Category: আবহাওয়া

  • বন্যায় চার জেলায় ৮ জনের মৃত্যু

    বন্যায় চার জেলায় ৮ জনের মৃত্যু

    টানা ভারী বৃষ্টি ও বাঁধ খুলে দেওয়ায় ভারত থেকে নেমে আসা উজানের ঢলে ফেনী, নোয়াখালী, কুমিল্লা, লক্ষ্মীপুর, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, কক্সবাজার, খাগড়াছড়ি, চট্টগ্রাম, হবিগঞ্জ, মৌলভীবাজারে দেখা দিয়েছে ভয়াবহ বন্যা। বন্যার পানিতে লাখ লাখ মানুষের বাড়িঘর-ফসলি জমি তলিয়ে গেছে। সেসব এলাকায় তৈরি হয়েছে মানবিক বিপর্যয়। এর মধ্যে চার জেলায় আটজনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে।

    চলমান বন্যায় কুমিল্লায় এখন পর্যন্ত চারজনের মৃত্যু হয়েছে। এদের মধ্যে দুজন বন্যার পানিতে তলিয়ে, একজন বৃষ্টির মধ্যে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে এবং একজন মাথায় গাছ পড়ে মারা গেছেন।

    মৃতরা হলেন- নাঙ্গলকোট পৌরসভার দাউদপুর এলাকার কেরামত আলী (৪৫), কুমিল্লা শহরের ছোট এলাকার কিশোর রাফি (১৫), চৌদ্দগ্রাম উপজেলার সোনাকাটিয়া গ্রামের কানু মিয়ার ছেলে শাহাদাত হোসেন (৩৪) এবং লাকসামে পানিতে তলিয়ে মারা যাওয়া শিশুর নাম-পরিচয় জানা যায়নি।

    স্থানীয়দের বরাত দিয়ে নাঙ্গলকোট থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) দেবাশীষ চৌধুরী জানান, বুধবার রাতে মাছ ধরতে গিয়ে স্থানীয় একটি সেতুর নিচে তলিয়ে যান নাঙ্গলকোটের দাউদপুর এলাকার কেরামত আলী। প্রবল স্রোতে হারিয়ে গেলে স্থানীয় লোকজন তাকে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। কিছুক্ষণ পর ঘটনাস্থল থেকে একটু দূরে তার মরদেহ ভেসে ওঠে। স্থানীয় লোকজন তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

    এদিকে বুধবার (২১ আগস্ট) বিকেলে বৃষ্টির মধ্যে বৈদ্যুতিক খুঁটির সঙ্গে লেগে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে রাফি (১৫) নামে কুমিল্লা নগরের এক কিশোর মারা যায়। কুমিল্লা জেনারেল হাসপাতালের চিকিৎসক যোবায়ের হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

    চৌদ্দগ্রামে বন্যার পানিতে মাছ ধরার সময় গাছ পড়ে শাহাদাত হোসেন (৩৪) নামের এক প্রবাসী মারা যান। বুধবার সকালে চৌদ্দগ্রাম পৌরসভার সোনাকাটিয়া (আদর্শ গ্রাম) পূর্বপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। চৌদ্দগ্রাম থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ত্রিনাথ সাহা বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

    এর আগে গত সোমবার বিকেলে সোহরাব হোসেন নামে এক আইনজীবী বৃষ্টির মধ্যে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মারা যান। কুমিল্লা নগরীর সালাউদ্দিন মোড়ে অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রীকে ডায়াগনস্টিক সেন্টারে রেখে বের হলে বৃষ্টির পানিতে পড়ে থাকা বৈদ্যুতিক তারে জড়িয়ে তিনি মারা যান। কোতোয়ালি মডেল থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফিরোজ হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

    টানা কয়েক দিনের বৃষ্টি ও উজানের ঢলে কক্সবাজারে দুই শতাধিক গ্রাম প্লাবিত হয়ে অন্তত ৩ লাখ মানুষ পানিবন্দি। এসব এলাকার আঞ্চলিক ও গ্রামীণ সড়ক পানিতে ডুবে যান চলাচল বন্ধ হয়ে গেছে। এ ছাড়া পানিতে ভেসে গিয়ে দুইজনের মৃত্যু হয়েছে।

    বৃহস্পতিবার (২২ আগস্ট) তাদের মৃত্যু হয়। নিহতরা হলেন- রামু উপজেলার সাচিং মারমা (২৬) ও আমজাদ হোছন (২২)।

    এদিকে ঈদগাঁও, চকরিয়া-পেকুয়া আর রামুতে বন্যা পরিস্থিতির অবনতি হয়েছে। পানিতে তলিয়ে গেছে ঘরবাড়ি ও দোকানপাট। নিরাপদ আশ্রয়ে ছুটছেন এসব উপজেলার শতাধিক গ্রামের মানুষ।

    রামু উপজেলার গর্জনিয়ার ক্যাজরবিল, ডেঙ্গারচর, পশ্চিম বোমাংখিল, জুমপাড়া, পাতালবরপাড়া, রাজঘাট, জাউচপাড়া, মরিচ্যাচার, জুমছড়ি, পূর্বজুমছড়ি, মইন্যাকাটা, পূর্ববোমাংখিল, বোমাংখিল ও মাঝিরকাটার একাংশের বাসিন্দারা পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন।

    রামুর বাসিন্দা রোমান বলেন, টানা বৃষ্টিতে রামুর বিভিন্ন নিম্ন অঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। এ ছাড়া ঢলের পানির স্রোতে ভেসে গিয়ে দুইজনের মৃত্যু হয়েছে।

    রামু থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু তাহের দেওয়ান বলেন, টানা কয়েক দিনের ভারী বৃষ্টিতে রামুর বিভিন্ন নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। এ ছাড়া ঢলের পানির স্রোতে ভেসে গিয়ে দুইজনের মৃত্যু হয়েছে।

    ঈঁদগাও উপজেলার ইসলামাবাদ, পোকখালী ও ইসলামপুর এলাকার মানুষও পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন। ভেসে গেছে মাছের ঘের, গবাদিপশুর খামার।

    যুব রেড ক্রিসেন্টের টিম লিডার আজিজুল ইসলাম আরজু বলেন, পাহাড়ি ঢলের পানিতে অনেক মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন। তারা রান্না করতে পারছেন না। এই মুহূর্তে ত্রাণ তৎপরতা দরকার।

    কক্সবাজার জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ শাহীন ইমরান বলেন, টানা বৃষ্টিতে কক্সবাজারের কয়েকটি উপজেলার নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। সেখানে উদ্ধার কার্যক্রম ও শুকনো খাবার দেওয়ার প্রস্তুতি চলছে।

    ফেনীর ফুলগাজী উপজেলায় বন্যার পানিতে ডুবে একজন মারা গেছেন। তবে তার পরিচয় জানা যায়নি।

    দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়টি বিষয়টি জানিয়েছে।

    আজ বৃহস্পতিবার মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, গত মঙ্গলবার থেকে আজ বৃহস্পতিবার পর্যন্ত বন্যায় কুমিল্লা, ফেনী, চট্টগ্রাম, খাগড়াছড়ি, নোয়াখালী, মৌলভীবাজারের ১ লাখ ৮৯ হাজার ৬৬৩টি পরিবার পানিবন্দি হয়ে পড়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ১৭  লাখ ৯৬ হাজার ২৪৮ জন।

    ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়ায় পাহাড়ি ঢলে সৃষ্ট বন্যার পানিতে ডুবে সুবর্ণা আক্তার নামে এক অন্তঃসত্ত্বা নারীর মৃত্যু হয়েছে। বুধবার দুপুর ২টার দিকে উপজেলার সদর ইউনিয়নের বীরচন্দ্রপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। সুর্বণা আক্তার বীরচন্দ্রপুর গ্রামের পারভেজ মিয়ার স্ত্রী।

    স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার (২০ আগস্ট) রাত থেকে আখাউড়ায় ভারী বর্ষণ শুরু হয়। বুধবার সকাল থেকে আখাউড়া স্থলবন্দরের পাশ বয়ে যাওয়া খাল দিয়ে ভারত থেকে তীব্র বেগে পানি ঢুকতে থাকে। এক পর্যায়ে পুরো স্থলবন্দর এলাকা পানিতে প্লাবিত হয়। এত বন্ধ হয়ে যায় বন্দরের যাত্রী পারাপার ও আমদানি-রপ্তানির কাজ।

    পাহাড়ি ঢলের পানি গ্রামেও ঢুকে পড়েছে। পানি সুবর্ণাদের ঘরে ঢুকে পড়ে। সুবর্ণার ভাই তাদের নিরাপদ আশ্রয়ে নেওয়ার জন্য প্রথমে তার প্রথম সন্তানকে ঘর থেকে রাস্তায় রেখে আসতে যান। পরবর্তীতে সুবর্ণাকে নিয়ে যাওয়ার কথা ছিল তার। তবে সুবর্ণা তাড়াহুড়ো করে ঘর থেকে বের হতে গিয়ে হোঁচট খেয়ে পানিতে পড়ে ডুবে যান। পরে তার ভাই ও স্থানীয় লোকজন তাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

    আখাউড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা (আরএমও) লুৎফুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেন জানান, সুবর্ণাকে অচেতন অবস্থায় হাসপাতালে আনা হয়। স্বজনরা জানিয়েছেন তিনি পাহাড়ি ঢলের পানিতে পড়ে গিয়ে ডুবে যান। তবে হাসপাতালে আনার আগেই সুবর্ণার মৃত্যু হয়।

  • ৮ জেলা বন্যাকবলিত, আরও বিস্তৃত হতে পারে

    ৮ জেলা বন্যাকবলিত, আরও বিস্তৃত হতে পারে

    দেশের মধ্যে ভারী বৃষ্টি এবং উজান থেকে নেমে আসা ঢলে দেশের আট জেলা বন্যাকবলিত হয়েছে। বন্যা আরও নতুন নতুন অঞ্চলে বিস্তৃত হতে পারে বলে জানিয়েছে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়।

    বুধবার (২১ আগস্ট) বিকেলে সচিবালয়ে চলমান বন্যা পরিস্থিতি নিয়ে প্রেস ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব কে এম আলী রেজা।

    তিনি বলেন, দেশের সুনামগঞ্জ, মৌলভীবাজার, হবিগঞ্জ, ফেনী, চট্টগ্রাম, নোয়াখালী, কুমিল্লা ও খাগড়াছড়ি জেলা বন্যাকবলিত হয়েছে।

    অতিরিক্ত সচিব বলেন, আবহাওয়া সংস্থাগুলোর তথ্য অনুযায়ী, আগামী ৪৮ ঘণটায় দেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চল ও তৎসংলগ্ন উজানে মাঝারি থেকে ভারী বৃষ্টিপাতের পূর্বাভাস রয়েছে। ফলে এ সময় উত্তর-পূর্বাঞ্চলের সিলেট, সুনামগঞ্জ, নেত্রকোনা, মৌলভীবাজার ও হবিগঞ্জ জেলার প্রধান নদীসমূহের পানি সমতল কতিপয় পয়েন্টে সময় বিশেষে বৃদ্ধি পেতে পারে।

    তিনি বলেন, দেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চল ও পূর্বাঞ্চলের প্রধান নদীগুলোর পানি এই মুহূর্তে বাড়ছে।

    কুশিয়ারা, মনু, ধলাই, খোয়াই, মুহুরী, ফেনী, হালদা নদীর পানি ৭টি স্টেশনে বিপৎসীমার ওপর দিয়ে পানি প্রবাহিত হচ্ছে বলেও জানিয়েছেন আলী রেজা।

  • এপ্রিলে অতি তীব্র তাপপ্রবাহের সঙ্গে হতে পারে ঘূর্ণিঝড়- আবহাওয়া অফিস

    এপ্রিলে অতি তীব্র তাপপ্রবাহের সঙ্গে হতে পারে ঘূর্ণিঝড়- আবহাওয়া অফিস

    শুরু হওয়া এপ্রিল মাসের জন্য খুব একটা সুখবর নেই আবহাওয়া অফিসের কাছে। তাদের পূর্বাভাস বলছে, চলতি মাসে বঙ্গোপসাগরে এক থেকে দুটি লঘুচাপ সৃষ্টি হতে পারে। এর মধ্যে একটি নিম্নচাপ শক্তিশালী হয়ে ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিতে পারে।

    পাশাপাশি এক থেকে তিন দিন তীব্র কালবৈশাখি ঝড় হওয়ার আশঙ্কার কথাও জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। এপ্রিল মাসের জন্য আবহাওয়া অফিসের দীর্ঘমেয়াদি পূর্বাভাসে এসব তথ্য জানানো হয়।

    চলতি মাসে দেশে দুই থেকে চারটি মৃদু (৩৬ থেকে ৩৭.৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস) থেকে মাঝারি (৩৮ থেকে ৩৯.৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস) এবং এক থেকে দুটি তীব্র (৪০ থেকে ৪১ ডিগ্রি সেলসিয়াস) থেকে অতিতীব্র (৪২ ডিগ্রি সেলসিয়াসের কম বেশি) তাপপ্রবাহ বয়ে যেতে পারে।

    পূর্বাভাসে আরও বলা হয়, এপ্রিল মাসে দেশে স্বাভাবিকের চেয়ে কম বৃষ্টিপাত হতে পারে। এ মাসে দেশে পাঁচ থেকে সাত দিন বিক্ষিপ্তভাবে শিলাসহ বৃষ্টি বা বজ্রবৃষ্টিসহ হালকা বা মাঝারি ধরনের কালবৈশাখি ঝড় হতে পারে।

    এ মাসে দিনের তাপমাত্রা স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি এবং রাতের তাপমাত্রা স্বাভাবিক থাকতে পারে। এপ্রিল মাসে দেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চল ও আশেপাশের উজানে মাঝারি থেকে ভারী বৃষ্টিপাতের ফলে দেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের নদ-নদীগুলোর পানির উচ্চতা সময় বিশেষে দ্রুত বাড়তে পারে। পাশাপাশি স্বল্পমেয়াদী আকস্মিক বন্যা পরিস্থিতিও সৃষ্টি হতে পারে।

    এদিকে সোমবার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে মংলায় ও ঈশ্বরদীতে ৩৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস। আর সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে নিকলিতে ১৮.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

    সোমবার সন্ধ্যা ৬টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার পূর্বাভাসে বলা হয়, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের দু’এক জায়গায় অস্থায়ী দমকা বা ঝড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেইসঙ্গে কোথাও কোথাও বিক্ষিপ্তভাবে শিলা বৃষ্টি হতে পারে।

    এই সময়ে নীলফামারী ও দিনাজপুর জেলাসহ রাজশাহী, ঢাকা, খুলনা ও বরিশাল বিভাগের ওপর দিয়ে যে মৃদু থেকে মাঝারি ধরনের তাপ প্রবাহ বয়ে যাচ্ছে তা অব্যাহত ও বিস্তার লাভ করতে পারে। জলীয় বাষ্পের আধিক্যের কারণে অস্বস্তি বাড়তে পারে। সারা দেশে দিনের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে এবং রাতের তাপমাত্রা সামান্য হ্রাস পেতে পারে।

  • দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১২ ডিগ্রি, আগামীকাল থেকে শৈত্যপ্রবাহের আভাস

    দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১২ ডিগ্রি, আগামীকাল থেকে শৈত্যপ্রবাহের আভাস

    অনলাইন ডেস্ক ::: বুধবার (১৩ ডিসেম্বর) রংপুরে গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি হতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। একইসঙ্গে রাতের তাপমাত্রা সর্বোচ্চ ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস কমে শীত আরও বাড়তে পারে। বৃহস্পতিবার (১৪ ডিসেম্বর) থেকে রাজশাহী ও খুলনা অঞ্চলে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ শুরু হতে পারে বলেও জানিয়েছেন আবহাওয়াবিদরা।

    বুধবার সকালে দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১২ ডিগ্রি সেলসিয়াস ছিল রাজশাহীতে। ঢাকায় আজ সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৬ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

    একদিন আগে দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১১ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস ছিল পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায়। ঢাকায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১৬ দশমিক ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস। আজকে তেঁতুলিয়ায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১২ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

    বুধবার সকাল ৯টা থেকে আগামী ২৪ ঘণ্টার আবহাওয়ার পূর্বাভাস তুলে ধরে আবহাওয়াবিদ মো. ওমর ফারুক জানান, অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ সারাদেশের আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকতে পারে, তবে রংপুর বিভাগের কোথাও কোথাও গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। মধ্যরাত থেকে সকাল পর্যন্ত সারাদেশে মাঝারী থেকে ঘন কুয়াশা পড়তে পারে।

    এ সময়ে সারাদেশে রাতের তাপমাত্রা ১ থেকে ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস কমতে পারে এবং দিনের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে বলেও জানান তিনি।

    তিনি আরও জানান, দেশের পশ্চিমাঞ্চল (খুলনা অঞ্চল) ও উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের (রাজশাহী অঞ্চল) কোথাও কোথাও মৃদু শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যেতে পারে।

    বৃহস্পতি এবং শুক্রবার শীত আর বাড়তে পারে, কিন্তু শনিবার তাপমাত্রা বেড়ে শীত কমতে পারে বলেও জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।

    মঙ্গলবার দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩১ ডিগ্রি সেলসিয়াস ছিল টেকনাফে। ঢাকায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ২৪ দশমিক ১ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

  • বরিশাল সহ সারাদেশে বৃষ্টির সম্ভাবনা, কমতে পারে দিনের তাপমাত্রা

    বরিশাল সহ সারাদেশে বৃষ্টির সম্ভাবনা, কমতে পারে দিনের তাপমাত্রা

    দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে আজ বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই বৃষ্টি হচ্ছে। ভারতের অন্ধ্র প্রদেশ রাজ্যে আঘাত হানা ঘূর্ণিঝড় মিগজাউমের কারণেই এ বৃষ্টি। আবহাওয়া অধিদপ্তর আজ বেলা ১টা পর্যন্ত দেওয়া পূর্বাভাসে বলেছে, ঢাকাসহ দেশের ১৭ অঞ্চলে বৃষ্টি ও ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। এসব অঞ্চলের নদীবন্দরগুলোকে ১ নম্বর সতর্কসংকেত দেখাতে বলেছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।

    যে ১৭ জেলায় বৃষ্টি ও ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যাওয়ার পূর্বাভাস আছে, সেগুলো হলো রাজশাহী, রংপুর, পাবনা, বগুড়া, টাঙ্গাইল, ময়মনসিংহ, ঢাকা, ফরিদপুর, যশোর, কুষ্টিয়া, খুলনা, বরিশাল, পটুয়াখালী, নোয়াখালী, কুমিল্লা, চট্টগ্রাম ও সিলেট।

    অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরগুলোর জন্য দেওয়া আবহাওয়া অধিদপ্তরের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, এসব অঞ্চলগুলোর ওপর দিয়ে পূর্ব বা দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে অস্থায়ীভাবে দমকা বা ঝোড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। এসব এলাকার নদীবন্দরগুলোকে ১ নম্বর সতর্কসংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।

    গতকাল বুধবার দেশের বিভিন্ন স্থানে মিগজাউমের প্রভাবে বৃষ্টি হয়েছে। এর মধ্যে সর্বোচ্চ বৃষ্টি হয় দিনাজপুরে, ৩ মিলিমিটার। রাজধানীতে বৃষ্টি হয়েছে সামান্য।
    আবহাওয়া অধিদপ্তরের আবহাওয়াবিদ মো. তরিফুল নেওয়াজ কবীর গতকাল বলেন, দেশের দক্ষিণের জেলাগুলোয় বেশি বৃষ্টি হতে পারে। মূলত, এটি ঘূর্ণিঝড় মিগজাউমের প্রভাব। এ ছাড়া দেশের বিভিন্ন স্থানে কমবেশি বৃষ্টি হতে পারে। এতে সারা দেশে রাতের তাপমাত্রা সামান্য ও দিনের তাপমাত্রা ১ থেকে ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস কমতে পারে।

    চলতি বছর এ পর্যন্ত তিনটি ঘূর্ণিঝড় হয়েছে বাংলাদেশে। গত ১৪ মে আঘাত হানে ঘূর্ণিঝড় ‘মোখা’। ২৪ অক্টোবর রাতে ঘূর্ণিঝড় ‘হামুন’ চট্টগ্রাম-কক্সবাজার উপকূলে আঘাত হানে। এরপর ১৭ নভেম্বর আঘাত হানে ঘূর্ণিঝড় ‘মিধিলি’। এরপর ঘূর্ণিঝড় ‘মিগজাউম’ আঘাত করল ভারতের উপকূলে।

    গত নভেম্বর মাসে স্বাভাবিকের চেয়ে তাপমাত্রা বেশি ছিল। ডিসেম্বরের প্রায় এক সপ্তাহ চলে গেলেও শীত তেমন পড়েনি। এ বিষয়ে আবহাওয়াবিদ বজলুর রশীদ গতকাল বলেন, বৃষ্টির পর দুই দিন শীত বেশি পড়বে না। তাপমাত্রা এখনকার মতোই থাকবে। আজ বৃষ্টির কারণে শীত অনুভূত হতে পারে খানিকটা। বৃষ্টি চলে যাওয়ার দুই দিন পর পর্যন্ত বাতাসে আর্দ্রতা থাকবে। তাই তাপমাত্রা কমবে না তেমন। তবে দুই দিনের মধ্যে আর্দ্রতা কমে গেলে আগামী সোমবার থেকে শীত বাড়তে পারে।

  • ১৫ অঞ্চলের নদীবন্দরে সতর্কতা সংকেত

    ১৫ অঞ্চলের নদীবন্দরে সতর্কতা সংকেত

    দেশের ১৫টি অঞ্চলের ওপর দিয়ে ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। তাই সেসব এলাকার নদীবন্দরগুলোতে এক নম্বর সতর্কতা সংকেত তোলা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৭ সেপ্টেম্বর) এমন পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া অফিস।

    আবহাওয়াবিদ মো. তরিফুল নেওয়াজ কবির জানিয়েছেন- রাজশাহী, পাবনা, টাঙ্গাইল, ময়মনসিংহ, ঢাকা, যশোর, কুষ্টিয়া, খুলনা, বরিশাল, পটুয়াখালী, নোয়াখালী, কুমিল্লা, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার এবং সিলেট অঞ্চলসমূহের ওপর দিয়ে দক্ষিণ/দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫-৬০ কিলোমিটার বেগে অস্থায়ীভাবে দমকা/ঝোড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি/বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। এসব এলাকার নদীবন্দরসমূহকে এক নম্বর সতর্কতা সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।

    অন্য এক পূর্বাভাসে বলা হয়েছে- উত্তরপশ্চিম বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন অন্ধ্র-উড়িষ্যা উপকূলের অদূরে পশ্চিম-মধ্য বঙ্গোপসাগর এলাকায় অবস্থানরত লঘুচাপটি গুরুত্বহীন হয়ে পড়েছে। মৌসুমি বায়ুর অক্ষ রাজস্থান, মধ্যপ্রদেশ, ছত্রিশগড়, উড়িষ্যা, গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গ ও বাংলাদেশের মধ্যাঞ্চল হয়ে আসাম পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে। এর একটি বর্ধিতাংশ উত্তর বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে। মৌসুমি বায়ু বাংলাদেশের ওপর মোটামুটি সক্রিয় ও উত্তর বঙ্গোপসাগরে মাঝারি অবস্থায় রয়েছে।

    আগামী শুক্রবার (৮ সেপ্টেম্বর) সকাল পর্যন্ত ময়মনসিংহ, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অধিকাংশ জায়গায় এবং রংপুর, রাজশাহী ও ঢাকা বিভাগের অনেক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি/বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী থেকে ভারী বর্ষণ হতে পারে।

    ঢাকা, টাঙ্গাইল, কিশোরগঞ্জ, রাজশাহী, বগুড়া, সিরাজগঞ্জ ও সিলেট জেলাসহ রংপুর বিভাগের ওপর দিয়ে মৃদু তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে এবং তা কিছু কিছু জায়গা থেকে প্রশমিত হতে পারে।

    এছাড়া আগামী শুক্রবারের পূর্বাভাসে বলা হয়েছে- রংপুর, ময়মনসিংহ, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অধিকাংশ জায়গায় এবং রাজশাহী, ঢাকা, খুলনা ও বরিশাল বিভাগের অনেক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি/বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী থেকে ভারী বর্ষণ হতে পারে।

    অন্যদিকে আগামী শনিবারের (৯ সেপ্টেম্বর) পূর্বাভাসে বলা হয়েছে- রংপুর, ময়মনসিংহ, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় এবং রাজশাহী, ঢাকা, খুলনা ও বরিশাল বিভাগের দুয়েক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি/বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে।

    সেই সঙ্গে দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী বর্ষণ হতে পারে। সারাদেশে দিনের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে ও রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।

  • বরিশালসহ দেশের ৬ বিভাগে বজ্রসহ বৃষ্টির আভাস

    বরিশালসহ দেশের ৬ বিভাগে বজ্রসহ বৃষ্টির আভাস

    বরিশালসহ দেশের ৬ বিভাগে দমকা বা ঝোড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি বা বজ্রবৃষ্টির আভাস দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। সেই সঙ্গে বাড়তে পারে তাপমাত্রা।

    আজ শুক্রবার (০৫ মে) সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার পূর্বাভাসে এ তথ্য জানায় অবহাওয়া অধিদপ্তর।

    সেই সঙ্গে কোথাও কোথাও বিক্ষিপ্তভাবে শিলাবৃষ্টি হতে পারে। এ ছাড়া দেশের অন্যত্র অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ আবহাওয়া প্রধানত শুঙ্ক থাকতে পারে।

    আবহাওয়ার সিনপটিক অবস্থা নিয়ে বলা হয়, পশ্চিমা লঘুচাপের বর্ধিতাংশ পশ্চিমবঙ্গ ও সংলগ্ন এলাকায় অবস্থান করছে।

    দিনভর আবহাওয়া কেমন থাকবে, তা নিয়ে জানানো হয়, বরিশাল, ঢাকা, ময়মনসিংহ, খুলনা, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের দুই-এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা অথবা ঝোড়ো হওয়াসহ বৃষ্টি অথবা বজ্রবৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে কোথাও কোথাও বিক্ষিপ্তভাবে শিলাবৃষ্টি হতে পারে। এ ছাড়া দেশের অন্যান্য জায়গায় অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকতে পারে।

    তাপমাত্রা নিয়ে অধিদপ্তরের পূর্বাভাসে বলা হয়, সারা দেশে দিনের তাপমাত্রা ১ থেকে ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস বাড়তে পারে। রাতের তাপমাত্রা সামান্য বৃদ্ধি পেতে পারে।

    ঢাকায় বাতাসের গতি ও দিক নিয়ে বলা হয়, পশ্চিম/দক্ষিণ-পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ৮-১২ কিলোমিটার, যা অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়ায় ৩০-৪০ কিলোমিটার পর্যন্ত বাড়তে পারে।

    পরবর্তী ৭২ ঘণ্টার আবহাওয়ার অবস্থা নিয়ে বলা হয়, দক্ষিণ-পূর্ব বঙ্গোপসাগর ও সংলগ্ন এলাকায় লঘুচাপ সৃষ্টি হতে পারে। বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টিপাতের প্রবণতা কমে তাপমাত্রা বাড়তে পারে।’

  • বরিশালসহ ১৯ জেলায় ধেয়ে আসছে তীব্র ঝড়!

    বরিশালসহ ১৯ জেলায় ধেয়ে আসছে তীব্র ঝড়!

    বরিশালসহ দেশের ১৯ জেলায় পশ্চিম অথবা উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে ঝড়ের পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া অফিস।

    বৃহস্পতিবার (৪ মে) দুপুর ১টা পর্যন্ত দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরের জন্য দেয়া আবহাওয়ার পূর্বাভাসে এ তথ্য জানা গেছে।

    এতে বলা হয়েছে, রংপুর, রাজশাহী, পাবনা, বগুড়া, টাঙ্গাইল, ময়মনসিংহ, ঢাকা, ফরিদপুর, মাদারীপুর, যশোর, কুষ্টিয়া, খুলনা, বরিশাল, পটুয়াখালী, নোয়াখালী, কুমিল্লা, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার এবং সিলেট জেলার ওপর দিয়ে পশ্চিম অথবা উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে অস্থায়ীভাবে দমকা অথবা ঝোড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। তাই এসব এলাকার নদীবন্দরগুলোকে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।

    এদিকে সারা দেশের আবহাওয়ার পূর্বাভাস অনুযায়ী, সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত ঢাকা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় এবং রংপুর, রাজশাহী, ময়মনসিংহ ও খুলনা বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা অথবা ঝোড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেইসঙ্গে কোথাও কোথাও শিলাবৃষ্টি হতে পারে। তবে এ সময়ের পর বৃষ্টিপাতের প্রবণতা কমতে পারে। সেইসঙ্গে তাপমাত্রা বাড়তে পারে। এরপর সাগরে লঘুচাপ সৃষ্টি হতে পারে।

    সারা দেশে এ সময় তাপমাত্রা ১ থেকে ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস কমতে পারে। বুধবার (৩ মে) বান্দরবানে দেশের সর্বোচ্চ ৩৬.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে। এদিন দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায় ১৯.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এছাড়া ঢাকায় সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় ৩৪.৮ ও ২৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

  • বরিশালে ঝড়-বৃষ্টির আভাস, কমবে তাপমাত্রা

    বরিশালে ঝড়-বৃষ্টির আভাস, কমবে তাপমাত্রা

    গরমে হাঁসফাঁস জনজীবন। ঘরের বাইরে বের হওয়াই দায়। এমতাবস্থায় স্বস্তির বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।

    ঢাকাসহ দেশের ৮ বিভাগেই বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছে অধিদপ্তর।

    বুধবার সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার আবহাওয়ার পূর্বাভাস তুলে ধরে আবহাওয়াবিদ এ কে এম নাজমুল হক জানিয়েছেন, রংপুর, রাজশাহী, ঢাকা, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় (২৬ থেকে ৫০ শতাংশ অঞ্চল) এবং খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের দু-এক জায়গায় (১ থেকে ২৫ শতাংশ অঞ্চল) অস্থায়ীভাবে দমকা বা ঝোড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি বা বজ্রবৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে কোথাও কোথাও বিক্ষিপ্তভাবে শিলা বৃষ্টি হতে পারে।

    আবহাওয়াবিদ এ কে এম নাজমুল হক আরও জানান, চট্টগ্রাম, রাঙামাটি, কুমিল্লা, ফেনী, বান্দরবান, পটুয়াখালী ও বরিশাল জেলার উপর দিয়ে মৃদু তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে এবং তা আগামীকাল থেকে কিছু কিছু জায়গা থেকে প্রশমিত হতে পারে। সারা দেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা প্রশমিত হতে পারে। আগামী তিন দিন বৃষ্টি ও বজ্রসহ বৃষ্টিপাতের প্রবণতা অব্যাহত থাকতে পারে।

    মঙ্গলবার সকাল ৬টা থেকে আজ সকাল ৬টা পর্যন্ত সারাদেশের মধ্যে শুধু ডিমলায় ৫ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়েছে। মঙ্গলবার বৃষ্টি না হওয়ায় সারা দেশের তাপমাত্রা অনেকটা বেড়েছে। তাই বেশ গরম অনুভূত হচ্ছে।

    গতকাল দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস ছিল বান্দরবানে। ঢাকায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩৫ দশমিক ৭ সেলসিয়াস।

  • আগামী শুক্র ও শনিবার ঢাকায় বৃষ্টির সম্ভাবনা : আবহাওয়া অধিদপ্তর

    আগামী শুক্র ও শনিবার ঢাকায় বৃষ্টির সম্ভাবনা : আবহাওয়া অধিদপ্তর

    গরমে অতিষ্ঠ রাজধানীবাসী। এক সপ্তাহের বেশি সময় ধরে বৃষ্টির দেখা নেই। ফলে গরমে মানুষের হাঁসফাঁস অবস্থা। সবাই এখন বৃষ্টির জন্য অপেক্ষা করছে।

    তবে অপেক্ষার শেষ কবে নাগাদ হতে পারে তা জানাল আবহাওয়া অধিদপ্তর।
    মঙ্গলবার আবহাওয়া অধিদপ্তরের আবহাওয়াবিদ বজরুল রশীদ বলেন, আগামী শুক্র ও শনিবার রাজধানীতে বৃষ্টির হওয়ার সম্ভাবনা আছে।

    দেশে ৭ এপ্রিল থেকে বৃষ্টি নেই। তবে গতকাল সিলেটে সামান্য বৃষ্টি হয়েছে।

    আবহাওয়া অধিদপ্তরের গতকাল সোমবার সন্ধ্যার পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার পূর্বাভাস অনুযায়ী, আজ সিলেট ও ময়মনসিংহ বিভাগের দুয়েক জায়গায় বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। আর ঢাকায় বৃষ্টি হতে আরও অন্তত তিন দিন অপেক্ষা করতে হবে।
    আজ মঙ্গলবার সকালে ঢাকা ও এর আশপাশ তাপমাত্রা ছিল ২৮ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। বেলা বেড়ে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে তা আরও বাড়বে।

    গতকাল ঢাকার তাপমাত্রা ছিল ৩৮ দশমিক ১ ডিগ্রি সেলসিয়াস। আগের দিন তাপমাত্রা ছিল ৩৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস। তাপমাত্রা কমলেও গরম কিন্তু কমেনি।
    বজলুর রশীদ বলেন, ‘শুক্র ও শনিবার রাজধানীতে বৃষ্টির সম্ভাবনা আছে। তবে বৃষ্টি হবে সামান্য।