Category: জাতীয়

  • একনেকে ১১ উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন

    একনেকে ১১ উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন

    জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় ১১টি উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন দিয়েছে অন্তবর্তীকালীন সরকার। এগুলো বাস্তবায়নে সরকারের ব্যয় হবে ২৪ হাজার ৪১২ কোটি ৯৪ লাখ টাকা।

    এর মধ্যে সরকারি তহবিল থেকে ৭ হাজার ৭৪৬ কোটি ৬৬ লাখ টাকা, প্রকল্প ঋণ থেকে ১৬ হাজার ১২ কোটি ৩৩ লাখ টাকা এবং বাস্তবায়নকারী সংস্থা থেকে ৬৫৩ কোটি ৯৫ লাখ টাকা।

    সোমবার প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত বৈঠকে এ অনুমোদন দেওয়া হয়। এরপরে রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের এনইসি সম্মেলন কক্ষে পরিকল্পনা ও শিক্ষা উপদেষ্টা ড. ওয়াহিদ উদ্দিন মাহমুদ সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন।

    একনেক বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন প্রধান উপদেষ্টা একনেক চেয়ারপারসন ড. মুহাম্মদ ইউনুস। এসময় পরিকল্পনা কমিশনের সদস্যরা ও প্রকল্প সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সচিবরা উপস্থিত ছিলেন।

    ব্রিফিংয়ে পরিকল্পনা ও শিক্ষা উপদেষ্টা বলেন, উন্নয়ন প্রকল্পের গাড়ি কোথায় যায় এবং একজন অফিসার কয়টা করে জীপ গাড়ি ব্যবহার করেন এসব খুঁজে বের করা হবে। এজন্য একনেক সভায় সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে যে, জেলা উপজেলাসহ সারাদেশে সরকারি গাড়ি আছে তার একটি তালিকা করা হবে। দেখা হবে কোন গাড়ি, কোথায় আছে, কতদিন কার্যকর থাকে সব তথ্য দিতে বলা হয়েছে।

    তিনি আরও বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ে ৩, ৪ ও ৫’শ শিক্ষক সবাই ভিসি, প্রোভিসি হতে চান। পড়াতে চাননা কেউ। এটা কেন হচ্ছে।

    এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, জিডিপি প্রবৃদ্ধি ও মূল্যস্ফীতির মধ্যে রাজনৈতিক প্রভাব আছে। আমরা এখন বিবিএসের দক্ষতা বৃদ্ধির পাশাপাশি তাদেরকে স্বাধীনভাবে কাজ করতে দিয়েছি। তারা যে হিসাব নিয়ে আসে আমি আইনগতভাবে শুধু স্বাক্ষর করা ছাড়া আর কিছুই দেখিনা।

    তিনি আরও বলেন, দেশে বেসরকারি বিনিয়োগ কম। এদিকে আমরাও অনেক বেছে এবং যাচাই বাছাই করে প্রকল্প নিচ্ছি। আবার যেসব রাজনৈতিক প্রকল্প আছে কিছু এখনো শুরু হয়নি সেগুলো নেওয়া হচ্ছে না। যেসব রাজনৈতিক প্রকল্পের কাজ শেষের পথে সেগুলো প্রয়োজনীয়তা না থাকলে শেষ করা হচ্ছে। ফলে সরকারি বিনিয়োগও কম হচ্ছে। এর কারণে অর্থ প্রবাহ কমে গেছে। গ্রামে মানুষ বলে ব্যবসা ভালো না। সেই সঙ্গে আগে রাজনৈতিক নানা কার্যক্রম ছিল, মিছিল, মিটিং সমাবেশ হলে ট্রাক ভাড়া করে লোক আনা হতো। এতে অর্থ প্রবাহ বাড়ত। এখনতো সেসব কার্যক্রম নেই। আমি বলছি না আবারও সেসব চালু করা হবে।

    অপর এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, এখন দুর্নীতি ও চাদাবাজি বন্ধ রয়েছে।

    একনেক সভায় জানানো হয়, ১৯ হাজার ৫৬ কোটির সাসেক সড়ক সংযোগ প্রকল্প-২: এলেঙ্গা-হাটিকামরুল-রংপুর মহাসড়ক চার লেনে উন্নীতকরণ প্রকল্পে ৪২৩ কোটি টাকা ব্যয় বাড়ানো হয়েছে। নতুন করে ২০২৬ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত ২ বছর মেয়াদ বাড়ানো হয়। এ প্রকল্পে ১১ হাজার ১৯৩ কোটি টাকা ঋণ হিসেবে দিচ্ছে এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি)। ব্যয় বাড়ার কারণ হিসেবে ভূমি অধিগ্রহণ, ইউটিলিটি স্থানান্তর ও অন্যন্য খাতে ব্যয় বৃদ্ধি উল্লেখ করা হয়েছে।

    এছাড়া নির্বাচিত তিনটি অর্থনৈতিক গ্রোথ করিডোরের অন্তর্ভুক্ত ৬টি সিটি কর্পোরেশন ও ৮১টি পৌরসভার জলবায়ু সহনশীল নগর অবকাঠামো উন্নয়ন ও পরিষেবাসমূহ বৃদ্ধি করতে ৫ হাজার ৯০১ কোটি টাকা ব্যয়ে রিজিলিয়েন্ট আরবান অ্যান্ড টেরিটরিয়াল ডেভেলপমেন্ট (আরইউটিডিপি) প্রকল্প একনেকে অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। প্রকল্পটিতে ৪ হাজার ২৫৯ কোটি টাকা ঋণ দিচ্ছে বিশ্বব্যাংক। প্রকল্পের আওতায় ৮৮০ কিলোমিটার নগর সড়ক উন্নয়ন, ২০০০ মিটার ব্রিজ বা কালভার্ট নির্মাণ, ২০০ কিলোমিটার ওয়াকওয়ে বা ফুটপাথ নির্মাণ, ৫৯৫ কিলোমিটার স্ট্রিট লাইট স্থাপন ও অন্যান্য কাজ করা হবে।

    চট্রগ্রামের কালুরঘাটে কর্ণফুলী নদীর উপর একটি রেল-কাম-রোড সেতু নির্মাণে ১১ হাজার ৫৬০ কোটি টাকার প্রকল্প। এটি ৭ হাজার ১২৫ কোটি টাকা ঋণ দিচ্ছে কোরিয়া। অথচ প্রকল্পটি ২০১৮ সালে ১ হাজার ১৬৩ কোটি টাকা ব্যয়ে বাস্তবায়নের জন্য একনেকে অনুমোদন দেওয়া হয়। অর্থাৎ ১০গুণ ব্যয়ে প্রকল্পটি বৈদেশিক ঋণ নিয়ে অনুমোদন পেয়েছে।

    একনেক সভায় মাতারবাড়ী পোর্ট ডেভেলপমেন্ট (২য় সংশোধিত) প্রকল্প অনুমোদন পেয়েছে। প্রকল্পটির ব্যয় বেড়ে দাঁড়াচ্ছে ২৪ হাজার ৩৮১ কোটি টাকা। দ্বিতীয় সংশোধনীতে ব্যয় বাড়ছে ৬ হাজার ৫৭৪ কোটি টাকা ব্যয় বাড়ছে। প্রকল্পটিতে ২০২৯ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত আরও ৩ বছর মেয়াদ বৃদ্ধি পেয়েছে।

    প্রকল্পের উদ্দেশ্য হচ্ছে, কক্সবাজার মাতারবাড়ীতে গভীর সমুদ্র বন্দর নির্মাণের মাধ্যমে বাংলাদেশের কার্গো হ্যান্ডলিং ক্ষমতা বৃদ্ধি করে চট্টগ্রাম বন্দরের উপর চাপ কমানোসহ ভবিষ্যৎ আন্তর্জাতিক বাণিজ্য চাহিদা মেটানো। প্রকল্পের মাধ্যমে ১ হাজার ২৯১ হেক্টর ভূমি অধিগ্রহণ ও পুনর্বাসন ৭৬০ মিটার বার্থ নির্মাণ, ৩৯৭ মিটার ব্রেক ওয়াটার নির্মাণ, সড়ক প্রতিরক্ষাসহ ১৬.৫২৫ কিলোমিটার সড়ক নির্মাণ করা হবে।

    এদিকে, মেয়াদ বৃদ্ধির জন্য একনেকে আরও ৭টি প্রকল্প অনুমোদন দেওয়া হয়। সেগুলো হলো-কুষ্টিয়া জেলায় নতুন সার্কিট হাউস নির্মাণ (১ম সংশোধিত) প্রকল্প, ভুয়াপুর-তারাকান্দি জেলা মহাসড়ক (জেড-৪৮০১) যথাযথ মান ও প্রশস্ততায় উন্নীতকরণ (১ম সংশোধিত) প্রকল্প, বৈরাগীপুল (বরিশাল)-টুমচর-বাউফল (পটুয়াখালী) জেলা মহাসড়ক (জেড-৮-৯১০) যথাযথ মান ও প্রশস্ততায় উন্নীতকরণ (১ম সংশোধিত) প্রকল্প, বরিশাল-ভোলা-লক্ষ্মীপুর জাতীয় মহাসড়কের (এন-৮০৯) বরিশাল (চর কাউয়া) থেকে ভোলা (ইলিশ ফেরিঘাট) হয়ে লক্ষ্মীপুর পর্যন্ত সড়ক যথাযথ মান ও প্রশস্ততায় উন্নীতকরণ (১ম সংশোধিত) প্রকল্প। কুলাউড়া-পৃথিমপাশা-হাজীপুর-শরীফপুর (জেড-২৮২২) সড়কের ১৪তম কিলোমিটারে পিসি গার্ডার সেতু (রাজাপুর সেতু) নির্মাণ ও ৭.৫ কিলোমিটার সংযোগ সড়ক নির্মাণ প্রকল্প।

    এছাড়া শিল্প ও শক্তি বিভাগের দুটি প্রকল্প একনেকে মেয়াদ বৃদ্ধির জন্য অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এগুলো হলো-প্রি-পেমেন্ট মিটারিং প্রজেক্ট ফর সিক্স এনওসিএস ডিভিশন আন্ডার ডিপিডিসি (বিশেষ সংশোধিত) এবং জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন ক্যাম্পাস স্থাপন: ভূমি অধিগ্রহণ ও উন্নয়ন প্রকল্প।

  • নতুন করে রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশে উদ্বেগ বাংলাদেশের

    নতুন করে রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশে উদ্বেগ বাংলাদেশের

    মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে সহিংসতার কারণে নতুন করে রোহিঙ্গারা বাংলাদেশে আসতে শুরু করায় দেশটির কাছে গভীর উদ্বেগ জানিয়েছে বাংলাদেশ।

    রোববার মিয়ানমারের রাষ্ট্রদূত সোয়ে মোয়ে পররাষ্ট্র সচিব মো. জামাল উদ্দিনের সঙ্গে সাথে দেখা করতে এলে তিনি এই উদ্বেগ প্রকাশ করেন।খবর বিবিসি বাংলার।

    ওই বৈঠকের সময় পররাষ্ট্র সচিব জোর দিয়ে বলেন, মিয়ানমারের সশস্ত্র সংঘাত অবশ্যই যাতে মিয়ানমারের মধ্যেই রাখা এবং বেসামরিক বা সশস্ত্র ব্যক্তিরা যাতে বাংলাদেশে প্রবেশ না করে, সেটিও নিশ্চিত করা জন্য দেশটির সব ধরনের পদক্ষেপ নেওয়া উচিত।

    অন্যদিকে মিয়ানমারের রাষ্ট্রদূত বলেছেন, রাখাইনে শান্তিশৃঙ্খলা ফিরে আসলেও রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনের বিষয়ে আবার কার্যক্রম শুরু করা হবে।

  • বিশ্বের সবচেয়ে প্রভাবশালী মুসলিমদের তালিকায় ড. ইউনূস

    বিশ্বের সবচেয়ে প্রভাবশালী মুসলিমদের তালিকায় ড. ইউনূস

    বিশ্বের সবচেয়ে প্রভাবশালী ৫০০ মুসলিম ব্যক্তিত্বের তালিকায় স্থান পেয়েছেন বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। তিনি ওই তালিকায় ৫০তম অবস্থানে রয়েছেন।

    জর্ডানের রাজধানী আম্মানভিত্তিক প্রতিষ্ঠান ‘দ্য রয়্যাল ইসলামিক স্ট্র্যাটেজিক স্টাডিজ সেন্টার (আরআইএসএসসি)’ এ তালিকা প্রকাশ করেছে। ২০০৯ সাল থেকে প্রতিষ্ঠানটি প্রতিবছর এ তালিকা প্রকাশ করে আসছে।

    এ তালিকায় প্রথম স্থানে রয়েছেন জর্ডানের রাজা দ্বিতীয় আব্দুল্লাহ ইবনে আল হোসাইন। অষ্টম অবস্থানে তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যেপ এরদোগানের নাম রয়েছে। ১২তম অবস্থানে রয়েছেন সৌদি ক্রাউন প্রিন্স মোহাম্মদ বিন সালমান।

    ধর্মীয় চিন্তাভাবনা এবং রাজনৈতিক নেতৃত্ব থেকে শুরু করে শিল্প ও সংস্কৃতি পর্যন্ত বিভিন্ন ক্ষেত্রে গভীরভাবে অবদান রাখছেন এবং নিজ দেশে ও দেশের বাইরে মুসলমান সম্প্রদায়কে উল্লেখযোগ্যভাবে প্রভাবিত করে যাচ্ছেন এমন ব্যক্তিরা ‘দ্য মুসলিম ৫০০: দ্য ওয়ার্ল্ডস মোস্ট ইনফ্লুয়েনশিয়াল মুসলিমস’ শিরোনামের এ তালিকায় স্থান পান।

    যুক্তরাষ্ট্রের জর্জটাউন ইউনিভার্সিটিতে প্রিন্স আলওয়ালিদ বিন তালাল সেন্টার ফর মুসলিম-ক্রিশ্চিয়ান আন্ডারস্ট্যান্ডিংয়ের সহযোগিতায় এ বছরের তালিকাটি প্রস্তুত করা হয়েছে।

    ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টার দায়িত্ব গ্রহণ করেন শান্তিতে নোবেলজয়ী অধ্যাপক ড. ইউনূস।

    ১৯৪০ সালের ২৮ জুন জন্মগ্রহণ জনের ড. ইউনূস। কর্মজীবনে অসংখ্য পুরস্কার অর্জন করেছেন তিনি। গ্রামীণ ব্যাংক প্রতিষ্ঠায় তার ভূমিকার জন্য ২০০৬ সালে নোবেল শান্তি পুরস্কার পান এই কিংবদন্তি। প্রতিষ্ঠানটি জামানত ছাড়াই ক্ষুদ্র ঋণ প্রদানের মাধ্যমে লাখো সুবিধাবঞ্চিত মানুষের ক্ষমতায়ন করেছে।

    বিশ্বব্যাপী দারিদ্র্য দূরীকরণে তার ভূমিকা অভাবনীয়। নারীদের অর্থনৈতিক স্বনির্ভরতায় তার ভূমিকা গোটা বিশ্বে সমাদৃত।

  • এইচএসসির ফল প্রকাশ ১৫ অক্টোবর

    এইচএসসির ফল প্রকাশ ১৫ অক্টোবর

    এইচএসসি ও সমমানের ফল প্রকাশের তারিখ ঘোষণা করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। আগামী ১৫ অক্টোবর বেলা ১১টায় ফলাফল প্রকাশ করা হবে।

    ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান ও শিক্ষা বোর্ডগুলোর চেয়ারম্যানদের সংগঠন আন্তশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির সভাপতি তপন কুমার সরকার সোমবার এই তথ্য জানিয়েছেন।

    আগেই সিদ্ধান্ত হয়েছে এসএসসি বা সমমানের পরীক্ষার নম্বরের ভিত্তিতে (বিষয় ম্যাপিং) হবে মাঝপথে বাতিল করা এইচএসসি বা সমমানের পরীক্ষার ফলাফল।

    এ প্রক্রিয়ায় একজন পরীক্ষার্থী এসএসসিতে একটি বিষয়ে যত নম্বর পেয়েছিল, এইচএসসিতে সেই বিষয় থাকলে তাতে এসএসসিতে প্রাপ্ত পুরো নম্বর বিবেচনায় নেওয়া হবে। আর এসএসসি ও এইচএসসি এবং সমমানের পরীক্ষায় বিষয়ে ভিন্নতা থাকলে বিষয় ম্যাপিংয়ের নীতিমালা অনুযায়ী নম্বর বিবেচনা করে ফলাফল প্রকাশ করা হবে।

    এবার এইচএসসি বা সমমানের পরীক্ষা শুরু হয়েছিল গত ৩০ জুন। মোট পরীক্ষার্থী সাড়ে ১৪ লাখের মতো। সাতটি পরীক্ষা হওয়ার পর সরকারি চাকরিতে কোটাব্যবস্থা সংস্কারের দাবিতে আন্দোলন ছড়িয়ে পড়ে। এ পরিস্থিতিতে কয়েক দফায় পরীক্ষা স্থগিত করা হয়। তখন পর্যন্ত ছয়টি বিষয়ের পরীক্ষা বাকি ছিল। এছাড়া ব্যবহারিক পরীক্ষাও বাকি।

    একপর্যায়ে কোটা সংস্কার আন্দোলন সরকার পতনের এক দফায় রূপ নেয়। ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে ৫ আগস্ট শেখ হাসিনার সরকারের পতন হয়। পরে সিদ্ধান্ত হয় যে ১১ আগস্ট থেকে নতুন সময়সূচিতে পরীক্ষা নেওয়া হবে। যদিও তা হয়নি। অবশিষ্ট পরীক্ষাগুলো বাতিল করা হয়।

  • ডেঙ্গুতে ২৪ ঘণ্টায় দুই জনের মৃত্যু

    ডেঙ্গুতে ২৪ ঘণ্টায় দুই জনের মৃত্যু

    ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে ২৪ ঘণ্টায় দুইজনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে আক্রান্ত হয়েছেন আরও এক হাজার ২১৮ জন।

    সোমবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের দেওয়া সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

    চলতি বছর এখন পর্যন্ত ডেঙ্গুতে মারা গেছেন ১৮৮ জন। তাদের মধ্যে ৯৩ জন পুরুষ ও ৯৫ জন নারী। মোট আক্রান্ত হয়েছেন ৩৭ হাজার ৮০৮ জন।

    বিজ্ঞপ্তির তথ্য অনুযায়ী, ২৪ ঘণ্টায় মারা যাওয়া দুইজনের মধ্যে একজন পুরুষ ও একজন নারী। এই সময়ে এক হাজার ৪৪০ জন হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েছেন।

  • দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে জেলা পর্যায়ে বিশেষ টাস্কফোর্স গঠন

    দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে জেলা পর্যায়ে বিশেষ টাস্কফোর্স গঠন

    নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের বাজার পরিস্থিতি ও সরবরাহ চেইন তদারক ও পর্যালোচনার জন্য জেলা পর্যায়ে বিশেষ টাস্কফোর্স গঠন করেছে সরকার। সোমবার বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব মো. মেহেদী হাসানের সই করা এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানা যায়।

    এই বিশেষ টাস্কফোর্সের আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক। আর সদস্য সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক।

    এতে সদস্য হিসেবে থাকবেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার, জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক বা উপযুক্ত প্রতিনিধি, জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা বা উপযুক্ত প্রতিনিধি, জেলা মৎস্য কর্মকর্তা বা উপযুক্ত প্রতিনিধি, কৃষি বিপণন কর্মকর্তা বা সিনিয়র কৃষি বিপণন কর্মকর্তা, ক্যাবের প্রতিনিধি এবং ২ জন শিক্ষার্থী প্রতিনিধি।

    প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, এই টাস্কফোর্স নিয়মিত বিভিন্ন বাজার, বৃহৎ আড়ত/ গোডাউন/ কোল্ড স্টোরেজ ও সাপ্লাই চেইনের অন্যান্য স্থানসমূহ সরেজমিনে পরিদর্শন করবে এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্য যৌক্তিক পর্যায়ে রাখার বিষয়টি তদারক করবে।

    এছাড়াও টাস্কফোর্স উৎপাদন, পাইকারি ও ভোক্তা পর্যায়ের মধ্যে যাতে দামের পার্থক্য ন্যূনতম থাকে তা নিশ্চিত করবে ও সংশ্লিষ্ট সকল স্টেকহোল্ডারদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা করবে।

    টাস্কফোর্স প্রতিদিনের মনিটরিং শেষে একটি প্রতিবেদন বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের দ্রব্যমূল্য পর্যালোচনা ও পূর্বাভাস সেল এবং জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের কেন্দ্রীয় নিয়ন্ত্রণ কক্ষে পাঠাবেন। জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর বিভিন্ন জেলা থেকে পাওয়া প্রতিবেদন সংকলন ও পর্যালোচনা করে প্রতিদিন সন্ধ্যা ৭টার মধ্যে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে একটি প্রতিবেদন দেবে।

    প্রজ্ঞাপনে আরও বলা হয়েছে, টাস্কফোর্স প্রয়োজনে সদস্য কো-অপ্ট করতে পারবে।

  • সাংবাদিক মুন্নী সাহার ব্যাংক হিসাব তলব

    সাংবাদিক মুন্নী সাহার ব্যাংক হিসাব তলব

    টেলিভিশন উপস্থাপক ও সাংবাদিক মুন্নী সাহার ব্যাংক হিসাব তলব করা হয়েছে।

    রোববার বাংলাদেশ ব্যাংকের আর্থিক গোয়েন্দা সংস্থা বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (বিএফআইইউ) দেশের ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের কাছে এ সংক্রান্ত নির্দেশনা পাঠিয়ে তার যাবতীয় তথ্য চাওয়া হয়েছে। বিএফআইইউর সংশ্লিষ্ট এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

    লেনদেন তলব করার এ নির্দেশের ক্ষেত্রে মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ বিধিমালা সংশ্লিষ্ট ধারা প্রযোজ্য হবে বলে বিএফআইইউর চিঠিতে বলা হয়েছে। চিঠিতে মুন্নী সাহার নাম ও পাসপোর্টের তথ্য দেওয়া হয়েছে।

    বিএফআইইউর নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, হিসাব তলব করা ব্যক্তির সংশ্লিষ্ট তথ্য বা দলিল যেমন হিসাব খোলার ফরম, কেওয়াইসি ও লেনদেন বিবরণীসহ আমানত, ঋণ, লকার, ক্রেডিট কার্ড, ফরেন ট্রেড, অফশোর ব্যাংকিং হিসাব থাকলে ৭ অক্টোবরের মধ্যে বিএফআইইউতে পাঠাতে বলা হয়েছে।

    জানা গেছে, সম্প্রতি মুন্নী সাহা এটিএন নিউজ থেকে পদত্যাগ করেন। মালিকপক্ষের সঙ্গে বিরোধের জেরে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। পরে তিনি জানান, পদত্যাগ করা ছাড়া তার সামনে আর কোনো বিকল্প ছিল না।

    ছাত্র-জনতার অবিস্মরণীয় অভ্যুত্থানের মুখে গত ৫ আগস্ট প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগ করে দেশ ছাড়েন শেখ হাসিনা। এর মাধ্যমে টানা ১৬ বছরের আওয়ামী লীগের নজিরবিহীন দুঃশাসন ও স্বেচ্ছাচারিতার অবসান ঘটে। রাজনৈতিক পট পরিবর্তনের পর কোণঠাসা অবস্থায় আছেন মুন্নী সাহা। ভোরের কাগজ দিয়ে তার সাংবাদিকতা শুরু। সেখান থেকে তিনি যান একুশে টেলিভিশনে। এরপর যোগ দেন এটিএন বাংলায়। মুন্নী সাহা বহু জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক গুরুত্বপূর্ণ ঘটনাবলি টেলিভিশনের পর্দায় উপস্থাপন করেছেন। বিশেষ করে শাহবাগের গণজাগরণ মঞ্চের সমাবেশের ব্যাপারে তার ব্যাপক ভূমিকা ছিল।

    জুলাই-আগস্টে ছাত্র-জনতার আন্দোলনে রাজধানীর যাত্রাবাড়ীতে গুলিতে শিক্ষার্থী নাঈম হাওলাদার (১৭) নিহত হওয়ার ঘটনায় একটি মামলা হয়েছে। গত ২২ আগস্ট যাত্রাবাড়ী থানায় ওই মামলা করেন নিহত শিক্ষার্থীর বাবা মো. কামরুল ইসলাম। সেই মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ একাধিক মন্ত্রী-এমপি, আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগ সদস্য এবং পুলিশ ও র‍্যাব কর্মকর্তাদের সঙ্গে যে ৭ সাংবাদিককে আসামি করা হয়েছে, তাদের মধ্যে একজন মুন্নী সাহা।

  • সাবেক মন্ত্রী সাবের হোসেন চৌধুরী গ্রেফতার

    সাবেক মন্ত্রী সাবের হোসেন চৌধুরী গ্রেফতার

    সাবেক পরিবেশমন্ত্রী সাবের হোসেন চৌধুরীকে গ্রেফতার করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) গোয়েন্দা বিভাগ (ডিবি)।

    রোববার রাজধানীর গুলশান থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।

    ডিএমপির মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) মুহাম্মদ তালেবুর রহমান জানান, আজ বিকালে ডিবির একটি দল সাবের হোসেন চৌধুরীর গুলশানের বাসায় অভিযান চালায়। সেখান থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। তার বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রয়েছে। তিনি এখন ডিবি কার্যালয়ে আছেন।

    সাবের হোসেন ঢাকা-৯ আসনের সংসদ সদস্য ছিলেন। তাকে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল। একসময় তিনি বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) সভাপতির দায়িত্ব পালন করেছেন।

  • মজুত গ্যাস উত্তোলন নিয়ে সুখবর দিল বাপেক্স

    মজুত গ্যাস উত্তোলন নিয়ে সুখবর দিল বাপেক্স

    ভোলা জেলায় আরও ৫ ট্রিলিয়ন গ্যাসের মজুত নিশ্চিত করার পাশাপাশি তা উত্তোলন করতে নতুন করে ১৯টি কূপ খননের সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাপেক্স। বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম এক্সপ্লোরেশন অ্যান্ড প্রডাকশন কোম্পানি লিমিটেডের (বাপেক্স) ভূতাত্ত্বিকরা মনে করছেন জেলায় ৫ দশমিক ১৯ ট্রিলিয়ন ঘনফুট গ্যাসের বেশি মজুত রয়েছে। সম্প্রতি অবসরে যাওয়া বাপেক্স ডিজিএম ও গবেষক মো. আলমগীর হোসেন শনিবার এ তথ্য নিশ্চিত করেন। এর আগে জেলার বোরহানউদ্দিন উপজেলার শাহবাজপুর গ্যাসক্ষেত্র এলাকায় ৬টি ও জেলা সদরের ইলিশা ক্ষেত্র এলাকায় ৩টি কূপ খনন করে প্রায় ২ ট্রিলিয়ন গ্যাসের মজুত নিশ্চিত করা হয়। নতুন ১৯টি কূপের মধ্যে ৫টি জেলা সদরকেন্দ্রিক ও ১৪টি বোরহানউদ্দিন ও চরফ্যাশন এলাকায়। বাপেক্স ও রাশিয়ার জ্বালানি কোম্পানি ‘গ্যাজপ্রম’ যৌথ থ্রি-ডি, টু-ডি অনুসন্ধান শেষে এই কূপ খননের স্থান শনাক্ত করে। নতুন কূপের শনাক্ত এলাকা হচ্ছে-জেলা সদরের জাঙ্গালিয়া বাজারসংলগ্ন ভোলা নর্থ-৩, গুপ্তমুন্সি গ্রামে ভোলা নর্থ-৪, রতনপুর ও চরপাতা সীমানায় ভোলা-৫, উদয়পুর বাজারসংলগ্ন শাহবাজপুর ৫ ও ৭, বাংলাবাজারসংলগ্ন ভোলা ওয়েস্ট-১, ভোলা নর্থ-৫, শাহবাজপুর-৯, শাহবাজপুর দক্ষিণ-১, শাহবাজপুর উত্তর পূর্ব-২, শাহবাজপুর নর্থ-১, শাহবাজপুর নর্থ ওয়েস্ট-১, শাহবাজপুর-৬, শাহবাজপুর-৮, শাহবাজপুর-১০, শাহবাজপুর-১১, শাহবাজপুর-১২, শাহবাজপুর-১৩, চরফ্যাশনের আলিমাবাদ-১।

    বাপেক্স কর্মকর্তারা জানান, ইতিপূর্বে জরিপের পর যে কয়টি কূপ খনন হয়েছে, প্রতিটিতেই মজুত নিশ্চিত হয়েছে। ১৯টি কূপ খনন করা গেলে দেশের বৃহত্তর মজুত নিশ্চিত হবে। ইতোমধ্যে জেলার বোরহানউদ্দিনে শাহবাজপুর গ্যাসফিল্ড থেকে শুরু করে জেলা সদরের ইলিশা, ভেদুরিয়া এলাকায় ৩টি আলাদা ক্ষেত্রে ৯টি কূপ খনন করা হয়েছে। পুরো জেলাকে দুটি অংশে ভাগ করে ২০২০ সাল থেকে নতুন মজুতের সন্ধানে অনুসন্ধান চালায় বাপেক্স ও গ্যাজপ্রম। ইতিপূর্বেও ৫টি কূপ খনন করে এই রাশিয়ান কোম্পানির কারিগরি টিম।

    বাপেক্সের জরিপের তথ্য ও সূত্রে জানা যায়, শাহবাজপুর ও ইলিশা ফিল্ডজুড়ে গ্যাসের মজুত রয়েছে ২ দশমিক ৪২৩ টিসিএফ। অপরদিকে জেলার দক্ষিণাঞ্চলে রয়েছে ২ দশমিক ৬৮৬ টিসিএফ গ্যাস (রিসোর্স গ্যাস)। বাজারমূল্যে এই গ্যাসের সম্ভাব্য দাম হতে পারে প্রায় সাড়ে ৬ লাখ কোটি টাকা। বৃহস্পতিবার বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান এক বৈঠকে দেশে ১০০টি কূপ খনন করার কথা জানান। এর মধ্যে ভোলায় রয়েছে ১৯টি। বাপেক্স সূত্র জানায়, ভোলার গ্যাসকূপ খননের বিষয়ে গ্যাজপ্রমের সঙ্গে চুক্তি রয়েছে। অপরদিকে জ্বালানি উপদেষ্টার বক্তব্যে ২০২৫ সালের মধ্যে ৩৫টি কূপ খনন করা হবে, এর মধ্যে ১১টি করবে বাপেক্স। অপর ২৪টি উন্মুক্ত দরপত্রের মাধ্যমে নতুন কোম্পানিকে দেওয়া হবে। ইতোমধ্যে ভোলার গ্যাস জাতীয় গ্রিডে যুক্ত করতে পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার। ভোলা-বরিশাল ব্রিজ নির্মাণের মধ্য দিয়ে গ্যাসলাইন বরিশাল হয়ে খুলনায় নেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে বলেও জানায় বাপেক্স। এছাড়া এলএনজি করে সিলিন্ডারে গ্যাস আনা হচ্ছে ভোলা থেকে ঢাকায়। বাপেক্স জানায়, ভোলায় শাহবাজপুর গ্যাসক্ষেত্র আবিষ্কার হয় ১৯৯৫ সালে। জেলা সদরে আবাসিক গ্যাস সংযোগের মধ্য দিয়ে গ্যাস উত্তোলন শুরু হয় ২০১৩ সালে। ২০০৯ সালে প্রথম রেন্টাল ৩৪ দশমিক ৫ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ প্লান্টে বাণিজ্যিক সংযোগ দেওয়া হয়। বর্তমানে বোরহানউদ্দিনে ৩টি বিদ্যুৎ প্লান্টসহ ৯টি বাণিজ্যিক সংযোগে প্রতিদিন গ্যাস উত্তোলন হচ্ছে মাত্র ৭০ এমএমসিএফ গ্যাস। অব্যবহৃত থেকে যাচ্ছে প্রতিদিন ১০০ এমএমসিএফ গ্যাস। ভোলার প্রতিটি কূপেই গ্যাসের মজুত নিশ্চিত হয়েছে। একই সঙ্গে প্রতি কূপ থেকে দৈনিক ২০ থেকে ২৫ এমএমসিএসসিএফডি গ্যাস উত্তোলন করা যাবে বলে বাপেক্স প্রকৌশলীরা নিশ্চিত করেন। ভোলায় গ্যাসের মজুত ভান্ডার রয়েছে। তবে এলাকায় বাণিজ্যিক ও আবাসিক গ্যাস ব্যবহারে নতুন গ্যাস সংযোগ প্রদানের অনুমতি বন্ধ থাকায় ক্ষোভ জানায় নাগরিক সমাজ। এ জেলায় গ্যাসভিত্তিক বিদ্যুৎ প্লান্ট এবং সার কারখানা করার দাবি জানান তারা।

  • এনএসআইয়ের সাবেক মহাপরিচালক ও স্ত্রীর দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা

    এনএসআইয়ের সাবেক মহাপরিচালক ও স্ত্রীর দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা

    জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থার (এনএসআই) সাবেক মহাপরিচালক অবসরপ্রাপ্ত মেজর জেনারেল টি এম জোবায়েরকে দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছেন আদালত।

    তার স্ত্রী ফাহমিনা মাসুদকেও একই নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে।

    দুদকের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকার মেট্রোপলিটন সিনিয়র স্পেশাল জজ আদালতের ভারপ্রাপ্ত বিচারক ফারজানা ইয়াসমিন রোববার এ আদেশ দেন।

    বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন দুদকের পরিদর্শক আমির হোসেন।

    এদিন সংস্থাটির উপপরিচালক আনোয়ারুল হক তাদের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা চেয়ে আবেদন করেন। এতে বলা হয়েছে, অভিযোগসংশ্লিষ্ট মেজর জেনারেল (অব.) টি এম জোবায়েরের বিরুদ্ধে মোটা অঙ্কের ঘুস গ্রহণপূর্বক বিভিন্ন পদে চাকরি প্রদান ও ক্ষমতার অপব্যবহার করে বিভিন্ন ব্যক্তিকে প্রদর্শনপূর্বক কোটি কোটি টাকা উপার্জন করে নিজ নামে ও পরিবারের সদস্যদের নামে জ্ঞাত-আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন এবং ২৯ লাখ ৪৫ হাজার পাউন্ডে লন্ডনে বাড়ি ক্রয়সহ বিদেশে অর্থ পাচারের অভিযোগটির অনুসন্ধান চলমান রয়েছে। অভিযোগসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা দেশ ছেড়ে বিদেশে পলায়ন করতে পারেন বলে বিশ্বস্ত সূত্রে জানা যায়। অভিযোগের সুষ্ঠু অনুসন্ধানের স্বার্থে তাদের বিদেশ গমন রহিত করা একান্ত প্রয়োজন।