Category: জাতীয়

  • দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ অধিদপ্তরের সহকারী প্রকৌশলী মবিনের নামে দুদকে দুর্নীতির অভিযোগ

    দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ অধিদপ্তরের সহকারী প্রকৌশলী মবিনের নামে দুদকে দুর্নীতির অভিযোগ

    দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ অধিদপ্তরের সহকারী প্রকৌশলী মবিনুর রহমান মুরাদের বিরুদ্ধে অনিয়ম, দুর্নীতি ও টেন্ডার বাণিজ্য করে কোটি কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদক) এ সংক্রান্ত একটি লিখিত অভিযোগ জমা পড়েছে।

    অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, মবিনুর রহমান পিআইও সমিতি’র সভাপতি হওয়ায় সারা দেশের পিআইওদের অর্থের বিণিময়ে বদলি ও সিন্ডিকেট গড়ে তুলেছে। তার পছন্দের মনোনিত ঠিকাদার টেন্ডারে কাজ না পেলে অন্য ঠিকাদার দিয়ে বিভিন্নভাবে ভয় ভীতি প্রর্দশন করে কাজ বিক্রি করতে বাধ্য করায়। সহকারী প্রকৌশলী হয়েও ওই অধিদপ্তরের টেন্ডারের নিয়ন্ত্রণ তার হাতে। অধিদপ্তরের সহকারী প্রকৌশলী হয়েও প্রকল্পের নির্মাণ কাজের প্রতিটি বিল থেকে ৩শতাংশ কমিশন নিয়ে থাকেন। কমিশন ছাড়া কোন কাজের ছাড়পত্র দেয়না।

    অভিযোগে আরো বলা হয়, ৪৫ হাজার টাকা বেতনে চাকুরী করে উত্তরার ১৪ নং সেকটরে ১৯ নং রোডে ৩৮ নং বাড়ীতে ১২৩০ স্কায়ার ফিটের একটি ফ্লাট। ১২ নং সেকটরের ১ নং রোডের ৬৪ নং হাউজে একটি ফ্লাট। ২ টি বিলাশবহুল গাড়ী যার ১টি নোহা হাইব্রিড গাড়ী যার নম্বর ঢাকা মেট্রো-চ-১৬২৭০১। এছাড়াও লঙ্কা বাংলা ক্রেডিট কার্ডে প্রতি মাসে এক থেকে দেড় লাখ টাকা বিল দেন। এছাড়া স্ত্রী ও ছেলে-মেয়ের নামে এলিকোতে কোটি টাকার ইন্সুইরেন্স। তার ছেলে-মেয়ে উত্তরার মাইলস্টোনে পড়ে। এছাড়া
    নিজ এলাকায় নামে বেনামে বিপুল পরিমাণ সম্পদের মালিক।
    অভিযোগ সূত্রে আরো জানা যায়, তার স্ত্রীর নামে ময়মনসিংহ শহরে রয়েছে প্রায় ৪৭ শতাক জমি। যার দাম কয়েক কোটি টাকা।

    এছাড়া তিনি উত্তরার ডায়নামিক ক্লাবের সদস্য। অভিযোগ আছে, তিনি ওই ক্লাবে প্রায়ই মদ ও নারী নিয়ে অনন্দে মেতে ওঠেন।
    অভিযোগে বলা হয়েছে, কৃষক বাবার সন্তান হলেও এলাকার বিভিন্ন সভা সমাবেশে তিনি অর্থ ব্যায় করেন। এজন্য এলাকায় তিনি ‘দানবীর’ নামে পরিচিত।

    অভিযোগের বিষয়ে জানতে মবিনুর রহমান মুরাদের ফোন বন্ধ পাওয়া গেছে।

  • বঙ্গবন্ধুর সমাধিতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার শ্রদ্ধা

    বঙ্গবন্ধুর সমাধিতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার শ্রদ্ধা

    গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সমাধিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

    মঙ্গলবার (১০ অক্টোবর) বিকেল ৫টা ১০ মিনিটে জাতির পিতার সমাধি সৌধের বেদিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান।

    পরে বঙ্গবন্ধু ও ১৯৭৫ এর ১৫ আগস্ট তার পরিবারের শহীদ সদস্যদের রুহের মাগফিরাত কামনা করে সুরা ফাতেহা পাঠ ও মোনাজাতে অংশ নেন বঙ্গবন্ধুর জ্যেষ্ঠ কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

    এসময় প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে তার ছোট বোন শেখ রেহানা,শেখ হেলাল উদ্দিন-এমপি,শেখ জুয়েল এমপি, বঙ্গবন্ধু’র ভাগ্নে বরিশাল সিটি কর্পোরেশন বিসিসি’র নবনির্বাচিত মেয়র আবুল খায়ের আব্দুল্লাহ (খোকন সেরনিয়াবাত) ও তার সহধর্মিণী লুনা আব্দুল্লাহসহ পরিবারের সদস্যবৃন্দ এবং কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

    এর আগে প্রধানমন্ত্রী সড়ক পথে ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলার ডা. কাজী আবু ইউসুফ স্টেডিয়ামে ফরিদপুর আওয়ামী লীগ আয়োজিত জনসভা শেষ করে টুঙ্গিপাড়া পৌঁছান। পদ্মা সেতুর রেল সংযোগ প্রকল্পের ঢাকা-ভাঙ্গা অংশ উদ্বোধনের পর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ট্রেনে করে ভাঙ্গায় যান।
    ঢাকা-ভাঙ্গা অংশের রেল চলাচল উদ্বোধন উপলক্ষে এ জনসভার আয়োজন করা হয়।

    টুঙ্গিপাড়া পৌরসভার মেয়র শেখ তোজাম্মেল হক টুটুল বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও তার পরিবারের অন্যান্য সদস্য মঙ্গলবার টুঙ্গিপাড়ায় রাত্রিযাপন করবেন।

    বুধবার সকালে তারা সড়ক পথে ঢাকায় ফিরবেন।
    এদিকে প্রধানমন্ত্রীর আগমন ও রাত্রিযাপন উপলক্ষে টুঙ্গিপাড়াসহ পুরো জেলার নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানিয়ে মুকসুদপুর থেকে টুঙ্গিপাড়া পর্যন্ত নির্মাণ করা হয়েছে বেশ কিছু তোরণ।

  • আগামীকাল থেকে ২২ দিন বন্ধ থাকবে ইলিশ ধরা

    আগামীকাল থেকে ২২ দিন বন্ধ থাকবে ইলিশ ধরা

    মা ইলিশ রক্ষায় আবারও নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে সরকার। আগামীকাল বুধবার (১১ অক্টোবর) মধ্যরাত থেকে ২২ দিনের জন্য নদী ও সাগরে সব ধরনের মাছ শিকার বন্ধ থাকবে। নিষেধাজ্ঞার কারণে সাগর ও নদী থেকে ট্রলার নিয়ে উপকূলে ফিরতে শুরু করেছেন জেলেরা। ইতিমধ্যে শত শত ট্রলার ভিড়ছে দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম মৎস্য অবতরণ কেন্দ্র বরগুনার পাথরঘাটার বিএফডিসি ঘাটে।

    আশ্বিনের পূর্ণিমা ইলিশ প্রজননের প্রধান মৌসুম। এ সময় সমুদ্র থেকে ডিম ছাড়ার জন্য মিঠা পানির নদ-নদীতে চলে আসে মা ইলিশ। আর এই ডিম ছাড়া নির্বিঘ্ন করতে ২২ দিনের ইলিশ ধরায় নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে সরকার।

    জেলেরা জানান, আষাঢ় থেকে আশ্বিন চার মাস ইলিশ শিকারের প্রধান মৌসুম। কিন্তু এর মধ্যে ৬৫ দিন নিষেধাজ্ঞা ছিল। নিষেধাজ্ঞা শেষ হতেই বৈরী আবহাওয়ার কারণে ইলিশ শিকার করতে না পারা ও নদ-নদীতে পর্যাপ্ত ইলিশ না থাকায় লোকসানের মুখে পড়েছেন জেলে ও ট্রলার মালিকেরা।

    জেলেরা আরও জানান, নিষেধাজ্ঞার সময় বরগুনা উপকূলের প্রায় দেড় লাখ জেলে বেকার হয়ে পড়বেন। তাই পরিবার চালাতে সরকারের কাছে খাদ্য ও নগদ অর্থ সহায়তার দাবি জানিয়েছেন তাঁরা।

    গত ২০ সেপ্টেম্বর ইলিশ সম্পদ উন্নয়ন-সংক্রান্ত জাতীয় টাস্কফোর্স কমিটির সভায় ২২ দিনের নিষেধাজ্ঞার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এ সময় দেশব্যাপী ইলিশ পরিবহন, বেচা-কেনা, মজুত ও বিনিময়ও নিষিদ্ধ থাকবে এবং একই সঙ্গে মা ইলিশ সংরক্ষণ অভিযান বাস্তবায়ন করা হবে।

    নিষিদ্ধ থাকাকালে ইলিশ আহরণে বিরত থাকা জেলেদের সরকার ভিজিএফ খাদ্য সহায়তা দেবে বলেও ইলিশ সম্পদ উন্নয়ন-সংক্রান্ত জাতীয় টাস্কফোর্স কমিটির সভায় সিদ্ধান্ত হয়েছে। ইলিশ সম্পদ সংরক্ষণে আইন অমান্যকারী কমপক্ষে ১ থেকে সর্বোচ্চ ২ বছর সশ্রম কারাদণ্ড অথবা পাঁচ হাজার টাকা পর্যন্ত জরিমানা অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হবেন।

    বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট চাঁদপুরের ঊর্ধ্বতন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মোহাম্মদ আশরাফুল আলম জানান, সম্প্রতি ঢাকা-চট্টগ্রাম-বরিশাল বিভাগের ইলিশের বিভিন্ন অভয়াশ্রমে গবেষণা করা হয়েছে। তথ্য উপাত্ত সংগ্রহ করে এ গবেষণায় নদী ও সমুদ্রে বিচরণরত ইলিশের মধ্যে ৭০ থেকে ৮০ শতাংশ ইলিশ ডিম ছাড়ার উপযুক্ত হয়েছে বলে তথ্যে উঠে এসেছে।

    চলতি বছরে বড় আকৃতির মা ইলিশের সংখ্যাই বেশি। তাই প্রজনন মৌসুম নির্বিঘ্ন করা গেলে ইলিশ উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা অর্জন সম্ভব বলে জানিয়েছেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিশারিজ বিভাগের গবেষক বিপ্লব কুমার সরকার। ইলিশের উৎপাদন বাড়াতে প্রতিটি ইলিশকে তার জীবনচক্রে একবার ডিম ছাড়ার সুযোগ করে দেওয়ার তাগিদ এ গবেষকদের।

    জেলেরা জানান, বেশ কয়েক বছর ধরে নদ-নদীতে তেমন মাছের দেখা মিলছে না। গবেষকেরা যতই গবেষণা করুক যদি নদ নদী থেকে ট্রলিং বোট, অবৈধ নিষিদ্ধ জাল, ঘোফ, বেহুন্দি, চরগড়া বন্ধসহ নেট জাল সাগরে ফেলা শতভাগ নিষিদ্ধ না করে তাহলে ইলিশসহ যাবতীয় মাছের বংশ ধ্বংস হয়ে যাবে। এতে আর্থিক সংকটে পড়বে দেশ।

    বরগুনা জেলা মৎস্যজীবী ট্রলার মালিক সমিতির সভাপতি গোলাম মোস্তফা চৌধুরী বলেন, ‘মা ইলিশ রক্ষায় উপকূলের জেলেরা শতভাগ নিষেধাজ্ঞা বাস্তবায়নের জন্য প্রস্তুত। তবে এই সময়ে যেন ভারতের ট্রলার বাংলাদেশের জল সীমায় প্রবেশ করে মাছ শিকার না করে সেদিকে খেয়াল রাখতে সরকারের কাছে দাবি জানাই।

    জেলা মৎস্য কর্মকর্তা বিশ্বজিৎ কুমার দে বলেন, ‘সাগর ও নদীতে এ ২২ দিন কোনো জেলেকে মাছ শিকার করতে দেওয়া হবে না। ইলিশের প্রধান প্রজনন মৌসুম সফল করতে আমরা কঠোর অবস্থানে রয়েছি।

    সম্প্রতি ভারত কারাগার থেকে মুক্তি পাওয়া পাথরঘাটার জেলেদের সহায়তা প্রদান কালে জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম বলেন ২২ দিনের নিষেধাজ্ঞা সফল করতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে প্রস্তুত রাখা হয়েছে। এ ছাড়াও টাস্কফোর্স গঠন করা হয়েছে। এরা নির্দেশনা অনুযায়ী সমন্বিত অভিযান পরিচালনা করবে। এ ছাড়া নিষেধাজ্ঞার সুফল সম্পর্কে জেলেদের সঙ্গে মতবিনিময় করা হবে।

  • বাংলাদেশ আওয়ামী মুক্তিযোদ্ধা প্রজন্মলীগ’র প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে নানা কর্মসূচি ঘোষনা

    বাংলাদেশ আওয়ামী মুক্তিযোদ্ধা প্রজন্মলীগ’র প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে নানা কর্মসূচি ঘোষনা

    নিজস্ব প্রতিবেদকঃ বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ রাজনৈতিক দল বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সহযোগী সংগঠন বাংলাদেশ আওয়ামী মুক্তিযোদ্ধা প্রজন্মলীগ এর ১৬ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে ১৮ ই সেপ্টেম্বর নানা কর্মসূচি ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। বৃহত্তর সংগঠন টি সভাপতি অ্যাডভোকেট আসাদুজ্জামান দুর্জয় এক বিবৃতিতে কর্মসূচির কথা নিশ্চিত করেন।

    কর্মসূচিগুলো হলো সকাল ৭ টায় ২৩ বঙ্গবন্ধু এভিনিউ কার্যালয়ে জাতীয় পতাকা ও দলীয় পতাকা উত্তোলন, বঙ্গবন্ধুর ভাষণ প্রচার ও দলীয় সংগীত পরিবেশন। সকাল ৮ টায় ধানমন্ডি ৩২ নং এ জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা নিবেদন। সকাল দশটায় বঙ্গবন্ধু ২৩ এভিনিউ থেকে প্রেসক্লাব পর্যন্ত বর্ণাঢ্য র‍্যালী। সকাল ১০ঃ৩০ এ জাতীয় প্রেসক্লাবে আলোচনা সভা।

    এ সময় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন সাবেক মন্ত্রী ও বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভাপতি মন্ডলী সদস্য অ্যাডভোকেট কামরুল ইসলাম এমপি, প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত থাকবেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহাবুব উল আলম হানিফ এমপি, সভাপতিত্ব করবেন বাংলাদেশ আওয়ামী মুক্তিযুদ্ধ প্রজন্ম লীগের সভাপতি অ্যাডভোকেট আসাদুজ্জামান দুর্জয়। এছাড়াও উপস্থিত থাকবেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ সহ অন্যান্য অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীরা

  • ডেঙ্গুতে ১৫ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ২৯৪৪

    ডেঙ্গুতে ১৫ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ২৯৪৪

    ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ১৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে সারাদেশে আরও দুই হাজার ৯৪৪ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।

    বুধবার (১৩ সেপ্টেম্বর) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোলরুম থেকে পাঠানো ডেঙ্গুবিষয়ক এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

    এতে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় সারা দেশে দুই হাজার ৯৪৪ জন ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।

    এর মধ্যে ঢাকাতে ৮২৩ জন এবং সারা দেশে (ঢাকা সিটি ব্যতীত) দুই হাজার ১২১ জন ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। গত ২৪ ঘণ্টায় সারাদেশে মোট দুই হাজার ৯৫৬ ডেঙ্গুরোগী হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন।

    এর মধ্যে ঢাকায় বিভিন্ন হাসপাতাল থেকে ৯০২ জন এবং সারাদেশের (ঢাকায় ব্যতীত) বিভিন্ন হাসপাতালে থেকে দুই হাজার ৫৪ জন ছাড়পত্র পেয়েছেন।
    বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে ১৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। এরমধ্যে ছয় জন ঢাকাতে এবং নয় জন সারা দেশে (ঢাকা সিটি ব্যতীত) মারা যান।

    এ বছর ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে মোট ৭৬৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে ঢাকাতে ৫৩৭ জন এবং সারাদেশে (ঢাকা সিটি ব্যতীত) ২৩০ জন মারা যান।

    চলতি বছরের ১৩ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত মোট ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়েছেন মোট এক লাখ ৫৭ হাজার ১৭২ জন। এর মধ্যে ঢাকাতে ৬৯ হাজার ৭৬০ জন ও সারা দেশে (ঢাকা সিটি ব্যতীত) ৮৭ হাজার ৪১২ জন ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়েছেন।

    চলতি বছরে এ পর্যন্ত মোট এক লাখ ৪৬ হাজার ৪১৭ ডেঙ্গুরোগী হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন। এর মধ্যে ঢাকার বিভিন্ন হাসপাতাল থেকে ৬৫ হাজার ৮৬ জন এবং সারা দেশের (ঢাকা সিটি ব্যতীত) বিভিন্ন হাসপাতাল ৮১ হাজার ৩৩১ জন ছাড়পত্র পেয়েছেন।

    বর্তমানে সারাদেশে মোট ৯ হাজার ৯৮৮ ডেঙ্গুরোগী হাসপাতালে ভর্তি আছেন। ঢাকাতে চার হাজার ১৩৭ জন এবং সারা দেশে (ঢাকা সিটি ব্যতীত) পাঁচ হাজার ৮৫১ রোগী হাসপাতালে ভর্তি আছেন।

    এতে আরও বলা হয়, চলতি বছরে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পাওয়ার হার শতকরা ৯৩ শতাংশ। হাসপাতালে ভর্তি থাকার হার ৬ শতাংশ এবং মৃত্যুর হার শূন্য দশমিক পাঁচ শতাংশ।

    গত বছরের ১ জানুয়ারি থেকে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি রোগীর সংখ্যা সর্বমোট ৬২ হাজার ৩৮২ জন এবং ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে মোট ২৮১ জন মারা যান।

  • এডিসি হারুন সাময়িক বরখাস্ত

    এডিসি হারুন সাময়িক বরখাস্ত

    শাহবাগ থানায় কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের দুই নেতাকে মারধরের ঘটনায় ডিএমপির রমনা বিভাগ থেকে প্রত্যাহার হওয়া অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (এডিসি) হারুন অর রশিদকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।

    সোমবার (১১ সেপ্টেম্বর) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগ থেকে এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে। রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে প্রজ্ঞাপনে সই করেন সিনিয়র সচিব মো. মোস্তাফিজুর রহমান।

    প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়, ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (এডিসি) হারুন অর রশিদকে জনস্বার্থে সরকারি কর্ম থেকে বিরত রাখা আবশ্যক ও সমীচীন।

    হারুন অর রশিদকে সরকারি চাকরি আইন, ২০১৮ (২০১৮ সালের ৫৭ নং আইন) এর ৩৯ (১) ধারার বিধান মোতাবেক ১১/৯/২০২৩ তারিখ থেকে সরকারি চাকরি থেকে সাময়িক বরখাস্ত করা হলো।

    সাময়িক বরখাস্তকালীন তিনি পুলিশ অধিদপ্তরে সংযুক্ত থাকবেন এবং বিধি অনুযায়ী খোরপোষ ভাতা প্রাপ্য হবেন। জনস্বার্থে এ আদেশ জারি করা হলো।

    এদিকে সোমবার ডিএমপি কার্যালয়ে ডিএমপি কমিশনার খন্দকার গোলাম ফারুকের সঙ্গে বৈঠক করেন ছাত্রলীগ সভাপতি সাদ্দাম হোসেন। বৈঠক শেষে তিনি সংবাদিকদের বলেন, দুই নেতাকে মারধরের ঘটনায় হারুন অর রশিদসহ অভিযুক্ত পুলিশ সদস্যদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করবে না ছাত্রলীগ। এ ঘটনায় ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) বিভাগীয় তদন্তের প্রতি আস্থা রাখতে চায় সংগঠনটি।

    গত শনিবার (৯ সেপ্টেম্বর) রাতে শাহবাগ থানায় কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের দুই নেতাকে নির্যাতন করেন এডিসি হারুন। তারা হলেন- ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির বিজ্ঞান বিষয়ক সম্পাদক ও ঢাবির শহীদুল্লাহ হলের সাধারণ সম্পাদক শরীফ আহমেদ মুনিম এবং কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক ও ফজলুল হক হলের সভাপতি আনোয়ার হোসেন নাঈম।

    ওই ঘটনায় রোববার (১০ সেপ্টেম্বর) তাকে প্রথমে প্রত্যাহার করা হয়। পরে এপিবিএন-এ বদলি করা হয়।

  • ১০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে কলেজ নিশ্চায়ন না করলে ফল বাতিল

    ১০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে কলেজ নিশ্চায়ন না করলে ফল বাতিল

    একাদশ শ্রেণিতে ভর্তিতে প্রথম ধাপে কলেজ পাওয়া শিক্ষার্থীদের ‘প্রাথমিক নিশ্চায়ন’ প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে আজ। বৃহস্পতিবার (৭ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০টা থেকে অনলাইনে এ নিশ্চায়ন করতে পারছেন শিক্ষার্থীরা। ৩৩৫ টাকা ফি পরিশোধ করে এ নিশ্চায়ন সম্পন্ন করতে হবে।

    আগামী ১০ সেপ্টেম্বর রাত ১২টার মধ্যে নিশ্চায়ন না করলে প্রথম ধাপে কলেজ পাওয়া শিক্ষার্থীদের নির্বাচন বাতিল বলে বিবেচিত হবে। সেক্ষেত্রে তাদের আবার দ্বিতীয় ধাপে নতুন করে আবেদন করতে হবে।

    মঙ্গলবার (৫ সেপ্টেম্বর) রাতে একাদশে ভর্তিতে প্রথম ধাপের ফল প্রকাশ করা হয়। এ ধাপে ১২ লাখ ৬১ হাজার ৭৯৭ জন পরীক্ষার্থী নির্বাচিত হয়েছেন। অন্যদিকে আবেদন করেও কলেজ পাননি ৪৫ হাজার ১৮৩ জন।

    অনেকে পছন্দের কলেজ পাননি। এজন্য তারা প্রাথমিক নিশ্চায়ন নিয়ে ধোঁয়াশার মধ্যে রয়েছেন। তবে আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির কর্মকর্তারা বলছেন, পছন্দের কলেজ না পেলেও শিক্ষার্থীদের প্রথম ধাপে নিশ্চায়ন করতে হবে।

    তারা জানান, কারও হয়তো প্রথম পছন্দ ছিল ঢাকা কলেজ, কিন্তু তৃতীয় পছন্দ দেওয়া ছিল অন্য একটি কলেজ। ফলাফলের ভিত্তিতে কলেজ দেওয়ায় শিক্ষার্থীদের হয়তো দুই-তিন নম্বরে দেওয়া পছন্দের কলেজ পেয়েছেন।

    যারা এমন প্রথমদিকের পছন্দের কলেজ পাননি, তাদেরও এখন নিশ্চায়ন করে মাইগ্রেশনের জন্য অপেক্ষা করতে হবে। যদি কেউ নিশ্চায়ন না করেন, তবে তার মাইগ্রেশনের অপশন বন্ধ হয়ে যাবে। তাকে নতুন করে আবেদন করতে হবে। এতে তৃতীয় যে কলেজ পেয়েছিল সেটিও পরে নাও পেতে পারেন। এতে তাকে দুই কূলই হারাতে হবে।

    দ্বিতীয়-তৃতীয় ধাপে আবেদন

    এদিকে, একাদশে ভর্তিতে দ্বিতীয় ধাপের আবেদন গ্রহণ করা হবে ১২-১৪ সেপ্টেম্বর। দ্বিতীয় ধাপের ফল প্রকাশ করা হবে ১৬ সেপ্টেম্বর। প্রথম মাইগ্রেশনের ফলও প্রকাশ করা হবে ১৬ সেপ্টেম্বর।

    এরপর ১৭ ও ১৮ সেপ্টেম্বর নির্বাচন নিশ্চায়নের সুযোগ পাবেন দ্বিতীয় ধাপে নির্বাচিতরা। আর ২০ ও ২১ সেপ্টেম্বর তৃতীয় পর্যায়ের আবেদন নিয়ে ২৩ সেপ্টেম্বর ফল প্রকাশ করা হবে।

    আগামী ২৪ ও ২৫ সেপ্টেম্বর তৃতীয় ধাপের নির্বাচন নিশ্চায়ন চলবে। আর ২৬ সেপ্টেম্বর থেকে শুরু হয়ে ৫ অক্টোবর পর্যন্ত শিক্ষার্থীদের ভর্তি চলবে। ক্লাস শুরু হবে ৮ অক্টোবর।

    গত ২৮ এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হয়। এতে পাস করেন ১৬ লাখ ৪১ হাজার শিক্ষার্থী। এছাড়া ফল পুনর্নিরীক্ষণের আবেদন করে প্রায় আড়াই হাজার শিক্ষার্থী পাস করেছেন।

    অন্যদিকে সারাদেশে একাদশ শ্রেণিতে আসন রয়েছে প্রায় ২৬ লাখ। সব বোর্ড মিলিয়ে পাস করেছেন প্রায় সাড়ে ১৬ লাখ শিক্ষার্থী। সেই হিসাবে সাড়ে ৯ লাখেরও বেশি আসন খালি পড়ে থাকবে। তবে পছন্দের কলেজ পাওয়া থেকে বঞ্চিত হবেন অনেক শিক্ষার্থী।

  • সেতু নির্মাণে ভুল নকশা, প্রধানমন্ত্রীর ক্ষোভ

    সেতু নির্মাণে ভুল নকশা, প্রধানমন্ত্রীর ক্ষোভ

    সেতু নির্মাণে ভুল নকশা হওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় নড়াইল-কালিয়া জেলা মহাসড়কের ২১ কিলোমিটারে কালিয়া নামক স্থানে নবগঙ্গা নদীর ওপর কালিয়া সেতু নির্মাণ প্রকল্পটি অনুমোদনের সময় তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করেন।

    মঙ্গলবার (৫ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের এনইসি সম্মেলন কক্ষে একনেক সভাটি অনুষ্ঠিত হয়। একনেক চেয়ারপারসন ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে ১৭টি প্রকল্প অনুমোদন দেওয়া হয়। সভা শেষে পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান ও পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী ড. শামসুল আলম সংবাদ সম্মেলনে বিস্তারিত জানান।

    প্রধানমন্ত্রীর অনুশাসন তুলে ধরে পরিকল্পনামন্ত্রী বলেন, নড়াইলে কালিয়া সেতুতে কিছু কাজ করার পর দেখা গেল আমাদের ভুল হয়েছে। যার মধ্যে দিয়ে নৌকা পার হওয়া যায় না। এটার কারণে প্রধানমন্ত্রী বিরক্ত প্রকাশ করেছেন, এটা সবাই করবে, আমিও করতাম। আসলে এতো এতো কোটি টাকার কাজ হলো ডিজাইন করবো, কনসালটেন্ট আছে, ফিজিবিলিটি আছে, সিনিয়ররা আছেন। তারপরও দেখা যায় এর হাইট কম, যান চলাচল করতে হলে এর হাইট বাড়াতে হবে। জনগণের টাকা গেল, সময় গেল এজন্য তিনি বিরক্ত প্রকাশ করেছেন এবং বলেছেন আগামীতে আরও সাবধান হবেন। ভবিষ্যতে যেকোনো প্রকল্পের নকশা নির্ভুলভাবে তৈরির নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।

    এছাড়া সড়ক বা যেকোনো প্রকল্পের জন্য ভূমি অধিগ্রহণের ক্ষেত্রে আগেভাগেই ওই এলাকার ছবি তুলে রাখার নির্দেশ দিয়েছেন। প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, যে স্থান অধিগ্রহণ করা হবে সেখানে যাতে কেউ হঠাৎ করে বাড়ি, ঘর, বাস বা টিন দিয়ে কিছু নির্মাণ করতে না পারে। এর মাধ্যমে বাড়তি টাকা যাতে কেউ নিতে না পারে। এ ছাড়া সোলার প্যানেল তৈরির ক্ষেত্রে সঠিক উচ্চতা রাখারও নির্দেশ দিয়েছেন তিনি। কারণ, সেখানে নিচে যাতে প্রচুর আলো-বাতাস চলাচল করতে পারে। প্যানেলের নিচে যাতে ফসল চাষ করা যেতে পারে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

    মন্ত্রী বলেন, এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে উদ্বোধন করায় একনেকের পক্ষ থেকে প্রধানমন্ত্রীকে অভিনন্দন ও ধন্যবাদ জানিয়েছি। এসময় অন্যান্য বাকি কাজ যথাসময়ে শেষ করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।

  • পদ্মা সেতুতে ট্রেন চলবে ১০ অক্টোবর

    পদ্মা সেতুতে ট্রেন চলবে ১০ অক্টোবর

    পদ্মা সেতু হয়ে ঢাকা থেকে ফরিদপুরের ভাঙ্গায় ট্রেন যাবে আগামী অক্টোবরে। পরীক্ষামূলকভাবে ট্রেন চলাচল শুরু হবে ৭ সেপ্টেম্বর।

    ১০ অক্টোবর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নতুন এই রেলপথের উদ্বোধন করবেন। রেলমন্ত্রী নূরুল ইসলাম সুজন সোমবার (৪ সেপ্টেম্বর) বিষয়টি গণমাধ্যমকে জানান। তিনি বলেন, পদ্মা সেতু হয়ে রেলপথ উদ্বোধনের বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সময় দিয়েছেন। সেদিন একটি সুধী সমাবেশও অনুষ্ঠিত হবে।

    পদ্মা সেতু রেল সংযোগ প্রকল্পের মাধ্যমে ঢাকা থেকে যশোর পর্যন্ত প্রায় ১৭২ কিলোমিটার দীর্ঘ নতুন রেলপথ নির্মাণ করছে বাংলাদেশ রেলওয়ে। এর মধ্যে ঢাকা থেকে ভাঙ্গা পর্যন্ত প্রায় ৮২ কিলোমিটার রেলপথ চালু হচ্ছে। আগামী বছর জুনে যশোর পর্যন্ত রেল চালুর লক্ষ্য ঠিক করেছে সরকার।

    প্রধানমন্ত্রীর উদ্বোধনের এক সপ্তাহ পর থেকে বাণিজ্যিকভাবে ট্রেন চলাচল শুরু হতে পারে। শুরুতে একটি ট্রেন পরিচালনা করা হবে। প্রকল্প কার্যালয় থেকে ঢাকা-পদ্মা সেতু-রাজবাড়ী রুটে ট্রেন চালানোর প্রস্তাব করা হয়েছে।

    অন্যদিকে রাজশাহী থেকে ঢাকা পর্যন্ত একটি ট্রেন চালানোর প্রস্তাব রয়েছে। মধুমতি এক্সপ্রেস ট্রেনটি ভাঙ্গা পর্যন্ত আসে। এই ট্রেন ঢাকা পর্যন্ত আনা হতে পারে। পদ্মা সেতু রেল লিংক প্রকল্পের অধীনে চীন থেকে ১০০ নতুন কোচও কেনা হয়েছে। নতুন কোচ দিয়েই ট্রেন চালু করা হবে।

    রেলের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, উদ্বোধনের সময় সব স্টেশন এবং পুরো সংকেত ব্যবস্থা হয়তো চালু করা যাবে না। শুরুতে তিনটি স্টেশনে ট্রেন থামার ব্যবস্থা থাকবে। স্টেশনগুলো হচ্ছে মাওয়া, পদ্মা (জাজিরা) ও শিবচর। মুন্সীগঞ্জের নিমতলা স্টেশনটিও চালুর চেষ্টা চলছে।

    প্রকল্পের অগ্রগতিসংক্রান্ত প্রতিবেদন অনুসারে, আগস্ট পর্যন্ত প্রকল্পের কাজের অগ্রগতি হয়েছে ৮২ শতাংশ। ঢাকা থেকে পদ্মা সেতু হয়ে যশোর পর্যন্ত রেললাইন বসানো এবং স্টেশন ও অন্য অবকাঠামো নির্মাণের জন্য আলাদা প্রকল্প নেয় রেলওয়ে। জিটুজি পদ্ধতিতে এ প্রকল্পে অর্থায়ন করছে চীন। প্রকল্পের মেয়াদ ২০২৪ সালের জুন পর্যন্ত। রেল সংযোগের জন্য ব্যয় ধরা হয়েছে ৩৯ হাজার ২৪৭ কোটি টাকা।

    ট্রান্স এশিয়ান রেলওয়ের নেটওয়ার্কের সঙ্গে যুক্ত হবে ঢাকা-যশোর পর্যন্ত পদ্মা সেতু রেল লিংক রুটটি। এ রুট পেট্রাপোল সীমান্ত দিয়ে ভারতের সাথে যুক্ত হচ্ছে।

    পদ্মা সেতু রেল সংযোগ প্রকল্প বাস্তবায়নে এখন পর্যন্ত ব্যয় হচ্ছে ৩৯ হাজার ২৪৬ কোটি টাকা। এ প্রকল্পের মাধ্যমে ঢাকা থেকে পদ্মা সেতু হয়ে নতুন চার জেলা (মুন্সীগঞ্জ, শরীয়তপুর, মাদারীপুর ও নড়াইল) অতিক্রম করে যশোরের সঙ্গে রেল যোগাযোগ স্থাপিত হবে। ২০২৪ সালের জুনে প্রকল্পটি শেষ হওয়ার কথা রয়েছে।

    একই সঙ্গে বিদ্যমান ভাঙ্গা-রাজবাড়ী থেকে কুষ্টিয়া রেলপথ ব্যবহার করতে পারবে ফরিদপুরসহ পার্শ্ববর্তী অঞ্চলের মানুষ। ফলে কম খরচেই পণ্য ও যাত্রী চলাচল করতে পারবে ঢাকার সঙ্গে।

  • প্রবাসীদের পেশাগত ভুয়া সনদ, জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

    অনেকেই পেশাগত ভুয়া সনদ নিয়ে বাংলাদেশ থেকে বিদেশে যাচ্ছেন। এসব ভুয়া সনদ দেওয়ার সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

    সোমবার (৪ সেপ্টেম্বর) মন্ত্রিসভা বৈঠকে এ নির্দেশনা দেন প্রধানমন্ত্রী। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে মন্ত্রিসভা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

    মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, আমাদের কাছে অভিযোগ আসছে যারা বিদেশে যাচ্ছেন অনেকেই ভুয়া সার্টিফিকেট নিয়ে যাচ্ছেন। অনেকেই ভুয়া চিকিৎসক ইঞ্জিনিয়ার- এ ধরনের সার্টিফিকেট নিয়ে যাচ্ছেন।

    তিনি বলেন, ‘কীভাবে তারা এ ভুয়া সার্টিফিকেট নেয়। এ ভুয়া সার্টিফিকেটসহ তারা যায়, তারা তাদের এ কাজে সহযোগিতা করে। যারা এ কাজটা করে তাদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে নির্দেশনা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় তাদের সহযোগিতা করবে।’

    কেমন সংখ্যক এমন ভুয়া সনদ নিয়েছেন- জানতে চাইলে মাহবুব হোসেন বলেন, ‘সংখ্যাটা নিয়ে আলোচনা হয়নি। অভিযোগ করা হয় যে এমন পাওয়া যাচ্ছে। দেখা গেল একটা ভুয়া সার্টিফিকেট দিয়ে বিদেশে গেছে এবং ওই দেশে গিয়ে সে ধরা পড়েছে। তখন একটা বিব্রতকর অবস্থা তৈরি হয়ে যায়। ওখানে তারা একটা অস্বস্তির মধ্যে পড়ে যায়। এখন এ বিষয়টাকে শক্ত হাতে হ্যান্ডেল করার জন্য বলা হয়েছে।’