
Author: Banglarmukh24
-

‘মিস ওয়ার্ল্ড-২০১৭’ প্রতিযোগিতায় চমক দিচ্ছেন জেসিয়া!
আগামী ১৮ নভেম্বর চীনে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ‘মিস ওয়ার্ল্ড-২০১৭’ এর ৬৭তম আসর। এবারের প্রতিযোগিতায় বিশ্বের ১২০টি দেশ থেকে সুন্দরীরা অংশগ্রহণ করছেন। এবার সেখানে বাংলাদেশের মুখ উজ্জ্বল করতে অংশ নিয়েছেন মিস বাংলাদেশ-২০১৭ বিজয়ী জেসিয়া ইসলাম। সম্প্রতি চীনের এক হোটেলে মিস ওয়ার্ল্ড ‘হেড টু হেড চ্যালেঞ্জ’ প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়েছেন জেসিয়া।এ রাউন্ডের ফলাফল থেকেই শীর্ষ ৪০জন প্রতিযোগীকে পরবর্তী রাউন্ডের জন্য নেওয়া হবে। যদিও এখনো ‘হেড টু হেড চ্যালেঞ্জ’ এর ফলাফল জানা যায়নি, তবে জেসিয়া আছেন গ্রুপ নম্বর ছয়ে। সেখানে তার প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে আছেন দক্ষিণ আফ্রিকা, কানাডা, ব্রাজিল, বটসওয়ানা ও ইথিওপিয়ার সুন্দরীরা। কোন দেশের সুন্দরীরা কোন গ্রুপে থাকবেন, ড্রয়ের মাধ্যমে তা নির্ধারিত হয়েছে।মিস ওয়ার্ল্ড-২০১৭ প্রতিযোগিতায় আয়োজক কমিটির নির্বাচন প্রক্রিয়ার পাশাপাশি ‘দ্য গ্রেট প্যাজেন্ট কমিউনিটি ডট কম’ নামের একটি অনলাইন সংস্থা এক গণভোটের আয়োজন করেছে। যে কোনো মানুষ বিশ্বের যে কোনো জায়গা থেকেই এ ভোটে অংশগ্রহণ করতে পারবেন। এমনকি একজন ব্যক্তি যত খুশি ইচ্ছা ভোটও দিতে পারবেন।
সম্প্রতি এ অনলাইন সংস্থাটি নিজেদের ওয়েব সাইটে লিখে- ‘মিস ওয়ার্ল্ড-২০১৭’তে কোন দেশের সুন্দরী বিজয়ী হওয়া উচিত? ইতোমধ্যে সে সাইটে ব্যাপক পরিমাণ ভোট পড়ে এবং দর্শকদের এ অনলাইন ভোটে শীর্ষস্থানে চলে আসে বাংলাদেশের জেসিয়া ইসলামের নাম। মূল প্রতিযোগিতা শুরুর আগেই অনলাইনে ভোটে জেসিয়ার এ শীর্ষস্থান অর্জনকে বিরাট সাফল্য হিসেবে দেখছেন মিস ওয়ার্ল্ডের বাংলাদেশের অনুসারীরা। ‘মিস ওয়ার্ল্ড-২০১৭’র চূড়ান্ত পর্বে ফলাফল যাই আসুক না কেন, অনলাইন ভোটে জেসিয়ার এ এগিয়ে থাকাতে উচ্ছ্বসিত তারা। জেসিয়া এমন চমক দেখিয়ে যাবেন বলেই ভক্তদের প্রত্যাশা। -

পিইসি পরীক্ষার্থীদের পাশে গ্রামবাংলা পাঠাগার
বরিশাল সদর উপজেলার টুঙ্গীবাড়িয়া ইউনিয়নের পতাং সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও চাষী পতাং সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৭০ জন পিইসি পরীক্ষার্থীদের মধ্যে শিক্ষা উপকরণ বিতরণ করেছে গ্রামবাংলা পাঠাগার (সমাজকল্যাণ ও সাংস্কৃতিক সংগঠন)।গ্রামের শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার আগ্রহ বাড়াতে ও মেধা বিকাশের লক্ষে পিইসি পরীক্ষার্থীদের পরীক্ষা প্রস্তুতি ক্লাস নেয়া হয়। শুক্রবার সকালে এ আয়োজন করা হয়।অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন গ্রামবাংলা পাঠাগার এর সংগঠক শহিদুল ইসলাম রুবেল। অনুষ্ঠানটি সঞ্চলনা করেন কড়াপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নাজমীন ইসলাম। অতিথি ছিলেন ডেমোক্রেসি ইন্ট্যারন্যাশনালের প্রোগ্রাম কো-অডিনেটর হাফিজুর রহমান দিপু। তিনি পিইসি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে বিভিন্ন মূল্যবান তথ্য প্রদান করেন।তিনি বলেন, ‘জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম, বিশ্ব কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর জীবিত আছেন তাদের কর্মের মধ্যে। তারা বেঁচে আছেন তাদের লেখার মধ্যে এবং তোমাদের মতো শিক্ষার্থী ও এমন সব পাঠাগারের অন্তরালে।’বিশেষ অতিধি ছিলেন চাষী পতাং সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক আব্দুল বারী হাওলাদার । তিনি বলেন, ‘গ্রাববাংলা পাঠাগারের এমন আয়োজনের জন্য আমি অত্যন্ত আনন্দিত হয়েছি। তারা ওএমআর সিটসহ পরীক্ষার খাতার ন্যায় এমন পূর্ব প্রস্তুতির ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে যাতে, আমাদের ছাত্র-ছাত্রীরা অনেক বড় অভিজ্ঞতা পেয়েছে।’আয়োজিত অনুষ্ঠানে গ্রামবাংলা পাঠাগার এর উদ্যোক্তা ও প্রতিষ্ঠাতা নূর হোসেন মামুন বলেন, ‘নতুন প্রজন্মকে সুশিক্ষিত করে গড়ে তুলতে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করবে আমাদের সংগঠন। এর আগেও আমরা কয়েকটি প্রোগ্রাম সফলতার সঙ্গে সমাপ্তি করতে সক্ষম হয়েছি। বর্তমানে স্কুলগামী শিক্ষার্থীদের জন্য আমাদের কার্যক্রম অব্যহত থাকবে।’অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, চাষী পতাং সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি গাজী আনোয়ার হোসেন জসিম, গ্রামবাংলা পাঠাগারের সংগঠক মল্লিক আরিফুর রহমান, জাফর আহমেদ মনির, প্রিন্স, আবুল কাশেম, রাকিব, বাপ্পিসহ আরো অনেকে। -

প্রথমে শাওনকে আঘাত পরে শামসুন্নাহারকে হত্যা করে জনি
রাজধানীর কাকরাইলে মা শাহসুন্নাহার ও ছেলে শাওনকে ‘হত্যাকারী’ আল আমিন ওরফে জনিকে গোপালগঞ্জের মোকছেদপুর থেকে গ্রেফতার করেছে র্যাব। পরে র্যাবের কাছে হত্যার দায় স্বীকার করেছে জনি। বোনকে সুখী দেখতে তিনদিন আগে সে হত্যাকাণ্ডের পরিকল্পনা করে বলে জানিয়েছে র্যাব।
শনিবার বিকেলে রাজধানীর কারওয়ান বাজারে র্যাব মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে আসামিকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদেরর ভিত্তিতে এ কথা জানান র্যাবের লিগ্যাল অ্যান্ড মিডিয়া উইংয়ের পরিচালক মুফতি মাহমুদ খান।
তিনি বলেন, চার বছর আগে অভিনেত্রী শারমিন মুক্তার সঙ্গে বিয়ে হয় আবদুল করিমের। বর্তমানে মুক্তা তার মা ও ভাই জনিকে নিয়ে পল্টনের একটি বাসায় থাকেন। করিমের প্রথম স্ত্রী শামসুন্নাহারের সঙ্গে ঝামেলা হওয়ার পর করিমও তাদের সঙ্গে থাকতেন।
মুফতি মাহমুদ বলেন, বিয়ের পর থেকে করিম ও মুক্তার মধ্যে বিভিন্ন আর্থিক বিষয় নিয়ে মনোমালিন্য হয়। করিমের অধিকাংশ সম্পত্তির মালিক প্রথম স্ত্রী শামসুন্নাহার হওয়ায় এ নিয়ে মুক্তার মধ্যে অসন্তোস ছিল। প্রথম স্ত্রী শামসুন্নাহারের প্ররোচনায় তিন-চার মাস আগে তৃতীয় স্ত্রী মুক্তাকে তালাকের প্রক্রিয়া শুরু করেন করিম। এ কারণে সম্প্রতি আত্মহত্যার চেষ্টাও করেন মুক্তা। বোনের স্বার্থ বিবেচনায় পরে পরিকল্পনা অনুযায়ী শামসুন্নাহারকে খুনের সিদ্ধান্ত নেয় জনি।
জনি র্যাবকে জানায়, ঘটনার আগের দিন ৩১ অক্টোবর নিউমার্কেট থেকে ১১০০ টাকায় ১১ ইঞ্চির একটি ছুরি কিনেন। ১ নভেম্বর সন্ধ্যায় কাকরাইলের বাসায় ঢুকে শামসুন্নাহারের ছোট ছেলে শাওনকে ছুরিকাঘাত করে চুপ করে বসে থাকতে বলেন। পরে শামসুন্নাহারকে এলোপাথাড়ি ছুরিকাঘাত করে মৃত্যু নিশ্চিত করেন। তখন শাওন এগিয়ে গেলে তার গলাতেও ছুরি দিয়ে আঘাত করে জনি। পরে শাওন দৌড়ে নিচে নামতে চাইলে জনি তাকে থামতে বলেন। জখমপ্রাপ্ত শাওন হঠাৎ চতুর্থ তলার সিড়িতে পড়ে যায়। ‘অপেশাদার খুনি’ জনির ছুরিকাঘাতের সময় দুটি আঙ্গুল কেটে যায়। ঢাকা মেডিকেল কলেজের জরুরি বিভাগ থেকে ভুয়া নাম এন্ট্রি করে প্রাথমিক চিকিৎসা নেয় জনি।
এদিকে ঘটনার কিছুক্ষণ পর উপরে চিৎকার চেঁচামেচির শব্দ শুনে যখন দারোয়ান উপরে যাচ্ছিল, হত্যা করে সিঁড়ি দিয়ে নেমে যাওয়ার সময় জনিই দারোয়ানকে বলেন, উপরে মারামারি হচ্ছে। দারওয়ানকে জনির ছবি দেখানো হলে সে তাকে শনাক্ত করে।
মুফতি মাহমুদ জানান, জনি আগে থেকেই একটি পরিত্যক্ত বাড়িতে ব্যাগে করে জামা-কাপড় রেখে যায়। সেখানে গিয়ে রক্তাক্ত পোষাক পরিবর্তন করে ভিন্ন নামে ঢাকা মেডিকেলে প্রাথমিক চিকিৎসা নেন। তারপর ঢাকাতেই এক আত্মীয়ের বাড়িতে আত্মগোপন এবং পরে গোপালগঞ্জে আরেক আত্মীয়ের বাড়িতে আত্মগোপনে ছিলেন।
হত্যাকাণ্ডের পরিকল্পনায় করিম ও মুক্তা জড়িত ছিল কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে মুফতি মাহমুদ বলেন, খুনের পরিকল্পনায় তারা জড়িত কিনা আমরা এখনো জনতে পারিনি। তদন্তের পর তা বেরিয়ে আসবে।
উল্লেখ্য, বুধবার সন্ধ্যায় কাকরাইলের ভিআইপির রোডের ৭৯/১ নম্বর বাসার গৃহকর্তা আবদুল করিমের প্রথম স্ত্রী শামসুন্নাহার করিম (৪৬) ও তার ছেলে শাওনকে (১৯) গলাকেটে হত্যা করা হয়। এ ঘটনায় আব্দুল করিম ও তার তৃতীয় স্ত্রী শারমিন মুক্তাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য থানায় জিজ্ঞাসাবাদ করে পুলিশ। পরে হত্যা মামলা দায়ের করে ‘পরিকল্পনাকারী’ হিসেবে তাদের গ্রেফতার দেখানো হয়।
-

স্ত্রীর স্বীকারোক্তি, কথিত প্রেমিক রিমান্ডে
রাজধানীর বাড্ডায় জামিল শেখ ও তার মেয়ে নুসরাত হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় গ্রেফতার স্ত্রী আরজিনা বেগম আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। অপরদিকে তার কথিত প্রেমিক শাহীন মল্লিককে ৪ দিনের রিমান্ড দিয়েছেন আদালত।
শনিবার আসামিদের ঢাকা মুখ্য মহানগর হাকিমের আদালতে হাজির করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা। এ সময় আর্জিনার জবানবন্দি রেকর্ড করার আবেদন করেন তদন্তকারী কর্মকর্তা। আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকা মহানগর হাকিম সাদবীর ইয়াসির আহসান চৌধুরী তার জবানবন্দি রেকর্ড করেন। অপরদিকে শাহীনের বিরুদ্ধে ৭ দিনের রিমান্ড আবেদন করা হয়। শুনানি শেষে আদালত তার ৪ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
এর আগে আসামিদের গ্রেফতারের পর পুলিশ জানায়, আসামিরা পরিকল্পিতভাবে জামিলকে হত্যা করেন। এ ঘটনা মেয়ে নুসরাত দেখে ফেলায় তাকেও হত্যা করেন শাহীন। এতে তার মা আরজিনা বেগমের সম্মতি ছিল।
শনিবার ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) মিডিয়া সেন্টারে এক সংবাদ সম্মেলনে গুলশান বিভাগের উপ-কমিশনার (ডিসি) মোস্তাক আহমেদ বলেন, আরজিনা বেগম ও জামিল ছেলে-মেয়েকে নিয়ে বাড্ডায় ভাড়া বাসায় থাকতেন। একই বাড়িতে স্ত্রীকে নিয়ে ভাড়া থাকতেন শাহীন। ওই বাড়ির প্রথম তলায় থাকতো আরজিনারা। আর তৃতীয় তলায় থাকতেন শাহীন ও তার স্ত্রী মাসুমা।
মাসুমা সারাদিন অন্যের বাসায় কাজ করতেন। জামিল ছিলেন ড্রাইভার। আরজিনা বেগম ও শাহীন দু’জনই সারা দিন বাসায় থাকতেন। সে সুযোগে তাদের মধ্যে নানা কারণে নৈকট্য হয়। শাহীন বিভিন্নভাবে প্রশংসা করায় তার প্রতি দুর্বল হয়ে পড়ে আরজিনা। কয়েকদিন পর ওই বাড়ি ছেড়ে জামিল ও আরজিনা ময়নারবাগের ৩০৬ নম্বর বাড়ির ছাদে ৭ হাজার টাকায় বাসা ভাড়া নেয়।
নতুন বাসায় এসেও শাহীনের সঙ্গে সম্পর্ক বজায় রাখেন আরজিনা। নিয়মিত তার সঙ্গে ফোনে কথা বলতেন। শাহীনকে কাছে পেতে নতুন কৌশল অবলম্বন করেন আরজিনা। সংসারের খরচ কমানোর কথা বলে শাহীনের পরিবারকে সাবলেট দেয়ার পরামর্শ দেন স্বামী জামিলকে। পূর্বপরিচিত হওয়ায় শাহীন ও তার স্ত্রীকে ৩ হাজার টাকায় সাবলেট দেন জামিল।
নতুন বাসায় এসে আরজিনা ও শাহীনের সম্পর্ক আরও গভীর হতে শুরু করে। এক পর্যায়ে আরজিনা জামিলকে তালাক দিয়ে শাহীনের কাছে চলে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন। তবে শাহীন তাকে তালাক না দেয়ার পরামর্শ দেন। পরবর্তীতে দুইজন মিলে জামিলকে হত্যার পরিকল্পনা করেন।
বুধবার রাতে একই বিছানায় ঘুমান জামিল, আরজিনা, নুসরাত ও তার ছোট ভাই। পূর্বপরিকল্পনা অনুযায়ী আরজিনা ঘরের দরজা খুলে রেখে ঘুমান। পরে শাহীন বাড়ির নিচ থেকে একটি কাঠের টুকরা নিয়ে ঘরে ঢুকে জামিলের মাথায় আঘাত করেন। প্রথম আঘাতের পর জামিল উঠে যায় এবং জিজ্ঞেস করে কেন তাকে আঘাত করা হল। এরপর শাহীন কোনো কথা না বলে আরও কয়েকবার আঘাত করে তাকে হত্যা করেন।
এ সময় ঘুম থেকে জেগে যায় মেয়ে নুসরাত। সে শাহীনের কাছে বাবাকে কেন হত্যা করা হলো জানতে চায় এবং চিৎকার করে কান্নাকাটি করতে থাকে। তখন নুসরাতকে হত্যার পরিকল্পনা করেন শাহীন। তবে প্রথমবার এতে আরজিনা সম্মতি দেননি। পরবর্তীতে বিপদে পড়ার আশঙ্কায় মেয়েকে হত্যার সম্মতি দেন আরজিনা। এরপর নুসরাতকে বিছানায় গলা টিপে হত্যার চেষ্টা করেন শাহীন। তখন নুসরাত চিৎকার করায় মুখে বালিশ চাপা দিয়ে তাকে মেরে ফেলা হয়।
জামিল ও নুসরাতকে হত্যার পর ছাদে শাহীন ও আরজিনা গল্প সাজাতে থাকেন। একপর্যায় তারা সিদ্ধান্ত নেন কেউ জিজ্ঞেস করলে বলবেন ডাকাতরা জামিল ও তার মেয়েকে হত্যা করেছে। এছাড়াও ডাকাতরা যাওয়ার সময় তাকে ধর্ষণ করেছে বলে দাবি করবে আরজিনা। এই নাটক বাস্তবে রূপ দেয়ার জন্য সারা রাত ছাদের সিঁড়ির সামনে মুখ গোমড়া করে বসে ছিলেন আরজিনা। পরদিন সকালেও পুলিশ গিয়ে তাকে সিঁড়ির সামনে বসে থাকতে দেখে। আর ওই রাতেই স্ত্রী মাসুমাকে নিয়ে খুলনায় পালিয়ে যান শাহীন।
ডিসি জানান, এ ঘটনায় তদন্তে আশপাশের অনেকের সঙ্গে কথা বলা হয়েছে। বিছানায় ঘুমিয়ে থাকা শিশুও কিছু তথ্য দিয়েছে। সব মিলে এ পর্যন্ত হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে এই দুইজনের সংশ্লিষ্টতা পাওয়া গেছে। তাদের আদালতে পাঠিয়ে রিমান্ড আবেদন করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে।
উল্লেখ্য, গত বৃহস্পতিবার সকাল ৬টার দিকে রাজধানীর উত্তর বাড্ডার ময়নারবাগের ৩০৬/পাঠানভিলার তৃতীয় তলায় ভাড়া বাসা থেকে উদ্ধার করা হয় বাবা জামিল শেখ (৩৮) ও মেয়ে নুসরাত জাহানের মরদেহ। নিহত জামিলের বাড়ি গোপালগঞ্জ সদরের করপাড়া ইউনিয়নের বনপাড়া গ্রামে। তার বাবার নাম বেলায়েত শেখ (মৃত)। তিনি তেজগাঁওয়ে বেসরকারি একটি প্রতিষ্ঠানের গাড়িচালক ছিলেন। পাঠান ভিলার তৃতীয় তলায় দুই কক্ষ ভাড়া নিয়ে পরিবার নিয়ে থাকতেন তিনি। গত কোরবানির ঈদের পর স্ত্রী আরজিনা (৩০), মেয়ে নুসরাত (৭) ও ছেলে আলফিকে (৩) নিয়ে ওই বাসায় উঠেন জামিল।
-

ঢাকা, রংপুর, কুমিল্লাই ফেবারিট
এটা আইপিএল নয় যে, শুরু থেকে প্রায় সব শীর্ষ, নামী-দামি তারকার দেখা মিলবে। ভারতের সাড়া জাগানো ওই ফ্র্যাঞ্চাইজি টি-টোয়েন্টি আসরে অর্থের ছড়াছড়ি। শত শত কোটি রুপির ব্যাপার-স্যাপার।
আইপিএল খেলতে বিশ্বের সব বড় বড় তারকা মুখিয়ে থাকেন। জাতীয় দল ও বিভিন্ন দলে খেলে তারা সারা বছরে যত আয় করেন, তার চেয়ে কয়েকগুণ বেশি অর্থ মেলে আইপিএলে। খুব স্বাভাবিকভাবেই সবাই আইপিএল খেলতে চান। দলগুলোর সাথেও বিশ্বের সব বড় বড় তারকার চুক্তি হয় পুরো আসরের জন্য।
কিন্তু বিপিএলে অত টাকা নেই। যে কারণে ক্রিস গেইল-ব্রেন্ডন ম্যাককালামের মত বিশ্ব মানের তারকাদের পুরো আসরের জন্য পাওয়া কঠিন। তারা এবারো আসবেন একটু দেরি করে।
শুধু ওই দু’জন বড় তারকাই নন। এবারের বিপিএলে একঝাঁক পাকিস্তানি ক্রিকেটারেরও খেলার কথা। তারা ঘরের ক্রিকেটে ব্যস্ত। ১৭ নভেম্বরের আগে বর্তমান পাকিস্তান জাতীয় দলের একজন ক্রিকেটারেরও দেখা মিলবে না।
মোট কথা, যদিও এবার থেকে এক ম্যাচে সর্বাধিক পাঁচ বিদেশি ক্রিকেটার খেলানোর নতুন নিয়ম চালু হতে যাচ্ছে, তারপরও কোন দলই শুরু থেকে তাদের সম্ভাব্য সেরা বিদেশিকে পাবে না।
অর্থাৎ আগামীকাল থেকে বিপিএলের ব্যাট ও বলের লড়াই শুরু হলেও পছন্দের সব বিদেশি ক্রিকেটার নিয়ে কোন দলই পূর্ণ শক্তিতে মাঠে নামতে পারবে না। কাজেই সব দল আসর শুরুর আগে প্রহর গুনছে, কখন তাদের সম্ভাব্য সেরা বিদেশি ক্রিকেটাররা এসে যোগ দেবেন। এখন সেই আসার অপেক্ষার পালা।
তাই এখনই বলা কঠিন, বিপিএলের এবারের আসরে কে হাসবে শেষ হাসি? ওই প্রশ্নের জবাব সময়ের ওপর ছেড়ে দেয়াই হবে যুক্তিযুক্ত। তারপরও স্থানীয় বোদ্ধা ও বিশেষজ্ঞের কেউই কোন দলকে এককভাবে ফেবারিট মানতে নারাজ। তাদের কথা, যেহেতু বিদেশি ক্রিকেটাররাই আসল পার্থক্য গড়ে দেন, তাই সব দলের পছন্দের সেরা বিদেশিরা আসার আগে কোন দল সম্পর্কেই আগাম মন্তব্য করা যুক্তিযুক্ত নয়।
তারপরও শুরুর আগে তিন দলকে কম-বেশি সবাই এগিয়ে রাখছেন। বিশেষজ্ঞদের চোখে, কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স, রংপুর রাইডার্স ও ঢাকা ডায়নামাইটস অন্য চার দলের চেয়ে এগিয়ে। রাজশাহী কিংস ও খুলনা টাইটান্সকে ডার্ক হর্স ভাবা হচ্ছে।
সিলেট সিক্সার্স ও চিটাগাং ভাইকিংসকে খালি চোখে তুলনামুলক কমজোরি ভাবা হলেও খেলাটি মাত্র ২০ ওভারের। অনিশ্চয়তায় ভরা ক্রিকেটে এমনিতেই শেষ বা সম্ভব-অসম্ভব বলে কোন কথা নেই। সেখানে এ ছোট্ট পরিসরের আসর আরও অনিশ্চয়তায় ভরা।
কাজেই নিশ্চিত করে বলার উপায় নেই যে, ওই দলই ফেবারিট আর অমুক দল আন্ডারডগ। সবচেয়ে বড় কথা, টি-টোয়েন্টি ক্রিকেট হচ্ছে ছন্দের খেলা। কাগজে কলমে দূর্বল ও কমজোরি কোন দলও যদি একবার ছন্দ ফিরে পায় তাহলে দুর্দমনীয় হয়ে ওঠে।
তখন সে দলকে আটকে রাখা কঠিন। কাজেই শুরুর আগেই জের টানা সত্যিই কঠিন। তারপরও মাশরাফি বিন মর্তুজার রংপুর রাইডার্স, তামিম ইকবালের কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স এবং সাকিব আল হাসানের ঢাকা ডায়নামাইটসের সম্ভাবনা বেশি ভাবা হচ্ছে।
একদিনের সীমিত ওভারের ফরম্যাটে যাদের ব্যাট সবচেয়ে ধারালো, সেই ক্রিস গেইল-ব্রেন্ডন ম্যাককালাম রংপুরের সবচেয়ে বড় সম্পদ ও সেরা ব্যাটিং অস্ত্র। যে কোন ম্যাচ একা বদলে দেয়ার পর্যাপ্ত সামর্থ্য আছে দু’জনারই। এরই মধ্যে গেইল হচ্ছেন একমাত্র ক্রিকেটার যিনি বিপিএল খেলতে আসার অর্থ, ব্যাটে ঝড় তুলে সেঞ্চুরি করা। এ আসরে সর্বাধিক তিন সেঞ্চুরির মালিক গেইল।
তারা আসার আগের লাইনআপও বেশ ভাল রংপুরের। বিপিএলে সর্বাধীক তিনবারের চ্যাম্পিয়ন দলের অধিনায়কত্ব করা মাশরাফি বিন মর্তুজা রংপুরের অন্যতম চালিকশক্তি। এছাড়া শাাহরিয়ার নাফীস আর মোহাম্মদ মিঠুনের মত অভিজ্ঞ উইলোবাজ আছেন। সাথে শ্রীলঙ্কান কুশল পেরেরা, জনসন চার্লস, ইংলিশ স্পেশালিস্ট রবি বোপারা, ডেভিড উইলি।
মাঝখানে থিসারা পেরেরা আর জিয়াউর রহমানের মত হার্ডহিটার কাম পেসার। মাশরাফি মর্তুজার সাথে-রুবেল হোসেনও আছেন পেস ডিপার্টমেন্টে। স্পিন আক্রমণও বেশ ধারালো। সোহাগ গাজী, আব্দুর রাজ্জাক ও স্যামুয়েল বদ্রি আছেন ওই ডিপার্টমেন্টে। ক্রিস গেইল আর ব্রেন্ডন ম্যাককালাম যুক্ত হলে এ দলকে হারানো হবে খুব কঠিন।
শুধু ক্রিকেটারদের কথা বলা কেন, রংপুরের কোচও এ আসরের অন্যতম সেরা আকর্ষণ। এ মুহূর্তে বিশ্বের সবচেয়ে কুশলী ও ক্রিকেট বোধ-বুদ্ধিসম্পœ টম মুডি এবার রংপুরের কোচ।
কাফ ইনজুরির কারণে শেষ মুহুর্তে দল থেকে ছিটকে পড়েছেন অস্ট্রেলিয়ান অলরাউন্ডার শেন ওয়াটসন। তারপরও ঢাকার কোচ খালেদ মাহমুদ সুজন নির্ভার। কারণ, তার আছে শহিদ আফ্রিদি, সুনিল নারিন, এভিন লুইস ও কুমারা সাঙ্গাকারার মত অভিজ্ঞ এবং দারুণ কার্যকর পারফরমার।
পেস আক্রমণে মোহাম্মদ আমির, কেভিন কুপার ও মোহাম্মদ শহীদ। অধিনায়ক সাকিব আল হাসান দলটির মূল চালিকাশক্তি। রভম্যান পাওয়েল, কাইরণ পোলার্ড ও নাদিফ চৌধুরী এবং মোসাদ্দেক হোসেন সৈকতও ঢাকার লাইন আপকে করেছেন সমৃদ্ধ।
আগেরবার ফ্র্যাঞ্চাইজিদের সাথে অধিনায়ক মাশরাফির বনিবনা ভাল হয়নি। তাই শিরোপা ধরে রাখাও সম্ভব হয়নি। এবার কুমিল্লা মাঠে নামছে এ মুহুর্তে দেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় কোচ মোহাম্মদ সালাউদ্দীনের কোচিংয়ে। সবার আগে সিলেটে এসে ট্রেনিংও করছে কুমিল্লা।
বাংলাদেশের তিন টপ অর্ডার তামিম, ইমরুল ও লিটন দাস দলটির ফ্রন্টলাইন ব্যাটিংয়ে। সঙ্গে আরও যোগ হবেন পাকিস্তানের ফাখর জামান, জস বাটলার, কলিম মুনরো। মিডল ও লেট অর্ডার আসর সেরা। যেখানে মারলন স্যামুয়েলস, ড্যারেন ব্র্যাভো, শোয়েব মালিকের সাথে দুই স্বীকৃত অলরাউন্ডার ডোয়াইন ব্র্যাভো ও মোহাম্ম নবি। এছাড়া পরে যোগ দেবেন পাকিস্তানের নতুন পেস সেনসেশন হাসান আলি।
আফগানিস্তান তথা সময়ের সেরা লেগস্পিনর রশিদ খান কুমিল্লা ভিক্টেরিয়ান্সের বড় ট্রাম্পকার্ড। এ ছাড়া এই সেদিন হ্যাটট্রিক করা ফাহিম আশরাফও দ্বিতীয় পর্বে যোগ দেবেন। মাঝে অ্যাকশন প্রশ্নবিদ্ধ হওয়া বাঁ-হাতি স্পিনার আরাফাত সানিও কুমিল্লার স্পিন আক্রমণে থাকবেন।
এছাড়া মাহমুদউল্লাহ রিয়াদের খুলনা টাইটান্স ও মুশফিকুর রহীম ও ড্যারেন স্যামির রাজশাহী কিংসও যে কোন ঘটনা ঘটিয়ে ফেলতে পারে। মাহমুদউল্লাহ রিয়াদের মত পরিণত ও অভিজ্ঞ পারফরমারের সাথে পাকিস্তানের অধিনায়ক সরফরাজ এবং পেসার জুনায়েদ খান যুক্ত হবেন খুলনায়। নাজমুল হোসেন শান্ত, সাইফ হাসান ও আফিফ হোসেন ধ্রুব‘র মত তিন অতি সম্ভাবনাময় তরুণও খুলনার অন্যতম চালিকাশক্তি হতে পারেন।
গতবারর অল্পের জন্য শিরোপা জিততে না পারা রাজশাহীর এবার শক্তি বেড়েছে আরও। ব্যাটিংয়ে নির্ভরতার প্রতীক মুশফিকুর রহীম এবার দল পাল্টে রাজশাহীতে। ড্যারেন স্যামির নেতৃত্বে মুশফিক ইংলিশ লুক রাইট, ওয়েস্ট ইন্ডিয়ান লেন্ডল সিমন্স, মুমিনুল, ম্যালকম ওয়েলার, মোহাম্মদ সামি, সামিত প্যাটেল, জেমস ফ্র্যাঙ্কলিন, রাজা আলির মত প্রতিষ্ঠিত পারফরমারের সাথে তরুণ মেহেদী হাসান ও নিহাদুজ্জামানও রাজশাহীতে।
প্রথম পর্বের স্বাগতিক সিলেট সিক্সার্স শুরুতে মূল শক্তিতে মাঠে নামতে পারছে না। দলটির অন্যতম নির্ভরতা হলেন পাকিস্তানের ইনফর্ম টপ অর্ডার বাবর আজম; কিন্তু ঘরের ক্রিকেটে ব্যস্ত থাকায় বাবর আজম আসবেন দেরিতে।
তারপরও নাসির হোসেনের নেতৃত্বে সাব্বির রহমান, লিয়াম প্লাঙ্কেট, ইমতিয়াজ হোসেন তান্না, আন্দ্রে ফ্লেচার, উপুল থারাঙ্গা, দানুসকা গুনাথিলাকার মত পারফরমার আছেন। প্লাঙ্কেট, ক্রিসমার সান্তোকি, উসমান খান ও গোলাম মোদাস্সরের গড়া পেস অ্যাটাককে হেলাফেলার কিছু নেই।
স্পিন ডিপার্টমেন্টে আছেন বাঁ-হাতি তাইজুল আর লঙ্কান লেগস্পিনার ওয়ানিদু হাসারাঙ্গা। এদের সাথে আবুল হাসান রাজু, কামরুল ইসলাম রাব্বি আর মোহাম্মদ শরীফের মত পেসারও রয়েছেন সিলেটে।
তুলনামুলক কমজোরি দল চট্টগ্রাম। জাতীয় দলের সাবেক ওপেনার নুরুল আবেদিন নোবেলের প্রশিক্ষনে চট্টগ্রাম মাঠে নামবে পাকিস্তানের সাবেক অধিনায়ক মিসবাহ-উল হকের নেতৃত্বে। লঙ্কান লুকারাচ্চি, লিয়াম ডসন, সিকান্দার রাজা, দিলশান মুনাবিরা আর নজিবুল্লাহ জাদরান ফরেন কোটায় আছেন।
চিটাগাং ভাইকিংসের দেশি লাইনআপ বেশ ভাল। এনামুল হক বিজয়, সৌম্য সরকার, তাসকিন আহমেদ, শুভাশিষ রায়, সানজামুল, তানবির হায়দার ও নাঈম হাসানের মত ভাল পারফরমার আছেন দলে।
-

৩০তম বিসিএস অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি শিপু, সম্পাদক কিবরিয়া
৩০তম বিসিএস ক্যাডার অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি আব্দুল কাদির শিপু ও সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন গোলাম কিবরিয়া। শুক্রবার রাজধানীর ফার্স হোটেল মিলনায়তনে এই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।
আব্দুল কাদির শিপু তেজগাঁও রাজস্ব সার্কেলে সহকারী কমিশনার (ভূমি) হিসেবে কর্মরত। আর গোলাম কিবরিয়া ঢাকা কর অঞ্চল-১০-এর সহকারী কমিশনার (ট্যাক্স)। ৩০তম বিসিএসের সব ক্যাডারের প্রতিনিধি তাদেরকে নির্বাচিত করে।
২০১৮-২০১৯ সালের জন্য দুই বছর মেয়াদে এ কমিটি নির্বাচিত হয়। নবনির্বাচিত সভাপতি আব্দুল কাদির শিপু জানান, ৩০তম বিসিএস ব্যাচের সব ক্যাডার কর্মকর্তার মধ্যে যথাযথ আন্তঃক্যাডার সমন্বয়ের মাধ্যমে একযোগে এ কমিটি কাজ করবে।
নবনির্বাচিত সভাপতি আব্দুল কাদির মিয়া শিপু জানান, ৩০তম বিসিএস ব্যাচের সকল ক্যাডারের কর্মকর্তার মধ্যে যথাযথ আন্তঃক্যাডার সমন্বয়ের মাধ্যমে একযোগে এ কমিটি কাজ করবে।
এছাড়াও পুলিশের এটিএম আরিফ হোসেন, সড়ক ও জনপথের আশীষ মুখার্জি সহ-সভাপতি, স্বাস্থ্যের ডা. গাউসুল আজম ও শিক্ষার মামুনুর রশিদ সাংগঠনিক সম্পাদক, আনসারের রুবেল উকিল, প্রাণিসম্পদের রিগ্যান মোল্লা, খাদ্যের কামাল হোসেন যুগ্ম সম্পাদক, অডিটের সোহেল রানা ট্রেজারার, প্রশাসনের অমিত দেবনাথ দফতর সম্পাদক, পররাষ্ট্রের বশির আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক, গণপূর্তের মোস্তাফিজুর রহমান তথ্য ও প্রযুক্তি সম্পাদক, শিক্ষার মনিরুজ্জমান শিক্ষা ও গবেষণা সম্পাদক, কৃষির রাজু আহমেদ প্রচার সম্পাদক, পুলিশ ক্যাডারের নিশাত রহমান মিথুন সাংস্কৃতিক সম্পাদক, রেলওয়ের মাইনুল ইসলাম আইন সম্পাদক, সমবায়ের ফারহানা আক্তার সমাজকল্যাণ সম্পাদক, স্বাস্থ্য ক্যাডারের ডা. যুবায়ের আনাম স্বাস্থ্য ও ক্রীড়া সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন। এছাড়াও সকল ক্যাডার হতে আরও আট জন কার্যকরী সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন।
পূর্ববর্তী কমিটির সভাপতি পুলিশ ক্যাডারের নাজমুস সাকিব খান ও সাধারণ সম্পাদক প্রশাসন ক্যাডারের আশরাফুল আলম ইকবাল আগামী ১ জানুয়ারি ২০১৮ নতুন কমিটির কাছে দায়িত্ব হস্তান্তর করেন।
-

হোয়াটসঅ্যাপে ‘ভুল’ মেসেজ ‘ডিলিট’
প্রিয়জনকে পাঠাতে গিয়ে ‘বস’কে পাঠিয়ে ফেলেছেন রোমান্টিক মেসেজ? হোয়াটসঅ্যাপে এমন ভুল নতুন কিছু নয়। অফিস-প্রেম সামলাতে নাস্তানাবুদ অনেকের অবস্থাই কমবেশি একইরকম।
আর এই অস্বস্তি থেকে মুক্তি দিতেই হোয়াটসঅ্যাপে এসে গেল নতুন ফিচার। অ্যান্ড্রয়েড, উইন্ডোজ ও iOS ব্যবহারকারীদের জন্য এই বৈশিষ্ট্য এনেছে বিশ্বের অন্যতম জনপ্রিয় এই মেসেজিং অ্যাপ।
ফিচারটির নাম ‘Delete for everyone’. ভুল করে পাঠানো মেসেজ মুছে ফেলার জন্য এই ফিচার খুবই গুরুত্বপূর্ণ। তবে যিনি পাঠাচ্ছেন এবং যাঁকে পাঠাচ্ছেন, তাঁদের দু’জনের কাছেই থাকতে হবে হোয়াটসঅ্যাপের লেটেস্ট ভার্সান। ব্যক্তিগত মেসেজ কিংবা গ্রুপ চ্যাটের ক্ষেত্রে এই ফিচার কাজ করবে।
‘Delete for everyone’ ফিচারটি ব্যবহার করার জন্য সময় পাবেন ঠিক সাত মিনিট। অর্থাৎ, সাত মিনিটের মধ্যেই আপনাতে ভুল করে পাঠানো মেসেজটি ডিলিট করতে হবে। তার থেকে বেশি সময় পার হয়ে গেলে আর আপনি সেটি মুছতে পারবেন না। মেসেজ ডিলিট হয়ে গেলে ‘সেন্ডার’ ও ‘রিসিভার’ উভয়েই একটি নোটিফিকেশন পাবেন।
আর যদি সফলভাবে ডিলিট করতে না পারেন, সেক্ষেত্রে ‘সেন্ডার’ কোনও নোটিফিকেশন পাবেন না। আর যাঁকে পাঠাবেন সে আপনার মেসেজটি পড়ে ফেলতে পারবেন।
কিভাবে পাবেন এই ফিচার? চ্যাট উইন্ডোতে যে মেসেজটি আপনি ডিলিট করতে চান সেটির উপর ট্যাপ করুন। এরপর মেনু থেকে ‘ডিলিট’ অপশনটি বেছে নিন। একইসঙ্গে একাধিক মেসেজও আপনি সিলেক্ট করে ডিলিট করতে পারেন। এরপর ‘Delete for everyone’ অপশনটি ট্যাপ করে ডিলিট করুন। যদি মেসেজটি ডিলিট হয়ে যায় তাহলে আপনার কাছে একটি মেসেজ আসবে যাতে লেখা থাকবে “You deleted this message.” আর যার কাছে মেসেজটি চলে গিয়েছিল তার কাছে নোটিফিকেশন যাবে, যাতে লেখা থাকবে “This message was deleted.”
-

‘ঘনিষ্ঠ দৃশ্যে অভিনয় করতে অস্বস্তি হয়’
নতুন ছবি ‘ইত্তেফাক’-এ সিদ্ধার্থ মলহোত্র আর সোনাক্ষী সিংহের ঘনিষ্ঠ দৃশ্য রয়েছে। আরও পরিষ্কারভাবে বললে, সোনাক্ষী ‘সিডিউজ’ করেছেন সিদ্ধার্থকে।
তবে অভিনয়ে সেটা ফুটিয়ে তুলতে বেশ অস্বস্তি হয়েছিল অভিনেত্রীর। হ্যাঁ, এ কথা তিনি নিজেই জানিয়েছেন। বলেছেন, ছবিতে দেখলে হয়তো বোঝা যাবে না। তবে ক্যামেরার সামনে ওই দৃশ্য করতে মোটেও সাবলীল ছিলাম না।
শুক্রবার মুক্তি পেয়েছে সোনাক্ষীর নতুন ছবি ‘ইত্তেফাক’। কর্ণ জোহর ও শাহরুখের রেড চিলিজ প্রযোজিত এই ফিল্ম ১৯৬৯ সালের ‘ইত্তেফাক’ ছবির রিমেক। সিদ্ধার্থ ও অক্ষয় খান্নার সঙ্গে অভিনয়ের জার্নিটা কেমন ছিল তার?
সম্প্রতি কর্ণ জোহরের সঙ্গে একটি চ্যাট শো-তে সোনাক্ষীকে এমন প্রশ্নই করা হয়েছিল। সেখানেই ক্যামেরার সামনে যৌন উত্তেজক দৃশ্যে অভিনয় করতে তাঁর অস্বস্তির কথা জানিয়েছেন নায়িকা।
টাইমস নাও-এর খবর অনুযায়ী, সোনাক্ষী বলেছেন, সব অভিনেতারই এরকম একটাজোন থাকে।
যেখানে কোনও একটি কাজ করতে অস্বস্তি হয় তার। কারও কমেডি সিন, কারও আবার কান্নার দৃশ্য, কখনও আবার সহ-অভিনেতার সঙ্গে ঘনিষ্ঠ মুহূর্তের অভিনয়। আমার কাছে এটাই খুব অস্বস্তিকর।
পাশাপাশি, হৃতিকের প্রতি তার স্কুলজীবন থেকে ভালোবাসার কথাও জানিয়েছেন অভিনেত্রী। জানিয়েছেন, হৃতিক একমাত্র অভিনেতা যার পোস্টার ছিল তার বেডরুমে।
-

নাফ নদী সাঁতরিয়ে ফের ২২ রোহিঙ্গার প্রবেশ
নাফনদী সাঁতরিয়ে এবার বাংলাদেশে ঢুকেছে ২২ রোহিঙ্গা যুবক। শুক্রবার (৩ নভেম্বর) বিকালে নাফ নদী সাঁতরিয়ে পৃথকভাবে বাংলাদেশ সীমান্তে পৌঁছান এই ২২ রোহিঙ্গা যুবক।
সাড়ে তিন ঘণ্টা জারিকেন বুকে নাফ নদী সাঁতরিয়ে বিকাল সাড়ে ৪ টায় শাহপরীর দ্বীপ জেটির কাছাকাছি পৌঁছলে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)’র শাহপরীর দ্বীপ বিওপির কোম্পানি কমান্ডার আব্দুল জলিলের নেতৃত্বে বিজিবি সদস্যরা তাদের উদ্ধার করে। এরপর আরো তিন রোহিঙ্গা যুবক সাতরিয়ে আসেন। শুক্রবার রাত পর্যন্ত তারা বিজিবি হেফাজতে রয়েছেন। উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছে বিজিবি।
নাফ নদীর লোনা জল সাঁতরিয়ে বাংলাদেশে আসা রোহিঙ্গারা হলেন, রাসিডং এলাকার আব্দুল মোনাফ (৩০), ছাবের আহমদ (১৪), বুসিডং এলাকার আনোয়ার খালেদ (১৯), জাহেদ উল্লাহ (২২), মোহাম্মদ ইয়াছিন (১৫), রহমত উল্লাহ (১৭), আজিজুর রহমান (১৮), মোঃ আয়াজ (১৬), আবু সৈয়দ (২৪), মোঃ নুর (১৮), কবির আহমদ (২১), সিরাজুল ইসলাম (৩২), নুর কবির (২৪), পুইম আলী এলাকার মোঃ আয়ুব (২৬), নজির আহমদ (২০), আব্দুল আজিজ (২২), জহির আহমদ (২২), মংডু কাইন্দা পাড়ার মোঃ নুর (১৯),মংডু শহরের ফরিদ আলম (১৭)। পরে আসা তিন রোহিঙ্গার নাম ঠিকানা রাতে এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত পাওয়া যায়নি।
সাঁতরিয়ে আসা রোহিঙ্গা যুবক আবু সৈয়দ জানায়, ‘আমরা ধাওনখালী সীমান্তে চরে এসে অপেক্ষা করেছি এগারো দিন। সেখানে তাবু করে নৌকার জন্য অপেক্ষায় ছিলাম। খাবার যা ছিল তাও ফুরিয়ে গেছে, ছোট বাচ্চারা অসুস্থ হয়ে পড়েছে।
আমাদের চোখের সামনে চরে অপেক্ষমানদের দুই তিন জন করে শিশু প্রতিদিন মারা গেছে। কিন্তু এ সাতদিনে আমরা কোন নৌকা পাচ্ছিলামনা বাংলাদেশে ঢুকতে। প্রতিরাতে দুই একটা নৌকা ধাওনখালী সীমান্তে গেলেও অতিরিক্ত ভাড়া দিতে না পারায় নৌকায় ওঠা হয়নি আমাদের। সেনারা এসে আমাদের কাছে মিয়ানমার মুদ্রা যা ছিলো তাও ছিনিয়ে নিয়েছে। আমরা প্রায় অসহায় হয়ে পড়েছিলাম। আমাদের মায়েরা অনুরোধ করেছে সাঁতরিয়ে বাংলাদেশ ঢুকতে, তাদের জন্য কোন উপায় খুঁজে বের করা যায় কিনা। ’
.jpg)
ওই রোহিঙ্গা যুবক আরো জানায়, মিয়ানমারের রাখাইনের বুসিডং এলাকার প্রায় তিন শতাধিক পরিবার সেদেশের সেনা ও মগদের নির্যাতনে প্রাণ রক্ষার্থে বাংলাদেশ পালিয়ে আসার লক্ষ্যে ওপারের ধাওনখালী সীমান্তে জড়ো হয়েছে। সেখানে তারা কেউ একমাস, কেউ দশ থেকে পনের দিন অপেক্ষার পরও এপারে ভিড়তে কোন নৌকা না পাওয়ায় আটকা পড়ে মানবিক বিপর্যয়ের মুখে মানবেতর দিন কাটাচ্ছে।
সাঁতরিয়ে আসা রোহিঙ্গা যুবক আনোয়ার খালেদ জানায়,‘মিয়ানমার সেনারা আমাদের বাড়ি ঘর জ্বালিয়ে দিয়েছে। প্রায় দেড় মাস আগে আমরা বুসিডং ছেড়ে ঢংখালী সীমান্তে এসে অবস্থান করি। সেখানে আমাদের মতো এখনো আরো প্রায় ২০ হাজারের মতো নারী-শিশু সহ রোহিঙ্গারা এপারে ঢুকতে অপেক্ষা করছে। এপারে ঢুকতে কোন নৌকা না পাওয়াতে তারা খুবই ভয়ের মধ্যে আছে। তাদের কান্নাকাটি সইতে না পেরে ওপারে ফেলে আসা মা-বোনদের বাঁচার আকুতিটুকু বাংলাদেশে গিয়ে জানাবো এমন আশায় আমরা ২২ যুবক মৃত্যু ঝুঁকি নিয়ে সাঁতরিয়ে বাংলাদেশ এসেছি। ’
আরেক রোহিঙ্গা যুবক আজিজুর রহমান জানায়, ‘সেনা ও মগরা আমাদের ঘর থেকে বের হতে দিচ্ছেনা। ঘর থেকে বের হয়ে বাজার বা দোকানে নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিস পত্রের জন্য বেরোতেও দিচ্ছেনা। একদিকে আমাদের বাড়িঘরে খাদ্যের অভাব দেখা দিয়েছে, পাশাপাশি সেনাদের হাতে যেকোন মুহূর্তে প্রাণ হারানোর ভয়তো থাকছেই। তাছাড়া এখনো রাখাইনে যেসব রোহিঙ্গা রয়ে গেছে তাদের ন্যাশনাল ভেরিফিকেশন কার্ড (এনভিসি) নিতে বাধ্য করছে সেনারা। এমন পরিস্থিতি আমরা বাংলাদেশে একটু আশ্রয় চাইতে এসেছি। ’
উল্লেখ্য, এর আগেও গত চার দফায় নাফ নদী সাঁতরিয়ে বাংলাদেশে ঢুকেছিল ২৩ রোহিঙ্গা যুবক। প্রথমবার গত ১১ অক্টোবর ১১ জন এবং শেষ তিনবারে চার জন করে ১২ জন। সর্বশেষ আজ একযোগে আসে ২২ রোহিঙ্গা। এ নিয়ে পাঁচ দফায় নাফ সাঁতরিয়ে বাংলাদেশের টেকনাফ শাহপরীর দ্বীপ দিয়ে সীমান্তে ঢুকেছে ৪৫ জন রোহিঙ্গা।
-

জানেন তাড়াতাড়ি চুম্বনে কতটা ক্যালোরি শরীর থেকে বেরিয়ে যায়?
উত্তেজনা বাড়িয়ে তোলার প্রথম এবং প্রধান অবলম্বন চুম্বন। একটি গভীর চুম্বন দুটি মানুষের মধ্যে অনেক ধরনের অনুভূতির সৃষ্টি করে।
অপার সুখ ও অপরিসীম তৃপ্তি দিতে পারে এই চুম্বন। কিন্তু প্রশ্নটা হল চুম্বন সম্পর্কিত নানারকম মজার তথ্য আমরা কয়জন জানি? চুম্বন করা কি স্বাস্থ্যের পক্ষে ভালো, ফ্রান্সে কীভাবে চুম্বন করা হয়, কারা চুম্বনের পর নাক চেপে রাখেন, বিয়ের আগে কে কতবার চুম্বন করে- এসব নিয়েই কিছু মজার তথ্য রইল এই প্রতিবেদনে।
১) এক একবারের চুম্বনে মুখের ২৯টি পেশির সঞ্চালন হয়। ফলে নিয়মিত চুম্বনে মুখের চামড়া চট করে কুঁচকে যায় না।
২) ঘনিষ্ঠ চুম্বনের সময় থুথু বা স্যালাইভায় থাকে ফ্যাট, মিনারেল সল্ট ও প্রোটিন। আর এক দেহ থেকে অন্য দেহে যখন এগুলো চুম্বনের মাধ্যমে যায়, তখন অপর দেহে তৈরি হয় অ্যান্টিবডি। ফলে শরীরে অ্যান্টিজেনের বিরুদ্ধে লড়াই করার জন্য ইমিউনিটি ক্ষমতাও দৃঢ় হয়ে ওঠে।
৩) ৬৬ শতাংশ লোক (নারী-পুরুষ নির্বিশেষে) চুম্বনের সময় নিজেদের চোখ বন্ধ রাখেন। বাকিরা তারিয়ে তারিয়ে পার্টনারের চোখেমুখের আবেগকে লক্ষ্য করেন।
৪) মার্কিনী পরিসংখ্যান জানাচ্ছে, আমেরিকান নারীদের অধিকাংশই বিয়ের আগে প্রায় ৮০ জন পুরুষকে চুম্বন করে ফেলেন।
৫) চট করে রোমান্টিক চুম্বনে শরীরের ২-৩ ক্যালোরি খরচ হয়, কিন্তু স্মুচ বা ফ্রেঞ্চ কিসে যেখানে জিভের সঙ্গে জিভের যোগাযোগ থাকে, সেখানে প্রতি চুম্বন পিছু ৫ ক্যালোরি এনার্জি বের হয় শরীর থেকে। নট ব্যাড!
৬) সেক্স, রোমান্সে বা রোমাঞ্চকর মুহূর্তে ঠোঁট হাতের আঙুলের থেকে ২০০ শতাংশ বেশি সংবেদনশীল হয়ে ওঠে।
৭) অফিসে বেরোনোর আগে যেসব পুরুষরা স্ত্রীকে চুম্বন করে যান তাদের আয়ু অনেকটাই বেশি হয়। আর উল্টোটা যারা করেন, তাদের ট্রাফিক অ্যাক্সিডেন্ট হওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে।
৮) স্মুচিংয়ের সময় প্রায় ৯০ সেকেন্ড ধরে ব্লাড প্রেশার আর পাল্স রেট বেড়ে যায় উত্তেজনায়। এমনকী মিনিটখানেকের জন্য শরীরে কিছু কিছু হরমোনেরও আধিক্য ঘটে।
৯) ফ্রান্সে ফ্রেঞ্চ কিসকে জাংচার অফ সোল বলে। কারণ এতে শুধু ঠোঁটই জড়িয়ে থাকে না। চলে আসে জিভও। আর ফরাসীবাসীদের ধারণা এসবের সঙ্গে আত্মার যোগ রয়েছে।
১০) দীর্ঘ চুম্বনের পর এস্কিমোরা একটা লম্বা শ্বাস নেন। তারপর দুজন দুজনের নাক চিপে প্রায় মিনিট দুয়েক ধরে থাকে।
১১) পৃথিবীর দীর্ঘতম চুম্বনের রেকর্ডটি রয়েছে মার্কিনীদের দখলে৷রীচ ল্যাংলো এবং লুইসা আলমেডেভোর একসঙ্গে ৩০ ঘণ্টা ৫৯ মিনিট ধরে চুম্বন চালিয়েছিলেন একসঙ্গে। কোনোরকম বিরতি ছাড়াই।
১২) চুম্বনের ফলে দাঁতেও চট করে প্লাক জমতে পারে না, কারণ মুখগহ্বরে স্যালাইভার পরিমাণ বেড়ে যায়।
১৩) বাৎস্যায়নের কামসূত্রতে প্রায় ৩০ রকমের চুম্বনের কথা বলা হয়েছে, যার মধ্যে অন্যতম আধুনিক ফ্রেঞ্চ কিসও।
১৪) দুই তৃতীয়াংশ লোকই চুম্বনের সময় তাদের মাথা ডানদিকে হেলিয়ে রাখেন।
১৫) চুম্বনের সময় হার্টবিট বেড়ে গিয়ে মস্তিষ্কেও বেশি পরিমাণে অক্সিজেন পৌঁছে।