Category: জাতীয়

  • আমিরাতের ৭০ ভাগ মসজিদের দায়িত্বে বাংলাদেশিরা

    আমিরাতের ৭০ ভাগ মসজিদের দায়িত্বে বাংলাদেশিরা

    সংযুক্ত আরব আমিরাতের ফুজাইরা আল বিদিয়া মাটির মসজিদ ও আবুধাবিতে নির্মিত বৃহত্তম শেখ জায়েদ মসজিদ ছাড়াও আবুধাবি, দুবাই, শারজাহ, আল আইন, ফুজাইরা, আজমান ও রাস আল খাইমা প্রদেশে সব মিলিয়ে প্রায় ৪ হাজার মসজিদ রয়েছে।

    কারুকাজে নির্মিত মসজিদগুলোর সৌন্দর্য প্রতিনিয়ত আকর্ষণ করে পর্যটকদের। এসব মসজিদে প্রতিদিন লাখো মুসল্লিকে নামাজ পড়ান বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে আসা হাফেজ-ইমামরা। প্রতিটি মসজিদে আবার ইমামের সহযোগী হিসেবে রয়েছেন একজন করে মুয়াজ্জিন।

    Amirat

    আর এই ইমামদের তালিকায় বাংলাদেশিদের অবস্থান কম হলেও মুয়াজ্জিন হিসেবে আমিরাতের প্রায় ৭০ ভাগ মসজিদে দায়িত্ব পালন করছেন প্রবাসী বাংলাদেশিরা। মুয়াজ্জিন হলেও তারা পান ইমামের মর্যাদা। এমনকি ইমাম পেশা রেখেই ভিসা ইস্যু করা হয় তাদের।

    এমনটাই জানান স্থানীয় বিভিন্ন মসজিদে দায়িত্বরত বাংলাদেশি ইমাম-মুয়াজ্জিনরা। তবে এ পেশায় আসতে হলে স্থানীয় ইসলামিক সোসাইটি ওয়কাফে জমা করতে হয় শিক্ষাগত যোগ্যতা সনদ, দিতে হয় দক্ষতা ও পারদর্শীতার পরীক্ষা।

    Amirat

    আমিরাতের বিভিন্ন প্রদেশ ঘুরে জানা গেছে, ছোট-বড় প্রায় মসজিদে এ পেশায় এশিয়ানদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি কদর বাংলাদেশিদের। এজন্যে সরকারি ওয়কাফের ইমাম-মুয়াজ্জিন ছাড়াও অনেক মসজিদে স্থানীয় আরবীদের অধীনে কাজ করেন বাংলাদেশি ইমাম-মুয়াজ্জিনরা।

  • মালয়েশিয়ায় অভিযানে বাংলাদেশিসহ আটক ২৯০

    মালয়েশিয়ায় অভিযানে বাংলাদেশিসহ আটক ২৯০

    মালয়েশিয়ায় যৌথ বাহিনীর অভিযানে ২৯ বাংলাদেশিসহ বিভিন্ন দেশের ২৯০ জন বিদেশিকে আটক করা হয়েছে। আটকদের মালয়েশিয়ার সেপাং জেলখানার প্রধান কার্যালয়ে রাখা হয়েছে।

    তাদের কাছে বৈধ কাগজ না থাকায় এবং টেরোরিজম গ্রুপের সঙ্গে যোগাযোগ থাকার সন্দেহে আটক করা হয় বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।

    বুধবার রাতে (৯ আগস্ট) দেশটির সাইবারজায়ায় নামক স্থানে এ অভিযান চালানো হয়। অভিযানে অংশ নেয় মালয়েশিয়া ইমিগ্রেশন পুলিশ, রেডরাল পুলিশ কাউন্টার টেরোরিজম ও এডুকেশন মালয়েশিয়া গ্রোবাল সার্ভিস।

    Malasia

    যে দেশে যতজন আটক

    ইয়েমেন (৫০), পাকিস্তান (৩২), সিরিয়া (৩২), বাংলাদেশি (২৯), ইন্ডিয়া (২৭), নেপাল (২২), প্যালেস্টাইন (১৬), সুদান (১০), ইন্দোনেশিয়া (৭), লিবিয়া (৬), নাইজেরিয়া (৫), সৌদি আরব (৫), শ্রীলঙ্কা (৫), ইরাক (৬), ইরান (৫) আলজেরিয়া (৩), সেনেগাল (৪), সোমালিয়া (৩), ফিলিপাইন (২), ঘানা (২), লেবানন (২), মৌরিতানিয়া (২), মিশর (২), তাজিকিস্তান (২), গিনি (১), জর্দান (১), কাজাখস্তান (১), টুনিসিয়া (১), তুর্কমেনিস্তান (১), আফগানিস্তান (১), চীন (১)।

    এদের মধ্যে ৯৮ জন বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ছাত্র। লিম কোক উইং ইউনিভার্সিটি, মাল্টিমিডিয়া ইউনিভার্সিটি, ইউসিএআই ইউনিভার্সিটি, এফটিএমএস গ্লোবাল কলেজ, ইউনিভার্সিটি কেবাংসান মালয়েশিয়া এবং ইউনিভার্সিটি মালয়েশিয়া পাহাং।

    যাদের কাগজপত্র নেই তাদের বিরুদ্ধে মালয়েশিয়ার অভিবাসন আইন, ১৯৫৯-এর ধারা ৬ (১) সি/ ১৫ (১) সি এবং পাসপোর্ট আইন, ১৯৬৬-এর ১২ (১) ধারায় ইমিগ্রেশন আইনের অধীনে বিচারের আওতায় আনা হবে বলে জানিয়েছে দেশটির ইমিগ্রেশন বিভাগ।

    জানা গেছে, প্রায় ৫০০০ মার্কিন ডলার (আরএম ২৫,১৭৩) মূল্যের একটি সংবেদনশীল ডিভাইস যা ৫০ মিটার ব্যাসার্ধের মধ্যে বিকিরণ শনাক্ত করতে পারে, এবং ব্যাকপ্যাকে আটকে থাকা আরও বড় এলাকায় স্ক্যানে ব্যবহার করতে পারে।

  • বরিশালে অস্ত্র মামলায় বৃদ্ধের ১৭ বছর কারাদণ্ড

    বরিশালে অস্ত্র মামলায় বৃদ্ধের ১৭ বছর কারাদণ্ড

    বরিশাল নগরীর তাজকাঠি থেকে রিভলবার, পাইপগান ও গুলিসহ গ্রেফতার আব্দুস সত্তারকে ১৭ বছর কারাদণ্ড দিয়েছে আদালত।

    একই সঙ্গে মামলার চার্জশিট থেকে সত্তারের ছেলে জসিম হাওলাদারের (৪১) নাম বাদ দেয়ায় তদন্ত কর্মকর্তা এসআই আনিসুর রহমানের কোনো গাফিলতি আছে কিনা তা আগামী ৬০ দিনের মধ্যে ট্রাইব্যুনালকে অবহিত করতে পুলিশ কমিশনারকে নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

    বৃহস্পতিবার বিকেলে স্পেশাল ট্রাইব্যুনাল-৬ এর বিচারক আশিকুর রহমান আসামির উপস্থিতিতে এ রায় ঘোষণা করেন।

    আদালত সূত্রে জানা যায়, ২০১২ সালের ২৮ জুন র্যাব-৮ এর সদস্যরা তাজকাঠি এলাকার সত্তারের ঘরে অভিযান চালিয়ে সত্তার ও তার ছেলে জসিমকে গ্রেফতার করে।

    পরে বাবা-ছেলের দেখানো স্থান থেকে উদ্ধার করা হয় একটি করে রিভলবার ও পাইপাগান এবং ৬ রাউন্ড গুলি। এ ঘটনায় র্যাবের ডিএডি আলমগীর হোসেন বাদী হয়ে বাবা-ছেলেকে আসামি করে মামলা করেন।

    মামলার তদন্তের দায়িত্ব পান এসআই আনিসুর রহমান। এসআই আনিসুর রহমান একই বছরের ১৭ জুলাই মামলার আসামি জসিমকে বাদ দিয়ে চার্জশিট দেন আদালতে। ৯ জনের সাক্ষ্য শেষে আদালতের বিচারক এ রায় দেন।

  • দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ৭ জেলায় বাস ধর্মঘট স্থগিত

    দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ৭ জেলায় বাস ধর্মঘট স্থগিত

    দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ৭ জেলায় ৫৫ রুটে অনির্দিষ্টকালের বাস ধর্মঘট স্থগিত করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার রাত ১০টার দিকে বাস মালিক ও শ্রমিক সমন্বয় কমিটি ধর্মঘট স্থগিতের ঘোষণা দেন।

    এর আগে সন্ধ্যা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত বরিশাল সার্কিট হাউজ মিলনায়তনে প্রশাসনের সঙ্গে বাস মালিক ও শ্রমিকদের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে বাস মালিক ও শ্রমিক সমন্বয় কমিটি বরিশাল-পটুয়াখালী মিনিবাস মালিক সমিতির সভাপতিসহ ৫ জনের ওপর হামলাকারীদের গ্রেফতার করে কঠোর শাস্তি প্রদান এবং জেলা সড়ক ও মহাসড়কে সবধরনে থ্রি-হুইলার-ভাড়ায় চালিত মোটরসাইকেল চলাচল বন্ধের দাবিসহ ৩ দফা দাবি তুলে ধরেন।

    প্রশাসন সব দাবি মেনে নেয়ার আশ্বাসে তারা ধর্মঘট স্থগিতের ঘোষণা দেন। তবে আগামী ১০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে দাবি পূরণ না হলে ফের লাগাতার ধর্মঘটের ডাক দেয়া হবে বলে হুঁশিয়ারি দেয় বাস মালিক ও শ্রমিক সমন্বয় কমিটি।

    বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন বরিশালের বিভাগীয় কমিশনার মো. শহিদুজ্জামান। অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বরিশাল জেলা প্রশাসক মো. হাবিবুর রহমান, বরিশাল-পটুয়াখালী মিনিবাস মালিক সমিতির সহ-সভাপতি মো. হুমায়ুন কবির, সাধারণ সম্পাদক কাউছার হোসেন শিপন, ঝালকাঠি বাস মালিক সমিতির সহ-সভাপতি মাহাবুবল হক দুলাল, বরগুনা বাস মালিক সমিতির ছগির হোসেন, পটুয়াখালী বাস মালিক সমিতির প্রফেসর মো. আজাদ হোসেন, বরিশাল শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক সুলতান মাহমুদ, ঝালকাঠির শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক মজিবর রহমান, বরগুনা শ্রমিক ইউনিয়নের সাহাবুদ্দিন সাবু, পটুয়াখালীর শ্রমিক ইউনিয়নের মাহাবুব আলম রনি প্রমুখ।

    বিভাগীয় বাস মালিক-শ্রমিক সমন্বয় পরিষদের সাধারণ সম্পাদক কাওছার হোসেন শিপন জানান, তিন দফা দাবি মেনে নেয়ার আশ্বাস ও পবিত্র হজ, ঈদুল আজহা ও শোকের মাস বিবেচনা করে আগামী ১০ সেপ্টেম্বর ধর্মঘট স্থগিত করা হয়েছে।

    উল্লেখ্য, গত মঙ্গলবার (৮ আগস্ট) বরিশাল-পটুয়াখালী মহাসড়কের কর্ণকাঠি এলাকায় বাসে চাঁদাবাজির খবর পেয়ে মালিক সমিতির সভাপতিসহ ৫ সদস্যের একটি প্রতিনিধিদল সেখানে গিয়ে প্রতিবাদ করে। এ সময় পুলিশের উপস্থিতিতে চাঁদাবাজদের হামলায় সমিতির সভাপতি নজরুল ইসলাম খোকনসহ ৫ জন আহত হয়।

    এ ঘটনায় থানায় মামলা করতে গেলে বন্দর থানা পুলিশ মামলা নিতে অস্বীকৃতি জানায়। পরদিন বুধবার (৯ আগস্ট) রূপাতলী টার্মিনালে মালিক সমিতি কার্যালয়ে বিভাগের জেলা বাস মালিক সমিতি এবং শ্রমিক ইউনিয়নের নেতৃবৃন্দের যৌথসভায় পুলিশের কাছ থেকে আইনি সহায়তা না পাওয়ায় তীব্র নিন্দা ও ক্ষোভ প্রকাশ করা হয়।

    একই সঙ্গে ওই ঘটনায় অভিযুক্তদের গ্রেফতার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি এবং সড়ক-মহাসড়কে সবধরনের থ্রি-হুইলারসহ ভাড়ায়চালিত মোটরসাইকেল চলাচল বন্ধের দাবিতে বৃহস্পতিবার ভোর থেকে অনির্দিষ্টকালের ধর্মঘটের ডাক দেয় বাস মালিক ও শ্রমিক সমন্বয় কমিটি।

  • বিসিএস-এ আবেদনকারী সর্বোচ্চ ঢাকা বিভাগে

    বিসিএস-এ আবেদনকারী সর্বোচ্চ ঢাকা বিভাগে

    ৩৮তম বিসিএস অনলাইন আবেদন প্রক্রিয়া শেষ হয়েছে বৃহস্পতিবার। এবার ৩ লাখ ৮৯ হাজার ৪৬৮ প্রার্থী আবেদন করেছেন বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন (পিএসসি)।

    জানা গেছে, গত ১০ জুলাই থেকে বৃহস্পতিবার বিকাল পর্যন্ত ৩ লাখ ৮৯ হাজার ৪৬৮টি আবেদন জমা পড়ে। এর মধ্যে ফি জমা দিয়েছেন ৩ লাখ ২৭ হাজার ৭৩৫ জন। ফি জমা দেয়ার শেষ তারিখ ১৩ আগস্ট পর্যন্ত নির্ধারণ করা হয়েছে।

    এর আগে ৩৭তম বিসিএস-এ অংশ নেন ২ লাখ ৪৩ হাজার ৪৭৬ পরীক্ষার্থী।

    পিএসসি সূত্র জানায়, দেশের ৮ বিভাগের মধ্যে বিসিএস-এ সর্বোচ্চ আবেদনকারী ঢাকায়। এ বিভাগ থেকে ১ লাখ ৮১ হাজার ৩৪৩ আবেদন জমা পড়েছে। দ্বিতীয় অবস্থানে রাজশাহী, আবেদনকারীর সংখ্যা ২৯ হাজার ৭৪৩, চট্টগ্রামের ২৮ হাজার ৯৪৮, রংপুরের ২৩ হাজার ৪৬১, ময়মনসিংহের ২১ হাজার ৭৭৪, খুলনার ২০ হাজার ৫৯৭, সিলেটের ১৩ হাজার ১০৫ এবং বরিশালের ৮ হাজার ৪৫২ জন আবেদন করেছেন।

    পিএসসির চেয়ারম্যান মোহাম্মদ সাদিক জাগো নিউজকে বলেন, সরকারি ক্যাডার ও ননক্যাডার পদ বেড়ে যাওয়ায় আবেদনকারীর সংখ্যাও বেড়েছে।

    তিনি বলেন, ৩৮তম বিসিএস-এ প্রিলিমিনারি পরীক্ষা অক্টোবরের শেষ দিকে হতে পারে। যারা আবেদন করে এখনও টাকা জমা দিতে পারেনি তাদের জন্য ১৩ আগস্ট পর্যন্ত সময় নির্ধারণ করা হয়েছে।

    তথ্য মতে, ৩৮তম বিসিএস-এ মাধ্যমে জনপ্রশাসনে দুই হাজার ২৪ জন ক্যাডার কর্মকর্তা নিয়োগ করা হবে। এর মধ্যে প্রশাসন ক্যাডারের ৩০০, পুলিশ ক্যাডারের ১০০ পদসহ সাধারণ ক্যাডারে মোট ৫২০টি, কারিগরি ও পেশাগত ক্যাডারে ৫৪৯টি এবং শিক্ষা ক্যাডারে ৯৫৫টি পদ রয়েছে।

  • সরকার বা বিরোধীদলের ট্র্যাপে পড়ব না : প্রধান বিচারপতি

    সরকার বা বিরোধীদলের ট্র্যাপে পড়ব না : প্রধান বিচারপতি

    প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার (এসকে) সিনহা বলেছেন, ‘আমরা সরকার বা বিরোধীদলের ট্র্যাপে (ফাঁদে) পড়ব না। রায় নিয়ে গঠনমূলক সমালোচনা হতে পারে। কিন্তু গঠনমূলক সমালোচনা না হলে বিচার বিভাগ ক্ষতিগ্রস্ত হবে।’

    বৃহস্পতিবার সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের নিয়মিত কার্যক্রম শুরুর এক পর্যায়ে তিনি উপস্থিত আইনজীবীদের উদ্দেশ্য করে এসব কথা বলেন।

    এর আগে ষোড়শ সংশোধনীর রায় নিয়ে গণমাধ্যমে প্রকাশিত সাবেক প্রধান বিচারপতি ও আইন কমিশনের চেয়ারম্যান এবিএম খায়রুল হকের দেওয়া বক্তব্য প্রধান বিচারপতির নজরে আনেন সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সভাপতি অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদীন। তখন প্রধান বিচারপতি একথা বলেন।

    এ সময় জয়নুল আবেদীনকে উদ্দেশ্য করে প্রধান বিচারপতি বলেন, ‘আপনারা সংযত থাকবেন। রায় নিয়ে রাজনীতি করবেন না, ইতিহাসই একদিন এ রায়ের বিচার করবে।’

    গতকাল বুধবার জাতীয় আইন কমিশনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে খায়রুল হক বলেন, ‘আমি ষোড়শ সংশোধনীর রায় পড়ে দেখেছি যে এই রায়ে অনেক অপ্রাসঙ্গিক মন্তব্য রয়েছে। যেসব কথার কোনো প্রয়োজনই এই রায়ে ছিল না।’

    রায়ের সমালোচনা করে তিনি বলেন, ‘সংবিধানে ১নং অনুচ্ছেদে গণপ্রজাতন্ত্রের কথা বলা হয়েছে। কিন্তু এই রায় দেশকে বিচারিক প্রজাতন্ত্রের দিকে নিয়ে যাচ্ছে। এর মাধ্যমে মার্শাল ল’ আমলে চলে যাওয়ার চেষ্টা চলছে।’

    ষোড়শ সংশোধনীর রায়ে সংবিধানের অপব্যাখ্যা করা হয়েছে উল্লেখ করে খায়রুল হক বলেন, ‘সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিল ফিরিয়ে আনতে হলে আবারও সংবিধান সংশোধন করতে হবে। সংবিধানে যেহেতু সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিল ছিল না। সেহেতু এটা রাখা সংবিধান পরিপন্থী বলেও মনে করেন তিনি।

    সাবেক এ প্রধান বিচারপতি বর্তমান প্রধান বিচারপতিকে উদ্দেশ্য করে বলেন, ‘প্রধান বিচারপতি কি প্রধান শিক্ষক নাকি, আর অন্য বিচারপতিরা ছাত্র নাকি, যে সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিলের মাধ্যমে তাকে (প্রধান বিচারপতি) অন্য বিচারপতিদের পরিচালনা করতে হবে? সংবিধানের ৯৪ (৪) অনুচ্ছেদ অনুসারে তো বিচারপতিরা সবাই স্বাধীন।’

    তিনি বলেন, ‘যেখানে দুদককে চিঠি দিয়ে সাবেক বিচারপতির বিরুদ্ধে তদন্ত বন্ধ করতে নির্দেশ করে সেখানে তাদের ওপর (সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিলের সদস্য বিচারপতিদের) নির্ভর করব কীভাবে?’

    এদিকে, ষোড়শ সংশোধনীর রায় নিয়ে আনুষ্ঠানিক মত দিয়েছেন আইনমন্ত্রী আনিসুল হক।

    দুপুরে সচিবালয়ে সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, ‘বিচারপতি অপসারণের ক্ষমতা সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিলের কাছ থেকে জাতীয় সংসদের হাতে দেওয়া ষোড়শ সংশোধনী বাতিলের রায়ে দ্বিমত থাকলেও সরকার এ রায়ের প্রতি শ্রদ্ধাশীল।’

    রায়ের বিরুদ্ধে রিভিউ করার চিন্তা ভাবনা করা হচ্ছে বলেও জানিয়েছেন তিনি।

  • জনগণের আস্থা ও বিশ্বাস ধরে রাখতে হবে : প্রধানমন্ত্রী

    জনগণের আস্থা ও বিশ্বাস ধরে রাখতে হবে : প্রধানমন্ত্রী

    প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, উন্নয়নের গতিধারা ধরে রাখতে হলে সরকারে ধারাবাহিকতাও ধরে রাখতে হবে। আমরা দিন বদলের সনদ দিয়েছি, ঠিকই আমরা তা বাস্তবায়ন করেছি। নেতা-কর্মীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, জনগণের যে আস্থা ও বিশ্বাস আমরা অর্জন করেছি তা ধরে রাখতে হবে। বাংলাদেশ বিশ্বের কাছে এখন উন্নয়ন রোল মডেল। বিশ্বের মানুষ বিস্ময় প্রকাশ করে আমাদের উন্নয়ন দেখে।

    বৃহস্পতিবার রাতে প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন গণভবনে আয়োজিত দলের যৌথ সভায় তিনি এ কথা বলেন।

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, ৭৫ এর ১৫ আগস্টের পর আমরা দেখেছি ইতিহাসকে বিকৃত করা হয়েছে। জাতির পিতার নাম-নিশানা মুছে ফেলার ঘৃণ্য চক্রান্ত হয়েছে। স্বাধীনতার ঘোষণা নিয়ে বিভ্রান্তি, মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস নিয়ে বিভ্রান্তি ছড়ানো, আমাদের দেশের কয়েকটা প্রজন্মকে এই বিভ্রান্তির বেড়াজালে জড়িয়ে ফেলা হয়েছে। কিন্তু ইতিহাসকে কেউ কোনো দিন মুছে ফেলতে পারেনি। সত্য প্রকাশ হবেই।

    তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধুকে ইতিহাস থেকে মুছে ফেলার চেষ্টা হয়েছে, স্বাধীনতার ঘোষণা নিয়ে বিভ্রান্তি সৃষ্টির চেষ্টা হয়েছে। আবার কেউ কেউ এক ধাপ উপরে গিয়ে .. কারও একক চেষ্টায় স্বাধীনতা আসেনি। হ্যাঁ একক চেষ্টায় কোনো কিছুই হয়নি। কিন্তু সবকিছুর পেছনে কারও ত্যাগ থাকে, প্রেরণা থাকে, সাংগঠনিক ক্ষমতা থাকে, মানুষকে উদ্বুদ্ধ করার শক্তি থাকে। সেই শক্তি ছিল জাতির পিতার।

    শেখ হাসিনা বলেন, জাতির পিতা যদি এত জীবনে এত ত্যাগ স্বীকার না করতেন। .. যে জাতির ৮০ ভাগের মানুষ দরিদ্রসীমার নিচে বাস করত। এই দেশের মানুষের জীর্ণশীর্ণ শরীর, বিদেশে থেকে কাপড় এনে পরতে হত। এই রকম একটা পরিবেশ, এই রকম একটা জাতিকে স্বাধীনতাকে চেতনায় উদ্বুদ্ধ করেছেন জাতির পিতা।

    তিনি বলেন, ২৬ মার্চ স্বাধীনতা ঘোষণার পর পাকিস্তানের শাসক ইয়াহিয়া খান গ্রেফতার করে জাতির পিতাকে। শুধু তাই না ২৬ মার্চ ইয়াহিয়া যে ভাষণ দিয়েছিল সেখানে বঙ্গবন্ধুর কথাই বলেছিল, তাকে পাকিস্তানের শত্রু হিসেবে ঘোষণা দিয়েছিল এবং তার বিচার সে করবে এই ঘোষণাও সে দিয়েছিল। ইয়াহিয়া তার ঘোষণায় আর কারও নাম বলেনি। স্বাধীনতা ঘোষণা দেয়াটাই ছিল জাতির পিতার বড় অন্যায়। সেই অপরাধে ইয়াহিয়া অপরাধী করেছে জাতির পিতাকে। জিয়াউর রহমানও একজন মেজর ছিল। তাকে কি গ্রেফতার করেছে, তার কি চাকরি গিয়েছিল। কিন্তু বঙ্গবন্ধুকে গ্রেফতার করে নিয়ে যায়। তার বিচার করে ফাঁসির রায়ে সইও করেছিল ইয়াহিয়া। সে ইতিহাস মুছে দিয়ে, আরেকজনকে ঘোষক বানিয়ে .. ঘোষক কাকে বানানো হলো? জাতির পিতার ডাকে সাড়া দিয়ে বেরিকেড দিচ্ছিল, ওই চট্টগ্রামে যারা বেরিকেড দিয়েছিল তাদের ওপর গুলি চালিয়েছিল, পাকিস্তানি শাসকদের পক্ষ হয়ে আন্দোলনরত এবং সংগ্রামরত মানুষকে হত্যা করেছিল জিয়াউর রহমান।

    তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধুর ভাষণ বারবার প্রচার হচ্ছিল। আমাদের জহুর আহমেদ চৌধুরী (এই নামটাই মনে হয় বলেছে, রেকর্ড ক্লিয়ার না, কনফিউশন আছে।) চট্টগ্রামের নেতা তিনি বললেন- সেনাবাহিনীর কাউকে নিয়ে আসো। যেহেতু এটা যুদ্ধ, সেনাবাহিনীর কাউকে দিয়ে বলালে যেন যুদ্ধ-যুদ্ধ মনে হয়। ২৬ মার্চ বঙ্গবন্ধুর ভাষণ প্রচার করা হচ্ছিল। মহানগর আওয়ামী লীগের নেতা ছিলেন হান্নান সাহেবসহ একে একে আমাদের অনেকে পাঠ করা শুরু করেন। ২৭ তারিখে জিয়াউর রহমান যখন সোয়াত জাহাজ থেকে পাকিস্তানি শাসকদের জন্য অস্ত্র নামাতে যান তখন আমাদের যারা ভলান্টিয়ার তারা তাকে বেরিকেড দেয়, তারা তাকে আটকায়। পরবর্তীতে যেহেতু একজন সেনা অফিসার দরকার তাকে নিয়ে আসা হয় এবং তাকে দিয়ে ঘোষণা পাঠ করা হয়। কারও একক নেতৃত্বে স্বাধীনতা আসেনি। হ্যাঁ সবার সম্মিলিত চেষ্টায় কিন্তু একজন না একজনকে তো নেতৃত্বে থাকতে হয়। দীর্ঘ ২৩ বছরের সংগ্রাম এবং মুক্তিযুদ্ধ তার নেতৃত্ব জাতির পিতাই দিয়েছিলেন। এটাতে স্বীকার করতে পারবে না। এটাতো বাস্তব।

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, শুধু দেশে না এই সত্য এখন আন্তর্জাতিকভাবে প্রতিষ্ঠিত। এখন আর মানুষের কাছে বিকৃত ইতিহাস বিক্রি করা যায় না। তারপরও সুযোগ পেলে কেউ কেউ এই বিকৃত ইতিহাসকে সামনে আনার চেষ্টা করে। ১৫ আগস্টের কালো দিবস না যদি না আসত তবে ১০ বছরের মধ্যে বাংলাদেশ উন্নত সমৃদ্ধ হত।

    শেখ হাসিনা বলেন, দুর্ভাগ্য বাঙালির যারাই এ জাতির ভাগ্য পরিবর্তনের জন্য কাজ করে, যারাই এদেশের মানুষের মুখে হাসি ফোটাতে কাজ করে, যখনই মানুষ সুফল পেতে শুরু করে তখনই ষড়যন্ত্র আরও দানা বেঁধে ওঠে। তার মানে হচ্ছে সেই স্বাধীনতার বিরোধীরা, যারা মুক্তিযুদ্ধ চায়নি, যারা হত্যা-ধর্ষণ, লুটপাটের সঙ্গে জড়িত। তাদের প্রেতাত্মাগুলো বাংলাদেশে রয়ে গেছে। সুযোগ পেলেই তারা ছোবল মারার চেষ্টা করে। এ ব্যাপারে বাঙালি জাতিকে সর্তক থাকতে হবে এবং মানুষকে বুঝতে হবে কারা তাদের কল্যাণে কাজ করে।

    তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসলে উন্নয়ন হয়। জনগণের কল্যাণ হয়। আজকে উন্নয়নের যে গতিধারা তা যেন থেমে না যায় সরকারের ধারাবাহিকতা থাকলে উন্নয়নের ছোয়া, সুফল মানুষ পায়। আজকে তা মানুষ দেখেছে।

  • বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে ২২ হাজার পৃষ্ঠার নথি হস্তান্তর করবে পুলিশ

    বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে ২২ হাজার পৃষ্ঠার নথি হস্তান্তর করবে পুলিশ

    ‘বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্মৃতিবিজড়িত ২২ হাজার পৃষ্ঠার অসাধারণ দুর্লভ নথি রয়েছে পুলিশের স্পেশাল ব্রাঞ্চের কাছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এসব দুর্লভ নথি ডিক্লাসিফাইড করার নির্দেশ দিয়েছেন। শিগগিরই জাতীয় আর্কাইভে এসব ঐতিহাসিক নথি হস্তান্তর করবে পুলিশ’।

    বাংলাদেশ পুলিশের অতিরিক্ত মহাপরিদর্শক (স্পেশাল ব্রাঞ্চের) ড. মোহাম্মদ জাবেদ পাটোয়ারী এ তথ্য জানিয়েছেন।

    জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে বাংলাদেশ পুলিশের স্পেশাল ব্রাঞ্চের (এসবি) উদ্যোগে স্বেচ্ছায় রক্তদান কর্মসূচি-২০১৭ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে বৃহস্পতিবার তিনি এই তথ্য জানান। আজ রাজধানীর মালিবাগে স্পেশাল পুলিশ ব্রাঞ্চের মাল্টিপারপাস হলে এ রক্তদান কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।

    ডিআইজি (প্রশাসন) মীর শহীদুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে স্পেশাল ব্রাঞ্চের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাসহ সকল স্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারী উপস্থিত ছিলেন। এতে আরও বক্তব্য দেন ডিআইজি (রাজনৈতিক) মাহবুব হোসেন এবং বিশেষ পুলিশ সুপার (প্রশাসন) এ জেড এম নাফিউল ইসলাম।

    অনুষ্ঠানে স্পেশাল ব্রাঞ্চ প্রধান ও অতিরিক্ত আইজিপি ড. মোহাম্মদ জাবেদ পাটোয়ারী বলেন, ‘বঙ্গবন্ধু ও বাংলাদেশ সমার্থক। বঙ্গবন্ধুকে না জানলে বাংলাদেশকে জানা যাবে না। বঙ্গবন্ধুর রাজনৈতিক জীবনের সঙ্গে স্পেশাল ব্রাঞ্চের অনেক স্মৃতি রয়েছে। বঙ্গবন্ধুর জীবনের অনেক ঘটনার সাক্ষী স্পেশাল ব্রাঞ্চ’।

    তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে ২২ হাজার পৃষ্ঠার অসাধারণ দুর্লভ নথি রয়েছে। বঙ্গবন্ধুর কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দুর্লভ নথি ডিক্লাসিফাইড করার নির্দেশ দিয়েছেন। অল্প কিছুদিনের মধ্যে জাতীয় আর্কাইভে এসব ঐতিহাসিক নথি হস্তান্তর করা হবে।

    তিনি আরও বলেন, ‘এই নথি গবেষণার ক্ষেত্রে হবে গুরুত্বপূর্ণ দলিল। সেখান থেকে রাষ্ট্রীয় ও ব্যক্তিগতভাবে বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে আগ্রহী গবেষকদের গবেষণা করার দ্বার উন্মোচিত হবে।’

    ডিআইজি (প্রশাসন) মীর শহীদুল ইসলাম বলেন, বঙ্গবন্ধু ও তার পরিবারকে হত্যার মাধ্যমে একটি জাতি, আদর্শ ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে ধ্বংস করা হয়। তিনি প্রায় ১৪ বছর জেল খেটেছেন। বাঙালির স্বাধিকার, অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি, শোষণ ও বঞ্চনাহীন স্বাধীন রাষ্ট্র বিনির্মাণই তার আদর্শ।

    ডিআইজি (রাজনৈতিক) মাহবুব হোসেন বলেন, একটি প্রতিক্রিয়াশীল গোষ্ঠী বঙ্গবন্ধুকে হত্যার মাধ্যমে দেশকে অরাজকতার মধ্যে নিমজ্জিত করতে চেয়েছিল। বর্তমান সরকার বঙ্গবন্ধু কন্যার বলিষ্ঠ নেতৃত্বে সেই ষড়যন্ত্র প্রতিহত করে দেশকে উন্নতির দিকে ধাবিত করেছে। রক্তদান কর্মসূচিতে স্পেশাল ব্রাঞ্চের ৬৪ জন বিভিন্ন স্তরের পুলিশ কর্মকর্তা রক্তদান করেন।

  • ভোটার তালিকা হালনাগাদে ২৪ লাখ ৩৭ হাজার তথ্য সংগ্রহ

    একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সমানে রেখে ভোটার তালিকা হালনাগাদে ২৪ লাখ ৩৭ হাজার ৩৩১ জনের তথ্য সংগ্রহ করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। মৃত ১৩ লাখ ৩৩ হাজার দুইজনের নাম বাদ দেয়া হয়েছে। আর ভোটার স্থানান্তরের জন্য আবেদন করেছেন ৬০ হাজার ৮৭৬ জন।

    বৃহস্পতিবার দুপুরে আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে সাংবাদিকদের এসব তথ্য জানান নির্বাচন কমিশনের ভারপ্রাপ্ত সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ।

    সচিব বলেন, হালনাগাদে আমাদের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৩৫ লাখ। সে হিসেবে লক্ষ্যমাত্রার ৭০ ভাগ পূরণ হয়েছে। হালনাগাদে যে পরিমাণ তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে তাতে আমরা সন্তুষ্ট, উই আর হ্যাপি।

    জানা যায়, গত মঙ্গলবার পর্যন্ত ১৪ লাখের তথ্য সংগ্রহ করতে পেরেছিল ইসি। বুধবার শেষদিন নতুন ভোটার হতে আগ্রহী অনেকেই ফরম পূরণ করেছেন। ফলে একদিনেই সংখ্যা এত বেড়ে গেছে বলে দাবি করছে সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানটি।

    সচিব বলেন, ভোটার তালিকা হালনাগাদের সময় আর বাড়ানো হবে না। তবে ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হওয়া যাবে সব সময়। যে কেউ উপযুক্ত প্রমাণ নিয়ে ভোটার হতে পারবেন।

    তিনি বলেন, যদি কোনো অভিযোগ পাওয়া যায় কেউ বাড়ি বাড়ি না গিয়েই ভোটার তালিকা হালনাগাদ করেছেন তাদের বিরুদ্ধে ইসি ব্যবস্থা নেবে।

    ইসি জানিয়েছে, সংগ্রহকৃত এসব তথ্য নিবন্ধন কেন্দ্রে সংযোজনে ২০ আগস্ট থেকে কম্পিউটারে ডাটা এন্ট্রির কাজ শুরু হবে। তিন ধাপে হবে এ কাজ। প্রথম ধাপে ১৮৩টি উপজেলায় ২২ দিনে, দ্বিতীয় ধাপে ২১৬টি উপজেলায় ২৮ দিনে, তৃতীয় ধাপে ১১৮টি উপজেলায় ২১ দিনে, মোট ৫১৭টি উপজেলায় ডাটা এন্ট্রির কাজ সম্পন্ন হবে। শেষ হবে ৫ নভেম্বর।

    আর ২৫ নভেম্বর থেকে ১৫ ডিসেম্বর পর্যন্ত উপজেলা, থানা নির্বাচন অফিসারের কার্যালয়ে ভোটার এলাকা স্থানান্তরের আবেদন গ্রহণ, মৃত ভোটারের নাম কর্তন করা যাবে। এরপরে ২ জানুয়ারি হালনাগাদকৃত খসড়া ভোটার তালিকা প্রকাশ করা হবে। চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ করা হবে আগামী বছরের ৩১ জানুয়ারি।

    উল্লেখ্য, ভোটার তালিকা হালনাগাদ করার কার্যক্রম গত ২৫ জুলাই ময়মনসিংহে উদ্বোধন করেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কে এম নূরুল হুদা। বাড়ি বাড়ি গিয়ে তথ্য নেয়ার এই কার্যক্রম শেষ হয় বুধবার (৯ আগস্ট)। একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে ২০১৮ সালের ১ জানুয়ারিতে যাদের বয়স ১৮ বছর বা তার বেশি হচ্ছে তাদের তথ্য নিয়েছে ইসি।

  • বাসভবনে নিরাপত্তা জোরদারসহ পরিচ্ছন্নতাকর্মী চান এমপিরা

    বাসভবনে নিরাপত্তা জোরদারসহ পরিচ্ছন্নতাকর্মী চান এমপিরা

    নিজেদের জন্য বরাদ্দ সরকারি বাসভবনে নিরাপত্তা জোরদারসহ পরিচ্ছন্নতাকর্মী চান এমপিরা। বাসভবন পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখার লক্ষ্যে এই কর্মী নিয়োগের সুপারিশ করেছেন তারা। বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদ ভবনে অনুষ্ঠিত সংসদ কমিটির বৈঠকে এ সুপারিশ করা হয়।

    বৈঠক শেষে কমিটির সভাপতি ও জাতীয় সংসদের প্রধান হুইপ আ স ম ফিরোজ জাগো নিউজকে বলেন, আজকের বৈঠকে অনেকগুলো সুপারিশ এসেছে। তার মধ্যে একটি হলো এমপিদের জন্য সরকারি বাসভবনে পরিচ্ছন্নতাকর্মী নিয়োগ। এসব ভবন পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখার জন্য এই সুপারিশ করা হয়েছে।

    বৈঠক সূত্র জানায়, মানিক মিয়া এভিনিউয়ে এমপি ভবনের লিফটগুলো দ্রুত পরিবর্তনের সুপারিশ করেছে কমিটি। এছাড়া মানিক মিয়া এভিনিউ ও নাখালপাড়ার বাসভবনের নিরাপত্তা নিশ্চিতে কামরা পরিচারক ও নিরাপত্তা প্রহরী শূন্য পদসমূহে দ্রুত জনবল নিয়োগের সুপারিশ করা হয়েছে।

    নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদারের নিমিত্তে বাসভবন এলাকায় রাতে পর্যাপ্ত বৈদ্যুতিক বাতির ব্যবস্থা, পারিবারিক অতিথি ব্যতীত অন্য দর্শণার্থীর যাতায়াত নিয়ন্ত্রণ, ভবনসমূহের ছাদ, অন্যান্য জায়গায় অবৈধ অবস্থানকারীদের তল্লাশি এবং অপসারণ কার্যক্রম অব্যাহত রাখার সুপারিশ করে কমিটি।

    কমিটি এমপিদের বাসভবনের অভ্যন্তরে স্টিকারবিহীন কোনো গাড়ি প্রবেশ করতে না দেয়া এবং গাড়ি প্রবেশের সময় গেটে আন্ডার ভ্যাহিকেল সার্চের মাধ্যমে চেক করা অব্যাহত রাখার সুপারিশ করেছে।

    কমিটির সভাপতি ও জাতীয় সংসদের প্রধান হুইপ আ স ম ফিরোজের সভাপতিত্বে কমিটির সদস্য নূর-ই-আলম চৌধুরী, বেগম সাগুফতা ইয়াসমিন, পঞ্চানন বিশ্বাস, ফজলে হোসেন বাদশা, খালিদ মাহমুদ চৌধুরী, মো. আসলামুল হক ও তালুকদার মো. ইউনুস বৈঠকে অংশ নেন।