Category: সিলেট

  • জনস্বার্থে কোটি টাকা মূলের জমি ছাড়ল প্রয়াত স্পিকারের পরিবার

    জনস্বার্থে কোটি টাকা মূলের জমি ছাড়ল প্রয়াত স্পিকারের পরিবার

    নগরীর ১নং ওয়ার্ডের হযরত শাহজালাল (রহ.) এর মাজার গেইট থেকে আম্বরখানা সড়ক প্রশস্ত করতে জনস্বার্থে কোটি টাকা মূলের জমি ছাড়ল প্রয়াত স্পিকার হুমায়ুন রশীদের পরিবার।

    রোববার (১০ ফেব্রুয়ারি) সকালে সিলেট সিটি করপোরেশনের মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী দরগাহ গেইটস্থ রশিদ মঞ্জিলে গিয়ে প্রয়াত স্পিকার হুমায়ুন রশীদ চৌধুরীর ভাতিজা ইমরান রশীদ চৌধুরীর কাছে জনস্বার্থে রাস্তার জন্য জমি ছাড়ার প্রস্তাব দিলে তিনি তাদের বাড়ির ৫ ফুট করে ১১০ ফুট জমি ছেড়ে দেন।

    এ সময় প্রয়াত হুমায়ুন রশীদ চৌধুরীর ভাতিজা ইমরান রশীদ চৌধুরীকে সাথে নিয়ে সিসিক মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী তাদের বাড়ির প্রধান ফটকের দেয়াল ভাঙার কাজের উদ্বোধন করেন।

    উদ্বোধন শেষে মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী সাংবাদিকদের জানান, জনস্বার্থে রাস্তার জন্য প্রয়াত হুমায়ুন রশীদ চৌধুরীর পরিবার তাদের মূল্যবান জমি ছেড়ে দেয়ায় তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জানাই। জনস্বার্থে তারা মূল্যবান জমি ছেড়ে দিয়ে দৃষ্টান্ত স্থাপন করলেন।

    মেয়র বলেন, এভাবে নগরবাসীর সহযোগিতায় অচিরেই সিলেট হবে একটি আধুনিক ও তিলোত্তমা নগরী। সে লক্ষ্য নিয়েই নগরীর সর্বত্র কাজ দ্রুত গতিতে এগিয়ে চলছে।

    এ সময় প্রয়াত স্পিকার হুমায়ুন রশীদের ভাতিজা ইমরান রশীদ চৌধুরী জনস্বার্থে রাস্তার জন্য জমি দান করতে পেরে নিজেকে ভাগ্যবান উল্লেখ করে সিসিক মেয়র আরিফুল হক চৌধুরীর কাজের প্রশংসা করেন। পরে মেয়র নগরীর মীরের ময়দান, দরগাহ মহল্লা এলাকায় চলমান উন্নয়ন কাজ পরিদর্শন করেন।

    এ সময় সিসিকের ওয়ার্ড কাউন্সিলর সৈয়দ তৌফিকুল হাদী, প্রধান প্রকৌশলী নুর আজিজুর রহমান, সিসিকের উপ-সহকারী প্রকৌশলী মো. তানভীর আহমদ তানিমসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

  • শাহ জালালের মাজার জিয়ারত করলেন স্পিকার

    শাহ জালালের মাজার জিয়ারত করলেন স্পিকার

    অনলাইন ডেস্ক:

    টানা তৃতীয়বারের মতো জাতীয় সংসদের স্পিকার নির্বাচিত হওয়ায় হজরত শাহ জালাল (রহ.) ও হজরত শাহ পরান (রহ.) এর মাজার জিয়ারত করেছেন ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী।

    শনিবার দুপুরে সিলেট ওসমানী বিমানবন্দরে পৌঁছালে স্পিকারকে স্বাগত জানান জেলা আওয়ামী লীগের স্থানীয় নেতৃবৃন্দ।

    পরে সেখান থেকে প্রথমে হজরত শাহ জালাল (রহ.) ও পরে হজরত শাহ পরান (রহ.) এর মাজার জিয়ারত করেন ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী।

    মাজার জিয়ারতকালে তিনি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে গভীর শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করেন। এছাড়াও ১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধে ৩০ লাখ শহীদ, ৫২’ এর ভাষা আন্দোলন থেকে শুরু করে সকল গণতান্ত্রিক আন্দোলনে জীবন উৎসর্গকারী বীর যোদ্ধা, ৭৫’ এর ১৫ আগস্ট নিহত বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন্নেছাসহ পরিবারের অন্যান্য
    সদস্যদেরসহ জেলখানায় নিহত জাতীয় চার নেতাকে শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করেন তিনি।

    এসময় তাদের রুহের মাগফেরাত ও দেশের কল্যাণ কামনা করে মোনাজাত করেন স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী।

  • জনস্বার্থে কোটি টাকার জমি ছেড়ে দিলো মুহিত পরিবার

    জনস্বার্থে কোটি টাকার জমি ছেড়ে দিলো মুহিত পরিবার

    জনস্বার্থে প্রায় কোটি টাকা মূল্যের জমি ছেড়ে দিয়েছেন সাবেক অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত ও বর্তমান পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেনের পরিবার সদস্যরা। সড়ক প্রশস্তকরণের জন্য তারা এ জমি ছেড়ে দেন।

    সিলেট নগরীর ব্যস্ততম এলাকা ধোপাদিঘীর পাড়ে মুহিত পরিবারের বাসভবন ‘হাফিজ কমপ্লেক্স’ অবস্থিত। তাদের বাসভবনের পাশের সড়ক প্রশস্ত করার জন্য জায়গা দরকার ছিল সিটি কর্পোরেশনের। সে কারণে এ জমি দান করেন মুহিত পরিবার। কোটি টাকা মূল্যের ওই জমি মুহিত পরিবারের নিজস্ব সম্পত্তি ছিল।

    এর আগে শনিবার সিলেট সিটি কর্পোরেশনের (সিসিক) মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী হাফিজ কমপ্লেক্সে যান। সেখানে গিয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেনের বড় ভাই সাবেক অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিতের কাছে সড়ক প্রশস্তকরণের জন্য ভূমি ছেড়ে দেওয়ার অনুরোধ জানান মেয়র আরিফুল। মেয়রের অনুরোধে জনস্বার্থে সড়কের জন্য ভূমি ছেড়ে দিতে রাজি হন আবুল মাল আবদুল মুহিত। সোমবার বিকেলে হাফিজ কমপ্লেক্সের সামনের দেওয়াল ভাঙার কাজ শুরু করে সিলেট সিটি কর্পোরেশন (সিসিক)।

    এ ব্যাপারে সিসিক মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী বলেন, ‘সড়ক প্রশস্তকরণের জন্য আবুল মাল আবদুল মুহিতকে জমিটি ছেড়ে দেয়ার অনুরোধ করেছিলাম। তিনি আমার অনুরোধে জনস্বার্থে জমিটি ছেড়ে দিয়েছেন। হাফিজ কমপ্লেক্সের জমি জনস্বার্থে ছেড়ে দেয়ার ঘটনা দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে সবার কাছে।

  • হুইল চেয়ারে মুহিত, পাশে নেই সুসময়ের বন্ধুরা

    হুইল চেয়ারে মুহিত, পাশে নেই সুসময়ের বন্ধুরা

    কয়েকদিন আগেও তাকে ঘিরে নেতাকর্মীদের জটলা লেগেই থাকতো। ঢাকা থেকে সিলেট ফিরলে ভিড় লেগে থাকতো সিলেটের ওসমানী বিমানবন্দরে। ভিআইপি লাউঞ্জে পড়ে যেত হুড়োহুড়ি-ধাক্কাধাক্কি। সবার মধ্যমণি ছিলেন তিনি।

    স্লোগানে স্লোগানে মুখর হয়ে উঠতো বিমানবন্দর এলাকা। মোটর শোভাযাত্রা সহকারে তাকে নিয়ে আসা হতো বাসায়। সেই সাবেক অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত শুক্রবার যখন সিলেটে ফিরলেন তখন তার হুইল চেয়ার ধরার মতো ছিল না কেউ। সাবেক এপিএস জনিকে নিয়ে একাই ওসমানী বিমানবন্দর ত্যাগ করেন তিনি।

    গত মন্ত্রিসভার প্রভাবশালী মন্ত্রী মুহিতকে ঘিরে সবসময়ই আনাগোনা থাকতো সু-সময়ের বন্ধুদের। কিন্তু মন্ত্রিসভা থেকে বাদ পড়তে না পড়তেই মুহিতকে আজ ভুলে গেছেন তারা।

    শুক্রবার দুপুর ১টা ৫০ মিনিটে নভোএয়ারের একটি ফ্লাইটে ঢাকা থেকে সিলেট যান আবুল মাল আবদুল মুহিত। বিমান থেকে নেমে হুইল চেয়ারে করে তাকে নিয়ে যাওয়া হয় ভিআইপি লাউঞ্জে। জনশূন্য ভিআইপি লাউঞ্জ তখন অনেকটা অপরিচিতই মনে হচ্ছিল মুহিতের কাছে।

    চিরচেনা মুখগুলো দেখতে না পেয়ে অনেকটা হতাশ মনে হচ্ছিল সাবেক এই অর্থমন্ত্রীকে। এতদিন যাদেরকে ‘কাছের মানুষ’ হিসেবে জানতেন তাদের মুখোশের অন্তরালের চেহারাটা হয়তো তখন ভাসছিল তার চোখেমুখে।

    তবে তথাকথিত সেই ‘কাছের মানুষদের’ মধ্যে একমাত্র ব্যতিক্রম ছিলেন বাফুফের কার্যনির্বাহী সদস্য ও জেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক মাহি উদ্দিন আহমদ সেলিম। ভিআইপি লাউঞ্জের গেটে একমাত্র তিনিই স্বাগত জানান মুহিতকে। পরে সাবেক অর্থমন্ত্রী মুহিত বিমানবন্দর থেকে চলে যান সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে। সেখানে বসেই সিলেট সিক্সার্স ও ঢাকা ডায়নামাইটসের ম্যাচ উপভোগ করেন মুহিত।

  • ২২ রানেই ৭ উইকেট নেই সিলেটের

    ২২ রানেই ৭ উইকেট নেই সিলেটের

    বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) ১৬তম ম্যাচে কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্সের বিপক্ষে টসে হেরে ব্যাটিংয়ে নেমে ২২ রানেই ৭ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়েছে সিলেট সিক্সার্স।

    আজ মঙ্গলবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় সিলেট ইন্টারন্যাশনাল ক্রিকেট স্টেডিয়ামে শুরু হওয়া এই ম্যাচে স্পিনার মেহেদী হাসানসহ বোলারদের তোপে পড়ে প্রথম সারির দ্রুতই ৭ উইকেট হারিয়ে বিপিএল-এ সর্বনিম্ন রানের লজ্জার রেকর্ড গড়ার শঙ্কায় পরেছে ডেভিড ওয়ার্নারের দল।

    ব্যাটিংয়ে নেমে ইনিংসের প্রথম ওভারে মোহাম্মদ সাইফউদ্দিনের প্রথম ওভারে কোনো রান নিতে পারেননি ডেভিড ওয়ার্নার। দ্বিতীয় ওভারে বোলিংয়ে এসেই সেই ওভারেই তিন উইকেট তুলে নেন মেহেদী হাসান। কুমিল্লার এই অফ স্পিনার ওভারের দ্বিতীয় বলে বোল্ড করেন আন্দ্রে ফ্লেচারকে। এক বল পরে সিলেটের অধিনায়ক ডেভিড ওয়ার্নারকে ফেরান তিনি। এর পরের বলে আফিফ হোসেনকে এলবিডব্লিউ হ্যাট্টিকের সম্ভাবনা জাগান। নিকোলাস পুরান তা ঠেকিয়ে দিলেও বেশিক্ষণ  টেকেননি। পরের ওভারে বোলিংয়ে এসে মাত্র ৩ রান খরচ করে তাকে ফিরিয়ে দেন সাইফউদ্দিন।

    দলের বিপর্যয় আরও বাড়িয়ে লিয়াম দাওসনের বলে দ্রুত ফিরে যান লিটন কুমার দাস ও সাব্বির রহমান। এরপর সোহেল তানফিরকে ফিরিয়ে নিজের নামের পাশে ৪ উইকেট লিখান মেহেদী হাসান। একই সঙ্গে মাত্র ২২ রানে ৭ উইকেট হারিয়ে চরম চাপে পড়ে সিলেট সিক্সার্স।

    এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত সিলেট সিক্সার্সের সংগ্রহ ১১ ওভারে ৭ উইকেট হারিয়ে ৩৫ রান। অলক কাপালি (১২) ও তাসকিন আহমেদ (১) রানে ব্যাট করছেন।

  • নাসিরকে ঢাকা রেখেই সিলেট গেল সিলেট সিক্সার্স

    নাসিরকে ঢাকা রেখেই সিলেট গেল সিলেট সিক্সার্স

    সময় বড়ই নিষ্ঠুর। সকাল বেলা আমির যে জন, ফকির সন্ধ্যা বেলা। নাসির হোসেন এই কথাটির মর্ম হারে হারে টের পাচ্ছেন। বিপিএলের গত আসরে সিলেট সিক্সার্সের অধিনায়ক ছিলেন এই অলরাউন্ডার। এবার তার নিয়মিত একাদশেই জায়গা হচ্ছে না।

    টিম কম্বিনেশনের কারণে জায়গা না-ই হতে পারে, কিন্তু এবার যা ঘটলো, তাতে নাসিরের জন্য বিষয়টা দুশ্চিন্তারই। ঢাকা পর্বের পর সিলেট সিক্সার্স গেছে তাদের ঘরের মাঠ সিলেটে। যেখানে ৪টি ম্যাচ খেলবে তারা। অথচ নাসিরকে দলের সঙ্গেই নেয়া হয়নি!

    মঙ্গলবার সন্ধ্যায় সিলেট সিক্সার্সের ম্যাচ চিটাগং ভাইকিংসের বিপক্ষে। সে ম্যাচকে সামনে রেখে তারা নিজেদের প্রস্তুত করছে। একাদশে সুযোগ পাবেন কি না, সেটা পরের ব্যাপার। দলের সঙ্গে নিজেকে প্রস্তুত করার কাজটিও তো করতে পারছেন না নাসির।

    আসলে নাসির হোসেনের পারফরম্যান্সে সন্তুষ্ট নয় সিলেট টিম ম্যানেজম্যান্ট। এবারের বিপিএলে দুটি ম্যাচে তিনি সুযোগ পেয়েছেন, করেছেন সাকুল্যে মাত্র ৪ রান। জাতীয় দলের এই অলরাউন্ডারকে তাই সিলেটেও সাইডলাইনেই থাকতো হতো বলে মনে করছেন সিক্সার্সের মিডিয়া ম্যানেজার তামজিদুল ইসলাম।

    সিলেট দলের মিডিয়া ম্যানেজারের ব্যাখ্যা, ‘আপনারা জানেন নাসির কদিন আগে চোট থেকে ফিরেছে। মানিয়ে নিতে তার সময় লাগা খুব স্বাভাবিক। এখন সে যে সময়ের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে তাতে একাদশে অন্তর্ভুক্ত করা কঠিন হয়ে যাচ্ছে টিম ম্যানেজমেন্টের। আর একাদশে না থাকলে সাইডবেঞ্চে থাকতে হবে। এ মানের একজন খেলোয়াড় সাইডবেঞ্চে বসে থাকাটা তার জন্য যেমন অস্বস্তির, দলের জন্যও। আমরা একটু সময় দিচ্ছি। সে যেন নিজেকে সময় দেয়। আবার আমরা যখন ঢাকায় ফিরব সে দলে যোগ দেবে।’

    এবারের বিপিএলে খুব খারাপ অবস্থায় আছে ডেভিড ওয়ার্নারের নেতৃত্বাধীন সিলেট সিক্সার্স। তিন ম্যাচের দুটিতেই হেরে তাদের নামের সঙ্গে মাত্র ২ পয়েন্ট। সাত দলের মধ্যে পয়েন্ট তালিকায় ছয় নাম্বারে আছে সিলেট।

  • মাশরাফি বলছেন রাজনীতিবিদ নয় খেলোয়াড় হিসেবে দেখতে

    মাশরাফি বলছেন রাজনীতিবিদ নয় খেলোয়াড় হিসেবে দেখতে

    নির্বাচন শেষে ঢাকায় এসে গত কদিন এক সঙ্গে দুটি কাজ করতে হয়েছে মাশরাফি বিন মুর্তজাকে। সকালে রাজনৈতিক কার্যক্রম তো বিকেলে মাঠে অনুশীলন। মাশরাফি যে দুটিই এক সঙ্গে পারেন, সেটি দেখিয়েছেন। তবে কাল থেকে তিনি শুধু একটি পরিচয়েই থাকতে চান, শুধুই খেলোয়াড়।

    নড়াইল থেকে আসার পর থেকেই সাংসদ হিসেবে অভিনন্দন পাচ্ছেন সবার কাছে। নির্বাচনের রেশ এখনো পুরোপুরি কাটেনি। রাজনৈতিক পরিচয়টা সাময়িক সরিয়ে খেলার মাঠের নেতা হিসেবে আবারও শুরু করা একটু হলেও যে কঠিন মাশরাফি, সেটি মানছেন, ‘একটা থেকে আরেকটায় আসা এই সময়টা খুব কঠিন। খুব দ্রুত, সংক্ষিপ্ত সময়ে এটা করতে হচ্ছে। তবে আমি সামলে নেওয়ার চেষ্টা করছি। এখন দেখা যাক।

    সাংসদ হিসেবে প্রথম খেলতে নামছেন। রাজনৈতিক পরিচয় পাশে রেখে খেলায় যেন পূর্ণ মনোযোগ দিতে পারেন, মাশরাফির তাই অনুরোধ এবার যেন সবাই তাঁকে শুধু খেলোয়াড় হিসেবে দেখে, ‘অন্য সময় যেভাবে খেলি, সেভাবেই খেলব। খেলোয়াড় হিসেবেই এখানে আমি পরিচিত এবং মাঠেও নামছি খেলোয়াড় হিসেবে, সংসদ সদস্য হিসেবে না। আমি আশা করি আপনারা সবাই আমাকে সেভাবেই দেখবেন।

    এখনো পর্যন্ত যে পাঁচ বিপিএলে খেলেছেন চারটিতেই হয়েছেন চ্যাম্পিয়ন। চারবার শিরোপা জিতেছেন তিনটি ভিন্ন ভিন্ন দলের হয়ে। সাফল্যের এই রহস্যটা কী, আগেও বিচ্ছিন্নভাবে নানা ব্যাখ্যা দিয়েছেন।

    আজ আরেকবার বললেন,আগের বার চ্যাম্পিয়ন হয়েছি, প্রতিবারই এ চাপ নিয়ে টুর্নামেন্ট শুরু করি। গতবার ছাড়া প্রতিবারই আমাকে এই চাপ নিয়ে শুরু করতে হয়েছে। বর্তমান চ্যাম্পিয়নের সব সময়ই আলাদা একটা চাপ থাকে। আপনি যে ভালো দল গুছিয়ে চ্যাম্পিয়ন হবেন এই সংস্করণে, এই নিশ্চয়তাও নেই। কাল থেকে আমাদের খুব ভালোভাবে শুরু করতে হবে। খারাপও হতে পারে। গতবার আমরা শুরুর দিকে হারছিলাম। পরে ঘুরে দাঁড়িয়েছি। ওই মানসিকতা থাকতে হবে। নির্দিষ্ট কোনো রেসিপি নেই। অনেক জায়গার প্লেয়ার আসে, এখানে বন্ধনটা অনেক গুরুত্বপূর্ণ। এক সঙ্গে থাকা,এক সঙ্গে সবকিছু করা। এই ধরনের টুর্নামেন্টে এসব খুব গুরুত্বপূর্ণ।

    তবে মাশরাফি আশাবাদী তাঁর দলটা এবার দুর্দান্ত হয়েছে। দলে যে আছেন ক্রিস গেইল, এবি ডি ভিলিয়ার্স, অ্যালেক্স হেলসের মতো বড় তারকা। তবে এটি তাঁকে মোটেও অতি আত্মবিশ্বাসী করছে না, ‘এবার আমাদের দলটা ভালো, ভারসাম্যপূর্ণ। বোলিং বিভাগ একটু ঠিক রাখতে হবে। এখনো সব খেলোয়াড় আসেনি। আগেরবার চ্যাম্পিয়ন হয়েছি, একটা প্রত্যাশা তো আছে। গতবারের চেয়ে দল আরও ভালো বলে মনে হচ্ছে। আত্মবিশ্বাস থাকতেই হবে। তবে অতি আত্মবিশ্বাস নয়। নতুন করে টুর্নামেন্ট শুরু হচ্ছে,নতুন চ্যালেঞ্জ।

    টুর্নামেন্টে মাশরাফির রংপুর রাইডার্স কত দূর যাবে, সেটি নিয়ে পরে ভাবলেও চলবে। আপাতত তাদের ভাবতে হচ্ছে চিটাগং ভাইকিংসকে নিয়ে। রংপুর-চিটাগং ম্যাচ দিয়েই শুরু হয়ে যাবে বিপিএলের ষষ্ঠ সংস্করণ।

  • লন্ডনে বসে সাজাপ্রাপ্ত এক আসামি নাটাই ঘুরাচ্ছে : প্রধানমন্ত্রী

    লন্ডনে বসে সাজাপ্রাপ্ত এক আসামি নাটাই ঘুরাচ্ছে : প্রধানমন্ত্রী

    আওয়ামী লীগ সভানেত্রী ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা লন্ডনে অবস্থানরত বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে ইঙ্গিত করে বলেছেন, ‘সাজাপ্রাপ্ত এক আসামি লন্ডনে বসে নাটাই ঘুরায়। আল্লাহ যদি দিন দেয় তবে ওই সাজাপ্রাপ্ত আসামিকে ধরে নিয়ে এসে বাংলাদেশে তার বিচারের রায় কার্যকর করব।

    গতকাল শনিবার সিলেট সরকারি আলিয়া মাদ্রাসা মাঠে আয়োজিত বিশাল নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী আরো বলেন, বিএনপি-জামায়াত জোট সরকার বাংলাদেশের মান ইজ্জত ভূলুণ্ঠিত করেছিল।

    হত্যা, খুন, অগ্নিসন্ত্রাস, জঙ্গিবাদ, দুর্নীতি— এটাই ছিল তাদের নীতি। আঙ্গুল ফুলে তারা নিজেরা কলাগাছ হয়েছে। আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় এসে দেশের সেই দুর্নাম কাটিয়ে উঠেছে। বাংলাদেশ এখন বিশ্বে উন্নয়নের রোল মডেল। বাংলাদেশের মানুষের সম্মান নষ্ট করতে দেওয়া হবে না।’ আলিয়া মাদ্রাসা মাঠে জনসভার মঞ্চ তৈরি করা হয় আওয়ামী লীগের নির্বাচনী প্রতীক নৌকার আদলে।

    ব্যাপক জনসমাগমে জনসভাটি রীতিমতো জনসমুদ্রে পরিণত হয়। প্রধানমন্ত্রীর সফরকে কেন্দ্র করে সিলেটজুড়ে বাড়ানো হয় নিরাপত্তা ব্যবস্থা। বিকাল ৩টা ১২ মিনিটে প্রধানমন্ত্রী জনসভাস্থলে আসলে উৎফুল্ল লাখো জনতা ‘জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু’ স্লোগানে এলাকা প্রকম্পিত করে তোলেন। প্রধানমন্ত্রী মঞ্চে উঠে হাত নেড়ে সমবেত জনতাকে শুভেচ্ছা জানান। তখন জনতা তুমুল করতালি দিয়ে তাকে অভিবাদন জানায়। এর আগে সকালে সিলেট পৌঁছে প্রধানমন্ত্রী হযরত শাহজালাল (র.), হযরত শাহ পরান (র.) এবং হযরত গাজী বোরহানউদ্দিন (রহ.) এর মাজার জিয়ারত করেন।

    তিনি প্রতিটি মাজারে পবিত্র কোরআন তেলাওয়াত, ফাতেহা পাঠ এবং বিশেষ মোনাজাতে অংশগ্রহণ করেন।একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি নিলামের মাধ্যমে প্রার্থী মনোনয়ন দিয়েছে উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, ‘আজকে নির্বাচনে তারা কী করেছে? এক এক সিটে চার-পাঁচজন করে নমিনেশন দিয়েছে। দেবার পরে কী করেছে? একেকটা সিট অকশনে (নিলামে) দিয়েছে। যে যত টাকা দেবে সে নমিনেশন পাবে। এই অকশন দিতে গিয়ে তাদের এখন ছ্যাড়াব্যাড়া অবস্থা। কেউ তাদের বিশ্বাস করে না। আপনারা জানেন- এই সিলেটের ইনাম আহমেদ চৌধুরী সাহেব, তিনি কী বলেছেন? একজন যদি পাঁচ কোটি দেয়, কেউ যদি সাড়ে পাঁচ কোটি দেয় তবে পাঁচ কোটি বাদ। যে সাড়ে পাঁচ কোটি দিবে সে আসো। এইভাবে তারা অকশন দিয়েছে। আপনারা বলেন, তারা কী রাজনীতি করে? আর আওয়ামী লীগ সরকারে থাকলে দেশের মানুষের উন্নয়ন হয়, মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন হয়।’

    বিএনপি জোট সরকারের আমলে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের হত্যা-খুনের উদাহরণ তুলে ধরে শেখ হাসিনা বলেন, ‘মানুষ খুনের অভিযোগে সাজাপ্রাপ্ত, মানি লন্ডারিংয়ের জন্য সাজাপ্রাপ্ত, দশট্রাক অস্ত্র মামলায় সাজাপ্রাপ্ত আসামি আজকে শরণার্থী হয়ে, বিদেশের মাটিতে বসে বাংলাদেশের ভেতরে ষড়যন্ত্র করছে। প্রধানমন্ত্রী তার ৩৩ মিনিটের বক্তব্যে সিলেটের উন্নয়ন পরিকল্পনার কথা তুলে ধরে বলেন, ‘সিলেটে শ্রীহট্ট নামে একটি বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল করে দিচ্ছি। সেখানে দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ হবে। এখানে অনেক মানুষের কর্মসংস্থান হবে। আগে চায়ের নিলাম শুধু চট্টগ্রামে হতো। আমরা সেই নিলাম সিলেটে যেন হয় সে ব্যবস্থা করে দিয়েছি। চা শ্রমিকেরা সবসময় নৌকায় ভোট দেয়। তাদের আমরা কৃতজ্ঞতা জানাই, ধন্যবাদ জানাই। তাদের উন্নয়নে ব্যাপক কাজ করে যাচ্ছি। তাদের মুজুরি বৃদ্ধি করেছি, ছেলে-মেয়েদের পড়াশোনার ব্যবস্থা করে দিচ্ছি।’

    আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন সরকারের আমলে সিলেটের উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের কথা তুলে ধরে শেখ হাসিনা বলেন, ‘সিলেট, সুনামগঞ্জ, মৌলভীবাজার, হবিগঞ্জ চার জেলাতেই অন্তত একটি করে বিশ্ববিদ্যালয়- সেটা সরকারি বা বেসরকারি যাই হোক- করে দেব। সিলেট বিভাগ করেছি। সেই বিভাগের জন্য যা যা করা দরকার সব করে দিচ্ছি।’ তিনি বলেন, ‘আপনারা জানেন পদ্মা সেতু নিয়ে দুর্নীতির অভিযোগ তুলেছিল। আমি চ্যালেঞ্জ দিয়েছিলাম। কারণ আমি দুর্নীতি করতে আসিনি। মানুষের ভাগ্য পরিবর্তন করতে এসেছি, নিজের ভাগ্য না।

    বাংলাদেশের মানুষের ভাগ্য গড়ে দেব। বাংলাদেশের মানুষের সুন্দর ভবিষ্যৎ গড়ে দেব এটাই ছিল লক্ষ্য। পরে এটা প্রমাণ হয়েছে, যে অভিযোগ ওয়ার্ল্ড ব্যাংক এনেছিল সব ভুয়া, বানোয়াট।

    ’প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই আওয়ামী লীগ বঙ্গবন্ধুর হাতে গড়া সংগঠন। আওয়ামী লীগ প্রতিষ্ঠার পর থেকেই বাংলাদেশের জন্য অনেক চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করে কাজ করে যাচ্ছে। বিএনপির সমালোচনা করে তিনি বলেন, ‘তারা ক্ষমতায় গিয়ে মানুষের সম্পদ লুটপাট করেছে, হত্যা-খুন করেছে, সন্ত্রাস করেছে, জঙ্গিবাদ সৃষ্টি করেছে। সারাদেশে একটি অরাজক পরিস্থিতি সৃষ্টি করেছিল। আন্তর্জাতিক বিশ্বে বাংলাদেশকে দুর্নীতিগ্রস্ত দেশ হিসেবে পরিচিত করিয়েছে। জঙ্গিবাদের দেশ হিসেবে পরিচয় করিয়েছে। সারা বিশ্বে বাংলাদেশের মান ইজ্জত সব ধূলিসাৎ করে দিয়েছে।’জনসভায় আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনা সিলেট বিভাগের চার জেলার ১৯ আসনে মহাজোটের প্রার্থীদের পরিচয় করিয়ে দেন।

    এসময়ে মহাজোটের প্রার্থীকে ভোট দিয়ে জয়যুক্ত করার জন্য ভোটারদের প্রতি আহ্বান জানান তিনি। তখন উপস্থিত লাখো জনতা হাত তুলে মহাজোটের প্রার্থীদের বিজয়ী করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন। পরে শেখ হাসিনা বলেন, নৌকা হচ্ছে মানুষের বিপদের বন্ধু। নূহ নবীর আমলে মহা-প্লাবনের হাত থেকে মানবজাতিকে রক্ষা করেছিল এই নৌকা। নৌকায় ভোট দিয়ে বাংলাদেশের মানুষ পেয়েছে স্বাধীনতা, মাতৃভাষায় কথা বলার অধিকার। দেশের কল্যাণ ও উন্নয়নের ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে আবারও নৌকা মার্কাকে ভোট দিয়ে আওয়ামী লীগকে জয়যুক্ত করুন। আগামীতে ক্ষমতায় আসলে দেশে দারিদ্র্য বলে কিছু থাকবে না।বঙ্গবন্ধু কন্যা বলেন, মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে যে সম্মান বাঙালি অর্জন করেছিল, তা জাতির পিতাকে সপরিবারে হত্যার মধ্য দিয়ে ধ্বংস করে দেওয়ার অপচেষ্টা করা হয়। তবে ২১ বছর পর ১৯৯৬ সালে ক্ষমতায় এসে আমরা দেশের মানুষের ভাগ্যোন্নয়নে কাজ শুরু করি।

    ২০০১ সালে বিদেশিদের কাছে গ্যাস বিক্রির মুচলেকা দিয়ে বিএনপি-জামায়াত ক্ষমতায় আসে দাবি করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘তারা ক্ষমতায় আসার পর দেশকে আবার পিছিয়ে দেয়। আমরা যেসব উন্নয়ন কর্মকাণ্ড শুরু করি সব বন্ধ করে দেয়। শুরু করে একের পর এক মানুষ খুন, বোমা হামলা, জঙ্গিবাদ। কতো মানুষকে তারা হত্যা করেছে, পুড়িয়ে মেরেছে, লুটপাট করেছে। জঙ্গিবাদী দেশ হিসেবে পরিচয় করিয়েছে এ দেশকে। মান-সম্মান শেষ করে দিয়েছিল বিএনপি। তাদের অপকর্মের কারণে বিশ্ব দরবারে বাঙালির মাথা নত হয়ে আসে। কিন্তু ২০০৮ সালে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় এসে আবার দেশকে উন্নত-সমৃদ্ধ করার কাজ শুরু করে।

    ২০০৮ সাল থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত এই দশ বছরে আমরা বাংলাদেশকে অর্থনৈতিকভাবে সমৃদ্ধ একটি দেশ হিসেবে পরিণত করেছি। বাংলাদেশ এখন বিশ্ব দরবারে উন্নয়নের রোল মডেল হিসেবে মর্যাদা লাভ করেছে।’আওয়ামী লীগ সরকারের গৃহীত পদক্ষেপ তুলে ধরে শেখ হাসিনা বলেন, ১৬০০ মেগাওয়াট থেকে শুরু করেছিলাম এখন ২০ হাজার মেগাওয়াট। যেখানে বিদ্যুৎ নেই সেখানে সোলার প্যানেল দিয়ে দিচ্ছি। প্রতিটি ঘরে ঘরে জ্বালবো বিদ্যুতের আলো— এই স্লোগান নিয়ে আমরা এগিয়ে যাচ্ছি। তার সরকারে উন্নয়ন চিত্র তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, কওমি মাদ্রাসা শিক্ষার কোনো স্বীকৃতি ছিল না। সেটাকে আমরা মাস্টার ডিগ্রি সম্মান দিয়ে দিয়েছি। তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ আমলের সাবেক অর্থমন্ত্রী শাহ এ এম এস কিবরিয়াকে হত্যা করেছে বিএনপি। সেই বিএনপির ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে নির্বাচন করছেন শাহ কিবরিয়ার ছেলে। এটা অত্যন্ত লজ্জার ও পরিতাপের বিষয়।সিলেট জেলা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি লুত্ফুর রহমানের সভাপতিত্বে জনসভায় অন্যান্যের মধ্যে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আব্দুল মুহিত, শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ, আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব-উল-আলম হানিফ, জাহাঙ্গীর কবির নানক, আব্দুর রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক আহমদ হোসেন, আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, সম্পাদকমণ্ডলীর সদস্য ফজিলাতুন্নেসা ইন্দিরা, সুজিত রায় নন্দী, সুনামগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এনামুল কবির ইমন প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।

    এছাড়া সিলেট বিভাগের ১৯টি আসনের প্রার্থীদের মধ্যে এ কে আব্দুল মোমেন, হাফিজ আহমদ মজুমদার, ইমরান আহমদ, মাহমুদ উস সামাদ কয়েস প্রমুখ বক্তৃতা করেন। সমাবেশ পরিচালনা করেন সিলেট মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি বদরউদ্দিন আহমদ কামরান, সাধারণ সম্পাদক আসাদ উদ্দিন আহমদ ও জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শফিকুর রহমান চৌধুরী।

  • নিরাপদে ভোট প্রদান নিশ্চিত করতে হবে : মাহবুব তালুকদার

    নিরাপদে ভোট প্রদান নিশ্চিত করতে হবে : মাহবুব তালুকদার

    নির্বাচন-সন্ত্রাস একসঙ্গে চলতে পারে না বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার মাহবুব তালুকদার।

    আজ রবিবার সকালে সিলেটে বিভাগীয় কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় তিনি এ কথা বলেন।

    তিনি আরো বলেন, ভোটাররা যাতে নিরাপদে ভোট দিয়ে বাড়ি ফিরতে পারে তা নিশ্চিত করতে হবে।

    নির্বাচন কমিশনার বলেন, কর্মকর্তাদের নিরপেক্ষতা বজায় রাখতে হবে। নির্বাচনের নিরপেক্ষতা নিয়ে কেউ যাতে আঙুল তুলতে না পারে সে বিষয়ে সবাইকে নজর রাখতে হবে।

    এ সময় নির্বাচনে দায়িত্ব পালনকারী কর্মকর্তাদের পক্ষপাতমূলক আচরণ না করার নির্দেশ দেন মাহবুব তালুকদার।

    মতবিনিময় সভায় সিলেট বিভাগীয় কমিশনার মেজবাহ উদ্দিন চৌধুরী ও চার জেলার রিটার্নিং কর্মকর্তাসহ অন্যান্যরা উপস্থিত ছিলেন।

  • হযরত শাহজালাল (র.) মাজার জিয়ারত করলেন প্রধানমন্ত্রী

    হযরত শাহজালাল (র.) মাজার জিয়ারত করলেন প্রধানমন্ত্রী

    নির্বাচনী প্রচারণা চালাতে এখন সিলেটে আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা।

    শনিবার (২১ ডিসেম্বর) দুপুরে আলিয়া মাদ্রাসা মাঠে আয়োজিত জনসভায় বক্তব্য রাখেন তিনি।

    সিলেটে পৌঁছেই হযরত শাহজালাল রহমতুল্লাহ আলাইহের মাজার জিয়ারত করেন তিনি। এরপর আরো দুই পীরের মাজার জিয়ারত করেন প্রধানমন্ত্রী। এরপর সিলেট সার্কিট হাউজে বিশ্রামের পর দুপুর আড়াইটার দিকে সিলেট সরকারি আলিয়া মাদ্রাসা মাঠে আয়োজিত জনসভায় যোগ দেন।

    দলীয় সভাপতির সিলেট সফরকে কেন্দ্র করে আওয়ামী লীগের তৃণমূল নেতা কর্মীদের মধ্যে উচ্ছ্বাস ও আনন্দ বিরাজ করছে। প্রধানমন্ত্রীর এই সফর ভোটের মাঠে পুরো সিলেট বিভাগের আওয়ামী লীগ প্রার্থীদের জন্য ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে বলে মনে করা হচ্ছে।