Category: জাতীয়

  • ভারতে ইলিশ রপ্তানি বাতিলে হাইকোর্টে রিট

    ভারতে ইলিশ রপ্তানি বাতিলে হাইকোর্টে রিট

    ভারতে তিন হাজার টন ইলিশ রপ্তানির অনুমতি বাতিলসহ পদ্মা, মেঘনার ইলিশ রপ্তানিতে স্থায়ী নিষেধাজ্ঞা চেয়ে হাইকোর্টে একটি রিট করা হয়েছে। বুধবার সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মো. মাহমুদুল হাসান হাইকোর্টে রিটটি করেছেন।

    ভারতে ইলিশ রপ্তানির অনুমতির প্রতিবাদে লিগ্যাল নোটিশ দেওয়ার পর রিটটি করলেন এই আইনজীবী। এতে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব, জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের চেয়ারম্যান ও আমদানি-রপ্তানির কার্যালয়ের প্রধান নিয়ন্ত্রককে বিবাদী করা হয়েছে।

    এই রিটের আগে দেওয়া লিগ্যাল নোটিশে বলা হয় যে, ইলিশ মাছ বাংলাদেশ, ভারত, মায়ানমার সহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে পাওয়া যায়। প্রতিবেশী দেশ ভারতের বিশাল ও বিস্তৃত সমুদ্র সীমা রয়েছে। ভারতের জলসীমায় ব্যাপকভাবে ইলিশ উৎপাদন হয়। এই বিবেচনায় বাংলাদেশ থেকে ভারতের ইলিশ মাছ আমদানির কোন প্রয়োজন নেই। কিন্তু ভারত মূলত বাংলাদেশের পদ্মা নদীর ইলিশ আমদানি করে থাকে।

    বাংলাদেশে ভারতীয় এজেন্টরা ও মাছ রপ্তানিকারকরা সারা বছর ধরে পদ্মা নদীর ইলিশ মাছ মজুদ করে রাখে এবং বাংলাদেশ সরকারের অনুমতি সাপেক্ষে পদ্মা নদীর ইলিশ মাছ ভারতে রপ্তানি করে এবং ক্ষেত্রবিশেষে সীমান্ত দিয়ে অবৈধভাবে পাচার করে। বাংলাদেশের পদ্মা নদীর ইলিশ মাছ ভারতে রপ্তানি ও পাচার হ‌ওয়ার কারণে বাংলাদেশের জনগণ বাজারে গিয়ে পদ্মার নদীর ইলিশ পায়না। ফলশ্রুতিতে বাংলাদেশের জনগণকে সামুদ্রিক ইলিশ খেতে হয়, যা পদ্মার ইলিশের মতো সুস্বাদু নয়।

    ওই নোটিশে আরো বলা হয়েছে যে, বাংলাদেশ নিত্যপ্রয়োজনীয় বিভিন্ন জিনিসপত্র ভারত থেকে আমদানি করে থাকে কিন্তু ভারত সরকার কখনোই তার নিজের দেশের জনগনের চাহিদা না মিটিয়ে বাংলাদেশে কোন পণ্য রপ্তানি করে না। আর বাংলাদেশের রপ্তানি নীতি ২০২১-২৪ অনুযায়ী ইলিশ মাছ মুক্তভাবে রপ্তানি যোগ্য কোন মাছ নয়। এমতাবস্থায় বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ভারতে ইলিশ মাছ রপ্তানির অনুমতি দিয়ে বাংলাদেশের জনগণের স্বার্থবিরোধী কাজ করেছেন। তাই এই নোটিশে পাওয়ার তিন দিনের মধ্যে ভারতে ইলিশ রপ্তানির বন্ধের প্রয়োজনীয় ব্যাবস্থা নিতে অনুরোধ করা হয়।

  • বাংলাদেশের রাষ্ট্র সংস্কারে সমর্থন হোয়াইট হাউসের

    বাংলাদেশের রাষ্ট্র সংস্কারে সমর্থন হোয়াইট হাউসের

    জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের ফাঁকে বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের বৈঠক নিয়ে বিবৃতি দিয়েছে হোয়াইট হাউস।

    এতে বলা হয়, বৈঠকে বাইডেন বলেছেন- বাংলাদেশের নতুন সংস্কার কর্মসূচি বাস্তবায়নে মার্কিন সমর্থন অব্যাহত থাকবে।

    মঙ্গলবার বাংলাদেশ সময় রাত ৯টায় নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সদর দপ্তরে দুই নেতার মধ্যে বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয়। পরে বৈঠকের বিষয়ে একটি প্রেস বিজ্ঞপ্তি (রিড আউট) প্রকাশ করে হোয়াইট হাউস।

    বিবৃতিতে বলা হয়, মুহাম্মদ ইউনূস সম্প্রতি বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা নিযুক্ত হওয়ায় তাকে অভিনন্দন জানাতে গতকাল মঙ্গলবার তার সঙ্গে বৈঠক করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন।

    বিবৃতিতে বলা হয়, বৈঠকে উভয় নেতা যুক্তরাষ্ট্র ও বাংলাদেশের মধ্যকার ঘনিষ্ঠ অংশীদারিত্বের বিষয়টি উল্লেখ করেন। আর এ সম্পর্কের মূলে রয়েছে পারস্পরিক গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ ও জনগণের মধ্যকার শক্তিশালী বন্ধন।

    বিবৃতিতে বলা হয়, প্রেসিডেন্ট বাইডেন দুই সরকারের মধ্যে আরও সম্পৃক্ততাকে স্বাগত জানিয়েছেন। তিনি বলেছেন, বাংলাদেশের নতুন সংস্কার কর্মসূচি বাস্তবায়নে মার্কিন সমর্থন অব্যাহত থাকবে।

    এছাড়া বৈঠকের বিষয়ে প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূসের প্রেস উইং থেকে জানানো হয়েছে, বাংলাদেশ এবং ড. ইউনূসের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রতি ‘পূর্ণ সহযোগিতার’ আশ্বাস দিয়েছেন প্রেসিডেন্ট বাইডেন।

  • সেনা কর্মকর্তা তানজিম হত্যায় জড়িত ৬ জন আটক

    সেনা কর্মকর্তা তানজিম হত্যায় জড়িত ৬ জন আটক

    লেফটেন্যান্ট তানজিম ছারোয়ার নির্জন (২৩) হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে সরাসরি সম্পৃক্ত ৬ জনকে আটক করেছে সেনাবাহিনী।

    বুধবার আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তরের (আইএসপিআর) পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

    অভিযুক্তরা হলেন, মো.বাবুল প্রকাশ (৪৪), মো.হেলাল উদ্দিন (৩৪), মো.আনোয়ার হাকিম (২৮), মো. আরিফ উল্লাহ (২৫), মো.জিয়াবুল করিম (৪৫) ও মো. হোসেন (৩৯)।

    আইএসপিআর জানায়, কক্সবাজার জেলার চকরিয়ায় গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে ডাকাতি প্রতিরোধ অভিযান পরিচালনার সময় মঙ্গলবার রাত ৩টায় সেনাবাহিনীর লেফটেন্যান্ট তানজিম ছারোয়ার নির্জন (২৩) শহিদ হন। ওই এলাকায় চিরুনি অভিযান পরিচালনা করে সেনাবাহিনী ঘটনার সঙ্গে জড়িত ৬ জনকে আটক করে। আটক সন্ত্রাসীদের কাছ থেকে ২টি দেশীয় আগ্নেয়াস্ত্র, বিভিন্ন ধরনের ১১ রাউন্ড গুলি, হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত একটি ছুরি, একটি পিকআপ এবং একটি মোটরসাইকেল উদ্ধার করা হয়েছে।

    জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, আটকদের মধ্যে ৪ জন প্রত্যক্ষভাবে সংঘটিত অপরাধের সঙ্গে জড়িত ছিলেন বাকি ২ জন তথ্য দিয়ে সহায়তা করেছে। আটকদের মধ্যে মো. বাবুল প্রকাশ এই ঘটনার মূল অর্থ যোগান দাতা। এছাড়াও সে লেফটেন্যান্ট তানজিমকে প্রাণঘাতি ছুরিকাঘাত করে বলে প্রাথমিক স্বীকারোক্তি প্রদান করে। অন্যান্যদের মধ্যে ডাকাত দলের সেকেন্ড ইন কমান্ড মো. হেলাল উদ্দিন, গাড়ি চালক মো.আনোয়ার হাকিম, সশস্ত্র সদস্য মো.আরিফ উল্লাহ এবং তথ্য দাতা মো. জিয়াবুল করিম ও মো. হোসেন ওই ঘটনার সঙ্গে নিজেদের সরাসরি সম্পৃক্ততার কথা স্বীকার করেছে।

    ডাকাত দলের অন্যান্য জড়িত সদস্যদের গ্রেফতারের জন্য বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

    উল্লেখ্য, আটক ৬ জনকে চকরিয়া থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে এবং সেনাসদস্য বাদি হয়ে চকরিয়া থানায় মামলা দায়ের কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

  • রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে তিন প্রস্তাব ড. ইউনূসের

    রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে তিন প্রস্তাব ড. ইউনূসের

    মিয়ানমার থেকে বাস্তুচ্যুত হয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গাদের নিয়ে জাতিসংঘ সদর দপ্তরে উচ্চপর্যায়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশনের ফাঁকে এ বৈঠক হয় বলে জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম।

    মঙ্গলবার সন্ধ্যায় ম্যানহাটনের গ্র্যান্ড হায়াত হোটেলে প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি বলেন, বৈঠকে ড. মুহাম্মদ ইউনূস রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে তিনটি প্রস্তাব দিয়েছেন। প্রস্তাবগুলো হলো-

    ১. জাতিসংঘের মহাসচিব যত দ্রুত সম্ভব রোহিঙ্গা সংকটের বিষয়ে একটি সব স্টেকহোল্ডারকে নিয়ে আন্তর্জাতিক সম্মেলন আহবান করতে পারেন। সম্মেলনের সংকটের সামগ্রিক পরিস্থিতি পর্যালোচনা করা উচিত এবং উদ্ভাবনী ও অগ্রসর উপায়ে পরামর্শ দেওয়া উচিত।

    ২. ইউএন সিস্টেম ও বাংলাদেশ যৌথভাবে পরিচালিত জয়েন্ট রেসপন্স প্ল্যান, শক্তিশালী করা দরকার। স্লাইডিং ফান্ডিং পরিস্থিতির পরিপ্রেক্ষিতে রিসোর্স বাড়ানোর প্রক্রিয়াকে আরও রাজনৈতিক চাপ দিতে হবে।

    ৩. আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের উচিত রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর বিরুদ্ধে সংঘটিত গণহত্যামূলক অপরাধ মোকাবিলায় ন্যায়বিচার ও জবাবদিহির ব্যবস্থাকে গুরুত্বসহকারে সমর্থন করা। আমি আইসিসিতে মামলার অগ্রগতি সম্পর্কে প্রসিকিউটর করিম খানের কাছ থেকে শুনানির অপেক্ষায় আছি। সামরিক জান্তা দ্বারা সংঘটিত অন্যায়ের প্রতিকার মিয়ানমার দীর্ঘমেয়াদি শান্তি ও নিরাপত্তার চাবিকাঠি।

    বৈঠকে মিয়ানমার বিষয়ে জাতিসংঘ মহাসচিবের বিশেষ দূত জুলি বিশপ, জাতিসংঘের শরণার্থীবিষয়ক হাইকমিশনার (ইউএনএইচসিআর) ফিলিপ্পো গ্রান্ডি ও পররাষ্ট্র উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেনসহ সংশ্লিষ্ট শীর্ষ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

    এতে প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, রোহিঙ্গা জনগণের মর্যাদা ও নিরাপত্তা এবং অধিকার সমুন্নত রাখার ক্ষেত্রে সব স্টেকহোল্ডারের সঙ্গে কাজ করার জন্য আমি আমার সরকারের পূর্ণ অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করছি। আমরা এ সংকটের রাজনৈতিক সমাধানের অপেক্ষায় আছি।

    সভায় ড. ইউনূস বলেন, বাংলাদেশ মিয়ানমার থেকে ১ দশমিক ২ মিলিয়নেরও বেশি বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দিয়েছে। বিশ্ব এই বিষয়ে কম সচেতন যে, বাংলাদেশের শিবিরগুলোতে প্রতি বছর প্রায় ৩২ হাজার নবজাতক শিশু এই জনসংখ্যার সঙ্গে যুক্ত হয়। গত দুই মাসে আরও ২০ হাজার রোহিঙ্গা বাংলাদেশে পালিয়ে এসেছে। অত্যন্ত সহানুভূতির সঙ্গে রোহিঙ্গাদের আতিথেয়তা সত্ত্বেও একটি ঘনবসতিপূর্ণ দেশে সামাজিক-অর্থনৈতিক-পরিবেশগত ব্যয়ের ক্ষেত্রে এত বেশি খরচ হয়ে চলেছে। এগুলো আমাদের জন্য প্রথাগত ও অপ্রথাগত নিরাপত্তা ঝুঁকি। আমাদের নিজস্ব উন্নয়ন অনেকটাই ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে। স্পষ্টতই বাংলাদেশ তার ধৈর্যসীমায় পৌঁছেছে।

    তিনি বলেন, বাংলাদেশ যতই মানবিক দিক বা ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার বিষয়ে নিয়োজিত থাকুক, রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসনই দীর্ঘস্থায়ী সংকটের একমাত্র টেকসই সমাধান।

  • স্কুলে ভর্তি লটারিতে নাকি পরীক্ষায়, সিদ্ধান্ত কাল

    স্কুলে ভর্তি লটারিতে নাকি পরীক্ষায়, সিদ্ধান্ত কাল

    দেশের সরকারি-বেসরকারি বিদ্যালয়গুলোতে কয়েক বছর ধরে ভর্তির ক্ষেত্রে লটারির মাধ্যমে শিক্ষার্থী নির্বাচন করে আসছে সরকার। এবার তাতে পরিবর্তন আনা হবে কিনা, তা নিয়ে চলছে আলোচনা।

    পাশাপাশি বয়স নিয়ে প্রতি বছর যে জটিলতার সৃষ্টি হয়, সেখানেও বড় পরিবর্তন আনা হতে পারে। আলোচিত বিষয়গুলো সামনে রেখে বেসরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ভর্তির নীতিমালা সংশোধনে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে সভা ডাকা হয়েছে।

    বৃহস্পতিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে এ সভা হবে। এতে সভাপতিত্ব করবেন মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সিনিয়র সচিব ড. শেখ আব্দুর রশীদ। সভায় মাউশিসহ রাজধানীর নামিদামি কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষসহ ১৫ সদস্য অংশ নেবেন।

    বুধবার (২৫ সেপ্টেম্বর) মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের উপসচিব সাইয়েদ এ জেড মোরশেদ আলীর সই করা সভার নোটিশ থেকে এ তথ্য জানা গেছে। সভার সদস্যরা হলেন—মাউশির মহাপরিচালক, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের অতিরিক্ত সচিব, ঢাকা বিভাগীয় কমিশনারের প্রতিনিধি, মাউশির একজন যুগ্ম-সচিব, উপসচিব/সিনিয়র সহকারী সচিবদের একজন, ঢাকার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক, মাউশির কলেজ ও প্রশাসন বিভাগের পরিচালক, মাধ্যমিক বিভাগের পরিচালক, উপ-পরিচালক, ঢাকা অঞ্চলের উপ-পরিচালক, ঢাকা জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা।

    শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধানদের মধ্যে থাকবেন ঢাকা রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজের অধ্যক্ষ, ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ, মনিপুর উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজের অধ্যক্ষ এবং সেন্ট গ্রেগরী হাই স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ।

    শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সিনিয়র সচিব ড. আব্দুর রশীদ এ বিষয়ে বলেন, ‘কী পরিবর্তন আসবে, সেটা কাল ঠিক হবে। আমরা প্রথমে বেসরকারি বিদ্যালয়ের নীতিমালাটা করব। তারপর সরকারি বিদ্যালয়ের নীতিমালাটাও সংশোধন করা হবে।’

    লটারির মাধ্যমে ভর্তির বিষয়টিতে কোনো পরিবর্তন আসবে কিনা- এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, ‘এটা এখন আমি বলতে পারব না। কাল বৈঠকে বসি, সবার কথা শুনি। মাউশি বা প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি, তারপর বলা যাবে। তবে খুব যে পরিবর্তন আসবে, সেটা বলা যায় না।’

  • মাহফুজসহ যাদেরকে মঞ্চে আনলেন ড. ইউনূস

    মাহফুজসহ যাদেরকে মঞ্চে আনলেন ড. ইউনূস

    অন্তবর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের ফাঁকে মার্কিন প্রেসিডেন্টের সঙ্গে বৈঠক করেছেন। বৈঠকে বাংলাদেশ সরকারের প্রতি মার্কিন সরকারের পূর্ণ সমর্থনের কথা জানান বাইডেন।

    বৈঠকে অধ্যাপক ইউনূস বিগত সরকারের আমলে সব ধরনের নিপীড়নের বিরুদ্ধে শিক্ষার্থীদের সাহসী ভূমিকা ও বাংলাদেশ পুনর্গঠনে তাদের গুরুত্বপূর্ণ অবদানের কথা জো বাইডেনকে জানান।

    শুধু তাই নয়, মঙ্গলবার ‘ক্লিনটন গ্লোবাল ইনিশিয়েটিভ লিডারস স্টেজ’ অনুষ্ঠানেও স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে কীভাবে ছাত্র-জনতা সাহস নিয়ে বুক পেতে দাঁড়িয়েছে, সেই ঘটনা পুরো বিশ্বের কাছে তুলে ধরেছেন। বক্তব্যের শেষদিকে তার বিশেষ সহকারী মাহফুজসহ মোট ৩ জনকে স্টেজে ডেকে এনে আন্দোলনে তাদের ভূমিকা প্রকাশ করেন।

    নিউইয়র্কে অনুষ্ঠিত ওই অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটন।

    বক্তব্যে প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস বাংলাদেশের আন্দোলন ও শিক্ষার্থীদের আত্মত্যাগের কথা জানান এবং নতুন বাংলাদেশ গড়তে সবার সহযোগিতা কামনা করেন। বাংলাদেশের গণ-অভ্যুত্থানের কথা বলার সময় তিনি দর্শকদের জানান, এখানে তাদের কয়েকজন প্রতিনিধি রয়েছে।

    এ সময় তিনি প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী মাহফুজসহ ৩ জনকে স্টেজে আসতে বলেন। বিল ক্লিনটনও তাদের নাম শুনে হাততালি দেন। ৩ জনের মধ্যে একজন বেসরকারি ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী আয়েশা সিদ্দিকা তিথি।

    তাদের স্টেজে এনে ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, তাদের দেখতে অন্য তরুণদের মতো মনে হলেও আপনি যখন তাদের কাজ দেখবেন, বক্তব্য শুনবেন, আপনিও অবাক হবেন। তারা সারাদেশ নাড়িয়ে দিয়েছে। অনেক কিছু হয়েছে, কিন্তু তারা তাদের বক্তব্য, ত্যাগ কিংবা কমিটমেন্ট থেকে পিছিয়ে যায়নি। তাদের বক্তব্য ছিল- আপনারা চাইলে আমাদের হত্যা করতে পারেন, কিন্তু আমরা পথ ছেড়ে যাব না।

    শিক্ষার্থীদের প্রশংসা করে ড. ইউনূস বলেন, তারা যেভাবে কথা বলে, এরকম কথা আমি কখনো শুনিনি। তারা নতুন পৃথিবী, নতুন বাংলাদেশ গড়তে প্রস্তুত। প্লিজ আপনারা তাদের হেল্প করবেন। যেন তারা তাদের স্বপ্ন পূরণ করতে পারে। এগুরু দায়িত্ব আমাদের সবার নিতে হবে।

    এসময় তিনি বিল ক্লিনটনের হাত ধরে বলেন, আপনি আমাদের সঙ্গে আছেন এ স্বপ্ন পূরণে।

    এসময় মাহফুজকে এগিয়ে দিয়ে তিনি বলেন, গণ-অভুত্থানের পেছনের কারিগর মাহফুজ। যদিও মাহফুজ সব সময় বলে, সে নয়, আরও অনেকে আছে। যদিও সে গণ-অভ্যুত্থানের পেছনের কারিগর হিসেবে পরিচিত।

    এটা খুব সুশৃঙ্খল আন্দোলন ছিল উল্লেখ করে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, এটা হঠাৎ করে হয়েছে এমন কিছু নয়। খুবই গোছানো আন্দোলন। এছাড়াও এত বড় আন্দোলন হয়েছে মানুষ জানতো না। কে আন্দোলনের লিডার? যার ফলে একজনকে আটক করা যেত না। বলাও যেত না যে, একজনকে আটক করলে আন্দোলন শেষ।

    মাহফুজকে দেখিয়ে ড. ইউনূস বলেন, তার কথা শুনলে সারা পৃথিবীর যে কোনো তরুণ অনুপ্রাণিত হবে। তারা নতুন বাংলাদেশ তৈরি করবে। তাদের সফলতার জন্য আপনারা প্রার্থনা করবেন। এ সময় বিল ক্লিনটনসহ সবাই হাততালি দিয়ে সম্মান জানান।

  • গুম কমিশনে অভিযোগ দেওয়ার মেয়াদ বাড়ল

    গুম কমিশনে অভিযোগ দেওয়ার মেয়াদ বাড়ল

    গুম সংক্রান্ত কমিশন অব ইনকোয়ারিতে অভিযোগ দায়েরের সময়সীমা ৩০ সেপ্টেম্বর থেকে ১০ অক্টোবর পর্যন্ত বৃদ্ধি করা হয়েছে।

    সোমবার গুম সংক্রান্ত কমিশন অব ইনকোয়ারি এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ খবর দিয়েছে।

    বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে যে, এ সময়ের মধ্যে ২০০৯ সালের ৬ জানুয়ারি হতে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট পর্যন্ত সময়ের মধ্যে গুমের ঘটনার ভিকটিম নিজে অথবা পরিবারের কোনো আত্মীয়-স্বজন বা গুমের ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী যে কোনো ব্যক্তি স্বশরীরে কমিশনের কার্যালয়ে উপস্থিত হয়ে বা ডাকযোগে বা কার্যালয়ের ইমেইলে সর্বশেষ আগামী ১০ অক্টোবর সময়ের মধ্যে প্রতি কর্মদিবসে সকাল সাড়ে ১০টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত লিখিতভাবে অভিযোগ দায়ের করতে পারবে।

    বর্ণিত সময়সূচি অনুযায়ী অভিযোগ দাখিলের ক্ষেত্রে হটলাইন নম্বরের মাধ্যমে অ্যাপোয়েন্টমেন্ট নেয়ার অনুরোধ জানানো হয়েছে।

  • শ্রমিকদের সব দাবি মেনে নিলো মালিকপক্ষ

    শ্রমিকদের সব দাবি মেনে নিলো মালিকপক্ষ

    দেশে চলমান শ্রমিক অসন্তোষের পরিপ্রেক্ষিতে আয়োজিত বৈঠকে শ্রমিকদের ১৮ দাবি মেনে নিয়েছে মালিকপক্ষ।

    মঙ্গলবার (২৪ সেপ্টেম্বর) শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে শ্রমিকপক্ষ এবং মালিকপক্ষের বৈঠক শেষে এক সংবাদ সম্মেলনে এ ঘোষণা দেওয়া হয়।

    একই সঙ্গে পবুধবার (২৫ সেপ্টেম্বর) থেকে সারাদেশের সব শিল্পকারখানা খোলা রাখার ঘোষণা দেওয়া হয়েছে।

    এ সময় উপস্থিত ছিলেন শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া, স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী (অব.), শিল্প উপদেষ্টা আদিলুর রহমান খান এবং মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা ফরিদা আখতার। এছাড়া উপস্থিত ছিলেন শ্রম ও কর্মসংস্থান সচিব এ এইচ এম সফিউজ্জামান।

    সভায় জানানো হয়, দেশে চলমান শ্রমিক অসন্তোষের পরিপ্রেক্ষিতে শ্রমিকদের ১৮ দাবি মেনে নিয়েছে মালিকপক্ষ। এগুলো হলো, টিফিন বিল প্রদান, ১০ অক্টোবরের মধ্যে সব কারখানায় ন্যূনতম মজুরি বাস্তবায়ন, শ্রমঘন এলাকায় টিসিবি ও ওএমএসের মাধ্যমে রেশন প্রদান, শ্রমিকদের আগের বকেয়া ১০ অক্টোবরের মধ্যে পরিশোধ, ঝুট ব্যবসা মনিটরিং করে শ্রমিকদের মধ্যে থেকে ক্রেতা বের করা, কারখানার শ্রমিকদের কালো তালিকাভুক্ত করা বন্ধ করতে মনিটরিং বিষয়ে একমত হয়েছে উভয়পক্ষ।

    এছাড়াও গত বছর ন্যূনতম মজুরি আন্দোলন ও বিভিন্ন সময়ে শ্রমিকদের বিরুদ্ধে করা নিপীড়ন মামলা প্রত্যাহারের জন্য রিভিউ করে আইন মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে সমাধান করা, নিয়োগের ক্ষেত্রে বৈষম্য দূর করা, জুলাই আন্দোলনে শহীদদের ক্ষতিপূরণের ব্যবস্থা করা, রানাপ্লাজা ও তাজরীন ফ্যাশনের বিষয়ে কমিটি গঠন, সব কারখানায় ডে কেয়ার সেন্টার নিশ্চিতের দাবি মানা হয়েছে।

    অন্যায্যভাবে শ্রমিক ছাঁটাই বন্ধ করা, নারী কর্মীদের মাতৃত্বকালীন ছুটি ১২০ দিন, ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে তিন সদস্যের কমিটি গঠন, শ্রম আইন সংশোধন নিয়ে কাজ করা, প্রভিডেন্ট ফান্ড পর্যালোচলা করে শ্রমিক মালিকের আলোচনার মাধ্যমে চালু করা এবং প্রতি বছর দ্রব্যমূল্য পরিস্থিতি বিবেচনা করে বাৎসরিক ইনক্রিমেন্ট দিতে কমিটি গঠন করার বিষয়ে সিদ্ধান্ত হয়েছে।

    গতকাল সোমবার (২৩ সেপ্টেম্বর) শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ে সরকারের কাছে ১৮টি দাবি উত্থাপন করে শ্রমিক পক্ষ।

    তাদের দাবিগুলো হলো

    ১. মজুরি বোর্ড পুনর্গঠনপূর্বক শ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি পুনর্নির্ধারণ করতে হবে।

    ২. যে সব কারখানায় ২০২৩ সালে সরকার ঘোষিত নিম্নতম মজুরি ও এখনো বাস্তবায়ন করা হয়নি তা দ্রুত বাস্তবায়ন করতে হবে।

    ৩. শ্রম আইন সংশোধন করতে হবে।

    ৪. কোনো শ্রমিকের চাকরি পাঁচ বছর পূর্ণ হওয়ার পর চাকরি থেকে অব্যাহতি দিলে/চাকরিচ্যুত হলে একটি বেসিকের সমান অর্থ প্রদান করতে হবে, এর সাথে সাংঘর্ষিক শ্রম আইনের ২৭ ধারাসহ অন্য ধারাসমূহ সংশোধন করতে হবে।

    ৫. সব প্রকার বকেয়া মজুরি অবিলম্বে পরিশোধ করতে হবে।

    ৬. হাজিরা বোনাস (২২৫ টাকা), রাত ৮ টার পর বিদ্যমান টিফিন বিলের সাথে ১০ টাকা এবং বিদ্যমান নাইট বিল১০ টাকা বৃদ্ধি করে নূন্যতম ১০০ টাকা করা।

    ৭. সব কারখানায় প্রভিডেন্ড ফান্ড ব্যবস্থা চালু করতে হবে।

    ৮. মূল্যস্ফীতি বিবেচনা করে শ্রম আইনের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে বাৎসরিক ইনক্রিমেন্টের বিষয়ে কমিটি গঠন

    ৯. শ্রমিকদের জন্য রেশনিং ব্যবস্থা চালু করতে হবে।

    ১০. বিজিএমইএ কর্তৃক নিয়ন্ত্রিত বায়োমেট্রিক ব্ল্যাকলিস্টিং করা যাবে না; বায়োমেট্রিক তালিকা সরকারের নিয়ন্ত্রণে রাখতে হবে।

    ১১. সব প্রকার হয়রানিমূলক এবং রাজনৈতিক মামলা প্রত্যাহার করতে হবে।

    ১২. ঝুট ব্যবসার আধিপত্য বন্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে, প্রয়োজনে এ বিষয়ে আইন করতে হবে।

    ১৩. কলকারখানায় বৈষম্যবিহীন নিয়োগ প্রদান করতে হবে।

    ১৪. জুলাই বিপ্লবে শহীদ এবং আহত শ্রমিকদের ক্ষতিপূরণ এবং চিকিৎসা সেবা নিশ্চিত করতে হবে।

    ১৫. রানা প্লাজা এবং তাজরীন ফ্যাশনস দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্তদের কল্যাণে তদন্তান্তে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।

    ১৬. শ্রম আইন অনুযায়ী সব কারখানায় ডে-কেয়ার সেন্টার স্থাপন করতে হবে।

    ১৭. অন্যায্যভাবে শ্রমিক ছাঁটাই বন্ধ করতে হবে।

    ১৮. নারী শ্রমিকদের মাতৃত্বকালীন ছুটির মেয়াদ ১২০ দিন নির্ধারণ করতে হবে।

  • ইউনূস-বাইডেন বৈঠক রাতে

    ইউনূস-বাইডেন বৈঠক রাতে

    জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৭৯তম অধিবেশনে যোগ দিতে বর্তমানে নিউইয়র্কে অবস্থান করছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস। সেখানে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডিন্ট জো বাইডেনের সঙ্গে প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ইউনুস মঙ্গলবার রাতে বৈঠকে বসবেন।

    জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের ফাঁকে বাংলাদেশ সময় রাত ৯টায় (স্থানীয় সময় বেলা ১১টায়) এ বৈঠক হবে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশের স্থায়ী মিশনের কাউন্সিলর ফাহমিদ ফারহান।

    প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস সাধারণ অধিবেশনে ভাষণ দেবেন ২৭ সেপ্টেম্বর স্থানীয় সময় সকাল ১০টায়।

    জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী মিশনের একজন কূটনীতিক জানান, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট যেদিন সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে বক্তৃতা দেন, ওই দিন বিকালে তিনি অধিবেশনে আগত রাষ্ট্র ও সরকার প্রধানদের সম্মানে সংবর্ধনার আয়োজন করেন।

    এর আগে অধিবেশনের ফাঁকে বাংলাদেশের কোনো শীর্ষ নেতার সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টের কোনো বৈঠক হয়নি। বাংলাদেশের সরকার প্রধানদের সঙ্গে সবসময় যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টের সাক্ষাৎ হয়েছে সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে।

    ছাত্র-জনতার বিপ্লবের প্রেক্ষাপটে ৮ আগস্ট বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের দায়িত্ব নেওয়ার পর এটাই ইউনূসের প্রথম বিদেশ সফর। সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের ফাঁকে বিশ্বের বেশ কয়েকটি দেশের শীর্ষ নেতার সঙ্গে প্রধান উপদেষ্টার সৌজন্য সাক্ষাতের কথা রয়েছে।

    এ তালিকায় আছেন- ইতালির প্রধানমন্ত্রী জর্জিয়া মেলোনি, কুয়েতের যুবরাজ শেখ সাবাহ আল-খালিদ আল-সাবাহ, পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ, নেপালের প্রধানমন্ত্রী কে পি শর্মা অলি, নেদারল্যান্ডসের প্রধানমন্ত্রী ডিক স্কফ, বাহরাইনের প্রধানমন্ত্রী সালমান বিন হামাদ আল খলিফা, যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিঙ্কেন, চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই, ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ফন ডার লেয়েন এবং বিশ্বব্যাংকের প্রেসিডেন্ট অজয় বাঙ্গা, আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার (আইএলও) মহাপরিচালক গিলবার্ট এফ হাউংবো।

    জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস, জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক হাইকমিশনার ভলকার তুর্ক, জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক হাইকমিশনার ফ্লিপো গ্র্যান্ডিসহ জাতিসংঘের বেশ কয়েকটি সংস্থার প্রধানদের সঙ্গে প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূসের বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে।

  • গুচ্ছ ভুক্ত ২৪ বিশ্ববিদ্যালয়ে চতুর্থ পর্যায়ের ভর্তির তারিখ ঘোষণা

    গুচ্ছ ভুক্ত ২৪ বিশ্ববিদ্যালয়ে চতুর্থ পর্যায়ের ভর্তির তারিখ ঘোষণা

    চলতি বছর সাধারণ, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি (জিএসটি) গুচ্ছ ভুক্ত ২৪ বিশ্ববিদ্যালয়ের স্নাতক প্রথম বর্ষের চতুর্থ ধাপের প্রাথমিক ভর্তি শুরু হবে আগামী ২৮ সেপ্টেম্বর।

    মঙ্গলবার (২৪ সেপ্টেম্বর) গুচ্ছের ভর্তিবিষয়ক ওয়েবসাইটে প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তি থেকে এ তথ্য জানা যায়।

    বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, চতুর্থ পর্যায়ের প্রাথমিক ভর্তি প্রক্রিয়া ২৮ থেকে ২৯ সেপ্টেম্বরের মধ্যে জিএসটি ওয়েবসাইটের মাধ্যমে নির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী সম্পন্ন করতে হবে। প্রাথমিক ভর্তি ও ফি প্রদান করতে হবে ২৮ সেপ্টেম্বর দুপুর ১২টা হতে ২৯ সেপ্টেম্বর রাত ১১টা ৫৯ মিনিট পর্যন্ত চলবে।

    বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, মূল কাগজপত্র জমা দেওয়ার বিষয়টি পরবর্তী সময়ে জানানো হবে। ইতিপূর্বে প্রাথমিক ভর্তি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে থাকলে জিএসটির অন্য কোনো বিশ্ববিদ্যালয়ে মাইগ্রেশন হলেও শিক্ষার্থীর করণীয় কিছু নেই। মূল কাগজপত্র প্রাথমিক ভর্তিকৃত বিশ্ববিদ্যালয়েই জমা থাকবে।