Author: Banglarmukh24

  • বরিশালে মাদক থেকে দূরে থাকতে ৮’শ শিক্ষার্থীর শপথ

    বরিশালে মাদক থেকে দূরে থাকতে ৮’শ শিক্ষার্থীর শপথ

    মাদক থেকে দূরে থাকার জন্য শপথ বাক্য পাঠ করেছে বরিশালের মুলাদী উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক, মসজিদের ঈমামসহ ৮‘শ শিক্ষার্থী। বুধবার বরিশালের মুলাদী ডিগ্রি কলেজে স্টুডেন্ট কমিউনিটি পুলিশিং সভায় এই শপথ করান বরিশাল রেঞ্জ ডিআইজি মো. শফিকুল ইসলাম।

    ওই সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে ডিআইজি বলেন- দেশের ৭০ লাখ মানুষ মাদকাসক্ত। তাদের মধ্যে অধিকাংশই বয়সে তরুণ। যে তারুণ্য স্বপ্নের বাংলাদেশ গড়বে, সমগ্র দেশ যাদের নিয়ে স্বপ্ন দেখে, তারা আজ মাদকাসক্ত হয়ে ধ্বংসের কিনারায়। তাদের ধ্বংসের মুখে ঠেলে দিয়েছে দেশে মাদকের বিস্তার রোধে দায়িত্বপ্রাপ্ত কিছু অসাধু কর্মকর্তারা। তাদের গাফিলতি সৎ কর্মকর্তাদের সমস্ত সাফল্য ম্লান করে দিচ্ছে।

    তিনি আরও বলেন,বর্তমান সরকার ইতোমধ্যে দেশের মাদকের চোরাচালান বন্ধে কঠোরতর ভূমিকা পালন করছে। তাছাড়া স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্সের নির্দেশ দিয়েছেন। মাদকের বিরুদ্ধে এখন প্রয়োজন সামাজিক আন্দোলন। শিক্ষার্থীদের মাদকের কুফল তুলে ধরার মাধ্যমে মাদকবিরোধী চেতনা ছড়িয়ে দিতে শিক্ষকদের ও নিজ নিজ মহল্লায় ঈমামদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে শফিকুল ইসলাম বলেন- মাদক নির্মূলে এখন প্রয়োজন সামাজিক অঙ্গীকার। পরিবারের সদস্যদের লক্ষ রাখতে হবে তাদের সন্তানদের প্রতি যাতে তারা মাদক থেকে দূরে থাকে।

    পাশাপাশি জঙ্গীবাদ, ইভটিজিং ও বাল্যবিবাহ প্রতিরোধেও স্বজনদের সচেতন হওয়ার পরামর্শ দেন ডিআইজি।

  • বরিশালে কম্পিউটার প্রশিক্ষনের উদ্বোধন

    বরিশালে কম্পিউটার প্রশিক্ষনের উদ্বোধন

    কম্পিউটার প্রশিক্ষনের মাধ্যমে তথ্য প্রযুক্তির প্রসার বৃদ্ধি ও যুবসমাজের আর্থ সামাজিক অবস্থার উন্নয়নের লক্ষ্যে জেলার উজিরপুর উপজেলায় কম্পিউটার প্রশিক্ষনের উদ্বোধণ করা হয়েছে।

    বৃহস্পতিবার বিকেলে উপজেলা পরিষদের হলরুমে তিনমাস মেয়াদী কম্পিউটার প্রশিক্ষনের উদ্বোধণ করেন জাতীয় সংসদের প্যানেল স্পীকার ও বরিশাল জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এ্যাডভোকেট তালুকদার মোঃ ইউনুস এমপি। উপজেলা নির্বাহী অফিসার মাসুমা আক্তারের সভাপতিত্বে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও জেলা পরিষদের সদস্য এসএম জামাল হোসেন, পৌর মেয়র গিয়াস উদ্দিন বেপারী। বক্তব্য রাখেন উপজেলা যুব উন্নয়ন অফিসার দিনা খান প্রমুখ।

  • আগস্টের প্রথম প্রহরে বরিশালে মোমবাতি প্রজ্বলন

    আগস্টের প্রথম প্রহরে বরিশালে মোমবাতি প্রজ্বলন

    শোকাবহ আগস্টের প্রথম প্রহরে মোমবাতি প্রজ্বলনের মধ্যে দিয়ে কর্মসূচি শুরু করা হয়েছে।১৫ই আগস্ট নিহতদের স্মরণে মঙ্গলবার দিবাগত রাত ১২ টা ১ মিনিটে নগরের সোহলে চত্ত্বরস্থ দলীয় কার্যালয় সংলগ্ন বিবির পুকুর পাড়ে এই মোমবাতি প্রজ্বলনের আয়োজন করা হয়।

    বরিশাল মহানগর আওয়ামী লীগের উদ্যোগে আয়োজিত এ কর্মসূচীতে উপস্থিত ছিলেন- মুক্তিযোদ্ধা মাহাবুব উদ্দিন-বীর বিক্রম, মুক্তিযোদ্ধা এমজি কবির ভুলু, বরিশাল সিটি করপোরেশনের নবনির্বাচিত মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহ, বরিশাল মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি অ্যাডভোকেট গোলাম আব্বাস চৌধুরী দুলাল, সহ সভাপতি অ্যাডভোকেট আফজালুল করিম, সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট একেএম জাহাঙ্গীর হোসেন, বরিশাল সদর উপজেলার চেয়ারম্যান সাইদুর রহমান রিন্টু, জেলা আওয়ামীলীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক মোয়াজ্জেম হোসেন চুন্নু, জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি হেমায়েত উদ্দিন সেরনিয়াবাত সুমন প্রমুখ।

    উল্লেখ্য, ১৯৭৫ সালের ১৫ আগষ্ট মধ্যরাতে পরিবারের সদস্য ও নিকটাত্মীয়সহ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমানকে নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়েছিলো। সেই সময় সেরনিয়বাত সাদিক আব্দুল্লাহর বড়ভাই সুকান্ত বাবু ঘাতকদের বুলেটের আঘাতে নিহত হন। সাদিকের মা সাহান আরা বেগম গুলিবিদ্ধ হয়েও প্রাণে বেঁচে যান আর বাবাও ভাগ্যের জোড়ে প্রাণে বেঁচে যান।

  • কাল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকবে

    কাল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকবে

    সড়ক দুর্ঘটনায় দুই শিক্ষার্থীর মৃত্যুর ঘটনায় উদ্ভূত পরিস্থিতিতে আগামীকাল বৃহস্পতিবার দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে এ সিদ্ধান্ত নেওয়ার কথা জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ। কিছুক্ষণের মধ্যে এ বিষয়ে আদেশ জারি করা হবে।

    শিক্ষামন্ত্রী শোকার্ত কোমলমতি শিক্ষার্থীদের শোক সংবরণ করে শান্ত থাকতে এবং ধৈর্য ধারণ করার আহ্বান জানান।
    এর আগে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে অনুষ্ঠিত এক সভায় শিক্ষামন্ত্রী মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় দুই শিক্ষার্থীর নিহত ও কয়েকজন শিক্ষার্থীর আহত হওয়ার ঘটনায় গভীর শোক ও সমবেদনা প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, ‘এ ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত দুর্ঘটনায় সহপাঠীর মৃত্যুতে কোমলমতি শিক্ষার্থীসহ আমরা শিক্ষা পরিবারের সবাই শোকার্ত।’
    শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ওই দুর্ঘটনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করা এবং সড়ক পরিবহনকে সুশৃঙ্খল ও নিরাপদ করার লক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রী ইতিমধ্যে কঠোর নির্দেশনা দিয়েছেন। সে অনুযায়ী স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় যথাযথ উদ্যোগ গ্রহণ করেছে এবং দোষীদের গ্রেপ্তার করেছে। দোষীদের সর্বোচ্চ শাস্তির বিষয়ে আইনানুগ কার্যক্রম গ্রহণ অব্যাহত আছে।

    সভায় মন্ত্রী সংশ্লিষ্ট সব শিক্ষক, অভিভাবক ও অন্যদের শিক্ষার্থীদের পাশে থেকে শিক্ষা কার্যক্রমে সহযোগিতা করার জন্য ভূমিকা রাখতে বিশেষভাবে অনুরোধ জানান।

  • হার দিয়ে টি-টোয়েন্টি সিরিজ শুরু বাংলাদেশের

    হার দিয়ে টি-টোয়েন্টি সিরিজ শুরু বাংলাদেশের

    বৃষ্টির কারণে ওয়েস্ট ইন্ডিজের লক্ষ্য কমে যায়। ১১ ওভারের জয়ের লক্ষ্য দাঁড়ায় ৯১ রানের। এই লক্ষ্য তাড়া করতে নেমেও একটা সময় কিছুটা বিপদে ছিল ক্যারিবীয়রা। তবে সেই বিপদ কাটিয়ে দলকে ঠিকই জয় এনে দিয়েছেন মারলন স্যামুয়েলস আর আন্দ্রে রাসেল। তাদের ঝড়ো দুই ইনিংসে ভর করে বাংলাদেশকে ডাকওয়ার্থ লুইস পদ্ধতিতে ৭ উইকেটে হারিয়ে তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজে ১-০তে এগিয়ে গেছে স্বাগতিকরা।

    শুরুতে লক্ষ্য ছিল ২০ ওভারে ১৪৪ রানের। মাঝে বৃষ্টিতে খেলা বন্ধ থাকার পর লক্ষ্য বদলে যায় ওয়েস্ট ইন্ডিজের। নতুন লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে অবশ্য শুরুতেই হোঁচট খেয়েছিল ক্যারিবীয়রা। ইনিংসের দ্বিতীয় ওভারে জোড়া আঘাত হানেন মোস্তাফিজুর রহমান। এভিন লুইস (২) আর আন্দ্রে ফ্লেচারকে (৭) সাজঘরে ফিরিয়ে দেন কাটার মাস্টার।

    তবে উইকেট হারিয়েও দমে যায়নি ওয়েস্ট ইন্ডিজ। ১৩ বলে ২টি করে চার-ছক্কায় ২৬ রান করা মারলন স্যামুয়েলসকে ফিরিয়ে অবশ্য একটু আশার সঞ্চার করেছিলেন রুবেল হোসেন। তবে আন্দ্রে রাসেলের ঝড়ো ব্যাটিংয়ে শেষ রক্ষা হয়নি টাইগারদের। ২১ বলে হার না মানা ৩৫ রানের এক বিধ্বংসী ইনিংস খেলেন এই অলরাউন্ডার।

    এর আগে মাহমুদউল্লাহ রিয়াদের ২৭ বলে ৩৫ রানের ইনিংসে ভর করে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৯ উইকেটে ১৪৩ রান তুলে বাংলাদেশ।

  • টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটে আবার এলোমেলো, ছন্নছাড়া টাইগাররা

    টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটে আবার এলোমেলো, ছন্নছাড়া টাইগাররা

    ওপেনার তামিম ইকবাল প্রথম বলেই আউট। ওয়ান ডাউন সৌম্য সরকারও উইকেটে গিয়েই পত্রপাট বিদায় নিলেন। প্রথম ওভারেই দুই উইকেট নেই। শুরুতেই বিপাকে। পিছনের পায়ে চলে যাওয়া। টি-টোয়েন্টিতে এর চেয়ে খারাপ সূচনা আর কি হতে পারে? কে জানতো, সেটাই শেষ নয়। আরও খারাপ অপেক্ষা করছে সামনে।

    এরপর পাওয়ার প্লে‘র ছয় ওভার শেষ না হতেই আউট লিটন, সাকিবও। প্রথম ৬ ওভারে ৪৩ রানে চার চার ফ্রন্টলাইন সাজঘরে। এমন অনিশ্চিত যাত্রার মাঝেও একদিকে চীনের প্রাচীর হয়ে দাঁড়ালেন মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। জানান দিলেন-আমাকে দেখে যতটা স্লথ, মন্থর মনে হয় আমার ব্যাট কিন্তু তত স্লো নয়। আমিও পারি বিগ শট খেলতে। টিমো পল আর স্যামুয়েল বদ্রির বলে একজোড়া ‘বিগ সিক্স’ সে সত্যই জানান দিচ্ছিল।

    মুশফিকুর রহিম শুরুতে বেশি মাত্রায় ছট ফট করলেও এক সময় মনে হলো থিতু হয়ে গেছেন। জুটি জমে ওঠার সম্ভাবনা। দুই ভায়রা মাহমুদউল্লাহ আর মুশফিকের ভেলায় চড়ে অতলে তলিয়ে যাওয়া বাংলাদেশ ধীরে ধীরে পার খুঁজে পেলো যেন। শুরুর ধাক্কা সামলে ইনিংসকে আবার নতুন করে সাজানোর কাজ প্রায় শেষ করে ফেলেছিলেন দুই পরম আত্মীয়। যা দেখে আশাবাদী হয়েছিলেন, কাকডাকা ভোরে ওঠা লাখো ভক্ত-সমর্থক। তাদের ধড়ে প্রাণ ফিরে এসেছিল-যাক বাবা, শুরুর বিপর্যয় কাটিয়ে একটা সম্মানজনক পুঁজির পথে দল!

    কিন্তু হায়! যখনই এমন ভাবা, ঠিক তখনই স্বপ্নভঙ্গের বেদনায় ডোবা। ছন্দপতন। ইনিংসের বয়স যখন ১০ ওভার, ঠিক তখন অনাবশ্যক-অপ্রয়োজনীয় শট খেলতে গিয়ে মুশফিকুর রহীম সাজঘরে। ফাস্ট বোলার কেমো পলের খানিক লাফিয়ে ওঠা বলকে থার্ডম্যানের ওপর দিয়ে গলাতে গিয়ে ক্যাচ দিলেন মুশফিক। তাতেই ৯.৩ ওভারে ৯০ ‘তে নেই ৫ উইকেট।

    আগের ক্ষত প্রায় সেরে গিয়েছিল। মুশফিকের আউটটা আবার ঠিক ততখানিই পিছিয়ে দিল। সঙ্গীর বিদায়ে মনমরা মাহমুদউল্লাহ কেমন যেন হয়ে গেলেন। তাকে হতোদ্যম হতে দেখে বুদ্ধি খাটিয়ে দারুণ এক স্লোয়ার দিলেন উইলিয়ামস, তাতে ধরা মাহমুদউল্লাহও।

    সামনের পায়ে ভর করে অফড্রাইভ খেলতে যাওয়া মাহমুদউল্লাহর মতি-গতি বুঝেই লেন্থটা একটু টেনে স্লোয়ার দিয়েছিলেন ক্যাসরিক উইলিয়ামস। বল মাহমুদউল্লাহর প্রত্যাশার চেয়ে দেরিতে এসে এবং একটু আগে পিচ করে উইকেট ভেঙে দিল।

    তারও আগে ভুল পথের যাত্রা হলেন আরিফুলও। মুশফিকুর রহিম ফেরার পর মাহমুদউল্লাহর সাথে শতভাগ আস্থার সাথে না হলেও মোটামুটি তাল মিয়ে চলছিলেন রংপুরের এ তরুণ। কিন্তু ১৫ ওভারে গিয়ে তারও ধৈর্য্যচ্যুতি ঘটলো।

    আন্দ্রে রাসেলের বলকে ফ্লিক আর গ্ল্যান্সের মাঝামাঝি কিছু একটা করতে গিয়ে বোল্ড হলেন আরিফুল। প্রথমে মনে হচ্ছিল, বল প্যাডে লেগে পিছনে চলে গেছে। পরে বোঝা গেল, ব্যাটের ভিতরের কানা ও প্যাড ছুঁয়ে বল উইকেটে গিয়ে আঘাত হেনেছে।

    ‘ব্যাটসম্যান’ তকমাধারিদের মধ্যে আরিফুলই শেষ। আর কেউ নেই। এই ভেবেই হতোদ্যম মাহমুদউল্লাহও খেই হারিয়ে বিদায় নিলেন। তারপর যা হবার তাই হলো। তিন বোলার নাজমুল অপু, রুবেল আর মোস্তাফিজকে নিয়ে ব্যর্থ চেষ্টা করলেন মিরাজ। ইনিংস থামলো ৯ উইকেটে ১৪৩ রানে।

    খেলা না দেখা যে কেউ ভাববেন, বলবেন- আরে, প্রথম ওভারে দুই উইকেট আর পাওয়ার প্লে‘তে ৪৩ রানে চার উইকেট খোয়ানোর পরও যে রান ১৪৩ পর্যন্ত গেছে, এটাই অনেক। কিন্তু যারা খেলা দেখেছেন, তারা এমন বলবেন না। তারা বরং আফসোসে পুড়েছেন। কারণ শুরুর ঐ ধাক্কা সামলে এর চেয়ে অন্তত ২০-৩০ রান বেশি করার অবস্থা ছিল।

    মাহমুদউল্লাহ আর মুশফিকের জুটিটা একটু বড় হয়ে ১০ ওভারে শেষ না হয়ে ১৫ ওভার পর্যন্ত দীর্ঘ হলেই বাংলাদেশের রান অনায়াসে ১৭০-১৮০ হতে পারতো। শেষ অবধি ডাকওয়ার্থ লুইস ম্যাথডে খেলার ভাগ্য নিধারিত হয়েছে। যাতে করে উইন্ডিজের সামনে ১১ ওভারে ৯১ রানের টার্গেট দাড়ায়। বাংলাদেশ ১৭০ এর বেশি করলে ক্যারিবীয়দের সামনে ডিএল ম্যাথডে টার্গেট দাঁড়াতো ১১০ থেকে ১১৫ কিংবা তারও বেশি। তখন একটা সম্ভাবনা থাকতো।

    ‘ক্যারিশমা, ম্যাজিক’- যাই বলা হোক না কেন, অধিনায়ক মাশরাফির উপস্থিতি একটা ফ্যাক্টর। তার অসীম সাহস, অবিচল আস্থা আর সার্বজনীন মানসিকতায় দলকে চাঙ্গা, অনুপ্রাণিত ও উদ্বুদ্ধ করার ক্ষমতায় ওয়ানডেতে অন্যরকম হয়ে ওঠে বাংলাদেশ। শুনতে খারাপ লাগবে, নির্মম সত্য হলো-আর কারো নেতৃত্বে বাংলাদেশ দলকে অমন চনমনে, চাঙ্গা ও উজ্জীবিত এবং ভালো খেলতে দৃঢ় সংকল্পবদ্ধ মনে হয় না।

    তাই টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটেও অধিনায়ক মাশরাফির অনুপস্থিতি পরিষ্কার চোখে পড়ে। টস থেকে শুরু করে ব্যাটিং অর্ডার সাজানো, বোলার ব্যবহার ও ফিল্ডিং পরিচালনা, কোথায় যেন কি নেই! কিসের যেন একটা অভাব পরিষ্কার। সেটা যে মাশরাফি না থাকা, তা কি আর বলার অবকাশ আছে?

    মাশরাফির অভাব, ঘাটতি পরিষ্কার। তার জায়গা পূরণ হচ্ছে না। এটা টি -টোয়েন্টিতে বাংলাদেশকে অনুজ্জ্বল ও ফ্যাকাশে দেখানোর বড় কারণ। তারপরও একটি কঠিন সত্য আজ আবার নতুন করে ফুটে উঠলো, বাংলাদেশ টেস্টের মত টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটেও কেমন যেন- এলোমেলো, ছন্নছাড়া!

  • দুই শিক্ষার্থীর মৃত্যু তদন্তে ইলিয়াস কাঞ্চনসহ তিন সদস্যের কমিটি

    দুই শিক্ষার্থীর মৃত্যু তদন্তে ইলিয়াস কাঞ্চনসহ তিন সদস্যের কমিটি

    রাজধানীর কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালের অদূরে বিমানবন্দর সড়কে বাসচাপায় দুই শিক্ষার্থী নিহতের ঘটনা তদন্তে তিন সদস্যের কমিটি গঠন করে দিয়েছেন হাইকোর্ট। কমিটিকে আগামী এক মাসের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে।

    কমিটির সদস্যরা হলেন-বুয়েটের এক্সিডেন্ট রিসার্চ ইনস্টিটিউটের পরিচালক প্রফেসর মিজানুর রহমান, বুয়েটের প্রফেসর মো. হাদিউজ্জামান ও নিরাপদ সড়ক চাই আন্দোলনের চেয়ারম্যান চিত্রনায়ক ইলিয়াস কাঞ্চন। এই কমিটি দুর্ঘটনার কারণ অনুসন্ধান, দুর্ঘটনার জন্য কার কতটুকু দায় তা নিরূপণ করবে। আইনজীবী রুহুল কুদ্দস কাজল এই তথ্য জানিয়েছেন।

    বুধবার বিচারপতি জেবিএম হাসান ও বিচারপতি খায়রুল আলমের হা্ইকোর্ট বেঞ্চ এই আদেশ দেন।

    এর আগে গত সোমবার (৩০ জুলাই) রাজধানীর কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালের অদূরে বিমানবন্দর সড়কে বাসচাপায় নিহত দুই শিক্ষার্থীর প্রত্যেকের পরিবারকে এক সপ্তাহের মধ্যে আপাতত পাঁচ লাখ টাকা (টোকেন মানি) করে ক্ষতিপূরণের নির্দেশ দেন হাইকোর্ট।

    পাশাপাশি আহতদের চিকিৎসার ব্যয়ভার বহনের জন্য জাবালে নূর পরিবহন কর্তৃপক্ষকে আদেশ এবং রিটের পরবর্তী আদেশের জন্য ১২ আগস্ট দিন নির্ধারণ করেছেন আদালত। ওই তারিখের মধ্যে বিআরটিএকে তদন্ত প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে।

    এছাড়া কুর্মিটোলার এ মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় জাবালে নূর পরিবহনের দায় নির্ধারণে তদন্ত প্রতিবেদন ২ মাসের মধ্যে প্রদানের জন্য বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) অ্যাকসিডেন্ট রিসার্চ ইনস্টিটিউটের পরিচালকের প্রতি নির্দেশ দেয়া হয়। আর এতে সহায়তার জন্য ডিএমপি কমিশনার ও বিআরটিএকে আদেশ দেয়া হয়।

    সোমবার (৩০ জুলাই) জনস্বার্থে করা এক রিট আবেদনের শুনানি শেষে আদালত এ আদেশ দেন। আদালতে রিটকারী আইনজীবী ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল নিজেই শুনানি করেন। অন্যদিকে রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল ফরিদা ইয়াসমিন।

    আদেশের পরে ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল সাংবাদিকদের বলেন, বিদ্যমান যে ট্রাফিক আইন আছে তা যথাযথ প্রয়োগের মাধ্যমে যাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নির্দেশ কেন দেয়া হবে না এবং শহীদ রমিজ উদ্দিন ক্যান্টনমেন্ট কলেজের নিহত দুই শিক্ষার্থীর প্রত্যেক পরিবারকে ব্যাংক ইন্টারেস্টসহ দুই কোটি টাকা করে ক্ষতিপূরণ দেয়ার নির্দেশ কেন দেয়া হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট।

    যদিও রিটে দুই পরিবারকে এক কোটি টাকা করে মোট দুই কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ দেয়ার নির্দেশনা চাওয়া হয়েছিল।

    আগামী চার সপ্তাহের মধ্যে স্বরাষ্ট্র সচিব, সড়ক পরিবহন সচিব, পুলিশের মহাপরিদর্শক, ঢাকার পুলিশ কমিশনার, অতিরিক্ত কমিশনার (ট্রাফিক), বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) এবং জাবালে নূর পরিবহন কর্তৃপক্ষকে রুলের জবাব দিতে হয়েছে।

    তিনি জানান, আদালতের জারি করা রুলে চালকদের ড্রাইভিং লাইসেন্স কোন যোগ্যতার ভিত্তি দেয়া হয় এবং সড়কে চলাচলকারীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বিআরটিএ কী পদক্ষেপ নিয়েছে সে বিষয়ে একটি প্রতিবেদন দাখিল করতে বিআরটিএকে নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

    রোববার দুপুরে হোটেল রেডিসনের সামনে জিল্লুর রহমান ফ্লাইওভার ঘেঁষে রাস্তার বাঁ-পাশে দাঁড়ানো শহীদ রমিজ উদ্দিন ক্যান্টনমেন্ট কলেজের একদল শিক্ষার্থীর ওপর উঠে যায় জাবালে নূর পরিবহনের একটি বেপরোয়া বাস। এতে দুই শিক্ষার্থী নিহত হন। আহত হন আরও বেশ কয়েকজন।

  • কল করলেই বাড়িতে যাবেন ডাক্তার, দেবেন বিনামূল্যে ওষুধ

    কল করলেই বাড়িতে যাবেন ডাক্তার, দেবেন বিনামূল্যে ওষুধ

    জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের শাহদত বার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে বাড়ি বাড়ি গিয়ে বিনামূল্যে স্বাস্থ্য সেবা ও ওষুধ প্রদানের ব্যবস্থা করেছে ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন (ডিএসসিসি)। ‘বঙ্গবন্ধু প্রাথমিক স্বাস্থ্য সেবা পক্ষ- ২০১৮’ কর্মসূচির আওতায় ঢাকা দক্ষিণের ৫৭টি ওয়ার্ডের বাসিন্দারা এই সুবিধা পাবেন।

    বুধবার নগর ভবনের ব্যাংক ফ্লোরে ডিএসসিসির মেয়র সাঈদ খোকন এ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন।

    এসময় তিনি বলেন, জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে আমরা এ কর্মসূচি নিয়েছি। নাগরিকরা হটলাইনে (০৯৬১১০০০৯৯৯) কল করলেই আমাদের ডাক্তার রোগির বাড়িতে চলে যাবেন। বর্ষাকালীন রোগের চিকিৎসা দিবেন। শুধু তাই নয়, ওষুধও দেয়া হবে। আর সবাই এ সেবা পাবেন বিনামূল্যে।

    তিনি আরও বলেন, ৫৭টি ওয়ার্ডের জন্যই সাব অ্যাসিস্টেন্ট কমিউনিটি মেডিকেল টিম রয়েছে। তারা বাড়িতে গিয়ে চিকিৎসা দিবেন। সর্বমোট ১৩০ জন এ কাজে নিয়োজিত থাকবেন। আমাদের এই কর্মসূচি ১৫ দিনের জন্য চালু হলো। নাগরিকদের চাহিদার পরিপ্রেক্ষিতে প্রয়োজনে এই সময় আরও বাড়ানো হবে।

    মেয়র সাঈদ খোকন বলেন ,জাতীয় শোক দিবসে প্রথাগতভাবে আলোচনা অনুষ্ঠান, স্মরণসভা, রক্তদান অনুষ্ঠানের পরিবর্তে নাগরিকদের সেবাদান কর্মসূচি সর্বোত্তম পন্থা হতে পারে। সেই চেতনা থেকেই বঙ্গবন্ধু প্রাথমিক স্বাস্থ্য সেবা প্রদান কর্মসূচি গ্রহণ করা হলো। এছাড়া আগ্রহী ওয়ার্ড কাউন্সিলররা স্ব স্ব ওয়ার্ডে এ সেবা দিতে চাইলে প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তার কাছে চাহিদাপত্র দিয়ে এটি নিতে পারবেন।

    অনুষ্ঠানে ডিএসসিসির প্রধান নির্বাহী খান মোহাম্মদ বিল্লাল, প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সালাহউদ্দিন আহমেদ, প্রধান সম্পত্তি আব্দুল মালেকসহ অন্যান্য কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

  • সচিবালয়ে জরুরি বৈঠকে তিন মন্ত্রী

    সচিবালয়ে জরুরি বৈঠকে তিন মন্ত্রী

    রাজধানীর বিমানবন্দর সড়কে জাবালে নূর বাসের ধাক্কায় দুই সহপাঠী নিহতের ঘটনায় বুধবার চতুর্থ দিনের মতো আন্দোলন করছেন বিভিন্ন স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীরা। তাদের আন্দোলনের পরিপ্রেক্ষিতে সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে পরিবহন মালিক- শ্রমিকদের সঙ্গে জরুরি বৈঠকে বসেছেন তিন মন্ত্রী।

    তারা হলেন- স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল, নৌ-পরিবহনমন্ত্রী শাজাহান খান ও তথ্যমন্ত্রী হাসানুলহক ইনু। বুধবার দুপুর দেড়টার দিকে এ বৈঠক শুরু হয়। বৈঠকে পরিবহন মালিক- শ্রমিকদের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত রয়েছেন।

    প্রসঙ্গত, চারদিন ধরে নিরাপদ সড়কের দাবিতে রাজধানীর বিভিন্ন স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীরা সড়কে অবস্থান করছেন। তাদের এখন পুলিশের ভূমিকায়ও দেখা যাচ্ছে। লাইসেন্স না থাকায় কাউকে গাড়ি চালাতে দেয়া হচ্ছে না।

    এদিকে, জাবালে নূর পরিবহনের একটি বাসের চাপায় গত রোববার শহীদ রমিজ উদ্দিন ক্যান্টনমেন্ট কলেজের দুই শিক্ষার্থীর নিহতের পর থেকে শুরু হওয়া শিক্ষার্থীদের এ বিক্ষোভ প্রতিদিনই বিস্তৃতি পাচ্ছে।

    তাদের বিক্ষোভ, মিছিল আর অবরোধের কারণে বুধবার সকাল থেকে রাজধানী কার্যত অচল হয়ে পড়ে।

    ফার্মগেট, শাহবাগ ও সায়েন্স ল্যাবরেটরিসহ বিভিন্ন স্থানে বিক্ষোভরত শিক্ষার্থীরা পুলিশের সামনেই যানবাহন থামিয়ে চালকদের কাছে লাইসেন্স দেখতে চাইছেন। লাইসেন্স দেখাতে না পারলে চালকদের কাছ থেকে চাবি রেখে দেয়া হচ্ছে। ফলে গাড়ি পড়ে থাকছে রাস্তায়। এদিনও রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে বেশ কয়েকটি গাড়ি ভাঙচুর হয়।

  • ‘দা দিয়া কোপাইয়্যা গাল ও কান কাইট্টা দেছে’

    ‘দা দিয়া কোপাইয়্যা গাল ও কান কাইট্টা দেছে’

    টাকা না দেয়ায় তিন সন্তানের জননী ছকিনা বেগমের গাল ও কান কেটে দিলেন পাষণ্ড স্বামী হাবিব খান। বরগুনার আমতলী উপজেলার মহিষডাঙ্গা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। রোববার আমতলী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে গিয়ে দেখা গেছে, পাঁচ দিন ধরে হাসপাতালের বেডে বিষম ব্যথায় কাতরাচ্ছেন তিনি। অর্থাভাবে তার সঠিক চিকিৎসা হচ্ছে না। খেয়ে না খেয়ে দিনাতিপাত করছেন। ছকিনা হাবিবের প্রথম স্ত্রী। হাবিব খানকে গ্রেফতার করে জেলহাজতে পাঠিয়েছে পুলিশ।

    ছকিনা বেগম বলেন, ‘বিয়ের পর অইতে স্বামীর লগে দিনমজুরের কাম হইর‌্যা সংসার চালাই। স্বামী দ্বিতীয় বিয়া হরছে। হেইয়্যার পর হইতেই মোরে স্বামী অ্যাকছের জালায়। প্রায়ই আইয়্যা টাকা চায়। টাহা না দিলে মারে। মঙ্গলবার টাকা চাইছে, মুই টাহা দিতে রাজি না অওয়ায় মোরে মাইর‌্যা হালানোর জন্য দা হান দিয়া কোপাইয়্যা গাল ও কান কাইট্টা দেছে। মুই অ্যাইয়্যার বিচার চাই।’

    জানা গেছে, পটুয়াখালী সদর উপজেলার বদরপুর গ্রামের হানিফ হাওলাদারের মেয়ে ছকিনা। জন্মের দু’বছরের মাথায় বাবা-মাকে হারান তিনি। আলীপুরের রাখাইন সম্প্রাদায়ের মইয়্যা নামের এক পরিবারে বেড়ে উঠেন তিনি।

    ২০০৩ সালে মহিষডাঙ্গা গ্রামের হাবিব খানের সঙ্গে তার বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকে ছকিনা দিনমজুরের কাজ করে স্বামীর সংসার চালিয়ে আসছেন। তাদের তিন সন্তান। হাবিব খান ২০০৬ সালে কক্সবাজারে দ্বিতীয় বিয়ে করেন। তিনি দ্বিতীয় স্ত্রী খাদিজা বেগমকে নিয়ে থাকেন। প্রথম স্ত্রী ছকিনাকে ভরণপোষণ তো দেনই না বরং প্রায়ই তার কাছে টাকা চাইতে আসেন।

    মঙ্গলবার রাতেও ছকিনার কাছে টাকা চান হাবিব। তাকে টাকা দিতে অস্বীকার করলে ছকিনাকে হত্যার উদ্দেশ্যে ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করেন হাবিব। এতে ছকিনার বাম গাল ও কান কেটে যায়। ছকিনার চিৎকারে স্থানীয় লোকজন এসে তাকে আমতলী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে।

    আমতলী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের উপসহকারী কমিউনিটি মেডিকেল অফিসার গৌরাঙ্গ হাজড়া বলেন, ছকিনার মুখের বাম অংশ থেকে শুরু করে কান পর্যন্ত কেটে গেছে। আমতলী থানার ওসি (তদন্ত) নুরুল ইসলাম বাদল বলেন, স্বামী হাবিব খানকে গ্রেফতার করে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।