Category: জাতীয়

  • কৃষিতে সাফল্যের ধারা অব্যাহত রাখতে হবে: রাষ্ট্রপতি

    কৃষিতে সাফল্যের ধারা অব্যাহত রাখতে হবে: রাষ্ট্রপতি

    অনলাইন ডেস্কঃ রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ বলেছেন, কৃষিতে সাফল্যের ধারা অব্যাহত রাখতে শস্যের বহুমুখীকরণ ও ভূমির সর্বোত্তম ব্যবহার, কৃষি আধুনিকীকরণ, প্রতিকূলতা সহিষ্ণু নতুন নতুন জাত উদ্ভাবন এবং লাগসই প্রযুক্তি উদ্ভাবন ও ব্যবহারে কৃষিবিজ্ঞানী, কৃষক, কৃষি সম্প্রসারণবিদ এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের নিরলস প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখতে হবে।

    বুধবার (২৭ জুলাই) ‘কৃষিক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি (এআইপি) ২০২০’ সম্মাননা প্রদান উপলক্ষে দেওয়া এক বাণীতে কৃষিক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি (এআইপি) ২০২০’ সম্মাননা দেওয়ার উদ্যোগকে স্বাগত জানান রাষ্ট্রপতি।

    তিনি বলেন, ‘আর্থ-সামাজিক ক্ষেত্রে বাংলাদেশের সাফল্যের মূল বুনিয়াদ গড়ে উঠেছে টেকসই কৃষি উৎপাদন ব্যবস্থার ওপর। এ ক্ষেত্রে কৃষি উৎপাদন ব্যবস্থায় মুখ্য ভূমিকা রাখছেন কৃষিবিজ্ঞানী, উদ্যোক্তা, কৃষক, উৎপাদনকারী ও কৃষি সংগঠকরা। এদের মধ্য থেকে গুরুত্বপূর্ণ অবদানের জন্য এআইপি হিসেবে নির্বাচিতদের রাষ্ট্রীয় মর্যাদা দেওয়া কৃষিক্ষেত্রে একটি অনন্য সংযোজন বলে তিনি মনে করেন।

    মো. আবদুল হামিদ বলেন, বিশ্বের বৃহত্তম ব-দ্বীপ বাংলাদেশের মানুষের আদি ও অকৃত্রিম পেশা কৃষি। সুজলা-সুফলা শস্য-শ্যামলা এ দেশের অর্থনীতি ও সংস্কৃতি প্রধানত কৃষিকেন্দ্রিক। আয়তনে ছোট ও ঘনবসতিপূর্ণ দেশ হওয়া সত্ত্বেও বিশ্ব মানচিত্রে বাংলাদেশ আজ দানাদার খাদ্যের উদ্বৃত্ত দেশ হিসেবে পরিচিতি লাভ করেছে।

    তিনি বলেন, কৃষিতে বাংলাদেশের দৃশ্যমান এ সাফল্যের সূচনা হয়েছে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের দূরদর্শী নেতৃত্বে। স্বাধীনতার পরপরই তিনি কৃষির উন্নয়ন ও সম্প্রসারণের জন্য কৃষিভিত্তিক প্রতিষ্ঠানগুলো পুনর্গঠন করেন। তার দেওয়া প্রথম ডেভেলপমেন্ট বাজেটের ৫০০ কোটি টাকার মধ্যে ১০১ কোটি টাকাই ছিল কৃষি উন্নয়নের জন্য। জাতির জনকের প্রদর্শিত পথেই বর্তমান সরকার কৃষির সার্বিক উন্নয়নে নানামুখী কার্যক্রম বাস্তবায়ন করছে।

    বাংলাদেশের কৃষি গবেষণা প্রতিষ্ঠানগুলো থেকে সম্পূর্ণ সরকারি অর্থায়নে উদ্ভাবিত হচ্ছে বন্যা, খরা, লবণাক্ততা ও বৈরী পরিবেশ উপযোগী বিভিন্ন ধরনের ফসলের জাত ও প্রযুক্তি। এর মাধ্যমে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিভিত্তিক কৃষি আজ ছড়িয়ে পড়েছে তৃণমূলে।

    কৃষির বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ যারা এ সম্মাননায় ভূষিত হয়েছেন তাদের আন্তরিক অভিনন্দন জানান তিনি। এ উদ্যোগ কৃষির সঙ্গে সম্পৃক্ত সব ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে আরও উৎসাহিত করবে এবং কৃষির চলমান অগ্রযাত্রাকে বেগবান করবে বলে দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করেন তিনি।

  • মাছ-মাংস-ডিম উৎপাদনে বাংলাদেশ স্বয়ংসম্পূর্ণ: প্রধানমন্ত্রী

    মাছ-মাংস-ডিম উৎপাদনে বাংলাদেশ স্বয়ংসম্পূর্ণ: প্রধানমন্ত্রী

    নিউজ ডেস্কঃ সরকার গৃহীত কৃষিবান্ধব নীতি ও কার্যক্রমে দানাদার খাদ্য, মাছ, মাংস ও ডিম উৎপাদনে বাংলাদেশ আজ স্বয়ংসম্পূর্ণ এবং দুধ উৎপাদনে স্বয়ংসম্পূর্ণতার দ্বারপ্রান্তে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

    বুধবার (২৭ জুলাই) ‘কৃষিক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি (এআইপি) ২০২০’ সম্মাননা প্রদান উপলক্ষে দেওয়া এক বাণীতে তিনি এ কথা জানান।

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, কৃষিক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অবদানের জন্য সরকার প্রথমবারের মতো ‘কৃষিক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি (এআইপি) ২০২০’ সম্মাননা প্রদান করতে যাচ্ছে জেনে আমি আনন্দিত। সংশ্লিষ্ট সবাইকে অভিনন্দন এবং যারা এ স্বীকৃতি পাচ্ছেন তাদেরও আন্তরিক অভিনন্দন।

    সরকারপ্রধান বলেন, আমরা দেশব্যাপী ১০০টি অর্থনৈতিক অঞ্চল গড়ে তুলছি। এতে কৃষিনির্ভর শিল্পের কাঁচামাল সরবরাহে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জনসহ ব্যাপক কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে। রাজধানীর সঙ্গে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ২১ জেলার নিরবচ্ছিন্ন, সাশ্রয়ী ও দ্রুত যোগাযোগ প্রতিষ্ঠার জন্য আমরা নিজস্ব অর্থায়নে পদ্মা সেতু নির্মাণে সফল হয়েছি। এ সেতুর মাধ্যমে নদীবিধৌত উপকূলীয় অঞ্চলের কৃষি ও মৎস্য সম্পদ আহরণ এবং সারাদেশে দ্রুত বাজারজাতকরণের ফলে এ অঞ্চলের কৃষি ও কৃষকের জীবনমান আরও উন্নতি হবে।

    শেখ হাসিনা বলেন, সরকার গৃহীত কৃষিবান্ধব নীতি ও কার্যক্রমে দানাদার খাদ্য, মাছ, মাংস ও ডিম উৎপাদনে বাংলাদেশ আজ স্বয়ংসম্পূর্ণ এবং দুধ উৎপাদনে স্বয়ংসম্পূর্ণতার দ্বারপ্রান্তে। ধান, পাট, আম, পেয়ারা, আলু প্রভৃতি ফসল ও ফল উৎপাদনে বাংলাদেশ শীর্ষ ৮টি দেশের মধ্যে রয়েছে।

    তিনি বলেন, এসব কার্যক্রমে যারা অবদান রাখছেন, তাদের মধ্য থেকে নির্বাচিত ব্যক্তিবর্গকে আজ ‘কৃষিক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি (এআইপি) ২০২০’ হিসেবে ঘোষণা ও সম্মাননা প্রদান করা হচ্ছে। এর ফলে দেশে কৃষিপেশার মর্যাদা সমুন্নত হবে এবং কৃষির উন্নয়ন অগ্রযাত্রা অব্যাহত থাকবে। আমাদের লক্ষ্য, বর্তমান প্রয়াসকে আরও গতিশীল করে ২০৩০ সালের মধ্যে এসডিজি লক্ষ্যমাত্রা পূরণ করে ২০৪১ সালের মধ্যে জাতির পিতার উন্নত, সুখী, সমৃদ্ধ স্বপ্নের সোনার বাংলাদেশ গড়ে তোলা।

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানই প্রথম অনুধাবন করেছিলেন, জ্ঞাননির্ভর আধুনিক কৃষিই উন্নত ও সমৃদ্ধ সোনার বাংলাদেশ গড়ার প্রথম সোপান। তাই তিনি স্বাধীনতার পর যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশের পুনর্গঠনে কৃষিকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়েছিলেন।

    ‘১০ জানুয়ারি ১৯৭২ সালের ভাষণে জাতির পিতা বলেছিলেন, নতুন করে গড়ে উঠবে এই বাংলা। বাংলার মানুষ হাসবে। বাংলার মানুষ খেলবে। বাংলার মানুষ মুক্ত হাওয়ায় বাস করবে। বাংলার মানুষ পেট ভরে ভাত খাবে। এই আমার জীবনের সাধনা, এই আমার জীবনের কাম্য।’

    শেখ হাসিনা বলেন, বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশের কৃষিব্যবস্থার আধুনিকীকরণের লক্ষ্যে বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করেন। ২৫ বিঘা পর্যন্ত ভূমি উন্নয়ন কর মওকুফসহ উন্নত কৃষি উপকরণ সরবরাহের মাধ্যমে কৃষি বিপ্লবের সূচনা করেছিলেন। ১৯৭৩ সালে কৃষির উন্নয়নে অনুপ্রেরণা যোগাতে কৃষিক্ষেত্রে অবদানের জন্য ‘বঙ্গবন্ধু জাতীয় কৃষি পুরস্কার’ প্রবর্তনের পাশাপাশি কৃষিবিদদের সরকারি চাকরিতে প্রথম শ্রেণির মর্যাদা প্রদান করেন বঙ্গবন্ধু।

    জাতির পিতার পদাঙ্ক অনুসরণ করে আওয়ামী লীগ সরকার ২০০৯ সাল থেকে কৃষির আধুনিকীকরণ ও সার্বিক উন্নয়নে কৃষিবান্ধব নীতি ও সময়োপযোগী বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমরা আধুনিক কৃষিশিক্ষার প্রসারে নতুন নতুন কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করেছি। কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়সমূহে গবেষণার সুযোগ বৃদ্ধি করেছি। কৃষিক্ষেত্রে ডিজিটাল প্রযুক্তির ব্যবহার নিশ্চিত করেছি। একই সঙ্গে জাতীয় কৃষিনীতি-২০১৮ গ্রহণ ও বাস্তবায়ন করে যাচ্ছি। কৃষি বাতায়ন, কৃষকবন্ধু ফোন সেবা (৩৩৩১), কৃষকের জানালা, কৃষি কল সেন্টার (১৬১২৩) ইত্যাদির মাধ্যমে কৃষকদের সঙ্গে তথ্য আদান-প্রদানের ব্যবস্থা করেছি। ফলে বন্যা, খরা ও লবণাক্ততা সহিষ্ণু ফসলের জাত উদ্ভাবনসহ জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় ভাসমান চাষ, বৈচিত্র্যময় ফসল উৎপাদন, ট্রান্সজেনিক জাত উদ্ভাবন, পাটের জেনোম সিকুয়েন্স উন্মোচন ও মেধাসত্ব অর্জন সম্ভব হয়েছে।

    তিনি বলেন, বর্তমান সরকার সার, বীজসহ সব কৃষি উপকরণের মূল্যহ্রাস, কৃষকদের সহজশর্তে ও স্বল্পসুদে ঋণ সুবিধা প্রদান, ১০ টাকায় ব্যাংক অ্যাকাউন্ট খোলার সুযোগসহ তাদের নগদ সহায়তা প্রদান করে যাচ্ছে। এসব কর্মসূচির ফলে আমরা খাদ্য উৎপাদনে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন করেছি।

    প্রধানমন্ত্রী ‘কৃষিক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি (এআইপি)’ হিসেবে স্বীকৃত ব্যক্তিদের আবারও অভিনন্দন জানান। সেই সঙ্গে অনুষ্ঠানের সার্বিক সাফল্য কামনা করেন।

  • দেশে ফিরেছেন অর্ধেকের বেশি হাজি

    দেশে ফিরেছেন অর্ধেকের বেশি হাজি

    নিউজ ডেস্কঃ হজ শেষে মঙ্গলবার (২৬ জুলাই) পর্যন্ত গত ১৩ দিনে সৌদি আরব থেকে দেশে ফিরেছেন ৩০ হাজার ৭৮২ জন হাজি। যা সৌদি আরব যাওয়া হজযাত্রীদের অর্ধেকের বেশি।

    বুধবার (২৭ জুলাই) ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আইটি হেল্পডেস্ক হজের বুলেটিনে এ তথ্য জানিয়েছে।

    গত ১৪ জুলাই হজ শেষে ফিরতি ফ্লাইট শুরু হয়েছে। এ পর্যন্ত মোট ৮৪টি ফ্লাইটে হাজিরা দেশে ফিরেছেন। এর মধ্যে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স পরিচালিত ৪১টি, সৌদিয়া এয়ারলাইন্স পরিচালিত ৩৮টি ও ফ্লাইনাস এয়ারলাইন্স পরিচালিত ৫টি ফ্লাইট রয়েছে। হজযাত্রীদের ফিরতি ফ্লাইট শেষ হবে আগামী ৪ আগস্ট।

    আইটি হেল্পডেস্ক জানিয়েছে, সৌদি আরবে মোট ২৩ জন বাংলাদেশি হজযাত্রী ইন্তেকাল করেছেন।

    গত ৮ জুলাই সৌদি আরবে হজ অনুষ্ঠিত হয়। ৫ জুন থেকে ৫ জুলাই পর্যন্ত ১৬৫টি ফ্লাইটে বাংলাদেশ থেকে সৌদি আরবে যান ৬০ হাজার ১৪৬ জন হজযাত্রী (ব্যবস্থাপনা সদস্যসহ)।

    হজের বুলেটিনে আরও জানানো হয়েছে, বাংলাদেশ হজ মেডিকেল টিমের একটি প্রতিনিধিদল সোমবার রাতে মক্কার কিং আব্দুল আজিজ হাসপাতাল, আল নূর হাসপাতাল, কিং ফয়সাল হাসপাতালসহ বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা অসুস্থ বাংলাদেশি হাজিদের দেখতে যান এবং অসুস্থ হাজিদের চিকিৎসা সেবার বিষয়ে খোঁজ-খবর নেন।

  • ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত আরও ৯৯ রোগী, মৃত্যু এক

    ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত আরও ৯৯ রোগী, মৃত্যু এক

    নিউজ ডেস্কঃ দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়ে আরও ৯৯ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। একই সময়ে আরও একজনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে চলতি বছরে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে মোট আটজনের মৃত্যু হয়েছে।

    মঙ্গলবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুম থেকে পাঠানো ডেঙ্গু বিষয়ক বিবৃতিতে এই তথ্য জানানো হয়।

    বিবৃতিতে বলা হয়, বর্তমানে ঢাকায় ৭৪ জন নতুন ডেঙ্গুরোগী এবং ঢাকার বাইরে সারাদেশে ২৫ জন নতুন ডেঙ্গুরোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। সারাদেশে সর্বমোট ৩০১ জন ডেঙ্গুরোগী হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন। এর মধ্যে ঢাকার বিভিন্ন হাসপাতালে ২২৭ জন এবং ঢাকার বাইরে সারাদেশে ৭৪ জন ডেঙ্গুরোগী ভর্তি রয়েছেন।

    চলতি বছরের ১ জানুয়ারি থেকে ২৬ জুলাই পর্যন্ত দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি ডেঙ্গুরোগীর সংখ্যা সর্বমোট দুই হাজার ৩০৫ জন।

    এর মধ্যে ঢাকায় ভর্তি রোগীর সংখ্যা সর্বমোট এক হাজার ৯৫১ জন এবং ঢাকার বাইরে সারাদেশে ভর্তি রোগীর সংখ্যা সর্বমোট ৩৫৪ জন।

  • প্রাথমিক শিক্ষকদের বন্ধ থাকা অনলাইনে বদলি চালু হচ্ছে কাল

    প্রাথমিক শিক্ষকদের বন্ধ থাকা অনলাইনে বদলি চালু হচ্ছে কাল

    অনলাইন ডেস্কঃ দীর্ঘদিন বন্ধ থাকার পর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকদের অনলাইনে বদলি চালু হচ্ছে আগামীকাল বুধবার।

    আগামীকাল বুধবার সকাল ১১টায় প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে আনুষ্ঠানিকভাবে এ বদলি কার্যক্রমের উদ্বোধন করবেন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মো. জাকির হোসেন।

    অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকবেন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব আমিনুল ইসলাম খান ও প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মহিবুর রহমান।

    মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের বদলিকে সহজ ও হয়রানিমুক্ত করতে এবং শিক্ষকদেরে যাতে কোথাও ধর্না দিতে না হয় সে জন্য অনলাইনে শিক্ষক বদলির কার্যক্রম গ্রহণ করে সরকার।

    কিন্তু করোনা পরিস্থিতির কারণে এ কার্যক্রমের বাস্তবায়ন কিছুটা বিলম্ব হয়। চলতি বছরের ৩০ জুন, গাজীপুরের কালিয়াকৈরে এ কার্যক্রমের পাইলটিং উদ্বোধন করেন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক। গত ১৫ জুলাই পর্যন্ত যে সব শিক্ষকরা বদলির আবেদন করেছেন তাদেরকে বদলির আওতায় আনা হবে। পাইলটিং কার্যক্রম শেষ হলে সারা দেশে সহকারী শিক্ষকদের অনলাইনে বদলির কার্যক্রম শুরু হবে।

    সূত্র: বাসস

  • রিজার্ভ সংকটে সতর্কতামূলক পদক্ষেপ নিয়েছে বাংলাদেশ

    রিজার্ভ সংকটে সতর্কতামূলক পদক্ষেপ নিয়েছে বাংলাদেশ

    নিউজ ডেস্কঃ আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, বিশ্ববাজারে ক্রমাগতভাবে জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধির কারণে অনেক উন্নত দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ আশঙ্কাজনকভাবে হ্রাস পেয়েছে। বর্তমান সংকট একটি বৈশ্বিক সংকট। বাংলাদেশ যাতে এই সংকটের অভিঘাতে জর্জরিত না হয় সেজন্য সতর্কতামূলক পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। বর্তমান সরকার সামনের সংকট মোকাবিলার জন্য সময়োপযোগী পদক্ষেপ নিয়েছে। বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ মনে করে, জনগণের ঐক্যবদ্ধ প্রয়াস থাকলে কোনো সংকটই মোকাবিলা করা কঠিন নয়। আমরা দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানাব, আসুন সবাই দায়িত্বশীল হই, সবাই মিতব্যয়ী এবং রাষ্ট্রীয় সম্পদ ব্যবহারে সাশ্রয়ী হই।

    মঙ্গলবার দলের দপ্তর সম্পাদক ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া স্বাক্ষরিত এক বিবৃতিতে তিনি এ মন্তব্য করেন।

    বিএনপিকে উদ্দেশ্য করে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, বর্তমানে যারা বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন তাদের মনে রাখা উচিত, তাদের শাসনামলে দুর্নীতিতে পাঁচবার বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন হওয়ার কারণেই দেশের অর্থনৈতিক ভীত অত্যন্ত দুর্বল হয়ে পড়েছিল। তাদের শাসনামলে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ কোনোদিন ৫ বিলিয়নের উপরে ছিল না। শেখ হাসিনার নেতৃত্বে অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও সুশাসনের কারণেই বাংলাদেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ দাঁড়িয়েছিল দেশের ইতিহাসের সর্বোচ্চ ৪৮ বিলিয়ন ডলারের বেশি।

    বিবৃতিতে তিনি বলেন, যারা তাদের শাসনামলে হাওয়া ভবন, খোয়াব ভবন খুলে পাহাড় সমান দুর্নীতি আর লুটপাটে আকণ্ঠ নিমজ্জিত ছিল, দেশের মানুষের কল্যাণে বাস্তবায়িত মেগাপ্রকল্পগুলো তাদের গাত্রদাহের সৃষ্টি করবে, সেটাই স্বাভাবিক। বিএনপি দেশের মানুষের ভাগ্য উন্নয়নের রাজনীতিতে কখনও আস্থা রাখেনি। তাদের রাজনৈতিক দর্শনই ছিল লুটপাটতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করা।

    আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, গত এক যুগেরও বেশি সময় সফল রাষ্ট্রনায়ক বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনার ভিশনারি নেতৃত্বে দেশের অভূতপূর্ব উন্নয়ন হয়েছে। পাহাড় সমান প্রতিবন্ধকতা ও অসংখ্য চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করে স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উন্নয়নশীল রাষ্ট্রে পরিণত হয়েছে বাংলাদেশ। শুধু মেগাপ্রকল্প বাস্তবায়িত হচ্ছে তা নয়, আজকে দেশের শতকরা ২৯ শতাংশ পরিবারের মানুষ সরকারের সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনী কর্মসূচির আওতায় কোনো না কোনো ভাতার আওতাভুক্ত হয়েছে। আজকের বদলে যাওয়া বাংলাদেশের সফল রূপকার বঙ্গবন্ধুকন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনা। তার সফল নেতৃত্বে বাংলাদেশের উন্নয়ন-অগ্রগতি আজ বিশ্ব সভায় প্রশংসিত।

    ওবায়দুল কাদের বলেন, শেখ হাসিনার নেতৃত্বেই বাংলাদেশের রপ্তানি আয় ৫০ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের বিখ্যাত সাময়িকী নিউজ উইক যখন বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অগ্রগতি নিয়ে নিবন্ধ প্রকাশ করে, তখন আমাদের দেশের একদল হতাশাবাদী ব্যর্থ রাজনীতিক হায় হায় রব তোলে। তাদের মনে রাখা উচিত, রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে উন্নত রাষ্ট্রগুলো যেখানে মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারছে না, সেখানে বঙ্গবন্ধুকন্যার নেতৃত্বে আজকে বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে।

  • পদ্মা সেতুতে এক মাসে টোল আদায় ৭৬ কোটি টাকা

    পদ্মা সেতুতে এক মাসে টোল আদায় ৭৬ কোটি টাকা

    নিউজ ডেস্কঃ পদ্মা সেতু দিয়ে যান চলাচল শুরু হয় গত ২৬ জুন থেকে। গত ৩০ দিনে পদ্মা সেতু দিয়ে ছয় লাখের বেশি যানবাহন পারাপার হয়েছে। এসব যানবাহন থেকে টোল আদায় হয়েছে ৭৬ কোটি ৯ লাখ ৮২ হাজার ৩৫০ টাকা। দিনে আয় হয়েছে গড়ে ২ কোটি ৫৩ লাখ টাকার বেশি।

    ৩০ দিনে পদ্মা সেতু দিয়ে যানবাহন পারাপার হয়েছে ৬ লাখ ১৬ হাজার ৬৫৩টি। এ সময় প্রতিদিন যানবাহন চলেছে গড়ে ২১ হাজার।

    জানা গেছে, পদ্মা সেতু নিজস্ব অর্থায়নে নির্মাণ করা হলেও এ টাকা সেতু কর্তৃপক্ষকে ঋণ হিসেবে দিয়েছে অর্থ মন্ত্রণালয়। ১ শতাংশ সুদে ৩৫ বছরে এ টাকা পরিশোধ করতে হবে।

    এ জন্য তিন মাস পরপর কিস্তি পরিশোধ করতে হবে। সব মিলিয়ে ১৪০ কিস্তিতে ঋণের টাকা (সুদ ও আসলে) পরিশোধ করা হবে।
    এখন পর্যন্ত পদ্মা সেতু প্রকল্পের ব্যয় ধরা আছে ৩০ হাজার ১৯৩ কোটি টাকা। এর মধ্যে জাপান সরকারের ঋণ মওকুফ ফান্ডের অর্থ ৩০০ কোটি টাকা।

    এ অর্থ পরিশোধ করতে হবে না। ফলে সেতু বিভাগকে আসল হিসেবে ২৯ হাজার ৯০০ কোটি টাকা পরিশোধ করতে হবে। এর সঙ্গে বাড়তি ১ শতাংশ হারে সুদ গুনতে হবে। অর্থাৎ সুদ-আসলে পরিশোধ করতে হবে ৩৬ হাজার ৪০৩ কোটি টাকা।

  • জনগণকে মিতব্যয়ী ও সাশ্রয়ী হওয়ার আহ্বান সেতুমন্ত্রীর

    জনগণকে মিতব্যয়ী ও সাশ্রয়ী হওয়ার আহ্বান সেতুমন্ত্রীর

    নিউজ ডেস্কঃ রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে সৃষ্ট বৈশ্বিক সংকটে বাংলাদেশ যেন ক্ষতিগ্রস্ত না হয় সেজন্য সরকার আগেভাগে সতর্কতামূলক বিভিন্ন পদক্ষেপ নিয়েছে। এজন্য জনগণকে মিতব্যয়ী ও সাশ্রয়ী হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

    মঙ্গলবার গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে তিনি এ কথা জানান।

    সেতুমন্ত্রী বলেন, বর্তমান সংকট বৈশ্বিক।

    বাংলাদেশ যেন এই অভিঘাতে জর্জরিত না হয় সেজন্য সতর্কতামূলক পদক্ষেপ গ্রহণ করা হচ্ছে। বর্তমান সরকার আসন্ন সংকট মোকাবিলায় সময়োপযোগী পদক্ষেপ গ্রহণ করছে। বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ মনে করে, জনগণের ঐক্যবদ্ধ প্রয়াস থাকলে কোনও সংকটই মোকাবিলা করা কঠিন নয়। আমরা দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানাবো, আসুন সকলেই দায়িত্বশীল হই; মিতব্যয়ী এবং রাষ্ট্রীয় সম্পদ ব্যবহারে সাশ্রয়ী হই’- বলেন কাদের।

    এসময় বিএনপি নেতাদের বক্তব্যের সমালোচনা করে কাদের বলেন, ‘যারা তাদের শাসনামলে হাওয়া ভবন, খোয়াব ভবন খুলে পাহাড় সমান দুর্নীতি আর লুটপাটে আকণ্ঠ নিমজ্জিত ছিল; দেশের মানুষের কল্যাণে বাস্তবায়িত মেগাপ্রকল্পগুলো তাদের গাত্রদাহের সৃষ্টি করবে সেটাই স্বাভাবিক। ’

    ‘বিএনপি এদেশের মানুষের ভাগ্যোন্নয়নের রাজনীতিতে কখনোই আস্থা রাখেনি। তাদের রাজনৈতিক দর্শনই ছিল লুটপাটতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করা। ’

    গত এক যুগের আওয়ামী লীগ সরকার প্রধান শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দেশের অভূতপূর্ব উন্নয়ন সাধিত হয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, পাহাড় সমান প্রতিবন্ধকতা ও অসংখ্য চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করে স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উন্নয়নশীল রাষ্ট্রে পরিণত হয়েছে বাংলাদেশ।

    শুধু মেগাপ্রকল্প বাস্তবায়িত হচ্ছে তা নয়, আজকে দেশের শতকরা ২৯ ভাগ পরিবারের মানুষ সরকারের সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনী কর্মসূচির আওতায় কোনও না কোনও ভাতার আওতাভুক্ত হয়েছে।

    আজকের বদলে যাওয়া বাংলাদেশের সফল রূপকার বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনা। তার সফল নেতৃত্বে বাংলাদেশের উন্নয়ন-অগ্রগতি আজ বিশ্ব সভায় প্রশংসিত। ’

    বর্তমানে যারা বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন তাদের মনে রাখা উচিত, তাদের শাসনামলে দুর্নীতিতে পাঁচ বার বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন হওয়ার কারণেই দেশের অর্থনৈতিক ভীত অত্যন্ত দুর্বল হয়ে পড়েছিল- বলেন ওবায়দুল কাদের।

    তিনি বলেন, বিএনপির শাসনামলে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ কোনোদিন ৫ বিলিয়নের ওপরে ছিল না।

    বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনার নেতৃত্বে অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও সুশাসনের কারণেই বাংলাদেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ দাঁড়িয়েছিল দেশের ইতিহাসের সর্বোচ্চ ৪৮ বিলিয়ন ডলারের বেশি। শেখ হাসিনার নেতৃত্বেই বাংলাদেশের রপ্তানি আয় ৫০ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়েছে।

  • পদ্মা সেতুর সব সুবিধা নিতে পরিকল্পনা জরুরি: স্পিকার

    পদ্মা সেতুর সব সুবিধা নিতে পরিকল্পনা জরুরি: স্পিকার

    অনলাইন ডেস্কঃ জাতীয় সংসদের স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী বলেছেন, পদ্মা সেতু থেকে সব ধরনের সুবিধা নেওয়ার জন্য পরিকল্পনা নিতে হবে। এ লক্ষ্যে এখনই পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি।

    মঙ্গলবার (২৬ জুলাই) রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে এক অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

    পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেনের লেখা ‘আমাদের অর্থে আমাদের পদ্ম সেতু’ বইয়ের প্রকাশনা উৎসবের আয়োজন করে চন্দ্রাবতী একাডেমি।

    অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জাতীয় সংসদের স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী।

    স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী বলেন, এই বইয়ের মাধ্যমে ভিন্ন ভিন্ন ভাবে পদ্মা সেতুকে জানার সুযোগ পাবো। এই বইটির মাধ্যমে তথ্য উপাত্ত ছড়িয়ে যাবে। এটা খুব ভালো উদ্যোগ।

    তিনি বলেন, পদ্মা সেতু বাঙালির আত্মমর্যাদার নিদর্শন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দৃড়তা ও অদম্য সাহসের জন্য পদ্মা সেতু হয়েছে। যে কোনো চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে পারেন আমাদের প্রধানমন্ত্রী। পদ্মা সেতুর চ্যালেঞ্জও নিয়েছেন তিনি। এটা শুধু ইট পাথরের সেতু নয়। এই সেতু আমাদের আবেগ ও গৌরবের অধ্যায়।

    তিনি আরও বলেন, দক্ষিণ পশ্চিমাঞ্চলের ইকোনমিক লাইফ লাইনে পরিণত হয়েছে। তবে পদ্মা সেতু থেকে সব ধরনের সুবিধা নেওয়ার জন্য বিশেষ পরিকল্পনা নিতে হবে।

    অনুষ্ঠানে সম্মানিত অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী আনিসুল হক, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম ও মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম।

    অনুষ্ঠানে পররাষ্ট্র মন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন বলেন, পদ্মা সেতুর ওপরে বই প্রকাশ করে আমরা খুশি। তবে এই বইতে দু’জনের লেখা নিতে পারিনি। একজন জামিলুর রেজা চৌধুরী এবং ওপর জন আমার বড় ভাই আবুল মাল আব্দুল মুহিত।

    তিনি বলেন, পদ্মা সেতু পরিপ্রেক্ষিতে বলতে চাই, বিদেশিদের পরামর্শ সব সময় সঠিক নয়। বিদেশিরা কোনো কিছু বললেই লাফালাফি বন্ধ করতে হবে। পদ্মা সেতু থেকে আমাদের শিক্ষা নিতে হবে। এছাড়া তারা (বিদেশি) বলেন, বাংলাদেশ থেকে বিদেশে টাকা পাচার হচ্ছে। তবে প্রাইভেসির নামে কোনো তথ্য দেওয়া হয় না।

    অনুষ্ঠানে আইনমন্ত্রী আনিসুল হক বলেন, বিশ্বব্যাংক যখন পদ্মা সেতু প্রকল্পে অর্থায়ন বন্ধ করে দিল, তখন অনেকেই আশঙ্কায় ছিলেন, এটা বোধ আর হবে না। তবে সেই সেতু তৈরি সম্ভব হয়েছে।

    তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী ১৯৯৬ সালে জাপানে গিয়ে এই সেতুর জন্য ঋণ চেয়েছিলেন। তবে শেষ পর্যন্ত সেই ঋণ হয়নি। এখন সেই সেতু হয়েছে। এটা শুধু সেতু নয়, এটা আমাদের আত্মবিশ্বাস বাড়িয়ে দিয়েছে।

    তিনি আরও বলেন, বিশ্বব্যাংকের কর্মকর্তারা পদ্মা সেতু নিয়ে দুর্নীতির তদন্ত করতে চেয়েছিলেন। আমরা বলেছিলাম, এটা আপনারা করতে পারবেন না। আমাদের আইন অনুযায়ী আমরা তদন্ত করবো। পরে এ বিষয়ে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) তদন্ত করে। কানাডার আদালতও পদ্মা সেতু নিয়ে কোনো দুর্নীতির প্রমাণ পায়নি। বিশ্বব্যাংকের ঋণ না পাওয়ায় আমাদের ‘শাপে বর’ হয়েছে। বঙ্গবন্ধুর ভাষায় আমাদের কেউ দাবায়ে রাখতে পারবে না।

    অনুষ্ঠানে প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম বলেন, পদ্মা সেতুতে শুধু মাত্র বাংলাদেশের প্রকৌশলীরা সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। এটা নিয়ে আলাদা একটি গবেষণা হতে পারে। তিনি এ বিষয়ে একটি গবেষণা ও প্রকাশনার প্রস্তাব দেন।

    অনুষ্ঠানে মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম বলেন, এই বইটি রেফারেন্স হিসেবে কাজ করবে। পদ্মা সেতুর সব কিছু হয়তো বলা যাবে না। অনেক বিষয় বিহাইন্ড থেকে যাবে। বইটি প্রকাশ করার জন্য ড. মোমেনকে ধন্যবাদ জানাই।

    তিনি বলেন, পদ্মা সেতু তৈরিতে গভর্নেন্স ও ম্যানেজমেন্ট ঠিক রাখার চেষ্টা করেছি। এটা ঠিক ছিল বলেই পদ্মা সেতু সম্ভব হয়েছে। আর এই সেতু এতো স্বচ্ছভাবে তৈরি হয়েছে যে, এটা নিয়ে কোনো নেতিবাচক কথা বলার সুযোগ নেই।

    অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন। এতে আরও বক্তব্য দেন অধ্যাপক ড. শামসুল হক, চন্দ্রাবতী একাডেমির স্বত্বাধিকারী কামরুজ্জামান কাজল।

  • ১২ দিনে দেশে ফিরলেন ২৮৫১৭ হাজি

    ১২ দিনে দেশে ফিরলেন ২৮৫১৭ হাজি

    অনলাইন ডেস্কঃ পবিত্র হজ পালন শেষে বারো দিন সৌদি আরব থেকে দেশে ফিরলেন ২৮ হাজার ৫১৭ জন হাজি। বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ৩৭টি, সৌদি এয়ারলাইন্সের ৩৫টি ও ফ্লাইনাস এয়ারলাইন্সের পাঁচটি ফ্লাইটে দেশে ফেরেন তারা।

    ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আইটি হেল্পডেস্ক হজের বুলেটিনে এ তথ্য জানানো হয়েছে

    বুলেটিনের তথ্যমতে, হজ শেষে সোমবার (২৫ জুলাই) দেশে ফিরেছেন দুই হাজার ১৩ জন হাজি। এ নিয়ে এখন পর্যন্ত সৌদি আরব থেকে দেশে ফিরেছেন ২৮ হাজার ৫১৭ জন হাজি। রোববার (২৪ জুলাই) পর্যন্ত ২৬ হাজার ৫০৪ জন হাজি দেশে ফিরেছিলেন।

    গত ১৪ জুলাই হজ শেষে ফিরতি ফ্লাইট শুরু হয়েছে। এ পর্যন্ত মোট ৭৭টি ফ্লাইটে হাজিরা দেশে ফিরেছেন। এর মধ্যে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ৩৭টি, সৌদি এয়ারলাইন্সের ৩৫টি ও ফ্লাইনাস এয়ারলাইন্সের পাঁচটি ফ্লাইটে দেশে ফেরেন তারা। হজযাত্রীদের ফিরতি ফ্লাইট শেষ হবে আগামী ৪ আগস্ট।

    আইটি হেল্পডেস্ক জানিয়েছে, সৌদি আরবে মোট ২৩ জন বাংলাদেশি হজযাত্রী ইন্তেকাল করেছেন। গত ৮ জুলাই সৌদি আরবে হজ অনুষ্ঠিত হয়। ৫ জুন থেকে ৫ জুলাই পর্যন্ত ১৬৫টি ফ্লাইটে বাংলাদেশ থেকে সৌদি আরবে যান ৬০ হাজার ১৪৬ জন হজযাত্রী (ব্যবস্থাপনা সদস্যসহ)।

    সরকারি ব্যবস্থাপনায় যাওয়া বিজি-১৩৫ ফ্লাইটের হাজিরা এখন মদিনায় অবস্থান করছেন। সোমবার সকাল পৌঁনে ৯টায় মক্কা থেকে মদিনার উদ্দেশ্যে যাত্রা করে নির্বিঘ্নে সেখানে পৌঁছেছেন হাজিরা।