Category: জাতীয়

  • ১৮ সেপ্টেম্বর থেকে মাঠে নামবে ১৪ দল

    ১৮ সেপ্টেম্বর থেকে মাঠে নামবে ১৪ দল

    ‘গণতন্ত্রের বিজয় সুনিশ্চিত করা এবং অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করবে ১৪ দল। এ ছাড়াও জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে আগামী ১৮ সেপ্টেম্বর থেকে পর্যায়ক্রমে দেশের বিভাগীয় শহরগুলোতে সমাবেশ করবে কেন্দ্রীয় ১৪ দল। নির্বাচনের তফশিল ঘোষণার আগ পর্যন্ত সমাবেশ অব্যাহত থাকবে।’

    কেন্দ্রীয় ১৪ দলের মুখপাত্র ও স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম আজ শনিবার কেন্দ্রীয় ১৪ দলের সভা শেষে এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন।

    এর আগে রাজধানীর ধানমন্ডিস্থ আওয়ামী লীগ সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয়ে জাতীয় পার্টি (জেপি)’র মহাসচিব শেখ শহীদুল ইসলামের সভাপতিত্বে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

    মোহাম্মদ নাসিম বলেন, জাতীয় নির্বাচন যখন ঘনিয়ে আসে তখন অশুভ একটি মহল ষড়যন্ত্রে মেতে উঠে। ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারির জাতীয় নির্বাচনের মতো ওই অশুভ শক্তি আবারো নির্বাচনের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রে মেতে উঠেছে।

    তিনি বলেন, নির্বাচনের আগে কোনো অবান্তর, অযৌক্তিক ও অসাংবিধানিক দাবি দেশের মানুষ মানবে না। কারণ তথ্য প্রযুক্তির এই যুগে ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন (ইভিএম)’র মাধ্যমে নির্বাচনে কারচুপির কোনো সুযোগ নেই।

    নাসিম বলেন, সংবিধান বিরোধী কোনো কোনো কাজ কাউকে করতে দেওয়া হবে না এবং তা মেনে নেওয়া হবে না। আগামী ডিসেম্বরেই জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।

    নির্বাচনের আগে সংলাপের দাবি নাকচ করে স্বাস্থ্যমন্ত্রী নাসিম বলেন, কেন্দ্রীয় ১৪ দল অর্থহীন সংলাপের পক্ষে নেই। সংলাপের অর্থ হলো নির্বাচন পিছিয়ে দেওয়া এবং অসাংবিধানিক সরকারকে ক্ষমতায় আনা।

    ‘বর্তমান সরকারকে ক্ষমতা থেকে বিদায় করাই বিএনপির সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ’ বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের করা মন্তব্যের জবাবে নাসিম বলেন, দেশের জনগণের রায়ের মাধ্যমেই কেবল মাত্র সরকার পরিবর্তন হতে পারে। কোনো দল বা মহল সরকার পরিবর্তন করতে পারবে না।

    এ বিষয়ে তিনি আরো বলেন, বর্তমান সরকার দেশকে যেভাবে উন্নতির পথে এগিয়ে নিয়ে গেছে তাতে দেশের মানুষ আবারো আওয়ামী লীগকেই ভোট দিয়ে বিজয়ী করবে। সরকার বদলের বিএনপির স্বপ্ন দুঃস্বপ্নে পরিণত হবে।

    এক প্রশ্নের জবাবে মোহাম্মদ নাসিম বলেন, জাতীয় নির্বাচনে ইভিএম ব্যবহার করা বা না করার বিষয়টি নির্বাচন কমিশন (ইসি)’র এখতিয়ার। তবে সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে এ প্রযুক্তি ব্যবহারের সুফল পাওয়া গেছে। কেননা ইভিএমের মাধ্যমে অনুষ্ঠিত অনেক ভোট কেন্দ্রে বিএনপির প্রার্থীরাও জয়লাভ করেছে। আর ভালো জিনিস মেনে নিতে কারো তো কোনো সমস্যা থাকার কথা নয়।

    আগামী জাতীয় নির্বাচনে ১৪ দলীয় জোটে আসন ভাগাভাগির বিষয়ে কোনো আলোচনা হয়েছে কিনা জানতে চাইলে নাসিম বলেন, কেন্দ্রীয় ১৪ দল একটি আদর্শিক জোট। নির্বাচনে বিজয়ী হওয়া বড় লক্ষ্য নয়। মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় অসাম্প্রদায়িক দেশ গঠনই এ জোটের প্রধান লক্ষ্য।

    এ বিষয়ে তিনি আরো বলেন, এ লক্ষ্য অর্জনের জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করে যাবে কেন্দ্রীয় ১৪ দল।

  • বিএনপি নেতাদের পদত্যাগের আহ্বান ওবায়দুল কাদেরের

    বিএনপি নেতাদের পদত্যাগের আহ্বান ওবায়দুল কাদেরের

    তিনি বলে, এমন বিরোধী দল বাংলাদেশের ইতিহাসে আর কখনো দেখা যায়নি। তারা গত ১০ বছরে ১০ মিনিটের জন্য আন্দোলন করতে পারেনি। এ ব্যর্থতার দায় নিয়ে তাদের নেতাদের পদত্যাগ করার আহ্বান জানাচ্ছি।

    শনিবার বিকালে রাজধানীর ধানমন্ডিস্থ আওয়ামী লীগ সভানেত্রীর রাজনৈতিক কার্যালয়ে দলটির সম্পাদকমণ্ডলীর জরুরি বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন।

    ওবায়দুল কাদের আরো বলেন, বিএনপির মতো ব্যর্থ দল আর কোথাও নাই। তারা সবসময় সর্বাত্মক আন্দোলনের কথা বলে। কিন্তু তারা এমন কোনো আন্দোলন করতে পারেনি যার কারণে সরকার গত দশ বছরে দুই মিনিটের জন্য অস্বস্তিতে পড়েছে। তাই আমি বলবো এ ব্যর্থতার দায় কাঁধে নিয়ে বিএনপির সকল নেতাদের পদত্যাগ করা উচিত।

    এ সময় তিনি নির্বাচন সামনে রেখে জোট ভাঙা-গড়ার বিষয়টি সাংবাদিকদের সামনে তুলে ধরেন। জোটের শরিকদের জন্য ৬৫ থেকে ৭০ টি আসন ছেড়ে দেয়ার কথা চিন্তাভাবনা করছে আওয়ামী লীগ বলে জানান তিনি।

    বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তি জন্য বিএনপি নেতাদের দাবি প্রসঙ্গে ওবায়দুল কাদের বলেন, এখানে সরকারের কিছু নেই। এটা আদালতের বিষয়। লিগ্যাল ব্যাটেলে জয় লাভ করে তারা তাদের নেত্রীকে মুক্ত করে আনতে পারে। এক্ষেত্রে সরকার কোনো হস্তক্ষেপ করবে না।

    আদালতকে প্রভাবিত করার যে অভিযোগ বিএনপি নেতারা করে আসছেন তার সেটি প্রত্যাখ্যান করেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, যদি সরকার আদালতকে প্রভাবিত করত তাহলে এখন পর্যন্ত ৩০ টি মামলায় তিনি কিভাবে জামিন পেলেন?

    মওদুদ আহমেদের বক্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় কাদের বলেন সংবিধান সম্মত না হলেও তিনি নাকি তাদের দাবিগুলো মেনে নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন মওদুদ সাহেব আপনারা সংবিধানকে পেছনে সরিয়ে ক্ষমতায় এসেছিলেন আপনাদের পক্ষে এটা বলা সম্ভব।

    এসময় বিএনপি নেতাদের বিএনপির প্রতি তিনটি প্রশ্ন ছুড়ে দেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক। তিনি বলেন, এ তিনটি প্রশ্নের উত্তর না দিতে পারলে বিএনপি জনগণের কাছে প্রত্যাশা করতে পারে না।  প্রশ্ন তিনটি হলো (১) তারা কেন ইনডেমনিটি অর্ডিন্যান্স বাতিল করে বঙ্গবন্ধু হত্যাকারীদের বিচারের পথ রুদ্ধ করেছিল, সেই সঙ্গে এটা কে পঞ্চম সংশোধনীতে অন্তর্ভুক্ত করেছিল? (২) সম্পূর্ণ বিনামূল্যে সাবমেরিন কেবল কেন তারা প্রত্যাখ্যান করেছিল? (৩) তারা কেন তাদের দলের গঠনতন্ত্র থেকে ৭ ধারা বাতিল করল এ প্রশ্নগুলোর উত্তর জাতিকে দিতে হবে।

  • নির্বাচন পরিচালনায় সামরিক বাহিনীকে চান ফখরুল

    নির্বাচন পরিচালনায় সামরিক বাহিনীকে চান ফখরুল

    আগামী একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন পরিচালনা করতে সামরিক বাহিনীকে দায়িত্ব দেয়ার দাবি জানিয়েছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

    তিনি বলেছেন, ‘আমাদের শেষ কথা অবিলম্বে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে মুক্তি দিতে হবে। সকল রাজবন্দিকে মুক্তি দিতে হবে। নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার আগে সরকারকে পদত্যাগ করতে হবে। জাতীয় সংসদকে ভেঙে দিতে হবে। নির্বাচনের সময় লেভেল প্লেইংফিল্ড তৈরি করতে হবে। সামরিক বাহিনীকে দায়িত্ব দিতে হবে নির্বাচন পরিচালনার জন্য, নির্বাচন কমিশন পুনর্গঠন করতে হবে।

    শনিবার বিকেলে দলটির ৪০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে রাজধানীর নয়াপল্টনে দলীয় কার্যালয়ের সামনে অনুষ্ঠিত জনসভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এ দাবি জানান। বেলা ২টায় জনসভা শুরু হয়। সভা পরিচালনা করেন দলের প্রচার সম্পাদক শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি এবং সহ-প্রচার সম্পাদক আমিরুজ্জামান আলীম।

    ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের কঠোর সমালোচনা করে ফখরুল বলেন, ‘আওয়ামী লীগ আজকে দুঃস্বপ্ন দেখে তারা ভয়ে চিৎকার করে ওঠে। আসলো, আসলো বিএনপি আসলো, আসলো, আসলো তারেক রহমান আসলো। আসলো, আসলো খালেদা জিয়া আসলো এই ভয়ে রাতে তাদের ঘুম হয় না। ২৪টা ঘণ্টা শুধু বিএনপিভীতি, খালেদা জিয়া-ভীতি, তারেক রহমান-ভীতি, এর থেকে বাঁচার জন্য কত রকমের ব্যবস্থা নিয়েছে, এখন নিয়ে আসছে ইভিএম। এ দেশের মানুষ আওয়ামী লীগের কাছ থেকে দূরে সরে গেছে। আওয়ামী লীগ দেউলিয়া রাজনৈতিক দলে পরিণত হয়েছে।’

    বিভিন্ন রাজনৈতিক সংগঠন ও দেশবাসী বৃহত্তর ঐক্য গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়ে বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘সমস্ত দেশবাসী ও রাজনৈতিক সংগঠনকে আহ্বান জানাতে চাই আসুন এখন আর কোনো বিভেদ নয়, কালবিলম্ব নয়, গণতন্ত্রকে রক্ষার জন্য, বাংলাদেশকে রক্ষার জন্য, বাংলাদেশের স্বাধীনতা সার্বভৌমত্বকে রক্ষার জন্য আমাদের সকলকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। আসুন বৃহত্তর ঐক্য গড়ে তুলে এই দুঃশাসনকে এই স্বৈরাচারকে যারা বুকের ওপর চেপে বসে আছে তাদের পরাজিত করি।’

    Fokhrul

    তিনি বলেন, ‘এই জনসভা আজকে প্রমাণ করেছে বাংলাদেশের তরুণরা আবার জেগে উঠেছে। তারা ১৯৭১ সালে স্বাধীনতাযুদ্ধের মধ্যদিয়ে স্বাধীনতা এনেছে। ১৯৯০ সালে বুকের রক্ত দিয়ে গণতন্ত্র ফিরিয়ে এনেছিল। তারা প্রয়োজনে রক্ত দিয়ে হলেও দেশমাতাকে ফিরিয়ে আনবে গণতন্ত্রকে ফিরিয়ে আনবে।’

    ফখরুল আরও বলেন, ‘আমরা দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তি চাই, মামলা প্রত্যাহার চাই, তারেক রহমানের মামলা প্রত্যাহার চাই, তার বিরুদ্ধে নতুন ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে। মন্ত্রী আগে থেকেই বলে দিচ্ছেন যে ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলায় তার সাজা হবে। আওয়ামী লীগ সরকার আসার পর নতুন করে তদন্ত করা হয়েছে। আমরা পরিষ্কার করে বলতে চাই এই ধরনের ষড়যন্ত্র বাংলাদেশের মানুষ মেনে নেবে না। বাংলাদেশের মানুষ এই ষড়যন্ত্রের দাঁতভাঙা জবাব দেবে।’

    মির্জা ফখরুল বলেন, ‘আমি কয়েকদিন আগে কারাগারে আমাদের নেত্রীর সঙ্গে দেখা করতে গিয়েছিলাম। তিনি অত্যন্ত অসুস্থ। তাকে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে না। সরকারকে বলতে চাই অবিলম্বে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে মুক্ত করুন। তার চিকিৎসার উপযুক্ত ব্যবস্থা করুন। অন্যথায় সব দায়দায়িত্ব আপনাদেরকে নিতে হবে।’

    ফখরুলের বক্তব্যের মধ্যদিয়ে বিকেল ৫টা ২০ মিনিটে সভা শেষ হয়। এতে অন্যদের মধ্যে দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ, ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকার, মির্জা আব্বাস, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, ভাইস চেয়ারম্যান বরকত উল্লাহ বুলু, ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন, শামসুজ্জামান দুদু, আহমেদ আযম খান, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আবদুস সালাম, আবুল খায়ের ভূঁইয়া, আমান উল্লাহ আমান, সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী আহমেদ, যুগ্ম মহাসচিব সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, হাবিব উন নবী খান সোহেল, যুবদল সভপতি সাইফুল ইসলাম নীরব প্রমুখ বক্তৃতা করেন।

    এছাড়াও জনসভায় দলের ভাইস চেয়ারম্যান রুহুল আলম চৌধুরী, আলতাফ হোসেন চৌধুরী, হাবিবুর রহমান হাবিব, তৈমুর আলম খন্দকার, ফরহাদ হালীম ডোনার, যুগ্ম-মহাসচিব ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন, খায়রুল কবির খোকন, সমাজকল্যাণবিষয়ক সম্পাদক কামরুজ্জামান রতন, আন্তর্জাতিকবিষয়ক সম্পাদক অ্যাডভোকেট মাসুদ আহমেদ তালুকদার, শিক্ষাবিষয়ক সম্পাদক অধ্যাপক ড. ওবায়দুইল ইসলাম, প্রশিক্ষণবিষয়ক সম্পাদক এবিএম মোশাররফ হোসেন, ক্রীড়াবিষয়ক সম্পাদক আমিনুল ইসলাম, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুল আউয়াল খান, তথ্য ও গবেষণাবিষয়ক সহ-সম্পাদক আমিরুজ্জামান খান শিমুল, নির্বাহী কমিটির সদস্য নাজিম উদ্দীন আলম, আবু নাসের মোহাম্মাদ রহমাতুল্লাহ, বজলুল করিম চৌধুরী আবেদ, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির সাধারণ সম্পাদক কাজী আবুল বাশার, মহিলা দলের সভাপতি আফরোজা আব্বাস, সাধারণ সম্পাদক সুলতানা আহমেদ, সিনিয়র যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক হেলেন জেরিন খান, যুবদলের সিনিয়র সহ-সভাপতি মোরতাজুল করিম বাদরু, মুক্তিযোদ্ধা দলের সভাপতি ইশতিয়াক আজিজ উলফাত, সাধারণ সম্পাদক সাদেক খান, শ্রমিক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসেন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

  • একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ২৭ ডিসেম্বর!

    একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ২৭ ডিসেম্বর!

    আগামী ২৭ ডিসেম্বর একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। তবে সম্ভাব্য এ তারিখের বিষয়ে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) কোনো কর্মকর্তা কথা বলতে রাজি হননি। কিন্তু ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগের একটি সূত্র জানায়, আগামী ২৭ ডিসেম্বর একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠানের বিষয় নিয়ে নির্বাচন কমিশন সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত করেছে।

    সম্প্রতি নির্বাচন কমিশন সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ সাংবাদিকদের জানান, আগামী ডিসেম্বর মাসের শেষ সপ্তাহে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। তবে তিনি কোনো তারিখ উল্লেখ করেননি। নির্দিষ্ট দিনের বিষয়ে নির্বাচন কমিশনের অন্য কর্মকর্তাদের কাছে জানতে চাওয়া হলে তারাও এ বিষয়ে কিছু বলতে পারেননি।

    নির্বাচন কমিশন কার্যালয়ের কর্মকর্তারা জানান, নির্বাচন-সংক্রান্ত ৮০ ভাগ কাজ শেষ হয়ে গেছে।

    ইসি সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ বলেন, আসন্ন সংসদ নির্বাচনের ৩০০ আসনে জন্য ৪০ হাজার ৬৫৭টি ভোটকেন্দ্রের খসড়া তালিকা করেছে ইসি। এর মধ্যে সম্ভাব্য ভোটকক্ষ নির্ধারণ করা হয়েছে দুই লাখ ৪ হাজার ৪৫৩টি। আগামী ৬ সেপ্টেম্বর খসড়া ভোটকেন্দ্রের তালিকা চূড়ান্ত করা হবে। তফসিল ঘোষণার পর আসন অনুসারে ভোটকেন্দ্রের তালিকা গেজেট আকারে প্রকাশ করবে নির্বাচন কমিশন।

    একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন নিয়ে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ অনেক আগে থেকেই কার্যক্রম শুরু করেছে। এমনকি তাদের প্রার্থী বাচাইও প্রায় চূড়ান্ত। নেতারা বলছেন, সংবিধান অনুযায়ী সঠিক সময়ে নির্বাচন হবে। নির্বাচনের দিনক্ষণ নিয়ে আওয়ামী লীগের শীর্ষ নেতারা একে অপরের সঙ্গে আলোচনা করছেন। তবে এ বিষয়ে বাইরে তারা কিছু প্রকাশ করছেন না।

    আওয়ামী লীগের একজন নেতা নাম প্রকাশ না করার শর্তে  বলেন, নির্বাচন কমিশন আগামী ২৭ ডিসেম্বর নির্বাচনের তারিখ চূড়ান্ত করেছে।

    এ ছাড়া আওয়ামী লীগের একাধিক নেতার কথাবার্তার মধ্যদিয়েও জানা গেছে, ২৭ ডিসেম্বরই একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সম্ভাব্য তারিখ।

    বিরোধীদল জাতীয় পার্টিও নির্বাচনের প্রস্তুতি নিয়ে রেখেছে। পার্টির চেয়ারম্যান এইচএম এরশাদও স্বীকার করেছেন যে তিনি ৩০০ আসন এবং ১০০ আসনে মনোনয়ন চূড়ান্ত করে রেখেছেন। বিএনপি নির্বাচনে এলে মহাজোটে এবং না এলে বিরোধী দল হিসেবে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবে।

    তবে আরেক বৃহৎ রাজনৈতিক দল বিএনপি এখনো নির্বাচনে অংশ নেয়ার বিষয়ে মুখ খুলছে না। তবে তারা এখন পর্যন্ত বলছে খালেদা জিয়াকে ছাড়া নির্বাচনে যাবে না।

    এদিকে নির্বাচনকে কেন্দ্র করে ছোটখাট দলগুলোও জোট করে মাঠে নামার জন্য চেষ্টা চালাচ্ছে।

  • সরকারের ভেতর ভয় ঢুকে গেছে : মওদুদ

    সরকারের ভেতর ভয় ঢুকে গেছে : মওদুদ

    বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ বলেছেন, দেশের মধ্যে যারাই গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনতে চান, তারা আজ ঐক্যবদ্ধ হওয়া শুরু করেছে। একটি জাতীয় ঐক্য হবে। কারণ আমরা গুম দেখতে চাই না। হত্যা, অপহরণ দেখতে চাই না। তিনি বলেন, জাতীয় ঐক্য বেড়ে সামনের দিকে যাচ্ছে। এখন সরকারের ভেতর ভয় ঢুকে গেছে।

    শুক্রবার জাতীয় প্রেসক্লাবে এক আলোচনা সভায় তিনি এ কথা বলেন।

    মওদুদ বলেন, ‘আমার ভয় হয়, কারণ কামাল হোসেনরা যখন জাতীয় ঐক্য নিয়ে আলোচনা শুরু করল, সরকার বলল ভালো। গণতন্ত্রের জন্য ভালো আলোচনা। কিন্তু এখন ঐক্য বেড়ে সামনের দিকে যাচ্ছে। এখন সরকারের ভেতর ভয় ঢুকে গেছে’, মন্তব্য মওদুদের।

    তিনি আরও বলেন, সামনের দিনে যখন এই ঐক্য জনমত তৈরি করবে, তখন হয়তো এই সরকারই সবার আগে আঘাত হানার চেষ্টা করবে। কোটা সংস্কার ও নিরাপদ সড়কের দাবিতে আন্দোলনরতদের যেভাবে আঘাত করেছে, গ্রেফতার করেছে; সেভাবে আঘাত ও গ্রেফতার করবে। কিন্তু এবার আর তা পারবে না।

  • ঈদযাত্রায় সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ২৫৯

    ঈদযাত্রায় সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ২৫৯

    ঈদুল আজহা উপলক্ষ্যে মোট ১৩ দিনে (১৬-২৮ আগস্ট) প্রাণ হারিয়েছে ২৫৯ ও আহত হয়েছে ৯৬০ জন। বাংলাদেশ যাত্রীকল্যাণ সমিতির মনিটরিং সেল এসব তথ্য জানিয়েছে।

    সমিতির মহাসচিব মো. মোজাম্মেল হক চৌধুরী শুক্রবার ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি মিলনায়তনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে জানান, এবার কোরবানির ঈদযাত্রায় ২৩৭টি দুর্ঘটনার ঘটনা ঘটেছে যা গত ঈদুল ফিতরের তুলনায় দুর্ঘটনার ১৪.৪৪ শতাংশ কম।

    পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, ২৯.১৮ শতাংশ বাস, ২৩.৬ শতাংশ ট্রাক ও কাভার্ডভ্যান, ৬.৬ শতাংশ নসিমন-করিমন, ৫.৯ শতাংশ ব্যাটারিচালিত রিকশা ও ইজিবাইক, ১১.১৫ শতাংশ অটোরিকশা, ১৬.৭২ শতাংশ ব্যক্তিগত গাড়ি, মাইক্রোবাস ও মোটরসাইকেল এবং ৯.১৬ শতাংশ অন্যান্য যানবাহন ঈদযাত্রায় দুর্ঘটনার কবলে পড়েছে।

    হতাহতের মধ্যে ১২ জন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য, চার চিকিৎসক, দুই প্রকৌশলী, দুই সাংবাদিক, দুই শিক্ষক, ২০ শিক্ষার্থী, ৫৯ নারী, ৩৪ শিশু, ৪২ চালক-হেলপার এবং আটজন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মী রয়েছেন।

  • এবার জনগণ সরকারের মাস্টারপ্ল্যান ডাস্টবিনে ফেলে দেবে’

    এবার জনগণ সরকারের মাস্টারপ্ল্যান ডাস্টবিনে ফেলে দেবে’

    বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, এবার জনগণ সরকারের সকল মাস্টারপ্ল্যান ডাস্টবিনে ফেলে দেবে। ভোট নিয়ে অনাচারের পুনরাবৃত্তি জনগণ রুখে দেবে। জনগণের শিলা-কঠিন ঐক্যে ইভিএম নিয়ে সরকারের সব পরিকল্পনা ধুলিস্যাৎ হয়ে যাবে।

    শুক্রবার দুপুরে নয়াপল্টনে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন। এসময় রিজভী আরো বলেন, প্রধান নির্বাচন কমিশনার নিজের নেতৃত্বাধীন কমিশনের ভিন্নমতের পরও সিইসি ইভিএম ব্যবহারে মরিয়া। এটা স্পষ্ট, তিনি আগামী ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং করতে দৃঢ় সংকল্পবদ্ধ।

    দলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে তিনি বলেন, বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে আগামীকাল শান্তিপূর্ণ, সুন্দর ও ভালো জনসভা অনুষ্ঠিত হবে। প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী সাফল্যমণ্ডিত করার জন্য আমরা সকল প্রস্তুতি গ্রহণ করেছি। আমরা প্রত্যাশা করছি, জনসভায় ব্যাপক জনসমাগম ঘটবে।

    সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা আতাউর রহমান ঢালী, শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানী, মীর সরফত আলী সপু, অ্যাডভোকেট আব্দুস সালাম আজাদ, মো. মুনির হোসেন প্রমুখ।

    উল্লেখ্য, শনিবার বিএনপির ৪০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে নয়াপল্টনস্থ কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে বেলা ২টায় জনসভা অনুষ্ঠিত হবে।

  • দেশে ফিরলেন প্রধানমন্ত্রী

    দেশে ফিরলেন প্রধানমন্ত্রী

    বঙ্গোপসাগর উপকূলবর্তী সাত দেশের জোট বিমসটেকের চতুর্থ শীর্ষ সম্মেলনে যোগদান শেষে দেশে ফিরেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আজ শুক্রবার বেলা ২টা ৩৫ মিনিটে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের একটি ভিভিআইপি ফ্লাইটে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছান তিনি।

    এর আগে, দুপুর সোয়া ১টার দিকে এই ফ্লাইট কাঠমান্ডুর ত্রিভুবন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ছেড়ে আসে। সেখানে প্রধানমন্ত্রীকে বিদায় জানান নেপালের উপ-প্রধানমন্ত্রী ঈশ্বর পোখারেল ও নেপালে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মাশফি বিনতে শামস।

    বিমসটেক সম্মেলনে যোগ দিতে দুইদিনের সফরে স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার সকাল ৯টা ৮ মিনিটে বাংলাদেশ বিমানের একটি ভিভিআইপি ফ্লাইটে কাঠমান্ডুর ত্রিভুবন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছান প্রধানমন্ত্রী। সেখানে তাকে স্ট্যাটিক গার্ড অব অনার দেওয়া হয়। পরে বৃহস্পতিবার বিকেলে সম্মেলনের উদ্বোধনী সেশন এবং শুক্রবার সকালে সমাপনী অধিবেশনসহ বিভিন্ন ইভেন্টে অংশ নেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

    প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ছাড়াও ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী, ভুটানের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা দাসো শেরিং ওয়াংচুক, শ্রীলঙ্কান প্রেসিডেন্ট মাইথ্রিপালা সিরিসেনা, থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী প্রায়ুথ চ্যান-ও-চা এবং মিয়ানমারের প্রেসিডেন্ট উইন মিন্ট এই সম্মেলনে অংশ নেন।

    সম্মেলনের ফাঁকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী, নেপালের প্রধানমন্ত্রী কে পি শর্মা অলি, ভুটানের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা দাসো শেরিং ওয়াংচুকের সঙ্গে বৈঠক করেন।

  • ‘নীল নকশার নির্বাচন দেশে আর হতে দেওয়া হবে না’

    ‘নীল নকশার নির্বাচন দেশে আর হতে দেওয়া হবে না’

    আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, ২০০১ সালের নির্বাচন ২০১৮ সালে করার চেষ্টা করছে বিএনপি। তবে এই নীল নকশার নির্বাচন দেশে আর হতে দেওয়া হবে না। তত্ত্বাবধায়ক সরকার দেশে আর আসবে না। নির্দিষ্ট একটা দলের জন্য নির্বাচন থেমে থাকবে না। গণতান্ত্রিক দেশে নির্বাচনে অংশ নেওয়া বিএনপির অধিকার, সুযোগ নয়। কোনো গণতান্ত্রিক দেশে সরকার কোনো দলকে সুযোগ দেয় না।

    শুক্রবার সিলেট সার্কিট হাউজে সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী এ কথা বলেন।

    তিনি বলেন, নির্বাচন ফ্রি অ্যান্ড ফেয়ার করতেই আমরা ইভিএম সাপোর্ট করি। নির্বাচন সম্পর্কে মানুষের ‘খারাপ ধারণা’ দূর করতে ইভিএম দরকার। ইভিএম হচ্ছে আধুনিক ভোটিং পদ্ধতি। সিলেটেও বিএনপি দু’টি ইভিএমের কেন্দ্রে জয়ী হয়েছে। তারা জিতলে মানবে আর হারলেই কারচুপির অভিযোগ তুলবে। আসন্ন নির্বাচনে বিএনপি জয়ী হতে পারবে না বলেই নানা অভিযোগ দিচ্ছে তারা।

    ইভিএম নিয়ে নির্বাচন কমিশনার মাহবুব তালুকদারের ‘নোট অব ডিসেন্ট (আপত্তি)’ প্রসঙ্গে কাদের বলেন, এক জন নোট অব ডিসেন্ট দিতেই পারেন। সিইসিসহ পাঁচ জন কমিশনারের মধ্যে সবার মতামত যে এক হবে এমন তো কোনো কথা নেই। এটাই গণতন্ত্রের বৈশিষ্ট্য। একজন ভিন্ন মত দিতেই পারেন।

    এসময় উপস্থিত ছিলেন, আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব-উল-আলম হানিফ, জাহাঙ্গীর কবির নানক, সাংগঠনিক সম্পাদক খালিদ মাহমুদ চৌধুরী, আহমদ হোসেন, অ্যাডভোকেট মিসবাহ উদ্দিন সিরাজ, একেএম এনামূল হক শামীম, দফতর সম্পাদক ড. আবদুস সোবহান গোলাপ, সিলেট মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি বদর উদ্দিন আহমদ কামরান, সিলেট জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শফিকুর রহমান চৌধুরী প্রমুখ।

  • ইসলামী আন্দোলনের ৩০০ আসনের প্রার্থী যারা

    ইসলামী আন্দোলনের ৩০০ আসনের প্রার্থী যারা

    একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের জোর প্রস্তুতি শুরু করেছে মুফতি সৈয়দ মো. রেজাউল করীম চরমোনাই পীরের নেতৃত্বাধীন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ। প্রস্তুতির অংশ হিসেবে বেশ আগেভাগেই ৩০০ আসনের প্রার্থী তালিকা করেছে দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচন বর্জনকারী এই দলটি। বড় কিছু না ঘটলে সাংগঠনিকভাবে সবচেয়ে শক্তিশালী ইসলামী দল ইসলামী আন্দোলন এককভাবেই সারা দেশে ৩০০ আসনে প্রার্থী দিয়ে নির্বাচনে অংশ নেবে।  ইসলামী আন্দোলন স্থানীয় নির্বাচনে বিশেষ করে সিটি করপোরেশনগুলোয় অংশ নিয়ে ভোটে চমক দেখিয়েছে। জানতে চাইলে ইসলামী আন্দোলনের মহাসচিব অধ্যক্ষ হাফেজ মাওলানা ইউনুছ আহমাদ বলেন, ‘আমরা এককভাবে আগামী জাতীয় নির্বাচনে অংশ নেওয়ার লক্ষ্যে ইতোমধ্যে ৩০০ আসনের সম্ভাব্য প্রার্থী চূড়ান্ত করেছি। প্রার্থীর শিক্ষাগত যোগ্যতা, সামাজিক গ্রহণযোগ্যতা ও প্রভাব, অর্থনৈতিক ও পারিবারিক অবস্থা, সাংগঠনিক দায়িত্ব ও দক্ষতা বিবেচনা করেই প্রাথমিক তালিকা তৈরি করা হয়েছে।

    তালিকায় থাকা প্রার্থীরা হলেন— রংপুর বিভাগ : পঞ্চগড়-১ আলহাজ খন্দকার খাজা আলম, পঞ্চগড়-২ মো. কামরুল হাছান, ঠাকুরগাঁও-১ মো. আবদুল জব্বার, ঠাকুরগাঁও-২ মো. রেজাউল করীম, ঠাকুরগাঁও-৩ আলহাজ মো. নাজিম   উদ্দিন, দিনাজপুর-১ মো. আশরাফুল আলম, দিনাজপুর-২ মো. হাবিবুর রহমান, দিনাজপুর-৩ মাওলানা মুফতি মো. খায়রুজ্জামান, দিনাজপুর-৪ মো. আমিনুল ইসলাম, দিনাজপুর-৫ মাওলানা মো. মতিউর রহমান, দিনাজপুর-৬ মো. নুর আলম সিদ্দিকী, নীলফামারী-১ মো. সাইফুল ইসলাম, নীলফামারী-২ মো. জহুরুল ইসলাম, নীলফামারী-৩ মো. আমজাদ হোসেন সরকার, নীলফামারী-৪ মাওলানা শহিদুল ইসলাম, লালমনিরহাট-১ মো. ফজলুল হক, লালমনিরহাট-২ আলহাজ মো. ইব্রাহীম হোসেন খান, লালমনিরহাট-৩ মো. মোকছেদুল ইসলাম, রংপুর-১ মো. মোকতার হোসেন, রংপুর-২ মাওলানা মো. আশরাফ আলী, রংপুর-৩ মো. আমিরুজ্জামান পিয়াল, রংপুর-৪ মো. বদিউজ্জামান, রংপুর-৫ মো. শফিউল আলম, রংপুর-৬ মাওলানা মো. বেলাল হোসেন, কুড়িগ্রাম-১ আলহাজ আবদুর রহমান প্রধান, কুড়িগ্রাম-২ মো. মোকছেদুর রহমান, কুড়িগ্রাম-৩ আলহাজ মাওলানা গোলাম মোস্তফা, কুড়িগ্রাম-৪ আলহাজ মাওলানা আনছার উদ্দিন, গাইবান্ধা-১ মো. আশরাফুল ইসলাম খন্দকার, গাইবান্ধা-২ মৌলভী মো. আবদুল মোত্তালেব, গাইবান্ধা-৩ আলহাজ মো. মোস্তাফিজুর রহমান, গাইবান্ধা-৪ সৈয়দ তৌহিদুল ইসলাম, গাইবান্ধা-৫ মো. আবদুর রাজ্জাক।

    রাজশাহী বিভাগ : জয়পুরহাট-১ ডা. মো. জহুরুল ইসলাম, জয়পুরহাট-২ মাওলানা আবদুল বাকী, বগুড়া-১ মুহাম্মদ শফিকুর রহমান সবুজ, বগুড়া-২ মুফতি মো. জামাল উদ্দিন, বগুড়া-৩ মো. শাহজাহান আলী তালুকদার, বগুড়া-৪ মাওলানা ইদ্রিস আলী, বগুড়া-৫ মীর মো. মাহমুদুর রহমান, বগুড়া-৬ আবু নুমান মো. মামুনুর রশিদ, বগুড়া-৭ মো. শফিকুল ইসলাম শফিক, চাঁপাইনবাবগঞ্জ-১ মো. মনিরুল রহমান মনিউর, চাঁপাইনবাবগঞ্জ-৩ আবদুল কাদের, নওগাঁ-১ আলহাজ মো. মোস্তাফিজুর রহমান, নওগাঁ-২ মাওলানা আনিসুর রহমান, নওগাঁ-৩ মো. এমদাদুল হক, নওগাঁ-৪ মো. শফিকুল ইসলাম, নওগাঁ-৫ মো. আশরাফুল ইসলাম, নওগাঁ-৬ মো. শাহজাহান আলী প্রামাণিক, রাজশাহী-১ মাওলানা মো. আরিফুল ইসলাম, রাজশাহী-২ মো. ফয়সাল হোসেন মণি, রাজশাহী-৩ আলহাজ মো. ওসমান গনী, রাজশাহী-৪ হাফেজ মো. আবদুর রশিদ, রাজশাহী-৫ হাফেজ মাওলানা মো. রুহুল আমিন, রাজশাহী-৬ মো. আবদুস সালাম সুরুজ, নাটোর-১ মো. খালেকুজ্জামান, নাটোর-২ অ্যাডভোকেট আমেল খান চৌধুরী, নাটোর-৩ শাহ মোস্তফা ওয়ালি উল্লাহ, নাটোর-৪ মো. বদরুল আমিন, সিরাজগঞ্জ-১ মুফতি আল আমীন সিরাজী, সিরাজগঞ্জ-২ মোহাম্মাদ মুহিব্বুল্লাহ, সিরাজগঞ্জ-৩ গাজী মো. আয়নুল হক, সিরাজগঞ্জ-৪ মাওলানা আবদুর রহমান, সিরাজগঞ্জ-৫ আলহাজ মো. লোকমান হোসেন, সিরাজগঞ্জ-৬ আলহাজ মেছবাহ উদ্দীন, পাবনা-১ মুফতি আবদুল মতিন, পাবনা-২ মো. ইউনুছ আলী হেলাল, পাবনা-৩ আবদুল মুত্তালিব, পাবনা-৪ মাওলানা আবদুল জলিল, পাবনা-৫ অধ্যাপক আরিফ বিল্লাহ।

    খুলনা বিভাগ : মেহেরপুর-১ মো. আবুল কালাম কাছেমী, মেহেরপুর-২ মাওলানা আবদুল কাদের, কুষ্টিয়া-১ মাওলানা মো. নাজমুল হুদা, কুষ্টিয়া-২ মাওলানা মোজাম্মেল হক, কুষ্টিয়া-৩ মো. আমিনুল ইসলাম, কুষ্টিয়া-৪ আলহাজ মো. এনামুল হক, চুয়াডাঙ্গা-১ মাওলানা মোহাম্মদ জহুরুল ইসলাম, চুয়াডাঙ্গা-২ মোহাম্মাদ হাসানুজ্জামান, ঝিনাইদহ-১ আলহাজ মো. রায়হান উদ্দীন, ঝিনাইদহ-২ মাওলানা মো. ফখরুল ইসলাম, ঝিনাইদহ-৩ মাওলানা মো. সরোয়ার হোসাইন, ঝিনাইদহ-৪ ডা. এইচ এম মমতাজুর রহমান, যশোর-১ মো. বক্তিয়ার রহমান, যশোর-২ আসাদুজ্জামান, যশোর-৩ মফিজুল আলম খোকা, যশোর-৪ অধ্যক্ষ মো. নাজমুল হুদা, যশোর-৫ মো. ইবাদুল ইসলাম খালাসী, যশোর-৬ মুফতি আবু ইউসুফ বিশ্বাস, মাগুরা-১ মাওলানা মো. নাজিরুল ইসলাম, মাগুরা-২ মুফতি মোস্তফা কামাল, নড়াইল-১ হাফেজ মো. খবির উদ্দিন, নড়াইল-২ ডা. এস এম নাসির উদ্দীন, বাগেরহাট-১ মো. লিয়াকত আলী শেখ, বাগেরহাট-২ আলহাজ শেখ আতিয়ার রহমান, বাগেরহাট-৩ মাওলানা শাহজালাল সিরাজী, বাগেরহাট-৪ মাওলানা আবদুল মজিদ হাওলাদার, খুলনা-১ মাওলানা মো. আবু সাঈদ, খুলনা-২ আরিফ বিল্লাহ, খুলনা-৩ মাওলানা মুজাম্মিল হক, খুলনা-৪ হাফেজ মাওলানা অধ্যক্ষ ইউনুছ আহমাদ, খুলনা-৫ মাওলানা মুজিবুর রহমান, খুলনা-৬ গাজী নূর আহমাদ, সাতক্ষীরা-১ মাওলানা এফ এম আছাদুল হক, সাতক্ষীরা-২ মুফতি রবিউল ইসলাম, সাতক্ষীরা-৩ মো. ইসহাক আলী সরকার, সাতক্ষীরা-৪ মো. আবদুল করীম। বরিশাল বিভাগ : বরগুনা-২ মো. গোলাম সরোয়ার হিরু, পটুয়াখালী-১ মাওলানা আলতাফুর রহমান, পটুয়াখালী-২ মাওলানা মো. নজরুল ইসলাম, পটুয়াখালী-৩ ডা. মো. কামাল হোসেন খান, পটুয়াখালী-৪ মাওলানা মুফতি হাবিবুর রহমান, ভোলা-১ মাওলানা মো. ইয়াসিন নবীপুরী, ভোলা-২ জহিরুল ইসলাম, ভোলা-৩ মাওলানা মো. মোছলেউদ্দিন, ভোলা-৪ অ্যাডভোকেট মাওলানা মো. মহিবুল্যাহ, বরিশাল-১ মো. মেহেদী হাসান রাসেল, বরিশাল-২ আলহাজ মাওলানা মু. নেছার উদ্দিন, বরিশাল-৩ মাওলানা মু. সিরাজুল ইসলাম, বরিশাল-৪ মুফতি সৈয়দ মো. নুরুল করীম, বরিশাল-৫ মাওলানা মুফতি সৈয়দ মোহাম্মাদ ফয়জুল করীম, বরিশাল-৬ মো. নুরুল ইসলাম আল আমিন, ঝালকাঠি-১ আল্লামা নূরুল হুদা ফয়েজী, ঝালকাঠি-২ মুফতি সৈয়দ মো. ফয়জুল করীম, পিরোজপুর-১ মাওলানা মাসুম বিল্লাহ, পিরোজপুর-২ মাওলানা আবুল কালাম আজাদ, পিরোজপুর-৩ আলহাজ শফি মাহমুদ তালুকদার।

    ঢাকা বিভাগ : টাঙ্গাইল-১ মো. জহিরুল ইসলাম, টাঙ্গাইল-২ মাওলানা মো. আব্বাস আলী, টাঙ্গাইল-৩ আলহাজ হাফেজ মাওলানা রেজাউল করিম, টাঙ্গাইল-৪ মুফতি আমিনুল ইসলাম, টাঙ্গাইল-৫ আলহাজ খন্দকার ছানোয়ার হোসেন, টাঙ্গাইল-৬ মুহাম্মদ আখিনুর মিয়া, টাঙ্গাইল-৭ ডা. মো. রমজান আলী, টাঙ্গাইল-৮ মাওলানা মো. আবদুল লতিফ, জামালপুর-১ মাওলানা আবদুল মজিদ, জামালপুর-২ আলহাজ আবদুল ওয়াহাব ডিহিদার, জামালপুর-৩ মাওলানা বোরহান উদ্দিন, জামালপুর-৪ হাফেজ মো. আলী আকবর সিদ্দিকী, জামালপুর-৫ ডা. সৈয়দ ইউনুছ আহাম্মদ, শেরপুর-১ অ্যাডভোকেট মো. মতিউর রহমান, শেরপুর-২ মুক্তিযোদ্ধা মো. নূরুল ইসলাম, শেরপুর-৩ হাফেজ মাওলানা আনিছুর রহমান, ময়মনসিংহ-১ আলহাজ হুমায়ুন মো. আবদুল্লাহ আল হাদী, ময়মনসিংহ-২ মুফতি গোলাম মওলা ভুইয়া, ময়মনসিংহ-৩ মাওলানা আইয়ুব আলী নুরানী, ময়মনসিংহ-৪ ডা. নাছির উদ্দিন, ময়মনসিংহ-৫ আলহাজ মো. সুরুজ্জামান, ময়মনসিংহ-৬ মাওলানা নূরুল আলম সিদ্দিকী, ময়মনসিংহ-৭ মাওলানা আজিজুল হক, ময়মনসিংহ-৮ হাফেজ মাওলানা মো. আনাস জাওহারী, ময়মনসিংহ-৯ মো. সাইদুর রহমান, ময়মনসিংহ-১০ মাওলানা জয়নুল আবেদীন, ময়মনসিংহ-১১ অ্যাডভোকেট আমান উল্লাহ সরকার, নেত্রকোনা-১ মাওলানা মামুনুর রশিদ রব্বানী, নেত্রকোনা-২ মো. খোরশেদ আলী, নেত্রকোনা-৩ মো. জাকির হোসেন, নেত্রকোনা-৫ মো. শামিম হোসেন, কিশোরগঞ্জ-১ মাওলানা মহিউদ্দিন আজমী, কিশোরগঞ্জ-২ মুহাম্মদ সালাহ উদ্দিন রুবেল, কিশোরগঞ্জ-৩ হাফেজ মাওলানা আলমগীর হোসাইন, কিশোরগঞ্জ-৪ হাফেজ মাওলানা আহসান উল্লাহ, কিশোরগঞ্জ-৫ মুহাম্মদ সোহাগ ইবনে নূর, কিশোরগঞ্জ-৬ মুহাম্মদ মুসা খান, মানিকগঞ্জ-১ মো. খোরশেদ আলম, মানিকগঞ্জ-২ মোহাম্মদ আলী, মানিকগঞ্জ-৩ মাহমুদুল মোস্তফা, মুন্সীগঞ্জ-১ কে এম আতিকুর রহমান, মুন্সীগঞ্জ-২ হাজী মুনসুর আহমাদ মুসা, মুন্সীগঞ্জ-৩ মুফতি মো. সাইফুল ইসলাম সাইফ, ঢাকা-১ আলহাজ আবদুল মালেক, ঢাকা-২ মো. জহিরুল ইসলাম, ঢাকা-৩ আলহাজ সুলতান আহম্মেদ খান, ঢাকা-৪ মাওলানা সৈয়দ মোসাদ্দেক বিল্লাহ আল মাদানী, ঢাকা-৫ আলহাজ আলতাফ হোসেন, ঢাকা-৬ আলহাজ মো. মনোয়ার খান, ঢাকা-৭ আলহাজ আবদুর রহমান, ঢাকা-৮ মুক্তিযোদ্ধা আবুল কাসেম, ঢাকা-৯ অ্যাডভোকেট মানিক, ঢাকা-১০ আলহাজ আবদুল আউয়াল, ঢাকা-১১ আলহাজ আমিনুল ইসলাম, ঢাকা-১২ অ্যাডভোকেট শওকাত আলী, ঢাকা-১৩ মোহাম্মাদ মুরাদ হোসেন, ঢাকা-১৫ মুফতি হেমায়েত উল্লাহ, ঢাকা-১৬ হাফেজ মাওলানা মো. ছিদ্দিকুর রহমান, ঢাকা-১৭ মো. আমিনুল হক তালুকদার, ঢাকা-১৮ আলহাজ মো. আনোয়ার হোসেন, ঢাকা-১৯ মো. ফারুক খান, ঢাকা-২০ আলহাজ মো. আবদুল মান্নান, গাজীপুর-১ মুফতি আবুল বাশার, গাজীপুর-২ মো. হারুন অর রশিদ, গাজীপুর-৩ হাফেজ মাওলানা রহমতুল্লাহ, গাজীপুর-৪ মুহাম্মদ নুরুল ইসলাম সরকার, গাজীপুর-৫ মাওলানা গাজী আতাউর রহমান, নরসিংদী-১ মো. আশরাফ হোসেন ভূঞা, নরসিংদী-২ মো. আরিফুল ইসলাম, নরসিংদী-৩ মো. ওয়ায়েজ হোসেন ভুইয়া, নরসিংদী-৪ মাওলানা মজিবুর রহমান, নরসিংদী-৫ মাওলানা গোলাম সারওয়ার ফরিদী, নারায়ণগঞ্জ-১ হাজী মো. সৈয়দ আহাম্মেদ, নারায়ণগঞ্জ-২ মুহাম্মদ নাছির উদ্দিন, নারায়ণগঞ্জ-৩ মাওলানা ছানাউল্লাহ নূরী, নারায়ণগঞ্জ-৪ অ্যাডভোকেট শফিকুল ইসলাম, নারায়ণগঞ্জ-৫ মুহাম্মদ আবুল কালাম মুন্সি, রাজবাড়ী-২ আলহাজ নুর মোহাম্মাদ, গোপালগঞ্জ-১ অ্যাডভোকেট মিজানুর রহমান, গোপালগঞ্জ-২ মাওলানা তসলিম শিকদার, মাদারীপুর-১ হাফেজ মাওলানা আবু জাফর, মাদারীপুর-২ লোকমান হোসাইন জাফরী, মাদারীপুর-৩ অধ্যাপক সৈয়দ বেলায়েত হোসেন, শরীয়তপুর-১ মুফতি তোফায়েল আহমদ কাসেমী, শরীয়তপুর-২ হাফেজ মাওলানা শওকত আলী, শরীয়তপুর-৩ অ্যাডভোকেট আবু হানিফ।

    সিলেট বিভাগ : সুনামগঞ্জ-১ হাফিজ মাওলানা মুফতি ফখর উদ্দিন, সুনামগঞ্জ-২ মাওলানা আবদুল হাই, সুনামগঞ্জ-৩ মাওলানা কারি মুহিবুল হক আজাদ, সুনামগঞ্জ-৪ মুহাম্মদ আবদুল গফুর, সুনামগঞ্জ-৫ মাওলানা হোসাইন আহমদ আল হারুন, সিলেট-১ আলহাজ প্রফেসর ডা. মো. মোয়াজ্জেম হোসেন খান, সিলেট-২ মাওলানা আমির উদ্দিন, সিলেট-৩ এম এ মতিন বাদশা, সিলেট-৪ মো. হানিফ খন্দকার, সিলেট-৫ মো. নূরুল আমিন, সিলেট-৬ মো. আজমল হোসেন, মৌলভীবাজার-১ মো. গিয়াস উদ্দিন, মৌলভীবাজার-২ হাফেজ মতিউর রহমান, মৌলভীবাজার-৩ মাওলানা মোস্তাফা কামাল, মৌলভীবাজার-৪ মাওলানা আবদুল মতিন, হবিগঞ্জ-১ আলহাজ মাওলানা আবদুল হান্নান, হবিগঞ্জ-২ মাওলানা আবুল জামাল মসউদ হাসান, হবিগঞ্জ-৩ মহিব উদ্দিন আহমদ সোহেল, হবিগঞ্জ-৪ মো. কামাল উদ্দিন।

    চট্টগ্রাম বিভাগ : ব্রাহ্মণবাড়িয়া-১ হাফেজ মাওলানা হোসাইন আহম্মদ, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ হাজী জাকির হোসেন মৃধা, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩ সৈয়দ আনোয়ার আহাম্মাদ লিটন, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৪ আলহাজ মোসলেহ উদ্দিন ভূইয়া, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৫ মাওলানা উসমান গনি রাসেল, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬ মাস্টার মো. রেজুয়ান ইসলাম খান, কুমিল্লা-১ মাওলানা বশির আহমদ, কুমিল্লা-২ ইঞ্জিনিয়ার মুহা. আশরাফুল আলম, কুমিল্লা-৩ মাওলানা আহমাদ আবদুল কাইয়ুম, কুমিল্লা-৪ ড. মহসিন আলম, কুমিল্লা-৫ মাওলানা মো. রাশেদুল ইসলাম রহমতপুরী, কুমিল্লা-৬ মাওলানা মো. তৈয়্যব, কুমিল্লা-৭ মাওলানা আবুল কালাম কাশেমী, কুমিল্লা-৮ মাওলানা এ কে এম মিজানুর রহমান ফারুকী, কুমিল্লা-৯ আলহাজ সেলিম মাহমুদ, কুমিল্লা-১০ সৈয়দ মোহাম্মাদ জামাল উদ্দীন, কুমিল্লা-১১ মাওলানা কামাল উদ্দিন ভূইয়া, চাঁদপুর-১ মাওলানা মো. যোবায়ের আহমদ, চাঁদপুর-২ মাওলানা মো. আফসার উদ্দিন, চাঁদপুর-৪ মাওলানা মকবুল হোসাইন, চাঁদপুর-৫ হাফেজ মো. শাহাদাত হোসাইন প্রধানিয়া, ফেনী-১ মাওলানা কাজী গোলাম কিবরিয়া, ফেনী-২ মাওলানা নুরুল করিম বেলালী, নোয়াখালী-১ অ্যাডভোকেট এ কে এম এরফান খান, নোয়াখালী-২ মাওলানা খলিলুর রহমান, নোয়াখালী-৩ হাফেজ মাওলানা নজীর আহমদ, নোয়াখালী-৪ মো. আবদুল হান্নান, নোয়াখালী-৫ আবু নাছের, নোয়াখালী-৬ মাওলানা সফিউল্যাহ আল মুস্তফা, লক্ষ্মীপুর-১ ডা. মো. রফিকুল ইসলাম, লক্ষ্মীপুর-২ মাস্টার শাহজাহান পাটওয়ারী, লক্ষ্মীপুর-৩ ক্যাপ্টেন (অব.) মো. ইব্রাহিম, লক্ষ্মীপুর-৪ আল্লামা খালেদ সাইফুল্লাহ, চট্টগ্রাম-১ মাওলানা মো. সামসুদ্দিন, চট্টগ্রাম-২ মাওলানা মো. আতিকুল্লাহ বাবুনগরী, চট্টগ্রাম-৪ মো. শামসুল আলম হাসেম, চট্টগ্রাম-৫ ইঞ্জিনিয়ার রফিকুল ইসলাম, চট্টগ্রাম-৬ মাওলানা আবদুল আলী কারিমী, চট্টগ্রাম-৭ অ্যাডভোকেট আবদুল্লাহ আল হারুন, চট্টগ্রাম-৮ ডা. মো. ফরিদ খান, চট্টগ্রাম-৯ ফারুক হোসেন ভূঞা, চট্টগ্রাম-১০ আলহাজ জান্নাতুল ইসলাম, চট্টগ্রাম-১১ মো. লোকমান হোসেন সওদাগর, চট্টগ্রাম-১২ ডা. বেলাল নুর আজিজী, চট্টগ্রাম-১৩ এরফানুল হক চৌধুরী, চট্টগ্রাম-১৪ মুফতি দেলওয়ার হোসাইন সাকি, চট্টগ্রাম-১৫ মাওলানা নুরুল আলম তালুকদার, চট্টগ্রাম-১৬ ফরিদ আহমদ আনছারী, কক্সবাজার-১ মুহাম্মদ আলী আছগর, কক্সবাজার-২ ডা. জসিম উদ্দিন নদভী, কক্সবাজার-৩ মোহাম্মাদ আমিন, কক্সবাজার-৪ মাওলানা মোহাম্মদ শোয়াইব, খাগড়াছড়ি মো. আবদুল জব্বার গাজী, রাঙামাটি মো. জসিম উদ্দিন, বান্দরবান মুফতি শওকাতুল ইসলাম।