Category: জাতীয়

  • আজানের আওয়াজ শুনে বক্তব্য বন্ধ রাখলেন প্রধানমন্ত্রী

    আজানের আওয়াজ শুনে বক্তব্য বন্ধ রাখলেন প্রধানমন্ত্রী

    সিলেট নগরীর আলিয়া মাদ্রাসা মাঠে বিকালে বক্তব্য রাখছিলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ৪টা ১০মিনিটের সময় আসরের আজান শুরু হয়। যা কানে পৌঁছানোর পর প্রধানমন্ত্রী বলেন, এখন আজান দিচ্ছে, আজান শেষ হলেই বক্তব্য দেব। এরপর বক্তব্য দেওয়া বন্ধ করেন তিনি। আজান শেষ হওয়ার পর আবারও বক্তব্য শুরু করেছেন প্রধানমন্ত্রী।

    এর আগে, সিলেট সার্কিট হাউজ থেকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সমাবেশস্থল আলিয়া মাদ্রসায় প্রবেশ করেন ঠিক মঙ্গলবার বিকাল ৩টায়। এরপর তিনি ৩টা ০৩ মিনিটে ১৯টি প্রকল্পের উদ্বোধন ও ১৬টি প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন।

    পরে জনসভায় ভাষণ দেন প্রধানমন্ত্রী। শেখ হাসিনা বলেন, বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের সময় বাংলাদেশ দুর্নীতিতে চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল। তাদের কারণে বিশ্ব দরবারে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি নষ্ট হয়। তাদের আমলে বাংলা ভাইয়ের সৃষ্টি, জঙ্গিবাদের সৃষ্টি।

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিএনপি ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারি নির্বাচন ঠেকানোর নামে সন্ত্রাস-তাণ্ডব চালিয়েছিল। সেসময় অনেক মানুষকে পুড়িয়ে হত্যা করেছে। হাজার হাজার গাছ কেটে ফেলে। আমরা গাছ লাগাই, তারা গাছ কেটে ফেলে, আমরা রাস্তা করি, তারা ধ্বংস করে। তবে আমরা তাদের সেই জ্বালাও-পোড়াও কঠোর হাতে দমন করেছি।

  • জাতীয়করণের দাবিতে বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ধর্মঘট চলছে

    চাকরি জাতীয়করণের দাবিতে আজ থেকে সারা দেশের সব বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে লাগাতার ধর্মঘট চলছে। শিক্ষক-কর্মচারীদের ছয়টি সংগঠনের সমন্বয়ে গঠিত জোট বেসরকারি শিক্ষা জাতীয়করণ লিয়াজোঁ ফোরাম। জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে এর আহ্বায়ক আবদুল খালেক মিয়া গতকাল এ ঘোষণা দেন।

    এদিকে জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে গতকাল ‘আমরণ অনশন’-এর ১৪তম দিন কাটিয়েছেন শিক্ষক-কর্মচারীরা। এর আগে তারা চার দিন অবস্থান কর্মসূচি পালন করেন। তাতে সাড়া না পেয়ে আমরণ অনশন কর্মসূচি শুরু করেন। এবার সারা দেশে ধর্মঘটের ডাক দিলেন তারা।

    শিক্ষকরা দাবি করেন, টানা আন্দোলনে এ পর্যন্ত ১৪২ জন শিক্ষক অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। তাদের অনেকে আশপাশের বিভিন্ন হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়ে আবারও আন্দোলনে যোগ দিয়েছেন। অনেকে আবার শরীরে স্যালাইন লাগিয়ে আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছেন। এ ছাড়াও অসুস্থ হয়ে পড়ায় দুজন শিক্ষক ঢাকা মেডিকেল কলেজে ভর্তি রয়েছেন।

    সংগঠনের মহাসচিব কামাল হোসেন বলেন, শর্ত অনুযায়ী ২০০৯ সাল থেকে সমাপনী পরীক্ষায় অংশ নেওয়া বিদ্যালয়কে জাতীয়করণের কথা থাকলেও তা হয়নি। তালিকাভুক্ত থাকার পরও নানা কৌশলে বাতিল করা হয়েছে। আমরা তা মেনে নেব না। জাতীয়করণ আদায়ে আমরা রাজপথে নেমেছি। দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত শিক্ষকরা রাস্তায় পড়ে থাকবেন।

    উল্লেখ্য, জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনের রাস্তার পাশে গত ১০ জানুয়ারি থেকে তারা বেসরকারি শিক্ষা জাতীয়করণ লিয়াজোঁ ফোরামের ব্যানারে অবস্থান কর্মসূচি ও ১৫ জানুয়ারি থেকে আমরণ অনশন পালন করে যাচ্ছেন।

  • সংরক্ষিত নারী আসনের মেয়াদ বাড়ছে ২৫ বছর

    সংরক্ষিত নারী আসনের মেয়াদ বাড়ছে ২৫ বছর

    জাতীয় সংসদে সংরক্ষিত নারী আসনের মেয়াদ ২৫ বছর বাড়ছে। এর আগে এ সংক্রান্ত প্রস্তাব চূড়ান্ত করে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে পাঠানো হয়। আজ সংবিধানের সপ্তদশ সংশোধনীর খসড়া মন্ত্রিসভায় অনুমোদন পেয়েছে।

    এর আগে সংসদে নারী আসনের মেয়াদ দু’বার বাড়ানো হয়।  ২০০৪ ও ২০১১ সালে দুই দফা সংসদে নারী আসনের সংখ্যা বাড়াতে সংবিধানের সংশোধনী আনা হয়।২০১১ সালের ৩০ জুন সংসদে নারী আসনের সংখ্যা ৪৫ থেকে বাড়িয়ে ৫০ করা হয়। এর মেয়াদ ছিল ১০ বছর।

    কিন্তু চলতি সংসদে সংরক্ষিত মহিলা আসনের সংসদ সদস্য ৫ বছরের জন্য শপথ নিয়েছে সেহেতু মেয়াদ শেষ হলেও তাদের ক্ষেত্রে কোন আইনগত বাধা নেই। তবে আগামী সংসদে নারী আসনে নিয়োগের পরিস্থিতি তৈরি হলে তখন মেয়াদের বিষয়টি আসবে। আর এ কারণেই আগে থেকেই মেয়াদ বাড়ানোর পাশাপাশি বৃদ্ধি করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

  • বাংলাদেশ প্রতিদিন সম্পাদকের বিরুদ্ধে ফের এমপি মোতাহারের মামলা

    বাংলাদেশ প্রতিদিন সম্পাদকের বিরুদ্ধে ফের এমপি মোতাহারের মামলা

    লালমনিরহাটে বাংলাদেশ প্রতিদিনের সম্পাদক ও প্রকাশকসহ ৪ জনের বিরুদ্ধে ফের মানহানির মামলা করেছেন এমপি মোতাহার হোসেন। রবিবার সকালে মোতাহার হোসেন বাদী হয়ে লালমনিরহাট আমলী-৪ আদালতে মামলাটি করেন।

    গত ২১ জানুয়ারি বাংলাদেশ প্রতিদিনের প্রথম পাতায় লালমনিরহাটে মোতাহার  সাম্রাজ্য’শীর্ষক একটি প্রতিবেদন প্রকাশ হলে জেলা জুড়ে তোলপাড় শুরু হয়। প্রতিবেদনে উঠে আসে এমপি মোতাহার ও তার পরিবারের নানা অপকাহিনী। এই প্রতিবেদনের ফলে জেলার সর্বস্তরের মানুষ ও সুশীল সমাজ বাংলাদেশ প্রতিদিন সম্পাদক নঈম নিজাম ও প্রতিবেদকদ্বয়কে অভিনন্দন জানালেও ক্ষুদ্ধ হন এমপি মোতাহার ও তার পরিবারের লোকজন।

    এরই জের ধরে সকালে মোতাহার হোসেন বাদী হয়ে লালমনিরহাট আমলী-৪ আদালতে বাংলাদেশ প্রতিদিন সম্পাদক নঈম নিজাম, প্রকাশক ময়নাল হোসেন চৌধুরী, সিনিয়র রিপোর্টার সাইদুর রহমান রিমন ও গোলাম রাব্বানীর বিরুদ্ধে মানহানির মামলা দায়ের করেন। মামলাটি আমলে নিয়ে বাদী পক্ষের শুনানী শেষে আদালতের বিচারক মোঃ আফাজ উদ্দিন আসামিদের বিরুদ্ধে আগামী ১৮ মার্চ আদালতে হাজির হওয়ার নিদেশ দিয়ে সমন জারি করেন।

    উল্লেখ্য, এর আগেও লালমনিরহাট-১ আসনের এই এমপি বাংলাদেশ প্রতিদিনের সম্পাদক নঈম নিজাম, প্রকাশক ময়নাল হোসেন চৌধুরী ও জেলা প্রতিনিধি রেজাউল করিম মানিকের নামে একটি মানহানির মামলা দায়ের করেন। যে মামলাটি বর্তমানে আদালতে চলমান।

  • কক্সবাজারে জেমস বন্ডের নায়িকা

    কক্সবাজারে জেমস বন্ডের নায়িকা

    কক্সবাজারের উখিয়ার বালুখালি শরণার্থী ক্যাম্প পরিদর্শন করেছেন জেমস বন্ডের ‘জিরো জিরো’ছবির নায়িকা মালয়েশিয়ান বংশোদ্ভূত মিশেল ইয়ো।

    শনিবার বিকেল সাড়ে ৪টায় বালুখালীর দুই ক্যাম্পে স্থাপিত স্বাস্থ্যসেবা ও ত্রাণ কার্যক্রম ঘুরে দেখেন তিনি।

    প্রসঙ্গত, রবিবার কক্সবাজারে রোহিঙ্গা শরণার্থী ক্যাম্প পরিদর্শনে যান মালয়েশিয়ার চিফ অব ডিফেন্স ফোর্সেস রাজা মোহাম্মদ আফফানদি বিন রাজা মোহাম্মদ নুরসহ ৪৯ সদস্যের প্রতিনিধি দল। এই প্রতিনিধি দলের অন্যতম সদস্য হয়ে মিশেল ইয়োও রবিবার রোহিঙ্গা ক্যাম্প পরিদর্শন করেন।

    হলিউড অভিনেত্রী মিশেল ইয়ো জেমস বন্ড সিরিজের পিয়ার্স ব্রসনানের সঙ্গে (টুমরো নেভার ডাইস- ১৯৯৭) অভিনয়ের মাধ্যমে আলোচিত হন। এছাড়া হলিউডের আরও বেশ কিছু সিনেমায় অভিনয় করে তিনি বিশ্বব্যাপী প্রশংসা কুড়ান। সিনেমায় অভিনয়ের পাশাপাশি বিভিন্ন সামাজিক কর্মকাণ্ডেও যুক্ত রয়েছেন এই অভিনেত্রী।

  • কখনো বলিনি ফেসবুক বন্ধ করে দেব : শিক্ষামন্ত্রী

    কখনো বলিনি ফেসবুক বন্ধ করে দেব : শিক্ষামন্ত্রী

    পরীক্ষা চলাকালে ফেসবুক বন্ধ করে দেওয়ার কোনো কথা কখনো বলেননি বলে দাবি করেছেন শিক্ষামন্ত্রী নূরুল ইসলাম নাহিদ। তিনি বলেছেন, এটা বন্ধ করার ক্ষমতাও আমাদের নেই। আমারা বিটিআরসির সাথে একটি নির্দিষ্ট সময়ের জন্য বা কয়েকঘণ্টার জন্য ফেসবুক বন্ধ রাখতে পারেন কি-না, সেটা নিয়ে আলাপ করেছি। বিটিআরসি জানিয়েছে, বিভিন্ন পদ্ধতিতে এসব প্রশ্ন আসে, তাই পরীক্ষার সময়টাতে তারা সেখানে লোক নিয়োগ করে রাখবেন।

    সংসদরে শীতকালীন অধিবেশনে রবিবারের বৈঠকে জাতীয় পার্টির সংসদ সদস্য পীর ফজলুর রহমানের সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে শিক্ষামন্ত্রী এ কথা বলেন। প্রশ্নকর্তা সম্প্রতি সংবাদ মাধ্যমে প্রকাশিত শিক্ষামন্ত্রীর বক্তব্যের বিষয়ে সংসদের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। তিনি বলেন, মাননীয় শিক্ষামন্ত্রী প্রশ্নফাঁস ঠেকাতে পরীক্ষা চলাকালে ফেসবুক বন্ধের কথা বলেছেন। বিষয়টি সংসদে পরিষ্কার করতে বললে, এসময় শিক্ষামন্ত্রী বলেন, আমি এই কথা কখনো বলিনি যে, আমরা ফেসবুক বন্ধ করে দেবো। এই ক্ষমতাও আমাদের নেই। তিনি বলেন, পরীক্ষার সময় যদি কিছু হয়, তাৎক্ষণিকভাবে জানাবেন, সে অনুসারে পুলিশ ব্যবস্থা নিতে পারবে। আমরা কখনো বন্ধ করে  ফেলবো, এই কথা বলতে পারি না, আমাদের ক্ষমতাই নেই। বিটিআরসি বলেছে সহযোগিতা করবে, তারা বলেছে বন্ধ না করেও অন্যভাবে সহযোগিতা করবে। জনগণের ব্যাঘাত সৃষ্টির জন্য আমরা কিছু বলিনি।

    তিনি আরও বলেন, দেড় মাস ধরে এসএসসি-এইচএসসি পরীক্ষা হয়। এই দীর্ঘ দিন হাজার হাজার কেন্দ্রে পাহারা দিয়ে প্রশ্ন রাখা বড় কঠিন কাজ। প্রশ্নগুলো যখন স্কুলে পৌঁছায়, কিছু শিক্ষক আছেন, তারা প্রশ্ন বিলির আগে খুলে ফেসবুক ও অন্যান্য সামাজিক মাধ্যমে পাঠিয়ে দেন। আমরা এই জায়গাটায় আটকে গেছি। তাই বলেছি, বিটিআরসি’র (বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন) সঙ্গে আলাপ করবো।

    প্রশ্ন ফাঁসে জড়িতদের সর্বোচ্চ ১০ বছরের জেল
    মানিকগঞ্জ-২ আসনের এমপি মমতাজ বেগমের এক লিখিত প্রশ্নের জবাবে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, পাবলিক পরীক্ষা আইন-১৯৮০ (সংশোধিত ১৯৯২) এর ধারা ৪ অনুযায়ী প্রশ্ন ফাঁসে জড়িতদের অন্যূন ৩ বছর থেকে সর্বোচ্চ ১০ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড কিংবা অর্থদণ্ড উভয় দণ্ডে দণ্ডিত করার বিধান রয়েছে।

  • ৩ ফেব্রুয়ারি নির্বাহী কমিটির সভা ডেকেছেন খালেদা

    ৩ ফেব্রুয়ারি নির্বাহী কমিটির সভা ডেকেছেন খালেদা

    আগামী ৩ ফেব্রুয়ারি বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির বর্ধিত সভা আহ্বান করেছেন দলটির চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়া।

    বিএনপি চেয়ারপার্সনের প্রেস উইংয়ের কর্মকর্তা শায়রুল কবির খান রবিবার  এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

    তিনি বলেন, গতকাল শনিবার রাতে অনুষ্ঠিত দলের স্থায়ী কমিটির বৈঠকে এই সভার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

    বর্ধিত সভায় নির্বাহী কমিটির সদস্য ছাড়াও চেয়ারপার্সসনের উপদেষ্টা কাউন্সিলের সদস্য, প্রতিটি সাংগঠনিক জেলার সভাপতি এতে উপস্থিত থাকবেন। তবে বৈঠকটি কোথায় হবে তা এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

  • খালেদা জিয়ার সাজা নিশ্চিত- পটুয়াখালীতে নৌমন্ত্রী

    খালেদা জিয়ার সাজা নিশ্চিত- পটুয়াখালীতে নৌমন্ত্রী

    জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলার রায় প্রসঙ্গে নৌ-পরিবহনমন্ত্রী শাজাহান খান বলেছেন, বিএনপির অভিজ্ঞ আইনজীবীরা মামলা পরিচালনা করতে গিয়ে জেনে গেছেন খালেদা জিয়ার সাজা নিশ্চিত। কেয়ারটেকার সরকারের আমলে করা মামলায় আদালত রায় দেবে। এখানে সরকারের কিছু নেই।

    রোববার পটুয়াখালীতে পায়রা সমুদ্র বন্দরের সার্ভিস জেটি নির্মাণ কাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন এবং ওয়ার হাউসের উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন।

    নৌমন্ত্রী আরও বলেন, বাংলার মানুষ বুঝে গেছে দুর্নীতি মামলার রায়ে খালেদা জিয়ার সাজা হবে। এ কারণে বিএনপি বলছে সরকার মামলার রায় আগে থেকে নির্ধারণ করে রেখেছে। তবে বিএনপির এ কথার কোনো ভিত্তি নেই। এর আগে বন্দর সংশ্লিষ্ঠদের সঙ্গে নিয়ে ২১ কোটি ৩৮ লাখ ৮৫ হাজার ২৬৯ টাকা ব্যয়ে ৮০ মিটার দীর্ঘ একটি সার্ভিস জেটি নির্মাণ কাজের ভিত্তিপ্রস্তর এবং ২০ কোটি ৯৭ লাখ ৮৯ হাজার ৭৩২ টাকা ব্যয়ে ১ লাখ বর্গফুট আয়তনের ওয়ার হাউসের শুভ উদ্বোধন করেন নৌমন্ত্রী।

    এছাড়াও প্রশাসনিক ভবন, শেখ হাসিনা ফোর লেন সড়কসহ পায়রা বন্দরের চলমান বিভিন্ন নির্মাণ কাজের অগ্রগতি পরিদর্শন করেন তিনি। এ সময় স্থানীয় সংসদ সদস্য মাহাবুবুর রহমান তালুকদার, পায়রা বন্দর চেয়ারম্যান এম জাহাঙ্গীর আলমসহ স্থানীয় রাজনৈতিক নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

  • প্রধানমন্ত্রী বরিশালে আগমন উপলক্ষে যুবলীগের বিভাগীয় প্রতিনিধি সভা অনুষ্ঠিত

    প্রধানমন্ত্রী বরিশালে আগমন উপলক্ষে যুবলীগের বিভাগীয় প্রতিনিধি সভা অনুষ্ঠিত

    প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বরিশাল সফর সফল করার লক্ষ্যে বরিশালে বিভাগীয় প্রতিনিধি সভা করেছে যুবলীগ।  রবিবার বিকেল ৪টায় নগরীর বীরশ্রেষ্ঠ ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর সড়কের কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার চত্বরে এই সভা অনুষ্ঠিত হয়। এসময় বক্তারা আগামী ৮ ফেব্রুয়ারী প্রধানমন্ত্রীর জনসভা স্থল বরিশালের বঙ্গবন্ধু উদ্দ্যান জন সমুদ্রে পরিণত করার আহবান জানান। একই সাথে শেখ হাসিনার হাতকে আরও শক্তিশালী করতে যুবলীগের সকল নেতাকমীদের ঐক্যবদ্ধ থাকার আহবান জানান।

    সভায় সভাপতিত্ব করেন জেলা যুবলীগের সভাপতি জাকির হোসেন। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন, জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহ। এসময় অন্নান্যদের মধ্যে বক্তৃতা করেন যুবলীগের চেয়ারম্যান ওমর ফারুক চৌধুরী, কেন্দ্রীয় যুবলীগ এর সাধারণ সম্পাদক হারুন অর রশিদ প্রমুখ। বরিশাল মহানগর যুবলীগের আহ্বায়ক নিজামুল ইসলাম নিজাম সহ প্রতিনিধি সভায় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, আওয়ামী লীগ নেতা মাহাবুব উদ্দিন বীরবিক্রম, বরিশাল জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক তালুকদার মো. ইউনুচ এমপি, সংসদ সদস্য জেবুন্নেছা আফরোজ, মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি গোলাম আব্বাস চৌধুরী দুলাল, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহ প্রমূখ। এছাড়াও বরিশাল বিভাগের ৬ জেলার যুবলীগের নেতাকর্মীরা এসময় উপস্থিত ছিলেন।

  • গভীর উৎকণ্ঠা বিএনপিতে

    গভীর উৎকণ্ঠা বিএনপিতে

    আগামী ৮ ফেব্রুয়ারি কী হবে— এ নিয়ে বিএনপির ভিতরে-বাইরে গভীর উৎকণ্ঠা বিরাজ করছে। রায়ে দলের প্রধান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সাজা হবে, না বেকসুর খালাস পাবেন— তা নিয়ে সারা দেশের নেতা-কর্মীদের জিজ্ঞাসার শেষ নেই। উত্সুক দৃষ্টি সব মহলেরও। বিএনপির গুলশান কার্যালয়ে কিংবা নয়াপল্টনে কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে দুই দিন ধরেই এ নিয়ে আলোচনার ঝড় বইছে। রায়ে নেতিবাচক কিছু হলে হরতালসহ কঠোর আন্দোলনে যাওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন বিএনপি নেতারা। তবে মানসিকভাবে অনেক শক্ত অবস্থানে রয়েছেন বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া। জেলকে তিনি ভয় পান না বলে ঘনিষ্ঠজনদের এরই মধ্যে সাফ জানিয়ে দিয়েছেন। এ নিয়ে শেষ পর্যন্ত আইনি লড়াইয়ের পাশাপাশি রাজপথে থাকারও চিন্তাভাবনা চলছে। রায় নেতিবাচক হলে পরবর্তী কী করণীয় তা নিয়ে আজ দলের স্থায়ী কমিটির বৈঠক ডেকেছেন বেগম জিয়া। ওই বৈঠকেই কর্মসূচি চূড়ান্ত হবে। এ ক্ষেত্রে হরতাল, অবস্থানসহ দীর্ঘমেয়াদি কঠোর কর্মসূচি আসতে পারে বলে দলীয় নির্ভরযোগ্য সূত্রে জানা গেছে।

    বিএনপি চেয়ারপারসনের বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) করা জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলার রায় ঘোষণার জন্য ৮ ফেব্রুয়ারি দিন ঠিক করেছে বিশেষ আদালত। অভিযোগ প্রমাণিত হলে খালেদা জিয়ার তিন বছর থেকে যাবজ্জীবন ‘সাজা’ হতে পারে বলে আইনজ্ঞরা জানিয়েছেন। এ ছাড়া বেকসুর খালাস পাওয়ারও সম্ভাবনা রয়েছে। খালেদা জিয়া নিজেও আদালতে আত্মপক্ষ সমর্থনে নিজেকে নির্দোষ দাবি করে বলেছেন, রাজনৈতিক অঙ্গন থেকে তাকে ‘সরাতে নির্বাচনে অযোগ্য ঘোষণা করার নীলনকশা’ বাস্তবায়ন করছেন ক্ষমতাসীনরা। আদালতে ন্যায়বিচার পাবেন কিনা— তা নিয়েও তিনি সংশয় প্রকাশ করেছেন।

    এ প্রসঙ্গে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, ‘বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াকে নির্বাচন ও রাজনীতি থেকে সরানোর চক্রান্ত চলছে। কার্যত, সরকার জিয়া পরিবারকে রাজনীতির বাইরে রাখতে চায়। তাই মিথ্যা অভিযোগে মামলা দেওয়া হয়েছে তার বিরুদ্ধে। রায় কী হবে তা সরকার আগেই ঠিক করে রেখেছে। দেশে যে আইনের শাসন নেই, ন্যায়বিচার সুদূরপরাহত সেটাই প্রমাণিত হচ্ছে। বিচার হবে— প্রধানমন্ত্রী যা চাইবেন তাই। এখন পর্যন্ত তার (এরশাদ) এ বক্তব্য যে আদালত অবমাননার শামিল, তার বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়নি।’ বৃহস্পতিবার রায়ের দিনক্ষণ নির্ধারণের পর রাতে গুলশানের বাসায় যান বিএনপিপন্থি সিনিয়র আইনজীবীরা। তারা বেগম জিয়াকে সান্ত্বনার বাণীও শোনান। উচ্চ আদালতে এ মামলার রায় টিকবে না বলেও বেগম জিয়াকে আশ্বস্ত করেন। এ ছাড়া কয়েকজন সিনিয়র নেতাও বেগম জিয়ার সঙ্গে বাসায় দেখা করে তাকে আশ্বস্তের চেষ্টা করেন। এ সময় বিএনপি-প্রধান সবাইকে অভয় দিয়ে বলেছেন, রায় কী হবে তা নিয়ে তিনি বিচলিত নন। দেশপ্রেমিক প্রকৃত রাজনীতিবিদরা জেল-জুলুমকে কখনই ভয় পান না। তবে রায়ের নেতিবাচক দিক বিবেচনায় নিয়ে বেগম জিয়া মানসিকভাবে প্রস্তুতি নিতে শুরু করেছেন বলে জানা গেছে।

    নির্ভরযোগ্য সূত্রমতে, রায়ের দিনক্ষণ নির্ধারণের পর ঢাকায় বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের শীর্ষ নেতারা সতর্ক অবস্থানে রয়েছেন। এর মধ্যে বিএনপির কয়েকজন সিনিয়র নেতা একাধিকবার বৈঠকে বসেন। অঙ্গসংগঠনের নেতারাও পৃথকভাবে বৈঠক করেছেন। দীর্ঘমেয়াদে আন্দোলন কর্মসূচি ঘোষণা করা হলে তার প্রস্তুতি নিয়েও কথাবার্তা বলছেন শীর্ষ নেতারা। অনেকেই গ্রেফতার এড়াতে নানা কৌশলও নিতে শুরু করেছেন। গতকাল নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে দিনভর কোনো নেতা-কর্মী দেখা যায়নি। কারও কারও ব্যক্তিগত ফোন নম্বর বন্ধ পাওয়া গেছে। তবে এই পরিস্থিতিতে অনেক নিষ্ক্রিয় নেতা সক্রিয় হওয়ার চেষ্টা চালাচ্ছেন বলেও জানা গেছে। জানা যায়, ৮ ফেব্রুয়ারি জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলার রায়ের দিনক্ষণ ঘোষণায় হতবাক হয়েছেন বিএনপির আইনজীবীরা। তাদের ধারণা ছিল, জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলার বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে রায় ঘোষণা হবে। তা হতেও বেশ সময় লাগবে। এর মধ্যে প্রেক্ষাপট পরিবর্তন হতে পারে। কিন্তু হঠাৎই এ রায়ের দিনক্ষণ নির্ধারণকে ‘বিশেষ মহলের’ ইঙ্গিত বলেই মনে করছেন তারা। আইনজীবীরা আরও বলেছেন, ন্যায়বিচার হলে এ রায়ে কিছুই হবে না। তবে যে প্রক্রিয়ায় মামলাটি চলছে, তাতে নেতিবাচকই হওয়ার সম্ভাবনা। এ ক্ষেত্রে উচ্চ আদালতে জামিন পাওয়া সম্ভব।

    বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার জমিরউদ্দিন সরকার  বলেন, ‘আইন তার নিজস্ব গতিতে চলছে। এ মামলার রায়ে বেগম জিয়ার কিছুই হবে না। কিন্তু প্রশ্ন উঠছে, এ মামলাটি স্বাভাবিক গতিতে চলছে কিনা? আমি এখনো আশাবাদী, ন্যায়বিচার পাবেন আমাদের চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া। কোনো কারণে সাজা দেওয়া হলে বুঝতে হবে, স্বাভাবিক আইনের ব্যত্যয় ঘটেছে। সে ক্ষেত্রে আমরা উচ্চ আদালতে জামিন চাইব। আশা করি, জামিন পাব। সে ক্ষেত্রে একাদশ জাতীয় নির্বাচনে কোনো সমস্যা হবে না।’ এদিকে রায়ের নেতিবাচক দিক ধরে নিয়েই সারা দেশে নেতা-কর্মীদের কাছে ‘বিশেষ বার্তা’ পাঠানো হয়েছে। দলের হাইকমান্ড থেকে এ বার্তা পাঠানো হয়। তা ছাড়া সিনিয়র নেতাদের জেলা সফরেও এ বিষয়ে নেতা-কর্মীদের দিকনির্দেশনা দেওয়া হয়। রায়ে নেতিবাচক কিছু হলে তত্ক্ষণাৎ বিক্ষোভ মিছিল করার কথা বলা হয়েছে। এরপর কেন্দ্র থেকে ঘোষিত যে কোনো কর্মসূচিও বাস্তবায়ন করতে বলা হয়েছে। এ বার্তা জেলা, মহানগর ও উপজেলা পর্যায়ে পাঠানো হয়েছে। চট্টগ্রাম বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মাহবুবুর রহমান শামীম  জানান, ‘তিনবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও দেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় নেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে জেলে নিলে সাধারণ মানুষ ঘরে বসে থাকতে পারে না। এ অন্যায়ের প্রতিবাদ অবশ্যই দেশবাসী করবে। কেন্দ্র ঘোষিত সব কর্মসূচিই সর্বস্তরের মানুষ বাস্তবায়ন করবে।’ একই কথা বলেন বরিশাল বিভাগীয় সহসাংগঠনিক সম্পাদক আ ক ন কুদ্দুসুর রহমান। তিনি জানান, ‘রায় নেতিবাচক কিছু হলে হাইকমান্ড যে কর্মসূচি দেবে তা আমরা বাস্তবায়ন করব। গণতন্ত্রের নেত্রী বেগম খালেদা জিয়া জেলে গেলে বিএনপির কোনো নেতা-কর্মী কিংবা কোনো সমর্থক ঘরে বসে থাকতে পারেন না। সরকার যত চেষ্টাই করুক না কেন, খালেদা জিয়া ছাড়া আগামীতে বাংলাদেশে কোনো নির্বাচন হবে না।’