Category: জাতীয়

  • বিএনপির প্রতিবাদ সমাবেশ আজ

    বিএনপির প্রতিবাদ সমাবেশ আজ

    বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া ও সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা ও গ্রেফতারি পরোয়ানা জারির প্রতিবাদে এবং দলের সিনিয়র নেতৃবৃন্দসহ সারা দেশে সকল পর্যায়ের নেতাকর্মীদের মিথ্যা মামলায় হয়রানির প্রতিবাদে আজ প্রতিবাদ সমাবেশ কর্মসূচি পালন করবে দলটি।

    আজ সোমবার ঢাকাসহ সারা দেশে এই কর্মসূচি পালন করবে দলটি।

    বিএনপি এবং এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের সকল পর্যায়ের নেতাকর্মীকে শান্তিপূর্ণভাবে প্রতিবাদ সমাবেশ কর্মসূচি পালনের জন্য অনুরোধ জানিয়েছেন দলের সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী।

  • ডিসেম্বরেই কার্গো নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করছে যুক্তরাজ্য

    ডিসেম্বরেই কার্গো নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করছে যুক্তরাজ্য

    বাংলাদেশ থেকে সরাসরি আকাশপথে কার্গো পরিবহনে যুক্তরাজ্যের নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের ঘোষণা এ মাসেই আসতে পারে। বেসরকারি বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (বেবিচক) এরই মধ্যে কয়েক দফা বৃটিশ গোয়েন্দাদের সঙ্গে চিঠি চালাচালি করে বিষয়টির সুরাহা করেছেন। সম্প্রতি আন্তর্জাতিক সিভিল এভিয়েশন অর্গানাইজেশনের (আইকাও) অডিট টিম এ সংক্রান্ত প্রতিবেদন সিভিল এভিয়েশনের কাছে হস্তান্তর করেছে।

    বিষয়টি নিশ্চিত করে বেবিচকের চেয়ারম্যান এয়ার ভাইস মার্শাল নাঈম হাসান  বলেন, সব কিছু ঠিক থাকলে এ মাসের মধ্যেই শাহজালাল বিমানবন্দরের নিরাপত্তার বিষয়ে আরোপিত নিষেধাজ্ঞা এবং আকাশপথে সরাসরি পণ্য পরিবহনের নিষেধাজ্ঞা তুলে নেবে যুক্তরাজ্য। সম্প্রতি ব্রিটিশ নিরাপত্তা গোয়েন্দারা বাংলাদেশের বেসামরিক বিমান কর্তৃপক্ষের সঙ্গে বৈঠক করছেন। সফরকারী দল শাহজালাল বিমানবন্দরের নিরাপত্তা স্বচক্ষে খুঁটিয়ে দেখেছেন।

    তিনি আরও বলেন, আন্তর্জাতিক সিভিল এভিয়েশন অর্গানাইজেশনের মানদণ্ড অনুযায়ী একটি বিমানবন্দরের নিরাপত্তা সূচক ন্যূনতম ৬০ থাকতে হয়। বর্তমানে বাংলাদেশ সিভিল এভিয়েশনের নিরাপত্তা সূচক ৭৭ দশমিক ৪৬-এ উন্নীত হয়েছে। ২০১২ সালে বাংলাদেশের অবস্থান ছিল ৫০ দশমিক ২। যে কারণে এ মাসের শেষেই শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের নিরাপত্তার বিষয়ে আরোপিত নিষেধাজ্ঞা তুলে নেবে যুক্তরাজ্য।

    বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী রাশেদ খান মেনন  বলেন, শাহজালাল বিমানবন্দরে লোকজনের যাওয়া-আসা, ব্যাগেজ হ্যান্ডলিং, বিস্ফোরক চিহ্নিত করার ব্যবস্থা ও বিমানে খাদ্য সরবরাহ ব্যবস্থায় নিরাপত্তার মতো বিষয়ে সুনির্দিষ্ট কিছু পরামর্শ দিয়েছিল যুক্তরাজ্য। যাত্রীদের চেক ইনের সময় এখন বেল্ট, ঘড়ি বা জুতো খুলতে বলা হচ্ছে। তাদের পরামর্শে স্ক্যানিং যন্ত্রসহ বিস্ফোরকের সন্ধানে বেশ কিছু উন্নত যন্ত্রপাতি স্থাপন করা হয়েছে। ককপিট ও কেবিন ক্রু ছাড়াও ব্যাগেজ হ্যান্ডলিংয়ের সঙ্গে জড়িতদের ব্যাপারে গোয়েন্দা ও পুলিশের ক্লিয়ারেন্স নেয়া হয়েছে। তাদের দেয়া সব শর্ত পূরণ করে বাড়তি সফলতা দেখানোর কারণে তারাও সন্তুষ্ট। ফলে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারে আর কোনো বাধা নেই।

    উল্লেখ্য, ২০১৫ সালের শেষ দিকে সন্ত্রাসী হামলায় মিশরের শারম আল শেখ বিমানবন্দর থেকে উড়ে যাওয়া একটি রুশ বিমান বিধ্বস্ত হওয়ার পর ব্রিটেনের পরিবহন দফতর বাংলাদেশসহ বিশ্বের কিছু দেশকে বিমানবন্দরের নিরাপত্তা বাড়াতে তাগাদা দিতে থাকে। বিশেষ করে যে সব দেশ থেকে ব্রিটেনে সরাসরি বিমান যায়, সেসব দেশের ওপর তারা নজর দিতে শুরু করে। নিরাপত্তা না থাকার অজুহাতে ২০১৬ সালের মার্চে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে সরাসরি পণ্য পরিবহনে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছিল যুক্তরাজ্য।

  • আমরা বিজয়ী জাতি মাথা উচু করে চলবো’

    আমরা বিজয়ী জাতি মাথা উচু করে চলবো’

    মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও ত্যাগের মহিমায় নিজেদের গড়ে তোলার জন্য দেশের নতুন প্রজন্মের প্রতি আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আমরা বীরের জাতি, যুদ্ধ করে দেশকে স্বাধীন করেছি। একথা কখনোই ভুললে চলবে না। আমরা বিজয়ী জাতি, কারোর কাছে মাথানত করে চলি না, চলবো না। সারা বিশ্বের সামনে বিজয়ী জাতি হিসেবে আমরা সবসময় মাথা উঁচু করে চলবো। দেশে যাতে আর কোনো অন্যায়-অনিয়ম না হয়, বাংলাদেশের মানুষ শান্তিতে বসবাস করতে পারে, যুগের পর যুগ এভাবেই বিজয়ের আনন্দ-উৎসবে মেতে থাকতে পারে- বিজয়ের দিনে এই আমাদের প্রতিজ্ঞা।

    মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে শনিবার বিকালে ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয় আয়োজিত সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে ভিডিও কনফারেন্সিংয়ের মাধ্যমে বক্তৃতায় তিনি এ আহ্বান জানান।

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, ’৭৫-এর ১৫ আগস্ট সবাইকে হত্যা করে ঘাতকরা বঙ্গবন্ধুর পুরো রক্তকেই ধ্বংস করে দিতে চেয়েছিল। কিন্তু পারেনি। দেশবাসী আমাদের দেশ সেবার সুযোগ দেওয়ার কারণেই বাংলাদেশকে আমরা মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় সমৃদ্ধ করে গড়ে তুলছি। বাংলাদেশ আজ সবদিক থেকে এগিয়ে যাচ্ছে। সারাবিশ্বের সামনে বাংলাদেশ এখন উন্নয়নের রোলমডেল।

    বাংলাদেশ আজ মর্যাদার আসনে অধিষ্ঠিত, যে মর্যাদা ’৭৫-এ ভুলুণ্ঠিত হয়েছিল। সারা বিশ্ব এখন বাঙালিদের দিকে তাকিয়ে থাকে। আমাদের এই বিজয় সবাইকে ধরে রাখতে হবে।

    গণভবন থেকে এই ভিডিও কনফারেন্সে সূচনা বক্তব্যের পর সোহওয়ার্দী উদ্যানে উপস্থিত হাজার হাজার দর্শক-শ্রোতাদের মধ্য থেকে কয়েকজনের সরাসরি প্রশ্নেরও উত্তর দেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

    শুরুতেই স্বাগত বক্তব্য ও অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন প্রধানমন্ত্রীর মুখ্যসচিব ড. কামাল আবদুল নাসের চৌধুরী। শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূর ও মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক।

    গণভবনে এ সময়ে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরসহ প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

    অনুষ্ঠান শেষে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নতুন প্রজন্মের কয়েক তরুণের সঙ্গে জয় বাংলা স্লোগানের সঙ্গে কণ্ঠ মেলালে গোটা সোহরাওয়ার্দী উদ্যান ওই স্লোগানে প্রকম্পিত হয়ে ওঠে।

    বক্তব্যের শুরুতেই দেশবাসীকে বিজয় দিবসের শুভেচ্ছা জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দী উদ্যান থেকেই ৭ মার্চ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ঘোষণা দিয়েছিলেন- ‘এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম আমাদের স্বাধীনতার সংগ্রাম’। এই ভাষণের পথ ধরেই আমাদের এই স্বাধীনতা। বঙ্গবন্ধুর একটিমাত্র ভাষণে দেশের প্রতিটি ঘর এক একটি দুর্গে পরিণত হয়। বঙ্গবন্ধুর প্রতিটি নির্দেশ বাঙালি জাতি অক্ষরে অক্ষরে পালন করে যুদ্ধ করে দেশকে স্বাধীন করে। হাতে গোনা কয়েকটি রাজাকার-আলবদর ও পাকিস্তানের দোসর ছাড়া দেশের প্রতিটি মানুষ পাকিস্তানি শত্রুদের পরাজিত করে বুকের রক্ত ঢেলে দিয়ে।

    তিনি বলেন, ঐতিহাসিক এই সোহরাওয়ার্দী উদ্যানেই বীর বাঙালিদের কাছে পাকিস্তানের ৯৬ হাজার সেনাবাহিনী আত্মসমর্পণে বাধ্য হয়। ২৫ মার্চ পাক হানাদাররা গণহত্যা চালানোর পর ২৬ মার্চ প্রথম প্রহরে বঙ্গবন্ধু স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়ে শেষ শত্রু থাকা অবস্থায় যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়ার নির্দেশ দেন। এ অপরাধে পাক হানাদাররা বঙ্গবন্ধুকে গ্রেফতার করে পাকিস্তানে নিয়ে যায় এবং প্রহসনের বিচারের মাধ্যমে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে হত্যার চেষ্টা করে। দেশ স্বাধীন হওয়ার পর আন্তর্জাতিক চাপে এবং তাদের ৯৬ হাজার সৈন্যের প্রাণ বাঁচানোর কারণে পাক হানাদারদাররা বঙ্গবন্ধুকে মুক্তি দিতে বাধ্য হয়। মুক্তি পেয়ে ১৯৭২ সালের ১০ জানুয়ারি এই ঐতিহাসিক উদ্যানেই বঙ্গবন্ধু তার ভাষণে মুক্ত-স্বাধীন বাংলাদেশ কীভাবে পরিচালিত হবে তার নির্দেশনা দেন।

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণ আজ পৃথিবীর অন্যতম শ্রেষ্ঠ ভাষণ হিসেবে আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি পেয়েছে। বঙ্গবন্ধুর ভাষণকে ইউনেস্কো ‘ওয়ার্ল্ডস ডকুমেন্টারি হেরিটেজ’ হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে। সারাবিশ্বের ঐতিহ্যে বঙ্গবন্ধুর ভাষণ স্থান পাওয়ার কারণে সমগ্র বাঙালির সম্মান অনেক উচ্চস্তরে পৌঁছে গেছে, বাঙালি জাতির কাছে এটি গৌরবেরও।

    মুক্তিযোদ্ধাদের জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তান হিসেবে আখ্যায়িত করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিজয় দিবসের এই দিনে ঘৃণা ও ধিক্কার জানাই যারা একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধে পাক হানাদারদের দোসর হিসেবে আমাদের মা-বোনদের তাদের হাতে তুলে দিয়েছিল। ঘৃণা জানাই যারা রাজাকার-আলবদর-আলশামস হয়ে সারা দেশে গণহত্যা চালিয়েছে, আমাদের পরাজিত করতে চেয়েছে, কিন্তু আমরা পরাজিত হয়নি। বরং বীর বাঙালিরা তাদেরই পরাজিত করে বিজয়ী হয়েছে।

    একাত্তরের ১৬ ডিসেম্বর বিজয়ের দিনের স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে আবেগতাড়িত প্রধানমন্ত্রী বলেন, বঙ্গবন্ধুকে গ্রেফতার করে পাকিস্তানে নিয়ে যাওয়ার পর পাক হানাদাররা আমাদের মা, বোন, ভাইসহ পরিবারের সবাইকে ধানমন্ডির ১৮ নম্বর বাড়িতে বন্দী করে রেখেছিল। ১৬ ডিসেম্বর যখন পাক হানাদাররা আত্মসমর্পণ করে, বাইরে জয় বাংলার গগনবিদারী স্লোগান, তখনও আমরা ওই বাড়িতে বন্দী। বাইরে মানুষের স্লোগানের সঙ্গে আমরাও পাক হানাদারদের সামনেই বাড়ির ভেতর থেকে জয় বাংলা স্লোগান দিয়েছি। দেশ ১৬ ডিসেম্বর স্বাধীন হলেও আমরা মুক্তি পেয়েছি ১৭ ডিসেম্বর।

    ২০২১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তীতে বাংলাদেশকে ক্ষুধা-দারিদ্র্যমুক্ত করে গড়ে তোলার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ২০২১ সালের মধ্যে দেশকে আমরা মধ্যম আয়ের দেশ এবং ২০৪১ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে আমরা উন্নত-সমৃদ্ধ দেশ হিসেবে গড়ে তুলবো। ২০২১ সালের স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী আমরা ক্ষুধা-দারিদ্র্যমুক্ত বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা হিসেবে গড়ে তুলবো।

  • গ্লোবাল ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশের বিজয় দিবস উদযাপন

    গ্লোবাল ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশের বিজয় দিবস উদযাপন

    জাকারিয়া আলম দিপু.

    যথাযোগ্য মর্যাদায় সূর্যোদয়ের সাথে সাথে পুস্পার্ঘ্য অর্পণের মধ্য দিয়ে গ্লোবাল ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশ (জিইউবি)বরিশালের মহান বিজয় দিবসে জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তান অকুতোভয় বীর শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে বিজয় দিবসে কায্যক্রম শুরু করে।

    মহান বিজয় দিবস উদযাপন উপলক্ষ্যে ১৬ ডিসেম্বর, ২০১৭ সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুল্লাবাদ বাসস্টান্ড সংলগ্ন ক্যাম্পাসে আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গ্লোবাল ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশ (জিইউবি) চেয়ারম্যান , বোর্ড অব ট্রাস্টিজ সৈয়দা আরজুমান বানু নার্গিস। অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর তপন কুমার বল ।

    এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন ভাইস চেয়ারম্যান , বোর্ড অব ট্রাস্টিজ এস. আমরিন রাখী, বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার প্রফেসর একেএম এনায়েত হোসেন, সাবেক জেলা শিক্ষা অফিসার লুৎফুন নাহার আফরোজ  সহ শিক্ষকমন্ডলী, কর্মকতাবৃন্দ, সাংবাদিকবৃন্দ ও ছাত্রছাত্রীবৃন্দ।

  • মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা জানালেন মহানগর আওয়ামীলীগ

    মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা জানালেন মহানগর আওয়ামীলীগ

    শেখ সুমন :

    আজ মহান বিজয় দিবসে শহীদ মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা জানালেন বরিশাল মহানগর আওয়ামীলীগ।এসময় উপস্থিত ছিলেন বরিশাল মহানগর আওয়ামীলীগের সভাপতি এ্যাড.গোলাম আব্বাস চৌধুরী দুলাল, সাধারন সম্পাদক এ.কে.এম জাহাঙ্গির , সহ সভাপতি সাইদুর রহমান রিনটু , যুগ্ম  সাধারন সম্পাদক যুবরত্ন সেরনীয়াবাদ সাদিক আব্দুল্লাহ্ সহ মহানগর যুবলীগ , ছাত্রলীগ, আওয়ামী মুক্তিযোদ্ধা প্রজন্মলীগ, স্বেচ্ছাসেবকলীগের নেতৃবৃন্দ।

    শহীদ মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা জানানোর পরে শহীদদের প্রতি সম্মান প্রদরশন পূরবক নিরবতা পালন করা হয়।

  • জাতীয় স্মৃতিসৌধে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা

    জাতীয় স্মৃতিসৌধে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা

    মহান বিজয় দিবসে সাভার জাতীয় স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। শনিবার সকাল ৬টা ৩৫ মিনিটে জাতীয় স্মৃতিসৌধের বেদিতে প্রথমে রাষ্ট্রপতি এরপর প্রধানমন্ত্রী পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে শ্রদ্ধা জানান।

    শ্রদ্ধা জানানোর পর কিছুক্ষণ নিরবে দাঁড়িয়ে শহীদদের স্মরণ করেন রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী। এসময় বিউগলে বাজানো হয় করুণ সুর। পরে জাতীয় সংসদের পক্ষ থেকে স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী শ্রদ্ধা জানান। এ সময় মন্ত্রিপরিষদ সদস্য, সংসদ সদস্য এবং সেনা, নৌ ও বিমান বাহিনীর প্রধানেরা উপস্থিত ছিলেন।

    পরে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আওয়ামী লীগ সভাপতি হিসেবে দলের শীর্ষ নেতাদের নিয়ে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান।

  • লাল-সবুজের বিজয় গাথা আজ

    লাল-সবুজের বিজয় গাথা আজ

    আজ ভোরে পুব আকাশে যে নতুন সূর্য উঠবে সেই সূর্যই স্মরণ করিয়ে দেবে দিনটি গৌরবের, আনন্দের, বিজয়ের। জাতির জীবনে আজকের দিনটি মহা-আনন্দের। এমনি এক দিনের প্রতীক্ষায় কেটেছে বাঙালির হাজার বছর। বহু কাঙ্ক্ষিত এ দিনটির দেখা মিলেছিল ইতিহাসের পাতায়।

    দিনটি ছিল ১৯৭১ সালের, ১৬ ডিসেম্বর। তৎকালীন ঢাকার ঐতিহাসিক রেসকোর্স ময়দানে এই দিনে পাকিস্তানি বাহিনী অস্ত্র ফেলে মাথা নিচু করে দাঁড়িয়ে ছিল বিজয়ী বীর বাঙালির সামনে। স্বাক্ষর করেছিল পরাজয়ের সনদে। সেদিন পৃথিবীর মানচিত্রে অভ্যুদয় ঘটেছিল স্বাধীন বাংলাদেশের।

    দীর্ঘ ৯ মাস রক্তক্ষয়ী যুদ্ধে ৩০ লাখ শহীদের আত্মত্যাগ, দুই লাখ মা-বোনের সম্ভ্রমের বিনিময়ে অর্জিত এই বিজয়ের দিনটিতে আনন্দের পাশাপাশি বেদনাও বাজবে বাঙালির বুকে। শ্রদ্ধা ও গভীর কৃতজ্ঞতায় জাতি স্মরণ করবে জানা-অজানা সেসব শহীদকে। যারা সেই সংগ্রামের উত্তাল দিনে জাতির সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করে হাত মিলিয়েছিল পাকিস্তানি সেনাদের সঙ্গে।

    সেই রাজাকার-আল শামস ও আল-বদরদের কয়েকজনের ফাঁসি কার্যকর হয়েছে। মানবতাবিরোধী হত্যা মামলায় দণ্ডিত জামায়াতের আমীর মতিউর রহমান নিজামী, সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল আবদুল কাদের মোল্লা, জামায়াতের অন্য নেতা মো. কামারুজ্জামান, আলী আহসান মোহাম্মদ মুজাহিদ, মীর কাসেম আলীর ফাঁসির রায়ও কার্যকর হয়েছে।

    এছাড়া মানবতাবিরোধী অপরাধে অভিযুক্ত বিএনপি নেতা সালাহ উদ্দিন কাদের চৌধুরীর ফাঁসির রায়ও কার্যকর হয়েছে।

    আজ সকাল থেকেই সারাদেশে বিজয়ের আনন্দে পথে নামবে উৎসবমুখর মানুষ। শহীদদের স্মরণে দেশের সব স্মৃতিসৌধ ভরিয়ে দেবে ফুলে ফুলে। রাজধানীতে সব বয়সী অগণিত মানুষ সমবেত হবে সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধে। শ্রদ্ধায় ঢেকে যাবে সৌধের বেদী।

    লাল-সবুজ পতাকা উড়বে আজ বাড়িতে ও গাড়িতে, সব প্রতিষ্ঠানে। মাথায় থাকবে পতাকার রঙে রাঙা ফিতা। পতাকার রঙের পোশাকও থাকবে উৎসবে। পতাকায় সজ্জিত করা হবে রাজধানীসহ দেশের বড় শহরগুলোর প্রধান সড়ক ও সড়কদ্বীপ। আজ সরকারি ছুটির দিন। রাতে গুরুত্বপূর্ণ ভবনে করা হবে আলোকসজ্জা। হাসপাতাল, শিশুসদন ও কারাগারগুলোতে পরিবেশন করা হবে বিশেষ খাবার। পত্রপত্রিকা প্রকাশ করবে বিশেষ ক্রোড়পত্র।

    মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া ও বিরোধী দলের নেতা রওশন এরশাদ পৃথক বাণী দিয়েছেন। বরাবরের মতোই এবারও যথাযোগ্য মর্যাদায় মহান বিজয় দিবস পালনের বিস্তারিত কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে। ভোরে ৩১ বার তোপধ্বনির মাধ্যমে দিবসটির সূচনা হবে।

    তৎকালীন পাকিস্তানি সামরিক সরকার বঙ্গবন্ধুকে গ্রেফতার করলেও বাঙালি জাতির অবিসংবাদিত নেতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নির্দেশে বাঙালি জাতি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে ঘরে ঘরে দুর্গ গড়ে তোলে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে।

    দীর্ঘ ৯ মাসের রক্তক্ষয়ী মুক্তিযুদ্ধে ৩০ লক্ষ শহীদের আত্মত্যাগ আর দুই লক্ষ মা-বোনের সম্ভ্রমের বিনিময়ে বাঙালি জাতি পাকিস্তান সেনাবাহিনীকে পরাস্ত করে পৃথিবীর বুকে সৃষ্টি করে স্বাধীন বাংলাদেশ। ১৬ ডিসেম্বর বীর বাঙালির বিজয় দিবস ও বাংলাদেশের জাতীয় দিবস। বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ বাংলাদেশের স্বাধীনতাকামী সব মানুষের সঙ্গে একাত্ম হয়ে বরাবরের মতো যথাযথ মর্যাদা ও ভাবগম্ভীর এবং উৎসবমুখর পরিবেশে মহান বিজয় দিবস উদযাপন করবে।

    কর্মসূচি:

    ১৬ ডিসেম্বরের কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে- সূর্যোদয় ক্ষণে : দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে, বঙ্গবন্ধু ভবন ও দেশব্যাপী সংগঠনের কার্যালয়ে জাতীয় পতাকা ও দলীয় পতাকা উত্তোলন। ভোর ৬টা ৩৪ মিনিটে সাভার জাতীয় স্মৃতিসৌধে পুষ্পার্ঘ্য নিবেদন। রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর রাষ্ট্রীয় কর্মসূচির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ) সকাল ৮টায় বঙ্গবন্ধু ভবনে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা নিবেদন। সকাল ১০টায় টুঙ্গিপাড়ায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন, জিয়ারত, দোয়া ও মিলাদ মাহফিল।

    বিজয় র‌্যালি:

    ঢাকা মহানগরীর অন্তর্গত সব থানা শাখার আওয়ামী লীগের নেতা ও জাতীয় সংসদ সদস্যরা নিজ নিজ এলাকা থেকে বিজয় শোভাযাত্রা সহকারে পাক হানাদার বাহিনীর আত্মসমর্পণের স্থান ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে সমবেত হবেন এবং পাকিস্তানি দখলদার বাহিনীর আত্মসমর্পণের ঐতিহাসিক ক্ষণ বিকেল ৩টায় শিখা চিরন্তনে শ্রদ্ধা নিবেদন করবেন। শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে ধানমন্ডি ৩২ নম্বর অভিমুখে বিজয় র‌্যালি শুরু হবে।

    টুঙ্গিপাড়ার কর্মসূচি:

    ১৬ ডিসেম্বর সকাল ১০টায় গোপালগঞ্জের ঐতিহাসিক টুঙ্গিপাড়ায় অনুষ্ঠিতব্য কেন্দ্রীয় কর্মসূচিতে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদের সভাপতিমণ্ডলীল সদস্য কাজী জাফর উল্লাহ, কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদের সদস্য আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহ, সাংগঠনিক সম্পাদক আ ফ ম বাহা উদ্দিন নাছিম, ধর্মবিষয়ক সম্পাদক আলহাজ অ্যাডভোকেট শেখ মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ, শ্রম ও জনশক্তিবিষয়ক সম্পাদক হাবিবুর রহমান সিরাজ, কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদের সদস্য অ্যাডভোকেট মো. আমিরুল আলম মিলনসহ অন্যান্য নেতারা অংশগ্রহণ করবেন।

    ১৭ ডিসেম্বর বিকেল ৩টায় শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস ও মহান বিজয় দিবসের আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হবে। বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে অনুষ্ঠিতব্য আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করবেন আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখবেন জাতীয় নেতারা ও বুদ্ধিজীবীরা।

    আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক, সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের এমপি ১৬ ডিসেম্বর সারাদেশে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ কর্মসূচি গ্রহণ করে যথাযথ মর্যাদায় মহান বিজয় দিবস উদযাপনের জন্য আওয়ামী লীগ ও তার সহযোগী, ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠনের নেতাকর্মী, সমর্থক, শুভানুধ্যায়ী ও সর্বস্তরের জনগণের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।

  • তৃণমূলে বিএনপির ৭৭ টিম

    ফের তৃণমূলে যাচ্ছে বিএনপি। দল পুনর্গঠনের পাশাপাশি নির্বাচন ও আন্দোলনের বার্তা পৌঁছাতেই কেন্দ্রীয় নেতাদের এই তৃণমূল সফর। একই সঙ্গে আগামী নির্বাচনে দলের সম্ভাব্য প্রার্থী সম্পর্কেও একটি ধারণা পেতে চান বিএনপির নেতৃত্ব। সফর শেষে দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতারা বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াকে সংশ্লিষ্ট এলাকার একটি রিপোর্ট দেবেন। এরই পরিপ্রেক্ষিতে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রার্থী বাছাই ও দলের নেতৃত্ব নির্ধারণ করা হতে পারে। জানা যায়, গতকালই মাঠ পর্যায়ের এই সফর শুরু হয়েছে। ৩০ ডিসেম্বর পর্যন্ত এটা চলবে। এরই মধ্যে জেলা পর্যায়ে চিঠি পাঠানো হয়েছে। দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর থেকে শুরু করে স্থায়ী কমিটি, ভাইস চেয়ারম্যান, উপদেষ্টা, সিনিয়র যুগ্ম-মহাসচিব ও যুগ্ম-মহাসচিব পর্যায়ের নেতাদের টিমপ্রধানের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। সফরের প্রাথমিক কাজ শুরু করতে গতকাল সিলেট গেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়। এ প্রসঙ্গে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর  জানান, ‘দলকে সুসংহত করতেই তৃণমূলে কেন্দ্রীয় নেতাদের সফর কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে।

    শুধু দলকে শক্তিশালীই নয়, আগামী নির্বাচন ও চলমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়েও কেন্দ্রীয় নেতারা মাঠের কর্মী ও সমর্থকদের সঙ্গে মতবিনিময় করবেন। আমাদের দাবিগুলোও জনসাধারণের মধ্যে তুলে ধরা হবে। মূলত এই সফরের মাধ্যমে বিএনপির নেতা-কর্মীসহ সর্বস্তরের মানুষের আরও কাছাকাছি যাওয়ার সুযোগ সৃষ্টি হবে বলে আমি আশা করছি। ’ প্রতি টিমপ্রধানকে পাঠানো বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম-মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী আহমেদ স্বাক্ষরিত চিঠিতে বলা হয় : ‘দেশব্যাপী জেলা ও মহানগর পর্যায়ে কর্মিসভা করার সিদ্ধান্ত হয়েছে। সাংগঠনিক তত্পরতা বৃদ্ধি করার জন্য এই সভা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সভা সাফল্যমণ্ডিত করতে কেন্দ্রীয় নেতাদের সমন্বয়ে সারা দেশের জেলা/মহানগরে সাংগঠনিক সফরের জন্য আপনাকে দলনেতা করে টিম গঠন করা হয়েছে। ৩০ ডিসেম্বরের মধ্যে কর্মিসভা সাফল্যমণ্ডিত করতে আপনার নেতৃত্বে গঠিত টিমকে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য নির্দেশিত হয়ে অনুরোধ করছি। ’ জানা যায়, কেন্দ্রীয় দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতা ছাড়াও বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক সমন্বয়কের দায়িত্ব পালন করবেন। এ ছাড়া টিমে সংশ্লিষ্ট জেলায় বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির কর্মকর্তা ও সদস্য, সাবেক এমপি, বিগত সংসদ নির্বাচনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী, জেলা কমিটির নেতৃবৃন্দ, পৌর মেয়র, উপজেলা চেয়ারম্যান ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক রয়েছেন।

    জানা যায়, পঞ্চগড় ও ঠাকুরগাঁওয়ে মিজানুর রহমান মিনু; দিনাজপুরে মেজর হাফিজ উদ্দিন আহমদ (অব.); সৈয়দপুর ও নীলফামারীতে হারুন অর রশীদ; লালমনিরহাট, রংপুর জেলা ও মহানগরে আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী; কুড়িগ্রাম ও গাইবান্ধায় হাবিব-উন-নবী খান সোহেল; জয়পুরহাট ও বগুড়ায় ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু; চাঁপাইনবাবগঞ্জ ও কুষ্টিয়ায় সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল; নওগাঁ, রাজশাহী জেলা ও মহানগরে মির্জা আব্বাস; নাটোর ও মাগুরায় আবুল খায়ের ভূইয়া; সিরাজগঞ্জ ও পাবনায় অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন; শেরপুর, ময়মনসিংহ উত্তর ও দক্ষিণে আবদুল্লাহ আল নোমান; নেত্রকোনায় রুহুল আলম চৌধুরী; কিশোরগঞ্জে সেলিমা রহমান; মানিকগঞ্জ ও ঢাকা মহানগরীতে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর; মুন্সীগঞ্জ ও ঢাকা জেলায় বরকত উল্লা বুলু; গাজীপুরে জয়নুল আবদিন ফারুক; নরসিংদীতে ফজলুর রহমান; নারায়ণগঞ্জ জেলা ও মহানগরে ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ; রাজবাড়ী ও গোপালগঞ্জে চৌধুরী কামাল ইবনে ইউসুফ; ফরিদপুরে আতাউর রহমান ঢালী; মাদারীপুর ও শরীয়তপুরে আহমেদ আজম খান; সুনামগঞ্জ ও সিলেট জেলা ও মহানগরে গয়েশ্বর চন্দ্র রায়; মৌলভীবাজার ও হবিগঞ্জে শামসুজ্জামান দুদু; কুমিল্লা জেলা উত্তর ও ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় আবদুল আউয়াল মিন্টু; মেহেরপুরে অধ্যাপক জয়নাল আবেদিন (ভিপি); চুয়াডাঙ্গায় খায়রুল কবির খোকন; যশোর ও ঝিনাইদহে রুহুল কবির রিজভী; নড়াইল ও বাগেরহাটে নিতাই রায় চৌধুরী; খুলনা জেলা ও মহানগরীতে ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলাম মিয়া; সাতক্ষীরায় ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন; বরগুনায় জয়নুল আবেদীন; পটুয়াখালী, পিরোজপুর ও ভোলায় মজিবর রহমান সরোয়ার; বরিশাল জেলা উত্তর, দক্ষিণ ও মহানগরে ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন; ঝালকাঠিতে আলতাফ হোসেন চৌধুরী; টাঙ্গাইল ও জামালপুরে আমান উল্লাহ আমান; চট্টগ্রাম মহানগর এবং জেলা দক্ষিণ ও উত্তরে নজরুল ইসলাম খান; ফেনী, কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা ও মহানগরীতে মো. শাহজাহান; কক্সবাজার ও চাঁদপুরে মীর মোহাম্মদ নাছির উদ্দিন; নোয়াখালী ও লক্ষ্মীপুরে ড. আবদুল মঈন খান; বান্দরবানে আবদুস সালাম; খাগড়াছড়ি ও রাঙামাটিতে শওকত মাহমুদ।

  • মুসলিমদের বুকের রক্ত ঝরলেও  জেরুজালেমকে ইসরাইলের রাজধানী করা যাবেনা :- ফয়জুল করীম।

    মুসলিমদের বুকের রক্ত ঝরলেও জেরুজালেমকে ইসরাইলের রাজধানী করা যাবেনা :- ফয়জুল করীম।

    শেখ সুমন

    পবিত্র শহর জেরুজালেমকে যুক্তরাষ্ট্র কর্তৃক বিশ্ব সন্ত্রাস ইসরাইলের রাজধানী করার প্রতিবাদে আজ বিকালে বরিশাল টাউন হলের সামনে বিক্খোব সমাবেশের আয়োজন করেম ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ।ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ বরিশাল মহানগর ও জেলার যৌথ আয়োজনে সভা ও র্যালিতে প্রধান অতিথি ছিলেন মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ ফয়জুল করীম ( পিরে কামেল , চরমোনাই )।সভাপতি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ বরিশাল মহানগরের সভাপতি মুহাম্মদ আবুল খায়ের ।

    এসময় উপস্থিত ছিলেন ইসলামী আন্দোলন, যুব আন্দোলন, শাসনতন্ত্র ছাত্র আন্দোলন সহ সকল অঙ্গ সংগঠনের নেতৃবৃন্দ ।এসময় ইসলাম প্রেমি হাজারো তাওহিদি জনতা অংশগ্রহণ করেন। সমাবেশে সকল বক্তাগন তাদের বক্তৃতায় ডোনাল্ড ট্রামের সিদ্ধান্তের তীব্র নিন্দা জানান।তারা বলেন রক্ত দিয়ে হলেও জেরুজালেম কে বাচানো হবে।ফিলিস্থানের রাজধানী জেরুজালেম ।জেরুজালেম কখনও ইসরাইলের রাজধানী হতে পারেনা।পিরে কামেল চরমোনাই বলেন, আমরা মুসলমান ।মুসলমান বীরের জাতী।আর মুসলমান কখনও জেরুজালেম কে ইসরাইলের রাজধানী হতে দিবে না।প্রয়োজনে আমরা রক্ত দিবো।তবু জেরুজালেম কে রখ্যা করবো।তিনি আরো বলেন,জেরুজালেমের বিষয়ে বাংলাদেশ সরকারের আরো শক্ত ভুমিকা পালন করতে হবে।আর সমগ্র মুসলিম জাতীকে এক হয়ে কাজ করতে হবে।

  • মহিউদ্দিন চৌধুরীর মৃত্যুতে প্রধানমন্ত্রীর শোক

    মহিউদ্দিন চৌধুরীর মৃত্যুতে প্রধানমন্ত্রীর শোক

    মহান মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক, চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি এবং চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের সাবেক মেয়র আলহাজ্ব এবিএম মহিউদ্দিন চৌধুরী- এর মৃত্যুতে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন।
    চট্টগ্রামের মাটি ও মানুষের এই নেতার মৃত্যুতে এক শোক বিবৃতিতে শেখ হাসিনা বলেন, মহিউদ্দিন চৌধুরী দেশের স্বাধীনতা সংগ্রাম থেকে শুরু করে প্রতিটি গণতান্ত্রিক আন্দোলন-সংগ্রামে অগ্রগণ্য ভূমিকা রাখেন। তিনি বহুবার কারাবরণ করেছেন ও নির্যাতন সহ্য করেছেন কিন্তু কখনও মাথানত করেননি। চট্টগ্রামের মানুষের উন্নয়ন ও কল্যাণে তাঁর অবদান অবিস্মরণীয় হয়ে থাকবে।
    তিনি আরো বলেন, গণমানুষের অন্তরে এই বর্ষীয়ান জননেতা চিরদিন বেঁচে থাকবেন। প্রধানমন্ত্রী মরহুমের আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং তাঁর শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি আন্তরিক সমবেদনা জানান।