Category: ক্রিকেট

  • এবার ডিএনএ পরীক্ষা দিতে হবে বিরাট-ধোনিদের

    এবার ডিএনএ পরীক্ষা দিতে হবে বিরাট-ধোনিদের

    অনলাইন ডেস্ক

    খেলোয়াড়দের শরীর ঠিক রাখার জন্য নিয়মিত ফিটনেস পরীক্ষা দিতে হয়। আর তারই অঙ্গ হিসেবে এবার কোহলি-ধোনিদের দিতে হবে ডিএনএ টেস্ট।

    টিম ইন্ডিয়ার ফিটনেস ট্রেনার শঙ্কর বাসু’র নির্দেশমত ক্রিকেটারদের জেনেটিক ফিটনেস ব্লু-প্রিন্ট তৈরি করতে চায় বিসিসিআই। তাই বিরাট-ধোনি-রোহিতদের এবার বসতে হবে ডিএনএ পরীক্ষায়।

    ডিএনএ অর্থাৎ জেনেটিক ফিটনেস টেস্টের ফলে প্রতিটি ক্রিকেটারের ৪০টি বেশি ফিটনেস ও স্বাস্থ্য সংক্রান্ত বিষয় জানা যাবে। প্রতিটি ক্রিকেটারের ডিএনএ ডাটার মাধ্যমে তৈরি হবে এনভাইরনমেন্টাল ডাটা। বোর্ড সূত্রের খবর, ‘আমরা ক্রিকেটারদের ডিএনএ টেস্ট চালু করার কথা ভাবছি। টিমের ফিটনেস ট্রেনার শঙ্কর বাসুর পরামর্শ মেনে টিম ম্যানেজমেন্ট এই টেস্টের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। প্রতিটি ক্রিকেটারের জন্য বোর্ডের খরচ হবে ২৫ থেকে ৩০ হাজার টাকা। ’

    এই টেস্টের ফলে প্রত্যেকের আদালা ফিটনেস চার্ট তৈরি করা সম্ভব হবে। যেখানে জানা যাবে চোট পাওয়ার পর কোনো ক্রিকেটারের সুস্থ হতে কত সময় লাগবে।

    জানা যাবে ফ্যাট বারনিং, এন্ডুরেন্স এবং মাসেল ব্লিডিং সম্পর্কেও।

    উল্লেখ্য, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে বাস্কেটবল (এবিএ) এবং এএফএল খেলোয়াড়দের এই টেস্ট নেওয়া হয়ে থাকে। এর আগে ভারতীয় ক্রিকেটাররা তাঁদের শরীরে ফ্যাট ম্যানেজমেন্টের জন্য স্পিনফোল্ড টেস্ট দিয়েছে। কিন্তু অনেক ক্ষেত্রেই দেখা গেছে এটা ঠিক হচ্ছে না।

  • আক্রমণাত্মক শুভাশিসকেই ‘সরি’ বললেন মাশরাফি

    আক্রমণাত্মক শুভাশিসকেই ‘সরি’ বললেন মাশরাফি

    চিটাগং ভাইকিংসের দেওয়া ১৬৭ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে গিয়ে ব্যাট করছিল রংপুর রাইডার্স। তখন ইনিংসে ১৭তম ওভারের খেলা চলছিল। শুভাচিটাগং ভাইকিংসের দেওয়া ১৬৭ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে গিয়ে ব্যাট করছিল রংপুর রাইডার্স। তখন ইনিংসে ১৭তম ওভারের খেলা চলছিল। শুভাশিসের ইয়র্কার লেন্থের বল ঠেকান ব্যাটসম্যান মাশরাফি। নিজের বলে ফিল্ডিং করেই বল মাশরাফির দিকে ছুড়ে মারতে উদ্যত হলেন শুভাশিস। মাশরাফি হাত ইশারায় বললেন, ‘যা’।

    এতে আরও ক্ষিপ্ত হয়ে যান শুভাশিস। তেড়ে ‍যান মাশরাফির দিকে। সতীর্থরা এসে যখন শুভাশিসকে টেনে নিচ্ছিলেন তখনও আক্রমণাত্মক ভঙ্গি করতে থাকেন তিনি। বাকিটা মাশরাফি শুধু তাকিয়ে লক্ষ্য করেন। মাশরাফির মতো একজন সিনিয়র ক্রিকেটারের সঙ্গে শুভাশিসের এমন আচরণে সবাই হতবাক।

    স্বাভাবিকভাবেই ম্যাচ পরবর্তী সংবাদ সম্মেলনে আসল এই প্রসঙ্গ। বাংলাদেশের ওয়ানডে অধিনায়ক বলেন, ‘আমি মনে করি, আই শুড সে সরি টু হিম। আমারই সরি বলা উচিত। ক্রিকেটেরই অংশ। হয়ে থাকে এমন। ওর জায়গা থেকে হয়ত ঠিকই আছে। সে জিততে চায়, আমিও জিততে চাই। যেহেতু সে আমার ছোট, আমার আরেকটু মাথা ঠাণ্ডা রাখলে ভালো হতো। সিরিয়াস কিছু হয়নি অবশ্যই। আমি জানি না, ওর কি করা উচিত ছিল। কিন্তু সিনিয়র হিসেবে আমার আরেকটু শান্ত থাকলে ভালো হতো।’

    সংবাদ সম্মেলন শেষে বেরিয়ে যাওয়ার সময় এক সংবাদ কর্মী বললেন ‘দেশের একজন ক্রিকেটার আপনার দিকে তেড়ে আসছে হয়তো এই অভিজ্ঞতাটাই বাকি ছিল’! মাশরাফি হেসে বলেন, ‘ছেলেরা সব স্মার্ট হয়ে যাচ্ছে, ভালোই।’ ‘ঘটনা যা ছিল, তা সিরিয়াস কিছু নয়। ম্যাচের গুরুত্বপূর্ণ সময়ে এ রকম হয়।

     

  • বিপিএল’র ঢাকা পর্বের সময় সূচিতে পরিবর্তন

    বিপিএল’র ঢাকা পর্বের সময় সূচিতে পরিবর্তন

    বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ (বিপিএল) ক্রিকেটের পঞ্চম আসরের ঢাকা পর্বের ম্যাচের সময়সূচিতে পরিবর্তন এনেছে বিসিবি। রবিবার সিলেটে গণমাধ্যমকে পরিবর্তিত সময়সূচির তথ্য জানান বিপিএল গভর্নিং বডির সদস্য সচিব ও বিসিবি পরিচালক ইসমাইল হায়দার মল্লিক।

    তিনি জানান, ঢাকা পর্বে দুপুর ২টার ম্যাচ আধা ঘণ্টা এগিয়ে দেড়টায় শুরু হবে। এক ম্যাচ পরে বিরতি এক ঘণ্টার জায়গায় হবে আধা ঘণ্টা এবং দিনের দ্বিতীয় ম্যাচটি সন্ধ্যা ৭টার পরিবর্তে সন্ধ্যা ৬টায় শুরু হবে।

  • ঢাকাকে হারাল সিলেট সিক্সার্স

    ঢাকাকে হারাল সিলেট সিক্সার্স

    বিপিএলের প্রথম ম্যাচে শনিবার সিলেট সিক্সার্সের প্রতিপক্ষ তারকাবহুল ঢাকা ডায়নামাইটস। অপেক্ষাকৃত সাদামাটা দল নিয়ে উদ্বোধনী ম্যাচেই চমক দিল স্বাগতিক সিলেট সিক্সার্স। নাসির হোসেনের নেতৃত্বাধীন সিলেট আজ ৯ উইকেটের বড় ব্যবধানে বর্তমান চ্যাম্পিয়ন সাকিবের ঢাকা ডায়নামাইটসকে হারিয়ে টুর্নামেন্টে শুভযাত্রা শুরু করেছে।
    ১৩৭ রানের টার্গেটে ব্যাটিংয়ে নেমে উড়ন্ত সূচনা করেন সিলেট সিক্সার্সের দুই ওপেনার উপুল থারাঙ্গা এবং আন্দ্রে ফ্লেচার। ঢাকার বোলাররা যেন বোলিং করতে ভুলে গিয়েছিল। কোনোভাবেই আউট করা যাচ্ছিল না তাদের। দুজনেই তুলে নেন হাফ সেঞ্চুরি। ৫১ বলে ৫ চার এবং ৩ ছক্কায় ৬৩ রান করা ফ্লেচার আদিল রশিদের শিকার হলে ভাঙে ১২৫ রানের জুটি। এতে অবশ্য কোনো ক্ষতি হয়নি। কেবল ১০ উইকেটের জয়টাই হাতছাড়া হয়েছে।
    এর আগে আজ শনিবার টসে হেরে ব্যাটিংয়ে নেমে দলীয় ২ রানে নাসিরের বলে মেহেদী মারুফ (০) প্যাভিলিয়নে ফিরলে বিপদে পড়ে ঢাকা।
    এরপর কুমার সাঙ্গাকারার সঙ্গে ৪৮ রানের জুটি গড়ে নাসিরের দ্বিতীয় শিকার হন এভিন লুইস (২৬)। ইনিংসের সর্বোচ্চ রান করা লঙ্কান লিজেন্ড সাঙ্গাকারাকে (৩২) আবুল হাসানের তালুবন্দী করেন প্ল্যাঙ্কেট।
    সাঙ্গাকারার বিদায়ের সাকিবের সঙ্গে ভুল বোঝাবুঝি হওয়ায় রান-আউট হয়ে যান ৬ রান করা মোসাদ্দেক। বিধ্বংসী হওয়ার আগেই কায়রন পোলার্ডকে (১১) নাসির হোসেনের তালুবন্দী করেন আবুল হাসান। অধিনায়ক সাকিব ২১ বলে ২৩ রান করে প্ল্যাঙ্কেটের দ্বিতীয় শিকার হন। শেষ পর্যন্ত নির্ধারিত ২০ ওভারে ৭ উইকেটে ১৩৬ রান করে ঢাকা ডায়নামাইটস। ২টি করে উইকেট নেন নাসির এবং আবুল হাসান।
  • ঢাকা, রংপুর, কুমিল্লাই ফেবারিট

    ঢাকা, রংপুর, কুমিল্লাই ফেবারিট

    এটা আইপিএল নয় যে, শুরু থেকে প্রায় সব শীর্ষ, নামী-দামি তারকার দেখা মিলবে। ভারতের সাড়া জাগানো ওই ফ্র্যাঞ্চাইজি টি-টোয়েন্টি আসরে অর্থের ছড়াছড়ি। শত শত কোটি রুপির ব্যাপার-স্যাপার।

    আইপিএল খেলতে বিশ্বের সব বড় বড় তারকা মুখিয়ে থাকেন। জাতীয় দল ও বিভিন্ন দলে খেলে তারা সারা বছরে যত আয় করেন, তার চেয়ে কয়েকগুণ বেশি অর্থ মেলে আইপিএলে। খুব স্বাভাবিকভাবেই সবাই আইপিএল খেলতে চান। দলগুলোর সাথেও বিশ্বের সব বড় বড় তারকার চুক্তি হয় পুরো আসরের জন্য।

    কিন্তু বিপিএলে অত টাকা নেই। যে কারণে ক্রিস গেইল-ব্রেন্ডন ম্যাককালামের মত বিশ্ব মানের তারকাদের পুরো আসরের জন্য পাওয়া কঠিন। তারা এবারো আসবেন একটু দেরি করে।

    শুধু ওই দু’জন বড় তারকাই নন। এবারের বিপিএলে একঝাঁক পাকিস্তানি ক্রিকেটারেরও খেলার কথা। তারা ঘরের ক্রিকেটে ব্যস্ত। ১৭ নভেম্বরের আগে বর্তমান পাকিস্তান জাতীয় দলের একজন ক্রিকেটারেরও দেখা মিলবে না।

    মোট কথা, যদিও এবার থেকে এক ম্যাচে সর্বাধিক পাঁচ বিদেশি ক্রিকেটার খেলানোর নতুন নিয়ম চালু হতে যাচ্ছে, তারপরও কোন দলই শুরু থেকে তাদের সম্ভাব্য সেরা বিদেশিকে পাবে না।

    অর্থাৎ আগামীকাল থেকে বিপিএলের ব্যাট ও বলের লড়াই শুরু হলেও পছন্দের সব বিদেশি ক্রিকেটার নিয়ে কোন দলই পূর্ণ শক্তিতে মাঠে নামতে পারবে না। কাজেই সব দল আসর শুরুর আগে প্রহর গুনছে, কখন তাদের সম্ভাব্য সেরা বিদেশি ক্রিকেটাররা এসে যোগ দেবেন। এখন সেই আসার অপেক্ষার পালা।

    তাই এখনই বলা কঠিন, বিপিএলের এবারের আসরে কে হাসবে শেষ হাসি? ওই প্রশ্নের জবাব সময়ের ওপর ছেড়ে দেয়াই হবে যুক্তিযুক্ত। তারপরও স্থানীয় বোদ্ধা ও বিশেষজ্ঞের কেউই কোন দলকে এককভাবে ফেবারিট মানতে নারাজ। তাদের কথা, যেহেতু বিদেশি ক্রিকেটাররাই আসল পার্থক্য গড়ে দেন, তাই সব দলের পছন্দের সেরা বিদেশিরা আসার আগে কোন দল সম্পর্কেই আগাম মন্তব্য করা যুক্তিযুক্ত নয়।

    তারপরও শুরুর আগে তিন দলকে কম-বেশি সবাই এগিয়ে রাখছেন। বিশেষজ্ঞদের চোখে, কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স, রংপুর রাইডার্স ও ঢাকা ডায়নামাইটস অন্য চার দলের চেয়ে এগিয়ে। রাজশাহী কিংস ও খুলনা টাইটান্সকে ডার্ক হর্স ভাবা হচ্ছে।

    সিলেট সিক্সার্স ও চিটাগাং ভাইকিংসকে খালি চোখে তুলনামুলক কমজোরি ভাবা হলেও খেলাটি মাত্র ২০ ওভারের। অনিশ্চয়তায় ভরা ক্রিকেটে এমনিতেই শেষ বা সম্ভব-অসম্ভব বলে কোন কথা নেই। সেখানে এ ছোট্ট পরিসরের আসর আরও অনিশ্চয়তায় ভরা।

    কাজেই নিশ্চিত করে বলার উপায় নেই যে, ওই দলই ফেবারিট আর অমুক দল আন্ডারডগ। সবচেয়ে বড় কথা, টি-টোয়েন্টি ক্রিকেট হচ্ছে ছন্দের খেলা। কাগজে কলমে দূর্বল ও কমজোরি কোন দলও যদি একবার ছন্দ ফিরে পায় তাহলে দুর্দমনীয় হয়ে ওঠে।

    তখন সে দলকে আটকে রাখা কঠিন। কাজেই শুরুর আগেই জের টানা সত্যিই কঠিন। তারপরও মাশরাফি বিন মর্তুজার রংপুর রাইডার্স, তামিম ইকবালের কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স এবং সাকিব আল হাসানের ঢাকা ডায়নামাইটসের সম্ভাবনা বেশি ভাবা হচ্ছে।

    একদিনের সীমিত ওভারের ফরম্যাটে যাদের ব্যাট সবচেয়ে ধারালো, সেই ক্রিস গেইল-ব্রেন্ডন ম্যাককালাম রংপুরের সবচেয়ে বড় সম্পদ ও সেরা ব্যাটিং অস্ত্র। যে কোন ম্যাচ একা বদলে দেয়ার পর্যাপ্ত সামর্থ্য আছে দু’জনারই। এরই মধ্যে গেইল হচ্ছেন একমাত্র ক্রিকেটার যিনি বিপিএল খেলতে আসার অর্থ, ব্যাটে ঝড় তুলে সেঞ্চুরি করা। এ আসরে সর্বাধিক তিন সেঞ্চুরির মালিক গেইল।

    তারা আসার আগের লাইনআপও বেশ ভাল রংপুরের। বিপিএলে সর্বাধীক তিনবারের চ্যাম্পিয়ন দলের অধিনায়কত্ব করা মাশরাফি বিন মর্তুজা রংপুরের অন্যতম চালিকশক্তি। এছাড়া শাাহরিয়ার নাফীস আর মোহাম্মদ মিঠুনের মত অভিজ্ঞ উইলোবাজ আছেন। সাথে শ্রীলঙ্কান কুশল পেরেরা, জনসন চার্লস, ইংলিশ স্পেশালিস্ট রবি বোপারা, ডেভিড উইলি।

    মাঝখানে থিসারা পেরেরা আর জিয়াউর রহমানের মত হার্ডহিটার কাম পেসার। মাশরাফি মর্তুজার সাথে-রুবেল হোসেনও আছেন পেস ডিপার্টমেন্টে। স্পিন আক্রমণও বেশ ধারালো। সোহাগ গাজী, আব্দুর রাজ্জাক ও স্যামুয়েল বদ্রি আছেন ওই ডিপার্টমেন্টে। ক্রিস গেইল আর ব্রেন্ডন ম্যাককালাম যুক্ত হলে এ দলকে হারানো হবে খুব কঠিন।

    শুধু ক্রিকেটারদের কথা বলা কেন, রংপুরের কোচও এ আসরের অন্যতম সেরা আকর্ষণ। এ মুহূর্তে বিশ্বের সবচেয়ে কুশলী ও ক্রিকেট বোধ-বুদ্ধিসম্পœ টম মুডি এবার রংপুরের কোচ।

    কাফ ইনজুরির কারণে শেষ মুহুর্তে দল থেকে ছিটকে পড়েছেন অস্ট্রেলিয়ান অলরাউন্ডার শেন ওয়াটসন। তারপরও ঢাকার কোচ খালেদ মাহমুদ সুজন নির্ভার। কারণ, তার আছে শহিদ আফ্রিদি, সুনিল নারিন, এভিন লুইস ও কুমারা সাঙ্গাকারার মত অভিজ্ঞ এবং দারুণ কার্যকর পারফরমার।

    পেস আক্রমণে মোহাম্মদ আমির, কেভিন কুপার ও মোহাম্মদ শহীদ। অধিনায়ক সাকিব আল হাসান দলটির মূল চালিকাশক্তি। রভম্যান পাওয়েল, কাইরণ পোলার্ড ও নাদিফ চৌধুরী এবং মোসাদ্দেক হোসেন সৈকতও ঢাকার লাইন আপকে করেছেন সমৃদ্ধ।

    আগেরবার ফ্র্যাঞ্চাইজিদের সাথে অধিনায়ক মাশরাফির বনিবনা ভাল হয়নি। তাই শিরোপা ধরে রাখাও সম্ভব হয়নি। এবার কুমিল্লা মাঠে নামছে এ মুহুর্তে দেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় কোচ মোহাম্মদ সালাউদ্দীনের কোচিংয়ে। সবার আগে সিলেটে এসে ট্রেনিংও করছে কুমিল্লা।

    বাংলাদেশের তিন টপ অর্ডার তামিম, ইমরুল ও লিটন দাস দলটির ফ্রন্টলাইন ব্যাটিংয়ে। সঙ্গে আরও যোগ হবেন পাকিস্তানের ফাখর জামান, জস বাটলার, কলিম মুনরো। মিডল ও লেট অর্ডার আসর সেরা। যেখানে মারলন স্যামুয়েলস, ড্যারেন ব্র্যাভো, শোয়েব মালিকের সাথে দুই স্বীকৃত অলরাউন্ডার ডোয়াইন ব্র্যাভো ও মোহাম্ম নবি। এছাড়া পরে যোগ দেবেন পাকিস্তানের নতুন পেস সেনসেশন হাসান আলি।

    আফগানিস্তান তথা সময়ের সেরা লেগস্পিনর রশিদ খান কুমিল্লা ভিক্টেরিয়ান্সের বড় ট্রাম্পকার্ড। এ ছাড়া এই সেদিন হ্যাটট্রিক করা ফাহিম আশরাফও দ্বিতীয় পর্বে যোগ দেবেন। মাঝে অ্যাকশন প্রশ্নবিদ্ধ হওয়া বাঁ-হাতি স্পিনার আরাফাত সানিও কুমিল্লার স্পিন আক্রমণে থাকবেন।

    এছাড়া মাহমুদউল্লাহ রিয়াদের খুলনা টাইটান্স ও মুশফিকুর রহীম ও ড্যারেন স্যামির রাজশাহী কিংসও যে কোন ঘটনা ঘটিয়ে ফেলতে পারে। মাহমুদউল্লাহ রিয়াদের মত পরিণত ও অভিজ্ঞ পারফরমারের সাথে পাকিস্তানের অধিনায়ক সরফরাজ এবং পেসার জুনায়েদ খান যুক্ত হবেন খুলনায়। নাজমুল হোসেন শান্ত, সাইফ হাসান ও আফিফ হোসেন ধ্রুব‘র মত তিন অতি সম্ভাবনাময় তরুণও খুলনার অন্যতম চালিকাশক্তি হতে পারেন।

    গতবারর অল্পের জন্য শিরোপা জিততে না পারা রাজশাহীর এবার শক্তি বেড়েছে আরও। ব্যাটিংয়ে নির্ভরতার প্রতীক মুশফিকুর রহীম এবার দল পাল্টে রাজশাহীতে। ড্যারেন স্যামির নেতৃত্বে মুশফিক ইংলিশ লুক রাইট, ওয়েস্ট ইন্ডিয়ান লেন্ডল সিমন্স, মুমিনুল, ম্যালকম ওয়েলার, মোহাম্মদ সামি, সামিত প্যাটেল, জেমস ফ্র্যাঙ্কলিন, রাজা আলির মত প্রতিষ্ঠিত পারফরমারের সাথে তরুণ মেহেদী হাসান ও নিহাদুজ্জামানও রাজশাহীতে।

    প্রথম পর্বের স্বাগতিক সিলেট সিক্সার্স শুরুতে মূল শক্তিতে মাঠে নামতে পারছে না। দলটির অন্যতম নির্ভরতা হলেন পাকিস্তানের ইনফর্ম টপ অর্ডার বাবর আজম; কিন্তু ঘরের ক্রিকেটে ব্যস্ত থাকায় বাবর আজম আসবেন দেরিতে।

    তারপরও নাসির হোসেনের নেতৃত্বে সাব্বির রহমান, লিয়াম প্লাঙ্কেট, ইমতিয়াজ হোসেন তান্না, আন্দ্রে ফ্লেচার, উপুল থারাঙ্গা, দানুসকা গুনাথিলাকার মত পারফরমার আছেন। প্লাঙ্কেট, ক্রিসমার সান্তোকি, উসমান খান ও গোলাম মোদাস্সরের গড়া পেস অ্যাটাককে হেলাফেলার কিছু নেই।

    স্পিন ডিপার্টমেন্টে আছেন বাঁ-হাতি তাইজুল আর লঙ্কান লেগস্পিনার ওয়ানিদু হাসারাঙ্গা। এদের সাথে আবুল হাসান রাজু, কামরুল ইসলাম রাব্বি আর মোহাম্মদ শরীফের মত পেসারও রয়েছেন সিলেটে।

    তুলনামুলক কমজোরি দল চট্টগ্রাম। জাতীয় দলের সাবেক ওপেনার নুরুল আবেদিন নোবেলের প্রশিক্ষনে চট্টগ্রাম মাঠে নামবে পাকিস্তানের সাবেক অধিনায়ক মিসবাহ-উল হকের নেতৃত্বে। লঙ্কান লুকারাচ্চি, লিয়াম ডসন, সিকান্দার রাজা, দিলশান মুনাবিরা আর নজিবুল্লাহ জাদরান ফরেন কোটায় আছেন।

    চিটাগাং ভাইকিংসের দেশি লাইনআপ বেশ ভাল। এনামুল হক বিজয়, সৌম্য সরকার, তাসকিন আহমেদ, শুভাশিষ রায়, সানজামুল, তানবির হায়দার ও নাঈম হাসানের মত ভাল পারফরমার আছেন দলে।

  • হারের মুখ থেকে জিম্বাবুয়ের নাটকীয় ড্র

    হারের মুখ থেকে জিম্বাবুয়ের নাটকীয় ড্র

    বুলাওয়েতে সিরিজের দ্বিতীয় টেস্টের প্রথম দিন থেকেই নানা নাটকীয়তা চলেছে। একবার ওয়েস্ট ইন্ডিজ ভালো অবস্থানে, তো আরেকবার জিম্বাবুয়ে। তবে বিপদে পড়েও প্রথম ইনিংসে ক্যারিবীয়রা ৪৪৮ রানের বড় পুঁজি গড়ে ফেললে হারের মুখে ছিল জিম্বাবুয়েই।

    নাটকের জন্ম দিয়ে এই ম্যাচটিই ড্র করে ফেলেছে গ্রায়েম ক্রেমারের দল। সিকান্দার রাজা আর রেগিস চাকাভার দেয়াল গড়ে দেয়া দুটি হাফসেঞ্চুরিতে ভর করে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে হতাশায় ডুবিয়েছে স্বাগতিকরা। পঞ্চম দিনে জিম্বাবুয়ে দ্বিতীয় ইনিংসে ৭ উইকেটে ৩০১ রান তোলার পর ড্র মেনে নেয় দুই পক্ষ।

    ১২ বছরের মধ্যে টেস্টে জিম্বাবুয়ের এটি প্রথম ড্র। ২০১৩ সালের পর ১০ টেস্টে এবারই প্রথম হার এড়াতে পারল তারা। তবে প্রথম টেস্ট জয়ের সুবাদে দুই ম্যাচের সিরিজটা ১-০ ব্যবধানে জিতে নিয়েছে ওয়েস্ট ইন্ডিজই।

    প্রথম ইনিংসে জিম্বাবুয়ে পিছিয়ে ছিল ১২২ রানের বড় ব্যবধানে। দ্বিতীয় ইনিংসে ৪৬ রানে ৪ উইকেট হারিয়ে নিশ্চিত পরাজয় দেখছিল স্বাগতিকরা। সেখান থেকে দলকে টেনে তুলেন সিকান্দার রাজা।

    পঞ্চম দিনে ৮৯ রানে তিনি আউট হবার পর বাকি কাজটা সেরেছেন রেগিস চাকাভা। শেষপর্যন্ত ৭১ রানে অপরাজিত ছিলেন তিনি। ২৮ রান নিয়ে অপরাজিত থাকা অধিনায়ক গ্রায়েম ক্রেমারেরও এই ড্রয়ে অবদান কম নয়।

  • ভারতের জয়ে ইতিহাস গড়ল পাকিস্তান

    ভারতের জয়ে ইতিহাস গড়ল পাকিস্তান

    শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে তিন ম্যাচ টি-টোয়েন্টি সিরিজে ৩-০ ব্যবধানে জয় পাওয়া পর ক্রিকেটের সংক্ষিপ্ততম এই সংস্করণের র‌্যাঙ্কিংয়ে দ্বিতীয় স্থানে উঠে এসেছিল সরফরাজ আহমেদের পাকিস্তান। এর ফলে নির্ধারণ হয়ে যায় ১ নভেম্বর শীর্ষ থাকা নিউজিল্যান্ডকে ভারত হারাতে পারলেই দুইয়ে নেমে যাবে কিউইরা।

    সেই অনুযায়ী গতকাল বুধবারের ম্যাচ ভারত জয় পাওয়ায় প্রথমবারের টি-টোয়েন্টি র‌্যাঙ্কিংয়ে শীর্ষে উঠেছে পাকিস্তান।

    এদিকে, টি-টোয়েন্টি র‌্যাঙ্কিংয়ে পাকিস্তান ও নিউজিল্যান্ডের পরই রয়েছে গেইল-স্যামুয়েলদের ওয়েস্ট ইন্ডিস। এছাড়া সেরা দশের বাকি ৭টি দেশ যথাক্রমে ইংল্যান্ড, ভারত, দক্ষিণ আফ্রিকা, অস্ট্রেলিয়া, শ্রীলঙ্কা, আফগানিস্তান ও বাংলাদেশ।

    সূত্র : দ্য ডন

  • বাংলাদেশের জয়ে যা বললেন মাশরাফি

    বাংলাদেশের জয়ে যা বললেন মাশরাফি

    মিরপুরে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে অবিস্মরণীয় জয় পেয়েছে মুশফিক বাহিনী। টাইগারদের জয়ে উৎফুল্ল গোটা বাংলাদেশ।

    উৎফুল্ল বাংলাদেশের লিভিং লিজেন্ড মাশরাফি বিন মর্তুজাও। মুশফিকদের জয়ে মাশরাফি তার ফেসবুক পেজে একটি স্ট্যাটাস দিয়েছেন।

    লিখেছেন, তামিম ইকবাল ইউ আর ব্রিলিয়ান্ট, সম্ভবত বিশ্বের সেরা ওপেনার। তাইজুল গ্রেট বোলিং মেট, মিরাজ রক, মুশফিকুর রহিম একজন কার্যকরী অধিনায়ক, তাকে সবাই মাঠে খুব ভালভাবে সমর্থন দিয়েছে। কিন্তু একজন আছে যে এই আনন্দ মুহূর্তের সব উত্তরদাতা…. সাকিব আল হাসান তুমি একজন জীবন্ত কিংবদন্তি, যখন তুমি লড়াই কর, তখন তোমার মতো আর কেউ লড়াই করতে পারে না। তোমার জন্মই ২২ গজের জন্য।

    জয় বাংলা এবং সবাইকে ঈদ মোবারক

  • নিজেদেরকে সেরা স্পিন ত্রয়ী মানতে নারাজ সাকিব

    নিজেদেরকে সেরা স্পিন ত্রয়ী মানতে নারাজ সাকিব

    ব্যাটসম্যানরা কম-বেশি ভালো খেলেছেন। তাদেরও অবদান ছিল অবশ্যই। তারপরও ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ১০৮ রানের ঐতিহাসিক জয় আর অাজকের অবিস্মরণীয় বিজয়ে সবচেয়ে বড় অবদান বাংলাদেশের স্পিনারদের।

    ইতিহাস জানাচ্ছে, গত বছর অক্টোবরে এই শেরেবাংলায় ইল্যান্ডের বিপক্ষে ১০৮ রানের বড় জয়ে সাকিব আল হাসান আর মেহেদী হাসান মিরাজই ইংলিশ ব্যাটসম্যানদের নাকানি-চুবানি খাইয়ে ছেড়েছিলেন। দুই ইনিংসে ইংল্যান্ডের যে ২০ উইকেটের পতন ঘটেছিল, তার সবকটাই জমা পড়েছিল মিরাজ ও সাকিবের পকেটে। অফস্পিনার মিরাজ দখল করেছিলেন (৬+৬) = ১২টি। আর সাকিবের উইকেট সংখ্যা ছিল আটটি।

    একই অবস্থা এই ম্যাচেও! অস্ট্রেলিয়ার সঙ্গে ২০ রানের দারুণ জয়ে মূল ভূমিকা স্পিনারদের। ওপেনার তামিম ইকবাল দুই ইনিংসেই হাফ সেঞ্চুরি হাঁকিয়েছেন। সাকিবও প্রথম ইনিংসে খেলেছেন ৮৪ রানের দারুণ ইনিংস। কিন্তু শেষ পর্যন্ত ব্যাটিং পারফরম্যান্সগুলো ঢাকা পড়েছে স্পিনারদের দাপটে।

    ১০ মাস আগে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে যেমন স্পিনাররাই বধ করেছিলেন ইংলিশদের। এবারও স্পিনারদের হাত ধরেই নাস্তানাবুদ অসিরা। ২০ উইকেটের ১৯টিই দখল করেছেন তিন স্পিনার সাকিব (৫+৫ = ১০), মিরাজ (পাঁচটি) ও তাইজুল (চারটি)। প্রথম ইনিংসে অসি টপ-অর্ডার উসমান খাজা শুধু রান আউট হয়েছেন।

    এই যে স্পিনাররা ঘরের মাঠে এমন ম্যাচ জেতানো বোলিং করছেন, সেটা অনেকেই খুব বড় করে দেখছেন। কারো কারো মতে- এখন যে তিনজন স্পিনার আছেন, সেই সাকিব-মিরাজ-তাইজুলই বাংলাদেশের সবসময়ের সেরা ত্রয়ী। তাদের সাফল্যের অনুপাত বিচার করেই এমন বলা।

    আজ সংবাদ সন্মেলনে সাকিব আল হাসানের কাছেও এমন প্রশ্ন রাখা হয়েছিল। ‘আচ্ছা এখন যে তিনজন স্পিনার আছেন, এটাই কি টেস্টে বাংলাদেশের সেরা স্পিন ত্রয়ী?’ সাকিব অবশ্য তা মানতে নারাজ।

    তার ধারণা, আসলে উইকেটও সাফল্য মাপার একটা বড় মানদণ্ড। এখনকার উইকেট বেশ বোলিং সহায়ক। আগে উইকেট এমন বোলিং সহায়ক ছিল না।

    সাকিবের ব্যাখ্যা, ‘এটা এক কথায় জবাব দেয়া কঠিন। কারণ সবার আগে পরিস্থিতি চিন্তা করতে হবে। আগে চিন্তা করতাম, পাঁচ দিন খেলতে হবে। তখন আমরা হয়তো সব সময় বোলিং সহায়ক উইকেট পেতাম না, এখন যেমন পাচ্ছি। এ কারণে রেট করতে চাই না। রফিক ভাই ছিলেন আমাদের বাঁহাতি স্পিনারদের আদর্শ। আমি উনাকে সবচেয়ে বেশি রেট করি। রাজ ভাইও (রাজ্জাক) অনেক ভালো বোলার ছিলেন। আমাদের পরিস্থিতির কথা চিন্তা করতে হবে। ওটার ওপর নির্ভর করে দল তৈরি হত, ব্যাটিং কেমন সেটা ব্যাপার ছিল। একটার সঙ্গে আরেকটার তুলনা করাটা মনে হয় না ঠিক। মিরাজ বিশ্বমানের, তাইজুলও। আমাদের আরও অনেক জায়গা আছে, যেখানে উন্নতি করতে পারলে আরও ভালো কিছু করতে পারব।’

  • ‘ইংল্যান্ডকে হারানোর পরই আত্মবিশ্বাস বেড়েছে’

    ‘ইংল্যান্ডকে হারানোর পরই আত্মবিশ্বাস বেড়েছে’

    এটা কি টেস্টে বাংলাদেশের সেরা জয়? নাকি ইংল্যান্ডকে হারানোই টেস্টে টাইগারদের সেরা সাফল্য? আজ দুপুরে শেরেবাংলায় তাইজুল ইসলামের বলে অস্ট্রেলিয়ার শেষ ব্যাটসম্যান হ্যাজলউড লেগ বিফোর উইকেটের ফাঁদে জড়ানোর পর থেকে ঘুরেফিরে এ প্রশ্নই উঁকি দিচ্ছে সবার মনে।

    বাংলাদেশ ভক্ত ও সমর্থকদের বড় অংশ অস্ট্রেলিয়ার সঙ্গে আজকে পাওয়া জয়কে সবচেয়ে বড় সাফল্য বলে ভাবছেন। আবার কেউ কেউ ইল্যান্ডের বিপক্ষে এই শেরেবাংলায় ১০৮ রানের জয়কেই সবচেয়ে স্মরণীয় সাফল্য বলে মনে করছেন।

    খেলা শেষে শেরেবাংলার প্রেস কনফারেন্সে সাকিব আল হাসানের কাছেও ছুড়ে দেয়া হলো এ প্রশ্ন। সাকিব অবশ্য ওই দুই জয়ের কোনোটাকেই কম বলে ভাবছেন না। সাকিব মনে করেন, দুটি জয়ই সমান। কোনোটারই গুরুত্ব কম নয়।

    তার মূল্যায়ন- ইংল্যান্ডের বিপক্ষে পাওয়া জয় এবং কলম্বোয় শতমতম টেস্টে শ্রীলঙ্কাকে হারানো- সবগুলোই প্রায় সমান। সাকিবের ব্যাখ্যা, ‘আসলে দুটি জয়ই গুরুত্বপূর্ণ। আমি মনে করি আজকের জয়, ইংল্যান্ডের সঙ্গে জয়- আমাদের বিশ্বাস, বোধ ও উপলদ্ধিকে করেছে জাগ্রত। আমাদের জেতার বিশ্বাস শুরু হয়েছে ইংলিশদের হারানোর পর। আমরা যে ক্যামব্যাক করতে পারি, সেই বিশ্বাস জন্মেছে তখন। আমরা এ ম্যাচেও লড়ে জিতেছি। আগে এটা করতে পারতাম না। আগে হলে হাল ছেড়ে দিতাম! এটা একটা বড় অর্জন আমাদের জন্য।’

    মোদ্দাকথা, সাকিব বলতে চান, লড়াইয়ের মানসিকতা ও দৃঢ়তার জন্ম হয়েছে ইংল্যান্ডকে হারানোর পর। আবার শ্রীলঙ্কাকে হারানোও তার মতে বড় অর্জন। লঙ্কা বিজয় সম্পর্কে সাকিবের ব্যাখ্যা, ‘শ্রীলঙ্কায় অনেক বড় দলেরই সাফল্য কম। শ্রীলঙ্কায় গিয়ে ভারত ছাড়া খুব বেশি কেউ ভালো করেনি। আমরা পেরেছি। বাইরে জিততে পারি, সেটাও আমাদের জন্য বড় ব্যাপার ছিল।’