Category: জাতীয়

  • প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বের প্রশংসা জাতিসংঘ মহাসচিবের

    প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বের প্রশংসা জাতিসংঘ মহাসচিবের

    জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে অভিনন্দন জানিয়েছেন এবং তার নেতৃত্বের প্রশংসা করেছেন। রোববার বিকালে উগান্ডার কাম্পালায় তৃতীয় দক্ষিণ শীর্ষ সম্মেলনের সাইডলাইনে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ জাতিসংঘ মহাসচিবের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন।

    বৈঠকে মহাসচিব বৈশ্বিক অর্থনীতির কাঠামো সংস্কারের ক্ষেত্রে বাংলাদেশের ভূমিকাকে গুরুত্বপূর্ণ বলে উল্লেখ করেন এবং জাতিসংঘের নেতৃত্বে বেশ কয়েকটি বৈশ্বিক প্রক্রিয়ায় চ্যাম্পিয়ন হওয়ার জন্যও তিনি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রশংসা করেন।

    বাংলাদেশের সরকার ও জনগণের পক্ষে পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাছান মাহমুদ ফিলিস্তিনের গাজায় যুদ্ধ নিরসনে জাতিসংঘ মহাসচিবের সাহসী ও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকার প্রশংসা করেন। পাশাপাশি রোহিঙ্গা ইস্যুকে জাতিসংঘের আলোচ্যসূচির শীর্ষে রাখার জন্য আন্তোনিও গুতেরেসকে অনুরোধ করেন মন্ত্রী।

    ২০২৪ সাল জাতিসংঘে বাংলাদেশের সদস্য হওয়ার সুবর্ণজয়ন্তীর বছর উল্লেখ করে হাছান মাহমুদ এটিকে যথাযথভাবে উদযাপনের প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেন। তিনি গুতেরেসকে বাংলাদেশে আসার আমন্ত্রণ জানান। দেশের জাতীয় সংসদ নির্বাচন নিয়েও মহাসচিবকে ব্রিফ করেন হাছান মাহমুদ।

    তিনি জানান, জনগণের অংশগ্রহণে একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। উগান্ডার কাম্পালায় জোট নিরপেক্ষ আন্দোলনের (ন্যাম) ১৯তম শীর্ষ সম্মেলন এবং ৭৭ জাতি গ্রুপ ও চীনের তৃতীয় দক্ষিণ শীর্ষ সম্মেলনে বাংলাদেশ প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দিচ্ছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী। পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে রয়েছেন পররাষ্ট্র সচিব (সিনিয়র সচিব) মাসুদ বিন মোমেন, জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি মুহাম্মদ এ মুহিত, কেনিয়া ও উগান্ডায় বাংলাদেশের হাইকমিশনার তারেক মুহাম্মদ প্রমুখ।

  • মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে প্রাধান্য দিয়ে মুদ্রানীতি ঘোষণা

    মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে প্রাধান্য দিয়ে মুদ্রানীতি ঘোষণা

    মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণকে প্রাধান্য দিয়ে চলতি ২০২৩-২৪ অর্থবছরের দ্বিতীয়ার্ধের (জানুয়ারি-জুন) মুদ্রানীতি ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

    বুধবার (১৭ জানুয়ারি) বিকেলে বাংলাদেশ ব্যাংকের জাহাঙ্গীর আলম কনফারেন্স হলে গভর্নর আব্দুর রউফ তালুকদার মুদ্রানীতি ঘোষণা করেন।

    গভর্নর বলেন, নতুন মুদ্রানীতিতে টাকার চাহিদা কমাতে নীতি সুদহার বাড়ানো হয়েছে। ঋণের সুদহারের যে ৯ শতাংশ ক্যাপ ছিল, তা তুলে দেওয়া হয়েছে।

    নতুন মুদ্রানীতিতে নীতি সুদহার ৭ দশমিক ৭৫ শতাংশ থেকে বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৮ শতাংশ। এর ফলে বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে ব্যাংকগুলো যে টাকা ধার করবে, তার সুদহার বাড়বে।

    এদিকে রিভার্স রেপো (বর্তমান নাম স্ট্যান্ডিং ডিপোজিট ফ্যাসিলিটি-এসডিএফ) নিম্নসীমার সুদহার ৫ দশমিক ৭৫ শতাংশ থেকে ৬ দশমিক ৫০ শতাংশ করা হয়েছে। বাজারে উদ্বৃত্ত টাকা থাকলে বাংলাদেশ ব্যাংক রিভার্স রেপোর মাধ্যমে টাকা তুলে নেয়।

    এছাড়া নীতি সুদহার করিডরের ঊর্ধ্বসীমা স্পেশাল রেপো বা এসএলএফের (স্ট্যান্ডিং লেন্ডিং ফ্যাসিলিটি) সুদহার ৯ দশমিক ৭৫ শতাংশ থেকে ২৫ বেসিস পয়েন্ট কমিয়ে ৯ দশমিক ৫০ শতাংশ করা হয়েছে। এ ব্যবস্থায় সংকটে পড়া ব্যাংক বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে টাকা ধার করতে কিছুটা ব্যয় কমবে।

    মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ ও কাঙ্ক্ষিত প্রবৃদ্ধি অর্জনের মধ্যে ভারসাম্য রাখতে মুদ্রানীতি প্রণয়ন ও প্রকাশ করে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। দেশের আর্থিক ব্যবস্থাপনায় মুদ্রানীতি খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এর মাধ্যমে অভ্যন্তরীণ ঋণ, মুদ্রা সরবরাহ, অভ্যন্তরীণ সম্পদ, বৈদেশিক সম্পদ কতটুকু বাড়বে বা কমবে এর একটি পরিকল্পনা তুলে ধরা হয়।

    মুদ্রানীতি ঘোষণার সময় বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর কাজী ছাইদুর রহমান, আবু ফরাহ মো. নাছের, এ কে এম সাজেদুর রহমান খান, নূরুন নাহার, বিএফআইইউ প্রধান মাসুদ বিশ্বাস, প্রধান অর্থনীতিবিদ ড. হাবিবুর রহমান, নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র মেজবাউল হকসহ গবেষণা বিভাগের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

  • মূল্যায়ন পদ্ধতিতে প্রয়োজনে অবশ্যই পরিবর্তন আসবে: শিক্ষামন্ত্রী

    মূল্যায়ন পদ্ধতিতে প্রয়োজনে অবশ্যই পরিবর্তন আসবে: শিক্ষামন্ত্রী

    শিক্ষার সব কাজের মধ্যে একটা ধারাবাহিকতা থাকতে হয় উল্লেখ করে নতুন শিক্ষামন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী বলেছেন, মূল্যায়ন পদ্ধতিতে প্রয়োজনে অবশ্যই পরিবর্তন আসবে।

    রোববার (১৪ জানুয়ারি) সচিবালয়ে শিক্ষামন্ত্রী হিসেবে প্রথম অফিস করতে গিয়ে সাংবাদিকদের দেওয়া এক প্রতিক্রিয়ায় এ কথা বলেন তিনি।

    আগামী দিনের চ্যালেঞ্জ কী- সাংবাদিকদের পক্ষ থেকে জানতে চাইলে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, চ্যালেঞ্জ, এই শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে আমরা দেখেছি পাঁচটি বছর সফলভাবে সদ্যসাবেক শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনির সঙ্গে কাজ করেছি।

    শিক্ষায় নানান ধরনের রূপান্তরের কাজ শেখ হাসিনার নির্দেশে আমরা সূচনা করেছি। এই সূচনার কাজগুলোর পেছনে কিন্তু আমাদের পূর্বে যিনি শিক্ষামন্ত্রী ছিলেন, এখন আওয়ামী লীগের উপদেষ্টামণ্ডলীর সদস্য নুরুল ইসলাম নাহিদ, তিনি সেই ভীতগুলো রচনা করে দিয়েছিলেন।

    তিনি বলেন, শিক্ষার সব কাজের মধ্যে একটা ধারাবাহিকতা থাকতে হয়। সুতরাং এখানে নতুন করে হঠাৎ করে কোনো কিছু চিন্তা করার অবকাশ খুবই কম। তাই সেই ধারাবাহিকতার মধ্যেই রূপান্তর, ধারাবাহিকতার মধ্যেই স্মার্ট বাংলাদেশ গড়তে হবে। এই ধারাবাহিকতার মধ্যেই স্মার্ট সিটিজেন তৈরি করার জন্য স্মার্ট এডুকেশন সিস্টেম আমাদের প্রয়োজন, সেই লক্ষ্যেই আমরা কাজ করবো।

    তিনি আরও বলেন, বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনা আমাদের বলে দিয়েছেন বিশাল যে জনগোষ্ঠী, বিদ্যালয় পর্যায়ের শেষ করে তাদের অনেক প্রতিবন্ধকতা আছে। প্রায় এক কোটির ঊর্ধ্বে। বিশাল জনগোষ্ঠী যারা উচ্চশিক্ষার জন্য বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে পড়াশোনা করতে যাচ্ছে, এই যে বিদ্যালয় থেকে শুরু করে বিশ্ববিদ্যালয় পর্যন্ত সব জায়গাতেই তাদের কর্মসংশ্লিষ্ট যেসব দক্ষতা রয়েছে, সেগুলো যাতে ন্যূনতম সবাইকে দিতে পারি।

    কর্মসংশ্লিষ্ট দক্ষতাগুলোর বিষয়ে তিনি আমাদের বিশেষ জোর দিতে বলেছেন। কারণ এবার আমাদের রাজনৈতিক অঙ্গীকার হচ্ছে কর্মসংস্থান। স্মার্ট সিটিজেন করতে হলে কর্মসংস্থান করতেই হবে এবং কর্মসংস্থানের জন্য মাল্টি স্কিল্ড স্মার্ট সিটিজেন আমাদের খুব প্রয়োজন। আর বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে গবেষণার ওপর জোর দিতে বলেন শিক্ষামন্ত্রী।

    তিনি বলেন, কারিকুলাম নিয়ে কাজ হয়েছে কারিকুলাম তো হঠাৎ করে আসেনি। সেটা নিয়ে আলোচনা-সমালোচনা থাকবেই সেটাই স্বাভাবিক। সে আলোচনা-সমালোচনাগুলো মাথায় রেখেই দুর্বলতা থাকলে সেখানে সমস্যা থাকলে, মূল্যায়নের জায়গায় একটা আলোচনা আছে মূল্যায়নটা যাতে এমন না হয় যাতে সেটা প্রতিবন্ধকতা হিসেবে পরিণত হয়। সেগুলো বিবেচনা করেই আমরা আগামী দিনগুলোতে শিক্ষা পরিবারের সবাইকে নিয়ে কাজ করবো।

  • নতুন মন্ত্রিসভার প্রথম বৈঠক সোমবার

    নতুন মন্ত্রিসভার প্রথম বৈঠক সোমবার

    নতুন মন্ত্রিসভা প্রথম আনুষ্ঠানিক বৈঠকে বসছে সোমবার (১৫ জানুয়ারি)। জনপ্রশাসনমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন, সোমবার সকালে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে মন্ত্রিসভা বৈঠক হবে।

    এর আগে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গতকাল শনিবার (১৩ জানুয়ারি) গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় নিজ বাড়িতে মন্ত্রিপরিষদের অনানুষ্ঠানিক বৈঠক করেছেন।

    বৈঠকের আলোচ্যসূচি সম্পর্কে কিছু জানা না গেলেও পারস্পরিক শুভেচ্ছা বিনিময়ই হবে প্রথম বৈঠকের মূল বিষয়। এ বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সভাপতিত্ব করবেন। প্রধানমন্ত্রী বৈঠকে নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যদের আগামীর পথচলার দিকনির্দেশনা দেবেন বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।

    দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জনের পর গত ১১ জানুয়ারি শেখ হাসিনাকে প্রধানমন্ত্রী করে নতুন সরকার গঠন করা হয়। এ সরকারে প্রধানমন্ত্রী ছাড়া ২৫ জন মন্ত্রী ও ১১ প্রতিমন্ত্রী রয়েছেন।

  • ২৫ মন্ত্রী ও ১১ প্রতিমন্ত্রী নিয়োগের প্রজ্ঞাপন জারি

    ২৫ মন্ত্রী ও ১১ প্রতিমন্ত্রী নিয়োগের প্রজ্ঞাপন জারি

    রাষ্ট্রপতি ২৫ জন মন্ত্রী ও ১১ জন প্রতিমন্ত্রীকে নিয়োগ দিয়েছেন। বৃহস্পতিবার (১১ জানুয়ারি) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।

    ৩৬ জনের তালিকা সম্বলিত প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়, বাংলাদেশের সংবিধানের ৫৬ অনুচ্ছেদের (২) দফা অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি ১১ জানুয়ারি (বৃহস্পতিবার) তাদেরকে বাংলাদেশ সরকারের মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী পদে নিয়োগদান করেছেন।

    মন্ত্রিসভায় স্থান পাওয়া পূর্ণ মন্ত্রীর তালিকায় রয়েছেন- আ. ক. ম মোজাম্মেল হক, ওবায়দুল কাদের, নূরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ূন, আসাদুজ্জামান খান, ডা. দীপু মনি, মো. তাজুল ইসলাম, মুহাম্মদ ফারুখ খান, আবুল হাসান মাহমুদ আলী, আনিসুল হক, হাছান মাহমুদ, আবদুস শহীদ, সাধন চন্দ্র মজুমদার, র আ ম ওবায়দুল মোক্তাদির চৌধুরী, আব্দুর রহমান, নারায়ণ চন্দ্র চন্দ, আবদুস সালাম, মহিবুল হাসান চৌধুরী, ফরহাদ হোসেন, ফরিদুল হক খান, জিল্লুল হাকিম, সাবের হোসেন চৌধুরী, জাহাঙ্গীর কবির নানক, নাজমুল হাসান পাপন, ইয়াফেস ওসমান, ড. সামন্ত লাল সেন।

    প্রতিমন্ত্রীর তালিকায় রয়েছেন- বেগম সিমিন হোসেন রিমি, নসরুল হামিদ, জুনাইদ আহমেদ পলক, মো. আলী আরাফাত, মহিবুর রহমান, খালিদ মাহমুদ চৌধুরী, জাহিদ ফারুক, কুজেন্দ্র লাল ত্রিপুরা, রুমানা আলী, শফিকুর রহমান চৌধুরী ও আহসানুল ইসলাম।

    প্রসঙ্গত, দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ২৯৯টি আসনের মধ্যে ২২২টিতে জয় পেয়েছে আওয়ামী লীগ। একাদশ সংসদের বিরোধী দল জাতীয় পার্টিকে পেছনে ফেলে স্বতন্ত্র হয়ে নির্বাচিত হয়েছেন ৬২ জন; যাদের মধ্যে ৫৯ জন আওয়ামী লীগেরই নেতা। আর জাতীয় পার্টির আসন অর্ধেকের বেশি কমে নেমেছে ১১টিতে। দুটিতে জয় পেয়েছে আওয়ামী লীগের শরিক দল জাসদ ও বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টি এবং একটিতে জয় পেয়েছে কল্যাণ পার্টি। একটি আসনের ভোটগ্রহণ স্থগিত রয়েছে।

    এদিকে, বড় ধরনের পরিবর্তন এসেছে নতুন মন্ত্রিসভায়। নতুন মন্ত্রিসভায় স্থান পাননি বিদায়ী মন্ত্রিসভার অনেকেই। আর প্রথমবারের মতো যুক্ত হচ্ছেন ১৪ জন। নতুন মন্ত্রিসভার সদস্য ৩৭ জন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আজ শপথ নিচ্ছেন নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যরা। ইতোমধ্যে ২৫ জন পূর্ণ মন্ত্রী ও ১১ প্রতিমন্ত্রীর তালিকা প্রকাশ করেছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।

  • ২৯৮ সংসদীয় আসনে জয়ীদের গেজেট প্রকাশ

    ২৯৮ সংসদীয় আসনে জয়ীদের গেজেট প্রকাশ

    দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ২৯৮ আসনে জয়ীদের ফল গেজেট আকারে প্রকাশ করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। মঙ্গলবার (৯ জানুয়ারি) সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান ইসির জনসংযোগ পরিচালক মো. শরীফুল আলম। তিনি বলেন, ২৯৮ সংসদীয় আসনে জয়ীদের গেজেট প্রকাশিত হয়েছে।

    এর আগে নির্বাচন কমিশনার মো. আলমগীর সাংবাদিকদের বলেন, গত ৭ জানুয়ারি ৩০০টি আসনে নির্বাচন হওয়ার কথা ছিল। এর মধ্যে নওগাঁ-২ আসনের ভোট বাতিল করা হয়েছিল, একজন প্রার্থীর মৃত্যুর কারণে। ১২ ফেব্রুয়ারি সেখানে নির্বাচন হবে।

    আরেকটি কেন্দ্রে অনিয়মের কারণে ভোটের ফল স্থগিত করা হয়েছিল ময়মনসিংহ-৩ আসনে। সে আসনের একটি কেন্দ্রের নির্বাচন ১৩ জানুয়ারি হবে বলে জানান তিনি। নির্বাচন কমিশনার মো. আলমগীর বলেন, এ দুটো বাদ দিয়ে ২৯৮ আসনের ফল যাচাই করে দেখা হয়েছে। সব ঠিক আছে।

    গেজেটে নির্বাচিত প্রার্থীর নাম, পিতার নাম, মাতার নাম, ঠিকানা ও আসন নম্বর উল্লেখ করা হয়। নির্বাচনে আওয়ামী লীগের ২২২, জাতীয় পার্টির ১১, স্বতন্ত্র ৬২, কল্যাণ পার্টি, জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলে ও বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির একজন করে জয়লাভ করেন।

  • দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনের গেজেট প্রকাশ আজ, শপথ বুধবার

    দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনের গেজেট প্রকাশ আজ, শপথ বুধবার

    অনলাইন ডেস্ক ::: দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ২৯৮ আসনের বেসরকারি ফলাফল ঘোষণা হয়েছে। ফলাফলের সরকারি গেজেট প্রকাশ করা হবে আজ। এরপর বুধবার (১০ জানুয়ারি) সকাল ১০টায় সংসদ ভবনের নিচতলা শপথকক্ষে নবনির্বাচিত এমপিদের শপথ অনুষ্ঠিত হবে।

    সংসদ সচিবালয় সূত্রে জানা গেছে, নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথবাক্য পাঠ করাবেন জাতীয় সংসদের স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী। এরই মধ্যে শপথগ্রহণের সব আয়োজন সম্পন্ন করা হয়েছে।

    এছাড়া একাদশ জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ নুর-ই-আলম চৌধুরী বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

    সংবিধানের বিধান অনুযায়ী গেজেট প্রকাশের তিনদিনের মধ্যে সংসদ সদস্য হিসেবে শপথগ্রহণ করতে হবে। শপথগ্রহণের পরই তিনি কার্যভার গ্রহণ করেছেন বলে গণ্য হবেন।

    নিয়মানুযায়ী, গেজেট প্রকাশের পর শপথের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে স্পিকারের কাছে তা পাঠাবে ইসি সচিবালয়। সংসদ নির্বাচনের ফল গেজেট আকারে প্রকাশের তিনদিনের মধ্যে শপথের সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা রয়েছে। এরপর ৩০ দিনের মধ্যে অধিবেশন ডাকতে হবে।

  • এই বিজয় জনগণের বিজয়: শেখ হাসিনা

    এই বিজয় জনগণের বিজয়: শেখ হাসিনা

    আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দেশের মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে ভোট দিয়েছেন, জনপ্রতিনিধি নির্বাচন করেছেন, এই বিজয় জনগণের বিজয়।

    সোমবার (৮ জানুয়ারি) বিকেলে গণভবনে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে দেশি-বিদেশি পর্যবেক্ষক ও সাংবাদিকদের সঙ্গে সৌজন্য বিনিময়কালে তিনি এ কথা বলেন

    শেখ হাসিনা বলেন, আটবার নির্বাচন করেছি।, এবার আবার। এবার জনগণ স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করেন। বাংলাদেশের ৮০ শতাংশ মানুষ দরিদ্র ছিল। বঙ্গবন্ধুর লক্ষ্য ছিল দেশের মানুষ উন্নত জীবনের অধিকারী হবে। বাবা যে আদর্শ নিয়ে কাজ করেছেন, আমাকে সেই কাজ সম্পন্ন করতে হবে।

    তিনি বলেন, ১৯৭৫ এর ১৫ আগস্ট। আমার পরিবারের ১৮ জন সদস্যকে হত্যা করা হয়েছে। আমার ছোট বোন শেখ রেহানা আর আমি বেঁচে যাই। ছয় বছর আমরা রিফিউজি ছিলাম। খুব কষ্টকর জীবন। ১৯৮১ সালে দেশের মানুষ আমাকে দেশে আনে।

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, মিলিটারি ডিক্টেটররা আমার দলকে রাজনীতি করতে দেয়নি। যুদ্ধাপরাধীদের বিচার বন্ধ করে তাদের ক্ষমতায় বসায়। ওই অবস্থায় আমি দেশে ফিরি। আমার লক্ষ্য ছিল, মানুষের ভোটাধিকার রক্ষা, গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করা। আমার চলার পথ সহজ ছিল না।

    মৃত্যুকে বারবার কাছ থেকে দেখেছি। বাবার আদর্শ নিয়ে কাজ করছি। মানুষের খাদ্য, বস্ত্র, শিক্ষা, চিকিৎসা, কর্মসংস্থান নিশ্চিত করার লক্ষ্যে কাজ করছি। ২১ বছর পর সরকার গঠন করে মানুষের জন্য কাজ শুরু করি।

    আওয়ামী লীগ সভাপতি বলেন, মানুষের ভোটাধিকার নিশ্চিত করাই আমার লক্ষ্য। এবারের নির্বাচনে নিজেদের প্রার্থী মনোনয়ন করার পাশাপাশি সবার জন্য উন্মুক্ত করে দিয়েছি। মানুষের স্বতঃস্ফূর্তভাবে ভোট দিয়েছেন। এ বিজয় জনগণের বিজয়।

    তিনি বলেন, একটি দল নির্বাচন বর্জন করেছে। মিলিটারি ডিক্টেটর থেকে যে দল সৃষ্টি তারা নির্বাচন ভয় পায়, কারণ তাদের জনসমর্থন থাকে না।

    বিদেশি বিদেশি পর্যবেক্ষক ও সাংবাদিকদের বাংলাদেশে আসার জন্য তিনি নিজের, পরিবার ও দেশের মানুষের পক্ষ থেকে ধন্যবাদ জানান। তিনি বলেন, আপনারা নিজ নিজ দেশে ফিরে যাবেন, আমাদের দেশের কথা বলবেন। আমাদের দেশটা অনেক সুন্দর।

    এসময় দেশি-বিদেশি পর্যবেক্ষক, সাংবাদিক, বঙ্গবন্ধুর ছোট মেয়ে শেখ রেহানা, প্রধানমন্ত্রীর মেয়ে পুতুলসহ আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

  • অনেক ষড়যন্ত্র, চক্রান্ত চলছে: শেখ হাসিনা

    অনেক ষড়যন্ত্র, চক্রান্ত চলছে: শেখ হাসিনা

    যেসব দেশ মুক্তিযুদ্ধে সমর্থন দেয়নি তাদের চক্রান্ত এখনো থামেনি মন্তব্য করে আওয়ামী লীগ সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, অনেক ষড়যন্ত্র, চক্রান্ত চলছে।

    মঙ্গলবার বিকেলে ফরিদপুরের সরকারি রাজেন্দ্র কলেজ মাঠে নির্বাচনী জনসভায় তিনি এ কথা বলেন।

    আওয়ামী লীগ সভাপতি বলেন, অনেক ষড়যন্ত্র, চক্রান্ত চলছে। যারা আমাদের মুক্তিযুদ্ধের সমর্থন দেয়নি, তাদের চক্রান্ত এখনও থেমে যায়নি। আর যেহেতু তারা জানে আমরা কারো কাছে মাথা নত করি না, সেজন্য চক্রান্ত আরও বেশি।

    শেখ হাসিনা বলেন, আমি জাতির পিতার কন্যা কারো কাছে মাথা নত করি না, মাথা নত করব না।

    সবাইকে নৌকা মার্কায় ভোট দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, একমাত্র নৌকা মার্কায় ভোট পেলেই আমি সরকারে আসতে পারব। আর উন্নয়নশীল দেশ হিসেবে বাংলাদেশকে গড়তে পারব। বাংলাদেশ কখনো পিছিয়ে যাবে না।

    শেখ হাসিনা বলেন, আরও কাজ বাকি। আমাদের এখন উন্নয়নশীল দেশ হিসেবে নিজেদের গড়ে তুলতে হবে। এই দেশ গড়ে তুলতে হলে কাকে দরকার আপনারা বলেন। কে ক্ষমতায় থাকলে উন্নয়নশীল দেশ হিসেবে বাংলাদেশ গড়ে উঠবে?

    আওয়ামী লীগ সভাপতি বলেন, নৌকা মার্কা, এই নৌকা মার্কা আপনারা জানেন, নূহ নবীর নৌকা মার্কা, মহাপ্লাবন থেকে মানবজাতিকে রক্ষা করেছিল এই নৌকা। নৌকা মার্কায় ভোট দিয়ে মহান মুক্তিযুদ্ধে আমাদের স্বাধীনতা এনে দিয়েছে এই নৌকা মার্কা।

    তিনি বলেন, একমাত্র নৌকা ক্ষমতায় আসলেই দেশের মানুষের উন্নতি হয়। ওই অস্ত্র হাতে নিয়ে অবৈধভাবে সংবিধান লঙ্ঘনকারীরা ক্ষমতায় এলে দেশের কোনো উন্নতি হয় নাই। উন্নতি হয়েছে একমাত্র যখন আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় ছিল।

    স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যের কথা জানিয়ে সরকারপ্রধান বলেন, নৌকা ডিজিটাল বাংলাদেশ দিয়েছে আর আগামী দিনের আমাদের তরুণ সমাজ আছে তাদের জন্য ২০৪১ সালে এই বাংলাদেশ হবে স্মার্ট বাংলাদেশ।

    আওয়ামী লীগ সভাপতি ফরিদপুর, মাগুরা এবং রাজবাড়ী জেলার বিভিন্ন আসনে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থীদের পরিচয় করিয়ে দেন এবং তাদের জন্য নৌকা মার্কায় ভোট চান।

    জনসভায় সভাপতিত্ব করেন ফরিদপুর-৩ আসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী শামীম হক। অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন ফরিদপুর-১ আসনে নৌকার প্রার্থী আব্দুর রহমান, মাগুরা-১ আসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী ক্রিকেটার সাকিব আল হাসান।

    এর আগে সড়ক পথে ঢাকা থেকে ফরিদপুর আসেন আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা। বেলা সোয়া ৩টায় সমাবেশস্থলে আসেন তিনি। শেখ হাসিনার আগমনকে ঘিরে পুরো শহরে উৎসবের আমেজ তৈরি হয়।

    সকাল থেকে ঢাক-ঢোল, বাদ্যযন্ত্রের তালে নেচে-গেয়ে উৎসব করতে করতে খণ্ড খণ্ড মিছিল নিয়ে মাঠে আসেন আওয়ামী লীগ নেতাকর্মী, সমর্থকরা। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বিপুলসংখ্যক আওয়ামী লীগ নেতাকর্মী ও সমর্থক জড়ো হন মাঠে। সমাবেশ মাঠে নৌকার আদলে নির্মাণ করা হয়েছে বিশাল মঞ্চ। আশপাশের এলাকায় কয়েকস্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

    গত ডিসেম্বর ২০ সিলেটে হজরত শাহজালাল ও হজরত শাহ পরানের মাজার জিয়ারত এবং এরপর সিলেটের আলিয়া মাদ্রাসা মাঠে নির্বাচনী জনসভার মধ্য দিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে নির্বাচনী প্রচারণা শুরু করেন আওয়ামী লীগ প্রধান।

    নির্বাচন কমিশন ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী আগামী ৭ জানুয়ারি দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।

  • আবারও বাড়ল এলপি গ্যাসের দাম

    আবারও বাড়ল এলপি গ্যাসের দাম

    জানুয়ারি মাসের জন্য ভোক্তাপর্যায়ে বেসরকারি তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাসের (এলপিজি) নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে।

    মঙ্গলবার (২ জানুয়ারি) ভোক্তাপর্যায়ে ১২ কেজি এলপিজি গ্যাসের দাম ২৯ টাকা বাড়িয়ে ১ হাজার ৪৩৩ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

    এর আগে, গত ৩ ডিসেম্বর এলপিজির দাম বাড়ানোর ঘোষণা দেয় বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন। ঘোষণা অনুযায়ী, ডিসেম্বরের জন্য ১২ কেজি সিলিন্ডারের দাম ১ হাজার ৩৮১ টাকা থেকে ২৩ টাকা বাড়িয়ে ১ হাজার ৪০৪ টাকা নির্ধারণ করা হয়। নভেম্বর মাসে এলপি গ্যাসের দাম ১ হাজার ৩৬৩ টাকা থেকে ১৮ টাকা বাড়িয়ে ১ হাজার ৩৮১ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছিল।