Author: Banglarmukh24

  • বরিশাল বোর্ডে শিক্ষকসহ বহিষ্কার ১৫

    বরিশাল বোর্ডে শিক্ষকসহ বহিষ্কার ১৫

    জেএসসি পরীক্ষায় ইংরেজি প্রথম পত্র পরীক্ষায় বরিশাল বোর্ডে ১৩ জন পরীক্ষার্থীকে বহিষ্কার করা হয়েছে। এছাড়া ১৭২টি কেন্দ্রে ৩৪৪৮ জন পরীক্ষার্থী অনুপস্থিত ছিল। অনুপস্থিত পরীক্ষার্থীদের মধ্যে বরিশাল জেলায় ১০২৫ জন, ঝালকাঠি জেলায় ৩৪১ জন, পিরোজপুর জেলায় ৪০৬ জন, পটুয়াখালি জেলায় ৬৮৫ জন, বরগুনা জেলায় ৩৯১ জন, ভোলা জেলায় ৬শ জন রয়েছে।

    অপরদিকে রবিবার বহিষ্কৃত পরীক্ষার মধ্যে ভোলা জেলায় ১১ জন এবং পটুয়াখালী ও বরগুনা জেলায় ১ জন করে রয়েছে।

    বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বরিশাল মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষাবোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক প্রফেসর আনোয়ারুল আজিম।

    অপরদিকে ঝালকাঠী জেলার নলছিটি উপজেলায় বি.জি ইউনিয়ন একাডেমি পরীক্ষা কেন্দ্র থেকে দুই শিক্ষককে বহিষ্কার করা হয়েছে।

    বহিষ্কৃত শিক্ষকরা হলেন- কুশঙ্গল বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক মৃণাল কুমার মন্ডল ও ডেবরা বালিকা বিদ্যালয়ের শিক্ষক আনোয়ার হোসেন।

  • তৃতীয় দিনে বরিশালে ১ কোটি ৩৪ লাখ টাকা আয়কর আদায়

    তৃতীয় দিনে বরিশালে ১ কোটি ৩৪ লাখ টাকা আয়কর আদায়

    করদাতাদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে সপ্তাহব্যাপী আয়কর মেলা জমে উঠেছে বরিশালে। শুক্রবার (০৩ নভেম্বর) মেলার তৃতীয় দিন শেষে বরিশাল বিভাগে সর্বমোট আয়কর আদায় হয়েছে ১ কোটি ৩৪ লাখ ৬০ হাজার ২৫২ টাকা। পাশাপাশি তিনদিনে সেবা গ্রহণ করেছেন ২৬ হাজার ৯৮৪ জন করদাতা।

    এছাড়াও মেলা থেকে প্রাপ্ত রির্টানের সংখ্যা দুই হাজার ৩৩৫টি এবং ১৩৮ জন নতুন টিআইএন গ্রহণ করেছেন। আয়কর মেলার দ্বায়িত্বে থাকা বরিশাল কর অঞ্চলের সহকারী কর কমিশনার মো. মেহেদী মাসুদ ফয়সাল এতথ্য জানিয়েছেন।

    তিনি জানান, সপ্তাহব্যাপী এই মেলার প্রথম দিনে বরিশাল জেলায় দুই হাজার ৮২৪ জন করদাতা সেবা গ্রহণ করেছেন। মেলা থেকে মোট ৪৯১টি রির্টান পাওয়া গেছে। এছাড়াও আদায় করা হয়েছে ২০ লাখ ৭৪ হাজার ২৫০ টাকা। নতুন টিআইএন গ্রহণকারীর সংখ্যা ৩২ জন।

    মেলার দ্বিতীয় দিনে বরিশাল বিভাগে সেবা গ্রহণকারী করদাতার সংখ্যা নয় হাজার ৮৫২ জন। মেলা থেকে প্রাপ্ত রির্টানের সংখ্যা ৭৯৪টি এবং আদায়কৃত আয়করের পরিমাণ ৩৮ লাখ ৮১ হাজার ৬৬৯ টাকা। নতুন টিআইএন গ্রহণকারীর সংখ্যা ৫৪ জন।

    মেলার তৃতীয় দিনে বরিশাল বিভাগে সেবা গ্রহণকারী করদাতার সংখ্যা ১৪ হাজার ৩০৮ জন। মেলা থেকে প্রাপ্ত রির্টানের সংখ্যা ১ হাজার ৫০টি এবং আদায়কৃত আয়করের পরিমাণ ৭৫ লাখ চার হাজার ৩৩৩ টাকা। নতুন টিআইএন গ্রহণকারীর সংখ্যা ৫২ জন।

    ‘উদ্ভাবনে বাড়বে কর, দেশ হবে স্বনির্ভর’- স্লোগানে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড ও বরিশাল কর অঞ্চলের আয়োজনে বিভাগের বিভিন্ন জেলা ও উপজেলায় এই আয়কর মেলা অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

    প্রতিদিন সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত চলা এই মেলায় এবছর আট হাজার রিটার্নকারী ও দেড় হাজার নতুন করদাতা সংগ্রহসহ ছয় কোটি টাকা রাজস্ব আদায় করার টার্গেট নিয়েছে বরিশাল কর অঞ্চল।

    পাশাপাশি এই মেলায় এক লাখ ২৫ হাজার করদাতাকে সেবাপ্রদান করা হবে। ১ থেকে ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত মাসব্যাপী ব্যাপক কর্মসূচি হাতে নিয়ে আয়কর বিভাগ।

  • রংপুর সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা

    রংপুর সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা

    শেখ সুমন.

    রংপুর সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করেছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার কে এম নুরুল হুদা। আগামী ২১ ডিসেম্বর নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।

     

    নির্বাচনে মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ সময় নির্ধারণ করা হয়েছে আগামী ২২ নভেম্বর। মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই করা হবে ২৫ ও ২৬ নভেম্বর। প্রার্থীতা প্রত্যাহার ৩ ডিসেম্বর এবং প্রতীক বরাদ্ধ দেওয়া হবে ৪ ডিসেম্বর।

  • বরিশালে সাবেক রাষ্ট্রপতি আব্দুর রহমান বিশ্বাসের প্রথম জানাযার নামাজ অনুষ্ঠিত

    বরিশালে সাবেক রাষ্ট্রপতি আব্দুর রহমান বিশ্বাসের প্রথম জানাযার নামাজ অনুষ্ঠিত

    বাংলাদেশের ১১তম সাবেক রাষ্ট্রপতি আবদুর রহমান বিশ্বাসের প্রথম জানাজা নামাজ বরিশালের সরকারী জিলা স্কুল মাঠে অনুষ্ঠিত হয়েছে।
    শনিবার বেলা ১১টায় সাবেক রাষ্ট্রপতি আবদুর রহমান বিশ্বাসের মরদেহ হেলিকপ্টার যোগে বরিশালে এসে পৌছায়।
    বেলা সাড়ে ১১টায় বরিশাল জিলু স্কুল মাঠে তার প্রথম জানাজা নামাজ অনুষ্ঠিত হয়। জানাজা নামাজ পরিচালনা করেন মরহুম সাবেক রাষ্ট্রপতি আবদুর রহমান বিশ্বাসের ছোট ছেলে শিবলী বিশ্বাস। এসময় তার সাথে উপস্থিত ছিলেন বরিশালের জামে এবায়দুল্লাহ মসজিদের খতিব মাওঃ মির্জা নুরুল রহমান বেগ।

     

    জানাজা নামাজে উপস্থিত ছিলেন, বরিশালের বিভাগীয় কমিশনার মোঃ শহিদুজ্জামান, অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার আবুল কালাম আজাদ, জেলা প্রশাসক মোঃ হাবিবুর রহমান, পুলিশ সুপার সাইফুল ইসলাম, কেন্দ্রীয় বিএনপির যুগ্ম মহাসচীব ও বরিশাল মহানগর বিএনপির সভাপতি ্এ্যাডঃ মজিবর রহমান সরোয়ার, জেলা বিএনপির সভাপতি এবায়দুল হক চাঁন, বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের ভারপ্রাপ্ত মেয়র কে এম শহিদুল্লাহ, বরিশাল জেলা পরিষদের সাবেক প্রশাসক খান আলতাফ হোসেন ভুলু, বরিশাল মহানগর আওয়ামীলীগের সভাপতি এ্যাডঃ গোলাম আব্বাস চৌধুরী দুলাল, মহানগর আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক এ্যাডঃ এ কে এম জাহাঙ্গির, যুগ্ম সাধারন সম্পাদক সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহ, বরিশাল সদর উপজেলা চেয়ারম্যান সাঈদুর রহমান রিন্টু, জেলা দক্ষিন বিএনপির সাধারন সম্পাদক এ্যাড আবুল কালাম শাহীন,জেলা আওয়ামীলীগ নেতা সৈয়দ আনিসুর রহমান,মোঃ হোসেন চৌধুরী।

    জানাজা নামাজ শেষে বরিশালের সর্বস্তরের মানুষ তার মরদেহে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। পরে তাকে বরিশাল নগরীর গোড়াচাঁদ দাস রোড এলাকার নিজ বাসায় কিছু সময়ের জন্য বিশ্বাস ভবনের বাড়িতে নিয়ে যাওয়া হয়।

    পরে সেখান থেকে তার মর দেহ বরিশাল বিমান বন্দরে নিয়ে যাওয়া হয় এবং হেলিকপ্টারযোগে ১২টা৪০মিনিটে ঢাকার উদ্দেশ্যে সাবেক রাস্ট্রপতি রহমান বিশ্বাষের মরদেহ নিয়ে যাওয়া হয়।

    এর আগে সকাল সাড়ে ১০টায় বরিশাল বিমান বন্দরে বেসরকারী প্রতিষ্ঠানের টএকটি হেলিকপ্টারে করে সাবেক রাস্ট্রপতি আঃ রহমান বিশ্বাষের মরদেহ নিয়ে অবতরন করেন।

    সেখান থেকে তার মরদেহ নিয়ে বিএনপি কেন্দ্রীয় যুগ্ন মহাসচিব এ্যাড.মজিবর রহমান সরোয়ারের নেতৃত্বে দলীয় নেতা-কর্মীরা নগরীর জিলা স্কুল মাঠে নিয়ে আসেন।

    এসময় তার মরদেহ যুগ্ন মহাসচিব মজিবর রহমান সরোয়ার,মহানগর আ,লীগ সভাপতি এ্যাড.গোলাম আব্বাস চৌধূরী দুলাল,সাধারন সম্পাদক এ্যাড.একে এম জাহাঙ্গির ও যুগ্ন সাধারন সম্পাদক সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ কাদে করে জানাযা নামাযস্থলে নিয়ে আসেন।

     

    উল্লেখ শুক্রবার রাত আটটা ৪০ মিনিটে রাজধানীর ইউনাইটেড হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সাবেক এই রাষ্ট্রপতি ইন্তেকাল করেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৯১ বছর।

    পরে রাষ্ট্রপতি আবদুর রহমান বিশ্বাসের মরদেহ ঢাকার নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে জানাজার নামাজ অনুষ্ঠিত হবে। নয়াপল্টনের পর বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট প্রাঙ্গণে আবদুর রহমানের তৃতীয়, এরপর সংসদ ভবনের উত্তর প্লাজায় চতুর্থ এবং গুলশান আজাদ মসজিদে সর্বশেষ জানাজা শেষে বনানী কবরস্থানে সাবেক রাষ্ট্রপতিকে দাফন করা হবে বলে জানাগেছে।

    আব্দুর রহমান বিশ্বাসের সক্ষিপ্ত পরিচয়ঃ
    আবদুর রহমান বিশ্বাস ১৯২৬ সালের ১ সেপ্টেম্বর বরিশালের শায়েস্তাবাদ গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। বাংলাদেশে সংসদীয় শাসন ব্যবস্থা চালু হওয়ার পর ১৯৯১ সালের ৮ অক্টোবর থেকে ১৯৯৬ সালের ৮ অক্টোবর পর্যন্ত তিনি রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

    ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস বিভাগে পড়াশোন করেন আবদুর রহমান বিশ্বাস। পেশা জীবনের শুরু হয়েছিল স্থানীয় সমবায় ব্যাংকে। পরে ১৯৫০ এর দশকে তিনি আইন পেশায় যোগ দেন। ১৯৭৪ ও ১৯৭৬ সালে বরিশাল বার সমিতির সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন তিনি।

    আইয়ুব খানের শাসনামলে মুসলিম লীগে যোগ দেওয়ার মধ্য দিয়ে আবদুর রহমান বিশ্বাস রাজনীতিতে আসেন। ১৯৬২ ও ১৯৬৫ সালে পূর্ব পাকিস্তান আইন পরিষদের সদস্য (এমপিএ) নির্বাচিত হন তিনি।

    বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর জিয়াউর রহমানের সময়ে ১৯৭৭ সালে বরিশাল পৌরসভার চেয়ারম্যান হন আবদুর রহমান বিশ্বাস। ১৯৭৯ সালের সংসদ নির্বাচনে বরিশাল থেকে এমপি নির্বাচিত হয়ে আসেন জাতীয় সংসদে।

    ১৯৭৯-৮০ সালে জিয়াউর রহমানের মন্ত্রিসভায় পাটমন্ত্রী এবং জিয়ার মৃত্যুর পর বিচারপতি আব্দুস সাত্তারের মন্ত্রিসভায় স্বাস্থ্যমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন আবদুর রহমান বিশ্বাস। ওই সময় দলে তার পদ ছিল ভাইস চেয়ারম্যান।

    এইচএম এরশাদ সরকারের পতনের পর ১৯৯১ সালের নির্বাচনে বিএনপি আবারও ক্ষমতায় আসে। আবদুর রহমান বিশ্বাস প্রথমে স্পিকার ও পরে রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পান।

    রাষ্ট্রপ্রধান হিসেবে তার মেয়াদের শেষ দিকে ১৯৯৬ সালের মে মাসে অভুথ্যান চেষ্টার অভিযোগ তখনকার সেনাপ্রধান লেফটেন্যান্ট জেনারেল নাসিমসহ তার অনুগত ১৫ সেনা কর্মকর্তার শাস্তির বিষয়টি ছিল দেশের অন্যতম আলোচিত ঘটনা।

  • বিধান সভার স্পীকারের বরিশাল সিটি করপোরেশন পরির্দশন

    বিধান সভার স্পীকারের বরিশাল সিটি করপোরেশন পরির্দশন

    ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের বিধান সভার স্পীকার বিমান বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছেন,‘ কিছু কিছু রাষ্ট্র বাংলাদেশ-ভারতের সম্পর্কের মধ্যে ফারাক সৃষ্টি করাতে চাচ্ছে। তবে তা পারবে না এবং সম্ভব না। ভারত-বাংলাদেশের সম্পর্ক আজীবন সুদৃঢ় থাকবে। কেননা বাংলাদেশ-ভারতের সম্পর্ক ঐতিহাসিক এবং রক্তের।’ তার দৃষ্টিতে বাংলাদেশের মানুষ বেশ সচেতন আর এখানকার সংসদীয় গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা অনেক শক্তিশালীও। গতকাল শনিবার বরিশাল সিটি করপোরেশন পরিদশন করে সাংবাদিকদের এ সব কথা বলেন। পরে তাকে শুভেচ্ছা স্মারক প্রদান করেন কর্পোরেশনের ভারপ্রাপ্ত মেয়র কেএম শহিদুল্লাহ।

    এর পরে বরিশাল সার্কিট হাউসের ভিআইপি করফারেন্স রুমে আয়োজিত এক সুধী সমাবেশ করেন তিনি। এসময় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, বরিশাল জেলা প্রশাসক মোঃ হাবিবুর রহমান, পুলিশ সুপার সাইফুল ইসলাম, বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের উপ কমিশনার মোঃ হাবিবুর রহমান, স্থানীয় সরকারের উপ পরিচালক মোঃ আবুল কালাম আজাদ, বরিশাল সাংস্কৃতিক সংগঠন সমন্বয় পরিষদের সভাপতি এস এম ইকবাল, প্রবীণ আইনজীবি মানবেন্দ্র বটব্যাল, শিশু সংগঠক জীবন কৃষ্ণ দে, জেলা শিশু বিষয়ক কর্মকর্তা পঙ্কজ রায় চৌধুরী, কাজল ঘোষ প্রমূখ।

  • বরিশালে ৩০ মণ জাটকা জব্দ

    বরিশালে ৩০ মণ জাটকা জব্দ

    বরিশাল সদর উপজেলার তালতলী এলাকা সংলগ্ন কীর্তনখোলা নদীতে অভিযান চালিয়ে ৩০মন জাটকা ইলিশ জব্দ করেছে কোষ্টগার্ড।  শনিবার (৪ নভেম্বর) সকালে দিকে কোষ্ট গার্ড (দক্ষিন জোন ) বরিশাল স্টেশনের সদস্যরা অভিযান চালিয়ে এ জাটকা ইলিশ জব্দ করে।

    কোষ্টগার্ডের পেটি অফিসার মোঃ সাইদুর রহমান জানান, ৩০ জুন পর্যন্ত ৮ মাস জাটকা ইলিশ (৯ ইঞ্চির কম সাইজের) আহরন, ক্রয়-বিক্রয় ও পরিবহন নিষিদ্ধ করা হয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় আজ শনিবার ভোরে বরিশালের কীর্তনখোলার তালতলী নদীতে অভিযান চালিয়ে ৩০মন ঝাটকা ইলিশ জব্দ করা হয়েছে। তবে এঘটনায় কাউকে আটক করা হয়নি।

    তিনি আরো জানান, জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট রিপন বিশ্বাস ও বরিশালের সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা (ইলিশ) বিমল চন্দ্র দাসের উপস্থিতিতে বিভিন্ন মাদ্রাসা ও এতিমখানায় বিতরন করা হয়।

     

  • অনুষ্কার জন্যই কোহলি

    অনুষ্কার জন্যই কোহলি

    অনুষ্কার জন্যই বিরাট কোহলি এখন ধীরস্থির মানুষ হয়ে উঠছেন। সম্প্রতি একটি অনুষ্ঠানে এমন দাবি করেছেন ভারত অধিনায়ক।
    একটি অনুষ্ঠানে এসে অনুষ্কার সঙ্গে সম্পর্ক নিয়ে কথা বলার পাশাপাশি প্রাক্তন সতীর্থ জাহিরের প্রশংসা করেন কোহলি। অনুষ্কার জন্যই কোহলি এখন ধীরস্থির মানুষ হয়ে উঠছেন বলে দাবি করেছেন ভারত অধিনায়ক। কোহলিকে বলতে শোনা গেছে, একটা সময়ে অনুষ্কার সঙ্গে সম্পর্ক নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ দিয়েছিলেন জাহির। তার সঙ্গে অনুষ্কার সম্পর্কের নেপথ্যে বড় ভূমিকা ছিল জাহিরের।
    ভারত অধিনায়ক জানান, সম্পর্কের কথা নিয়ে তিনি প্রথমে তার আইপিএল সতীর্থের সঙ্গেই কথা বলেছিলেন। সেই সময়ে জাহির তাকে সম্পর্কের কথা না লুকনোর পরামর্শ দিয়েছিলেন। বিরাট জানিয়েছেন, জাহির আমাকে বলেছিল, তুমি যদি এটা লুকাও, তাহলে তোমার ওপরই চাপসৃষ্টি হবে। তুমি একটা সম্পর্কে রয়েছ, কোনো ভুল করোনি। কোহলি স্বীকার করেন, জাহির তাকে সঠিক পরামর্শ দিয়েছিলেন। তিনি ওই পরামর্শ পালন করে এসেছেন।
  • ঢাকাকে হারাল সিলেট সিক্সার্স

    ঢাকাকে হারাল সিলেট সিক্সার্স

    বিপিএলের প্রথম ম্যাচে শনিবার সিলেট সিক্সার্সের প্রতিপক্ষ তারকাবহুল ঢাকা ডায়নামাইটস। অপেক্ষাকৃত সাদামাটা দল নিয়ে উদ্বোধনী ম্যাচেই চমক দিল স্বাগতিক সিলেট সিক্সার্স। নাসির হোসেনের নেতৃত্বাধীন সিলেট আজ ৯ উইকেটের বড় ব্যবধানে বর্তমান চ্যাম্পিয়ন সাকিবের ঢাকা ডায়নামাইটসকে হারিয়ে টুর্নামেন্টে শুভযাত্রা শুরু করেছে।
    ১৩৭ রানের টার্গেটে ব্যাটিংয়ে নেমে উড়ন্ত সূচনা করেন সিলেট সিক্সার্সের দুই ওপেনার উপুল থারাঙ্গা এবং আন্দ্রে ফ্লেচার। ঢাকার বোলাররা যেন বোলিং করতে ভুলে গিয়েছিল। কোনোভাবেই আউট করা যাচ্ছিল না তাদের। দুজনেই তুলে নেন হাফ সেঞ্চুরি। ৫১ বলে ৫ চার এবং ৩ ছক্কায় ৬৩ রান করা ফ্লেচার আদিল রশিদের শিকার হলে ভাঙে ১২৫ রানের জুটি। এতে অবশ্য কোনো ক্ষতি হয়নি। কেবল ১০ উইকেটের জয়টাই হাতছাড়া হয়েছে।
    এর আগে আজ শনিবার টসে হেরে ব্যাটিংয়ে নেমে দলীয় ২ রানে নাসিরের বলে মেহেদী মারুফ (০) প্যাভিলিয়নে ফিরলে বিপদে পড়ে ঢাকা।
    এরপর কুমার সাঙ্গাকারার সঙ্গে ৪৮ রানের জুটি গড়ে নাসিরের দ্বিতীয় শিকার হন এভিন লুইস (২৬)। ইনিংসের সর্বোচ্চ রান করা লঙ্কান লিজেন্ড সাঙ্গাকারাকে (৩২) আবুল হাসানের তালুবন্দী করেন প্ল্যাঙ্কেট।
    সাঙ্গাকারার বিদায়ের সাকিবের সঙ্গে ভুল বোঝাবুঝি হওয়ায় রান-আউট হয়ে যান ৬ রান করা মোসাদ্দেক। বিধ্বংসী হওয়ার আগেই কায়রন পোলার্ডকে (১১) নাসির হোসেনের তালুবন্দী করেন আবুল হাসান। অধিনায়ক সাকিব ২১ বলে ২৩ রান করে প্ল্যাঙ্কেটের দ্বিতীয় শিকার হন। শেষ পর্যন্ত নির্ধারিত ২০ ওভারে ৭ উইকেটে ১৩৬ রান করে ঢাকা ডায়নামাইটস। ২টি করে উইকেট নেন নাসির এবং আবুল হাসান।
  • রোববার থেকে সিলেটে স্মার্ট কার্ড বিতরণ শুরু

    রোববার থেকে সিলেটে স্মার্ট কার্ড বিতরণ শুরু

    সিলেট সিটি কর্পোরেশনের বাসিন্দাদের মধ্যে আগামীকাল (রোববার) থেকে উন্নতমানের জাতীয় পরিচয়পত্র স্মার্ট কার্ড বিতরণ শুরু হবে। সকাল ১০টায় সিলেট জেলা পরিষদ মিলনায়নে কার্ড বিতরণ কার্যক্রম উদ্বোধন করবেন নির্বাচন কমিশনার মাহবুব তালুকদার। এ সময় ইসির ভারপ্রাপ্ত সচিব হেলালুদ্দীন আহমদও থাকবেন বলে জানা গেছে।

    জাতীয় পরিচয়পত্র সংক্রান্ত যেকোনো তথ্য জানাতে একটি হেল্প ডেস্ক খুলেছে এনআইডি উইং। যেকোনো ফোন থেকে ১০৫ নম্বরে কল করলে নাগরিকদের তথ্য জানাবেন জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন বিভাগের কর্মকর্তারা।

    নির্বাচন কমিশন সূত্র জানায়, স্মার্ট কার্ড বিতরণের প্রথম বছরেই মাত্র এক কোটি ২৫ লাখের মতো বিতরণ করতে পেরেছে নির্বাচন কমিশন। এজন্য প্রকল্পের মেয়াদ বাড়িয়ে নতুন প্রকল্প নেয়া হচ্ছে। সেই সঙ্গে উৎপাদন ও বিতরণ কাজে সম্পৃক্ত করা হচ্ছে সেনাবাহিনীকে।

  • ষোড়শ সংশোধনী পুনর্বহাল চাইবে সরকার

    ষোড়শ সংশোধনী পুনর্বহাল চাইবে সরকার

    বিচারপতি অপসারণ সংক্রান্ত সংবিধানের ষোড়শ সংশোধনী বাতিলের রায়ের বিরুদ্ধে চলতি মাসেই রিভিউ পিটিশন দাখিল করবে সরকার। ওই রিভিউ পিটিশনে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের পুরো রায় ও রায়ের পর্যবেক্ষণ বাতিল চাওয়া হবে। পাশাপাশি সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিলের বিধান বাতিল করে সংসদ কর্তৃক বিচারপতি অপসারণ সংক্রান্ত সংবিধানের ষোড়শ সংশোধনী পুনর্বহালের আবেদন জানানো হবে ওই পিটিশনে। রায় পর্যালোচনা কমিটি সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। এই কমিটির প্রধান হচ্ছেন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম। সূত্র জানায়, রায়ের পর্যবেক্ষণ এক্সপাঞ্জের জন্য পৃথক কোন পিটিশন দাখিল করবে না রাষ্ট্রপক্ষ। রিভিউতেই রায়ের পর্যবেক্ষণ এক্সপাঞ্জ চাওয়া হবে।
    শনিবার অ্যাটর্নি জেনারেলের নেতৃত্বাধীন এই কমিটির সঙ্গে বৈঠক করেছেন আইনমন্ত্রী আনিসুল হক। অ্যাটর্নি জেনারেল কার্যালয়ে আজ দুপুরে প্রায় দুই ঘণ্টাব্যাপী এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে অতিরিক্ত দুই অ্যাটর্নি জেনারেল মুরাদ রেজা ও মমতাজউদ্দিন ফকিরসহ সাতজন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল ও একজন সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল উপস্থিত ছিলেন। বৈঠকে আপিল বিভাগের রায় বাতিলের জন্য কি কি আইনগত যুক্তি তুলে ধরা হবে সে বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। ইতোমধ্যে আইনগত যুক্তির একটা খসড়াও চূড়ান্ত করেছে রায় পর্যালোচনা কমিটি। আজ ওই খসড়াটি আইনমন্ত্রীর সামনে উপস্থাপন করা হয়। বৈঠক শেষে আইনমন্ত্রী সাংবাদিকদের বলেন, রিভিউ পিটিশনে রায় বাতিলের যুক্তিগুলো নিয়ে আলাপ আলোচনা করার জন্য আমরা বসেছিলাম। মোটামুটি যুক্তিগুলো চূড়ান্ত করেছি। এখন রিভিউ পিটিশন দাখিল করার জন্য আমরা প্রস্তুতি নিচ্ছি। এ মাসের মধ্যেই তা দাখিল করা হবে।
    তিনি বলেন, আমরা রিভিউতে পুরো রায় নিয়ে প্রশ্ন উত্থাপন করছি। রায়টা যে ঠিকমতো হয়নি, সেটার কথাই বলছি। এখানে কিছু এক্সপাঞ্জ করার কথা নিশ্চয়ই থাকবে। কি কি আইনগত যুক্তি রিভিউ পিটিশনে তুলে ধরা হচ্ছে তা জানতে চাইলে অ্যাটর্নি জেনারেল বলেন, এ মুহূর্তে এ বিষয়ে বিস্তারিত বলা সম্ভব নয়। সূত্র জানায় চলতি সপ্তাহে এই আইনগত যুক্তির খসড়া চূড়ান্ত করে রিভিউ পিটিশন প্রস্তুত করা হবে।
    উচ্চ আদালতের বিচারপতি অপসারণ সংক্রান্ত সংবিধানের ষোড়শ সংশোধনী বাতিল ঘোষণা করে গত ৩ জুলাই রায় দেন প্রধান বিচারপতি এসকে সিনহার নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগের সাত বিচারপতির বেঞ্চ। পুনর্বহাল করা হয় সামরিক ফরমানের মাধ্যমে সংবিধানে অন্তর্ভুক্ত হওয়া সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিলের বিধান। রায় ঘোষণার দু’দিন পরেই এর সার্টিফায়েড কপি নেওয়ার জন্য আপিল বিভাগের সংশ্লিষ্ট শাখায় আবেদন দাখিল করে অ্যাটর্নি জেনারেল কার্যালয়। গত পহেলা আগস্ট ৭৯৯ পৃষ্ঠার পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ করে আপিল বিভাগ। রায় প্রকাশের দুই মাস পর অক্টোবর মাসের দ্বিতীয় সপ্তাহের শুরুতে রায়ের সার্টিফায়েড কপি সংগ্রহ করে রাষ্ট্রপক্ষ। প্রসঙ্গত, রিভিউর আবেদন করার সময় হচ্ছে রায়ের কপি পাওয়ার ৩০ দিনের মধ্যে। সেই হিসাবে নভেম্বর মাসের প্রথম সপ্তাহের মধ্যে এই রিভিউ পিটিশন দাখিল করতে হবে সরকারকে।
    প্রসঙ্গত, সংবিধানের ষোড়শ সংশোধনী বাতিলের মূল রায়টি লিখেছেন প্রধান বিচারপতি এসকে সিনহা। রায়ে প্রধান বিচারপতি রাষ্ট্র ও সমাজ, সামরিক শাসন, রাজনীতি, নির্বাচন কমিশন ও সংসদ ও বিচার বিভাগ নিয়ে নানা পর্যবেক্ষণ দেন। কড়া সমালোচনা করেন বাংলাদেশের রাজনীতিতে ‘আমি ও আমিত্ব’-এর সংস্কৃতির। বেঞ্চের অপর বিচারপতিরাও ষোড়শ সংশোধনী বাতিলের পক্ষে তাদের অভিমত তুলে ধরেন রায়ে। এরপরই ওই রায় ও রায়ে প্রধান বিচারপতি এসকে সিনহার দেয়া পর্যবেক্ষণের তীব্র সমালোচনা করেন সরকার ও সরকার দলীয় সংসদ সদস্যরা। তাতে যোগ দেয় সংসদের প্রধান বিরোধী দলও। এমনকি সরকার ও সরকারপন্থী বঙ্গবন্ধু আওয়ামী আইনজীবী পরিষদের নেতারাও প্রধান বিচারপতির পদত্যাগের দাবিতে সরব হন। পাশাপাশি রায়ে প্রধান বিচারপতির দেওয়া পর্যবেক্ষণও স্বত:প্রণোদিত হয়ে প্রত্যাহারের দাবি জানানো হয়। এছাড়া গত ১৩ সেপ্টেম্বর জাতীয় সংসদে ষোড়শ সংশোধনী বাতিলের রায় এবং তার কিছু পর্যবেক্ষণের বিষয়ে আইনি পদক্ষেপ নিতে একটি প্রস্তাবও গ্রহণ করা হয়।