Category: জাতীয়

  • ৮ তারিখ যেমন কুকুর, তেমন মুগুর: কাদের

    ৮ তারিখ যেমন কুকুর, তেমন মুগুর: কাদের

    বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে করা মামলার রায়ের দিন বিএনপির বিশৃঙ্খলার চেষ্টা করলে আইন শৃঙ্খলা বাহিনী অবস্থা বুঝে ব্যবস্থা নেবে বলে জানিয়েছেন ওবায়দুল কাদের।

    আওয়ামী লীগ নেতা-কর্মীদের সেদিন কোনো উস্কানিতে পা না দিতে আহ্বান জানিয়ে কাদের বলেন, যেমন কুকুর, তেমন মুগুর। কুকুরের যেমন ঘেউ ঘেউ, মুগুরটাও ঠিক তেমনি নেমে আসবে। ও নিয়ে আপনাদের ভাবার দরকার নেই। আপনারা শুধু সতর্ক  থাকবেন।

    রবিবার বিকালে বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবলীগের উদ্যোগে ‘বিএনপির সন্ত্রাস, নৈরাজ্য  ও জঙ্গিবাদী’  রাজনীতির প্রতিবাদে যুব সমাবেশে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এ কথা বলেন।

    আগামী ৮ ফেব্রুয়ারি জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলার রায় ঘোষণাকে কেন্দ্র করে এরই মধ্যে রাজনৈতিক অঙ্গন উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে। খালেদা জিয়ার সাজা হলে কঠোর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দিচ্ছে আর আওয়ামী লীগ বলছে, বিশৃঙ্খলা করলে ব্যবস্থা নেয়ার।

    ওবায়দুল কাদের নেতা-কর্মীদের সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়ে বলন, জানমালের নিরাপত্তা রক্ষায় আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী উদ্ভুত পরিস্থিতি মোকাবেলা করবে।

    আওয়ামী লীগ নেতা বলেন, ৮ তারিখে খালেদা জিয়ার মামলার রায়কে কেন্দ্র করে আজকে বিভিন্নভাবে উত্তেজনা ছড়ানো হচ্ছে। আমি পরিস্কারভাবে বলে দিতে চাই যে আমরা কারো সাথে পাল্টাপাল্টিতে যাব না। আমরা ক্ষমতায় আছি শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দেশ চালাচ্ছি।

    আমাদের এখন মাথা গরমের সুযোগ নেই, ঠান্ডা মাথায় পরিস্থিতি মোকাবেলা করতে হবে।

  • প্রশ্ন ফাঁস- জড়িতদের ধরিয়ে দিলে ৫ লাখ টাকা পুরস্কার

    প্রশ্ন ফাঁস- জড়িতদের ধরিয়ে দিলে ৫ লাখ টাকা পুরস্কার

    শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদশিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদচলতি মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের ধরিয়ে দিলে পাঁচ লাখ টাকা পুরস্কার দেওয়া হবে। একইসঙ্গে প্রশ্ন ফাঁসের বিষয়ে ১১ সদস্যের উচ্চপর্যায়ের কমিটি গঠন করা হয়েছে। আজ রোববার শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে এক সভা শেষে এ ঘোষণা দেন শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ।

    আজ সচিবালয়ে পাবলিক পরীক্ষাসংক্রান্ত জাতীয় মনিটরিং কমিটির জরুরি সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভা শেষে বিকেলে শিক্ষামন্ত্রী সাংবাদিকদের বলেন, চলতি এসএসসি পরীক্ষায় প্রশ্নপত্র ফাঁসের বিষয়ে একটি উচ্চপর্যায়ের কমিটি করা হয়েছে। প্রশ্ন ফাঁসের অভিযোগের সত্যতা যাচাই করবে ওই কমিটি। কমিটির সুপারিশ অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
    শিক্ষামন্ত্রী বলেন, প্রশ্নপত্র ফাঁসের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের ধরিয়ে দিতে পারলে পাঁচ লাখ টাকা পুরস্কার দেওয়া হবে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রশ্ন ছড়াচ্ছে যারা, তারা ধরা পড়বেই। এটা সময়ের ব্যাপার মাত্র। এ ছাড়া সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এসব ছড়ানো বন্ধের বিষয়ে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনকে (বিটিআরসি) বলা হয়েছে।
    তিনি আরও জানান, কেন্দ্রসচিব ছাড়া পরীক্ষার কেন্দ্রে কেউ মোবাইল ফোন নিয়ে গেলে তাকে সঙ্গে সঙ্গে গ্রেপ্তার করা হবে। এ ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আর কোনো পরীক্ষার্থী হলে মোবাইল ফোন নিয়ে গেলে তার পরীক্ষা বাতিল করা হবে।

    উল্লেখ্য, পূর্বসিদ্ধান্ত অনুসারে কেন্দ্রসচিব পরীক্ষার হলে শুধু একটি সাধারণ মানের ফোন নিতে পারবেন। প্রশ্নপত্র ফাঁসের বিরুদ্ধে এবার ব্যাপক কড়াকড়ি ব্যবস্থা নেওয়া হলেও প্রথম দুই দিনে বাংলা প্রথম ও দ্বিতীয় পত্রের প্রশ্ন পরীক্ষা শুরুর আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে যায়। মূল প্রশ্নের সঙ্গে তা মিলেও যায়।

    শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কারিগরি ও মাদ্রাসা বিভাগের সচিব মো. আলমগীরের নেতৃত্বে গঠিত ১১ সদস্যের উচ্চপর্যায়ের কমিটিতে থাকবেন মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ, জনপ্রশাসন, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, পুলিশ, বিটিআরসি, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক শাখা এবং শিক্ষা বোর্ডের প্রতিনিধিরা।
    শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, ওই কমিটি পরীক্ষা বাতিলের সুপারিশ করলে পরীক্ষা বাতিল করা হবে।
    এদিকে বহুনির্বাচনী প্রশ্ন (এমসিকিউ) তুলে দেওয়ার বিষয়ে একটি সেমিনার করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী।

    সারা দেশে মোট ৩ হাজার ৪১২টি কেন্দ্রে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা ১ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হয়। আটটি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডসহ মোট ১০ বোর্ডে এবার মোট পরীক্ষার্থী ২০ লাখ ৩১ হাজার ৮৯৯ জন। এর মধ্যে শুধু আট বোর্ডের এসএসসি পরীক্ষার্থী ১৬ লাখ ২৭ হাজার ৩৭৮ জন।

  • বরিশালে প্রধানমন্ত্রীর সফর ঘিরে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা- আসছে এসএসএফ

    বরিশালে প্রধানমন্ত্রীর সফর ঘিরে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা- আসছে এসএসএফ

    বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলার রায় আগামী ৮ ফেব্রুয়ারি ঘোষণা করা হবে। মামলার রায়কে কেন্দ্র করে ৮ ফেব্রুয়ারি রাজপথে থাকার ঘোষণা দিয়েছে বিএনপি ও ২০ দলীয় জোটের শরিক দল। ওই দিনই বরিশাল সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা।

    প্রধানমন্ত্রীর সফর ঘিরে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। পুরো সফর-সূচি সাজানো হচ্ছে নিরাপত্তার ছক ধরে। সংশ্লিষ্ট ভেন্যুগুলোতে বিশেষ নিরাপত্তা বাহিনী ছাড়াও থাকছে বোমা নিষ্ক্রিয়কারী দল। আশপাশে থাকবে প্রয়োজনীয় সংখ্যক র‌্যাব ও পুলিশ। নিরাপত্তা ব্যবস্থা ঢেলে সাজাতে দফায় দফায় অনুষ্ঠিত হচ্ছে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর বৈঠক।

    এদিকে রোববার প্রধানমন্ত্রীর আসার আগেই তার নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা এসএসএফ’র একটি দল বরিশালে এসে পৌঁছেছে। রোববার বেলা ১১টার দিকে নগরীর বান্দ রোড পুলিশ অফিসার্স মেসের সম্মেলন কক্ষে প্রধানমন্ত্রীর আগমন উপলক্ষে আইন-শৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা-সংক্রান্ত বিষয়ে প্রস্তুতিসভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। মহানগর পুলিশ কমিশনার এসএম রুহুল আমিনের সভাপতিত্বে সভায় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন- জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট তালুকদার মো. ইউনুস এমপি, আওয়ামী লীগ নেতা মাহাবুব উদ্দিন আহমেদ বীর বিক্রম, শেবাচিম হাসপাতালের পরিচালক ডা. আবুল ফজল, সিভিল সার্জন ডা. মো. মনোয়ার হোসেন, গোয়েন্দা সংস্থার (ডিজিএফআই) সিইও কর্নেল শরিফুজ্জামান, বরিশাল র‌্যাব-৮ এর সিইও উইং কমান্ডার হাসান ইমন আল রাজিব প্রমুখ।

    মহানগর পুলিশের মুখপাত্র সহকারী কমিশনার মো. শাখাওয়াত হোসেন জানান, জনসভাস্থলসহ বরিশাল নগরীজুড়ে বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। বিপুল-সংখ্যক পুলিশ নিরাপত্তার দায়িত্বে মোতায়েন থাকবে। যে কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা রোধে নগরীর প্রত্যেকটি ছাত্রাবাস, মেস ও আবাসিক হোটেলগুলোতে নজরদারি বৃদ্ধি করা হয়েছে।

    মহানগর পুলিশের মুখপাত্র সহকারী কমিশনার মো. শাখাওয়াত হোসেন জানান, প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা এসএসএফ’র একটি দল রোববার বরিশালে এসে পৌঁছেছে। তাদের সঙ্গে আলোচনা করে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেয়া হবে। সবকিছু মিলিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সফরকে ঘিরে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা ব্যবস্থা থাকবে বরিশালে।

    জেলা পুলিশ সুপার সাইফুল ইসলাম বলেন, হেলিকপ্টারযোগে ৮ ফেব্রুয়ারি বরিশালের বাকেরগঞ্জ উপজেলার পায়রা নদীর তীরে লেবুখালী এলাকায় অবতরণ করবেন প্রধানমন্ত্রী। সেখানে শেখ হাসিনা সেনানিবাসের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনসহ বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের উদ্বোধন করবেন। সেখান থেকে হেলিকপ্টারযোগে বরিশাল স্টেডিয়ামে অবতরণ করবেন। এরপর বঙ্গবন্ধু উদ্যানে প্রধানমন্ত্রী বরিশাল জেলা ও মহানগর আওয়ামী লীগ আয়োজিত জনসভায় প্রধান অতিথি হিসেবে ভাষণ দেবেন।

    জেলা পুলিশ সুপার সাইফুল ইসলাম বলেন, প্রধানমন্ত্রীর সফরকে ঘিরে নজিরবিহীন নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে। নিরাপত্তার চাদরে মুড়িয়ে ফেলা হবে গোটা জেলা।

  • বরিশালে ৪২ প্রকল্পের উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী- যোগ দেবেন আ.লীগের জনসভায়

    বরিশালে ৪২ প্রকল্পের উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী- যোগ দেবেন আ.লীগের জনসভায়

    আগামী ৮ ফেব্রুয়ারি ( বৃহস্পতিবার) প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বরিশাল সফরকে ঘিরে চলছে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি। সফরে বিভিন্ন উন্নয়নমূলক প্রকল্পের উদ্বোধন ও ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করার কথা রয়েছে প্রধানমন্ত্রীর। এছাড়াও তিনি যোগ দেবেন আওয়ামী লীগ আয়োজিত জনসভায়।

    প্রধানমন্ত্রীর সফরে উদ্বোধন ও ভিত্তিপ্রস্তরে অপেক্ষমান অর্ধশতাধিক প্রকল্পের তালিকা বরিশাল জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে করা হয়েছে। এরমধ্যে এ পর্যন্ত ৪২টি উদ্বোধনযোগ্য বিভিন্ন উন্নয়নমূলক প্রকল্প ও ৩৩টি ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনযোগ্য বিভিন্ন উন্নয়নমূলক প্রকল্প রয়েছে বলে জানিয়েছেন বরিশালের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. আবুল কালাম আজাদ।

    তিনি জানান, সর্বোশেষ ৭৫টি প্রকল্পের তালিকা আমরা প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে পাঠিয়েছি। যারমধ্যে উদ্বোধনযোগ্য ও ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনযোগ্য প্রকল্প রয়েছে। তবে যেকোনো সময় এগুলো পরিবর্তন হতে পারে। না হলে এগুলোই চূড়ান্ত। উদ্বোধনযোগ্য বিভিন্ন উন্নয়নমূলক প্রকল্পগুলোর মধ্যে রয়েছে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর একাডেমিক ভবন, বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ সিপাহি মোহাম্মদ মোস্তফা কামাল একাডেমিক ভবন, শহীদ আবদুর রব সেরনিয়াবাত কেন্দ্রীয় লাইব্রেরি, বঙ্গবন্ধু হল, শেখ হাসিনা হল, শেরে বাংলা হল।

    বরিশাল গণপূর্ত বিভাগের আওতাধীন সরকারি শিশু পরিবার বালিকা (দক্ষিণ) বরিশালের নিবাসীদের নব নির্মিত ডরমিটরি ভবন, বরিশাল সদরে কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদফতরের আধুনিকায়ন ও শক্তিশালীকরণ শীর্ষক ভবন নির্মাণ প্রকল্প, বরিশাল বিভাগীয় ও জেলা শিল্পকলা একাডেমি নির্মাণ প্রকল্প, জেলা মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স ভবন, বাবুগঞ্জ ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স স্টেশন (বি-টাইপ), মেহেন্দিগঞ্জ থানা কমপ্লেক্স ভবন।

    স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদফতরের আওতায় আগৈলঝাড়া, গৌরনদী, বাকেরগঞ্জ, হিজলা, মুলাদী, মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স ভবন, গৌরনদী উপজেলা পরিষদ কমপ্লেক্স ভবন, উজিরপুর উপজেলার হারতা-বানারীপাড়া বর্ডার রাস্তায় ২৮০ মিটার প্রি-স্ট্রেস গার্ডার ব্রিজ, বানারীপাড়া উপজেলাধীন চৌমোহনা জিসি-বানারীপাড়া হেড কোয়ার্টার ভায়া বিশারকান্দি, ওমারের পাড় রাস্তায় নান্দুগার নদীর ওপর ২৯০ মিটার আরসিসি গার্ডার ব্রিজ, মেহেন্দিগঞ্জের উলানিয়া-কালীগঞ্জ ব্রিজ।

    জেলা পরিষদের আওতাধীন মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলার দেশ রত্ন শেখ হাসিনা মহাবিদ্যালয়ের একাডেমিক ভবন। বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশনের আওতায় বরিশালে সদরে অবস্থিত ৩ হাজার মেট্রিক টন ধারন ক্ষমতা সম্পন্ন বীজ প্রক্রিয়াজাতকরণ ও সংরক্ষণাগার, ২ হাজার মেট্রিক টন ধারন ক্ষমতা সম্পন্ন আলু বীজ হিমাগার। জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদফতরের

    আওতাধীন বরিশাল নগরের রুপাতলী এলাকায় ১৬ এমএলডি শোধন ক্ষমতাসম্পন্ন সার্ফেস ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্লান্ট, ৩১ শয্যা বিশিষ্ট মেহেন্দিগঞ্জে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স। বিভাগীয় পাসপোর্ট ও ভিসা অফিস।

    শিক্ষা প্রকৌশল অধিদফতরের আওতাধীন শহীদ আরজু মনি ও শহীদ আবদুর রব সেরনিয়াবাত সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের পৃথক সাত তলা দু’টি একাডেমিক ভবন, বরিশাল ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ, হিজলা ডিগ্রি কলেজের ৪ তলা একাডেমিক ভবন, হিজলার সংহতি মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয়, মেহেন্দিগঞ্জের উলানিয়া মোজাফ্ফর খান ডিগ্রি কলেজের চারতলা একাডেমিক ভবন। বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের আওতায় বঙ্গবন্ধু অডিটরিয়াম ভবন। স্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদফতরের আওতায় বরিশাল সদরের কড়াপুর ১০ শয্যা বিশিষ্ট মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্র, হিজলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সকে ৩১ শয্যা থেকে ৫০ শয্যায় উন্নীতকরণের উদ্ভোধন করা হবে। এর বাহিরে পাঁচটি প্রকল্পের নাম এখনো জানা যায়নি।

    অপরদিকে ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনযোগ্য বিভিন্ন উন্নয়নমূলক প্রকল্পগুলোর মধ্যে রয়েছে বরিশাল গণপূর্ত বিভাগের আওতাধীন বরিশাল পুলিশ সুপার (এসপি) অফিস নির্মাণ, বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশ লাইন্স নির্মাণ, নারী কারারক্ষীদের বাসভবন নির্মাণ, বিভাগীয় হিসাব নিয়ন্ত্রকের কার্যালয় নির্মাণ, বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের সদর দফতর ভবন, শহীদ আবদুর রব সেরনিয়াবাত টেক্সটাইল ইন্সটিটিউট নির্মাণ, কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র (টিটিসি) নির্মাণ, মুলাদী থানা ভবন নির্মাণ, বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল সংলগ্ন নার্সিং হোস্টেল নির্মাণ প্রকল্প।

  • বিশ্ব ক্যান্সার দিবস আজ রোববার

    বিশ্ব ক্যান্সার দিবস আজ রোববার

    হুজাইফা রহমানঃ

    ইন্টারন্যাশনাল এজেন্সি ফর রিসার্চ অন ক্যান্সারের (আইএআরসি) অনুমিত হিসাব বলছে, বাংলাদেশে প্রতিবছর নতুন করে ১ লাখ ২২ হাজার মানুষ ক্যান্সারে আক্রান্ত হচ্ছে। আর বছরে মারা যাচ্ছে ৯১ হাজার মানুষ। পাঁচটি বিষয় প্রাণঘাতী এই রোগের জন্য দায়ী। অতিরিক্ত ওজন, ফল ও সবজি কম খাওয়া, শারীরিক কাজের অভাব, তামাক এবং মদ সেবনকে সব ধরনের ক্যান্সারের এক-তৃতীয়াংশের জন্য দায়ী করা হয়। ফ্রান্স লিগ ক্যান্সার অ্যাগেইনস্ট ক্যান্সার (ক্যান্সাররোধী সংগঠন) ও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বলছে, ২০১৫ সালে ক্যান্সারে বিশ্বব্যাপী ৮৮ লাখ রোগী মারা গেছেন।

    প্রতি ছয়জনে মারা গেছেন একজন। হৃদরোগের পরেই ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে সবচেয়ে বেশি মৃত্যু হয়। এই সংগঠনগুলোর মতে, ২০১০ সালে বিশ্বে ক্যান্সার চিকিৎসার ব্যয় ছিল এক লাখ ১৬ হাজার কোটি ডলার। ঝুঁকির ধরন অনুসারে, ৩০ থেকে ৫০ শতাংশ ক্যান্সার নিরাময়যোগ্য। সাধারণত পাঁচ ধরনের ক্যান্সার প্রাণঘাতী। ফুসফুস ক্যান্সারে ১৬ লাখ ৯০ হাজার রোগীর মৃত্যু হয়। এ ছাড়া স্তন ক্যান্সারে ৫ লাখ ৭১ হাজার, পাকস্থলী ক্যান্সারে ৭ লাখ ৫৪ হাজার, কোলন ও অন্ত্র ক্যান্সারে ৭ লাখ ৭৪ হাজার এবং যকৃৎ ক্যান্সারে ৭ লাখ ৮৮ হাজার জনের মৃত্যু হয়েছে।

  • প্রধান বিচারপতি হিসেবে শপথ নিলেন সৈয়দ মাহমুদ হোসেন

    প্রধান বিচারপতি হিসেবে শপথ নিলেন সৈয়দ মাহমুদ হোসেন

    দেশের ২২তম প্রধান বিচারপতি হিসেবে শপথ নিয়েছেন সৈয়দ মাহমুদ হোসেন। শনিবার সন্ধ্যা ৭টা ১০ মিনিটে বঙ্গভবনের দরবার হলে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ প্রধান বিচারপতিকে শপথবাক্য পাঠ করান।

    এ সময় উপস্থিত ছিলেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত, বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ।

    এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন, মন্ত্রিসভার জ্যেষ্ঠ সদস্য, সাবেক প্রধান বিচারপতি, উচ্চ আদালতের জ্যেষ্ঠ আইনজীবীসহ সরকারের পদস্থ বেসামরিক-সামরিক কর্মকর্তারা উপস্থিত থাকবেন।

    শপথ অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ শফিউল আলম।

    রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ শুক্রবার নতুন প্রধান বিচারপতি নিয়োগের আদেশে সই করেন। এর পরপরই পদত্যাগ করেন আপিল বিভাগের জ্যেষ্ঠতম বিচারক মো. আবদুল ওয়াহহাব মিঞা, যিনি প্রধান বিচারপতির দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন।

    বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেন ১৯৫৪ সালের ৩১ ডিসেম্বর কুমিল্লায় জন্মগ্রহণ করেন। তার বাবার নাম সৈয়দ মুস্তফা আলী ও মায়ের নাম বেগম কাওসার জাহান।

    সৈয়দ মাহমুদ হোসেন বিএসসি ও এলএলবি ডিগ্রি অর্জন করেন। এছাড়া লন্ডন ইউনিভার্সিটির স্কুল অব ওরিয়েন্টাল আফ্রিকান স্টাডিজ এবং ইন্সটিটিউট অব অ্যাডভান্সড লিগ্যাল স্টাডিজ থেকে ছয় মাসের ‘কমনওয়েলথ ইয়াং ল ইয়ার্স কোর্স’ করেন তিনি।

    বিএসসি ডিগ্রি নেয়ার পর এলএলবি ডিগ্রি নিয়ে ১৯৮১ সালে আইন পেশায় যুক্ত হন তিনি। তার দুই বছর পর হাইকোর্টে আইনজীবী হিসেবে কাজ শুরু করেন। বিচারক হিসেবে কাজ শুরুর আগে আওয়ামী লীগ সরকার আমলে (১৯৯৯ সালে) ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল হিসেবে কাজ করেছিলেন সৈয়দ মাহমুদ হোসেন।

    ২০০১ সালে আওয়ামী লীগ সরকারের শেষ সময়ে হাইকোর্ট বিভাগের অতিরিক্ত বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ পাওয়া সৈয়দ মাহমুদ হোসেন ২০০৩ সালে বিএনপি সরকারের আমলে একই বিভাগে স্থায়ী বিচারপতি হন। এরপর ২০১১ সালে তিনি আপিল বিভাগের বিচারপতি হিসেবে উন্নীত হন।

    সৈয়দ মাহমুদ হোসেন দুইবার নির্বাচন কমিশন গঠনের জন্য করা সার্চ কমিটির চেয়ারম্যান ছিলেন। এছাড়া তিনি আন্তর্জাতিক অপরাধ টাইব্যুনালেরও চেয়ারম্যান ছিলেন।

    আপিল বিভাগের পাঁচজন বিচারপতির মধ্যে আবদুল ওয়াহহাব মিঞা সবচেয়ে জ্যেষ্ঠ। জ্যেষ্ঠতা বিবেচনায় তার পরেই ছিলেন বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেন।

    জ্যেষ্ঠতার ক্রমে এরপরে রয়েছেন বিচারপতি মো. ইমান আলী, বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকী ও বিচারপতি মির্জা হোসেইন হায়দার।

    এর আগে দেশের ২১তম প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহা পদত্যাগ করেন। প্রধান বিচারপতি হিসেবে তার দায়িত্বপালনের মেয়াদ ছিল ২০১৮ সালের ৩১ জানুয়ারি পর্যন্ত।

  • ৮ ফেব্রুয়ারি প্রধানমন্ত্রীর জনসভা নিয়ে বরিশালবাসীর যত দাবি

    ৮ ফেব্রুয়ারি প্রধানমন্ত্রীর জনসভা নিয়ে বরিশালবাসীর যত দাবি

    দীর্ঘ ৬ বছর পর বরিশালে আসছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আগামী ৮ ফেব্রুয়ারি প্রধানমন্ত্রীর বরিশালে আগমন অনেক গুরুত্ব বহন করছে বলে জানিয়েছেন দলীয় নেতাকর্মীরা। তার আগমনকে ঘিরে বেশ কিছু দাবি রয়েছে বরিশালবাসীর।

    চাওয়া-পাওয়ার বিষয়ে জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও বরিশাল-২ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট তালুকদার মো. ইউনুস বলেন, আমরা পদ্মা সেতু, পায়রা বন্দর, ফোরলেন, রেললাইন না চাইতেই সবই দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।

    এবার জনসভায় বরিশাল বিমানবন্দরকে আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে উন্নীত, বরিশালে মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন, ভোলার গ্যাস বরিশালে আনা, বানারীপাড়া সন্ধ্যা নদীতে সেতু নির্মাণ, পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে যে ভেটেনারি অনুষদ রয়েছে সেটাকে স্বতন্ত্র কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে রুপান্তর করার কথা আমরা নেত্রীর কাছে তুলে ধরবো।

    মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি অ্যাডভোকেট গোলাম আব্বাস চৌধুরি দুলাল বলেন, প্রধানমন্ত্রী আমাদের সবই দিয়েছেন। তারপরও কিছু অসমাপ্ত কাজ রয়েছে সেগুলোর কথা আমরা তাকে বলবো। সাধারণ মানুষের পক্ষ থেকে কিছু নতুন দাবির কথাও তুলে ধরবো।

    সুশীল সমাজের পক্ষ থেকে কিছু দাবি এসেছে। বরিশাল বিএম কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ শিক্ষাবিদ স. ম ইমানুল হাকিম বলেন, ইতোমধ্যে আমরা অনেক কিছু পেয়েছি। প্রধানমন্ত্রীর বরিশালের প্রতি যে সুদৃষ্টি রয়েছে তা যেন আগামীতেও অব্যাহত থাকে সে কামনা করি। দক্ষিণবঙ্গে আজও চালকল নেই, চালকল হলে আমরা এখানকার চাল এখানেই পাবো, চাষিও উপকৃত হবে।

    সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব কাজল ঘোষ বলেন, প্রধানমন্ত্রী কর্মের মধ্য দিয়ে সবার অন্তরে জায়গা করে নিয়েছেন। তিনি সবসময় বরিশালের জন্য কাজ করেছেন। আমরা যারা সংস্কৃতির সঙ্গে সম্পৃক্ত তাদের দীর্ঘদিনের দাবি ছিলো বরিশালে একটা অডিটরিয়ামের, যার কাজও প্রায় শেষের দিকে। শিল্পকলা যেটি পরিত্যক্ত অবস্থায় পড়ে ছিলো তারও আধুনিক ভবন তৈরি হচ্ছে। আমাদের প্রত্যাশা বরিশালের সাংস্কৃতিক অঙ্গন আরও সমৃদ্ধ হবে।

    প্রবীণ সাংবাদিক অ্যাডভোকেট মানবেন্দ্র বটব্যাল বলেন, যদি নির্দিষ্ট করে দাবির কথা ওঠে তবে ভোলার গ্যাস বরিশালে আনা, প্রাকৃতিক গ্যাসের মাধ্যমে বরিশালের গ্যাস-টারবাইন চালানো, কুয়াকাটা পর্যন্ত মহাসড়ক ফোরলেনে উন্নীত করা, ঢাকা-বরিশাল নৌপথ ক্যাপিটাল ড্রেজিং এর আওতায় আনা, বিএম কলেজে আলাদা পরীক্ষার হল নির্মাণ, অর্থনৈতিক জোন দ্রুত নির্মাণ করা উল্লেখযোগ্য।

  • সাতছড়িতে অস্ত্রের ৭টি বাঙ্কারের সন্ধান

    সাতছড়িতে অস্ত্রের ৭টি বাঙ্কারের সন্ধান

    হবিগঞ্জের চুনারুঘাটে সাতছড়ি জাতীয় উদ্যানের অরণ্যে অবৈধ অস্ত্র ও গোলাবারুদ উদ্ধারে আবারও অভিযান চালিয়েছে র‌্যাব। গতকাল শুক্রবার দিবাগত রাতে অভিযানে নামেন র‌্যাব-৯ এর সদস্যরা।

    র‌্যাব-৯ সিলেট ক্যাম্পের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. মনিরুজ্জামান বলেন, চুনারুঘাটে সাতছড়ি জাতীয় উদ্যোনের অরণ্যে অভিযানে ৭টি বাঙ্কারের অস্তিত্বও পাওয়া গেছে। অভিযানে একটি বাঙ্কারের অস্ত্র পাওয়া গেলেও বাকি ৬টিতে এখন কোনো কিছু পাওয়া যায়নি। তবে কি পরিমাণ অবৈধ অস্ত্র ও গোলাবারুদ উদ্ধারে করা হয়েছে তা দুপুর সাড়ে ১২টায় র‌্যাবের ডিজি সংবাদ সম্মেলনে এ ব্যাপারে বিস্তারিত জানাবেন বলেও তিনি জানান।

    এর আগে, ২০১৪ সালে সাতছড়িতে ৪ দফায় ৬ বার অস্ত্র ও গোলাবারুদ পায় র‌্যাব। ১ জুন থেকে ১৭ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ৩ দফায় ৩৩৪টি কামান বিধ্বংসী রকেট, ২৯৬টি রকেট চার্জার, ১টি রকেট লঞ্চার, ১৬টি মেশিনগান, ১টি বেটাগান, ৬টি এসএলআর, ১টি অটো রাইফেল, ৫টি মেশিন গানের অতিরিক্ত খালি ব্যারেল, প্রায় ১৬ হাজার রাউন্ড বুলেটসহ বিপুল পরিমাণ গোলাবারুদ উদ্ধার করেন র‌্যাবের সদস্যরা।

    এরপর ১৬ অক্টোবর থেকে ৪র্থ দফার ১ম পর্যায়ে উদ্যানের গহীন অরণ্যে মাটি খুড়ে ৪র্থ দফায় ৩টি মেশিন গান, ৪টি ব্যারেল, ৮টি ম্যাগজিন, ২৫০ গুলির ধারণক্ষমতা সম্পন্ন ৮টি বেল্ট ও উচ্চক্ষমতা সম্পন্ন একটি রেডিও উদ্ধার করা হয়।

    সর্বশেষ ১৭ অক্টোবর দুপুরে এসএমজি ও এলএমজি’র ৮ হাজার ৩৬০ রাউন্ড, ত্রি নট ত্রি রাইফেলের ১৫২ রাউন্ড, পিস্তলের ৫১৭ রাউন্ড, মেশিনগানের ৪২৫ রাউন্ডসহ মোট ৯ হাজার ৪৫৪ রাউন্ড বুলেট উদ্ধার করা হয়।

  • ৯ বছরে ১২ হাজার নেতা-কর্মী হত্যাকাণ্ডের শিকার

    ৯ বছরে ১২ হাজার নেতা-কর্মী হত্যাকাণ্ডের শিকার

    বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, গত ৯ বছরে ১২ হাজার ৮৫০ জনের বেশি নেতা-কর্মী রাজনৈতিক হত্যাকাণ্ডের শিকার হয়েছেন। তিনি বলেন, ইলিয়াস আলী, চৌধুরী আলমসহ অসংখ্য নেতাকর্মীদের গুম করা হয়েছে। দেশি-বিদেশি বিভিন্ন মানবাধিকার সংগঠন প্রণীত প্রতিবেদনেও বাংলাদেশে বিরাজমান মানবাধিকার পরিস্থিতির উদ্বেগজনক চিত্র তুলে ধরা হয়েছে।

    শনিবার দুপুরে রাজধানীর লা মেরিডিয়ান হোটেলে অনুষ্ঠিত জাতীয় নির্বাহী কমিটির সভায় সাংগঠনিক প্রতিবেদনে এ তথ্য দিয়েছেন ফখরুল।

    বিএনপির এই মুখপাত্র বলেন, সারা দেশে অসংখ্য বিরোধী দলীয় নেতাকর্মীদের মিথ্যা মামলা দিয়ে গ্রেফতার করে নির্যাতন করে এক ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করা হয়েছে। বিচারবহির্ভুত হত্যাকাণ্ড (ক্রসফায়ার) আশঙ্কাজনক হারে বেড়েছে। নিরাপত্তা হেফাজতে মৃত্যুর সংখ্যাও বেড়েছে।

  • পদত্যাগ করলেন ওয়াহ্‌হাব মিঞা

    পদত্যাগ করলেন ওয়াহ্‌হাব মিঞা

    দেশের ২২তম প্রধান বিচারপতি হিসেবে আপিল বিভাগের দ্বিতীয় জ্যেষ্ঠ বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনকে নিয়োগ দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারির পরপরই পদত্যাগ করেছেন গত ২ অক্টোবর থেকে ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতির দায়িত্ব পালন করে আসা আপিল বিভাগের জ্যেষ্ঠ বিচারপতি মো. আবদুল ওয়াহ্হাব মিঞা। দৃশ্যত প্রধান বিচারপতি পদে নিয়োগ না পেয়ে চাকরির মেয়াদের ১০ মাস আগেই পদত্যাগ করলেন ওয়াহ্হাব মিঞা। তবে গতকাল রাষ্ট্রপতির কাছে পাঠানো চিঠিতে তা প্রকাশ করেননি তিনি। পদত্যাগের কারণ দেখিয়েছেন ব্যক্তিগত।

    তার আগে গতকাল দুপুরে রাষ্ট্রপতির প্রেস সচিব মো. জয়নাল আবেদীন সাংবাদিকদের বলেন, ‘নতুন প্রধান বিচারপতি হিসেবে বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনের নিয়োগের আদেশে রাষ্ট্রপতি সই করেছেন। শনিবার সন্ধ্যা ৭টায় নতুন প্রধান বিচারপতিকে শপথ পড়াবেন রাষ্ট্রপতি।’ এরপর বিকালে আইন মন্ত্রণালয় নতুন প্রধান বিচারপতি নিয়োগের প্রজ্ঞাপন জারি করে। ১৯৯৯ সালের ২৪ অক্টোবর হাই কোর্টের বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ পান বিচারপতি ওয়াহ্হাব মিঞা। তার দুই বছর পর ২০০১ সালের শুরুতে হাই কোর্ট বিভাগে বিচারপতির দায়িত্ব শুরু করেন সৈয়দ মাহমুদ হোসেন। এদিকে প্রধান বিচারপতি নিয়োগে স্বস্তি প্রকাশ করেছেন রাষ্ট্রের প্রধান আইন কর্মকর্তা মাহবুবে আলম।

    এদিকে গতকাল সন্ধ্যা ৭টা ১৫ মিনিটে বঙ্গভবনের ফটকের দায়িত্বে থাকা পুলিশ সদস্যরা বিচারপতি ওয়াহ্হাব মিঞার পদত্যাগপত্র গ্রহণ করেন।  রাষ্ট্রপতি বরাবরে দেওয়া ওই পদত্যাগপত্রে তিনি লিখেছেন, ‘আমি নিম্ন স্বাক্ষরকারী, আমার অনিবার্য ব্যক্তিগত কারণবশত সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের বিচারকের পদ হইতে এতদ্বারা পদত্যাগ করিলাম। অনুগ্রহপূর্বক এই পদত্যাগপত্রখানা গ্রহণ করিয়া আমাকে বাধিত করিবেন।’ বিকালে আপিল বিভাগের এই জ্যেষ্ঠ বিচারপতি সুপ্রিম কোর্টের কার্যালয় থেকে নিজের জিনিসপত্র নিয়ে গেছেন বলেও সূত্র নিশ্চিত করেছে। পরে রাতে বিচারপতি ওয়াহ্হাব মিঞার সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন সদ্য নিয়োগ পাওয়া প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেন।

    বিচারপতি আবদুল ওয়াহ্হাব মিঞার পদত্যাগপত্র পেয়েছেন কিনা— এ বিষয়ে জানতে চাইলে তা স্পষ্ট না করে রাষ্ট্রপতির প্রেস সচিব মো. জয়নাল আবেদীন  বলেন, ‘শুক্রবার ছুটির দিন, তাই রাষ্ট্রপতির কাছে এমন কিছু পৌঁছার সম্ভাবনা নেই।’

    বিচারপতি মো. আবদুল ওয়াহ্হাব মিঞাকেই দেশের ২২তম প্রধান বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হতে পারে বলে বিভিন্ন সূত্র থেকে বলা হচ্ছিল। শেষের দিকে তার নিয়োগ অনেকটাই চূড়ান্ত বলে জানিয়েছিল সূত্রগুলো। সর্বশেষ গত বৃহস্পতিবার রাতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদের এক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। ওই বৈঠকে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের, আইনমন্ত্রী আনিসুল হক, অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম উপস্থিত ছিলেন। এ বৈঠকের পরই রাষ্ট্রপতি বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনকে প্রধান বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ দেওয়ার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে নিশ্চিত হওয়া যায়। বিচারপতি ওয়াহ্হাব মিঞাকে প্রধান বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ না দেওয়ার বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের কাছ থেকে কিছু মতামত পাওয়া গেছে। তারা মনে করেন, তত্ত্বাবধায়ক সরকার পদ্ধতি বাতিলে আপিল বিভাগের সংখ্যাগরিষ্ঠ বিচারকের মতে রায় এসেছিল, ওই রায়ে তত্ত্বাবধায়ক সরকার রাখার পক্ষে মত জানিয়েছিলেন বিচারপতি ওয়াহ্হাব মিঞা। যুদ্ধাপরাধী আবদুল কাদের মোল্লার ফাঁসির রায়ের সময় একমাত্র বিচারপতি ওয়াহ্হাব মিঞার দ্বিমত ছিল। এ ছাড়া যুদ্ধাপরাধী দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীকে আপিল বিভাগের অন্য বিচারপতিরা দণ্ড দিলেও তিনি দিয়েছিলেন খালাস। সুপ্রিম কোর্টের তথ্যানুসারে, জামালপুরের প্রয়াত আবদুস সাত্তার মিঞা ও প্রয়াত সৈয়দা তাহেরা বেগমের ঘরে ১৯৫১ সালের ১১ নভেম্বর জন্মগ্রহণ করেন আপিল বিভাগের এই জ্যেষ্ঠ বিচারপতি। ১৯৯৯ সালের ২৪ অক্টোবর তিনি হাই কোর্ট বিভাগের বিচারক হিসেবে নিয়োগ পান। পরে ২০১১ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি তাকে আপিল বিভাগের বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়।

    পদত্যাগের নজির : জ্যেষ্ঠতা লঙ্ঘন করে বিএনপি নেতৃত্বাধীন চারদলীয় জোট সরকারের আমলে আপিল বিভাগের জ্যেষ্ঠ বিচারপতি মো. রুহুল আমিন ও বিচারপতি মোহাম্মদ ফজলুল করিমকে ডিঙিয়ে যথাক্রমে বিচারপতি কে এম হাসান ও বিচারপতি সৈয়দ জে আর মোদাচ্ছের হোসেনকে প্রধান বিচারপতি নিয়োগ দেওয়া হয়। তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলেও বিচারপতি এম এম রুহুল আমিনকে প্রধান বিচারপতি নিয়োগ দেওয়া হয় জ্যেষ্ঠ বিচারক বিচারপতি মোহাম্মদ ফজলুল করিমকে ডিঙিয়ে। আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন মহাজোট সরকারের আমলে বিচারপতি মোহাম্মদ ফজলুল করিমকে ডিঙিয়ে বিচারপতি তাফাজ্জাল ইসলামকে প্রধান বিচারপতি নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল। যদিও পরে বিচারপতি মোহাম্মদ ফজলুল করিমকে প্রধান বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল। প্রধান বিচারপতি এ বি এম খায়রুল হককে নিয়োগ দেওয়া হয় বিচারপতি এম এ মতিন ও বিচারপতি শাহ আবু নাঈম মোমিনুর রহমানকে ডিঙিয়ে। এ ছাড়া সাবেক প্রধান বিচারপতি মো. মোজাম্মেল হোসেনকে নিয়োগের সময়ও ফের বিচারপতি শাহ আবু নাঈম মোমিনুর রহমানকে ডিঙানো হয়। যার ফলে দীর্ঘ ছুটিতে গিয়ে পরে বিচারপতি শাহ আবু নাঈম মোমিনুর রহমান মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই পদত্যাগ করেন। এরপর জ্যেষ্ঠতা লঙ্ঘনের ঘটনায় সবশেষ গতকাল বিচারপতি মো. আবদুল ওয়াহ্হাব মিঞা পদত্যাগ করলেন।

    নতুন প্রধান বিচারপতির শপথ আজ : আপিল বিভাগের দ্বিতীয় জ্যেষ্ঠ বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনকে দেশের ২২তম প্রধান বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ দিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ। গতকাল তার এই নিয়োগ চূড়ান্ত করার পর আজ তাকে শপথের জন্য ডাকা হয়েছে। সন্ধ্যা ৭টায় বঙ্গভবনে নতুন প্রধান বিচারপতিকে শপথ পড়াবেন রাষ্ট্রপতি।

    আড়াই মাস আগে বিচারপতি এস কে সিনহার পদত্যাগের পর আপিল বিভাগের জ্যেষ্ঠতম বিচারপতি হিসেবে প্রধান বিচারপতির দায়িত্ব পালন করছিলেন বিচারপতি মো. আবদুল ওয়াহ্হাব মিঞা। নতুন প্রধান বিচারপতি হিসেবে শপথ গ্রহণের পর সৈয়দ মাহমুদ হোসেনকে দায়িত্ব বুঝিয়ে দিতে হবে তাঁকে। নতুন প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেন অবসরে যাবেন ২০২১ সালের ৩০ নভেম্বর।

    নানা নাটকীয়তার মধ্যে বিচারপতি এস কে সিনহা গত নভেম্বরে পদত্যাগ করার পর থেকে প্রধান বিচারপতির পদটি শূন্য ছিল। রাষ্ট্রপতি তখন আপিল বিভাগের জ্যেষ্ঠ বিচারক মো. আবদুল ওয়াহ্হাব মিঞাকে দায়িত্ব পালন করে যেতে বলেন। সময় গড়ালেও প্রধান বিচারপতি নিয়োগ না হওয়ায় বিভিন্ন অনুষ্ঠানে প্রতিনিয়ত প্রশ্নের মুখে পড়ছিলেন আইনমন্ত্রী আনিসুল হক। সব সময়ই প্রধান বিচারপতি নিয়োগের বিষয়টি রাষ্ট্রপতির এখতিয়ার বলে জানিয়েছেন তিনি। এমনকি গতকাল দুপুরেও বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে এক অনুষ্ঠানে তিনি সাংবাদিকদের বলেছিলেন, ‘আমার মনে হয় রাষ্ট্রপতি আজকেই কিছুক্ষণের মধ্যে বাংলাদেশের প্রধান বিচারপতির নাম ঘোষণা করবেন।’ এর ঘণ্টাখানেকের মধ্যে বঙ্গভবন থেকে তা নিশ্চিত করা হয়। রাষ্ট্রপতির প্রেস সচিব মো. জয়নাল আবেদীন সাংবাদিকদের বলেন, ‘নতুন প্রধান বিচারপতি হিসেবে বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনের নিয়োগের আদেশে রাষ্ট্রপতি সই করেছেন। শনিবার সন্ধ্যা ৭টায় নতুন প্রধান বিচারপতিকে শপথ পড়াবেন রাষ্ট্রপতি।’

    এদিকে গতকাল সন্ধ্যায় প্রধান বিচারপতি নিয়োগের বিষয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে আইন মন্ত্রণালয়। মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা ড. মো. রেজাউল করিম স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ কথা জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ‘সংবিধানের ৯৫(২) অনুচ্ছেদে প্রদত্ত ক্ষমতাবলে রাষ্ট্রপতি বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনকে বাংলাদেশের প্রধান বিচারপতি নিয়োগ করেছেন। এই নিয়োগ তার শপথ গ্রহণের তারিখ থেকে কার্যকর হবে।’ সংবিধানের ৯৫(১) অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, ‘প্রধান বিচারপতি রাষ্ট্রপতি কর্তৃক নিযুক্ত হইবেন এবং প্রধান বিচারপতির সহিত পরামর্শ করিয়া রাষ্ট্রপতি অন্যান্য বিচারককে নিয়োগদান করিবেন।’ আওয়ামী লীগ সরকার আমলে নিয়োগ পাওয়া সৈয়দ মাহমুদ হোসেন বিএনপি সরকার আমলে ২০০৩ সালে হাই কোর্টের স্থায়ী বিচারক হন। ২০১১ সালে তিনি আপিল বিভাগের বিচারক পদে উন্নীত হন। বিচারক হিসেবে কাজ শুরুর আগে তিনি আওয়ামী লীগ সরকার আমলে ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল হিসেবে কাজ করেছিলেন।

    বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনের জন্ম ১৯৫৪ সালের ৩১ ডিসেম্বর। বিএসসি ডিগ্রি নেওয়ার পর এলএলবি ডিগ্রি নিয়ে ১৯৮১ সালে আইন পেশায় যুক্ত হন তিনি। তার দুই বছর পর আইন পেশা শুরু করেন হাই কোর্টে। নির্বাচন কমিশন গঠনে রাষ্ট্রপতি গঠিত দুটি সার্চ কমিটির সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন সৈয়দ মাহমুদ হোসেন। আপিল বিভাগে এখন যে পাঁচজন বিচারপতি রয়েছেন, তার মধ্যে আবদুল ওয়াহ্হাব মিঞা জ্যেষ্ঠতম। তার পরেই বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেন। জ্যেষ্ঠতার ক্রমে এর পরে রয়েছেন বিচারপতি মো. ইমান আলী, বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকী ও বিচারপতি মির্জা হোসেইন হায়দার।

    অ্যাটর্নি জেনারেলের স্বস্তি : নতুন প্রধান বিচারপতি নিয়োগে স্বস্তিবোধ করছেন রাষ্ট্রের প্রধান আইন কর্মকর্তা মাহবুবে আলম। গতকাল বিকালে সাংবাদিকদের দেওয়া এক প্রতিক্রিয়ায় অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম বলেন, ‘আমি খুব খুশি। স্বস্তিবোধ করছি। অপেক্ষার অবসান হলো।’ তিনি বলেন, এখন সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি নিয়োগ প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত হবে। তিনি আরও বলেন, শনিবার নতুন প্রধান বিচারপতির শপথ অনুষ্ঠানে অংশ নেব। এ ছাড়া রবিবার অ্যাটর্নি জেনারেল অফিসের পক্ষ থেকে প্রধান বিচারপতির কোর্টে নতুন প্রধান বিচারপতিকে অভিনন্দন জানাব। প্রধান বিচারপতি নিয়োগে জ্যেষ্ঠতা লঙ্ঘন করা হলেও কোনো বিব্রতকর পরিস্থিতি ঘটবে না বলেও আশা প্রকাশ করেন তিনি।