Author: Banglarmukh24

  • ফেসবুকে ক্ষমা চেয়ে আত্মহত্যা করে বিএম কলেজের শিক্ষার্থী শাওন

    ফেসবুকে ক্ষমা চেয়ে আত্মহত্যা করে বিএম কলেজের শিক্ষার্থী শাওন

    বরিশাল বিএম কলেজের অনার্স প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী মোঃ শাওন (২০) নামে এক কিশোর নিজ বাড়ির একটি গাছের সাথে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করার খবর পাওয়া গেছে।

    রোববার (২৯ জুলাই) সকালে ঘরের পাশে একটি গাছে ঝুলন্ত অবস্থায় শাওনের মরদেহ দেখে পরিবারের লোকজন। মৃত্যুর কয়েকঘন্টা পূর্বে শাওনের নিজস্ব ‘বড় ভাই শাওন’ নামে ফেসবুক আইডিতে ইংরেজিতে ‘সবাই আমাকে মাফ করে দাও’ লেখাটি সর্বশেষ পোষ্ট দেন।

    শাওন বরগুনার পাথরঘাটা উপজেলার নাচনাপাড়া ইউনিয়নের মানিকখালী গ্রামের মো. জালাল হাওলাদারের ছেলে। স্থানীয়দের কথিত মতে শাওন তার বাবার সাথে অভিমান করে আত্মহত্যা করতে পারে বলে ধারণা করছেন।

    শাওনের বাবা জালাল হাওলাদার মোবাইল ফোনে বলেন, কি কারনে শাওন আত্মহত্যা করেছে তা আমি জানিনা। এব্যাপরে পাথরঘাটা থানা ভরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোল্লা মো. খবীর আহমেদ বলেন, ঘটনাটি আমরা শুনেছি তবে এখন পর্যন্ত লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি।

  • বিসিসি নির্বাচনঃনির্বাচনের সুষ্ঠু পরিবেশ হারিয়ে গেছে- ইকবাল হোসেন তাপস

    বিসিসি নির্বাচনঃনির্বাচনের সুষ্ঠু পরিবেশ হারিয়ে গেছে- ইকবাল হোসেন তাপস

    জাতীয় পার্টির মেয়র প্রার্থী ইকবাল হোসেন তাপস বলেছেন, নির্বাচনের সুষ্ঠু পরিবেশ হারিয়ে গেছে। এটা প্রহসনের নির্বাচন বলেও তিনি উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, নির্বাচনের কোন পরিবেশ নেই। পুলিশ দিয়ে আমাদের নেতাকর্মীদের হয়রানী করা হচ্ছে। আমার নিজের বাড়ীতে পুলিশ তল্লাসী করে আমার ছোট ভাইবে শাসিয়ে গেছে।

    যাতে আমি ভোট থেকে সরে যাই। এমন অবস্থায় নির্বাচন সুষ্ঠু হওয়া নিয়ে আমি শংবা প্রকাশ করছি। আর আমাদের নেতাকর্মীদের হয়রানী করে নির্বাচন থেকে আমাকে দুরে রাখতে চাইছে। গত শনিবার আওয়ামীলীগ মনোনীত মেয়র প্রার্থীর পথ সভার নামে বরিশালে শোডাউন করেছে। আগত বহিরাগতদের রেখে দিয়ে নির্বাচনের দিন সিল পেটানোর পায়তারা করছে।

    বোরবার রাতে নগরের অক্সফোর্ড মিশন রোডে জাতীয় পার্টির নির্বাজনী অফিসে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা জানান। তিনি বলেন, সরকার ও নির্বাচন কমিশন সুষ্ঠু ভোটের আশ্বাস দিলেও শেষ পর্যন্ত নির্বাচন কমিশন ও প্রশাসন পুলিশের হয়ে কাজ করছে।

    তারা আমাদের ৪জন নেতাকমী আটক করেছে। আওয়ীলীগ বহিরাগতদের বরিশালে ঠাই দিয়ে নির্বাচনকে প্রশ্ন বিদ্ধ করেছে। পথসভার নাম করে নগরীতে তারা সমাবেশ করেছে। কিন্তু নির্বাচন কমিশন তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহন করেনি। তারা চেষ্টা করছে নির্বাচনের দিন বহিরাগতদের দিয়ে ব্যলোট পেপারে সিল মেরে ভোট ছিনিয়ে নেবে।

    তিনি জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যৗান হুসাইন মুহাম্মদ এরশাদের কথা তুলে ধরে বলেন, তিনি অসহায়তা প্রকাশ করেছেন। কেননা তিনি নিজেই আমাকে জাতীয় পার্টির মনোনয় দিয়ে বরিশালে পাঠিয়েছেন। বরিশালে জাতীয় পার্টির অনেক ভোট আছে। সুষ্ঠু নির্বাচন হলে জাতীয় পার্টি জয়লাভ করবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

    যেকোন পরিস্থিতি মোকাবেলায় তিনি মাঠে থাকতবেন জানিয়ে বলেন, আমি শেষ পর্যন্ত মাঠে আছি। জয় নিয়ে আমি ঘরে উঠতে চাই। যত বাধাই আসুক না কেন আমি মাঠে থেকে নির্বাচনে লড়ে যাবো।

    সংবাদ সরম্মেলনে বরিশার জেলা জাতীয় পার্টির আহবায়ক অধ্যাপক মহসিন উল ইসলাম হাবুল ও জাতীয় পার্টির অনান্য নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

  • বরিশালে সিটি নির্বাচন: ১২৩ কেন্দ্রে পৌছে গেছে নির্বাচন সামগ্রী

    বরিশালে সিটি নির্বাচন: ১২৩ কেন্দ্রে পৌছে গেছে নির্বাচন সামগ্রী

    বরিশাল সিটি নির্বাচনের রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে নগরীর ১২৩টি ভোট কেন্দ্রে ব্যালট পেপার ও ব্যালট বক্সসহ যাবতীয় ভোটের সরঞ্জামাদী পাঠানো হয়েছে।

    আজ রবিবার (২৯ জুলাই) বেলা আড়াইটার দিকে রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর উপস্থিতিতে স্ব-স্ব কেন্দ্রের প্রিজাইডিং কর্মকর্তার কাছে ভোটের সরঞ্জামাদী বুঝিয়ে দেওয়া হয়।

    পরে তারা কঠোর নিরাপত্তার সাথে ভোটের সরঞ্জামাদী কেন্দ্রে কেন্দ্রে নিয়ে যান। রাতে কেন্দ্রে অবস্থানের পর সোমবার সকাল ৮টায় আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হবে ভোট গ্রহণ।

    ব্যালট বাক্সসহ ভোটের সরঞ্জামাদী নিয়ে যাওয়া প্রিজাইডিং কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, এখন পর্যন্ত তারা কোন মহল থেকে কোন ধরনের হুমকি কিংবা প্রলোভন পাননি। সুষ্ঠু-সুন্দর ভোট গ্রহনে তারা বদ্ধ পরিকর।

    আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা ও রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. মুজিবুর রহমান জানান, বিকেল ৫টার মধ্যেই সকল কেন্দ্রে ভোটের সরঞ্জামাদী পাঠানোর ব্যবস্থা করা হয়েছে। রাতে কঠোর নিরাপত্তার মধ্যে তারা কেন্দ্রে অবস্থান করবেন।

    সোমবার সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত বিরামহীনভাবে চলবে ভোট গ্রহণ। নির্বাচন কমিশন সুষ্ঠু-সুন্দর পরিবেশে ভোট গ্রহনের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে বলে তিনি জানিয়েছেন।

  • বরিশালে নির্বাচনী মাঠে ১৯ প্লাটুন বিজিবি ও ৫৪ নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট

    বরিশালে নির্বাচনী মাঠে ১৯ প্লাটুন বিজিবি ও ৫৪ নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট

    বরিশাল সিটি করপোরেশেন  (বিসিসি) নির্বাচনে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) ১৯ প্লাটুন সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে।শনিবার (২৮ জুলাই) সকাল থেকে বিজিবি সদস্যরা নগরের বিভিন্ন এলাকায় টহল দিচ্ছেন। এরপাশাপাশি র‌্যাব-পুলিশের সদস্যরাও তাদের টহল অব্যাহত রেখেছে বলে জানিয়েছেন মোঃ মুজিবুর রহমান তালুকদার।

    বরিশাল সিটি করপোরেশন নির্বাচনের রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানাগেছে, বরিশাল সিটি করপোরেশন নির্বাচনে ৯ জন বিচার বিভাগীয় (জুডিশিয়াল) হাকিম ও ৫৪ জন নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট দায়িত্ব পালন করবেন। এর পাশাপাশি নির্বাচনে অপ্রিতীকর যেকোন ঘটনা এড়াতে ও আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে বরিশালে ৪ শত সদস্যের ১৯ প্লাটুন বিজিবি দায়িত্ব পালন করবেন।

    এরমধ্যে ১৫ প্লাটুন মাঠ পর্যায়ে নিরাপত্তার দায়িত্ব পালন করবেন। পাশাপাশি ৪ প্লাটুন স্ট্যান্ডবাই রাখা হবে, যারা বিশেষ প্রয়োজনে বের হবেন। অপরদিকে র‌্যাব-৮ এর উপ-পরিচালক মেজর সোহেল রানা প্রিন্স জানান,তাদের প্রায় ৩ শত সদস্য বরিশাল সিটি করপোরেশন নির্বাচনে মাঠ পর্যায়ে নিরাপত্তার দায়িত্বে কাজ করবেন। যার মধ্যে ৩০ টি টিম স্টাইকিং ফোর্স হিসেবে কাজ করবে এবং ৪ টি টিম রিজার্ভ রাখা হবে।

    এরইমধ্যে র‌্যাবের টহল নগরজুড়ে অব্যাহত রয়েছে পাশাপাশি নগরের প্রবেশদ্বারে ৩ টি চেকপোষ্ট বসানো হয়েছে।অপরদিকে বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশ সূত্রে জানাগেছে, নির্বাচনে পুলিশের ২ হাজারের ওপর সদস্য দায়িত্ব পালন করবেন।মোট সদস্যের মধ্যে ২ হাজার ১৩ জন পুলিশ ও ১৫৬ জন আর্মড পুলিশ ব্যাটেলিয়ানের সদস্য রয়েছে।

    এছাড়াও আনসারের ২হাজার ১৫৯ সদস্য কাজ করবে। যাদের মধ্যে ৪৩৭ জন ব্যাটেলিয়ান আনসার রয়েছে। বরিশাল সিটি করপোরেশন নির্বাচনে দুই লাখ ৪২ হাজার ১৬৬ ভোটার১২৩টি কেন্দ্রে ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন। যারমধ্যে ১১২টিকেই ঝুঁকিপূর্ণ (গুরুত্বপূর্ন) হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। এসব কেন্দ্রগুলোতে বাড়তি নিরাপত্তার ব্যবস্থাও করা হচ্ছে।

  • বরিশালে সুষ্ঠ নির্বাচনের দাবীতে পাঁচ মেয়র প্রার্থীর সংবাদ সম্মেলন

    বরিশালে সুষ্ঠ নির্বাচনের দাবীতে পাঁচ মেয়র প্রার্থীর সংবাদ সম্মেলন

    সুষ্ঠ নির্বাচন ও শংকা প্রকাশ করে সংবাদ সম্মেলন করেছেন বরিশালের বিএনপি মনোনীত মেয়র প্রার্থী এ্যাডভোকেট মজিবর রহমান সরোয়ারস, জাপা’র ইকবাল হোসেন তাপস ও ইশা’র ওবায়দুর রহমান মাহবুব এবং বাসদের ডা. মনিষা চক্রবর্তী।

    বিকেল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত পৃথক এ সংবাদ সম্মেলনে আওয়ামীলীগ প্রার্থী সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ’র নির্বাচনী আচারন বিধি লঙ্ঘন করে শোডাউন, আগামীকাল ভোট গ্রহন নিয়ে শংকা প্রকাশসহ গন গ্রেফতারের প্রতিবাদ জানিয়েছেন। ওই চার মেয়র প্রার্থীর অভিযোগের প্রেক্ষিতে সন্ধ্যায় পাল্টা সংবাদ সম্মেলন করেছেন আওয়ামী লীগ নেতৃবৃন্দ।

    রোববার বিকেল সাড়ে ৫টায় বিএনপি প্রার্থী’র নিজ বাসভবন পশ্চিম কাউনিয়ার সৈয়দ ম্যনশনে সংবাদ সম্মেলনে এ শংকা প্রকাশ করে বলেন, আওয়ামীলীগ প্রার্থী নির্বাচনী আচারন বিধি লঙ্ঘন করে শোডাউন করেছে। আর (আমরা) বিএনপি গনসংযোগ করতে গেলে বাধা সৃষ্টি করছে। এ নির্বাচন কোন ভাবেই সুষ্ঠ হতে পারেনা।

    তিনি বলেন, হাই কোর্টের আদেশ অমান্য করে প্রশাসন আমাদের নেতাকর্মীদের হুমকী ও গ্রেফতার করছে। আমাদের এজেন্টদের বাড়ী বাড়ী গিয়ে তল্লাসী ও গ্রেফতার করছে। নেতাকর্মীরা এখন অনেকেই ঘর ছেড়ে অনত্র অবস্থান করছে। আমরা পুলিং এজেন্ট যাদের দিয়েছিলাম তাদের এখন বাধ্য হয়ে বাদ দিয়ে নতুন করে দিতে হচ্ছে।

    তিনি বলেন, নির্বাচনের কোন সুষ্ঠু পরিবেশ নেই। আমরা ভোটারদের বলেছি যাতে ভোট কেন্দ্রে ভোট দেয়ার সময় নিজেদের ভোটার আইডি কার্ড হাতে নিয়ে ভোট দিবেন। যাতে বহিরাগতদের চিহিৃত করা যায়। তিনি নির্বাচন কমিশনকে সরকার দলীয় উল্লেখ করে বলেন, ব্যর্থ নির্বাচন কশিননের বিরুদ্ধে কফোর আন্দোলন গড়ে তোলা হবে।

    সন্ধ্যা ৭ টায় নগরীর অক্সফোড মিশন রোডস্থ জাতীয় পার্টির কার্যলয়ে সংবাদ সম্মেলন করেন জাতীয় পার্টির মেয়র প্রার্থী ইকবাল হোসেন তাপস। তিনি বলেন, এ নির্বাচন নিয়ে শংকা রয়েছে। আমার পুলিং এজেন্টদের ইতো মধ্যে ভয় ভিতি প্রদশন করা হচ্ছে। পাশাপাশি সরকার দলীয় মেয়র প্রার্থী আচারণ বিধি মানছেন না। তবুও নিশ্চুপ নির্বাচন কমির্শন। তিনি এ বিষয়ে সাংবাদিকদের সহযোগীতা কামনা করেছেন।

     

  • বিসিসি নির্বাচনঃ ১১ ওয়ার্ডের ২৭ কাউন্সিলর প্রার্থীর দিকে নজর থাকবে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর

    বিসিসি নির্বাচনঃ ১১ ওয়ার্ডের ২৭ কাউন্সিলর প্রার্থীর দিকে নজর থাকবে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর

    বরিশাল সিটি করপোরেশন নির্বাচন ঘনিয়ে আসার মধ্যে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের কাউন্সিলর প্রার্থীরা নিজেদের মধ্যে দ্বন্দ্বে জড়িয়ে পড়েছেন। তাঁদের দ্বন্দ্বের কারণে আশঙ্কা ভোট গ্রহণের দিন আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি খারাপ হতে পারে। দুটি গোয়েন্দা সংস্থা সেই আশঙ্কার কথা মহানগর পুলিশ কমিশনারকে জানিয়েছে।

    মেয়র প্রার্থীদের কারণে নয়, সাধারণ কাউন্সিলর প্রার্থীদের কারণে এ রকম পরিস্থিতি সৃষ্টি হতে পারে বলে গোয়েন্দা প্রতিবেদনে বলা হয়েছে। পরিস্থিতির সম্ভাব্য অবনতি ঠেকাতে ১১টি ওয়ার্ডের ৩২ জন কাউন্সিলর প্রার্থীর মধ্যে ২৭ জনের দিকে বিশেষ নজর রাখার কথা বলা হয়েছে। এই ২৭ জনের মধ্যে ১৭ জন আওয়ামী লীগের, সাতজন বিএনপি এবং তিনজন জামায়াতের স্থানীয় রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

    আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত যে ১৭ জনকে প্রার্থীকে বিশেষ নজরে রাখা হচ্ছে তাঁরা হলেন ১০ নং ওয়ার্ডের প্রার্থী বর্তমান কাউন্সিলর জয়নাল আবেদীন হাওলাদার এবং তাঁর মূল প্রতিদ্বন্দ্বি এটিএম শহিদুল্লাহ, ১১ নং ওয়ার্ডের বর্তমান কাউন্সিলর মজিবর রহমান এবং তাঁর মূল প্রতিদ্বন্দ্বি মারুফ আহম্মেদ জিয়া, ২৩ নং ওয়ার্ডের বর্তমান কাউন্সিলর এনামুল হক বাহার এবং নং ওয়ার্ডের এমরান চৌধুরী জামাল, ১২ নং ওয়ার্ডের জাকির হোসেন ভুলু, ১৪ নং ওয়ার্ডের তৌহিদুর রহমান ছাবিদ ও শাকিল হোসেন পলাশ, ২১ নং ওয়ার্ডের শেখ সাঈদ আহমেদ মান্না ও শাহরিয়ার সাচিব রাজীব, ২২ নং ওয়ার্ডের আনিছুর রহমান, ২৫ নং ওয়ার্ডের এম সাইদুর রহমান জাকির, ২৬ নং ওয়ার্ডের হুমায়ুন কবির ও মোহাম্মদ হাসান ইমাম ২৭ নং ওয়ার্ডের আব্দুর রশিদ হাওলাদার এবং ২৮ নং ওয়ার্ডের জাহাঙ্গীর হোসেন।

    বিশেষ নজরে রয়েছেন বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ও পর পর তিনবার নির্বাচিত দুই কাউন্সিলর প্রার্থী ১২ নং ওয়ার্ডের কেএম শহিদুল্লাহ ও ২১ নং ওয়ার্ডের আলতাফ মাহমুদ সিকদার। এ ছাড়া রয়েছেন একাধিকবার নির্বাচিত ২২ নং ওয়ার্ডের আনম সাইফুল আহসান আজিম, ২৫ নং ওয়ার্ডের জিয়া উদ্দিন সিকদার জিয়া, ২৬ নং ওয়ার্ডের ফরিদ উদ্দিন হাওলাদার, ২৭ নং ওয়ার্ডের গিয়াস উদ্দিন বাবুল মোল্লা, ২৮ নং ওয়ার্ডের হুমায়ুন কবির। জামায়াতপন্থীদের মধ্যে আছেন ১৪ নং ওয়ার্ডের বর্তমান কাউন্সিলর সালাউদ্দিন মাসুম, ২৩ নং ওয়ার্ডের মিজানুর রহমান এবং ২৭ নং ওয়ার্ডের মনিরুজ্জামান তালুকদার।

    এই প্রার্থীদের অনেকে স্বীকার করেন, তাঁদের ওয়ার্ডে প্রতিদিনই অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটছে। তাতে সাধারণ ভোটারা আতঙ্কিত হচ্ছে। এর কারণ হিসেবে তাঁরা একে অন্যকে দোষারোপ করেন। এর থেকে পরিত্রাণের জন্য আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে এগিয়ে আসার জন্যও অনুরোধ জানান তাঁরা।

    বিএনপিপন্থী কাউন্সিলর প্রার্থী কেএম শহিদুল্লাহ, আলতাফ মাহমুদ, আ ন ম সাইফুল আহসান আজিম বলেন, ওয়ার্ডে ক্ষমতাসীনদের প্রার্থী প্রভাব বিস্তারের বিষয়টি নিয়ে তাঁরা শঙ্কিত। এ ব্যাপারে পদক্ষেপ না নিলে নির্বাচনের পরিবেশ নষ্ট হবে। সেই প্রার্থীর প্রভাবে সাধারণ ভোটাররা কেন্দ্রমুখী হবে না। এখন পর্যন্ত নির্বাচনের পরিবেশ ভালো হলেও শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত থাকবে কি না, তা নিয়ে সংশয়ের কারণ আছে। এ ব্যাপারে কোনো আশঙ্কা আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী থেকে বলা হলে তা গুরুত্বের সঙ্গে নিয়ে সেই অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া দরকার বলে মনে করেন তাঁরা।

  • বরিশাল সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনের সকল প্রস্তুতি শেষ : সোমবার ভোট

    বরিশাল সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনের সকল প্রস্তুতি শেষ : সোমবার ভোট

    শেষ হলো বরিশাল সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনের প্রচার-প্রচারনা। সেই সাথে ভোটারদের দরজায় কড়া নাড়ছে ভোটের দিনের। কেননা আজ বাদে আগামী কাল সিটি নির্বাচনের সেই কাংখিত ভোট গ্রহন। তাই এখন শুধু সময়ের অপেক্ষা। ওইদিন বরিশালের ভোটাররা আগামী ৫ বছরের জন্য বেছে নিবে তাদের নেতা অর্থাৎ মেয়র এবং কাউন্সিলরদের।

    তাই প্রার্থীদের প্রচার প্রচারনা শেষে হিসাব নিকাশ কশছে ভোটাররা। সৎ, যোগ্য, জনবান্ধব এবং আধুনিক চিন্তা ধারার মেয়র ও কাউন্সিলর প্রার্থী খুঁজে বেড়াচ্ছেন তারা। সেই ভাবনা থেকেই নিজেদের যোগ্য প্রার্থী দাবী করে জয়ের বিষয়ে শতভাগ আশাবাদী বিসিসি’র ৬ মেয়র ও দুই পদের মোট ১২৯ কাউন্সিলর প্রার্থী। তবে ভোটারদের চিন্তাধারা এবং পছন্দের তালিকায় কে রয়েছেন সেই ফলাফল বেরিয়ে আসবে ৩০ জুলাই ভোটের ফলাফল ঘোষনার সাথে সাথে।

    এদিকে নির্বাচন কমিশনের দেয়া দিক নির্দেশনা অনুযায়ী আজ ২৯ জুলাই রোববার দুপুর থেকে বিকালের মধ্যেই বিসিসি’র ১২৩টি কেন্দ্রে পুলিশি নিরাপত্তায় পৌছে দেয়া হবে ব্যাটল বক্স সহ নির্বাচন সরঞ্চামাদী। সেই সাথে কেন্দ্রগুলোতে আজ থেকেই দায়িত্ব পালন শুরু করবেন আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য ও প্রিজাইডিং অফিসাররা।

    তার আগে গতকাল (২৮ জুলাই) শনিবার বিকাল থেকেই নগরীতে নির্বাচনকালিন নিরাপত্তা কার্যক্রম শুরু করেছে র‌্যাব ও বিজিবি। নির্বাচনী এলাকা মনিটরিং করছেন ৫৪ নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট। বিজিবি, র‌্যাব ও পুলিশের ৩০টি করে টিম সকাল থেকেই নগরীর সদর রোড সহ নির্বাচনী এলাকায় টহল দিয়েছে। তাছাড়া সন্ধ্যার পরে মোটর সাইকেল এবং জিপ নিয়ে শোডাউন দিয়েছে র‌্যাব-৮ সদস্যরা।

    বরিশাল সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনের রিটার্নিং অফিসার ও আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা মো. মুজিবুর রহমান বলেন, অবাধ, সুষ্ঠু এবং নিরপেক্ষ উৎসবমুখর পরিবেশে নির্বাচনের লক্ষ্যে এরই মধ্যে আমাদের সকল কার্যক্রম সম্পন্ন হয়েছে। বরিশাল সিটি কর্পোরেশন এলাকায় এবার নতুন-পুরাত মিলিয়ে মোট ২ লাখ ৪২ হাজার ১৬৬ জন। যার মধ্যে পুরুষ ভোটার ১ লাখ ২১ হাজার ৪৩৬ জন এবং নারী ভোটার সংখ্যা ১ লাখ ২০ হাজার ৭৩০ জন। হিসাব অনুযায়ী বরিশাল সিটিতে এবার নারী ভোটারের তুলনায় পুরুষ ভোটার ৭০৬ জন বেশি। ওই সংখক ভোটারদের বিপরিতে মেয়র পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ৬ জন মেয়র প্রার্থী।

    এরা হলেন- আওয়ামী লীগ মনোনিত “নৌকা” প্রতীকের প্রার্থী সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ, বিএনপি মনোনিত “ধানের শীষ” প্রতীকের মেয়র প্রার্থী আলহাজ্ব মজিবর রহমান সরওয়ার, জাতীয় পার্টির “লাঙ্গল” প্রতীকের মেয়র প্রার্থী ইকবাল হোসেন তাপস, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ মনোনিত “হাতপাখা” প্রতীকের মেয়র প্রার্থী মাওলানা ওবাইদুর রহমান মাহবুব, বাসদ মনোনিত “মই” প্রতীকের মেয়র প্রার্থী ডা. মনীষা চক্রবর্তী ও কমিউনিস্ট পার্টির “কাস্তে” প্রতীকের মেয়র প্রার্থী একে আজাদ।

    এছাড়া সাধারণ কাউন্সিলর পদে ৯৪ জন এবং সংরক্ষিত ওয়ার্ড কাউন্সিলর পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ৩৫ জন। অবশ্য সংরক্ষিত ১০.১১.১২ নং ওয়ার্ডে এবং সাধারণ ১৫, ১৬ ও ১৯ নং ওয়ার্ডে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় চারজন কাউন্সিলর নির্বাচিত হয়েছেন।

    রিটার্নিং কর্মকর্তা বলেন, এবার ভোটার সংখ্যা বৃদ্ধির কারনে ভোট কেন্দ্রের সংখ্যা বেড়েছে। নতুন-পুরাতন মিলিয়ে মোট ১২৩টি কেন্দ্র প্রস্তুত রাখা হয়েছে ভোটারদের ভোটাধিকার প্রয়োগনের জন্য। তার মধ্যে আবার বুত এর সংখ্যা ৭৫০টি। অবশ্য কেন্দ্রে ভোটারদের চাপ এবং প্রয়োজন হলে প্রিজাইডিং অফিসারের নির্দেশনা অনুযায়ী বুথ এর সংখ্যা বৃদ্ধির সুযোগ রয়েছে।

    তাছাড়া এবার ৪টি ওয়ার্ডের ১১টি কেন্দ্রে ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন (ইভিএম) এর মাধ্যমে ভোট গ্রহন করা হবে। ওয়ার্ড চারটি হল, ১২, ২০, ২১ ও ২৮। সব মিলিয়ে যে ১২৩টি কেন্দ্র রয়েছে তার মধ্যে ১১২টি কেন্দ্র গুরুত্বপূর্ন বলে চিহ্নিত করেছে পুলিশের বিশেষ শাখা। গুরুত্বপূর্ন প্রতিটি কেন্দ্রে ২৪ জন করে আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য মোতায়েন থাকবে। পাশাপাশি সাধারণ ১১টি কেন্দ্রে ২২ জন করে দায়িত্ব পালন করবেন।

    তাছাড়া ভোট কেন্দ্রের ভেতরে দুই হাজার ৬১৩ জন প্রিজাইডিং, সহকারী প্রিজাইডিং এবং পোলিং অফিসারকে প্রশিক্ষণ শেষে তাদের দায়িত্ব বুঝিয়ে দেয়া হয়েছে। তবে এদের মধ্যে থেকে ২ হাজার ৩৭৩ জন আগামীকাল ৩০ জুলাই ভোট কেন্দ্রের দায়িত্বে থাকবেন। বাকিরা আপদকালিন জরুরী দায়িত্ব পালনের জন্য প্রস্তুত থাকবে। যারা কেন্দ্রে দায়িত্ব পালন করবেন তাদের মধ্যে ১২৩ জন প্রিজাইডিং অফিসার, ৭৫০ জন সহকারী প্রিজাইডিং অফিসার এবং এক হাজার ৫শ জন পোলিং এজেন্ট দায়িত্ব পালন করবে।

    উল্লেখ্য, সকল জল্পনা কল্পনার অবসন ঘটিয়ে আগামী কাল ৩০ জুলাই সোমবার বরিশাল সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনের কাংখিত ভোট গ্রহন অনুষ্ঠিত হবে। এ লক্ষে গতকাল ২৮ জুলাই শনিবার রাত ১২টায় শেষ হয়েছে নির্বাচনের প্রচার-প্রচারনা। সেই সাথে নির্বাচনী এলাকায় যানবাহন চলাচলে নিষেধাজ্ঞা দেয়া হয়েছে। আজ সন্ধ্যার পূর্বে নগরীতে প্রবেশের প্রতিটি গেটে আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর তল্লাশী চৌকী স্থাপন করা হবে। অপরিচিত এবং বাইরের লোকজন বরিশালে প্রবেশ করতে পারবে না। তাদের তল্লাশী করে নগরীতে প্রবেশ করতে দেয়া হবে।

    অবশ্য এর আগেই গতকাল শনিবার থেকেই নগরীর বিভিন্ন পয়েন্টে র‌্যাবের ৩টি চেক পোষ্ট সহ পুলিশের একাধিক চেক পোষ্ট দেখা গেছে। নগরীর আবাসিক হোটেল গুলোতে বহিরাগত এবং অপরিচিত লোক নিয়ন্ত্রনের জন্য তল্লাশী কার্যক্রম চালাচ্ছে পুলিশ এবং ডিবি’র টিম। অবাধ, সুষ্ঠু এবং নিরপেক্ষভাবে শান্তিপূর্ন ভোট গ্রহনের লক্ষ্যে প্রশাসনের পক্ষ থেকে এমন নজিরবিহিন নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয়েছে।

  • মটর সাইকেল দূর্ঘটনায় অাহত বাংলার মুখের প্রকাশক ও সম্পাদক মুহাঃ পলাশ চৌধুরী

    মটর সাইকেল দূর্ঘটনায় অাহত বাংলার মুখের প্রকাশক ও সম্পাদক মুহাঃ পলাশ চৌধুরী

    বরিশালে মটর সাইকেল দূর্ঘটনায় আহত সাবেক বাকসু সদস্য ও মহানগর আওয়ামী মুক্তিযোদ্ধা প্রজন্মলীগ সভাপতি, বাংলার মুখের প্রকাশক ও সম্পাদক মুহাঃ পলাশ চৌধুরী। গতকাল অনুমানিক রাত ১১টার দিকে বরিশাল নগরীর চানমারি বাংলার মুখের নিজস্ব কর্মস্থল থেকে বাসায় ফেরার পথে মোটরসাইকেল পিছলে আহত হন।

    বরিশালে মটর সাইকেল দূর্ঘটনায়  বাংলার মুখের প্রকাশক ও সম্পাদক মুহাঃ পলাশ চৌধুরীর ডান পা এর ভেইন ছিরে ভেঙ্গে যায় ও ফুলে উঠে। আহত পলাশ চৌধুরীকে এ্যাম্বুলেন্সে করে বরিশাল শেরে-ই বাংলা মেডিকেলে পাঠানো হয়। এসময় ডাক্তারের পরামর্শে তাকে হাসপাতালে ভর্তি ও অপারেশন করা হয়েছে  তার পা ।

    মুহাঃ পলাশ চৌধুরীকে চিকিৎসা শেষে ছেড়ে দেয়া হয়। বর্তমানে মুহাঃ পলাশ চৌধুরীকে বাসায় চিকিৎসকদের পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে।

    রাতেই  আইত পলাশ চৌধুরীকে দেখতে আসেন বরিশাল সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে আওয়ামী লীগের মেয়র প্রার্থী সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহ ও অন্যান্য নেতাকর্মিরা।

    আহত মুহাঃ পলাশ চৌধুরী  সকলের কাছে দোয়া চেয়েছেন সে যেন দ্রুত সুস্থ হয়ে উঠে। 

  • টানা ক্ষমতায় থাকলে উন্নয়ন চোখে পড়ে : প্রধানমন্ত্রী

    টানা ক্ষমতায় থাকলে উন্নয়ন চোখে পড়ে : প্রধানমন্ত্রী

    প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ব্যক্তি স্বার্থে রাজনীতি করলে দেশকে কিছুই দেয়া যায় না। জনকল্যাণে রাজনীতি করলে দেশকে অনেক কিছু দেয়া যায়। আওয়ামী লীগ তা প্রমাণ করেছে এবং দেখিয়েছে। এছাড়া টানা ক্ষমতায় থাকলে দেশের উন্নয়ন চোখে পড়ে।

    স্বেচ্ছাসেবক লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে নেতাকর্মীরা প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন গণভবনে শেখ হাসিনাকে শুভেচ্ছা জানাতে গেলে তিনি এসব কথা বলেন। স্বেচ্ছাসেবক লীগের ২৪ বছর পূর্তি উপলক্ষে এ সাক্ষাৎ অনুষ্ঠানের শুরুতে সংগঠনটির নেতারা আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনাকে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর ব্যাজ পরিয়ে দেন।

    প্রথমে সংগঠনের কেন্দ্রীয় সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনাকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান। পরে সাংগঠনিক নেত্রীকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ শাখার নেতারা। এ সময় সংগঠনের নেতাকর্মীরা আওয়ামী লীগ সভাপতিকে অভিনন্দন জানান।

    এতিমের টাকা আত্মসাৎ করে খালেদা জিয়া জেলে আছেন উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, যারা এতিমের অর্থের লোভ সামলাতে পারে না তারা কীভাবে দেশ চালাবে। বাবা-মাসহ পরিবারের সবাইকে হারিয়ে দেশে ফিরেছি কারণ দেশের মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকার ও ভাত-ভোটের অধিকার ফিরিয়ে দেয়াই ছিল একমাত্র লক্ষ্য। জনকল্যাণমুখী রাজনীতি ছাড়া ব্যক্তি স্বার্থের রাজনীতি দেশকে কিছু দিতে পারে না, তা ইতোমধ্যে আওয়ামী লীগ প্রমাণ করেছে।

    শেখ হাসিনা বলেন, জামায়াত ধর্ম নিয়ে রাজনীতি করলেও কোরআন শরিফ পুড়িয়েছে। ছোট্ট শিশু থেকে শুরু করে কলেজ ছাত্রী কেউ রক্ষা পায়নি। তাই বিএনপি-জামায়ায়ের ওপর দেশের মানুষের আস্থা নেই, তা আজ প্রমাণিত। গ্রামের মানুষও শহরের নাগরিক সুবিধা পাবে।

    এ সময় স্বেচ্ছাসেবক লীগকে তৃণমূলে সংগঠনকে শক্তিশালী করার পাশাপাশি আগামী নির্বাচনে নৌকার জন্য ভোট চাওয়ার পরামর্শ ও নির্দেশনা দেন শেখ হাসিনা। তৃণমূল পর্যায় পর্যন্ত সংগঠন গড়ে তুলে জনগণের সেবা করার আহ্বান জানান তিনি।

    পরে সজীব ওয়াজেদ জয়ের জন্মদিন উপলক্ষে সেচ্ছাসেবক লীগ নেতাদের সঙ্গে নিয়ে কেক কাটেন আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

    উল্লেখ্য, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের দৌহিত্র ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছেলে এবং তার তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়ের ৪৮তম জন্মদিন আজ শুক্রবার (২৭ জুলাই)। মুক্তিযুদ্ধের সময় অবরুদ্ধ ঢাকায় ১৯৭১ সালের আজকের দিনে পরমাণু বিজ্ঞানী ড. এম এ ওয়াজেদ মিয়া ও শেখ হাসিনা দম্পতির প্রথম সন্তান জয়ের জন্ম হয়। দেশ স্বাধীনের পর তার নাম রাখেন নানা শেখ মুজিবুর রহমান।

  • বরিশালে মেয়র প্রার্থীদের সৌহার্দ্যপূর্ণ অবস্থান রয়েছে -নির্বাচন কমিশনার মাহবুব

    বরিশালে মেয়র প্রার্থীদের সৌহার্দ্যপূর্ণ অবস্থান রয়েছে -নির্বাচন কমিশনার মাহবুব

    নির্বাচন কমিশনার মাহবুব তালুকদার বলেছেন, সুষ্ঠ নিরপেক্ষ অবাধ নির্বাচনের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন মেয়র প্রার্থীরা। তারা নির্বাচন সুষ্ঠ হওয়ার লক্ষ্যে সকল সাহায্য সহযোগিতা অব্যাহত রাখবেন। শুক্রবার দুপুরে বরিশাল নগরীর কাশিপুরস্থ আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তার কার্যালয়ের সভাকক্ষে সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনের মেয়র পদে প্রতিদ্বন্দি প্রার্থীদের সাথে মতবিনিময় সভা শেষে তিনি এই কথা বলেন।

    এসময় নির্বাচন কমিশনার আরো বলেন, বরিশালে খুবই শান্ত ও পারষ্পরিক সৌহার্দ্যপূর্ণ অবস্থান অব্যাহত রয়েছে। আমি আশা করি নির্বাচনের দিন পর্যন্ত এই পরিবেশ বজায় থাকবে। বরিশালে অন্য দুই সিটি কর্পোরেশনের চাইতেও সুষ্ঠ নির্বাচনের পরিবেশ বজায় থাকবে। বিএনপির নেতা-কর্মীদের গ্রেফতারের বিষয় নিয়ে তিনি বলেন, গনমাধ্যমের মাধ্যমে হাইকোর্টের নির্দেশনার বিষয়টি আমি দেখেছি। বিষয়টি নিয়ে আমি বিভাগীয় প্রশাসন ও পুলিশ প্রশাসনের সাথে আলোচনা করতে যাচ্ছি। তাদের সাথে আলোচনা না করে কিছু বলতে পারছি না।

    তিনি বলেন, নির্বাচনকালীন সময়ে যারা নির্বাচন সংশ্লিষ্ট বিষয়ে সম্পৃক্ত তারা দয়া করে মস্তিস্কে ধারন করুন এবং আত্মস্ত করুন যে আপনারা নির্বাচন কমিশনের অধীনে। পাশাপাশি সেই হিসেবে তারা নির্বাচনের সময়ে দায়িত্ব পালন করবেন। আমি জানি তারা সরকারি কর্মকর্তা কিন্তু তার সাথে ভিন্ন মাত্রা যোগ হয়েছে তারা নির্বাচন কমিশনের অধীনে। সুতরাং নির্বাচন কমিশনের যা কিছু নির্দেশনা তা পরিপূর্ণ ভাবে তাদের পালন করতে হবে।

    তিনি বলেন, সুষ্ঠ ভোট হবে কি হবে না এই সংশয় প্রত্যেক প্রার্থীর মধ্যেই থাকে। প্রত্যেক প্রার্থীই চিন্তা করেন যে সুষ্ঠ ভোট হলে তিনি জয়ী হবেন। সুষ্ঠ নির্বাচনের বিষয়ে প্রত্যেক প্রার্থীর ব্যক্তিগত মতামত আছে তারা সুষ্ঠ নির্বাচন চান। নির্বাচনের নানান আশঙ্কাকে নিরসন করার চেষ্টা করি আমরা। আশঙ্কা থেকে আমরা সচেতনতা-সতর্কতা বৃদ্ধি করি।

    নির্বাচন কমিশনার বলেন, আমরা অভিযোগ পেয়েছি ব্যবস্থাও নিয়েছি। অনেককে সতর্ক করে দিয়েছি, জরিমানা করেছি, তবে কাউকে এখনও জেলে দেয়নি। বরিশাল সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনের রিটার্নিং কর্মকর্তা মো: মুজিবুর রহমান তালুকদারের সভাপতিত্বে সভায় আওয়ামীলীগের মেয়র প্রার্র্থী সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহ, বিএনপির মেয়র প্রার্থী মজিবর রহমান সরোয়ার, জাতীয় পার্টির মেয়র প্রার্থী ইকবাল হোসেন তাপস, ইসলামী আন্দোলনের মেয়র প্রার্থী ওয়াইদুর রহমান মাহবুব, বাসদের মেয়র প্রার্থী ডাঃ মনীষা চক্রবর্তী, সিপিবির মেয়র প্রার্থী অ্যাডভোকেট আবুল কালাম আজাদসহ নির্বাচন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।