Category: জাতীয়

  • গোপনে’ বিদেশ ভ্রমণ করা দুদক কর্মকর্তা প্রত্যাহার

    গোপনে’ বিদেশ ভ্রমণ করা দুদক কর্মকর্তা প্রত্যাহার

    নিউজ ডেস্কঃ দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) থেকে প্রত্যাহার করা হয়েছে প্রেষণে নিয়োজিত জ্যেষ্ঠ সহকারী সচিব ইমরুল কায়েসকে। অনুমতি ছাড়া ভারত ভ্রমণ করায় শাস্তিমূলক ব্যবস্থা হিসেবে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়। তিনি দুদকে উপ-পরিচালক হিসেবে অভিযোগ যাচাই-বাছাই বিভাগে কর্মরত ছিলেন।

    বুধবার (২৭ জুলাই) বিষয়টি নিশ্চিত করে দুদক সূত্র। জনপ্রশাসন বিভাগের উপ-সচিব আবু ফতেহ মোহাম্মদ সফিকুল ইসলাম সই করা এক আদেশ সূত্রেও তার প্রত্যাহারের বিষয়টি জানা গেছে। যেখানে ইমরুল কায়েসকে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের এপিডি অনুবিভাগে ন্যস্তের কথা বলা হয়েছে।

    দুদক সূত্র জানায়, সরকারি আদেশ অমান্য করে অনুমতি ছাড়া বিদেশ ভ্রমণ করায় তার বিরুদ্ধে সরকারি চাকরিবিধি অনুসারে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। তাকে ফেরত পাঠানো হয়েছে জনপ্রশাসনে।

    দুদকের একটি সূত্রে জানা যায়, দুদকের প্রধান কার্যালয় প্রেষণে নিয়োজিত উপ-পরিচালক (জ্যেষ্ঠ সহকারী সচিব) ইমরুল কায়েস জালিয়াতির মাধ্যমে সরকারি আদেশ তৈরি করে ভারত ভ্রমণ করেন। যদিও তিনি গত ২৯ মার্চ মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে ১০ মে-১৮ মে ব্যক্তিগত সফরে ভারত যাবেন বলে অনুমতি নিয়েছিলেন।

    তবে ওই সময়ে ভারতে না গিয়ে কর্তৃপক্ষের অনুমতি ছাড়া পরে গোপনে ভারত ভ্রমণ করেন। যা সরকারি চাকরিবিধি পরিপন্থী।

  • সাড়ে ১৬ কোটি মানুষ গুনতে খরচ ১৫৭৫ কোটি টাকা

    সাড়ে ১৬ কোটি মানুষ গুনতে খরচ ১৫৭৫ কোটি টাকা

    নিউজ ডেস্কঃ দেশের জনসংখ্যা এখন ১৬ কোটি ৫১ লাখ ৫৮ হাজার ৬১৬ জন। এরমধ্যে পুরুষ ৮ কোটি ১৭ লাখ ১২ হাজার ৮২৪ এবং নারী ৮ কোটি ৩৩ লাখ ৪৭ হাজার ২০৬ জন। এছাড়া তৃতীয় লিঙ্গের জনগোষ্ঠী ১২ হাজার ৬২৯ জন। বহুল প্রতীক্ষিত জনশুমারি ও গৃহগণনায় এ তথ্য মিলেছে। আর দেশের সাড়ে ১৬ কোটি মানুষ গুনতে খরচ হয়েছে এক হাজার ৫৭৫ কোটি টাকা।

    দেশের প্রথম ডিজিটাল এ জনশুমারিতে তথ্য সংগ্রহের জন্য তিন লাখ ৯৫ হাজার ট্যাব কেনা হয়। এতে ব্যয় হয়েছে ৪৪৭ কোটি ৭৭ লাখ ৭৭ হাজার ৬৭০ টাকা। এছাড়া প্রায় ৪ লাখ গণনাকারী ও সুপারভাইজারদের সম্মানি বাবদ ৪৫৭ কোটি টাকা খরচ হয়। এসব টাকা বিকাশের মাধ্যমে পেমেন্ট করা হয়েছে।

    বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) সূত্রে জানা গেছে, আইন অনুযায়ী প্রতি ১০ বছর পরপর দেশের প্রতিটি মানুষকে গণনার আওতায় আনা হয়। এজন্য ২০১৯ সালের ২৯ অক্টোবর ‘জনশুমারি ও গৃহগণনা’ প্রকল্প জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) বৈঠকে অনুমোদন করা হয়। শুরুতে এ প্রকল্পের খরচ ধরা হয় এক হাজার ৭৬১ কোটি ৭৯ লাখ টাকা। এরমধ্যে বৈদেশিক সহায়তা থেকে ১৮৩ কোটি ১১ লাখ টাকা খরচ করা হচ্ছে। পরে প্রকল্পের সংশোধনীতে ব্যয় কিছুটা কমে দাঁড়ায় এক হাজার ৫৭৫ কোটি টাকা।

    বুধবার (২৭ জুলাই) রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলনকেন্দ্রে জনশুমারি ও গৃহগণনার প্রাথমিক প্রতিবেদনের তথ্য তুলে ধরা হয়। পরিসংখ্যান ও তথ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগের আওতায় বিবিএসের মাধ্যমে এ প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হয়েছে।

    পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী, জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন, পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী ড. শামসুল আলম প্রমুখ। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তৃতা করেন পরিসংখ্যান ও তথ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগের সচিব ড. শাহনাজ আরেফিন। প্রাথমিক প্রতিবেদনবিষয়ক উপস্থাপনা করেন প্রকল্প পরিচালক মো. দিলদার হোসেন।

    অনুষ্ঠানে প্রকল্প পরিচালক মো. দিলদার হোসেন জানান, স্বাধীন বাংলাদেশে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নির্দেশনায় ১৯৭৪ সালে প্রথম আদমশুমারি ও গৃহগণনা পরিচালিত হয়। এরই ধারাবাহিকতায় ১৯৮১, ১৯৯১, ২০০১ ও ২০১১ সালে যথাক্রমে দ্বিতীয়, তৃতীয়, চতুর্থ ও পঞ্চম আদমশুমারি ও গৃহগণনা করা হয়।

    পরিসংখ্যান আইন, ২০১৩ অনুযায়ী ‘আদমশুমারি’-কে ‘জনশুমারি’ হিসেবে অভিহিত করা হয়। ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার অঙ্গীকার বাস্তবায়নের লক্ষ্যে সম্পূর্ণ ডিজিটাল পদ্ধতিতে ১০ বছর পর্যাবৃত্তি অনুসরণ করে ষষ্ঠ ‘জনশুমারি ও গৃহগণনা’ করা হয়। গত ১৫ থেকে ২১ জুন দেশব্যাপী এ শুমারি পরিচালিত হয়।

    প্রকল্প পরিচালক আরও জানান, দেশের প্রথম ডিজিটাল জনশুমারিতে ডিজিটাল ডিভাইস ট্যাবলেট ব্যবহার করে কম্পিউটার অ্যাসিটেড পার্সনাল ইন্টারভিউইং পদ্ধতিতে তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে। সহজে ও সুনির্দিষ্টভাবে শুমারির গণনা এলাকা চিহ্নিত করা হয়। কোনো খানা (হোল্ডিং) গণনা থেকে বাদ না পড়া বা একাধিকবার গণনা না হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিতের লক্ষ্যে জিও গ্রাফিক ইনফরমেশন সিস্টেম সমন্বয় করে ডিজিটাল ম্যাপ প্রস্তুত ও শুমারিতে ব্যবহার করা হয়েছে।

    ডিজিটাল ম্যাপ ব্যবহার করে গণনাকারীরা নির্ধারিত এলাকার প্রতিটি বাসগৃহ, খানা ও ব্যক্তির তথ্য সংগ্রহ করেছেন। ডিজিটাল এ শুমারি বাস্তবায়নে সারাদেশে একযোগে তথ্য সংগ্রহের কাজে ব্যবহার হয়েছে ৩ লাখ ৯৫ হাজার ট্যাব। মাঠপর্যায়ে তথ্য সংগ্রহে ব্যবহৃত ট্যাবসমূহ মোবাইল ডিভাইস ম্যানেজমেন্ট সফটওয়্যার ব্যবহার করে কেন্দ্রীয়ভাবে নিয়ন্ত্রণ করা হয়েছে।

    এছাড়া মাঠপর্যায় থেকে সংগৃহীত তথ্য সংরক্ষণ এবং নিরাপত্তা নিশ্চিতে গাজীপুরে অবস্থিত বঙ্গবন্ধু হাইটেক পার্কে স্থাপিত বাংলাদেশ ডাটা সেন্টার কোম্পানি লিমিটেডের (বিডিসিসিএল) সমৃদ্ধ ডাটা সেন্টার ব্যবহার করা হয়েছে।

    মাঠপর্যায়ের তথ্যসংগ্রহ কার্যক্রম রিয়েল টাইম মনিটরিংয়ের পাশাপাশি তথ্যের গতিবিধি সরাসরি পর্যবেক্ষণের লক্ষ্যে নেটওয়ার্ক অপারেশনস সেন্টার স্থাপন করা হয়েছিল, যা তথ্যের গুণগত মান নিশ্চিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।

    সার্বিকভাবে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম ব্যবহারের ফলে তথ্য প্রক্রিয়াকরণ সহজতর হয়েছে। স্বল্পসময়ে তথা মূল শুমারি সম্পাদনের মাত্র একমাসের মধ্যে শুমারির প্রতিবেদন প্রকাশও সম্ভব হয়েছে। এটি বিবিএসের সফলতা ও সক্ষমতার প্রমাণ।

  • প্রাথমিকে আরও ৪৫ হাজার শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া হবে

    প্রাথমিকে আরও ৪৫ হাজার শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া হবে

    নিউজ ডেস্কঃ প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী মো. জাকির হোসেন এমপি বলেছেন, মানসম্মত প্রাথমিক শিক্ষার জন্য মানসম্মত প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ দেয়া হবে। বর্তমানে চলমান পরীক্ষা পদ্ধতির মধ্যদিয়ে চলতি বছর ৪৫ হাজার সরকারি শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া হবে।

    বুধবার (২৭ জুলাই) দুপুরে সচিবালয়ে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে আয়োজিত অনলাইন পদ্ধতিতে শিক্ষক বদলি কার্যক্রমের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রতিমন্ত্রী এ কথা বলেন।

    তিনি আরও বলেন, বদলি কার্যক্রমে হয়রানিমুক্ত ও স্বচ্ছতা আনতেই এখন থেকে অনলাইন পদ্ধতিতে প্রাথমিক শিক্ষকদের বদলি করা হবে। সারা দেশে বদলি কার্যক্রম পূর্ণাঙ্গভাবে চালু হবে আগামী মাস থেকে। অনলাইনে উপজেলা পর্যায়ে শিক্ষক বদলি কার্যক্রম উদ্বোধন হলেও, দেশের মহানগর পর্যায়ে বদলি আপাতত বন্ধ থাকবে।

  • ইভিএমে ভোট কারচুপির সুস্পষ্ট প্রমাণ নেই: সিইসি

    ইভিএমে ভোট কারচুপির সুস্পষ্ট প্রমাণ নেই: সিইসি

    নিউজ ডেস্কঃ সিইসি কাজী হাবিবুল আউয়াল বলেছেন, ‘ইভিএম নিয়ে কোনো সিদ্ধান্ত নিইনি। ইভিএমের হ্যাকিংটা কোনোভাবেই সম্ভব না। কারণ এটার সঙ্গে ইন্টারনেট সংযোগ নেই। এটা নিয়ে বহু পরীক্ষা-নিরীক্ষা হয়েছে। নিরবচ্ছিন্নভাবে আমরা পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে যাচ্ছি। বাইরে অনেক কথা চাউর আছে যে হ্যাকিং হতে পারে, কারচুপি হতে পারে। কিন্তু আমরা এ পর্যন্ত সুস্পষ্ট কোনো প্রমাণ পাইনি।’

    আজ বুধবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে সংলাপের নবম দিনে জাকের পার্টির সঙ্গে সংলাপে তিনি এ কথা বলেন।

    কাজী হাবিবুল আউয়াল বলেন, ‘আমরা অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন চাই। সেই চাওয়াটা পূরণ করতে হলে সবাইকে কঠোর পরিশ্রম করতে হবে।’

    গণতন্ত্রকে অস্বীকার করার উপায় নেই জানিয়ে তিনি বলেন, ‘গণতন্ত্রের মাধ্যমেই আমাদের স্বাধীন দেশের যাত্রা শুরু হয়েছে। সেই জন্য আমাদের সহযোগিতা করবেন।’

    নির্বাচনের মাঠ নিয়ন্ত্রণ করতে হলে সব দলের ওখানে থাকতে হবে জানিয়ে সিইসি বলেন, ‘সবাই যদি থাকেন আপনারা, তাহলে ওখানে (নির্বাচনে) একটা ভারসাম্য সৃষ্টি হয়। তখন আমাদের কাজ কমে যায়। আপনারাই কিন্তু ভারসাম্য সৃষ্টি করতে পারবেন। আমার এই আবেদন থাকবে।’

    সিইসি আরও বলেন, ‘অনুকূল পরিবেশ সৃষ্টি করতে হবে। নির্বাচন স্বাধীনভাবে একটা অনুকূল পরিবেশে অনুষ্ঠিত হবে। এটা মাঝে মাঝে বিতর্কিত হয়ে যায়। পরিবেশটা যদি আমরা অনুকূল করতে পারি, তাহলে যাঁরা ভোটার তাঁরা নিরাপদে আস্থা নিয়ে ভোট দিতে পারেন।’

    কাজী হাবিবুল আউয়াল বলেন, ‘আপনাদের বক্তব্য আমাদের বিবেচনাধীন থাকবে। কমিশন আইন ও বিধির আলোকে পরিচালিত হবে। আমরা এর বাইরে যেতে পারব না। আমাদের সবার আন্তরিক সহযোগিতা, প্রয়াস থাকলে সংসদ নির্বাচনের কঠিন কাজ সফলভাবে সম্পন্ন করতে পারব।’

    সংলাপে জাকের পার্টির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব শামীম হায়দারের নেতৃত্বে ৯ সদস্যের প্রতিনিধিদল, প্রধান নির্বাচন কমিশনার ছাড়াও চার নির্বাচন কমিশনার ও ইসির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা অংশ নেন। কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের সভাপতি বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকীর নেতৃত্বে মোট ১৫ সদস্যের একটি দল আসার কথা রয়েছে।

  • করোনায় আরো ৫ জনের মৃত্যু, শনাক্ত ৬২৬

    করোনায় আরো ৫ জনের মৃত্যু, শনাক্ত ৬২৬

    নিউজ ডেস্কঃ দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে আরো ৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে মোট মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২৯ হাজার ২৮০ জনে। এ সময় নতুন করে শনাক্ত হয়েছেন ৬২৬ জন। ফলে শনাক্তের সংখ্যা বেড়ে ২০ লাখ ৩ হাজার ৫৭০ জনে দাঁড়িয়েছে।

    আজ বুধবার (২৭ জুলাই) স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে পাঠানো করোনাবিষয়ক নিয়মিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। শনাক্তের হার ৬ দশমিক ৮৩ শতাংশ বলে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়।

    এতে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় ৯ হাজার ২২৫টি নমুনা সংগ্রহ করা হয়। এর মধ্যে আগের কিছুসহ পরীক্ষা করা হয় মোট ৯ হাজার ১৬২টি নমুনা। এ নিয়ে মোট নমুনা পরীক্ষার সংখ্যা দাঁড়িয়েছে এক কোটি ৪৫ লাখ ৮২ হাজার ২৪০টি। পরীক্ষায় আরো ৬২৬ জনের দেহে করোনা শনাক্ত হয়েছে। ফলে দেশে মোট করোনা রোগীর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২০ লাখ তিন হাজার ৫৭০ জনে।

    অধিদপ্তরের তথ্য মতে, গত ২৪ ঘণ্টায় মৃত পাঁচজনের মধ্যে তিনজন পুরুষ ও দুইজন নারী রয়েছেন। এ ছাড়া এখন পর্যন্ত করোনায় মোট মৃতদের মধ্যে মোট ১৮ হাজার ৬৮৯ জন পুরুষ ও ১০ হাজার ৫৯১ জন নারী।

  • দুর্নীতির মামলায় প্রদীপের ২০, স্ত্রীর ২১ বছরের কারাদণ্ড

    দুর্নীতির মামলায় প্রদীপের ২০, স্ত্রীর ২১ বছরের কারাদণ্ড

    নিউজ ডেস্কঃ সিনহা মোহাম্মদ রাশেদ হত্যা মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি প্রদীপ কুমার দাশ এবং তার স্ত্রী চুমকি কারনের বিরুদ্ধে দায়ের করা দুর্নীতি মামলার রায়ে প্রদীপ কুমারকে ২০ বছর ও তার স্ত্রী চুমকী কারনকে ২১ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। এছাড়া তাদের সম্পতি বাজেয়াপ্ত করার কথা বলা হয়েছে।

    বুধবার (২৭ জুলাই) চট্টগ্রাম বিভাগীয় স্পেশাল জজ মুন্সী আব্দুল মজিদের আদালতে এ মামলার রায় ঘোষণা করেন।

    দুদকের মামলার আইনজীবী চট্টগ্রাম আদালতের পিপি মাহমুদুল হক বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, ২৪ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য শেষে আদালতে এই রায় দিয়েছেন।

    পিপি মাহমুদুল হক বলেন, দুদক আইন, ২০০৪-এর ২৬(২) ধারায় চুমকি কারনকে একবছর সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। এছাড়া ১ লাখ টাকা জরিমানা ও একমাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। আর ২৭(১) ধারায় প্রদীপ ও চুমকীকে ৮ বছর করে কারাদণ্ড ও ১০ লাখ টাকা জরিমানা করেছেন আদালত। এছাড়া মানি লন্ডারিং আইনের ৪(২), (৩) ধারায় প্রদীপ ও চুমকী প্রত্যেককে ১০ বছর করে কারাদণ্ড ও ৪ কোটি টাকা জরিমানা করা হয়েছে। এছাড়া ১৯৪৭ সালের দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের ৫(২) ধারায় চুমকি ও প্রদীপকে ২ বছর করে কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। এছাড়া এই ধারায় ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। সব সাজা একসঙ্গে চলবে।

    এছাড়া একইসঙ্গে প্রদীপের ঘুষের টাকায় চুমকির নামে নেওয়া কোটি টাকার বাড়ি, গাড়ি ও ফ্ল্যাট রাষ্ট্রের অনুকূলে বাজেয়াপ্ত ঘোষণা করেন আদালত। রায় ঘোষণার সময় প্রদীপ ও চুমকি দুজনই আদালতে উপস্থিত ছিলেন।

    এর আগে কড়া নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে প্রদীপ ও চুমকিকে আদালতে আনা হয়। রায় ঘোষণার পর তাদের কারাগারে নিয়ে যাওয়া হয়।

    প্রদীপের আইনজীবী সমীর দাশ গুপ্ত ঢাকা পোস্টকে বলেন, রায়ে আমরা সম্পূর্ণভাবে অসন্তুষ্ট। আমরা উচ্চ আদালতে এই রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করব।

    সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ২০২০ সালের ২৩ আগস্ট প্রদীপ কুমার দাশ ও তার স্ত্রী চুমকির বিরুদ্ধে দুদক সমন্বিত জেলা কার্যালয়-১ এ বাদী হয়ে অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে মামলাটি দায়ের করেন দুদকের সহকারী পরিচালক মো. রিয়াজ উদ্দীন।

    দুদক আইন ২০০৪-এর ২৬ (২) ও ২৭ (১), মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২-এর ৪ (২) ধারা, ১৯৪৭ সালের দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের ৫ (২) ধারা এবং দণ্ডবিধির ১০৯ ধারায় তাদের বিরুদ্ধে মামলাটি দায়ের করা হয়েছিল।

    এরপর গত বছরের ১৫ ডিসেম্বর চট্টগ্রাম বিভাগীয় স্পেশাল জজ আদালতের বিচারক মুন্সী আব্দুল মজিদ দুর্নীতি মামলার চার্জ গঠনের মাধ্যমে প্রদীপ এবং তার স্ত্রী চুমকির বিরুদ্ধে বিচার শুরুর আদেশ দিয়েছিলেন।

    এর আগে গত বছরের ২৬ জুলাই আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা দুদক চট্টগ্রামের সহকারী পরিচালক মো. রিয়াজ উদ্দিন। প্রদীপ গ্রেপ্তার হয়ে কারাগারে থাকলেও চলতি বছরের ২৩ মে আদালতে আত্মসমর্পণ করেন প্রদীপের স্ত্রী চুমকি। পরে আদালত শুনানি শেষে তাকে কারাগারে পাঠান।

    জানা গেছে, চুমকির ৪ কোটি ৮০ লাখ ৬৪ হাজার ৬৫১ টাকার স্থাবর-অস্থাবর সম্পদের বিপরীতে বৈধ ও গ্রহণযোগ্য আয় পাওয়া যায় ২ কোটি ৪৪ লাখ ৬৬ হাজার ২৩৪ টাকা। বাকি সম্পদ অর্থাৎ ২ কোটি ৩৫ লাখ ৯৮ হাজার ৪১৭ টাকার সম্পদ অবৈধভাবে অর্জনের প্রমাণ পেয়েছে দুদক।

    চট্টগ্রামের পাথরঘাটায় ছয়তলা বাড়ি, ষোলশহরে একটি বাড়ি, ৪৫ ভরি স্বর্ণ, একটি কার ও মাইক্রোবাস, কক্সবাজারের একটি ফ্ল্যাটের মালিক প্রদীপের স্ত্রী চুমকি। প্রদীপের ঘুষ ও দুর্নীতির মাধ্যমে অর্জিত অর্থে স্ত্রী চুমকি এসব সম্পদ অর্জন করেন বলে দুর্নীতি দমন কমিশনের তদন্তে উঠে এসেছে। এছাড়া চুমকি নিজেকে মাছ ব্যবসায়ী দাবি করলেও তার কোনো প্রমাণ পায়নি দুদক।

    ২০২০ সালের ৩১ জুলাই রাতে টেকনাফের বাহারছড়া ইউনিয়নের শামলাপুর মেরিনড্রাইভ চেক পোস্টে সেনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত মেজর সিনহা মোহাম্মদ রাশেদ খানকে গুলি করে হত্যা করা হয়। এ ঘটনায় একই বছরের ৬ আগস্ট থেকে কারাগারে রয়েছেন ওসি প্রদীপ। সিনহা হত্যা মামলায় প্রদীপকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

  • দেশে এখন পুরুষের চেয়ে নারীর সংখ্যা বেশি

    দেশে এখন পুরুষের চেয়ে নারীর সংখ্যা বেশি

    নিউজ ডেস্কঃ ২০২২ সালের আদমশুমারির তথ্য অনুযায়ী জনসংখ্যা বৃদ্ধির হারে পুরুষদের ছাড়িয়ে গেছে নারীরা। অর্থাৎ বর্তমানে পুরুষদের তুলনায় দেশে নারীর সংখ্যা বেশি।

    বুধবার (২৭ জুলাই) রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে (বিআইসিসি) পরিসংখ্যান ও তথ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগের আওতায় বিবিএস-এর মাধ্যমে বাস্তবায়িত প্রথম ডিজিটাল জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ এর প্রাথমিক প্রতিবেদন প্রকাশনা অনুষ্ঠানে এসব তথ্য তুলে ধরা হয়।

    পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত আছেন স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী, জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন, পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী ড. শামসুল আলম প্রমুখ।

    অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন পরিসংখ্যান ও তথ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগের সচিব ড. শাহনাজ আরেফিন। প্রাথমিক প্রতিবেদন উপস্থাপনা করেন প্রকল্প পরিচালক মো. দিলদার হোসেন।

    প্রকল্প পরিচালক মো. দিলদার হোসেন মূল প্রবন্ধ উপস্থাপনে বলেন, বর্তমানে দেশে প্রতি ১০০ জন নারীর বিপরীতে পুরুষের সংখ্যা ৯৮ জন। দেশের মোট জনসংখ্যা এখন ১৬ কোটি ৫১ লাখ ৫৮ হাজার ৬১৬ জন। যেখানে ৮ কোটি ১৭ লাখ পুরুষ ও ৮ কোটি ৩৩ লাখ নারী। ১২ হাজার ৬২৯ জন তৃতীয় লিঙ্গের।

    তিনি বলেন, ২০১১ সালের আদমশুমারি অনুযায়ী দেশে মোট জনসংখ্যা ছিল ১৪ কোটি ৪০ লাখ ৪৩ হাজার ৬৯৭ জন। এর মধ্যে পুরুষের সংখ্যা ছিল ৭ কোটি ২১ লাখ ৯ হাজার ৭৯৬ জন এবং নারীর সংখ্যা ছিল ৭ কোটি ১৯ লাখ ৩৩ হাজার ৯০১ জন।

  • যুদ্ধের প্রভাবে বাংলাদেশের মতো দেশগুলোকে বেশি ধকল সইতে হচ্ছে

    যুদ্ধের প্রভাবে বাংলাদেশের মতো দেশগুলোকে বেশি ধকল সইতে হচ্ছে

    অনলাইন ডেস্কঃ রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের প্রভাবে বাংলাদেশের মতো দেশগুলোকে সবচেয়ে বেশি ধকল সইতে হচ্ছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

    বুধবার (২৭ জুলাই) ডি-৮ মন্ত্রীদের ২০তম সম্মেলনের উদ্বোধনী অধিবেশনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

    রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সে অংশ নেন তিনি।

    শেখ হাসিনা বলেন, যুদ্ধের প্রভাবে বাংলাদেশের মতো দেশগুলোকে সবচেয়ে বেশি ধকল সইতে হচ্ছে। প্রয়োজনীয় জিনিসের দাম বেশিরভাগ মানুষের ক্রয় ক্ষমতার বাইরে চলে গেছে। সাহসিকতার সঙ্গে এই মানবিক সংকট মোকাবিলায় আমাদের সবার এগিয়ে আসা উচিত।

    তিনি বলেন, কোভিড-১৯ মহামারি, সংঘাত, খাদ্য এবং জ্বালানি সংকট, জলবায়ু পরিবর্তন এবং প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে বিশ্ব একটি কঠিন সময় পার করছে। এই সময়ে বহুপাক্ষিক সহযোগিতা শক্তিশালী করা প্রয়োজন এবং বৈশ্বিক সংহতি আগের চেয়ে বেশি মনোযোগের দাবি রাখে।

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, আসুন সমৃদ্ধ ভবিষ্যতের দিকে এগিয়ে যেতে আমাদের সম্ভবনাগুলোকে কাজে লাগাতে এক সঙ্গে কাজ করি।

    রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ এবং পরবর্তীতে নিষেধাজ্ঞা, পাল্টা নিষেধাজ্ঞার ফলে সারা বিশ্বে সৃষ্ট মানবিক সংকট সাহসিকতার সঙ্গে মোকাবিলায় সবাইকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী।

    শেখ হাসিনা বলেন, কোভিড-১৯ মহামারির প্রভাবে সারা বিশ্ব যখন গভীর সংকটে তখন রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বিশ্বকে নতুন বিপদের দিকে ঠেলে দিয়েছে।

  • স্বেচ্ছাসেবক লীগের ২৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী আজ

    স্বেচ্ছাসেবক লীগের ২৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী আজ

    অনলাইন ডেস্কঃ আওয়ামী লীগের সহযোগী সংগঠন হিসেবে ১৯৯৪ সালের এদিন ছাত্রলীগের বিভিন্ন পর্যায়ের সাবেক নেতাদের সমন্বয়ে আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগের আত্মপ্রকাশ ঘটে। সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ছিলেন আওয়ামী লীগের বর্তমান যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম।

    প্রতিষ্ঠার পর থেকেই আন্দোলন, সংগ্রাম ও দুর্যোগ মোকাবিলায় সব সময় মাঠে ছিল স্বেচ্ছাসেবক লীগ। দেশে করোনা মহামারি শুরুর পর থেকে করোনা সংক্রমণ রোধে জনসচেতনতা সৃষ্টি এবং অসহায় ও কর্মহীন মানুষের পাশে থেকে কাজ করে যাচ্ছে আওয়ামী লীগের এই সহযোগী সংগঠন।

    ২৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে বিস্তারিত কর্মসূচি হাতে নিয়েছে স্বেচ্ছাসেবক লীগ। বিশেষ বাণী দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

    প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে গৃহীত কর্মসূচির মধ্য রয়েছে- সকাল ৬টায় সংগঠনের কেন্দ্রীয় কার্যালয়সহ জেলা, মহানগর, উপজেলা, ওয়ার্ডসহ সব শাখার কার্যালয়ে দলীয় ও জাতীয় পতাকা উত্তোলন। সকাল ৯টায় ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ।

    সকাল ১১টায় খামারবাড়িতে কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে আলোচনা সভা হবে। সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে ভার্চুয়ালি যুক্ত হবেন আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এছাড়া সন্ধ্যা ৭টায় কলাবাগান ক্রীড়াচক্র মাঠ প্রাঙ্গণে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আতশবাজি উৎসব হবে।

  • ঢাকা বিভাগের সবচেয়ে বেশি মানুষের বাস, বরিশালে সর্বনিম্ন

    ঢাকা বিভাগের সবচেয়ে বেশি মানুষের বাস, বরিশালে সর্বনিম্ন

    অনলাইন ডেস্কঃ ঢাকা বিভাগের পল্লি এলাকায় সবচেয়ে বেশি মানুষ বসবাস করে। এ বিভাগের পল্লি এলাকার মোট জনসংখ্যা ২ কোটি ৩৪ লাখ ৪৭ হাজার ২১৬ জন। অন্যদিকে বরিশাল বিভাগের পল্লি এলাকায় সবচেয়ে কম মানুষ বসবাস করে। এ বিভাগের পল্লি এলাকায় ৬৮ লাখ ৯ হাজার ৮৪৪ জন মানুষের বাস।

    পরিসংখ্যান ও তথ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগের আওতাধীন বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) মাধ্যমে বাস্তবায়িত প্রথম ডিজিটাল জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ এর প্রাথমিক প্রতিবেদনে এসব তথ্য তুলে ধরা হয়।

    জনশুমারির তথ্যানুযায়ী, গত এক দশকে ২ কোটি ১১ লাখ ১৪ হাজার ৯২০ জন বেড়ে বাংলাদেশের জনসংখ্যা এখন ১৬ কোটি ৫১ লাখ ৫৮ হাজার ৬১৬ জন। এর মধ্যে পুরুষের সংখ্যা ৮ কোটি ১৭ লাখ ১২ হাজার ৮২৪ জন, নারীর সংখ্যা ৮ কোটি ৩৩ লাখ ৪৭ হাজার ২০৬ জন এবং তৃতীয় লিঙ্গ জনগোষ্ঠী ১২ হাজার ৬২৯ জন। দেশে মোট ভাসমান জনসংখ্যা ২২ হাজার ১১৯ জন। এর মধ্যে পুরুষের সংখ্যা ১৬ হাজার ৭৮৪ জন এবং নারীর সংখ্যা ৫ হাজার ৩৩৫ জন। মোট জনগোষ্ঠীর মধ্যে গ্রামে বাস করেন ১১ কোটি ৬৩ হাজার ৫৯৭ জন এবং শহরে বাস করেন ৫ কোটি ৯ হাজার ৭২ জন।

    খসড়া প্রতিবেদনে দেখা গেছে, দেশে পল্লি এলাকার মোট জনসংখ্যার ৫ কোটি ৫১ লাখ ৬৬ হাজার ৮৪২ জন পুরুষ, নারী ৫ কোটি ৭৮ লাখ ৯০ হাজার ৪৬২ জন এবং হিজড়া ৬ হাজার ২৮২ জন। শহর এলাকায় মোট জনসংখ্যার ২ কোটি ৬৫ লাখ ৪৫ হাজার ৯৮২ জন পুরুষ, ২ কোটি ৫৪ লাখ ৫৬ হাজার ৭৪৪ জন নারী এবং হিজড়া ৬ হাজার ৩৪৬ জন।

    পল্লি এলাকায় সর্বাধিক জনসংখ্যা ঢাকা বিভাগে ২ কোটি ৩৪ লাখ ৪৭ হাজার ২১৬ জন এবং সর্বনিম্ন বরিশালে ৬৮ লাখ ৯ হাজার ৮৪৪ জন। শহর এলাকার সর্বাধিক জনসংখ্যা ঢাকা বিভাগে ২ কোটি ৭ লাখ ৩৮ হাজার ৭৩৯ জন এবং সর্বনিম্ন জনসংখ্যা সিলেট বিভাগে ২০ লাখ ৬৫ হাজার ১২৩ জন।