Category: জাতীয়

  • দেশে করোনায় একজনের মৃত্যু, শনাক্ত ৬০১

    দেশে করোনায় একজনের মৃত্যু, শনাক্ত ৬০১

    অনলাইন ডেস্ক ::: করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে একজন মারা গেছেন। এ নিয়ে দেশে করোনায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ালো ২৯ হাজার ৩৪০ জনে।

    একই সময়ে নতুন রোগী শনাক্ত হয়েছেন ৬০১ জন। মহামারি শুরুর পর থেকে এ পর্যন্ত দেশে মোট শনাক্ত বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২০ লাখ ১৮ হাজার ১২৫ জনে।

    সোমবার (১৯ সেপ্টেম্বর) স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে পাঠানো করোনাবিষয়ক নিয়মিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।

    বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ২৪ ঘণ্টায় করোনা থেকে সুস্থ হয়েছেন ৩৬২ জন। এ পর্যন্ত সুস্থ হয়েছেন ১৯ লাখ ৬০ হাজার ৯৭৭ জন। ২৪ ঘণ্টায় পাঁচ হাজার ১৯৬টি নমুনা সংগ্রহ করা হয়। পরীক্ষা করা হয় পাঁচ হাজার ১৭৯টি নমুনা। পরীক্ষার বিপরীতে শনাক্তের হার ১১ দশমিক ৬০ শতাংশ। মহামারির শুরু থেকে এ পর্যন্ত মোট শনাক্তের হার ১৩ দশমিক ৬১ শতাংশ।

    গত ২৪ ঘণ্টায় শনাক্তদের মধ্যে ৫০৯ জন ঢাকা বিভাগের, ১৫ জন ময়মনসিংহ বিভাগের, ১৯ জন চট্টগ্রাম বিভাগের, ২৫ জন রাজশাহী বিভাগের, তিনজন রংপুর বিভাগের, আটজন খুলনা বিভাগের, ১৭ জন বরিশাল বিভাগের ও পাঁচজন সিলেট বিভাগের।

    ২০২০ সালের ৮ মার্চ দেশে করোনাভাইরাসে প্রথম আক্রান্ত রোগী শনাক্ত হয়। এর ১০ দিন পর ১৮ মার্চ করোনায় প্রথম কোনো রোগীর মৃত্যুর তথ্য জানায় স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।

  • যার নেতৃত্বে বদলে গেছে বাংলাদেশ

    যার নেতৃত্বে বদলে গেছে বাংলাদেশ

    আমার আর হারাবার কিছুই নেই, পিতা, মাতা, ভাই রাসেল সবাইকে হারিয়ে আমি আপনাদের কাছে এসেছি।’ সেদিন বাঙালি জাতিও তাকে নিজের করে নিয়েছিল। দেশে ফিরে বঙ্গবন্ধুর আদর্শ ও স্বপ্ন বাস্তবায়নের দৃঢ় অঙ্গীকার, বঙ্গবন্ধু হত্যা ও জাতীয় চার নেতা হত্যার বিচার, যুদ্ধাপরাধীদের বিচার ও স্বৈরতন্ত্রের চির অবসান ঘটিয়ে জনগণের হারানো গণতান্ত্রিক অধিকার পুনঃপ্রতিষ্ঠা, সার্বভৌম সংসদীয় পদ্ধতির শাসন ও সরকার প্রতিষ্ঠার শপথ নিয়ে আওয়ামী লীগের সভাপতি হিসেবে ১৯৮১ সালে দায়িত্বভার গ্রহণ করেন শেখ হাসিনা।

    বঙ্গবন্ধু কন্যা দেশে ফিরেই বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের হাল ধরে দলকে একত্রিত করলেন এবং সারা বাংলাদেশ বিচরণ করে মানুষের মধ্যে মিশে যান। বঙ্গবন্ধুর মতো মাননীয় প্রধানমন্ত্রী সারা বাংলাদেশ ঘুরে বেড়িয়ে বাংলাদেশের মানুষকে একত্রিত করলেন। সারা বাংলাদেশের মানুষ যেখানেই শেখ হাসিনাকে পেয়েছে বৃদ্ধা মায়েরা তাকে জড়িয়ে ধরে আপ্লুত হয়ে বলতেন এসেছে, শেখের বেটি এসেছে, নিশ্চই আমরা আবার এগিয়ে যাব। শেখ হাসিনা জানেন এদেশের মানুষ কী চায়। বাংলাদেশের কোন জেলার কোন উপজেলায় পাশ দিয়ে কি নদী প্রবাহিত; ঐ এলাকায় মানুষের কি সমস্যাÑতা তিনি বলে দিতে পারেন, কারণ বাঙালির অবিসংবাদিত নেতা শেখ হাসিনা। তিনি সারা বাংলাদেশের মাটি ও মানুষের সঙ্গে মিশে রয়েছেন।

    কিশোর বয়স থেকেই রাজনীতিতে সক্রিয় ছিলেন বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনা। স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয় জীবনে ছাত্রলীগের নেত্রী হিসেবে আইয়ুববিরোধী আন্দোলন এবং ছয় দফা আন্দোলনসহ বিভিন্ন আন্দোলন সংগ্রামে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন। জাতির পিতা কি কি করতে চেয়েছিলেন তা থেকে বঙ্গবন্ধু কন্যা শিক্ষা নিয়েছিলেন এবং তাঁর নীতি আজকে তিনি অনুসরণ করে চলছেন। পিতার মতো তিনি চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করতে পছন্দ করেন। অন্যায়ের বিরুদ্ধে আন্দোলনে তিনি কখনো পিছপা হননি; দাবি আদায়ের মাধ্যমে আন্দোলন সফল করেই ফিরেছেন। রাষ্ট্রকে নেতৃত্ব দিতে গিয়ে তিনি বারবার রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করে সফল হয়েছেন।

    পার্বত্য শান্তি চুক্তি, গঙ্গার পানি চুক্তি, সমুদ্রসীমার নিষ্পত্তি, দীর্ঘদিনের স্থল সীমানা সংক্রান্ত জটিলতার সমাধান, ছিটমহল সমস্যার সমাধান করে ছিটমহলবাসীর দুর্ভোগের লাঘব করা, আইসিটি ক্ষেত্রে অভাবনীয় উন্নয়ন ইত্যাদি রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা যেমন তাকে অবিস্মরণীয় নেতায় পরিণত করেছে ঠিক তেমনি বিশ্বব্যাংকের অন্যায় আচরণ ও রক্তচক্ষুকে উপেক্ষা করে পদ্ধাসেতু নিজেদের অর্থায়নে নির্মাণ বিশ্ব রাজনীতি-অর্থনীতির বিশ্লেষকদের কাছে শেখ হাসিনার নেতৃত্বকে কঠিন প্রতিজ্ঞাদীপ্ত করে তোলে।

    প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ৭৫-পরবর্তী সবচেয়ে দৃঢ় মনোবলের সফল রাষ্ট্রনায়ক। তিনি টানা ৪১ বছর ধরে উপমহাদেশের অন্যতম বৃহৎ রাজনৈতিক দলের সভাপতির দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন। ১৮ বছরের বেশি সময় চতুর্থবারের মতো সরকার পরিচালনা করেছেন। দেশের রাজনৈতিক অর্থনৈতিক উন্নয়নকে অনন্য উচ্চতায় পৌঁছানোর পাশাপাশি দেশে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করেছেন। ১৩ বছর আগের মাথাপিছু আয়কে চারগুণের বেশি বাড়িয়ে ২৮২৪ ডলারে উন্নীত করেছেন। পেয়েছেন ৪০টির বেশি আন্তজার্তিক পদক ও স্বীকৃতি। লিখেছেন চল্লিশটির অধিক বই। এক জীবনে বিশ্বের অনেক প্রভাবশালী রাজনীতিবিদও এত সাফল্য অর্জন করতে পারেননি।

    প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার এসব অনন্য ও অতুলনীয় অর্জনের পিছনে রয়েছে নানান চড়াই-উৎরাই ও স্বজন হারানোর বেদনার দীর্ঘ সংগ্রামের সাহসী জীবন। ২০০৪ সালে ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা চালিয়ে শেখ হাসিনাকে আওয়ামীলীগের নেতা-কর্মীসহ পরিকল্পিতভাবে হত্যা করার প্রচেষ্টা হয়েছিল আমার মনে হয় আল্লাহ তাকে নিজ হাতে রক্ষা করেছিলেন। বঙ্গবন্ধু কন্যার মাধ্যমে বাংলাদেশকে একটি উন্নত সমৃদ্ধ রাষ্ট্রে পরিণত করবেন বলেই হয়তো আল্লাহ শেখ হাসিনাকে বাঁচিয়ে রেখেছিলেন। ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা চালানোসহ কমপক্ষে ২০ বার তাঁকে হত্যা করার অপচেষ্টা করা হয়েছে। দেশি-বিদেশি বিভিন্ন ষড়যন্ত্র তার পিছু ছাড়েনি। কিন্তু জাতীয় জরুরি ও গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তে তাৎক্ষণিক ও যথোপযুক্ত সিদ্ধান্ত নিতে তিনি সময়ক্ষেপণ করেন না।

    জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান আমাদের সংবিধানে পরিকল্পিত অর্থনৈতিক উন্নয়নের কথা বলে গেছেন। তিনি চেয়েছিলেন সব শ্রেণি পেশার মানুষের মধ্যে বৈষম্যহীন একটি সমাজ ব্যবস্থা, যেখানে জাতপাতের কোনো ভেদাভেদ থাকবে না, সাম্প্রদায়িক ভেদাভেদ থাকবে না। দেশের উত্তর দক্ষিণ বা পূর্ব পশ্চিমে কোনো ভেদাভেদ থাকবে না। নারী পুরুষের মধ্যে সমঅধিকার থাকবে। আমরা অত্যন্ত ভাগ্যবান যে, স্বাধীন বাংলাদেশের স্থপতি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জš§শত বার্ষিকী এবং বাংলাদেশের স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীর মাহেন্দ্রক্ষণ পালন করতে পেরেছি বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার নেতৃত্বে এবং তার নেতৃত্বে বাংলাদেশ নিু মধ্যম আয়ের দেশে উন্নীত হয়েছে। মুজিব শতবর্ষে তিনি ঘোষণা করেছেন, বাংলাদেশে একজন মানুষও গৃহহীন থাকবে না যেটা বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন ছিল। স্বাধীনতার সুফল হিসেবে বাংলাদেশের প্রতিটি গ্রামকে শহরের সুবিধা স¤পন্ন নগরে পরিণত করতে আমার গ্রাম-আমার শহর কর্মসূচীর মাধ্যমে তিনি কাজ করে যাচ্ছেন।

    কোভিড-১৯ মহামারী মানুষের জীবন কেড়ে নেওয়ার সঙ্গে সঙ্গে জীবন জীবিকাকে মারাÍকভাবে ব্যাহত করেছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ এ অবস্থা সফলভাবে মোকাবিলা করছে। জাপানভিত্তিক প্রতিষ্ঠান নিকেই এশিয়া প্রকাশিত ‘নিকেই কোভিড-১৯ রিকোভারি সূচক’-এর তথ্য মতে, করোনা মহামারি সামলে উঠার ক্ষেত্রে বিশ্বের যে দেশগুলো সবচেয়ে ভালো করছে, সেই তালিকায় পঞ্চম অবস্থানে রয়েছে বাংলাদেশ। আর দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান সবার উপরে। প্রধানমন্ত্রীর দূরদৃষ্টি ও সময়োপযোগী হস্তক্ষেপের ফলে এ সফলতা অর্জন সম্ভব হয়েছে।

    নারীর ক্ষমতায়নে বাংলাদেশ ইতোমধ্যেই বিশ্বের রোল মডেলে পরিণত হয়েছে। বঙ্গবন্ধু চিন্তা করতেন পুরুষের সঙ্গে নারীকেও এগিয়ে যেতে হবে। সে জন্য তিনি পুলিশ বাহিনীতে নারী সদস্য নিয়োগ দিয়েছিলেন।

    বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা নারীর ক্ষমতায়নের জন্য বাংলাদেশের প্রতিটি সেক্টরে নারীদের অন্তর্ভূক্তি করেছেন বলেই বাংলাদেশ আজ উন্নয়নের পথে এগিয়ে যাচ্ছে। নারী শিক্ষায় ব্যাপক সাফল্যের জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে জাতিসংঘ হতে ইউনেস্কো পিস ট্রি অ্যাওয়ার্ড প্রদান করে। নারীর ক্ষমতায়নে তাঁর ভূমিকার জন্য এজেন্ট অব চেঞ্জ অ্যাওয়ার্ডে ভূষিত করা হয় এবং ইউএন উইমেনের পক্ষ থেকে প্লানেট ৫০-৫০ চ্যাম্পিয়ন ঘোষণা করা হয়। শিশু ও মাতৃ মৃত্যুহার সংক্রান্ত লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের কারণে বাংলাদেশকে সাউথ সাউথ অ্যাওয়ার্ড এ ভূষিত করা হয়। পরিবেশ রক্ষা ও জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলা সংক্রান্ত সাফল্যের জন্য জননেত্রী শেখ হাসিনাকে ইউএনইপি হতে চ্যাম্পিয়ন অব দ্য আর্থ হিসেবে ঘোষণা করা হয়। এগুলো সবই সম্ভব হয়েছে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রাজ্ঞ ও বলিষ্ঠ নেতৃত্বে কারণে।

    শেখ হাসিনার নেতৃত্বে সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষমাত্রা অত্যন্ত সফলতার সাথে অর্জন করেছে বাংলাদেশ। দারিদ্র দূরীকরণের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারিত সময়ের দুই বছর আগে, ২০১৩ সালেই অর্জন করে বিশ্বকে তাক লগিয়ে দেয় বাংলাদেশ। এসডিজি লক্ষমাত্রাও নির্ধারিত সময়ের মধ্যে অর্জন করবে বাংলাদেশ। ইতোমধ্যে ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২১ সালে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে এসডিজি অর্জনের সাফল্যের স্বীকৃতি হিসেবে এসডিজি অগ্রগতি পুরস্কার দেওয়া হয়। দারিদ্র দূরীকরণ, পৃথিবীর সুরক্ষা এবং সবার জন্য শান্তি ও সমৃদ্ধি নিশ্চিত করতে পদক্ষেপ গ্রহণের সার্বজনীন আহবানে সাড়া দিয়ে বাংলাদেশকে সঠিক পথে এগিয়ে নেওয়ার জন্য বিশ্ব সংস্থার সাসটেইনেবল ডেভেলপমেন্ট সলিউশন নেটওয়ার্ক নিউ ইয়র্কে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে এ পুরস্কার প্রদান করেন।

    ব্যক্তি জীবনে আমি সৌভাগ্যবান কারণ স্বাধীন বাংলাদেশের রুপকার বঙ্গবন্ধুর সান্নিধ্য পেয়েছিলাম আর তাঁরই যোগ্য উত্তরসূরীর সরাসরি তত্ত্বাবধানে দেশ সেবায় কাজ করতে পারছি। ওয়ান ইলেভেন-এর সময় তৎকালীন সরকার আমেরিকা থেকে যখন তাকে দেশে ফিরতে দিচ্ছিল না তখন শেখ হাসিনা বলেছিলেন, ‘আমি আমার দেশে ফিরে যাবই’ এবং তিনি দেশে ফিরেছেন। সেদিনও শেখ হাসিনাকে স্বাগত জানানোর জন্য বাংলাদেশের জনগণ বাধভাঙা স্রোতের মতো সমবেত হয়েছিল। তিনি ফিরে আসলে আমি তাঁর সাথে দেখা করতে গেলে তিনি আমাকে জিজ্ঞেস করলেন, ‘তোমার এলাকার হোম ওয়ার্ক তুমি কেমন করেছো?’ জবাবে আমি তাকে বলেছিলাম, ‘এই আসনটি (ঢাকা-১০ বর্তমানে-১২) আমরা আপনাকে উপহার দিতে পারব।’

    তখন উনি আমাকে বলেছিলেন ‘কাজ করে যাও।’ কিন্তু তিনি যে আমাকে নমিনেশন দেবেন, সেটা তখন আমি ভাবতে পারিনি। নির্বাচনের পরে তিনি আমাকে বিনিয়োগ বোর্ডের সদস্য এবং প্রেস কাউন্সিল এর সদস্য হিসেবে নিয়োগ দেন। ফলে বাংলাদেশের চলমান অর্থনৈতিক পরিস্থিতি ও গণমাধ্যমের বিষয়ে আমি সম্যক ধারণা পাই। তাছাড়া তিনি আমাকে যে যে দায়িত্ব দিয়েছিলেন আমি তা সম্পূর্ণরূপে পালন করতে চেষ্টা করেছি। দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পরে তিনি আমাকে প্রতিমন্ত্রী করলেন। আমার ধারণা ছিল না যে আমি মন্ত্রী পরিষদের সদস্য হবো। উনাকে সালাম করতে গেলে উনি আমাকে জিজ্ঞেস করলেন, ‘তুমি বিস্মিত হয়েছ?’ আমি বলেছিলাম, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, আমি বিস্মিতই!

    তিনি বললেন, ‘আমাদের মুক্তিযুদ্ধে লাখো মানুষ প্রাণ হারিয়েছে; মানুষ তাদের স্বজনদের হারিয়েছে। এ মুক্তিযুদ্ধকে আমরা ভুলতে পারব না। তুমি একজন সম্মুখ সমরের মুক্তিযোদ্ধা; এজন্যই তোমাকে এ দায়িত্ব দিয়েছি।’ তারপর বের হয়ে আসার সময় তিনি আমাকে বলেন, আজকে থেকে তুমি সারা বাংলাদেশ ঘুরবে, প্রতিটি জেলায়, প্রতিটি উপজেলায় কী কী সমস্যা আছে ঘুরে ঘুরে দেখবে এবং এগুলি নিয়ে কাজ করবে। তিনি আমাকে দেশের কোন প্রান্তে কোন ধরনের সমস্যা বিদ্যমান এবং তার সমাধান প্রক্রিয়া নিয়ে নির্দেশনা দিলেন। আমি তাঁর নির্দেশনা মতো সারাদেশ ঘুরছি। আমার বাসাতেও যারা আসে আমি মধ্যরাত পর্যন্ত তাদের কথা শুনি; চেষ্টা করি সকলের সমস্যার সমাধান করতে।

    বাংলাদেশ ও দেশের মানুষের স্বার্থ সমুন্নত রাখতে তিনি যতটা অনমনীয় আবার মানুষের সেবায় তিনি ঠিক ব্যতিক্রম। ২০১৭ সালের ২৫ আগষ্ট যখন রোহিঙ্গারা নিজ দেশ মিয়ানমার হতে জোরপূর্বক বিতাড়িত হয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করছিল, তখন শেখ হাসিনা রোহিঙ্গাদের জীবন রক্ষায় সীমান্ত খুলে দিয়েছিলেন। তিনি আমাকে বলেছিলেন, ‘তোমরা কি ভুলে গেছো ১৯৭১ সালের কথা। মুক্তিযুদ্ধের সময় তোমরা কি পার্শ—বর্তী দেশে আশ্রয় নাওনি? দেশের ১৬ কোটি মানুষকে যদি খাওয়াতে পারি তাহলে এদেরকেও খাওয়াতে পারব। আসতে দাও; অন্তত জীবনটাতো বাঁচবে ওদের।’

    আজ বিশ্ব বিবেক শেখ হাসিনাকে বলেন, ‘মানবতার জননী, স্টার অব দ্য ইস্ট’। বঙ্গবন্ধু কন্যা ২০০৮ সালে বলেছিলেন, বদলে দিবেন বাংলাদেশকে। তিনি যথার্থই বদলে দিয়েছেন বাংলাদেশকে। তিনি যতদিন নেতৃত্বে থাকবেন ততদিন দুর্বার গতিতে বাংলাদেশ এগিয়ে যাবে। এদেশকে আর পিছনে ফিরে যেতে হবে না। একমাত্র তাঁর হাত ধরেই বাংলাদেশ উন্নত দেশের কাতারে সামিল হবে। তার দূরদর্শিতা দক্ষতায় বারবার তিনি তা প্রমাণ করেছেন।

    লেখক: জাতীয় সংসদ সদস্য, মন্ত্রী, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়

  • জঙ্গিদের আত্মসমর্পণে অভিনব কাজ করতে হয়েছে: আইজিপি

    জঙ্গিদের আত্মসমর্পণে অভিনব কাজ করতে হয়েছে: আইজিপি

    নিউজ ডেস্কঃঃ জঙ্গিবাদে জড়ানোর পর যারা নিজের ভুল বুঝতে পেরে সমাজে সহজ পথে ফিরে এসেছেন, তাদের জীবন মারাত্মক ঝুঁকিতে ছিল বলে মন্তব্য করেছেন পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) ড. বেনজীর আহমেদ।

    তিনি বলেছেন, সেই সময়ে র‌্যাবে যারা ছিলেন, তাদের জীবনেরও ঝুঁকি ছিল। সেটা করতে গিয়ে আমাদের অভিনব কাজ করতে হয়েছে। যা এখনো প্রকাশ্যে বলার সময় হয়নি।

    বৃহস্পতিবার (১৫ সেপ্টেম্বর) কক্সবাজারের লং বিচ হোটেলে আয়োজিত ‘নবজাগরণ’ শীর্ষক কর্মশালার সমাপনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

    আইজিপি বলেন, বাংলাদেশ একমাত্র দেশ যেখানে ধর্মীয় জঙ্গিরা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কাছে নিজ উদ্যোগে ও স্বেচ্ছায় আত্মসমর্পণ করেছেন। এমন ঘটনাও আমরা দেখেছি, বাবা-মা সন্তানকে নিজে এসে র‌্যাবের হাতে তুলে দিয়েছেন জঙ্গি থেকে স্বাভাবিক জীবনে ফেরাতে। যখন হলি আর্টিসান অ্যাটাক হয় তখন র‌্যাবে আমার কাজ করার সুযোগ হয়েছিল। আত্মসমর্পণ করা জঙ্গিদেরও আমরা সমাজে পুনর্বাসিত করেছি। আজ বলছি, সেই পুনর্বাসন ব্যবস্থা তখন ততটাও সহজ ছিল না।

    বেনজীর আহমেদ বলেন, সুন্দরবনে ৪০০ বছরের জলদস্যু সমস্যা ছিল, সেটি প্রধানমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর তত্ত্বাবধানে নিশ্চিহ্ন করেছি। তা কিন্তু শক্তি প্রয়োগের মাধ্যমে নয় সমঝোতার মাধ্যমে করা হয়েছিল। জলদস্যুদের আত্মসমর্পণের মধ্যেই র‌্যাব থেমে থাকেনি, প্রায় ৩০০ জলদস্যুকে এখনো বিভিন্নভাবে সহায়তা করে যাচ্ছে র‌্যাব। এই জলদস্যু এখন সমাজের মূলধারায় ফিরে গিয়ে স্বাভাবিকভাবে জীবনযাপন করছেন।

    তিনি বলেন, অপরাধী হিসেবে কেউ জন্ম নেয় না। মূলত সমাজ, পরিবেশ ও পরিস্থিতি তাকে অপরাধী করে। শুধু বাংলাদেশে নয় পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে মানুষ এমন পরিস্থিতির শিকার হন। তবে সেগুলো যদি আগে থেকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারি তাহলে সমাজে থেকে ধীরে ধীরে অপরাধ কমিয়ে আনা সম্ভব। আমরা চেষ্টা করতে পারি শূন্য অপরাধ হয়, এমন সমাজ কায়েম করার।

    প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে বাংলাদেশ দুর্বার গতিতে এগিয়ে যাচ্ছে উল্লেখ করে পুলিশপ্রধান বলেন, দক্ষ জনগোষ্ঠী তৈরি করা গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। এসএসসি, এইচএসসি ও বিএ পাস দিয়ে দক্ষ জনগোষ্ঠী তৈরি করা হয় না। এদের মধ্যে হয়তো এক শ্রেণির অংশ সিভিল সার্ভিসের অফিসার হবে, একটি অংশ হবে কেরানি আর বাকি অংশ হবে বেকার। এজন্য দক্ষ জনশক্তি তৈরি করতে হবে। র‌্যাব আমাদের দেখিয়ে দিয়েছে দক্ষ জনশক্তি তৈরি করা গেলে কীভাবে তাদের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা হয়।

    তিনি আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী আরেকটি কথা প্রায়ই বলেন, চাকরির পেছনে না দৌড়িয়ে উদ্যোক্তা হতে। উদ্যোক্তা হলে দেশের অর্থনৈতিক যে সমৃদ্ধি তা দ্রুত গতিতে হবে বলে আমার দৃঢ় বিশ্বাস।

  • করোনায় আরও একজনের মৃত্যু, শনাক্ত ৪৩৮

    করোনায় আরও একজনের মৃত্যু, শনাক্ত ৪৩৮

    নিউজ ডেস্কঃঃ করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় একজনের মৃত্যু হয়েছে। মৃত ব্যক্তি ঢাকা বিভাগের বাসিন্দা। তার বয়স ৭১-৮০ বছরের মধ্যে। এ নিয়ে দেশে করোনায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২৯ হাজার ৩৩৭ জনে।

    একই সময়ে নতুন রোগী শনাক্ত হয়েছে ৪৩৮ জন। মহামারি শুরুর পর থেকে এ পর্যন্ত দেশে মোট শনাক্ত বেড়ে পৌঁছেছে ২০ লাখ ১৬ হাজার ৫৮৩ জনে। ২৪ ঘণ্টায় নমুনা পরীক্ষার তুলনায় শনাক্তের হার ৮ দশমিক ৯০ শতাংশ, যা আগের দিনের তুলনায় কিছুটা বেশি।

    বৃহস্পতিবার (১৫ সেপ্টেম্বর) স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে পাঠানো করোনাবিষয়ক নিয়মিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

    এর আগে বুধবার (১৪ সেপ্টেম্বর) আগের ২৪ ঘণ্টায় একজনের মৃত্যু ও ৪০২ জন নতুন রোগী শনাক্তের তথ্য জানিয়েছিল স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। দৈনিক শনাক্তের হার ছিল ৮ দশমিক ৪১ শতাংশ।

    সর্বশেষ ২৪ ঘণ্টায় সারাদেশের ৮৮১টি ল্যাবরেটরিতে চার হাজার ৯২৬টি নমুনা সংগ্রহ ও চার হাজার ৯২০টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়। এ নিয়ে এখন পর্যন্ত এক কোটি ৪৮ লাখ ১৩ হাজার ২৩৮টি নমুনা পরীক্ষা হয়েছে। মহামারির শুরু থেকে এ পর্যন্ত মোট শনাক্তের হার ১৩ দশমিক ৬১ শতাংশ।

    এদিকে, আক্রান্ত রোগীদের মধ্যে গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়েছেন ৩০৩ জন। এ নিয়ে মোট সুস্থ হয়েছেন ১৯ লাখ ৫৯ হাজার ৭৮৭ জন।

    ২০২০ সালের ৮ মার্চ দেশে করোনাভাইরাসে প্রথম আক্রান্ত রোগী শনাক্ত হয়। এর ১০ দিন পর ১৮ মার্চ করোনায় প্রথম কোনো রোগীর মৃত্যুর তথ্য জানায় স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।

  • খোলাবাজারে বেশি দামেও মিলছে না ডলার

    খোলাবাজারে বেশি দামেও মিলছে না ডলার

    নিউজ ডেস্কঃঃ আবারও খোলাবাজারে নগদ ডলারের চরম সংকট তৈরি হয়েছে। জোগান না পাওয়ায় খুচরায় নগদ ডলার বিক্রি নেই বললেই চলে। মানি এক্সচেঞ্জ হাউজগুলোর অবস্থাও একই। কোনো মানি এক্সচেঞ্জ হাউজে গেলেই তারা জানতে চাইছেন, কত ডলার বিক্রি করবেন? এরপর বিক্রির বদলে কেনার কথা শুনলেই তাদের আফসোসের কথা জানাচ্ছেন। কারণ বিক্রি করার মতো ডলার তাদের কাছে নেই। ডলার না থাকায় অনেক মানি এক্সচেঞ্জ হাউজ বন্ধও রয়েছে।

    বৃহস্পতিবার (১৫ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর মতিঝিল, ফকিরাপুল ও পল্টন এলাকা ঘুরে এমন চিত্র উঠে এসেছে।

    এসব এলাকার বিভিন্ন মানি এক্সচেঞ্জ হাউজ ঘুরে দেখা যায়, এদিন ডলার কেনার ক্ষেত্রে ১০৭ এবং বিক্রির ক্ষেত্রে ১০৮ টাকা ৫০ পয়সা দর টানিয়ে রাখা হয়েছে। তবে সাইনবোর্ডে দাম থাকলেও তাদের হাতে নগদ ডলার নেই। বিক্রেতারা বলছেন, আমরা ক্রয় ও বিক্রয়ের তালিকা দিয়েছি। কোনো ডলার পেলে ১০৭ টাকায় কিনবো।

    পল্টন এলাকায় এ প্রতিবেদক ডলার বিক্রির কথা বললে চারজন ক্রেতা এগিয়ে আসেন। তাদের মধ্যে দুইজন এক্সচেঞ্জ হাউজে কর্মরত। সবাই চেয়েছিলেন ডলার যেন তার কাছে বিক্রি করা হয়। জাগলু নামে একজন সর্বোচ্চ ১১২ টাকা ৫০ পয়সা দরে ডলার কিনতে চান। তিনি খুচরায় ডলার কেনাবেচা করেন।

    ফকিরাপুলের মনডিয়াল মানি এক্সচেঞ্জ হাউজে ডলারের দামের তালিকা টানানো দেখা যায়। তবে তাদের কাছে কোনো ডলার নেই। ক্রেতা সেজে ওই প্রতিষ্ঠানে ডলার কিনতে গেলে হোসেন নামে এক প্রতিনিধি বলেন, নগদ ডলার নেই। তবে আপনারা ডলার কিনতে চাইলে অন্তত এক ঘণ্টার মতো অপেক্ষা করতে হবে। অন্য কোনো হাউজ থেকে এনে দিতে পারবো, তবে বেশি টাকা লাগতে পারে।

    খুচরা ডলার বিক্রেতা আক্তারের সঙ্গে ক্রেতা হিসেবে কথা হয় এই প্রতিবেদকের। আক্তার বলেন, আজ কয়েকদিন ধরেই ডলারের তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে। বাজারে ডলার সরবরাহ নেই। কিছু ডলার পেয়েছিলাম অনেক বেশি দামে। সেগুলো ১১২ টাকার বেশি দামে কেনা পড়েছিল, পরে ১১৫ টাকায় বিক্রি করেছি।

    ডলার বিক্রেতা আক্তার জানান, গুলশানে মানি এক্সচেঞ্জ হাউজে ও খুচরায় প্রতি ডলার ১১৬ টাকা পর্যন্ত বিক্রি হচ্ছে। তার কথার সত্যতা যাচাইয়ে গুলশানের কয়েকটি মানি এক্সচেঞ্জ হাউজে ফোন করা হলে তারা জানান ডলার নেই। তবে অফিসে গেলে অন্য কোথাও থেকে ম্যানেজ করে দেওয়ার আশ্বাস দেন। যদিও দামের কথাটি এসময় এড়িয়ে যান তারা।

    এ বিষয়ে জানতে চাইলে বাংলাদেশ মানি চেঞ্জার অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক হেলাল উদ্দিন জানান, আজ আমরা প্রতি ডলার ১০৭ টাকায় কিনছি এবং ১০৮ টাকা ৫০ পয়সায় বিক্রি করছি। বিভিন্ন কারণে বিদেশে যাতায়াত কমে যাওয়ায় ডলার লেনদেনের অবস্থা খারাপ। প্রায় এক সপ্তাহ ধরে খোলাবাজারে ডলার কেনাবেচা নেই বললেই চলে।

    অনেক মানি এক্সচেঞ্জ হাউজের বিরুদ্ধে বেশি দামে ডলার বিক্রির অভিযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে অ্যাসোসিয়েশনের পদক্ষেপ কী জানতে চাইলে হেলাল উদ্দিন জানান, আমরা পাঁচটি মানি এক্সচেঞ্জ হাউজকে এ বিষয়ে সতর্ক করেছি। এমনটা চলতে থাকলে আমরা সংগঠনের পক্ষে বাংলাদেশ ব্যাংকে লিখিত অভিযোগ করবো। একই সঙ্গে অনিয়মে জড়িত প্রতিষ্ঠান সাংগঠনিকভাবে কোনো ধরনের সহযোগিতা পাবে না।

    এদিকে, বাজারে বৈদেশিক মুদ্রার চলমান সংকট কাটাতে কেন্দ্রীয় ব্যাংক নানা উদ্যোগ নিলেও তার সুফল মিলছে না। সম্প্রতি কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মৌখিক নির্দেশে ব্যাংকগুলো নিজেরাই ডলার কেনার সর্বোচ্চ দর নির্ধারণ করেছে। এক্ষেত্রে রেমিট্যান্সে সর্বোচ্চ ১০৮ টাকা এবং রপ্তানি বিল পরিশোধে ৯৯ টাকা দর নির্ধারণ করা হয়। এছাড়া রপ্তানি বিল পরিশোধ ও রেমিট্যান্সের যে গড় আসে তার সঙ্গে এক টাকা যোগ করে আমদানি দায় নিষ্পত্তি করবে ব্যাংকগুলো।

    আন্তঃব্যাংকেও ডলারের গড় ক্রয়মূল্য বেড়েছে। একদিনের ব্যবধানে ৪ টাকা ২০ পয়সা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১০৬ টাকা ৬০ পয়সা। তবে ডলারের গড় ক্রয়মূল্য বাড়লেও বিক্রি হচ্ছে আগের দামেই। অর্থাৎ বুধবারের মতোই আজ বিক্রয়মূল্য রাখা হয়েছে ১০৬ টাকা ৯০ পয়সা।

    এর আগে গত মঙ্গলবার ব্যাংকে ডলারের গড় ক্রয়মূল্য ছিল ১০১ টাকা ৬৭ পয়সা, যা গতকাল বুধবার বেড়ে হয় ১০২ টাকা ৩৭ পয়সা। আর ব্যাংকগুলোর বিক্রয়মূল্য বেড়ে হয় ১০৬ টাকা ৯০ পয়সা, যা গত মঙ্গলবার ছিল ১০৬ টাকা ১৫ পয়সা। তবে আজ (বৃহস্পতিবার) ডলারের গড় ক্রয়মূল্য ১০২ টাকা ৩৭ পয়সা থেকে বেড়ে হয়েছে ১০৬ টাকা ৬০ পয়সা।

    কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র মো. সিরাজুল ইসলাম বলেন, বাফেদার নির্ধারিত দরে ব্যাংকগুলো নিজেরা লেনদেন করবে এবং সেটি আন্তঃব্যাংক লেনদেন হিসেবে বিবেচিত হবে। কেন্দ্রীয় ব্যাংক আগের মতো প্রতিদিন ডলার বিক্রি করবে না। তবে প্রয়োজন হলে ব্যাংকগুলোর কাছে ডলার বিক্রি করবে। কিন্তু আন্তঃব্যাংকের রেট বাংলাদেশ ব্যাংকের ডলার বিক্রির রেট হবে না।

  • এসএসসি ও সমমান পরীক্ষা শুরু আগামীকাল

    এসএসসি ও সমমান পরীক্ষা শুরু আগামীকাল

    নিউজ ডেস্কঃঃ আগামীকাল বৃহস্পতিবার (১৫ সেপ্টেম্বর) থেকে সারাদেশে একযোগে শুরু হচ্ছে ২০২২ সালের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষা। এ বছর ৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ড, মাদরাসা এবং কারিগরি শিক্ষা বোর্ডসহ ১১টি শিক্ষা বোর্ডের আওতায় মোট ২০ লাখ ২১ হাজার ৮৬৮ জন পরীক্ষার্থী এ পরীক্ষায় গ্রহণ নেবে। সারাদেশে ২৯ হাজার ৫৯১টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা মোট ৩ হাজার ৭৯০টি কেন্দ্রে এসএসসি, দাখিল ও এসএসসি (ভকেশনাল) পরীক্ষায় অংশ নেবে।

    এ বছর এসএসসি পরীক্ষা সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত হওয়ার কথা থাকলেও সার্বিক দিক বিবেচনা করে যানজট এড়াতে তা পিছিয়ে বেলা ১১টা থেকে শুরু হয়ে চলবে দুপুর ১টা পর্যন্ত।

    গত ১৯ জুন এসএসসি পরীক্ষা শুরুর কথা থাকলেও সিলেটসহ দেশের অঞ্চলে বন্যা পরিস্থিতির কারণে তা পিছিয়ে যায়। এবার সংশোধিত ও পুনর্বিন্যাস করা সিলেবাসে ৩ ঘণ্টার পরিবর্তে ২ ঘণ্টা পরীক্ষা নেওয়া হবে।

    প্রতি বছর ফেব্রুয়ারি মাসে এসএসসি ও এপ্রিলে এইচএসসি পরীক্ষা শুরু হলেও এ বছর করোনা ও বন্যা পরিস্থিতির কারণে এ দুটি গুরুত্বপূর্ণ পাবলিক পরীক্ষা পিছিয়ে যায়। গত বছর এসএসসি পরীক্ষা নেওয়া হলেও করোনার কারণে এইচএসসিতে শিক্ষার্থীদের অটোপাস দেয় সরকার।

    করোনার কারণে দ্বিতীয় দফায় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সশরীরে ক্লাস বন্ধ করা হয় চলতি বছরের ২১ জানুয়ারি। এক মাস পর ২২ ফেব্রুয়ারি ষষ্ঠ শ্রেণি থেকে শুরু করে বিশ্ববিদ্যালয় পর্যন্ত শিক্ষাঙ্গন খুলে দেয় সরকার।

    ২০২০ সালের ৮ মার্চ দেশে করোনার প্রাদুর্ভাব শুরুর পর দুই দফায় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ করা হয়। প্রায় দেড় বছর বন্ধ থাকার পর প্রথম দফায় গত বছরের ১২ সেপ্টেম্বর থেকে ধীরে ধীরে খুলতে শুরু করে শিক্ষাঙ্গন।

    এদিকে সারাদেশে বন্যা পরিস্থিতির কারণে পেছানো ২০২২ সালের উচ্চ মাধ্যমিক (এইচএসসি) ও সমমানের পরীক্ষা শুরু হবে আগামী ৬ নভেম্বর। এবার সকাল ও বিকেল দুই ধাপে পরীক্ষা নেওয়া হবে। সকালের পরীক্ষা বেলা ১১টা থেকে দুপুর ১টা এবং বিকেলের পরীক্ষা দুপুর ২টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হবে। গত সোমবার (১২ সেপ্টেম্বর) মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড এইচএসসি পরীক্ষার সূচি প্রকাশ করেছে।

  • প্রধানমন্ত্রীর উন্নয়ন কার্যক্রম কেউ ঠেকাতে পারবে না

    প্রধানমন্ত্রীর উন্নয়ন কার্যক্রম কেউ ঠেকাতে পারবে না

    নিউজ ডেস্কঃঃ প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বের প্রশংসা করে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী জাহিদ মালেক বলেছেন, বাগানের সব ফুল কেটে ফেলা যায় কিন্তু বসন্ত ঠেকানো যায় না। ঠিক একইভাবে প্রধানমন্ত্রীর উন্নয়ন কার্যক্রমও কেউ ঠেকাতে পারবে না।

    বুধবার (১৪ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর শাহবাগে নবনির্মিত বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএসএমএমইউ) সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতালের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। গণভবন থেকে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে হাসপাতালটির উদ্বোধন ঘোষণা করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

    স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, বিএসএমএমইউয়ের সুপার স্পেশালিস্ট হাসপাতালের উদ্বোধনের মাধ্যমে দেশের স্বাস্থ্যসেবায় আর একটি মাইলফলক যুক্ত হলো। এ হাসপাতালের মাধ্যমে দেশে আন্তর্জাতিক মানের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত হবে। সব ধরনের জটিল চিকিৎসাসেবা এ হাসপাতালে দেওয়া হবে। রোগীদের আর বিদেশ যেতে হবে না।

    জাহিদ মালেক বলেন, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান দেশের স্বাস্থ্যসেবার সব দিকনির্দেশনা দিয়ে গেছেন। তিনি মাত্র তিন বছর সরকার পরিচালনার সময়ে বিএমডিসি (বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যান্ড ডেন্টাল কাউন্সিল) স্থাপন করেছেন, বিসিপিএস (বাংলাদেশ কলেজ অব ফিজিশিয়ানস অ্যান্ড সার্জনস), বঙ্গ হাসপাতাল, পরিবার পরিকল্পনা, স্যার সলিমুল্লাহ হাসপাতালসহ স্বাস্থ্যখাতে অনেক উন্নয়ন সাধন করেছেন। এরই ধারাবাহিকতায় প্রধানমন্ত্রী আজ মানুষের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌছে দিতে কমিউনিটি ক্লিনিক স্থাপন করেছেন। সেখানে ৩২ রকমের ওষুধ বিনামূল্যে দেওয়া হচ্ছে। বিশেষত মা ও শিশুরা সেখানে নিরাপদ স্বাস্থ্যসেবা পাচ্ছে। এর মাধ্যমে মা ও শিশুর মৃত্যুহারও কমছে।

    তিনি বলেন, করোনা নিয়ন্ত্রণে প্রধানমন্ত্রী বিশ্বে রোল মডেল। প্রধানমন্ত্রীর কল্যাণে করোনায় আমাদের দেশে মৃত্যু নেই বললেই চলে। করোনা নিয়ন্ত্রণে বাংলাদেশ বিশ্বে পঞ্চম স্থান ও দক্ষিণ এশিয়ায় প্রথম স্থান লাভ করেছে। করোনা ভ্যাকসিন কার্যক্রমে প্রায় ৩০ কোটি ডোজ ভ্যাকসিন দেওয়া হয়েছে। এর মাধ্যমে দেশের প্রায় ৯০ শতাংশ মানুষ ভ্যাকসিনের আওতায় এসেছে। করোনার সময়ে সবাই যখন সমালোচনা করছিল তখন প্রধানমন্ত্রী শক্তির স্তম্ভ হয়ে দাঁড়িয়েছিলেন।

    সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতাল অসংক্রামক রোগের চিকিৎসায় বড় ভূমিকা রাখবে জানিয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশে অসংক্রামক ব্যাধি যেমন- ক্যান্সার, কিডনি, হৃদরোগ বা ডায়াবেটিসের কারণে প্রায় ৬৭ শতাংশ মৃত্যু ঘটে থাকে। এ হাসপাতালটি অসংক্রামক রোগের উচ্চতর চিকিৎসা দিতে পারবে। আমরা আশা করি এ হাসপাতালের মাধ্যমে বিদেশে গিয়ে চিকিৎসার হার কমবে এবং বৈদেশিক মুদ্রা সাশ্রয় হবে।

  • ২০২৩ সালের নভেম্বরে তফসিল, ভোট ডিসেম্বরের শেষ বা জানুয়ারির প্রথমে

    ২০২৩ সালের নভেম্বরে তফসিল, ভোট ডিসেম্বরের শেষ বা জানুয়ারির প্রথমে

    নিউজ ডেস্কঃঃ আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে রোডম্যাপ ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। রোডম্যাপ অনুযায়ী, ২০২৩ সালের নভেম্বরে নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা হবে। একই বছরের ডিসেম্বরের শেষ সপ্তাহ কিংবা ২০২৪ সালের জানুয়ারির প্রথম সপ্তাহের মধ্যে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।

    বুধবার (১৪ সেপ্টেম্বর) সকালে রাজধানীর আগারগাঁও নির্বাচন ভবনের অডিটরিয়ামে রোডম্যাপ ঘোষণা করেন নির্বাচন কমিশনার অবসরপ্রাপ্ত ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আহসান হাবীব খান। এসময় প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী হাবিবুল আউয়াল উপস্থিত ছিলেন না। তিনি অসুস্থ বলে জানা গেছে। তবে, অন্যান্য কমিশনার, নির্বাচন কমিশন সচিব ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

    রোডম্যাপ অনুযায়ী, চলতি মাস থেকে নির্বাচন পর্যন্ত কী কী কার্যক্রম চলবে তা নির্ধারণ করা হয়েছে। ইসি কমিশনার মো. আলমগীর বলেন, রাজনৈতিক দলগুলো ও অংশীজনদের সঙ্গে সংলাপের সময় সংবিধানের আলোকে যেসব সুপারিশ এসেছে সেগুলো নেওয়া হয়েছে।

    নির্বাচন কমিশনার আনিসুর রহমান বলেন, নির্বাচন সুষ্ঠু করতে সবার সহায়তা দরকার।

    প্রসঙ্গত গত সংসদ নির্বাচন হয়েছিল ২০১৮ সালের ৩০ ডিসেম্বর। রোডম্যাপ অনুযায়ী, এবার নির্বাচনী এলাকার সীমানা পুনর্নির্ধারণ করা হবে।এ জন্য আগের নীতিমালা পর্যালোচনা করে আগামী বছরের জানুয়ারিতে নতুন নীতিমালা তৈরি করা হবে।

  • চতুর্থ শিল্পবিপ্লব নিয়ে আওয়ামী লীগের আন্তর্জাতিক সম্মেলন নভেম্বরে

    চতুর্থ শিল্পবিপ্লব নিয়ে আওয়ামী লীগের আন্তর্জাতিক সম্মেলন নভেম্বরে

    নিউজ ডেস্কঃঃ চতুর্থ শিল্পবিপ্লব নিয়ে আন্তর্জাতিক সম্মেলন আয়োজন করতে যাচ্ছে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিবিষয়ক উপ-কমিটি। ‘ইন্টারন্যাশনাল কনফারেন্স অন ফোরআইআর ফর ইমার্জিং ফিউচার’ শীর্ষক দুই দিনব্যাপী সম্মেলন আগামী ৪ ও ৫ নভেম্বর রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন, বাংলাদেশে (আইইবি) অনুষ্ঠিত হবে।

    কনফারেন্সের প্রতিপাদ্য বিষয় হচ্ছে ‘স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণের পথে যাত্রা এবং ডেল্টা প্ল্যান বাস্তবায়ন’।

    আওয়ামী লীগের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার মো. আবদুস সবুর এ আয়োজনের বিষয়ে বলেন, বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনার নেতৃত্বে ডিজিটাল বাংলাদেশ বাস্তবায়নের মধ্য দিয়ে টেকসই অর্থনৈতিক ও সামাজিক প্রবৃদ্ধি অর্জনের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ বিশ্বের রোল মডেল হয়ে উঠেছে। চতুর্থ শিল্পবিপ্লব (ফোরআইআর) মানুষের দৈনন্দিন জীবনে আমূল পরিবর্তন নিয়ে এসেছে। এ কারণে অত্যন্ত সময়োপযোগী এই কনফারেন্সটি দেশ-বিদেশের পলিসি মেকার, ইন্ডাস্ট্রি, একাডেমিয়া, ইঞ্জিনিয়ার, সাইন্টিস্ট ও রিসার্চারদের পারস্পরিক মিথস্ক্রিয়া ও নলেজ শেয়ারিং এর দারুণ সুযোগ সৃষ্টি করবে। একটি প্রযুক্তিনির্ভর জ্ঞানভিত্তিক সমাজ বিনির্মাণে অবদান রাখবে।

    আয়োজকরা আরও জানান, কনফারেন্সে শিক্ষা-প্রযুক্তি (এডুটেক), কম্পিউটার, ইলেকট্রিক্যাল ও ইলেকট্রনিক্স ইঞ্জিনিয়ারিংসহ বিভিন্ন বিষয়ে গবেষণাপত্র জমা দেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।

    এছাড়াও চতুর্থ শিল্পবিপ্লব সম্পর্কিত যেকোনো গবেষণাপত্র জমা দেওয়া যাবে।

    আগ্রহী গবেষকদের আগামী ৩০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে গবেষণার সারবস্তু ও জীবনবৃত্তান্তের সারসংক্ষেপ কনফারেন্স ওয়েবসাইটে জমা দিতে হবে। যাচাই-বাছাই শেষে ১০ অক্টোবর প্রাথমিকভাবে নির্বাচিত গবেষকদের তালিকা প্রকাশ করা হবে। পরবর্তী সময়ে ২৫ অক্টোবর বাছাইকৃত গবেষণাপত্রগুলো উপস্থাপনার জন্য চূড়ান্তভাবে জমা দিতে হবে।

    আগ্রহী অংশগ্রহণকারীরা নির্ধারিত নিবন্ধন ফি প্রদান করে কনফারেন্সে অংশ নিতে পারবেন। এক্ষেত্রে বাংলাদেশি প্রফেশনালদের জন্য নিবন্ধন ফি ১,০০০ হাজার টাকা এবং বিদেশি প্রফেশনালদের জন্য ১০০ মার্কিন ডলার। অন্যদিকে, বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য ২০০ টাকা এবং বিদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য ৫০ মার্কিন ডলার নিবন্ধন নির্ধারণ করা হয়েছে।

    সম্মেলন সম্পর্কিত যাবতীয় তথ্য পাওয়া যাবে www.4iref.org এই ওয়েবসাইটে।

  • ইভিএম কেনার নতুন প্রকল্প নিয়ে সভায় নির্বাচন কমিশন

    ইভিএম কেনার নতুন প্রকল্প নিয়ে সভায় নির্বাচন কমিশন

    নিউজ ডেস্কঃঃ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আরও বেশি ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন (ইভিএম) ব্যবহার করতে চাই নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এজন্য প্রায় সোয়া দুই লাখ ইভিএম মেশিন কিনতে হবে। এ নিয়ে বৈঠকে বসছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।

    মঙ্গলবার (১৩ সেপ্টেম্বর) বেলা ১১টায় রাজধানীর নির্বাচন কমিশন ভবনে সভা শুরু হয়েছে। ইভিএম কেনার প্রকল্প নিয়ে প্রকল্প প্রস্তাবের খসড়া তোলা হবে সভায়। কমিশনের মতামত নিয়ে প্রস্তাবটি চূড়ান্ত করার পর তা অনুমোদনের জন্য পরিকল্পনা কমিশনে পাঠানো হবে।

    প্রধান নির্বাচন কমিশনার কাজী হাবিবুল আউয়ালের সভাপতিত্বে বৈঠকে অন্যান্য কমিশনাররা ছাড়াও নির্বাচন কমিশনের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত রয়েছেন।

    রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে ইসির বৈঠকের সময় অধিকাংশ দলই ইভিএম-এর বিপক্ষে মত দেয়। আওয়ামী লীগসহ চারটি দল ভোট চেয়েছে ইভিএমে। এ পরিস্থিতিতে সংসদ নির্বাচনে সর্বোচ্চ ১৫০ আসনে ইভিএম ব্যবহারের সিদ্ধান্ত নিয়েছে ইসি। ইসির কাছে এখন দেড় লাখ ইভিএম আছে। একদিনে ১৫০ আসনে ভোট করতে হলে আরও প্রায় ২ লাখ ইভিএম প্রয়োজন হবে। এজন্য প্রয়োজন প্রায় ১০ হাজার কোটি টাকা।

    ইসি সচিবালয়ের একজন কর্মকর্তা জানান, ইভিএম কেনা ছাড়াও রক্ষণাবেক্ষণের জন্য এই বিশাল পরিমাণ অর্থ লাগবে। এজন্য প্রাথমিকভাবে প্রকল্প প্রস্তাবটি তৈরি করা হয়েছে। এজন্য মূল তিনটি খাতে ব্যয় ধরা হয়েছে। খাত তিনটি হলো- প্রায় দুই লাখ ইভিএম কেনা, ইভিএম সংরক্ষণের ব্যবস্থা এবং এ সংক্রান্ত জনবল তৈরি।