Author: Banglarmukh24

  • পটুয়াখালীতে পেশাদার চোর মনির আটক

    পটুয়াখালীতে পেশাদার চোর মনির আটক

    চুরি করার সরঞ্জাম, চোরাই স্বর্নালঙ্কার ও নগদ লক্ষাধিক টাকাসহ এলাকার চিহ্নিত পেশাদার চোর মনিরকে আটক করেছে কলাপাড়া থানা পুলিশ। শুক্রবার দুপুরে চোরাই স্বর্নালঙ্কার বিক্রিকালে তাকে হাতেনাতে আটক করা হয়েছে।

    এসময় তার স্বীকারোক্তি অনুসারে উপজেলার নীলগঞ্জ ইউনিয়নের পাখিমারার ভাড়া বাসা থেকে চুরির কাজে ব্যবহৃত বিভিন্ন মালামাল উদ্ধার করা হয়। এসআই নাজমুল হোসাইনের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল মনিরকে আটক করে। মনির পটুয়াখালীর কলাপাড়া পৌর শহরের নাচনাপাড়া এলাকার সুলতানের ছেলে।

    পুলিশ জানায়, মনিরের কাছ থেকে দুটি স্বর্নের বালা, এক জোড়া কানের দুল, একটি চেইন, নগদ এক লাখ তেইশ হাজার পাঁচ শ’ টাকা উদ্ধার করা হয়। এছাড়াও চুরির কাছে ব্যবহৃত প্রায় বিভিন্ন তালার অর্ধশতাধিক চাবি, প্লায়ার্স, ড্রিল মেশিন, চাকু, স্ক্রু ড্রাইভার, লোহার তৈরি শাবল, ডিজিটাল ক্যামেরা, মোবইলসেটসহ দরজা ও তালা কাটার বিভিন্ন সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়েছে।

    চোর মনির আটকের খবর পেয়ে কলাপাড়া পৌর শহরের বিভিন্ন সময়ে চুরি হওয়া মালামাল ফেরত পেতে লোকজন থানায় ভিড় করে।

    এ ঘটনায় মামলা হয়েছে। মনিরের বিরুদ্ধে আমতলী থানায় একাধিক মামলা রয়েছে বলে জানা গেছে।

  • বরিশালে গ্রন্থাগার ও তথ্য বিজ্ঞান ডিপ্লোমা কোর্সের পরিক্ষা চালুর দাবীতে শিক্ষার্থীদের মানববন্ধন

    বরিশালে গ্রন্থাগার ও তথ্য বিজ্ঞান ডিপ্লোমা কোর্সের পরিক্ষা চালুর দাবীতে শিক্ষার্থীদের মানববন্ধন

    বিভাগীয় শহর বরিশালে একান্ত মানবিক প্রয়োজনে দরিদ্র ও চাকুরী প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের জীবন ধারার তাগিদে গ্রন্থাগার ও তথ্য বিজ্ঞান ডিপ্লোমা কোর্সের পরীক্ষা কার্যক্রম অনতিবিলম্বে শুরু করার জন্য জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছে আহবান জানিয়ে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছে গ্রন্থাগার ও তথ্য বিজ্ঞান ইনষ্টিটিউটের শিক্ষার্থীরা।

    আজ শুক্রবার (৩ই আগস্ট) সকাল ১১টায় নগরীর প্রানকেন্দ্র সদররোডে এ কর্মসূচি পালন করেন তারা।

    মানববন্ধন কর্মসূচির মূখপাত্র শিক্ষাথী মোঃ সাইফুল ইসলাম খানের সভাপতিত্বে মানববন্ধন কর্মসূচিতে শিক্ষার্থী বক্তরা বলেন,২০১৬-১৭-১৮ ও ২০১৮-১৯ এর তিনটি ব্যাচের সঠিক সময়ে পরিক্ষা না হওয়ার কারনে সারা বাংলাদেশে কয়েক হাজার প্রশিক্ষনার্থীর ভাগ্য অনিশ্চতার মধ্যে হাবুডুবু খাচ্ছে।

    গ্রন্থাগার ও তথ্য বিজ্ঞানের এই শিক্ষা কোর্সটি একটি বৃত্তিমূলক প্রশিক্ষণ। এ কোর্সটি ১বছর মেয়াদের কারনে সাধারন গরীব,মধ্যবিত্ত ও নিম্নবিত্ত পরিবারের বেকার যুব সমাজের সন্তানেরা চাকুরীর প্রত্যাশায় এই কোর্সে ভর্তি হয়ে থাকে।

    জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় অধিভূক্ত এস.টি.ইনষ্টিটিউট বগুড়া ও জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের কিছু অসাধু কর্মকতার যোগসাজসে অনুমোদিত আসনের চেয়ে অতিরিক্ত ভর্তি করে।একারনেই পরিক্ষার প্রবেশ পত্র না পাওয়ার কারনে এস.টি. ইনষ্টিটিউটের ছাত্রছাত্রীদের নিয়ে একটি মামলা দায়ের করার কারনে দীর্ঘদিন যাবৎ জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের আমলাতান্ত্রিক জটিলতার কারণে কয়েক হাজার বেকার যুব সমাজের শিক্ষার্থীদের চাকুরীর বয়ষসিমা পাড় হয়ে যাচ্ছে।

    এসময় আরো বক্তব্য রাখেন শিক্ষার্থী মোঃমহসিন,তপন কুমার দাশ,মোঃ শহিদুল ইসলাম,মোঃ সোহাগ,মোসাঃ সেলিমা বেগম,মোসাঃ হালিমা,মোঃ হালিম প্রমুখ। তারা আরো বলেন,জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভূক্ত বরিশাল সহ পঁচিশটি প্রতিষ্ঠান রয়েছে। ২০১৫-১৬ সনের পর আর কোন পরিক্ষা না হওয়ার কারনে কয়েক হাজার শিক্ষার্থীর ভাগ্য বিধাতার দিকে তাকিয়ে আছে।
    তৎকালীন সরকার ২০০২ সালে গ্রন্থাগার ও তথ্য বিজ্ঞানে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় কোর্সটি চালু করেন।

    উল্লেখ্য উক্ত শিক্ষা ব্যবস্থায় শিক্ষার্থীদের নিকট ভর্তি ও আনুসাঙ্গিক ফি-বাবদ আর্থিক সহায়তায় প্রতিষ্ঠানগুলো সামগ্রিক কার্য়ক্রম পরিচালিত হয়ে আসছে।মানববন্ধন থেকে শিক্ষার্থীরা দ্রুত বন্ধ থাকা পরিক্ষা ব্যবস্থা চালু করার মাধ্যমে ক্ষুদ্র বৃত্তি মূলক প্রশিক্ষনার্থীদের সমস্যার বিষয়ে কর্তৃপক্ষের সুদৃষ্টি কামনা করেন।

  • বরিশাল বরিশালে নিরাপদ সড়কের দাবীতে মোমবাতি প্রজ্জলন

    বরিশাল বরিশালে নিরাপদ সড়কের দাবীতে মোমবাতি প্রজ্জলন

    দেশের সড়ক ও মহাসড়কে ঘাতক যন্ত্র দানব লাইসেন্স ও ফিটনেস বিহীন গাড়ি চলাচল বন্ধ ও সড়ক পথে নিহত শিক্ষার্থীদের স্বরনে এবং ৯দফা দাবী আদায়ের দাবীতে নগরীতে মোমবাতি প্রজ্জলনসহ মর্মিতা সভা করেছে বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়ন বরিশাল জেলা শাখা।

    আজ শুক্রবার নগরীর প্রানকেন্দ সদররোডে সন্ধা ৭টা একমিনিট থেকে ৭টা ৩০ মিনিটব্যাপি এ কর্মসূচি পালন করে তারা।

    বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়ন বরিশাল জেলা শাখা কমিটির আয়োজনে সহ-সভাপতি জাহাঙ্গির আলম জামানের সভাপতিত্বে সহমর্মিতা সভায় শিক্ষার্থীদের ৯ দফা দাবী মেনে নেয়ার দাবী জানিয়ে ও নিহত শিক্ষার্থীসহ সড়ক পথে নিহতদের স্বরনে মোমবাতি প্রজ্জলন অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন বরিশাল জেলা কমিউনিস্ট পার্টি সাধারন সম্পাদক অধ্যাক্ষ মিজানুর রহমান সেলিম,বরিশাল ছাত্র ইউনিয়নের সাধারন সম্পাদক সম্পা দাশ,শাকিব,রাহাত,আশা,আছমা,মিম,রাহুল ও নিমাই প্রমুখ।

    এর পূর্বে ছাত্র ইউনিয়নের বরিশাল শাখার সদস্যরা সন্ধা ৭ টা এক মিনিটে সদররোড সড়কে মোমবাতি প্রজ্জলনের আয়োজন করে।

  • বরিশালে নির্বাচনী পোস্টার অপসারনের কার্যক্রম শুরু

    বরিশালে নির্বাচনী পোস্টার অপসারনের কার্যক্রম শুরু

    বরিশাল :  বরিশাল সিটি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার চার দিন পরে পোস্টার অপসারন কার্যক্রম শুরু করেছে সিটি করপোরেশনের পরিচ্ছন্নতা বিভাগ।

    শুক্রবার (৩রা আগষ্ট) নগরীর গুরুত্বপূর্ন সড়ক সদর রোড থেকে পরিচ্ছন্নতা বিভাগের  কর্মীরা এই পোস্টার অপসারন কার্যক্রম শুরু করে। এছাড়াও অপসারনকৃত পোস্টার পরিবহনের জন্য একটি ট্রাক ও একটি ভ্যান রয়েছে।

    তবে আগামীকাল থেকে আরো কিছু কর্মী এই পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমে যুক্ত হবেন বলে জানিয়েছেন বরিশাল সিটি করপোরেশনের পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা দীপক লাল মৃধা।

    শহর ঘুরে দেখা গেছে, গত ৩০ জুলাই বিসিসি নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সারা বরিশাল ছেয়ে যায় প্রার্থীদের প্রচারণামূলক পোস্টার আর ব্যানারে।

    তবে নির্বাচন শেষ হয়ে চারদিন অতিবাহিত হলেও নগরীর অধিকাংশ জায়গায় অসংখ্য পোস্টার সাটানো রয়েছে।
    আর স্বচ্ছ পলিথিন যুক্ত এই পোস্টার গুলোর যদি অতি দ্রুত অপসারন না করা না হলে এর প্রভাব নগরীর ড্রেনেজ  ব্যবস্থার উপর পরবে ।  পাশাপাশি জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হতে পারে বলে দাবী করেছেন সচেতন মহল।

    নগরীর ১৮ নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা  আবুল হোসেন জানান, নির্বাচন শেষ হলেও প্রতিটি রাস্তায় ঝুলছে পোস্টার। কখনো বৃষ্টিতে ভিজে পোস্টার গুলো ছিড়ে রাস্তায় পরে থাকতে দেখা যায়।

    তিনি বলেন, নির্বাচনী প্রচারনার কাজে ব্যবহৃত এই পোস্টার গুলোর সাথে স্বচ্ছ পলিথিন রয়েছে। আর এর ফলে এই পলিথিন ড্রেনে চলে গেলে ড্রেন ব্লক হয়ে যাবে। পানি চলাচলে ব্যাহত হয়ে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হবে।

    আবুল হোসেন আরো বলেন, প্রতিটি ওয়ার্ডের প্রার্থীদের উচিত নির্বাচনের পরবর্তী পোস্টার গুলো অপসারন করা। কিন্তু অনেকেই সেটা করছে না। অতি দ্রুত অপসারন করার আহবান জানান তিনি।

    এদিকে নগরীর বিভিন্ন ওয়ার্ডের প্রার্থীদের পক্ষ থেকে দাবি করা হচ্ছে, তাঁরা শুধুমাত্র সিটি করপোরেশনের উপর নির্ভর না করে তাঁদের লোকজন ওয়ার্ডে-ওয়ার্ডে বিভক্ত হয়ে অপসারণ কাজ করে যাচ্ছে। আর এই পোস্টার অপসারন করা তাদের নৈতিক দায়িত্ব।

    এই বিষয়ে বরিশাল সিটি করপোরেশনের পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা দীপক লাল মৃধা জানান, পোস্টারগুলো দ্রুত অপসারণের জন্য আমরা চেষ্টা করছি। অনেকেই ইলেকট্রিক লাইনের উপর পোস্টার লাগিয়েছে, সেগুলো খুবই বিপদজনক। এগুলো সরাতে আমাদের সময় লাগছে। তবে যেসব জায়গায় রশি দিয়ে পোস্টার লাগানো হয়েছে, সেগুলো আমরা অপসারণ করতে অতি দ্রুতই সক্ষম হবো।

    তিনি আরো বলেন, প্রথমত নগরীর প্রধান প্রধান সড়কগুলোর  পোস্টার অপসারন করা হবে। এর পরে অন্যান্য ওয়ার্ডের বাকি পোস্টার গুলো সরিয়ে ফেলবে সিটি করপোরেশনের পরিচ্ছন্ন কর্মীবৃন্দ।

    এই বিষয়ে বরিশাল সিটি করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. ওয়াহিদুজ্জান বলেন, নির্বাচন শেষ হয়েছে চারদিন হলো। এখনো নগরীতে নির্বাচনের আমেজ রয়েছে। তাছাড়া করপোরেশনের পরিচ্ছন্নতা বিভাগকে নির্দেশনা দেয়া হয়েছে অতি দ্রুত এই পোস্টার অপসারন করার জন্য। তাই আগামী কয়েকদিনের মধ্যে এই অপসারন কার্যক্রম শেষ হবে বলে আশাব্যক্ত করেন।

  • বরিশালে লাইসেন্স না পেয়ে মামলা দিয়েই গাড়ি ছেড়েছেন ববির শিক্ষার্থীরা

    বরিশালে লাইসেন্স না পেয়ে মামলা দিয়েই গাড়ি ছেড়েছেন ববির শিক্ষার্থীরা

    গাড়ির বৈধ কাগজপত্র ও ড্রাইভিং লাইসেন্স দেখিয়েই পার পেয়েছেন বরিশাল-পটুয়াখালী মহাসড়কে চলাচলরত যানবাহনের চালকরা।

    আর যাদের ড্রাইভিং লাইসেন্স ছিলোনা, তাদের দাড়িয়ে থেকে মামলার বোঝা নিয়ে যেতে হয়েছে গন্তব্যে।

    বৃহষ্পতিবার (০২ আগষ্ট) বেলা ১১ টা থেকে বেলা ১টা পর্যন্ত টানা ২ ঘন্টায় বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (ববি) সামনে শতাধিক গাড়ির কাগজপত্র ও চালকের ড্রাইভিং লাইসেন্স চেক করেন শিক্ষার্থীরা।

    বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা জানান, বেলা ১১ টার দিকে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে বরিশাল-পটুয়াখালী মহাসড়কের পাশে মানববন্ধন কর্মসূচী পালন করেন তারা। এসময় যান চলাচল স্বাভাবিক রেখে জনসচেতনা বৃদ্ধির লক্ষ্যে সড়কে চলাচলরত প্রত্যেকটি গাড়ির চালককে ড্রাইভিং লাইসেন্স ও কাগজপত্র প্রদর্শনের অনুরোধ জানানো হয়।

    যারা ড্রাইভিং লাইসেন্স দেখাতে পেরেছেন তাদের গাড়ি ছেড়ে দেয়া হয়েছে আর যারা পারেননি তাদের গাড়ি আটকে রেখে ট্রাফিক পুলিশের মাধ্যমে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নিয়ে ছেড়ে দেয়া হয়।

    বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র শফিক জানান, আমরা নিরাপদ সড়কের দাবীতে শান্তিপূর্ণ কর্মসূচী পালন করেছি। আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীও আমাদের সহায়তা করেছে। ইচ্ছে করলে যে কোন কাজ করা সম্ভব তা দেখতেই গাড়ির চালকদের বৈধ লাইসেন্স দেখতে চাওয়া হয়। যেখানে বেশে কিছু গাড়ির চালকের লাইসেন্স না পেয়ে ট্রাফিক পুলিশের মাধ্যমে মামলা দিয়ে ছেড়ে দেয়া হয়েছে।

    যাদের মধ্যে সরকারের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের গাড়িও ছিলোও বলে জানান তিনি।

  • খুদে শিক্ষার্থীদের আন্দোলন : ঘাতক বাসের ৪ চালককে বরিশাল থেকে গ্রেফতার

    খুদে শিক্ষার্থীদের আন্দোলন : ঘাতক বাসের ৪ চালককে বরিশাল থেকে গ্রেফতার

    রাজধানীতে বাস চাপায় শহীদ রমিজ উদ্দিন ক্যান্টনমেন্ট কলেজের দুই শিক্ষার্থী নিহতের ঘটনায় দায়ের করা মামলায় ঘাতক বাস জাবালে নূরের মালিক মো. শাহাদাত হোসেনকে সাতদিনের রিমান্ড দিয়েছেন আদালত।

    বৃহস্পতিবার আদালতে রিমান্ড আবেদনের ওপর শুনানি শেষে এ আদেশ দেন ঢাকা মহানগর হাকিম নূর নাহার ইয়াসমিন।

    এর আগে গতকাল গ্রেপ্তার শাহাদাতকে বৃহস্পতিবার আদালতে হাজির করে ১০ দিনের রিমান্ড আবেদন করেন গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের পরিদর্শক কাজী শরিফুল ইসলাম।

    ঘাতক বাস জাবালে নূরের মালিক মো. শাহাদাত বুধবার গ্রেপ্তার করা হয় বলে জানিয়েছে র‌্যাব। তবে কোথা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে তা জানায়নি র‌্যাব।

    দুই বাসের রেষারেষির কারণে দুই শিক্ষার্থী নিহতের ঘটনায় দায়ের করা মামলায় বাসচালক মাসুম বিল্লাহর সাত দিনের রিমান্ড আবেদন মঞ্জুর করেছেন আদালত। গত বুধবার ঢাকা মহানগর হাকিম এ এইচ এম তোয়াহা এই রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

    গত সোমবার তিনটি বাসের চালক এবং দুইজন সহকারীকে গ্রেপ্তার করা হয়। এর মধ্যে চালক মাসুম বিল্লাহকে বরগুনা থেকে ও সহকারী এনায়েতকে বরিশাল থেকে গ্রেপ্তার করা হয়।

    আরেক চালক জুবায়েরকে পটুয়াখালী এবং অন্য একটি বাসের চালক সোহাগকে মুন্সীগঞ্জ ও সহকারী রিপনকে বরিশাল থেকে গ্রেপ্তার করে র‌্যাব।

  • শিক্ষার্থীদের ক্লাসে ফিরিয়ে আনার আহ্বান :জেলা প্রশাসক

    শিক্ষার্থীদের ক্লাসে ফিরিয়ে আনার আহ্বান :জেলা প্রশাসক

    ঢাকায় বাস চাপায় দুই শিক্ষার্থী নিহত হওয়ার ঘটনায় দেশব্যাপী চলছে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ। এ অবস্থায় শিক্ষার্থীদের ক্লাসে ফিরিয়ে নেওয়ার জন্য বরিশালে শিক্ষক ও অভিভাবকদের নিয়ে সভা করেছেন জেলা প্রশাসক।

    বৃহস্পতিবার (২ আগস্ট) বিকেল ৫টায় বরিশাল জেলা প্রশাসকের সভা কক্ষে এই সভা অনুষ্ঠিত হয়।

    জেলা প্রশাসক মো. হাবিবুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় জেলা পুলিশ সুপার মো. সাইফুল ইসলাম,বরিশাল সেরকারী মডেল স্কুল ও কলেজের অধ্যক্ষ মেজর সিরাজুল ইসলাম উকিল, বিএম কলেজ অধ্যক্ষ প্রফেসর মো. সফিকুর রহমান সিকদার, সরকারি মহিলা কলেজ অধ্যক্ষ প্রফেসর আ. মোতালেব হাওলাদার, সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মাহবুবা হোসেনসহ আরও অনেকে উপস্থিত ছিলেন।

    এসময় জেলা প্রশাসক হাবিবুর রহমান বলেন, এই ধরনের দুর্ঘটনা যাতে পুনরায় না ঘটে সেইজন্য নিরাপত্তা ব্যবস্থা বৃদ্ধি, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সামনে রোড সাইন, ড্রাইভিং লাইসেন্স ও গাড়ির ফিটনেস নিশ্চিত করাসহ নানা উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

    এই অবস্থায় শিক্ষার্থীদের ক্লাসে ফিরিয়ে আনতে শিক্ষক ও অভিভাবকদের প্রতি আহ্বান জানানো হয়।

  • বরিশাল হাসপাতালে গৃহবধূর লাশের পাশে সন্তানকে ফেলে পালালেন স্বামী

    বরিশাল হাসপাতালে গৃহবধূর লাশের পাশে সন্তানকে ফেলে পালালেন স্বামী

    বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের লাশ ঘরে স্ত্রীর লাশের পাশে তিন বছরের কন্যা শিশুকে ফেলে পালিয়েছেন স্বামী মো. রফিকুল ইসলাম। স্বামী ও তার পূর্বের স্ত্রীসহ পরিবারের অত্যাচারে গৃহবধূ রোজী আক্তারের মৃত্যু হয়েছে বলে অভিযোগ নিহতের পরিবারের। এই ঘটনায় মামলা প্রস্তুতি চলছে। তবে এখনো কাউকে আটক করা হয়নি।

    নিহত রোজীর ছোট বোন রিমা আক্তার ও ভাই রাজু মোল্লা বলেন, ‘আমাদের বোন রোজীর সাথে গত চার বছর পূর্বে সৌদি প্রবাসী ও উজিরপুর উপজেলার জল্লা ইউনিয়নের বাহেরঘাট এলাকার মৃত আব্দুল হক মোল্লার ছেলে রফিকুল ইসলামের সাথে বিয়ে হয়। তবে রফিকের ১ম স্ত্রী দোলনা বেগমের সাথে ডির্ভোস হওয়ার পর রফিক রোজীকে বিয়ে করে। তাদের সংসারে একটি তিন বছরের কন্যা সন্তান রয়েছে। চলতি বছরের ঈদের পর দেশে ফেরেন রফিক। কিন্তু সাবেক স্ত্রীর দোলনা, দোলনার ভাই জালাল, রফিকের ভাই সফিক ও শহিদুলের ষড়যন্ত্রে দেশে ফেরার তিন দিনের মাথায় সে আবারো দোলনাকে হিল্লা বিয়ে করেন। এরপর একই ঘরে দুই বউ নিয়ে থাকেন রফিক। এ নিয়ে প্রতিদিনই ঝগড়া ও মারামারি হতো।

    মঙ্গলবার রাত ২টার দিকে রোজীর ভাই রাজুকে রফিক ফোন করে বলে রোজী অসুস্থ। রাতেই রাজু ও বোন রিমা উজিরপুরে যায়। পরে ফোনের মাধ্যমে জানতে পারে রোজীকে বরিশাল মেডিকেলে নিয়ে আসা হয়েছে। রাত সাড়ে ৩টার দিকে রাজু ও রিমা মেডিকেলে এসে দেখেন লাশ ঘরের সামনে ভাগ্নি কান্না করছে। আর লাশ ঘরের মধ্যে রোজীর লাশ পরে আছে। আর কেউ নেই। লাশ ফেলে পালিয়েছে। রোজীর শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, আত্মহত্যা সাজানোর জন্য জোর করে রোজীর মুখে বিষ ঢালা হয়েছে। পরে ৯৯৯ এ কল করে অভিযোগ করলে পুলিশ সুরতহাল করে লাশ ময়নাতদন্ত করেছে। ভোরে রোজীর লাশ তার বাবার বাড়ি একই উপজেলার ওটরা ইউনিয়নের ভবানিপুর গ্রামে পাঠিয়ে দেয়া হয়েছে।

    এই ঘটনায় রোজীর বাবার বাড়ির স্বজনরা রফিক, সফিক, শহিদুল, দোলনা ও দোলনার ভাই জালালের বিরুদ্ধে মামলা করবেন বলে জানিয়েছে।

    রোজীর ভাই রাজু মোল্লা অভিযোগ করে বলেন, আমার দুলাভাই দেশে আসার পর থেকে কয়েকবার আমার বোনকে নিয়ে যেতে বলেছে। নতুবা তাকে মেরে ফেলবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছে।

    এ ঘটনায় বরিশাল কোতয়ালি মডেল থানায় একটি ইউডি মামলা করা হয়েছে।

    এই বিষয়ে উজিরপুর থানার ওসি শিশির কুমার পাল বলেন, লাশ ময়নাতদন্ত শেষে গ্রামের বাড়িতে পাঠিয়ে দেয়া হয়েছে। থানায় অভিযোগ করলে আমরা আইনী ব্যবস্থা গ্রহণ করব।

  • বরিশালে বন্ধের দিনেও শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ, সড়ক অবরোধ

    বরিশালে বন্ধের দিনেও শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ, সড়ক অবরোধ

     ঢাকায় বাসচাপায় দুই শিক্ষার্থী মৃত্যুর বিচারসহ সাত দফা দাবি আদায়ে বরিশালে মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ-মিছিল করছে শিক্ষার্থীরা। বৃহস্পতিবার (২ আগস্ট) বেলা ১১টার দিকে নগরের চৌমাথা এলাকায় ঢাকা-বরিশাল মহাসড়ক অবরোধ করে এ বিক্ষোভ-মিছিল করে তারা।

    এসময় বৃষ্টি শুরু হলেও শিক্ষার্থীরা তাদের কর্মসূচি চালিয়ে যায়। পাশাপাশি বেশ কিছু যানবাহন বিক্ষোভস্থল অতিক্রম করার চেষ্টা করলে বাধা দেয় শিক্ষার্থীরা। তবে শিক্ষার্থীরা অ্যাম্বুলেন্সসহ গুরুত্বপূর্ণ যানবাহন ছেড়ে দিচ্ছে।

    পরে দুপুর সোয়া ১২ টার দিকে মেট্রোপলিটন পুলিশের উপ-পুলিশ কমিশনার মোয়াজ্জেম হোসেন ভূঞা, সিনিয়র সহকারী পুলিশ কমিশনার শাহানাজ পারভীনসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের হস্তক্ষেপে মহাসড়ক থেকে বৃহস্পতিবারের মতো অবরোধ তুলে নেয় শিক্ষার্থীরা।

    আন্দোলনরত সরকারি সৈয়দ হাতেম আলী কলেজের শিক্ষার্থী সাফি আহমেদ জানান, সহপাঠীদের মৃত্যুর সঙ্গে জড়িত চালক ও হেলপারের শাস্তিসহ নিরাপদ সড়কের দাবিতে আমাদের এ আন্দোলন। সুনির্দিষ্ট আশ্বাস বা দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত আমাদের আন্দোলন চলবে। স্বাভাবিক মৃত্যুর নিশ্চয়তা ও নিরাপদ সড়ক এখন সময়ের দাবি।

    শিক্ষার্থীরা বরিশাল সড়কে চলাচলরত যানবাহনের চালকদের ড্রাইভিং লাইসেন্স, নগরের বিভিন্ন স্থানে যত্রতত্র গাড়ি পার্কিং করা, অটোরিকশা ও মাহিন্দ্রার (থ্রি-হুইলার) স্ট্যান্ডের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য দাবি তোলেন।

    বিক্ষোভ-মিছিলে সরকারি সৈয়দ হাতেম আলী কলেজ, অমৃত লাল দে কলেজ, সরকারি মহিলা কলেজ, সরকারি মডেল কলেজ, ইনফ্রা পলিটেকনিক কলেজসহ বেশ কিছু কলেজের শিক্ষার্থীরা অংশ নেয়।

  • পটুয়াখালীতে যৌতুকের দাবিতে ঘরছাড়া কিশোরী বধূ আয়শা

    পটুয়াখালীতে যৌতুকের দাবিতে ঘরছাড়া কিশোরী বধূ আয়শা

    শিশু সন্তানসহ স্বামীর সংসার থেকে তাড়িয়ে দেয়া হয়েছে কিশোরী বধু আয়শা বেগমকে। এখন দেড় বছরের শিশু সন্তান আব্দুল্লাহকে নিয়ে শ্রমজীবী বাবার সংসারে বোঝা হয়ে পড়ে আছে। নিজের অধিকার এবং সন্তানের ভরন পোষনের দাবিতে ধর্ণা দিচ্ছেন দ্বারে দ্বারে। পাষন্ড স্বামী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক আব্দুল লতিফের যৌতুকের দাবি মেটাতে না পারায় এই কিশোরী আয়শা বেগম দু’চোখে এখন সব অন্ধকার দেখছেন। কলাপাড়ার চাকামইয়া ইউনিয়নের কাছিমখালী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে চাকরি করছিলেন আব্দুল লতিফ। আর ওই গ্রামে বাড়ি আয়শা বেগমের। বেতমোড় মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে অষ্টম শ্রেণিতে পড়ছিল।

    স্ত্রী সন্তান থাকলেও কিশোরী আয়শার দিকে নজড় পড়ে শিক্ষক আব্দুল লতিফের। আয়শার বাবা আফজাল গাজী জানান, স্কুলের পাশেই বাড়ি থাকায় শিক্ষক আব্দুল লতিফ তার মেয়ে আয়শাকে বিভিন্নভাবে উত্যক্ত করত। বিভিন্ন ফন্দী-ফিকির চালায়। এক পর্যায়ে বাধ্য হয়ে বিয়ে দিয়েছিলেন। ২০১৪ সালের সেপ্টেম্বর মাসে বিয়ে সম্পন্ন হয় বলে আয়শা জানায়। তারপরও বিয়ের পরে অনেক ঝামেলা হয়। এর তিন/চার মাস পরে অন্যত্র বদলী হয় আব্দুল লতিফ। এরপরেও কয়েক মাস ভালই কাটছিল। তবে টানাপোড়েন, মারধর লেগেই থাকত। যখনই ছেলে আব্দুল্লাহর জন্ম হয় তখনই শুরু হয় যৌতুকের দাবিতে নানা তালবাহানাসহ চরম নির্যাতন। সতীন নাছিমার সংসারে দুই মেয়ে আর আয়শার একমাত্র ছেলে। সম্পত্তির ভাগাভাগি না দেয়ার ষড়যন্ত্রসহ বিভিন্ন ফন্দীতে আয়শাকে বাড়ি থেকে বিতাড়িত করতে সক্ষম হয় আব্দুল লতিফ। আব্দুল লতিফের বাড়ি মহিপুর ইউনিয়নের লতিফপুর গ্রামে।

    আয়শা জানায়, গরম খুনতি দিয়ে মারত। ছেলে হওয়ার পরেই তার কপাল পুড়েছে। মারধর আর নির্যাতন সহ্য করতে না পেরে ২০১৭ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে বাবার বাড়িতে চলে আসতে বাধ্য হয়। এরপর থেকে বাবার ঘাড়ে বোঝা হয়ে ঝুলে আছে। সন্তান কিংবা স্ত্রীর ভরন-পোষন তো দুরের কথা, উল্টো বাবার বাড়িতে গিয়ে এ বছরের ১৫ মে যৌতুক চেয়ে গালাগাল হুমকি দিয়ে আসে। বর্তমানে আয়শা চরম অসহায় অবস্থায় দিন কাটাচ্ছে। সন্তানের মুখের দিকে চেয়ে নির্বাক হয়ে যায়। কিশোরী এই বধু আয়শা নিরুপায় হয়ে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল পটুয়াখালীতে স্বামী আব্দুল লতিফ ও সতিন নাছিমা বেগমকে আসামি করে একটি মামলা করেছেন। বর্তমানে আয়শা তার শিশু সন্তান নিয়ে প্রচন্ড আর্থিক অনটনে ঘুরছেন দ্বারে দ্বারে। তিনি স্বামীর অধিকারসহ নিজের ও সন্তানের ভরণ-পোষণের সহায়তা চেয়েছেন সমাজপতিদের কাছে। বর্তমানে এই শিক্ষক গঙ্গামতি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে চাকরিরত রয়েছেন। তিনি জানান, বিয়ের পর থেকেই সে (আয়শা) তার বাবার বাড়িতে থাকছে। ১৫ দিন পর পর আমি যাইতাম। সে মামলা করছে পরে আর খবর নেইনা। ওই বাড়ি যাইনা। আর যৌতুক, মাইর-ধইরের ঘটনা মিথ্যা বলে দাবি করেন।