Category: জাতীয়

  • দেশে ফিরলেন মিজানুর রহমান আজহারী

    দেশে ফিরলেন মিজানুর রহমান আজহারী

    দেশে ফিরেছেন মালয়েশিয়ায় অবস্থানরত জনপ্রিয় ইসলামি বক্তা মাওলানা মিজানুর রহমান আজহারী। বুধবার নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে তিনি নিজেই এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

    সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার পর দেওয়া ওই পোস্টে আজহারী বলেন, ‘আলহামদুলিল্লাহ, সালামাতে প্রিয় মাতৃভূমিতে এসে পৌঁছালাম। পরম করুণাময় এই প্রত্যাবর্তনকে বরকতময় করুন। দুআর নিবেদন।’

    আলাদা পোষ্টে মিজানুর রহমান আজহারীর মামা মোশারফ হোসেন বিমানবন্দরে তাকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছার ছবি পোস্ট করেন। তিনি বলেন, ‘আলহামদুলিল্লাহ, আমাদের প্রিয় রাহবার এখন প্রিয় মাতৃভুমি বাংলাদেশে’।

    এর আগে, গত ৬ আগস্ট শিগগির দেশে ফিরছেন বলে জানিয়েছিলেন মাওলানা মিজানুর রহমান আজহারী।

    নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেইজে ওই ভিডিও বার্তায় তিনি বলেন, অনেকে আমাকে মেসেজ করে ও ব্যক্তিগতভাবে ফোন করে জানতে চেয়েছেন আমি কবে দেশে ফিরবো। আমি তাদের বলতে চাই, আমি দ্রুতই দেশে ফিরবো। আপনাদের সঙ্গে দেখা করার অপেক্ষাতে রয়েছি আমি নিজেও। শিগগির সাম্য, মানবিকতার মুক্ত-স্বাধীন, বাংলাদেশে আমি আপনাদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে চাই।

    ২০২০ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে বাংলাদেশ থেকে মালয়েশিয়া চলে যাওয়ার ঘোষণা দেন মিজানুর রহমান আজহারী। এরপর থেকে মালয়েশিয়াতেই অবস্থান করছিলেন তিনি।

    তখন এক ফেসবুক পোস্টে তিনি লেখেন, ‘পারিপার্শ্বিক কিছু কারণে এখানেই এবছরের তাফসির প্রোগামের ইতি টানতে হচ্ছে। তাই, মার্চ পর্যন্ত আমার বাকী প্রোগ্রামগুলো স্থগিত করা হল। রিসার্চের কাজে আবারও মালয়েশিয়া ফিরে যাচ্ছি। আল্লাহ রাব্বুল আলামিন সুযোগ করে দিলে আবারও দেখা হবে ও কথা হবে ইনশাআল্লাহ।’

  • সেপ্টেম্বরে কমেছে মূল্যস্ফীতি, বেড়েছে মজুরি

    সেপ্টেম্বরে কমেছে মূল্যস্ফীতি, বেড়েছে মজুরি

    বাজারে জিনিসপত্রের দাম না কমলেও দেশে মূল্যস্ফীতি নিম্নমুখী। গত সেপ্টেম্বর মাসে সার্বিক মূল্যস্ফীতি কমে দাঁড়িয়েছে ৯ দশমিক ৯২ শতাংশে, যা আগস্টে ছিল ১০ দশমিক ৪৯ শতাংশ।

    এ সময়ে খাদ্যপণ্যের মূল্যস্ফীতি কমে হয়েছে ১০ দশমিক ৪০ শতাংশ, যা তার আগের মাসে ছিল ১১ দশমিক ৩৬ শতাংশ। খাদ্যবহির্ভূত পণ্যের মূল্যস্ফীতি কমে দাঁড়িয়েছে ৯ দশমিক ৫০ শতাংশে, যা তার আগের মাসে ছিল ৯ দশমিক ৭৪ শতাংশ।

    বুধবার বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) কঞ্জুমার প্রাইস ইনডেক্স (সিপিআই) প্রতিবেদনে এসব তথ্য দেওয়া হয়েছে।

    প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সেপ্টেম্বরে গ্রামে সার্বিক মূল্যস্ফীতি কমে দাঁড়িয়েছে ১০ দশমিক ১৫ শতাংশে, যা তার আগের মাসে ছিল ১০ দশমিক ৯৫ শতাংশ। খাদ্যপণ্যের মূল্যস্ফীতি কমে হয়েছে ১০ দশমিক ৩৮ শতাংশ, যা তার আগের মাসে ছিল ১১ দশমিক ৪৪ শতাংশ। খাদ্যবহির্ভূত মূল্যস্ফীতি কমে দাঁড়িয়েছে ৯ দশমিক ৯১ শতাংশে, যা তার আগের মাসে ছিল ১০ দশমিক ৪৫ শতাংশ।

    এদিকে শহরে সার্বিক মূল্যস্ফীতি কমে দাঁড়িয়েছে ৯ দশমিক ৮৩ শতাংশে, যা তার আগের মাসে ছিল ১০ দশমিক ০১ শতাংশ। খাদ্যপণ্যের মূল্যস্ফীতি কমে হয়েছে ১০ দশমিক ৫০ শতাংশ, যা তার আগের মাসে ছিল ১১ দশমিক ২৪ শতাংশ। তবে খাদ্যবহির্ভূত পণ্যের মূল্যস্ফীতি কিছুটা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৯ দশমিক ৩৮ শতাংশে, যা তার আগের মাসে ছিল ৯ দশমিক ২০ শতাংশ।

    প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, সেপ্টেম্বর মাসে বেড়েছে দেশের মজুরি হার। এর হার দাঁড়িয়েছে ৮ দশমিক ০১ শতাংশে, যা আগস্টে ছিল ৭ দশমিক ৯৬ শতাংশ। এক্ষেত্রে কৃষিতে মজুরি হার বেড়ে হয়েছে ৮ দশমিক ২৮ শতাংশ, যা তার আগে মাসে ছিল ৮ দশমিক ২৫ শতাংশ। শিল্পে সেপ্টেম্বর মাসে মজুরি হার বেড়ে হয়েছে ৭ দশমিক ৬১ শতাংশ, যা আগস্টে ছিল ৭ দশমিক ৫৪ শতাংশ। সেবা খাতে মজুরি হার বেড়ে হয়েছে ৮ দশমিক ২৯ শতাংশ, যা আগস্টে ছিল ৮ দশমিক ২৪ শতাংশ।

  • আবারও রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে বসছেন প্রধান উপদেষ্টা

    আবারও রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে বসছেন প্রধান উপদেষ্টা

    প্রধান রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে আগামী শনিবার (৫ অক্টোবর) থেকে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস আবারও আলোচনায় বসবেন। এর আগে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে দুই দফায় আলোচনা করেন তিনি।

    প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম বুধবার সন্ধ্যায় রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে আয়োজিত এক সংবাদ ব্রিফিংয়ে এ সিদ্ধান্ত জানিয়েছেন। প্রধান প্রধান রাজনৈতিক দলগুলোকে আলোচনায় অংশ নেওয়ার জন্য দাওয়াত দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন তিনি।

    শফিকুল আলম বলেন, এ আলোচনার মুখ্য বিষয় হবে সংস্কার কমিশনগুলোর কাজের অগ্রগতি সম্পর্কে অবহিত করা। সেখানে দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়েও আলোচনা হবে।

    তিনি বলেন, আগামী শনিবার থেকে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে আলোচনা হবে। এতে ৬ সংস্কার কমিশনের কাজের অগ্রগতির ব্যাপারে রাজনৈতিক দলগুলোকে অবগত করা হবে। তাদের কাছ থেকে পরামর্শ নেওয়া হবে। এছাড়া আইনশৃঙ্খলার বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে অবগত করা হবে।

    প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম বলেন, রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে প্রধান উপদেষ্টা মতবিনিময় সভা করবেন। ৮ আগস্ট অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠনের পর থেকে দুই দফা রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে মিটিং হয়েছে। এটারই চলমান প্রক্রিয়ায় শনিবার থেকে আবার নতুন দফায় আলোচনা শুরু হবে। দেশের প্রধান প্রধান দলগুলোর সঙ্গে আলোচনা হবে।

    রাজনৈতিক আলোচনার উপর কমিশন গঠন নির্ভর করছে না জানিয়ে তিনি বলেন, কমিশনগুলোর পতনরা কাজ শুরু করেছেন। তাদের জন্য অফিসগুলো খোঁজা হচ্ছে। যারা যারা কমিশনের মেম্বার হবেন, সেক্ষেত্রে তাদের সম্মতি লাগে, এখন তাদের সম্মতি নেওয়া হচ্ছে সম্মতি নেওয়া হচ্ছে।

    কোন কোন দলকে দাওয়াত দেওয়া হবে এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, এটা নির্ভর করছে প্রধান উপদেষ্টার উপর। পুরোটাই উপদেষ্টামণ্ডলী ডিসাইড করবেন। আমি যতটুকু জেনেছি যে, প্রধান প্রধান দলগুলোকে দাওয়াত দেওয়া হবে।

  • সচিবালয়ে হট্টগোল, শাস্তি পাচ্ছেন যে ১৭ জন

    সচিবালয়ে হট্টগোল, শাস্তি পাচ্ছেন যে ১৭ জন

    সচিবালয়ে জেলা প্রশাসক (ডিসি) পদ নিয়ে হট্টগোলের ঘটনায় ১৭ জন উপ-সচিবকে শাস্তি দেওয়ার সুপারিশ করেছে এ ঘটনায় গঠিত তদন্ত কমিটি।

    জানা গেছে, স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সিনিয়র সচিব এম এ আকমল হোসেন আজাদের নেতৃত্বে তদন্ত কমিটি আট জনকে গুরুদণ্ড, চার জনকে লঘুদণ্ড ও পাঁচ জনকে তিরস্কারের শাস্তি দেওয়ার সুপারিশ করেছে।

    এর মধ্যে নুরজাহান খানম, মো. নুরুল করিম ভূঁইয়া, মো. জসিম উদ্দিন, রেবেকা খান, মো. সাইফুল হাসান, মোহাম্মদ জয়নুল আবেদিন, নুরুল হাফিজ এবং মোতাকাব্বীর আহমেদকে গুরুদণ্ড দেওয়ার জন্য সুপারিশ করা হয়েছে। হাসান হাবীব, মো. আ. কুদদূস, আব্দুল মালেক, মোহাম্মদ নজরুল ইসলামকে লঘুদণ্ড এবং মো. সগীর হোসেন, মো. মুনিরুজ্জামান, এস এম জাহাঙ্গীর হোসেন, মো. হেমায়েত উদ্দীন, মো. তোফায়েল হোসেনকে শাস্তি হিসেবে ‘তিরস্কার’ করার সুপারিশ করা হয়েছে।

    উল্লেখ্য, গত ৯ ও ১০ সেপ্টেম্বর দুই দিনে দেশের ৫৯ জেলায় নতুন ডিসি নিয়োগ দেওয়া হয়। এ পদে নিয়োগের ক্ষেত্রে বঞ্চিত হওয়ার অভিযোগ তুলে ১০ সেপ্টেম্বর সচিবালয়ে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে হট্টগোল করেন উপসচিব পর্যায়ের এসব কর্মকর্তা।

    এ ঘটনায় সমালোচনার মুখে তদন্ত কমিটি গঠন করে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়।

    সোমবার (৩০ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এক ব্রিফিংয়ে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব ড. মো. মোখলেস উর রহমান বলেন, গত ১০ সেপ্টেম্বর আমাদের মন্ত্রণালয়ে একটি আনরেস্ট (অসন্তোষ) হয়েছিল। সেটার জন্য এক সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়েছিল। এটার প্রধান ছিলেন স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সিনিয়র সচিব এম এ আকমল হোসেন আজাদ। তার রিপোর্ট পাওয়া গেছে। বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থা থেকেও প্রতিবেদন পাওয়া গেছে, সাক্ষী-প্রমাণ পাওয়া গেছে।

    সিনিয়র সচিব বলেন, ১৭ জনকে তিনি জিজ্ঞাসাবাদ করেছেন। তিনটি পর্যায়ে তিনি সাজেস্ট করেছেন কী কী ব্যবস্থা নেওয়া যেতে পারে। আটজনের বিষয় বলা হয়েছে, তদন্তসাপেক্ষে কিছু পদ্ধতি অনুসরণ করে গুরুদণ্ড দেওয়া যেতে পারে। চারজনের বিষয় বলা হয়েছে তদন্ত সাপেক্ষে বিধিবিধান অনুযায়ী লঘুদণ্ড দেওয়া যেতে পারে। আর পাঁচজনের ব্যাপারে বলা হয়েছে, তাদের শাস্তি তিরস্কার দেওয়া যেতে পারে। তাদের সাবধান করা, যাতে ভবিষ্যতে এটা না করে।

  • আইনি প্রক্রিয়ায় হাসিনাকে ফেরত চাইবে বাংলাদেশ

    আইনি প্রক্রিয়ায় হাসিনাকে ফেরত চাইবে বাংলাদেশ

    ছাত্র-জনতার আন্দোলনের মুখে ভারত পালিয়ে যান সাবেক স্বৈরশাসক শেখ হাসিনা। তার পর থেকে সেখানেই অবস্থান করছেন তিনি। বিভিন্ন মহল থেকে হাসিনাকে ফেরানোর জন্য বলা হলেও এখন পর্যন্ত ভারতের পক্ষ থেকে কোনো বার্তা পাওয়া যায়নি। এবার বিষয়টি নিয়ে ভয়েস অফ আমেরিকার সঙ্গে কথা বলেছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড, মুহাম্মদ ইউনূস।

    শুক্রবার, (২৭ সেপ্টেম্বর) জাতিসংঘে সাধারণ পরিষদে দেয়া ভাষণ শেষে যুক্তরাষ্ট্রের নিউ ইয়র্কে ভয়েস অফ আমেরিকা বাংলাকে দেয়া এক একান্ত সাক্ষাৎকার দেন তিনি। মঙ্গলবার এ সাক্ষাৎকার প্রকাশ করে ভয়েস অফ আমেরিকা।

    ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের মুখে সরকারের পতনের পর ৮ আগস্ট ড মুহাম্মদ ইউনূস বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। সেই থেকে ভারতের সাথে বাংলাদেশের সম্পর্কের একটি দৃশ্যমান টানাপড়েন লক্ষ্য করা যাচ্ছে।

    বর্তমানে ভারতে অবস্থানরত, গণঅভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত শেখ হাসিনাকে বাংলাদেশে প্রত্যর্পণ প্রসঙ্গে ইউনূস জানান, এটি একটি আইনগত বিষয় এবং আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ করে বাংলাদেশ শেখ হাসিনাকে ফেরত চাইবে।

    ভারতের সাথে সম্পর্ক প্রসঙ্গে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, আমাদের দুজনেরই দুই দেশেরই স্বার্থ হলো যে অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক, মধুর সম্পর্ক গড়ে তোলা । মাঝে মাঝে কতগুলা প্রশ্ন এসে যায় যেখানে সম্পর্কে একটু চির ধরে। যেমন সীমান্তে গুলি করলো, বাচ্চা মেয়ে মারা গেলো, বাচ্চা ছেলে মারা গেলো, এগুলো মনে কষ্ট দেয়।…এটাতে আমরা মনে করিনা যে সরকার ইচ্ছা করে, ভারতের সরকার ইচ্ছা করে এসব করেছে। যে সমস্ত কারণে এসব ঘটে, সেসব কারণগুলো যেন আমরা উৎখাত করতে পারি, যাতে এ ধরনের ঘটনা না ঘটে,যাতে নিরাপদে মানুষ জীবন নিয়ে চলাফেরা করতে পারে।

  • সাকিব ও তার স্ত্রীর ব্যাংক হিসাব তলব

    সাকিব ও তার স্ত্রীর ব্যাংক হিসাব তলব

    পুঁজিবাজারে কারসাজি ও আর্থিক অনিয়ম খতিয়ে দেখতে ক্রিকেটার সাকিব আল হাসান ও তার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের ব্যাংক হিসাবের যাবতীয় তথ্য তলব করেছে বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (বিএফআইইউ)। মঙ্গলবার এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট ব্যাংকগুলোকে চিঠি দেওয়া হয়েছে।

    সাকিব ছাড়াও তার স্ত্রী উম্মে রোমান আহমেদ, আবুল খায়ের হিরুর বাবা আবুল কালাম মাদবর, হিরুর ভাই মোহাম্মদ বাশার, বোন কনিকা আফরোজ ও ব্যবসায়ী মো. নাজমুল বাশার খানের ব্যক্তিগত ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের ব্যাংক হিসাবের তথ্য চেয়ে ব্যাংকগুলোকে চিঠি দেয় বিএফআইইউ।

    শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত বিমা খাতের কোম্পানি প্যারামাউন্ট ইনস্যুরেন্সের শেয়ার নিয়ে কারসাজির করে সিকিউরিটিজ আইন ভঙ্গ করায় পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) গত ২৪ সেপ্টেম্বর সাকিবকে ৫০ লাখ টাকা জরিমানা করে। ওই ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে আবুল খায়ের হিরুকে জরিমানা করা হয় ২৫ লাখ টাকা। শেয়ার কারসাজির অভিযোগে হিরুর ব্যাংক হিসাব গত ২০ আগস্ট থেকে জব্দ রয়েছে।

    সাকিব দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নৌকা প্রতীকে নির্বাচন করে মাগুরা-১ আসন থেক সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। গত ৫ আগস্ট শেখ হাসিনার সরকারের পতনের পর আদাবর থানায় দায়ের করা একটি হত্যা মামলায় আসামি করা হয় তাকে।

    জাতীয় দলের সাবেক এই অধিনায়কের ব্যবসায় হাতেখড়ি রেস্টুরেন্টের মাধ্যমে। এরপর ধীরে ধীরে পুঁজিবাজার, বিদ্যুৎকেন্দ্র, প্রসাধনী, ট্রাভেল এজেন্সি, হোটেল, ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট, কাঁকড়া ও কুঁচের খামারসহ বিভিন্ন খাতে বিনিয়োগ করেন। সবশেষ যুক্ত হন ফুটওয়্যার ও ই-কমার্স ব্যবসায়। মোনার্ক মার্ট সাকিব আল হাসানের ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান।

  • শ্রমিক নিহতের ঘটনায় জামায়াতের বিবৃতি

    শ্রমিক নিহতের ঘটনায় জামায়াতের বিবৃতি

    সাভারে পোশাক শ্রমিক নিহত ও আহত হওয়ার ঘটনায় গভীর উদ্বেগ জানিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী।

    মঙ্গলবার (১ অক্টোবর) গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে এই উদ্বেগ জানান দলটির সেক্রেটারি জেনারেল অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার।

    তিনি বলেন, দেশের পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে শ্রমিক নিহতের এই ঘটনা কোনোভাবেই কাম্য নয়। দেশের মানুষের প্রত্যাশা ঐতিহাসিক গণবিপ্লবের পর বিনা বিচারে আর কোনো নাগরিকের মৃত্যু ঘটবে না। আমি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে এ জাতীয় ঘটনা আরও ধৈর্য ও সহনশীলতার সাথে মোকাবেলা করার এবং গুলি চালানো থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানাচ্ছি।

    বিবৃতিতে গোলাম পরওয়ার বলেন, ৩০ সেপ্টেম্বর সকালে মন্ডল গ্রুপের শ্রমিকদের প্রতিনিধিদের সঙ্গে মালিকপক্ষ ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ত্রিপক্ষীয় মিটিং চলছিল। সমঝোতা না হওয়ায় শ্রমিকরা কারখানার বাইরে অবস্থান নেন। পরে অন্যান্য কারখানার শ্রমিকরা সেখানে জড়ো হতে থাকেন। এ সময় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও শ্রমিকরা মুখোমুখি অবস্থান নেয়। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা লাঠিচার্জ শুরু করেন। শ্রমিকরা র‍্যাব ও পুলিশের কয়েকটি গাড়ি ভাঙচুর করে। পরে শ্রমিকরা আরও উত্তেজিত হলে পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নিতে গুলি চালায়। এ সময় ৫ জন শ্রমিক গুলিবিদ্ধসহ অন্তত আরও ৩০ জন শ্রমিক আহত হন। গুলিবিদ্ধ ৫ জনকে উদ্ধার করে স্থানীয় পিএমকে হাসপাতাল ও সাভারের এনাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। ভর্তির পর গুলিবিদ্ধ কাউসার হোসাইন খানকে কর্তব্যরত ডাক্তার মৃত ঘোষণা করেন। আমি এ ঘটনায় গভীরভাবে উদ্বেগ প্রকাশ করছি। সেই সাথে নিহত কাউসার হোসাইন খানের আত্মার মাগফিরাত কামনা করছি এবং তার পরিবার-পরিজন ও আহতদের প্রতি গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করছি।

    পৃথক আরেক বিবৃতিতে জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল বলেন, আমাদের দেশ সম্পাদক মাহমুদুর রহমান ফ্যাসিস্ট হাসিনা সরকারের জুলুম-নির্যাতনের বিরুদ্ধে সর্বদা সোচ্চার ভূমিকা পালন করেছেন। তিনি অকুতোভয় সৈনিক হিসেবে জালিম সরকারের অপশাসনের বিরুদ্ধে ক্ষুরধার লেখনীর মাধ্যমে জনগণকে সচেতন করেছেন। এতে তিনি সরকারের রোষানলে পড়ে অকথ্য জুলুম-নির্যাতনের শিকার হন এবং শেষ পর্যন্ত দেশ ছাড়তে বাধ্য হন। এমনকি তার সম্পাদনায় প্রকাশিত ‘আমার দেশ’ পত্রিকার প্রকাশনা বন্ধ করে দেওয়া হয়। সম্প্রতি তিনি দেশে ফিরে আইনের প্রতি শ্রদ্ধা প্রদর্শন করে ২৯ সেপ্টেম্বর আদালতে আত্মসমর্পণ করেন এবং জামিন আবেদন করেন। কিন্তু আদালত তাঁকে জামিন না দিয়ে কারাগারে পাঠিয়েছে। দেশের পরিবর্তিত পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটে এটা জাতির জন্য খুবই লজ্জার বিষয়। তাকে জামিন না দেওয়ায় আমরা হতবাক ও বিস্মিত হয়েছি।

    তিনি বলেন, বিরোধীমত দমনের নামে জালিম সরকারের আমলে দেয়া প্রতিটি মামলা ছিল রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। দেশের পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে জনগণের প্রত্যাশা জালিম হাসিনা সরকারের মিথ্যা, সাজানো ও রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মামলায় সকলেই জামিন পাবেন। সরকারের দায়ের করা এমনই একটি নিকৃষ্ট মিথ্যা মামলায় মাহমুদুর রহমান জামিন না পাওয়ায় আমরা হতাশ হয়েছি।

  • সেপ্টেম্বরে এলো সর্বোচ্চ রেমিট্যান্স

    সেপ্টেম্বরে এলো সর্বোচ্চ রেমিট্যান্স

    চলতি অর্থবছরের সেপ্টেম্বর মাসে দেশে সর্বোচ্চ রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন প্রবাসীরা। এই মাসে রেমিট্যান্স এসেছে ২৪০ কোটি ৪৭ লাখ মার্কিন ডলার, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় ২৮ হাজার ৮৫৬ কোটি ৪০ লাখ টাকা।

    মঙ্গলবার বাংলাদেশ ব্যাংকের হালনাগাদ প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।

    বাংলাদেশ ব্যাংক জানিয়েছে, সেপ্টেম্বর মাসে দেশে রেমিট্যান্স এসেছে ২৪০ কোটি ৪৭ লাখ ৯০ হাজার মার্কিন ডলার। অন্যদিকে আগস্টে রেমিট্যান্স এসেছিল ২২২ কোটি ১৩ লাখ ডলার। সে হিসাবে সেপ্টেম্বরে রেমিট্যান্স প্রবাহ বেড়েছে। এ মাসে প্রতিদিন গড়ে দেশে এসেছে ৮ কোটি ২ লাখ ডলার।

    আগের বছরের (২০২৩ সাল) সেপ্টেম্বর মাসে প্রবাসী আয় এসেছিল ১৩৩ কোটি ডলার। আর চলতি বছরের (২০২৪ সাল) সেপ্টেম্বর মাসে রেমিট্যান্স এসেছে ২৪০ কোটি ডলার। গত বছরের একই সময়ের তুলনায় বেড়েছে ১০৭ কোটি ডলার। সেই হিসাবে এই সময়ের মধ্যে রেমিট্যান্স বেড়েছে ৮২ দশমিক ২০ শতাংশ।

    বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, সেপ্টেম্বরে রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে রেমিট্যান্স এসেছে ৬৩ কোটি ৮২ লাখ ৫০ হাজার মার্কিন ডলার। বিশেষায়িত ব্যাংকের মাধ্যমে ১০ কোটি ৯৯ লাখ ৮০ হাজার ডলার, বেসরকারি ব্যাংকের মাধ্যমে ১৬৫ কোটি ৩ লাখ ৫০ হাজার ডলার ও বিদেশি খাতের ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে এসেছে ৬২ লাখ ১০ হাজার ডলার।

    এর আগে গত জুন মাসে ২৫৩ কোটি ৮৬ লাখ ডলার রেমিট্যান্স আসার পর চলতি অর্থবছরের প্রথম মাস জুলাইয়ে এসেছিল প্রায় ১৯১ কোটি মার্কিন ডলার। যা গত ১০ মাসের মধ্যে সবচেয়ে কম ছিল।

  • ‘আড়াই ঘণ্টার’ সফরে ঢাকায় আসছেন আনোয়ার ইব্রাহিম

    ‘আড়াই ঘণ্টার’ সফরে ঢাকায় আসছেন আনোয়ার ইব্রাহিম

    অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের আমন্ত্রণে মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিম আগামী ৪ অক্টোবর বাংলাদেশে আসছেন।তবে তার এই সফর খুবই সংক্ষিপ্ত।‘আড়াই ঘণ্টার মতো’ তিনি ঢাকায় অবস্থান নেবেন।

    ঢাকা ও মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশ হাইকমিশন সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

    প্রায় ১১ বছর পর মালয়েশিয়ান কোনো প্রধানমন্ত্রীর বাংলাদেশ সফর হতে যাচ্ছে এটি। তার সফরে রাজনীতি, অর্থনীতি ও শ্রমবাজার ইস্যু গুরুত্ব পাবে বলে কূটনৈতিক সূত্রে জানা গেছে। একইসঙ্গে অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর এটাই হবে বিদেশি কোনো প্রধানমন্ত্রীর ঢাকা সফর।

    মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশ হাইকমিশন সূত্র জানায়, সফরকালে মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস ও রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন।

    আশা করা হচ্ছে, মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রীর এ সফরকে ড. মুহাম্মদ ইউনূসের উন্নয়ন কৌশলের অবস্থান আরও গভীর করবে এবং পারস্পরিক কল্যাণকর সহযোগিতা প্রসারিত করবে যা, মালয়েশিয়ায় অবস্থানরত বাংলাদেশি কর্মীদের স্বার্থ ও একটি অভিন্ন কল্যাণকর রাষ্ট্র নির্মাণে কাজ করতে চাইবে।

    কূটনৈতিক সূত্রে জানা গেছে, আনুষ্ঠানিক আমন্ত্রণে মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী ঢাকা সফরে আসছেন। তিনি ৪ অক্টোবর ঢাকায় আসবেন। খুব সংক্ষিপ্ত সফর। আড়াই ঘণ্টা ঢাকায় অবস্থান করবেন তিনি।এর আগে তিনি পাকিস্তান সফর করবেন সেখান থেকে বাংলাদেশে আসবেন।

    বাংলাদেশের পট পরিবর্তনের পর গত ১৪ আগস্ট মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিম খুব দ্রুত বাংলাদেশ সফরের ইচ্ছা প্রকাশ করেছিলেন। সে সময় অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী ব্যক্তিগতভাবে অভিনন্দন জানাতে ফোন করে এই ইচ্ছা ব্যক্ত করেছিলেন।

    উল্লেখ্য, আনোয়ার ইব্রাহিম মালয়েশিয়ান ইসলামিক ইউথ মুভমেন্টের (এবিআইএম) সভাপতি থাকাকালীন সময়ে ১৯৮১ সালে ছাত্র শিবিরের জাতীয় কর্মী সম্মেলনে বিশেষ অতিথি হিসেবে যোগ দিয়েছিলেন এবং ওই সময়ে প্রথম তিনি বাংলাদেশ সফর করেন।

  • বেক্সিমকো গ্রুপের সম্পদ দেখভালে রিসিভার নিয়োগের আদেশ বহাল

    বেক্সিমকো গ্রুপের সম্পদ দেখভালে রিসিভার নিয়োগের আদেশ বহাল

    সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ বিষয়ক উপদেষ্টা সালমান এফ রহমানের মালিকানাধীন বেক্সিমকো গ্রুপের সব সম্পত্তি রক্ষণাবেক্ষণের জন্য রিসিভার নিয়োগ দিতে হাইকোর্টের আদেশ আপাতত বহাল রেখেছেন চেম্বার আদালত। একইসঙ্গে এ বিষয়ে আপিল বিভাগের পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চে শুনানির জন্য আগামী ২৮ অক্টোবর দিন নির্ধারণ করেছেন আদালত।

    মঙ্গলবার আপিল বিভাগের চেম্বার বিচারপতি মো. রেজাউল হক এ আদেশ দেন।

    এর আগে রিসিভার নিয়োগ দিতে লিখিত আদেশ প্রকাশ করেছেন হাইকোর্ট। বাংলাদেশ ব্যাংককে এ নির্দেশ বাস্তবায়ন করতে বলা হয়েছে। এ আদেশ বাস্তবায়ন সংক্রান্ত প্রতিবেদন চার সপ্তাহের মধ্যে দাখিলের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

    এর আগে গত ৫ সেপ্টেম্বর বেক্সিমকো গ্রুপের সব সম্পত্তি ক্রোক করে সেগুলো দেখাশোনার জন্য রিসিভার বা তত্ত্বাবধায়ক নিয়োগের নির্দেশ কেন দেওয়া হবে না, জানতে চেয়ে রুল জারি করেছিলেন হাইকোর্ট।

    সুপ্রিম কোর্টের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী ব্যারিস্টার মাসুদ আর সোবহানের করা রিট আবেদনের শুনানি শেষে দেওয়া ওই রুলে, বেক্সিমকো ফার্মাসিউটিক্যালসসহ এ গ্রুপের সব প্রতিষ্ঠানের তথ্য দিতেও বলা হয়।

    এ ছাড়া প্রতিষ্ঠানগুলোর কী পরিমাণ বকেয়া ঋণ রয়েছে, তার তথ্য দিতে এবং বিদেশ থেকে এ গ্রুপের পাচার অর্থ ফেরত আনতে বাংলাদেশ ব্যাংককে কেন নির্দেশ দেওয়া হবে না, তাও জানতে চাওয়া হয়েছিল রুলে।