Category: ক্রিকেট

  • ডি ককের সঙ্গে সেই ঝামেলার জেরে নির্বাসনের মুখে ওয়ার্নার

    ডি ককের সঙ্গে সেই ঝামেলার জেরে নির্বাসনের মুখে ওয়ার্নার

    ক্রিকেটকে ‘জেন্টলমেন গেম’ বলার দিন বোধহয় ফুরিয়ে আসছে। একের পর এক বির্তকে জড়িয়ে কালিমালিপ্ত হচ্ছে শতাব্দী প্রাচীনতম এই খেলা৷ যার নতুন সংস্করণ ‘টালেন গেট’ বা ‘ডারবান গেট’ বিতর্ক৷ যার জেরে টেস্ট সিরিজের মাঝ পথে নির্বাসনের মুখে পড়তে পারেন অজি ক্রিকেটার ডেভিড ওয়ার্নার৷

    দক্ষিণ আফ্রিকা বনাম অস্ট্রেলিয়া চলতি টেস্টে সিরিজের প্রথম ম্যাচটি ১১৮ রানে জিতে নিয়ে ১-০ এগিয়ে গেছে অস্ট্রেলিয়া৷ কিংসমিডে বাইশগজের ক্রিকেট লড়াই ছাড়াও খবরের শিরোনামে এসেছে অজি ওপেনার ডেভিড ওয়ার্নার ও প্রোটিয়ান কিপার কুইনটন ডি ককের লড়াই৷ যা ইতিমধ্যেই ‘টানেল গেট’ বির্তক নামে পরিচিতি পেয়েছে৷

    প্রথম টেস্টে ক্যাঙ্গারু-প্রোটিয়া দ্বৈরথ অন্য লেভেলে পৌঁছেছে৷ ম্যাচটিতে প্রোটিয়াদের দ্বিতীয় ইনিংস ব্যাটিং চলাকালীন রান আউট বাঁচাতে গিয়ে ড্রাইভ দেন এবি ডি’ভিলিয়ার্স৷ ক্রিজে পড়ে থাকা অবস্থায় তার মুখ লক্ষ্য করে বল ছুঁড়ে মারেন অজি স্পিনার লাথান লায়ন৷ এর জেরেই পরিস্থিতি উত্তপ্ত হতে শুরু করে৷ এরপর ড্রেসিং রুমে ঢোকার পথে প্রায় হাতাহাতির পর্যায়ে চলে যান অজি ওপেনার ওয়ার্নার ও প্রোটিয়া কিপার কুইন্টন ডি কক৷

    কুইন্টন অভিযোগ করেন তার পরিবারকে নিয়ে বাজে মন্তব্য করেছেন ওয়ার্নার৷ অভিযোগ অস্বীকার করে ক্যাঙ্গারুদের তরফে বলা হয় কুইন্টনই আগে অশালীন মন্তব্য করলে নিজেকে ধরে রাখতে পারেননি অজি সহ-অধিনায়ক ডেভিড ওয়ার্নার৷

    এর মাঝে কুইন্টন ডি ককের বোন ডিলেন ডি ককের একটি টুইট ভাইরাল হয়েছে৷ যেকানে ওয়ার্নারের সঙ্গে বিবাদের ঘটনার খবর টুইট করে ককের বোন হুমকির সুরে লেখেন, ‘আমি তোমাকে দেখে নেব’৷ টুইটটিতে ট্যাগ করা আছে অজি সহ-অধিনায়ক ওয়ার্নারকে৷

    শুরু যেই করে থাকুক কেন ক্রিকেটের ‘কোড অব কন্ডাক্ট’ বর্হিভূত আচরণের জন্য দ্বিতীয় টেস্ট থেকে নির্বাসিত হতে চলেছেন অজি ক্রিকেটার ওয়ার্নার৷ সঙ্গে বাড়ছে তার ডিমেরিটস পয়েন্ট৷ আইসিসির তরফে শাস্তির মুখে পড়তে চলেছেন প্রোটিয়ান উইকেটকিপার ব্যাটসম্যান কুইন্টন ডি’ককও৷

    পুরো বিষয়টি যেদিকে এগোচ্ছে তা ক্রিকেটের পক্ষে কোনভাবেই মঙ্গলজনক নয়৷ খেলোয়াড়সুলভ মনোভাব ছুঁড়ে ফেলে দিয়ে ক্রিকেটাররা ঝামেলায় জড়িয়ে পড়ছেন৷ শাস্তি সরূপ নির্বাসিত হচ্ছেন৷ কিছুদিন আগেই নাইটক্লাবে ঝামেলায় জড়িয়ে অজি-ইংল্যান্ড অ্যাসেজ সিরিজে থেকে নির্বাসিত হয়েছিলেন ইংল্যান্ডের তারকা ব্যাটসম্যান বেন স্টোকস৷

  • আমি শাহরিয়ার নাফীস, আপনারা ভুলে যাননি তো?

    আমি শাহরিয়ার নাফীস, আপনারা ভুলে যাননি তো?

    প্রিমিয়ার লিগে টানা দুই ইনিংসে ৯৯ ও ১২১ রানের ইনিংস খেললেন।গত তিন মৌসুমে ঘরোয়া প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে রান করেছেন ১০৯২, ১১১৭ ও ৮৯৪।সর্বশেষ টেস্ট খেলেছেন ২০১৩ সালে, ওয়ানডে ২০১১ সালে।

    এক বর্ষপঞ্জিতে এক হাজার রান করা প্রথম বাংলাদেশি ক্রিকেটার ছিলেন তিনি। কী সম্ভাবনার হাতছানি দিয়ে শুরু হয়েছিল শাহরিয়ার নাফীসের! একসময় বাংলাদেশের ক্রিকেটের ভবিষ্যৎ ভাবা হতো যাঁকে, তিনিই এখন যেন অতীত। তাতে শাহরিয়ারের দায় কতটা, কতটা বাংলাদেশের ক্রিকেট সংস্কৃতির, সেই বিতর্ক করাও এখন অযথা। তবে ৩২ বছর বয়সী এই বাঁহাতি ওপেনার এখনো জাতীয় দলে ফেরার আশা ছাড়েননি। গতবার প্রিমিয়ার লিগে ভালো করেও নজর কাড়তে পারেননি নির্বাচকদের। এবার আরও ভালো করতে চান। শুরুটা প্রত্যাশামতো না হলেও তাঁর টানা দুই ইনিংস আবারও ফিরিয়ে আনল আলোচনায়।

    গত ম্যাচে ৯৯ রান করে আউট হয়েছেন, কলাবাগানের কাছে হেরেও গিয়েছিল তাঁর দল অগ্রণী ব্যাংক। কাল আবাহনীর মতো দলের বিপক্ষে ১১৯ বলে ১৩ চার ও ৩ ছক্কায় ১২১ রান করলেন। এবারও পরাজিতের দলে শাহরিয়ার। ২০০৬ সালে রানের ফোয়ারা ছুটিয়েও চলে গিয়েছিলেন মাশরাফি বিন মুর্তজার আড়ালে। ওই বছর যে মাশরাফি সারা বিশ্বেই ওয়ানডেতে সর্বোচ্চ উইকেটশিকারি (৪৯টি) হয়েছিলেন। কাল দুর্দান্ত ইনিংসের দিনে সেই মাশরাফি চার বলে চার উইকেট নিয়ে করলেন ডাবল হ্যাটট্রিক! শাহরিয়ারের কপালটাই বোধ হয় এমন!

    ২০০৬ সালে ওয়ানডে তিনটি সেঞ্চুরিসহ এক হাজার করা করা শাহরিয়ার এক যুগ পার করে এসেছেন সেই কৃতিত্বের। নিজের আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ার দেখে হতাশা বাড়তেই পারে। কোথায় থাকার কথা ছিল, কোথায় পড়ে রইলেন। ২০০৭ বিশ্বকাপটা হতাশা মোড়ানো কেটেছিল তাঁর নিজের জন্য, যদিও ওই বিশ্বকাপ দল বাংলাদেশ খেলেছিল দারুণ। ভারত ও দক্ষিণ আফ্রিকার মতো দলকে হারিয়েছি; আগমণীবার্তা শুনিয়েছিলেন তামিম, সাকিব, মুশফিকরা। আর শাহরিয়ার তখন জাতীয় দলের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করে চলে গেলেন বিদ্রোহী আইসিএল লিগ খেলতে।

    সেই পাপমোচন করে অনেক আগেই ঘরে ফিরেছেন। এর মধ্যে একবার জাতীয় দলে ফিরেওছিলেন। ২০১০ সালে টেস্ট দলে ফেরার পর ১৮ ইনিংসে মাত্র ৩ ফিফটি তাঁকে আবারও ছিটকে ফেলেছিল দল থেকে। জাতীয় দলের দ্বিতীয় অধ্যায়ে ১৫ ওয়ানডেতে ৩ ফিফটি আর ২২.৯৩ গড় রঙিন পোশাকেও ভরসা জাগায়নি। ২০১১ সালের পর আর ওয়ানডে খেলেননি। সর্বশেষ টেস্ট খেলেছেন ২০১৩ সালে।

    শাহরিয়ার আবার ফিরে গিয়েছিলেন নিজেকে ঘষেমেজে তৈরি করার মিশনে। গত মৌসুমে ফার্স্ট ক্লাস ও লিস্ট ‘এ’ দুই ধরনের ঘরোয়া ক্রিকেটেই দারুণ ফর্মে ছিলেন। গত বছর প্রিমিয়ার লিগে ১৫ ইনিংসে ৪২.৮৫ গড়ে করলেন ৬০০ রান। প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে ফর্মটা ছিল আরও দুর্দান্ত। ১২ ম্যাচে ৫৫.৮৭ গড়ে করেছেন ৮৯৪ রান। বড় দৈর্ঘ্যের ক্রিকেটে কিন্তু তিনি বেশ ধারাবাহিক। আগের দুই মৌসুমে ঘরোয়া প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে হাজার রান পেরিয়েছিলেন। ২০১৪-১৫ মৌসুমে ১৭ ইনিংসে ৬৪.২৩ গড়ে করেছিলেন ১০৯২ রান। ২০১৫-১৬–তে ১২ ম্যাচে ৬২.০৫ গড়ে ১১১৭ রান। টানা তিন মৌসুমে ৬০-এর গড়ে রান করার পর টেস্ট দলে একটা সুযোগ পাওনা ছিল। পাননি।

    এবারের প্রিমিয়ার লিগে শুরুটা প্রত্যাশামতো হয়নি। উইকেটে থিতু হয়ে ইনিংসটা যখন লম্বা করার কথা, তখনই আউট হয়েছেন বিশ-ত্রিশের ঘরে। কাল সেঞ্চুরি পেয়েও মনে হচ্ছিল আরও ক্ষুধার্ত। দল যে তাঁর ওপরে সওয়ার হয়ে ভালোই ছুটছিল ২৯১ রানের বড় লক্ষ্যের দিকে। কিন্তু শেষ ওভারে ৪ উইকেট হাতে রেখে ১৩ রান তুলতে হয়, এমন সহজ সমীকরণ মেলাতে পারেনি তাঁর দল। মাশরাফি যে দুই থেকে পাঁচ বলে তুলে নিলেন বাকি সব উইকেট!

    শাহরিয়ারে সান্ত্বনা হতে পারে, টানা দুটি ইনিংস আবার আলোচনায় ফিরিয়ে আনল। জাতীয় দলে সজোরে কড়া নাড়তে আরও কিছু করে দেখাতে হবে, তিনিও নিশ্চয়ই জানেন। তবে আপাতত নির্বাচকদের অন্তত মনে করিয়ে দিলেন তো নিজের নামটা!

  • সুজনের পদে কোর্টনি ওয়ালশকে দেওয়ার কারণ জানাল বিসিবি

    সুজনের পদে কোর্টনি ওয়ালশকে দেওয়ার কারণ জানাল বিসিবি

    আবারও সুজনকে দেওয়া হয়েছে টিম ম্যানেজারের দায়িত্ব। আর প্রধান কোচ করা হয় কোর্টনি ওয়ালশকে।

    এই ব্যাপারে বিসিবির প্রেসিডেন্ট পাপন বলেন, ক্রিকেটাররা শ্রদ্ধা করে এমন কাউকে নিদাহাস ট্রফিতে দায়িত্ব দিতে চান তারা। আর সেই জন্যই ওয়ালশকে দেওয়া হলো কোচের দায়িত্বে। এই পদে ওয়ালশকেই সবচেয়ে বেশি শ্রদ্ধা করেন ক্রিকেটাররা।

    পাপন আরও বলেন, শ্রীলঙ্কায় ম্যানেজার হিসেবে সফর করতে সে (সুজন) রাজি না। আমরা এখনই তার কথাকে চূড়ান্ত মনে করছি না। তার সিদ্ধান্ত সে পরিবর্তন করতেও পারে। আমাদের বোর্ড সভাপতি নাজমুল হাসান পাপন সুজনকে তার সিদ্ধান্ত বদলানোর কথা ভেবে দেখতে বলবেন।

    ত্রিদেশীয় সিরিজের আগে বাংলাদেশ দলের কোচ হতেও ইচ্ছে প্রকাশ করেছিলেন খালেদ মাহমুদ সুজন। আর সেই ত্রিদেশীয় সিরিজে তাকে দেওয়াও হয়েছিল কোচ সমমান পদ, টেকনিক্যাল ডিরেক্টর পদে। আর ফল যা হওয়ার তাই হলো।

    দেশের মাটিতে ত্রিদেশীয় সিরিজে হার, শ্রীলঙ্কার সাথে টেস্ট সিরিজ হার, টি-২০তে যা ইচ্ছে তাই পারফর্মেন্স। এরপরেই বিসিবি পরিচালনা পর্যদে পরিবর্তন আনে বিসিবি।

  • কখনও আদর-যত্ন পায়নি সাকিব-তামিমরা

    কখনও আদর-যত্ন পায়নি সাকিব-তামিমরা

    আহা রে! কখনও গোসল বা ধোয়া-মোছা হয় না সাকিব তামিম মুশফিকদের শরীর। দাঁড় করিয়ে দেওয়ার পর থেকে কখনও একটু আদর-যত্ন পায়নি তারা। জাতীয় ক্রিকেটারদের শরীর পরিষ্কার করার প্রয়োজন মনে করেনি কোনো কর্তৃপক্ষ। দেখে মনে হচ্ছে দূষিত চাক্তাই খাল থেকে সদ্য ডুব দিয়ে এসেছেন জাতীয় ক্রিকেটাররা।

    বলছিলাম, চট্টগ্রাম বিভাগীয় স্টেডিয়ামে যাওয়ার পথে বিশ্বরোডের মোড়ে নির্মিত বাংলাদেশের জাতীয় ক্রিকেটারদের ভাস্কর্যের কথা। ধুলাবালিতে ভাস্কর্যগুলোর এমন অবস্থা, মনে হচ্ছে ক্রিকেটাররা কোনো ডোবা থেকে ডুব দিয়ে ওঠেছেন এই মাত্র। শুষ্ক মৌসুমে ধুলাবালিতে এমন হতেই পারে। তবে পরিষ্কার তো করা যায়। পরিষ্কার করতে কী সুন্দর দেখা যেত ভাস্কর্যগুলো। যারা এ গুলো নির্মাণ করেছেন, এ গুলোর সৌন্দর্য্য রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্বও তাদের থাকা উচিত। কিন্তু, রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্ব কেউ পালন করে বলে মনে হয় না। বলা যায় বেওয়ারিশ ভাস্কর্য।

    কিছুদিন আগে এই পথ দিয়েই ধূলা-বালিময় এই ভাস্কর্য দেখে দেখেই জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে ত্রিদেশীয় সিরিজের ম্যাচ খেলতে গিয়েছিল শ্রীলঙ্কা দল ও টাইগার দল। তামিমেরা ধূলা-বালিময় নিজেদের এই ভাস্কর্য দেখে হেসেছে নাকি কেঁদেছে জানি না।

    টাইগারদের ভাস্কর্যের কাছেই আছে বাংলাদেশ বিমানের চমৎকার একটি ভাস্কর্য। সেটিরও একই অবস্থা।

    লেখক: প্রবাসী সাংবাদিক।

  • কেকেআর শিবিরে স্বস্তির হাওয়া

    কেকেআর শিবিরে স্বস্তির হাওয়া

    ত্রিদেশীয় টি-২০ সিরিজের ফাইনাল ম্যাচে কাঁধে চোট পেয়ে বসায় লিনকে নিয়ে ঘোর দুশ্চিন্তায় ছিলেন কেকেআর কর্মকর্তারা। আইপিএল খেলতে পারবেন কি না, তা এখনও নিশ্চিত ন। তবে এটা স্পষ্ট যে, কাঁধে অস্ত্রোপচার করাতে হবে না লিনকে। এই খবরটাই উৎসাহী করছে দু’বারের আইপিএল চ্যাম্পিয়নদের।

    গত বছর ধ্বংসাত্মক শুরু করেও কাঁধের চোটের জন্য মাঝপথেই টুর্নামেন্ট ছাড়তে হয়েছিল লিনকে। এবার টুর্নামেন্ট শুরুর আগেই দূর্ভাগ্য তাড়া করে অস্ট্রেলিয়ান তারকাকে। চোট পাওয়া মাত্রই পাকিস্তান সুপার লিগ থেকে নাম তুলে নেন লিন। আশা প্রকাশ কেরছিলেন যে আইপিএলের আগে সুস্থ হয়ে উঠবেন। প্রত্যাশার পালে হাওয়া লাগে চিকিৎসকদের আশ্বাসবাণীতে।

    গত বুধবার ব্রিসবেনে চিকিৎসকদের পরামর্শ নেন লিন। মূলত চোটের গুরুত্ব বিচার করে অস্ত্রোপচারের প্রয়োজন আছে কি না, তা নিশ্চিত করতে চেয়েছিলেন তিনি। তারা তাকে আশ্বস্ত করেন যে, কিছুদিনের বিশ্রাম ও রিহ্যাবেই ম্যাচ ফিট হয়ে উঠবেন তিনি। হাড়ের সংযোগস্থল পুরনো অবস্থায় ফিরে এলেই রিহ্যাব শুরু করবেন লিন।

    যার ফলে এপ্রিলের ৭ তারিখ থেকে শুরু হতে যাওয়া আইপিএলে অংশ নেওয়ার সম্ভাবনা থেকেই যাচ্ছে লিনের। তাই আশার আলো কেকেআর শিবিরে। আইপিল নিলামে সংক্ষিপ্ত স্কোয়াড বেছে নেওয়া কলকাতা নাইট রাইডার্স নতুন অধিনায়কের খোঁজে রয়েছে। দলে টি-২০ মহাতারকা বলতে সবার আগে ভেসে আসছে অজি তারকা ক্রিস লিনের নাম। স্বাভাবিকভাবেই নেতৃত্বের দৌড়ে তিনিই আছেন প্রথম সারিতে।

  • ইনজুরির মিছিলে তামিম-মুশফিক, তবুও আশাবাদী মাহমুদউল্লাহ

    বৃহস্পতিবার লঙ্কানদের বিপক্ষে টি-টুয়েন্টি সিরিজের প্রথম ম্যাচে মাঠে নামছে বাংলাদেশ।কিন্তু দলের সেরা তিন তারকা সাকিব, তামিম ও মুশফিক ইনজুরি আক্রান্ত।  প্রথম ম্যাচে সাকিবের না খেলাটা পুরোপুরি নিশ্চিত।  শঙ্কা রয়েছে তামিম ও মুশফিককে নিয়েও।  তবে কালকে ম্যাচের আগে তামিম-মুশফিক সুস্থ হয়ে উঠবেন সেটাই প্রত্যাশা মাহমুদুল্লাহর।এমন পরিস্থিতি পাঁচ নতুন ক্রিকেটারকে নিয়ে অধিনায়কত্বের দায়িত্ব পেয়েছেন মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ।

    তবে একটুও বিচলিত নন সাইলেন্ট কিলার খ্যাত এ তারকা।  বরং বুধবার বিকেলে মিরপুরে আনুষ্ঠানিক সংবাদ সম্মেলনে আশার কথাই শোনালেন মাহমুদুল্লাহ।

    বললেন, ঘরের মাটিতে আমরা যার বিরুদ্ধেই খেলি আমি আমাদের দলকে এগিয়ে রাখব। যদিও আমরা টেস্ট ও ওয়ানডেতে আশানুরূপ পারফরম্যান্স করতে পারিনি। আমার বিশ্বাস ভালো ক্রিকেট খেলেই ঘুরে দাঁড়াতে পারব।

    টি-টোয়েন্টি ক্রিকেট আলাদা একটা ফরম্যাট। আমাদের টি-টোয়েন্টি সামর্থ্যের ওপর একটা প্রশ্নবোধক চিহ্ন আছে। এই সিরিজে একটা স্টেটমেন্ট দেওয়ার আছে বাকি বিশ্বকে। টি-টোয়েন্টি ক্রিকেট ফেয়ারলেস ক্রিকেট খেলা উচিত। ফেইলিয়র নিয়ে যদি চিন্তা করেন টি-টোয়েন্টিতে সাফল্যের পরিমাণটাও কমে যাবে।

    নতুনদের সম্পর্কে বললেন, তারা সবাই ওয়েল ডিজার্ভিং। বিপিএলে সবাই ভালো খেলেছে, আশা করি সেই ফর্মটা এখানেও ধরে রাখবে। নতুন যারা এসেছেন, তারা সবাই প্রমিজিং। তারা যদি ভালো পারফর্ম করতে পারে তাহলে অনেক দূর যাওয়ার সম্ভাবনা আছে।

  • জায়গাটা নোংরা লাগছে; কাজ করতে ইচ্ছে করছে না: সুজন

    জায়গাটা নোংরা লাগছে; কাজ করতে ইচ্ছে করছে না: সুজন

    বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের সঙ্গে আমার কাজ করতে ইচ্ছেই করছে না। নোংরা লাগছে জায়গাটা।’ সোমবার মিরপুর শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে গণমাধ্যমের সামনে নিজের ক্ষোভ এভাবেই প্রকাশ করেছেন জাতীয় দলের টেকনিক্যাল ডিরেক্টর খালেদ মাহমুদ সুজন।

    মূলত, ঘরের মাঠে লঙ্কানদের কাছে ত্রিদেশীয় সিরিজ ও টেস্ট সিরিজের হারের পর সোশ্যাল মিডিয়ায় যে তীব্র সমালোচনা চলছে।  তাতেই ভীষণ ক্ষুব্ধ হয়েছেন সাবেক এই ক্রিকেটার।

    পাশাপাশি জাতীয় দলের দায়িত্ব নিতে চান না ঘোষণা দিয়ে তিনি বলেন, ‘খারাপ ফলের দায় আমি নিতেই পারি। আমাদের পরিকল্পনায় ভুল থাকতে পারে, আরও কিছু থাকতে পারে। কিন্তু আরও অনেক ঘটনা তো আসে মিডিয়ায়। আমার ওপরও অনেক দায় আসে। এটা আমি বোর্ডকে বলব। ব্যক্তিগতভাবে আমি একটুও আগ্রহী নই।

    নোংরা বিষয়টা ঠিক কেমন- জানতে চাইলে সুজন বলেন, ‘বলার কিছু নেই। আপনারাও জানেন, আমরাও জানি। নোংরা বলতে গেলে যে, মিডিয়ায় যেভাবে বলা হয়, আমাদের ক্রিকেটের একটা বড় অন্তরায় মিডিয়াও। আমরা এত ফিশি হয়ে যাচ্ছি আস্তে আস্তে, মিডিয়ার কারণে আমাদের ক্রিকেট আটকে আছে কিনা, সেটাও একটা প্রশ্ন এখন আমার কাছে।’

    সুজন ক্ষোভ প্রকাশ করে আরও বলেন, ‘মিডিয়ায় এত বেশি আলোচনা হচ্ছে… আমার এটা মনে হচ্ছে, এত বছর ধরে ক্রিকেটে আছি, এত গসিপিং, এত কিছু ঠিক আছে। এসব হবেই। ভালো-খারাপ আসবেই। সবকিছুই আসবে। কিন্তু কিছু কিছু জিনিস নেতিবাচক হয়ে যাচ্ছে আমাদের ক্রিকেটের জন্য।’

    এদিকে মার্চে অনুষ্ঠিতব্য শ্রীলঙ্কার মাটিতে ত্রিদেশীয় সিরিজ ‘নিদাহাস কাপ’ এ তিনি জাতীয় দলের টেকনিক্যাল ডিরেক্টর হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে সুজন বলেন, ‘এটা বোর্ড ঠিক করবে। কারণ বোর্ডই আমাকে এই দায়িত্ব দিয়েছে।  কাজ করব না, এই কথা আমি কখনোই বলতে চাই না। কিন্তু দেখা যাচ্ছে, কেউ কাজ করলেই বাঙালির সবচেয়ে বড় সমস্যা। দল হেরে যাওয়ার পরও যে আমি এই দেশে আছি, এটাই বড় কথা। চন্দিকা যখন প্রথম এসেছিল, আরও বড় বড় কোচ এসেছে, তখনও শুরুতে ফল খারাপ হয়েছে। কিন্তু এ রকম হয়নি।’

  • দক্ষিণ আফ্রিকাকে ২৯০ রানের টার্গেট দিল ভারত

    দক্ষিণ আফ্রিকাকে ২৯০ রানের টার্গেট দিল ভারত

    চতুর্থ ওডিআই ম্যাচে টসে জিতে প্রথমে ব্যাটিং করার সিদ্ধান্ত নেয় ভারত। নির্ধারিত ৫০ ওভারে ৭ উইকেট হারিয়ে ২৮৯ রান তোলে কোহালিরা। ভারতের হয়ে দুর্দান্ত ইনিংস খেলেন শিখর ধাওয়ান। ১০৯ রানের ঝকঝকে ইনিংস খেলেন ধাওয়ান তিনি। এছাড়াও রান পান অধিনায়ক বিরাট কোহালি (৭৫)। অপরাজিত ৪২ রানের ইনিংস খেলেন মহেন্দ্র সিংহ ধোনি।

    অন্যদিকে, দক্ষিণ আফ্রিকার হয়ে দু’টি করে উইকেট নেন লুঙ্গি এলগিডি এবং কাগিসো রাবাডা। একটি করে শিকার মর্নি মর্কেল এবং ক্রিস মরিসের। এই ম্যাচ জিতলেই সিরিজ পকেটে পুরে নেবে ভারত। জয়ের জন্য দক্ষিণ আফ্রিকার প্রয়োজন ২৯০ রান।

  • বিকেএসপিতে মাশরাফি ঝড়

    ঢাকা প্রিমিয়ার লিগে ব্যাট হাতে ঝড় তুললেন বাংলাদেশ ওয়ানডে দলপতি মাশরাফি বিন মর্তুজা। শুক্রবার বিকেএসপির ৩ নম্বর মাঠে কলাবাগানের বিপক্ষে আবাহনীর হয়ে ৫৪ বলে ৬৭ রানের দুর্দান্ত এক ইনিংস খেলেন তিনি। পাশাপাশি বল হাতে ৪ উইকেট নিয়ে ম্যাচ জয়ের নায়কও তিনি।

    এদিন, টস হেরে প্রথমে ব্যাটিংয়ে নেমে ৪৯.৫ ওভারে ২১৭ রান করে আবাহনী। মাশরাফি ছাড়াও আবাহনীর হয়ে নাজমুল হোসেন শান্ত ৫৫ ও মোসাদ্দেক হোসেনের ৪০ রান করেন।

    জবাব দিতে নেমে মাশরাফির বোলিং তোপে ১৮১ রানে গুটিয়ে গেছে কলাবাগান ক্রীড়া চক্র। মুক্তার আলীর ব্যাট থেকে আসে সর্বোচ্চ ৪০ রান। আবাহনীর হয়ে মাশরাফি ৪টি, তাসকিন আহমেদ ৩টি উইকেট নেন।

  • মুমিনুলের কাছে ছুটে গিয়ে কী বললেন লঙ্কান ধারাভাষ্যকার রোশান?

    মুমিনুলের কাছে ছুটে গিয়ে কী বললেন লঙ্কান ধারাভাষ্যকার রোশান?

    ম্যাচ শেষে সংবাদ সম্মেলন কক্ষের সামনে অপেক্ষায় মাহমুদউল্লাহ আর মুমিনুল হক। এমন সময় মুমিনুলের দিকে ছুটে যান রোশান আবেসিংহে। গিয়েই বলেন, অভিনন্দন মুমিনুল! তুমি কি জানো আজ তোমার কী কী রেকর্ড হয়েছে?

    মুমিনুলের উত্তরের আগেই শ্রীলঙ্কান এ ধারাভাষ্যকার বলে যান, বাংলাদেশের প্রথম ব্যাটসম্যান হিসেবে তুমি দুই ইনিংসে সেঞ্চুরি করেছ। বাংলাদেশের হয়ে এক টেস্টে সর্বোচ্চ রানের রেকর্ডটাও এখন তোমার।

    রবিবার শেষ হয়েছে বাংলাদেশ ও শ্রীলঙ্কার মধ্যকার দুই ম্যাচ টেস্ট সিরিজের প্রথম ম্যাচ। ম্যাচটি ড্র হয়েছে। এই ম্যাচে মুমিনুল প্রথম ইনিংসে করেন ১৭৬ রান ও দ্বিতীয় ইনিংসে করেন ১০৫ রান। ম্যাচ সেরা হয়েছেন মুমিনুল হক।

    শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে প্রথম টেস্টে হারের শঙ্কা থেকে ঘুরে দাঁড়িয়ে কৃতিত্বপূর্ণ ড্র করেছে বাংলাদেশ।

    হাথুরুসিংহে বাংলাদেশ ছেড়ে যাওয়ার পর প্রথম টেস্টে তার দলের বিপক্ষে মুমিনুল করলেন জোড়া সেঞ্চুরি। প্রতিপক্ষ দলের হলেও পারফরম্যান্সের কৃতিত্ব তো দিতেই হয়। তাই তো মুমিনুলের এমন পারফরম্যান্সে উচ্ছ্বসিত লঙ্কানদেরই ধারাভাষ্যকার রোশান আবেসিংহে।