Category: জাতীয়

  • সরকার সহযোগিতা না করলে নির্বাচন প্রশ্নবিদ্ধ হবে: সিইসি

    সরকার সহযোগিতা না করলে নির্বাচন প্রশ্নবিদ্ধ হবে: সিইসি

    নিউজ ডেস্কঃ প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী হাবিবুল আউয়াল বলেছেন, নির্বাচনের সময় যেটা হবে, তখন সরকার থাকবে। যে সরকারই হোক, একটা সরকার তো থাকবে। সরকার আমাদের সহযোগিতা করবে। আমরা সরকারের উপর প্রাধান্য বিস্তার করতে পারবো। আমরা বলবো এই এই সহযোগিতাগুলো আমাদের দিতে হবে। আমরা বিশ্বাস করি সরকার তখন ‘না’ করতে পারবেন না, তাহলে নির্বাচন প্রশ্নবিদ্ধ হয়ে যাবে।

    সোমবার (২৫ জুলাই) বাংলাদেশ মুসলিগ লীগের সঙ্গে সংলাপের সমাপনী বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি। দলটির সভাপতি অ্যাডভোকেট বদরুদ্দোজা সুজার নেতৃত্বে ১২ সদস্যদের একটি প্রতিনিধি দল সংলাপে যায়।

    সিইসি বলেন, সরকারের কাছ থেকে যে সহযোগিতা, সাহায্য চাইবো সেটি আইনের আলোকেই চাইবো। সে বিষয়েও আমাদের ভূমিকা দেখবেন। সত্যি সত্যি আমাদের উপরে আরোপিত ক্ষমতার কমান্ড আমার হাতে, শক্তিটা পুলিশের হাতে, বিজিবির হাতে, সেনাবাহিনীর হাতে। শক্তি আমার হাতে নয়, কমান্ডটা আমার হাতে আছে। আমরা কমান্ড করলে যেন শক্তিটা রেসপন্স করে সে ধরনের অবস্থা আমাদের সৃষ্টি করতে হবে। নির্বাচনের প্রয়োজনেই সেটি প্রয়োজন।

    সিইসি আরও বলেন, পরিশেষে আমি বলতে চাই, নির্বাচনের কাজটি খুব সহজ নয়, কঠিন। কঠিন হলেও এটাকে আমাদের চ্যালেঞ্জ হিসেবে নিতে হবে এবং এই কঠিন কাজটা, চ্যালেঞ্জটা মোকাবিলা করতে হবে। আমি বিশ্বাস করি, আমাদের সবার মধ্যে যদি চিন্তায় ঐক্য থাকে, চেতনায় ঐক্য থাকে, আমাদের বিশ্বাসে যদি আন্তরিকতা সততা থাকে, তাহলে আমরা যেকোনো কঠিন কাজ, যে কোনো কর্মযজ্ঞ, যতই জটিল হোক না কেন, যতই অসাধ্য হোক না কেন, আমরা সাধ্যে আনতে পারবো।

    অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন করার প্রয়াস থাকবে উল্লেখ করে সিইসি বলেন, একটু আগেই বলেছেন (বাংলাদেশ মুসলীগ লীগের এক নেতা) নির্বাচন কমিশনের সাধ্য অসীম নয়। অংশীজনের সহযোগিতা লাগবে। রাজনৈতিক সমঝোতার মাধ্যমে বিদ্যমান মোটাদাগে যে সমস্যাগুলো রয়েছে, সেগুলো রাজনৈতিকভাবে সমাধান করা যায়। যদি আপনারা ঐক্যবদ্ধ হয়ে সেই প্রয়াসটা নেন। আমাদের তরফ থেকে চেষ্টার কোনো ত্রুটি থাকবে না।

    সংবিধান সংশোধনের বিষয়ে তিনি বলেন, সংবিধান যদি কালকেই সংশোধন হয়, আমরা তার আওতায় পড়ে যাবো। ১৮তম হলে তার আওতায় পড়ে যাবো। ১৯তম হলেও আমরা তার আওতায় পড়ে যাবো। এতে আমাদের কোনো অসুবিধা বা বিচলিত হওয়ার কারণ নেই। আমরা অবশ্যই সংবিধান মান্য করবো।

    তিনি বলেন, আপনারা রাজনৈতিক শক্তি বা দল বা রাজনৈতিক শরীক দলগুলো যারা আছেন, আপনারা নিজেদের তরফে চেষ্টাগুলো করে যান। যাতে নির্বাচনের সময় রাজনৈতিক পরিবেশটা ভোটাধিকার প্রয়োগের জন্য অনুকূল হয়। নির্বাচনের সময় সব দল ও অংশীজনের আন্তরিক কমিটমেন্ট প্রয়োজন।

  • দেশে ফিরলেন আরও ২ হাজার ৯৭৮ হাজি

    দেশে ফিরলেন আরও ২ হাজার ৯৭৮ হাজি

    নিউজ ডেস্কঃ পবিত্র হজ শেষে একদিনে আরও দুই হাজার ৯৭৮ জন হাজি দেশে ফিরেছেন। এ নিয়ে রবিবার (২৪ জুলাই) পর্যন্ত সৌদি আরব থেকে দেশে ফিরলেন ২৬ হাজার ৫০৪ জন হাজি। আজ সোমবার ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আইটি হেল্পডেস্কের হজের বুলেটিনে এ তথ্য জানানো হয়।

    আইটি হেল্পডেস্ক জানিয়েছে, সৌদি আরবে মোট ২৩ জন বাংলাদেশি হজযাত্রী মারা গেছেন। মারা যাওয়া হজযাত্রী/হাজিদের মধ্যে পুরুষ ১৬ ও নারী ৭ জন। গত ৮ জুলাই সৌদি আরবে হজ অনুষ্ঠিত হয়। ৫ জুন থেকে ৫ জুলাই পর্যন্ত ১৬৫টি ফ্লাইটে বাংলাদেশ থেকে সৌদি আরবে যান ৬০ হাজার ১৪৬ জন হজযাত্রী (ব্যবস্থাপনা সদস্যসহ)।

    বুলেটিনে আরও জানানো হয়, মক্কায় বাংলাদেশ হজ অফিসের কনফারেন্স কক্ষে শনিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় সরকারি ব্যবস্থাপনায় যাওয়া শেষ পর্যায়ের হজ গাইডদের নিয়ে একটি মতবিনিময় সভা হয়। ওই মতবিনিময় সভায় হজ পরবর্তী ও হাজিদের মদিনা যাওয়ার বিভিন্ন করণীয় বিষয় নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিকনির্দেশনা দেওয়া হয়।

    হজ শেষে গত ১৪ জুলাই ফিরতি ফ্লাইট শুরু হয়েছে। এ পর্যন্ত মোট ৬৪টি ফ্লাইটে হাজিরা দেশে ফিরেছেন। এরমধ্যে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স পরিচালিত ২৯টি, সৌদিয়া এয়ারলাইন্স পরিচালিত ৩০টি ও ফ্লাইনাস এয়ারলাইন্স পরিচালিত ৫টি ফ্লাইট রয়েছে। হজযাত্রীদের ফিরতি ফ্লাইট শেষ হবে আগামী ৪ আগস্ট।

  • ডেপুটি স্পিকারের মরদেহ ঈদগাহে

    ডেপুটি স্পিকারের মরদেহ ঈদগাহে

    অনলাইন ডেস্কঃ জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার এড. ফজলে রাব্বী মিয়ার লাশ হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এসে পৌঁছেছে। সোমবার (২৫ জুলাই) সকাল ৮ টা ৪৫ মিনিট নাগাদ ইকে-৫৮২ নামক বিমানের একটি ফ্লাইটে তার লাশ বিমানবন্দরে এসে পৌঁছায়।

    সেখান থেকে সকাল ৯টায় একটি লাশবাহী ফ্রিজিং গাড়িতে করে তাকে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। এ সময় বিমানবন্দরে আওয়ামী লীগের জ্যেষ্ঠ নেতা ও প্রেসিডিয়াম সদস্য শাজাহান খানসহ কয়েকজন সিনিয়র নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

    পরে সেখান থেকে বিমানবন্দরের টার্মিনাল-২ এর ৮ নাম্বার গেট দিয়ে মরদেহটি নিয়ে ঈদগাহের উদ্দ্যেশে রওনা হয়। এ সময় জাতীয় সংসদের সাদা পোশাক পরিহিত একদল নিরাপত্তাকর্মী স্পিকারের লাশবাহী গাড়িটি নিয়ে চলে যায়।

    জানা গেছে, বিমানবন্দর থেকে তার লাশ কেন্দ্রীয় ঈদগাহ ময়দানে নেওয়া হবে। সেখানে সকাল সাড়ে ১০টায় তার প্রথম নামাজের জানাযা অনুষ্ঠিত হবে। পরে একইদিনে বেলা তিনটায় গাইবান্ধা সাঘাটা উপজেলার ভরতখালী উচ্চ বিদ্যালয় মাঠ প্রাঙ্গণে তার দ্বিতীয় নামাজের জানাযা অনুষ্ঠিত হবে।

    দীর্ঘ নয় মাস দুরারোগ্য ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে আমেরিকার নিউইয়র্ক স্ট্যাটের মাউন্ট সিনাই হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকার পর শুক্রবার মারা যান ডেপুটি স্পিকার এড. ফজলে রাব্বী মিয়া। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৭৬ বছর।

    গণমাধ্যমকে এ তথ্য জানিয়েছিলেন তার বড় মেয়ে ফাহিমা রাব্বী রিটা।

    ডেপুটি স্পিকার এড. ফজলে রাব্বী মিয়া (১৫ এপ্রিল ১৯৪৬ – ২২ জুলাই ২০২২) ছিলেন বাংলাদেশের একজন রাজনীতিবিদ ও আইনজীবী। তিনি ২৪ জানুয়ারি ২০১৪ থেকে ২২ জুলাই ২০২২ পর্যন্ত জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ২০১৮ সালের সর্বশেষ অনুষ্ঠিত হওয়া নির্বাচনে তিনি গাইবান্ধা-৫ আসন থেকে সপ্তমবারের মত সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।

    গাইবান্ধায় জানাযা শেষে তাকে তার পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হবে।

  • দক্ষিণ আফ্রিকায় সন্ত্রাসীদের গুলিতে দুই বাংলাদেশি নিহত

    দক্ষিণ আফ্রিকায় সন্ত্রাসীদের গুলিতে দুই বাংলাদেশি নিহত

    নিউজ ডেস্কঃ দক্ষিণ আফ্রিকায় সন্ত্রাসীদের গুলিতে মো. শুভ (২৩) ও আরিফ হোসেন (২২) নামের দুই বাংলাদেশি যুবক নিহত হয়েছেন। তাদের বাড়ি নোয়াখালীর সোনাইমুড়ীতে।

    শনিবার (২৩ জুলাই) রাত সাড়ে ৮টার দিকে ব্রাকফান শহরের ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে এ ঘটনা ঘটে।

    নিহত আরিফ হোসেন নোয়াখালীর সোনাইমুড়ী উপজেলার বজরা ইউনিয়নের দক্ষিণ পশ্চিম বদরপুর গ্রামের আবদুর রশিদ মিয়া বাড়ির মৃত মহিন উদ্দিনের ছেলে। শুভ পোরকরা গ্রামের আবদুল লতিফের ছেলে।

    আরিফ চার ভাইয়ের মধ্যে সবার ছোট। শুভর তিন ভাই ও এক বোন রয়েছে। এ খবর শোনার পর থেকে পরিবারগুলোতে শোকের মাতম চলছে।

    রোববার (২৪ জুলাই) সন্ধ্যায় নিহত আরিফের প্রতিবেশী আজাদ জানান, ৩-৪ মাস আগে জীবিকার সন্ধানে আফ্রিকায় যান শুভ ও আরিফ হোসেন। পরে তারা আফ্রিকার ব্রাকফান শহরের বাংলাদেশি এক ব্যবসায়ীর দোকানে চাকরি নেন। শনিবার স্থানীয় সময় রাত সাড়ে ৮টার দিকে দুই কৃষ্ণাঙ্গ বন্দুকধারী সন্ত্রাসী তাদের দোকানে প্রবেশ করে। কিছু বুঝে ওঠার আগেই তারা প্রথমে শুভকে গুলি এবং আরিফ, হাসানসহ তিনজনকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে পিটিয়ে ও কুপিয়ে জখম করেন। পরে সন্ত্রাসীরা দোকান থেকে টাকা ও মালামাল লুট করে পালিয়ে যান।

    পরে স্থানীয় লোকজন আহত ব্যক্তিদের উদ্ধার করে পার্শ্ববর্তী হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক শুভ ও আরিফকে মৃত ঘোষণা করেন। আহত আরও দুজন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।

    মরদেহ দেশে ফিরিয়ে আনতে পরিবারের পক্ষ থেকে সরকারের সংশ্লিষ্ট দপ্তরের সহযোগিতা চাওয়া হয়েছে।

  • মাছের অভয়ারণ্য তৈরির দিকে নজর দিতে হবে: প্রধানমন্ত্রী

    মাছের অভয়ারণ্য তৈরির দিকে নজর দিতে হবে: প্রধানমন্ত্রী

    অনলাইন ডেস্কঃ মাছের অভয়ারণ্য তৈরির দিকে নজর দিতে হবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, মিষ্টি পানির মাছ উৎপাদনে আমরা স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন করতে পেরেছি।

    রোববার (২৪ জুলাই) রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে ‘জাতীয় মৎস্য সপ্তাহ-২০২২’ উদযাপন এবং ‘জাতীয় মৎস্য পদক-২০২২’ প্রদান অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

    গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে অনুষ্ঠানে যুক্ত হন প্রধানমন্ত্রী।

    তিনি বলেন, সবচেয়ে নিরাপদ পুষ্টি পাওয়া যায় মাছ থেকে। যেটা মাংস থেকে হয় না। মাছের যে আবাসস্থল অর্থাৎ অভয়ারণ্য তৈরি করা- এগুলোর দিকে দৃষ্টি দিতে হবে। পানির প্রবাহটা ভালো থাকা, পানি যাতে দূষণ না হয় সেদিকে খেয়াল রাখা। আমাদের যে চাহিদা সে চাহিদার চেয়ে অনেক বেশি মাছ এখন উৎপাদন করতে পারি।

    বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান যুদ্ধবিদ্ধস্ত দেশ গড়ে তুলেছিলেন উল্লেখ করে সরকারপ্রধান বলেন, জাতিসংঘ তখনও সমুদ্রসীমা আইন করেনি, জাতির পিতা করেছিলেন। পঁচাত্তরের পর যারা ক্ষমতায় এসেছিলেন, অবৈধভাবে ক্ষমতা দখল করে মিলিটারি ডিক্টেটররা, সমুদ্রসীমায় যে আমাদের অধিকার আছে সেটা তারা জানত কি না, কিন্তু কোনো উদ্যোগ নেয়নি। আমরা যখন প্রথমবার ক্ষমতায় আসি তখন খোঁজ-খবর নিয়ে সমুদ্রসীমায় আমাদের অধিকার দাবি করি।

    অনুষ্ঠানে মৎস্য খাতে বিশেষ অবদানের জন্য সাতটি প্রতিষ্ঠানকে স্বর্ণপদক দেওয়া হয়। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পক্ষে স্বর্ণপদক তুলে দেন কৃষিমন্ত্রী মো. আব্দুর রাজ্জাক।

  • বঙ্গবন্ধু জনপ্রশাসন পদক পেলেন ৩১ কর্মকর্তা-প্রতিষ্ঠান

    বঙ্গবন্ধু জনপ্রশাসন পদক পেলেন ৩১ কর্মকর্তা-প্রতিষ্ঠান

    নিউজ ডেস্কঃ প্রথমবারের মতো ‘বঙ্গবন্ধু জনপ্রশাসন পদক’ পেলেন প্রশাসনের ২৭ জন কর্মকর্তা ও ৪টি সরকারি প্রতিষ্ঠান।

    আগে প্রশাসনের কর্মকর্তাদের কর্মদক্ষতা, মননশীলতা ও উদ্ভাবনী প্রয়াসকে উৎসাহিত করতে ‘জনপ্রশাসন পদক’ দেওয়া হতো। এবার ‘জনপ্রশাসন পদক’-এর নাম বদলে নতুন আঙ্গিকে বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদানে কর্মকর্তাদের এ পদক দেওয়া হলো।

    শনিবার (২৩ জুলাই) রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে ২৭ জন কর্মকর্তা, তিনটি মন্ত্রণালয় ও একটি ইউনিটের কাছে পদক তুলে দেওয়া হয়। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে প্রধান অতিথি হিসেবে অনুষ্ঠানে যুক্ত ছিলেন।

    প্রধানমন্ত্রীর পক্ষে পদক তুলে দেন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়কমন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন।

    ‘বঙ্গবন্ধু জনপ্রশাসন পদক নীতিমালা, ২০২২’ অনুযায়ী সাধারণ প্রশাসন ও ব্যবস্থাপনা, উন্নয়ন প্রশাসন, মানব উন্নয়ন, অর্থনৈতিক উন্নয়ন, দুর্যোগ ও সংকট মোকাবিলা, অপরাধ প্রতিরোধ, জনসেবায় উদ্ভাবন, সংস্কার, গবেষণা এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি-ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অবদানের জন্য বঙ্গবন্ধু জনপ্রশাসন পদক দেওয়া হয়েছে।

    এবার ‘সাধারণ প্রশাসন ও ব্যবস্থাপনা’য় জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের শান্তি দর্শন বহির্বিশ্বে ছড়িয়ে দিয়ে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং দারিদ্র্য বিমোচনে ভূমি পুনরুদ্ধার ও উন্নয়নের ধারণা বাস্তবে রূপায়ণ করে ‘উন্নয়ন প্রশাসনে’ পানি সম্পদ মন্ত্রণালয় বঙ্গবন্ধু জনপ্রশাসন পদক পেয়েছে। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মাসুদ বিন মোমেন ও পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব কবির বিন আনোয়ার নিজ নিজ মন্ত্রণালয়ের পক্ষে পুরস্কার গ্রহণ করেন।

    ‘মানব উন্নয়ন’ ক্ষেত্রে দলগতভাবে পদক পেয়েছেন বাগেরহাটের জেলা প্রশাসক (ডিসি) মোহাম্মদ আজিজুর রহমান, বাগেরহাট মোল্লারহাটের উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মো. ওয়াহিদ হোসেন, মোল্লারহাটের সহকারী কমিশনার (ভূমি) অনিন্দ্য মন্ডল ও মোল্লারহাটের উপজেলা শিক্ষা অফিসার মো. কামাল হোসেন।

    শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের উপ-সচিব কাজী মো. আব্দুর রহমান (নেত্রকোণার সাবেক জেলা প্রশাসক), নেত্রকোণার কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের সাবেক উপ-পরিচালক (বর্তমানে পিআরএল ভোগরত), নেত্রকোণা খালিয়াজুরির উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) এ এইচ এম আরিফুল ইসলাম, খালিয়াজুরির সাবেক সহকারী কমিশনার (ভূমি) (বর্তমানে উপজেলা নির্বাহী অফিসার হিসাবে সিলেট বিভাগীয় কমিশনার কার্যালয়ে যোগ দেওয়া) নাহিদ হাসান খান ও নেত্রকোণার মদনের উপজেলা কৃষি অফিসার মো. হাবিবুর রহমান ‘অর্থনৈতিক উন্নয়ন’ ক্ষেত্রে পদক পেলেন।

    দুর্যোগ ও সংকট মোকাবিলা’য় নারায়ণগঞ্জের জেলা প্রশাসক ও চাঁপাইনবাবগঞ্জের সাবেক জেলা প্রশাসক মো. মঞ্জুরুল হাফিজ, চাঁপাইনবাবগঞ্জের পুলিশ সুপার (এসপি) এ এইচ এম আব্দুর রকিব, চাঁপাইনবাবগঞ্জের সিভিল সার্জন ডা. মো. জাহিদ নজরুল চৌধুরী এবং চাঁপাইনবাবগঞ্জের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. জাকিউল ইসলাম পদক জিতেছেন।

    ‘অপরাধ প্রতিরোধ’ ক্ষেত্রে মাদারীপুরের জেলা প্রশাসক রহিমা খাতুন, গোপালগঞ্জের স্থানীয় সরকারের উপ-পরিচালক আজহারুল ইসলাম (মাদারীপুরের স্থানীয় সরকারের সাবেক উপ-পরিচালক), মাদারীপুরের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) ঝোটন চন্দ, মাদারীপুরের জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সহকারী কমিশনার আব্দুল্লাহ-আবু-জাহের দলগতভাবে পদক পেয়েছেন।

    ‘জনসেবায় উদ্ভাবন’ ক্ষেত্রে দলগতভাবে পদক পেলেন প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব আহমদ কায়কাউস, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের সিনিয়র সচিব এন এম জিয়াউল আলম, ঢাকার জেলা প্রশাসক শহীদুল ইসলাম ও সুরক্ষা ডেভেলপার ইউনিট।

    ভূমি তথ্য ব্যাংকের জন্য ‘সংস্কার’ ক্ষেত্রে প্রাতিষ্ঠানিকভাবে পদক পেয়েছে ভূমি মন্ত্রণালয়।

    এছাড়া ‘গবেষণা’য় বাস্তবায়ন, পরিবীক্ষণ ও মূল্যায়ন বিভাগের সচিব আবু হেনা মোরশেদ জামান ও ময়মনসিংহের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (এডিসি) পারভেজুর রহমান পদক পেয়েছেন।

    কুমিল্লার ডিসি মোহাম্মদ কামরুল হাসান, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মোহাম্মদ শাহাদাত হোসেন, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) নাজমা আশরাফী, সহকারী কমিশনার ফাহিমা বিনতে আখতার ও নাসরিন সুলতানা নিপা ‘বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি’ খাতে পদক জিতে নিয়েছেন।

    জনপ্রশাসনে কর্মরত কর্মচারীদের সৃজনশীল ও গঠনমূলক কার্যক্রম উৎসাহিত করার মাধ্যমে কর্মস্পৃহা বৃদ্ধি, দক্ষতা উন্নয়নে উৎসাহিতকরণ ও সরকারের উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জন অধিকতর গতিশীল করতে সরকার ২০১৬ সালের ২৩ জুলাই প্রথমবারের মতো জনপ্রশাসন পদক দেয়।

    ২৩ জুলাই জাতীয় পাবলিক সার্ভিস দিবসের অনুষ্ঠান উদযাপনের অংশ হিসেবে এই পদক দেওয়া হয়। পদক দিতে ‘জনপ্রশাসন পদক নীতিমালা ২০১৫ (২০১৬ সালে সংশোধিত)’ করা হয়। এ বছর সেই নীতিমালা বাতিল করে ‘বঙ্গবন্ধু জনপ্রশাসন পদক নীতিমালা, ২০২২’ প্রণয়ন করা হয়।

    পুরস্কার হিসেবে একটি স্বর্ণপদক (২১ ক্যারেট মানের ১৫ গ্রাম ওজনের) এবং রাষ্ট্রীয় মনোগ্রাম সংবলিত সম্মাননাপত্র দেওয়া হবে।

    নীতিমালা অনুযায়ী, ব্যক্তিগত অবদানের জন্য ২ লাখ টাকা, দলগত অবদানের জন্য ৫ লাখ টাকা দেওয়া হয়। দলগত অবদানের ক্ষেত্রে দলের সর্বোচ্চ সদস্য সংখ্যা ৫ জন। দলের প্রত্যেক সদস্যকে স্বর্ণপদক, সম্মাননাপত্র ও ক্রেস্ট দেওয়া হয় এবং নগদ পুরস্কারের ৫ লাখ টাকা সদস্যদের মধ্যে সমভাবে বণ্টন করা হবে। প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে স্বর্ণপদক, ক্রেস্ট ও সম্মাননাপত্র দেওয়া হয়।

    বঙ্গবন্ধু জনপ্রশাসন পদকপ্রাপ্ত ব্যক্তি/দলের অন্তর্ভুক্ত কর্মচারীরা এবং এর আগে জাতীয় পর্যায়ে জনপ্রশাসন পদক প্রাপ্ত ব্যক্তি/দলের অন্তর্ভুক্ত কর্মচারীরা নামের শেষে ‘পাবলিক অ্যাডমিস্ট্রেটিভ অ্যাওয়ার্ড’ এর সংক্ষিপ্তরূপ ‘পিএএ’ টাইটেল ব্যবহারের পরিবর্তে সরকারি আনুষ্ঠানিক কর্মসূচিতে পোশাকের সঙ্গে সরকার অনুমোদিত বঙ্গবন্ধু জনপ্রশাসন পদকের মনোগ্রাম ব্যবহার করতে পারবেন বলে নতুন নীতিমালায় উল্লেখ করা হয়েছে।

  • যখন যে অবস্থা হবে, মানিয়ে চলতে হবে: প্রধানমন্ত্রী

    যখন যে অবস্থা হবে, মানিয়ে চলতে হবে: প্রধানমন্ত্রী

    নিউজ ডেস্কঃ করোনা মহামারি, ইউক্রেন যুদ্ধ ও যুক্তরাষ্ট্রের স্যাংশনের প্রভাবে সারাবিশ্বে যে অবস্থা সৃষ্টি হয়েছে বাংলাদেশেও তার প্রভাব পড়েছে। এ নিয়ে হতাশাগ্রস্ত হওয়ার কিছু নেই। যখন যে অবস্থা হবে, সে অবস্থায় মানিয়ে চলতে হবে। আমাদের যতটুকু ব্যবস্থা আছে, সেটুকু নিয়েই আমরা চলবো।

    শনিবার বঙ্গবন্ধু জনপ্রশাসন পদক-২০২২ প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এসব কথা বলেছেন।

    রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনের ওই অনুষ্ঠানে ভিডিও কনফারেন্সে গণভবন থেকে যুক্ত হন প্রধানমন্ত্রী।

    তিনি বলেন, প্রতিটি উন্নত দেশের অবস্থা করুণ। সেখানে আমরা কোথায়? তারপরও আপনারা প্রত্যেকে স্ব স্ব দায়িত্ব পালন করেছেন বলে আমরা এখনো অনেক দেশ থেকে ভালো আছি। তারপরও প্রত্যেককে সাশ্রয়ী হতে হবে। অহেতুক কোনো সম্পদের অপচয় যেন না হয়, সেদিকে বিশেষ দৃষ্টি দিতে হবে।

    তিনি বলেন, আমরা জানি পত্র-পত্রিকায় অনেকে অনেক কথা লিখবে। টকশোতে অনেক কথা বলবে। বিরোধী দলও অনেক কথা বলবে। বলাই তাদের কর্তব্য। আমাদের আত্মবিশ্বাস থাকতে হবে, সঠিক পথে আছি কি না। ঠিকভাবে দায়িত্ব পালন করছি কি না। সঠিক সিদ্ধান্ত নিচ্ছি কি না। দেশের সাধারণ মানুষ সেবা পাচ্ছে কি না। সেবাটা নিশ্চিত করতে হবে।

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, কে কী বললো, সেদিকে খুব বেশি একটা নজর দিতে হবে না। কে কী বললো সেটা শুনে হয়তো আমরা আমাদের কোনো ঘাটতি আছে কি না, ওইটুকু নেবো। তাদের কথায় যেন কেউ বিভ্রান্ত না হন, হতাশ না হয়ে যান। হতাশাগ্রস্ত হওয়ার কিছু নেই, যখন যে অবস্থা হবে, সে অবস্থায় মানিয়ে চলতে হবে। আমাদের যতটুকু ব্যবস্থা আছে, সেটুকুই নিয়ে আমরা চলবো।

    পদকপ্রাপ্তদের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, আপনারা আপনাদের নিজ নিজ দায়িত্ব পালন করে যান। আমরা আগামী প্রজন্মের জন্য সোনার বাংলা গড়ে তুলবো। বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে, এগিয়ে যাবে।

    তিনি বলেন, দুই জেলাসহ ৫২টি উপজেলা ভূমিহীন ও গৃহহীনমুক্ত ঘোষণা করতে পেরেছি। আশা করি শিগগির সারাদেশকেই ভূমিহীন ও গৃহহীনমুক্ত ঘোষণা করতে পারবো। প্রত্যেকটা মানুষের জন্য একটু জমি ও একটা ঘর নিশ্চিত করতে পারবো। এটা আমাদের উন্নয়নে সহায়ক হবে।

    অনুষ্ঠানে জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন, সচিব কে এম আলী আজমসহ সরকারের পদস্থ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

  • ভ্যাকসিনের দোকান খুলে বসে আছি, ক্রেতা নেই: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

    ভ্যাকসিনের দোকান খুলে বসে আছি, ক্রেতা নেই: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

    অনলাইন ডেস্কঃ চিকিৎসাখাতকে আরেক ধাপ এগিয়ে নিতে দেশে দুটি লিকুইড অক্সিজেন প্ল্যান্ট স্থাপনের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। যার একটি হবে মানিকগঞ্জে আর অন্যটি স্থাপন করা হবে উত্তরবঙ্গে।

    শনিবার (২৩ জুলাই) বিকেলে মানিকগঞ্জে কর্নেল মালেক মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ইন্টার্ন চিকিৎকদের সার্জিক্যাল প্রশিক্ষণ কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক এ কথা জানান।

    মন্ত্রী বলেন, দেশে প্রথম ও দ্বিতীয় ডোজ ১৩ কোটি টিকা দিতে পারলেও বুস্টার ডোজ নিয়েছে মাত্র ৩ কোটি। বিনামূল্যে ভ্যাকসিনের দোকান খুলে বসেছি। কিন্তু ক্রেতা নেই। বুস্টার ডোজ নিতে মানুষের আগ্রহ কম। এটা খুবই দুঃখজনক। মানুষের আগ্রহ তৈরি করতে নানা ধরনের প্রচারণা চালানো হচ্ছে।

    জাহিদ মালেক বলেন, করোনাকালে চিকিৎসাখাতে অনেক অক্সিজেনের প্রয়োজন হয়েছিল। তখন দেশে অক্সিজেন কম থাকায় ভারত থেকে অক্সিজেন এনে মানুষের চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। বর্তমানে দেশে দেড় থেকে দুইশো টন অক্সিজেন উৎপাদন হচ্ছে। অক্সিজেনের চাহিদা পূরণের লক্ষ্যেই প্ল্যান্ট স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

    তিনি বলেন, করোনায় মৃত্যু হার শূন্যের কোটায় নেমে এসেছিল। কিন্তু বর্তমানে করোনা সংক্রমণের হার বাড়ার পাশাপাশি মৃত্যুর সংখ্যাও বাড়ছে। করোনায় যারা মারা গেছেন তাদের অধিকাংশ মানুষ ভ্যাকসিন গ্রহণ করেনি। যারা এখনো ভ্যাকসিন গ্রহণ করেননি তাদের দ্রুত ভ্যাকসিন নিতে হবে। কারণ ভ্যাকসিন নিলে আপনি যেমন সুরক্ষিত হবেন, পাশাপাশি আপনার পরিবার ও দেশ সুরক্ষিত হবে।

    স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, আমাদের দেশে অনেক রোগী অর্থ ব্যয় করে বাইরের দেশে যান চিকিৎসা করাতে। একজন ভালো মানের ডাক্তার হতে গেলে প্রশিক্ষণের কোনো বিকল্প নেই। আমাদের দেশে সেবার জন্য অবকাঠামোর কোনো অভাব নেই। আমাদের প্রশিক্ষিত ডাক্তার, নার্স ও টেকনিশিয়ানের অভাব রয়েছে। এজন্য প্রশিক্ষণের ওপর আমরা জোর দিয়েছি। যাতে আমাদের ডাক্তার, নার্স ও টেকনিশিয়ান বিশ্বমানের হয়। আমাদের আর বাইরের দেশে গিয়ে চিকিৎসা নিতে না হয়।

    জাহিদ মালেক আরও বলেন, হাসপাতালগুলোতে মনিটরিংয়ের অভাবে রয়েছে। এতে সঠিক সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে দেশের মানুষ। সারাদেশে ১০ থেকে ২ হাজার বেডের যত হাসপাতাল রয়েছে এগুলো মনিটরিং করার জন্য কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটি এরই মধ্যে কাজ শুরু করেছে।

  • করোনায় ৪ জনের মৃত্যু, শনাক্ত ৪৪৬

    করোনায় ৪ জনের মৃত্যু, শনাক্ত ৪৪৬

    নিউজ ডেস্কঃ গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে করোনা আক্রান্ত হয়ে আরও চারজনের মৃত্যু হয়েছে। এ পর্যন্ত দেশে করোনায় মোট মৃত্যু হয়েছে ২৯ হাজার ২৬২ জনের।

    এদিন নতুন করে শনাক্ত হয়েছেন ৪৪৬ জন। সব মিলিয়ে আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২০ লাখ এক হাজার ৩৪৫ জন।

    শনিবার (২৩ জুলাই) বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে পাঠানো করোনা বিষয়ক এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

    এতে বলা হয়, ঢাকা সিটিসহ দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ও বাড়িতে উপসর্গ বিহীন রোগীসহ গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়েছেন এক হাজার ৪৩৪ জন। এ পর্যন্ত মোট সুস্থ হয়েছেন ১৯ লাখ ৩৪ হাজার ৬৯৩ জন। সারাদেশে সরকারি ও বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ৮৮০টি ল্যাবে ২৪ ঘণ্টায় নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে চার হাজার ৪৪৭টি এবং মোট নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে চার হাজার ৪১৫টি। এ পর্যন্ত নমুনা পরীক্ষা হয়েছে এক কোটি ৪৫ লাখ ৪৯ হাজার ৮৬৭টি।

    এতে আরও জানানো হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় নমুনা পরীক্ষায় শনাক্তের হার ১০ দশমিক ১০ শতাংশ। এ পর্যন্ত নমুনা পরীক্ষা বিবেচনায় শনাক্তের হার ১৩ দশমিক ৭৬ শতাংশ। শনাক্ত বিবেচনায় সুস্থতার হার ৯৬ দশমিক ৬৭ শতাংশ এবং শনাক্ত বিবেচনায় মৃত্যুর হার এক দশমিক ৪৬ শতাংশ।

    গত ২৪ ঘণ্টায় মৃত চারজনের মধ্যে তিনজন পুরুষ এবং একজন নারী রয়েছেন। এদের মধ্যে রয়েছেন শূন্য থেকে ১০ বছরের একজন, ২১ থেকে ৩০ বছরের একজন, ৩১ থেকে ৪০ বছরের একজন, ৫১ থেকে ৬০ বছরের একজন।

    মৃত চারজনের মধ্যে রয়েছেন ঢাকা বিভাগের দুইজন, খুলনা বিভাগের একজন, সিলেট বিভাগের একজন। মৃত চারজনের মধ্যে সবাই সরকারি হাসপাতালে মারা গেছেন।

    এতে আরও জানানো হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় আইসোলেশনে এসেছেন ১১৫ জন এবং আইসোলেশন থেকে ছাড় পেয়েছেন ৫৮ জন। এ পর্যন্ত মোট আইসোলেশনে এসেছেন চার লাখ ৪৮ হাজার ২৬৭ জন। আইসোলেশন থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন চার লাখ ১৬ হাজার ৪৭৮ জন। বর্তমানে আইসোলেশনে আছেন ৩১ হাজার ৭৮৯ জন।

    স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য মতে, ২০২০ সালের ৮ মার্চ দেশে করোনা ভাইরাসের প্রথম রোগী শনাক্ত হয়। এর ১০ দিন পর ১৮ মার্চ করোনায় আক্রান্ত হয়ে প্রথম একজনের মৃত্যু হয়।

  • বিএনপি নেতাদের হাস্যকর গর্জন বৃদ্ধি পাচ্ছে: ওবায়দুল কাদের

    বিএনপি নেতাদের হাস্যকর গর্জন বৃদ্ধি পাচ্ছে: ওবায়দুল কাদের

    নিউজ ডেস্কঃ বিএনপির রাজপথের শক্তি যত হ্রাস পাচ্ছে, মিডিয়ার সামনে তাদের নেতাদের হাস্যকর তর্জন-গর্জন ততই বৃদ্ধি পাচ্ছে বলে দাবি করেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। আজ শনিবার গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে এ দাবি করেন তিনি।

    ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘দুর্ভাগ্যজনক হলেও বিএনপি নামক রাজনৈতিক দলটি দুর্যোগ-দুর্বিপাক ও সংকটে জনগণের পাশে না দাঁড়িয়ে সংকটকে পুঁজি করে ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়। জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করে পরিস্থিতি ভয়াবহতার দিকে ঠেলে দিতে সব ধরনের অপচেষ্টা চালায়।’

    আওয়ামী লীগের বিরোধিতা করতে করতে বিএনপির দেশবিরোধী চরিত্র স্পষ্ট হয়ে উঠছে বলে দাবি করেন তিনি। তিনি বলেন, ‘তারা আন্তর্জাতিক মহলে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি ও মর্যাদাকে ভূলুণ্ঠিত করতে মরিয়া হয়ে ষড়যন্ত্র চালিয়ে যাচ্ছে। আমাদের প্রত্যাশা, রাজনৈতিক দল হিসেবে বিএনপি দায়িত্বশীল আচরণ করবে এবং জনগণের স্বার্থপরিপন্থী কর্মকাণ্ড পরিহার করবে। না হলে দেশের জনগণ বিএনপিকে ইতিহাসের আস্তাকুঁড়ে নিক্ষিপ্ত করবে।’

    বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলামের বক্তব্যের মাধ্যমে দলটির মানসিক দেউলিয়াত্ব ফুটে উঠেছে বলে দাবি করেন কাদের। তিনি বলেন, ‘বিএনপির মহাসচিব বারবার নির্বাচনে না আসার মতো শিশুসুলভ বক্তব্য প্রদান করে যাচ্ছেন। আমরাও বারবার বলেছি, দেশের সাংবিধানিক বিধান অনুযায়ী যথাসময়েই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। নির্বাচনে জনগণের ভোটের মাধ্যমে ক্ষমতার পরিবর্তন হবে।’

    সংবিধানবহির্ভূত যেকোনো বিধান দেশের গণতান্ত্রিক ও সাংবিধানিক শাসনব্যবস্থাকে বাধাগ্রস্ত করার নামান্তর বলে উল্লেখ করে কাদের বলেন, ‘শর্ত দিয়ে নির্বাচনী প্রক্রিয়াকে থামিয়ে দেওয়ার ষড়যন্ত্র ও অগণতান্ত্রিক অশুভ অপশক্তির হাতে রাষ্ট্রক্ষমতার প্রত্যাবর্তন জনগণ মেনে নেবে না। বিএনপি তার অতীত অপকর্মের জন্য জনগণের মুখোমুখি হতে ভয় পায় বলেই তারা সাংবিধানিক পন্থার ব্যত্যয় ঘটিয়ে ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে তাদের বিদেশি প্রভুদের আজ্ঞাবহ সরকার গঠনের দিবা স্বপ্নে নিমজ্জিত হয়ে আছে।’