Category: লাইফস্টাইল

  • ইফতারে ঘরেই তৈরি করুন সুস্বাদু জিলাপি

    ইফতারে ঘরেই তৈরি করুন সুস্বাদু জিলাপি

    ইফতারে জিলাপি না হলে অসম্পূর্ণ লাগে যেন! প্রতিদিনের ইফতারে তাই জিলাপি থাকা চাই। কিন্তু বাইরে থেকে কেনা জিলাপি অস্বাস্থ্যকর হওয়ার ভয় থাকে। যা খেলে হতে পারে নানা অসুখ। তাই জিলাপি তৈরি করে নিন ঘরেই। রইলো রেসিপি-

    উপকরণ: ১ কাপ ময়দা, ২ টেবিল চামচ কর্ন ফ্লাওয়ার, ৩ চিমটি ইষ্ট, ২ চিমটি খাবারের রঙ, ১ চিমটি লবণ, কুসুম গরম পানি পরিমাণ মতো, ১ কাপ চিনি, পৌনে ১ কাপ পানি, ২ টি এলাচ, তেল ভাজার জন্য।

    পদ্ধতি: প্রথমে ১ টি বাটিতে ময়দা, কর্ণ ফ্লাওয়ার, ইষ্ট, খাবার রঙ ও লবণ ভালো করে মিশিয়ে এতে কুসুম গরম পানি অল্প করে মিশিয়ে খুব ঘনও নয় আবার পাতলাও নয় এমন ব্যাটার তৈরি করে নিন। ব্যাটার তৈরি করার সময় সর্তকতার সাথে অল্প করে পানি মেশাবেন, এতে আন্দাজ ঠিক থাকবে।

    Jilapi

    এরপর ব্যাটার আলাদা করে ঢেকে রেখে দিন আধা থেকে ১ ঘণ্টা। এই সময়ে একটি প্যানে চিনি, পানি ও এলাচ খুলে জ্বাল দিন। পানি ফুটে উঠার পর থেকে প্রায় ৪ মিনিটের মতো জ্বাল দিয়ে চিনির সিরা তৈরি করে রাখুন। এবারে বাজারে কিনতে পাওয়া রেস্টুরেন্টে ব্যবহৃত সসের বোতল বা ছোট মুখের কেচাপের বোতলে ব্যাটার ভরে নিন। যদি এগুলোর কোনটাই না থাকে তাহলে একটি প্ল্যাস্টিকের ব্যাগ নিয়ে ব্যাটার ভরে এর এক কোণে ছোট্ট ফুটো করে নিন। এতে জিলাপি বানাতে সুবিধা হবে।

    প্যানে ডুবো তেলে ভাজার জন্য তেল গরম করে নিন। গরম তেলে বোতল বা প্ল্যাস্টিকের প্যাকেটে রাখা ব্যাটার চিপে হাত ঘুরিয়ে জিলাপির প্যাঁচের মতো তৈরি করে জিলাপি ফেলুন। উল্টে-পাল্টে লালচে করে ভেজে সরাসরি সিরায় দিয়ে দিন। সিরাতে জিলাপি ডুবিয়ে রাখুন ২ মিনিট। ব্যস, এরপর সিরা থেকে তুলে পরিবেশন করুন ইফতারের টেবিলে।

  • পেটে ব্যথা হলে কী করবেন?

    পেটে ব্যথা হলে কী করবেন?

    পেটে ব্যথা এমনই এক অসুখ যা দেখা দিতে পারে একদম হুট করেই। ভালো মানুষটা কোনো কাজ করছেন কিংবা শুয়ে আছেন, হঠাৎই শুরু হলো পেটে ব্যথা! বেশিরভাগ সময়ে এই ব্যথা সহনীয় পর্যায়ে থাকলেও কখনো কখনো তা অসহ্যও হয়ে ওঠে। পেটে ব্যথার প্রতিকারের আগে এর কারণ জানা জরুরি। ব্যথার ধরন দেখে বুঝে নিন এই পেটে ব্যথার কারণ কী হতে পারে।

    পেটে ব্যথার কারণ
    নানা কারণেই হতে পারে পেটে ব্যথা। এক এক কারণে ব্যথা এক এক জায়গায় হয়। তাই কোন কারণে পেটে ব্যথার ধরন কেমন হয় তা জেনে নেয়া জরুরি-

    পেপটিক আলসার বা গ্যাসট্রিকের সমস্যায় পেটে ব্যথা হয়। সে ক্ষেত্রে এই ব্যথা পেটের উপরে মাঝখান দিয়ে শুরু হয়। পেটে কখনও চিনচিনে, কখনও জ্বালাপোড়ার মতো ব্যথা হয়। এর সঙ্গেই থাকে টক ঢেঁকুর, বমি ভাব। অনেক সময়ে খুব ঘাম হতে পারে।

    অগ্ন্যাশয়ের প্রদাহের জন্য ব্যথা হলে তা হবে পেটের উপরে খানিক বাঁ দিক ঘেঁষে। এই ব্যথা খুবই তীব্র হয় আর পিছন দিকেও অনুভূত হতে পারে। এর সঙ্গে বমি ভাবও থাকতে পারে।

    pet

    কিডনিতে পাথর বা কোনো সংক্রমণের কারণেও পেটে ব্যথা হয়। সেক্ষেত্রে ব্যথা হয় যে কিডনিতে ব্যথা হয়েছে সেই কিডনির দিকের পেটের উপরের অংশে আর পিছন দিকে। ব্যথাটা ক্রমেই নামে তলপেটের দিকে। এই ব্যথা খুবই তীব্র হয় আর মাঝে মাঝে ব্যথা ছাড়ে, আবার শুরু হয়। তার সঙ্গে বমি ভাব আর জ্বর আসতে পারে।

    পেটে খুব ব্যথা করে যদি অ্যাপেন্ডিসাইটিস হয়ে থাকে তাহলে। এ ক্ষেত্রে নাভির মাঝখান থেকে ব্যথা তলপেটের দিকে ছড়িয়ে পড়ে। সেখানে আপনি যদি হাত দিয়ে টেপেন তাহলে তীব্র চিনচিনে ব্যথা অনুভব করবেন।

    পিত্তথলিতে পাথর থাকলে বা প্রদাহ হলে পেটে ব্যথা শুরু হয়। এই ব্যথা পেটের ডান দিকে আর পিছন দিকে ছড়ায়। এর সঙ্গে প্রচণ্ড বমি ভাব হতে পারে। পেটে চিনচিন করে ব্যথা, সঙ্গে কাঁপুনি দিয়ে জ্বর, জণ্ডিস আর খাবারে অরুচি হল এই ক্ষেত্রে প্রধান উপসর্গ।

    মেয়েদের ক্ষেত্রে জরায়ু বা ডিম্বাশয়ের নানা সমস্যা থাকতে পারে। সে ক্ষেত্রেও কিন্তু খুবই পেটে ব্যথা করে। তখন তলপেটের ব্যথার সঙ্গে প্রস্রাবের জ্বালাপোড়া হতে পারে। সঙ্গে আসতে পারে হালকা জ্বর।

    যদি আপনার কোষ্ঠকাঠিন্য থাকে তাহলে তো পেট ব্যথার সম্ভাবনা খুবই বেশি। এক্ষেত্রে পেটজুড়েই ব্যথা আর পেট অনেকক্ষণ ভার ভার মনে হয়। কিছু করেই শান্তি মেলে না।

    pet

    যদি কোনোভাবে ফুড পয়জনিং, বা বদহজম হয়, তার থেকেও পেট ব্যথা হওয়া স্বাভাবিক। আর সাধারণ আমাশয় হলে তো তলপেটে নাভির কাছে তীব্র চিনচিনে ব্যথার কথা আমরা সবাই জানি।

    অন্ত্রে ক্যানসার হলেও খুবই পেটে ব্যথা হয়। এর সঙ্গে ওজন হ্রাস, রক্তশূন্যতা, দুর্বলতা তো থাকেই। আপনি খুব ঘেমে যেতে পারেন।

    কী করবেন
    যদি আপনি বোঝেন যে আপনার ব্যথাটি গ্যাসের ব্যথা তাহলে কিন্তু আপনি গ্যাসের ওষুধ খেতে পারেন। আপনার ডাক্তারের সঙ্গে কথা বলে গ্যাসের ব্যথা কমানোর ওষুধ এনে রাখতে পারেন। সেটি খেয়ে নিন খুব ব্যথা হলে। এছাড়া কোনো ভালো সিরাপ খেতে পারেন। এগুলো করলে গ্যাসট্রিকের ব্যথা খানিক কমতে পারে।

    যদি আমাশয় থেকে ব্যথা হয় সে ক্ষেত্রেও আপনি ওষুধ খেয়ে নিতে পারেন। আর সঙ্গে অল্প অল্প করে লবণ-চিনির পানি খেতে পারেন। কোষ্ঠকাঠিন্য হলে কোনো ভালো সিরাপ খান। ইসবগুল নিয়মিত খেলে কোষ্ঠকাঠিন্য হবে না খুব একটা। তাই পেট ব্যথাও আর হবে না।

    পেটে ব্যথার কারণ যদি সাধারণ গ্যাস্ট্রিক না হয় তবে ডাক্তারের সঙ্গে কথা বলে ওষুধ খান। আর নিয়মিত চিকিৎসার মধ্যে থাকা খুব দরকার। যদি পেট ব্যথার সঙ্গে বমি, জ্বর আসে তাহলে তা চিন্তার। না হলে সাধারণ চিকিৎসাই যথেষ্ট। তবে তাও চিকিৎসকের পরামর্শ মেনেই।

    পেটে ব্যথা হলে উপশমের জন্য অল্প অল্প করে গরম পানি খেতে পারেন। হট ব্যাগ গরম করে পেটের উপর দিয়ে রাখতে পারেন। এতেও উপকার হয়।

    পেটের ব্যথা কমাতে হলে সবার আগে ঝাল ও মসলাদার খাবার খাওয়া কমান। নিয়মিত শরীরচর্চা করুন আর ওজন ঠিক রাখুন। ব্যথা এমনিতেই অনেক কম হবে।

  • কিডনি সুস্থ রাখতে যা খাবেন, যা খাবেন না

    কিডনি সুস্থ রাখতে যা খাবেন, যা খাবেন না

    কিডনি সুস্থ রাখার সবচেয়ে ভালো উপায় হলো সঠিক খাদ্যাভ্যাস। আমাদের না জানার কারণে প্রতিদিনের খাবারের তালিকায় থেকে যায় কিডনির জন্য ক্ষতিকর কিছু খাবার। আবার এমন অনেক খাবার বাদ পড়ে যায়, যা খেলে কিডনি সুস্থ থাকে। তাই কিডনি সুস্থ রাখতে খাবার তালিকায় পরিবর্তন আনা জরুরি। চলুন জেনে নেয়া যাক কিডনি সুস্থ রাখতে কী খাবেন এবং কী খাবেন না-

    যা খাবেন
    পানি
    কিডনিকে ভালো রাখতে খুব প্রয়োজন পানির। শরীর অনুযায়ী পানি কতটা প্রয়োজন, তার পরামর্শ নিন চিকিৎসকের কাছে। সেই অনুযায়ী পানি খান রোজ। প্রতি দিন পর্যাপ্ত পানি না খেলে কিডনির উপর চাপ পড়ে এবং কিডনি তার সাধারণ কার্যক্ষমতা হারিয়ে ফেলে। শীতকালেও পানি খাওয়ার পরিমাণ কমাবেন না। তেষ্টা না পেলেও সময়মতো পানি খাওয়ার অভ্যাস করুন।

    দারুচিনি
    রক্তে শর্করার মাত্রা যাতে কোনোভাবে বৃদ্ধি না পায় সেদিকে খেয়াল রাখে এই প্রকৃতিক উপাদানটি। সেই সঙ্গে কিডনি ফাংশনারেও উন্নতি ঘটায়।

    চেরি
    এই ফলটিতে উপস্থিত ভিটামিন সি, ভিটামিন কে, ফলেট, ভিটামিন বি৬ ও ম্যাগনেসিয়াম শরীরে প্রবেশ করার পর কিডনি ফাংশানের মারাত্মক উন্নতি ঘটায়। ফলে স্বাভাবিক ভাবেই রক্তে ইউরিক অ্যাসিডের মাত্রা কমাতে শুরু করে। আর যত ইউরিক অ্যাসিডের মাত্রা কমে, তত অর্থ্রাটিসের মতো রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কাও হ্রাস পায়।

    Khabar

    ক্যানবেরি
    চেরির মতো এই ফলটিতেও রয়েছে প্রচুর মাত্রায় ভিটামিন সি ও ম্যাগনেসিয়াম। আর যেমনটা ইতিমধ্যেই জেনে ফেলেছেন যে এই দুটি উপাদান কিডনির ক্ষমতা বাড়াতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে।

    অলিভ অয়েল
    সম্প্রতি প্রকাশিত একটি গবেষণা পত্র অনুসারে এই তেলটির অন্দরে উপস্থিত নানাবিধ আনস্যাচুরেটেড ফ্যাট ও ওমেগা থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিড কিডনি ফাংশনের উন্নতি ঘটাতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে।

    পেঁয়াজ ও রসুন
    কিডনির ক্ষমতা বাড়াতে এই দুটি সবজি বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। আসলে পিঁয়াজ এবং রসুনের মধ্যে কুয়েরসেটিন নামক একটি উপাদান থাকে, যা কিডনিকে নানাবিধ ক্ষতিকর উপাদানের হাত থেকে রক্ষা করে।

    বাদাম
    কিডনি স্টোনের আশঙ্কা কমানোর পাশাপাশি শরীরের এই গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গটির কর্মক্ষমতা বাড়াতেও সাহায্য করে বাদামজাতীয় খাবার। বিশেষত কিডনি বিনস বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে।

    Khabar

    যা খাবেন না

    পেইন কিলার
    সামান্য ব্যথা হলেই পেইন কিলার খাওয়ার অভ্যাস থাকলে আজই তা ত্যাগ করুন। কিডনির কোষের অতিরিক্ত ক্ষতি করে পেইন কিলার। ব্যথা একান্ত অসহ্য হলে তবেই পেইন কিলার খান।

    অতিরিক্ত লবণ
    খাওয়ার পাতে অতিরিক্ত লবণ খাওয়ার অভ্যাস থাকলে আজই বাদ দিন। কিডনি অতিরিক্ত সোডিয়াম শরীর থেকে বের করতে পারে না। ফলে বাড়তি লবণের সোডিয়ামটুকু রয়ে যায় কিডনিতেই। এতে ক্ষতিগ্রস্থ হয় কিডনি।

    মাংস
    মাংসের বদলে পাতে রাখুন মাছ আর শাক-সবজির পরিমাণ। চর্বি কিডনির জন্য খুব ক্ষতিকারক। মাংসের ফাইবারও পরিমাণে বেশি হলে তা কিডনির উপর চাপ ফেলে। তাই ঘন ঘন মাংস খাওয়ার প্রবণতা থাকলে তা কমান, খেলেও অল্প পরিমাণ খান।

    মদ
    মদ্যপান লিভারের ক্ষতি করে একথা আমরা সকলেই জানি। তাই মদ্যপান এড়িয়ে চলা আবশ্যক।

  • বিকেলের নাস্তায় সবজি পাকোড়া খেতে চাইলে

    বিকেলের নাস্তায় সবজি পাকোড়া খেতে চাইলে

    বিভিন্নরকম সবজি দিয়ে খুব সহজেই তৈরি করা যায় সবজি পাকোড়া। সব বয়সীর কাছেই এটি পছন্দের একটি খাবার। বিকেলের নাস্তায় একটু ভাজাপোড়া ধরনের খাবার খেতে চাইলে তৈরি করতে পারেন সবজি পাকোড়া। রইলো রেসিপি-

    উপকরণ
    ময়দা ৩ কাপ
    কর্ণফ্লাওয়ার ২ চা চামচ
    বেকিং পাউডার ১ চা চামচ
    নুডলস ১ কাপ
    ডিম ১ টি
    গাজর কুচি ১ কাপ
    আলু কুচি ১ কাপ
    সিম কুচি ১ কাপ
    পেঁয়াজ কুচি ১ কাপ
    বাঁধাকপি ১ কাপ
    মরিচ কুচি ৭-৮ টি
    গোলমরিচ গুঁড়া ১/২ চা চামচ (ঝাল খেলে মরিচ গুঁড়া ১ চা চামচ)
    লবণ পরিমাণমতো
    তেল ভাজার জন্য।

    Pakora

    প্রণালি: প্রথমে নুডলস সিদ্ধ করে পানি ঝরিয়ে নিতে হবে। গাজর, আলু, বাঁধাকপি, সিম সেদ্ধ করে নিয়ে পেঁয়াজ, মরিচ, ডিম, কর্নফ্লাওয়ার, ময়দা ও লবণ দিয়ে সামান্য পানিসহ মেখে নিতে হবে।

    এরপর হাত দিয়ে ছোট ছোট পাকোড়া বানিয়ে ডুবো তেলে ভালোভাবে লাল করে ভেজে তুলে নিতে হবে। এরপর সস দিয়ে গরম গরম পরিবেশন করুন মচমচে মিক্সড সবজি পাকোড়া।

  • জেনে নিন বাসি রুটির উপকারিতা

    জেনে নিন বাসি রুটির উপকারিতা

    বাসি খাবার খেলে শরীরে নানা অসুখ বাসা বাঁধতে পারে, এমনটাই ধারণা সবার। এটি অনেকক্ষেত্রে ঠিকও। তাইতো কোনোরকম বাসি খাবার জমলে আমরা ফেলে দেই। এমনকি ফ্রিজে রেখে দিনের পর দিন একই খাবার খেলে তাও অসুখের কারণ হতে পারে। কিন্তু মজার ব্যাপার হলো, এতকিছুর ভিড়ে বাসি রুটি খেলে তো আপনার অপকার হবেই না বরং মিলবে উপকার!

    রাতে রুটি খাওয়ার অভ্যাস আছে অনেক বাসায়ই। আর হিসেবমতো গুনেগুনে রুটি কে-ইবা তৈরি করতে পারে! দু-একটা কম-বেশি তো হয়ই। আর তাতেই অতিরিক্ত খাবারটুকু রয়ে যায়। বেশিরভাগ সময়েই আমরা বাসি রুটি ফেলে দেই। কিন্তু নিচের উপকারিতগুলো জানলে আর ফেলবেন না-

    শক্তি জোগায়
    সকালে একটু আগেভাগে বাসা থেকে বের হতে হলে কিছুই মুখে না দিয়ে বের হয়ে পড়েন অনেকেই। খাবার তৈরি করার সময় না থাকলে দেখুন আগের রাতের রুটি রয়ে গেছে কিনা। থাকলে সেই রুটি নিয়ে এক গ্লাস দুধ দিয়ে খেয়ে নিন। দেখবেন এতে পেট ভর্তিও থাকবে, আবার আপনি অনেক ক্ষণ ধরে এনার্জিও পাবেন।

    Ruti-2

    হজমশক্তি বাড়ায়
    প্রতিদিন নানা ধরনের খাবার খাওয়ার কারণে হজমে সমস্যা লেগেই থাকে আমাদের। বাসি রুটি খেলে এই হজমের সমস্যার সমাধান হয়। কারণ রুটিতে থাকা ফাইবার সময়ের সঙ্গে সঙ্গে আরও শক্তিশালী হয়। তাই এবার থেকে বাসি রুটি না ফেলে সকালে খেয়ে নিন।

    রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ
    বাসি রুটি আমাদের রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণের ক্ষেত্রে খুবই উপকারী। ঠান্ডা দুধ দিয়ে বাসি রুটি খেলে শরীরের সোডিয়াম বা লবণের পরিমাণ নিয়ন্ত্রণে থাকে। আর তাই রক্তচাপও ঠিক থাকে।

    সৌন্দর্য বৃদ্ধি
    বাসি রুটি আমাদের ত্বকের সৌন্দর্য বাড়াতে পারে। কারণ বাসি রুটির মধ্যে থাকা জিঙ্ক শরীরের থেকে টক্সিন দূর করে। সেইসঙ্গে কোলাজেনের উৎপাদন বাড়তে থাকে। তাই ত্বকও হয়ে ওঠে সুন্দর।

    ওজন কমায়
    বাসি রুটির মধ্যে থাকা ফাইবার অনেকক্ষণ পেট ভরিয়ে রাখে। ফলে আমাদের ক্ষুধা কম পায়। আর ক্ষুধা কম পায় বলে আমরা কম খাই আর আমাদের শরীরের ওজন আর বাড়ে না। তাই ওজন কমাতে চাইলে বাসি রুটি খান।

    হার্ট অ্যাটাকের আশঙ্কা কমায়
    বাসি রুটির ফাইবার হার্টের কর্মক্ষমতা বাড়িয়ে দেয়। এছাড়া কারডিওভাসকুলার নানা রোগও কম হয়। তাই সার্বিকভাবে হার্ট ভালো থাকে।

    Ruti-3

    অ্যাজমার প্রকোপ কমায়
    বাসি রুটির মধ্যে থাকা ম্যাগনেশিয়াম আর ভিটামিন ই অ্যাজমার মতো রোগের প্রকোপ অনেক কমায়। অ্যাজমার সমস্যা থাকলে তাই বাসি রুটি খেয়ে দেখতে পারেন।

    শরীর শীতল রাখে
    গরমে আপনার শরীর ভিতর থেকে ঠান্ডা রাখতে আপনি বাসি রুটিকে সঙ্গী করতেই পারেন। দেখা গেছে, বাসি রুটি সুন্দরভাবে আমাদের শরীর ঠান্ডা রাখে।

  • খাবার খাওয়ার আগে বা পরে পানি খেলে কী হয়?

    খাবার খাওয়ার আগে বা পরে পানি খেলে কী হয়?

    কেউ বলে, খাবার খাওয়ার আগে পানি খাওয়া ঠিক নয়; কেউ বলে খাওয়ার পরে পানি খাওয়া ঠিক নয়। কেউ বলেন, খাবার খাওয়ার অন্তত আধঘণ্টা আগে পানি খাওয়া উচিত; কেউবা বলে, খাবার খাওয়ার পর পানি খাওয়ার জন্য ঘণ্টাখানেক অপেক্ষা করা উচিত। এতসব কথার ভিড়ে কখন পানি খাবো- এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজে দিশেহারা হওয়াটাই স্বাভাবিক।

    পানি কখন খাবেন?

    আমরা খাবার তখনই খাই, যখন আমাদের ক্ষুধা লাগে। তেমনই পানিও তখন খাওয়া উচিত যখন আমরা তৃষ্ণার্ত হই। তবে এক্ষেত্রে আমাদের কয়েকটি বিষয়ে অবশ্যই নজর দিতে হবে।

    Pani-2

    খাবার খাওয়ার আগে পানি?

    খাবার খাওয়ার আগে পানি খাওয়াটা শরীরের জন্য ক্ষতিকর। খাবার খাওয়ার ঘণ্টাখানেক আগে পানি খেলে তা আমাদের হজম ক্ষমতা কমিয়ে দেয়। পানি যেহেতু ঠান্ডা, তাই তা পাচ্য রসকে কাজ করতে বাঁধা দেয়। পাচ্য রসের উৎসেচনে ঘাটতি তৈরি হয়। আর এটা খাদ্য পরিপাকতন্ত্রের বিপরীত। তাই খাবার খাওয়ার ঘণ্টাখানেক আগে পানি খাওয়া ঠিক নয়।

    খাবার খাওয়ার ঠিক পরে?

    খাবার খাওয়ার পর আমাদের পাকস্থলীতে পরিপাকের কাজ চলে। আর পরিপাকের জন্য পরিপাক রসের দরকার। নানা রকম এনজাইম যখন এই কাজটি করে তখন যদি পাকস্থলীতে পানি যায়, তাহলে যথেষ্ট পরিমাণে এনজাইম ক্ষরণ বন্ধ হয়ে যায়। ফলে খাবার হজম হতে সমস্যা হয়। তাই খাবার খাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই পানি খাওয়া ঠিক নয়।

    Pani-3

    খাবার খাওয়ার সময়ে পানি খাওয়া যাবে কি?

    খাবার খাওয়ার সময়ে আপনি পানি খেতে পারেন। এতে বরং উপকারই হবে। খাবার খাওয়ার সময় পানি খেলে খাবারের কণা নরম হয়ে যায়। ফলে খাবার খুব সহজেই ভেঙে যায়। আর তাই খুব সহজেই খাবার পরিপাক হয়ে যায়, হজম হতে সুবিধা হয়। আমরা যখন মশলাদার কিছু খাই তখন আমাদের আরও বেশি করে তৃষ্ণা লাগে। তখন পানি খেলে ক্ষতির ভয় নেই। পানি খেতে বলা হচ্ছে মানে এই নয় যে একসঙ্গে একগ্লাস খেয়ে নিলেন। পানি খেতে হবে সামান্য পরিমাণ, অনেকটা গলা ভেজানোর মতো।

    Pani-4

    খাবার খাওয়ার সময় বেশি পানি খেলে তাহলে পাকস্থলী পানি দিয়েই ভরে যাবে। খাবারের জন্য সেখানে আর জায়গা থাকবে না। তাই আপনার যথেষ্ট পরিমাণ খাবার খাওয়া হবে না। এটা স্বাস্থ্যের পক্ষে খুবই ক্ষতিকারক।

    আপনি যদি মশলাদার খাবার খাওয়ার সঙ্গেসঙ্গে অনেক পানি খান, তাহলে সেই পানিতে তেল ভাসতে থাকে যা গ্যাস্ট্রিকের জন্য দায়ী। তাই পানি খেতে হবে পরিমিত।

    পানি যেন সাধারণ তাপমাত্রার হয়। খাবার খাওয়ার সময় খুব ঠান্ডা পানি খাওয়া একদমই ঠিক নয়।

  • বৃষ্টিতে স্মার্টফোন ভিজে গেছে? জেনে নিন কী করবেন

    বৃষ্টিতে স্মার্টফোন ভিজে গেছে? জেনে নিন কী করবেন

    অসাবধানতার জন্য বৃষ্টি আপনার প্রিয় স্মার্টফোনটি ভিজে যেতেই পারে। এ নিয়ে খুব চিন্তার কিছু নেই। কারণ আপনার জন্যই রয়েছে দারুণ কিছু টিপস-

    ১. স্মার্টফোন বৃষ্টির পানিতে ভিজে গেলে প্রথমে পরিষ্কার করে মুছে ফেলুন ৷ যত বেশি তরল পদার্থ থাকবে ততো তাড়াতাড়ি ফোনের বিভিন্ন পার্টস খারাপ হওয়ার সম্ভাবনা থাকবে ৷

    ২. স্মার্টফোন স্টার্ট করার আগে ভালো করে মুছে নিন ৷ ফোনের ভিতরের সব কিছু, অর্থাৎ ব্যাটারি, সিম কার্ড, মেমরি কার্ড খুলে ফেলুন।

    ৩. ফোনের খোলা অংশগুলো একটি শুকনো কাপড়ে মুছে কাপড়টি দিয়ে মুড়ে রেখে দিন। ফোনের ভিতরের অংশ পাতলা কাপড় দিয়ে ভালো করে মুছে ফেলুন ৷

    ৪. সিম কার্ডও বের করে রাখুন ৷ এরপর ফোনের ভিতর ভালো করে মুছে ফেলুন ৷ তারপর সিম কার্ড ইনসার্ট করুন৷

    ৫. ফোনে স্ক্রিন গার্ড লাগানো থাকলে সেটাও খুলে রাখুন ৷

    ৬. ভুল করেও ফোনে হেয়ার ড্রাইয়ারের প্রয়োগ করবেন না ৷ হেয়ার ড্রাইয়ারের গরম হাওয়ায় ভিতরের পার্টসগুলো গলে যেতে পারে ৷

    ৭. সম্ভব হলে স্মার্টফোনটি কিছু সময় হালকা রোদে শুকিয়ে নিন।

  • আপডেটের পরে স্লো হয়ে যাচ্ছে উইন্ডোজ টেন

    আপডেটের পরে স্লো হয়ে যাচ্ছে উইন্ডোজ টেন

    সম্প্রতি উইন্ডোজ টেন অপারেটিং সিস্টেমে নতুন আপডেট পাঠিয়েছে মাইক্রোসফট। এরপর থেকেই বিশ্বব্যাপী উইন্ডোজ টেন গ্রাহকের কম্পিউটার স্লো হয়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠতে শুরু করে।

    এবার খবরের সস্ত্যতা স্বীকার করল মাইক্রোসফট। আপডেটের পরে যে সব গ্রাহকের কম্পিউটার স্লো হয়েছে সেই গ্রাহকদের আপডেট আনইন্সটল করে দেওয়ার পরামর্শ দিয়েছে এই কোম্পানি।

    ১ মার্চ KB4482887 নামের উইন্ডোজ টেন আপডেট পাঠাতে শুরু করে মাইক্রোসফট। এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, KB4482887 আপডেট ইন্সটলের পরে কিছু গ্রাহক গ্রাফিক্স ও মাউস পারফরমেন্সে ঘাটতি চোখে পরেছে। বিশেষ করে Destiny 2 গেম খেলার সময় এই সমস্যা দেখা যাচ্ছে। শিগগিরই নতুন আপডেটের মাধ্যমে এই সমস্যার সমাধান করা হবে। আপাতত KB4482887 আপডেট আনইন্সটল করতে পারেন গ্রাহকরা।

    এদিকে সোশ্যাল মিডিয়াল একাধিক গ্রাহক অভিযোগ করেছেন, Destiny 2 গেম খেলার সময় এই গেম ক্র্যাশ করে যাচ্ছে। এছাড়াও প্রসেসর ১০০ শতাংশ ব্যস্ত হচ্ছে। মাউস ইনপুটেও দেরি চোখে পরছে।

  • কুকুরে কামড়ালে কী করবেন?

    কুকুরে কামড়ালে কী করবেন?

    কেউ কুকুর ভালোবেসে বাড়িতেই পোষেন, কেউবা কুকুর থেকে একশ’ হাত দূরে থাকেন। কুকুরের প্রতি ভালোবাসা কিংবা ভয়, যেটিই থাক না কেন, এর কামড় কিন্তু ভয়েরই কারণ। তাই কুকুরের কামড়ের হাত থেকে নিজেকে বাঁচাতে ও কামড়ানোর পরেও বিষ নষ্ট করতে কিছু পদক্ষেপ করতেই হয়।

    জলাতঙ্ক রোগের ভয় ছাড়াও এই কামড়ে যে প্রদাহ তৈরি হয়, তাতে অন্য সংক্রমণও খুব তাড়াতাড়ি ছড়িয়ে পড়ে। তাই বাড়তি সতর্কতা নিতেই হয়। এছাড়া কুকুরের কামড় খুব যন্ত্রণাদায়কও।

    সময় মতো চিকিৎসা না হলে কিন্তু জলাতঙ্ক যেমন প্রাণ কেড়ে নিতে পারে, তেমনই প্রদাহের জায়গায় সংক্রমণ ছড়িয়ে সমস্যাকে আরও জটিল করে তুলতে পারে। কুকুরে কামড়ালে কেবল র্যাবিস ভাইরাসের ইঞ্জেকশন নিলেই কিন্তু দায়িত্ব শেষ হয়ে যায় না। রয়েছে আরও কিছু করণীয়-

    Kukur

    কুকুরে কামড়ালে প্রথমেই ক্ষতস্থান চেপে ধরুন। রক্ত যত তাড়াতাড়ি বন্ধ করা যাবে, ততই ভালো। তবে রক্ত বন্ধ করতে কোনোরকম কেমিক্যাল যোগ করবেন না প্রথমে।

    ক্ষতস্থান পরিষ্কার করতে কোনোরকম সুগন্ধি সাবান ব্যবহার চলবে না। পারলে পরিষ্কার কোনো কাপড় দিয়ে ক্ষতস্থান পরিষ্কার করুন, একান্তই তা হাতের কাছে না থাকলে কোনো অ্যান্টিবায়োটিক লোশন দিয়ে পরিষ্কার করুন। এই সময় ক্ষতস্থান বেশি ঘষবেন না। যতটুকু না করলে বিষ যায় না। ততটুকুই ঘষুন।

    এবার অ্যান্টিব্যাকটিরিয়াল কোনো লোশন বা অ্যান্টিবায়োটিক অয়েনমেন্ট লাগিয়ে পরিষ্কার গজ কাপড় দিয়ে বেঁধে দিন জায়গাটা।

    Kukur-2.jpg

    এরপরই শুরু আসল চিকিৎসা। কোনোভাবেই দেরি করা যাবে না। দ্রুত নিকটবর্তী হাসপাতাল বা চিকিৎসকের কাছে যান। র্যাবিস ভাইরাসের হানা ঠেকাতে দরকারি ইঞ্জেকশনের পাশাপাশি টিটেনাস ইঞ্জেকশনও নিতে হতে পারে। কুকুরে কামড়ানোর ২৪ ঘণ্টার মধ্যে এই দুটি ইঞ্জেকশনই নিয়ে ফেলতে হবে। র্যাবিসের একটি নির্দিষ্ট কোর্স আছে। তার প্রথমটি যেন ২৪ ঘণ্টার মধ্যে নেওয়া হয়ে যায়। এবার কোর্স অনুযায়ী নিয়ম মেনে নিতে হবে ইঞ্জেকশন।

    প্রয়োজনীয় ওষুধ ও পথ্যের পাশাপাশি অবশ্যই প্রতি দিন কামড়ের ক্ষতস্থান পরিষ্কার করতে হবে। ধুলোবালি লাগানো যাবে না ওখানে। যতদিন না প্রদাহ শুকিয়ে আসে, ততদিন এই নিয়ম মেনে চলতে হবে।

    খেয়াল রাখুন কুকুরটির দিকেও। কামড়ানোর কয়েকদিনের মধ্যেই কোনো অসুখে মারা গেলে বাড়তি সচেতনতা দরকার হয়। তেমন হলে সেই তথ্য অবশ্যই জানান আপনার চিকিৎসককে।

  • ব্যায়াম ছাড়াই মেদ কমাতে যা খাবেন

    ব্যায়াম ছাড়াই মেদ কমাতে যা খাবেন

    পেটে মেদ বা চর্বি হলে চলা-ফেরায় যেমন কষ্ট হয়, তেমনি নষ্ট হয় সৌন্দর্যও। অনেকে আছেন খুব বেশি মোটা না কিন্তু পেটে অনেক মেদ কিংবা দেহের কিছু কিছু স্থানে মেদ জমায় খুবই অস্বস্তি বোধ করেন। কোনো ভালো পোশাক পড়লেও ভালো লাগে না। ফলে মেদ কমাতে কতই না চেষ্টা করি আমরা। জিম, যোগব্যায়াম, ডায়েটিং, ক্ষতিকারক পানীয় বাদ দেওয়াসহ সব চেষ্টাই চলে। তবে এত কষ্ট না করেই ঘরোয়া উপায়েই এই মেদ সমস্যার সমাধান সম্ভব। সেক্ষেত্রে রান্নায় ব্যবহৃত মেথি সহজেই শরীরের অতিরিক্ত মেদ কমিয়ে সুন্দর একটা আকার দেয়।

    কিন্তু মেথিকে ঠিক কী উপায়ে ব্যবহার করলে শরীরের অতিরিক্ত মেদ ঝরে ব্যক্তিকে সুন্দর করে তুলবে সেটা জানা জরুরি। পাঠকদের জন্য তা তুলে ধরা হলো :

    মেথি চা : চা তো প্রতিদিনই খাওয়া হয়। তবে এবার সেই চায়েই যোগ করুন কয়েকটা মেথির বীজ। হজমশক্তি তো বাড়বেই, সঙ্গে রক্তচাপও নিয়ন্ত্রণ হবে। তবে স্বাদ পেতে চায়ে এলাচ বা আদা দেওয়া যেতে পারে। এটা বানাতে মেথিবীজ বাড়িতেই বেঁটে নিতে হবে। এ বার পানি ফুটিয়ে তাতে সেই পেস্ট মেশাতে হবে। এবার এতে চা যোগ করে কিছুক্ষণ ফুটিয়ে নিতে হবে। এরপর খালি পেটে এমন চা খেলে মেদ ঝরবে খুব সহজেই।

    মেথি-পানি : পুরনো আমলের মানুষরা পেট গরম হলেই মেথির পানি খাওয়ার পরামর্শ দিতেন। পেট ঠান্ডা করার পাশাপাশি এটি কিন্তু খিদেও কমায়। খাওয়ার ইচ্ছা কমে যায় বলে স্বাভাবিকভাবেই ওজন নিয়ন্ত্রণে কার্যকর ভূমিকা পালন করে এই পানীয়। এক কাপ মেথি সারা রাত পানিতে ভিজিয়ে রেখে তা সকালে ছেঁকে নিয়ে খেতে হবে।

    অঙ্কুরিত মেথি: ভিটামিন ও নানা খনিজে পূর্ণ মেথিবীজ আরও এক উপায়ে খাওয়া যেতে পারে। যদিও তা একটু সময়সাপেক্ষ। একটা পাত্রে মেথিবীজ নিয়ে তার উপর একটা ভিজে কাপড় ঢাকা দিয়ে রাখুন। মাঝে মাঝেই কাপড়টিতে পানি দিন। দিন তিনেক পর মেথি বীজের অঙ্কুরোদ্গম হবে। এই অঙ্কুরিত মেথি খেলে তা খুব সহজেই কমিয়ে দেবে শরীরের মেদ।

    মেথি গুঁড়ো : মেথিতে রয়েছে উচ্চ মাত্রায় ক্যারোটিনয়েড, যা দ্রুত ওজন কমাতে সক্ষম। বাজারে মেথি গুঁড়োর উপর ভরসা না করে, বাড়িতেই শুকনো খোলায় মেথি ভেজে গুঁড়িয়ে নিন। এরপর তা গরম পানিতে মিশিয়ে খেয়ে ফেলুন। এই পানিতে লেবু ও মধুও মেশানো যেতে পারে। মেথিগুঁড়ো ব্যবহার করতে পারেন তরকারিতেও। এতে সহজেই কমবে পেটের মেদ।