Category: সিলেট

  • নিজ কেন্দ্রে হারলেন কামরান

    নিজ কেন্দ্রে হারলেন কামরান

    সিলেট সিটি করপোরেশন নির্বাচনে নিজের কেন্দ্রেও হেরেছেন আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী বদরউদ্দিন আহমদ কামরান। ১৩০ ভোটে বিএনপির প্রার্থী আরিফুল হক চৌধুরীর কাছে হেরেছেন তিনি।

    সিলেট সিটির ১৪ নম্বর ওয়ার্ডের সিলেট সরকারি পাইলট উচ্চবিদ্যালয় কেন্দ্রের ভোটার ছিলেন কামরান। দিনভর ভোটগ্রহণ শেষে সোমবার (৩০ জুলাই) সন্ধ্যায় বেসরকারিভাবে ঘোষিত ফলাফলে এ তথ্য জানা যায়।

    ফলাফল অনুযায়ী, সরকারি পাইলট উচ্চবিদ্যালয় কেন্দ্রে ধানের শীষ প্রতীকে আরিফুল হক চৌধুরী ভোট পেয়েছেন ৭৭৬টি, নৌকা প্রতীকে কামরান  ৬৪৬ ভোট পেয়েছেন। নাগরিক ফোরামের প্রার্থী এহসানুল মাহবুব জুবায়ের পেয়েছেন ২৬ ভোট।

    এদিকে সর্বশেষ ফলাফলে মেয়র পদে বিএনপি মনোনিত প্রার্থী আরিফুল হক চৌধুরীর জয় প্রায় ‘নিশ্চিত’।

    সর্বশেষ প্রাপ্ত ফলাফল অনুযায়ী ১৩৪টি কেন্দ্রের মধ্যে ১৩২টি কেন্দ্রে তিনি ৯০ হাজার ৪৬৯ ভোট পেয়েছেন। অন্যদিকে আওয়ামী লীগ মনোনীত মেয়র প্রার্থী বদর উদ্দিন কামরান পেয়েছেন ৮৫ হাজার ৮৭০ ভোট। ফলে ১৩২টি কেন্দ্রে প্রায় সড়ে চার হাজার ভোটের ব্যবধানে এগিয়ে আছেন আরিফ।

    উল্লেখ্য, সিলেট সিটি করপোরেশনের ৯টি সংরক্ষিত নারী ও ২৭টি সাধারণ ওয়ার্ডে মোট ভোটার ৩ লাখ ২১ হাজার ৭৩২ জন। এর মধ্যে ১ লাখ ৭১ হাজার ৪৪৪ জন পুরুষ এবং ১ লাখ ৫০ হাজার ২৮৮ জন নারী ভোটার।

  • ‘কুল্লু খালাস’ বলে মাঠ ছেড়ে সেলিম কোথায়

    ‘কুল্লু খালাস’ বলে মাঠ ছেড়ে সেলিম কোথায়

    বদরুজ্জামান সেলিম। সিলেট মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক। দলের সিদ্ধান্ত উপেক্ষা করে হয়েছিলেন মেয়র প্রার্থী। দল থেকে বহিষ্কার হয়ে এর খেসারত দেন তিনি। কিন্তু দমে যাননি সেলিম। তাঁর প্রতীকের পোস্টারে-ব্যানারে ছেয়ে গিয়েছিল নগরের অলিগলি। নগর বিএনপির একাংশ নিয়ে চষে বেরিয়েছেন পাড়া-মহল্লা, ভোট চেয়েছেন মানুষের দ্বারে দ্বারে। এতে নগর বিএনপির পাশাপাশি চিন্তিত হয়ে পড়েন বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতারা। শেষ পর্যন্ত দলের চাপে পিছু হটেন সেলিম। ১৯ জুলাই বিএনপির মেয়র পদপ্রার্থী আরিফুল হক চৌধুরীর বাড়িতে সংবাদ সম্মেলন করে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দেন; বলেন, ‘কুল্লু খালাস’। সেই দিন থেকেই নির্বাচনী মাঠ থেকে উধাও সেলিম। নেতাকর্মীরা মনে করেছিল, নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর পর বিএনপির প্রার্থী আরিফুলের পক্ষে গণসংযোগসহ মিটিং-মিছিলে সেলিম অংশ নেবেন। কিন্তু তাঁকে না পেয়ে নেতাকর্মীরা হতাশ। সেলিমের অবস্থান তাঁর পরিবার বা দল কেউই স্পষ্ট করে বলছে না।

    বিএনপির দাবি, প্রশাসনের গ্রেপ্তারের ভয়ে সেলিম আত্মগোপনে রয়েছেন, সুযোগ বুঝে মাঠে নামবেন। সিলেট জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আলী আহমদ কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘তিনি একটু অসুস্থ হয়ে চিকিৎসাধীন আছেন, সুস্থ হলেই তিনি আমাদের প্রার্থীর পক্ষে মাঠে নামবেন। কিন্তু কোন হাসপাতালে আছেন—জানতে চাইলে তিনি বিষয়টি এড়িয়ে যান। অসুস্থতার কথা দলীয় নেতাকর্মীরা দাবি করলেও নির্বাচন থেকে নিজেকে প্রত্যাহার করে গোপনে দেশ ছাড়ার কথাও কেউ কেউ বলছেন।

    মহানগর বিএনপির সহসভাপতি আব্দুল কাইয়ুম জালালী পংকী বলেন, ‘তাঁকে তো দেখাই যাচ্ছে না। ঢাকায় অথবা অন্য কোথাও আত্মগোপনে আছেন। ভয়ে তিনি মাঠে নামছেন না বলেই মনে হচ্ছে।’ কিসের ভয়—এমন প্রশে²র জবাবে বলেন, ‘সেটা এখন বলে আমি বিপদে পড়ব নাকি?’ বদরুজ্জামান সেলিম মাঠে থাকলে দলের ভালো হতো বলেও তিনি মনে করেন। একই মত ব্যক্ত করেন মহানগর বিএনপির সভাপতি নাসিম হোসেন।

    সিলেট জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আলী আহমদ বলেন, ‘বদরুজ্জামান সেলিম একজন পরীক্ষিত নেতা। জনপ্রিয় নেতা। তিনি অসুস্থতার কারণে মাঠে নেই। মাঠে থাকলে তাহলে আমাদের ভোটের মাঠ আরো শক্তিশালী হতো।’ তিনি কী আতঙ্কের কারণে মাঠে নামেননি—এমন প্রশে² কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি এই নেতা।

  • ক্ষমা চেয়ে নেতাকর্মীদের সহযোগিতা চাইলেন আরিফ

    ক্ষমা চেয়ে নেতাকর্মীদের সহযোগিতা চাইলেন আরিফ

    অতীতে আচার-আচরণে কোন ভুলত্রুটি হয়ে থাকলে তার জন্য নেতাকর্মীদের কাছে ক্ষমা চেয়েছেন সিলেট সিটি করপোরেশনে বিএনপির মেয়র প্রার্থী আরিফুল হক চৌধুরী।
    তিনি বলেছেন, ‘ব্যক্তি আরিফ হিসেবে আমার দোষ-ত্রুটি থাকতে পারে। কিন্তু দলের প্রার্থী হিসেবে আপনারা সকল ভেদাভেদ ভুলে আমার সাথে কাজ করুন। আমার আচার-আচরণে কোন ভুল হয়ে থাকলে আপানার ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন। আমি যতদিন বেঁচে থাকবো, ততোদিন সিলেটের মানুষের পাশে থাকবো।’

    বৃহস্পতিবার দুপুরে সিলেট শহরতলির খাদিমনগরস্থ একটি সেন্টারে মহানগর বিএনপি আয়োজিত কর্মীসভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন আরিফ। বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মুক্তি ও সুচিকিৎসার দাবিতে এই কর্মীসভা অনুষ্ঠিত হয়।

    মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও সিটি নির্বাচনে বিদ্রোহী প্রার্থী বদরুজ্জামান সেলিম প্রসঙ্গে আরিফ বলেন, ‘বদরুজ্জামান সেলিম সবসময় দলের সুখ-দুঃখে পাশে ছিলেন। তিনি খুবই কর্মঠ নেতা। বর্তমানে তিনি আবেগে বিভক্ত হয়ে পড়েছেন। আমি আশা করি, নির্বাচনে তিনি আমার পাশে এসে দাঁড়াবেন।’

    মহানগর বিএনপির সভাপতি নাসিম হোসাইনের সভাপত্বি ও মহানগর বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আজমল বখত সাদেকের পরিচালনায় কর্মীসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন বিএনপির চেয়ারপারনের উপদেষ্টা খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির।

    তিনি বলেন, ‘সিলেটে যদি ভোটের জরিপ করা হয়, তাহলে দেখা যাবে শতকার ৮০ ভাগ ভোট আমাদের আয়ত্তে আছে। গাজীপুর, খুলনা নির্বাচনে যাদের বিজয়ী ঘোষণা করা হয়েছে, তাদের জনগণ মেনে নেয়নি। ৩৬০ আউলিয়রা আত্মাধিক শহর সিলেটে এ ধরনের প্রহসন নির্বাচন হতে দেয়া হবে না।’
    কর্মীসভায় বক্তব্য রাখেন বিএনপির কেন্দ্রীয় ক্ষুদ্র ঋণবিষয়ক সম্পাদক আব্দুর রাজ্জাক, মহানগর বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি আব্দুল কাইয়ুম জালালী পংকি, সহ-সভাপতি সালেহ আহমদ খসরু, হুমায়ুন কবির শাহীন, আব্দুল ফাত্তাহ বকশী, যুগ্ম সম্পাদক আতিকুর রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক মিফতাহ সিদ্দিকী, হুমায়ুন আহমদ মাসুক প্রমুখ।

  • আ.লীগ মেয়র প্রার্থী হলেন লিটন, সাদিক ও কামরান

    আ.লীগ মেয়র প্রার্থী হলেন লিটন, সাদিক ও কামরান

    রাজশাহী, বরিশাল ও সিলেট সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে আওয়ামী লীগ তাদের মেয়র প্রার্থী চূড়ান্ত করেছে। এ নির্বাচনে প্রার্থী মনোনীত হয়েছেন- রাজশাহীর এ এইচ এম খায়রুজ্জামান লিটন, বরিশালের সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ ও বদরউদ্দিন আহমদ কামরান।

    আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে তার সরকারি বাসভবন গণভবনে দলের স্থানীয় সরকার মনোনয়ন বোর্ডের সভায় প্রার্থী তালিকা চূড়ান্ত করা হয়।

    আগামী ৩০ জুলাই রাজশাহী, বরিশাল ও সিলেট সিটি কর্পোরেশন নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। এর আগে রাজশাহী সিটি নির্বাচনে ১৪ দলের একক প্রার্থী হিসেবে মহানগর আওয়ামী লীগ সভাপতি ও সাবেক মেয়র এ এইচ এম খায়রুজ্জামান লিটনের নাম ঘোষণা করা হয়েছে জোটের বৈঠকে।

    বরিশাল সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে মেয়র পদে আওয়ামী লীগের ‘একক প্রার্থী’ হিসেবে আবুল হাসানাত আবদুল্লাহর পুত্র সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহর নামের প্রস্তাব কেন্দ্রে পাঠিয়েছে মহানগর আওয়ামী লীগ। তবে এ পদে জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি কর্নেল (অব.) জাহিদ ফারুক শামীম ও নগর আওয়ামী লীগ সদস্য মাহামুদুল হক খান মামুন মনোনয়ন সংগ্রহ করেন।

    এছাড়া সিলেটে অনুষ্ঠিত সভায় মেয়র পদে নিজেদের প্রার্থিতার ঘোষণা দেন দলের পাঁচ নেতা। তারা হলেন সিলেট মহানগর আওয়ামী লীগ সভাপতি বদরউদ্দিন আহমদ কামরান, সাধারণ সম্পাদক আসাদউদ্দিন আহমদ, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ফয়জুল আনোয়ার ও অধ্যাপক জাকির হোসেন এবং শিক্ষাবিষয়ক সম্পাদক আজাদুর রহমান আজাদ।

  • তিন সিটিতে নৌকা প্রত্যাশী ১০ জন

    তিন সিটিতে নৌকা প্রত্যাশী ১০ জন

    বরিশাল, সিলেট ও রাজশাহী সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে মেয়র পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে আওয়ামী লীগের দলীয় মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেছেন দশজন।

    বুধবার (২০ জুন) রাত ৯টায় পর্যন্ত বরিশালের পাঁচজন, সিলেটের চারজন ও রাজশাহীর একজন মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেন।

    রাজশাহী থেকে একমাত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেন মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাবেক মেয়র এ এইচ এম খায়রুজ্জামান লিটন।

    লিটন বলেন, রাজশাহী মহানগর কমিটি বৈঠকের মাধ্যমে রেজুলেশন করে একক প্রার্থী হিসেবে কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের কাছে আমাকে প্রস্তাব করা হয়েছে। দলীয় মনোনয়ন বোর্ডও আমাকে প্রার্থী হিসেবে চূড়ান্ত করবে বলে আশা করি।

    বরিশাল সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে প্রার্থী হতে দলীয় মনোনয়ন সংগ্রহ করেছেন মহানগর আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সাদিক আবদুল্লাহ। তার পক্ষে মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেন মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি গোলাম আব্বাস চৌধুরী। সঙ্গে ছিলেন জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক তালুকদার মো. ইউনুস ও মহানগরের সাধারণ সম্পাদক এ কে এম জাহাঙ্গীর।

    গোলাম আব্বাস চৌধুরী বলেন, বরিশাল মহানগর আওয়ামী লীগ সর্বসম্মতিক্রমে সাদিক আবদুল্লাহকে মনোনয়নের জন্য প্রস্তাব করেছে।

    এ ছাড়াও বরিশাল সিটির মেয়র প্রার্থী হতে দলীয় মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেছেন কৃষক লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সিনিয়র সহ-সভাপতি খান আলতাফ হোসেন, জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি জাহিদ ফারুক, মহানগর আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ, সহ-সভাপতি মীর আমিন উদ্দিন ও সদস্য মাহমুদুল হক খান।

    সিলেট থেকে মেয়র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন সংগ্রহ করেছেন সাবেক মেয়র ও মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি বদরুদ্দিন আহমদ কামরান।

    কামরান ছাড়াও মনোনয়ন সংগ্রহ করেছেন মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আসাদ উদ্দিন আহমদ, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক কাউন্সিলর ফয়জুল আনোয়ার এবং অধ্যাপক জাকির হোসেন।

  • নির্বাচন: মেয়র পদে বিএনপির মনোনয়ন কিনলেন প্রার্থীরা

    নির্বাচন: মেয়র পদে বিএনপির মনোনয়ন কিনলেন প্রার্থীরা

    বরিশাল, রাজশাহী ও সিলেট সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে ধানের শীষ প্রতীক পেতে মনোনয়পত্র সংগ্রহ করেছেন বর্তমান তিন মেয়রসহ ১১ জন। সিলেট, রাজশাহী ও বরিশালের বর্তমান মেয়ররা সবাই বিএনপির। রাজশাহীতে মোসাদ্দেক হোসেন বুলবুল, সিলেটে আরিফুল হক চৌধুরী ও বরিশালে আহসান হাবীব কামাল। ২০১৩ সালে একই দিনে অনুষ্ঠিত নির্বাচনে তারা সবাই ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের নেতাদের হারিয়ে মেয়র নির্বাচিত হন।

    সকাল ১০টায় নয়াপল্টনের কার্যালয় থেকে সিলেটের আরিফুল হক চৌধুরী নিজেই তার মনোনয়ন ফরম দলের জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীর কাছে থেকে সংগ্রহ করেন।

    বরিশালে আহসান হাবীব কামাল ছাড়াও দক্ষিণ জেলা সভাপতি এবায়দুল হক চাঁন, কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক বিলকিস জাহান শিরিন, ছাত্রদল সহ সাংগঠনিক সম্পাদক আফরোজা খানম নাসরিন, কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য আবু নাসের মোহাম্মদ রহমাতুল্লাহও মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেন।

    রাজশাহীর মেয়র মোসাদ্দেক হোসেন বুলবুলের পক্ষে দলের সাংগঠনিক সম্পাদক রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু ও বরিশালের মেয়র আহসান হাবীব কামালের পক্ষে দলের কেন্দ্রীয় প্রশিক্ষণ বিষয়ক সম্পাদক এ বি এম মোশাররফ হোসেন মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেন।

    সিলেটে আরিফুল হক চৌধুরী ছাড়া মহানগর সভাপতি নাসিম হোসাইন, সাধারণ সম্পাদক বদরুজ্জামান সেলিম, সহ সভাপতি প্যানেল মেয়র রেজাউল হাসান কয়েস লোদী ও মহানগর নেতা ছালাহউদ্দিন রিমন মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেন।

    ১০ হাজার টাকা মূল্যমানের মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেন প্রার্থী ও তাদের প্রতিনিধিরা।

    আগামী ৩০ জুলাই রাজশাহী, বরিশাল ও সিলেট সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে ভোট গ্রহণ হবে। নির্বাচন কমিশনের ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষ তারিখ ২৮ জুন। প্রার্থিতা প্রত্যাহার করা যাবে ৯ জুলাই পর্যন্ত।

    মেয়রপ্রার্থী ঠিক করতে বুধবার দলীয় কার্যালয়ে থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত মনোনয়নপত্র সংগ্রহ, বৃহস্পতিবার বিকেল ৪টার মধ্যে মনোয়নপত্র জমাদান এবং সেদিন রাতে গুলশান কার্যালয়ে প্রার্থীদের সাক্ষাৎকার হবে।

    মনোনয়ন ফরম সংগ্রহের পর এক সংবাদ ব্রিফিংয়ে রুহুল কবির রিজভী বলেন, ‘সিটি নির্বাচনকে নিয়ে সরকার কী করছে -সেটা গাজীপুর সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে দেখার পরে আমরা সিলেট, রাজশাহী ও বরিশালের নির্বাচনের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেব। তবে প্রাথমিক প্রক্রিয়া হিসেবে আমরা মনোনয়ন ফরম বিক্রি, জমাদান ও সাক্ষাৎকারের কাজ গুলো সম্পন্ন করে রাখব।’

    তিনি জানান, মনোনয়নপত্র জমা দেয়ার সময়ে প্রার্থীরা জামানত হিসেবে ২৫ হাজার টাকার প্রদান করবে।

    এ সময়ে দলের কেন্দ্রীয় নেতা এ বি এম মোশাররফ হোসেন, তাইফুল ইসলাম টিপু, আসাদুল করীম শাহিন, গাজী কামরুল ইসলাম সজল প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

  • সিলেটে কলেজ ছাত্র খুনের দৃশ্য সিসিটিভি ফুটেজে

    সিলেটে কলেজ ছাত্র খুনের দৃশ্য সিসিটিভি ফুটেজে

    সিলেটে মশিউর রহমান তাহসিন (১৬) নামে এক কলেজছাত্রকে গলায় ছুরিকাঘাত করে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। শনিবার (১৬ জুন) রাত ১০টার দিকে নগরীর শিবগঞ্জ বাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

    মশিউর রহমান তাহসিন নগরীর শিবগঞ্জ নবারুন আবাসিক এলাকার মুজিবুর রহমানের ছেলে। সে স্কলার্স হোমের একাদশ শ্রেণির ছাত্র ছিল। নিহত তাহসিনের বাবা মুজিবুর রহমান বলেন, তাহসিনের কয়েকজন বন্ধু ঈদের দিন সন্ধ্যার পর বাসায় বেড়াতে আসে। পরে নাস্তা খেয়ে তাকে নিয়ে তারা বের হয়ে যায়। ছেলেকে তার বন্ধুরাই খুন করেছে জানিয়ে তিনি বলেন, তাহসিনের এসব বন্ধুদের আমি আগে কখনো দেখিনি। তাই তাদের নামও বলতে পারছি না।

    সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের শাহপরান (র.) থানার ওসি আখতার হোসেন জানান, মিতালী ফার্মেসির সিসিটিভির ফুটেজ বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, রাত ১০টা এক মিনিটে তাহসিন গলায় রক্তাক্ত অবস্থায় রাস্তা পার হচ্ছে। রাস্তা পারের পর সে মাটিতে পড়ে যায় বলে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন।

    সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের অতিরিক্ত উপ-কমিশনার (মিডিয়া) আবদুল ওয়াহাব জানান, কে বা কারা রাতে তাহসিনকে ছুরিকাঘাত করে। এরপর সে আহত অবস্থায় মিতালী ফার্মেসির সামনে এসে মাটিতে লুটিয়ে পড়ে। স্থানীয়রা উদ্ধার করে হাসপাতালে নিলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

    সিসিটিভির ফুটেজে আরও দেখা যায়, কয়েকজন ছেলে দৌড়ে পালাচ্ছে। ঘটনা রাস্তার ওপারে হওয়ায় দৃশ্যটি সিসিটিভিতে আসেনি। তবে রাস্তার বিপরীত দিকে কিছু একটা ঘটছে, তা উপস্থিত মানুষের ভাবভঙ্গিতে বোঝা যাচ্ছে। তাহসিনের ওপর হামলাকারীদের পালিয়ে যাওয়ার দৃশ্য ধরা পড়েছে। এ ছাড়া গলায় ক্ষত নিয়ে তার বাঁচার প্রচেষ্টাও দেখা গেছে এতে।

    ওসি আরও জানান, সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করে হত্যাকারীদের গ্রেফতারের কাজ শুরু হয়েছে।

  • মনোনয়নপত্র নিলেন ২৫ প্রার্থী

    মনোনয়নপত্র নিলেন ২৫ প্রার্থী

    সিলেট সিটি করপোরেশন নির্বাচনের জন্য দুই স্বতন্ত্র মেয়র প্রার্থীসহ ২৫ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছেন। আজ বৃহস্পতিবার এসব প্রার্থীরা মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেন।

    মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করা দুই স্বতন্ত্র মেয়র প্রার্থী হলেন সিলেট কল্যাণ সংস্থার সভাপতি এহসানুল হক তাহের এবং এসহানুল মাহবুব। এছাড়া ২৭টি ওয়ার্ডের মধ্যে কয়েকটিতে ২১ জন কাউন্সিলর প্রার্থী মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছেন। নারীদের জন্য সংরক্ষিত কাউন্সিলর পদে দুজন প্রার্থী মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছেন।

    সিলেট সিটি করপোরেশন নির্বাচনে সহকারি রিটার্নিং কর্মকর্তা আবুল হাসনাত জানান, এখনও পর্যন্ত ২৫ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছেন। ঈদের কারণে আজ শুক্রবার থেকে আগামী রবিবার পর্যন্ত তিনদিন মনোনয়নপত্র দেয়া বন্ধ থাকবে। সোমবার থেকে ফের মনোনয়নপত্র দেয়া শুরু হবে।

    প্রসঙ্গত, আগামী ৩০ জুলাই সিলেট সিটি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। এর আগে ২৮ জুন পর্যন্ত জমা দেয়া যাবে মনোনয়নপত্র।

  • বিএনপির নেতাকর্মীদের ক্রসফায়ার করা হচ্ছে

    বিএনপির নেতাকর্মীদের ক্রসফায়ার করা হচ্ছে

    বিএনপির ‘নিখোঁজ’ নেতা এম. ইলিয়াস আলীর সহধর্মিণী তাহসিনা রুশদীর লুনা বলেছেন, বিএনপির অজস্র নেতাকর্মীদের গুম করা হয়েছে। অবরুদ্ধ গণতন্ত্রের মধ্যে আমরা কথা বলতে পারছি না। গুম-খুনের বিরুদ্ধে যে কথা বলতে চাচ্ছে, তাকেই গুম অথবা খুন করা হচ্ছে। মাদকবিরোধী অভিযানের নামে বিএনপির নেতাকর্মীদের এখন ক্রসফায়ার করা হচ্ছে।

    আজ সিলেটের বিশ্বনাথ উপজেলা বিএনপি ও সহযোগী সংগঠন আয়োজিত আলোচনা সভা ও ইফতার মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

    উপজেলা বিএনপির সভাপতি জালাল উদ্দিনের সভাপতিত্বে ও সম্পাদক লিলু মিয়ার পরিচালনায় সভায় উপজেলা বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের নেতারা বক্তব্য রাখেন।

  • সিলেটে প্রতিদিন উৎপন্ন হয় ৯ হাজার কেজি ক্লিনিক্যাল বর্জ্য

    সিলেটে প্রতিদিন উৎপন্ন হয় ৯ হাজার কেজি ক্লিনিক্যাল বর্জ্য

    সিলেট নগরীতে সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতাল-ক্লিনিক মিলিয়ে প্রতিদিন নয় হাজার কেজির বেশি বর্জ্য উৎপন্ন হয়। কিন্তু এসব বর্জ্য সংগ্রহ, পরিবহন, পৃথকীকরণ ও নির্ধারিত স্থানে ডাম্পিংয়ের ক্ষেত্রে বিজ্ঞানসম্মত ও স্বাস্থ্যসম্মত কোন প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হয় না।

    বুধবার সকালে সিলেট নগরীর চিকিৎসা-বর্জ্য ব্যবস্থাপনা এবং কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র শীর্ষক কর্মশালায় এসব তথ্য তুলে ধরেন ব্র্যাক ইন্সটিটিউট অব গভর্ন্যান্স এন্ড ডেভেলপমেন্ট (বিআইজিডি) এর গবেষক এসএম আরাফাত জুবায়ের। সিলেট নগরীর একটি হোটেলের বলরুমে ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়, বিআইজিডি এবং সিলেট সিটি করপোরেশন এই কর্মশালার আয়োজন করে।
    অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে সিলেট সিটি মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী বলেন, আমাদের মধ্যে যদি দেশপ্রেম জাগ্রত না হয়, আমরা যদি এই শহরকে নিজেদের শহর বলে মনে না করি, তবে শহরকে পরিচ্ছন্ন ও স্বাস্থ্যসম্মত বাসযোগ্য হিসেবে গড়ে তুলতে পারব না। তিনি আরো বলেন, সিলেটে রাজনৈতিক সহমর্মিতা রয়েছে। আমাদের মধ্যে কাজের ক্ষেত্রে কোন সমস্যা নেই। কিন্তু প্রশাসনের কাছ থেকে আমরা আরো বেশি সক্রিয়তা ও সহযোগিতা চাই।

    কর্মশালায় গবেষক এসএম আরাফাত জুবায়ের চিকিৎসা বর্জ্যরে প্রকারভেদ অনুসারে ভিন্ন ভিন্ন ডাস্টবিন ব্যবহার, ব্যবস্থাপনা কর্মীদের প্রশিক্ষণ দান, পরিবহনের জন্য কাভার্ড ভ্যান ব্যবহার এবং কিছু কিছু বর্জ্য যথাযথভাবে নিঃশেষ করার উপর জোর দেন।

    সিসিকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা এ জে এম নুরুল হকের সভাপতিত্বে কর্মশালায় বক্তব্য রাখেন সিটিজ অ্যালায়েন্সের এশিয় আঞ্চলিক উপদেষ্টা অজয় সুরী, বিআইজিডির গবেষণা ফেলো ড. শাহনেওয়াজ হোসেন, সিলেট মহিলা মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর রেজাউল করিম, স্বাস্থ্য বিভাগের সহকারি পরিচালক, ড. নারায়ণ চন্দ্র সাহা প্রমুখ।

    কর্মশলার দ্বিতীয় অধিবেশনে প্যানেল আলোচনায় অংশ নেন পরিবেশ আইনবিদন সমিতির সিলেট বিভাগীয় সমন্বয়ক এডভোকেট শাহ শাহিদা আক্তার, সিসিকের প্রধান প্রকৌশলী নুর আজিজুর রহমান, বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন-সিলেটের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল করিম কিম প্রমুখ। বক্তারা নগরবাসীর স্বাস্থ্যঝুঁকি এড়াতে সরকারি ও বেসরকারি সংস্থার মধ্যে কার্যকর সমন্বয় সাধন, বিদ্যমান আইন অনুসরণ, প্রকল্প বাস্তবায়নের আগে পরিবেশগত প্রভাব মূল্যায়ন করার প্রতি জোর দেন।