তিন ফর্মেটেই জাতীয় দলের প্রধান কোচ হিসেবে ওটিস গিবসনের নাম ঘোষণা করেছে ক্রিকেট দক্ষিণ আফ্রিকা (সিএসএ)। রাসেল ডোমিঙ্গোর স্থলাভিষিক্ত হতে যাচ্ছেন গিবসন।
চুক্তি অনুযায়ী আগামী মাসে নিজ মাঠে সফরকারী বাংলাদেশের বিপক্ষে সিরিজ থেকে ২০১৯ আইসিসি বিশ্বকাপ গিবসন প্রোটিয়া দলের কোচের দায়িত্ব পালন করবেন।
বর্তমানে ইংল্যান্ড দলের বোলিং কোচের দায়িত্ব পালন করছেন গিবসন। ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ইংল্যান্ডের চলমান সিরিজ শেষেই দক্ষিণ আফ্রিকার দায়িত্ব নেবেন এক সময় ক্যারিবীয় দলের কোচের দায়িত্ব পালন করা গিবসন।
সাবেক কোচ ডোমিঙ্গো এখন থেকে দক্ষিণ আফ্রিকা ‘এ’ দলের প্রধান কোচ হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন বলেও সিএসএর পক্ষ থেকে জানানো হয়।
৪৮ বছর বয়সী গিবসন ১৯৯৫-১৯৯৯ চার বছরের খেলোয়াড়ি জীবনে ওয়েস্ট ইন্ডিজের হয়ে ২টি টেস্ট ও ১৫টি ওয়ানডে খেলেছেন। জাতীয় দলের হয়ে তার ক্যারিয়ার খুব দীর্ঘ না হলেও আঞ্চলিক দল বার্বাডোজও ইংলিশ কাউন্টিসহ মোট চারশ’র বেশি ম্যাচ খেলেছেন তিনি।
গিবসনের নিয়োগ সম্পর্কে সিএসএ প্রধান নির্বাহী হারুন লরগাত বলেন, ‘দীর্ঘ প্রক্রিয়া শেষে প্রোটিয়া দলের প্রধান কোচ হিসেবে গিবসনকে পেয়ে আমরা আনন্দিত। ’
নিয়োগ পাওয়ার পর গিবসন বলেন, ‘আমার কোচিং ক্যারিয়ারে নতুন দায়িত্ব পেয়ে আমি আনন্দিত এবং আমাকে এমন সুযোগ দেয়ার জন্য ক্রিকেট দক্ষিণ আফ্রিকাকে ধন্যবাদ জানাই। একই সঙ্গে আমাকে ছেড়ে দেয়ার জন্য ধন্যবাদ জানাই ইংল্যান্ড এন্ড ওয়েলস ক্রিকেট বোর্ডকে (ইসিবি)। খেলোয়াড় হিসেবে দক্ষিণ আফ্রিকায় আমার কিছু ভাল স্মৃতি আছে এবং এখন আমি কোচ হিসেবে দায়িত্ব পালনের জন্য মুখিয়ে আছি। ’
গিবসনের প্রথম অ্যাসাইনমেন্ট হবে ২৮ সেপ্টেম্বরে শুরু হতে যাওয়া বাংলাদেশের বিপক্ষে দুই টেস্টের সিরিজ। এরপর বাংলাদেশের বিপক্ষে চার ম্যাচের একটি ওয়ানডে ও দুই ম্যাচের টি-২০ সিরিজ খেলবে স্বাগতিক দক্ষিণ আফ্রিকা।





প্রথম দুই দিন ম্যাচের লাগাম বাংলাদেশের হাতেই ছিল। তবে তৃতীয় দিনে সেটা কেড়ে নেয় অজিরা। শুধু তাই নয়, দুই উইকেটে ১০৯ রান নিয়ে দিন শেষ করা অস্ট্রেলিয়ার জয়ের জন্য দরকার ছিল ১৫৬ রানের। কিন্তু সবচেয়ে ভয়ের যে কারণ ছিল সেটা অপরাজিত থাকা হওয়ার দুই অধিনায়ককে নিয়ে। এর মধ্যে ওয়ার্নার তো ছিলেন এক কথাই ভয়ংকার। হারলেও এদিন সেই রুপটা আরও একবার দেখিয়ে গেছেন এই অজি ওপেনার। তবে ওয়ার্নার পর্যন্তই।
বোলিংয়ে অবশ্য আলাদা করেই বলতে হচ্ছে সাকিবকে নৈপূন্যটাকে। প্রথম ইনিংসে ৫ উইকেট নেওয়ার পর দ্বিতীয় ইনিংসেও ৫ উইকেট নিয়েছেন বিশ্বসেরা এই অলরাউন্ডার। এছাড়া প্রথম ইনিংসে ৩ উইকেটসহ মোট ৫ উইকেটটি পেয়েছেন মিরাজ। এবং দুই ইনিংস মিলে তাইজুল ইসলাম পেয়েছেন ৪ উইকেট।



