Category: আইটি টেক

  • স্কুলে ফেসবুক ব্যবহার বন্ধ করতে যাচ্ছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়

    স্কুলে ফেসবুক ব্যবহার বন্ধ করতে যাচ্ছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়

    ফেসবুক এর কল্যাণে যেমন সামাজিক যোগাযোগ বৃদ্ধি হয়েছে। ঠিক তেমনি এর অপব্যবহারের কারণে বেড়েছে বিভিন্ন অপরাধ। বিশেষ করে ছাত্র-ছাত্রীরা ফেসবুকে বেশি সময় দেওয়ার কারণে অমনোযোগী হয়ে পড়ছে লেখাপড়ায়।

    এবার স্কুলে ফেসবুক ব্যবহার বন্ধ করতে যাচ্ছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। এ লক্ষ্যে নতুন একটি খসড়া নীতিমালা তৈরি করা হয়েছে। এর ফলে বিদ্যালয়ের মধ্যে আইসিটি ডিভাইস বহন, ছবি তোলা এবং ভিডিও করা নিষিদ্ধ হবে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।

    জানা গেছে, হাইকোর্টের নির্দেশে প্রায় দুই বছর পর নীতিমালাটি চূড়ান্ত করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ।

    শনিবার (২৪ আগস্ট) ব্যানবেইসে সারাদেশে শতাধিক শিক্ষা কর্মকর্তা, শিক্ষক, অভিভাবকদের নিয়ে একটি কর্মশালার মাধ্যমে ‘স্কুল বুলিং নীতিমালা-২০১৯’ চূড়ান্ত করা হচ্ছে। নীতিমালায় বুলিং প্রতিরোধের উপায় হিসেবে পারিবারিক শিক্ষা, অভিভাবক এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের করণীয় নির্ধারণ করে দেয়া হয়েছে।

    খসড়া নীতিমালায় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের করণীয় নির্ধারণ করে বলা হয়েছে, বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের মূল্যবোধ শেখানোর দিকে বেশি নজর দিতে বলা হয়েছে। নীতিমালায় নিয়ম ভঙ্গকারীদের জন্য শাস্তির বিধান করা হয়েছে। এমনকি নিয়ম ভঙ্গ করলে টিসি দিয়ে দেয়া হবে এমন বার্তা সবার মধ্যে পৌঁছে দেওয়ার কথা খসড়া নীতিমালায় বলা হয়েছে।

    এ বিষয়ে দ্রুত ব্যবস্থা নেয়ার কথা উল্লেখ করা হয়েছে। তবে কোনো শিক্ষার্থীকে শারীরিকভাবে আঘাত করা যাবে না। প্রয়োজনে কাউন্সিলিং করতে হবে। অভিভাবকদের ডেকে বোঝাতে হবে। বুলিং রোধে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণ, করিডোর, ক্লাসরুমে সিসি ক্যামেরা বসানোর পাশাপাশি মনিটরিং করতে হবে।

    এক্ষেত্রে শিক্ষক, কর্মচারীদের মুখ্য ভূমিকা পালন করতে হবে। এ আইন অমান্য বা একে বুলিং হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে, এটি ক্রিমিনাল ক্রাইম না হলেও স্কুল কর্তৃপক্ষ প্রয়োজনে পুলিশের সাহায্য নিতে পারেন। শিক্ষকদের কোনো চাপমুক্তভাবে নিয়ম-শৃঙ্খলা বজায় রাখার পর্যাপ্ত ক্ষমতা দিতে হবে। শিক্ষক যুক্তিসঙ্গত উপায়ে তা হ্যান্ডেল করবেন। বুলিংয়ের শিকার ও বুলিং করা উভয়ের কাছে লিখিত নেয়ার ব্যবস্থা করা উত্তম। এক্ষেত্রে কেউ সাক্ষী থাকলে তার থেকেও লিখিত রিপোর্ট নেয়া যাবে। বুলিংয়ের শিকার ও বুলিং করা উভয়কে আলাদাভাবে বা একসঙ্গে প্রতিরোধ কমিটি প্রয়োজনীয় কথা বলবে।

    এ ব্যাপারে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের অতিরিক্ত সচিব (মাধ্যমিক-২) জাবেদ আহমেদ বলেন, নীতিমালা প্রায় চূড়ান্ত। শনিবার শিক্ষক, শিক্ষার্থী, অভিভাবকদের নিয়ে একটি কর্মশালার পর এটি চূড়ান্ত করার পর প্রজ্ঞাপন আকারে জারি করা হবে। আদালতের নির্দেশে নীতিমালায় এটি করা হয়েছে।

    খসড়া নীতিমালায় স্কুল বুলিং বলতে বোঝানো হয়েছে, স্কুল চলাকালীন সময় বা শুরুর আগে ও পরে, ক্লাস রুমে, স্কুলের ভেতরে, প্রাঙ্গণে বা স্কুলের বাইরে কোনো শিক্ষার্থী দ্বারা অন্য শিক্ষার্থীকে শারীরিক আঘাত করা বা মানসিক বিপর্যস্ত করা, অশালীন বা অপমানজনক নামে ডাকা, অসৌজন্যমূলক আচরণ করা, কোনো বিশেষ শব্দ বার বার বলে উত্ত্যক্ত বা বিরক্ত করাকে স্কুল বুলিং হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। সাধারণত স্কুলে মৌখিক, শারীরিক ও সামাজিক- এ তিন ধরনের বুলিং হয়ে থাকে। মৌখিক বুলিং হলো কাউকে উদ্দেশ্য করে এমন কিছু বলা বা লেখা, যা খারাপ কোনো কিছুর প্রতি ইঙ্গিত।

    উল্লেখ্য, এর আগে জার্মানিতে ফেসবুক আর টুইটারের মতো সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমগুলো অফিসে ব্যবহার নিষিদ্ধ করে৷

  • ডিজিটাল ম্যনিয়ায় আক্রান্ত সবাই

    ডিজিটাল ম্যনিয়ায় আক্রান্ত সবাই

    একটি ঘরে একই সময় শিশু থেকে শুরু করে অভিভাবকদের সবাই একান্ত মনে স্মার্ট ফোন ব্যবহারে ভীষণ ব্যস্ত। এধরনের দৃশ্য এখন ঘরে ঘরে দেখা যায়। একবিংশ শতাব্দিতে রয়েছি আমরা, বিজ্ঞানের আর্শিবাদে এই শতাব্দিতে সবকিছুই ডিজিটাল। যখন যা চাই সবই যেনো হাতের মুঠোয় পাওয়া যায়। আর প্রতিটি জিনিষ হাতের মুঠোয় এনে দিয়েছে একটি ছোট ডিভাইস,যাকে বাংলায় মুঠোফোন ও ইংরেজিতে মোবাইল বলা হয়ে থাকে। প্রাথমিক পর্যায়ে এটি কেবল কথা বলা ও মেসেজ আদান প্রদানের জন্য ব্যবহার হয়ে থাকলেও কাল ক্রমে এই ডিভাইসটি এখন অনেক স্মার্ট। যাদুকরি এই ডিভাইসে যেনো পুরো পৃথিবীটাকে খুঁজে পাওয়া যায়।

    উন্নত দেশগুলোতে এরই মধ্যে গবেষণা করে দেখা গেছে স্মার্ট ফোন ব্যবহার বেশি করলে তা স্বাস্থ্যগতসহ মানসিক সমস্যার কারণ হয়ে দাঁড়ায়। বিষণ্নতা সৃষ্টি করে। বিশেষ করে শিশুদের বুদ্ধি বিকাশে তা প্রচণ্ড বাধার সৃষ্টি করে। এবং এসব বিষয় বিবেচনা করে চিকিৎসা বিজ্ঞানীরা স্মার্ট ফোনের ব্যবহার সীমিত করার পরামর্শ দিয়েছেন। কিন্তু এ পরামর্শ মেনে চলার ব্যাপারে খুব সামান্যই আগ্রহ দেখা যায়।

    প্রায় ৯৯% মানুষ এখন স্মার্ট মোবাইল ফোন ব্যবহার করে থাকে, এটি দামে সুলভ হওয়াই প্রায় সবাই এটি কিনে ফেলতে পারে। তবে বর্তমানে এর ভয়াবহ ব্যবহার দেখা যায়, ছোট শিশু থেকে শুরু করে বয়স্ক মানুষের মস্তিস্কে এটি জায়গা করে নিয়েছে। এই ডিভাইসে নেটের ব্যবহার যত্রতত্র হওয়াই বিভিন্ন প্রকার ভিডিও গেম,অনলাইন গেম,ডাউনলোড গেম সহজেই আওতায় আনা যায়। তাই এখন শিশুরা মাঠের খেলা ছেড়ে মোবাইলেই খেলতেই ভালোবাসে, এছাড়া ছোট শিশুর জেদ ভাঙ্গাতে বা তাকে ব্যস্ত রাখতে মা-বাবা পর্যন্ত তাদের এই ডিভাসের প্রতি আসক্ত করছেন।

    গণযোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুক এখানে অতি সহজেই পাওয়া যায় তাই মানুষ নিজেদের মধ্যে গল্প,আড্ডা কমিয়ে দিয়ে এখানেই সোচ্চার হয়ে গেছে। বিভিন্ন প্রকার ছবি তুলে তাতে পোষ্ট করা , নিজেদের রাগ,দুঃখ,অভিমান, হতাশা , হাসি, আনন্দ সবকিছু এখানেই শেয়ার করা যায়। আর তাতে অন্যেরা লাইক আর কমেন্ট দিয়ে নিজেদের মতামত ব্যক্ত করে,আর এটা পাওয়ার জন্যই মানুষ ব্যকুল হয়ে থাকে। সারাদিন ফেসবুকে এক্টিভ থাকে অনেকে এতে করে মানুষ ব্যক্তিগত ভাবে একা হয়ে পড়ছে। সামনে থেকে দেখে মানুষ মানুষের জন্য আর দুঃখ বোধ করে না, সমস্ত দুঃখবোধ যেনো ফেসবুকে পোস্ট হওয়া ঐ অংশটার প্রতি। এই ডিজিটাল ম্যনিয়ার কারণে মানবকুল যন্ত্রে পরিণত হচ্ছে , কাছে থেকে ,পাশে থেকেও যেনো সবাই একা। ভিডিওটিতে একটি পরিবারের সবাই কিভাবে স্মার্ট ফোনে চরম আসক্তিতে আটকে পড়ে আছেন তা স্পষ্ট হয়ে উঠেছে।

  • গুগলকে টেক্কা দিতে নিজস্ব ওএস আনল হুয়াওয়ে!

    গুগলকে টেক্কা দিতে নিজস্ব ওএস আনল হুয়াওয়ে!

    স্মার্টফোনের জন্য নিজস্ব অপারেটিং সিস্টেম চালু করেছে চীনভিত্তিক প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান হুয়াওয়ে। গুগলের অ্যান্ড্রয়েড মোবাইল অপারেটিং সিস্টেমকে একহাত নিতেই হুয়াওয়ে আজ শুক্রবার নিজস্ব অপারেটিং সিস্টেমটি চালু করে।

    হুয়াওয়ে তার অপারেটিং সিস্টেমটির নাম দিয়েছে ‘হারমোনি’ (সম্প্রীতি)। প্রতিষ্ঠানের কনজ্যুমার বিজনেস বিভাগের প্রধান রিচার্ড ইয়ু দাবি করেন, হারমোনি অপারেটিং সিস্টেমটি (হারমোনিওএস) ‘পৃথিবীতে আরো সম্প্রীতির বার্তা বয়ে আনবে’।

    হুয়াওয়ের মালিকানাধীন স্মার্টফোন ব্র্যান্ড ‘অনার’ আগামীকাল শনিবার হারমোনিওস-ভিত্তিক প্রথম স্মার্টফোনটি আনুষ্ঠানিকভাবে বাজারে আনবে। অ্যান্ড্রয়েডে চলে এমন অধিকাংশ অ্যাপই হারমোনিওসে চলবে বলে জানিয়েছে হুয়াওয়ে। পাশাপাশি এই অপারেটিং সিস্টেম ব্যবহার করে মোবাইল ফোন, কম্পিউটার ও গাড়ির জন্য অ্যাপ বানাতে পারবেন ডেভেলপাররা। বার্তা সংস্থা এএফপি এসব তথ্য জানিয়েছে।

    চীনের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্যযুদ্ধ চলছে। চীনের কোনো প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানের কাছে গুগল তার লাইসেন্স বিক্রি করতে পারবে না—যুক্তরাষ্ট্রের এমন নিষেধাজ্ঞার মুখে নিজস্ব অপারেটিং সিস্টেম আনল হুয়াওয়ে। এত দিন হুয়াওয়ে ও অনারের সব স্মার্টফোন গুগলের অ্যান্ড্রয়েড অপারেটিং সিস্টেমে চলত। গুগলের অপারেটিং সিস্টেমকে নিজেদের মতো করে রূপান্তর করে স্মার্টফোনগুলো বাজারে আনত হুয়াওয়ে। এক মাসের কিছু কম সময় নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে রাখার পর হুয়াওয়ের কাছে গুগলের লাইসেন্স বিক্রি করার ওপর নিষেধাজ্ঞাটি তুলে নেয় মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন।

  • এবার ‘মন পড়ার’ ডিভাইস আনছে ফেসবুক!

    এবার ‘মন পড়ার’ ডিভাইস আনছে ফেসবুক!

    হাত দিয়ে আর টাইপ করতে হবে না। যে কথা মনে আসবে, সেটি অটোমেটিক লিখে ফেলবে ডিভাইস। কয়েক বছরের মধ্যে এমন একটি বিস্ময়কর প্রযুক্তি আনার ঘোষণা দিয়েছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম প্রতিষ্ঠান ফেসবুক।

    ২০১৭ সালের এফ৮ ডেভেলপার সম্মেলনে ফেসবুক জানায় তারা ব্রেইন-কম্পিউটার ইন্টারফেস (বিসিআই) প্রোগ্রাম নিয়ে কাজ করছে, যেটা ব্রেনের ভাবনা পড়ে টাইপ করতে পারবে। তারপর এতদিন বিষয়টি নিয়ে আর মুখ খোলেনি প্রতিষ্ঠানটি।

    প্রায় আড়াই বছর পর প্রযুক্তিটির বিস্তারিত জানাল ফেসবুক।

    প্রযুক্তি বিষয়ক ওয়েবসাইট সিনেট জানিয়েছে, ইউনিভার্সিটি অফ ক্যালিফোর্নিয়ার সঙ্গে ফেসবুক যৌথভাবে ডিভাইসটি তৈরি করছে।

    গবেষণার অংশ হিসেবে তিনজন মৃগী রোগীর ব্রেনে তাদের অনুমতি নিয়ে অস্থায়ী ইলেকট্রোড ইনস্টল করা হয়।

    গবেষকেরা বলছেন, ‘আর্টিফিশিয়াল ইনটেলিজেন্স’ বা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ভিত্তিক সিস্টেম ওই তিন ব্যক্তির মুখের কথা শেষ করার আগেই ৬১ শতাংশ ক্ষেত্রে সেটি বুঝতে পেরেছে।

    গত কয়েক মাসে সফলতার হার ৭৫ শতাংশে উঠেছে।

    প্রতি মিনিটে ১০০ শব্দ লেখার সক্ষমতা অর্জন করার টার্গেট নিয়েছেন বিজ্ঞানীরা। যেখানে থাকবে ১ হাজার শব্দ। ভুলের হার প্রাথমিকভাবে ১৭ শতাংশ নির্ধারণ করা হয়েছে।

    ডিভাইসটি পরিধানযোগ্য হবে বলে জানিয়েছে ফেসবুক।

  • একাধিক অ্যাকাউন্ট থাকলেই বন্ধ হবে ফেসবুক!

    একাধিক অ্যাকাউন্ট থাকলেই বন্ধ হবে ফেসবুক!

    ফেসবুক লগ-ইন করার জন্য লাগবে ছবি ও মোবাইল নাম্বার। ভুয়া অ্যাকাউন্ট মুছে দিতে এমন চিন্তা করছে এই সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম।

    অ্যাকাউন্টে প্রোফাইল পিকচার, নিজ সম্পর্কে তথ্য না থাকলেই ফেক অ্যাকাউন্ট! লগ-ইন করার জন্য ফেসবুক চাইবে মোবাইল ফোন নাম্বার ও ছবি। ভেরিফাইয়ের পরই মিলবে লগ-ইন করার সুযোগ।

    তবে একটু ব্যতিক্রম হবে অন্যদের ক্ষেত্রে। যারা প্রতিদিন ফেসবুক ব্যবহার করেন তাদের এসব সমস্যা না হওয়ার সম্ভবনা বেশি। বিপাকে তারাই পড়বেন যাদের একাধিক অ্যাকাউন্ট রয়েছে।

    এছাড়া একই রকম ছবি দিয়েও খোলা একাধিক অ্যাকাউন্টগুলোও ফেক অ্যাকাউন্টের তালিকায় পড়বে।

    অনেকেই ফেসবুক তাদের সঠিক তথ্য দেন না। অনেক সময় মোবাইল নাম্বার ও ছবি ছাড়াই তারা এসব অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করেন।

    যে অ্যাকাউন্টগুলো বিভিন্ন ফেসবুক পেজ, গ্রুপ চালানোর জন্য ব্যবহার করা হয়। এসব অ্যাকাউন্টের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা হিসেবে তাদের মোবাইল নাম্বার ও প্রোফাইলের ছবি দিতে বাধ্য করবে ফেসবুক।

  • অতিরিক্ত সময় মোবাইল ব্যবহারে নানা সমস্যা

    অতিরিক্ত সময় মোবাইল ব্যবহারে নানা সমস্যা

    দিনে পাঁচ ঘণ্টা বা তার বেশি সময় ধরে যেসব শিক্ষার্থী মোবাইল ফোন ব্যবহার করেন, তাঁদের স্থূলতার ঝুঁকি বাড়তে পারে। সাম্প্রতিক এক গবেষণায় এ তথ্য পাওয়া গেছে। গবেষকেরা সতর্ক করেছেন, অতিরিক্ত সময় ধরে মোবাইল ফোনের ব্যবহারে অন্যান্য বাজে অভ্যাস তৈরি হয়, যাতে হৃদ্‌রোগের ঝুঁকিও বেড়ে যেতে পারে। কলম্বিয়ার গবেষকেরা সম্প্রতি এ গবেষণা করেছেন।

    কলম্বিয়ার ১৯ থেকে ২০ বছর বয়সী ৭০০ তরুণী ও ৩৬০ জন কিশোর শিক্ষার্থীর ওপর গবেষণাটি চালান সিমন বলিভার বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকেরা।

    গবেষণা প্রবন্ধের শীর্ষ লেখক মিরারি ম্যান্তিলা-মোরন বলেন, সাধারণ মানুষের জন্য এটা জানা ও সতর্ক থাকা গুরুত্বপূর্ণ এ কারণে যে মোবাইল ডিভাইসের আকর্ষণীয় উপযোগী ফিচার থাকলেও এটা অবশ্যই উন্নত অভ্যাস ও স্বাস্থ্যকর আচরণের সঙ্গে সংগতিপূর্ণ হতে হবে।

    গবেষকেরা বলছেন, দিনে পাঁচ ঘণ্টা বা তার বেশি সময় ধরে মোবাইল ফোন ব্যবহার করলে স্থূলতার ঝুঁকি ৪৩ শতাংশ বাড়ে। এতে শিক্ষার্থীদের মধ্যে চিনিযুক্ত পানীয়, ফাস্ট ফুড, মিষ্টি, বারবার নাশতা খাওয়ার প্রবণতা বাড়ে। এ ছাড়া তাঁদের শারীরিক সক্রিয়তা অনেক কমে যায়। গবেষকেরা বলছেন, যাঁদের ওজন বেশি থাকে, তাঁদের ২৬ শতাংশ এবং আগে মেদযুক্ত ছিল—এমন ব্যক্তিদের ৪ দশমিক ৩ শতাংশ পাঁচ ঘণ্টার বেশি স্মার্টফোন যুক্ত থাকেন।

    গবেষকেরা বলছেন, অতিরিক্ত সময় মোবাইল ফোনের ব্যবহারে তরুণদের মধ্যে যে শারীরিক সক্রিয়তা কমে, তাতে অকালমৃত্যু, ডায়াবেটিস, হৃদ্‌রোগ ও নানা ধরনের ক্যানসার হতে পারে।

    সুস্থ থাকতে ফোনের ব্যবহার কমিয়ে আরও বেশি ব্যায়াম ও শারীরিক সক্রিয়তা বাড়ানোর নানা কাজে যুক্ত থাকার পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।

  • ফেসবুকের অ্যাকাউন্ট খুলতে দিতে হবে যেসব তথ্য

    ফেসবুকের অ্যাকাউন্ট খুলতে দিতে হবে যেসব তথ্য

    পরিচয় গোপন করে অ্যাকাউন্ট খোলার সুযোগ আর রাখছে না সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুক। অন্তত একটি প্রোফাইল ছবি ও বিশেষ কিছু তথ্য যোগ না করলে এখন থেকে অ্যাকাউন্ট খুলতে পারবে না কেউ। এ ছাড়া মোবাইল নম্বরও দিতে হবে ব্যবহারকরীদের।

    নিষ্ক্রিয় অ্যাকাউন্ট তৈরি বন্ধ করতে এবং পরিচয় গোপন রেখে ফেসবুক খুলে হয়রানির আশঙ্কা ঠেকাতে এ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে বলে জানিয়েছে ফেসবুক কর্তৃপক্ষ।

    আইএএনএসের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, একাধিক ফেসবুক অ্যাকাউন্ট ব্যবহারকারীদের ফেসবুকে প্রোফাইলের বাড়তি তথ্য দেওয়া সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে। ফেসবুকে লগইন করতে গেলে অ্যাকাউন্ট ভেরিফিকেশন প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে যেতে হবে এসব ব্যবহারকারীদের। ফলে কোনো অ্যাকাউন্টে মোবাইল নম্বর দেওয়া না থাকলে, ফেসবুক মোবাইল নম্বর ও অন্তত একটি প্রোফাইল পিকচার চাইবে। আর একই মোবাইল নম্বর দিয়ে একাধিক ফেসবুক আইডি খোলার সুযোগ দিচ্ছে না ফেসবুক।

    অনেকেই ফেসবুকে ভুয়া অ্যাকাউন্ট তৈরি করে ব্যবহার করেন। এসব অ্যাকাউন্টে অনেক সময় ছবি বা মোবাইল নম্বর দেন না তারা। এসব ভুয়া অ্যাকাউন্টের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা হিসেবে তাদের মোবাইল নম্বর ও প্রোফাইলের ছবি দিতে বাধ্য করবে ফেসবুক।

    ফেসবুক কর্তৃপক্ষ মনে করছেন, নতুন এ পদ্ধতিতে ভুয়া অ্যাকাউন্ট থেকে গুজব বা মিথ্যা তথ্য ছড়ানো ঠেকানো যাবে। অবশ্য যারা ফেসবুকে তথ্য দিতে চান না, তাদের ফেসবুক অ্যাকাউন্ট মুছে দেওয়ার সুযোগও রয়েছে।

  • ফেসবুকে ভাইরাল হওয়া মেয়েটি আসলে কে?

    ফেসবুকে ভাইরাল হওয়া মেয়েটি আসলে কে?

    কিছুদিন যাবৎ ফেসবুকে একটি ভিডিও ভাইরাল হয়েছে। রোগাপটকা এক মেয়ে বক্তব্য দিচ্ছে। কেউ কেউ একাধিকবারও শুনছেন সেই ভিডিও। ভিডিওটি দেখে অনেকের মনেই প্রশ্ন জেগেছে, কে এই মেয়ে? কী তার পরিচয়? তবে ভার্চুয়াল জগতে সে প্রশ্ন বেশিদিন বয়ে বেড়াতে হয়নি।

    ভিডিওটি দেখে একটি সাধারণ মেয়ের স্কুলের অনুষ্ঠানের একটি বক্তব্য মনে হয়। মাত্র আড়াই মিনিটের বক্তব্যে মেয়েটি কীভাবে জীবনে একটার পর একটা ইচ্ছা বিসর্জন দিয়েছে, তা বলেছে। সব শেষে বলেছে, ‘একজন সৎ, পরিশ্রমী বিবেকবান মানুষ হতে পারলেই আমি খুশি। ছেড়ে দিয়ে আমি জিতে যেতে চাই।’

    rebecca-in-(1)

    জানা যায়, এটি একটি পুরোনো ভিডিও। মেয়েটির নাম রেবেকা শফি। তিনি বাংলাদেশের মেয়ে। তবে এখন তিনি বিদেশে। তার ওয়েবসাইট সূত্রে জানা যায়, হার্ভার্ডে পড়াশোনা করে বর্তমানে রিসার্চ করছেন তিনি। বাংলাদেশের মুখ উজ্জ্বল করেছেন ঢাকার এই মেয়েটি

    সূত্র জানায়, ঢাকার ধানমন্ডিতে তার জন্ম ও বেড়ে ওঠা। যে ভিডিওটি ভাইরাল হয়েছে, সেটি ছিল আসলে একটি বিতর্ক প্রতিযোগিতার ফাইনালের। ১৯৯৩-৯৪ সালের সেই অনুষ্ঠানে উপস্থিত থেকে পুরস্কার দেন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী। রেবেকার বাবা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক আহমেদ শফি ও মা অধ্যাপিকা সুলতানা শফি। রেবেকার বড় বোন ফারিয়াল শফিও পদার্থবিজ্ঞানের শিক্ষার্থী।

    বর্তমানে রেবেকা জেনেটিকসের একজন রিসার্চ ফেলো। এনডিমিয়া নামে এক কন্যাসন্তানের মা। পদার্থবিদ্যা নিয়ে পড়তে বিদেশে পাড়ি দিয়েছিলেন। হার্ভার্ড ইউনিভার্সিটিতে অ্যাস্ট্রোফিজিকস নিয়ে পিএইচডি করেন। বর্তমানে জেনেটিকস নিয়ে পোস্ট ডকটরাল রিসার্চ করছেন। হার্ভার্ডে সোয়ার্টজ ফেলোশিপ পান। নিউরোসায়েন্সের ইন্টারসেকশন নিয়ে কাজ করছেন হার্ভার্ড মেডিকেল স্কুলে।

    rebecca-in-(2)

    এত বছর পর নিজের ভিডিও দেখে চমকে গেছেন তিনিও। তাই তো তার ফেসবুকে লিখেছেন, ‘নিজের ১৫ বছর বয়সের ভিডিও দেখে আমি অবাক, পুরোনো দিনে ফিরে যাচ্ছি।’

  • বৃষ্টির দিনে ফোন রাখবেন যেভাবে

    বৃষ্টির দিনে ফোন রাখবেন যেভাবে

    বর্ষাকালে ফোন নিয়ে বের হতে সবারই ভয় লাগে। কারণ, কোন সময় বৃষ্টির পানি ফোনের ভিতরে ঢুকে ফোন নষ্ট করে দেবে তা বলা কঠিন। কিন্তু, এখন থেকে তা নিয়ে আর চিন্তা করার প্রয়োজন নেই। জেনে নিন এই বর্ষাতে কিভাবে সুরক্ষিত রাখবেন আপনার ফোন।

    এখন ফোনের জন্য ওয়াটার প্রুফ পাউচ পাওয়া যায়। ওয়াটার প্রুফ পাউচগুলোতে সাধারণত আইপিএক্স ৮ রয়েছে যা ফোনকে অনেক বেশি সুরক্ষিত করে পানি থেকে। এই পাউচ থাকলেও ফোন সহজেই ব্যবহার করা যায়। অর্থাৎ, পাউচ আছে বলে যে আপনাকে বারবার ফোনটিকে পাউচ এর থেকে বার করে ব্যবহার করতে হবে তা কিন্তু নয়।

    সিলিকা জেল ব্যবহৃত জিপলক পাউচ

    এইগুলোতে সাধারণত ভাবে সিলিকা জেল ব্যবহৃত হয় যা পানির আর্দ্রতা থেকে ফোনকে আরো বেশি সুরক্ষিত করে। সহজেই পাওয়া যায় এই পাউচ।

    ব্লুটুথ হেড ফোন

    এছাড়া ব্লুটুথ হেডফোন ব্যবহার করলে বৃষ্টিতে ফোন বাইরে বার করতে হবে না। খুব সহজেই ব্যাগের মধ্যে থেকেও কল রিসিভ করা যায়। যদিও ব্লুটুথ হেডফোনগুলোও বৃষ্টির পানিতে নষ্ট হয়ে যেতে পারে। তবে বৃষ্টিতে স্মার্টফোনের তুলনায় ব্লুটুথ হেডফোন নষ্ট হওয়ার সম্ভাবনা অনেক কম ।

    কিন্তু ফোন পানিতে যদি ভিজেই যায় সে ক্ষেত্রে সঙ্গে সঙ্গে ফোনের ব্যাটারি খুলে ফেলা উচিত। অবশ্য এখন বেশির ভাগ ফোনেই ব্যাটারি খোলার অপশন থাকে না। সে ক্ষেত্রেও ফোন ভিজে গেলে তা কখনই সঙ্গে সঙ্গে চার্জে বসানো উচিত নয়।

    আর ভুল করেও হেয়ার ড্রাইয়ার ব্যবহার করবেন না। বরং সেই সময় শুকনো চালের মধ্যে ফোনটি রেখে দিন এবং সারারাত ও ভাবেই ফোনটি থাকতে দিন। অথবা সিলিকা জেল জিপ লক পাউচ এর মধ্যে ফোনটি রেখে দিন যতক্ষণ পর্যন্ত না পানি শুকিয়ে যাচ্ছে।

  • আইফোন বিস্ফোরিত হয়ে অগ্নিকাণ্ড

    আইফোন বিস্ফোরিত হয়ে অগ্নিকাণ্ড

    হাতে মোবাইল নিয়ে নিজের ঘরের বিছানায় বসে কাজ করছিল ১১ বছরের এক কিশোরী। আচমকা সে দেখে, হাতের ফোনটি থেকে আগুনের ফুলকি বের হচ্ছে। তৎক্ষনাৎ ফোনটি বিছানায় ছুড়ে ফেলে দেয়। মোবাইলের মাধ্যমে বিছানায় থাকা কম্বলে আগুন লাগে।

    মার্কিন সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত খবর অনুযায়ী, গত শনিবার যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়া অঙ্গরাজ্যের একটি বাড়িতে ঘটেছে এই ঘটনা। ঘটনার শিকার ওই কিশোরী বলে, ‘আমি বিছানায় বসে ফোনটি ব্যবহার করছিলাম। ঠিক তখনই আমার ফোনে আগুনের ফুলকি চোখে পড়ে। আমি তৎক্ষণাৎ ফোনটি কম্বলের উপর ছুড়ে ফেলে দিই। তারপর সেটি জ্বলতে শুরু করে।’

    নাম প্রকাশে ওই কিশোরীর মা মারিয়া আদাতা অ্যাপলের সাপোর্ট সেন্টারে ফোন করে অভিযোগ জানালে পুড়ে যাওয়া ফোনটির ছবি তুলে স্থানীয় খুচরা ব্যবসায়ীর কাছে সেটি জমা দিতে বলা হয়। আইফোন কর্তৃপক্ষ বলছে, ‘আনঅথরাইজ (অনুমোদনহীন) চার্জিং কেবল এবং চার্জার ব্যবহারের কারণে আগুন লাগতে পারে।’

    কিশোরীর মা আরও অভিযোগ তুলে বলেন, ‘আমার মেয়ের বড় তো যেকোনো ধরনের বড় ক্ষতি হয়ে যেতে পারত। যদি তার হাতে থাকা অবস্থায় ফোনটিতে আগুন লাগতো তাহলে তো ওর শরীর পুড়ে যেতে পারত। আমি ভাগ্যবান যে আমার মেয়ে এখনও সুস্থ আছে।’

    মার্কিন প্রযুক্তি জায়ান্ট অ্যাপলের তৈরি ‘সর্বাধুনিক’ আইফোনে আগুন লাগার অভিযোগ এটাই প্রথম নয়। গত বছরের ডিসেম্বরে যুক্তরাষ্ট্রের ওহাইও অঙ্গরাজ্যের এক বাসিন্দার পিছনের পকেটে থাকা আইফোন বিষ্ফোরিত হওয়ার খবর পাওয়া যায়। ফোনটি মাত্র তিন সপ্তাহ ব্যবহার করেছিলেন তিনি।