Category: জাতীয়

  • প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে বিএনপির শীর্ষ নেতাদের বৈঠক, কী আলোচনা হলো?

    প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে বিএনপির শীর্ষ নেতাদের বৈঠক, কী আলোচনা হলো?

    অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের আমন্ত্রণে তার সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন বিএনপির শীর্ষ পর্যায়ের নেতারা।

    বৃহস্পতিবার বিকাল পৌনে ৪টার দিকে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় যান বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের নেতৃত্বে তিন সদস্যের একটি প্রতিনিধিদল।

    বৈঠকে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস, উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল ও ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ উপস্থিত ছিলেন। আর বিএনপির প্রতিনিধিদলে অন্যদের মধ্যে ছিলেন দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী ও সালাহউদ্দিন আহমেদ।

    জানা গেছে, প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে বিএনপির প্রতিনিধিরা বর্তমান সরকারের বিভিন্ন ক্ষেত্রে সংস্কার ভাবনা, নির্বাচন নিয়ে তাদের চিন্তাভাবনা সম্পর্কে মতবিনিময় করেন।

    বৈঠকে বিএনপি নেতারা বলেছেন, এই সরকারের গৃহীত পদক্ষেপগুলোর ব্যাপারে তাদের পূর্ণ সমর্থন আছে।ভবিষ্যতেও এই সমর্থন থাকবে।

    বৈঠকে বর্তমান সরকারের পক্ষ থেকে যেন যত তাড়াতাড়ি সম্ভব সংস্কার এবং নির্বাচন প্রসঙ্গে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে ব্যাপক ভিত্তিক সংলাপ শুরু করার ঘোষণা দেওয়া হয় সে ব্যাপারে অনুরোধ করেন বিএনপি নেতারা। তারা দেশের অর্থনৈতিক পরিস্থিতি সম্পর্কেও জানতে চান এবং অর্থনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে যে শঙ্কা ও সম্ভাবনা আছে সে ব্যাপারেও একমত পোষণ করেন বিএনপি নেতারা।

    বৈঠকে বিএনপি নেতারা প্রত্যয় ব্যক্ত করেন যে বর্তমান সরকার সংস্কার ও নির্বাচন সম্পর্কিত এবং অর্থনৈতিক শৃঙ্খলা রক্ষার জন্য যে পদক্ষেপগুলো নেবে সেটা নিয়ে সবাই একসঙ্গে কাজ করবেন ও তারা সেটার একটি সমন্বিত অংশীদার হবেন।

    এর আগে গত ১২ আগস্ট বিকালে যমুনায় ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে বৈঠক করেন বিএনপির শীর্ষ পর্যায়ের নেতারা। দলটির পক্ষ থেকে বারবারই একটি যৌক্তিক সময়ের মধ্যে নির্বাচন আয়োজনের কথা বলা হচ্ছে।

  • বন্যায় ১১ জেলায় ৫২ জনের মৃত্যু

    বন্যায় ১১ জেলায় ৫২ জনের মৃত্যু

    দেশে চলমান বন্যায় ১১ জেলায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৫২ জনে দাঁড়িয়েছে। এর মধ্যে ৩৯ জন পুরুষ, ৬ জন নারী ও ৭ শিশু রয়েছেন। বুধবার পর্যন্ত মৃতের সংখ্যা ছিল ৩১ জন।

    বৃহস্পতিবার চলমান বন্যা পরিস্থিতি নিয়ে প্রেস ব্রিফিংয়ে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব কে এম আলী রেজা এ তথ্য জানান।

    ৫২ জনের মধ্যে কুমিল্লায় ১৪, ফেনীতে ১৭, চট্টগ্রামের ৬, খাগড়াছড়িতে ১, নোয়াখালীতে ৮, ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ১, লক্ষ্মীপুরে ১, কক্সবাজারের ৩ ও মৌলভীবাজারে একজনের মৃত্যু হয়েছে। মৌলভীবাজারে একজন নিখোঁজ রয়েছেন বলে জানিয়েছেন অতিরিক্ত সচিব।

    কে এম আলী রেজা বলেন, সিলেট জেলা থেকে প্রাপ্ত আজকের তথ্য মোতাবেক বন্যা পরিস্থিতির সার্বিক উন্নতি হয়েছে। ৬৮ উপজেলা বন্যা প্লাবিত এবং ক্ষতিগ্রস্ত ইউনিয়ন বা পৌরসভা ৪৯২টি। ১১ জেলায় মোট ১০ লাখ ৭২ হাজার ৫৭৯ পরিবার পানিবন্দি হয়ে পড়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত লোকসংখ্যা ৫৪ লাখ ৮০ হাজার ৪৬৩ জন।

    তিনি বলেন, পানিবন্দি ও ক্ষতিগ্রস্ত লোকদের আশ্রয় দিতে মোট ৩ হাজার ৪০৩টি আশ্রয়কেন্দ্র খোলা হয়েছে। আশ্রয়কেন্দ্রগুলোতে মোট ৫ লাখ ২ হাজার ৫০১ জন লোক এবং ৩৬ হাজার ৪৪৮টি গবাদি পশুকে আশ্রয় দেওয়া হয়েছে।

    ১১ জেলার ক্ষতিগ্রস্তদের চিকিৎসা সেবা প্রদানের জন্য মোট ৫৯৫টি মেডিকেল টিম চালু রয়েছে বলে জানিয়েছেন অতিরিক্ত সচিব।

    বন্যা উপদ্রুত এলাকায় সরকারি-বেসরকারিসহ সবপর্যায় থেকে ত্রাণ বিতরণ অব্যাহত রয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়কদের সংগৃহীত মোট এক লাখ ৪ হাজার ১০০ প্যাকেট শুকনা খাবার, কাপড় ও পানি দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদফতরের মাধ্যমে বন্যাকবলিত এলাকায় পাঠানো হয়েছে। দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তর ও বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের মধ্যে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ অব্যাহত রয়েছে।

    তিনি বলেন, বন্যাকবলিত জেলাগুলোতে মোবাইল ও টেলিফোন যোগাযোগ পুনঃস্থাপন করা হয়েছে। বন্যাপরবর্তী পানিবাহিত রোগের প্রাদুর্ভাব রোধে সংশ্লিষ্ট সবাইকে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে বলা হয়েছে।

  • ব্যারিস্টার সুমনসহ সাবেক এমপিদের ৫০টি বিলাসবহুল গাড়ি বন্দরে আটকা

    ব্যারিস্টার সুমনসহ সাবেক এমপিদের ৫০টি বিলাসবহুল গাড়ি বন্দরে আটকা

    সম্প্রতি আমদানি করা ৫০টি বিলাসবহুল গাড়ি খালাসের জন্য চট্টগ্রাম বন্দরে আটকা পড়েছে। এসব গাড়ি শুল্কমুক্ত সুবিধায় এনেছিলেন সাবেক সংসদ সদস্যরা। কিন্তু গাড়ি বন্দরে আসার আগেই সংসদ বিলুপ্ত হওয়ায় এখন আর গাড়িগুলো শুল্কমুক্ত সুবিধায় ছাড় করানো যাবে না। ফলে গাড়িগুলো কোটি টাকার মধ্যে আমদানি হলেও এখন এসব ছাড়াতে অন্তত ৬ কোটি টাকা করে শুল্ক দিতে হবে।

    মঙ্গলবার বন্দরের কার শেডে গিয়ে দেখা গেছে, শেডের একটি লাইনে সারিবদ্ধভাবে রাখা হয়েছে বিলাসবহুল গাড়িগুলো।

    চট্টগ্রাম কাস্টমস হাউজের কর্মকর্তারা বলেন, সংসদ সদস্য না থাকায় তারা এখন আর শুল্কমুক্ত গাড়ি ছাড়ের সুবিধা পাবেন না। এসব গাড়ি ছাড় নিতে হলে নির্ধারিত শুল্ক পরিশোধ করতে হবে। ৪ হাজার সিসির প্রতিটি ৮২৬ শতাংশ হারে শুল্ক দিতে হবে।

    কাস্টমস সূত্রে জানা গেছে, গত ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা সরকারের পতনের কয়েকদিন আগে কয়েকজন সংসদ সদস্য তাদের গাড়ি খালাস নিয়েছেন। তাদের মধ্যে রয়েছেন সাবেক সংসদ সদস্য ক্রিকেটার সাকিব আল হাসান, চিত্রনায়ক ফেরদৌস আহমেদসহ কয়েকজন। তবে সাবেক সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার সৈয়দ সায়েদুল হক সুমনসহ অনেক এমপি-মন্ত্রী তাদের গাড়ি খালাস করতে পারেননি।

    কাস্টমস সূত্র জানায়, গাড়িগুলোর বেশিরভাগ গাড়ি জাপান ও সিঙ্গাপুর থেকে আমদানি করা হয়েছে। এরমধ্যে টয়োটা ল্যান্ড ক্রুজার, টয়োটা জিপ, টয়োটা এলসি স্টেশন ওয়াগট মডেলের গাড়িগুলোর ইঞ্জিন ক্যাপাসিটি ৪ হাজার সিসি।

    সংসদ সদস্যরা প্রতি পাঁচ বছরে একবার শুল্কমুক্ত সুবিধায় গাড়ি আমদানি করতে পারেন। এ ধরনের গাড়ির ওপর কর ৮১০ শতাংশ পর্যন্ত হতে পারে। তবে সংসদ সদস্যদের তা দিতে হয় না।

    চলতি ২০২৪-২৫ অর্থবছরের বাজেটে সংসদ সদস্যদের গাড়ির ওপর ২৫ শতাংশ শুল্ক আরোপের প্রস্তাব করা হলেও শেষ পর্যন্ত সেটি আর হয়নি। আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের কয়েকদিন পর জাতীয় সংসদ বিলুপ্ত ঘোষণা করা হয়। ফলে শুল্কমুক্ত সুবিধাও বাতিল হয়ে যায়।

    কাস্টমস কর্মকর্তাদের ভাষ্য, শুল্কমুক্ত সুবিধায় এসব গাড়ি আমদানি করা হলেও সংসদ ভেঙে দেওয়ায় এখন সেই সুবিধা পাবেন না সাবেক সংসদ সদস্যরা। এখন স্বাভাবিক শুল্ককর দিয়ে গাড়িগুলো খালাস করতে হবে তাদের।

    কাস্টমস সূত্রে জানা গেছে, শুল্কমুক্ত সুবিধায় গাড়িগুলো আমদানি করেছেন সাবেক ডেপুটি স্পিকার শামসুল হক টুকু, সাবেক মন্ত্রী ড. আব্দুর রাজ্জাক ও মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া, সাবেক তথ্য প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আলী আরাফাত, সাবেক সংসদ সদস্য ক্রিকেটার সাকিব আল হাসান, চিত্রনায়ক ফেরদৌস আহমেদ, নেত্রকোনার সাবেক সংসদ সদস্য সাজ্জাদুল হাসান, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সাবেক সংসদ সদস্য এসএকে একরামুজ্জামান, ফয়জুর রহমান, সিরাজগঞ্জের চয়ন ইসলাম, জান্নাত আরা হেনরি, নাটোরের আবুল কালাম, সিদ্দিকুর রহমান পাটোয়ারী, বগুড়ার মজিবুর রহমান মঞ্জু, রেজাউল করিম তানসেন, টাঙ্গাইলের অনুপম শাহজাহান জয়, হবিগঞ্জের ব্যারিস্টার সৈয়দ সায়েদুল হক সুমন, সুনামগঞ্জের রনজিৎ সরকার, ড. সাদিক, গাইবান্ধার আবুল কালাম আজাদ, ব্যারিস্টার শাহজাহান ওমর (যিনি নির্বাচনের আগে বিএনপি ছেড়ে আওয়ামী লীগে যোগ দেন), যশোরের নওয়াব আলী জোয়ার্দার, ঝিনাইদহের নাসের শাহরিয়ার জাহিদি, লক্ষ্মীপুরের মাসুদ উদ্দিন চৌধুরী ও দিনাজপুরের মুহাম্মদ জাকারিয়া।

    এ ছাড়া গাড়ি আমদানি করেছেন সাবেক এমপি আব্দুল মোতালেব, মোহাম্মদ গোলাম ফারুক, শাহ সরওয়ার কবির, এবিএম আনিসুজ্জামান, সাদ্দাম হোসাইন পাভেল, এসএম আল মামুন, আক্তারুজ্জামান, মো. সাইফুল ইসলাম, এসএম কামাল হোসেন, মাহমুদ হাসান রিপন, মুজিবুর রহমান, এসএম আতাউল হক, মাহমুদুল হক সায়েম, মো. মতিউর রহমান, মো. তৌহিদুজ্জামান, মোহাম্মদ আব্দুল ওয়াহেদ ও সিদ্দিকুল আলম।

    এ ছাড়াও সংরক্ষিত আসনের সাবেক সদস্যদের মধ্যে গাড়ি আমদানি করেছেন তারানা হালিম, সানজিদা খানম, নাসিমা জামান ববি, খালেদা বাহার বিউটি, রুনু রেজা ও সাহিদা তারেক দিপ্তি।

    গাড়ি আমদানিকারক সংগঠন বাংলাদেশ রিকন্ডিশন্ড ভেহিকেলস ইমপোর্টার্স অ্যান্ড ডিলারস অ্যাসোসিয়েশনের (বারভিডা) সভাপতি মো. হাবিব উল্লাহ ডন বলেন, শুল্কমুক্ত সুবিধায় গাড়িগুলো আনা হলেও সংসদ বহাল না থাকায় শুল্কমুক্ত সুবিধায় গাড়ি ছাড়ছে না কাস্টমস। গাড়িগুলো চার হাজার সিসির। এগুলোতে শুল্ক দিতে হবে ৮২৬ শতাংশ। এসব গাড়ি কোটি টাকার মধ্যে কেনা পড়লেও এখন শুল্ক দিতে হবে সাড়ে ৫ থেকে ৬ কোটি টাকা।

    চট্টগ্রাম বন্দরের সচিব ওমর ফারুক বলেন, বন্দরে ইতোমধ্যে ৫০টি বিলাসবহুল গাড়ি এসেছে। সিঅ্যান্ডএফ এজেন্টের মাধ্যমে গাড়িগুলো আমদানি করা হয়েছে।

    চট্টগ্রাম কাস্টমস হাউজের কমিশনার মোহাম্মদ ফাইজুর রহমান বলেন, যেসব গাড়ি ৬ আগস্টের পরে আমদানি হয়েছে- তা খালাসের সুযোগ নেই। আইন অনুযায়ী- স্বাভাবিক হারে শুল্ককর পরিশোধ করেই গাড়িগুলো নিতে হবে।

  • ভারতবিরোধী পোস্টে ‘লাভ’ রিঅ্যাক্ট, ভারত ছাড়তে হলো বাংলাদেশি ছাত্রীকে

    ভারতবিরোধী পোস্টে ‘লাভ’ রিঅ্যাক্ট, ভারত ছাড়তে হলো বাংলাদেশি ছাত্রীকে

    ফেসবুকে ভারতবিরোধী পোস্টে ‘লাভ’ রিঅ্যাক্ট দেওয়ার ‘অপরাধে’ আসাম থেকে ফেরত পাঠানো হলো এক বাংলাদেশি শিক্ষার্থীকে। এমনই অভিযোগে শিরোনামে এসেছে আসামের ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজি (এনআইটি)।

    মেহজাবিন নামের ওই বাংলাদেশি তরুণী এনআইটি শিলচরে ইলেকট্রনিক্স অ্যান্ড টেলিকমিউনিকেশন বিভাগের শিক্ষার্থী। সম্প্রতি বাংলাদেশ থেকে করা একটি ভারতবিরোধী পোস্টে ‘লাভ’ রিঅ্যাক্ট দিয়ে সমর্থন জানান তিনি। এরপরই সোমবার তাকে বাংলাদেশে ফেরত পাঠায় কর্তৃপক্ষ।

    অবশ্য কাছাড় জেলা পুলিশের এসপি নুমাল মাহাট্টের দাবি, ওই শিক্ষার্থীকে বহিষ্কার করা হয়নি, বরং বাংলাদেশ কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনার পরই দেশে পাঠানো হয়েছে। এমনকি এটি নির্বাসনও নয়।

    পুলিশ জানায়, তিনি নিজেই দেশে ফেরার জন্য কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন জানিয়েছিলেন। এরপর সোমবার সকালে ওই ছাত্রীকে করিমগঞ্জে ভারত-বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক সীমান্তে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে তিনি সকাল ১১টার দিকে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থার মধ্যে সীমান্ত অতিক্রম করেন।

    এসপি নুমাল মঙ্গলবার ভারতীয় সংবাদ সংস্থা এএনআইকে বলেন, ‘ওই ছাত্রী সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে কলেজেরই এক সাবেক ছাত্রর ভারতবিরোধী পোস্টে সমর্থন জানিয়েছিলেন। সাদাত হোসাইন আলফি নামের ওই ছাত্রও বাংলাদেশি। ছয় মাস আগে পড়াশোনার পাট চুকিয়ে ভারত ছাড়েন তিনি। ’

    এদিকে পোস্টদাতা ওই সাবেক ছাত্রের নামে থানায় অভিযোগ দায়ের করেছে বিশ্ব হিন্দু পরিষদ নামের একটি সংগঠন। সংগঠনের মুখপাত্র শুভাশিস চৌধুরী জানিয়েছেন, ভারতবিরোধী পোস্টটিতে প্রতিষ্ঠানের এক ছাত্রীর লাভ রিঅ্যাক্ট তাদের নজরে আসে।

    পোস্টে ছাত্রীর সমর্থনের বিষয়টি চোখে পড়ার পরই উত্তপ্ত হয়ে ওঠে এনআইটির পরিস্থিতি। এ বিষয়ে কর্তৃপক্ষকে উপযুক্ত ব্যবস্থা নেওয়ার অনুরোধ জানিয়েছে সংগঠনটি।

    এদিকে দ্বিতীয় বর্ষের ওই ছাত্রী তার বাকি পরীক্ষাগুলো দিতে আবার ভারতে ফিরবেন কি-না, এ বিষয়ে পুলিশ জানায়, এখনই কিছু বলা যাচ্ছে না। ওই ছাত্রী ফিরবেন কি না, সেটা তার সিদ্ধান্ত।

    সরকারি সূত্র বলছে, বর্তমানে এনআইটি শিলচরে পড়াশোনা করছেন ৭০ জন বাংলাদেশি। তাদের সঙ্গে পুলিশের পক্ষ থেকে যোগাযোগ করা হয়েছে। ভারতবিরোধী কোনো রকম কর্মসূচিতে সমর্থন ও মতপ্রকাশ করতে নিষেধ করা হয়েছে তাদের। সূত্র: হিন্দুস্তান টাইমস

  • দুই দিনের রিমান্ডে ছয় আনসার সদস্য

    দুই দিনের রিমান্ডে ছয় আনসার সদস্য

    চাকরি জাতীয়করণের দাবিতে সচিবালয় অবরুদ্ধ করে ভাঙচুর ও হামলার অভিযোগে রাজধানীর শাহবাগ থানার মামলায় গ্রেফতার ছয় আনসার সদস্যের দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।

    বুধবার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. শাকিল আহাম্মদের আদালতে শুনানি শেষে এ রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

    রিমান্ডে যাওয়া আসামিরা হলেন-শরিফুল ইসলাম, আহসান হাবিব, মনিরুজ্জামান, হাসিবুর রহমান, নাসির মিয়া ও শফিকুল ইসলাম।

    এদিন কারাগারে আটক ছয় আসামিকে আদালতে হাজির করা হয়। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা শাহবাগ থানার উপ-পরিদর্শক সাইমুল ইসলাম তাদের সাত দিনের রিমান্ডে নিতে আবেদন করেন।

    এর আগে গত ২৬ আগস্ট শাহবাগ থানার উপ-পরিদর্শক শামীম মীর মালত বাদী হয়ে ২০৮ জনের নাম উল্লেখ করে মামলা করেন। এছাড়া মামলায় অজ্ঞাত তিন হাজার আনসার সদস্যকে আসামি করা হয়।

  • উপদেষ্টাদের দেশ-বিদেশ সফরকালে নতুন রাষ্ট্রাচার

    উপদেষ্টাদের দেশ-বিদেশ সফরকালে নতুন রাষ্ট্রাচার

    রাষ্ট্রীয় বা সরকারি কাজে বিদেশে ও দেশের অভ্যন্তরে সফরকালে অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টাদের বিদায় সংবর্ধনা ও স্বাগত জানানোর ক্ষেত্রে নীতি-নির্ধারণ করে নতুন নির্দেশাবলী জারি করেছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। মঙ্গলবার এ রাষ্ট্রাচার জারি করা হয়।

    বিদেশ সফর

    বিদেশ সফরের ক্ষেত্রে উপদেষ্টাদের গমন ও প্রত্যাবর্তনকালে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় বা বিভাগের অতিরিক্ত সচিব অথবা যুগ্ম সচিব বিমানবন্দরে উপস্থিত থাকবেন।

    দেশের অভ্যন্তরে সফর

    ১. দেশের অভ্যন্তরে সফরকালে উপদেষ্টাদের অভিপ্রায় অনুযায়ী তাদের ঢাকা ত্যাগ ও প্রত্যাবর্তনস্থলে মন্ত্রণালয় বা বিভাগের উপদেষ্টার একান্ত সচিব উপস্থিত থাকবেন।

    ২. জেলা সদরে যথাসম্ভব জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপার এবং সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় বা বিভাগের স্থানীয় পর্যায়ের জ্যেষ্ঠতম কর্মকর্তা উপদেষ্টাকে আগমন ও বিদায়ের স্থানে অভ্যর্থনা ও বিদায় সংবর্ধনা জানাবেন।

    ৩. জেলা সদরে উপস্থিত থাকার জন্য জেলা প্রশাসক অথবা পুলিশ সুপারের নিজের সরকারি সফর বাতিল বা পরিবর্তন করার প্রয়োজন হবে না। এরূপ ক্ষেত্রে জ্যেষ্ঠ অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক বা অতিরিক্ত পুলিশ সুপার উপদেষ্টাকে অভ্যর্থনা ও বিদায় সংবর্ধনা জানাবেন। তবে জেলা প্রশাসক আগেই নিজের সফরসূচি জারি করে থাকলে উপদেষ্টার সফরসূচি পাওয়ার পরই উপদেষ্টার সঙ্গে যোগাযোগ করে নিশ্চিত হবেন যে, জেলা প্রশাসকের সদরে থাকা আবশ্যক কিনা। উপদেষ্টা এরূপ ইচ্ছা প্রকাশ করলে সেক্ষেত্রে জেলা প্রশাসক তার সফরসূচি বাতিল করবেন।

    ৪. উপজেলা সদর অথবা উপজেলার অন্য কোনো স্থানে উপদেষ্টার সফরকালে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, সহকারী পুলিশ সুপার এবং সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় বা বিভাগের স্থানীয় পর্যায়ের জ্যেষ্ঠতম কর্মকর্তা উপদেষ্টাকে অভ্যর্থনা ও বিদায় সংবর্ধনা জানাবেন। আবশ্যক না হলে জেলা প্রশাসক কিংবা পুলিশ সুপারের এক্ষেত্রে উপস্থিত থাকার প্রয়োজন নেই।

    ৫. উপদেষ্টার আগমন ও প্রস্থানের সময় আবশ্যক না হলে বিমানবন্দর বা রেলস্টেশনে জেলা প্রশাসক ঢাকা বা চট্টগ্রাম বা কক্সবাজারের উপস্থিত থাকার প্রয়োজন নেই। পুলিশ সুপার কক্সবাজার বা মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনারের ক্ষেত্রেও এটি প্রযোজ্য।

    ৬. কোনো জেলা বা উপজেলায় উপদেষ্টার আগমন বা প্রস্থানের সময় আশপাশের জেলার বিমানবন্দর বা রেলস্টেশন ট্রানজিট হিসেবে ব্যবহৃত হলে ট্রানজিট স্থানে সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসকের উপস্থিতির প্রয়োজন নেই। এ ক্ষেত্রে ট্রানজিট স্থানে জেলা প্রশাসকের উপযুক্ত প্রতিনিধি উপস্থিত থাকবেন।

    ৭. উপদেষ্টাদের আগমন ও প্রস্থানের সময় বিভাগীয় কমিশনার অথবা সংশ্লিষ্ট রেঞ্জের ডেপুটি ইন্সপেক্টর জেনারেল অব পুলিশের (ডিআইজি) উপস্থিত থাকার প্রয়োজন নেই। বিভাগীয় কমিশনার সদর দপ্তরে উপস্থিত থাকলে উপদেষ্টার আগমনের পর তিনি তার সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে পারেন।

    ৮. উপদেষ্টাদের সফরসূচি পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে সংশ্লিষ্ট জেলার পুলিশ সুপার নিরাপত্তার ব্যাপারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবেন।

    ৯. দেশের অভ্যন্তরে উপদেষ্টার রেলযোগে ভ্রমণকালে রেলওয়ে পুলিশ নিচের নির্দেশাবলী অনুসরণ করবে-

    ক. উপদেষ্টার সফরসূচি পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে রেলওয়ে পুলিশ সুপার তৎক্ষণাৎ সংশ্লিষ্ট রুটের সব পুলিশ স্টেশন বা ফাঁড়িকে অবহিত করবেন।

    খ. যে স্টেশনে উপদেষ্টা ট্রেন থেকে অবতরণ ও ট্রেনে পুনরায় আরোহণ করবেন অথবা কোনো জংশনে যে স্থানে ট্রেন বদলের প্রয়োজন হবে, সেসব স্থানে পুলিশের একজন পরিদর্শক বা উপপরিদর্শক উপস্থিত থাকবেন।

    গ. রেলযোগে চট্টগ্রামে গমন ও প্রস্থানের সময় সেখানে চট্টগ্রাম রেলওয়ের পুলিশ সুপার উপস্থিত থাকবেন।

    সাধারণ নির্দেশাবলী

    ১. উপদেষ্টাদের সফরসূচি সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের কাছে যথাসময়ে পাঠাতে হবে। সফরসূচিতে কোনো পরিবর্তন হলে তাও যথাসময়ে সংশ্লিষ্ট সবাইকে জানাতে হবে।

    ২. সার্কিট হাউস বা সরকারি রেস্ট হাউস ব্যতীত নিজ বাড়ি কিংবা অন্যত্র অবস্থানের ক্ষেত্রে রাষ্ট্রাচার সংক্রান্ত বিদ্যমান নির্দেশাবলী প্রযোজ্য হবে। সংশ্লিষ্ট জেলার পুলিশ সুপার নিরাপত্তার ব্যাপারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবেন।

    ৩. সফরসূচি প্রণয়নের সময় সফরটি সরকারি না ব্যক্তিগত, তা উপদেষ্টাদের দপ্তর থেকে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের অবহিত করতে হবে। সরকারি সফরের সময় উপদেষ্টাদের জন্য যানবাহন ও বাসস্থানের ব্যবস্থা করা হবে। ব্যক্তিগত সফরের জন্য যানবাহন ও বাসস্থানের ব্যবস্থা করা হলে এ সংক্রান্ত সেবার মূল্য পরিশোধের প্রচলিত নিয়ম প্রযোজ্য হবে।

    ৪. উপদেষ্টার একান্ত সচিব বা সহকারী একান্ত সচিবেরা উপদেষ্টার ইচ্ছা অনুযায়ী এতৎসংক্রান্ত দায়িত্ব পালন করবেন।

    ৫. মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপমন্ত্রীদের রাষ্ট্রীয় বা সরকারি কাজে বিদেশে গমন ও দেশে প্রত্যাগমনের সময় বিমানবন্দরে এবং দেশের অভ্যন্তরে সফরকালে অনুসরণীয় রাষ্ট্রাচার (প্রটোকল)–সংক্রান্ত মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের ১৮ এপ্রিল ২০১৮ তারিখের ০৪.০০.০০০০.৪২৩.২২.০০১.১৪.৬২ নম্বর স্মারকে জারিকৃত নির্দেশাবলী এতদ্বারা বাতিল করা হলো।

  • নিত্যপণ্য আমদানিতে ডলার সংকট হবে না: উপদেষ্টা সালেহউদ্দিন

    নিত্যপণ্য আমদানিতে ডলার সংকট হবে না: উপদেষ্টা সালেহউদ্দিন

    জ্বালানি, সার এবং খাদ্যপণ্যসহ অতি প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র আমদানি করতে হলে ডলার সংকট হবে না। এলসির সমস্যা রাতারাতি কেটে যাবে না। তবে ধীরে ধীরে তা কমে আসবে।

    বুধবার বিকালে ব্যবসায়ীদের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে এসব কথা বলেছেন অর্থ ও বাণিজ্য উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ। তিনি আরও বলেন, এই সরকার কোনো রাজনৈতিক সরকারও নয়, প্রশাসনিক সরকারও নয়। এই সরকার অন্তর্বর্তীকালীন সরকার।

    তিনি বলেন, আমাদের কারো প্রতি কোনো রাগ-অনুরাগ নাই। এই সরকারের কোনো এজেন্ডাও নাই। তাই জিনিসপত্রের দাম কমানোর ক্ষেত্রে সিন্ডিকেটের সঙ্গে কোনো কম্প্রোমাইজে যাবে না সরকার। তাই বাজার সিন্ডিকেটের সঙ্গে নো কম্প্রোমাইজ।

    এ উপদেষ্টা আরও বলেন, চট্টগ্রাম বন্দরে আসা সাবেক এমপিদের নামে আটকে থাকা শুল্কমুক্ত গাড়ি ফেরত পাঠানো ঠিক হবে না। ফেরত পাঠালে দেশ রাজস্ব হারাবে। এই গাড়ি বিক্রি করার শর্ত সহজ করে দেওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

  • প্রভাবশালীদের নামে-বেনামে ঋণ আত্মসাতের হিসাব হচ্ছে: প্রধান উপদেষ্টা

    প্রভাবশালীদের নামে-বেনামে ঋণ আত্মসাতের হিসাব হচ্ছে: প্রধান উপদেষ্টা

    ছাত্র-জনতার তীব্র আন্দোলনের মুখে পদত্যাগ করা শেখ হাসিনা সরকারের শাসনামলে কতিপয় অসাধু ব্যবসায়ী ও প্রভাবশালী ব্যক্তিরা নামে-বেনামে কত টাকা ঋণ আত্মসাৎ করেছে, তার হিসাব করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন সরকার প্রধান ড. মুহাম্মদ ইউনূস।

    বুধবার প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

    এতে বলা হয়, কিছু অসাধু ব্যবসায়ী ও প্রভাবশালী ব্যক্তিরা সাম্প্রতিক বছরগুলোতে ব্যাংকিং খাতে ব্যাপক দুর্নীতি ও প্রতারণার মাধ্যমে নামে-বেনামে বিপুল পরিমাণের অর্থ আত্মসাৎ করেছেন এবং তা বিদেশে পাচার করেছেন, যার সঠিক পরিমাণ নির্ণয়ের কাজ চলমান।

    এ আত্মসাৎকৃত অর্থের পরিমাণ লক্ষাধিক কোটি টাকার ওপরে মর্মে ধারণা করা যায় বলে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়।

    প্রভাবশালীদের নাম উল্লেখ না করে বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, এ ধরনের দুর্নীতি ও অর্থ পাচারের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানসমূহে ইতোমধ্যে সংস্কার কার্যক্রম শুরু হয়েছে। এরইমধ্যে ইসলামী ব্যাংক, সোস্যাল ইসলামী ব্যাংক, ন্যাশনাল ব্যাংক, ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংক, গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংক, ইউনিয়ন ব্যাংকের পর্ষদগুলো পুনর্গঠন করা হয়েছে। অবশিষ্ট ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানসমূহে সংস্কার কার্যক্রম শুরু হবে। নতুন ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে আত্মসাৎকৃত এসব অর্থের প্রকৃত তথ্য সংগ্রহ করা হবে এবং তাদের মাধ্যমে আত্মসাৎকৃত অর্থের প্রকৃত পরিমাণ নির্ণয়ের লক্ষ্যে অডিট কার্যক্রম শুরু করা হবে।

    অর্থ আত্মসাৎকারীদের বিচারের প্রতি সরকারের কঠোর মনোভাবের ইঙ্গিত করে প্রধান উপদেষ্টার দপ্তর থেকে বলা হয়, ব্যাংকসমূহের নতুন ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ, বাংলাদেশ ব্যাংকের বিএফআইউই, সিআইডি ও দুদকের সহায়তা নিয়ে আত্মসাৎকারীদের স্থানীয় সম্পদ অধিগ্রহণ ও বিদেশে পাচারকৃত অর্থ ফেরত আনার মাধ্যমে আত্মসাৎকৃত অর্থ পুনরুদ্ধারে কাজ শুরু হয়েছে। অর্থ ফেরত আনার বিষয়ে বিদেশি বিভিন্ন সংস্থার সহায়তা চেয়ে ইতোমধ্যে যোগাযোগ শুরু করেছে সরকার।

    শীঘ্রই ব্যাংকিং কমিশন গঠনের কথা উল্লেখ করে প্রধান উপদেষ্টার দপ্তর থেকে বলা হয়, কমিশন সংশ্লিষ্ট প্রতিটি ব্যাংকে তদন্ত সাপেক্ষে প্রকৃত চিত্র প্রকাশ করবে এবং ব্যাংকগুলোর পুনর্গঠনের জন্য ছয়মাসের মধ্যে একটি বাস্তবায়নযোগ্য রোডম্যাপ প্রণয়ন করবে।

    বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, বাংলাদেশ ব্যাংক ও সরকারের লক্ষ্য হলো সকল আর্ন্তজাতিক মানদণ্ড পরিপালনে সক্ষম একটি শক্তিশালী ব্যাংকিং খাত গড়ে তোলা। তবে এই উদ্দেশ্যে সফল করতে শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত সময়, আন্তর্জাতিক কারিগরি সহায়তা ও অর্থের প্রয়োজন হবে। বাংলাদেশ ব্যাংক ও সরকার অর্থ আত্মসাৎকারীদের দেশি-বিদেশি সম্পদ অধিগ্রহণ এবং বিদেশ হতে ফেরত এনে ব্যাংকগুলোকে পুনর্গঠনের লক্ষ্যে কার্যক্রম হাতে নিচ্ছে।

    ব্যাংকগুলোর এই পুনর্গঠন এবং আর্থিক খাতের কাঠামোগত সংস্কার সময় সাপেক্ষ ব্যপার। তবে সরকার বাংলাদেশের আর্থিক খাতকে আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন করার ব্যপারে দৃঢ় প্রতিজ্ঞ। -বাসস

  • প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে পাকিস্তান হাইকমিশনারের যে আলোচনা হলো

    প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে পাকিস্তান হাইকমিশনারের যে আলোচনা হলো

    রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় মঙ্গলবার অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত পাকিস্তানের হাইকমিশনার সৈয়দ আহমেদ মারুফ।

    অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

    বৈঠকে তিনি দু’দেশের মধ্যে বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক এবং জনগণের মধ্যে যোগাযোগ পুনরুজ্জীবিত করার প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক জোরদারের পাশাপাশি বহুপাক্ষিক প্ল্যাটফর্মে সহযোগিতা জোরদারের জন্য আগ্রহ প্রকাশ করেন।

    প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূস এ সময় তাকে বলেন, সার্ক ইউরোপীয় ইউনিয়নের মতো সম্পর্কের মডেল হতে পারে। পারস্পরিক স্বার্থে আমাদের একসঙ্গে কাজ করতে হবে।

    বৈঠকে পাকিস্তানের হাইকমিশনার জানান, বাংলাদেশে চলমান বন্যায় পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরীফ ও দেশের জনগণ গভীরভাবে উদ্বিগ্ন। তিনি বলেন, পাকিস্তান বাংলাদেশকে সহায়তা করতে প্রস্তুত রয়েছে।

    হাইকমিশনার পাকিস্তানি নাগরিকদের বাংলাদেশে ভিসা প্রক্রিয়া সহজ এবং দুই দেশের মধ্যে সরাসরি ফ্লাইট চালুর অনুরোধ করেন।

    তিনি দুই দেশের মধ্যে বিদ্যমান দ্বিপাক্ষিক ব্যবস্থায় সম্পৃক্ততা বাড়ানোর প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরেন।

    রাওয়ালপিন্ডিতে পাকিস্তানের বিপক্ষে বাংলাদেশের পুরুষ ক্রিকেট দলের প্রথম টেস্ট জয়ের জন্য অভিনন্দনও জানিয়েছেন এই হাইকমিশনার।

  • প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ে নতুন মহাপরিচালক আবু সাঈদ

    প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ে নতুন মহাপরিচালক আবু সাঈদ

    জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (অতিরিক্ত সচিব) মো. আবু সাঈদকে প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ের মহাপরিচালক (ডিজি) করা হয়েছে।

    মঙ্গলবার জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।

    অন্যদিকে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মহাপরিচালক (অতিরিক্ত সচিব) নাফিউল হাসানকে সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের অতিরিক্ত সচিব পদে বদলি করে পৃথক প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।