Category: ক্রিকেট

  • ২৪ বছর পর ঘরের মাঠে টেস্টে ধবলধোলাই ভারত

    ২৪ বছর পর ঘরের মাঠে টেস্টে ধবলধোলাই ভারত

    ভারতের হোয়াইটওয়াশ হওয়া ঠেকাতে দলটির সমর্থকরা তাকিয়ে ছিল ঋশভ পান্তের ব্যাটে। এই ব্যাটার আশাও দেখাচ্ছিলেন। তবে মধ্যাহ্নভোজের পর আর পারেননি। এই ব্যাটার ৬৪ রানে সাজঘরে ফেরার পরই লেখা হয়ে যায় ভারতে হোয়াইটওয়াশ।

    বাকি ব্যাটাররা কেবল হারের ব্যবধান কমিয়েছেন। তবে তাতে হোয়াইটওয়াশের লজ্জা এড়ানো যায়নি। ঘরের মাঠে ২৪ বছর পর টেস্টে হোয়াইটওয়াশ হয়েছে ভারত। ভারতকে নিজেদের মাটিতে এই লজ্জা উপহার দিয়েছে সফরকারী নিউজিল্যান্ড।

    আরে আগে ২০০০ সালে একমাত্র দল হিসেবে ভারতকে তাদেরই মাটিতে ধবলধোলাই করেছিল দক্ষিণ আফ্রিকা। তবে সেটি ছিল দুই ম্যাচের সিরিজ। তিন বা তার চেয়ে বেশি ম্যাচের সিরিজে এবারই প্রথম হোয়াইটওয়াশ হলো ভারত। যা দলটির ইতিহাসে দ্বিতীয়বারের মতো ঘটনা।

    আগেই সিরিজ খুইয়ে বসা ভারতকে শেষ ম্যাচে হোয়াইটওয়াশ এড়াতে করতে হতো ১৪৭ রান। যেই লক্ষ্যে সুবিধা করতে পারেনি ভারত। ওয়াংখেড়ে লক্ষ্যটা আপাত দৃষ্টিতে সহজ মনে হলেও উইকেট ততক্ষণে স্পিন স্বর্গে পরিণত হয়েছে।

    সেই উইকেটে ভারতকে চেপে ধরেন কিউই বোলাররা। ২৯ রানেই ৫ উইকেট হারিয়ে বসে ভারত। এরপর ঋশভ পান্ত এসে পাল্টা আক্রমণ চালান কিউই বোলারদের ওপর। তার ব্যাটেই জয়ের স্বপ্ন দেখছিল দলটি। তবে মধ্যাহ্নভোজের পর পাল্টে যায় খেলা। ফের ভারতীয় ব্যাটারদের চেপে ধরেন কিউই বোলাররা।

    পান্ত ৬৪ রানে থামার পর ওয়াশিংটন সুন্দর রবিচন্দ্রন অশ্বিন টিকতে পারেননি। আকাশ দীপ শূন্য রানে ফিরলে ১২১ রানে থামে ভারতের ইনিংস। নিউজিল্যান্ড ম্যাচ জেতে ২৫ রানে। যেখানে কিউইদের হয়ে একাই ৬ উইকেট শিকার করেছেন আজাজ প্যাটেল। গ্লেন ফিলিপসের শিকার ৩ উইকেট।

  • ঘরের মাঠেই হোয়াইটওয়াশ টাইগাররা

    ঘরের মাঠেই হোয়াইটওয়াশ টাইগাররা

    দুই ইনিংসে ভয়াবহ ব্যাটিং বিপর্যয়ের কারণে তিন দিনেই চট্টগ্রাম টেস্ট শেষ। ইনিংস ও ২৭৩ রানের বড় ব‍্যবধানে হারল বাংলাদেশ।

    এই পরাজয়ের মধ্য দিয়ে ঘরের মাঠে হোয়াইটওয়াশ বাংলাদেশ ক্রিকেট দল। দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজে ২-০ ব্যবধানে হারাল টাইগাররা।

    দুই ম্যাচ সিরিজের প্রথমটিতে ঢাকায় ব্যাটিং বিপর্যয়ের কারণে ৭ উইকেটে হারে নাজমুল হোসেন শান্তর নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশ। চট্টগ্রাম টেস্টে ইনিংস ব্যবধানে হারে টাইগাররা।

    চট্টগ্রাম টেস্টে আগে ব্যাট করে দক্ষিণ আফ্রিকা প্রথম ইনিংসে তিন সেঞ্চুরি আর দুই ফিফটির সাহায্যে ৫ উইকেটে ৫৭৫ রান করে ইনিংস ঘোষণা করে।

    বাংলাদেশ প্রথম ইনিংসে ব্যাটিং বিপর্যয়ের কারণে ১৫৯ রানে অলআউট হয়। দলের হয়ে সর্বোচ্চ ৮২ রান করেন মুমিনুল হক সৌরভ।

    ৪১৬ রানে পিছিয়ে থেকে দ্বিতীয় ইনিংস পরাজয় এড়াতে নেমেও ব্যাটিং ধস টাইগারদের। ৯৪ রানে প্রথম সারির ৮ ব্যাটসম্যানের উইকেট হারিয়ে ইনিংস পরাজয়ের দুয়ারে চলে যায়।

    নবম উইকেটে দুই বোলার হাসান মাহমুদ ও মাহমুদুল হাসান আকন ৩৬ বল মোকাবেলা করে ৩৭ রানের পার্টনারশিপ গড়েন। তাদের কল্যাণেই শত রানের আগে গুঁড়িয়ে যাওয়ার শঙ্কায় পড়ে যাওয়া বাংলাদেশ শেষ পর্যন্ত ১৪৩ রান তুলতে সক্ষম হয়।

    চট্টগ্রাম টেস্টে ইনিংস ও ২৭৩ রানের বিশাল ব্যবধানে জয় পায় দক্ষিণ আফ্রিকা। এর আগে ঢাকা টেস্টে ৭ উইকেটের জিতে প্রোটিয়া দলটি।

  • বাংলাদেশের মাঠে দ.আফ্রিকার রেকর্ড

    বাংলাদেশের মাঠে দ.আফ্রিকার রেকর্ড

    দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে প্রথম টেস্ট জয় ও প্রথমবার সিরিজ জয়ের আশায় খেলতে নেমে হোয়াইটওয়াশ হলো বাংলাদেশ ক্রিকেট দল।

    আগস্ট-সেপ্টেম্বরে পাকিস্তান সফরে গিয়ে (২-০) ব্যবধানে সিরিজ জয়ের ইতিহাস গড়ে বাংলাদেশ। সেই আনন্দ বেশি দিন টেকেনি। সেপ্টেম্বরের মাঝামাঝি সময়ে ভারত সফরে গিয়ে একই ব্যবধানে হোয়াইটওয়াশ হয় টাইগাররা।

    ভারত সফর থেকে দেশে ফিরে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষেও দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজে হোয়াইটওয়াশ হলো বাংলাদেশ। ব্যাটিং বিপর্যয়ের কারণে প্রথম টেস্টে ৭ উইকেটে হেরে যাওয়া বাংলাদেশ, দ্বিতীয় টেস্টে ইনিংস ও ২৭৩ রানের বিশাল ব্যবধানে হেরে যায়।

    চট্টগ্রাম টেস্টে বাংলাদেশ দলকে ইনিংস ও ২৭৩ রানের বড় ব্যবধানে হারিয়ে নতুন রেকর্ড গড়েছে দক্ষিণ আফ্রিকা ক্রিকেট দল। তাদের টেস্ট ক্রিকেটের ইতিহাসে এটাই সবচেয়ে বড় জয়।

    এর আগে ২০১৭ সালে ঘরের মাঠ ব্লুমফন্টেইনে ইনিংস ও ২৫৪ রানে জিতেছিল দক্ষিণ আফ্রিকা। এবারের সফরের আগে উপমহাদেশে গত ১০ বছরে টেস্ট জয় ও টেস্ট সিরিজ জয় পায়নি প্রোটিয়ারা। বাংলাদেশ সফরে সেই খরা কাটাল দক্ষিণ আফ্রিকা।

    বাংলাদেশের টেস্ট ইতিহাসের দ্বিতীয় সবচেয়ে বড় পরাজয় এটি। এর আগে ২০০২ সাল ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ইনিংস ও ৩১০ রানের বড় ব্যবধানের হেরেছিল টাইগাররা।

  • গম্ভীরের পদত্যাগ দাবি, সোশ্যাল মিডিয়ায় সমালোচনার ঝড়

    গম্ভীরের পদত্যাগ দাবি, সোশ্যাল মিডিয়ায় সমালোচনার ঝড়

    নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে তিন ম্যাচ টেস্ট সিরিজ এরইমধ্যে ২-০ তে হেরে বসেছে স্বাগতিক ভারত। তাতে দীর্ঘ ১ যুগ ঘরের মাটিতে টেস্ট সিরিজ না হারার কীর্তি ম্লান হয়ে গেছে রোহিত শার্মার দলের। বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের পয়েন্ট টেবিলেও বড় ধাক্কা খেয়েছে দলটি। এই অবস্থার জন্য ভারতীয় সমর্থকদের একটা অংশ দায়ী করছেন কোচ গৌতম গম্ভীরকে। পদত্যাগের দাবিও জানাচ্ছেন তারা।

    প্রথম টেস্টে কিউইদের বিপক্ষে প্রথম ইনিংসে মাত্র ৪৬ রানে অলআউট হয়েছিল ভারত। এরপর দ্বিতীয় ইনিংসে লড়াই করলেও হার এড়াতে পারেনি দলটি। দ্বিতীয় টেস্টেও একই হাল। কিউই স্পিনার মিচেল স্যান্টনার একাই ধসিয়ে দিয়েছেন ভারতের ব্যাটিং লাইনআপ। কখনো ইনিংসে তিন উইকেট শিকার করতে না পারা স্যান্টনার দুই ইনিংসে শিকার করেছেন ১৩ উইকেট। তার স্পিন বিষে কাবু ভারত। ম্যাচ হেরেছে ১১৩ রানের ব্যবধানে।

    ভারতের এমন হারের পর সমর্থকরা কাঠগড়ায় দাঁড় করিয়েছেন গম্ভীরকে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে গম্ভীরকে নিয়ে করছেন নানারকম ট্রল। গম্ভীরের কোচিংয়েই সমস্যা দেখছেন তারা। আগের দুই কোচ রবি শাস্ত্রী ও রাহুল দ্রাবিড়ের সঙ্গে তুলনাও করছেন অনেকে।

    হিটলারের ছবির আদলে গম্ভীরের ছবি এডিট করে অহংকারী কোচের পদত্যাগ দাবি করেছেন এক সমর্থক।

    আরেকজন লিখেছেন, নিজের মতো করে সহকারী বেছে নিয়েছেন, সাপোর্ট স্টাফদের বাছাই করেছেন। জহির খানকে না নিয়ে বিদেশি কোচ নিয়েছেন নিজের পছন্দানুযায়ী। মোটা অংকের পারিশ্রমিকও নিচ্ছেন। নিজের চাহিদা মতো সব পাচ্ছেন। কিন্তু তার সময়ে সবচেয়ে বাজে ক্রিকেট খেলছে ভারত।

    গম্ভীরকে নিয়ে হাইপ ও বর্তমান নিয়েও মজা করছেন অনেকে। কেউ কেউ আবার ভারতীয় দলের ক্রিকেটারদের মাথা কেটে বসিয়ে দিয়েছেন পাকিস্তানি ক্রিকেট দলের ছবিতে। কেউ বা আবার সাবেক দুই কোচের সঙ্গে গম্ভীরের ফারাক টেনে এনেছেন।

  • সাকিবের নতুন ভিডিও ভাইরাল

    সাকিবের নতুন ভিডিও ভাইরাল

    সাকিব আল হাসানের মিরপুর টেস্ট খেলার মাধ্যমে টেস্ট ক্রিকেট থেকে বিদায় নেওয়া নিয়ে দেশের ক্রীড়াঙ্গন থেকে শুরু করে বিভিন্ন মাধ্যমে চলছে আলোচনা সমালোচনা। দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে টেস্ট খেলতে যুক্তরাষ্ট্র থেকে রওনা দিলেও, সাকিবের যাত্রা থেমে যায় আরব আমিরাতের দুবাইয়ে।

    এর আগে সাকিবের বিভিন্ন কর্মকাণ্ডের কারণে তার বিরুদ্ধে সমালোচনা অনেক বেড়েছে। স্বৈরাচারী হাসিনা সরকারের বিরুদ্ধে চলমান ছাত্র আন্দোলনে নীরব ভূমিকার জন্যও তিনি সমালোচিত হয়েছেন।

    এই পরিস্থিতিতে সাকিবের একটি ভিডিও প্রকাশ করে তার আবুধাবি টি-টেন লিগের দল বাংলা টাইগার্স। ফেসবুকে দেওয়া সেই ভিডিওতে সাকিব বলেন, ‘আপনি আমাকে পছন্দ করেন বা ঘৃণা করেন, এতে আমার কিছু যায় আসে না। তবে আমার সঙ্গে খেলতে আসবেন না।’

    আরেকটি সাক্ষাৎকারে, মিডিয়ার ইতিবাচক ও নেতিবাচক সংবাদের প্রভাব নিয়ে প্রশ্ন করা হলে, সাকিব বলেন, ‘মিথ্যা বলবো না, একদমই দেখি না এমন নয়। অনেক সময় সোশ্যাল মিডিয়া স্ক্রল করতে করতে বা টিভিতে দেখে ফেলি। তবে এগুলো নিয়ে বেশি ভাবি না।’

    বাংলাদেশ ক্রিকেটকে সামনে এগিয়ে নেওয়া সত্ত্বেও কেন সাকিবকে ঘিরে এত সমালোচনা, এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, ‘আমি মনে করি সমালোচনা হওয়া উচিত। যে গাছে আম বেশি থাকে, সেই গাছে ইটও বেশি পড়ে। এটাই দুনিয়ার নিয়ম।’

  • দ.আফ্রিকার বিপক্ষে বাংলাদেশ অলআউট ১০৬

    দ.আফ্রিকার বিপক্ষে বাংলাদেশ অলআউট ১০৬

    মিরপুরে চেনা কন্ডিশনেও ব্যাটিং ব্যর্থতা কাটাতে পারেনি বাংলাদেশ। দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে শুরুতে ব্যাট করতে নেমে বাংলাদেশের প্রথম ইনিংস থেমেছে ১০৬ রানে। দুটো সেশনও খেলতে পারেনি বাংলাদেশ। তার আগেই ইনিংসের সমাপ্তি। সব মিলিয়ে প্রথম ইনিংসে বাংলাদেশ ব্যাট করেছে ৪০ ওভার।

    এদিন টসে জিতে ব্যাট করতে নামে বাংলাদেশ। একাদশে এক পেসার ও তিন স্পিনার নিয়ে পরিকল্পনা সাজায় বাংলাদেশ। অভিষেক হয় জাকের আলীর। চোট কাটিয়ে একাদশে ফেরেন মাহমুদুল হাসান জয়।

    লক্ষ্য ভারত সিরিজের ব্যর্থতা ভুলে পাকিস্তান সিরিজের সুখস্মৃতি ফেরানো। তবে হয়নি সেটি। ব্যর্থতার বৃত্ত ভাঙতে পারেনি ব্যাটাররা। নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারিয়েছে নাজমুল হোসেন শান্তর দল। ওপেনার মাহমুদুল জয় খানিকটা লড়াই করেছেন। বাকিরা সঙ্গ দিতে পারেননি তাকে। লাঞ্চ বিরতির আগেই ৬০ রানে ৬ উইকেট হারিয়ে ফেলে বাংলাদেশ।

    ওপেনার সাদমান ইসলাম শূন্য রানে ফেরেন উইয়ান মুল্ডারের বলে। একই স্পেলে আরও দুটি উইকেট নেন এই পেসার। ২১ রানে ৬ ওভারে ৩ উইকেট নেই বাংলাদেশের। মুমিনুল ফেলেন ৪ ও শান্ত ফেরেন ৭ রানে। বিপর্যয় কাটাতে পারেননি অভিজ্ঞ মুশফিকুর রহিম। তিনি ফেরেন ১১ রান করে। কাগিসো রাবাদার দারুণ এক ইনসুং ডেলিভারিতে স্টাম্প ভাঙে মুশফিকের। টেস্ট ক্যারিয়ারের ৩০০ তম উইকেটের দেখা পেয়ে যান রাবাদা।

    বাংলাদেশের বিপদে ঢাল হতে পারেননি আরেক অভিজ্ঞ ব্যাটার লিটন দাস। ১ রান করেই সাজঘরের পথ ধরেছেন তিনি। বাংলাদেশের বিপদে হাল ধরা মেহেদী হাসান মিরাজও এদিন হতাশ করেছেন। ফিরেছেন ১৩ রান করে।

    এরপর লাঞ্চ শেষে ব্যক্তিগত ৩০ রান করে সাজঘরের পথ ধরেন মাহমুদুল হাসান জয়। অভিষেক টেস্ট রাঙাতে পারেননি জাকের আলী। মাত্র ২ রান করেই সাজঘরে ফিরতে হয়েছে তাকে। পরে নাঈম হাসানকে নিয়ে বাংলাদেশের সংগ্রহটাকে একশ পার করেন তাইজুল ইসলাম। নাঈম ৮ রানে ফেরার পর তাইজুল ১৬ রানে ফিরলে বাংলাদেশের ইনিংস থামে ১০৬ রানে। কাগিসো রাবাদা, ‍মুল্ডার ও কেশভ মহারাজ নেন তিনটি করে উইকেট।

  • বিদায়ী টেস্ট খেলতে দেশে ফেরা হচ্ছে না সাকিবের

    বিদায়ী টেস্ট খেলতে দেশে ফেরা হচ্ছে না সাকিবের

    কানপুর টেস্টে মাঠে নামার আগে মিরপুরে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে ক্যারিয়ারের শেষ টেস্ট খেলার আকুতি জানিয়েছিলেন সাকিব আল হাসান। ফেসবুকে এক পোস্ট দিয়ে ক্ষমাও চেয়েছেন সাকিব। এরপর দক্ষিণ আফ্রিকা টেস্টের ঘোষিত দলেও রাখা হয়েছিল সাকিবকে। মনে হচ্ছিল বিদায়ী টেস্ট খেলার স্বপ্ন পূরণ হতে চলেছে সাকিবের। তবে সেটি যে এখন একরকম থমকে গেছে সেটা স্বীকার করেছেন সাকিব নিজেই।

    যুক্তরাষ্ট্র থেকে ঢাকায় ফেরার পথে দুবাইয়ে ট্রানজিট নেওয়া সাকিবকে নিরাপত্তা নিয়ে বার্তা পাঠায় বিসিবি। যেখানে বলা হয়, নিরাপত্তা নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত তাকে জানানোর পরই যেন তিনি ঢাকার বিমান ধরেন। এরপর লম্বা সময় কেটে গেছে। এক গণমাধ্যমের সঙ্গে দেশে ফেরা নিয়ে কথা বলেছেন সাকিব।

    বাংলাদেশে না ফিরতে পারার বিষয়ে সাকিব জানিয়েছেন, নিজের নিরাপত্তার জন্যই এখন দেশে ফিরতে পারছেন না তিনি। সাকিব বলেন, ‌‘দেশে ফেরার কথা ছিল… কিন্তু এখন হয়তো ফিরতে পারব না সিকিউরিটি ইস্যুর জন্য, আমার নিজের নিরাপত্তার জন্যই…।’

    সাকিবের কথায় ‘হয়তো’ শব্দটি থাকায় দেশের ফেরার সম্ভাবনাও কিছুটা রয়ে যায়। চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত কখন আসতে পারে, এটি জানতে চাওয়ার পর তার উত্তর, ‘এখন সিদ্ধান্ত চূড়ান্তই বলতে পারেন।’ অর্থাৎ বিদায়ী টেস্ট খেলতে দেশে ফেরা হচ্ছে না সাকিবের।

    কানপুরে ভারতের বিপক্ষে খেলা টেস্ট ম্যাচটিই হবে শেষ টেস্ট হয়ে গেল সাকিবের। এ ব্যাপারে অবশ্য এখনও আনুষ্ঠানিক কোনো মন্তব্য করেনি সাকিব কিংবা বিসিবি। তাই সেই আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসার আগ পর্যন্ত সাকিবকে নিয়ে ধোঁয়াশা থাকছেই।

  • শাহিন বাবর নাসিম বাদ, যা বললেন আফ্রিদি

    শাহিন বাবর নাসিম বাদ, যা বললেন আফ্রিদি

    ইংল্যান্ডের বিপক্ষে বাকি দুটি টেস্ট ম্যাচের জন্য পাকিস্তানের সেরা ক্রিকেটার বাবর আজম, শাহীন শাহ আফ্রিদি ও নাসিম শাহকে বিশ্রাম দেওয়ার জাতীয় নির্বাচকদের সিদ্ধান্তের প্রতি পূর্ণ সমর্থন জানিয়েছেন দেশটির সাবেক অধিনায়ক শহিদ আফ্রিদি।

    সম্প্রতি সামাজিকমাধ্যম এক্স-এ এসব বিষয়ে কথা বলেন তিনি।

    শহিদ আফ্রিদি বলেন, বাবর আজম, শাহিন আফ্রিদি এবং নাসিম শাহকে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে বিরতি দেওয়ার জন্য নির্বাচকদের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করছি। এই পদক্ষেপটি কেবল এই চ্যাম্পিয়ন খেলোয়াড়দের ক্যারিয়ার রক্ষা এবং দীর্ঘায়িত করতে সাহায্য করে না বরং উদীয়মান প্রতিভাদের পরীক্ষা এবং উন্নত করার একটি দুর্দান্ত সুযোগ দেয়, ভবিষ্যতের জন্য একটি শক্তিশালী বেঞ্চ শক্তি গড়ে তুলতে।

    তিনি আরও বলেন, তাদের বিশ্রামের ফলে দলে তরুণ প্রতিভা লালন-পালনের জন্য দরজাও খুলে দেবে।

    সম্প্রতি ভালো সময় যাচ্ছে না বাবরের। ২০২৩ সালের শুরু থেকে এখন পর্যন্ত ৯ টেস্টের ১৭ ইনিংস মিলিয়ে বাবর রান করেছেন ৩৫২, গড় মাত্র ২০.৭০।

    তাদের বাদের বিষয়ে পাকিস্তানের সহকারী কোচ আজহার মাহমুদ বলেন, বাবর আমাদের নং ওয়ান প্লেয়ার। তার কৌশল ও ক্ষমতা অপরিসীম। তার বর্তমান অবস্থান দেখে নির্বাচক কমিটি মনে করেছে তাকে বিশ্রাম দেওয়া সঠিক সময়। সামনে আমাদের অস্ট্রেলিয়া, জিম্বাবুয়ে ও দক্ষিণ আফ্রিকায় গুরুত্বপূর্ণ সফর রয়েছে।

    মাহমুদ আরও বলেন, এটি নতুন ব্যবস্থাপনার অধীনে তৃতীয় টেস্ট। এর আগে, আমরা ২০ উইকেট নেওয়ার উপায় খুঁজতে সংগ্রাম করছিলাম। এখন আমরা মনে করি স্পিনের সঙ্গে আমাদের আরও অপশন রয়েছে। কিছু খেলোয়াড়ের সামান্য ইনজুরি আছে—নাসিমের কিছু সমস্যা আছে এবং শাহীন অনেক দিন একটানা ক্রিকেট খেলেছে। তাই তাদেরকে বিশ্রাম দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে নির্বাচক কমিটি।

  • আন্তর্জাতিক ক্রিকেটকে বিদায় জানালেন পাকিস্তানি লেগ-স্পিনার

    আন্তর্জাতিক ক্রিকেটকে বিদায় জানালেন পাকিস্তানি লেগ-স্পিনার

    আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে অবসর নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন পাকিস্তান জাতীয় দলের ক্রিকেটার উসমান কাদির। বৃহস্পতিবার নিজের সামাজিক মাধ্যমের এক পোস্টে এ ঘোষণা দেন পাকিস্তানি লেগ-স্পিনার।

    উসমান কাদির তার কোচ, সতীর্থ এবং ভক্তদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে বলেন, পাকিস্তানের প্রতিনিধিত্ব করা আমার জন্য গর্বের বিষয় ছিল। কোচ ও বন্ধুরা প্রতিটি ধাপে আমাকে যেভাবে গাইড করেছেন তার জন্য আমি কৃতজ্ঞ। আর ভক্তদের ভালোবাসা ও সমর্থন সবসময় আমার সঙ্গে ছিল।

    উসমান কাদির জানিয়েছেন, তিনি অবসর নেওয়ার পরেও তার বাবা কিংবদন্তি লেগ-স্পিনার আব্দুল কাদিরের ঐতিহ্য ধরে রাখবেন।

    তিনি বলেন, ‘ক্রিকেট থেকে অবসর নিলেও বাবার ঐতিহ্য এগিয়ে নিয়ে যাব। পাকিস্তান ক্রিকেটের চেতনা সবসময় আমার সঙ্গে থাকবে’।

    এই ঘোষণার মাধ্যমে উসমান কাদির তার আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের সমাপ্তি টানলেন এবং তার বাবার নামে ক্রিকেটে অবদান রেখে যাওয়ার প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করলেন।

    ৩১ বছর বয়সি উসমান কাদির পাকিস্তান জাতীয় দলের হয়ে একটি মাত্র ওয়ানডে এবং ২৫টি টি-টোয়েন্টি খেলেছেন। এর মধ্যে টি-টোয়েন্টিতে ১৮.৫ গড়ে এবং ৭.৯৫ ইকোনমিতে ৩১টি উইকেট দখল করলেও একমাত্র ওয়ানডেতে তার উইকেট সংখ্যা একটিই।

  • অর্ধেকের বেশি কমতে যাচ্ছে সাকিবের বেতন

    অর্ধেকের বেশি কমতে যাচ্ছে সাকিবের বেতন

    প্রতি বছরই ক্রিকেটারদের সঙ্গে কেন্দ্রীয় চুক্তি নবায়ন করে থাকে বিসিবি। সেই ধারাবাহিকতায় চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) প্রকাশিত কেন্দ্রীয় চুক্তিতে তিন ফরম্যাটেই ছিলেন অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসান। তবে মাত্র আট মাসের ব্যবধানে বদলে গেল সব। অনেকটা হুট করেই আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি ও টেস্ট থেকে অবসরের ঘোষণা দিয়েছেন তিনি। যা প্রভাব ফেলেছে তার আয়েও।

    সর্বশেষ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের শেষ ম্যাচই ছিল সংস্করণটিতে সাকিবের শেষ ম্যাচ। ইচ্ছা অনুযায়ী দেশে ফিরে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে টেস্ট খেলতে না পারলে সদ্য সমাপ্ত কানপুরেই টাইগার অলরাউন্ডারের শেষ টেস্ট খেলা হয়ে গেছে। যে কারণে দুই সংস্করণে আর কেন্দ্রীয় চুক্তিতে থাকছেন না সাকিব। ফলে তার বেতন কমছে অর্ধেকেরও বেশি।

    ক্রিকেটারদের কয়েকটি ক্যাটাগরিতে ভাগ করে কেন্দ্রীয় চুক্তির তালিকা প্রকাশ করেছিল বিসিবি। তিন ক্যাটাগরির খেলোয়াড় তালিকায় সাকিব ছাড়াও ছিলেন লিটন দাস, মেহেদী হাসান মিরাজ, নাজমুল হোসেন শান্ত ও শরিফুল ইসলাম।

    যেখানে টেস্টে এ+ গ্রেডের বেতন সাড়ে ৪ লাখ টাকা। ওয়ানডেতে ৪ লাখ আর টি-টোয়েন্টিতে সংখ্যাটা সাড়ে ৩ লাখ। কোনো ক্রিকেটারের নাম যদি তিন সংস্করণে থাকে তাহলে ক্যাটাগরি অনুযায়ী প্রথম সংস্করণের শতভাগ, দ্বিতীয় সংস্করণের ৫০ ভাগ ও তৃতীয় সংস্করণের ৪০ ভাগ টাকা পেয়ে থাকেন।

    এই হিসেবে সাকিব প্রতি মাসে বেতন পেতেন ৭ লাখ ৩০ হাজার টাকা। এ ছাড়া তিন সংস্করণে নির্দিষ্ট সংখ্যক ম্যাচ খেলার কোটা পূরণ করলে ক্রিকেটাররা পান বাড়তি ভাতা।

    এখন টেস্ট ও টি-টোয়েন্টি থেকে সরে দাঁড়ানোয় বেতনের টাকা কাটা যাবে সাকিবের। টেস্ট ও টি-টোয়েন্টি না খেলায় একমাত্র ওয়ানডে চুক্তির জন্য সাকিব মাসে পাবেন ৪ লাখ টাকা করে।

    অবশ্য ওয়ানডে ক্যারিয়ারও বেশি দিন স্থায়ী হচ্ছে না। আগামী ২০২৫ চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি খেলে এই ফরম্যাট থেকে বিদায় নেওয়ার ইঙ্গিত দিয়ে রেখেছেন টাইগার এই অলরাউন্ডার।