Category: জাতীয়

  • বিমসটেক সম্মেলনে যোগ দিতে নেপালের পথে প্রধানমন্ত্রী

    বিমসটেক সম্মেলনে যোগ দিতে নেপালের পথে প্রধানমন্ত্রী

    বিমসটেকের চতুর্থ শীর্ষ সম্মেলনে যোগ দিতে দুই দিনের সফরে নেপালের উদ্দেশে রওনা হয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আজ বৃহস্পতিবার সকাল সোয়া ৮টার দিকে বাংলাদেশ বিমানের একটি ভিভিআইপি ফ্লাইটে ঢাকা থেকে কাঠমান্ডুর উদ্দেশ্যে রওনা হন তিনি।

    প্রধানমন্ত্রীকে বহনকারী বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ভিভিআইপি ফ্লাইট বিজি-১৮৭১ স্থানীয় সময় সকাল সোয়া ৯টার দিকে কাঠমান্ডুর ত্রিভুবন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করবে। সেখানে প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানাবেন নেপালের উপ-প্রধানমন্ত্রী ঈশ্বর পোখারেল ও নেপালে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মাশফি বিনতে শামস।

    অভ্যর্থনা পর্ব শেষে প্রধানমন্ত্রীকে সুসজ্জিত মোটর শোভাযাত্রাসহকারে হোটেল সোয়ালটি ক্রাউন প্লাজায় নিয়ে যাওয়া হবে। নেপাল সফরকালে প্রধানমন্ত্রী সেখানেই অবস্থান করবেন।

    সফরে চতুর্থ বিমসটেক সম্মেলনে যোগদানের সাইড লাইনে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ও বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার মধ্যে বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে সন্ধ্যা ৬টায়।

    এর আগে বেলা পৌনে ১২টার দিকে নেপালের প্রেসিডেন্ট বিদ্যা দেবী ভাণ্ডারির সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তার আগে স্থানীয় সময় সকাল ১০টা ১০ মিনিটে নেপালের প্রধানমন্ত্রী কে. পি. শর্মা ওলির সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হবে। আর সাড়ে ১০টার দিকে ভুটানের অন্তর্বতী সরকারের প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ হবে।

    দুপুরে বিমসটেক সম্মেলনে আসা রাষ্ট্র ও সরকার প্রধানদের সম্মানে নেপালের প্রেসিডেন্টের দেওয়া ভোজে অংশ নেবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

    এরপর বিকেল সাড়ে তিনটার দিকে হোটেল সোয়ালটি ক্রাউনি প্লাজায় চতুর্থ বিমসটেক সম্মেলনের উদ্বোধনী সেশনে যোগ দেবেন প্রধানমন্ত্রী।

    রাতে কাঠমান্ডুর হায়াত রিজেন্সি হোটেলে নেপালের প্রধানমন্ত্রী কে. পি. শর্মা ওলির দেওয়া নৈশভোজে অংশ নেবেন তিনি।

    দুই দিনের সফর শেষে শুক্রবার বেলা ১১টায় প্রধানমন্ত্রীকে বহনকারী বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ভিভিআইপি ফ্লাইট বিজি-১৮৭৪ এ ঢাকার উদ্দেশে কাঠমান্ডু ছাড়ার কথা।

  • জেলে-বিদেশে বিএনপির শীর্ষ ২৪ নেতা

    জেলে-বিদেশে বিএনপির শীর্ষ ২৪ নেতা

    অনলাইন ডেস্ক

    বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়াসহ দলের ২৪ জন শীর্ষ নেতা কারাগারে অন্তরীণ না হয় বিদেশে অবস্থান করছেন। জাতীয় নির্বাচনের তিন মাস বাকি, বিএনপির এসব নেতা রাজনীতিতে সক্রিয় হতে পারছেন না। দলীয় প্রধানের মুক্তি ছাড়া নির্বাচনে অংশ না নেয়ার মতও আছে বিএনপিতে। নির্বাচনী বছরে বিএনপির সভা-সমাবেশে অংশ নিতে পারছেন না তারা।

    বিএনপির প্রশিক্ষণবিষয়ক সম্পাদক এ বি এম মোশাররফ হোসেন দলীয় পরিসংখ্যান তুলে ধরে গণমাধমকে বলেন, গত সাড়ে ৯ বছরে বিএনপি নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে ৬০ হাজার। এসব মামলায় আসামির সংখ্যা ২০ লাখ। ইতোমধ্যে ১ লাখ ১০ হাজার নেতাকর্মী জেল খেটেছেন। তিনি বলেন, বিএনপির ৩ হাজার নেতাকর্মীকে এই সময়ে খুন করা হয়েছে। গুম করা হয়েছে ৭২৮ জনকে। গুম হওয়া কিছু নেতাকর্মীর লাশ পাওয়া গেলেও অধিকাংশেরই কোনো হদিস নেই।

    বিএনপির তথ্য অনুযায়ী, বেগম খালেদা জিয়ার কারাদণ্ডের পর গ্রেফতার করা হয়েছে ১০ হাজার নেতাকর্মীকে। বেগম খালেদা জিয়া ছাড়াও সিনিয়র নেতাদের মধ্যে প্রায় দুই ডজন নেতা কারাগারে রয়েছেন কিংবা দেশের বাইরে থাকতে বাধ্য হচ্ছেন। এদের মধ্যে সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমান লন্ডনে, স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদ ভারতে, ভাইস চেয়ারম্যান সাদেক হোসেন খোকা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে, ড. ওসমান ফারুক যুক্তরাষ্ট্রে, কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসাইন কায়কোবাদ বিদেশে, আব্দুস সালাম পিন্টু জেলে, উপদেষ্টা মোসাদ্দেক আলী ফালু সৌদি আরবে, যুগ্ম মহাসচিব আসলাম চৌধুরী কারাগারে, আন্তর্জাতিক সম্পাদক এহছানুল হক মিলন যুক্তরাষ্ট্রে, নাসির উদ্দিন অসীম লন্ডনে, সহসাংগঠনিক সম্পাদক নান্নু করাগারে, নির্বাহী কমিটির সদস্য লুৎফুজ্জামান বাবর কারাগারে, ঢাকা মহানগর উত্তরের সভাপতি এম এ কাইয়ুম মালয়েশিয়ায়, মহানগর দক্ষিণের প্রথম যুগ্ম সম্পাদক হাবিবুর রশীদ হাবিব কারাগারে এবং যুবদল সভাপতি সুলতান সালাউদ্দিন টুকু কারাগারে রয়েছেন।

  • বিড়ালের গলায় ঘণ্টা বাঁধবে কে?

    বিড়ালের গলায় ঘণ্টা বাঁধবে কে?

    দরজায় কড়া নাড়ছে একাদশ জাতীয় নির্বাচন। কয়েকটি রাজনৈতিক দলের নেতা জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার চেষ্টা করছেন। ঐক্য প্রক্রিয়ার উদ্দেশ্যে গতকাল মঙ্গলবার গণফোরাম সভাপতি ড. কামাল হোসেনের বাসায় বৈঠকে মিলিত হন বিকল্পধারার সভাপতি ডা. এ কিউ এম বদরুদ্দোজা চৌধুরী, বিকল্পধারা বাংলাদেশের সভাপতি মহাসচিব আবদুল মান্নান, জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের (জেএসডি) সভাপতি আ স ম আব্দুর রব, নাগরিক ঐক্যের আহ্বায়ক মাহমুদুর রহমান মান্না, বিএনপিপন্থী বুদ্ধিজীবী বলে পরিচিত ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী প্রমুখ।

    বৈঠকে জেএসডি সভাপতি আ স ম আব্দুর রব বলেন, এই বৈঠকে যারা উপস্থিত আছেন তাঁদের কারোই ভোট নেই। তাই নির্বাচনে ইতিবাচক ফলাফল আনতে হলে যুক্তফ্রন্টকে একটি ‘বিগ ফিশ’ ধরতে হবে। অর্থাৎ একটি বড় দলকে যুক্তফ্রন্টের সঙ্গে ভেড়াতে হবে।

    আব্দুর রব বলেন, আওয়ামী লীগকে এক্ষেত্রে বিবেচনা করা যাবে না। তাহলে বাকি থাকলো বিএনপি। বিএনপির সঙ্গে না গেলে নির্বাচনে জয়লাভের সম্ভাবনা শূন্য। তাই বিএনপিকে যুক্তফ্রন্টে নিয়ে আসতে হবে বলে মন্তব্য করেন আব্দুর রব। আবার জামাত-হেফাজতকে সঙ্গে নিয়ে বিএনপির সঙ্গে ঐক্য করলে যুক্তফ্রন্টের ইমেজ ক্ষতিগ্রস্ত হবে বলেও আশঙ্কা প্রকাশ করেন আব্দুর রব।

    এসময় নাগরিক ঐক্যের আহ্বায়ক মাহমুদুর রহমান মান্না বলেন, অবশ্যই তাঁরা বিএনপির সঙ্গে ঐক্যবদ্ধ হবেন। ২০ দলীয় জোট ঐক্যে আসলো কী আসলো না তাতে কিছু আসে যায় না। বিএনপি এককভাবে আসলেও তাদের সঙ্গে ঐক্য করা হবে বলে জানান তিনি।

    এই পর্যায়ে জামাতকে সঙ্গে নিয়ে বিএনপির সঙ্গে ঐক্য করা হবে নাকি জামাতকে বাদ দিয়ে ঐক্য করা হবে এ বিষয়ে বৈঠকে উপস্থিত নেতাদের মধ্যে বিতর্ক হয়।

    ড. কামাল হোসেন তখন বিএনপির সঙ্গে কথা বলার প্রস্তাব দেন। ড. কামাল হোসেন বলেন, আগে বিএনপির মনোভাব কী জানা প্রয়োজন। বিএনপি কী করতে চায় তা আগে জানতে হবে। বিএনপির মনোভাব জানার পর দলটির সঙ্গে ঐক্যের ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলে জানান ড. কামাল। এরপর সিদ্ধান্ত হয়, বি. চৌধুরী, মাহমুদুর রহমান মান্না ও ড. জাফরুল্লাহ বিএনপির সঙ্গে কথা বলবেন। শিগগিরই তাঁরা বিএনপির সঙ্গে ঐক্য প্রক্রিয়ার বিষয়ে আলোচনায় বসবেন বলে বৈঠক সূত্রে জানা গেছে।

  • সুপ্রিম কোর্টসহ সারাদেশে বিচারাধীন মামলা সাড়ে ৩৪ লাখ

    সুপ্রিম কোর্টসহ সারাদেশে বিচারাধীন মামলা সাড়ে ৩৪ লাখ

    সুপ্রিম কোর্ট প্রশাসনের তথ্য অনুসারে, দেশের সর্বোচ্চ আদালত সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ ও হাইকোর্ট বিভাগে মোট ৪ লাখ ৯৫ হাজার ৪১৫টি মামলা রয়েছে। এ ছাড়া সারাদেশের অধস্তন আদালতে বিচারাধীন মামলার সংখ্যা ২৯ লাখ ৩৮ হাজার ৪৪৫টি। যা সুপ্রিম কোর্টের পরিসংখ্যানে উল্লেখ করা হয়েছে।

    পরিসংখ্যান অনুযায়ী, দেশের সর্বোচ্চ আদালত সুপ্রিম কোর্ট ও অধস্তন আদালতে (সকল জেলা ও দায়রা জজ আদালত এবং অধীনস্ত আদালত সমূহ, ট্রাইব্যুনাল, সিএমএম ও সিজেএম আদালত এবং অধীনস্ত আদালতসমূহ) সব মিলিয়ে মোট ৩৪ লাখ ৫৩ হাজার ৩৫৩টি মামলা বিচারাধীন

    সারাদেশে মামলার এই পরিসংখ্যানের বিষয়ে সুপ্রিম কোর্টের স্পেশাল অফিসার মো. সাইফুর রহমান  বলেন, সুপ্রিম কোর্ট প্রশাসন থেকে মামলার পরিসংখ্যান বের করার কারণ হলো- প্রথমত, মামলার সংখ্যা জানা। দ্বিতীয়ত, মামলা নিষ্পত্তিতে সমস্যাগুলো চিহ্নিত করা। কোন আদালতে কত মামলা, মামলা নিষ্পত্তির জন্য কী পদক্ষেপ গ্রহণ করা দরকার সে বিষয়ে পদক্ষেপ গ্রহণ করার জন্য এই পরিসংখ্যান বলে জানান তিনি।

    এ ছাড়া দেশের সর্বোচ্চ আদালত সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগে বিচারক সঙ্কট রয়েছে। পরপর দুইজন বিচারপতি পদত্যাগ করার পর এই সংঙ্কট তৈরি হয়েছে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগে। তাই বিচারক সঙ্কটে সময় মতো বিচারকাজ সম্পন্ন না হওয়ায় দিনে দিনে মামলার স্তূপ আকার ধারণ করছে। ২০১৮ সালের ১ এপ্রিল থেকে ৩০ জুন ২০১৮ সাল পযন্ত সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগে বিচারাধীন দেওয়ানি মামলার সংখ্যা ১৩,০২৬টি। অন্যদিকে, বিচারাধীন ফৌজদারি মামলা ৬৩৫১টি মামলা। অন্যান্য মামলা ১১৬টি। মোট ১৯৪৯৩টি মামলা আপিল বিভাগে।

    যদিও চলতি বছর সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগে ১৮ জন বিচারপতি নিয়োগ দেয়া হয়েছে। সুপ্রিম কোর্টের দেয়া পরিসংখ্যান অনুযায়ী হাইকোর্ট বিভাগে বিচারাধীন দেওয়ানি মামলার সংখ্যা ৯৪ হাজার ৪৯২টি। অন্যদিকে, বিচারাধীন ফৌজদারি মামলা ৩ লাখ ১২ হাজার ২০৫টি মামলা। রিট ৭৮৯৩৯টি আদিম রিট ৯৭৭৯টি মামলা।

    তবে, সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগে খুব বেশি সংখ্যাক বিচারপতির প্রয়োজন নেই বলে জানালেও আপিল বিভাগে বিচারপতি নিয়োগের কথা জানিয়েছেন আইনমন্ত্রী আনিসুল হক। বর্তমানে সুপ্রিম কোর্টের উভয় বিভাগে প্রায় পাঁচ লাখ মামলা বিচারাধীন রয়েছে।

    হাইকোর্টে বিচারকের সংখ্যা কত হবে তা সংবিধানে নির্ধারণ করা নেই। প্রধান বিচারপতির পরামর্শ ও প্রয়োজন অনুযায়ী বিচারপতি নিয়োগ দিয়ে থাকেন রাষ্ট্রপতি। সংবিধানের ৯৪(২) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ ও হাইকোর্ট বিভাগে বিচারকের সংখ্যা নির্ধারণ ও নিয়োগ করে থাকেন। এ অনুচ্ছেদে বলা হয়, ‘প্রধান বিচারপতি (যিনি ‘বাংলাদেশের প্রধান বিচারপতি’ নামে অভিহিত হবেন) এবং প্রত্যেক বিভাগে আসন গ্রহণের জন্য রাষ্ট্রপতি যেরূপ সংখ্যক বিচারক নিয়োগের প্রয়োজন বোধ করবেন, সেইরূপ সংখ্যক অন্যান্য বিচারক লইয়া সুপ্রিম কোর্ট গঠিত হইবে।’ বিচার বিভাগের সবচেয়ে আলোচিত বিষয় হলো মামলা জট। প্রতিবছর যে পরিমাণ মামলা নিষ্পত্তি হয়, তার চেয়ে মামলা দায়ের হয় অনেক বেশি।

    সর্বশেষ পরিসংখ্যান অনুযায়ী, আপিল বিভাগ ও হাইকোর্ট বিভাগে মোট ৪লাখ ৯৫ হাজার ৪১৫টি মামলা রয়েছে। বিচারিক আদালতে দেওয়ানি মামলা ১২ লাখ ৮৯ হাজার ৮৩৬টি। ফৌজদারি মামলা ১৬ লাখ ৪৮ হাজার ৬০৯টি সহ মোট সংখ্যা ২৯ লাখ ৩৮ হাজার ৪৪৫টি।

    পরিসংখ্যান অনুযায়ী, জনসংখ্যার অনুপাতে বাংলাদেশের বিচারকের সংখ্যা অত্যন্ত নগণ্য। যুক্তরাষ্ট্রে ১০ লাখ মানুষের জন্য ১০৭ জন, কানাডায় ৭৫ জন, ইংল্যান্ডে ৫১ জন, অস্ট্রেলিয়ায় ৪১ জন, ভারতে ১৮ জন বিচারক রয়েছেন। অথচ বাংলাদেশে ১০ লাখ মানুষের জন্য মাত্র ১০ জন বিচারক রয়েছেন। এত অল্পসংখ্যক বিচারক দিয়ে মামলার জট কমানো সম্ভব নয় বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

    এ ব্যাপারে আইনমন্ত্রী আনিসুল হক এক অনুষ্ঠানে বলেছিলেন, আদালতে মামলার জট কমাতে সরকার নানামুখী পদক্ষেপ নিয়েছে। এ বিষয়ে সরকার খুবই আন্তরিক। সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগে বিচারপতি নিয়োগের প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলেও জানান তিনি।

  • তরুণ ভোটাররাই পার করাবে নির্বাচনী বৈতরণী

    তরুণ ভোটাররাই পার করাবে নির্বাচনী বৈতরণী

    কোটা সংস্কার আন্দোলন, নিরাপদ সড়কের দাবিতে কোমলমতি শিক্ষার্থীদের আন্দোলন, বেকার সমস্যা- কোনো কিছুই আওয়ামী লীগের জন্য বাধা হয়ে দাঁড়াবে না। এসব সমস্যা আসছে নির্বাচনে কোনো প্রভাব ফেলবে না। ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগ তরুণ ও যুব সমাজের জন্য যেভাবে কাজ করছে তাতে তরুণ ভোটাররা আবারও আওয়ামী লীগকে বেছে নেবে রাষ্ট্রক্ষমতায়। এবারও তারাই নির্বাচনের বৈতরণী পার করাবে। এমন আত্মবিশ্বাস ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের শীর্ষকর্তাদের।

    বর্তমানে দেশে মোট ভোটার সংখ্যা ১০ কোটি ৪১ লাখ ৪২ হাজার ৩৮১ জন। এর মধ্যে নতুন ভোটার দুই কোটি ৩০ লাখের বেশি। ক্ষমতাসীনদের প্রত্যাশা, একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অধিকাংশ তরুণের ভোট পাবে আওয়ামী লীগ। দলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাদের সঙ্গে কথা বলে এমন তথ্য পাওয়া গেছে।

    তারা জানান, আসছে নির্বাচনে তরুণ ভোটারদের কাছে টানতে বিশেষ উদ্যোগ নিয়েছে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ। আগামী নির্বাচনের জন্য যে ইশতেহার ঘোষণা হবে তাতে তরুণদের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা, নিজের পায়ে দাঁড়াতে বিশেষ ব্যাংক লোনের ব্যবস্থা, বেকার ভাতাসহ নানা প্লাটফর্মে তরুণদের কাজে লাগানোর পরিকল্পনা রয়েছে।

    আওয়ামী লীগের নীতিনির্ধারকদের সঙ্গে আলোচনা করে জানা গেছে, প্রযুক্তিনির্ভর তরুণ ভোটারদের টার্গেট করে, তাদের মন জয় করতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয় কাজ করছেন। বর্তমান সরকার ক্ষমতায় আসার পর থেকে তিনি তরুণদের নিয়ে ভাবছেন। তথ্যপ্রযুক্তির ভেতরে তাদের কীভাবে প্রবেশ করানো যায় সেই চিন্তায় অনবরত কাজ করে যাচ্ছেন তিনি।

    তরুণদের নিয়ে বিভিন্ন সভা-সেমিনার ও সিম্পোজিয়াম করছেন। বিভিন্ন টেলিভিশনে তরুণদের নিয়ে মতবিনিময়, মুক্ত আলোচনাও করছেন। তরুণদের ভাবনায় আওয়ামী লীগ গঠনে মুখ্য ভূমিকা রাখছেন তিনি। নিজের ‘ক্লিন ইমেজ’ নিয়ে তরুণ ভোটারদের মন কাড়ার চেষ্টা করছেন সজীব ওয়াজেদ জয়।

    আওয়ামী লীগের গবেষণা প্রতিষ্ঠান সেন্টার ফর রিসার্চ অ্যান্ড ইনফরমেশন (সিআরআই) তরুণ ভোটারদের টার্গেট করে ‘ইয়ং বাংলা’ প্লাটফর্ম তৈরি করেছে। এর সঙ্গে হাজার হাজার তরুণ-তরুণী সম্পৃক্ত। এ প্লাটফর্মের আওতায় তরুণদের উৎসাহিত করতে ‘জয় বাংলা ইয়ুথ অ্যাওয়ার্ড’ দেয়া হচ্ছে। এ অ্যাওয়ার্ড কর্মসূচিতে তরুণদের আশা-আকাঙ্ক্ষা ও ভবিষ্যৎ নিয়ে কথা বলেন এবং তাদের উৎসাহিত করেন সজীব ওয়াজেদ জয়।

    আওয়ামী লীগের নীতিনির্ধারকরা আরও জানান, আওয়ামী লীগের পক্ষে তরুণ ভোটারদের উদ্বুদ্ধ করতে বিভিন্ন পদক্ষেপ গৃহীত হচ্ছে। সরকারের ১০ বছরের উন্নয়নচিত্র তুলে ধরতে প্রতিটি মন্ত্রণালয়কে নির্দেশ দেয়া হয়েছে। তাদের মতে, নবম সংসদ নির্বাচনের আগে ‘আওয়ামী লীগের ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয়’ লুফে নিয়েছিল তরুণরা। এরই ধারাবাহিকতায় নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে ক্ষমতায় আসে আওয়ামী লীগ। সরকারের প্রথম মেয়াদে এমন পদক্ষেপ নেয়ায় ‘ডিজিটাল বাংলাদেশ’ এখন বাস্তব।

    শিক্ষাব্যবস্থায় তথ্যপ্রযুক্তির ব্যাপক সম্প্রসারণ ছাড়াও প্রশাসন, ব্যাংকিং, চিকিৎসাসেবা, ব্যবসা-বাণিজ্য ও গণযোগাযোগের মাধ্যম হিসেবে তথ্যপ্রযুক্তির ব্যবহারে বাংলাদেশ এখন দক্ষিণ এশিয়ার শীর্ষে। প্রতিটি ইউনিয়নে ইন্টারনেট সংযোগ প্রদান করে ইউনিয়ন তথ্য ও সেবা কেন্দ্র গড়ে তোলা হয়েছে। বাংলাদেশে এখন প্রায় আট কোটি মানুষ ইন্টারনেট ব্যবহার করছেন। থ্রি-জি, ফোর-জি চালু রয়েছে। ফাইভ-জি চালুর প্রক্রিয়া সম্পর্কে সম্প্রতি সজীব ওয়াজেদ জয় বলেছেন, একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জিতলে ফাইভ-জি চালু হবে।

    আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য লে. কর্নেল (অব.) মুহাম্মদ ফারুক খান এ প্রসঙ্গে জাগো নিউজকে বলেন, ‘তরুণরা যেমন আবেগি তেমনি বুদ্ধিমান। কোন সরকার দেশের জন্য কী করেছে- সেটা তারা যেমন বিচার করতে পারে; আবার কোন সরকার ফের ক্ষমতায় এলে কী করবে- তাও তারা নির্ধারণ করতে পারে।’

    তিনি বলেন, এর আগে ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয় নিয়ে আওয়ামী লীগ ভোটের মাঠে গিয়েছিল। এই তরুণরাই ব্যাপকভাবে সাড়া দেয়ায় নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসে। ফলে ডিজিটাল বাংলাদেশ বাস্তবায়ন হয়।

    সাম্প্রতিক সময়ের বিভিন্ন আন্দোলনের পরিপ্রেক্ষিতে আওয়ামী লীগের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হয়েছে কিনা- জানতে চাইলে ফারুক খান বলেন, ‘কোটা সংস্কার আন্দোলন, কোমলমতি শিক্ষার্থীদের আন্দোলন, বেকার সমস্যা- কোনোকিছুই আওয়ামী লীগের জন্য বাধা হয়ে দাঁড়াবে না। এসব সমস্যা একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কোনো প্রভাব ফেলবে না।’

    দলটির অপর প্রেসিডিয়াম সদস্য আবদুল মতিন খসরু বলেন, ‘যুবক ও তরুণদের জন্য সরকার নানামুখী উদ্যোগ বাস্তবায়ন করছে। বেকার যুবকদে স্বাবলম্বী করতে, নিজের পায়ে দাঁড়াতে ব্যাংক লোনের ব্যবস্থা করছে। সরকার আগামীতে যে ১০০টি শিল্পাঞ্চল করছে তাতে কোটি যুবকের কর্মসংস্থান হবে।’

    ‘তরুণ ভোটারদের আওয়ামী লীগের প্রতি আকৃষ্ট করতে নির্বাচনী ইশতেহারেও চমক থাকবে’ উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, ‘যুবক ও তরুণদের টার্গেট করে প্রাথমিক সদস্যপদ দিচ্ছে তৃণমূল আওয়ামী লীগ। ওয়ার্ড ও ইউনিয়ন কমিটিতে অনেককে স্থান দেয়া হচ্ছে। সহযোগী সংগঠন যুবলীগ, যুব মহিলা লীগ, মহিলা আওয়ামী লীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ, তাঁতীলীগ, শ্রমিক লীগসহ অন্যান্য সংগঠনে তরুণ ভোটারদের বিভিন্ন শাখা কমিটিতে স্থান দেয়া হচ্ছে। ফলে তরুণ সমাজের অধিকাংশ ভোট পাবে আওয়ামী লীগ।’

     

  • রোহিঙ্গা তরুণীদের সাথে স্থানীয়দের বিয়ে বাড়ছে

    রোহিঙ্গা তরুণীদের সাথে স্থানীয়দের বিয়ে বাড়ছে

    চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, রাঙ্গামাটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবানে স্থানীয় যুবক ও মিয়ানমারের রোহিঙ্গা তরুণীদের মধ্যে বিয়ের হার অনেক বেড়ে গেছে। এ অবস্থায়  বিভাগের চার জেলায় বিয়ে নিবন্ধনের বিষয়ে কাজিদের প্রতি বিশেষ নির্দেশ জারি করেছে সরকার। তবে মাঠ পর্যায়ে কাজীদের মধ্যে এই প্রজ্ঞাপন এখনো পৌঁছায়নি।

    রোহিঙ্গা তরুণীদের সাথে স্থানীয়দের প্রকাশ্য ও গোপনে বিয়ে অব্যাহত আছে। ‘মানবিকতার বিচারে’ স্থানীয় যুবকেরা অসহায় তরুণীদের বিয়ে করছেন।

    এ অবস্থায় উদ্বিগ্ন হয়ে উঠেছে সরকার। সম্প্রতি আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আইন ও বিচার বিভাগ থেকে জারিকৃত বিশেষ নির্দেশে বলা হয়েছে, মিয়ানমার  থেকে সম্প্রতি বাংলাদেশে অনুপ্রবেশকারী রোহিঙ্গা নারীদের সঙ্গে বাংলাদেশিদের বিয়ের প্রবণতা বেড়ে গেছে। এ অবস্থায় বিয়ে নিবন্ধনে কাজীদের সর্তক থাকতে বলা হয়।

    বান্দরবান কাজি সমিতির সভাপতি মাওলানা আবুল কাসেম জানান, সরকারি এই প্রজ্ঞাপন তারা পেয়েছেন। তারা সর্তকও রয়েছেন।

    তবে রোহিঙ্গা নারীদের সাথে স্থানীয়দের বিয়ে থেমে নেই। কাজীরা বিয়ে রেজিস্ট্রি না করলেও শুধু কলেমা পড়ে অনেকে বিয়ে করছেন এমন অভিযোগ তারা শুনেছেন। মাওলানা আবুল কাসেম জানান, কক্সবাজার, বান্দরবান, রাঙামাটি ও চট্টগ্রাম জেলায় যে কোনও বিয়ের ক্ষেত্রে বর-কনে বাংলাদেশি নাগরিক কি না সেবিষয় নিশ্চিত হয়েই নিবন্ধন করতে বলা হয়েছে। বিয়ের সময় জাতীয় পরিচয়পত্র দেখে জাতীয়তা সম্পর্কে নিশ্চিত হয়ে তবেই নিবন্ধন করতে হবে প্রজ্ঞাপনে।

    স্থানীয়রা জানান, বান্দরবানের সুয়ালকেও গত সপ্তাহেও মরিয়ম (২১) নামে এক রোহিঙ্গা নারীর সাথে স্থানীয় এক যুবকের বিয়ে হয়েছে। তবে বিষয়টি জানাজানি হয়ে পড়ায় বউ নিয়ে যুবক এলাকা ছেড়ে পালিয়েছে।

    এ বিষয়ে বান্দরবান জেলা প্রশাসক আসলাম হোসেন জানিয়েছেন, তারা সর্তক আছেন। যাচাই বাছাই করে বিয়ে নিবন্ধন করতে কাজীদের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

    অবাধে রোহিঙ্গা নারীদের বিয়ে ও মেলা মেশা দেশের জন্য বড় ধরনের সমস্যা তৈরি করবে বলে জানান বিশেষজ্ঞরা। রোহিঙ্গা তরুণীদের অনাগত সন্তান বাংলাদেশের নাগরিকত্ব যেমন দাবি করবে সাথে বিয়ের কিছুদিন পর বিবাহিত রোহিঙ্গারাও বাংলাদেশি বলে দাবি করতে পারে। এ থেকে সৃষ্ট জটিলতা এড়াতে রোহিঙ্গা-বাংলাদেশি বিয়ে বন্ধে এখনই কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি।

  • ড. কামালের বাসায় বৈঠকে যুক্তফ্রন্টের নেতারা

    ড. কামালের বাসায় বৈঠকে যুক্তফ্রন্টের নেতারা

    গণফোরাম সভাপতি ড. কামাল হোসেনের বাসায় বৈঠকে বসেছেন সাবেক রাষ্ট্রপতি অধ্যাপক ডা. এ কিউ এম বদরুদ্দোজা চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন যুক্তফ্রন্ট নেতারা।

    মঙ্গলবার কামাল হোসেনের বেইলি রোডের বাসায় রাত ৮টার দিকে বৈঠকে বসেন যুক্তফ্রন্টের নেতারা।

    বৈঠকে আরও উপস্থিত রয়েছেন জেএসডি সভাপতি অা স ম আবদুল রব, গণফোরাম সাধারণ সম্পাদক মোস্তফা মহসিন মন্টু, নাগরিক ঐক্যের অাহ্বায়ক মাহমুদুর রহমান মান্না, ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী, বিকল্প ধারা মহাসচিব মেজর অব. মান্নান প্রমুখ।

    এর আগে মঙ্গলবার বিকেলে সাবেক রাষ্ট্রপতি অধ্যাপক ডা. এ কিউ এম বদরুদ্দোজা চৌধুরীর বারিধারার বাসায় যুক্তফ্রন্টের এক সভা অনুষ্ঠিত হয়।

    সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন জেএসডি সভাপতি আ স ম আবদুর রব, নাগরিক ঐক্যের আহ্বায়ক মাহমুদুর রহমান মান্না, বিকল্প ধারা মহাসচিব মেজর (অব.) আবদুল মান্নান, জেএসডি সাধারণ সম্পাদক আবদুল মালেক রতন, জেএসডি সহ-সভাপতি তানিয়া রব, বিকল্প ধারা যুগ্ম মহাসচিব মাহি বি চৌধুরী, নাগরিক ঐক্য নেতা শহীদুল্লাহ কায়সার প্রমুখ।

  • খালেদাকে রাজনীতি থেকে চিরতরে বিয়োগ করতে হবে: ইনু

    খালেদাকে রাজনীতি থেকে চিরতরে বিয়োগ করতে হবে: ইনু

    তথ্যমন্ত্রী ও জাসদ সভাপতি হাসানুল হক ইনু বলেন, ‘২০১৮ সালের নির্বাচনটি একারণেই গুরুত্বপূর্ণ যে, এ নির্বাচনের মাধ্যমেই রাজাকার ও রাজাকারদের মাতাস্বরূপ বেগম খালেদা জিয়াকে রাজনীতি থেকে চিরতরে বিয়োগ করতে হবে। তবেই বাংলাদেশ শান্তিপূর্ণভাবে সামনের দিকে এগিয়ে যাবে, আর বিপদে পড়বে না। জঙ্গি-রাজাকার ও এদের পৃষ্ঠপোষকমুক্ত রাজনীতির চূড়ান্ত বিজয়ের জন্য শেখ হাসিনার নেতৃত্ব ও মহাজোটের ঐক্য বজায় রাখতেই হবে।’

    স্বাস্থ্যমন্ত্রী ও ১৪ দলের সমন্বয়ক মোহাম্মদ নাসিমের নেতৃত্বে মঙ্গলবার টুঙ্গীপাড়ায় জাতির পিতার সমাধিতে ১৪ দলের শ্রদ্ধা নিবেদনে অংশ নিয়ে পুষ্পস্তবক ও ফাতেহা পাঠ শেষে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন। খবর বাসসের।

    ইতিহাসের দিকে দৃষ্টিপাত করে মন্ত্রী বলেন, ‘একাত্তরে যে রাজাকার-সাম্প্রদায়িক অপশক্তিকে ‘মাইনাস’ বা বিয়োগ করা হয়েছিল, পঁচাত্তরে বঙ্গবন্ধুর হত্যাকারীরা সেই অপশক্তিকে রাজনীতিতে ‘প্লাস’ বা যোগ করে। এটি একটি জাতীয় দুর্ঘটনা। শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আমরা আবার এদেরকে রাজনীতি থেকে ‘মাইনাস’ করার সংগ্রাম করছি।’

    ‘সাজাপ্রাপ্ত বেগম খালেদা জিয়া ও বিএনপি রাজাকার-জঙ্গি-সাম্প্রদায়িক অপশক্তির সবচেয়ে বড় পৃষ্ঠপোষক’ উল্লেখ করে হাসানুল হক ইনু বলেন, ‘তারা এদেরকে রক্ষা করার সবরকম অপচেষ্টায় লিপ্ত। সেকারণে বাংলাদেশকে নিরাপদ ও শান্তিপূর্ণ করতে হলে এই অপশক্তি ও তাদের পৃষ্ঠপোষক উভয়কেই ‘মাইনাস’ করতে হবে।’

    ‘এখানে মিটমাটের কোনো সুযোগ নেই, যারা এদের সঙ্গে মিটমাটের কথা বলেন, তারা নির্বাচন ও গণতন্ত্রের নামে খুনি ও অপরাধীদের হালাল করতে চান’, বলেন তথ্যমন্ত্রী।

  • ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলায় বিএনপি-জামায়াতের পৃষ্ঠপোষকতা ছিল

    ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলায় বিএনপি-জামায়াতের পৃষ্ঠপোষকতা ছিল

    ২০০৪ সালের ২১ আগস্ট আওয়ামী লীগের সমাবেশে গ্রেনেড হামলার জন্য পুনরায় বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারকে অভিযুক্ত করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, তাদের পৃষ্ঠপোষকতা ছাড়া এই ধরনের জঘন্য হামলা সংঘটিত হতে পারে না।

    মঙ্গলবার বিকেলে প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন গণভবনে জন্মাষ্টমী উপলক্ষে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় অনুষ্ঠানে বক্তব্যকালে তিনি এসব কথা বলেন।

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘তৎকালীন ক্ষমতাসীন বিএনপি-জামায়াত জোটের পৃষ্ঠপোষকতাতেই ২১ আগস্টের সেই হামলা হয়েছিল। তাদের পৃষ্ঠপোষকতা ছাড়া এ ধরনের হামলার ঘটতে পারে না।’

    তিনি আরও বলেন, যুদ্ধের ময়দানে ব্যবহৃত আর্জেজ গ্রেনেড সেখানে ব্যবহার হয়েছিল। কারণ আওয়ামী লীগকে নিশ্চিহ্ন করে দেয়াই এই হামলার উদ্দেশ্য ছিল।

    শেখ হাসিনা বলেন, সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে সভা করতে গিয়ে ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলার শিকার হয়ে নিহত হয়েছিল আওয়ামী লীগের আইভি রহমানসহ ২২ জন নেতা-কর্মী এবং দুইজন অজ্ঞাতনামা ব্যক্তি। আহত হয়েছিল শত শত নেতা-কর্মী।

    তিনি বলেন, ‘প্রধান বিরোধী দলের সন্ত্রাস বিরোধী একটি সভায় এ ধরনের প্রকাশ্য দিবালোকে যে গ্রেনেড হামলা হতে পারে তার নজীর বিশ্বে সম্ভবত আর কোথাও নেই।’

    অনুষ্ঠানের শুরুতেই ফুলের তোড়া দিয়ে হিন্দু সম্প্রদায়ের নেতৃবৃন্দ প্রধানমন্ত্রীকে জন্মাষ্টমীর শুভেচ্ছা জানান।

    অনুষ্ঠানে ধর্মমন্ত্রী অধ্যক্ষ মতিউর রহমান এবং বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ, মহানগর সার্বজনীন পূজা কমিটি, হিন্দু ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্ট ও হিন্দু সম্প্রদায়ের নেতৃবৃন্দের মধ্যে মিলন কান্তি দত্ত, নির্মল কুমার চ্যাটার্জি, শৈলেন্দ্রনাথ মজুমদার, অ্যাডভোকেট কিশোর রঞ্জন পাল, বিমল কান্তি দে, মুক্তিযোদ্ধা গৌরাঙ্গ দে, দেবাশিষ পালিত ও সুব্রত পাল বক্তৃতা করেন।

    অনুষ্ঠানে সারাদেশ থেকে আগত হিন্দু পুরোহিত ও মহারাজসহ সনাতন ধর্মাবলম্বীরা উপস্থিত ছিলেন।

  • বঙ্গোপসাগরে লঘুচাপ, উপকূলে ঝড়ের আশঙ্কা

    বঙ্গোপসাগরে লঘুচাপ, উপকূলে ঝড়ের আশঙ্কা

    উত্তর বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন এলাকায় লঘুচাপের কারণে উত্তর বঙ্গোপসাগর, বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকা এবং সমুদ্র বন্দরসমূহের উপর দিয়ে ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদফতর। এজন্য চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মংলা ও পায়রা সমূদ্র বন্দরসমূহকে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্কতা সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে।

    মঙ্গলবার আবহাওয়াবিদ একেএম নাজমুল হক স্বাক্ষরিত এক বিশেষ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

    বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়, উত্তর বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারসমূহকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত উপকূলের কাছাকাছি থেকে সাবধানে চলাচল করতে বলা হয়েছে। সেই সাথে তাদেরকে গভীর সাগরে বিচরণ না করতে বলা হয়েছে।

    এদিকে, আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, ঢাকা, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় এবং রংপুর, রাজশাহী ও ময়মনসিংহ বিভাগের দু’এক জায়গায় অস্থায়ী দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারী ধরনের বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সাথে দেশের কোথাও কোথাও মাঝারী ধরনের ভারী বর্ষণের সম্ভাবনা রয়েছে।