Category: জাতীয়

  • সমালোচনায় বিভ্রান্ত-হতাশ হবেন না: প্রধানমন্ত্রী

    সমালোচনায় বিভ্রান্ত-হতাশ হবেন না: প্রধানমন্ত্রী

    অনলাইন ডেস্কঃ সমালোচনায় হতাশ না হয়ে এর ভালো দিক গ্রহণ করতে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের পরামর্শ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। শনিবার (২৩ জুলাই) জাতীয় পাবলিক সার্ভিস দিবস উদযাপন এবং বঙ্গবন্ধু জনপ্রশাসন পদক-২০২২ প্রদান অনুষ্ঠানে (ভার্চ্যুয়াল) প্রধানমন্ত্রী এ কথা বলেন।

    রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে আয়োজিত অনুষ্ঠানে গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সে অংশ নেন তিনি। সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, ‘কে কী বললো সেটা শুনে হয়তো আমরা দেখতে পারি আমাদের কোনো ঘাটতি আছে কিনা। সেটুকু আমরা নেব কিন্তু ওই কথায় যেন কেউ বিভ্রান্ত না হন, নিজেরা যেন হতাশ না হন। কেউ হতাশাগ্রস্ত যেন না হয়ে পড়েন আমি সেদিকে সবাইকে সচেতন থাকতে বলবো। হতাশ হওয়ার মতো কিছু নেই। যখন যে অবস্থা হবে, সে অবস্থার সঙ্গে মানিয়ে নিয়েই আমাদের চলতে হবে। তারপরও আমাদের যতটুকু নিজেদের ব্যবস্থা আছে সেটা নিয়েই আমরা চলবো। ’

    তিনি বলেন, ‘আমি জানি, এ ক্ষেত্রে আমাদের হয়তো পত্র-পত্রিকা নানা কথা লিখবে, টক শোতে অনেক কথা বলবে। বিরোধী দলরা কথা বলবে। বিরোধী দলরা বলবেই, বলাই তাদের কর্তব্য; তারা বলে যাক। ’

    ‘আমাদের আত্মবিশ্বাস থাকতে হবে যে আমরা সঠিক পথে আছি কি না, সঠিকভাবে দায়িত্ব পালন করছি কি না, সঠিক সিদ্ধান্ত নিয়েছি কি না এবং দেশের সাধারণ মানুষ গ্রামের তৃণমূল মানুষটা সেবা পাচ্ছে কি না। আমরা যদি সেভাবে চিন্তা করি, কে, কী বললো সেদিকে আমাদের খুব বেশি নজর দিতে হবে না। ’

    ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধের প্রভাবে বিশ্ব পরিস্থিতি তুলে ধরে সরকার প্রধান বলেন, ‘আজকে করোনা ভাইরাস মোকাবিলা, তার ওপর আরেকটা আঘাত এলো ইউক্রেন-রাশিয়ার যুদ্ধ। যুদ্ধের সঙ্গে সঙ্গে আবার আমেরিকা রাশিয়ার ওপর দিল স্যাংশন (নিষেধাজ্ঞা)। ডলারে টাকা আদান-প্রদান, সুইফট বন্ধ করে দেওয়া। শুধু আমাদের মতো দেশ না আজকে উন্নত দেশগুলো সবাই এখন ভুক্তভোগী। এই একটা সিদ্ধান্তের কারণে আমাদের সার, খাদ্য, জ্বালানি তেল কেনা—সব ক্ষেত্র বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। ’

    তিনি বলেন, ‘শুধু আমরা না, পুরো বিশ্বই একটা দুর্বিষহ অবস্থার মধ্যে পড়ে গেছে। এটা হলো বাস্তবতা। আমি মনে করি, কেউ যদি মনে করেন স্যাংশন দিলেই একটা দেশকে শিক্ষা দেওয়া গেল, সেটা দিতে যেয়ে সবাই কিন্তু সেই শিক্ষা ভোগ করছে। সেই শিক্ষায় সবাই এখন ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। আমাদের দেশে যেমন মূল্যস্ফীতি বেড়েছে, উন্নত দেশগুলোতে অনেক অনেক বেশি মূল্যস্ফীতি বেড়ে গেছে। জ্বালানি তেলের দাম বেড়ে গেছে। ’

    উন্নত দেশগুলো বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের কথা বলছে জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের কথা শুধু আমরা বলছি না, উন্নত দেশগুলো সুনির্দিষ্ট করে দিয়েছে যে বিদ্যুৎ সাশ্রয় তাদের করতে হবে। সেটা আপনি ইংল্যান্ড বলেন, আমেরিকা বলেন বা ইউরোপের দেশ বলেন, আমি উন্নত দেশগুলোর কথাই বেশি বলবো, আমরা তো অনেক দূরে রয়ে গেছি। তাদের অবস্থাই এই ধরনের করুণ। ’

    বাংলাদেশের পরিস্থিতি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘আমি মনে করি, আমাদের যেহেতু প্রশাসনিকভাবে দক্ষতার সঙ্গে, আমাদের প্রশাসনিক কর্মকর্তা বা অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তারা প্রত্যেকে স্ব স্ব দায়িত্ব পালন করছেন বলেই কিন্তু আমরা অনেক দেশের থেকে ভালো অবস্থানে এগিয়ে যাচ্ছি। ’

    ‘তবুও ভবিষ্যত চিন্তা করে আমাদের সাশ্রয়ী হতে হবে। আমাদের মিতব্যয়ী হতে হবে। অহেতুক যেন অপচয় না হয় সেদিকে বিশেষভাবে দৃষ্টি দিতে হবে। ’

    ‘জাতীয় পাবলিক সার্ভিস দিবস’ উপলক্ষে এবারই প্রথমবারের মতো জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নামে দেওয়া হলো ‘বঙ্গবন্ধু জনপ্রশাসন পদক’। এত দিন এ পদকের নাম ছিল শুধু জনপ্রশাসন পদক।

    এ বছর বঙ্গবন্ধু জনপ্রশাসন পদক পেয়েছে সরকারের বিভিন্ন দপ্তরের ২৭ জন কর্মকর্তা, তিনটি মন্ত্রণালয় এবং একটি ইউনিট।

    রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর পক্ষে মনোনীতদের হাতে পদক তুলে দেন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক।

    এ সময় গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সে সংযুক্ত ছিলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

    অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন।

    সরকারি কর্মচারীদের উদ্ভাবনী ও কৃতিত্বপূর্ণ কাজে উৎসাহ দিতে ২০১৬ সাল থেকে দেশে জাতীয় পাবলিক সার্ভিস দিবস পালন করা হচ্ছে।

  • ডেপুটি স্পিকারের মৃত্যুতে পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী জাহিদ ফারুক এমপি’র শোক

    ডেপুটি স্পিকারের মৃত্যুতে পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী জাহিদ ফারুক এমপি’র শোক

    স্টাফ রিপোর্টার: গাইবান্ধা-৫ আসনের সংসদ সদস্য এবং জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার বীর মুক্তিযোদ্ধা অ্যাডভোকেট ফজলে রাব্বী মিয়ার মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন গনপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ও বরিশাল জেলা আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি কর্ণেল(অবঃ)জাহিদ ফারুক শামীম এমপি।

    শুক্রবার (২২ জুলাই) দিনগত রাত ২টায় (নিউ ইয়র্ক সময় বিকেল ৪টা) যুক্তরাষ্ট্রের মাউন্ট সিনাই হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন ডেপুটি স্পিকার।

    শনিবার (২৩ জুলাই) এক শোকবার্তায় পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ও বরিশাল জেলা আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি কর্ণেল(অবঃ) জাহিদ ফারুক শামীম এমপি বলেন, ছাত্রজীবন থেকেই ফজলে রাব্বী মিয়া রাজনীতিতে সক্রিয় ছিলেন। আইয়ুব বিরোধী আন্দোলন এবং ‘৬২-এর শিক্ষা কমিশন বিরোধী আন্দোলনে জড়িত ছিলেন তিনি।

    মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় তিনি ১১ নং সেক্টরে যুদ্ধ করেছিলেন। সংসদীয় গণতন্ত্রে অসামান্য ভূমিকার জন্য তিনি স্মরণীয় হয়ে থাকবেন।
    সবশেষ ২০১৮ সালের একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে গাইবান্ধা-৫ (ফুলছড়ি-সাঘাটা) আসন থেকে আওয়ামী লীগ প্রার্থী হিসেবে সপ্তমবারের মতো জয়ী হন তিনি। দশম সংসদ থেকে তিনি ডেপুটি স্পিকার হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

    তিনি মরহুমের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং তাঁর শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।

  • ডেপুটি স্পিকারের মৃত্যুতে মেয়র সাদিক আবদুল্লাহর শোক

    ডেপুটি স্পিকারের মৃত্যুতে মেয়র সাদিক আবদুল্লাহর শোক

    তানজিম হোসাইন রাকিবঃ

    জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার অ্যাডভোকেট ফজলে রাব্বী মিয়া (এম.পি) শুক্রবার দিবাগত রাত ২টায় (নিউ ইয়র্ক সময় বিকাল ৪টা) মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কস্থ মাউন্ট সিনাই হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।
    তাঁর মৃত্যুতে বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ও মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ গভীর শোক প্রকাশের পাশাপাশি শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি সমবেদনা জ্ঞাপন করেছেন।

  • ডেপুটি স্পিকারের মৃত্যুতে স্পিকারের শোক

    ডেপুটি স্পিকারের মৃত্যুতে স্পিকারের শোক

    নিউজ ডেস্কঃ জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার মো. ফজলে রাব্বী মিয়ার মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী।

    শনিবার (২৩ জুলাই) সকালে এক শোকবার্তায় ফজলে রাব্বী মিয়ার রুহের মাগফেরাত কামনা করে তার শোকসন্তপ্ত পরিবার-পরিজন ও শুভানুধ্যায়ীদের প্রতি গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করেন স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী।

    এর আগে, শুক্রবার (২২ জুলাই) দিনগত রাত ২টায় (নিউইয়র্কের স্থানীয় সময় বিকেল ৪টা) যুক্তরাষ্ট্রের মাউন্ট সিনাই হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন ফজলে রাব্বী মিয়া। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৭৬ বছর। গাইবান্ধা-৫ আসনের এই সংসদ সদস্য দুরারোগ্য ক্যান্সারে আক্রান্ত ছিলেন।

    তার মৃত্যুতে দেশের রাজনৈতিক অঙ্গণে নেমে এসেছে শোকের ছায়া। এরই মধ্যে রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী ও জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ নূর-ই-আলম চৌধুরীসহ মন্ত্রীপরিষদের সদস্য ও বিভিন্ন রাজনৈতিক এবং সামাজিক নেতারা শোক প্রকাশ করেছেন। তারা বলছেন, এই মৃত্যু দেশপ্রেমিক রাজনীতিবিদের শূন্যতা। এটি পূরণ হবার নয়।

    ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের মহান স্বাধীনতা যুদ্ধে মো. ফজলে রাব্বী মিয়া ১১ নং সেক্টরে যুদ্ধ করেন। এছাড়াও সে সময় বাংলাদেশের স্বাধীনতার পক্ষে বৈশ্বিক জনমত গড়ে তুলতেও তিনি কাজ করেন।

    ফজলে রাব্বী মিয়া ১৯৮৬ সালের তৃতীয়, ১৯৮৮ সালের চতুর্থ, ১৯৯১ সালের পঞ্চম ও ১২ জুন ১৯৯৬ সালের সপ্তম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে গাইবান্ধা-৫ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। ১৯৮৯ সালে তিনি আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্বও পালন করেন।

    এছাড়া পঞ্চম ও সপ্তম সংসদে তিনি বিরোধীদলীয় হুইপ হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। সপ্তম জাতীয় সংসদে তিনি ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

    ২০০৮ সালের নবম, ২০১৪ সালের দশম ও ২০১৯ সালের একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে গাইবান্ধা-৫ আসন থেকে তিনি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের প্রার্থী হিসেবে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।

    নবম জাতীয় সংসদে তিনি সরকারি প্রতিশ্রুতি সম্পর্কিত কমিটির সভাপতি, কার্য উপদেষ্টা কমিটি, কার্যপ্রণালী বিধি সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এ সময় তিনি প্রথমে আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সদস্য হিসেবে এবং পরে সভাপতি হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন।

    দশম সংসদ থেকে ফজলে রাব্বী মিয়া ডেপুটি স্পিকার হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। এছাড়াও তিনি ওই সংসদে লাইব্রেরি কমিটির সভাপতি, কার্য উপদেষ্টা কমিটির সদস্য, কার্যপ্রণালী বিধি সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সদস্য ও পিটিশন কমিটির সদস্য হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন।

    তিনি একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের মনোনয়নে সপ্তমবারের মতো সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়ে টানা দ্বিতীয় মেয়াদে বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন।

  • দেশে ফিরেছেন আরও ১৯৯০ হাজি

    দেশে ফিরেছেন আরও ১৯৯০ হাজি

    নিউজ ডেস্কঃ হজ শেষে একদিনে আরও এক হাজার ৯৯০ জন হাজি দেশে ফিরেছেন। এ নিয়ে শুক্রবার (২২ জুলাই) পর্যন্ত সৌদি আরব থেকে দেশে ফিরেছেন ২০ হাজার ৭৭৪ জন হাজি।

    শনিবার (২৩ জুলাই) ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আইটি হেল্পডেস্ক হজের বুলেটিনে এ তথ্য জানিয়েছে। গত বৃহস্পতিবার পর্যন্ত ১৮ হাজার ৭৮৪ জন হাজি দেশে ফিরেছিলেন

    গত ১৪ জুলাই হজ শেষে ফিরতি ফ্লাইট শুরু হয়েছে। এ পর্যন্ত মোট ৫৬টি ফ্লাইটে হাজিরা দেশে ফিরেছেন। এরমধ্যে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স পরিচালিত ২৪টি, সৌদিয়া এয়ারলাইন্স পরিচালিত ২৭টি ও ফ্লাইনাস এয়ারলাইন্স পরিচালিত ৫টি ফ্লাইট রয়েছে। হজযাত্রীদের ফিরতি ফ্লাইট শেষ হবে আগামী ৪ আগস্ট।

    আইটি হেল্পডেস্ক জানিয়েছে, সৌদি আরবে মোট ২৩ জন বাংলাদেশি হজযাত্রী ইন্তেকাল করেছেন।

    মারা যাওয়া হাজিদের মধ্যে পুরুষ ১৬ ও মহিলা ৭ জন । মক্কায় ১৯, মদিনায় ৩ ও জেদ্দায় একজন মারা যান।

    গত ৮ জুলাই সৌদি আরবে হজ অনুষ্ঠিত হয়। ৫ জুন থেকে ৫ জুলাই পর্যন্ত ১৬৫টি ফ্লাইটে বাংলাদেশ থেকে সৌদি আরবে যান ৬০ হাজার ১৪৬ জন হজযাত্রী (ব্যবস্থাপনা সদস্যসহ)।

  • ফজলে রাব্বী মিয়ার বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক জীবন

    ফজলে রাব্বী মিয়ার বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক জীবন

    নিউজ ডেস্কঃ জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার বীর মুক্তিযোদ্ধা অ্যাডভোকেট ফজলে রাব্বী মিয়ার মৃত্যুতে বর্ণাঢ্য এক রাজনৈতিক জীবনের অবসান হয়েছে। জাতীয় জীবনে এ মৃত্যু এক অপূরণীয় ক্ষতি। সংসদীয় গণতন্ত্রে অসামান্য ভূমিকার জন্য স্মরণীয় হয়ে থাকবেন তিনি।

    শনিবার (বাংলাদেশ সময় ২৩ জুলাই) যুক্তরাষ্ট্রে নিউইয়র্কের (স্থানীয় সময় ২২ জুলাই) মাউন্ট সিনাই হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন ফজলে রাব্বী মিয়া।

    তার মৃত্যুতে দেশের রাজনৈতিক অঙ্গণে নেমে এসেছে শোকের ছায়া। এরই মধ্যে রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, জাতীয় সংসদের স্পিকারসহ মন্ত্রীপরিষদের সদস্য ও বিভিন্ন রাজনৈতিক এবং সামাজিক নেতারা শোক প্রকাশ করেছেন। তারা বলছেন, এই মৃত্যু দেশপ্রেমিক রাজনীতিবিদের শূন্যতা। এটি পূরণ হবার নয়।

    শোক বার্তায় রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ বলেন, সংসদ পরিচালনায় মরহুম ফজলে রাব্বী মিয়ার দক্ষতা ও অভিজ্ঞতা এবং সংসদীয় গণতন্ত্রের চর্চা ও বিকাশে তার অবদান জাতি শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করবে।

    সংসদের নেতা ও আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ হাসিনা বলেন, ছাত্রজীবন থেকেই ফজলে রাব্বী মিয়া আইয়ুববিরোধী আন্দোলন এবং ’৬২ এর শিক্ষা কমিশনবিরোধী আন্দোলনে জড়িত ছিলেন। মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় তিনি ১১নং সেক্টরে যুদ্ধ করেছিলেন। সংসদীয় গণতন্ত্রে অসামান্য ভূমিকার জন্য তিনি স্মরণীয় হয়ে থাকবেন।

    আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য ও ১৪ দলের সমন্বয়ক আামির হোসেন আমু বলেন, গণতান্ত্রিক সংসদীয় ধারার রাজনীতির বিকাশে মরহুম ফজলে রাব্বী মিয়ার অবদান স্মরণীয় হয়ে থাকবে। এই মৃত্যু জাতীয় জীবনে এক অপূরণীয় ক্ষতি।

    জাতীয় সংসদের হুইপ ও আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আবু সাঈদ আল মাহমুদ স্বপন বলেন, রাজনীতিবিদ ও মানুষ হিসেবে ডেপুটি স্পীকার ফজলে রাব্বী মিয়া ছিলেন অনন্য। তার সংসদীয় জ্ঞানের গভীরতা প্রগাঢ়। তার অপরের প্রতি শ্রদ্ধাবোধ অনুসরণযোগ্য। এমন একজন দেশপ্রেমিক রাজনীতিবিদের শূন্যতা পূরণ হবার নয়।

    জন্ম ও বেড়ে উঠা:
    ফজলে রাব্বী মিয়া ১৯৪৬ সালের ১৫ এপ্রিল গাইবান্ধা জেলার সাঘাটা উপজেলার গটিয়া গ্রামে জন্ম নেন। তার পিতার নাম ফয়জার রহমান ও মাতার নাম হামিদুন নেছা। ১৯৬১ সালে তিনি গাইবান্ধা কলেজে ভর্তি হন। তিনি বিএ ও এলএলবি ডিগ্রি অর্জন করেন। আইনজীবী হিসেবে কর্মজীবন শুরু করেন। ১৯৬৮ সালে তিনি বাংলাদেশ বার কাউন্সিল সনদ লাভ করেন। এরপর ১৯৮৮ সালে তিনি সুপ্রিম কোর্ট বার অ্যাসোসিয়েশনের সদস্য হন।

    বর্ণাঢ্য সেই রাজনৈতিক জীবন:
    ১৯৫৮ সালে রাজনীতিতে আসেন ফজলে রাব্বী মিয়া। তখন তিনি অষ্টম শ্রেণীতে পড়তেন। ১৯৫৮ সালে আইয়ুব খান পাকিস্তানে ‘মার্শাল ল’ চালু করেছিলেন। সে সময় ফজলে রাব্বীর চাচা নিজ ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি ছিলেন। চাচার মাধ্যমে তিনি ‘মার্শাল ল’ বিরোধী আন্দোলনে জড়িয়ে পরেন। ১৯৬২-৬৩ সালে শিক্ষা কমিশনের রিপোর্টের বিরুদ্ধেও তিনি আন্দোলন করেছিলেন।

    ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতার জন্য মুক্তিযুদ্ধ শুরু হলে ফজলে রাব্বী মিয়া মুক্তিযুদ্ধে যোগ দেন। তিনি ১১নং সেক্টরে যুদ্ধ করেন। এছাড়া বাংলাদেশের স্বাধীনতার পক্ষে বৈশ্বিক জনমত গড়ে তুলতে তিনি কাজ করেছেন।

    ফজলে রাব্বী মিয়া ১৯৮৬ সালের তৃতীয়, ১৯৮৮ সালের চতুর্থ, ১৯৯১ সালের পঞ্চম ও ১২ জুন ১৯৯৬ সালের সপ্তম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে গাইবান্ধা-৫ আসন থেকে জাতীয় পার্টির প্রার্থী হিসেবে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।

    এরপর বাংলাদেশ আওয়ামী লীগে যোগ দিয়ে ২০০১ সালের অষ্টম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী হিসেবে পরাজিত হন। কিন্তু ২০০৮ সালের নবম, ২০১৪ সালের দশম ও ২০১৯ সালের একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে গাইবান্ধা-৫ আসন থেকে তিনি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের প্রার্থী হিসেবে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।

    ১৯৯০ সালে আইন বিচার ও সংসদ বিষয়ক প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্বও পালন করেছেন তিনি। দশম সংসদ থেকে তিনি আমৃত্যু ডেপুটি স্পিকার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

    ২০২১ সালের জুনে ফজলে রাব্বী মিয়ার পেটে টিউমার অপারেশন হয়। তবে অবস্থার উন্নতি না হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য আগস্টে তাকে ভারত নেওয়া হয়। এরপর সেখান থেকে তাকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মাউন্ট সিনাই হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। আর সেখানেই চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার জীবনাবসান হয়।

    তার মৃত্যুর মধ্য দিয়ে এক বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক জীবনের অবসান হলো। এর ফলে জাতীয় রাজনীতিতে গভীর শূন্যতার সৃষ্টি হলো।

  • দুদিন পর বাড়তে পারে বৃষ্টির প্রবণতা

    দুদিন পর বাড়তে পারে বৃষ্টির প্রবণতা

    আবহাওয়া ডেস্কঃ বৃষ্টির প্রবণতা আবারও কমে গেছে। দেশের বেশিরভাগ অঞ্চলে প্রতিদিন হালকা এক পশলা বৃষ্টি হচ্ছে। বর্ষার টানা বৃষ্টির দেখা মিলছে না। খানিক সময় বৃষ্টি শেষে উঠছে রোদ। বাতাসে বেড়ে গেছে জলীয় বাষ্পের পরিমাণ। তাই তাপমাত্রা খুব বেশি না হলেও মুক্তি মিলছে না ভ্যাপসা গরম থেকে।

    শুক্রবার (২২ জুলাই) ভোর ৬টা থেকে শনিবার (২৩ জুলাই) ভোর ৬টা পর্যন্ত দেশের মধ্যে কুতুবদিয়ায় সর্বোচ্চ ৩৩ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়েছে। তেঁতুলিয়ায় ২৩, হাতিয়ার ১৭ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়েছে। এছাড়া দেশের অন্য কোথাও বৃষ্টিপাত ১৫ মিলিমিটার অতিক্রম করেনি।

    আবহাওয়াবিদ খো. হাফিজুর রহমান জানান, শনিবার সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায়
    রংপুর, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় এবং ঢাকা, ময়মনসিংহ ও রাজশাহী বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরণের বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে দেশের কোথাও কোথাও বিচ্ছিন্নভাবে মাঝারি ধরণের ভারি থেকে ভারি বর্ষণ হতে পারে। এ সময়ে সারাদেশে দিন এবং রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।

    আগামী দুদিন পর বৃষ্টিপাতের প্রবণতা বাড়তে পারে বলেও জানিয়েছেন হাফিজুর রহমান।

    শুক্রবার দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩৬ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস ছিলো রাজশাহীতে। ঢাকায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩৫ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। শনিবার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল টেকনাফ ও বদলগাছিতে, দুটি স্থানে ২৫ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে।

    শনিবার সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরগুলোর আবহাওয়ার পূর্বাভাসে জানানো হয়েছে, পাবনা, টাঙ্গাইল, ময়মনসিংহ, ফরিদপুর, ঢাকা, যশোর, কুষ্টিয়া, খুলনা, বরিশাল, পটুয়াখালি, নোয়াখালী, কুমিল্লা, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার এবং সিলেট অঞ্চলের ওপর দিয়ে দক্ষিণ বা দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে অস্থায়ীভাবে দমকা বা ঝোড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। এসব এলাকার নদীবন্দরগুলোকে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।

  • ২৫ জুলাই দেশে আসবে ডেপুটি স্পিকারের মরদেহ

    ২৫ জুলাই দেশে আসবে ডেপুটি স্পিকারের মরদেহ

    নিউজ ডেস্কঃ জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার মো. ফজলে রাব্বী মিয়ার মরদেহ আগামী ২৫ জুলাই সকাল ৮টা ৪০ মিনিটে ঢাকায় আনা হবে। নিউইয়র্ক থেকে এয়ার এমিরেটসের বিমানে তার মরদেহ দেশে আসবে। তার আগে আগামীকাল (রোববার) স্থানীয় সময় বাদ জোহর নিউইয়র্কের জ্যামাইকার মুসলিম সেন্টারে তার প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হবে।

    শনিবার (২৩ জুলাই) ডেপুটি স্পিকারের জনসংযোগ কর্মকর্তা স্বপন কুমার বিশ্বাস এ তথ্য জানান।

    তিনি বলেন, মরদেহ বাংলাদেশে আনার পর প্রথম জানাজা হওয়ার কথা জাতীয় সংসদে। কিন্তু কখন এই জানাজা অনুষ্ঠিত হবে তা এখনও জানা যায়নি।

    এরপর তার জানাজা অনুষ্ঠিত হবে সুপ্রিম কোর্টে। সুপ্রিম কোর্ট থেকে মরদেহ নেওয়া হবে গাইবান্ধায়। সেখানকার ভরতখালী স্কুল মাঠে তার জানাজা শেষে পারিবারিক করবস্থানে দাফন করা হবে ফজলে রাব্বী মিয়ার মরদেহ।

    ফজলে রাব্বী মিয়া যুক্তরাষ্ট্রে নিউইয়র্কের মাউন্ট সিনাই হাসপাতালে দীর্ঘ নয় মাস চিকিৎসাধীন ছিলেন। গাইবান্ধা-৫ আসনের এই সংসদ সদস্য দুরারোগ্য ক্যান্সারে আক্রান্ত ছিলেন। বাংলাদেশ সময় শুক্রবার (২২ জুলাই) দিনগত রাত ২টার দিকে তিনি সেখানে মারা যান।

  • মারা গেছেন ডেপুটি স্পিকার ফজলে রাব্বী মিয়া

    মারা গেছেন ডেপুটি স্পিকার ফজলে রাব্বী মিয়া

    নিউজ ডেস্কঃ জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার মো. ফজলে রাব্বী মিয়া মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। যুক্তরাষ্ট্রে নিউইয়র্কের মাউন্ট সিনাই হাসপাতালে দীর্ঘ নয় মাস চিকিৎসাধীন ছিলেন তিনি।

    বাংলাদেশ সময় শুক্রবার (২২ জুলাই) দিনগত রাত ২টার দিকে তিনি মারা যান। এসময় তার বড় মেয়ে ফাহিমা রাব্বী রিটা এবং একান্ত সচিব তৌফিকুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন।

    জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার ও গাইবান্ধা-৫ আসনের এই সংসদ সদস্য দুরারোগ্য ক্যান্সারে আক্রান্ত ছিলেন।

    ফজলে রাব্বী মিয়া ১৯৪৬ সালের ১৫ এপ্রিল গাইবান্ধা জেলার সাঘাটা উপজেলার গটিয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতার নাম ফয়জার রহমান এবং মাতার নাম হামিদুন নেছা।

    ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতার জন্য মুক্তিযুদ্ধ শুরু হলে ফজলে রাব্বী মিয়া মুক্তিযুদ্ধে যোগদান করেন। তিনি ১১নং সেক্টরে যুদ্ধ করেন। এছাড়া বাংলাদেশের স্বাধীনতার পক্ষে বৈশ্বিক জনমত গড়ে তুলতে তিনি কাজ করেছেন।

    ফজলে রাব্বী মিয়া ১৯৮৬ সালের তৃতীয়, ১৯৮৮ সালে চতুর্থ, ১৯৯১ সালের পঞ্চম ও ১৯৯৬ সালে ১২ জুন সপ্তম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে গাইবান্ধা-৫ আসন থেকে জাতীয় পার্টির প্রার্থী হিসেবে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। পরে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগে যোগ দিয়ে ২০০১ সালে অষ্টম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পরাজিত হন।

    ২০০৮ সালে নবম, ২০১৪ সালে দশম ও ২০১৮ সালে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে গাইবান্ধা-৫ আসন থেকে তিনি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের প্রার্থী হিসেবে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।

  • ৫ টাকার পত্রিকা ৭ ও ১০ টাকারগুলোর দাম হবে ১২ টাকা

    ৫ টাকার পত্রিকা ৭ ও ১০ টাকারগুলোর দাম হবে ১২ টাকা

    নিউজ ডেস্কঃ সংবাদপত্রের দাম বাড়ানোর ঘোষণা দিয়েছে নিউজ পেপার ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (নোয়াব)। বৃহস্পতিবার এক বিবৃতিতে বিষয়টি জানানো হয়।

    বিবৃতিতে বলা হয়, বিজ্ঞাপন থেকে আয় কমে যাওয়া, সার্কুলেশন কমে যাওয়া, বৈশ্বিক মহামারির সময় সরকারের পক্ষ থেকে সহায়তা না পাওয়া, নিউজপ্রিন্টের দাম বেড়ে যাওয়াসহ নানা কারণে সংবাদপত্রের দাম বাড়াতে বাধ্য হয়েছে নোয়াব।

    নোয়াবের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, আগামী ২৫ জুলাই থেকে নোয়াবের সব সদস্য পত্রিকার দাম ন্যূনতম ২ টাকা করে বাড়াবে। অর্থাৎ, ১০ টাকা থেকে ১২ টাকা হবে। আর যেসব পত্রিকার দাম ৫ টাকা, সেগুলো হবে ৭ টাকা।

    সব পাঠক ও শুভানুধ্যায়ীদের আন্তরিক সহযোগিতা চেয়ে নোয়াব বলেছে, পাঠক ও শুভানুধ্যায়ীরাই আমাদের সবচেয়ে বড় শক্তি। আমরা সেরা সংবাদপত্র আপনাদের কাছে পৌঁছে দেওয়ার জন্য প্রতিজ্ঞাবদ্ধ।