Category: আবহাওয়া

  • ২ দিন পর বাড়তে পারে বৃষ্টি, নামলো সতর্ক সংকেত

    ২ দিন পর বাড়তে পারে বৃষ্টি, নামলো সতর্ক সংকেত

    নিউজ ডেস্কঃঃ বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট সুস্পষ্ট লঘুচাপ ভারতের স্থলভাগে উঠে লঘুচাপে পরিণত হওয়ার পর শক্তি ক্ষয়ে নিঃশেষ হয়ে গেছে। বাংলাদেশের ওপর থেকেও কেটে গেছে এর প্রভাব। তাই সমুদ্রবন্দরগুলোতে বহাল থাকা ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত নামিয়ে ফেলেছে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর।

    একই সঙ্গে আগামী দুদিন পর বৃষ্টির প্রবণতা বাড়তে পারে বলেও পূর্বাভাস দিয়েছে সংস্থাটি।

    বুধবার দেশের অধিকাংশ অঞ্চলই ছিল বৃষ্টিহীন। সিলেটে কিছুটা বৃষ্টি হয়েছে। অন্যান্য অঞ্চলে খুবই সামান্য বৃষ্টি হয়েছে। বুধবার সকাল থেকে বৃহস্পতিবার সকাল পর্যন্ত সবচেয়ে বেশি ৭৬ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়েছে সিলেটে।

    আবহাওয়াবিদ মো. শাহীনুল ইসলাম জানান, পূর্ব-মধ্য প্রদেশ ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থানরত লঘুচাপটি মৌসুমি বায়ুর অক্ষের সঙ্গে মিলিত হয়েছে। মৌসুমি বায়ু বাংলাদেশের উপর মোটামুটি সক্রিয় এবং উত্তর বঙ্গোপসাগরের অন্যত্র মাঝারি অবস্থায় রয়েছে।

    বৃহস্পতিবার সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, রংপুর, ময়মনসিংহ, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় এবং রাজশাহী, ঢাকা, খুলনা ও বরিশাল বিভাগের দু-এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে রংপুর, ময়মনসিংহ, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের কোথাও কোথাও বিক্ষিপ্তভাবে মাঝারি ধরনের ভারি বর্ষণ হতে পারে।

    এ সময়ে সারাদেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে জানিয়ে তিনি বলেন, আগামী দু-দিন পর বৃষ্টিপাতের প্রবণতা বাড়তে পারে।

    বুধবার দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩৫ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস ছিল রাজশাহীতে।

    সামুদ্রিক সতর্কবার্তার সর্বশেষ আবহাওয়া পরিস্থিতিতে বলা হয়েছে, সমুদ্রবন্দরগুলো, উত্তর বঙ্গোপসাগর ও বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকায় ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যাওয়ার আশঙ্কা নেই।

    চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রা সমুদ্রবন্দরকে সংকেত নামিয়ে ফেলতে বলা হয়েছে। উত্তর বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারসমূহকে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা পর্যন্ত সাবধানে চলাচল করতে বলা হয়েছে সতর্কবার্তায়।

  • ঢাকায় ভারি বৃষ্টি, থাকতে পারে দিনভর

    ঢাকায় ভারি বৃষ্টি, থাকতে পারে দিনভর

    নিউজ ডেস্কঃঃ মঙ্গলবার দিনভর থেমে থেমে বৃষ্টি হয়েছে ঢাকায়। বৃষ্টি ছিল রাতেও। নগরবাসীকে বিভ্রান্ত করেছে বুধবারের ঘুম ভাঙা ভোর। ঘুম ভাঙলেও যেন ভোর নয়, ঘনায়মান সন্ধ্যা এসে দাঁড়িয়েছে সামনে। ঘন কালো মেঘে ছাওয়া দিনের শেষ আলো মুছে যেন বৃষ্টিমুখর রাত নামার অপেক্ষা।

    বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, মঙ্গলবার সকাল ছয়টা থেকে বুধবার সকাল ছয়টা পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টায় ঢাকায় ৫৩ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়েছে। ৪৪ থেকে ৮৮ মিলিমিটার বৃষ্টি হলে সেটিকে ভারি বৃষ্টিপাত বলা হয়।

    যদিও ভারতের স্থলভাগে থাকা সুস্পষ্ট লঘুচাপের প্রভাবে আগেই সারাদেশে ভারি বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছিল আবহাওয়া বিভাগ। মঙ্গলবার থেকে দেশের দক্ষিণাঞ্চলসহ প্রায় সারাদেশেই ভারি থেকে অতিভারি বৃষ্টি হচ্ছে বলে জানা গেছে।

    বুধবারও ঢাকাসহ প্রায় সারাদেশে দিনভর বৃষ্টি থাকতে পারে। বৃষ্টির প্রবণতা বৃহস্পতিবার থেকে কমে যেতে পারে বলেও জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।

    ভারি বৃষ্টির কারণে রাজধানীর মিরপুর, যাত্রাবাড়ী, ডেমরাসহ বিভিন্ন এলাকায় জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে। কোনো কোনো সড়ক তলিয়ে গেছে পানির নিচে। বৃষ্টি মুখর সকালে চরম দুর্ভোগকে পড়তে হয়েছে অফিসগামী নগরিকদের।

    বুধবার সকাল ৭টা থেকে পরবর্তী ৬ ঘণ্টার জন্য ঢাকা ও পার্শ্ববর্তী এলাকার জন্য আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, আকাশ মেঘলা থেকে মেঘাচ্ছন্ন থাকতে পারে।

    এ সময়ে হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। দিনের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।

    অন্যদিকে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা থেকে বুধবার সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টার আবহাওয়ার পূর্বাভাসে অধিদপ্তর জানিয়েছিল, রংপুর, রাজশাহী, ঢাকা, ময়মনসিংহ, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অধিকাংশ জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা বা ঝোড়ো হাওয়া ও বিজলি চমকানোসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেইসঙ্গে দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারি থেকে অতিভারি বর্ষণ হতে পারে।

    আবহাওয়া বিভাগ আরও জানিয়েছিল, ভারতের দক্ষিণ মধ্যপ্রদেশ ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থানরত সুস্পষ্ট লঘুচাপটি আরও পশ্চিম ও উত্তর-পশ্চিম দিকে অগ্রসর হয়ে বর্তমানে এটি মধ্যপ্রদেশের মধ্যাঞ্চল ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থান করছে। এটি আরো পশ্চিম উত্তরপশ্চিম দিকে সরে গিয়ে ক্রমান্বয়ে দুর্বল হয়ে যেতে পারে।

    একইসঙ্গে চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রা সমুদ্র বন্দরে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত বহাল রয়েছে বলে জানিয়েছেন আবহাওয়াবিদরা।

  • বরিশালে টানা তিন দিনের বৃষ্টিতে জনজীবন বিপর্যস্ত

    বরিশালে টানা তিন দিনের বৃষ্টিতে জনজীবন বিপর্যস্ত

    বরিশালে টানা তিন দিনের বৃষ্টিতে তলিয়ে গেছে নগরীসহ জেলার অধিকাংশ সড়ক। গত রোববার ভোর ৫টার দিকে প্রথম বৃষ্টি শুরু হয়। টানা বৃষ্টিতে সাধারণ মানুষের জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। সে সঙ্গে নদীতীরবর্তী নিম্নাঞ্চল জোয়ারের পানিতে প্লাবিত হয়েছে। আর খাল ও ড্রেন দিয়ে কীর্তনখোলা নদীর জোয়ারের পানি নগরের নিম্নাঞ্চলগুলোয় ঢুকে পড়ছে।

    মুষলধারায় বৃষ্টির কারণে হঠাৎ করে বিপাকে পড়ে নগরবাসী। বিশেষ করে রিকশাচালক, মোটরসাইকেলচালক থেকে শুরু করে সাধারণ খেটে খাওয়া কর্মজীবীরা বেশি বিপদে পড়েছেন। প্রচণ্ড বৃষ্টিতে সবচেয়ে বেশি সমস্যায় পড়ে স্কুল-কলেজ ও মাদ্রাসাসহ বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা।

    আজ মঙ্গলবার নগরীর সদর রোর্ডে গিয়ে দেখা যায়, শিক্ষার্থীরা তাদের নিজ নিজ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ছুটি হওয়ার পর বৃষ্টি কমার আশায় রাস্তার বিভিন্ন পয়েন্টে অপেক্ষা করছে। তবে বৃষ্টি না কমায় বাধ্য হয়ে তাদের অনেকেই ভিজে বাসায় যেতে লক্ষ করা গেছে। এছাড়াও দেখা গেছে পেটের টানে বৃষ্টির মধ্যে ভিজে এক বৃদ্ধ তার মাথায় কলার সাজি নিয়ে বিক্রির উদ্দেশ্যে বের হয়েছেন। এদিকে নগরীর বেশ কিছু এলাকাভিত্তিক সড়ক বৃষ্টির পানিতে তলিয়ে গেছে। যার ফলে সাময়িক সময়ের জন্য তৈরি হয়েছিল জনদুর্ভোগ।

    অন্যদিকে লক্ষ করা গেছে, বরিশালের কীর্তনখোলাসহ দক্ষিণাঞ্চলের সব নদ-নদীর পানি বিপদসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। সে সঙ্গে দিনভর হালকা ও মাঝারি ধরনের বৃষ্টি হচ্ছে সমগ্র বরিশালে।

    গতকাল সোমবার (১২ সেপ্টেম্বর) রাতে পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) জানিয়েছে, বিভাগের মধ্যে বরিশাল নগর সংলগ্ন কীর্তনখোলা নদীর পানি বিপদসীমার ১৩ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এছাড়া ঝালকাঠির বিষখালী নদীর পানি বিপদসীমার ২৯ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। অপরদিকে দিনের সর্বশেষ জোয়ারে ভোলা খেয়াঘাট সংলগ্ন তেঁতুলিয়া নদীর পানি ১০ সেন্টিমিটার, ভোলার দৌলতখানের সুরমা-মেঘনা নদীর পানি ৬৪ সেন্টিমিটার, তজুমদ্দিনের সুরমা-মেঘনার পানি বিপদসীমার ৮৭ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। আর পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জের বুড়িশ্বর/পায়রা নদীর পানি বিপদসীমার ৩৪ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

    অপরদিকে বরগুনায় বিষখালী নদীর পানি বিপদসীমার ৩৬ সেন্টিমিটার ও পাথরঘাটায় ৮২ সেন্টমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এছাড়া পিরোজপুরে বলেশ্বর নদীর পানি বিপদসীমার ১৪ সেন্টিমিটার ও উমেদপুরে কচা নদীর পানি ২২ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

    পাউবোর গেজরিডার শাখার কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, দক্ষিণাঞ্চলের প্রধান প্রধান নদ-নদীতে পানির স্তরের তথ্য সংগ্রহ করা হয়। তবে গত দুদিনের মতো আজও এসব নদীর সঙ্গে সংযুক্ত দক্ষিণাঞ্চলের সব নদীর পানি বিপদসীমা অতিক্রম করেছে।

    বরিশাল পাউবোর উপসহকারী প্রকৌশলী মো. মাসুম জানান, বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট লঘুচাপ ও পূর্ণিমার প্রভাবে গত তিন দিন ধরে দক্ষিণাঞ্চলের সব নদ-নদীর পানি জোয়ারের সময় স্বাভাবিকের থেকে বাড়বে।

  • ঢাকায় থেমে থেমে বৃষ্টি

    ঢাকায় থেমে থেমে বৃষ্টি

    আবহাওয়া ডেস্কঃঃ রাজধানীতে আজ (মঙ্গলবার) সকাল থেকেই থেমে থেমে বৃষ্টি হচ্ছে। এতে ভোগান্তিতে পড়েছে অফিসমুখী মানুষ।

    ভারতের স্থলভাগে থাকা সুস্পষ্ট লঘুচাপের প্রভাবে সারাদেশেই বৃষ্টি হচ্ছে। তবে বৃষ্টির প্রবণতা দক্ষিণ ও মধ্যাঞ্চলে বেশি। বরিশাল, খুলনা, চট্টগ্রামের মতো ঢাকায়ও বৃষ্টি হচ্ছে।

    মঙ্গলবার সকাল থেকে ঢাকার আকাশ মেঘে ঢাকা। থেমে থেমে হচ্ছে বৃষ্টি। বৃষ্টি থাকায় নগরের অফিসমুখী মানুষ দুর্ভোগ পোহাচ্ছে। অনেকে বৃষ্টি মাথায় নিয়েই ছুটেছেন অফিসে। বৃষ্টি থাকায় কোথাও কোথাও দেখা দিয়েছে যানবাহন সংকট। একই সঙ্গে রিকশা বা সিএনজিচালিত অটোরিকশাচালকরা অতিরিক্ত ভাড়া চাচ্ছেন।

    আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, মঙ্গলবার সকাল পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টায় ঢাকায় ৩২ দশমিক ২ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়েছে।

    আবহাওয়া অধিদপ্তর সকাল ৭টা থেকে পরবর্তী ৬ ঘণ্টার জন্য ঢাকা ও পার্শ্ববর্তী এলাকার জন্য আবহাওয়ার পূর্বাভাসে জানিয়েছে, হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। এ সময়ে আকাশ আংশিক মেঘলা থেকে অস্থায়ীভাবে মেঘলা থাকতে পারে।

    সোমবার ঢাকার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ২৮ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। দিনের তাপমাত্রা অপরিবর্তিত থাকতে পারে বলেও জানিয়েছে আবহাওয়া বিভাগ।

    মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত আবহাওয়ার পূর্বাভাসে জানানো হয়েছে, খুলনা, বরিশাল, ঢাকা, রাজশাহী ও চট্টগ্রাম বিভাগের অধিকাংশ জায়গায় এবং রংপুর, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা বা ঝড়ো হাওয়া ও বিজলি চমকানোসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। একই সঙ্গে দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী থেকে অতিভারী বর্ষণ হতে পারে।

  • দেশের ১৩ অঞ্চলে ঝড়ের আভাস

    দেশের ১৩ অঞ্চলে ঝড়ের আভাস

    অনলাইন ডেস্ক ::: দেশের ১৩টি অঞ্চলের ওপর দিয়ে অস্থায়ীভাবে ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। তাই সেসব এলাকার নদীবন্দরগুলোকে এক নম্বর সতর্কতা সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।

    বৃহস্পতিবার (২৮ জুলাই) এমন পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া অফিস।

    আবহাওয়াবিদ খো. হাফিজুর রহমান জানিয়েছেন- রংপুর, রাজশাহী, পাবনা, বগুড়া, টাঙ্গাইল, ময়মনসিংহ, ফরিদপুর, ঢাকা, নোয়াখালী, কুমিল্লা, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার এবং সিলেট অঞ্চলসমূহের ওপর দিয়ে দক্ষিণ/দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫-৬০ কিলোমিটার বেগে অস্থায়ীভাবে দমকা/ঝড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি/বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। এসব এলাকার নদীবন্দরসমূহকে এক নম্বর সতর্কতা সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।

    বর্তমানে মৌসুমি বায়ুর অক্ষ রাজস্থান, হরিয়ানা, উত্তর প্রদেশ, বিহার, পশ্চিমবঙ্গ ও বাংলাদেশের মধ্যাঞ্চল হয়ে আসাম পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে। এর একটি বর্ধিতাংশ উত্তরপশ্চিম বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে। মৌসুমি বায়ু বাংলাদেশের ওপর কম সক্রিয় এবং উত্তর বঙ্গোপসাগরের অন্যত্র দুর্বল অবস্থায় রয়েছে।

    এ অবস্থায় রাজশাহী, রংপুর, ময়মনসিংহ, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় এবং ঢাকা, খুলনা ও বরিশাল বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি/বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেইসঙ্গে দেশের কোথাও কোথাও বিচ্ছিন্নভাবে মাঝারি ধরনের ভারী থেকে ভারী বর্ষণ হতে পারে। সারাদেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকবে।

    বৃহস্পতিবার বেলা ১১টা থেকে আগের ২৪ ঘণ্টায় দেশে সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে তেঁতুলিয়ায় ৫৭ মিলিমিটার। সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ঈশ্বরদীতে ৩৬ দশমিক ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস। ঢাকায় বৃষ্টিপাত হয়েছে ৯ মিলিমিটার আর সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩৩ দশমিক ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

  • ৮ বিভাগেই বৃষ্টি বাড়বে, কোথাও হতে পারে ভারি বর্ষণ

    ৮ বিভাগেই বৃষ্টি বাড়বে, কোথাও হতে পারে ভারি বর্ষণ

    আবহাওয়া ডেস্কঃ মঙ্গলবার আট বিভাগে অর্থাৎ সারাদেশেই বৃষ্টি বাড়তে পারে, একই সঙ্গে কোথাও কোথাও ভারি বৃষ্টি হতে পারে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর।

    সোমবার সব বিভাগেই কম-বেশি বৃষ্টি হয়েছে। সোমবার সকাল ৬টা থেকে মঙ্গলবার সকাল ৬টা পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টায় সবচেয়ে বেশি ৮২ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়েছে নীলফামারীর ডিমলায়

    আগামী দিনগুলোতে বৃষ্টির প্রবণতা ক্রমেই বাড়তে পারে বলেও জানিয়েছেন আবহাওয়াবিদরা।

    মঙ্গলবার সকাল থেকে ঢাকার আকাশ মেঘে ঢাকা। আর সকাল থেকেই হচ্ছে গুড়ি গুড়ি বৃষ্টি। বৃষ্টি বাড়ায় অস্বস্তিকর গরম থেকে মুক্তি মিলেছে নগরবাসীর। তবে গুড়ি গুড়ি বৃষ্টির কারণে কিছুটা ভোগান্তিতে পড়েছে অফিসমুখী মানুষ।

    আবহাওয়াবিদ মো. ওমর ফারুক জানান, মঙ্গলবার সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় রংপুর, রাজশাহী, ময়মনসিংহ, ঢাকা, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেইসঙ্গে দেশের কোথাও কোথাও বিক্ষিপ্তভাবে মাঝারি ধরণের ভারি থেকে ভারি বর্ষণ হতে পারে।

    এ সময় সারাদেশে দিন এবং রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে বলেও জানান তিনি। আগামী তিনদিনের আবহাওয়ার পূর্বাভাস তুলে ধরে তিনি বলেন, এ সময়ের শেষের দিকে বৃষ্টিপাতের প্রবণতা বৃদ্ধি পেতে পারে।

    সোমবার দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩৩ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস ছিলো ঈশ্বরদীতে। মঙ্গলবার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিলো সীতাকুণ্ডে ২৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

    মঙ্গলবার সকাল ৯টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরগুলোর জন্য আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, রংপুর, দিনাজপুর, রাজশাহী, পাবনা, বগুড়া, টাঙ্গাইল, ময়মনসিংহ, ঢাকা, ফরিদপুর, যশোর, কুষ্টিয়া, খুলনা, বরিশাল, পটুয়াখালী, কুমিল্লা, নোয়াখালী, চট্রগ্রাম, কক্সবাজার এবং সিলেট অঞ্চলের ওপর দিয়ে দক্ষিণ বা দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে অস্থায়ীভাবে দমকা বা ঝোড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি বা বজ্রবৃষ্টি হতে পারে। এসব এলাকার নদীবন্দরগুলোকে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।

  • দুদিন পর বাড়তে পারে বৃষ্টির প্রবণতা

    দুদিন পর বাড়তে পারে বৃষ্টির প্রবণতা

    আবহাওয়া ডেস্কঃ বৃষ্টির প্রবণতা আবারও কমে গেছে। দেশের বেশিরভাগ অঞ্চলে প্রতিদিন হালকা এক পশলা বৃষ্টি হচ্ছে। বর্ষার টানা বৃষ্টির দেখা মিলছে না। খানিক সময় বৃষ্টি শেষে উঠছে রোদ। বাতাসে বেড়ে গেছে জলীয় বাষ্পের পরিমাণ। তাই তাপমাত্রা খুব বেশি না হলেও মুক্তি মিলছে না ভ্যাপসা গরম থেকে।

    শুক্রবার (২২ জুলাই) ভোর ৬টা থেকে শনিবার (২৩ জুলাই) ভোর ৬টা পর্যন্ত দেশের মধ্যে কুতুবদিয়ায় সর্বোচ্চ ৩৩ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়েছে। তেঁতুলিয়ায় ২৩, হাতিয়ার ১৭ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়েছে। এছাড়া দেশের অন্য কোথাও বৃষ্টিপাত ১৫ মিলিমিটার অতিক্রম করেনি।

    আবহাওয়াবিদ খো. হাফিজুর রহমান জানান, শনিবার সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায়
    রংপুর, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় এবং ঢাকা, ময়মনসিংহ ও রাজশাহী বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরণের বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে দেশের কোথাও কোথাও বিচ্ছিন্নভাবে মাঝারি ধরণের ভারি থেকে ভারি বর্ষণ হতে পারে। এ সময়ে সারাদেশে দিন এবং রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।

    আগামী দুদিন পর বৃষ্টিপাতের প্রবণতা বাড়তে পারে বলেও জানিয়েছেন হাফিজুর রহমান।

    শুক্রবার দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩৬ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস ছিলো রাজশাহীতে। ঢাকায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩৫ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। শনিবার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল টেকনাফ ও বদলগাছিতে, দুটি স্থানে ২৫ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে।

    শনিবার সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরগুলোর আবহাওয়ার পূর্বাভাসে জানানো হয়েছে, পাবনা, টাঙ্গাইল, ময়মনসিংহ, ফরিদপুর, ঢাকা, যশোর, কুষ্টিয়া, খুলনা, বরিশাল, পটুয়াখালি, নোয়াখালী, কুমিল্লা, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার এবং সিলেট অঞ্চলের ওপর দিয়ে দক্ষিণ বা দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে অস্থায়ীভাবে দমকা বা ঝোড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। এসব এলাকার নদীবন্দরগুলোকে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।

  • তাপদাহে পুড়ছে ইউরোপ, মৃত্যু এক হাজার ছাড়িয়েছে

    তাপদাহে পুড়ছে ইউরোপ, মৃত্যু এক হাজার ছাড়িয়েছে

    আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ তীব্র তাপদাহে পুড়ছে ইউরোপ। পশ্চিম ইউরোপ থেকে এই তাপদাহ উত্তর ইউরোপের দিকে অগ্রসর হচ্ছে।

    দাবানল ছড়িয়েছে ফ্রান্স, পর্তুগাল, স্পেন, গ্রিস, ক্রোয়েশিয়াতে। পর্তুগাল ও স্পেনে সাম্প্রতিক সময়ের দাবানলে ১ হাজারের বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছে। হাজার হাজার মানুষকে নিরাপদে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। দাবানল নিয়ন্ত্রণে কাজ করছেন দমকলকর্মীরা। মঙ্গলবার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে বিবিসি।

    বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়, স্পেনে গতকাল সোমবার সর্বোচ্চ ৪৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে। মঙ্গলবার (১৯ জুলাই) যুক্তরাজ্যে তাপমাত্রা রেকর্ড ছাড়াতে পারে বলে সতর্কতা জারি করা হয়েছে।

    ফ্রান্সে এরই মধ্যে তাপমাত্রা রেকর্ড ছাড়িয়ে গেছে। ফ্রান্সের আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, দেশটির পশ্চিমের শহর নান্তেসে সর্বোচ্চ ৪২ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে।

    এদিকে সোমবার (১৮ জুলাই) পূর্ব ইংল্যান্ডের সাফোকে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৩৮ দশমিক ১ ডিগ্রি সেলসিয়াস। মঙ্গলবার (১৯ জুলাই) ইংল্যান্ডে তাপমাত্রা ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াস ছাড়াতে পারে। লন্ডনে যাত্রীদের প্রয়োজনীয় ভ্রমণ ছাড়া বাইরে বের না হওয়ার পরামর্শ দিয়েছে ট্রান্সপোর্ট ফর লন্ডন।

    সোমবার (১৮ জুলাই) নেদারল্যান্ডসে চলতি বছরের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৩৩.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। আবহাওয়া পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, মঙ্গলবার দেশটিতে তাপমাত্রা পৌঁছাতে পারে ৩৯ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। সামনের দিনগুলোতে জার্মানি ও বেলজিয়ামে তাপমাত্রা ৪০ ডিগ্রিতে পৌঁছাতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। বৃহস্পতিবার (১৪ জুলাই) পর্তুগালের মধ্য ও উত্তরাঞ্চলের পাঁচটি এলাকায় ৪৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়, যা জুলাই মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ।

    আবহাওয়ার এমন বিরূপ পরিস্থিতির জন্য জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবকে দায়ী করেছেন বিশেষজ্ঞরা। বিবিসি বলছে, শিল্প বিল্পবের পর থেকে বিশ্বের তাপমাত্রা এক দশমিক এক ডিগ্রি সেলসিয়াস বেড়েছে।

    সূত্র: বিবিসি

  • বরিশালসহ ১১ জেলায় বৃষ্টির সম্ভাবনা

    বরিশালসহ ১১ জেলায় বৃষ্টির সম্ভাবনা

    নিজস্ব প্রতিবেদকঃ বরিশালসহ ১১ জেলায় বৃষ্টির সম্ভাবনা
    দেশের ১১টি জেলার ওপর দিয়ে বজ্রসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। এসব এলাকার নদীবন্দরগুলোকে এক নম্বর সতর্কতা সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে। সোমবার রাতে এমন পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া অফিস।

    আবহাওয়াবিদ বজলুর রশিদ জানান, টাঙ্গাইল, ঢাকা, ফরিদপুর, মাদারীপুর, খুলনা, বরিশাল, পটুয়াখালি, নোয়াখালি, কুমিল্লা, চট্টগ্রাম এবং কক্সবাজার অঞ্চলসমূহের ওপর দিয়ে দক্ষিণ/দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫-৬০ কি. মি বেগে দমকা অথবা ঝড়োহাওয়াসহ অস্থায়ীভাবে বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। এসব এলাকার নৌবন্দরসমূহকে নম্বর সতর্কতা সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।

    বর্তমানে উত্তর-উড়িষ্যা এবং তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থানরত লঘুচাপটি উত্তরপশ্চিম দিকে অগ্রসর হয়ে মৌসুমি বায়ুর অক্ষের সাথে মিলিত হয়েছে। মৌসুমী বায়ুর অক্ষ রাজস্থান, মধ্য প্রদেশ, উড়িষ্যা, গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গ ও বাংলাদেশের মধ্যাঞ্চল হয়ে আসাম পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে। এর একটি বর্ধিতাংশ উত্তর বঙ্গোপসাগররপর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে। মৌসুমি বায়ু বাংলাদেশের ওপর মোটামুটি সক্রিয় এবং উত্তর বঙ্গোপসাগরের মাঝারি অবস্থায় রয়েছে।

    এই অবস্থায় মঙ্গলবার (১৯ জুলাই) সন্ধ্যা পর্যন্ত ময়মনসিংহ, সিলেট, চট্টগ্রাম ও বরিশাল বিভাগের অনেক জায়গায় এবং রাজশাহী, রংপুর, ঢাকা ও খুলনা বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি/বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী থেকে ভারী বর্ষণ হতে পারে।

    এদিকে রাজশাহী, পাবনা, রংপুর, দিনাজপুর, নীলফামারী এবং চুয়াডাঙ্গা জেলাসমূহের ওপর দিয়ে মৃদু তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে এবং তা কিছু কিছু জায়গায় থেকে প্রশমিত হতে পারে। সারা দেশে দিন এবং রাতের তাপমাত্রা সামান্য হ্রাস পেতে পারে।

    সোমবার দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে রাজশাহীতে ৩৭ দশমিক ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাত হয়েছে সিলেটে ৬৪ মিলিমিটার। ঢাকায় বৃষ্টিপাত হয়েছে ১ মিলিমিটার আর সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৩৩ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

  • কমতে পারে তাপমাত্রা, দূর হবে তাপপ্রবাহ

    কমতে পারে তাপমাত্রা, দূর হবে তাপপ্রবাহ

    অবশেষে বৃষ্টিপাত আরও বাড়ার পূর্বাভাস দিয়েছে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর। তাই সোমবার তাপমাত্রা কমতে পারে, একই সঙ্গে বিভিন্ন অঞ্চলে বয়ে যাওয়া তাপপ্রবাহও দূর হতে পারে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।

    আষাঢ় মাসের শেষের দিকে বৃষ্টি একেবারে কমে যায়। বর্ষার দ্বিতীয় মাস শ্রাবণ শুরু হলেও সেই ধারা অব্যাহত রয়েছে। তবে এরই মধ্যে দেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের সিলেটে বৃষ্টির প্রবণতা বেড়েছে। এখন তা দেশের অন্যান্য অঞ্চলেও বিস্তৃত হতে পারে বলে জানিয়েছেন আবহাওয়াবিদরা।

    দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ুর (বর্ষা) নিষ্ক্রিয়তায় বৃষ্টিহীন পরিস্থিতিতে সারাদেশের মানুষই গরমে কষ্ট পাচ্ছে। অনেক অঞ্চলেই বইছে তাপপ্রবাহ। যদিও এরই মধ্যে কয়েকটি অঞ্চল থেকে তাপপ্রবাহ দূর হয়েছে।

    রোববার সকাল ৬টা থেকে সোমবার সকাল ৬টা পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টায় রংপুর বিভাগে বৃষ্টি হয়নি। অন্যান্য বিভাগে হালকা বৃষ্টি হয়েছে। তবে এ সময়ে সবেচেয়ে বেশি ৪৮ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়েছে সিলেটে।

    আবহাওয়াবিদ খো. হাফিজুর রহমান বলেন, সোমবার সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায়, রংপুর, খুলনা, বরিশাল ও ময়মনসিংহ বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় এবং রাজশাহী ও ঢাকা বিভাগের দু-এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে দেশের কোথাও কোথাও বিচ্ছিন্নভাবে মাঝারি ধরনের ভারী বর্ষণ হতে পারে।

    এ সময়ে সারাদেশে দিনের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে এবং রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে বলেও জানান তিনি।

    রাজশাহী, রংপুর এবং নীলফামারী জেলার ওপর দিয়ে মৃদু তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে জানিয়ে হাফিজুর রহমান বলেন, আগামী ২৪ ঘণ্টায় এসব অঞ্চল থেকে তাপপ্রবাহ প্রশমিত হতে পারে।

    রোববার দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল সৈয়দপুরে ৩৭ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। একদিন আগে যা ছিল ৩৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এর আগে টাঙ্গাইল, যশোর ও চুয়াডাঙ্গা জেলাসহ রাজশাহী, রংপুর এবং সিলেট বিভাগের উপর দিয়ে মৃদু তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছিল।

    আগামী তিনদিনে বৃষ্টিপাতের প্রবণতা আরও বাড়তে পারে বলেও জানান আবহাওয়াবিদ হাফিজুর রহমান।