Category: জাতীয়

  • পবিত্র হজ শেষে দেশে ফিরেছেন আরও ২১৩৩ হাজি

    পবিত্র হজ শেষে দেশে ফিরেছেন আরও ২১৩৩ হাজি

    অনলাইন ডেস্ক ::: হজ শেষে আরও দুই হাজার ১৩৩ জন হাজি দেশে ফিরেছেন। এ নিয়ে বুধবার (২৭ জুলাই) পর্যন্ত এ বছর সৌদি আরব থেকে দেশে ফেরা হাজির সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৩২ হাজার ৯১৫ জনে।

    বৃহস্পতিবার (২৮ জুলাই) ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আইটি হেল্পডেস্ক হজের বুলেটিনে এ তথ্য জানিয়েছে।

    গত ১৪ জুলাই হজ শেষে ফিরতি ফ্লাইট শুরু হয়েছে। এ পর্যন্ত মোট ৯০টি ফ্লাইটে হাজিরা দেশে ফিরেছেন। এর মধ্যে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স পরিচালিত ৪৫টি, সৌদিয়ার ৪০টি ও ফ্লাইনাসের ৫টি ফ্লাইট রয়েছে। হজযাত্রীদের ফিরতি ফ্লাইট শেষ হবে আগামী ৪ আগস্ট।

    আইটি হেল্পডেস্ক জানিয়েছে, সৌদি আরবে মোট ২৩ জন বাংলাদেশি হজযাত্রী ইন্তেকাল করেছেন।

    গত ৮ জুলাই সৌদি আরবে হজ অনুষ্ঠিত হয়। ৫ জুন থেকে ৫ জুলাই পর্যন্ত ১৬৫টি ফ্লাইটে ব্যবস্থাপনা সদস্যসহ বাংলাদেশ থেকে সৌদি আরবে যান ৬০ হাজার ১৪৬ জন হজযাত্রী।

    হজের বুলেটিনে জানানো হয়েছে, হজ প্রশাসনিক দলের দলনেতা ও ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (হজ) মো. মতিউল ইসলাম বুধবার সকালে মক্কার বাংলাদেশ হজ মেডিকেল সেন্টার সরেজমিনে পরিদর্শন করেন। তিনি কর্তব্যরত ডাক্তারদের সঙ্গে কথা বলেন এবং অসুস্থ হাজিদের খোঁজখবর নেন। এসময় প্রশাসনিক দলের অন্য সদস্যরা তার সঙ্গে ছিলেন।

  • মাথাপিছু আয় বেশি দেখাতে জনসংখ্যা কম দেখানো হয়েছে: মির্জা ফখরুল

    মাথাপিছু আয় বেশি দেখাতে জনসংখ্যা কম দেখানো হয়েছে: মির্জা ফখরুল

    অনলাইন ডেস্ক ::: মাথাপিছু আয় বেশি দেখাতে জনসংখ্যা কম দেখানো হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেন, জনশুমারি সঠিক হয়নি।

    বৃহস্পতিবার (২৮ জুলাই) দুপুরে গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।

    নড়াইলে সহিংসতার ঘটনায় গত ১৮ জুলাই বিএনপির পক্ষ থেকে দলের ভাইস চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট নেতাই রায় চৌধুরীর নেতৃত্বে ৫ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। গত শনিবার (২৩ জুলাই) তদন্ত কমিটির সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে ক্ষতিগ্রস্তদের সঙ্গে কথা বলেন। তাদের সেই তদন্ত প্রতিবেদন নিয়ে এই সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।

    বিশ্বব্যাপী এই শুমারিকে আদমশুমারি বলা হলেও সরকার এটাকে জনশুমারি বলছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, সরকার সবক্ষেত্রে প্রতারণা করছে। সরকার প্রতারণার ওপর দাঁড়িয়ে আছে। ফেক গভর্নমেন্ট।

    নড়াইলের লোহাগাড়া উপজেলার দিঘলিয়া গ্রামের হিন্দু সম্প্রদায়ের ওপর হামলার ঘটনা অত্যন্ত সুপরিকল্পিত দাবি করে বিএনপি মহাসচিব বলেন, আওয়ামী লীগের স্থানীয় নেতাদের অন্তর্কোন্দল, দ্বিধাবিভক্তির কারণেই হিন্দু সম্প্রদায়ের ওপর হামলা।

    এই ঘটনায় অবিলম্বে দোষীদের শাস্তি দাবি করে তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার পরেই হিন্দু সম্প্রদায়ের ওপর সবচেয়ে বেশি হামলা হয়। তাদের সম্পদ দখল হয়। নির্দলীয় সরকারের দাবি পাশ কাটাতে সাম্প্রদায়িক হামলার মতো নানা কৌশলের আশ্রয় নিয়েছে সরকার।

    তিনি বলেন, গণতন্ত্র পুরোপুরি ধ্বংস হয়েছে। আওয়ামী সরকারের অধীনে ইলেকশন হতে পারে না। তারা নির্বাচনী ব্যবস্থা এমন জায়গায় নিয়ে গেছে, যেখানে শিশু পর্যন্ত রক্ষা পায় না। পুলিশের গুলিতে ঠাকুরগাঁওয়ে ইউপি নির্বাচনে শিশু হত্যার প্রতিবাদ জানিয়ে দায়ীদের গ্রেফতারের দাবিও জানান মির্জা ফখরুল।

    মির্জা ফখরুল বলেন, আদমশুমারিতে হিন্দু সম্প্রদায়ের সংখ্যা কমে গেছে শতকরা এক শতাংশেরও বেশি। বারবার এই অত্যাচার হয়েছে। আওয়ামী লীগ যখন ক্ষমতায় এসেছে তখনই সাম্প্রদায়িক হামলার ঘটনা ঘটেছে। ভিন্ন সম্প্রদায়ের সম্পত্তি দখল করেছে তারা।

    এই বিএনপি নেতা বলেন, গণতন্ত্রের অভাবেই ভিন্ন সম্প্রদায়ের মানুষের অধিকার রক্ষা করা সম্ভব হচ্ছে না। পরিকল্পিতভাবে হিন্দু সম্প্রদায়কে দেশ থেকে তাড়িয়ে সম্পত্তি দখল করাই উদ্দেশ্য।

    রেলের অব্যবস্থাপনা নিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী মহিউদ্দিন রনি যে আন্দোলন করছেন সেটাও আওয়ামী লীগের কৌশল বলে মন্তব্য করেন এই বিএনপি মুখপাত্র।

    এসময় বিএনপির তদন্ত কমিটির আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট নিতাই রায় চৌধুরী বলেন, নড়াইলের দিঘলীয় গ্রামে ৭০ শতাংশ হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষ। অথচ পুলিশের নাকের সামনে তাদের ওপর হামলা হলো। হামলায় ২২টি পরিবার এবং ৯টি মন্দির ক্ষতিগ্রস্ত হয় বলে দাবি করেন তিনি।

    সংবাদ সম্মেলনে অন্যদের মধ্যে অনিন্দ্য ইসলাম অমিত, জয়ন্ত কুমার কুন্ডু, অ্যাডভোকেট ফাহিমা নাসরীন মুন্নি, ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা এমপি, অমলেন্দু দাস অপু ও নিপুন রায় চৌধুরী উপস্থিত ছিলেন।

  • আগামী নির্বাচন অবাধ ও নিরপেক্ষ হবে: সিইসি

    আগামী নির্বাচন অবাধ ও নিরপেক্ষ হবে: সিইসি

    নিউজ ডেস্কঃ প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী হাবিবুল আউয়াল বলেছেন, প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের মাঝে যদি সহনশীলতা জাগ্রত করা না যায়, তাহলে সংকট থেকে যাবে। নির্বাচন হাড্ডাহাড্ডি যখন হয়, তখন ভোটের শেষে মারামারিটা হয়।

    বৃহস্পতিবার (২৮ জুলাই) নির্বাচন ভবনে গণফোরামের সঙ্গে সংলাপে তিনি এমন মন্তব্য করেন।

    সিইসি বলেন, কালকে একটা ঘটনা ঘটেছে (ঠাকুরগাঁওয়ের রানীশংকৈলে)। নির্বাচন হাড্ডাহাড্ডি যখন হয়, তখন ভোটের শেষে মারামারিটা হয়। কালকে একটা বাচ্চা মারা গেছে। রাত ১০টা-১১টার দিকে ফোন করেছি ডিসি, এসপিকে যে কী হলো। নির্বাচনটা শেষ হয়ে গিয়েছিল এবং মেম্বার প্রার্থী হামলা করে বসলো।

    তিনি বলেন, আমাদের মনস্তাত্ত্বিক সমস্যা আছে, আমি নির্বাচন করবো এবং আমাকে জিততেই হবে। হারতে যে হতে পারে, এটা কিন্তু কেউ মেনে নিচ্ছে না। মনস্তাত্ত্বিক দৈন আমাদের মধ্যে আছে। তাই সহনশীলতা যদি জাগ্রত করা না যায় তাহলে সংকট থেকে যাবে।

    কাজী হাবিবুল আউয়াল বলেন, রাজনীতি আপনারা নিয়ন্ত্রণ করেন। রাজনীতির সংস্কৃতি ধারণ করা, লালন করা আপনাদের দায়িত্ব। আপনাদের দায়িত্ব অনেক বড়। আপনাদের কাছে ছোট কিন্তু আমাদের কাছে অনেক বড়। আপনাদের বক্তব্য শুনেছি। চিন্তা-ভাবনা করে সিদ্ধান্ত নেবো।

    তিনি আরও বলেন, আগামী নির্বাচন সুষ্ঠু, সঠিক, সুস্থ, অংশগ্রহণমূলক এবং অবাধ ও নিরপেক্ষ হবে। আমরা আমাদের দায়িত্ব বলতে চাচ্ছি না। আমরা রাজনৈতিক নেতৃত্বে নেই এবং প্রশাসনিক সংগঠন। আমাদের কাজ হবে নির্বাচনে যাতে ভোটাররা নির্বিঘ্নে গিয়ে তাদের ভোটাধিকার স্বাধীনভাবে প্রয়োগ করতে হবে, এই ব্যাপারে আমরা চেষ্টা করবো সর্বাত্মক। আপনাদেরও সহযোগিতা চাইবো। আপনাদের আমাদের সঙ্গে থাকতে হবে। নির্বাচনের মাঠে যদি আপনারাও থাকেন, আমরাও যদি থাকি, তাহলে কোনো অপশক্তিকে প্রতিহত, প্রতিরোধ করা সহজ হবে।

    গণফোরামের নির্বাহী সদস্য মোকাব্বির খানের নেতৃত্বে সংলাপে ১১ সদস্যের প্রতিনিধি দল, অন্য চার নির্বাচন কমিশনার ও ইসির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

  • শেষ পর্যন্ত বিএনপি তাদের অস্তিত্ব ও দলকে রক্ষা করতে নির্বাচনে অংশ নেবে: কাদের

    শেষ পর্যন্ত বিএনপি তাদের অস্তিত্ব ও দলকে রক্ষা করতে নির্বাচনে অংশ নেবে: কাদের

    অনলাইন ডেস্ক ::: রিমোট কন্ট্রোলে ডাকা আন্দোলনে জনগণ সাড়া দেবে না বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। সাহস থাকলে দেশে এসে তারেক রহমানকে আন্দোলন করার আহ্বান জানান তিনি।

    বৃহস্পতিবার (২৮ জুলাই) সকালে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের অন্তর্গত হাজারীবাগ থানার ১৪ ও ২২ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলনে নিজ বাসভবন থেকে ভার্চুয়ালি সংযুক্ত হয়ে লন্ডনে পলাতক বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের প্রতি এ আহ্বান জানান ওবায়দুল কাদের।

    দেশ ভালো থাকলে বিএনপি নেতাদের মন কেন খারাপ হয়- জানতে চেয়ে ওবায়দুল কাদের বলেন, জনগণের প্রতি আস্থা রাখুন, নির্বাচনে অংশ নিন, নির্বাচনের মাধ্যমেই ক্ষমতার পরিবর্তন হবে।

    দেশে গণতন্ত্র নেই- বিএনপি নেতাদের এমন বক্তব্য হাস্যকর উল্লেখ করে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, শেষ পর্যন্ত বিএনপি তাদের অস্তিত্ব ও দলকে রক্ষা করতে নির্বাচনে অংশ নেবে।

    তিনি আরও বলেন, দেশে বিদ্যুৎ ও জ্বালানির অভাব নেই। যতটুকু অভাব আছে তা অচিরেই সমাধান হবে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রতি আস্থা রাখুন। আওয়ামী লীগকে ঐক্যবদ্ধ এবং সুশৃঙ্খল রাখতে দলের নেতাকর্মীদের প্রতি আহ্বানও জানান ওবায়দুল কাদের।

    হাজারীবাগ থানা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি হাজী মোহাম্মদ সেলিম আহমেদের সভাপতিত্বে সম্মেলনে আরও বক্তব্য রাখেন আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মির্জা আজম, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়র ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপস, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সভাপতি আবু আহমেদ মন্নাফী, সাধারণ সম্পাদক মো. হুমায়ুন কবির এবং সংসদ সদস্য নুরুল আমিন রুহুল প্রমুখ।

  • রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ অর্থহীন: প্রধানমন্ত্রী

    রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ অর্থহীন: প্রধানমন্ত্রী

    নিউজ ডেস্কঃ রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধে অস্ত্র বিক্রেতাদের লাভ আর সাধারণ মানুষের জীবন বিপন্ন হওয়ার কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, এই যুদ্ধ অর্থহীন।

    বৃহস্পতিবার (২৮ জুলাই) ‘বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব সেন্টেনিয়াল কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র’সহ দেশের বিভিন্ন উপজেলায় নির্মিত ২৪টি কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের উদ্বোধনকালে (ভার্চ্যুয়াল) প্রধানমন্ত্রী এ কথা বলেন।

    রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে আয়োজিত অনুষ্ঠানে গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সে অংশ তিনি।

    শেখ হাসিনা বলেন, করোনা ভাইরাস মোকাবিলা করতে হয়েছে আমাদের, সারা বিশ্বে অর্থনীতিতে মন্দা দেখা দিচ্ছে। তারই সঙ্গে শুরু হয়েছে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ। এই যুদ্ধ অর্থহীন। কারণ এই যুদ্ধ আমি দেখতে পাচ্ছি শুধুমাত্র যারা অস্ত্র তৈরি করে তারাই লাভবান হচ্ছে। আর সাধারণ মানুষের জীবন বিপন্ন হচ্ছে।

    তিনি বলেন, এই যুদ্ধ শুধু যুদ্ধই না, তার সঙ্গে আবার স্যাংশন (নিষেধাজ্ঞা)। এই স্যাংশন, পাল্টাপাল্টি স্যাংশনের ফলে আজকে সারা বিশ্ব অর্থনৈতিক ঝুঁকির মধ্যে পড়েছে।

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, উন্নত দেশগুলোও হিমশিম খাচ্ছে। উন্নত দেশগুলো এখন বিদ্যুৎ সাশ্রয়, জ্বালানি সাশ্রয়, খাদ্য নিরাপত্তা নিয়ে তারা শঙ্কিত এবং বিভিন্ন পদক্ষেপ নিচ্ছে। সেখানে আমাদের মতো দেশ কেবল আমরা উন্নয়নের পথে যাত্রা শুরু করেছি। একটা লক্ষ্যে পৌঁছানোর প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি আপ্রাণভাবে। তখনই এই ধরনের বাধা আমাদের জন্য অত্যন্ত দুঃখজনক।

    বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশেও জ্বালানি সাশ্রয়ী নীতি অনুসরণ করার কথা জানিয়ে টানা তিনবারের সরকারপ্রধান বলেন, আমাদের থেমে থাকলে চলবে না। আজকে জ্বালানি সাশ্রয়ের ব্যাপারে সব দেশই কিন্তু নানা উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। আমরাও সেটা অনুসরণ করছি।

    সংকট মোকাবিলা করে দেশকে এগিয়ে নিতে দক্ষ জনশক্তি গড়ে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ করে শেখ হাসিনা বলেন, আমাদের একটা দক্ষ জনশক্তি গড়ে তুলতে হবে। কারণ আমাদের যুব সমাজ রয়েছে। এই ক্ষেত্রে আমাদের বিভিন্ন পদক্ষেপ নিতে হচ্ছে এবং আমরা তা নিচ্ছি।

    দক্ষ জনশক্তি গড়ে তুলতে প্রশিক্ষণের ওপর গুরুত্বারোপ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, উন্নয়নের অগ্রযাত্রা অব্যাহত রাখতে দক্ষ জনশক্তি তৈরির ক্ষেত্রে প্রশিক্ষণের মাধ্যমে আমরা এই জনশক্তিকে তৈরি করতে চাই।

    ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তন প্রান্তে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন- প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী ইমরান আহমদ, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি আনিসুল ইসলাম মাহমুদ।

  • খেলার মাঠে রাজনৈতিক সমাবেশ,শিক্ষামন্ত্রীর দুঃখ প্রকাশ

    খেলার মাঠে রাজনৈতিক সমাবেশ,শিক্ষামন্ত্রীর দুঃখ প্রকাশ

    নিউজ ডেস্কঃ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মাঠে রাজনৈতিক সমাবেশে অংশগ্রহণ করায় দুঃখ প্রকাশ করেছেন শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি। এ বিষয়ে তিনি বলেছেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পাঠদান বন্ধ করে রাজনৈতিক সভা-সমাবেশ করা যাবে না। তবে সে এলাকায় বিকল্প ব্যবস্থা না থাকলে স্কুল-কলেজ বন্ধের দিন সভা-সমাবেশ আয়োজন করা যাবে।

    বুধবার (২৭ জুলাই) রাতে রাজধানীর আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে বঙ্গবন্ধু অলিম্পিয়া ও শিক্ষাঙ্গন ডটকমের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এমন কথা বলেন।

    শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি বলেন, সারাদেশে খেলার মাঠের সংখ্যা কমে যাচ্ছে। খোলামাঠ বলতে অধিকাংশ ক্ষেত্রে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের খেলার মাঠ রয়েছে। এর বাইরে তেমন মাঠ নেই। আমরা রাজনৈতিক, সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও ধর্মীয় এলাকাভিত্তিক যে অনুষ্ঠান করি সেখানে দেখা যায়, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে এসব আয়োজন করা হচ্ছে। বিকল্প কোনো জায়গা না থাকার কারণে স্কুল-কলেজের মাঠ বা খোলা জায়গা ব্যবহার করি।

    তিনি বলেন, এ বিষয়ে আমাদের একটি নির্দেশনা রয়েছে। সেখানে বলা হয়েছে, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান সম্পর্কিত অনুষ্ঠান তাদের মাঠে করবে। তবে বাইরের কোনো রাজনৈতিক, সামাজিক, ব্যবসায়িক হোক বা অনেক সময় হাটবাজার বসানো হয় আবার মেলা বসানো হয়। সেগুলো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মধ্যে করতে আমরা নিরুৎসাহিত করি। অনেক স্থানে বিকল্প ব্যবস্থা রয়েছে সেখানে এসব অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। বিকল্প ব্যবস্থা না থাকলেও পাঠদান ব্যাহত করে কোনো অনুষ্ঠান করা যাবে না। তবে স্কুল-কলেজ বন্ধের দিন এসব অনুষ্ঠান করা যাবে।

    ‘আমি খুবই বিব্রত এবং একেবারেই আমার অজান্তে এ ধরনের একটি ঘটনা ঘটেছে। তিনদিন আগে আমি ঢাকার দক্ষিণ খান এলাকায় একটি রাজনৈতিক সমাবেশে গেছি। সেখানে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মাঠে রাজনৈতিক সমাবেশ করা হয়। আমি সেখানে উপস্থিত ছিলাম। আমি বিষয়টি জানতাম না। ওখান থেকে চলে আসার পর জানতে পেরেছি, অনুষ্ঠানটি যে মাঠে আয়োজন করা হয়েছে তার আশপাশে কয়েকটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। এখানে সেসব স্কুলের শিক্ষার্থীরা খেলাধুলা করে থাকে। যদিও আমাকে বলা হয়েছে, সেদিন সকাল ৯টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত শিক্ষা কার্যক্রম চলেছে। সমাবেশের জন্য সেখানে প্যান্ডেল সাজানো হয়েছে, তাই সেখানে ক্লাস চলেও থাকে, তাহলেও একেবারে নির্বিঘ্নে চলেছে তা বলার কারণ নেই।’

    দীপু মনি বলেন, আমি ভীষণভাবে লজ্জিত ও দুঃখিত। আমি নিজে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে আছি। বেশ কয়েকটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মাঠে এ ধরনের অনুষ্ঠানে আমি অংশগ্রহণ করেছি। আমি জানি না সেখানে বিকল্প জায়গা ছিল কি না। এ ধরনের রাজনৈতিক, সামাজিক, ব্যবসায়িক অনুষ্ঠান বিকল্প স্থানে করা হয়ে থাকে। আর যদি বিকল্প স্থান না থাকে তবে স্কুল-কলেজ ছুটির দিনে এ ধরনের অনুষ্ঠান আয়োজন করতে হবে। শিক্ষা কার্যক্রম যেন কোনোভাবে ব্যাহত না হয় সেটি করতে হবে।

    তিনি আরও বলেন, আমি অনুরোধ জানাবো এ ধরনের অনুষ্ঠান শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে আয়োজন করার ক্ষেত্রে সেখানকার দায়িত্বরতদের সঙ্গে আলোচনা করে বন্ধের দিন যেন আয়োজন করা হয়।

  • দেশের প্রায় ১ কোটি মানুষ হেপাটাইটিস বি ও সি ভাইরাসে আক্রান্ত

    দেশের প্রায় ১ কোটি মানুষ হেপাটাইটিস বি ও সি ভাইরাসে আক্রান্ত

    নিউজ ডেস্কঃ হেপাটাইটিস একটি সংক্রামক ব্যাধি। এর সংক্রমণকে নীরব ঘাতক হিসেবে দেখা হয়। হেপাটাইটিসের সংক্রমণ বাংলাদেশে মূলত জন্ডিস রোগ হিসেবে পরিচিত। প্রকৃত অর্থে হেপাটাইটিস হলো ভাইরাসজনিত লিভারের রোগ। চিকিৎসা বিজ্ঞানে ৫ ধরনের হেপাটাইটিস রয়েছে। হেপাটাইটিস এ, বি, সি, ডি এবং ই। এর মধ্যে হেপাটাইসিস এ এবং ই-এর সংক্রমণ স্বল্পমেয়াদি, যা থেকে চিকিৎসকের পরামর্শ এবং সচেতনতায় দ্রুত সেরে ওঠা সম্ভব। তবে হেপাটাইটিসের বি এবং সি ধরন সাধারণত মারাত্মক আকার ধারণ করতে পারে।

    বাংলাদেশের প্রায় ১ কোটি মানুষ হেপাটাইটিস বি ও সি ভাইরাসে আক্রান্ত। দেশের মোট জনসংখ্যার প্রায় ৫ দশমিক ৫ শতাংশ মানুষ হেপাটাইটিস বি এবং ১ শতাংশ মানুষ হেপাটাইটিস সি ভাইরাসের বাহক। এই দুটির সংক্রমণে লিভার সিরোসিস ও ক্যানসার হতে পারে। হেপাটাইটিসের ই ধরনটি বিপদজনক হয়ে থাকে গর্ভবতী নারীদের ক্ষেত্রে। এছাড়া হেপাটাইটিসের বি ধরনের সঙ্গে একই সময়ে ডি ধরনেরও সংক্রণ ঘটতে পারে।

    বিশেষজ্ঞরা বলছেন, হেপাটাইটিসের যে ৫ রকম ধরন আছে, তার সবগুলোর সংক্রমণই বাংলাদেশে আছে। এর মধ্যে হেপাটাইটিস এ ও ই পানিবাহিত রোগ, যা দূষিত পানির মাধ্যমে মানুষের দেহে সংক্রমিত হয়। বি ও সি রক্ত বা শরীরের অন্যান্য তরল, ভ্যাজাইনাল তরল পদার্থের মাধ্যমে মানুষের দেহে সংক্রমিত হয়।

    সারাবিশ্বের মতো বৃহস্পতিবার (২৮ জুলাই) দেশেও পালিত হচ্ছে বিশ্ব হেপাটইিটিস দিবস-২০২২। এবছর দিবসটির প্রতিপাদ্য নির্ধারণ করা হয়েছে ‘হেপাটাইটিস ক্যান নট ওয়েট অর্থাৎ হেপাটাইটিস নির্মূলের এখনই সময়’। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) ২০৩০ সালের মধ্যে হেপাটাইটিস নির্মূলের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ দিবসটি উপলক্ষে পৃথক বাণী দিয়েছেন।

    সারাবিশ্বে প্রায় ৩০ কোটি মানুষ হেপাটাইটিসের কোনো না কোনো ধরনে আক্রান্ত। তবে প্রতি ১০ জনের ৯ জনই জানেন না তাদের হেপাটাইটিস আছে। ভাইরাস প্রতিরোধে অসচেতনতা ও সময়মতো শনাক্ত না হওয়ায় অসংখ্য রোগী চিকিৎসার বাইরে থাকছেন।

    হেপাটাইটিস বি ও সি লিভার ক্যানসারের প্রধানতম কারণ এবং বিশ্বে মানুষের মৃত্যুর প্রধান ১০টি কারণের একটি হলো লিভার সিরোসিস। লিভার ক্যানসার বিশ্বে এবং বাংলাদেশে ক্যানসারজনিত মৃত্যুর তৃতীয় প্রধান কারণ। এই দুই ভাইরাসজনিত লিভার রোগের কারণে বিশ্বে প্রতি বছর প্রায় ১ দশমিক ৮ মিলিয়ন মানুষ এবং প্রতি ৩০ সেকেন্ডে একজন মানুষের মৃত্যু হয়।

    তবে ডব্লিউএইচও’র লক্ষ্যমাত্রায় ২০২২ সাল থেকে ২০৩০ সাল এই ৮ বছরে বাংলাদেশে হেপাটাইটিস নির্মূল করা সহজ হবে না জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। হেপাটাইটিস নির্মূলে এখনো উল্লেখযোগ্য পরিকল্পনা গ্রহণ না করাকে কারণ হিসেবে উল্লেখ করছেন তারা। শিশুদের সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসূচি-ইপিআই সেবার মাধ্যমে হেপাটাইটিসের টিকা প্রদান করা হলেও দেশের বিশাল অংশ টিকার বাইরে রয়ে যাচ্ছে। এছাড়া মানুষের মধ্যে এই রোগ নিয়ে সচেতনতা না থাকাকেও কারণ হিসেবে দেখছেন বিশেষজ্ঞরা।

    তবে এই সময়ের মধ্যে পরিপূর্ণভাবে হেপাটাইটিস নির্মূল করা না গেলেও পরিকল্পনা গ্রহণ করা হলে বড় পরিবর্তন আসতে পারে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

    বাংলাদেশে হেপাটাইটিসের চিকিৎসায় যতটুকু গুরুত্ব দেওয়া উচিৎ সে পরিমাণ গুরুত্ব এখনো দেওয়া হচ্ছে না বলে মন্তব্য করেছেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ডা. কামরুল হাসান খান।

    এই চিকিৎসায় নানা সমস্যা তুলে ধরে তিনি বলেন, হেপাটাইটিস চিকিৎসা মানুষের হাতের নাগালে নিয়ে আসতে হবে। বাংলাদেশে ১০৮ জন হেপাটোলজিস্ট রয়েছেন। তবুও আমরা ভালো মানের চিকিৎসা দিতে পারছি না। এখনো আমরা এই রোগ থেকে পরিত্রাণের জন্য একটি সঠিক প্ল্যানও করতে পারিনি। বিশ্বের প্রায় ৩৫ কোটি মানুষ কোনো না কোনো হেপোটাইটিসে আক্রান্ত বলেও জানান তিনি।

    হেপাটাইটিস থেকে পরিত্রাণ পেতে শিশুদের পাশাপাশি বয়স্কদেরও বিনামূল্যে টিকা দেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন এই বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক। তিনি বলেন, অনেক রোগীর ক্ষেত্রে সবসময় টিকা কার্যকর নাও হতে পারে। সেজন্য এই টিকা কার্যক্রমকে মনিটরিং করার পরামর্শও দেন তিনি।

    ডা. কামরুল হাসান খান আরও বলেন, তিনটি বিষয় লক্ষ্য রাখতে হবে। প্রতিরোধ, রোগ নির্ণয় ও চিকিৎসা। শুধুমাত্র প্রতিরোধের কথা বললে হবে না। অসুস্থ হলে মানুষ যেন এই রোগের চিকিৎসা পেতে পারে সেই ব্যবস্থাও করতে হবে। হেপাটাইটিসের কারণে ক্যানসার হয়ে গেলে তার জন্য প্রয়োজন সার্জারি। সার্জারি করে লিভার ট্রান্সপ্লান্টের ব্যবস্থাও দেশে করতে হবে।

    বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএসএমএমইউ) হেপাটোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ডা. নুর আলম (ডিউ) বলেন, হেপাটাইটিস নির্মূলে তৃণমূল পর্যায়ে ইউনিয়ন ভিত্তিক কাজ করা প্রয়োজন। আমাদের তৃণমূল পর্যায়ে এই ভাইরাস সম্পর্কে প্রচারণা চালাতে হবে। মানুষ যাতে এ বিষয়ে জানতে পারে। শনাক্তকরণ ব্যবস্থায় জোর দিতে হবে। এছাড়াও এই রোগ নির্মূলে প্রয়োজনে একটি করে ইউনিয়নে শতভাগ টিকা প্রদান করার চেষ্টা করতে হবে। এর মাধ্যমে পুরো দেশে টিকা কার্যক্রম পরিচালনা করা যায়।

    এছাড়া টিকার মূল্য কমিয়ে আনা ও চিকিৎসায় খরচ কমিয়ে আনা গেলে এই রোগের চিকিৎসায় আরও আগ্রগতি হবে জানিয়ে তিনি বলেন, সরকারি পর্যায়ে টিকায় শতভাগ ভর্তুকি দিয়ে এই কার্যক্রমকে ত্বরান্বিত করা যেতে পারে।

    বিএসএমএমইউ’র ইন্টারভেনশনাল হেপাটোলোজি বিভাগের অধ্যাপক ডা. মামুন আল মাহতাব (স্বপ্নিল) বলেন, মানুষ সাধারণত এই রোগের পরীক্ষা করাতে চান না। আর যখন পরীক্ষা করান তখন তা লিভারের বড় ধরনের ক্ষতি করে থাকে। এর থেকে বেরিয়ে আসা তখন কষ্টকর হয়ে যায়। লিভার সিরোসিস থেকে ক্যানসার পর্যন্তও যেতে পারে। এ কারণে হেপাটাইটিসের পরীক্ষা করা উচিৎ। অনেক সময় এ ধরনের টেস্টের ফলে হেপাটাইটিস না থাকলেও লিভারের অনেক বড় রোগও শনাক্ত হয়ে থাকে।

    প্রাভা হেলথকেয়ারের ফ্যামিলি মেডিসিন চিকিৎসক ডা. তাসলিমা আক্তার বলেন, হেপাটাইটিস একটি জটিল রোগ। এর প্রধান কারণ হচ্ছে এর কোনো উপসর্গ নেই। হেপাটাইটিস কয়কে ধরনের হয়ে থাকে।

  • মৎস্য খাতে ব্যাপক উন্নয়ন করেছেন প্রধানমন্ত্রী: স্পিকার

    মৎস্য খাতে ব্যাপক উন্নয়ন করেছেন প্রধানমন্ত্রী: স্পিকার

    নিউজ ডেস্কঃ জাতীয় সংসদের স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী বলেছেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বিভিন্ন কার্যক্রম বাস্তবায়নের মাধ্যমে মৎস্য খাতের ব্যাপক উন্নয়ন সাধন করেছেন।

    বুধবার (২৭ জুলাই) জাতীয় মৎস্য সপ্তাহ-২০২২ উপলক্ষে সংসদ ভবন লেকে মাছের পোনা অবমুক্তকরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন তিনি।

    শিরীন শারমিন চৌধুরী বলেন, ধারাবাহিকভাবে অনেক বছর ধরেই সংসদ ভবন লেকে মাছের পোনা অবমুক্ত করা হচ্ছে। এ রকম একটি উদ্যোগ নেওয়ার জন্য মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় এবং মৎস্য অধিদপ্তরকে আমি ধন্যবাদ জানাই।

    স্পিকার বলেন, বর্তমানে বাংলাদেশ মৎস্য উৎপাদনে বিশ্বে তৃতীয়। মৎস্য খাতের উন্নয়নে সকলকে সচেতনতা ও নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করতে হবে। এ সময় তিনি আশা প্রকাশ করে বলেন, ভবিষ্যতে বাংলাদেশ মৎস্য উৎপাদনে প্রথম অবস্থানে থাকবে।

    সংসদ সচিবালয়ের সচিব কে এম আব্দুস সালামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. মুহাম্মদ ইয়ামিন চৌধুরী বক্তব্য দেন। অনুষ্ঠানে জাতীয় সংসদের হুইপ ইকবালুর রহিম, সংসদ সচিবালয় ও মৎস্য অধিদপ্তরের কর্মকর্তা এবং অন্যান্য গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

    অনুষ্ঠান শেষে সংসদ ভবন লেকে মাছের পোনা অবমুক্ত করেন স্পিকার শিরীন শারমিন। এ সময় সংসদ ভবন লেকে রুই, কাতলা, মৃগেল, কালিবাউস-এই চার প্রজাতির ১৩ হাজার ১৫০টি মাছের পোনা অবমুক্ত করা হয়।

  • দেশে লিভার রোগীর সংখ্যা ক্রমাগত বাড়ছে: রাষ্ট্রপতি

    দেশে লিভার রোগীর সংখ্যা ক্রমাগত বাড়ছে: রাষ্ট্রপতি

    নিউজ ডেস্কঃ রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ বলেছেন, মানবদেহে লিভার একটি গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ। লিভারের রোগ ও প্রতিরোধ সম্পর্কে জনসাধারণের মধ্যে সঠিক ধারণা না থাকা এবং সময়মতো চিকিৎসা গ্রহণ না করায় দেশে এ রোগীর সংখ্যা ক্রমাগত বাড়ছে।

    বৃহস্পতিবার (২৮ জুলাই) ‘বিশ্ব হেপাটাইটিস দিবস-২০২২’ উপলক্ষে দেওয়া বাণীতে এসব কথা বলেন তিনি।

    বিশ্বের অন্যান্য দেশের ন্যায় বাংলাদেশেও দিবসটি পালনের উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে রাষ্ট্রপতি বলেন, এবার বিশ্ব হেপাটাইটিস দিবসের প্রতিপাদ্য ‘Hepatitis, Can’t Wait’ অর্থাৎ ‘হেপাটাইটিস, আর অপেক্ষা নয়’ অত্যন্ত সময়োপযোগী হয়েছে বলে আমি মনে করি।

    আবদুল হামিদ বলেন, লিভারের বিভিন্ন রোগের মধ্যে হেপাটাইটিস অন্যতম। অনিয়ন্ত্রিত জীবনযাপন, অনিরাপদ রক্ত সঞ্চালন ও মাদকাসক্তি হেপাটাইটিস বি ও সি ভাইরাস সংক্রমণের প্রধান কারণ। এসব ভাইরাসে আক্রান্তদের চিকিৎসা পদ্ধতি এখনও আবিষ্কার হয়নি।

    ‘শুধু সচেতনতার মাধ্যমে ভাইরাল হেপাটাইটিস বহুলাংশে প্রতিরোধ করা সম্ভব। তাই এসব রোগ সংক্রমণ প্রতিরোধে করণীয় সম্পর্কে জনসচেতনতা সৃষ্টিতে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণের জন্য আমি সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি।’

    ‘লিভারের বিভিন্ন রোগের চিকিৎসা ক্ষেত্রবিশেষে অত্যন্ত ব্যয়বহুল ও জটিল হয়ে থাকে। যুগের সঙ্গে তাল মিলিয়ে চিকিৎসাবিজ্ঞানের অন্যান্য শাখার মতো এসব রোগের আধুনিক ও উন্নত চিকিৎসা বিকাশ লাভ করছে। বাংলাদেশেও এখন লিভার প্রতিস্থাপনসহ লিভারের বিভিন্ন জটিল রোগের উন্নত চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।’

    ‘তবে ভাইরাল হেপাটাইটিস সংক্রমণ প্রতিরোধে সকলকে জীবনযাত্রার প্রতিটি ক্ষেত্রে যথাযথ সাবধানতা অবলম্বন করতে হবে। ২০৩০ সালের মধ্যে বিশ্বব্যাপী হেপাটাইটিস নির্মূলের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। আমি আশা করি, সরকারের পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট বেসরকারি প্রতিষ্ঠান ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনগুলোর সমন্বিত প্রচেষ্টায় এ লক্ষ্যমাত্রা অর্জন সম্ভব হবে।’

  • হেপাটাইটিস প্রতিরোধে ব্যাপক গণসচেতনতা বাড়াতে হবে

    হেপাটাইটিস প্রতিরোধে ব্যাপক গণসচেতনতা বাড়াতে হবে

    নিউজ ডেস্কঃ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, বিশ্বে হেপাটাইটিস ভাইরাস বহনকারী প্রতি ১০ জনের নয়জনই জানে না যে, সে ওই রোগে আক্রান্ত। ব্যাপক গণসচেতনতার মাধ্যমে জনগণকে এই বিষয়ে সচেতন করতে হবে।

    বৃহস্পতিবার (২৮ জুলাই) ‘বিশ্ব হেপাটাইটিস দিবস-২০২২’ উপলক্ষে দেওয়া বাণীতে এসব কথা বলেন তিনি।

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিশ্বের অন্যান্য দেশের ন্যায় বাংলাদেশেও দিবসটি পালিত হচ্ছে জেনে আমি আনন্দিত। ভাইরাল হেপাটাইটিস প্রতিরোধে দিবসটির এবারের প্রতিপাদ্য ‘Hepatitis, Can’t Wait’ অর্থাৎ ‘হেপাটাইটিস, আর অপেক্ষা নয়’ অত্যন্ত সময়োপযোগী হয়েছে বলে আমি মনে করি।

    শেখ হাসিনা বলেন, আওয়ামী লীগ ২০০৯ সালে সরকার পরিচালনার দায়িত্ব গ্রহণের পর স্বাস্থ্যখাতের উন্নয়নে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। আমরা একটি জনমুখী স্বাস্থ্যনীতি প্রণয়ন করেছি ও এই নীতির বাস্তবায়ন করছি। আমরা নতুন মেডিকেল কলেজ, ডেন্টাল কলেজ, নার্সিং কলেজ, নার্সি ইনস্টিটিউট, মেডিকেল অ্যাসিস্ট্যান্ট ট্রেনিং ইনস্টিটিউট ও হেলথ টেকনোলজি ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠা করেছি।

    তিনি আরও বলেন, সাধারণ ও বিশেষায়িত হাসপাতালের শয্যাসংখ্যা এবং চিকিৎসাসেবা বহুগুণ বৃদ্ধি করা হয়েছে। গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর স্বাস্থ্যসেবা প্রদানে সাড়ে ১৮ হাজার কমিউিনিটি ক্লিনিক ও ইউনিয়ন উপস্বাস্থ্য কেন্দ্র গড়ে তোলা হয়েছে। আমাদের নানামুখী পদক্ষেপে স্বাস্থ্যখাতে যথেষ্ট উন্নতি সাধিত হয়েছে। শিশু মৃত্যুহার উল্লেখযোগ্য হারে হ্রাস পেয়েছে, বেড়েছে দেশের মানুষের গড় আয়ু।

    ‘আমাদের চিকিৎসক সমাজকে আরও বেশি সেবার মনোভাব নিয়ে সাধারণ মানুষের সেবায় আত্মনিয়োগ করতে হবে। ২০৩০ সালের মধ্যে বিশ্বব্যাপী হেপাটাইটিস নির্মূলের লক্ষ্য স্থির করা হয়েছে, যা বাস্তবসম্মত এবং আমাদের সকলের প্রচেষ্টায় তা অর্জন করা সম্ভব। হেপাটাইটিস নির্ণয়ে এখনই পরীক্ষা করতে হবে।’

    ‘দেশে হেপাটাইটিস প্রতিরোধে সরকারের পাশাপাশি বেসরকারি ব্যক্তি, সংস্থা ও প্রতিষ্ঠানসহ সংশ্লিষ্ট সকলকে এগিয়ে আসতে হবে। আমি দেশবাসীকে আহ্বান জানাই, আপনারা এ মহামারি মোকাবিলায় স্বাস্থ্যবিধি মেনে হেপাটাইটিস প্রতিরোধে আরও সচেতন হোন। আমি বিশ্ব হেপাটাইটিস দিবস ২০২২- এর সার্বিক সাফল্য কামনা করছি।’