Category: সিলেট

  • শপথ নিলেন রাজশাহী ও সিলেটের মেয়র

    শপথ নিলেন রাজশাহী ও সিলেটের মেয়র

    রাজশাহী ও সিলেট সিটি করপোরেশনের নবনির্বাচিত মেয়র ও কাউন্সিলররা শপথ গ্রহণ করেছেন। বুধবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের শাপলা হলে এ শপথগ্রহণ অনুষ্ঠান শুরু হয়।

    এসময় রাজশাহী ও সিলেট সিটি করপোরেশনের নবনির্বাচিত মেয়র এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটন ও আরিফুল হক চৌধুরীকে শপথবাক্য পাঠ করান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আর কাউন্সিলরদের শপথবাক্য পাঠ করান স্থানীয় সরকারমন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন।

    গত ৩০ জুলাই রাজশাহী এবং সিলেট সিটি কর্পোরেশনের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। নির্বাচনে রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটন নৌকা প্রতীকে এক লাখ ৬৫ হাজার ৩৩২ ভোট পেয়ে মেয়র নির্বাচিত হন।

    অপরদিকে সিলেট সিটি কর্পোরেশনের নির্বাচনে বিএনপির প্রার্থী আরিফুল হক চৌধুরী ধানের শীষ প্রতীকে ৯২ হাজার ৫৯৮ ভোট পেয়ে পুনরায় মেয়র নির্বাচিত হন।

  • হাইটেক পার্কে বদলে যাবে সিলেটের চিত্র

    হাইটেক পার্কে বদলে যাবে সিলেটের চিত্র

    ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার বলেছেন, ‘খুব শিগগিরই সিলেট ইলেকট্রনিক্স সিটি তথা হাইটেক পার্ক বাস্তব রূপ লাভ করবে। এখানে হাজার হাজার মানুষের কর্মসংস্থান হবে। এতে পাল্টে যাবে গোটা সিলেটের চিত্র। সিলেট হয়ে ওঠবে সত্যিকারের ডিজিটাল সিটি। হাইটেক পার্কের ছোঁয়া লাগবে সিলেট নগরীতেও। এখানে গড়ে তোলা হবে আইসিটি ভবন ও ইনফরমেশন সেন্টার।’
    সিলেটের কোম্পানীগঞ্জে নির্মিতব্য হাইটেক পার্কে বিনিয়োগে আইটি খাতের উদ্যোক্তাদের আগ্রহীকরণের লক্ষ্যে বাংলাদেশ হাইটেক পার্ক কর্তৃপক্ষ ও সিলেট চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রির যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন মন্ত্রী।

    রবিবার সকালে সিলেট চেম্বারের সম্মেলন কক্ষে এ সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি সাংসদ ইমরান আহমদ।

    সেমিনারে মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার আরো বলেন, ‘সিলেট হাইটেক পার্কসহ দেশের অন্যান্য হাইটেক পার্কের মাধ্যমে বাংলাদেশে বিশ্বের ৪র্থ শিল্প বিপ্লবে নেতৃত্ব দেবে। দেশের শিল্পক্ষেত্রে এক নতুন দিগন্তের সূচনা হবে। সিলেট হাইটেক পার্ক হবে দেশের অন্যতম সেরা।’

    তিনি বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রচেষ্টায় তথ্য ও প্রযুক্তি খাতে দেশ দুর্বার গতিতে এগিয়ে যাচ্ছে। তিনি তথ্য ও প্রযুক্তি মন্ত্রণায়লয়কে যে সুযোগ সুবিধা দিচ্ছেন, তা অন্য যেকোন মন্ত্রণায়লয় থেকে বেশি। পাশাপাশি অর্থমন্ত্রণালয় ও জাতীয় রাজস্ব বোর্ড হাইটেক পার্কের জন্য যা যা প্রয়োজন সব করে দিয়েছেন। তাদের কাছে আর কিছুই চাওয়ার নেই।’ হাইটেক পার্কে বিনিয়োগকারীদের আকৃষ্ট করতে সিলেট-ঢাকা রুটে সকল-সন্ধ্যায় ডমেস্টিক ফ্লাইট চালুর আশ্বাস দেন মন্ত্রী।

    সেমিনারে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব মো. নজিবুর রহমান, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের সচিব জুয়েনা আজিজ, বাংলাদেশ হাইটেক পার্ক কর্তৃপক্ষের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (সচিব) হোসনে আরা বেগম, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের পরিচালক সালেহ উদ্দিন আহমদ, সিলেট রেঞ্জ পুলিশের ডিআইজি কামরুল আহসান, সিলেট সিটি মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী, সিলেট চেম্বারের সভাপতি খন্দকার সিপার আহমদ প্রমুখ।

  • ‘নীল নকশার নির্বাচন দেশে আর হতে দেওয়া হবে না’

    ‘নীল নকশার নির্বাচন দেশে আর হতে দেওয়া হবে না’

    আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, ২০০১ সালের নির্বাচন ২০১৮ সালে করার চেষ্টা করছে বিএনপি। তবে এই নীল নকশার নির্বাচন দেশে আর হতে দেওয়া হবে না। তত্ত্বাবধায়ক সরকার দেশে আর আসবে না। নির্দিষ্ট একটা দলের জন্য নির্বাচন থেমে থাকবে না। গণতান্ত্রিক দেশে নির্বাচনে অংশ নেওয়া বিএনপির অধিকার, সুযোগ নয়। কোনো গণতান্ত্রিক দেশে সরকার কোনো দলকে সুযোগ দেয় না।

    শুক্রবার সিলেট সার্কিট হাউজে সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী এ কথা বলেন।

    তিনি বলেন, নির্বাচন ফ্রি অ্যান্ড ফেয়ার করতেই আমরা ইভিএম সাপোর্ট করি। নির্বাচন সম্পর্কে মানুষের ‘খারাপ ধারণা’ দূর করতে ইভিএম দরকার। ইভিএম হচ্ছে আধুনিক ভোটিং পদ্ধতি। সিলেটেও বিএনপি দু’টি ইভিএমের কেন্দ্রে জয়ী হয়েছে। তারা জিতলে মানবে আর হারলেই কারচুপির অভিযোগ তুলবে। আসন্ন নির্বাচনে বিএনপি জয়ী হতে পারবে না বলেই নানা অভিযোগ দিচ্ছে তারা।

    ইভিএম নিয়ে নির্বাচন কমিশনার মাহবুব তালুকদারের ‘নোট অব ডিসেন্ট (আপত্তি)’ প্রসঙ্গে কাদের বলেন, এক জন নোট অব ডিসেন্ট দিতেই পারেন। সিইসিসহ পাঁচ জন কমিশনারের মধ্যে সবার মতামত যে এক হবে এমন তো কোনো কথা নেই। এটাই গণতন্ত্রের বৈশিষ্ট্য। একজন ভিন্ন মত দিতেই পারেন।

    এসময় উপস্থিত ছিলেন, আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব-উল-আলম হানিফ, জাহাঙ্গীর কবির নানক, সাংগঠনিক সম্পাদক খালিদ মাহমুদ চৌধুরী, আহমদ হোসেন, অ্যাডভোকেট মিসবাহ উদ্দিন সিরাজ, একেএম এনামূল হক শামীম, দফতর সম্পাদক ড. আবদুস সোবহান গোলাপ, সিলেট মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি বদর উদ্দিন আহমদ কামরান, সিলেট জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শফিকুর রহমান চৌধুরী প্রমুখ।

  • গভীর রাতে সংস্কার দেখতে সড়কে মেয়র

    গভীর রাতে সংস্কার দেখতে সড়কে মেয়র

    দ্বিতীয়বারের মতো মেয়র নির্বাচিত হওয়ার পর এখনও শপথ নেননি আরিফুল হক চৌধুরী। এই অবস্থায়ই উন্নয়ন কাজ তদারকিতে নেমেছেন সিলেট সিটি করপোরেশনের নবনির্বাচিত মেয়র। নগরীর বন্দরবাজার এলাকায় পানি সমস্যা সমাধানে বুধবার দিবাগত গভীর রাত পর্যন্ত সময় কাটিয়েছেন তিনি। তার এই কর্মোদ্যম প্রশংসা কুড়িয়েছে উপস্থিত নগরবাসীর।

    বুধবার রাত সাড়ে ১০টা। বন্দরবাজার এলাকায় (জেলরোড রাস্তার দক্ষিণ প্রান্তে) রাস্তা কেটে পানির লাইনের কাজ করছেন সিটি করপোরেশনের কয়েকজন শ্রমিক। হঠাৎ একটি সিএনজি অটোরিকশা থেকে নামেন নবনির্বাচিত মেয়র আরিফ। তাকে দেখে ছুটে আসেন স্থানীয় ব্যবসায়ীরা। জানান, ওই স্থানে বেশ কিছুদিন ধরে সিটি করপোরেশনের পানির লাইন ছিদ্র হয়ে পানি বের হচ্ছে। লাইন ছিদ্র হওয়ায় পানির সাথে কাদা ও বালু মিশে তা পানের অযোগ্য হয়ে পড়েছে এমন অভিযোগও করেন স্থানীয়রা।

    স্থানীয় ব্যবসায়ী ও লোকজনের কাছ থেকে এমন অভিযোগ পেয়ে শ্রমিকদের দ্রুত কাজ শেষ করার নির্দেশ দেন আরিফ। এসময় রাস্তার ডিভাইডারে থাকা একটি বৈদ্যুতিক খুঁটি ট্রাকের ধাক্কায় হেলে পড়ায় দুর্ঘটনার আশঙ্কা প্রকাশ করেন স্থানীয়রা। আরিফুল হক চৌধুরী বৈদ্যুতিক খুঁটিও পরিবর্তনেরও নির্দেশ দেন তাৎক্ষনিক।

    বুধবার মধ্যরাত পর্যন্ত তিনি উন্নয়ন কাজ তদারকি করেন। ফেরার সময় রাতের মধ্যেই পানির লাইন মেরামত কাজ সম্পন্ন করার নির্দেশ দিয়ে আসেন আরিফ।

    এ ব্যাপারে আরিফুল হক চৌধুরী জানান, ‘লাইন ফেটে গিয়ে পানির সাথে কাদা-বালু মিশে তা পানের অযোগ্য হয়ে পড়েছে। এছাড়া কুশিঘাটের পাম্প চালু হলে ওই স্থানে (জেলরোডের দক্ষিণ প্রান্ত) পাইপের ছিদ্র দিয়ে পানি অনবরত পড়তে থাকে- এমন খবর পেয়ে উন্নয়ন কাজ দেখতে এসেছি। দিনে যাতে জনদূর্ভোগ সৃষ্টি না হয় সেজন্য রাতের মধ্যেই কাজ শেষ করার নির্দেশ দিয়েছি।’

  • আরিফুলের বাসার সামনে হামলা-গুলি, ছাত্রদল নেতা নিহত

    আরিফুলের বাসার সামনে হামলা-গুলি, ছাত্রদল নেতা নিহত

    সিলেটে ছাত্রদলের একপক্ষের ওপর অপর পক্ষের হামলা ও গুলি ছোড়ার ঘটনা ঘটেছে। এতে ফয়জুর রহমান রাজু নামে এক ছাত্রদল নেতা নিহত হয়েছেন। তিনি সিলেট মহানগর ছাত্রদলের সহ-প্রচার সম্পাদক। এ ছাড়া বেশ কজন আহত ও গুলিবিদ্ধ হয়েছেন।

    শনিবার রাত সাড়ে ৯ টার দিকে নগরের কুমারপাড়ায় সিটি কর্পোরেশনের (সিসিক) নবনির্বাচিত মেয়র আরিফুল হক চৌধুরীর বাসার সামনে এ ঘটনা ঘটে। এ সময় আরিফুল হক চৌধুরী ও বিএনপি নেতারা তার বাসায় অবস্থান করছিলেন।

    রাত সোয়া ১১টায় ওসমানী হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান রাজু। সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের উপ-পরিচালক ডা. দেবব্রত রায় জানান, আহতদের মধ্যে রাজু নামের এক যুবককে হাসপাতালে আনার পর মারা গেছেন।

    jagonews24                                   নিহত ছাত্রদল নেতা ফয়জুর রহমান রাজু

    প্রত্যক্ষদর্শী জানান, শনিবার রাতে নির্বাচন কমিশনের কার্যালয় থেকে মেয়র আরিফের গাড়িবহরের সঙ্গে মোটরসাইকেলযোগে নগরের কুমারপাড়া এলাকায় তার বাসায় যান ছাত্রদলকর্মী উজ্জ্বল, রাজুসহ তিনজন। আরিফুল হককে বাসায় পৌঁছে দিয়ে ফেরার সময় তিনজন একই মোটরসাইকেলে করে ফিরছিলেন। গলির ভেতর থেকে কুমারপাড়া পয়েন্ট সংলগ্ন গলির মুখে আসা মাত্র শাহি ঈদগাহের দিক থেকে কয়েকটি মোটরসাইকেলে ছাত্রদলের কয়েকজন এসে তাদের ওপর হামলা চালায়।

    হামলাকারীরা স্টাম্প, দা-সহ দেশীয় অস্ত্র দিয়ে তাদের ওপর হামলা করে। এ সময় দু পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। তখন এক যুবক সেখানে কয়েক রাউন্ড ফাঁকা গুলি ছুড়ে। এতে পদবঞ্চিত ছাত্রদলের তিন নেতাকর্মী গুলিবিদ্ধ হন। তাদের সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। গুলিবিদ্ধ উজ্জ্বলের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা গেছে।

    এ বিষয়ে সিলেট মহানগর পুলিশের কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোশাররফ হোসেন জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করে। এ ঘটনায় রাত সাড়ে ১০টা পর্যন্ত কাউকে আটক করা যায়নি।

    তবে ঘটনায় জড়িতদের চিহ্নিত করে দ্রুত ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে জানান ওসি।

  • নাজনীন না নার্গিস

    নাজনীন না নার্গিস

    সিলেট সিটি কর্পোরেশনের (সিসিক) ২৭টি ওয়ার্ডের মধ্যে থেকে ৩টি করে সাধারণ ওয়ার্ড যুক্ত করে গঠন করা হয়েছে নারীদের জন্য সংরক্ষিত একেকটি অাসন। সেই হিসেবে নগরীতে নারীদের জন্য সংরক্ষিত কাউন্সিলর পদ রয়েছে ৯টি। গত ৩০ জুলাই অনুষ্ঠিত নির্বাচনে ৮টি সংরক্ষিত ওয়ার্ডে বিজয়ীদের নাম বেসরকারিভাবে ইতোমধ্যে জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন।

    কিন্তু সাধারণ ১৯, ২০ ও ২১ নম্বর ওয়ার্ডের সমন্বয়ে গঠিত সংরক্ষিত ৭ নম্বর ওয়ার্ডে দুইজন প্রার্থী সমান সংখ্যক ভোট পান। নাজনীন অাক্তার কণা ও নার্গিস সুলতানা রুমি দু’জনেই পেয়েছেন ৪ হাজার ১৫৫টি ভোট। তাই সেখানে পুনঃনির্বাচনের প্রয়োজন দেখা দেয়। ৩০ জুলাইয়ের নির্বাচনে ৭ নম্বর ওয়ার্ডে ১০ জন নারী অংশ নিয়েছিলেন। এদের মধ্যে নাজনীন ও নার্গিস পান সমানসংখ্যক সর্বোচ্চ ভোট। তাদের প্রাপ্ত ভোট ৪ হাজার ১৫৫।

    আজ শনিবার সংরক্ষিত ৭ নম্বর ওয়ার্ডের নারী কাউন্সিলর পদে পুনঃনির্বাচন। এখন দেখার বিষয় অাজ ওয়ার্ডের ভোটাররা কাকে পছন্দ করেন। ‘সেভেনে’ কে হচ্ছেন ‘লাকি’?

    জানা গেছে, দু’জনেই এলাকাতে সমান জনপ্রিয় ও অাওয়ামী লীগের রাজনীতির সাথে জড়িত। নার্গিস সুলতানা রুমি মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সন্তান। নাজনীন অাক্তার কণা এর অাগেও দ্বিতীয় সিটি নির্বাচনে বিজয়ী হয়েছিলেন। পরেরবার তিনি শামীমা স্বাধীনের কাছে হেরে যান। অার এবার শামীমা স্বাধীন ৩০ জুলাই নির্বাচনের দিন হেরে যান।

    চশমা প্রতীকে নার্গিস সুলতানা ও জিপগাড়ি প্রতীকে নাজনীন অাক্তার কণার নাম থাকবে ব্যালটে। ১৯, ২০ ও ২১ নম্বর ওয়ার্ড মিলিয়ে গঠিত সংরক্ষিত ৭ নম্বর ওয়ার্ডে মোট ভোটার সংখ্যা ৩৪ হাজার ১২৩ জন। ১৪টি কেন্দ্রে ভোটকক্ষ রয়েছে ৯৭টি।

    সিটি নির্বাচনের রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. অালীমুজ্জামান জানিয়েছেন, সংরক্ষিত ৭ নম্বর ওয়ার্ডের অন্তর্ভুক্ত ১৯ নম্বর ওয়ার্ডে মোট ভোটার ১১ হাজার ৬২৬ জন। এদের মধ্যে পুরুষ ৬ হাজার ১০০ জন ও নারী ৫ হাজার ৫২৬ জন।
    এই ওয়ার্ডের কেন্দ্রগুলো হচ্ছে হাজী শাহমীর (রহ.) সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পূর্ব দিকের ভবন পুরুষদের জন্য; নারীদের জন্য পশ্চিম পার্শ্বের ভবন। বখতিয়ার বিবি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্র পুরুষদের জন্য; নারীদের জন্য দর্জিপাড়া সার্ক ইন্টারন্যাশনাল কলেজের কেন্দ্র।

    ২০ নম্বর ওয়ার্ডে মোট ভোটার ১০ হাজার ৫৬৪ জন। এর মধ্যে পুরুষ ৫ হাজার ৪২৯ জন ও নারী ভোটার ৫ হাজার ১৩৫ জন। এই ওয়ার্ডের ভোটকেন্দ্রসমূহ হচ্ছে টিলাগড় এমসি কলেজে পুরুষ ও নারীর জন্য পৃথক পৃথক কেন্দ্র। দেবপাড়া নবীনচন্দ্র সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের উত্তর দিকের ভবনে পুরুষদের জন্য ও দক্ষিণ পার্শ্বে নারীদের জন্য। সৈয়দ হাতিম অালী উচ্চ বিদ্যালয় নারী ও পুরুষ ভোটকেন্দ্র।

    ২১ নম্বর ওয়ার্ডে মোট ভোটার ১১ হাজার ৯৩৩ জন। পুরুষ ৬ হাজার ৩৪ জন ও নারী ৫ হাজার ৮৯৯ জন। ওয়ার্ডের ভোট কেন্দ্রগুলো হচ্ছে সৈয়দ হাতিম অালী উচ্চ বিদ্যালয় নারী ও পুরুষ ভোটকেন্দ্র, কালাশীল চান্দুশাহ জামেয়া ইসলামীয়া দাখিল মাদরাসায় পুরুষ ও নারীদের জন্য। সোনারপাড়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় ও শিবগঞ্জ স্কলার্সহোম প্রিপারেটরি স্কুলে পুরুষ ও নারী ভোটকেন্দ্র।

  • ‘টেনশন ফ্রি’ কামরান,’সিরিয়াস’ আরিফুল

    ‘টেনশন ফ্রি’ কামরান,’সিরিয়াস’ আরিফুল

    সিলেট সিটি করপোরেশন নির্বাচনে ভোটের হিসেব নিকেশে এগিয়ে আছেন আরিফুল হক চৌধুরী। অন্যদিকে জয়ের আশা ছেড়ে দিয়েছেন বদর উদ্দিন আহমদ কামরান। তবুও স্থগিত দুই কেন্দ্র নিয়ে ভিন্ন চিন্তাভাবনায় এই দুই প্রার্থী। আজ শনিবার পুনঃভোটে আরিফ এগিয়ে থেকেও ‘সিরিয়াস’ থাকছেন, আর হারানোর কিছু নেই জেনে অনেকটা ‘টেনশন ফ্রি’ মুডে আছেন কামরান।

    শনিবার বিকেল ৪টার পরেই সিলেট সিটি নির্বাচনের সকল হিসেব-নিকেশের চূড়ান্ততা পেতে যাচ্ছে। সেইক্ষেত্রে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী বদর উদ্দিন আহমদ কামরান ও তার দলীয় নেতাকর্মীরা নির্ভার থাকলেও, চাপা চিন্তা বিরাজ করছে বিএনপির নেতাকর্মীর মাঝে।

    জয়ের হিসাবটা চূড়ান্ত করতে এখন পর্যন্ত বেশ গভীর মনোযোগী হিসেবে মাঠে রয়েছেন আরিফুল হক চৌধুরী। ইতোমধ্যে তিনি স্থগিত হওয়া কেন্দ্রের ভোটারদের মৃত ও প্রবাসী ভোটারদের সংখ্যা জানান দিতে প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও সিলেটের রির্টানিং কর্মকর্তার কার্যালয় ঘুরে এসেছেন।

    অন্যদিকে জয়ের আশা ছেড়ে আবারো দলীয় কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত হচ্ছেন কামরান। সম্প্রতি তিনি দলীয় নেতাকর্মীদের নিয়ে সিলেটে জাতীয় শোক দিবস কর্মসূচি পালনের প্রস্তুতি নিয়েছেন।

    জয়ের আশা নেই জেনেও পুনঃভোটে অংশ নেয়ার ব্যাপারে কামরান এই প্রতিবেদককে জানান, ‘গণতান্ত্রিক ধারা অব্যাহত রাখতেই পুনঃভোটে অংশ নিচ্ছি। ভোটের দিন দুই কেন্দ্রের ভোটারদের কাছেই আমি যাব।’

    অন্যদিকে ভোটকেন্দ্রগুলো বিশেষভাবে পর্যবেক্ষণ করবেন বলে জানিয়েছেন আরিফ। তিনি বলেন, ‘সকাল থেকেই আমি মাঠে থাকব, দুই কেন্দ্র মনিটরিং করব’।

    উল্লেখ্য যে, গত ৩০ জুলাইয় ২৪ ও ২৭ নং ওয়ার্ডের দু’টি কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ স্থগিত করা হয়।

    ৩০ জুলাই ১৩২টি কেন্দ্রে ধানের শীষ প্রতীকে আরিফ পেয়েছিলেন ৯০ হাজার ৪৯৬ ভোট। নৌকা প্রতীকে কামরান পেয়েছিলেন ৮৫ হাজার ৮৭০ ভোট। দু’জনের ভোটের ব্যবধান ৪ হাজার ৬২৬।

    স্থগিতকৃত দুই ভোটকেন্দ্রে মোট ভোটার সংখ্যা ৪ হাজার ৭৮৭। এর মধ্যে মারা গেছেন ও প্রবাসে রয়েছেন ২৯৮ জন ভোটার। চাকুরির কারণে আরও ৩ জন বদলি হয়েছেন অন্যত্র।

  • সিলেটে ৩ ঘণ্টা অবস্থান শেষে ঘরে ফিরেছে শিক্ষার্থীরা

    সিলেটে ৩ ঘণ্টা অবস্থান শেষে ঘরে ফিরেছে শিক্ষার্থীরা

    ঢাকায় বাসচাপায় দুই শিক্ষার্থী নিহত হওয়ার প্রতিবাদে নিরাপদ সড়ক, ঘাতক বাস চালকদের বিচার করা, নৌপরিবহণমন্ত্রীর পদত্যাগসহ ৯ দফা দাবিতে টানা ৫ দিন ধরে রাজধানীর সঙ্গে সিলেটেও বিক্ষোভ প্রদর্শন করে স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীরা।

    সোমবার সাড়ে তিন ঘণ্টা অবস্থান কর্মসূচি পালন শেষে বেলা আড়াইটার দিকে তারা অবস্থান থেকে চলে যায়। এর আগে বেলা ১১টা থেকে খণ্ড খণ্ড মিছিল নিয়ে নগরের চৌহাট্টা পয়েন্টে জড়ো হন সিলেটের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা। এ সময় পুরো সিলেট নগরজুড়ে যানজটের সৃষ্টি হয়।

    আজও সহস্রাধিক শিক্ষার্থী নিরাপদ সড়কের দাবিতে স্লোগানমুখর করে তুলেন ব্যস্ততম নগরের চৌহাট্টা এলাকা। নগরের বিভিন্ন স্কুল কলেজের শিক্ষার্থীরা মিছিল নিয়ে চৌহাট্টা পয়েন্টে জড়ো হন। এতে শাহজালাল বিশ্ববিদ্যালয়সহ অন্যান্য প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরাও যোগ দেন।

    শিক্ষার্থীদের অবস্থান কর্মসূচির কারণে পয়েন্টের চারদিকের রাস্তায় যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। তবে আজ শিক্ষার্থীরা গাড়ির কোনোরকম কাগজপত্র পরীক্ষা-নিরীক্ষা করেননি।

    শিক্ষার্থীরা জানান, আমরা জেনেছি সড়ক পরিবহন আইন মন্ত্রীসভায় অনুমোদন পেয়েছে। এ কারণে আমরা প্রাথমিকভাবে অবস্থান থেকে ফিরে যাচ্ছি। আইনে যদি আমাদের দাবি-দাওয়ার সম্পূর্ণ প্রতিফলন না ঘটে। প্রয়োজনে আমরা আবারও রাস্তায় নামবো। আমরা দুর্ঘটনা চাই না। মৃত্যু চাই না। স্কুল-কলেজের ড্রেসে রক্তের দাগ চাইনা।

    শিক্ষার্থীরা আরও বলেন, আমরা চাই সবাই সুন্দর জীবন নিয়ে বেঁচে থাকুক। আর পুলিশসহ প্রশাসনের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা যথাযথ দায়িত্ব পালন করুন এবং সড়কে শৃঙ্খলা ফিরে আসুক।

  • কামরানের বাসায় স্ত্রী ও মেয়েকে নিয়ে বিএনপি প্রার্থী আরিফ

    কামরানের বাসায় স্ত্রী ও মেয়েকে নিয়ে বিএনপি প্রার্থী আরিফ

    সিলেট সিটি করপোরেশন নির্বাচনে ভোটের ফলাফলে এগিয়ে থাকা বিএনপির আরিফুল হক চৌধুরী কুশল বিনিময় করতে আওয়ামী লীগ প্রার্থী বদরউদ্দিন আহমদ কামরানের বাসায় গেছেন।

    মঙ্গলবার বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে তিনি মাছিমপুরের  কামরানের বাসায় যান। এসময় আরিফের সঙ্গে ছিলেন স্ত্রী শ্যামা হক ও তার মেয়ে সায়ইকা তাবাসসুম চৌধুরী।

    কামরানের বাসায় গিয়ে আরিফ তার সঙ্গে কুশল বিনিময় করে তার সহযোগিতা চান। এসময় বদর উদ্দিন কামরান তাকে সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন বলে জানিয়েছেন আরিফুল হক নিজেই।

    আরিফুল হক চৌধুরী সাংবাদিকদের বলেন, ভোটের মাঠে প্রতিদ্বন্দ্বী হলেও কামরান আমার বড় ভাই। তার সঙ্গে দেখা করতে বাসায় গিয়েছিলাম। সব ভেদাভেদ ভুলে একটি পরিকল্পিত সিলেট গড়তে একসঙ্গে কাজ করতে চাই আমরা।

    বদরউদ্দিন কামরান বলেন, আরিফুল আমার বাসায় এসেছিলেন। তার সঙ্গে কথা হয়েছে, কুশল বিনিময় হয়েছে।

    সোমবার সিলেটে সিটি নির্বাচনে বিএনপি মনোনীত ধানের শীষ প্রতীকের আরিফুল হক চৌধুরী ৯০ হাজার ৪৯৬ ভোট পেয়ে আওয়ামী লীগ প্রার্থী বদরউদ্দিন আহমদ কামরানের থেকে এগিয়ে রয়েছেন। তবে দু’টি কেন্দ্রে স্থগিত জটিলতায় তাকে এখন পর্যন্ত বেসরকারিভাবে বিজয়ী ঘোষণা করা হয়নি।

    সোমবার ভোট শেষে রিটার্নিং কর্মকর্তা ১৩২ কেন্দ্রের যে ফলাফল ঘোষণা করেন, তাতে বিএনপির প্রার্থী আরিফুল হক চৌধুরী ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন ৯০ হাজার ৪৯৬ ভোট। আর আওয়ামী লীগের প্রার্থী কামরান নৌকা প্রতীকে পেয়েছেন ৮৫ হাজার ৮৭০ ভোট।

  • জয়ের দ্বারপ্রান্তে আরিফুল হক চৌধুরী

    জয়ের দ্বারপ্রান্তে আরিফুল হক চৌধুরী

    সিলেট সিটি করপোরেশন নির্বাচনে মেয়র পদে বিএনপি মনোনিত প্রার্থী আরিফুল হক চৌধুরীর জয় প্রায় ‘নিশ্চিত’।

    সর্বশেষ প্রাপ্ত ফলাফল অনুযায়ী ১৩৪টি কেন্দ্রের মধ্যে ১৩২টি কেন্দ্রে তিনি ৯০ হাজার ৪৬৯ ভোট পেয়েছেন। অন্যদিকে আওয়ামী লীগ মনোনীত মেয়র প্রার্থী বদর উদ্দিন কামরান পেয়েছেন ৮৫ হাজার ৮৭০ ভোট। ফলে ১৩২টি কেন্দ্রে প্রায় সড়ে চার হাজার ভোটের ব্যবধানে এগিয়ে আছেন আরিফ।

    সোমবার রাত ১১টার ৪০ মিনিটের দিকে সিসিক নির্বাচনে মেয়র পদের ফলাফল আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করেন সিলেট আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা মো. আলীমুজ্জামান। এসময় তিনি বলেন, নির্বাচনে ধানের শীষ প্রতীকে আরিফ পেয়েছেন ৯০ হাজার ৪৯৬ ভোট। নৌকা প্রতীকে কামরান পেয়েছেন ৮৫ হাজার ৮৭০ ভোট। আরিফ ৪ হাজার ৬২৬ ভোটে এগিয়ে আছেন।

    আলীমুজ্জামান আরো জানান, সিসিকের মোট ১৩৪টি ভোট কেন্দ্রের মধ্যে ১৩২টিতে ভোট গ্রহণ কার্যক্রম সম্পন্ন হয়। তবে বাকি দুই কেন্দ্র স্থগিত করা হয়। স্থগিতকৃত ওই দুই ভোটকেন্দ্রে ভোটের সংখ্যা ৪ হাজার ৭৮৭।

    এক্ষেত্রে স্থগিতকৃত ওই দুই কেন্দ্রে নির্বাচন হলে কামরান যদি সকল ভোট পান, তবে তিনি আরিফের চেয়ে ১৬১ ভোট বেশি পেয়ে বিজয়ী হবেন। আর স্থগিতকৃত ওই দুই কেন্দ্র থেকে আরিফ যদি আরও ১৬২টি ভোট পান, তবে তার বিজয় পুরোপুরি নিশ্চিত হবে।

    এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে ঢাকায় নির্বাচন কমিশনের দ্বারস্থ হবেন বলে জানিয়েছেন সিলেটের আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা।
    নির্বাচন কর্মকর্তা মো. আলীমুজ্জামান জানান, সিসিক নির্বাচনে মেয়র পদে স্বতন্ত্র প্রার্থী জামায়াত নেতা এহসানুল মাহবুব জুবায়ের ১০ হাজার ৯৫৪ ভোট, ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থী মোয়াজ্জেম হোসেন খান ২ হাজার ১৯৫ ভোট, সিপিবি-বাসদের প্রার্থী আবু জাফর ৯০০ ভোট, স্বতন্ত্র প্রার্থী এহসানুল হক তাহের ২৯২ ভোট পেয়েছেন। এছাড়া নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানো বিএনপি নেতা বদরুজ্জামান সেলিম ৫৮২ ভোট পেয়েছেন।

    সিসিকের প্রথম দুই মেয়াদের মেয়র কামরান। গত নির্বাচনে কামরানকে প্রায় ৩৫ হাজার ভোটের ব্যবধানে পরাজিত করেন আরিফ। কামরানের ভোট ছিল ৭২ হাজার ২৩০, আরিফ পেয়েছিলেন এক লাখ ৭ হাজার ৩৩০ ভোট।