা হয়।এসময় আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা সহযোগিতা করেন র‍্যাব ৮ এর এএসপি মুকুর চাকমাসহ একটি টিম। অপরদিকে করোনাভাইরাস সংক্রমণ প্রতিরোধে সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিতকরণ ও গণসচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ আতাউর রাব্বী এর নেতৃত্বে নগরীর বিভিন্ন স্থানে অভিযান পরিচালনা করেন।

    এ সময় নগরীর নথুল্লাবাদ এলাকায় সরকারি নির্দেশ অমান্য করে আড্ডাবাজি করে করোনার ঝুঁকি বৃদ্ধি করার দায়ে একজনকে দন্ডবিধি ১৮৬০ এর ২৬৯ ধারা মোতাবেক ৫০০ টাকা অর্থদন্ড প্রদান করা হয়। আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় সহযোগিতা করেন মেট্রোপলিটন পুলিশের একটি টিম। অভিযান শেষে এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেটদ্বয় বলেন, জনগণকে করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ থেকে রক্ষা এবং করোনা ভাইরাসের বিস্তার এবং এটিকে পুঁজি করে অসাধু ব্যবসায়ীদের বাজার অস্থিতিশীল করার অপচেষ্টা রোধকল্পে জেলা প্রশাসক ও বিজ্ঞ জেলা ম্যাজিস্ট্রেট এস, এম, অজিয়র রহমান সদা সচেষ্ট এবং তাঁর নির্দেশনায় নিয়মিত এ ধরণের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

  • ভোলায় চাল চুরির আসামিকে মুক্তি, ইউএনও-ওসির বিরুদ্ধে মামলা

    ভোলায় চাল চুরির আসামিকে মুক্তি, ইউএনও-ওসির বিরুদ্ধে মামলা

    ভোলার বোরাহানউদ্দিনে সরকারি চাল চুরি করায় ভ্রাম্যমাণ আদালতে ২৫ হাজার টাকা জরিমানা করে আসামি মুক্তি দেওয়ায় উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও ওসির বিরুদ্ধে সুয়োমোটো মামলা করা হয়েছে।

    বৃহস্পতিবার ভোলার জ্যেষ্ঠ বিচারিক হাকিম আদালতে এ মামলা করেন সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. ফরিদ আলম।

    মামলার আসামিরা হলেন- বোরাহানউদ্দিন উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) মো. বশির উদ্দিন গাজী ও ওসি এনামুল হক।

    মামলার সংক্ষিপ্ত বিবরণীতে জানা যায়, ‘করোনা দুর্যোগের পরিস্থিতিতে ত্রাণের চাল আত্মসাৎ ও কালোবাজারে বিক্রির উদ্দেশ্যে মজুদের ঘটনায় ইউএনও মো. বশির গাজী মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করেন। এসময় তিনি আসামি আব্দুল মান্নানের নিকট হতে ২৫ হাজার টাকা এবং সেলামতকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করে মুক্তি প্রদান করেন।’

     

     

    বিবরণীতে আরো বলা হয়, ‘বিদ্যমান ঘটনার সংবাদে প্রাথমিকভাবে প্রতীয়মান হয় যে, এটা ১৯৭৪ সালের বিশেষ ক্ষমতা আইনের ২৫ ধারার (১) ও (২) ধারার অপরাধ, যা স্পেশাল ট্রাইব্যুনাল কর্তৃক বিচার্য এবং যার সর্বোচ্চ সাজা মৃত্যুদণ্ড পর্যন্ত।’

    ‘একই সঙ্গে বর্ণিত ঘটনা যদি Penal Code এর ১৮৬০ এর ৩৭৯ ধারা (যার সর্বোচ্চ সাজা ৩ বছর কারাদণ্ড), ৪০৩ ধারা যার (সর্বোচ্চ সাজা ২ বছর কারাদণ্ড), ৪১১ ধারা যার (সর্বোচ্চ সাজা ৩ বছর কারাদণ্ড), ৪১৪ ধারা ( যার সর্বোচ্চ সাজা ৩ বছর কারাদণ্ড) সহ আরো অন্যান্য ধারায় অপরাধ মর্মে গণ্য করা যায়।’

     

    ‘একই সাথে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি সরকারি কর্মচারী হলে এই ত্রাণের চাল দুর্নীতির মাধ্যমে আত্মসাৎ করা হয়েছে এবং তার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সকলের বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন আইনে তদন্তপূর্বক ব্যবস্থা গ্রহণ করা যায় মর্মে প্রতীয়মান হয়। দুর্নীতি দমন বিষয়টি দুর্নীতি দমন কমিশন কর্তৃক তদন্ত এবং স্পেশাল ট্রাইব্যুনাল কর্তৃক বিচার্যের অপরাধ।’

    ‘ভারপ্রাপ্ত ইউএনও বশির গাজী এখতিয়ার বিহীন অর্থদণ্ড আরোপের মাধ্যমে অপরাধীকে দায়মুক্তি প্রদান করেছেন এবং রাষ্ট্রীয় আইন, ফৌজদারি বিচার কাঠামো ও বর্তমান সরকারের নীতির সুস্পষ্ট লঙ্ঘন করা হয়েছে মর্মে সংবাদ দৃষ্টে প্রতীয়মান হয়। অপরাধের প্রকৃত বিচারের পথ রুদ্ধ করে তাকে নামমাত্র শাস্তি তথা জরিমানা করে দায়মুক্তি দেয়ায় ইউএনওর বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সুয়ামোট মামলাটি রুজু করে আগামী ২৮ এপ্রিল মোবাইল কোর্ট পরিচালনার যাবতীয় ডকুমেন্ট ও আইনানুগ ব্যাখ্যাসহ সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. ফরিদ আলমের কোর্টে উপস্থাপনের জন্য নির্দেশ প্রদান করেছেন।’

    বোরহানউদ্দিন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকেও একই নির্দেশ প্রদান করা হয়েছে।

     

    উল্লেখ্য, বুধবার বোরহানউদ্দিন উপজেলার কুতুবা নতুন বাজারে মো. ছেলামত নামের এক ব্যবসায়ীর দোকান হতে ৯ বস্তা সরকারি চাল উদ্ধার করেন ইউএনও। পরে মোবাইল কোর্টে ব্যবসায়ী ছেলামতকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করেন। আর ছেলামত যার কাছ থেকে চাল ক্রয় করেছেন ডিলার আ. মান্নানকে ২৫ হাজার টাকা জরিমানা করে তাদের ছেড়ে দেন।

  • বরিশালসহ দেশের বিভিন্ন নৌ পথে করোনা প্রতিরোধে ১৯ জাহাজ মোতায়েন

    বরিশালসহ দেশের বিভিন্ন নৌ পথে করোনা প্রতিরোধে ১৯ জাহাজ মোতায়েন

    নৌ পথের নিরাপত্তা ও করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ প্রতিরোধে নদীতে জনসাধারণের অবাধে চলাচল নিয়ন্ত্রণের জন্য ১৯টি জাহাজ মোতায়েন করেছে নৌ পুলিশ।

    দেশের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ নদীতে প্রয়োজনীয় সংখ্যক জাহাজ, স্পিড বোট ও অস্ত্রশস্ত্র মোতায়েন করা হয়েছে। ৬ টি অঞ্চল ভাগ করে ৬ জন পুলিশ সুপারের নেতৃত্বে ৫৩৫ জন সদস্য ডিউটি করছেন।

    গতকাল নৌ পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ফরিদা পারভীন জানান, জাহাজগুলো মোতায়েনের পর থেকে ৩১০ জন বিভিন্ন পেশার শ্রমিকদের পুশব্যাক করা হয়েছে। তারা দেশের বিভিন্ন নদী বন্দর বা ঘাট থেকে ট্রলারে গাদাগাদি করে বাড়ির পথে রওনা হয়েছিলেন। তাদের দ্বারা করোনা ভাইরাস সংক্রমণের আশংকা ছিল।

    নৌ পুলিশ সদর দপ্তর জানায়, ঢাকা অঞ্চলের নৌপথে ৯টি জাহাজ ও ১০টি স্পিড বোট মোতায়েন করা হয়েছে। এলাকাগুলো হলো মীর কাদিম, গজারিয়া, নারায়ণগঞ্জ নৌ বন্দর, লৌহজং, সদরঘাট, হাসনাবাদ, মুক্তারপুর ব্রিজ ও আরো আশপাশ এলাকা।

    ফরিদপুর অঞ্চলে ১টি জাহাজ ও ১টি স্পিড বোট মোতায়েন করা হয়েছে। এলাকাগুলো হলো পাটুরিয়া, চর শিবালয়, আলোক দিয়ার চর, দৌলতদিয়া, ঢালারচর, কলাবাগান ও আরিচা সংলগ্ন পদ্মানদী ও তার আশপাশ এলাকা।

    কিশোরগঞ্জ অঞ্চলে ২টি জাহাজ ও ২টি স্পিড বোট, চাঁদপুর অঞ্চলে ৪টি জাহাজ ও ৭টি স্পিড বোট, বরিশাল অঞ্চলে ৩টি জাহাজ ও ৩টি স্পিড বোট এবং খুলনা অঞ্চলে ১টি জাহাজ ও ৩টি স্পিড বোড মোতায়েন করা হয়েছে।

  • বিশেষ ফ্লাইটে ঢাকা ছাড়লেন ৩০০ অস্ট্রেলিয়ান

    বিশেষ ফ্লাইটে ঢাকা ছাড়লেন ৩০০ অস্ট্রেলিয়ান

    করোনাভাইরাসের কারণে সৃষ্ট পরিস্থিতিতে ঢাকা ছেড়ে গেছেন অস্ট্রেলিয়ার প্রায় ৩০০ নাগরিক ও স্থায়ী বাসিন্দা।

    বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) রাতে তাদের ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে নিয়ে যায় শ্রীলঙ্কান এয়ারলাইন্সের বিশেষ একটি ফ্লাইট।

    বিমানবন্দরে পররাষ্ট্র সচিব মাসুদ বিন মোমেন এবং অস্ট্রেলিয়ার হাইকমিশনার জেরেমি ব্রুয়ার ফ্লাইটটির যাত্রীদের বিদায় জানান।

    গত সপ্তাহে বিশেষ ফ্লাইটটিতে সিট পেতে নিবন্ধন করার জন্য হাইকমিশন আহ্বান জানালে ৩৩৯ জন আবেদন করেন।

    নাগরিকদের স্বদেশে ফিরিয়ে নিতে পেরে বাংলাদেশ সরকার, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, বেবিচক, বাংলাদেশ পুলিশ ও শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছে ঢাকায় অস্ট্রেলিয়ার হাইকমিশন।

    করোনার কারণে গোটা বিশ্বজুড়ে এক ধরনের অচলাবস্থা তৈরি হয়েছে। প্রাণঘাতী ভাইরাসটির বিস্তাররোধের পদক্ষেপের কারণে বেশিরভাগ দেশের সঙ্গেই অন্য দেশের বিমান চলাচল বন্ধ রয়েছে। বাংলাদেশেও কেবল চীন ছাড়া অন্য কোনো দেশের ফ্লাইট আসছে না এখন।

    বাংলাদেশে করোনাভাইরাসের রোগী শনাক্ত হওয়ার পর যুক্তরাষ্ট্র, জাপান, রাশিয়া, যুক্তরাজ্যসহ অনেক রাষ্ট্র তাদের নাগরিকদের ফিরিয়ে নিতে শুরু করে। এজন্য চার্টার্ড বা ভাড়া করা ফ্লাইটই আনতে হয়েছে কিছু দেশকে। সবশেষ এই সারিতে যোগ হলো অস্ট্রেলিয়া।

  • সরকারের চেয়ে শক্তিশালী কেউ নয়, ত্রাণ চুরি বন্ধে ব্যবস্থা নিন

    সরকারের চেয়ে শক্তিশালী কেউ নয়, ত্রাণ চুরি বন্ধে ব্যবস্থা নিন

    করোনাভাইরাস সংক্রমণ পরিস্থিতির মধ্যে কর্মহীন ও দুস্থদের দেয়া সরকারি ত্রাণ দুর্নীতির সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে মাঠ পর্যায়ের সরকারি কর্মকর্তাদের কঠোর ব্যবস্থা নেয়ার আহ্বান জানিয়ে জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন বলেন, ‘সরকারের চেয়ে শক্তিশালী কেউ নেই, আমরা আপনাদের সঙ্গে আছি।’

    বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) বিকেলে জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী টেলিফোনে জাগো নিউজকে এ কথা বলেন।

    করোনাভাইরাস সংক্রমণের মধ্যে দেশে প্রথমে গত ২৬ মার্চ থেকে ৪ এপ্রিল পর্যন্ত ছুটি ঘোষণা করে সরকার। পরে পরিস্থিতির অবনতির প্রেক্ষিতে কয়েক দফায় ছুটি ২৫ এপ্রিল পর্যন্ত বাড়ানো হয়। জরুরি সেবামূলক সংস্থা, প্রতিষ্ঠান ছাড়া সব বন্ধ ঘোষণা করা হয়, বন্ধ করে দেয় সব ধরনের গণপরিবহনও। এ সময়ে সরকার সবাইকে ঘরে অবস্থানের পরামর্শ দেয়।

    এমন পরিস্থিতিতে কর্মহীন হয়ে পড়েছে শ্রমজীবী মানুষ। এসব কর্মহীন শ্রমজীবী মানুষ ও দুস্থদের সহায়তায় সরকার ত্রাণসহায়তা দিচ্ছে। একই সঙ্গে ১০ টাকা কেজি দরে বিশেষ ওএমএস এবং খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির আওতায় ১০ টাকা কেজি দরে চালও দেয়া হচ্ছিল। কিন্তু দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে ত্রাণ ও এসব কর্মসূচির চাল আত্মসাৎ এবং চুরির ঘটনা ঘটে। মাঠ প্রশাসনের কর্মকর্তাদের তৎপরতায় এসব উদঘাটিও হচ্ছে। জনপ্রতিনিধিরা এসবের সঙ্গে জড়িত বলে গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশিত হয়।

    ত্রাণ আত্মসাতের ঘটনায় সম্পৃক্ত থাকায় ইতিমধ্যে স্থানীয় সরকার বিভাগ থেকে বেশ কয়েকজন ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান ও সদস্যদের সাময়িক বরখাস্ত করে আদেশ জারি করেছে। কেন তাদের স্থায়ীভাবে বরখাস্ত করা হবে না- সেই বিষয়ে কারণ দর্শানোর নোটিশ জারি করা হয়েছে।

    এই পরিস্থিতিতে মাঠ প্রশাসনের কর্মকর্তাদের কার্যক্রমের বিষয়ে জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘করোনার এই সময়ে যে মাঠে যে টিমটা কাজ করছে, জেলা প্রশাসক (ডিসি) হচ্ছেন প্রধান সমন্বয়ক। তার নেতৃত্বেই কাজ হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী ত্রাণ নিয়ে অনিয়মকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন। ৬১ হাজার ৫৫৭ জনপ্রতিনিধি সারাদেশে আছেন। এরমধ্যে হাতেগোনা কয়েকজন অনিয়ম করছেন।’

    সরকারি কর্মকর্তাদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, ‘সরকারি কর্মকর্তাদের ভয় পাওয়ার মতো কিছু নেই। সরকারের চেয়ে শক্তিশালী কেউ নেই। আপনারা অনিয়মের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিন, আমরা উপরে আছি, আমরা এটাকে কঠোরভাবে দেখছি।’

    ‘অপরাধী অপরাধীই, সে কোনো দলের না। তাকে ধরে ফেলুন। যারা এই সময়ে এই রকম কাজ করতে পারে, তাদের কোনো ছাড় নেই, কোনো মাফ নেই।’

    ফরহাদ হোসেন আরও বলেন, ‘আমি মনে করি সরকারি-কর্মকর্তাদের নিজের দায়িত্ব মনে করে যেভাবে ত্রাণ আত্মসাৎকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিচ্ছে, তা চালিয়ে যাবে। আমাদের সম্পূর্ণ সমর্থন তাদের প্রতি রয়েছে।’

    সরকারি কোনো কর্মকর্তা এরসঙ্গে জড়িত থাকলে তাদেরও ক্ষমা নেই বলেও জানান প্রতিমন্ত্রী।