Category: জাতীয়

  • সবার সঙ্গে সুসম্পর্ক রাখবে বাংলাদেশ: প্রধানমন্ত্রী

    সবার সঙ্গে সুসম্পর্ক রাখবে বাংলাদেশ: প্রধানমন্ত্রী

    সব দেশের সঙ্গে বাংলাদেশের সুসম্পর্ক আছে জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আমরা সবার সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক রাখব। রোববার (৩ সেপ্টেম্বর) নৌপ্রধানের সচিবালয় গ্যালাক্সিতে নৌবাহিনী ও বিমান বাহিনী নির্বাচনী পর্ষদ-২০২৩ এর সভায় তিনি এ কথা বলেন।

    প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, আমরা কারো সঙ্গে যুদ্ধ করব না, সবার সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক রাখব। এটি কিন্তু আমরা রাখতে পেরেছ। পৃথিবীর কোনো দেশ এটি পারে কি না, আমি জানি না। আমাদের সঙ্গে কিন্তু প্রতিটি দেশের একটি সুসম্পর্ক আছে।

    সব দেশের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক রাখার কৌশল সম্পর্কে অনেকে প্রশ্ন করেন জানিয়ে সরকারপ্রধান বলেন, তারা জানতে চায়, আমরা এটি কীভাবে করি। আমি বলি, এটি আমাদের ওপর নির্ভর করে। আমরা যে নীতিতে বিশ্বাস করি, জাতির পিতা যে নীতি (বাংলাদেশের পররাষ্ট্র নীতি) দিয়ে গেছেন, সে নীতি নিয়ে আমরা চলি বলে সবার সঙ্গে আমাদের সমানভাবে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক।

    শেখ হাসিনা বলেন, আমাদের লক্ষ্য, দেশের মানুষের আর্থসামাজিক উন্নতি, তাদের যেন কোনো কষ্ট না হয় সেটা দেখা, সেটা আমরা দেখি।

    সার্বভৌমত্ব রক্ষায় সংশ্লিষ্ট প্রতিটি প্রতিষ্ঠানকে শক্তিশালী করে গড়ে তোলা হবে জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশকে আমরা এগিয়ে নিয়ে যেতে চাই। বাংলাদেশ যত এগিয়ে যাবে, সেই সঙ্গে আমাদের স্বাধীনতা সার্বভৌমত্ব রক্ষায় প্রতিটি প্রতিষ্ঠানকে আরও শক্তিশালী করে এগিয়ে নিতে পারব।

    সশস্ত্র বাহিনীর প্রশংসা করে শেখ হাসিনা বলেন, দুর্যোগ মোকাবিলা থেকে শুরু করে প্রতিটি ক্ষেত্রে আমাদের সশস্ত্র বাহিনী মানুষের পাশে দাঁড়ায়। মানুষের কাছে থেকে একটি আস্থা-বিশ্বাস তারা অর্জন করতে পেরেছে।

    নেতৃত্ব নির্বাচনে সশস্ত্র বাহিনীতে যে পদ্ধতি অনুসরণ করা হয়, তার প্রশংসা করেন তিনি।

    এ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী আশা প্রকাশ করে বলেন, বিচক্ষণতা ও নিরপেক্ষ বিচার-বিশ্লেষণের মাধ্যমে উচ্চ নৈতিক মনোবলের যোগ্যতাসম্পন্ন কর্মকর্তা, বিশেষ করে যারা বাস্তব কর্মক্ষেত্রে ভালো সিদ্ধান্ত নিতে পারেন এবং যেকোনো পরিস্থিতিতে উপস্থিত বুদ্ধি দিয়ে কাজ করে সাফল্য অর্জন করতে পারেন, সেই ধরনের নেতৃত্বকে আপনারা বেছে নেবেন।

    শেখ হাসিনা বলেন, আমরা এটিই চাই, আমাদের মুক্তিযুদ্ধের যে চেতনা, যে আদর্শ, যে লক্ষ্য নিয়ে জাতির পিতা দেশ স্বাধীন করেছিলেন, সেই আদর্শে যারা দীক্ষিত, যাদের মধ্যে দেশপ্রেম ও দায়িত্ববোধ আছে, তাদের নেতৃত্বে নিয়ে আসা একান্তভাবে দরকার।

  • গাড়ি না দেখেই ফিটনেস সনদ, বিআরটিএ কার্যালয়ে দুদকের অভিযান

    গাড়ি না দেখেই ফিটনেস সনদ, বিআরটিএ কার্যালয়ে দুদকের অভিযান

    মোটরযানের ফিটনেস যাচাই না করেই সনদ দেওয়াসহ বিভিন্ন অনিয়ম অনুসন্ধানে বাংলাদেশ সড়ক পরিবর্তন কর্তৃপক্ষের (বিআরটিএ) মিরপুর কার্যালয়ে অভিযান চালিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) এনফোর্সমেন্ট টিম।

    বৃহস্পতিবার (৩১ আগস্ট) বিআরটিএ ঢাকার কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বিরুদ্ধে গাড়ির ফিটনেস সনদসহ অন্যান্য সেবা প্রদানে দালালদের মাধ্যমে ঘুস দাবির অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।

    দুদকের জনসংযোগ দপ্তর জানিয়েছে, অভিযানকালে প্রথমে বিআরটিএ কার্যালয়ে ছদ্মবেশে অবস্থান নেয় দুদক এনফোর্সমেন্ট টিম। পরে ওই কার্যালয়ের উপ-পরিচালকের (ইঞ্জি.) সঙ্গে অভিযোগগুলোর বিষয়ে আলোচনা করা হয়। অভিযোগে উল্লিখিত মোটরযান পরিদর্শকের ব্যাপারে উপ-পরিচালক জানান, মোটরযান না দেখেই গাড়ির ফিটনেস সনদ দেওয়ার অভিযোগে তার বিরুদ্ধে একটি বিভাগীয় তদন্ত চলমান রয়েছে। আনসার সদস্য ও দালালদের দৌরাত্ম্যের বিষয়ে তারা নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করেন মর্মে দুদক টিমকে জানান।

    খোঁজ জানা যায়, অভিযানকালে অভিযোগ সংশ্লিষ্ট রেকর্ডপত্র সংগ্রহ করা হয়। কমিশন বরাবর শিগগির পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন দাখিল করবে এনফোর্সমেন্ট টিম।

    এছাড়া চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের ১৭ নম্বর পশ্চিম বাকলিয়া ওয়ার্ডে ৯ কোটি টাকা ব্যয়ে ড্রেন নির্মাণকাজে অনিয়মের অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে পৃথক অভিযান পরিচালনা করেছে দুদকের এনফোর্সমেন্ট টিম। দুদক সজেকা চট্টগ্রাম-১ থেকে এনফোর্সমেন্ট টিমের এ অভিযান শুরু হয়। অভিযান পরিচালনাকালে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের প্রধান প্রকৌশলীর সঙ্গে কথা বলা হয় এবং সংস্থাটির একজন নির্বাহী প্রকৌশলীকে সঙ্গে নিয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করা হয়।

    জানা যায়, অভিযানকালে ড্রেনের নির্মাণকাজ পরিদর্শনে আপাতদৃষ্টিতে তেমন কোনো অনিয়ম টিমের কাছে পরিলক্ষিত হয়নি। রেকর্ডপত্র বিশ্লেষণ করে বিস্তারিত প্রতিবেদন কমিশন বরাবর দাখিল করবে এনফোর্সমেন্ট টিম।

  • ডেঙ্গুতে ১৭ জনের মৃত্যু

    ডেঙ্গুতে ১৭ জনের মৃত্যু

    গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে আরও ১৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে সারা দেশে আরও দুই হাজার ৩০৮ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।

    বৃহস্পতিবার (৩১ আগস্ট) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুম থেকে পাঠানো ডেঙ্গু বিষয়ক এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

    এতে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় সারা দেশে দুই হাজার ৩০৮ জন ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। এর মধ্যে ঢাকা সিটিতে ৮৭৫ জন এবং সারা দেশে (ঢাকা সিটি ব্যতীত) এক হাজার ৪৩৩ জন ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।

    গত ২৪ ঘণ্টায় সারা দেশে মোট দুই হাজার ৩৫৯ জন ডেঙ্গুরোগী হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন। এর মধ্যে ঢাকা সিটির বিভিন্ন হাসপাতাল থেকে ৯৫০ জন এবং সারা দেশের (ঢাকা সিটি ব্যতীত) বিভিন্ন হাসপাতালে থেকে এক হাজার ৪০৯ জন ছাড়পত্র পেয়েছেন।

    বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে আরও ১৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। এদের মধ্যে ১৬ জন ঢাকা সিটিতে এবং একজন সারা দেশে (ঢাকা সিটি ব্যতিত) মারা যান।

    এ বছর ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে মোট ৫৯৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে ঢাকা সিটিতে ৪৩৮ জন এবং সারা দেশে (ঢাকা সিটি ব্যতীত) ১৫৫ জন মারা যান।

    চলতি বছরের ৩১ আগস্ট পর্যন্ত মোট ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়েছেন মোট এক লাখ ২৩ হাজার ৮০৮ জন। এর মধ্যে ঢাকা সিটিতে ৫৮ হাজার ২১ জন ও সারা দেশে (ঢাকা সিটি ব্যতীত) ৬৫ হাজার ৭৮৭ জন ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়েছেন।

    চলতি বছরে এ পর্যন্ত মোট এক লাখ ১৪ হাজার ৮৩৭ জন ডেঙ্গুরোগী হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন। এর মধ্যে ঢাকা সিটির বিভিন্ন হাসপাতাল থেকে ৫৩ হাজার ৭৬৩ জন এবং সারা দেশের (ঢাকা সিটি ব্যতীত) বিভিন্ন হাসপাতাল ৬১ হাজার ৭১ জন ছাড়পত্র পেয়েছেন।

    বর্তমানে সারা দেশে মোট আট হাজার ৩৭৮ জন ডেঙ্গুরোগী হাসপাতালে ভর্তি আছেন। ঢাকা সিটিতে তিন হাজার ৮১৭ জন এবং সারা দেশে (ঢাকা সিটি ব্যতীত) চার হাজার ৫৬১ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি আছেন।

    এতে আরও বলা হয়, চলতি বছরে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পাওয়ার হার শতকরা ৯৩ শতাংশ। হাসপাতালে ভর্তি থাকার হার ৭ শতাংশ এবং মৃত্যুর হার শূন্য দশমিক পাঁচ শতাংশ।

    গত বছরের ১ জানুয়ারি থেকে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি রোগীর সংখ্যা সর্বমোট ৬২ হাজার ৩৮২ জন এবং ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে মোট ২৮১ জন মারা যান।

  • তারেক রহমানের বক্তব্য সরাতে বিটিআরসিকে নির্দেশ

    তারেক রহমানের বক্তব্য সরাতে বিটিআরসিকে নির্দেশ

    আইনের দৃষ্টিতে পলাতক থাকায় বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের বক্তব্য ইউটিউব, ফেসবুকসহ সব সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম থেকে অবিলম্বে ব্লক, অপসারণ বা সরিয়ে ফেলার কার্যকর পদক্ষেপ নিতে বাংলাদেশ টেলিকমিউনিকেশন রেগুলেটরি অথরিটি-বিটিআরসিকে নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট।

    এক আবেদনের পর সোমবার (২৮ আগস্ট) বিচারপতি মো. খসরুজ্জামান ও বিচারপতি মো. খায়রুল আলমের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

    এ আদেশের সময় বিএনপির আইনজীবীরা হট্টগোল করলে বিচারকরা এজলাস ছেড়ে চলে যান।

    আদালতে রিটের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী কামরুল ইসলাম, সাঈদ আহমেদ রাজা ও সানজিদা খানম। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল বিপুল বাগমার।

    পরে আইনজীবী কামরুল ইসলাম বলেন, নয়াপল্টনের জনসভায় তারেক রহমানের বক্তব্য মাইকে প্রচার করা হয়। ইদানিং খুব বেশি রকমভাবে প্রচারিত হচ্ছে আদালতের আদেশ ভায়েলেট করে। যার জন্য আমরা বিটিআরসির প্রতি একটা নির্দেশনা চেয়ে আবেদন করেছি। আদালত আবেদনটি অ্যালাউ করেছেন। বিটিআরসির প্রতি নির্দেশনা দিতে যেন ইউটিউব, সামাজিক সব মাধ্যমে তারেক রহমানের বক্তব্য, বিবৃতি, ভিডিও-অডিও প্রচার বন্ধে পদক্ষেপ নেয়।

    এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ওরা অযাচিতভাবে কোর্টের কার্যকালাপকে বাধাগ্রস্ত করার চেষ্টা করছে। তারা কোনোভাবে পার্টি না (মামলায় পক্ষভুক্ত না)। তারা আজ ন্যাক্কারজনক কাজ করছে।

    গত ১৩ আগস্ট তারেক রহমানের সংশোধিত ঠিকানায় নোটিশ পাঠাতে বলেছিলেন হাইকোর্ট। ওই নোটিশ জারির পর অনলাইন থেকে তারেক রহমানের বক্তব্য সরাতে আবেদন করেন রিট আবেদনকারী। এরপর সোমবার আদেশ দেন হাইকোর্ট।

    জানা যায়, রুল শুনানির জন্য সেকশন থেকে যে নোটিশ পাঠানো হয় সেখানে তারেক রহমানের ঠিকানা ভুল লেখা হয়েছে। রোড নম্বরের জায়গায় রুম নম্বর হয়েছে। এরপর সংশোধিত ঠিকানা জমা দেন রিটকারীরা।

    এর আগে ২০১৫ সালের ৬ জানুয়ারি আইনজীবী নাসরিন সিদ্দিকী লিনা হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় রিটটি দায়ের করেন। রিটে কোনো পত্রিকা, ইলেকট্রনিক মিডিয়া, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম বা অন্য কোনো ইলেকট্রনিক ডিভাইসে তারেক রহমানের কোনো বক্তব্য প্রকাশ, প্রচার, সম্প্রচার, পুনঃউৎপাদন না করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে তথ্য সচিবের প্রতি নির্দেশনা চেয়েছিলেন।

    রিটে বলা হয়, তারেক একজন ফেরারি আসামি। তিনি সংবিধান লঙ্ঘন করে ও বেআইনিভাবে বক্তব্য দিচ্ছেন। একজন ফেরারি আসামির বক্তব্য মিডিয়ায় প্রচার হতে পারে না। যাকে আদালত খুঁজে পাচ্ছেন না, তার বক্তব্য প্রচারযোগ্য নয়।

    পরদিন রিটের শুনানি নিয়ে বিচারপতি কাজী রেজা-উল হক ও বিচারপতি আবু তাহের মো. সাইফুর রহমানের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ তারেকের বক্তব্য প্রচার ও প্রকাশে নিষেধাজ্ঞা দিয়ে রুল জারি করেন।

    রুলে তারেক রহমানের বক্তব্য প্রকাশ ও প্রচার নিষিদ্ধ করতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে কেন বিবাদীদের নির্দেশ দেওয়া হবে না, তা জানতে চাওয়া হয়েছে। তথ্যসচিব, স্বরাষ্ট্রসচিব, আইনসচিব, পররাষ্ট্রসচিব, আইজিপি, বিটিভির মহাপরিচালক, বিটিআরসির চেয়ারম্যানসহ সংশ্লিষ্টদের রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।

    আদালতে সেই দিন রিটের পক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট সাহারা খাতুন (প্রয়াত), অ্যাডভোকেট ইউসুফ হোসেন হুমায়ূন, অ্যাডভোকেট শ ম রেজাউল করিম (বর্তমানে মন্ত্রী), অ্যাডভোকেট এস এম মুনীর (বর্তমানে অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল), অ্যাডভোকেট সানজিদা খানম (তৎকালীন এমপি)। সম্প্রতি এ রুল শুনানির জন্য উদ্যোগ নেয় রিটকারী পক্ষ।

  • কামাল বেঁচে থাকলে এত বড় দায়িত্ব নিতে হতো না: শেখ হাসিনা

    কামাল বেঁচে থাকলে এত বড় দায়িত্ব নিতে হতো না: শেখ হাসিনা

    বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের বড় ছেলে শেখ কামালের সাংগঠনিক দক্ষতা, দায়িত্বশীলতা ও বহুমুখী প্রতিভার কথা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তার ভাইয়ের ব্যাপারে বলেছেন, তিনি বেঁচে থাকলে আমাকে হয়তো এত বড় দায়িত্ব নিতে হতো না।

    শনিবার (৫ আগস্ট) রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে ‘শেখ কামাল জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ পুরস্কার ২০২৩’ প্রদান অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

    ভাইয়ের প্রশংসায় শেখ হাসিনা বলেন, শেখ কামালের সাংগঠনিক দক্ষতা সেটা ছিল প্রবল। কিন্তু কখনো কোনো নেতা হওয়ার চেষ্টা বা কোনো পদে যাওয়ার চেষ্টা করেননি। ব্যবসা-বাণিজ্য করে পয়সা বানানোর চিন্তা কখনো তার মাথায় ছিল না। বরং এ ব্যাপারে সে অত্যন্ত সতর্ক ছিল। পারিবারিক-সামাজিকভাবে সে অনেক দায়িত্বশীল ছিল। কারণ আমার আব্বা তো বেশির ভাগ সময় ছিলেন জেল খানায়। সেই ছোট্ট বয়স থেকে মায়ের পাশে থেকে সংসারের কাজে কামাল সব সময় পাশে থাকতো। তার মধ্যে দায়িত্ববোধ ছোট বেলা থেকে গড়ে উঠেছিল।

    শেখ কামাল পড়াশোনায়ও মনোযোগী ছিল জানিয়ে আওয়ামী লীগ প্রধান বলেন, ও পড়াশোনার দিকে অত্যন্ত মনোনিবেশ করতো। আমাদের বাসায় তো সব সময় লোকজন ভরা থাকতো তারপরও তার পড়াশোনা সে চালিয়ে গেছে।

    খেলাধুলাসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে বাংলাদেশের অগ্রগতির কথা তুলে ধরে শেখ হাসিনা বলেন, বাংলাদেশ আজকে এগিয়ে যাচ্ছে, ক্রীড়াঙ্গন থেকে শুরু করে সব ক্ষেত্রে আমরা যথেষ্ট অগ্রগামী। আজ খেলাধুলার ক্ষেত্রে বাংলাদেশ অনেক এগিয়ে গেছে। যার ভিত্তিটা তৈরি করে দিয়ে গিয়েছিল শেখ কামাল। এতে কোনো সন্দেহ নাই। তার যে বহুমুখী প্রতিভা, এই বহুমুখী প্রতিভাটা বিকশিত হওয়ার আগেই চলে গেল এই পৃথিবী থেকে।

    অনুষ্ঠানে শিল্পপতি, সমাজের বিত্তবানদের ক্রীড়া ক্ষেত্রে পৃষ্ঠপোষক হিসেবে এগিয়ে আসতে আহ্বান জানান সরকার প্রধান। একইসঙ্গে যারা খেলাধুলা থেকে অবসর নেবে তাদের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে চাকরি দিতে ও বিত্তশালীদের ক্রীড়াবিদদের কল্যাণ ফাউন্ডেশনে অনুদান দিতে আহ্বান জানান।

    অনুষ্ঠানে আটটি ক্যাটাগরিতে মোট ১০ জন ক্রীড়া ব্যক্তিত্ব ও দুটি প্রতিষ্ঠানকে পুরস্কার দেওয়া হয়। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে শেখ হাসিনা বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন। যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে বীর মুক্তিযোদ্ধা শহীদ ক্যাপ্টেন শেখ কামালের ৭৪তম জন্মবার্ষিকী উদযাপন উপলক্ষে এসব পুরস্কার দেওয়া হয়।

    যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. জাহিদ আহসান রাসেলের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ উপদেষ্টা সালমান ফজলুর রহমান, স্বাগত বক্তব্য দেন যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. মহিউদ্দিন আহমেদ। শেখ কামাল জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ পুরস্কার বিজয়ীদের পক্ষে বক্তব্য দেন আজীবন সম্মাননা প্রাপ্ত আবদুস সাদেক ও সাবিনা খাতুন। অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় বিষয়ক সংসদীয় স্থায়ী কমিটির চেয়ারম্যান আব্দুল্লাহ আল ইসলাম জ্যাকব।

    অনুষ্ঠানে শেখ কামালের জীবন ও কর্মের ওপর একটি অডিও-ভিজ্যুয়াল প্রদর্শন করা হয়। এ অনুষ্ঠান থেকে প্রধানমন্ত্রী ‘শেখ কামাল: ক্ষণজন্মা এক নক্ষত্র’ শীর্ষক একটি বইয়ের মোড়ক উন্মোচন করেন।

  • এ পর্যন্ত বিএনপির যত জন গ্রেফতার হয়েছে, সবাই ওয়ারেন্টভুক্ত: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

    এ পর্যন্ত বিএনপির যত জন গ্রেফতার হয়েছে, সবাই ওয়ারেন্টভুক্ত: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

    স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেছেন, ‘এ পর্যন্ত বিএনপির যত নেতাকর্মী গ্রেফতার হয়েছে, সবার বিরুদ্ধেই ওয়ারেন্ট আছে। তারা কোনও না কোনও মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি। এ কারণে পুলিশ তাদের গ্রেফতার করছে।’

    রোববার (২৩ জুলাই) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় ঢাকা রিপোটার্স ইউনিটির নসরুল হামিদ মিলনায়তনে বাংলাদেশ ক্রাইম রিপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের (ক্র্যাব) ৪০ বছর পূর্তি উপলক্ষে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

    স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘আইন না মানলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। যারা আইন লঙ্ঘন করবে, জনদুর্ভোগ তৈরি করবে, তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে এটাই স্বাভাবিক।’

    বিএনপির আন্দোলনে পুলিশ কোথাও কোনও বাধা দিচ্ছে না দাবি করে স্বারাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী সবসময় বলেন— তিনি এ দেশের গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনার জন্য কাজ করে যাচ্ছেন। রাজনৈতিক চর্চা যখন ঠিক থাকবে, তখন এগিয়ে যাওয়ার পথ সুগম হবে।’

    লক্ষ্মীপুরে এক ‘বিএনপি কর্মী’ নিহতের ঘটনা প্রসঙ্গে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘গোয়েন্দা বাহিনী ও স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে কথা বলে যতটুকু জানতে পেরেছি— সেখানে দুটি গ্রুপ বা ব্যক্তির মাঝে কর্তৃত্ব ও অংশীদারত্ব নিয়ে অনেকদিন থেকেই অসন্তোষ ছিল। এই দুই গ্রুপের সম্পর্কটা এমন জায়গায় গিয়েছিল যে, একজন নিহত হয়েছে। বিএনপি বলছে, এটা নাকি তাদের কর্মী। তাদের স্পষ্ট করে বলতে চাই– নিহত ব্যক্তি বিএনপির কর্মী নয়।’

    ক্র্যাব সভাপতি মির্জা মেহেদী তমালের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও ছিলেন– র‌্যাবের মহাপরিচালক এম খুরশীদ হোসেন, হাইওয়ে পুলিশের প্রধান অতিরিক্ত আইজিপি মোহাম্মদ শাহাবুদ্দিন খান ও ক্র্যাব সেক্রেটারি মামুনুর রশিদসহ ক্র্যাব সদস্যরা।

  • জবাবদিহি থাকলে ২০৪১ সালে উন্নত দেশ গড়া সম্ভব : প্রধানমন্ত্রী

    জবাবদিহি থাকলে ২০৪১ সালে উন্নত দেশ গড়া সম্ভব : প্রধানমন্ত্রী

    জবাবদিহি থাকলে ২০৪১ সালে উন্নত দেশ গড়া এবং জাতিসংঘের টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) অর্জন করা সম্ভব। এমনটি বলেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

    বুধবার (১৯ জুলাই) সকালে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের শাপলা হলে ২০২৩-২৪ অর্থবছরের বার্ষিক কর্মসম্পাদন চুক্তি (এপিএ) স্বাক্ষর এবং এপিএ ও শুদ্ধাচার পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

    প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, ২০০৯ সালে আমরা সরকার গঠন করার পর থেকে ২০২৩ পর্যন্ত বিভিন্ন সুষ্ঠু পরিকল্পনা ও সুষ্ঠু দিক নির্দেশনা নিয়ে যে কাজ করে গেছি, যারা এই কাজে সহযোগিতা করেছেন এবং বাস্তবায়ন করেছেন, তাদের ধন্যবাদ জানাই। এত অল্প সময়ের মধ্যে আমরা যে দেশের একটা বিশাল পরিবর্তন আনতে পেরেছি, তার জন্য আপনাদেরই অনেক অবদান রয়েছে।

    তিনি বলেন, ২০১৫ সাল থেকে যে যাত্রা শুরু করলাম বার্ষিক কর্মসম্পাদন চুক্তির, তার কারণ জবাবদিহি নিশ্চিত করা। সবার সঙ্গে সবার যাতে যোগাযোগ থাকে, সুষ্ঠু পরিকল্পনা অনুযায়ী কাজ হয়, সেই চিন্তা থেকেই কিন্তু আমরা এই পদ্ধতিটা নিয়েছি। আমার কাছে সব সময়ই একটা বিষয় ছিল যে, কত দ্রুত বাংলাদেশের উন্নতিটা করা যেতে পারে। আপনাদের অনেক পরিশ্রম করিয়েছি এতে সন্দেহ নেই। কিন্তু তার ফসলটা তো বাংলাদেশ পাচ্ছে। আপনারাও আজকে বিশ্বে মাথা উঁচু করে চলতে পারছেন।

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, স্বাধীনতার পর বঙ্গবন্ধু বিভিন্ন পরিকল্পনা নিয়ে অতি দ্রুত দেশকে এগিয়ে নিয়ে যান। ১২৬টি দেশের স্বীকৃতি তিনি আদায় করে দিয়ে গিয়েছিলেন। ৭৫ সালে ৯ ভাগ পর্যন্ত আমাদের প্রবৃদ্ধি অর্জিত হয়। কিন্তু এর পরই মিলিটারি ডিকটেটর, প্রত্যক্ষ-পরোক্ষ দেশ শাসন, ভোটের অধিকার হরণ করায় বহু বছর আমাদের জীবন থেকে হারিয়ে গিয়েছিল। প্রথমে ২১ বছর এরপর আরও ৮ বছর বলতে গেলে ২৯টা বছরই বাংলাদেশের মানুষের ভাগ্য নিয়ে খেলা হয়েছে।

    তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ যখন ক্ষমতায় এসেছে, সব সময়ই আমরা চেষ্টা করেছি জনগণের ভাগ্যের পরিবর্তন করতে, নিজেদের ভাগ্যের না। সেই লক্ষ্য নিয়েই কাজ করে যাচ্ছি, যে কারণে একটা তাড়া আছে আমাদের। কারণ সময় তো ফুরিয়ে যায়, কিন্তু আমরা কতটুকু এগুতে পারলাম, সেই সময়ের সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলাই সবচেয়ে বড় কথা। সেই সঙ্গে যুগের সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলা, আজ আমরা বলতে পারি, বিশ্বের সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলার উপযুক্ত বাংলাদেশ গড়ে উঠেছে। সেটা আমরা করতে পেরেছি সুপরিকল্পিত পরিকল্পনা নিয়ে কাজ করতে পেরেছি বলেই।

  • সাহারা খাতুনের তৃতীয় মৃত্যু বার্ষিকী উপলক্ষে মুক্তিযোদ্ধা প্রজন্ম লীগের আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

    সাহারা খাতুনের তৃতীয় মৃত্যু বার্ষিকী উপলক্ষে মুক্তিযোদ্ধা প্রজন্ম লীগের আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

    বাংলাদেশ আওয়ামী মুক্তিযোদ্ধা প্রজন্ম লীগের উদ্যোগে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভাপতি মন্ডলীর সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী মরহুম এড সাহারা খাতুনের তৃতীয় মৃত্যু বার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। ১৫ জুলাই ঢাকা জাতীয় প্রেস ক্লাবের ভি আইপি হলে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

    এসময় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভাপতি মন্ডলীর অন্যতম সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী জনাব এড কামরুল ইসলাম এমপি।
    বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জনাব মাহবুব উল আলম হানিফ এমপি।
    ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের আইন সম্পাদক ড. এড জগলুল কবির ও ঢাকা মহানগর উত্তর আওয়ামী লীগের আইন সম্পাদক এড আনিসুর রহমান বক্তব্য রাখেছেন।
    সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ আওয়ামী মুক্তিযোদ্ধা প্রজন্ম লীগের সভাপতি এড আসাদুজ্জামান দূর্জয়।

  • তিনদিন বন্ধ থাকবে ইসির সার্ভার

    তিনদিন বন্ধ থাকবে ইসির সার্ভার

    নির্বাচন কমিশনের (ইসি) সার্ভার তিনদিনের জন্য বন্ধ থাকবে। তবে তিনদিন পর আবারও যথারীতি সার্ভার চালু হবে।

    বুধবার (৫ জুলাই) নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের প্রোগ্রামার মো. আবুল খায়ের রনির সই করা এক চিঠিতে এ তথ্য জানিয়েছে ইসি।

    চিঠিতে বলা হয়, সার্ভার কক্ষ আদর্শমান করণের সময়কালে সার্ভার কক্ষের চলমান সেবাগুলো সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হবে। নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের আইসিটি অনুবিভাগের আওতায় ১০ম তলায় অবস্থিত সার্ভার কক্ষ আদর্শমান করণের কাজ চলমান রয়েছে। এজন্য সার্ভার কক্ষ আদর্শমান করণের সময়কালে সার্ভার কক্ষের চলমান নেটওয়ার্ক ও সার্ভারভিত্তিক সেবাগুলো মাঠ পর্যায় পর্যন্ত নিরবচ্ছিন্ন রাখতে বর্তমানে সার্ভার, নেটওয়ার্ক ও বৈদ্যুতিক সংযোগসমূহ অস্থায়ী সার্ভার কক্ষে (কক্ষ নং-৯০৭) স্থানান্তর করা হচ্ছে।

    এর ফলে বৃহস্পতিবার (৬ জুলাই) বিকেল ৫টা থেকে শনিবার (৮ জুলাই) রাত পর্যন্ত এ সার্ভার কক্ষের মাধ্যমে পরিচালিত মাঠ পর্যায় ও সচিবালয়ের ইন্টারনেট ও ইন্ট্রানেটভিত্তিক সব সেবা যেমন- ইন্টারনাল ওয়েবসাইট, ভিপিএন সেবা বন্ধ থাকবে।

    আগামী রোববার (৯ জুলাই) যথারীতি সার্ভিস চালু থাকবে। যথাযথ কর্তৃপক্ষের অনুমোদনক্রমে এ নোটিশ জারি করা হলো।

  • প্রধানমন্ত্রীর কাছে শপথ নিলেন খোকন সেরনিয়াবাতসহ তিন সিটি মেয়র

    প্রধানমন্ত্রীর কাছে শপথ নিলেন খোকন সেরনিয়াবাতসহ তিন সিটি মেয়র

    বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের নবনির্বাচিত মেয়র খোকন সেরনিয়াবাতকে শপথ পাঠ করিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। একই সময় গাজীপুর ও খুলনা সিটি করপোরেশনের নবনির্বাচিত মেয়র জায়েদা খাতুন ও তালুকদার আবদুল খালেকও শপথ পড়েছেন।

    সোমবার (৩ জুলাই) সকাল ১০টায় গণভবনের শাপলা হলে এ শপথ অনুষ্ঠান হয়। অনুষ্ঠানে সরকারের মন্ত্রিসভার সদস্যসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

    এসময় তিন সিটির সাধারণ ওয়ার্ডের কাউন্সিলর এবং সংরক্ষিত ওয়ার্ডের নারী কাউন্সিলরদের শপথ পড়ান স্থানীয় সরকারমন্ত্রী তাজুল ইসলাম। শপথ অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব মোহাম্মদ ইবরাহিম।

    গত ২৫ মে গাজীপুর এবং ১২ জুন খুলনা ও বরিশাল সিটি করপোরেশন নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। পরে ৫ জুন গাজীপুর এবং ২০ জুন বরিশাল ও খুলনা সিটির নির্বাচিত মেয়র ও কাউন্সিলরদের গেজেট প্রকাশিত হয়।

    সিটি করপোরেশনের আইন অনুযায়ী গেজেট প্রকাশের ৩০ দিনের মধ্যে নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের শপথ পাঠ করানোর বাধ্যবাধকতা রয়েছে।