Category: জাতীয়

  • ভিসি সৌমিত্র, লিকু ও মোস্তাফিফের বিরুদ্ধে অনুসন্ধানে দুদক

    ভিসি সৌমিত্র, লিকু ও মোস্তাফিফের বিরুদ্ধে অনুসন্ধানে দুদক

    জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের পদত্যাগ করা ভিসি অধ্যাপক ড. সৌমিত্র শেখর, সাবেক এমপি মোস্তাফিজুর রহমান চৌধুরী এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রীর সাবেক এপিএস-২ (সহকারী একান্ত সচিব) গাজী হাফিজুর রহমান লিকুর দুর্নীতি নিয়ে অনুসন্ধানের সিদ্ধান্ত নিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

    বুধবার দুদকের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

    দুদকের তথ্য অনুযায়ী, অধ্যাপক সৌমিত্র শেখর ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষে বিশ্ববিদ্যালয়ের গুচ্ছ ভর্তি প্রক্রিয়ায় ভর্তি বাণিজ্যের সঙ্গে জড়িত ছিলেন। পরিবেশ বিজ্ঞান বিভাগে শিক্ষক-কর্মচারী নিয়োগে ঘুষ নেওয়ার অভিযোগও আছে তার বিরুদ্ধে।

    এছাড়া, সৌমিত্র শেখরের বিরুদ্ধে এক ঠিকাদারের সোনালী ব্যাংকের আমানত রূপালী ব্যাংকে স্থানান্তরে প্রতি কোটিতে ৫০ হাজার টাকা আদায়, গাড়ির জ্বালানির জন্য বরাদ্দ সরকারি তহবিল আত্মসাৎ এবং অবৈধ অর্থে শেরপুরে জমি কিনে ডুপ্লেক্স বাড়ি তৈরি করার অভিযোগ পেয়েছে দুদক।

    তার বিরুদ্ধে ঢাকার ধানমন্ডি ও উত্তরায় একাধিক ফ্ল্যাটের মালিকানা এবং শেরপুরে সম্পত্তির সন্ধান পেয়েছে দুদক।

    এদিকে সাবেক প্রধানমন্ত্রীর সাবেক এপিএস-২ গাজী হাফিজুর রহমান লিকু-ও দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে ক্ষমতার অপব্যবহার করে অনিয়ম ও দুর্নীতির মাধ্যমে অঢেল সম্পদের মালিক হয়ে ওঠেন।

    তার স্ত্রীর নামে রামদিয়া কাশিয়ানীতে মেসার্স রাফি এগ্রো এন্ড ফিসারিজ এর নামে বিভিন্ন মৌজায় কয়েক শত বিঘা জমি ও মোহাম্মদপুর মধুসিটিতে ৬ নম্বর রোডে ৫৮৩ নম্বর বাড়ির এ-৬নং ফ্ল্যাট ক্রয়; ঢাকার উত্তরায় ১৭ নম্বর সেক্টরে ৩ নম্বর রোডে ৪৬ নম্বর সরকারি প্লট অবৈধভাবে বরাদ্দ নেয়া হয়।

    পাশাপাশি গোপালগঞ্জে পৌরসভায় ১০ শতক জমি কিনেছেন, পৈত্রিক জমিতে নির্মাণ করেছেন ৫ তলা বাড়ি। তার শ্যালকের নামে ৬ তলা বাড়ি, ১০ তলা কর্মাশিয়াল ও আবাসিক ভবন, ঢাকার মোহাম্মদপুরে মধুসিটিতে ১ বিঘার জমির ওপর ৬ তলা ভবন নির্মাণ, কুয়াকাটার লাইট হাউজের পাশে ওশান ব্লু রিসোর্ট রয়েছে। এছাড়াও নামে-বেনামে নিজ ও বিভিন্ন আত্মীয়-স্বজনের নামে বিপুল সম্পদ রয়েছে লিকুর। তার অবৈধভাবে অর্জিত জ্ঞাত-আয় বর্হিভূত সম্পদ রয়েছে।

    অপরদিকে, চট্টগ্রাম-১৬ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য মোস্তাফিজুর রহমান চৌধুরীর বিরুদ্ধে দুদকের প্রাথমিক তদন্তে জানা যায়, ২০১৪ সালে হলফনামা অনুযায়ী তার বার্ষিক আয় ছিল ১৫ হাজার টাকা। ২০২৪ সাল নাগাদ তা বেড়ে দাঁড়ায় ৩২ লাখ টাকা।

    এছাড়া, তার মালিকানাধীন ৩৭ লাখ টাকা মূল্যের একটি টয়োটা প্রাডো জিপ ও ৮৪ লাখ টাকা মূল্যের টয়োটা ল্যান্ড ক্রুজার স্টেশন ওয়াগনের খোঁজ পাওয়া গেছে। তার আরও ৪ একর পৈতৃক জমি, রাজউকের বরাদ্দ করা ৩ কাঠা প্লট, ১৪ গন্ডা অকৃষি জমি, ৪ কাঠা প্লট এবং চকবাজার সুপার মার্কেটে একটি দোকান। তার স্ত্রী ঢাকার কাফরুলে একটি পাঁচতলা বাড়ি এবং ১৮৭২ বর্গফুটের একটি ফ্ল্যাটের মালিক।

    সাবেক এমপি মোস্তাফিজ ও তার আত্মীয়রা নিয়োগ বাণিজ্য ও দুর্নীতির মাধ্যমে প্রচুর সম্পদ অর্জন করেছেন বলে দুদক প্রমাণ পেয়েছে।

  • গণহত্যায় উসকানিদাতা কবি ও সাংবাদিকদেরও বিচার হবে

    গণহত্যায় উসকানিদাতা কবি ও সাংবাদিকদেরও বিচার হবে

    তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণায়ের উপদেষ্টা নাহিদ ইসলাম গণহত্যায় উসকানিদাতাদের বিচারের আওতায় আনার ওপর গুরুতারোপ করেছেন। তিনি বলেন, কবি, সাহিত্যিক, সাংবাদিক ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্বদের মধ্যে যারা ফ্যাসিবাদের সঙ্গে জড়িত ছিলেন কিংবা গণহত্যায় উসকানি দিয়েছেন; তাদের অবশ্যই বিচারের আওতায় আনা হবে।

    বুধবার দুপুরে সচিবালয়ে তথ্য মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

    নাহিদ ইসলাম ফ্যাসিবাদের সঙ্গে জড়িত বলতে বুঝিয়েছেন, বিভিন্ন লেখনি ও মতামতের মাধ্যমে জনমত তৈরি করে গণহত্যার পক্ষে পরোক্ষভাবে কাজ করেছেন এবং গণহত্যার জন্য উসকানি দিয়েছেন; তাদের অবশ্যই বিচারের আওতায় আনা হবে। কেবল সাংবাদিক, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব ও কবি পরিচয়ে কেউ রেহাই পাবেন না।

    সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে দায়ের করা হত্যা মামলা সম্পর্কিত অপর এক প্রশ্নের জবাবে নাহিদ ইসলাম বলেন, মামলাগুলো সরকার করছে না; জনগণ তাদের জায়গা থেকে করছে। অনেক ক্ষেত্রে ব্যক্তিগত শত্রুতার জায়গা থেকেও মামলা করা হচ্ছে। সেই জায়গা থেকে আমরা নির্দেশনা দিয়েছি এবং আশ্বস্ত করেছি যে, এই মামলাগুলো দ্রুত সময়ের মধ্যে পর্যালোচনা করা হবে। তদন্ত করে কারো বিরুদ্ধে অভিযোগের সত্যতা প্রমাণিত না হলে তাকে মামলা থেকে রেহাই দেওয়া হবে।

    এ সময় তিনি জানান, মঙ্গলবার জাতীয় প্রেস ক্লাব ও সচিবালয় সাংবাদিক ফোরামের নেতৃবৃন্দের সঙ্গে মতবিনিময় করেছি। আমি তাদের বলেছি, যদি কোনো সাংবাদিকের বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ করা হয় বা ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার বিষয় থাকে; তাহলে তার ব্যাপারে তথ্য মন্ত্রণালয়ের বিস্তারিত পাঠাবেন। আমরা তার বিষয়টি দেখব।

    বাংলাদেশ সেনাবাহিনীকে ম্যাজিস্ট্রেসি ক্ষমতা দেওয়া সংক্রান্ত এক প্রশ্নের জবাবে তথ্য উপদেষ্টা বলেন, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ধীরে ধীরে উন্নতির দিকে যাচ্ছে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি যাতে দ্রুত সময়ের মধ্যে ঠিক হয়ে যায়; জননিরাপত্তা যাতে নিশ্চিত হয়; আমরা যেহেতু একটি জরুরি পরিস্থিতিতে আছি; দেশ পুনর্গঠন করতে হচ্ছে; সেহেতেু সেনাবাহিনীকে এই ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে। আগামী দুই মাসের জন্য এই ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে।

    তিনি আরও বলেন, এই সময়ের মধ্যে পুলিশ বাহিনীকে সম্পূর্ণ সংস্কার করে আরও শক্তিশালী ও আস্থার জায়গায় নিয়ে এসে তাদের মাঠে ফিরিয়ে আনা হবে। এ কারণেই এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

    তথ্য মন্ত্রণালয়ের ‘গুজব শনাক্তকরণ সেল’ সম্পর্কে জানতে চাইলে নাহিদ ইসলাম বলেন, আমরা ফ্যাক্টচেকিং নিয়ে বিভিন্ন অংশীজন ও মিডিয়ার সঙ্গে কথা বলছি। কীভাবে ফ্যাক্টচেকিং বিষয়টি আরও শক্তিশালী করা যায়; সেটা নিয়ে ভাবছি।

    একটি ফ্যাক্টচেকিং সেল করার পরিকল্পনা রয়েছে জানিয়ে তথ্য উপদেষ্টা বলেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে যাতে এ ধরনের গুজবের সত্যতা যাচাই করে মানুষের কাছে সত্য তুলে ধরা যায়; মানুষ যাতে গুজব ও মিথ্যায় প্রভাবিত না হয়; সে জন্য আমরা ফ্যাক্টচেকিং নিয়ে ভাবছি।

    এর আগে নাহিদ ইসলাম ‘বাংলাদেশ চলচ্চিত্র সেন্সর বোর্ড’ এবং জুড়ি বোর্ডের নবনির্বাচিত কমিটির সদস্যদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন।

  • রপ্তানি নেই, তবু ইলিশের দাম কমছে না কেন?

    রপ্তানি নেই, তবু ইলিশের দাম কমছে না কেন?

    ভারতে রপ্তানি না করার সিদ্ধান্তের পর সামাজিক মাধ্যমে ইলিশে দাম কমার তথ্য দেখে সম্প্রতি বাজারে গিয়ে অনেকেই বিভ্রান্ত হচ্ছেন। বাংলাদেশেরই জিআই (ভৌগোলিক নির্দেশক) পণ্যটির উচ্চমূল্য নিয়ে হতাশাও জানাচ্ছেন অনেকে।

    ভার্চুয়াল দুনিয়া থেকে বাস্তবের মাছের বাজার সবখানেই ইলিশের দাম নিয়ে কৌতূহল চোখে পড়ার মত। ক্রেতাদের প্রশ্নের মুখে পড়তে হচ্ছে বিক্রেতাদেরও।

    সম্প্রতি মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা ফরিদা আখতার, ভারতে ইলিশ না পাঠানো ব্যাপারে সরকারের অবস্থানের কথা জানিয়ে বলেন, আমরা ক্ষমা চাচ্ছি, কিন্তু আমরা ভারতে কোনো ইলিশ পাঠাতে পারব না। এটি দামি মাছ। আমরা দেখেছি, আমাদের দেশের মানুষই ইলিশ খেতে পারে না। কারণ সব ভারতে পাঠানো হয়।

    তবে রপ্তানি না হওয়ার পরেও বাজারে মাছটির দাম নাগালের মধ্যে নেই বলে জানাচ্ছেন ক্রেতারা

    ঢাকার হাতিরপুল বাজারে মাছ কিনতে আসা চাকরিজীবী নার্গিস বেগম বলেন, রপ্তানি বন্ধ কিন্তু দাম তো কমে নাই, মাঝখান থেকে আমরা বাজারে এসে নাজেহাল হই।

    এই ব্যবসার সঙ্গে সংশ্লিষ্টরা বলছেন, বিভিন্ন কারণে, মৎস্য উপদেষ্টার ভাষায় ‘দামী মাছটি’র দাম কমছে না। যার অন্যতম, যোগানের ঘাটতি।

    জেলের জালে ধরা পড়া ইলিশ তিন থেকে পাঁচ হাত ঘুরে ক্রেতার কাছে আসে বলে জানান সংশ্লিষ্টরা। এসব জায়গায় দামের তারতম্যের ওপর বাজারও ওঠানামা করে।

    চাঁদপুরের আড়তগুলোতে মঙ্গলবার সকালে তিন থেকে চারশো গ্রাম ওজনের প্রতি মণ ইলিশ বিক্রি হয়েছে ২৫ হাজার টাকার আশেপাশে।

    অন্য মাছের মত ইলিশের ক্ষেত্রেও ওজনের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ে দাম। অর্থাৎ, মাছের আকার যত বড় হয়, কেজিপ্রতি দামও তত বেশি হয়ে থাকে।

    এছাড়া, সমুদ্র-মোহনা থেকে ধরা মাছ আর নদীর উজানের মাছের ক্ষেত্রেও দামে বেশ কিছুটা পার্থক্য থাকে বলেও জানান মাছ বিক্রেতারা।

    প্রায় এক কেজি ওজনের মাছের কেজিপ্রতি দাম উৎসে এক হাজার থেকে ১১০০ টাকা।

    অর্থাৎ, জেলেরা প্রতি কেজি মাছের জন্য এই দাম পেয়ে থাকেন বলে জানান, ভোলার মেঘনা নদীর জে‌লে ইব্রাহীম মা‌ঝি।

    আড়তে ওই আকৃতির মাছের দাম ওঠে ১৫০০ থেকে ১৬০০ টাকা।

    যা আরো দুই-তিনশো টাকা বেশি দামে কিনতে হয় ভোক্তাকে।

    চাঁদপুর মৎস্য বণিক সমিতির সভাপতি আবদুল বারী জমাদার বলেন, মঙ্গলবার সকালে এক কেজি ওজনের মাছের মণ বিক্রি হয়েছে ৬০ থেকে ৬২ হাজার টাকা।

    রাজধানীর হাতিরপুল বাজারে গিয়ে দেখা যায়, নয়শো গ্রাম থেকে এক কেজি ওজনের মাছের জন্য ১৮০০ টাকা পর্যন্ত হাঁকছেন বিক্রেতারা।

    আবদুল বারী জমাদার জানান, কিছুদিন ধরে এই দামের মধ্যেই ইলিশের বেচাকেনা হচ্ছে।

    যেসব কারণে দাম কমে না

    দেশের ইলিশ রক্ষায় সরকার প্রতি বছর পহেলা মার্চ থেকে ৩০শে এপ্রিল পর্যন্ত দুই মাসের মাছ ধরা বন্ধ কর্মসূচি ঘোষণা করে।

    এই নির্দিষ্ট সময়ে ইলিশের অভয়াশ্রমে মাছ ধরা, পরিবহন, বিক্রি ও মজুত সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।

    এরপর মে-জুন থেকে অক্টোবরের মাঝামাঝি পর্যন্ত ইলিশ আহরণের মৌসুম।

    এই সময়টাকে ‘পিক টাইম’ বলে মনে করেন ব্যবসায়ীরা।

    চাঁদপুর মৎস্য বণিক সমিতির সভাপতি আবদুল বারী জমাদার বলছেন, বিগত বছরগুলোর তুলনায় এবার এই সময়টায় মাছের দেখা মিলছে খুবই কম। ২০২২ সালে প্রতিদিন ১২০০ মণ ইলিশ আসতো আমাদের মোকামগুলোয়, গত বছর আসে সাত-আটশো মণ আর এইবার আসতেছে দুই-আড়াইশো মণ।

    এ বছর ৪০ টি ট্রলারে দাদন (অগ্রিম অর্থ) দিয়েছেন জানিয়ে এখন পর্যন্ত একটি ট্রলার যথেষ্ট মাছ পায়নি বলে দাবি করেন তিনি। জানান, একেকটি ট্রলারে প্রায় পাঁচ লাখ টাকা করে দিয়েছেন।

    এই দাদনদাতাদের মাধ্যমেই জেলেদের মাছ বিক্রির বাধ্যবাধকতা থাকে। এতে কমিশন এজেন্ট হিসেবে তারা দশ শতাংশ অর্থ পান।

    পর্যাপ্ত যোগান না থাকলে দাম হ্রাসের সুযোগ থাকে না এমনটাই জানাচ্ছেন অন্য ব্যবসায়ীরাও।

    আরেকটি কারণ, জেলে ও ট্রলারের খরচ তথা ব্যবসার বিনিয়োগ ও অন্যান্য ব্যয়।

    বেচা বিক্রির অনুপাতে খরচও কম নয়, বলছিলেন ভোলার আড়তদার মো. ইউনুছ মিয়া।

    তিনি বলেন, দশ হাজার টাকার মাছ বিক্রি করতে ছয় হাজার টাকা খরচ করা লাগে।

    আবদুল বারী জমাদার জানান, আকৃতিভেদে একেকটি ট্রলার বানাতে ব্যয় হয় এক থেকে দেড় কোটি টাকা। সেগুলো দশ বারো বছর পর্যন্ত ব্যবহারযোগ্য থাকে।

    ফলে, ট্রলারের বিনিয়োগ তুলে আনতে গেলেও মাছের বেচা-বিক্রি ভালো দামে হওয়া জরুরি তাদের কাছে।

    এছাড়া, মাছের বাজারের উচ্চ দামের জন্য কেউ কেউ সিন্ডিকেটের অভিযোগও তুলে থাকেন।

    তবে, তা অস্বীকার করছেন মাছ ব্যবসায়ীরা।

    আবদুল বারী জমাদারের দাবি, আমরা উন্মুক্ত নিলামে মাছ বিক্রি করি। সিন্ডিকেটের কোনো সুযোগ নেই।

    জেলেদের জালে মাছ ধরা পড়লে দাম নিজে থেকেই কিছুটা কমে আসবে বলে তার দাবি।

    বাংলাদেশের মোট মৎস্য উৎপাদনে ইলিশ মাছের অবদান প্রায় ১২ শতাংশ। মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের তথ্য বলছে, এর বার্ষিক উৎপাদন পাঁচ লাখ একাত্তর হাজার মেট্রিক টনে দাঁড়িয়েছে।

  • এখনও ১৮৭ জন পুলিশ সদস্য কর্মস্থলে অনুপস্থিত

    এখনও ১৮৭ জন পুলিশ সদস্য কর্মস্থলে অনুপস্থিত

    বাংলাদেশ পুলিশের ১৮৭ জন সদস্য কর্মস্থলে এখনও অনুপস্থিত রয়েছেন বলে জানিয়েছে পুলিশ সদর দপ্তর।

    বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার আন্দোলনে পট পরিবর্তনের পর গত ১ আগস্ট থেকে মঙ্গলবার (১৭ সেপ্টেম্বর) পর্যন্ত তারা কর্মস্থলে যোগাযোগ না করে অনুপস্থিত রয়েছেন।

    মঙ্গলবার সন্ধ্যায় পুলিশ সদর দপ্তর থেকে পাঠানো এক বার্তায় এ তথ্য জানানো হয়।

    পুলিশ সদর দপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, অনুপস্থিত পুলিশ কর্মকর্তাদের মধ্যে রয়েছেন- ডিআইজি ১ জন, অতিরিক্ত ডিআইজি ৭ জন, পুলিশ সুপার ২ জন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ১ জন, সহকারী পুলিশ সুপার ৫ জন, পুলিশ পরিদর্শক ৫ জন, এসআই ও সার্জেন্ট ১৪ জন, এএসআই ৯ জন, নায়েক ৭ জন ও কনস্টেবল ১৩৬ জন।

    আরও জানানো হয়, ১৮৭ জন পুলিশ সদস্যের মধ্যে ছুটিতে অতিবাস ৯৬ জন, কর্মস্থলে গরহাজির ৪৯ জন, স্বেচ্ছায় চাকরি ইস্তফা দিয়ে কর্মস্থলে অনুপস্থিত ৩ জন ও অন্যান্য কারণে ৩৯ জন কর্মস্থলে অনুপস্থিত রয়েছেন।

    উল্লেখ্য, এখন পর্যন্ত তৎকালীন আইজিপি চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুন, সাবেক আইজিপি শহীদুল হক ও সাবেক ডিএমপি কমিশনার আছাদুজ্জামান মিয়াকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অন্য শীর্ষ কর্মকর্তারা এখনও ধরাছোঁয়ার বাইরে।

    জানা গেছে, ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার মোহাম্মদ হারুন অর রশীদ, যুগ্ম-পুলিশ কমিশনার বিপ্লব কুমার সরকার, এস এম মেহেদী হাসানসহ ডিএমপির একাধিক কর্মকর্তারা এখনও অনুপস্থিত।

  • বেনজীরের ক্যাশিয়ার মিজান গ্রেফতার

    বেনজীরের ক্যাশিয়ার মিজান গ্রেফতার

    রংধনু গ্রুপের পরিচালক ও রূপগঞ্জ উপজেলার সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান এবং সাবেক আইজিপি বেনজীরের ক্যাশিয়ারখ্যাত মিজানুর রহমান মিজানকে গ্রেফতার করেছে ডিবি পুলিশ।

    মঙ্গলবার দুপুরে রাজধানীর ভাটারা এলাকা থেকে মিজানকে গ্রেফতার করা হয় বলে জানিয়েছে ডিবি পুলিশ।

    মিজানের বিরুদ্ধে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার আন্দোলনে নিহতের ঘটনায় দায়ের হওয়া হত্যা মামলাসহ ১৩টি মামলা রয়েছে বলে জানা গেছে। গ্রেফতারের পর মিজানকে ডিবি কার্যালয়ে নেওয়া হয়েছে।
    উল্লেখ্য, সাবেক আইজিপি বেনজীর আহমেদের ক্যাশিয়ার ছিলেন মিজান। এছাড়া বেনজীরের সম্পদ দেখভাল এবং অনৈতিক কাজের সহযোগীও ছিলেন তিনি। শুধু তাই নয়, বেনজীরের নামে তোলা বিভিন্ন চাঁদা মিজানের কাছে জমা হতো।

  • বাংলাদেশকে ২ বিলিয়ন ডলার দেবে বিশ্বব্যাংক

    বাংলাদেশকে ২ বিলিয়ন ডলার দেবে বিশ্বব্যাংক

    অন্তর্বর্তী সরকারকে সহায়তায় চলতি অর্থবছরে বাংলাদেশকে দুই বিলিয়ন ডলারের বেশি সহায়তার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে বিশ্বব্যাংক।

    মঙ্গলবার (১৭ সেপ্টেম্বর) রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতে আশ্বাস দেন বিশ্বব্যাংকের কান্ট্রি ডিরেক্টর আবদুলায়ে সেক।

    আবদুলায়ে সেক বলেন, সরকারের সংস্কার, বন্যার প্রতিক্রিয়া, উন্নত বায়ুর গুণমান এবং স্বাস্থ্যের জন্য বিশ্বব্যাংক এই অর্থ বছরে প্রায় ২ বিলিয়ন ডলারের নতুন অর্থায়ন জোগাড় করতে পারে। আমরা যত দ্রুত সম্ভব এবং যতটা সম্ভব আপনাকে সমর্থন করতে চাই। ব্যাংকটি দেশের গুরুত্বপূর্ণ আর্থিক প্রয়োজনে সহায়তা করবে।

    এর আগে আর্থিক খাত সংস্কারে প্রায় একশ কোটি ডলার ঋণ সহায়তা দেওয়ার ঘোষণা দেয় বিশ্বব্যাংক। গত ১২ সেপ্টেম্বর প্রায় একশ কোটি ডলার বাজেট সহায়তা চেয়ে বিশ্বব্যাংককে চিঠি দিয়েছে সরকার। দুই কিস্তিতে ৫০ কোটি ডলার করে এই অর্থ চেয়েছে অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ (ইআরডি)।

    এ সময় প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূস বিশ্বব্যাংকের কান্ট্রি হেডকে বলেন, বিশ্বব্যাংককে অবশ্যই বাংলাদেশের সংস্কার কার্যক্রমে নমনীয়তা রাখতে হবে এবং ১৫ বছরের চরম দুর্ব্যবস্থাপনার পর একটি নতুন যাত্রা শুরু করতে সহায়তা করতে হবে। এই ধ্বংসস্তূপ থেকে আমাদের নতুন কাঠামো গড়ে তুলতে হবে। আমি প্রস্তাব করব, আমাদের সাহায্য করুন।

    বাংলাদেশ থেকে পাচার হওয়া কোটি কোটি ডলার পুনরুদ্ধারে বিশ্বব্যাংকের সহায়তা চেয়ে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, আপনাদের কাছে চুরি করা সম্পদ ফিরিয়ে আনার প্রযুক্তি রয়েছে। বাংলাদেশকে শূন্য দুর্নীতি সমৃদ্ধ একটি দেশ গড়তে বিশ্বব্যাংকের দক্ষতা প্রয়োজন হবে।

    এ সময় পাচার অর্থ ফেরাতে বাংলাদেশকে সহায়তার প্রতিশ্রুতি দেন বিশ্বব্যাংকের কান্ট্রি ডিরেক্টর। তিনি বলেন, আমরা আপনাকে সাহায্য করতে পেরে আনন্দিত। বিশ্বব্যাংক বাংলাদেশকে তথ্যের স্বচ্ছতা, তথ্যের সঠিকতা, কর সংগ্রহের ডিজিটালাইজেশন এবং আর্থিক খাতের সংস্কারে সহায়তা করতে চায়।

    এদিকে বাংলাদেশের নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতে ১০০ কোটি ইউরো (প্রতি ইউরো ১৩৩ টাকা করে হিসেবে বাংলাদেশি টাকায় ১৩ হাজার ৩০৩ কোটি ৩১ লাখ ১০ হাজার ৮০০ টাকা) সহায়তার ঘোষণা দিয়েছে জার্মানি। অন্তর্বর্তী সরকারের পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান এ তথ্য জানিয়েছেন।

    মঙ্গলবার (১৭ সেপ্টেম্বর) প্রকাশিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তি থেকে এসব তথ্য জানা গেছে।

    রিজওয়ানা হাসান জানান, আগামী ১০ বছরে এই সহায়তা দেবে জার্মানি। এর মধ্যে চলতি বছরই বাংলাদেশ পাবে দেড় কোটি ইউরো। বেসরকারি খাত, গবেষণা ইনস্টিটিউট, একাডেমিয়া ও সুশীল সমাজের মতো সশ্লিষ্টদের সাথে এ নিয়ে আলোচনা ও প্রচারে একমত হয়েছে দুই দেশ।

  • মেট্রোরেলের পিলারে ‘ফাটলের’ বিষয়ে যা জানাল কর্তৃপক্ষ

    মেট্রোরেলের পিলারে ‘ফাটলের’ বিষয়ে যা জানাল কর্তৃপক্ষ

    মেট্রোরেলের ৩৬৬ নম্বর পিলারে কোনো ফাটল ধরেনি বলে জানিয়েছে মেট্রোরেল কর্তৃপক্ষ। মেট্রোরেলের পিলারে ফাটল দেখা দিয়েছে- ফেসবুকে এমন একটি পোস্ট করেন এক ব্যক্তি। তারপরই বিষয়টি পর্যবেক্ষণ করে মেট্রোরেল কর্তৃপক্ষ।

    জানা গেছে, ফেসবুকে পোস্ট করা ওই ব্যক্তির নাম তাফসির আহমেদ খান। তিনি পিলারের কয়েকটি ছবি পোস্ট করে দাবি করেন, আগারগাঁও স্টেশন থেকে একটু সামনে ৩৬৬ নম্বর পিলারে ফাটল হয়েছে। তারপর বিষয়টি পর্যবেক্ষণ করে কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে এটা ফাটল নয়।

    তাফসির আহমেদ খান তার পোস্টে লিখেছেন, আগারগাঁও স্টেশনের একটু পরেই ৩৬৬ নম্বর পিলারে এই ক্র্যাকটি দেখেছিলাম। আগেও এই গ্রুপে একটা পোস্টে দেখেছি এ ধরনের একটি ক্র্যাক নিয়ে এবং তা দ্রুততম সময়ের মধ্যেই নিরসন করা হয়েছিল। তাই এই পোস্টটি করা।

    তিনি লেখেন, ছবিতে যত বড় মনে হচ্ছে, সরাসরি এতটা নয়। আর তাছাড়া এটা কে ক্র্যাক বলব না কি, এই টেকনিক্যাল টার্মটাও আমার জানা নাই। তারপরও পোস্ট করেছি, শুধু কর্তৃপক্ষকে জানানোর জন্যে, এর চাইতে বেশি কিছু নয়।

    ওই পোস্ট খুব দ্রুতই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। এরপরই বিষয়টি পর্যবেক্ষণ করে মেট্রোরেল কর্তৃপক্ষ। পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর তারা জানান, পিলারে ফাটল পাওয়া যায়নি। এখানে ফাটল বলে যে ছবি প্রচার করা হয়েছে, সেটা মূলত জয়েন্টের দাগ।

    মেট্রোরেল কর্তৃপক্ষ আরও জানায়, পিলারগুলো ঢালাই করতে যে ফ্রেম ব্যবহার করা হয়েছিল সেটাতে চারটি অংশ ছিল যা নাট-বোল্ট দিয়ে লাগানো ছিল। এই অংশগুলোর মাঝে কিছুটা ফাঁকা থাকে। ঢালাইয়ের পর সেখানে কিছুটা ফাঁকা থাকে যা ফাটলের মতোই দেখতে।

  • বিমানবন্দরে যাত্রীর সঙ্গে অসদাচারণ, ৩ কর্মকর্তা বরখাস্ত

    বিমানবন্দরে যাত্রীর সঙ্গে অসদাচারণ, ৩ কর্মকর্তা বরখাস্ত

    হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সর্বোচ্চ যাত্রীসেবা নিশ্চিতে কাজ করছে ঢাকা কাস্টমস হাউস। যাত্রীসেবায় ন্যূনতম গাফিলতি বরদাস্ত করা হচ্ছে না। এরই অংশ হিসেবে বিদেশফেরত এক যাত্রীর সঙ্গে যাত্রীসেবা প্রদানকালে অসদাচারণের অভিযোগে তিন সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তাকে (এআরও) সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।

    ঢাকা কাস্টমস হাউসের কমিশনার মোবারা খানম ওই তিন কর্মকর্তাকে বরখাস্ত করেছেন। তিন কর্মকর্তা হলেন- মো. আজিজুল হক, শিমুল চৌধুরী ও আল আমিন। এ ছাড়া একই ঘটনায় এক সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তা ও এক এসআইকে হাউসের সদর দপ্তরে ক্লোজ করা হয়েছে। কাস্টমস হাউস সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

    ঢাকা কাস্টমস হাউস সূত্রমতে, ১৫ সেপ্টেম্বর বিদেশফেরত এক যাত্রীর ব্যাগ চেকিং করেন বরখাস্ত হওয়া কর্মকর্তারা। তারা ওই যাত্রীর ব্যাগ খুলে অযথা হয়রানি করেন। ব্যাগ খুলে কয়েকজন চকোলেট নিয়ে খাওয়া শুরু করেন। বিষয়টি দেখে এক যাত্রী সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে স্ট্যাটাস দেয়।

    এরপর যাত্রীর সঙ্গে অসদাচরণের বিষয়টি এনবিআর কাস্টমস কমিশনারের নজরে আসে। কমিশনার বিষয়টি খতিয়ে দেখে প্রাথমিকভাবে সত্যতা পাওয়ায় তাৎক্ষণিকভাবে তিন সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তাকে সাময়িক বরখাস্ত করেন। একইসঙ্গে অপর এক সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তা ও এক এসআইকে ক্লোজ করে হাউসের সদর দপ্তরে সংযুক্ত করেছেন।

    এ বিষয়ে জানতে চাইলে ঢাকা কাস্টমস হাউসের কমিশনার মোবারা খানম বলেন, যাত্রীদের সেবা নিশ্চিত করতে আমরা সর্বদা সচেষ্ট। যাত্রী হয়রানির কারণে তিন কর্মকর্তাকে সদর দপ্তরে সংযুক্ত করে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। প্রবাসীরা যাতে সর্বোচ্চ সেবা পান, তা নিশ্চিত করার চেষ্টা করছি।

  • মানিককে ঢাকায় এনে ফের গ্রেপ্তার

    মানিককে ঢাকায় এনে ফের গ্রেপ্তার

    হেলিকপ্টারযোগে সাবেক বিচারপতি এএইচএম শামসুদ্দিন চৌধুরী মানিককে সিলেট থেকে ঢাকায় আনা হয়েছে। সিলেটের একটি আদালত থেকে জামিন পাওয়ায় তাকে ঢাকায় আনা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে একাধিক মামলা থাকায় ফের তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

    মঙ্গলবার (১৭ সেপ্টেম্বর) বিষয়টি গণমাধ্যমে নিশ্চিত করেছেন র‍্যাবের লিগ্যাল ও মিডিয়া উইং পরিচালক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মুনিম ফেরদৌস।

    তিনি বলেন, বিচারপতি মানিককে সিলেট থেকে ঢাকায় আনা হয়েছে। আজ মঙ্গলবার সন্ধ্যা পৌনে ৬টার দিকে তেজগাঁও পুরান বিমানবন্দরে তাকে বহন করা র‍্যাবের হেলিকপ্টার অবতরণ করে। ঢাকা মহানগর পুলিশে তাকে সোপর্দ করা হয়েছে।

  • দায়িত্ব নেওয়ার পর প্রথমবার সেনাসদরে প্রধান উপদেষ্টা

    দায়িত্ব নেওয়ার পর প্রথমবার সেনাসদরে প্রধান উপদেষ্টা

    অন্তর্বর্তী সরকারের দায়িত্ব নেওয়ার পর প্রথমবারের মতো সেনাবাহিনীর সদর দপ্তর পরিদর্শন করেছেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস।

    রোববার প্রধান উপদেষ্টা সেনাসদরে এসে পৌঁছালে বাহিনীর প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান তাকে স্বাগত জানান।

    এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন- পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেন, স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী (অব.), প্রধান উপদেষ্টার প্রতিরক্ষা ও জাতীয় সংহতি উন্নয়ন বিষয়ক বিশেষ সহকারী লেফটেন্যান্ট জেনারেল আব্দুল হাফিজ (অব.), মন্ত্রিপরিষদ সচিব মো. মাহবুব হোসেন, নৌবাহিনী ও বিমানবাহিনী প্রধান ও বেসামরিক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, পুলিশ মহাপরিদর্শক এবং গোয়েন্দা সংস্থা, বিজিবি, কোস্টগার্ড, আনসার ও ভিডিপি, র‍্যাব এর মহাপরিচালক এবং সেনাসদরের কর্মকর্তারা।

    প্রধান উপদেষ্টাকে জাতীয় নিরাপত্তার গুরুত্বপূর্ণ বিষয়াদি সম্পর্কে ব্রিফ করা হয়। পরিদর্শনকালে প্রধান উপদেষ্টা কর্তৃক প্রদত্ত মূল্যবান দিকনির্দেশনা সম্মিলিতভাবে ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন এবং বাস্তবায়নের প্রতিটি ক্ষেত্রে কার্যকরী ভূমিকা পালনে অত্যন্ত সহায়ক ভূমিকা রাখবে।