Category: আইটি টেক

  • ফেসবুককে ৫০০ কোটি ডলার জরিমানা করেছে যুক্তরাষ্ট্র

    ফেসবুককে ৫০০ কোটি ডলার জরিমানা করেছে যুক্তরাষ্ট্র

    অনলাইন ডেস্ক : যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল ট্রেড কমিশন (এফটিসি) ব্যক্তিগত তথ্যের গোপনীয়তা লঙ্ঘন করার দায়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম জায়ান্ট ফেসবুককে ৫০০ কোটি ডলার জরিমানা করেছে। মার্কিন গণমাধ্যমগুলোতে বিভিন্ন সূত্রের বরাত দিয়ে এই তথ্য জানানো হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে কোনো টেক জায়ান্টকে এটাই সর্বোচ্চ জরিমানা।

    বিবিসির প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল ট্রেড কমিশন (এফটিসি) এই বিষয়টির তদন্ত করছে। ফেসবুকের বিরুদ্ধে অভিযোগ, তারা ক্যামব্রিজ অ্যানালিটিকার হয়ে উদ্দেশ্য প্রণোদিত ভাবে রাজনৈতিক কাজে ব্যাবহারের জন্য জন্য ৮৭ মিলিয়ন ফেসবুক ব্যবহারকারীর ব্যক্তিগত তথ্য হাতিয়ে নিয়েছে।

    সূত্রের বরাত দিয়ে মার্কিন সংবাদমাধ্যম ওয়াশিংটন পোস্ট শুক্রবারের এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, এফটিসির সদস্যদের মধ্যে ৩-২ ভোটের মাধ্যমে ফেসবুকের বিরুদ্ধে এই বিশাল এবং রেকর্ড পরিমাণ জরিমানার বিষয়টি অনুমোদন দেয়া হয়।

    ফেসবুক এবং এফটিসি উভয়ই বিবিসিকে বলেছে, তারা ওই প্রতিবেদন নিয়ে কোনো ধরনের মন্তব্য করবে না। ব্রিটিশ পলিটিকাল কনসালটেন্সি ফার্ম ক্যামব্রিজ অ্যানালিটিকার কাছে প্রায় ৯০ মিলিয়ন ফেসবুক গ্রাহকের ব্যক্তিগত তথ্য থাকার বিষয়ে গত বছরের মার্চে ফেসবুকের বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু করে এফটিসি।

    ২০১১ সালের একটি চুক্তির শর্ত ভঙ্গ হওয়ার কারণেই তদন্তের কাজ শুরু করে ফেডারেল ট্রেড কমিশন(এফটিসি)। ওই চুক্তি অনুযায়ী, কোনো ফেসবুক ব্যবহারকারীর ব্যক্তিগত তথ্য নেয়ার ক্ষেত্রে তাদেরকে বিষয়টি স্পষ্ট করে জানাতে হবে, যদি তারা সম্মতি দেয় তাহলেই কেবল তাদের তথ্য শেয়ার করা যাবে। আর সেটা না করা হলে তা হবে বেআইনি।

    ঘটনার সঙ্গে জড়িত বিভিন্ন ব্যক্তি গত শুক্রবার ওয়াল স্ট্রিট জার্নালকে বলেছে, ফেসবুককে ৫০০ কোটি ডলার জরিমানার বিষয়টি এফটিসির ৩-২ ভোটে অনুমোদন দেয়া হয়েছে। তারা বলছে, যে তিনজন জরিমানা করার পক্ষে ছিল তারা ক্ষমতাসীন দল রিপাবলিকানের এবং বিপক্ষে যারা ছিল তারা বিরোধীদল ডেমোক্র্যাটের।

    সূত্রের বরাত দিয়ে মার্কিন অন্যান গণমাধ্যমেও প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে। তবে এই জরিমানা চূড়ান্ত হবে বিচার বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সিভিল বিভাগের মাধ্যমে। আর তা হতে কতদিন সময় লাগবে সে সম্পর্কে নিশ্চিত করে কিছু বলা যাচ্ছে না এখনই।

  • স্মার্টফোন ব্যহারকারীর সব কথা শুনছে গুগল!

    স্মার্টফোন ব্যহারকারীর সব কথা শুনছে গুগল!

    আপনার ফোনে কি গুগল অ্যাসিস্ট্যান্ট স্মার্টফোন অ্যাপ ইনস্টল করা আছে? কিংবা আপনি পশ্চিমা কোন দেশে আছেন এবং গুগলের হোম স্মার্ট স্পিকার ব্যবহার করছেন? তাহলে নিশ্চিতভাবে জেনে নিন, গুগল কর্মীরা প্রতিষ্ঠানটির হোম স্মার্ট স্পিকার এবং গুগল

    অ্যাসিস্ট্যান্ট স্মার্টফোন অ্যাপের মাধ্যমে আপনার সব কথাই রেকর্ড করেছে, কিছু কিছু রেকর্ড তারা শুনেছেও। অবিশ্বাস্য হলেএ তা সত্যি এবং গুগল তা স্বীকারও করে নিয়েছে যে, তারা আপনার ব্যক্তিগত কথাবার্তা শোনে!

    ভয়ঙ্কর এই খবরটি প্রথম প্রথম বেলজিয়ামের পাবলিক ব্রডকাস্টার ভিআরটি প্রকাশ করে। তারা ডাচ ভাষায় রেকর্ড হওয়া কিছু অডিও প্রকাশ করে। তারপরেই গুগল স্বীকার করে নেয় যে, আর্টিফিসিয়াল ইন্টেলিজেন্স-অ্যাসিস্ট্যান্সে রেকর্ড হওয়া কণ্ঠস্বর তারা শোনে থাকে। ভিআরটি তাদের রিপোর্টে উল্লেখ করেছে যে বেশির ভাগ ক্ষেত্রে সচেতন ভাবে রেকর্ড করা কণ্ঠস্বর শোনে গুগল। কিন্তু তারা এমনও কথাবার্তা শোনে যা কখনও রেকর্ডই করা হয়নি। কিছু ক্ষেত্রে এই সব কথাবার্তার মধ্যে খুব সংবেদনশীল তথ্যও থাকে।

    গুগলের প্রোডাক্ট ম্যানেজার অফ সার্চ ডেভিড মনসেস, কোম্পানির একটি ব্লগে স্বীকার করে নিয়েছেন, তাদের ভাষা বিশেষজ্ঞরা সারা বিশ্বে রেকর্ড করা এই সব কথা শোনেন। ভাষা প্রযুক্তি উন্নয়নের জন্য এটা করা হয় বলে দাবি করেন ডেভিড।

    গুগলের দাবি, যে সমস্ত অডিও রেকর্ড হয় তার মাত্র ০.২ শতাংশই শোনা হয়। এই অডিও ক্লিপিংগুলি নাকি তারা রেকর্ড করে বক্তার পরিচয় ধরে না রেখে। ব্যবহারকারিদের অ্যাকাউন্টের সঙ্গে এর কোনও সম্পর্ক নেই বলে দাবি করে গুগল বলছে,  ফোন ব্যবহারকারীদের ব্যক্তিগত তথ্য গোপনই থাকছে সেই সঙ্গে আরও দাবি করা হয়েছে, যে সামনের কথাই শুধু রেকর্ড হয়, পিছনের কথা বা শব্দ তাদের ভাষা বিশেষজ্ঞরা শোনেন না।

    ভিআরটি বলছে, ফোন ব্যবহারকারিদের নাম, বাড়ির ঠিকানা, পরিবারে অন্যান্য সদস্যদের নামের মতো ব্যক্তিগত তথ্যও থাকে গুগলের কাছে। ফলে কোন কথাটি কে বলছে  সে তথ্য গুগলের কাছে থাকছেই।

    গুগল অ্যাসিস্ট্যান্ট চালু করতে গেলে বলতে হয় ‘ওকে গুগল’, অথবা বোতাম টিপতে হয়। যদিও সংখ্যায় খুব কম, তাও গুগল স্বীকার করেছে অনেক ক্ষেত্রে ‘ওকে গুগল’ না বলা সত্বেও শব্দ রেকর্ড শুরু হয়ে যায়। গুগলের দাবি হচ্ছে, অনেক সময় প্রচুর নয়েজ বা কোলাহলপূর্ণ পরিবেশে অটো রেকর্ড চালু হয়ে যায়।

    চলতি বছরের শুরুর দিকে অ্যামাজন স্বীকার করে ‘খুব কম পরিমান নমুনা’ তারা শোনে। অ্যামাজনের অ্যালেক্সা সিস্টেম ভয়েস অ্যাসিস্ট্যান্ট পরিসেবা দেয়। অ্যামাজন স্বীকার করতে বাধ্য হয়েছিল কারণ মার্কিন সংস্থা ব্লুমবার্গ জানায়, বিশ্ব জুড়ে হাজার হাজার অ্যামাজনের কর্মী অ্যালেক্সা ব্যবহারকারিদের বাড়ির ও অফিসের কথাবার্তা শোনে। তারপরেই অ্যামাজনকে এই স্বীকারোক্তি দিতে হয়।

  • ০২৯৫৭০০২৮ নম্বরে ফোন করে জানা যাবে বন্যার তথ্য

    ০২৯৫৭০০২৮ নম্বরে ফোন করে জানা যাবে বন্যার তথ্য

    দেশের সার্বিক বন্যা পরিস্থিতি মোকাবেলায় ব্যাপক প্রস্তুতি নিয়েছে সরকার। পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ ও তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহের জন্য পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ে নিয়ন্ত্রণ কক্ষ খোলা হয়েছে। সচিবালয়ের ৬ নম্বর ভবনের পঞ্চম তলার ৪২৫ নম্বর রুমে খোলা হয়েছে এ নিয়ন্ত্রণ কক্ষ। নিয়ন্ত্রণ কক্ষের  ফোন নম্বর ০২৯৫৭০০২৮।

    আজ শুক্রবার (১২ জুলাই) বিকেলে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. আবু নাছের জানান, নিয়ন্ত্রণ কক্ষ থেকে সারা দেশে বন্যা সংক্রান্ত তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ করা হবে। বন্যা-সংক্রান্ত তথ্য প্রদানের জন্য সবাইকে নিয়ন্ত্রণ কক্ষের বর্ণিত নম্বরে ফোন করার অনুরোধ করা হয়েছে।

    এ ছাড়া মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন পানি উন্নয়ন বোর্ডের ‘বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র’ এর টোল ফ্রি ১০৯০ নম্বরে ফোন করার পর ৫ প্রেস করে জানা যাবে বন্যার পূর্বাভাস-সংক্রান্ত তথ্য।

    একইভাবে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরেও খোলা হয়েছে নিয়ন্ত্রণ কক্ষ। ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী জানান, কেন্দ্রীয় নিয়ন্ত্রণ কক্ষ থেকে জেলা প্রশাসকদের সঙ্গে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে নির্দেশনা দেওয়া হচ্ছে। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় মেডিক্যাল টিম গঠন করেছে এবং প্রচুর পরিমাণে পানি বিশুদ্ধকরণ ট্যাবলেট প্রস্তুত রেখেছে, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরেও নিয়ন্ত্রণ কক্ষ খোলা হয়েছে।

    এদিকে, ভারী বর্ষণের কারণে ১০ জেলায় নদ-নদীর পানি বিপৎসীমার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এসব জেলায় বন্যা পরিস্থিতির অবনতির আশঙ্কায় ব্যাপক প্রস্তুতি নিয়েছে সরকার। দুর্গত জেলাগুলোতে পাঠানো হয়েছে সাড়ে ১৭ হাজার মেট্রিকটন চাল এবং ৫০ হাজার প্যাকেট শুকনো খাবার এবং দুই কোটি ৯৩ লাখ নগদ টাকা।

    দুই-এক দিনের মধ্যে এসব জেলায় ৫০০টি করে তাঁবু এবং মেডিক্যাল টিমের পৌঁছে যাবে বলে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী এনামুর রহমান জানান।

    সচিবালয়ে শুক্রবার আন্তঃমন্ত্রণালয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা সমন্বয় কমিটির এক সভা শেষে তিনি সাংবাদিকদের বলেন, বৃষ্টির কারণে দেশের কয়েকটি অঞ্চলে বন্যার আশঙ্কা দেখা দেওয়ায় মাঠ পর্যায়ের সঙ্গে সমন্বয় করে ব্যাপক প্রস্তুতি নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।

    ত্রাণ সচিব শাহ কামাল বলেন, যেসব জেলা দুর্গত হতে পারে সেগুলোর পাশাপাশি অন্য জেলাগুলোতেও সমান প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। প্রতিটি জেলায় দুই হাজার প্যাকেট করে মোট ৫০ হাজার প্যাকেট শুকনা খাবার পাঠানো হয়েছে। একটি প্যাকেটে চিড়া, মুড়ি, বিস্কুট, তেল, আটা, মসুরের ডাল, শিশু খাবারসহ একটি পরিবারের সাত দিনের খাবার রয়েছে।

    এখন পর্যন্ত দুই কোটি ৯৩ লাখ টাকা এবং দুই দফায় সাড়ে ১৭ হাজার মেট্রিকটন চাল বিভিন্ন জেলায় পাঠানো হয়েছে জানিয়ে শাহ কামাল বলেন, কোনো জেলা প্রশাসক চাহিদা পাঠানোর সঙ্গে সঙ্গে চাল দেওয়া হবে।

    সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন মন্ত্রণালয় এবং সরকারি দপ্তর বন্যা মোকাবেলায় যেসব প্রস্তুতি নিয়েছে সেগুলো বিস্তারিতভাবে তুলে ধরেন এনামুর। তিনি বলেন, আশ্রয়কেন্দ্রগুলো প্রস্তুত করা হয়েছে। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো যাতে বন্যা আশ্রয়কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহার করা যায় শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে সেই নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। বন্যাকবলিত জনগণকে আশ্রয়কেন্দ্রে সরিয়ে নিতে সব ধরনের স্বেচ্ছাসেবকদের প্রস্তুত রাখা হয়েছে।

    সিভিল সার্জনদের নেতৃত্বে টিম গঠন করা হয়েছে যাতে পানিবাহিত রোগ বিস্তার রোধ করা যায়। খাদ্যগুদামের কর্মরতদের ছুটি বাতিল করা হয়েছে।

    প্রতিমন্ত্রী বলেন, আমরা আশা করি এই বন্যায় আমরা মানুষের জীবন রক্ষা করতে তো পারবই, গবাদিপশু এবং খাদ্যশষ্যেরও নিরাপত্তা দিতে পারব। তিনি বলেন, রবিবার থেকে ডিসি সম্মেলনে অংশ নিতে সব ডিসি ঢাকায় থাকবেন। ভারপ্রাপ্ত ডিসি হিসেবে যারা দায়িত্বে থাকবেন তাদের কেন্দ্রের সঙ্গে যোগাযোগ রেখে দায়িত্ব পালনের জন্য ইতোমধ্যে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আমরা আশা করি সমন্বিত প্রচেষ্টার মাধ্যমে প্রতিবারের মত বন্যা পরিস্থিতি মোকাবেলায় আমরা সফল হব।

    প্রতিমন্ত্রী জানান, আশ্রয়কেন্দ্রগুলোতে জায়গার অভাব হলে ব্যবহারের জন্য দুর্গত এলাকাগুলোতে ৫০০টি করে তাঁবু পাঠাতে বলা হয়েছে। প্রত্যেক তাঁবুতে ২০ জন করে থাকতে পারবে।

  • মঙ্গলবার থেকে অর্ধেক দামে ইন্টারনেট

    মঙ্গলবার থেকে অর্ধেক দামে ইন্টারনেট

    ডিজিটাল বাংলাদেশ কর্মসূচির বাস্তবায়ন ত্বরান্বিত করার লক্ষ্যে সাশ্রয়ী মূল্যে ইন্টারনেট ব্যবহার নিশ্চিত করতে বিটিসিএল এর এডিএসএল এবং জিপন এর ইন্টারনেট ব্যান্ডউইডথের দাম অর্থেকেরও বেশি কমানো হয়েছে। মঙ্গলবার (১৬ জুলাই) থেকে বিটিসিএল ল্যান্ড ফোনে এডিএসএল ও জিপন ব্যবহারকারী গ্রাহকেরা এই সুবিধা পাবেন।

    বিটিসিএল এর সম্পদ, নেটওয়ার্ক এবং বিদ্যমান মানবসম্পদ যথাযথ প্রশিক্ষণের মাধ্যমে কাজে লাগিয়ে প্রতিষ্ঠানটিকে সেরা প্রতিষ্ঠানে রূপান্তরের জন্য লাগসই কমপরিকল্পনা গ্রহণ ও বাস্তবায়নের জন্য সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দিয়েছেন মোস্তাফা জব্বার। সূত্র জানায়, দেশের মানুষ যাতে সাশ্রয়ী খরচে ইন্টারনেট ব্যবহার করতে পারেন সেই লক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকার ২০০৯ সালের আগস্ট মাসে প্রতি এমবিপিএস ইন্টারনেটের মূল্য ২৭ হাজার টাকা থেকে কমিয়ে ১৮ হাজার টাকায় নির্ধারণ করে।

    পরবর্তীতে ২০১১ সালের এপ্রিলে ১২ হাজার টাকা, ২০১২ সালের এপ্রিলে ৮ হাজার টাকা, ২০১৪ সালের এপ্রিলে ২ হাজার ৮০০ টাকা এবং ২০১৫ সালের সেপ্টেম্বরে সর্বোচ্চ ৯৬০ টাকা এবং সর্বনিম্ন ৩৬০ টাকায় কমিয়ে আনা হয়। সর্বশেষ গত ২৭ জুন ১ এমবিপিএএস ব্যান্ডউইডথের সর্বনিম্ন চার্জ ৩৬০ টাকা থেকে ১৮০ টাকায় নির্ধারণ করা হয়েছে।

  • ক্যানসারের অণুজীব খুঁজে দেবে অ্যাপ

    ক্যানসারের অণুজীব খুঁজে দেবে অ্যাপ

    সহজ হয়ে এলো খাদ্যে ক্যানসারের অণুজীব শনাক্তকরণ। একটি মোবাইল ফোন অ্যাপ্লিকেশনের সাহায্যে এই কাজ করা যাবে সহজে। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসির বাংলা সংস্করণে এই সম্পর্কিত প্রতিবেদন প্রকাশ হয়েছে।

    ড্রিমল্যাব নামের অ্যাপটি ইম্পিরিয়াল কলেজ লন্ডন এবং ভোডাফোন ফাউন্ডেশনের মধ্যে একটি অংশীদারত্বের ভিত্তিতে তৈরি করা হয়েছে, যার ফলাফল প্রকাশিত হয়েছে নেচার পত্রিকায়।

    অ্যাপ্লিকেশনটি এখন পর্যন্ত ৮৩ হাজারেরও বেশি বার ডাউনলোড করা হয়েছে।

    মোবাইল ফোন ব্যবহারকারীরা ঘুমিয়ে থাকার সময়, অর্থাৎ ফোনটি যখন অলস পড়ে থাকে তখনই এই অ্যাপটি কাজ করে।

    অ্যাপটি একটি অ্যালগরিদম ব্যবহার করে প্রতিদিন আট হাজারেরও বেশি খাদ্যকণা পরীক্ষা নিরীক্ষা করে থাকে। তার ওপর ভিত্তি করে তৈরি হয় বিশদ তথ্য সংবলিত ডেটাবেইস।

    মূলত এর মাধ্যমে সেই অণুজীবগুলোকে খোঁজা হয় যেগুলো বিভিন্ন ল্যাব পরীক্ষায় ক্যানসার দমনে সফল প্রমাণিত হয়েছে।

    গবেষণায় দেখা যায়, বর্তমানে প্রচলিত অ্যান্টি-ডায়াবেটিক ও অ্যান্টি-মাইক্রোবায়াল ওষুধ ক্যানসার নির্মূল থেরাপিতে ভূমিকা পালন করতে পারে।

    ইম্পিরিয়াল কলেজ লন্ডনের অস্ত্রোপচার ও ক্যানসার বিভাগের প্রধান গবেষক ড. কিরিল ভেসেলকভ বলেন, “এটি আমাদের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত। পরবর্তী ধাপে এআই প্রযুক্তি ব্যবহার করে দেখা হবে, যে বিভিন্ন ওষুধের সমন্বয় এবং খাদ্য-ভিত্তিক অণুজীবগুলো মানুষের ওপর কেমন প্রভাব ফেলে।”

    ক্যানসার রিসার্চ ইউকে’এর স্বাস্থ্য তথ্য কর্মকর্তা উইলিন উ বলেন, “এই গবেষণার মাধ্যমে আমরা হয়তো নতুন ক্যানসার থেরাপি খুঁজে বের করতে বা এর পথ পেতে সক্ষম হব। মূলত যেই থেরাপি আমাদের খাদ্য এবং পানীয়তে প্রাকৃতিকভাবে রয়েছে।”

    আরও বলেন, “ক্যানসারের চিকিৎসায় এই পদ্ধতিটি ব্যবহারের ক্ষেত্রে আরও দীর্ঘ পথ পাড়ি দিতে হবে। সেখানে এটা দেখা প্রয়োজন যে এটি ক্যানসারের চিকিৎসায় আদৌ কার্যকর কিনা।”

    উইলিন বলেন, “এটি প্রমাণিত যে আপনি আঁশযুক্ত খাবার বিশেষ করে ফল ও সবজি বেশি খেলে ক্যানসারের ঝুঁকি কমাতে পারবেন। সেই সঙ্গে প্রক্রিয়াজাত মাংস, লাল মাংস এবং উচ্চ ক্যালরি-যুক্ত খাবার বা পানীয় খাওয়ার হার কমিয়ে আনাটাও জরুরি।”গবেষণায় দেখা গেছে, গাজর, আখরোট ও কমলার মধ্যে সবচেয়ে বেশি সংখ্যক ক্যানসারের বিরুদ্ধে লড়াই করা অণুজীব রয়েছে। আঙুর, ধনেপাতা এবং বাঁধাকপিতেও ক্যানসার বিরোধী অণুজীব রয়েছে।

  • ফোন পানিতে পড়লে তাতক্ষণিক যা করবেন

    ফোন পানিতে পড়লে তাতক্ষণিক যা করবেন

    অসাবধানতায় আপনার হাত থেকে ফোন পানিতে পড়তেই পারে। এতে অনেকেই চিন্তায় পড়ে যায়, এই বুঝি পছন্দের ফোনটি নষ্ট হলো। অনেকে আবার ভাবেন ফোন পানিতে পড়ছে তাই আর বিশেষ কিছু করার নেই। অথচ, কিছু জিনিস এড়িয়ে গেলেই পানি পড়া ফোনটি আপনি বাঁচাতে পারবেন সহজেই। সেগুলো কী কী জেনে নিন?

    পানিতে পড়ে যাওয়া ফোনটি শুকানোর জন্য ভুলেও হেয়ার ড্রায়ার ব্যবহার করবেন না। অতিরিক্ত গরমে ফোনের ভিতরের যন্ত্রাংশ গলে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

    ভেজা ফোনটি কখনো দেয়ালে লাগানো চার্জারের পয়েন্ট-এর সঙ্গে যুক্ত করবেন না। এতে আগুন ধরার ভয় থাকে।

    ৩.৫ মিমি হেডফোনের সঙ্গেও যুক্ত করবেন না আপনার ভেজা ফোনটি। এক্ষেত্রেও কারেন্টে শক করার আশঙ্কা রয়েছে।

    এই সময় কোনো মতেই আপনার ফোনে লাগানো সিম কার্ডটি খুলবেন না। কারণ সিম খোলার সময় পানি ঢুকে যেতে পারে।

    ভেজা ফোন ব্যবহার করবেন না। সবার আগে সেটিকে সুইচ অফ করুন। পানি ঝাড়ার জন্য ফোনটি এদিক-ওদিক অপ্রয়োজনীয় ভাবে নাড়াবেন না। এতে ফোনের ভিতর পানি ঢুকে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে।

    ফোনের ব্যাটারি খুলে রাখবেন না কোনো মতেই। ফোন সার্ভিস সেন্টারে নিয়ে গেলে টেকনিশিয়ানকে জানান আপনার ফোনে কতটুকু পানি পানি ঢুকতে পারে, ফোনটি কীভাবে পানিতে পড়ে গেল। নয়তো সঠিক তথ্যের অভাবে টেকনিশিয়ান ফোনের আরো অনেক বেশি ক্ষতি করে দেবে।

    ফোনের পাশে যেসব পাওয়ার বাটন, ভলিউম বাটন রয়েছে সেগুলো অকারণে নাড়াচাড়া করবেন না। এতে পানি ভেতরে চলে যেতে পারে।

  • ক্ষমা চাইলো ফেসবুক কর্তৃপক্ষ

    ক্ষমা চাইলো ফেসবুক কর্তৃপক্ষ

    একাধিক সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সমস্যার বিষয়ে ক্ষমা চেয়েছে ফেসবুক। বুধবার ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম ও হোয়াটসঅ্যাপ ব্যবহারে সমস্যা হওয়ায় গ্রাহকদের কাছে এক বার্তায় ক্ষমা চায় ফেসবুক কর্তৃপক্ষ।

    বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে বুধবার দুপুরের পর থেকে ফেসবুকে সমস্যার সৃষ্টি হয়। পাশাপাশি ছবি শেয়ারিংয়ের জনপ্রিয় অ্যাপ ইনস্টাগ্রাম এবং হোয়াটসঅ্যাপ ব্যবহারকারীদেরও সম্যায় পড়তে হয়।

    ফেসবুকের এই বিভ্রান্তি সবচেয়ে বেশি ভুগতে হয়েছে যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য ও ইউরোপের ব্যবহারকারীদের। তবে এদিন বাংলাদেশে ফেসবুক ব্যবহার করা গেলও তা ছিল খুবই ধীর গতির। রাত পৌনে নয়টা থেকে বাংলাদেশে সমস্যা বেশি দেখা দেয়। প্রায় ৩৯ শতাংশ ফেসবুক ব্যবহারকারী লগইন করার সময় সমস্যায় পড়তে হয়।

    ফেসবুক বলছে, ফেসবুকে ছবি, ভিডিও আপলোড এবং এগুলো পাঠাতে সমস্যার বিষয়টি আমাদের নজরে এসেছে। এজন্য আমরা ক্ষমা চাচ্ছি। আমরা কাজ করে যাচ্ছি। ফেসবুক দ্রুতই স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসবে।

  • গ্রামীণফোন ও রবির ব্যান্ডউইথ কমালো বিটিআরসি

    গ্রামীণফোন ও রবির ব্যান্ডউইথ কমালো বিটিআরসি

    গ্রামীণফোন ও রবির কাছ থেকে ১৩ হাজার ৪৪৭ কোটি টাকা পাওনা আদায়ে কঠোর হচ্ছে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি)। দেশের এই শীর্ষ দুই মোবাইল অপারেটরকে আজ (বৃহস্পতিবার) ব্যান্ডউইথ সীমিত করার নির্দেশ দিয়েছে। এর ফলে গ্রামীণফোন ও রবির ইন্টারনেট সেবাদানের সক্ষমতায় নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

    বিটিআরসির হিসাব অনুযায়ী, মে মাস শেষে দেশে মুঠোফোন গ্রাহকের সংখ্যা ছিল ১৬ কোটির কিছু বেশি। এর মধ্যে গ্রামীণফোনের গ্রাহক প্রায় ৭ কোটি ৪৮ লাখ। আর রবির গ্রাহক ৪ কোটি ৭৭ লাখ।

    গ্রামীণফোনের কাছে পাওনা প্রায় ১২ হাজার ৫৮০ কোটি টাকা। আর রবির কাছে পাওনা প্রায় ৮৬৭ কোটি টাকা। চলতি বছরের এপ্রিলে জাতীয় সংসদে ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী মোস্তফা জব্বার এ পাওনার হিসাব তুলে ধরেন। ওই সময় তিনি চিঠি প্রদানের কথাও বলেন।

    এদিকে ইন্টারনেট গেইটেওয়ে (আইআইজি) প্রতিষ্ঠানগুলোকে ব্যান্ডউইথ সীমিত করার নির্দেশ দেওয়ার ফলে গ্রামীণফোনের জন্য বরাদ্দ ব্যান্ডইউথ ক্যাপাসিটি ৩০ শতাংশ এবং রবির ক্ষেত্রে ১৫ শতাংশ সীমিত হবে বলে জানা গেছে।

  • বিশ্বজুড়ে ফেসবুক ডাউন

    বিশ্বজুড়ে ফেসবুক ডাউন

    অনলাইন ডেস্ক:

    ফের ডাউন হয়ে গেল ফেসবুক। যার জেরে বিশ্বজুড়ে বিভ্রাট দেখা দিয়েছে। লগইনে সমস্যার পাশাপাশি ছবি ঠিকমতো লোডিং হচ্ছে না বলে ইউজাররা অভিযোগ করেছেন।

    ফেসবুকের মালিকানাধীন ছবি শেয়ারিংয়ের জনপ্রিয় অ্যাপ ‘ইন্সটাগ্রাম’ এবং বার্তা আদান-প্রদানের অ্যাপ ‘হোয়াইটস অ্যাপ’ ব্যবহারের ক্ষেত্রেও অনেক ব্যবহারকারী সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছেন বলে জানিয়েছে সংবাদমাধ্যম মিরর ও ডেইলি মেইল।ব্রিটিশ গণমাধ্যম ‘মিরর জানিয়েছে, আমেরিকা, ব্রিটেন এবং ইউরোপের পাশাপাশি এশিয়ার বিভিন্ন দেশে ফেসবুকে এই সমস্যা দেখা যাচ্ছে। ক্ষতিগ্রস্ত ফেসবুক ব্যবহারকারীদের মধ্যে প্রায় ৩৯ শতাংশ লগইন করার সময় সমস্যার মুখে পড়ছেন।এদিকে, ছবি আপলোডের সমস্যার মুখে পড়েছেন ৩৩ শতাংশ ব্যবহারকারী। এ নিয়ে টুইটারে নিজেদের ক্ষোভ উগড়ে দিয়েছেন বহু ফেসবুক ব্যবহারকারী।

    যদিও এর কারণ সম্পর্কে ফেসবুকের পক্ষ থেকে কিছু জানানো হয়নি। কারিগরি কারণে এই বিভ্রাট বলে প্রাথমিকভাবে মনে করছেন আইটি বিশেষজ্ঞরা।

  • অনলাইন নিউজ পোর্টাল নিবন্ধন আবেদনের সময় বাড়ল

    অনলাইন নিউজ পোর্টাল নিবন্ধন আবেদনের সময় বাড়ল

    অনলাইন নিউজ পোর্টাল নিবন্ধনে আবেদন গ্রহণের সময় ১৫ জুলাই পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে।

    বুধবার (৩ জুন) সরকারি এক তথ্য বিবরণীতে এ কথা জানানো হয়েছে। গত ৩০ জুন তথ্য মন্ত্রণালয় থেকে সময় বাড়িয়ে আদেশ জারি করা হয়েছে বলে তথ্য বিবরণীতে উল্লেখ করা হয়।

    এর আগে বিদ্যমান অনলাইন নিউজ পোর্টালগুলো সরকারি নিবন্ধনের জন্য আবেদনের শেষ সময় ছিল গত ৩০ জুন। তথ্য অধিদফতরের ওয়েবসাইটে দেয়া নির্ধারিত ফরমে এ আবেদন করতে হবে। ফরমে উল্লিখিত বিবরণ অনুযায়ী সব প্রমাণসহ এ আবেদন ডাকযোগেও পাঠানো যাবে। ইতোপূর্বে যারা আবেদন করেছেন তাদের ফের আবেদনের প্রয়োজন নেই বলে এর আগে তথ্য মন্ত্রণালয় থেকে জানানো হয়েছিল।

    ২০১৫ সালের ৯ নভেম্বর এক তথ্য বিবরণীতে তথ্য অধিদফতর জানায়, সরকারি সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত ও অপসাংবাদিকতা রোধে অনলাইন পত্রিকাগুলোকে নিবন্ধনের আওতায় আনা হবে। এজন্য নির্ধারিত নিবন্ধন ফরম ও প্রত্যয়নপত্র বা হলফনামা পূরণ করে তথ্য অধিদফতরে জমা দিতে হবে। নিবন্ধন-সংক্রান্ত আবেদন জমা দেয়ার পর এগুলো যাচাই-বাছাই ও পুলিশের স্পেশাল ব্রাঞ্চের সন্তোষজনক রিপোর্ট পাওয়ার পর তথ্য অধিদফতর চিঠির মাধ্যমে নিবন্ধনের বিষয়ে আবেদনকারীদের জানিয়ে দেবে।

    চলমান সব অনলাইন পত্রিকাকে ওই বছরের ১৫ ডিসেম্বরের মধ্যে আবেদন করতে বলা হয়। এরপর সময় আরও কয়েক দফা বাড়ানো হয়। নিবন্ধন পেতে দুই হাজারেরও বেশি অনলাইন গণমাধ্যম আবেদন করে বলে তথ্য অধিদফতর থেকে জানা গেছে।