Author: Banglarmukh24

  • উত্তেজনা ছড়িয়ে সিরিজ জয় টাইগারদের

    উত্তেজনা ছড়িয়ে সিরিজ জয় টাইগারদের

    ম্যাচে উত্তেজনা ছড়ানোর কথা ছিল না। ব্যাটে বলে দুর্দান্তই ছিল বাংলাদেশ। তবে শেষদিকে ম্যাচটি ঠিকই উত্তেজনা ছড়িয়েছে। যে উত্তেজনাকে পাশ কাটিয়ে শেষ হাসি হেসেছে টাইগাররাই। ১৮ রানের জয়ে তিন ম্যাচের সিরিজে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে ২-১’এ হারিয়ে সিরিজ জিতেছে মাশরাফির দল।

    ৩০২ রানের বড় লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরু থেকে সেভাবে চড়াও হয়ে খেলতে পারেনি ওয়েস্ট ইন্ডিজ। তবে মারমুখী ছিলেন ক্রিস গেইল, করেন ৬৬ বলে ৬ বাউন্ডারি আর ৫ ছক্কায় ৭৩ রান। শাই হোপ ৬৪ করলেও খরচ করেন ৯৪টি বল। শেষদিকে রভম্যান পাওয়েলের ৪১ বলে ৭৩ রানেই জয়ের সম্ভাবনা জেগেছিল ওয়েস্ট ইন্ডিজের। তবে শেষ রক্ষা হয়নি।

    এর আগে সিরিজ নির্ধারণী শেষ ম্যাচের শুরুর অর্ধেকটা মন মতোই করতে পেরেছে বাংলাদেশ দল। রান বন্যার সেন্ট কিটস মাঠে রানের খোঁজে ধুঁকতে হয়নি বাংলাদেশি ব্যাটসম্যানদের। আগের দুই ম্যাচের ধারাবাহিকতা বজায় রেখেছে আবারও রান করেছেন তামিম ইকবাল। শেষদিকে ঝড় তুলেছেন মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ।

    এই দুইয়ের ব্যাটে ভর করেই মূলত বড় সংগ্রহ দাঁড় করাতে পেরেছে টাইগাররা। প্রায় বছর দুয়েক পর দ্বিপাক্ষিক সিরিজ জয়ের মিশনে আগে ব্যাট করে বাংলাদেশের ইনিংস থেমেছে ৩০১ রানে।

    সিরিজে টানা তৃতীয়বারের মতো টসে জেতেন বাংলাদেশের অধিনায়ক মাশরাফি বিন মুর্তজা। প্রথম ম্যাচে করেন আগে ব্যাটিং, দ্বিতীয় ম্যাচে নেন আগে বোলিং। তৃতীয় ম্যাচে এসে আবারও আগে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন টাইগার অধিনায়ক। জানিয়ে দেন ব্যাট করার জন্য খুবই সুবিধাজনক হবে সেন্ট কিটসের এই উইকেট।

    কিন্তু তামিম ইকবাল ও এনামুল হক বিজয়ের উদ্বোধনী জুটিতে মনেই হয়নি উইকেট ব্যাটিং বান্ধব। আগের দুই ম্যাচে বড় রান করতে ব্যর্থ হওয়া বিজয় এই ম্যাচেও আউট হয়েছেন অল্পতেই। ৩১ বলের ইনিংসে রান করতে পেরেছেন মাত্র ১০। উইকেটে একবারের জন্যও স্বচ্ছন্দ মনে হয়নি তাকে। দলীয় ৩৫ রানের মাথায় সিরিজে তৃতীয়বারের মতো তামিমকে একা করে দিয়ে সাজঘরে ফেরেন ডানহাতি এই ব্যাটসম্যান।

    আগের দুই ম্যাচের ধারাবাহিকতা বজায় থাকে দ্বিতীয় উইকেট জুটিতেও। বন্ধু তামিমের সঙ্গে সাকিব আল হাসান আবারও গড়েন ইনিংসের ভীত গড়ে দেয়া জুটি। তামিমের ধীরস্থির ব্যাটিংয়ের সাথে ছিল সাকিবের উইকেটের চারপাশে রান নিয়ে স্কোরবোর্ড সচল রাখা ব্যাটিং। চোখের পলকে মাত্র ১৬ ওভার ব্যাট করে এই জুটিতে যোগ হয় ৮১ রান।

    টানা তৃতীয় অর্ধসেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে দাঁড়িয়ে সাকিব ফিরে যান টপ এজ হয়ে স্কয়ার লেগে ধরা পড়ে। আউট হওয়ার আগে সাবলীল ব্যাটিংয়ে ৩ চারের মারে করেন ৩৭ রানে। খেলেন মাত্র ৪৪টি বল। সাকিব ফিরে গেলেও ক্যারিয়ারের ৪৩তম অর্ধশত তুলে নিতে কোন ভুল করেননি তামিম।

    অর্ধশত পেরিয়ে মুশফিকুর রহিমকে নিয়ে নতুন করে ইনিংস গড়ার কাজে মন দেন তামিম। কিন্তু দারুণ শুরু করা মুশফিক অদ্ভুত এক শট খেলতে গিয়ে সাজঘরে ফিরে যান মাত্র ১২ রান করে। তার ব্যাট থেকেই আসে ইনিংসের প্রথম ছক্কাটি। দলীয় সংগ্রহ দেড়শ পার করিয়েই সাজঘরে ফিরে যান। অন্যপ্রান্তে অবিচল থেকে যান আস্থার আরেক নাম হয়ে ওঠা তামিম।

    চতুর্থ উইকেট জুটি মাহমুদউল্লাহ রিয়াদকে পেয়ে যেন খানিক নির্ভার হন তামিম। খেলতে শুরু করেন হাত খুলে। জোড়া বাউন্ডারিতে পৌঁছে যান ৮০’র ঘরে। জাগিয়ে তোলেন সিরিজে নিজের দ্বিতীয় সেঞ্চুরির সম্ভাবনা। পরে নব্বইয়ের ঘরে ঢুকে ৯২ থেকে এক ছক্কায় চলে যান ৯৮ রানে।

    বাকি দুই রান নেন সাবধানী ব্যাটিংয়ে এক-এক করে। তুলে নেন ক্যারিয়ারের একাদশ ও চলতি সিরিজের দ্বিতীয় সেঞ্চুরি। তবে সেঞ্চুরির পর বেশিক্ষণ টিকতে পারেননি বাঁহাতি এই ওপেনার। ব্যক্তিগত ১০৩ রানের মাথায় দেবেন্দ্র বিশুর ওভারে মিড উইকেটে ধরা পড়েন তামিম।

    তিন ম্যাচে দুই সেঞ্চুরি ও এক ফিফটিতে ২৮৭ রান করে তামিম গড়েন ওয়েস্ট ইন্ডিজের মাটিতে তিন ম্যাচ সিরিজে সর্বোচ্চ রানের রেকর্ড। ভেঙে দেন ২০১৪ সালে বাংলাদেশের বিপক্ষেই গড়া দীনেশ রামদিনের ২৭৭ রানের রেকর্ড।

    তামিম ফিরে যাওয়ার পরে সবাইকে অবাক করে দিয়ে সাব্বির-মোসাদ্দেকের আগেই ব্যাট হাতে নেমে যান অধিনায়ক মাশরাফি বিন মুর্তজা। নিজের বলা ‘এই উইকেটে ব্যাটিং সহজ হবে’ কথাটার বাস্তব প্রমাণ দিতেই নেমে যান মাশরাফি। ব্যাটিংয়ে নেমে সময় নেননি খুব বেশি।

    অপর প্রান্তে নির্ভরতার প্রতীক মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ থাকায় নির্ভয়ে খেলতে পারছিলেন মাশরাফি। প্রতিপক্ষ অধিনায়ক জেসন হোল্ডারের এক ওভারে হাঁকান পরপর তিন বাউন্ডারি। হোল্ডারের পরের ওভারেই লংঅনের উপর দিয়ে মারেন এক ছক্কা। রিয়াদ-মাশরাফির জুটিতে চোখের পলকে ২৫০ পেরিয়ে যায় বাংলাদেশের সংগ্রহ।

    পঞ্চম উইকেটে মাত্র ৪২ বলে ৫৩ রান পায় বাংলাদেশ। ২৫ বলে ৪ চার ও ১ ছক্কার মারে ৩৬ রান করে ফেরেন মাশরাফি। অপর প্রান্তে বাংলাদেশ দলের ফিনিশিংয়ের দায়িত্ব নিয়ে অবিচল ছিলেন মাহমুদউল্লাহ। স্লগ ওভারে ব্যাটিংয়ে আসেন হার্ডহিটার হিসেবে পরিচিত সাব্বির রহমান।

    কিন্তু সাব্বিরের চেয়ে বেশি আক্রমণাত্মক খেলছিলেন মাহমুদউল্লাহই। এতোক্ষণ ধরে উইকেটে থেকে বিশাল এক ছক্কার মারে রিয়াদ তুলে নেন ক্যারিয়ারের ১৯তম অর্ধশতক। শুরুতে ব্যাটে-বলে এক করতে পারছিলেন না সাব্বির। ৪৯তম ওভারে পরপর দুই বলে দুটি ৪ মেরে পরের বলেই সাজঘরে ফিরে যান তিনি।

    তবে অপরাজিতই থেকে যান মাহমুদউল্লাহ। শেষপর্যন্ত তার দুর্দান্ত ফিফটিতেই ৩০০ পেরিয়ে যায় বাংলাদেশ। শেষের দশ ওভারে আসে ৯৬ রান। মাত্র ৪৯ বলে ৫ চার ও ৩ ছক্কার মারে ৬৭ রান করেন রিয়াদ। ৫ বলে এক চারের মারে ১১ রানের ইনিংস খেলেন মোসাদ্দেক। বাংলাদেশের ইনিংস থামে ছয় উইকেটে ৩০১ রানে।

    স্বাগতিকদের পক্ষে দুইটি করে উইকেট নেন অ্যাশলে নার্স ও জেসন হোল্ডার।

  • আড়ালেই রইলেন ‘বিপদের বন্ধু’ মাহমুদউল্লাহ

    আড়ালেই রইলেন ‘বিপদের বন্ধু’ মাহমুদউল্লাহ

    ১১ বছরের ওয়ানডে ক্যারিয়ারে সেঞ্চুরি হাকিয়েছেন তিন বার। পাদপ্রদীপের আলোতেও আসতে পেরেছেন অই তিনবারই। এর মধ্যে আবার এক সেঞ্চুরিতে ম্যাচ হারায় আনুষ্ঠানিকভাবে নায়ক ছিলেন না। ক্যারিয়ারের বাকি সময়টা তিনি কাটিয়ে দিয়েছেন পার্শ্ব-নায়ক, নায়কের বন্ধু বা নিজের চিরায়ত ‘বিপদের বন্ধু’ খেতাব নিয়েই।

    যার ব্যত্যয় ঘটেনি ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে সদ্য সমাপ্ত ওয়ানডে সিরিজেও। সিরিজ নির্ধারনী শেষ ম্যাচেও খেলেছেন ইনিংসের গতিপথ বদলে দেয়া ইনিংস। অপরাজিত থেকে দলকে নিয়ে গেছেন জেতার মতো সংগ্রহে। তবু চাপা পড়েছেন ব্যাটসম্যান তামিম কিংবা বোলার রুবেলের উজ্জ্বলতায়। পাননি যথাযথ পাদ প্রদীপের আলো।

    বলছিলাম মিডলঅর্ডার ব্যাটসম্যান মাহমুদউল্লাহ রিয়াদের কথা। আরো অনেকবারের ন্যায় আবারো আড়ালেই পড়ে গিয়েছেন শেষ ম্যাচের অন্যতম সেরা খেলোয়াড় রিয়াদ। মিডলঅর্ডারে ব্যাট করতে নেমে খেলেছেন একদম শেষ পর্যন্ত। ৪৯ বলের ইনিংসে রান করেছেন ৬৭। ইনিংস সাজিয়েছেন ৫ চার ও ৩ ছক্কার মারে।

    এটুকুতে বোঝা সম্ভব নয় রিয়াদের ইনিংসের গুরুত্ব বা মাহাত্ম্য। ইনিংসের ৩২তম ওভারে তিনি যখন ব্যাটিংয়ে নামেন তখন বাংলাদেশের রান ৩ উইকেটে ১৫২। অপরাজিত থেকে তিনি মাঠ ছাড়ার সময় বাকি ১৯ ওভারে আরও ১৪৯ রান পায় বাংলাদেশ। মোট দলীয় সংগ্রহ দাঁড়ায় ৬ উইকেটে ৩০১ রান।

    শুরু থেকে বেশ ধীরগতিতে খেলতে থাকা তামিম ইকবাল চতুর্থ উইকেট জুটিতে রিয়াদকে পেয়েই হাত খুলে খেলতে শুরু করেন। জোড়া চার মেরে কাটান জড়তা, নড়বড় নব্বইতে ঢুকে মারেন বিশাল এক ছক্কা। মাত্র ৪৬ বলেই ৫১ রানের জুটি গড়ে ফেলেন রিয়াদ ও তামিম।

    দলীয় ২০৩ রানের মাথায় তামিমের বিদায়ের পরেই মূল পরীক্ষায় পড়তে হয় রিয়াদকে। আচমকা সিদ্ধান্তে ছয় নম্বরে ব্যাটিংয়ে নেমে যান অধিনায়ক মাশরাফি বিন মর্তুজা। মাশরাফির সাথে জুটি গড়তেও পারদর্শিতা দেখান রিয়াদ। উইকেটের চার পাশে ব্যাট ঘুরিয়ে অধিনায়ক যখন দ্রুত রান তুলছিলেন তখন এক প্রান্ত আগলে রেখে মাশরাফিকে নির্ভরতা দিচ্ছিলেন রিয়াদই।

    পঞ্চম উইকেট এই জুটিতে মাত্র ৪২ বলে ৫৩ রান পায় বাংলাদেশ। যেখানে রিয়াদের অবদান ১৭ বলে ১৭ রান। সিঙ্গেল নিয়ে নিয়ে তিনি খেলাচ্ছিলেন অধিনায়ককে। অধিনায়ক মাশরাফিও ২৫ বলে ৩৬ রানের ইনিংস খেলে সঠিক প্রমাণ করেছেন আগে নেমে যাওয়ার সিদ্ধান্ত। ৪৬তম ওভারে মাশরাফি ফিরে যাওয়ার পর ইনিংস শেষ করার দায়িত্ব বর্তায় রিয়াদের ঘাড়ে।

    রিয়াদ তখন অপরাজিত ৪৩ রানে, খেলে ফেলেছেন ৩৮টি বল। ইনিংসের তখন বাকি মাত্র ২৫ বল। এই ২৫ বলের মধ্যে ১১টি বল খেলার সুযোগ পান রিয়াদ। এই ১১ বলে ২ ছয় ও ১ চারের মারে ২৪ রান করেন রিয়াদ। পূরণ করেন ক্যারিয়ারের ১৯তম অর্ধশত। দলকেও নিয়ে যান তিনশো পেরুনো সংগ্রহে।

    দলের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রানের ইনিংস খেলে কিংবা গুরুত্বপূর্ণ দুটি গড়ে অথবা দায়িত্ব নিয়ে দলীয় ইনিংস শেষ করে আসার পরেও যথাযথ মাতামাতি নেই বাংলাদেশের ‘বিপদের বন্ধু’ খ্যাত রিয়াদকে ঘিরে। আগের আরো অনেকবারের মতো এবারও আড়ালে থেকেই নিজের কাজটা শেষ করেছেন রিয়াদ।

    দলের প্রতি নিজের দায়বোধ কিংবা তার প্রতি দলের যে চাওয়া নীরবে নিভৃতেই তা পূরণ করে চলেছেন রিয়াদ। আগামীতেও এমনভাবেই নিজের কাজটা করে দলকে সফলয়ার পথ দেখিয়ে দেবেন রিয়াদ, এমনটাই চাওয়া থাকবে বাংলাদেশ ক্রিকেট সংশ্লিষ্ট সকলের।

  • ৫ জানুয়ারি শুরু হবে বিপিএলের ৬ষ্ঠ আসর

    ৫ জানুয়ারি শুরু হবে বিপিএলের ৬ষ্ঠ আসর

    আগে থেকেই জানা, জাতীয় নির্বাচনের কারণে এবারের বিপিএলের আসর পিছিয়ে যেতে পারে। অর্থ্যাৎ বিপিএলের ৬ষ্ঠ আসর অনুষ্ঠিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে জানুয়ারিতে। এবার বিপিএল গভর্নিং কাউন্সিলের বৈঠকে সেই সিদ্ধান্তই নেয়া হলো। জাতীয় নির্বাচনের কারণেই নভেম্বর-ডিসেম্বর থেকে পিছিয়ে আগামী বছর জানুয়ারিতে নিয়ে যাওয়া হলো বিপিএল।

    বিপিএলের ফ্রাঞ্চাইজিগুলোর সঙ্গে অনানুষ্ঠানিক বৈঠকে বসে বিপিএল গভর্নিং কাউন্সিল। সেই বৈঠকের পর উপস্থিত সাংবাদিকদের এই নতুন তথ্য জানান বিসিবি পরিচালক এবং বিপিএল টেকনিক্যাল কমিটির চেয়ারম্যান জালাল ইউনুস। তিনি জানিয়েছেন, ৫ জানুয়ারি শুরু করা হবে বিপিএলের পরবর্তী আসর এবং শেষ হবে ৮ ফেব্রুয়ারি।

    জালাল ইউনুস বলেন, ‘আমরা বিপিএল আয়োজনের জন্য সময় নির্ধারণ করেছি ৫ জানুয়ারি থেকে ৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত। তার আগে প্লেয়ার ড্রাফট করতে চাই অক্টোবরে। তবে দিন তারিখ নির্ধারণ করা হয়নি। তারিখ পরে জানিয়ে দেবো।’

    জাতীয় নির্বাচনের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখেই বিপিএলের নতুন তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে বলে জানান তিনি। জালাল ইউনুস বলেন, ‘আমরা জেনেছি, জাতীয় নির্বাচন হবে ডিসেম্বরের শেষ সপ্তাহে। সেই নির্বাচনের সম্ভাব্য সময়সূচির সঙ্গে মিলিয়েই জানুয়ারির ৫ তারিখ থেকে ফেব্রুয়ারির ৮ তারিখ পর্যন্ত বিপিএলের জন্য বরাদ্ধ রেখেছি। তবে কোনো কারণ জাতীয় নির্বাচন পিছিয়ে গেলে, তার সাথে তাল মিলিয়েই বিপিএলের দিন তারিখ নতুন করে নির্ধারণ করা হবে।’

  • ডিএসসিসির ১৬৭০ বাড়িতে এডিস মশার লার্ভা!

    ডিএসসিসির ১৬৭০ বাড়িতে এডিস মশার লার্ভা!

    ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের (ডিএসসিসি) আওতাধীন সাড়ে ৮ দশমিক ৫৫ শতাংশ বাড়িতেই ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়া বাহিত এডিস মশার লার্ভা পাওয়া গেছে। ১৯ হাজার ৫৪২টি বাড়ি পরিদর্শন করে এক হাজার ৬৭০টি বাড়িতে লার্ভার উপস্থিতি শনাক্ত হয়েছে।

    গত ২৫ জুন থেকে ১৫ জুলাই পর্যন্ত ডিএসসিসি এলাকায় অঞ্চল ভিত্তিক মশকের লার্ভা শনাক্ত ও ধ্বংসকরণ কার্যক্রমের প্রতিবেদনে এমন তথ্য উঠে এসেছে।

    প্রতিবেদন অনুযায়ী, সবচেয়ে ভয়বহ চিত্র ডিএসসিসির অঞ্চল ১-এ। সাতটি ওয়ার্ড নিয়ে গঠিত এ অঞ্চলের ধানমন্ডি, কলাবাগান, কাঠালবাগান, মন্ত্রিপাড়া ও সেগুনবাগিচার চিত্র ভয়াবহ। মশকের লার্ভা শনাক্ত ও ধ্বংসকরণে সংশ্লিষ্ট কর্মীরা অঞ্চল ১-এর দুই হাজার ৫৯৯টি বাড়ি পরিদর্শন করেন। এর মধ্যে ৯৩৮টি বাড়িতেই লার্ভার উপস্থিতি পান তারা। লার্ভার উপস্থিতির হার ৩৬ দশকিম ০৯ শতাংশ। এছাড়া প্রজননস্থল পাওয়া গেছে ৯৬১টি। পরিদর্শনে লার্ভার উপস্থিতি পাওয়া যায়নি ১৬৬১টি বাড়িতে।

    এছাড়া আরও চারটি অঞ্চলের প্রতিবেদনে দেখা গেছে, অঞ্চল ২-এ ওয়ার্ড সংখ্যা ১২টি। সেখানে চার হাজার ৩৪৪টি বাড়ি পরিদর্শন করে ১৭৮টিতে লার্ভার উপস্থিতি পাওয়া গেছে। শতকরা হিসাবে যা ৪ দশমিক ০৯ শতাংশ। বাড়িগুলোর মধ্যে চার হাজার ১৬৬টি বাড়িতে লার্ভার উপস্থিতি পাওয়া যায়নি।

    একইভাবে অঞ্চল ৩-এ ওয়ার্ডের সংখ্যা ১২টি। সেখানে চার হাজার ৬৯৩টি বাড়ি পরিদর্শন করে ২৭৫টিতে লার্ভার উপস্থিতি পাওয়া গেছে। শতকরা হিসাবে যা ৫ দশমিক ৮৬ শতাংশ। চার হাজার ৪১৮টি বাড়িতে লার্ভার উপস্থিতি পাওয়া যায়নি।

    অঞ্চল ৪-এ ওয়ার্ড সংখ্যা ১১টি। সেখানে তিন হাজার ৪০৬টি বাড়ি পরিদর্শন করে ৬৯টিতে লার্ভার উপস্থিতি পাওয়া গেছে, যা শতকরা ২ দশমিক ০২ শতাংশ। বাড়িগুলোর মধ্যে তিন হাজার ৩৪০টিতে লার্ভার উপস্থিতি পাওয়া যায়নি।

    অঞ্চল ৫-এ ওয়ার্ডের সংখ্যা ১৫টি। সেখানে চার হাজার ৫০০টি বাড়ি পরিদর্শন করে ২১০টিতে লার্ভার উপস্থিতি পাওয়া গেছে। শতকরা হিসাবে যা ৪ দশমিক ৬৭ শতাংশ। বাড়িগুলোর মধ্যে চার হাজার ২০৯টিতে লার্ভার উপস্থিতি পাওয়া যায়নি।

    প্রতিবেদনে এমন উদ্বেগজনক চিত্র দেখে লার্ভা বা প্রজননস্থল শনাক্ত ও ধ্বংসকরণে ফের কর্মসূচি গ্রহণ করেছে ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন (ডিএসসিসি)। এর আগেও এমন কর্মসূচি পরিচালিত হয়।

    এডিস মশার লার্ভা বা প্রজননস্থল ধ্বংসের কার্যক্রম পরিচালনার জন্য স্থানীয় কাউন্সিলরদের সমন্বয়ে প্রতিটি অঞ্চলে একটি করে কমিটি গঠন করে ডিএসসিসি। সেই কমিটির সদস্যরা বাড়ির পরিত্যক্ত কলস, বালতি, বোতল, কনটেইনার, টায়ার, পলিথিন ব্যাগ, পানির ড্রাম, ফুলের টবে জমে থাকা স্বচ্ছ পানিতে মশার লার্ভা পেয়ে এ বিষয়ে সবাইকে সচেতন হওয়ার পাশাপাশি এক লাখ ২৫ হাজার ৫০০ লিফলেট বিতরণও করেন।

    তবে গত ২৫ জুন থেকে ১৫ জুলাই পর্যন্ত মশকের লার্ভা শনাক্ত ও ধ্বংসকরণ কার্যক্রমে অনেক বাসাতেই ডিএসসিসির মশক নিধনকর্মীদের উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়নি বলে অভিযোগ উঠেছে। ধানমন্ডির বাসিন্দা শিহাবুল ইসলাম বলেন, পত্র-পত্রিকা ও টিভিতে জেনেছি ডিএসসিসি মশকের লার্ভা ধ্বংসের কার্যক্রম চালাচ্ছে। তবে আমাদের বাসা বা আশপাশের বাসায় তাদের দেখা যায়নি। মশকনিধন টিম তো দূরের কথা মশা মারার ওষুধ ছিটানো কর্মীদেরও দেখা মেলেনি।

    রাজধানীর মুগদার বাসিন্দা মাইদুল ইসলাম। তিনি বলেন, আমাদের এলাকায় মশার উপদ্রব অনেক বেশি। মাঝেমাঝে ফগার মেশিন দিয়ে ওষুধ ছিটানো চোখে পড়লেও বাসায় বাসায় গিয়ে মশকের লার্ভা শনাক্ত ও ধ্বংসকরণের বিষয়ে কোনো কার্যক্রম আমাদের বাসায় বা আশপাশেও দেখা যায়নি।

    ডিএসসিসির নেয়া কার্যক্রম প্রসঙ্গে মেয়র সাঈদ খোকন বলেন, ‘এ কার্যক্রমে প্রায় ২০ হাজার বাড়িতে সংশ্লিষ্ট কর্মীরা সরেজমিন পরিদর্শন করেছেন। যেসব বাড়িতে এডিসের লার্ভা পাওয়া গেছে তা ধ্বংস করা হয়েছে। এসব বাড়িতে ভবিষ্যতে যাতে এডিস মশা বংশবিস্তার করতে না পারে সে বিষয়ে তাদের সচেতন করার পাশাপাশি প্রজননস্থল ধ্বংস করার কৌশলও শিখিয়ে দেয়া হয়েছে।’

    তিনি বলেন, ‘অঞ্চল ১-এ মশকের লার্ভার বিষয়টি আমাদের কাছে উদ্বেগজনক মনে হয়েছে। এ অঞ্চলের ধানমন্ডি, কলাবাগান, সেগুনবাগিচা ও মন্ত্রিপাড়ার ৪৫ শতাংশ বাড়িতে এডিস মশার লার্ভা পাওয়া গেছে। এ কারণে আমরা এডিস মশার লার্ভা ধ্বংসকরণে আবারও কর্মসূচি নিয়েছি।’

    ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের মশক নিধন কার্যক্রমে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, আগে থেকেই মশকের বংশবিস্তার রোধে নিয়মিত লার্ভিসাইডিং ও ফগিং কার্যক্রমের পাশাপাশি বিশেষ ক্র্যাশ প্রোগ্রাম গ্রহণ, এডিস মশার উপদ্রব থেকে নগরবাসীকে রক্ষায় বাসাবাড়ির ভেতরে থাকা ফ্রিজ, এসি, ফুলের টবে জমে থাকা পানি অপসারণ, সচেতনতামূলক টিভিসি সম্প্রচার, গণবিজ্ঞপ্তি, লিফলেট ও মাইকিং করা হয়েছে। এছাড়া ওয়ার্ড কাউন্সিলরদের নেতৃত্বে ৫৭টি ওয়ার্ডে ৫৭টি ওয়ার্ড ভিত্তিক কমিটি গঠন করা হয়েছে।

  • রাত পোহাবার অপেক্ষা

    রাত পোহাবার অপেক্ষা

    রাজশাহী, বরিশাল ও সিলেট সিটি কর্পোরেশন নির্বাচন সোমবার। মাঝে শুধু একটি রাত। রাত পোহালেই অর্থাৎ সোমবার সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত টানা আট ঘণ্টা চলবে ভোটগ্রহণ। এর আগে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) পক্ষ থেকে সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়।

    তিন সিটিতে মোট ১৭ মেয়রপ্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। আট লাখ ৮২ হাজার ৩৬ জন ভোটার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করে নগরপিতা নির্বাচিত করবেন।

    তিন সিটিতে শনিবার মধ্যরাতে শেষ হয় নির্বাচনী প্রচারণা। এখন শুধু ভোটের অপেক্ষা। রোববার সকাল থেকেই এ তিন সিটিতে সুনসান নীরবতা বিরাজ করতে দেখা যায়। টানা কদিনের জমজমাট প্রচারণা শেষে সবই যেন থমকে যায় ৩০ জুলাইয়ের নির্বাচনের জন্য। তবে কৌশলী প্রচারণা চালান প্রার্থীরা।

    নির্বাচন উপলক্ষে তিন শহরে মোতায়েন করা হয়েছে প্রয়োজনীয় সংখ্যক আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য। এসব সিটির ১৫টি কেন্দ্রে ইভিএম ব্যবহার করা হবে। নির্বাচন উপলক্ষে তিন সিটিতে সোমবার সাধারণ ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে।

    এ বিষয়ে জানতে চাইলে নির্বাচন কমিশন সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ জাগো নিউজকে বলেন, তিন সিটিতে নির্বাচন অনুষ্ঠানের জন্য আমরা সব ধরনের প্রস্তুতি শেষ করেছি। ভোটাররা যাতে নির্ভয়ে ভোট দিতে পারেন সেই ব্যবস্থাও করা হয়েছে। আমরা সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন উপহার দিতে চাই।

    ইসির একটি সূত্র জানায়, নির্বাচন সুষ্ঠু করার জন্য ইসি একটি মনিটরিং কমিটি গঠন করেছে। জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন (এনআইডি) উইংয়ের মহাপরিচালক বিগ্রেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ সাইদুল ইসলামের নেতৃত্বে এই কমিটিতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরাও রয়েছেন।

    রাসিক

    রাজশাহী সিটি কর্পোরেশন (রাসিক) নির্বাচনে মেয়র পদে লড়ছেন দুই সাবেক মেয়রসহ ৫ প্রার্থী। এছাড়া সাধারণ কাউন্সিলর পদে ১৬০ এবং সংরক্ষিত নারী কাউন্সিলর পদে রয়েছেন ৫২ জন প্রার্থী।

    এই নগরীর মোট ভোটার ৩ লাখ ১৮ হাজার ১৩৮ জন। এর মধ্যে এক লাখ ৫৬ হাজার ৮৫ জন পুরুষ এবং এক লাখ ৬২ হাজার ৫৩ জন নারী। ১৩৮টি ভোট কেন্দ্রের মধ্যে ১১৪টি কেন্দ্র ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। এরই মধ্যে নির্বাচনের সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে নির্বাচন কমিশন।

    এদিকে নির্বাচন উপলক্ষে নগরীতে ১৫ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন রয়েছে। আরও চার প্লাটুন স্ট্যান্ডবাই রাখা হয়েছে।

    এ বিষয়ে রাজশাহী মহানগর পুলিশের মুখপাত্র (সদর) ইফতেখায়ের আলম জানান, ভোটের নগরীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এরই মধ্যে সব ধরনের ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। পুলিশের পাশাপাশি সাদা পোশাকধারী পুলিশও মোতায়েন রয়েছে। দায়িত্বপালন করছেন অন্যান্য গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যরাও।

    তিনি আরও বলেন, ভোটের আগে ও পরে তিন দিন পুরো নগরী নিরাপত্তার চাদরে ঢেকে দেয়া হবে। এরই অংশ হিসেবে নগরীর নিরাপত্তা বাড়ানো হয়েছে। ভোটকেন্দ্র ঘিরেও থাকছে তিন স্তরের নিরাপত্তা। আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নিত হওয়ার আশঙ্কা নেই। এ নিয়ে ভোটারদের আতঙ্কিত না হওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন ওই নগর পুলিশ কর্মকর্তা।

    সিসিক

    সিলেট সিটি কর্পোরেশন (সিসিক) নির্বাচনে ১৩৪টি কেন্দ্রে ৩ লাখ ২১ হাজার ৭৩২ ভোটার তাদের ভোট প্রদান করবেন। এবার নির্বাচনে মেয়র পদে ছয়জন, সংরক্ষিত নারী কাউন্সিলর পদে ৬২ জন ও সাধারণ কাউন্সিলর পদে ১৩৪ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

    জানা গেছে, সিসিক নির্বাচনে ১৪ প্লাটুন বিজিবি, র্যাবের ২৭টি টিম কাজ করছে। ১৩৪টি ভোটকেন্দ্রের প্রতিটিতে ২২ জন করে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সদস্য দায়িত্ব পালন করবেন। এর মধ্যে ৭ জন পুলিশ, ১২ জন আনসার সদস্য আগ্নেয়াস্ত্রসহ আনসার বাহিনীর একজন প্লাটুন কমান্ডার ও একজন এপিসি এবং একজন ব্যাটলিয়ান আনসার সদস্য থাকবেন।

    তবে গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রগুলোতে ২ জন করে অতিরিক্ত ব্যাটালিয়ন আনসার সদস্য অস্ত্রসহ থাকবেন। এ ছাড়া ৯টি স্ট্রাইকিং ফোর্স, মোবাইল টিম ৯টি, ৯ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট, ৯ জন জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট নির্বাচনের আইনশৃঙ্খলার দায়িত্বে থাকবেন।

    সিসিক নির্বাচনকে সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ করতে ১৩৪টি ভোটকেন্দ্রে ২ হাজার ৯৪৮ জন পুলিশ ও আনসার বাহিনীর সদস্য নিরাপত্তার দায়িত্বে নিয়োজিত থাকবেন বলে জানিয়েছে জেলা প্রশাসন।

    বিসিসি

    বরিশাল সিটি কর্পোরেশন (বিসিসি) নির্বাচনে মেয়র পদে ৬ জন, সাধারণ কাউন্সিলর পদে ৯৪ জন এবং সংরক্ষিত কাউন্সিলর পদে ৩৫ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

    এবার ২ লাখ ৪২ হাজার ১৬৬ জন তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ১ লাখ ২১ হাজার ৪৩৬ জন এবং নারী ভোটার রয়েছেন ১ লাখ ২০ হাজার ৭৩০ জন।

    নগরীতে ১২৩টি কেন্দ্রের ৭৫০টি বুথে বিরামহীনভাবে ভোটগ্রহণ চলবে। এর মধ্যে ৪টি ওয়ার্ডের ১টি কেন্দ্রে ৭৮টি বুথে ভোটগ্রহণ করা হবে ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন বা ইভিএম পদ্ধতিতে।

    বিসিসি নির্বাচনে ১২৩টি কেন্দ্রের মধ্যে ৫০টি অধিক গুরুত্বপূর্ণ (ঝুঁকিপূর্ণ) ও ৬২টি গুরুত্বপূর্ণ এবং ১১টি কেন্দ্রকে সাধারণ কেন্দ্র হিসেবে চিহ্নিত করেছে পুলিশের বিশেষ শাখা।

    অধিক গুরুত্বপূর্ণ প্রতিটি কেন্দ্রে পুলিশ, আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন (এপিবিএন) এবং আনসার মিলিয়ে ১৪ জন সশস্ত্রসহ মোট ২৪ জন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য দায়িত্ব পালন করবেন। এছাড়া গুরুত্বপূর্ণ ও সাধারণ কেন্দ্রে ১২ জন সশস্ত্র পুলিশ, এপিবিএন ও আনসারসহ মোট ২২ জন সদস্য দায়িত্বে নিয়োজিত থাকবেন। কেন্দ্রে দায়িত্ব পালন ছাড়াও পুলিশের একাধিক দলকে টহল দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি রিজার্ভ এবং স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে প্রস্তুত রাখা হয়েছে।

    নির্বাচনকালীন যেকোনো অপ্রীতিকর ও অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার বিচারের জন্য ১০ জন নির্বাহী এবং ১০ জন জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগ করা হয়েছে।

    এছাড়া ১৯ প্লাটুন বিজিবি ছাড়াও র্যাবের ৩৫টি টহল দল ও সাদা পোশাকধারীসহ প্রায় সাড়ে ৩০০ সদস্য কেন্দ্রের বাইরে নির্বাচনী এলাকায় দায়িত্বে নিয়োজিত থাকবেন।

  • হজে গিয়ে বরিশালের বারেকসহ ৩ জনের মৃত্যু

    হজে গিয়ে বরিশালের বারেকসহ ৩ জনের মৃত্যু

    পবিত্র হজ পালন করতে গিয়ে আরও তিন বাংলাদেশি হজযাত্রীর মৃত্যু হয়েছে। তারা হলেন বরিশাল বাকেরগঞ্জ ‍উপজেলার ভরপাশা গ্রামের এম এ বারেক হাওলাদার (৬৩), দিনাজপুর সদরের মো.আখতারুজ্জামান (৬২) ও কিশোরগঞ্জ হোসাইনপুরের সাহেদল গ্রামের মো. মতিউর রহমান (৫৯)। এ তিনজনকে নিয়ে চলতি বছর পবিত্র হজ পালন করতে গিয়ে মোট আটজন হজযাত্রী মারা গেলেন। এদের সবাই মক্কায় মারা যান।

    ধর্ম মন্ত্রণালয়ের অধীনে মক্কা থেকে প্রকাশিত হজ বুলেটিন সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

    গত শুক্রবার (২৭ জুলাই) মো. মতিউর রহমান মারা যান। তার পিলগ্রিম আইডি ১৪৫৩১৪১ ও পাসপোর্ট নম্বর বিকিউ ০৩৮৯৬৫৪। তিনি সেরাপ অ্যাভিয়েশন সার্ভিসেসের (হজ লাইন্সেস নম্বর ১৪৫৩) মাধ্যমে ২৬ জুলাই সৌদি এয়ারলাইন্স যোগে সৌদি যান।

    শনিবার (২৮ জুলাই) এম এ বারাক হাওলাদার মারা যান। তার পিলগ্রিম নম্বর ০২৮৬০৩৮ ও পাসপোর্ট নম্বর বিএম ০৪৪৪৮২৭। তিনি বিলাস ট্রাভেলস অ্যান্ড ট্যুরসের (হজ লাইন্সেস নম্বর ০২৮৬) মাধ্যমে ২৪ জুলাই বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স যোগে সৌদি আরব যান।

    শনিবার মো. আখতারুজ্জামান নামে আরও একজন মারা যান। তার পিলগ্রিম আইডি নম্বর ০৩৪৭১৭৭ ও ও পাসপোর্ট নম্বর বিকিউ ০৯৩২৩৭৮। তিনি আকাবা ইন্টারন্যাশনালের (হজ লাইসেন্স নম্বর ০৩৪৭) মাধ্যমে ২৪ জুলাই সৌদি এয়ারলাইন্সে সৌদি পৌঁছান।

    এর আগে যে পাঁচজন মারা যান

    আবদুর রহমান আকন্দ। মারা যান ২৫ জুলাই। তার পিলগ্রিম আইডি নম্বর ১৪৯৪১১২ ও পাসপোর্ট নম্বর ওসি ৯১৮৭৮২৫। তিনি এহসান অ্যাভিয়েশন হজ এজেন্সির (হজ লাইসেন্স নম্বর ১৪৯৪) মাধ্যমে গত ১৮ জুলাই সৌদি আরব যান।

    আবদুল হালিম আকন্দ। মারা যান ২৪ জুলাই। তার পিলগ্রিম আইডি নম্বর ১২৪৪২১২ ও পাসপোর্ট নম্বর বিআর ০৫০৯০৫৩। তিনি সানলাইন ট্রাভেলস লিমিটেডের (হজ লাইসেন্স নম্বর ১২৭৭) মাধ্যমে ২০ জুলাই সৌদি পৌঁছান।

    ২৩ জুলাই মারা যান জামালপুর জেলার সদর থানার শাহবাজপুর গ্রামের বাসিন্দা মো. আবুল কালাম আজাদ (৬০)। তার পাসপোর্ট নম্বর বিটি ০২৯৯৪৬৬।

    ১৮ জুলাই মানিকগঞ্জের মো. আবদুস সাত্তারের (৬৯) মৃত্যু হয়। তার পাসপোর্ট নম্বর বিএন ০৫৪০০০৮। ১৫ জুলাই মুত্যু হয় নারায়ণগঞ্জের মোহাম্মদ আমির হোসেনের (৫৪)। তার পাসপোর্ট নম্বর বিআর ০৯৪৭১৩১।

  • বিসিসি নির্বাচনঃ সুষ্ঠু নির্বাচনের দাবিতে ওবাইদুরের সংবাদ সম্মেলন

    বিসিসি নির্বাচনঃ সুষ্ঠু নির্বাচনের দাবিতে ওবাইদুরের সংবাদ সম্মেলন

    ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের হাতপাখা প্রতীকের মেয়র প্রার্থী ওবাইদুর রহমান (মাহবুব) বলেছেন, সরকারকে বলবো ৩০ জুলাই (সোমবার) একটি সুষ্ঠু নির্বাচন করুন। মুখে মুখে শান্তিপূর্ণ ভোটের কথা না বলে নিশ্চিত করুন যাতে প্রত্যেকটি ভোটার ভোটকেন্দ্রে গিয়ে নিজের ভোট নিজে দিতে পারে এবং যাকে খুশি তাকে দিতে পারে।

    রোববার (২৯ জুলাই) বিকেল ৩টার দিকে বরিশাল নগরের সদর রোডের চায়না প্যালেস রেস্তোরাঁয় ইসলামী আন্দোলন আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।

    ওবাইদুর বলেন, শনিবার (২৮ জুলাই) এক প্রার্থী বরিশাল নগরে যে শোডাউন করেছে তাতে আমরা শঙ্কিত। আমাদের মধ্যে শঙ্কার আবির্ভাব হয়েছে।

    এ সময় উপস্থিত ছিলেন- ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের নায়েবে আমীর মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ ফয়জুল করীম, ইসলামী শ্রমিক আন্দোলনের কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক অধ্যাপক আশরাফ আলী আকন, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের বরিশাল মহানগরের সেক্রেটারি মাওয়ালা জাকারিয়া হামিদী।

  • বরিশালসহ তিন সিটিতে নির্বাচনের সব প্রস্তুতি শেষ ইসির

    বরিশালসহ তিন সিটিতে নির্বাচনের সব প্রস্তুতি শেষ ইসির

    রাজশাহী, বরিশাল ও সিলেট সিটি কর্পোরেশনে নির্বাচনের সব প্রস্তুতি শেষ করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। ইতোমধ্যেই ব্যালট পেপার ও অন্যান্য সামগ্রী পাঠানো হয়েছে। আগামীকাল (রোববার) তিন সিটিতে এসব বিতরণ করা হবে। নির্বাচন উপলক্ষে তিন শহরে মোতায়েন করা হয়েছে প্রয়োজনীয় সংখ্যক আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য। এসব সিটির ১৫টি কেন্দ্রে ইভিএম ব্যবহার করা হবে। প্রস্তুতি শেষ হয়েছে এরও। আগামী সোমবার (৩০ জুলাই) এই তিন সিটিতে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।

    জানা যায়, তিন সিটিতে নির্বাচনের দিন সাধারণ ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। এ বিষয়ে জানতে চাইলে নির্বাচন কমিশন সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ জাগো নিউজকে বলেন, তিন সিটিতে নির্বাচন অনুষ্ঠানের জন্য আমরা সব ধরনের প্রস্তুতি শেষ করেছি। ভোটাররা যাতে নির্ভয়ে ভোট দিতে পারেন সেই ব্যবস্থাও করা হয়েছে। আমরা যেন সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন উপহার দিতে চাই।

    ইসির একটি সূত্র জানায়, নির্বাচন সুষ্ঠু করার জন্য ইসি একটি মনিটরিং কমিটি গঠন করেছে। জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন (এনআইডি) উইংয়ের মহাপরিচালক বিগ্রেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ সাইদুল ইসলামের নেতৃত্বে এই কমিটিতে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরাও রয়েছেন।

    যান চলাচলের ওপর নিষেধাজ্ঞা

    নির্বাচন উপলক্ষে ২৯ জুলাই মধ্যরাত থেকে ৩০ জুলাই মধ্যরাত পর্যন্ত তিন সিটিতে মোটরসাইকেল, ট্যাক্সিক্যাব, মাইক্রোবাস, জিপ, পিকআপ ভ্যান, ট্রাক, তিন চাকার গাড়ির চলাচলে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। তবে ২৮ তারিখ সন্ধ্যা ৬টা থেকে ৩১ জুলাই পর্যন্ত সেখানে মোটরসাইকেল চলাচলের ওপর নিষেধাজ্ঞা রয়েছে।

    অন্যদিকে ২৭ জুলাই মধ্যরাত থেকে নির্বাচন শেষ না হওয়া পর্যন্ত সেখানে বহিরাগতদের অবস্থান নিষিদ্ধ করা হয়েছে। নির্বাচনের ৩২ ঘণ্টা আগে অর্থাৎ ২৮ তারিখ থেকে ১ আগস্ট অর্থাৎ নির্বাচনের ৪৮ ঘণ্টা পর পর্যন্ত প্রচার-প্রচারণা, সমাবেশ নিষিদ্ধ।

    মাঠে থাকবে ৬৪৪ পর্যবেক্ষক
    এই তিন সিটির নির্বাচন উপলক্ষে কমিশনের ৩৫টি পর্যবেক্ষক কমিটি থাকবে। ইসির জেলা, উপজেলা ও বিভাগীয় জেষ্ঠ কর্মকর্তারা রয়েছেন এই কমিটিতে। এছাড়াও আন্তর্জাতিক ও স্থানীয় ৬০৯ জন পর্যবেক্ষক মাঠে থাকবেন। পর্যবেক্ষকদের মধ্যে ১৫টি স্থানীয় প্রতিষ্ঠানের ৫৯২ জন ও বিদেশি রয়েছেন ১৭ জন। এর মধ্যে যুক্তরাষ্টের পর্যবেক্ষকও রয়েছেন।

    ইসির একাধিক সূত্র জানায়, রাজশাহীতে ১৯২ জন স্থানীয় ও সাতজন বিদেশি পর্যবেক্ষক, বরিশালে ২০৩ জন স্থানীয় ও তিনজন বিদেশি এবং সিলেটে ২০৩ জন স্থানীয় ও সাতজন বিদেশি পর্যবেক্ষক রয়েছেন।

    মোতায়েন করা হয়েছে প্রয়োজনীয় সংখ্যক আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য
    নির্বাচন উপলক্ষে তিন সিটিতে ২৪৮ প্লাটুন আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। প্রতিটি কেন্দ্রে মোতায়েন থাকবেন ২২ জন পুলিশ ও ভিডিপি সদস্য। তবে অতি গুরুত্বপূর্ণ বা ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রে ২৪ জন করে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী নিয়োগ করা হয়েছে। এছাড়া ৮৭ প্লাটুন র‌্যাব সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। এর মধ্যে রাজশাহী ও বরিশালে ৩০ প্লাটুন এবং সিলেটে ২৭ প্লাটুন।

    এছাড়াও তিন সিটিতে ৪৪ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন করা হয়েছে। এর মধ্যে রাজশাহী ও বরিশালে ১৫ প্লাটুন করে এবং সিলেটে ১৪ প্লাটুন। এছাড়াও রয়েছে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সমন্বয়ে গঠিত ভ্রাম্যমাণ ফোর্স। থাকবেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটও।

    ১৫ কেন্দ্রে ইভিএম
    নির্বাচন কমিশন সিদ্ধান্ত নিয়েছে যে, তিন সিটির ১৫টি কেন্দ্রে ইলেকট্রিক ভোটিং মেশিন (ইভিএম) ব্যবহার করা হবে। এর মধ্যে রাজশাহী ও সিলেটের দুটি কেন্দ্রে ও বরিশালের ১১টি কেন্দ্রে ইভিএম ব্যবহার করা হবে।

    জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন (এনআইডি) উইংয়ের মহাপরিচালক বিগ্রেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ সাইদুল ইসলাম  বলেন, ইভিএম ব্যবহারের সব প্রস্তুতি শেষ করা হয়েছে। আশাকরি আগের কেন্দ্রগুলোর মতো এবারও আমরা সুফল পাব এবং ভোটাররা ভালোভাবে ভোট দিতে পারবেন।

  • বিসিসি নির্বাচনঃবিএনপি নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর পথ খুঁজছে : আব্বাস

    বিসিসি নির্বাচনঃবিএনপি নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর পথ খুঁজছে : আব্বাস

    বিএনপি ভীত হয়ে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর পথ খুঁজছে বলে অভিযোগ করেছে বরিশাল মহানগর আওয়ামী লীগ।

    আজ রোববার সন্ধ্যায় মহানগর আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ অভিযোগ করা হয়। মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি ও মেয়র প্রার্থী সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহর নির্বাচন পরিচালনা কমিটির আহ্বায়ক গোলাম আব্বাস চৌধুরী সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য দেন।

    গোলাম আব্বাস চৌধুরী বলেন, নির্বাচন প্রশ্নবিদ্ধ করতে বিএনপি বিভিন্ন ধরনের অভিযোগ করছে। বিএনপি মূলত বিমর্ষ হয়ে পড়েছে। নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর পথ খুঁজছে। তিনি বলেন, বিএনপি যেসব অভিযোগ করেছে, সেসব অভিযোগের ভিত্তি নেই। কারণ বরিশাল সিটি করপোরেশনে কোনো বহিরাগত নেই। যাঁরা ছিলেন, তাঁরা চলে গেছেন।

    বরিশালে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বিরাজ করছে দাবি করে গোলাম আব্বাস বলেন, বরিশালে সম্পূর্ণ শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বিরাজ করছে। সিলেট ও রাজশাহীতে ককটেল বিস্ফোরণের মতো ঘটনা ঘটেছে। কিন্তু বরিশালে কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি। বিএনপি তাদের রুটিন ওয়ার্ক অনুযায়ী বিভিন্ন ধরনের অভিযোগ করছে। বিএনপির মেয়র প্রার্থীর সহধর্মিণী আওয়ামী লীগের কর্মীকে হুমকি দিয়েছেন। এ বিষয়ে থানায় জিডি করা করা হয়েছে।

    নির্বাচনে জয়ী হওয়ার আশা প্রকাশ করে গোলাম আব্বাস বলেন, এখন পর্যন্ত পরিবেশ শান্তিপূর্ণ আছে। আগামীকাল জয়ের বিষয়ে আওয়ামী লীগ শতভাগ আশাবাদী।

    আওয়ামী লীগের মেয়র প্রার্থীকে আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগে কারণ দর্শানোর নোটিশ দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। এ বিষয়ে আওয়ামী লীগ কী করেছে, জানতে চাইলে গোলাম আব্বাস বলেন, এ বিষয়ে জবাব দেওয়া হয়েছে।

    বিএনপির নেতা-কর্মীদের গ্রেপ্তারের অভিযোগের বিষয়ে গোলাম আব্বাস বলেন, নির্বাচনের আগে বিভিন্ন ধরনের অপরাধী চক্র সক্রিয় হয়ে ওঠে। এ কারণে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী বিভিন্ন পদক্ষেপ নেয়। এরই অংশ হিসেবে বিভিন্ন ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

    সংবাদ সম্মেলনে মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এ কে এম জাহাঙ্গীর, মহানগর আওয়ামী লীগের জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি আফজালুল করিম, বরিশাল জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মনসুর আহমেদ, সাবেক সচিব সিরাজুল ইসলাম, আওয়ামী লীগ নেতা বলরাম পোদ্দার, কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সাবেক নেতা গোলাম সরোয়ার প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

  • বিসিসি নির্বাচনঃ সিটি নির্বাচন সুষ্ঠু না হলে ইসিকে চরম মূল্য দিতে হবে: চরমোনাই পীর

    বিসিসি নির্বাচনঃ সিটি নির্বাচন সুষ্ঠু না হলে ইসিকে চরম মূল্য দিতে হবে: চরমোনাই পীর

    ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমীর মুফতী সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করীম চরমোনাই পীর বলেছেন, আগামীকাল তিন সিটিতে নির্বাচন নির্বাচন কমিশনের (ইসি) জন্য একটি অগ্নি পরীক্ষা। কাজেই সিটি নির্বাচন সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ করতে ব্যর্থ হলে ইসিকে চরম মূল্য দিতে হবে। রবিবার এক বিবৃতিতে তিনি এসব কথা বলেন।

    বরিশাল, সিলেট ও রাজশাহী সিটি করপোরেশন নির্বাচনে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ মনোনীত প্রার্থীদের হাতপাখায় ভোট দিয়ে আল্লাহভীরু মেয়র নির্বাচিত করার জন্য তিন সিটিবাসীর প্রতি আহ্বান জানান চরমোনাই পীর। বরিশাল সিটি করপোরেশন নির্বাচনে মাওলানা ওবায়দুর রহমান মাহবুব, সিলেট করপোরেশন নির্বাচনে প্রফেসর ডা. মোয়াজ্জেম হোসেন খান, রাজশাহী সিটি করপোরেশন নির্বাচনে আলহাজ্ব শফিকুল ইসলামকে হাতপাখা মার্কায় ভোট দিয়ে সন্ত্রাস, রাষ্ট্রীয় দুর্নীতি ও মাদকমুক্ত সিটি গড়ার জন্য তিন সিটিবাসীর প্রতি আহ্বান জানান।

    চরমোনাই পীর বলেন, সমাজে আল্লাহভীরু নেতৃত্ব প্রতিষ্ঠিত না থাকায় জনজীবন আজ বিপর্যস্ত। সাংবাদিক, শিক্ষক, বুদ্ধিজীবি, আইনজীবিসহ প্রায় সকল পেশাজীবী শ্রেণী স্বার্থের কারণে দুর্নীতিগ্রস্ত রাজনৈতিক দলগুলোর লেজুরবৃত্তি করে বিভক্ত ও দুর্ণীতিগ্রস্ত হয়ে পড়েছে। এমতাবস্থায় সকলক্ষেত্রে আল্লাহভীরু নেতৃত্ব নির্বাচিত করতে হবে। আর এ জন্য তিন সিটি নির্বাচনে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মনোনীত প্রার্থীদেরকে হাতপাখা প্রতীকে ভোট দিয়ে নির্বাচিত করতে হবে। সিটি করপোরেশন অফিসগুলো দুর্নীতির আখড়ায় পরিণত হয়েছে। এগুলোকে দুর্নীতিমুক্ত, মাদকমুক্ত করতে হলে আল্লাহভীরু মেয়র নির্বাচনের বিকল্প নেই।