Category: জাতীয়

  • বিএনপি চলবে স্থায়ী কমিটি ও তারেকের নেতৃত্বে: হাফিজ

    বিএনপি চলবে স্থায়ী কমিটি ও তারেকের নেতৃত্বে: হাফিজ

    স্থায়ী কমিটি ও সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেতৃত্বে বিএনপি চলবে বলে জানিয়েছেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমেদ।

    বৃহস্পতিবার খালেদা জিয়ার সাজা ঘোষণার পর তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় তিনি এ কথা বলেন।

    এদিকে রায় পরবর্তী সংবাদ সম্মেলনে অশ্রুসিক্ত হয়ে পড়েন দলের যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। এসময় সম্মেলনে উপস্থিত মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, নিলুফার চৌধুরী মনি ও বেবী নাজনীনসহ অন্যান্য নেতাকর্মীদেরও কাঁদতে দেখা গেছে।

    এসময় বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবীর রিজভী এ রায়কে প্রতিহিংসামূলক রায় বলে উল্লেখ করেন।

    এর আগে রাজধানী বকশিবাজারের বিশেষ আদালতে জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় ৬৩২ পৃষ্ঠার সারাংশ পড়ে খালেদা জিয়াকে ৫ বছরের জেল। এছাড়া তারেক রহমানসহ বাকি পাঁচ আসামির ১০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ও একইসঙ্গে তাদের ২ কোটি ১০ লাখ ৭১ হাজার টাকা জরিমানা করে রায় ঘোষণা করেন আদালত।

  • জিয়া অরফানেজ মামলায় খালেদার ৫ বছরের জেল

    জিয়া অরফানেজ মামলায় খালেদার ৫ বছরের জেল

    জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় বিএনপি চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়াকে ৫ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। এছাড়া তারেক রহমানসহ মামলার বাকি পাঁচ আসামির প্রত্যেকে ১০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

    বৃহস্পতিবার রাজধানীর বকশীবাজারের আলিয়া মাদ্রাসা মাঠে স্থাপিত ঢাকার ৫নং বিশেষ জজ ড. আখতারুজ্জামান এ রায় ঘোষণা করেন। একই সঙ্গে আসামিদের ২ কোটি ১০ লাখ ৭১ হাজার ৬৭১ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

    মামলার এজহার থেকে জানা যায়, ২০০৮ সালে জিয়া অরফানেজ ট্রাস্টের ২ কোটি ১০ লাখ ৭১ হাজার ৬৭১ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ এনে খালেদা জিয়াসহ ছয়জনের বিরুদ্ধে রমনা থানায় এ মামলাটি করে দুর্নীতি দমন কমিশন।

    এই মামলার অন্য আসামিরা হলেন মাগুরার সাবেক সংসদ সদস্য কাজী সালিমুল হক কামাল, ব্যবসায়ী শরফুদ্দিন আহমেদ, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সাবেক সচিব কামাল উদ্দিন সিদ্দিকী ও সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ভাগ্নে মমিনুর রহমান।

  • কারাগারে খালেদা জিয়া

    কারাগারে খালেদা জিয়া

    ঢাকার নাজিমুদ্দিন রোডের পুরনো কারাগারে নেয়া হয়েছে বিএনপি চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়াকে। জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় রায় শোনার পর বেলা পৌঁনে ৩টার দিকে (১১-৭০৪৪) নম্বরের একটি সাদা জীপ গাড়ীতে করে খালেদা জিয়াকে কারাগারে নিয়ে যাওয়া হয়। কারাগারের ডে কেয়ার সেন্টারে তাকে রাখা হবে।

    এর আগে রাজধানী বকশিবাজারের বিশেষ আদালতে জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় ৬৩২ পৃষ্ঠার সারাংশ পড়ে খালেদা জিয়াকে ৫ বছরের জেল। এছাড়া তারেক রহমানসহ বাকি পাঁচ আসামির ১০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ও একইসঙ্গে তাদের ২ কোটি ১০ লাখ ৭১ হাজার টাকা জরিমানা করে রায় ঘোষণা করেন আদালত।

  • বিএনপির রাজনীতির ইতি টানা হল

    বিএনপির রাজনীতির ইতি টানা হল

    বিএনপির চেয়ারপার্সন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগমা খালেদা জিয়ার রায় নিয়ে সংসদে অনির্ধারিত আলোচানায় অংশ নিয়ে সংসদ সদস্যরা বলেছেন, আদালতের এই রায়ের ফলে বিএনপি আর উঠে দাঁড়াতে পারবে না। বিএনপির রাজনীতির ইতি টানা হলো। তারা আর ক্ষমতায় আসতে পারবে না।
    স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে সংসদের শীতকালীন অধিবেশনে আজ জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলার আদালতের ঘোষিত রায়কে স্বাগত জানিয়ে অনির্ধারিত আলোচনায় অংশ নিয়ে তারা একথা বলেন। পয়েন্ট অব অর্ডারে এ আলোচনার সূত্রপাত করেন আওয়ামী লীগের সভাপতিমন্ডলীর সদস্য শেখ ফজলুল করিম সেলিম। আলোচনায় অংশ নেন জাসদের একাংশের সাধারণ সম্পাদক শিরীন আখতার, অপর অংশের সাধারণ সম্পাদক নাজমুল হক প্রধান, তরীকত ফেডারেশনের চেয়ারম্যান সৈয়দ নজিবুল বশর মাইজভান্ডারী, বাংলাদেশ ন্যাশনালিস্ট ফ্রন্টের সভাপতি এস এম আবুল কালাম আজাদ ও সংরক্ষিত নারী আসনের সদস্য ফজিলাতুন নেসা বাপ্পি।
    জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলার ঘোষিত রায়ে খালেদা জিয়ার শাস্তিকে ‘আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার এক অনন্য দৃষ্টান্ত’ উল্লেখ করে তারা বলেন, অন্যায় করলে কেউ পার পায় না, আইনের উর্ধ্বে কেউ-ই নয়, আজ তা প্রমাণ হয়েছে। এই মামলার রায় দেশের জন্য একটি দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে। দুর্নীতি, হত্যা, অর্থ পাচার ও জঙ্গিবাদ চালিয়ে আর পার পাওয়া যাবে না, এটাও প্রমাণিত হয়েছে। এসময় তারা আরো বলেন, শুধু দুর্নীতি মামলায় নয়, আন্দোলনের নামে শত শত মানুষকে পুড়িয়ে হত্যা, বিদেশে অর্থ পাচার এবং সাম্প্রদায়িক সন্ত্রাসের অপরাধেও খালেদা জিয়ার বিচার করতে হবে। তারা (বিএনপি) যে অপরাধ করেছে, দেশের মানুষ আর তাদের গ্রহণ করবে না, বরং প্রত্যাখ্যানই করবে।
    শেখ ফজলুল করিম সেলিম প্রশ্ন রেখে বলেন, পাশ্ববর্তী দেশে মুখ্যমন্ত্রী জয় ললিতা, বিহারের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী লালু প্রসাদ যাদবের দুর্নীতির বিচার হয়েছে, তারা তো কোন বিশৃঙ্খলা করেনি, নাটক সাজায়নি। তবে খালেদা জিয়ার মামলার ক্ষেত্রে কেন করা হবে? এই রায়ের মাধ্যমে প্রমাণিত হয়েছে এদেশে আর দুর্নীতিবাজ অপরাধীরা পার পাবে না। খালেদা জিয়ার সৌদি আরবে টাকা পাচারের যে তথ্য বেরিয়েছে, সেটিরও বিচার হবে। তারা যে অপরাধ করেছে, দেশের মানুষ আর তাদের গ্রহণ করবে না, প্রত্যাখ্যান করবে। তিনি বলেন, শেখ হাসিনা ক্ষমতায় এসে বলেছিলেন দেশে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করা হবে, আইনের দৃষ্টিতে সবাই সমান। বঙ্গবন্ধু ও যুদ্ধাপরাধীদের বিচার হয়েছে। খালেদা জিয়ার দুর্নীতির বিচার হলো। এর মধ্যে দিয়ে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা হয়েছে।
    তিনি আরো বলেন, খালেদা জিয়ার এই মামলা ১০ বছর ধরে চলেছে। মামলা যাতে না চলে সে জন্য বিভিন্নভাবে মামলাকে বাধাগ্রস্ত করা হয়েছে। বার বার হাজিরার তারিখ পাল্টানো হয়েছে, ৩ জন বিচারককে পাল্টানো হয়েছে। পুলিশের উপর হামলা হয়েছে, আসামি ছিনিয়ে নেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, পুলিশ খালেদা জিয়াকে আদালতে আনার সময় যে পথে আনতে চেয়েছে তিনি সেই পথে যাননি। যে পথে গেছেন সেই পথে বিএনপির কর্মীরা সিনক্রিয়েট করার চেষ্টা করেছে। পুলিশের সঙ্গে মারমুখি আচরণ করেছে। পুলিশ ধৈর্য্যরে সঙ্গে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রেখে তাকে আদালতে নিয়েছে। এরা অপরাধ করবে, দুর্নীতি করবে, অথচ তাদের কিছু বলা যাবে না। তিনি বলেন, মামলার রায় বানচালের জন্য লন্ডনে বাংলাদেশের হাইকমিশনে হামলা করে বঙ্গবন্ধু ও প্রধানমন্ত্রীর ছবি ভাংচুর করা হয়েছে। তিনি আরো বলেন, জেনারেল জিয়া বঙ্গবন্ধু হত্যার বিচার, জেল হত্যার বিচার, যুদ্ধাপরাধীদের হত্যার বিচার বন্ধ করে দিয়েছিল। তার দল বিএনপির মুখে গণতন্ত্রের কথা শোভা পায় না। জেনারেল জিয়ার মতো মার্শাল ল গণতন্ত্র এ দেশে আর কোনদিন আসবে না।
    জাসদের শিরীন আখতার বলেন, জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলার রায়ের মাধ্যমে বিচারহীনতার সংস্কৃতি থেকে দেশ বের হয়ে এসেছে। দীর্ঘ ১০ বছর পর হলেও দুর্নীতির মামলায় জনগণের প্রত্যাশিত রায়ই হয়েছে খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে। এ রায়কে কেন্দ্র করে কোথায় প্রতিবাদ হয়নি, বরং সারাদেশের মানুষ স্বস্তি প্রকাশ করেছেন।
    সৈয়দ নজিবুল বশর মাইজভান্ডারী বলেন, অন্যায় করলে কেউ পার পায় না আজ তা প্রমাণ হয়েছে। আইনের উর্ধ্বে কেউ-ই নয়। এই মামলার রায় দেশের জন্য দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে। মানুষ পাপ করতে করতে এমন একটা জায়গায় যায়, আল্লাহ তার সাজা দেয়।
    জাসদের নাজমুল হক প্রধান বলেন, খালেদা জিয়া যুদ্ধাপরাধীদের সঙ্গে ক্ষমতার ভাগাভাগি করে বাংলাদেশকে আফগানিস্তানে পরিণত করতে চেয়েছিলেন। দীর্ঘ ১০ বছর পর এই রায় হলো। বর্তমান সরকার বিচার বিভাগের স্বাধীনতায় বিশ্বাস করে বলেই অনেকদিন পর বঙ্গবন্ধু হত্যা ও যুদ্ধাপরাধীদের বিচার হয়েছে। যুদ্ধাপরাধীদের রক্ষা করতে খালেদা জিয়া বছরের পর বছর অগ্নিসন্ত্রাস ও নাশকতা চালিয়েছেন। সাজা মেনে নিয়ে দেশে নিয়মতান্ত্রিক রাজনীতির পথে ফিরে আসার জন্য বিএনপি নেত্রীর প্রতি আহবান জানান তিনি।
    এস এম আবুল কালাম আজাদ বলেন, দুর্নীতি কারণেই আদালত সাজার রায় ঘোষণা করেছে। জনগণ আবার আতঙ্কিত হয়েছিল যে উনি (খালেদা জিয়া) হয়তে আবারো অতীতের মতো লাগাতার অবরোধের ঘোষণা দেবেন। এটা না দেওয়ায় তাকে ধন্যবাদ জানাই। দশ বছর পরে হলেও এতিমের টাকা মেরে খাওয়ায় আদালত খালেদা জিয়াকে জেল দিয়েছে, এর মাধ্যমে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠিত হয়েছে তিনি দাবি করেন।
    ফজিলাতুন নেসা বাপ্পি বলেন, ঐতিহাসিক এই রায়ের মাধ্যমে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার রায়। ঠিকানায় নিজের বাড়িতে এতিম খানা দেখিয়ে কোটি কোটি টাকা আত্মসাত করেছিলেন খালেদা জিয়া। এতিমের হক মেরে খেয়ে কেউ পার পায় না, তা প্রমাণ হয়েছে। কুখ্যাত খুনী ও দুর্নীতিবাজ তারেক রহমান গুন্ডা বাহিনী লেলিয়ে দিয়ে লন্ডনে বাংলাদেশের দূতাবাসে হামলা চালিয়েছে। তারও বিচার হবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

  • বরিশালে জনসভায় যা বললেন প্রধানমন্ত্রী

    বরিশালে জনসভায় যা বললেন প্রধানমন্ত্রী

    প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা বলেছেন, বিএনপি দুর্নীতি করেছে। এতিমের টাকা চুরি করেছে। দেশের সাধারণ মানুষকে পুড়িয়ে মেরেছে। যারা মানুষ পুড়িয়ে মারে, দুর্নীতি করে তাদের বিচার এভাবেই হয়। জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার সাজার প্রসঙ্গ তুলে প্রধানমন্ত্রী বলেন, জিয়া এতিমখানার নামে কোটি টাকার দুর্নীতি করেছে বিএনপি। আজ তাদের সাজা হয়েছে। লজ্জা থাকলে ভবিষ্যতে আর দুর্নীতি করবে না খালেদা জিয়া।

    বৃহস্পতিবার বিকেলে বরিশাল নগরীর বঙ্গবন্ধু উদ্যানে জেলা ও নগর আওয়ামী লীগ আয়োজিত জনসভায় প্রধান অতিথির ভাষণে এসব কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী। জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আবুল হাসানাত আবদুল্লাহর সভাপতিত্বে জনসভায় আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

    দেশের চলমান উন্নয়নের প্রসঙ্গ তুলে শেখ হাসিনা বলেন, আজ দেশের সর্বক্ষেত্রে উন্নয়নের সুবাতাস বইছে। সেই উন্নয়নের ছোঁড়া বরিশাল ও দক্ষিণাঞ্চলের সর্বত্র লেগেছে। বরিশালে অনেক ব্রিজ-কালভার্ট ও সড়ক নির্মাণ করেছি আমরা। ভোলার গ্যাস পাইপ লাইনের মাধ্যমে বরিশালে নেয়া হবে জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, প্রতিটি ঘরে বিদ্যুৎ ও গ্যাসের শতভাগ চাহিদা পূরণ করতে কাজ করছে সরকার। ২০২১ সালের মধ্যে দেশের শতভাগ মানুষ বিদ্যুৎ পাবে। প্রতিটি ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ পৌঁছে দেয়া হবে। ভোলা থেকে উৎপাদিত গ্যাস বরিশালে নেয়া হবে।

    বিকেলে বরিশাল বঙ্গবন্ধু উদ্যানে আওয়ামী লীগ আয়োজিত জনসভা থেকে ৭২টি উন্নয়ন কাজের উদ্বোধন ও ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন প্রধানমন্ত্রী। যার মধ্যে ৩৯টি উন্নয়ন কাজ ও ৩৩টি ভিত্তিপ্রস্তের উদ্বোধন করেন। এর আগে সকালে পটুয়াখালীর লেবুখালী থেকে শেখ হাসিনা সেনানিবাস ছাড়াও ১৬টি উন্নয়ন কাজের উদ্বোধন ও ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করে তিনি। যেখানে ১৪টি উন্নয়ন কাজের উদ্বোধন ও ১টি ভিত্তিপ্রস্ত স্থাপন করেন। সকাল সোয়া ১১টার সময় প্রধানমন্ত্রী হেলিকপ্টারে করে সেনানিবাসের বরিশাল অংশের বাকেরগঞ্জ পৌঁছান শেখ হাসিনা। পরে পটুয়াখালীর লেবুখালী অংশে যান। লেবুখালী অংশে কর্মসূচি শেষে প্রধানমন্ত্রী হেলিকপ্টারে বরিশাল শহীদ আব্দুর রব সেরনিয়াবাত স্টেডিয়ামে (জেলা স্টেডিয়াম) আসেন।

    পরে সেখান থেকে গাড়ি বহরে বঙ্গবন্ধু উদ্যানের বিকেল সাড়ে তিনটার দিকে জনসভা স্থলে যোগ দেন প্রধানমন্ত্রী। বরিশাল জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আবুল হাসানাত আবদুল্লাহর সভাপতিত্বে জনসভা চলছে। সমাবেশে প্রধানমন্ত্রী ছাড়াও আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় নেতারা উপস্থিত রয়েছেন। দুপুর পৌনে ২টায় আনুষ্ঠানিক ভাবে জনসভার কাজ শুরু হয়। তবে দুপুরের আগে থেকে জনসভাস্থলে আওয়ামী লীগ নেতা-কর্মীদের ঢল নামে। সড়ক, নৌপথে বরিশালের বিভিন্ন এলাকার ছাড়াও আশপাশের জেলার নেতা-কর্মীরা জনসভায় যোগ দিয়েছে।

    বরিশাল বঙ্গবন্ধু উদ্যানের জনসভা থেকে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর একাডেমিক ভবন, বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ সিপাহী মোহাম্মদ মোস্তফা কামাল একাডেমিক ভবন, শহীদ আবদুর রব সেরনিয়াবাত কেন্দ্রীয় লাইব্রেরি, বঙ্গবন্ধু হল, শেখ হাসিনা হল, শেরে বাংলা হল, সরকারি শিশু পরিবার বালিকা (দক্ষিণ), নব নির্মিত ডরমেটরি ভবন, কল কারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদফতর আধুনিকায়ন ও শক্তিশালীকরণ শীর্ষক ভবন, বরিশাল বিভাগীয় ও জেলা শিল্পকলা একাডেমি, জেলা মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স ভবন, বাবুগঞ্জ উপজেলা ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স স্টেশন (বি-টাইপ), মেহেন্দীগঞ্জ থানা কমপ্লেক্স ভবন, আগৈলঝাড়া উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স ভবন, গৌরনদী উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স ভবন, গৌরনদী উপজেলা পরিষদের ভবন, উজিরপুর উপজেলার হারত-বানারীপাড়া বর্ডার রাস্তায় ২৮০ মিটার প্রিস্ট্রেস গার্ডার সেতু, বাকেরগঞ্জ উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স ভবন, হিজলা উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স ভবন, মুলাদী উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স ভবন,, বানারীপাড়া উপজেলার চৌমোহনা জিসি-বানারীপাড়া হেড কোয়ার্টার ভায়া বিশারকান্দি, ওমারের পাড় রাস্তায় নান্দুহার নদীর উপর ২০৯ মিটার আরসিসি গার্ডার সেতু, মেহেন্দীগঞ্জ উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স ভবন, উলানীয়া-কালীগঞ্জ সেতু, দেশরত্ন শেখ হাসিনা মহাবিদ্যালয়ের একাডেমিক ভবন, ৩০০০ মেট্রিক টন ধারণ ক্ষমতা সম্পন্ন বীজ প্রক্রিয়াজাতকরণ ও সংরক্ষণাগার, ২০০০ মেট্রিক টন ধারণ ক্ষমতা সম্পন্ন আলু বীজ হিমাগার, ১৬ এমএলভি শোধন ক্ষমতা সম্পন্ন সার্ফেস ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্ট, ৩১ শয্যা বিশিষ্ট মেহেন্দীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, বিভাগীয় পাসপোর্ট ও ভিসা অফিস, শহীদ আরজু মনি সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে সপ্তম তলা একাডেমিক ভবন, শহীদ আবদুর রব সেরনিয়াবাত সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে সপ্তম তলা একাডেমিক ভবন, বরিশাল ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ, হিজলা ডিগ্রি কলেজের ৪র্থ তলা একাডেমিক ভবন, সংহতি মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয়, উলানিয়া মোজাফফর খান ডিগ্রি কলেজের ৪র্থ তলা একাডেমিক ভবন, বঙ্গবন্ধু অডিটোরিয়াম ভবন, কড়াপুর ১০ শয্যা বিশিষ্ট মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্র, হিজলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সকে ৩১ শয্যা হতে ৫০ শয্যায় উন্নীতকরণ, ৪নং মাহিলাড়া ইউনিয়ন পরিষদ কমপ্লেক্স ভবন, মুলাদী ইউনিয়ন পরিষদ কমপ্লেক্স ভবন উদ্বোধন করেন শেখ হাসিনা। এছাড়া প্রধানমন্ত্রী বরিশাল পুলিশ সুপার কার্যালয়, বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশ লাইন্স, মহিলা কারারক্ষীদের বাসভবন, বিভাগীয় হিসাব নিয়ন্ত্রকের কার্যালয়, বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের সদর দফতর ভবন, শহীদ আবদুর রব সিরনিয়াবাত টেক্সটাইল ইনস্টিটিউট, কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র (টিটিসি), ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স, মুলাদী থানা ভবন, বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল সংলগ্ন নার্সিং হোস্টেল, শহীদ আবদুর রব সেরনিয়াবাত অডিটোরিয়াম ভবন, উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স ভবন, আগৈলঝাড়া উপজেলা পরিষদ কমপ্লেক্স ভবন, উজিরপুর উপজেলার সাতলা চৌমোহনী রাস্তায় কঁচা নদীর উপর ৪০৫ মিটার পিসি গার্ডার সেতু, বরিশাল সদর উপজেলার মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স ভবন, মেহেন্দীগঞ্জ উপজেলার সায়েস্তাবাদ জিসি হিজলা উপজেলা হেডকোয়ার্টার ভায়া গাজীর হাট, কাজীর হাট জিসি, মিয়ারহাট এবং একতার হাট সড়কে ৪৪০ মিটার পিসি গার্ডার সেতু নির্মাণ, হিজলা উপজেলার কাউরিয়া বাজার থেকে মেমানিয়া টেকেরহাট ভায়া মৌলভীরহাট রাস্তার উন্নয়নসহ গার্ডার সেতু নির্মাণ, ফরিদপুর-ভাঙ্গা-বরিশাল-পটুয়াখালী-কুয়াকাটা

    জাতীয় মহাসড়ক চার লেনে উন্নীতকরণ, বরিশাল (দিনারেরপুল)-লক্ষ্মীপাশা-দুমকী জেলা মহাসড়কের ১৪তম কিলোমিটারে রাঙ্গামাটি নদীর উপর গোমা সেতু নির্মাণ, জেলা সমাজ সেবা কমপ্লেক্স ভবন, শেখ কামাল আইটি ট্রেনিং অ্যান্ড ইনকিউবেশন সেন্টার স্থাপন, বরিশাল জেলায় আইটি পার্ক স্থাপন, শহীদ স্মরণিকা ডিগ্রি কলেজের ৪র্থ তলা একাডেমিক ভবন নির্মাণ, মেহেন্দীগঞ্জ মহিলা কলেজের ৪র্থ তলা একাডেমিক ভবন নির্মাণ, শহীদ সুকান্তবাবু শিশুপার্ক, মিয়ারচর ১০ শয্যা বিশিষ্ট মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্র, বাহাদুরপুর ১০ শয্যা বিশিষ্ট মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্র, বরিশাল জেলার সদগর উপজেলার কীর্তনখোলা নদীর ভাঙন থেকে চরবাড়ীয়া এলাকা রক্ষা প্রকল্প, বরিশাল জেলা সদরের সঙ্গে মেহেন্দীগঞ্জ উপজেলা সদরের যোগাযোগ ও ভূমি পুনরুদ্ধারের জন্য মাসকাটা নদীর উপর ক্রসড্যাম নির্মাণ, বরিশাল জেলার সাতলা-বাগধা প্রকল্পের পোল্ডার পুনর্বাসন প্রকল্প, হিজলা উপজেলার মেমানিয়া হিজলা-গৌরনদী, হরিনাথপুর ও ধুলখোলা ইউনিয়নে সাবমেরিন ক্যাবল ও ৩৫০ কিলোমিটার বিদ্যুৎ বিতরণ লাইন নির্মাণ করে বিদ্যুতায়ন কার্যক্রম, দুধল ইউনিয়ন পরিষদ কমপ্লেক্স ভবন, ফরিদপুর ইউনিয়ন পরিষদের কমপ্লেক্স ভবন ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন। প্রধানমন্ত্রী পটুয়াখালীর লেবুখালী থেকে ৫০ শয্যা বিশিষ্ট ডায়াবেটিক হাসপাতাল, মির্জাগঞ্জ উপজেলাধীন দেউলী ১০ শয্যা বিশিষ্ট মা ও শিশুকল্যাণ কেন্দ্র, বাউফল উপজেলার সাবুপুরা ১০ শয্যা বিশিষ্ট মা ও শিশুকল্যাণ কেন্দ্র, পটুয়াখালীর সরকারি শিশু পরিবারের (বালিকা) নব নির্মিত হোস্টেল ভবন, কাজী আবুল কাশেম স্টেডিয়াম, দশমিনা উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স ভবন, কলাপাড়া উপজেলার পশ্চিম চাকামইয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়-কাম সাইক্লোন সেন্টার, কলাপাড়া উপজেলার পূর্ব ডালবুগঞ্জ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়-কাম সাইক্লোন সেন্টার, বাউফল উপজেলার হোগলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়-কাম সাইক্লোন সেন্টার, বাউফল উপজেলার ধানদি মডেল হাইস্কুল-কাম সাইক্লোন সেন্টার, কলাপাড়ার মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স, গলাচিপা মুক্তিযোদ্ধা স্মৃতি কমপ্লেক্স, জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে ডিজিটাল পাবলিসিটি স্ক্রিন, শহীদ শেখ কামাল স্মৃতি কমপ্লেক্সের (অডিটোরিয়াম) উদ্বোধন এবং গলাচিপা উপজেলা পরিষদের প্রশাসনিক ভবন সম্প্রসারণ ও হল রুমের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন।

  • বরিশালে লুসি হল্টের হাতে ভিসা ফি-মুক্ত পাসপোর্ট তুলে দেন প্রধানমন্ত্রী

    বরিশালে লুসি হল্টের হাতে ভিসা ফি-মুক্ত পাসপোর্ট তুলে দেন প্রধানমন্ত্রী

    প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাত থেকে ১৫ বছরের জন্য ভিসা ফি-মুক্ত পাসপোর্ট নিলেন ব্রিটিশ নাগরিক লুসি হেলেন ফ্রান্সিস হল্ট। এ সময় তাকে স্থায়ীভাবে বাংলাদেশের নাগরিকত্ব দেওয়া যায় কিনা সে বিষয়টি বিবেচনা করা হবে বলে আশ্বস্ত করেছেন প্রধানমন্ত্রী।

    বৃহস্পতিবার (৮ ফেব্রুয়ারি) ব‌রিশা‌লের জেলা প্রশাসক মো. হা‌বিবুর রহমান জানান, জনসভায় ভাষণ দেওয়ার আগে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সমাবেশস্থলে থাকা বিভিন্ন প্রকল্পের ফলক উম্মোচন করেন। এরপরই সম্মাননা স্বরূপ প্রধানমন্ত্রী লুসি হল্টের হাতে ১৫ বছরের জন্য ভিসা ফি-মুক্ত পাসপোর্ট তুলে দেন।

    অবশেষে ৫৭ বছর ধরে বাংলাদেশকে ভালোবেসে কাজ করা ব্রিটিশ নাগরিক লুসি হেলেন ফ্রান্সিস হল্টের ভিসা ফি মওকুফ ক‌রে ১৫ বছরের জন্য ভিসা (এম ক্যাটাগ‌রি‌তে) ব‌র্ধিত করা হ‌য়ে‌ছে। গত সপ্তাহের বৃহস্পতিবার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সুরক্ষা সেবা বিভাগের জৈষ্ঠ্য সহকারী সচিব (বহিরাগমন-২)মনিরা হকের স্বাক্ষরিত এক নো‌টি‌শে এ তথ্য নিশ্চিত হওয়া গেছে। ৫৭ বছর আগে অক্সফোর্ড মিশনের একজন কর্মী হিসেবে ব্রিটিশ নাগরিক লুসি হেলেন ফ্রান্সিস হল্ট বাংলাদেশে এসেছিলেন। সেবার হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন মানুষের প্রতি। মুক্তিযুদ্ধের সময় যুদ্ধাহতদের সেবা করেছেন জীবনের মায়া ত্যাগ করে। দেশ স্বাধীনের পরও তিনি বাংলাদেশ ছেড়ে যাননি। তিনি ভালোবেসেছেন এখানকার মানুষকে। তাই তো মৃত্যুর পরও যেন তাকে বরিশালের মাটিতে সমাধিস্থ করা হয়, সেই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন লুসি।

    প্রতিবছর ভিসা নবায়ন ফি দিতে সমস্যা হওয়ার ফলে ভিসা নবায়ন ফি মওকুফসহ বাংলাদেশি নাগরিকত্বের জন্য দাবি জানিয়েছিলেন তিনি। ইতোপূর্বে জেলা প্রশাসন থেকে তার লুসির এ আবেদন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছিলো। তবে এটা তাদের আওতাভুক্ত না হওয়ায় কোনো ফলাফল পাওয়া যায়নি। বর্তমান জেলা প্রশাসক আসার পরপরই নতুন করে আবেদন তৈরি করেন এবং স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে তা পাঠান। যার কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই লুসি হল্টের ভিসা ফি মওকুফ করে ১৫ বছরের অগ্রিম ভিসা দেওয়া হয়।

    ১৯৩০ সালের ১৬ ডিসেম্বর যুক্তরাজ্যের সেন্ট হ্যালেন্সে জন্মগ্রহণ করেন লুসি। লুসির বাবা জন হল্ট ও মা ফ্রান্সিস হল্ট। ১৯৪৮ সালে উচ্চ মাধ্যমিক পাস করা লুসির বড় বোন রুট অ্যান রেভা ফেলটন স্বামী ও তিন ছেলে নিয়ে ব্রিটেনেই বসবাস করেন। লুসি ১৯৬০ সালে প্রথম বাংলাদেশে আসেন এবং যোগ দেন বরিশাল অক্সফোর্ড মিশনে। কর্মজীবন থেকে ২০০৪ সালে অবসরে যাওয়া লুসি এখনও দুঃস্থ শিশুদের মানসিক বিকাশ ও ইংরেজি শিক্ষা দেওয়ার পাশাপাশি শিশুদের জন্য তহবিলও সংগ্রহ করছেন।

  • লজ্জা থাকলে খালেদা আর দুর্নীতি করবে না- বরিশালে প্রধানমন্ত্রী

    লজ্জা থাকলে খালেদা আর দুর্নীতি করবে না- বরিশালে প্রধানমন্ত্রী

    শেখ সুমন :

    প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা বলেছেন, বিএনপি দুর্নীতি করেছে। এতিমের টাকা চুরি করেছে। দেশের সাধারণ মানুষকে পুড়িয়ে মেরেছে। যারা মানুষ পুড়িয়ে মারে, দুর্নীতি করে তাদের বিচার এভাবেই হয়।

    জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার সাজার প্রসঙ্গ তুলে প্রধানমন্ত্রী বলেন, জিয়া এতিমখানার নামে কোটি টাকার দুর্নীতি করেছে বিএনপি। আজ তাদের সাজা হয়েছে। লজ্জা থাকলে ভবিষ্যতে আর দুর্নীতি করবে না খালেদা জিয়া।

    বৃহস্পতিবার বিকেলে বরিশাল নগরীর বঙ্গবন্ধু উদ্যানে জেলা ও মহানগর আওয়ামী লীগ আয়োজিত জনসভায় প্রধান অতিথির ভাষণে এসব কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী। জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আবুল হাসানাত আবদুল্লাহর সভাপতিত্বে জনসভায় আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

    উপস্থিত ছিলেন জেবুন্নেসা আফরোজ(এম.পি),এ.কেেএম আউয়াল (এম.পি ),এ্যাড.ধিরেন্দ্র দেবনাথ ( এম.পি ),যুব মহিলালীগ সভাপতি অধ্যাপক নাজমা আক্তার, পংকজ দেবনাথ (এম.পি ),তালুকদার মো: ইউনুস ( এম.পি ),  আওয়ামী লীগ কেন্দ্রীয় কমিটির আন্তজাতিক সম্পাদক ড. শাম্মি আহম্মেদ, আইন বিষয়ক সম্পাদক স.ম রেজাউল করীম, ত্রান ও পূনরবাসন সম্পাদক সুজিত রায়, আ.স.ম. বাহাউদ্দিন নাসিম ( এম.পি. ), আ.রহমান ( এম.পি ) , জাহাঙ্গীর কবির নানক (এম.পি ),মাহাবুবুল উলুম হানিফ ( এম.পি ),কৃষিমন্ত্রী মতিয়া চৌধুরী, বাণিজ্য মন্ত্রী তোফায়েল আহম্মেদ, শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেনন  আমু, আওয়ামী লীগ এর সাধারন সম্বপাদক ওবায়দুল কাদের ( এম.পি ) সহ অন্য়ান্ন।

    দেশের চলমান উন্নয়নের প্রসঙ্গ তুলে শেখ হাসিনা বলেন, আজ দেশের সর্বক্ষেত্রে উন্নয়নের সুবাতাস বইছে। সেই উন্নয়নের ছোঁয়া বরিশাল ও দক্ষিণাঞ্চলের সর্বত্র লেগেছে। বরিশালে

    অনেক ব্রিজ-কালভার্ট ও সড়ক নির্মাণ করেছি আমরা। ভোলার গ্যাস পাইপ লাইনের মাধ্যমে বরিশালে নেয়া হবে জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, প্রতিটি ঘরে বিদ্যুৎ ও গ্যাসের শতভাগ চাহিদা পূরণ করতে কাজ করছে সরকার। ২০২১ সালের মধ্যে দেশের শতভাগ মানুষ বিদ্যুৎ পাবে। প্রতিটি ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ পৌঁছে দেয়া হবে। ভোলা থেকে উৎপাদিত গ্যাস বরিশালে নেয়া হবে।

    এর আগে বরিশাল বঙ্গবন্ধু উদ্যানে আওয়ামী লীগ আয়োজিত জনসভা থেকে ৩৯ টি উন্নয়ন কাজের উদ্বোধন ও ৩৩টি ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন প্রধানমন্ত্রী। সকালে পটুয়াখালীর লেবুখালী থেকে শেখ হাসিনা সেনানিবাস ছাড়াও ১৫টি উন্নয়ন কাজের উদ্বোধন ও ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন প্রধানমন্ত্রী। যেখানে ১৪টি উন্নয়ন কাজের উদ্বোধন ও ১টি ভিত্তিপ্রস্ত স্থাপন করেন তিনি।

  • মানুষ উন্নয়নের সুফল উপভোগ করছে

    মানুষ উন্নয়নের সুফল উপভোগ করছে

    প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আমাদের সরকার জনগণের সরকার। আমাদের লক্ষ্যই হল দেশ ও জাতির সার্বিক উন্নয়ন ও কল্যাণ। ৯ বছরে আর্থ-সামাজিক প্রতিটি খাতে আমরা যুগান্তকারী উন্নয়ন করেছি। বাংলাদেশ আজ বিশ্বে উন্নয়নের রোল মডেল। মানুষ এখন উন্নয়নের সুফল উপভোগ করছে। দেশের অর্থনীতিকে আমরা শক্তিশালি করেছি। উন্নয়নের ৯০ ভাগ কাজই নিজস্ব অর্থায়নে করেছি। আজ বরিশাল বিভাগের পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলার লেবুখালীতে পায়রা নদীর তীরে ‘শেখ হাসিনা সেনানিবাস’ উদ্বোধন ও ৭ পদাতিক ডিভিশন সদর দপ্তর এবং দুইটি বিগ্রেড সদর দপ্তরসহ ১১টি ইউনিটের বর্ণিল পতাকা উত্তোলন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে যোগ দিয়ে এসব কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

    এ সময় প্রধানমন্ত্রী এমপি গেইটে ফলক উম্মোচনের মাধ্যমে ‘শেখ হাসিনা সেনানিবাস’ পটুয়াখালীর ১৪টি উন্নয়ন প্রকল্পের উদ্বোধন এবং সেনাবাহিনীর ১৫টি ও পটুয়াখালীর ১টি প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর ফলক স্থাপন করেন। প্রধানমন্ত্রী আনুষ্ঠান স্থলে পৌঁছালে তাকে রাষ্ট্রীয় সালাম প্রদান করেন সেনাবাহিনীর একটি দল। পরে সেনাবাহিনীর কর্মকর্তাদের সাথে কনফারেন্সে যোগ দেন প্রধানমন্ত্রী।

    অনুষ্ঠানে মন্ত্রীপরিষদের সদস্যবৃন্দ, সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল আবু বেলাল মোহাম্মদ শফিউল হক, ৭ পদাতিক ডিভিশনের জিওসি মেজর জেনারেল মো. সাইফুল আলম, নৌ বাহিনী প্রধান এডমিরাল নিজামউদ্দিন আহমেদ, বিমান বাহিনী প্রধান এয়ার চীফ মার্শাল আবু এসরার ও সংসদ সদস্যবর্গ, সাবেক সেনাবাহিনী প্রধানগণ কুটনীতিকগণ এবং উচ্চ পর্যায়ের সামরিক ও বেসামরিক ব্যাক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

    প্রধানমন্ত্রী তার বক্তব্যে আরো বলেন, বর্তমানে জিডিপির প্রবৃদ্ধি হার ৭.২৮ শতাংশ। দারিদ্রের হার ২০০৫ সালের ৪১ শতাংশ থেকে কমে ২২ শতাংশে নেমে এসেছে। মাথাপিছু আয় ২০০৫ সালের ৫৪৩ ডলার থেকে বেড়ে ১ হাজার ৬১০ ডলারে উন্নীত হয়েছে। একই সময়ে রপ্তানি আয় ও বিদেশ থেকে প্রেরিত রেমিট্যান্সের পরিমাণ তিনগুন বৃদ্ধি পেয়েছে। বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ৯ গুণ বৃদ্ধি পেয়ে ৩৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলার পর্যন্ত পৌছেছে। চলতি অর্থ বছরে বৈদেশিক বিনিয়ােগে ৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। ডিজিটাল বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা করেছি। প্রতিটি ইউনিয়নে ডিজিটাল সেন্টার স্থাপন করা হয়েছে। বিদ্যুত উৎপাদন সক্ষমতা এখন ১৬ হাজার ৩৫০ মেগাওয়াট। ৯০ ভাগ মানুষ বিদ্যুৎ সুবিধা পাচ্ছে। পারমানুবিক কেন্দ্র স্থাপন করছি।

    শেখ হাসিনা বলেন, স্বাস্থ সেবা আজ মানুষের দোর গোড়ায়। মানুষের গড় আয়ু বেড়ে হয়েছে ৭২ বছর। মেট্রোরেল, পায়রা বন্দর, কর্ণফুলী নদীর তলদেশে টানেল এবং এলএনজি টার্মিনাল নির্মাণের কাজ এগিয়ে চলছে। খুব শিগগিরই বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট উৎক্ষেপন করা হবে।
    প্রধানমন্ত্রী বলেন, সকল ষড়যন্ত্রকে মোকাবেলা করে আমরা নিজস্ব অর্থায়নে পদ্মা সেতু নির্মাণ করছি। ইতোমধ্যে পদ্মা সেতুর ৫০ ভাগ কাজ সমাপ্ত হয়েছে। আমি বিশ্বাস করি, এ সকল প্রকল্প বাস্তবায়ন হলে দেশের অর্থনীতি আরো শক্তিশালী হবে। জনগণের জীবন-মান উন্নত হবে।
    শেখ হাসিনা বলেন, স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তীতে ২০২১ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে আমরা মধ্যম আয়ের এবং ২০৪১ সালের আগেই উন্নত সমৃদ্ধ দেশে পরিণত করব, ইনশাআল্লাহ।
    তিনি আরো বলেন, আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি, এই ডিভিশনের প্রত্যেক সদস্যের পেশাগত দক্ষতা ও কর্মচাঞ্চল্যে ৭ পদাতিক ডিভিশন একটি অনুকরণীয় ডিভিশনে পরিণত হবে। এই সেনানিবাস হবে বাংলাদেশের সবচেয়ে সুন্দর এবং কার্যকর একটি সেনানিবাস।

    অনুষ্ঠান শেষে উপস্থিত অতিথিবৃন্দের সাথে প্রীতিভোজে অংশগ্রহণ করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। প্রধানমন্ত্রীর সফর ঘিরে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে।

  • নাম পরিবর্তন করে অসাধু ব্যক্তিরা অনৈতিক সুবিধা নিতে পারে : আইনমন্ত্রী

    নাম পরিবর্তন করে অসাধু ব্যক্তিরা অনৈতিক সুবিধা নিতে পারে : আইনমন্ত্রী

    সংসদ কাজে নির্বাচন কমিশনের দায়িত্বপ্রাপ্ত আইনমন্ত্রী আনিসুল হক বলেছেন, জাতীয় পরিচয়পত্র একটি গুরুত্বপূর্ণ দলিল এবং এর তথ্য খুবই স্পর্শকাতর। জম্ম তারিখ বা নাম পরিবর্তন করে কিছু অসাধু ব্যক্তি অনৈতিক সুবিধা গ্রহণ করতে পারে। যেমন মামলা- মকদ্দমা থেকে অব্যাহতি চাওয়া, জমি-জমার মালিকানা হস্তান্তর, চাকরি প্রাপ্তি ইত্যাদি। সেকারণে উপযুক্ত প্রমাণাদি পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে সঠিকতা নিশ্চিত হয়েই তবে জম্ম তারিখ বা নাম পরিবর্তনের মত স্পর্শকাতর বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়া সমীচীন হবে।

    জাতীয় সংসদের শীতকালীন অধিবেশনে মঙ্গলবার টেবিলে উত্থাপিত প্রশ্নোত্তর পর্বে মো. আবদুল্লাহর (লক্ষীপুর-৪) লিখিত প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী এসব কথা জানান।

    আনিসুল হক বলেন, এনআইডি সার্ভিস ইসলামী ফাউন্ডেশনে থাকাকালীন জনবল স্বল্পতা, স্থান সংকটসহ কিছু সীমাবদ্ধতা ছিল। নির্বাচন কমিশন যা চিহ্নিত করে ইতিমধ্যে প্রয়োজনীয় জনবল সংগ্রহ, কিউ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম স্থাপন, আবেদন জমা ও কার্ড বিতরণ কাউন্টার স্থাপন, সম্মানিত প্রবাসী ও সিনিয়র সিটিজেনদের জন্য আলাদা কাউন্টার স্থাপন, আবেদনকারীরদের বসার সুবন্দোবস্থাসহ নানামুখী পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। তাছাড়া বর্তমানে নিজ নিজ উপজেলা অফিসে বসে এনআইডির প্রয়োজনীয় কাজ বা সংশোধন সম্ভব হয়েছে। তবে শুধুমাত্র হারানো/ নষ্ট হওয়া এনআইডি জরুরি সেবা পাওয়ার জন্য আগরগাঁওয়ের নির্বাচন প্রশিক্ষণ ভবনে সেবা পাওয়া সম্ভব। তা ছাড়া আবেদনকারীকে তার এনআইডি কার্ডের আবেদন জমার পরে ধাপে ধাপে তাদের দেয়া মোবাইল ফোনে অগ্রগতি জানান হয়। সেজন্য হয়রানি কমেছে বলেও জানান আইনমন্ত্রী।

    তিনি জানান, ইসি কতৃক বাস্তবায়িত ‘কনস্ট্রাকশন অব উপজেলা এন্ড রিজিওনাল সার্ভার স্টেশনস ফর ইলেকট্ররাল ডাটাবেজ ’ প্রকল্পের আওতায় ২০০৮ সাল থেকে ২০১৬ মেয়াদে সারা দেশে ৯টি আঞ্চলিক অফিস, ৫৪টি জেলা নির্বাচন অফিস, ৩৯৪টি উপজেলা নির্বাচন অফিস ও ৯টি থানা নির্বাচন অফিস নির্মান ও ক্রয় করা হয়েছে। ঢাকা মহানগরীতে জমির মূল্য অত্যধিক হওয়ায় ৭টি থানা নির্বাচন অফিস স্পেস ক্রয় করা হয়। এগুলো হলো- ধানমণ্ডি, মোহম্মদপুর, তেজগাঁও, গুলশান, মিরপুর, পল্লবী ও ক্যান্টনমেন্ট।

  • সাংবাদিকরা ৩২ ধারায় ফাঁসলে লড়বেন আইনমন্ত্রী

    সাংবাদিকরা ৩২ ধারায় ফাঁসলে লড়বেন আইনমন্ত্রী

    আইনমন্ত্রী আনিসুল হক বলেছেন, ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের ৩২ ধারা সাংবাদিকদের কাজকে বাধাগ্রস্ত করবে না। সাংবাদিকদের কাজ গুপ্তচরবৃত্তি নয়। তাঁরা তথ্য সংগ্রহ করেন বা করবেন প্রতিবেদন তৈরির স্বার্থে। সরকারের গোপন তথ্য সরকারের শত্রু বা বিদেশের কাছে সরবরাহ করার জন্য নয়।

    আজ মঙ্গলবার সকালে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে ল রিপোর্টার্স ফোরাম আয়োজিত ‘মিট দ্য প্রেস’ অনুষ্ঠানে আইনমন্ত্রী আনিসুল হক এ কথা বলেন। অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে আইনমন্ত্রী বলেন, কোনো সাংবাদিক তাঁর বস্তুনিষ্ঠ প্রতিবেদন প্রকাশের জন্য যদি ৩২ ধারায় অভিযুক্ত হন, তাহলে তিনি (আইনমন্ত্রী) নিজে বিনা পারিশ্রমিকে তাঁর (সাংবাদিক) পক্ষে মামলা লড়বেন।

    গত ৩০ জানুয়ারি মন্ত্রিসভায় ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের খসড়া অনুমোদন করা হয়। এর মাধ্যমে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) আইনের বিতর্কিত ৫৭ ধারা বাতিল করলেও নতুন আইনে ৫৭ ধারার বিষয়বস্তুগুলো চারটি ধারায় ভাগ করে রাখা হয়েছে। এ জন্য আলাদা আলাদা শাস্তির বিধান রাখা হচ্ছে। আইসিটি আইনে ৫৭ ধারায় মানহানি, ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত, রাষ্ট্রের ভাবমূর্তি, সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্টসহ আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটানোসংক্রান্ত বিষয়গুলো একত্রে ছিল।

    নতুন আইনের ৩২ ধারা নিয়ে সবচেয়ে বেশি আপত্তি উঠেছে। এতে বলা হয়েছে, কোনো ব্যক্তি বেআইনিভাবে প্রবেশের মাধ্যমে কোনো সরকারি, আধা সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত বা বিধিবদ্ধ কোনো সংস্থার অতিগোপনীয় বা গোপনীয় তথ্য-উপাত্ত কম্পিউটার, ডিজিটাল যন্ত্র, কম্পিউটার নেটওয়ার্ক, ডিজিটাল নেটওয়ার্ক বা অন্য কোনো ইলেকট্রনিক মাধ্যমে ধারণ, প্রেরণ বা সংরক্ষণ করেন বা করতে সহায়তা করেন, তাহলে সেই কাজ হবে কম্পিউটার বা ডিজিটাল গুপ্তচরবৃত্তির অপরাধ। এই অপরাধের জন্য সর্বোচ্চ ১৪ বছরের কারাদণ্ড বা সর্বোচ্চ ২৫ লাখ টাকা অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ড হবে। কেউ যদি এই অপরাধ দ্বিতীয়বার বা বারবার করেন, তাহলে তাঁকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বা সর্বোচ্চ এক কোটি টাকা অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ড ভোগ করতে হবে।