Category: আবহাওয়া

  • বৃষ্টি ও তাপমাত্রা নিয়ে যে বার্তা দিল আবহাওয়া অফিস

    বৃষ্টি ও তাপমাত্রা নিয়ে যে বার্তা দিল আবহাওয়া অফিস

    বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর রাজশাহী ও রংপুর বিভাগে গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টির আভাস দিয়েছে। দেশের বিভিন্ন স্থানে মেঘলা আকাশসহ আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকতে পারে।

    রোববার বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তরের আবহাওয়াবিদ মো. মনোয়ার হোসেনের সই করা বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

    এতে বলা হয়- উত্তর ওড়িশা ও এর কাছাকাছি এলাকায় অবস্থানরত স্থল নিম্নচাপটি উত্তর-উত্তরপশ্চিম দিকে অগ্রসর ও দুর্বল হয়ে লঘুচাপে পরিণত হয়ে গুরুত্বহীন হয়ে পড়েছে।

    এ অবস্থায় রোববার সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় রাজশাহী ও রংপুর বিভাগের দু’এক জায়গায় হালকা বৃষ্টি/গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি হতে পারে। এছাড়া দেশের অন্যত্র অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকতে পারে। এছাড়া সারা দেশে দিন এবং রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।

    সোমবার সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ সারা দেশের আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকতে পারে। সারা দেশে দিনের তাপমাত্রা সামান্য বৃদ্ধি পেতে পারে এবং রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।

    মঙ্গলবার সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় রাজশাহী, রংপুর ও ঢাকা বিভাগের দু’এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ বৃষ্টি/বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। এছাড়া দেশের অন্যত্র অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকতে পারে। সারা দেশে দিন এবং রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।

    এছাড়া বর্ধিত ৫ (পাঁচ) দিনে আবহাওয়ার উল্লেখযোগ্য পরিবর্তনের সম্ভাবনা নেই বলেও জানায় অধিদপ্তর।

  • ঘূর্ণিঝড় ‘দানা’, সবচেয়ে খারাপ প্রভাব পড়বে ভারতের ওড়িশায়

    ঘূর্ণিঝড় ‘দানা’, সবচেয়ে খারাপ প্রভাব পড়বে ভারতের ওড়িশায়

    বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট প্রবল ঘূর্ণিঝড় দানা ভারতের ওড়িশায় সর্বোচ্চ শক্তি নিয়ে আঘাত হানবে। এরপর এটি পশ্চিমবঙ্গের দিকে যাবে। বৃহস্পতিবার সর্বশেষ আপডেটে এই তথ্য জানিয়েছেন ভারতের আবহাওয়া বিভাগের মহাপরিচালক মৃত্যুঞ্জয় মহাপাত্র।

    বার্তাসংস্থা এএনআইকে মৃত্যুঞ্জয় বলেন, গতকাল বুধবার মধ্যরাতে ঘূর্ণিঝড় দানা প্রবল ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নেয় এবং উত্তর-উত্তরপশ্চিমাঞ্চলের দিকে সরে আসে। দুপুরে ঘূর্ণিঝড়টি উপকূল থেকে ২০০ কিলোমিটার দক্ষিণপূর্ব দিকে অবস্থান করছিল।

    তিনি আরও বলেন, ঘূর্ণিঝড়ের সবচেয়ে খারাপ প্রভাবটি পড়বে ওড়িশায়। এরপর যাবে পশ্চিমবঙ্গের উপকূলীয় বিভাগগুলোতে। কিন্তু দানা উপকূলে আঘাত হানার পর পশ্চিম-উত্তরপশ্চিমাঞ্চলের দিকে সরে যেতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এতে করে দক্ষিণ ঝারখণ্ডে বৃষ্টির পরিমাণ বাড়তে পারে। আমরা সেখানে ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টিপাতের পূর্বাভাস দিচ্ছি।

    এদিকে ঘূর্ণিঝড়টি আজ বৃহস্পতিবার রাতে ওড়িশায় প্রথম আঘাত হানবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। ওই সময় এটির বাতাতের গতিবেগ ঘণ্টায় ১২০ কিলোমিটার পর্যন্ত থাকতে পারে।

    ভারতের ওড়িশা এবং পশ্চিমবঙ্গ ছাড়া বাংলাদেশের উপকূলীয় জেলাগুলোতে ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাব পড়বে। ঘূর্ণিঝড়ের কারণে ইতিমধ্যে দেশের বিভিন্ন জায়গায় ব্যাপক বৃষ্টিপাত হচ্ছে।

    বঙ্গপোসাগরে উদ্ভূত প্রবল শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড় দানার আগমন এবং তার জেরে সম্ভাব্য ক্ষয়ক্ষতি এড়াতে তৎপরতা শুরু করেছে ওড়িশার রাজ্য সরকার। রাজ্যের ঝুঁকিতে থাকা বিভিন্ন থেকে মোট ১০ লাখ ৬০ হাজার ৩৩৬ জন মানুষকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়ার কাজ শুরু হয়েছে।

    ভারতীয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ১০ লক্ষ মানুষকে নিরাপদ জায়গায় সরানো প্রয়োজন। বাসিন্দাদের নিকটবর্তী ফ্লাড সেন্টারে পৌঁছানোর জন্য জেলা প্রশাসনকে সময়সীমা বেধে দিয়েছেন ওড়িশার মুখ্যমন্ত্রী মোহন চরণ মাঝি।

    ওই রাজ্যের বালেশ্বর, ভদ্রক এবং কেন্দ্রাপাড়ায় সবচেয়ে বেশি ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা রয়েছে। এই সমস্ত এলাকা থেকে বহু মানুষকে সরানো হয়েছে। ভুবনেশ্বরস্থিত বিজু পট্টনায়ক বিমানবন্দরে বৃহস্পতিবার বিকেল পাঁচটা থেকে ১৬ ঘণ্টার জন্য বিমান পরিষেবা বন্ধ থাকবে।

  • পায়রা সমুদ্রবন্দরের দিকে এগিয়েছে ঘূর্ণিঝড় ‘দানা’

    পায়রা সমুদ্রবন্দরের দিকে এগিয়েছে ঘূর্ণিঝড় ‘দানা’

    ঘূর্ণিঝড় ‘দানা’ বর্তমানে পায়রা সমুদ্রবন্দর থেকে ৫৯৫ কিলোমিটার দক্ষিণ-দক্ষিণপূর্বে অবস্থান করছে। বুধবার দুপুরে আবহাওয়া অধিদপ্তরের ৫ নম্বর বিশেষ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

    সকাল ৬টায় ‘দানা’ চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দর থেকে ৬৯৫ কিলোমিটার দক্ষিণ-দক্ষিণপশ্চিমে, কক্সবাজার সমুদ্রবন্দর থেকে ৬২০ কিলোমিটার দক্ষিণ-দক্ষিণপশ্চিমে, মোংলা সমুদ্রবন্দর থেকে ৬৯৫ কিলোমিটার দক্ষিণ-দক্ষিণপূর্বে এবং পায়রা সমুদ্রবন্দর থেকে ৬৪৫ কিলোমিটার দক্ষিণ-দক্ষিণপূর্বে অবস্থান করছিল।

    আবহাওয়াবিদ আবদুর রহমান জানিয়েছেন, পূর্বমধ্য বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থানরত ঘূর্ণিঝড় ‘দানা’ আরও পশ্চিম-উত্তরপশ্চিম দিকে অগ্রসর ও ঘনীভূত হয়ে একই এলাকায় (১৬.৭° উত্তর অক্ষাংশ এবং ৮৯.৪° পূর্ব দ্রাঘিমাংশ) অবস্থান করছে। এটি বুধবার দুপুর ১২টায় চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দর থেকে ৬৬৫ কিলোমিটার দক্ষিণ-দক্ষিণপশ্চিমে, কক্সবাজার সমুদ্রবন্দর থেকে ৬০০ কিলোমিটার দক্ষিণ-দক্ষিণপশ্চিমে, মোংলা সমুদ্রবন্দর থেকে ৬৪০ কিলোমিটার দক্ষিণ-দক্ষিণপূর্বে এবং পায়রা সমুদ্রবন্দর থেকে ৫৯৫ কিলোমিটার দক্ষিণ-দক্ষিণপূর্বে অবস্থান করছিল। ঘূর্ণিঝড়টি আরও পশ্চিম-উত্তরপশ্চিম দিকে অগ্রসর ও ঘনীভূত হতে পারে।

    আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, বর্তমানে ঘূর্ণিঝড় কেন্দ্রের ৫৪ কিলোমিটারের মধ্যে বাতাসের একটানা সর্বোচ্চ গতিবেগ ঘণ্টায় ৬২ কিলোমিটার, যা দমকা অথবা ঝোড়ো হাওয়ার আকারে ঘণ্টায় ৮৮ কিলোমিটার পর্যন্ত বৃদ্ধি পাচ্ছে। সেই সঙ্গে ঘূর্ণিঝড় কেন্দ্রের নিকটবর্তী এলাকায় সাগর খুবই উত্তাল রয়েছে।

    এ অবস্থায় চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রা সমুদ্রবন্দরকে ২ নম্বর দূরবর্তী হুঁশিয়ারি সংকেত নামিয়ে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে। সেই সঙ্গে উত্তর বঙ্গোপসাগর ও গভীর সাগরে অবস্থানরত মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারগুলোকে দ্রুত নিরাপদ আশ্রয়ে সরে যেতে বলা হয়েছে।

  • কাল থেকে টানা ৪ দিন বৃষ্টির আভাস

    কাল থেকে টানা ৪ দিন বৃষ্টির আভাস

    সারাদেশে টানা চার দিন বৃষ্টির আভাস দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। সংস্থাটি জানিয়েছে, আগামীকাল থেকে সারাদেশে টানা বৃষ্টি শুরু হবে, যা ৪ তারিখ পর্যন্ত চলবে।

    আগামী ২ ও ৩ অক্টোবর ঢাকাসহ চট্টগ্রাম বিভাগ এমনকি সারাদেশে বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া অফিস। সর্বোচ্চ ৭০ থেকে ৮০ মিলিমিটার পর্যন্ত বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। সোমবার ময়মনসিংহ ও সিলেটে বৃষ্টির সম্ভাবনা বেশি।

    আবহাওয়াবিদ আব্দুর রহমান জানিয়েছেন, মৌসুমি বায়ু প্রবাহের কারণে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। আগামীকাল দিবাগত রাত থেকে দেশের সিলেট বিভাগে, কুমিল্লা, নোয়াখালী, ফেনী ও চট্টগ্রাম অঞ্চলগুলোতে ভারী বৃষ্টিপাত শুরু হতে পারে। সেই বৃষ্টি আস্তে আস্তে পশ্চিম দিকে অগ্রসর হয়ে ঢাকা বিভাগে কোথাও-কোথাও ভারী, আবার কোথাও অতি ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।

    গত ২৪ ঘণ্টায় দেশের সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাতের রেকর্ড হয়েছে সিলেটে, ১১৩ মিলিমিটার। এসময় দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় মোংলায়, ৩৬.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

    মঙ্গলবারের পূর্বাভাসে বলা হয়েছে—ঢাকা, ময়মনসিংহ, সিলেট, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের অধিকাংশ জায়গায় এবং রংপুর, রাজশাহী ও খুলনা বিভাগের অনেক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। এ দিন সারা দেশে দিনের তাপমাত্রা সামান্য হ্রাস পেতে পারে এবং রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।

    তবে পরদিন বুধবার সারা দেশেই বৃষ্টিসহ ১ থেকে ৩ ডিগ্রি তাপমাত্রা কমতে পারে বলে পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে।

    এ মাসের শুরুতে দেওয়া আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়েছিল, এ মাসে স্বাভাবিক বৃষ্টি হতে পারে। আজ আবহাওয়া অফিস সূত্র জানাচ্ছে, বৃষ্টি হতে পারে স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি। গত আগস্ট মাসে স্বাভাবিকের চেয়ে ৪৬ শতাংশ বেশি বৃষ্টি হয়েছিল।

  • বৃষ্টি আরও বাড়তে পারে

    বৃষ্টি আরও বাড়তে পারে

    গত কয়েক দিন ধরে সারা দেশের অধিকাংশ অঞ্চলে বৃষ্টি হচ্ছে। এরই মধ্যে দেশের বেশ কিছু অঞ্চলে বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। সেই সঙ্গে আজ দিন ও রাতের তাপমাত্রায় তেমন পরিবর্তন ঘটলেও আগামীকাল থেকে সারা দেশে তাপমাত্রা কমতে পারে বলে জানানো হয়েছে।

    আবহাওয়া অধিদপ্তর বলেছে, আজ রাজধানীতে বৃষ্টি আরও হতে পারে। আগামীকাল মঙ্গলবার থেকে দেশের বিভিন্ন স্থানে বৃষ্টি বাড়তে পারে। এ বৃষ্টি থাকতে পারে আগামী মাসের অন্তত প্রথম চার দিন।

    সোমবার সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ৭২ ঘণ্টার আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে—আজ ময়মনসিংহ, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায়; ঢাকা ও বরিশাল বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় এবং রংপুর, রাজশাহী ও খুলনা বিভাগের দু-এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে।

    সেই সঙ্গে সারা দেশে দিন এবং রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।

    মঙ্গলবারের পূর্বাভাসে বলা হয়েছে—ঢাকা, ময়মনসিংহ, সিলেট, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের অধিকাংশ জায়গায় এবং রংপুর, রাজশাহী ও খুলনা বিভাগের অনেক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। এ দিন সারা দেশে দিনের তাপমাত্রা সামান্য হ্রাস পেতে পারে এবং রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।

    তবে পরদিন বুধবার সারা দেশেই বৃষ্টিসহ ১ থেকে ৩ ডিগ্রি তাপমাত্রা কমতে পারে বলে পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে।

    এ মাসের শুরুতে দেওয়া আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়েছিল, এ মাসে স্বাভাবিক বৃষ্টি হতে পারে। আজ আবহাওয়া অফিস সূত্র জানাচ্ছে, বৃষ্টি হতে পারে স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি। গত আগস্ট মাসে স্বাভাবিকের চেয়ে ৪৬ শতাংশ বেশি বৃষ্টি হয়েছিল।

    বেশি বৃষ্টি ও উজান থেকে আসা পাহাড়ি ঢলে ২০ আগস্টের ২০ পর থেকে দেশের দক্ষিণ–পূর্ব ও উত্তর–পূর্বাঞ্চলের অন্তত ১১ জেলায় বন্যার সৃষ্টি হয়।

  • দাবদাহের মধ্যে স্বস্তির বৃষ্টি

    দাবদাহের মধ্যে স্বস্তির বৃষ্টি

    রাজধানীতে কয়েক দিনের দাবদাহের মধ্যে স্বস্তির বৃষ্টি নেমেছে। সকাল থেকে কখনো জোরালো বৃষ্টি আবার কখনো থেমে থেমে চলা বৃষ্টিতে বহু মানুষকে দেখা গেছে ছাতা মাথায়। বৃষ্টি হতে পারে সেটি আঁচ করতে পারেননি অনেকেই। তারা সকালে ছাতা ছাড়াই কাজে বেরিয়ে পড়েছেন। এতে ভোগান্তিতে পড়েছেন অফিসগামীসহ বিভিন্ন গন্তব্যের উদ্দেশে পথে বের হওয়া ব্যস্ত নগরের মানুষ।

    বুধবার সারা দেশেই কম-বেশি বৃষ্টি হচ্ছে জানিয়ে আবহাওয়াবিদ হাফিজুর রহমান জানান, সকাল ৯টা পর্যন্ত ২৬ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়েছে ঢাকায়। তবে বৃষ্টি মূলত শুরু হয়েছে ৯টার পর, সারাদিনই এমন বৃষ্টি থাকবে।

    এমন বৃষ্টি বৃহস্পতিবারও দিনভর ঝরবে বলে জানিয়েছেন হাফিজুর রহমান।

    বুধবার দেখা গেছে, কেউ কেউ মেট্রো থেকে নেমে রিকশায় উঠতে গিয়েই অনেকটা ভিজে গেছেন। আবার বৃষ্টির আগেই বাসা থেকে বের হয়েছেন। বৃষ্টি হতে পারে তখন সেটি ভাবেননি। সঙ্গে ছাতাও নেননি। বৃষ্টি শুরু হয়েছে, ভিজে ভিজে ফিরতে হচ্ছে। এতে অসুস্থ হয়ে পড়তে পারেন। অবশ্য কাউকে কাউকে ছাতা নিয়ে গন্তব্যে যেতে দেখা যায়।

    এদিকে দিনভর বৃষ্টিতে জাহাঙ্গীর গেট এলাকায় পানি জমতে দেখা গেছে। ঢাকার শাহবাগ, ফার্মগেট, বাংলামোটর, মিরপুর-১০ নম্বর এসব এলাকার কোথাও পানি জমতে দেখা যায়নি।

    বৃষ্টির কারণে রাস্তায় হঠাৎ করে মানুষজন কমে যাওয়ায় বিপাকে পড়েছেন মিরপুর-১২ নম্বর এলাকার ফুটপাতের চা বিক্রেতারা। যেখানে লোকজনের ভিড় থাকত; কিন্তু বৃষ্টির কারণে লোক নেই।

    আবহাওয়ার নিয়মিত বুলেটিনে বলা হয়েছে, বুধবার সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় রংপুর, রাজশাহী, ঢাকা, ময়মনসিংহ, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অধিকাংশ জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারি থেকে অতি ভারি বৃষ্টি হতে পারে।

    সারা দেশে দিনের তাপমাত্রা ২ থেকে ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস কমতে পারে এবং রাতের তাপমাত্রা ১ থেকে ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস কমতে পারে বলে আবহাওয়ার পূর্বাভাসে জানা গেছে।

  • বৃষ্টি কবে থামবে, জানাল আবহাওয়া অধিদপ্তর

    বৃষ্টি কবে থামবে, জানাল আবহাওয়া অধিদপ্তর

    হালকা থেকে ভারী, গত কয়েকদিন ধরে দেশের অধিকাংশ জায়গায় ঝরছে বৃষ্টি। মাঝেমধ্যে একটুআধটু বিরতি নিলেও দিনের অধিকাংশ সময়ই ছিল বর্ষণমুখর। এর ফলে জলাবদ্ধতার পাশাপাশি জনজীবনে ব্যঘাত ঘটছে।

    আবহাওয়া অফিস বলছে, রোববারের সারারাত বৃষ্টি অব্যাহত থাকবে। আগামীকাল দুপুর নাগাদ কিছুটা স্বাভাবিক হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

    আবহাওয়াবিদ মো. বজলুর রশিদ গণমাধ্যমে বলেন, নিম্নচাপের প্রভাবে সারাদেশেই কমবেশি বৃষ্টি হচ্ছে। এর মধ্যে সকাল থেকে বিকেল ৩টা পর্যন্ত ঢাকায় ২৮ মিলিমিটার বৃষ্টি রেকর্ড করা হয়েছে। রোববার রাতভর বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। আমরা ধারণা করছি, আগামীকাল দুপুরের পর থেকে আবহাওয়ার উন্নতি হবে। তবে এখনও বাংলাদেশের সমুদ্রগুলোর জন্য তিন নম্বর স্থানীয় সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।

    এর আগে, সকালে প্রকাশিত ৭২ ঘণ্টা আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বর্তমান বৃষ্টিস্নাত আবহাওয়া শিগগিরই পরিবর্তনের উল্লেখযোগ্য তেমন কোনো সম্ভাবনা নেই বলে উল্লেখ করেছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।

  • বঙ্গোপসাগরে নিম্নচাপ, পায়রায় ৩ নম্বর সংকেত

    বঙ্গোপসাগরে নিম্নচাপ, পায়রায় ৩ নম্বর সংকেত

    পশ্চিম মধ্য-বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগর এলাকায় অবস্থানরত সুস্পষ্ট লঘুচাপটি উত্তর-পশ্চিম দিকে অগ্রসর ও ঘনীভূত হয়ে নিম্নচাপ আকারে একই এলাকায় অবস্থান করছে।

    রোববার ভোর ৬টায় নিম্নচাপটি পায়রা সমুদ্র বন্দর থেকে ৫৭৫ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে অবস্থান করছিল। এটি আরও উত্তর-পশ্চিম দিকে অগ্রসর ও ঘনীভূত হতে পারে। তাই পায়রা সমুদ্র বন্দরকে তিন নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে।

    আবহাওয়া অধিদপ্তরের এক নম্বর বিশেষ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

    এ নিম্নচাপের প্রভাবে উপকূলীয় পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালী ও পায়রা সমুদ্র বন্দর এলাকায় রোববার সকাল থেকে কোনো বৃষ্টিপাত হয়নি। নদ-নদী ও সাগরের অবস্থাও ছিল অনেকটা স্বাভাবিক। দিনভর রৌদ্রোজ্জ্বল আবহাওয়া বিরাজ করছিল। ছিল ভ্যাপসা গরমও।

    আবহাওয়া অফিস বলছে, নিম্নচাপের প্রভাবে উত্তর বঙ্গোপসাগর এলাকায় বায়ুচাপের তারতম্যের আধিক্য বিরাজ করছে। উত্তর বঙ্গোপসাগর, উপকূলীয় এলাকা এবং সমুদ্র বন্দরের ওপর দিয়ে দমকা অথবা ঝড়োহাওয়া বয়ে যেতে পারে।

    নিম্নচাপ কেন্দ্রের ৪৪ কিলোমিটারের মধ্যে বাতাসের সর্বোচ্চ একটানা গতিবেগ ঘণ্টায় ৪০ কিলোমিটার; যা দমকা অথবা ঝড়ো হাওয়ার আকারে ৫০ কিলোমিটার পর্যন্ত বৃদ্ধি পাচ্ছে। উত্তর বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারসমূহকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত উপকূলের কাছাকাছি থেকে সাবধানে চলাচল করতে বলা হয়েছে।

  • বঙ্গোপসাগরে লঘুচাপ, তিন বিভাগে ভারী বৃষ্টির আভাস

    বঙ্গোপসাগরে লঘুচাপ, তিন বিভাগে ভারী বৃষ্টির আভাস

    পশ্চিম-মধ্য বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন উত্তরপশ্চিম বঙ্গোপসাগর এলাকায় একটি লঘুচাপ সৃষ্টি হয়েছে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর।

    বৃহস্পতিবার (৫ সেপ্টেম্বর) সকালে আবহাওয়ার পূর্বাভাসে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

    এতে বলা হয়েছে, পশ্চিম-মধ্য বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন উত্তরপশ্চিম বঙ্গোপসাগর এলাকায় একটি লঘুচাপ সৃষ্টি হয়েছে। মৌসুমি বায়ুর অক্ষের বর্ধিতাংশ রাজস্থান, উত্তর প্রদেশ, বিহার, পশ্চিমবঙ্গ ও বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চল হয়ে আসাম পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে। মৌসুমি বায়ু বাংলাদেশের ওপর মোটামুটি সক্রিয় এবং উত্তর বঙ্গোপসাগরে মাঝারি অবস্থায় রয়েছে।

    আগামী ২৪ ঘণ্টার বৃষ্টিপাতের বিষয়ে বলা হয়েছে, রংপুর, রাজশাহী, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় এবং ঢাকা, খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে রংপুর, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী থেকে ভারী বর্ষণ হতে পারে।

    এ সময়ে সারাদেশে দিন এবং রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।

    শুক্রবারের (৬ সেপ্টেম্বর) আবহাওয়ার বিষয়ে বলা হয়েছে, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় এবং রাজশাহী, রংপুর, ঢাকা, খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী থেকে ভারী বর্ষণ হতে পারে। সারাদেশে দিন এবং রাতের তাপমাত্রা সামান্য বৃদ্ধি পেতে পারে।

  • বন্যার মধ্যেই দেশের বেশিরভাগ জায়গায় বৃষ্টির আভাস

    বন্যার মধ্যেই দেশের বেশিরভাগ জায়গায় বৃষ্টির আভাস

    বন্যার মধ্যেই দেশের বেশিরভাগ জায়গায় বৃষ্টির আভাস দিয়েছে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর। সেই সঙ্গে দেশের কোথাও কোথাও ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টিও হতে পারে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।

    বন্যার মধ্যেই দেশের বেশিরভাগ জায়গায় বৃষ্টির আভাস দিয়েছে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর। সেই সঙ্গে দেশের কোথাও কোথাও ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টিও হতে পারে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।

    সংস্থাটি জানায়, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশের সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে কক্সবাজারে ২৭৫ মিলিমিটার। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ১৯৪ মিলিমিটার বৃষ্টি রেকর্ড করা হয়েছে কুমিল্লাতে। 

    এছাড়া ফেনীতে গত ২৪ ঘণ্টায় কোনো বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়নি বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অফিস।

    আগামীকাল শুক্রবার (২৩ আগস্ট) সন্ধ্যা ৬টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় রংপুর, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় এবং রাজশাহী, ঢাকা ও ময়মনসিংহ বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা/ঝোড়ো হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি/বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী থেকে অতি ভারী বর্ষণ হতে পারে। এর ফলে সারা দেশে দিনের তাপমাত্রা সামান্য বৃদ্ধি পেতে পারে এবং রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।

    আগামী শনিবার (২৪ আগস্ট) সন্ধ্যা ৬টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের অধিকাংশ জায়গায়। রংপুর ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় এবং রাজশাহী, ঢাকা ও ময়মনসিংহ বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা/ঝোড়ো হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি/বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী থেকে ভারী বর্ষণ হতে পারে। এছাড়া আগামী পাঁচদিনের মধ্যে বৃষ্টিপাতের প্রবণতা কমে যেতে পারে।