Category: জাতীয়

  • নির্বাচনে বাইরে থেকে থাবা বিস্তার করে রেখেছে: সিইসি

    নির্বাচনে বাইরে থেকে থাবা বিস্তার করে রেখেছে: সিইসি

    প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী হাবিবুল আউয়াল বলেছেন, নির্বাচনে আরেকটি দুঃখজনক বিষয় হয়েছে, যে বাইরে থেকে তারা থাবা বিস্তার করে রেখেছে। আমাদের অর্থনীতি, আমাদের ভবিষ্যৎ রক্ষা করতে হলে নির্বাচনকে ফ্রি, ফেয়ার এবং ক্রেডিবল করতে হবে।

    সোমবার (২৭ নভেম্বর) নির্বাচনী প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটে (ইটিআই) আয়োজিত সংসদ নির্বাচনের অনুসন্ধান কমিটির সদস্যদের (বিচারক) প্রশিক্ষণ কর্মসূচিতে তিনি এ মন্তব্য করেন।

    কাজী হাবিবুল আউয়াল বলেন, আমরা একটা ফ্রি, ফেয়ার এবং ক্রেডিবল ইলেকশন চাচ্ছি। আমাদের নির্বাচনে আরেকটি দুঃখজনক বিষয় হয়েছে যে, বাইরে থেকে তারা থাবা বিস্তার করে রেখেছে। আমাদের অর্থনীতি, আমাদের ভবিষ্যৎ, অনেক কিছুই রক্ষা করতে হলে এই নির্বাচনকে ফ্রি, ফেয়ার এবং ক্রেডিবল করতে হবে। আমরা আশ্বস্ত বোধ করছি, পৃথিবীর দুই-তিনটি দেশ ছাড়া আসলে কোনো দেশই সার্বভৌম নয়, এটা বললে অনেকে দুঃখ পাবেন। কিন্তু সার্বভৌম বিষয়টিও আপেক্ষিক।

    তিনি আরও বলেন, আমাকে বাঁচাতে হলে, আমার জনগণকে বাঁচাতে হলে, আমার গার্মেন্টসকে বাঁচাতে হলে জনগণের এবং বাইরের দাবিটা মানতে হবে। সেটি হচ্ছে যে বাংলাদেশের আসন্ন নির্বাচন ফ্রি, ফেয়ার এবং ক্রেডিবল হতে হবে এবং কোনো রকম কারচুপির আশ্রয় নেওয়া যাবে না।

    সিইসি বলেন, প্রশাসন, বিচার বিভাগ, পুলিশের ওপর নির্ভর করতে হচ্ছে। তাদের সহায়তা ছাড়া নির্বাচন কমিশন এককভাবে নির্বাচন করে না, করতে পারে না। সবার আন্তরিক ও সৎ সাহসিক সহায়তা আমাদের লাগবে। এ জন্য আমরা আশা করবো সবাই চোখ, কান খোলা রেখে সৎভাবে দায়িত্ব পালন করবেন।

    তিনি বিচার বিভাগীয় কর্মকর্তাদের উদ্দেশে আরও বলেন, আপনাদের দায়িত্ব রয়েছে। ২১ দিনের দিনের আগে প্রচারণা করতে পারবেন না। হয়তো সভা করতে পারবে। প্রচারের সময় ডাবল অ্যাটেনশন দিতে হবে। এর আগে যে কোনো রকম প্রচারণা করতে পারবেন না। ৩০০টি নির্বাচনী অনুসন্ধান কমিটি প্রথমবারের মতো করা হয়েছে। এতে প্রমাণ হয়েছে সত্যিকার অর্থে আমরা ভিজিল্যান্সটা চাচ্ছি। বিচারকরা যেভাবে সাহসী হয়ে ভিজিল্যান্স করতে পারবেন, অনেকে সেটা করতে পারবেন না। দেশের গণতন্ত্র রক্ষার্থে বুদ্ধি, প্রজ্ঞা, সাহসিকতা দিয়ে যতদূর পারেন সাহায্য করবেন।

    প্রধান নির্বাচন কমিশনার বলেন, নির্বাচন নিয়ে দেশ সংকটে আছে। বিশ্বাস-অবিশ্বাসের দোলাচলে আছে। এখান থেকে আমাদের বেরিয়ে আসতে হবে। সবাইকে সমভাবে দায়িত্বশীল হয়ে দায়িত্ব পালন করতে হবে।

    সিইসি আরও বলেন, আমরা দেখতে চাই ভোটাররা ভোটকেন্দ্রে আসছেন। ভোটারদের কেউ বাধা দিচ্ছে না। আমরা দেখতে চাই ভোটাররা লাইন ধরে দাঁড়িয়ে আছেন। লাইনটা যেন চলমান থাকে। ঘণ্টার পর ঘণ্টা যেন দাঁড়িয়ে না থাকে। তারপর তারা ভোট দিয়ে বের হয়ে আসছেন কি-না সেটা দেখতে চাই।

    অনুষ্ঠানে ১০৫ জন বিচার বিভাগীয় কর্মকর্তা, ইটিআই মহাপরিচালকসহ ইসির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

  • দুই বিভাগের ৬৯টি আসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী চূড়ান্ত: ওবায়দুল কাদের

    দুই বিভাগের ৬৯টি আসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী চূড়ান্ত: ওবায়দুল কাদের

    দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের জন্য দুই বিভাগের ৬৯টি আসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী চূড়ান্ত করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন দলটির সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।
    সংসদীয় মনোনয়ন বোর্ডের সভা শেষে কথা বলছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। ছবি: সময় সংবাদ

    বৃহস্পতিবার (২৩ নভেম্বর) দুপুর সোয়া দুইটার দিকে দলটির সংসদীয় মনোনয়ন বোর্ডের সভা শেষে তিনি এ কথা জানান।

    ওবায়দুল কাদের বলেন, বিভিন্ন বিষয় বিবেচনায় নিয়ে আওয়ামী লীগের মনোনয়নে এবার বেশ কয়েকজন বর্তমান সংসদ সদস্য বাদ পড়েছেন।

    তিনি বলেন, ২৫ নভেম্বরের আগেই দলীয় প্রার্থীদের নামের চূড়ান্ত তালিকা দেয়া হবে। একসাথে সব প্রার্থীর নাম অনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হবে। প্রার্থী বাছাইয়ে জনগণের কাছে গ্রহণযোগ্যতাকেই সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেয়া হয়েছে।

    রাজনীতির বাইরে কেউ আছেন কি না- এমন প্রশ্নে ওবায়দুল কাদের বলেন, আজকে যে সিদ্ধান্ত হয়েছে তাতে রাজনীতির বাইরে কেউ আসেনি।

    এর আগে, সকাল ১০টার দিকে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রার্থী চূড়ান্ত করতে তেজগাঁওয়ে ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগের কার্যালয়ে দলটির সংসদীয় মনোনয়ন বোর্ডের সভা শুরু হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ হাসিনা।

    প্রায় চার ঘণ্টাব্যাপী এ বৈঠকে রংপুর ও রাজশাহী বিভাগের ৬৯টি আসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী চূড়ান্ত করা হয়েছে। পরে ধাপে ধাপে বাকি বিভাগগুলোর প্রার্থী চূড়ান্ত করা হবে। টানা তিন দিন এই বৈঠক চলবে। শেষ হবে শনিবার (২৫ নভেম্বর)।

  • সারাদেশে ২৩২ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন

    সারাদেশে ২৩২ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন

    অনলাইন ডেস্ক ::: বিএনপি ও সমমনা রাজনৈতিক দলের অবরোধ কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে সারাদেশে ২৩২ প্লাটুন বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) মোতায়েন করা হয়েছে। এরমধ্যে ঢাকা ও আশপাশের জেলায় মোতায়েন করা হয়েছে ২৮ প্লাটুন বিজিবি।

    বুধবার (২২ নভেম্বর) সকালে বিজিবির জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. শরীফুল ইসলাম এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

    তিনি জানান, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ঢাকা ও আশপাশের জেলায় ২৮ প্লাটুনসহ সারাদেশে ২৩২ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন করা হয়েছে।

    এদিকে গত ২৮ অক্টোবর থেকে ২০ নভেম্বর পর্যন্ত ২৪ দিনে বিএনপি-জামায়াতসহ সমমনা দলগুলোর হরতাল-অবরোধ ও সমাবেশকে কেন্দ্র করে সারাদেশে ১৯৭টি যানবাহন ও স্থাপনায় অগ্নিসংযোগের তথ্য পেয়েছে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স। এসময়ে গড়ে প্রতিদিন প্রায় সাতটি যানবাহনে অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেছে। এর মধ্যে গড়ে প্রতিদিন প্রায় পাঁচটি করে বাসে আগুন দিয়েছে দুর্বৃত্তরা।

    ঢাকা সিটি করপোরেশনের অগ্নিসংযোগের ঘটনা বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন এলাকায় সবচেয়ে বেশি অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেছে। ঢাকা দক্ষিণ সিটিতে ৬০টি, ঢাকা উত্তর সিটিতে ৩৫টি আগুনের ঘটনা ঘটে।

  • টিসিবির জন্য ১০ লাখ লিটার তেল কিনবে সরকার

    টিসিবির জন্য ১০ লাখ লিটার তেল কিনবে সরকার

    ট্রেডিং কর্পোরেশন অব বাংলাদেশের (টিসিবি) জন্য ১৪৩ কোটি ১৮ লাখ ৫৯ হাজার টাকায় ১ কোটি ১০ লাখ লিটার সয়াবিন তেল কেনার অনুমোদন দিয়েছে সরকার।

    বুধবার (২২ নভেম্বর) অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামালের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত ৩৯তম সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকে এ প্রস্তাবের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

    বৈঠক শেষে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব সাঈদ মাহবুব খান বাংলানিউজকে জানান, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অধীন ট্রেডিং কর্পোরেশন অব বাংলাদেশ (টিসিবি) কর্তৃক আন্তর্জাতিকভাবে উন্মুক্ত দরপত্র পদ্ধতিতে ১ কোটি ১০ লাখ লিটার সয়াবিন তেল কেনার অনুমোদন দিয়েছে সরকার। ভারতের গ্রিন ন্যাশন বিল্ডার্স অ্যান্ড ডেভেলপারসের কাছ থেকে কেনা হবে। এতে প্রতি লিটার ১৫৪.৯৬ টাকা দরে মোট ১৪৩ কোটি ১৮ লাখ ৫৯ হাজার টাকা ব্যয় হবে।

    এর আগে গত ১৫ নভেম্বর বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের আরেক প্রস্তাবের প্রেক্ষিতে টিসিবি কর্তৃক ২০২৩-২০২৪ অর্থবছরে স্থানীয়ভাবে উন্মুক্ত দরপত্র পদ্ধতিতে ৫০ লাখ লিটার সয়াবিন তেল সিটি এডিবল অয়েল লিমিটেড থেকে ৭৭ কোটি ১৪ লাখ ৫০ হাজার টাকায় কেনার প্রস্তাব অনুমোদন দেওয়া হয়।

    এছাড়াও বুধবারের বৈঠকে ঢাকা বিভাগের অধীন সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তর কর্তৃক ‘আরিচা (বরঙ্গাইল)-ঘিওর-দৌলতপুর-নাগরপুর-টাঙ্গাইল আঞ্চলিক মহাসড়ক যথাযথমান ও প্রশস্ততায় উন্নীতকরণ’ প্রকল্পের প্যাকেজ নং-WP-02 এর পূর্ত কাজ ন্যাশনাল ডেভেলপমেন্ট ইঞ্জিনিয়ার্স লিমিটেডের কাছ থেকে ১১২ কোটি ৮১ লাখ ৯০ হাজার ৭৯২ টাকায় ক্রয়ের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

  • তফসিল পেছানোর সুযোগ আছে: ইসি আনিছুর

    তফসিল পেছানোর সুযোগ আছে: ইসি আনিছুর

    নির্বাচনের তফসিল পেছানোর সুযোগ আছে বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার (ইসি) আনিছুর রহমান। বুধবার (২২ নভেম্বর) দুপুরে কুমিল্লা সার্কিট হাউজে কুমিল্লা, চাঁদপুর ও ব্রাহ্মণবাড়িয়ার তিন জেলা প্রশাসক, রিটার্নিং কর্মকর্তা ও পুলিশ সুপারসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনী এবং নির্বাচন কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় শেষে সাংবাদিকদের তিনি একথা বলেন।

    ইসি আনিছুর রহমান বলেন, ‘নির্বাচনে কে আসলো কে আসলো না, এটা আমাদের বিষয় নয়। কাউকে নির্বাচনে আনা আমাদের দায়িত্বও নয়। যথারীতি আমরা চিঠি দিয়েছি। (তবে সংশ্লিষ্ট দলগুলো) নির্বাচনে আসতে চাচ্ছে। আমরা বিভিন্ন মাধ্যমে শুনছি এমন কথা। যদি তারা পর্দার অন্তরালে আলাপ-আলোচনা বা জোটবদ্ধ হন তাহলে বিষয়টি (তফসিল) পেছানোর সুযোগ আছে।’

    তিনি আরও বলেন, ‘নির্বাচন নির্বাচনের গতিতে হবে। নির্বাচনে কত পার্সেন্ট (শতাংশ) ভোট পড়লো সেটা বিষয় নয়। সংবিধানে লেখা নেই কত পার্সেন্ট ভোট কাস্ট হতে হবে। তবে সময়মতো নির্বাচন না হলে সংবিধানে একটা শূন্যতা তৈরি হবে। তাই সময়মতো নির্বাচন হবে।’

    আনিছুর রহমান বলেন, ‘বাংলাদেশে সবসময়ই নির্বাচন উৎসবমুখর হয়। তবে সেটি বেশি হয় স্থানীয় সরকার নির্বাচনে। আমরা আগে থেকে আহ্বান করে যাচ্ছি নির্বাচনে সবাই আসুক। নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করা যাবে না।’

    কুমিল্লা জেলা প্রশাসক মুশফিকুর রহমানের সভাপতিত্বে মতবিনিময় সভায় উপস্থিত ছিলেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা প্রশাসক শাহগীর আলম, চাঁদপুর জেলা প্রশাসক কামরুল হাসান, কুমিল্লা জেলা পুলিশ সুপার আব্দুল মান্নান, ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা পুলিশ সুপার মোহাম্মাদ শাখাওয়াত হোসেন ও চাঁদপুর জেলা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম।

  • মির্জা ফখরুলের জামিন নামঞ্জুর

    মির্জা ফখরুলের জামিন নামঞ্জুর

    প্রধান বিচারপতির বাসায় হামলার ঘটনায় রমনা থানার মামলায় বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের জামিন নামঞ্জুর করেছেন আদালত।

    বুধবার (২২ নভেম্বর) দুপুরে ঢাকার মহানগর দায়রা জজ আদালতের ভারপ্রাপ্ত বিচারক ফয়সল আতিক বিন কাদের এ আদেশ দেন।

    এদিন আসামিপক্ষে ঢাকা আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি মাসুদ আহমেদ তালুকদারসহ শুনানি করেন। রাষ্ট্রপক্ষে মহানগর পাবলিক প্রসিকিউটর আব্দুল্লাহ আবু জামিনের বিরোধিতা করেন। শুনানি শেষে আদালত এ আদেশ দেন।

    এর আগে ২ নভেম্বর ঢাকার মহানগর দায়রা জজ আদালতে ফখরুলের পক্ষে জামিন আবেদন করেন তার আইনজীবী সৈয়দ জয়নুল আবেদীন মেজবাহ। ওইদিনই আদালত শুনানির জন্য ২০ নভেম্বর দিন ধার্য করেন।

    তবে ২০ নভেম্বর ঢাকার মহানগর পাবলিক প্রসিকিউটর আব্দুল্লাহ আবু অসুস্থ জানিয়ে সময় আবেদন করে রাষ্ট্রপক্ষ। সেই আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে জামিন শুনানির তারিখ পিছিয়ে ২২ নভেম্বর দিন ধার্য করেন আদালত। ২৯ অক্টোবর ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট শফি উদ্দিনের আদালত তার জামিন নামঞ্জুর করে আদেশ দেন। ওই আদেশের বিরুদ্ধে ফৌজদারি বিবিধ মামলা দায়ের করে জামিন আবেদন করা হয়।

    এর আগে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে ২৯ অক্টোবর সকাল সাড়ে ৯টার দিকে গুলশানের বাসা থেকে আটক করে নিয়ে যায় গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। ফখরুলের স্ত্রী রাহাত আরা বেগম বলেন, গোয়েন্দা পুলিশের একটি দল বাসায় এসে সিসি ক্যামেরার ডিভাইস নিয়ে যায়। তার ১০ মিনিট পর বাসায় গিয়ে মির্জা ফখরুলকে আটক করে গোয়েন্দা কার্যালয়ে নিয়ে যায়।

    ওইদিনই রাত ৮টার দিকে তাকে আদালতে হাজির করে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করে গোয়েন্দা পুলিশ। অপরদিকে তার পক্ষে জামিন আবেদন করা হয়। শুনানি শেষে বিচারক জামিন নামঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

    শেখ হাসিনার পদত্যাগ ও তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে জাতীয় নির্বাচনের দাবিতে ২৮ অক্টোবর সমাবেশ ডাকে বিএনপি ও সমমনা দলগুলো। বিএনপি নয়াপল্টনে কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে সমাবেশে পুলিশের সঙ্গে ব্যাপক সংঘর্ষ হয়। পরদিন হরতালের ডাক দেয় বিএনপি। অপরদিকে বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের দক্ষিণ গেটে শান্তি উন্নয়ন ও সমাবেশ করে।

    একইদিন তত্ত্বাবধায়ক সরকার প্রতিষ্ঠা ও দলের আমির ডা. শফিকুর রহমানসহ অন্য নেতাকর্মীদের মুক্তির দাবিতে মতিঝিলের আরামবাগ এলাকায় সমাবেশ করে উচ্চ আদালতের আদেশে নিবন্ধন হারানো জামায়াতে ইসলামী। তারাও এ হরতাল পালন করে।

  • মানুষকে পুড়িয়ে মেরে কিছু অর্জন করা যায় না: প্রধানমন্ত্রী

    মানুষকে পুড়িয়ে মেরে কিছু অর্জন করা যায় না: প্রধানমন্ত্রী

    সাম্প্রতিক সময়ের অগ্নিসন্ত্রাসের ঘটনার প্রসঙ্গ টেনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, মানুষকে পুড়িয়ে মেরে কিছু অর্জন করা যায় না, জনগণের কল্যাণ করে অর্জন করা যায়। জনগণই মূল শক্তি। যারা এগুলো করছে তাদের চেতনার ফিরে আসুক- এটাই আশা করি।

    আজ মঙ্গলবার (২১ নভেম্বর) সশস্ত্র বাহিনী দিবস উপলক্ষ্যে ঢাকা সেনানিবাসে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

    শেখ হাসিনা বলেন, সরকারে আসার পর থেকেই আমার প্রচেষ্টা ছিল দলমত নির্বিশেষে যারা মুক্তিযুদ্ধ করেছে, তাদের সম্মানিত করা। তাদের ভাতা দেওয়া। তারা যেন গর্বের সঙ্গে বলতে পারে আমরা মুক্তিযোদ্ধা। ভাতার টাকাগুলো সরাসরি অ্যাকাউন্টে চলে যায়। এ ছাড়াও চিকিৎসা ভাতা, শিক্ষার্থীদের বৃত্তি দিচ্ছি। তিন কোটিরও বেশি শিক্ষার্থী উপবৃত্তি পায়। এর বাইরেও আমরা মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য ভাতার ব্যবস্থা করেছি।

    সরকারপ্রধান বলেন, আমাদের লক্ষ্যটাই হচ্ছে- এদেশে কোনো ভূমিহীন-গৃহহীন থাকবে না। আমরা ভূমিহীনদের ঘর, মুক্তিযোদ্ধাদের বীর নিবাস করে দিচ্ছি। মুক্তিযোদ্ধাদের স্মৃতিবিজড়িত স্থানগুলোকে স্মরণীয় করে রাখতে চেষ্টা করে যাচ্ছি। সবাইকে মনে রাখতে হবে মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে আমরা বিজয় অর্জন করেছি। যে কাজই করি না কেন, আমাদের মনে রাখতে হবে আমরা বীরের জাতি।

  • নভেম্বরের প্রথম ১৭ দিনেই এসেছে ১১৮ কোটি ৭৭ লাখ ডলার রেমিট্যান্স

    নভেম্বরের প্রথম ১৭ দিনেই এসেছে ১১৮ কোটি ৭৭ লাখ ডলার রেমিট্যান্স

    অক্টোবরের পর চলতি মাসেও হাওয়া লেগেছে রেমিট্যান্সের পালে। মূলত দ্বিগুণ প্রণোদনা ঘোষণায় আবারও সচল হয়েছে দেশের রেমিট্যান্সের চাকা। নভেম্বরের প্রথম ১৭ দিনেই এসেছে ১১৮ কোটি ৭৭ লাখ ডলার রেমিট্যান্স। এ হিসাবে প্রতিদিন রেমিট্যান্স এসেছে গড়ে ৬ কোটি ৯৯ লাখ ডলার।
    রোববার (১৯ নভেম্বর) বাংলাদেশ ব্যাংকের হালনাগাদ এই তথ্য পাওয়া গেছে।

    কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য বলছে, চলতি নভেম্বরে বাড়ছে রেমিট্যান্সের গতি। প্রথম ১৭ দিনেই ১১৮ কোটি ৭৭ লাখ মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স দেশে এসেছে। আর গত অক্টোবরের প্রথম ২০ দিনে রেমিট্যান্স এসেছিল ১২৪ কোটি ৯৯ লাখ (দৈনিক ৬ কোটি ২৫ লাখ) মার্কিন ডলার। এছাড়া সেপ্টেম্বরের ২২ দিনে এসেছিল ১০৫ কোটি (দৈনিক ৪ কোটি ৭৭ লাখ) মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স।

    এর আগে ২২ অক্টোবর থেকে বৈধ চ্যানেলে ব্যাংকের মাধ্যমে প্রবাসী আয় দেশে পাঠালে প্রতি ১০০ টাকায় প্রণোদনার সঙ্গে প্রবাসীদের বাড়তি আরও আড়াই শতাংশ বেশি অর্থ প্রদানের নির্দেশনা কার্যকর করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, সরকারের দেয়া আড়াই শতাংশ প্রণোদনার পাশাপাশি অতিরিক্ত আরও আড়াই শতাংশ অর্থ বেশি দিয়ে রেমিট্যান্স কিনতে পারবে ব্যাংকগুলো।

    নভেম্বরের প্রথম ১৭ দিনে রাষ্ট্র মালিকানাধীন ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে এসেছে ৭ কোটি ৮৫ লাখ ২০ হাজার ডলার। এছাড়া বিশেষায়িত ব্যাংকের মাধ্যমে ৩ কোটি ৫১ লাখ ৭০ হাজার ডলার, বেসরকারি ব্যাংকের মাধ্যমে ১০৭ কোটি ৪ লাখ ১০ হাজার ডলার ও বিদেশি খাতের ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে এসেছে ৩৬ লাখ ডলার।

    আর নভেম্বরের ১১ থেকে ১৭ তারিখ পর্যন্ত দেশে রেমিট্যান্স এসেছে ৩৯ কোটি ৩৩ লাখ মার্কিন ডলার। এছাড়া ৪ থেকে ১০ নভেম্বর এসেছে ৫৮ কোটি ৮৮ লাখ ৪০ হাজার ডলার রেমিট্যান্স। আর ১ থেকে ৩ তারিখের মধ্যে দেশে রেমিট্যান্স এসেছে ২০ কোটি ৫৫ লাখ ৬০ হাজার ডলার।

    এদিকে সদ্যবিদায়ী অক্টোবর মাসে দেশে রেমিট্যান্স এসেছে ১৯৭ কোটি ৭৫ লাখ ৬০ হাজার মার্কিন ডলার। সবচেয়ে বেশি রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন ঢাকা বিভাগের প্রবাসীরা। ঢাকায় রেমিট্যান্স এসেছে ৯৩ কোটি ৮৬ লাখ ডলার। এ ছাড়া অক্টোবরে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রেমিট্যান্স এসেছে চট্টগ্রাম বিভাগে।

    চট্টগ্রামে প্রবাসীরা রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন ৫৮ কেটি ৮৭ লাখ ডলার। সিলেট বিভাগে ২২ কোটি ১১ লাখ ডলার, খুলনা বিভাগে ৮ কোটি ৪২ লাখ ডলার, রাজশাহী বিভাগে ৬ কোটি ৬ লাখ ডলার, বরিশাল বিভাগে ৫ কোটি ১২ লাখ ডলার, ময়মনসিংহ বিভাগে ৩ কোটি ৮১ লাখ ডলার ও রংপুর বিভাগে ২ কোটি ৫১ লাখ ডলার রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন প্রবাসীরা।

    এদিকে অক্টোবরে রাষ্ট্র মালিকানাধীন ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে দেশে রেমিট্যান্স এসেছে ১৫ কোটি ৪৪ লাখ ৭০ হাজার মার্কিন ডলার। আর বিশেষায়িত ব্যাংকের মাধ্যমে ৫ কোটি ৮২ লাখ মার্কিন ডলার, বেসরকারি ব্যাংকের মাধ্যমে ১৭৫ কোটি ৮৮ লাখ ৬০ হাজার ডলার ও বিদেশি খাতের ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে এসেছে ৬০ লাখ ৩০ হাজার ডলার

  • দ্বিতীয় দিনের প্রথম ৩ ঘণ্টায় আওয়ামী লীগের ৬০৫টি মনোনয়ন ফরম বিক্রি

    দ্বিতীয় দিনের প্রথম ৩ ঘণ্টায় আওয়ামী লীগের ৬০৫টি মনোনয়ন ফরম বিক্রি

    আগামী দ্বাদশ জাতীয় নির্বাচন উপলক্ষে দ্বিতীয় দিনের প্রথম ৩ ঘণ্টায় ৬০৫টি মনোনয়ন ফরম বিক্রি হয়েছে। আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক বিপ্লব বড়ুয়া বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

    রোববার (১৯ নভেম্বর) সকাল ১০টায় ২৩ বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউয়ে আওয়ামী লীগের কার্যালয়ে দ্বিতীয় দিনের মনোনয়ন ফরম বিক্রি ও জামা দেওয়ার কাজ শুরু হয়।

    বিপ্লব বড়ুয়া জানান, সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত মোট ৬০৫টি মনোনয়ন ফরম বিক্রি হয়েছে। এর মধ্যে ঢাকা বিভাগে ১৪৫টি, চট্রগ্রাম বিভাগে ১০৭টি, ময়মনসিংহ বিভাগে ৫২টি, সিলেট বিভাগে ২৪টি, খুলনা বিভাগে ৮৫টি, বরিশাল বিভাগে ৫২টি, রাজশাহী বিভাগ ৭৮টি, রংপুর বিভাগে ৬২টি মনোয়ন ফরম বিক্রি হয়েছে।

    এর আগে শনিবার ১০৭৪ টি মনোনয়ন ফরম বিক্রি হয়। এতে ৫ কোটি ৩৭ লাখ টাকা আয় হয় আওয়ামী লীগের। আগামী ২১ নভেম্বর পর্যন্ত এ কার্যক্রম চলবে।

  • যুক্তরাজ্য-জার্মানির বাজারকে ছাড়িয়ে যেতে কাজ করছি: প্রধানমন্ত্রী

    যুক্তরাজ্য-জার্মানির বাজারকে ছাড়িয়ে যেতে কাজ করছি: প্রধানমন্ত্রী

    ২০৩০ সালের মধ্যে যুক্তরাজ্য-জার্মানি এবং বর্তমান উচ্চ-প্রবৃদ্ধির ভিয়েতনাম বা থাইল্যান্ডের বাজারকে ছাড়িয়ে যেতে আওয়ামী লীগ সরকার কাজ করছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

    রোববার (১৯ নভেম্বর) রাজধানীর হোটেল র‌্যাডিসনে ফরেন ইনভেস্টরস চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (ফিকি) ৬০ বছর পূর্তি উদযাপন অনুষ্ঠান ও ইনভেস্টমেন্ট এক্সপো ২০২৩-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

    প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, বাংলাদেশ ২০৩০ সালের মধ্যে নবম বৃহত্তম ভোক্তা বাজারে পরিণত হবে বলে আমাদের ধারণা। তখন যুক্তরাজ্য এবং জার্মানির মতো প্রতিষ্ঠিত বাজারগুলোকে এবং বর্তমান উচ্চ-প্রবৃদ্ধির ভিয়েতনাম বা থাইল্যান্ডকেও বাংলাদেশ যেন ছাড়িয়ে যেতে পারে সে লক্ষ্য নিয়েই কিন্তু আমরা কাজ করে যাচ্ছি। সেই প্রচেষ্টাই আমাদের রয়েছে।

    তিনি বলেন, আমাদের বিশাল জনসংখ্যা আছে। সেটাকে আমরা সবচেয়ে বেশি কাজে লাগাবো। তাদের দক্ষ জনশক্তি হিসেবে আমরা গড়ে তুলছি।

    টানা তিন মেয়াদে সরকারের বিভিন্ন উন্নয়নের কথা তুলে ধরে শেখ হাসিনা বলেন, বিগত ১৫ বছরে বাংলাদেশকে বিশ্বের দ্রুততম বর্ধনশীল অর্থনীতির দেশগুলোর একটিতে পরিণত করেছি। বাংলাদেশ এখন বিশ্বের ৩৫তম বৃহত্তম অর্থনীতির দেশ।

    তিনি বলেন, শক্তিশালী সামষ্টিক অর্থনৈতিক মৌলিক বিষয়সমূহ ও বাণিজ্য সংহতকরণের ফলে আমাদের জিডিপি প্রবৃদ্ধির হার ৭.২৫ শতাংশে উন্নীত হয়েছে। আমাদের মাথাপিছু আয় মাত্র এক দশকে তিনগুণ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২ হাজার ৭৯৩ মার্কিন ডলারে। জিডিপির আকার ২০০৬ সালের ৪ লক্ষ কোটি টাকা থেকে বেড়ে ৫০.৩১ লক্ষ কোটি টাকায় উন্নীত হয়েছে। এই সময়ের মধ্যে দারিদ্র্যের হার প্রায় ৩ গুণ কমে ১৮.৭ শতাংশে দাঁড়িয়েছে।

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, তার সরকারের বিচক্ষণ সামষ্টিক অর্থনৈতিক ব্যবস্থাপনা, অর্থনৈতিক উদারীকরণ এবং বাণিজ্য সংহতকরণের ওপর ভিত্তি করে আজকের এই টেকসই অর্থনীতি ও উচ্চ প্রবৃদ্ধি অর্জিত হয়েছে। বাংলাদেশ ২০২১ সালে উন্নয়নশীল দেশ হওয়ার যোগ্যতা অর্জন করেছে।

    ২০৩৭ সালের মধ্যে বাংলাদেশ বিশ্বের ২০তম বৃহত্তম অর্থনীতির দেশ হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

    সারা দেশে ১০০টি বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল, ৩৯টি হাই-টেক পার্ক বিদেশি বিনিয়োগের জন্য উন্মুক্ত রাখা হয়েছে জানিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, কর মওকুফ, রেমিট্যান্স রয়্যালটি, প্রস্থান নীতি, লভ্যাংশ এবং মূলধন সম্পূর্ণ প্রত্যাবর্তন, আইন দ্বারা বিদেশি বিনিয়োগ সুরক্ষাসহ বিনিয়োগ নীতিকে আরও সহজ করার জন্য অব্যাহতভাবে কাজ করে যাচ্ছি।

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমাদের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি, কাঠামোগত উন্নয়ন কর্মসূচি, বিনিয়োগবান্ধব নীতি, বৃহৎ অভ্যন্তরীণ বাজার, কৌশলগত অবস্থান, উচ্চ মুনাফা, কর্মক্ষম জনগোষ্ঠীসহ বিভিন্ন সুবিধার কারণে বাংলাদেশ বিশ্বের অনেক দেশের কাছে বিনিয়োগ, শিল্পায়ন এবং রপ্তানির জন্য একটি আকর্ষণীয় গন্তব্যে পরিণত হয়েছে।

    তিনি বলেন, ব্যাপকহারে টেকসই অবকাঠামো নির্মাণ করেছি। এগুলোর মধ্যে রয়েছে এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে, নদীর তলদেশে টানেল, গভীর সমুদ্র বন্দর এবং গণপরিবহন ব্যবস্থার সম্প্রসারণ। পদ্মা বহুমুখী সেতু, পদ্মা সেতুর রেল লাইন সংযোগ, মেট্রোরেল, কর্ণফুলী নদীর ওপর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান টানেল ও বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট আমাদের সামর্থ্যের বহিঃপ্রকাশ।

    ২০২৫ সালের মধ্যে শুধু লজিস্টিকস খাতই ৯০ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের বাজারে পরিণত হবে আশা প্রকাশ করে তিনি বলেন, বাংলাদেশে এখন জ্বালানি, পানি, লজিস্টিকস এবং পরিবহন খাতে ৩৫০ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের অবকাঠামো গড়ার সুযোগ রয়েছে।

    ২০৩১ সালের মধ্যে জিডিপিতে বেসরকারি বিনিয়োগের অনুপাত ৩১ দশমিক ৪৩ শতাংশে উন্নীত করার পরিকল্পনার কথা জানান সরকারপ্রধান।