Category: আইটি টেক

  • ডিসির পর এবার ‘ওসির আপত্তিকর ভিডিও’

    ডিসির পর এবার ‘ওসির আপত্তিকর ভিডিও’

    অনলাইন ডেস্ক ::

    জামালপুরের জেলা প্রশাসকের (ডিসি) নারী কেলেঙ্কারির ঘটনার পর এবার কিশোরগঞ্জের কটিয়াদী মডেল থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু শামা মো. ইকবাল হায়াতের সঙ্গে এক নারীর আপত্তিকর ছবি ও ভিডিও নিয়ে তোলপাড় চলছে। তবে ওসি আবু শামা মো. ইকবাল হায়াতের দাবি- এটি আসল ছবি নয়, কম্পিউটারে এডিট করে তার ছবির মতো করা হয়েছে।

    এ ঘটনায় ওই নারী বাদী হয়ে স্থানীয় এক সাংবাদিকসহ দুইজনকে আসামি করে সোমবার রাতে কটিয়াদী মডেল থানায় জিডিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা করেছেন। মামলা দায়েরের পর রাতেই মামলার প্রধান আসামি হিমেল এবং কটিয়াদী প্রেসক্লাবের সভাপতি ও বাংলা টিভির কটিয়াদী প্রতিনিধি সৈয়দ মুরসালিন দারাশিকোকে গ্রেফতার করে পুলিশ। তবে রাতেই মুচলেকা নিয়ে সাংবাদিক দারাশিকোকে থানা থেকে ছেড়ে দেয়া হয়।

    মামলায় ওই নারী উল্লেখ করেন, তার ও কটিয়াদী মডেল থানার ওসির ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করতে আপত্তিকর ছবিতে তাদের মুখমণ্ডল লাগানো হয়েছে। তবে মামলার এজাহারে ভিডিওর কথা উল্লেখ করা হয়নি।

    এদিকে থানার ওসির সঙ্গে ওই নারীর ছবি ও ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার ঘটনা নিয়ে এলাকায় তোলপাড় চলছে। নানাজনের ফেসবুক ম্যাসেঞ্জারে ছড়িয়ে পড়েছে এ অশ্লীল ভিডিও। এ ব্যাপারে কটিয়াদী মডেল থানার ওসি একটি জিডি করেছেন। বিষয়টি তদন্তের জন্য পুলিশ সুপারের নির্দেশে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (তদন্ত) মো. মিজানুর রহমানকে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে।

    জানা গেছে, কটিয়াদী পৌর এলাকার ওই নারীর স্বামী দেশের বাইরে থাকেন। একই এলাকার হিমেল নামে এক যুবকের সঙ্গে তার সম্পর্ক গড়ে ওঠে। হিমেলের পরিবারের দাবি, হিমেলের কাছ থেকে ওই নারী মোটা অংকের টাকা ধার নেন। ওই নারীর সঙ্গে সম্পর্কের অবনতি হলে হিমেল তার পাওনা টাকা আদায়ের জন্য কটিয়াদী থানা পুলিশের সাহায্য চায়। কটিয়াদী মডেল থানার ওসি আবুশামা মো. ইকবাল হায়াত ওই নারীকে থানায় ডেকে এ নিয়ে তার সঙ্গে কথা বলেন। কিন্তু হিমেল টাকা ফেরত পায়নি।

    তবে ওসির দাবি- থানায় বসে টাকার বিষয়টি ফায়সালা করে দেয়া হয়েছিল। এ ঘটনার কিছুদিন পর ওই নারীর আপত্তিকর ছবি ও ভিডিও ছড়িয়ে দেয়া হয় বিভিন্ন মাধ্যমে।

    এ ঘটনায় ওই নারী গত ৯ সেপ্টেম্বর রাতে কটিয়াদী মডেল থানায় ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা করেন। মামলায় কটিয়াদী পৌর এলাকার আসাদ মিয়ার ছেলে হিমেল ও সৈয়দ সামছুদ্দোহার ছেলে কটিয়াদী প্রেসক্লাবের সভাপতি সৈয়দ মুরছালিন দারাশিকোর নাম উল্লেখসহ আরও অজ্ঞাত ৪/৫ জনকে আসামি করা হয়।

    মামলার বিবরণে উল্লেখ করা হয়, মোবাইল ফোনের মাধ্যমে পরিচয়ের সূত্র ধরে হিমেলের সঙ্গে ওই নারীর সম্পর্ক গড়ে উঠে। ২০১৬ থেকে ২০১৭ সাল পর্যন্ত হিমেলের সঙ্গে সম্পর্ক ছিল। হিমেল গোপনে তার মোবাইল ফোন থেকে স্বামীর সঙ্গে মেলামেশার কয়েকটি ছবি নিজের মোবাইলে নিয়ে যায়। পরবর্তীতে সম্পর্ক করতে রাজি না হওয়ায় ২০১৭ সালের শেষের দিকে সাংবাদিক দারাশিকোর সহযোগিতায় হিমেল তার নগ্ন ছবি বিভিন্ন মোবাইলে দিয়ে ভাইরাল করে দেয়।

    গত ২৯ আগস্ট হিমেল তার মোবাইলের ইমু আইডি থেকে ওই নারীর এক দেবরের মোবাইলে এক পুরুষের সঙ্গে আপত্তিকর অবস্থায় দুটি ছবি পাঠায়। ওই নারীর দাবি ছবির মুখমণ্ডল তার হলেও শরীর অন্য কারও। এতে বলা হয়, গত ৯ সেপ্টেম্বর প্রিয়া সুলতানা নামে একটি ফেসবুক আইডি থেকে আমাকেসহ ওসি সাহেবের নামে বিভিন্ন অপবাদ ছড়ানো হয়। আসামিরা আমার ছবি বিকৃত করে বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে আমাকে হেয় প্রতিপন্ন ও আমার মর্যাদা ক্ষুণ্ন করছে। ওসি সাহেব একজন সরকারি কর্মচারী হওয়ায় তার সুনামও ক্ষুণ্ন করেছে।’

    এ ব্যাপারে যোগাযোগ করা হলে কটিয়াদী মডেল থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু শামা মো. ইকবাল হায়াত জানান, এ ঘটনায় একজন নারী বাদী হয়ে দুইজনের নামে থানায় মামলা করেছেন। পুলিশ মামলার প্রধান আসামি হিমেলকে গ্রেফতার করেছে। তাকে সাতদিনের রিমান্ড আবেদন করে মঙ্গলবার আদালতে পাঠানো হয়েছে।

    তিনি বলেন, হিমেলের সঙ্গে ওই নারীর দুই বছর সম্পর্ক ছিল। সম্পর্ক খারাপ হয়ে যাওয়ায় সে তার ছবি বিকৃত করে ছড়িয়েছে।

    ওই নারীর সঙ্গে থাকা পুরুষের ছবিটি তার নয় উল্লেখ করে ওসি বলেন, আমাকে এসবের সঙ্গে কেন জাড়ানো হচ্ছে। এর পেছনে কারা কাজ করছে সেটি তদন্তের পরই জানা যাবে।

    মামলার দ্বিতীয় আসামি সাংবাদিক সৈয়দ মুরছালিন দারাশিকোকে রাতে বাড়ি থেকে আটক করে এনে আবার থানা থেকে ছেড়ে দেয়া হলো কেন- এমন প্রশ্নের জবাবে ওসি আবু শামা মো. ইকবাল হায়াত বলেন, আসলে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে কোনো আসামি অপরাধের সঙ্গে জড়িত কি-না সেটা নিশ্চিত হয়েই তাকে গ্রেফতার করতে হয়। সাংবাদিক দারাশিকোকে গ্রেফতার করা হয়নি। তাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আনা হয়েছিল। জিজ্ঞাসাবাদের পর তাকে ছেড়ে দেয়া হয়।

    এ ব্যাপারে যোগাযোগ করা হলে কিশোরগঞ্জের পুলিশ সুপার মাশরুকুর রহমান খালেদ বলেন, এ বিষয়ে মামলা হয়েছে। তদন্তের পর দোষীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে। তবে যেহেতু ওসির বিষয় নিয়ে কিছুটা অস্পষ্টতা আছে তাই বিষয়টি তদন্তের জন্য অতিরিক্ত পুলিশ সুপারকে (ক্রাইম) তিনদিনের মধ্যে রিপোর্ট দিতে বলা হয়েছে। রিপোর্ট পাওয়ার পর এ ব্যাপারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।

  • বিকাশে প্রতারণা করে বিপুল টাকা হাতিয়ে নিলেন তারা

    বিকাশে প্রতারণা করে বিপুল টাকা হাতিয়ে নিলেন তারা

    অনলাইন ডেস্ক ::

    ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলার মিয়াপাড়া গ্রামে অভিযান চালিয়ে বিকাশ প্রতারণা চক্রের পাঁচ সদস্যকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব-৮। এ সময় প্রতারণার কাজে ব্যবহৃত মোবাইল, সিমকার্ড এবং ইয়াবা উদ্ধার করা হয়।

    মঙ্গলবার দুপুরে প্রেস ব্রিফিংয়ের মাধ্যমে এ তথ্য জানিয়েছেন ফরিদপুর র‌্যাব ক্যাম্পের কোম্পানি অধিনায়ক মেজর শেখ নাজমুল আরেফিন পরাগ।

    মেজর শেখ নাজমুল আরেফিন পরাগ বলেন, একটি চক্র প্রতারণার মাধ্যমে মানুষের কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ অর্থ হাতিয়ে নিচ্ছে এমন অভিযোগ আসে র‌্যাব ক্যাম্পে। এ বিষয়ে ফরিদপুর র্যাব ক্যাম্প গোয়েন্দা তথ্যসংগ্রহ ও ঘটনার সত্যতা যাচাইয়ের জন্য গভীর অনুসন্ধান চালায়। ঘটনার সত্যতা নিশ্চিতের পর র্যাবের একটি বিশেষ দল মঙ্গলবার ভোরে ভাঙ্গা উপজেলার মিয়াপাড়া গ্রামে অভিযান পরিচালনা করে। এ সময় বিকাশের মাধ্যমে প্রতারণা চক্রের সক্রিয় সদস্য মো. রুবেল মাতব্বর (৩০), মো. ঠান্ডু শেখ (২৮), মো. কামাল হাওলাদার (৩১), সামাদ মাতব্বর (২৬) ও মো. ইমরান খানকে (১৯) গ্রেফতার করে র্যাব। এদের সবার বাড়ি ভাঙ্গা উপজেলার মিয়া পাড়া গ্রামে।

    তিনি আরও বলেন, বিকাশ প্রতারণার কাজে ব্যবহৃত ১৬টি মোবাইল, ৪৬টি সিমকার্ড, নয় পিস ইয়াবা এবং ১ হাজার টাকা জব্দ করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে বিকাশ প্রতারণার মাধ্যমে জনসাধারণের কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ অর্থ হাতিয়ে নিয়েছে বলে স্বীকার করেছে তারা। তাদের বিরুদ্ধে ভাঙ্গা থানায় মামলা করা হয়েছে।

  • স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে নিয়ে এ কেমন কটূক্তি ডেপুটি জেলারের

    স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে নিয়ে এ কেমন কটূক্তি ডেপুটি জেলারের

    অনলাইন ডেস্ক ::

    সাতক্ষীরা জেলা কারাগারের ডেপুটি জেলার ডলি আক্তার। জলি মেহেজাবিন খান নামে ফেসবুক ব্যবহার করেন এ কর্মকর্তা। পহেলা সেপ্টেম্বর কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগারে কারারক্ষী বুনিয়াদি প্রশিক্ষণ কোর্সের একটি অনুষ্ঠানে ধারাভাষ্যকারের দায়িত্ব পালন করেন তিনি। ধারাভাষ্য দেয়ার মুহূর্তে নিজের সেলফি তুলে রাখেন ডলি আক্তার।

    ৩ সেপ্টেম্বর সকাল ৮টা ৪৯ মিনিটে তিনি তার ব্যবহৃত জলি মেহেজাবিন খান নামের ফেসবুকে সেই ছবিটি পোস্ট করেন। ছবির ক্যাপশনে এ কারা কর্মকর্তা লেখেন, ৫৬তম ব্যাচ কারারক্ষী বুনিয়াদি প্রশিক্ষণ কোর্সের শপথ গ্রহণ ও সমাপনী কুচকাওয়াজ পরিদর্শন করবেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জনাব আসাদুজ্জামান খান এমপি। এ অনুষ্ঠানের ধারাভাষ্যকার হিসেবে আপনাদের সঙ্গে আছি আমি…………। (লেখাটি পরিমার্জিত)

    ছবিতে কমেন্ট করেন এ নারী কর্মকর্তার অনেক শুভাকাঙ্ক্ষী। এর মধ্যে শারমিন ববি নামের একজন মন্তব্য করেছেন, ‘আফা মন্ত্রী বানান টা একটু ঠিক করে দেন, না হলে কিন্তু মাননীয় মন্ত্রী মাইন্ড খাইতে পারে।’ এ কমেন্টের প্রতিউত্তরে সাতক্ষীরার ডেপুটি জেলার ডলি আক্তার ওরফে জলি মেহেজাবিন খান লিখেছেন, ‘আমি চাটুকারিতা একদম পছন্দ করি না আফা (আপা), চাকরি করি জেলখানায়, এরকম বহু নামি-দামি ব্যান্ড (ব্র্যান্ড) ভেতরে আসলে বিলাই (বিড়াল) হয়ে যায়…যাই হোক, স্পেলিং মিসটেক হয়েছে এবং সেটা অনিচ্ছাকৃত।’ তার উত্তরে শারমিন ববি লিখেছেন, তোকেতো ভালো করেই চিনি, চাটুকারিতা যে করিস না সেটাও জানি, জাস্ট বানান ভুলটা চোখে পড়লো তাই তোকে জানালাম।’

    সরকারের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে নিয়ে স্ট্যাটাস দিয়ে সেখানে মন্ত্রীকে নিয়ে এমন কটূক্তি কতটা যুক্তিযুক্ত হয়েছে সেই বিষয়ে জাগো নিউজের পক্ষ থেকে যোগাযোগ করা হয় ডেপুটি জেল সুপার ডলি আক্তার অরফে জলি মেহেজাবিন খানের সঙ্গে।

    satkhira-doli

    তিনি বলেন, ফেসবুক আমার ব্যক্তিগত ব্যাপার। সেখানে আমি কি লিখবো সেটা অন্য কাউকে তো বলবো না। আর কোন প্রসঙ্গে কার সঙ্গে বলেছি সেটাও আপনার জানতে হবে।

    তিনি আরও বলেন, আমি সরকারি কর্মকর্তা। সরকারের মন্ত্রীকে কটাক্ষ আমি করতেই পারি না। তখন তিনি ফেসবুকটি তার নয় বলে অস্বীকার করেন। তখন ফেসবুকে তার ছবির বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি কোনো উত্তর দিতে পারেননি।

    ডেপুটি জেলারের এমন ফেসবুক মন্তব্যের বিষয়ে সাতক্ষীরা কারাগারের জেল সুপার আবু জায়েদ বলেন, সম্প্রতি সাতক্ষীরা কারাগারে যোগদান করেছেন ডলি আক্তার। কাশিমপুর কারাগারের অনুষ্ঠানে আমিও ছিলাম। তবে ফেসবুকে ডলি আক্তার কি লিখেছেন সেটি আমি দেখিনি। তাছাড়া আমাদের কারা আইনে রয়েছে সবকিছু ফেসবুকে দেয়া যাবে না।

    তিনি বলেন, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে নিয়ে যদি এমন কটূক্তি করে থাকেন তবে অবশ্যই সেটি ঠিক করেননি। তিনি বর্তমানে ছুটিতে রয়েছেন। অফিসে যোগদান করলে তাকে এ ব্যাপারে সতর্ক করা হবে।

    ঘটনার বিষয়ে সাতক্ষীরা জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আলহাজ নজরুল ইসলাম বলেন, ডেপুটি জেলার ডলি আক্তারের ফেসবুকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে নিয়ে এমন মন্তব্যের বিষয়টি আমি এখনও দেখিনি। বিষয়টি কারা কর্তৃপক্ষকে জানানো হবে।

    এ বিষয়ে জেলা প্রশাসক এস এম মোস্তফা কামাল বলেন, বিষয়টি আমার দৃষ্টিতে আসেনি এখনও। না দেখে এখনই কোনো মন্তব্য করতে চাই না।

  • ১০০ টাকার নোট ইস্যুর বিষয়টিকে গুজব বললো বাংলাদেশ ব্যাংক, সতর্ক থাকার আহ্বান!

    ১০০ টাকার নোট ইস্যুর বিষয়টিকে গুজব বললো বাংলাদেশ ব্যাংক, সতর্ক থাকার আহ্বান!

    সাম্পতিক সময়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ১০০ টাকা মূল্যায়নের নতুন মুদ্রিত নোটের ছবি পাওয়া যাচ্ছে।এ নোটের সম্মুখ ভাগের বাম পাশে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং পেছন ভাগে বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইটের ছবি রয়েছে।

    ফেসবুকের কতিপয় আইডির মাধ্যমে এ তথ্য ছড়ানো হয়েছে যা অনেক গন্যমান্য ব্যাক্তি কর্তিক শেয়ার করা হচ্ছে। প্রসংগত বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তিক এ ধরনের ছবি সম্বলিত ক্নে প্রকার নোট মুদ্রনের উদ্যেগ গ্রহন করা হয়নি। অর্থাৎ ফেসবুকের মাধ্যমে যে নোটের ছবি দেখা যাচ্ছে তা সম্পুর্ন বানোয়াট ও ভিত্তিহীন। জনমনে বির্ভান্ত সৃষ্টিকারী এ ধরনের ছবি ফেসবুক সহ অন্যান্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রচার প্রচরনা না করার জন্য সকলকে অনুরোধ জানানো যাচ্ছে।

  • ফেসবুক লাইক আর গোনা যাবে না

    ফেসবুক লাইক আর গোনা যাবে না

    অনলাইন ডেস্ক:

    অনেকেই ফেসবুকে কোন পোস্টে কত লাইক, তা দেখে পোস্ট পড়েন বা শেয়ার করেন। ফেসবুকে কোন পোস্টে কত লাইক পড়ল, তা গোনার সুযোগ আর নাও রাখতে পারে ফেসবুক। কারণ, লাইকের ওপর ভিত্তি করেই অনেক পোস্ট ভাইরাল হয়ে যায়। কিন্তু অনেক গুরুত্বপূর্ণ পোস্ট কম লাইকের কারণে গুরুত্ব পায় না। ফেসবুক কর্তৃপক্ষ বিষয়টি ধরতে পেরেছে। তাই ফেসবুকে নিউজ ফিড পোস্টে লাইক কাউন্টার শিগগিরই সরিয়ে ফেলার কথা ভাবছে। এ পরিবর্তনের বিষয়টি ফেসবুক কর্তৃপক্ষ সম্প্রতি নিশ্চিত করেছে।

    ইনস্টাগ্রাম সম্প্রতি ঘোষণা দিয়েছে, সাতটি দেশে লাইক গণনা করার সুবিধা লুকানোর বিষয়টি পরীক্ষা করা হচ্ছে। তাদের উদ্দেশ্য হচ্ছে ব্যবহারকারী যাতে পোস্ট করা ছবি বা ভিডিও কত লাইক পেয়েছে তাতে গুরুত্ব না দিয়ে তা শেয়ারের দিকে বেশি মনোযোগ দেয়। ইনস্টাগ্রামের ক্ষেত্রে নেওয়া সিদ্ধান্তটি ফেসবুকেও চালু হতে পারে। প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞ জেন ম্যানচুন ওং সম্প্রতি ফেসবুকে এ অপশন খুঁজে পেয়েছেন। তাঁর ভাষ্য, ফেসবুক অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপে লুকানো লাইক কাউন্টের বিষয়টি পরীক্ষা করছে ফেসবুক।

    ওংয়ের টুইটের পরই ফেসবুক কর্তৃপক্ষ প্রযুক্তিবিষয়ক ওয়েবসাইট টেকক্রাঞ্চকে বিষয়টি নিশ্চিত করে জানায় তারা লাইক সরিয়ে ফেলছে। তবে ব্যবহারকারীদের জন্য এটা এখনো চালু হয়নি। ইনস্টাগ্রামে চালানো পরীক্ষার ফলও এখনো প্রকাশ করেনি ফেসবুক কর্তৃপক্ষ। তবে ফেসবুকে পরীক্ষা করার অর্থ দাঁড়ায়, এ ক্ষেত্রে ইতিবাচক ফল পেয়েছে তারা।

    ইনস্টাগ্রামে পরীক্ষার সময় পোস্টদাতা কত লাইক পেলেন, তা জানতে পারেন কিন্তু তার অনুসারীরা তা দেখতে পাননি। এ পরীক্ষা সম্পর্কে ইনস্টাগ্রামের প্রধান অ্যাডাম মোসেরি বলেন, ‘ব্যবহারকারীদের ওপর কম কম দেওয়া যাতে তাঁরা নিজেদের প্রকাশ করতে অস্বস্তিতে না ভোগেন। কত লাইক পেলেন, তা নিয়ে অনেকেই চাপে থাকেন, তা আমরা জানতে পেরেছি।’

    উল্লেখ্য, ফেসবুক সম্প্রতি ইনস্টাগ্রামের জন্য পৃথক প্রাইভেট মেসেজিং অ্যাপ্লিকেশন চালু করার পরিকল্পনা করছে। ওই অ্যাপের নাম হবে থ্রেডস। স্ন্যাপচ্যাটের মতো ওই অ্যাপ কাছের মানুষদের মধ্যে একান্ত যোগাযোগের সুবিধা দেবে।

  • ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে পঙ্কজ দেবনাথের মামলা

    ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে পঙ্কজ দেবনাথের মামলা

    সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আপত্তিকর স্ট্যাটাস ও ছবি পোস্ট করার অভিযোগে বরিশাল-৪ আসনে আওয়ামী লীগের সাংসদ পঙ্কজ দেবনাথ পাঁচজনের বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা করেছেন।

     

    আজ রোববার দুপুরে ঢাকায় বাংলাদেশ সাইবার ক্রাইম ট্রাইব্যুনালের বিচারক আস সামছ জগলুল হোসেনের আদালতে এই মামলা করা হয়। বিচারক বাদীর জবানবন্দি শুনে পুলিশের কাউন্টার টেররিজম ইউনিটকে অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত করে আগামী ২৬ সেপ্টেম্বর প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেন।

     

    আদালতের সরকারি কৌঁসুলি নজরুল ইসলাম শামীম এ বিষয়ে সাংবাদিকদের নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, মামলার আসামিরা হলেন লাল ভাই, মিনা ফারাহ, আলম শুভ, শিপন মাহমুদ পরদেশী ও রাজন রহমান রুমি। মামলার আরজি থেকে জানা যায়, আসামিরা পঙ্কজ দেবনাথের নাম গোপন করে এবং কখনো কখনো নাম প্রকাশ করে বিভিন্ন ফেসবুক আইডি থেকে তাঁর ছবি না হওয়া সত্ত্বেও মিথ্যা বর্ণনায় গত ২৬ আগস্ট প্রচার করে।

     

    তা এখনো প্রচারিত হচ্ছে এবং ইউটিউব, ফেসবুক ও অন্যান্য যোগাযোগ মাধ্যমে প্রচার করায় পঙ্কজ দেবনাথের মানহানি হয়। এ বিষয়ে পঙ্কজ দেবনাথ অবগত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে তাঁর একান্ত সচিব (পিএস) মোহাম্মদ রিয়াজুল ইসলামের মাধ্যমে ধানমণ্ডি থানায় গত ২৭ আগস্ট একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন। তা সত্ত্বেও আসামিরা বাদীর নামে আপত্তিকর স্ট্যাটাস এবং ছবি পোস্ট করেন। পঙ্কজ দেবনাথ বরিশাল-৪ আসনের সংসদ সদস্যের দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি বাংলাদেশ আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করছেন।

     

    আদালতে শুনানির সময় পঙ্কজ দেবনাথ বলেন, গত ২৬ আগস্টের আগ পর্যন্ত বিভিন্ন ফেক আইডি থেকে অন্য ছবি দিয়ে ফেক আইডি খোলা হয়। স্যোশাল মিডিয়াতে খুব বাজেভাবে তা উপস্থাপন করা হচ্ছে। এতে আমি হেয় হচ্ছি। আমি ও আমার দলের ইমেজ নষ্ট হচ্ছে। আমি এর সুষ্ঠু তদন্ত চাই। আইনের মাধ্যমে অপরাধীদের যেন ধরা যায় এজন্য মামলাটি দায়ের করেছি।

  • পঙ্কজ নাথ’র বিরুদ্ধে মিথ্যা অপপ্রচার, মাও: সালাউদ্দিনের নিন্দা

    পঙ্কজ নাথ’র বিরুদ্ধে মিথ্যা অপপ্রচার, মাও: সালাউদ্দিনের নিন্দা

    নিজস্ব প্রতিবেদক ::

    স্বেচ্ছাসেবক লীগের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক ও বরিশাল ৪ আসনের এমপি পঙ্কজ নাথ’র বিরুদ্ধে চক্রান্তমূলক তথা কথিত ভিডিও প্রচারে তীব্র নিন্দা ও ক্ষোভ জানিয়েছেন হিজলা উপজেলাধীন গুয়াবারীয়া ইউনিয়নে মৌলভীর হাটে অবস্থিত কাশেমুল উলম ইসলামীয়া মাদ্রাসার প্রধান পরিচালক মাও: সালাউদ্দিন খান ।

    স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনের অগ্রসৈনিক, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক, স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক, দুই বারের নির্বাচিত সংসদ সদস্য বঙ্গবন্ধু কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনার অত্যন্ত বিশ্বস্থজন পংকজ দেবনাথ-এর বিরুদ্ধে মিথ্যা এবং নোংরা অপপ্রচারের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন।

    তিনি আরও বলেন সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক পংকজ দেবনাথ এমপি-কে নিয়ে অশ্লীল প্রচারণায় আমরা ক্ষুব্ধ। এ ধরণের বিকৃত মানসিকতার অপতৎপরতার নিন্দা জানানোর ভাষা আমাদের জানা নেই। একজন সফল ছাত্রনেতা, সংসদ সদস্য সর্বোপরী নিবেদিতপ্রাণ দক্ষ সংগঠককে জনসমক্ষে হেয় ও বিতর্কিত করার হীন উদ্দেশ্যে যারা এসব অপকর্ম করছে তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য প্রশাসনের প্রতি দাবি জানিয়েছেন ।

  • মেসেঞ্জার-হোয়াটসঅ্যাপে বার্তা পড়লেও জানবে না কেউ

    মেসেঞ্জার-হোয়াটসঅ্যাপে বার্তা পড়লেও জানবে না কেউ

    মেসেঞ্জার ও হোয়াটসঅ্যাপে বন্ধুদের পাঠানো যেকোনো বার্তা দেখলেই তা প্রেরক জানতে পারেন। এতে অনেক সময় বেশ জটিলতায় পড়তে হয়। মেসেঞ্জার ও হোয়াটসঅ্যাপের রিড রিসিপট ফিচার সাময়িকভাবে অকার্যকর করে সমস্যার সমাধান করা সম্ভব। মেসেঞ্জারে বন্ধুদের পাঠানো বার্তা গোপনে পড়ার জন্য স্মার্টফোনটির সেটিংস অপশনে প্রবেশ করে ‘এয়ারপ্লেন মোড’ চালু করতে হবে। বার্তা পড়া শেষে অপশনটি বন্ধ করলেই পুনরায় আগের মতো মেসেঞ্জারের সব সুযোগ মিলবে।

    অন্যদিকে হোয়াটসঅ্যাপে এ সুবিধা পেতে সেটিংস পেজে প্রবেশ করে পর্যায়ক্রমে অ্যাকাউন্ট, প্রাইভেসি অপশনে ক্লিক করে ‘টার্ন অব রিসিপটস’-এ ক্লিক করতে হবে।

  • ভূগোলে এত কাঁচা, ইমরান খানকে নিয়ে টুইটারে হাস্যরস!

    ভূগোলে এত কাঁচা, ইমরান খানকে নিয়ে টুইটারে হাস্যরস!

    দুটো দেশের মধ্যেকার দূরত্ব ৯ হাজার কিলোমিটারের বেশি। অথচ সেই দুই দেশকে পড়শি বানিয়ে দিলেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান! বললেন জার্মানি ও জাপানের সীমান্তে দু’দেশ মিলে অনেক শিল্প-কারখানা স্থাপন করেছে। ফলে দু’দেশেরই উন্নতি হচ্ছে।

    ইমরানের এই মন্তব্যকে ঘিরে হাস্যরসে মেতেছেন সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারীরা।

    গতকাল রোববার ভারতীয় শিল্পপতি আনন্দ মাহিন্দ্রা ভিডিওটি টুইটারে শেয়ার করেন। ঘটনাটি আগের। চলতি বছরের শুরুতে ইরান সফরে গিয়ে কিছু কথা বলেছিলেন পাকিস্তানী প্রধানমন্ত্রী।

    ভিডওতে দেখা যাচ্ছে, একটা সম্মেলনে ইমরান খান বলছেন। সেখানে ইমরানকে বলতে শোনা যায়, “যত বেশি দুটো দেশ নিজেদের মধ্যে বাণিজ্য বাড়াবে, তত দু’দেশের মধ্যে সম্পর্ক ভালো হবে। জার্মানি ও জাপান দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের আগে পর্যন্ত লক্ষ লক্ষ মানুষ মেরেছে। কিন্তু এখন জাপান ও জার্মানির সীমান্তে যৌথ শিল্প-কারখানা আছে। তাই যেহেতু এখন দু’দেশের অর্থনৈতিক বিষয় একই জিনিসের উপর নির্ভর করছে, তাই তারা কখনওই একে অন্যের ক্ষতি চাইবে না।”

    এই ভিডিওটি টুইট করে সেখানে মাহিন্দ্র লেখেন, “ভগবানকে ধন্যবাদ, এই ব্যক্তিকে আমার ইতিহাস বা ভূগোলের শিক্ষক না করার জন্য।”

    এরপর ভারতীয় অনেকে ভিডিও শেয়ার করে হাস্যরস করছেন। জার্মানি ও জাপান দুটি আলাদা আলাদা মহাদেশের দেশ। দু’দেশের মধ্যে ফারাক ৯ হাজার কিলোমিটারের বেশি।

  • তথ্য স্ক্যান করে ছবি খুঁজে দেবে গুগল ফটোজ

    তথ্য স্ক্যান করে ছবি খুঁজে দেবে গুগল ফটোজ

    দ্রুত নির্দিষ্ট ছবির সন্ধান দিতে ফাইলের পাশাপাশি ছবিতে থাকা বিভিন্ন তথ্য স্ক্যান করবে গুগল ফটোজ। অর্থাৎ জন্মদিনের অনুষ্ঠানের ছবির সঠিক নাম উল্লেখ না করলেও যেসব ছবির ভেতরে ‘শুভ জন্মদিন’ শব্দ লেখা রয়েছে তা প্রদর্শন করবে গুগলের অনলাইন স্টোরেজ সেবাটি। চাইলে ছবির পেছনে থাকা ব্যানারের বিভিন্ন তথ্য কপি করে সংগ্রহও করা যাবে। ফলে প্রয়োজনের সময় দ্রুত ছবিগুলোর সন্ধান পাওয়ার পাশাপাশি গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পরবর্তী সময়ে ব্যবহারের সুযোগ মিলবে।

    উল্লেখ্য, গত বছর প্রথম গুগল ফটোজে ‘সাজেস্টেড শেয়ারিং’ ফিচার চালু হয়। চেহারা শনাক্তকরণ প্রযুক্তি সুবিধার ফিচারটি ছবিতে থাকা ব্যক্তিদের চেহারা চিনে তাদের ই-মেইল ঠিকানা খুঁজে বের করতে পারে। এমনকি যাদের সঙ্গে নিয়মিত ছবি বিনিময় করা হয় তাদের ঠিকানাও দেখায়। ফলে ছবি পাঠানোর জন্য বন্ধুদের ই-মেইল ঠিকানা খোঁজার দরকার হয় না।