Category: জাতীয়

  • সপ্তাহের ব্যবধানে আবারও বাড়ল পেঁয়াজের দাম

    সপ্তাহের ব্যবধানে আবারও বাড়ল পেঁয়াজের দাম

    বাজারে ফের বেড়েছে পেঁয়াজের দাম। কয়েকদিনের ব্যবধানে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যটির দাম বেড়েছে ৪০ থেকে ৪৫ টাকা।

    এর আগে ভারতের পেঁয়াজ রপ্তানি বন্ধের খবর পাওয়া মাত্রই পেঁয়াজের বাজার অস্থির করে তোলে দেশের ব্যবসায়ীরা। পরে পেঁয়াজের দাম নিয়ন্ত্রণে প্রশাসনের কঠোরতা ও ভোক্তারা পেঁয়াজ কম কেনায় দুই দিনের মধ্যেই সব ধরনের পেঁয়াজের দাম কমতে শুরু করে। তবে গত এক সপ্তাহের ব্যবধানে ফের পেয়াঁজের দাম কিছুটা বেড়েছে।

    বিভিন্ন বাজারে দেশি পুরনো পেঁয়াজ পাইকারি ১৩০ টাকা দরে আর খুচরা বিক্রি হয় ১৪০ টাকা করে। ভারতীয় পেঁয়াজ প্রকারভেদে প্রতি কেজি বিক্রি হয় ১০৫ থেকে ১১০ টাকা দরে। এক সপ্তাহ পর আজ রাজধানীর কয়েকটি কাঁচাবাজার ঘুরে দেখা যায়, এসব পেঁয়াজ বাড়তি দামে বিক্রি করা হচ্ছে। প্রতি কেজি দেশি পুরনো পেঁয়াজ খুচরা বিক্রি হচ্ছে ১৮০ টাকা করে, নতুন পেঁয়াজ ১২০, ভারতীয় পেঁয়াজ প্রতি কেজি খুচরা বিক্রি হচ্ছে ১৩০ থেকে সর্বোচ্চ ১৫০ টাকা করে। এ ছাড়া প্রতি এক পাল্লা দেশি নতুন পেয়াঁজ পাইকারি ধরে বিক্রি হচ্ছে ৫৫০ টাকা ধরে।

  • এসএসসি পরীক্ষা শুরু ১৫ ফেব্রুয়ারি

    এসএসসি পরীক্ষা শুরু ১৫ ফেব্রুয়ারি

    ২০২৪ সালের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার সময়সূচি (রুটিন) প্রকাশ করা হয়েছে। সূচি অনুযায়ী আগামী ১৫ ফেব্রুয়ারি থেকে এ পরীক্ষা শুরু হবে।

    বৃহস্পতিবার (২১ ডিসেম্বর) দুপুরে আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির সভাপতি ও ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক তপন কুমার সরকারও বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

    আন্তঃশিক্ষা বোর্ড পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক কমিটির আহ্বায়ক এবং ঢাকা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক মো. আবুল বাশারের সই করা বিজ্ঞপ্তিতে এ রুটিন প্রকাশ করা হয়।

    প্রকাশিত রুটিন অনুযায়ী, ১৫ ফেব্রুয়ারি সকাল ১০টা থেকে ১টা পর্যন্ত বাংলা প্রথমপত্রের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। লিখিত পরীক্ষা শেষ হবে ১২ মার্চ বাংলাদেশ ও বিশ্ব পরিচয় বিষয়ের পরীক্ষার মাধ্যমে।

    এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফরম পূরণ শুরু হয় গত ৩০ অক্টোবর। দুই দফায় সময় বাড়িয়ে ফরম পূরণ প্রক্রিয়া গত ১৯ নভেম্বর শেষ হয়। তবে ঠিক কতজন শিক্ষার্থী এবার পরীক্ষায় অংশ নিতে ফরম পূরণ করেছে, তা এখনো জানায়নি শিক্ষা বোর্ডগুলো।

  • সংসদ নির্বাচন: প্রার্থীরা সমান ভোট পেলে লটারিতে বিজয়ী নির্ধারণ

    সংসদ নির্বাচন: প্রার্থীরা সমান ভোট পেলে লটারিতে বিজয়ী নির্ধারণ

    দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে একাধিক প্রার্থী সমান ভোট পেলে লটারি করে বিজয়ী নির্ধারণের নির্দেশ দিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। সোমবার (১৮ ডিসেম্বর) ইসির নির্বাচন ব্যবস্থাপনা শাখার উপ-সচিব মো. আতিয়ার রহমান নির্দেশনাটি সব রিটার্নিং কর্মকর্তাদের পাঠিয়েছেন।

    এতে বলা হয়েছে, যদি কোনো নির্বাচনী এলাকার ফলাফল একত্রীকরণের পর দেখা যায় যে, দুই বা ততোধিক প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী সম সংখ্যক ভোট পেয়েছেন এবং তাদের কোনো একজনের জন্য একটি ভোট দেওয়া হলে তিনি নির্বাচিত ঘোষিত হওয়ার অধিকারী হবেন সেক্ষেত্রে, রিটার্নিং অফিসার তাৎক্ষণিক অনুরূপ প্রার্থীদের সম্পর্কে লটারির মাধ্যমে ফলাফল নির্ধারণ করবেন।

    লটারি যে প্রার্থীর অনুকূলে পড়বে তিনি সর্বোচ্চ ভোট পেয়েছেন বলে গণ্য হবেন, যা তাকে নির্বাচিত বলে ঘোষিত হওয়ার অধিকারী করবে। উপস্থিত সব প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী এবং তাদের নির্বাচনী এজেন্টের সামনে লটারি হবে। এই লটারির পুরো কার্যক্রমটি কার্যবিবরণীতে লিপিবদ্ধ করবেন। লিপিবদ্ধ কার্যবিবরণীতে উপস্থিত প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী এবং তাদের নির্বাচনী এজেন্টেদের সই নিতে হবে।

    আগামী ৭ জানুয়ারি দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।

  • সশস্ত্র বাহিনীর অগ্রবর্তী টিমকে মাঠে নামতে বলল ইসি

    সশস্ত্র বাহিনীর অগ্রবর্তী টিমকে মাঠে নামতে বলল ইসি

    নির্বাচনের তথ্য ও উপাত্ত সংগ্রহের জন্য সশস্ত্র বাহিনীর অগ্রবর্তী টিমকে ভোটের মাঠে নেমে যেতে বলেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। সোমবার (১৮ ডিসেম্বর) ইসির নির্বাচন ব্যবস্থাপনা শাখার উপসচিব মো. আতিয়ার রহমান সশস্ত্র বাহিনীর প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসারকে (পিএসও) এ সংক্রান্ত চিঠি পাঠিয়েছেন।

    এর আগের সেনা মোতায়েন জন্য প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী হাবিবুল আউয়াল অনুরোধ জানালে রাষ্ট্রপতি এতে সম্মতি দেন।

    পিএসওকে লেখা চিঠিতে আতিয়ার রহমান উল্লেখ করেছেন, আগামী ৭ জানুয়ারি দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও শান্তিপূর্ণভাবে অনুষ্ঠান করার নিমিত্ত নির্বাচন কমিশন সম্ভব সব আইনানুগ ও প্রশাসনিক ব্যবস্থা নিয়েছে।

    নির্বাচনকালীন আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি সমুন্নত রাখার জন্য সার্বিক প্রস্তুতিও নেওয়া হয়েছে।

    ভোটগ্রহণের আগে, দিন ও ভোটগ্রহণের পরে শান্তি-শৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে স্থানীয় বেসামরিক প্রশাসনকে সহায়তা করার নিমিত্ত ইন এইড টু সিভিল পাওয়ারের আওতায় দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সমগ্র বাংলাদেশের ৩শ’টি নির্বাচনী এলাকায় ২৯ ডিসেম্বর থেকে ১০ জানুয়ারি পর্যন্ত (যাতায়াত সময়সহ) সশস্ত্র বাহিনী নিয়োজিত হবে মর্মে নির্বাচন কমিশন সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

    এলক্ষ্যে নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে আলোচনার পরিপ্রেক্ষিতে নির্বাচনের কয়েকদিন আগ থেকে নির্বাচনী এলাকার যোগাযোগ ব্যবস্থা, ভৌত অবকাঠামো এবং নির্বাচনী পরিবেশ পরিস্থিতির ওপর প্রাথমিক তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ করার নিমিত্ত প্রতি জেলায় সশস্ত্র বাহিনীর ছোট আকারের একটি করে অগ্রবর্তী টিম পাঠানো যেতে পারে।

    চিঠিতে আরও বলা হয়েছে, ফৌজদারি কার্যবিধি ও অন্যান্য আইনে বিধান অনুসারে এবং প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে জারি করা সংশ্লিষ্ট বিধান অনুযায়ী সশস্ত্র বাহিনী পরিচালিত হবে।

    মোতায়েনকৃত সশস্ত্র বাহিনী নির্বাচনী কাজে এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেটের পরামর্শে ফৌজদারি কার্যবিধি অনুযায়ী বেসামরিক প্রশাসনকে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় যেভাবে সহায়তা করবে:

    (ক) সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যরা প্রতিটি জেলা/উপজেলা/মেট্রোপলিটন এলাকার নোডাল পয়েন্ট এবং সুবিধাজনক স্থানে নিয়োজিত থাকবে।
    (খ) রিটার্নিং অফিসারের সঙ্গে সমন্বয় করে উপজেলা/থানায় সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের মোতায়েন করা হবে।
    (গ) সশস্ত্র বাহিনীর টিমের সঙ্গে এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োজিত করা হবে এবং আইন, বিধি ও পদ্ধতিগতভাবে কার্যক্রম গৃহীত হবে।
    (ঘ) সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং অফিসারের নির্দেশনা অনুসারে এলাকাভিত্তিক ডেভেলপমেন্ট প্ল্যান চূড়ান্ত করা হবে।
    (ঙ) ভোটগ্রহণের দিন, তার আগে ও পরে কার্যক্রম গ্রহণ ও মোতায়েনের সময়কালসহ বিস্তারিত পরিকল্পনা অবহিত করতে হবে।
    (চ) বাস্তবতা ও প্রয়োজনীয়তা অনুযায়ী রিটার্নিং অফিসার ও সহকারী রিটার্নিং অফিসারের অনুরোধক্রমে চাহিদামতো আইনানুগ অন্যান্য কার্যক্রম সম্পাদন করতে হবে।

    চিঠিতে আরও বলা হয়েছে, সেনা মোতায়েনের বিষয়ে পরবর্তীতে বিস্তারিত নির্দেশনা জারি করা হবে।

    সম্প্রতি অনুষ্ঠিত ইসির সঙ্গে বৈঠক শেষে পিএসও জানিয়েছিলেন, তারা ১৩ দিনের জন্য ভোটের দায়িত্ব পালন করবেন বলে প্রাথমিক আলোচনা হয়েছে। এক্ষেত্রে প্রয়োজনে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের চেয়েও অধিক সংখ্যক ফোর্স মোতায়েন করা হতে পারে।

  • ভোটের দিন সকালে কেন্দ্রে যাবে ব্যালট পেপার

    ভোটের দিন সকালে কেন্দ্রে যাবে ব্যালট পেপার

    দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনে ভোটগ্রহণের দিন সকালে কেন্দ্রে পৌঁছাবে ব্যালট পেপার।

    সোমবার (১৮ জানুয়ারি) এক পরিপত্রে এ তথ্য জানায় নির্বাচন কমিশন (ইসি)। বলা হয়, নির্বাচনী দ্রব্যাদি পরিবহন ও বিতরণে নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ এবং ভোটকেন্দ্রে ভোটগ্রহণের দিন সকালে ব্যালট পেপার প্রেরণ করা হবে।

    নির্বাচন কমিশন সচিবালয় থেকে জেলা পর্যায়ে ও জেলা পর্যায় থেকে উপজেলা পর্যায়ে এবং উপজেলা পর্যায় থেকে ভোটকেন্দ্রে ব্যালট পেপার, ব্যালট বাক্সসহ নির্বাচনী দ্রব্যাদি পরিবহন ও বিতরণের সময় পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।

    এতে আরও বলা হয়, এ লক্ষ্যে পুলিশ সুপারসহ সংশ্লিষ্ট আইনশৃঙ্খলা কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা ও সমন্বয় করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন। প্রয়োজন অনুসারে নির্বাচন কমিশন সচিবালয় হতে বিভাগ/আঞ্চলিক বা জেলা পর্যায়ে নির্বাচনী দ্রব্যাদি পরিবহনে বিশেষ নিরাপত্তা পরিকল্পনা গ্রহণ করতে হবে।

    বিভাগ/আঞ্চলিক পর্যায় হতে জেলা সভায় এবং জেলা পর্যায় হতে উপজেলা পর্যায়ে দ্রব্যাদি পরিবহন ও বিতরণে অনুরূপ নিরাপত্তা পরিকল্পনা গ্রহণ করতে হবে।

  • মির্জা ফখরুলের জামিন নিয়ে হাইকোর্টের রুল শুনানি ১৭ ডিসেম্বর নির্ধারণ

    মির্জা ফখরুলের জামিন নিয়ে হাইকোর্টের রুল শুনানি ১৭ ডিসেম্বর নির্ধারণ

    গত ২৮ অক্টোবর মহাসমাবেশ চলাকালে বিএনপি নেতাকর্মীদের সঙ্গে সংঘর্ষের সময় প্রধান বিচারপতির বাসভবনে হামলার ঘটনায় পুলিশের করা মামলায় বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে জামিন প্রশ্নে রুলের শুনানি আগামী রোববার (১৭ ডিসেম্বর) অনুষ্ঠিত হবে।

    বৃহস্পতিবার বিচারপতি মো. সেলিম ও বিচারপতি শাহেদ নূরউদ্দিনের হাইকোর্ট বেঞ্চ রুল শুনানির জন্য এ দিন ধার্য করেন।

    এর আগে গত ৭ ডিসেম্বর মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে কেন জামিন দেওয়া হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেন হাইকোর্ট। বিচারপতি মো. সেলিম ও বিচারপতি শাহেদ নূরউদ্দিনের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রুল জারি করেন। এক সপ্তাহের মধ্যে সরকারকে রুলের জবাব দিতে বলা হয়।

    আদালতে জামিন আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন সিনিয়র আইনজীবী জয়নুল আবেদীন। এসময় আদালতে মির্জা ফখরুলের পক্ষে আরো উপস্থিত ছিলেন অ্যাডভোকেট নিতাই রায় চৌধুরী, অ্যাডভোকেট ফজলুর রহমান খান, ব্যারিস্টার এ এম মাহবুব উদ্দিন খোকন, ব্যারিস্টার বদরুদ্দোজা বাদল, ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল, ব্যারিস্টার কায়সার, অ্যাডভোকেট গাজী কামরুল ইসলাম সজল ও অ্যাডভোকেট সগির হোসেন লিওন। অন্যদিকে, রাষ্ট্র পক্ষে শুনানি করেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল বি এম রাফেল।

    গত ৩ ডিসেম্বর এই মামলায় মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর হাইকোর্টে জামিন চেয়ে আবেদন করেন। তার আগে ২২ নভেম্বর তার জামিন নামঞ্জুর করেন নিম্ন আদালত। এছাড়া ২ নভেম্বর একই আদালতে জামিন আবেদন দাখিল করেন মির্জা ফখরুলের আইনজীবী অ্যাডভোকেট সৈয়দ জয়নুল আবেদীন মেজবাহ।

    ২৮ অক্টোবরের ওই ঘটনায় রমনা থানায় পুলিশ বাদী হয়ে করা মামলায় মির্জা ফখরুল ছাড়াও দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাসসহ ৫৯ নেতাকর্মীকে আসামি করা হয়।

    ফখরুল-আব্বাস ছাড়াও মামলার উল্লেখযোগ্য আসামিরা হলেন: বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, ভাইস চেয়ারম্যান বরকত উল্লাহ বুলু, আব্দুল আওয়াল মিন্টু, আহমেদ খান, অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদীন, নিতাই রায় চৌধুরী, শামসুজ্জামান দুদু, এয়ার ভাইস মার্শাল (অব.) আলতাফ হোসেন চৌধুরী, ব্যারিস্টার শাহজাহান ওমর, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির আহ্বায়ক আব্দুস সালাম, ভিপি জয়নাল, মহানগর উত্তর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়ক ফরহাদ হালিম ডোনার ও সদস্য সচিব আমিনুল হক।

  • রিজার্ভ এখন থেকে ভালো হবে : বাংলাদেশ ব্যাংক

    রিজার্ভ এখন থেকে ভালো হবে : বাংলাদেশ ব্যাংক

    আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) ঋণের দ্বিতীয় কিস্তি পাওয়ায় সন্তুষ্টি প্রকাশ করে‌ কেন্দ্রীয় ব্যাংক জানিয়েছে, এখন থেকে রিজার্ভ আর কমবে না।

    বুধবার (১৩ ডিসেম্বর) বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র নির্বাহী প‌রিচালক মো. মেজবাউল হক এক সংবাদ সম্মেলনে এ সন্তোষ প্রকাশ করেন।

    ‌তি‌নি বলেন, বাংলাদেশের জন্য প্রতিশ্রুত মোট ৪৭০ কোটি ডলার ঋণের মধ্যে দ্বিতীয় কিস্তি হিসেবে ৬৮ কোটি ৯৮ লাখ ডলার অনুমোদন ক‌রে‌ছে আইএমএফ। আগামী শুক্রবা‌রের মধ্যে এ অর্থ যোগ হ‌বে। এছাড়া এডিবি থেকে ৪০ কোটি ডলার, দক্ষিণ কোরিয়ার একটা ফান্ড থেকে ৯ কোটি ডলারসহ বিভিন্ন দাতা সংস্থা থেকে আরও ৬২ কো‌টি ডলার আস‌বে। সব মি‌লি‌য়ে এ মা‌সে রিজার্ভে যোগ হ‌বে ১৩১ কো‌টি ডলার (১.৩১ বিলিয়ন)।

    মুখপাত্র জানান, এখন গ্রস রিজার্ভ আ‌ছে ২ হাজার ৪৬৬ কোটি (২৪ দশমিক ৬৬ বিলিয়ন) ডলার। বিপিএম-৬ অনুযায়ী গ্রস রিজার্ভ এক হাজার ৯১৩ কোটি লাখ ডলার বা ১৯ দশমিক ১৩ বিলিয়ন।

    তিনি বলেন, এ মা‌সে রে‌মিট্যান্সসহ ডলার আসার প্রবাহ ইতিবাচক রয়েছে। স‌ঙ্গে দাতা সংস্থার ঋণ যোগ হ‌চ্ছে। কিছু খরচ হ‌বে, ত‌বে আ‌য়ের চে‌য়ে ব্যয় কম হ‌বে। তাই রিজার্ভ কমার কারণ নেই।‌ ডিসেম্বরে হিসাব করে বলা যা‌বে। ত‌বে জানুয়ারিতে আকুর পেমেন্ট আ‌ছে এক বিলিয়নের মতো। সব মি‌লি‌য়ে রিজার্ভ ভা‌লো হ‌বে বলা যায়।

    মঙ্গলবার ওয়াশিংটনে আইএমএফের প্রধান কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত সংস্থাটির নির্বাহী পর্ষদের বৈঠকে বাংলাদেশের জন্য ৪ দশমিক ৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলার ঋণের দ্বিতীয় কিস্তি অনুমোদন করা হয়।

  • বছরের প্রথম দিনেই উৎসব, সময় লাগবে সব বই পেতে

    বছরের প্রথম দিনেই উৎসব, সময় লাগবে সব বই পেতে

    নতুন বই ছাপানো নিয়ে এখনও লেজেগোবরে অবস্থায় জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি)। সঙ্গে জাতীয় নির্বাচনের তৎপরতা। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে হবে ভোটকেন্দ্র। নির্বাচনী কর্মকর্তার দায়িত্ব পালন করবেন শিক্ষকরা। এমন পরিস্থিতিতে প্রশ্ন উঠেছে, বছরের প্রথম দিনে এবার কি শিক্ষার্থীরা নতুন বই উৎসব থেকে বঞ্চিত হবে?

    সেই প্রশ্নের উত্তরে ২৬ নভেম্বর এক অনুষ্ঠানে শিক্ষামন্ত্রী জানান, নির্বাচনের কারণে বই উৎসবটা এবার ১০-১১ তারিখেও হতে পারে।

    এ নিয়ে শিক্ষার্থী, অভিভাবক, শিক্ষাবিদরা অসন্তুষ্টির সুরে প্রতিক্রিয়া জানান। এনসিটিবি, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাসহ সংশ্লিষ্টদের মধ্যে দেখা দেয় ‘অস্বস্তি’। তবে সব সংশয়-অস্বস্তি পেছনে ফেলে ১ জানুয়ারিই বই উৎসব করার পথে হাঁটছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়, পাঠ্যপুস্তক বোর্ডসহ সংশ্লিষ্টরা।

    জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ফরহাদুল ইসলাম বলেন, ‘বই লেখা, ছাপানো এবং উপজেলা পর্যায়ে সরবরাহ করাটা আমাদের কাজ। বই উৎসব কবে হবে, তা ঠিক করে সরকার। তবে অংশীজন হিসেবে মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে বিষয়টি নিয়ে আমাদের সবসময় যোগাযোগ থাকে, বৈঠক হয়। এ পর্যন্ত আমার কাছে যতটুকু তথ্য, তা হলো, প্রতি বছর ১ জানুয়ারি বই উৎসব হয়, এবারও সেটাই হবে বলেই জানি। এর ব্যতিক্রম কোনো সিদ্ধান্ত হয়েছে কি না, সেটা আমরা জানি না।’

    শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক-১ শাখার একজন উপসচিব বলেন, ‘এটা নিয়ে অস্পষ্টতা ছিল। বই ছাপানোও শেষ হয়নি বলে জানিয়েছিল পাঠ্যপুস্তক বোর্ড। তবে সরকারের উচ্চপর্যায়ের নির্দেশনায় ১ তারিখেই (জানুয়ারি) বই উৎসব করার প্রস্তুতি চলছে। বড় কোনো ঝামেলা না হলে বছরের প্রথম দিনে এটা শুরু হবে।’

    বই উৎসব ১ জানুয়ারি শুরু হলেও সব বই সেদিন পাবে না শিক্ষার্থীরা। এমনকি নবম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের হাতে কোনো বই নাও দেওয়া হতে পারে প্রথম দিন। অষ্টম ও নবম শ্রেণির শিক্ষার্থীরা ১০-১২ তারিখে বই পেতে পারে। তবে সবকিছুই নির্ভর করছে চলতি ডিসেম্বর মাসের বাকি ১৯ দিনে বই ছাপানোর কাজ কতটা গুছিয়ে উঠতে পারছে পাঠ্যপুস্তক বোর্ড।

    জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের (এনসিটিবি) কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলে এমন তথ্য জানা গেছে। এনসিটিবির কর্মকর্তারা জানান, জানুয়ারি মাসের মাঝামাঝি সময়ে হয়তো ক্লাস শুরু হতে পারে। ক্লাস শুরুর আগেই তারা ধাপে ধাপে শিক্ষার্থীদের হাতে বই পৌঁছে দিতে চান।

    এনসিটিবির সদস্য অধ্যাপক মো. মশিউজ্জামান বলেন, বই তো সব একদিনে হাতে তুলে দেওয়াটাও কঠিন। এটা নিয়ে অযাচিত সমালোচনা দেখি আমরা অনেক সময়। বিষয়টি বুঝতে হবে। কয়েকদিনের মধ্যেই কিন্তু সব শিক্ষার্থী শতভাগ বই পেয়ে যায়। শুধু সমালোচনা করার অবস্থা থেকে আমাদের বেরিয়ে আসা উচিত।

  • আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সারাদেশে ১৫৭ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন

    আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সারাদেশে ১৫৭ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন

    অনলাইন ডেস্ক ::: রাজনৈতিক দলগুলোর ডাকা অবরোধে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে সারাদেশে মোতায়েন করা হয়েছে ১৫৭ প্লাটুন বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)।

    বৃহস্পতিবার (৭ ডিসেম্বর) বিজিবির জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. শরীফুল ইসলাম এ তথ্য জানান।

    তিনি বলেন, ঢাকা ও আশপাশের জেলায় ২০ প্লাটুনসহ সারাদেশে ১৫৭ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন করা হয়েছে।

    এদিকে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে সারাদেশে র‌্যাবের ৪১৮টি টহল দল মোতায়েন রয়েছে। এর মধ্যে রাজধানী ঢাকায় র‌্যাবের ১২৬টি টহল দল রয়েছে।

    র‌্যাবের লিগ্যাল অ্যান্ড মিডিয়া উইংয়ের সিনিয়র সহকারী পরিচালক সিনিয়র এএসপি আ ন ম ইমরান খান এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, যাত্রী ও পণ্য পরিবহনে নিরাপত্তা প্রদানে দেশের বিভিন্ন স্থানে দূরপাল্লার গণপরিবহন ও পণ্যবাহী পরিবহনকে টহল দিয়ে নিরাপদে গন্তব্যস্থলে পৌঁছে দিচ্ছে র‌্যাব।

    র‌্যাবের এ কর্মকর্তা আরও জানান, নাশকতা ও সহিংসতা প্রতিরোধে বাসস্ট্যান্ড, রেলস্টেশনসহ গুরুত্বপূর্ণ স্থানগুলোতে র‌্যাবের গোয়েন্দারা নজরদারি অব্যাহত রেখেছে।

  • প্রাথমিকে সহকারী শিক্ষক নিয়োগের পরীক্ষা শুক্রবারই

    প্রাথমিকে সহকারী শিক্ষক নিয়োগের পরীক্ষা শুক্রবারই

    অনলাইন ডেস্ক ::: প্রাথমিকে সহকারী শিক্ষক নিয়োগের পরীক্ষা শুক্রবার (৮ ডিসেম্বর) হবে বলে জানিয়েছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। পরীক্ষা পেছানো হচ্ছে এমন তথ্যে বিভ্রান্ত না হওয়ার জন্য পরীক্ষার্থীদের অনুরোধ জানানো হয়েছে।

    বৃহস্পতিবার (৭ ডিসেম্বর) প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় সিনিয়র তথ্য অফিসার মাহবুবুর রহমান তুহিন জানান, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগ ২০২৩-এর ১ম গ্রুপের (রংপুর, বরিশাল ও সিলেট বিভাগ) আওতাধীন জেলাগুলোর লিখিত পরীক্ষা আগামীকাল ৮ ডিসেম্বর শুক্রবার সকাল ১০টা থেকে বেলা ১১টা পর্যন্ত জেলা পর্যায়ে অনুষ্ঠিত হবে।

    প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক শাহ রেজওয়ান হায়াত জানান, সুষ্ঠুভাবে পরীক্ষা অনুষ্ঠানের জন্য প্রয়োজনীয় সব প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। এ সংক্রান্ত সব ধরনের সামগ্রী এরইমধ্যে জেলায় পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে। প্রতিটি কেন্দ্রে ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগ, আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য মোতায়েনের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

    সুন্দর ও শান্তিপূর্ণভাবে পরীক্ষা সম্পাদনের জন্য তিনি সবার সহযোগিতা কামনা করেন।

    ৩ বিভগের ১৮টি জেলায় (রংপুর ৮+বরিশাল ৬ +সিলেট ৪) এবারের পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ৩ লাখ ৬০ হাজার ৬৯৭ জন, কেন্দ্রের সংখ্যা ৫৩৫টি, কক্ষের সংখ্যা ৮১৮৬টি।

    পরীক্ষা সংক্রান্ত জরুরি প্রয়োজনে সংশ্লিষ্টদের ০২৫৫০৭৪৯৬৯ নাম্বারে যোগাযোগের অনুরোধ জানানো হয়েছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে।