Category: খেলাধুলা

  • জিততে ভুলে যাওয়া চেন্নাইয়ের সামনে উড়তে থাকা ব্যাঙ্গালুরু

    জিততে ভুলে যাওয়া চেন্নাইয়ের সামনে উড়তে থাকা ব্যাঙ্গালুরু

    আইপিএলে হাইভোল্টেজ এক লড়াইয়ে আজ (মঙ্গলবার) মুখোমুখি হচ্ছে চেন্নাই সুপার কিংস আর রয়েল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালুরু। মুম্বাইয়ের ডিওয়াই পাতিল স্পোর্টস একাডেমিতে ম্যাচটি শুরু হবে বাংলাদেশ সময় রাত আটটায়।

    দুই দলের অবস্থান বলতে গেলে দুই মেরুতে। রবীন্দ্র জাদেজার নেতৃত্বে চেন্নাই এবার চার ম্যাচ খেলে একটিতেও জয় পায়নি। ভাগ্যবদলের আশায় গত ম্যাচে তারা একাদশে নেয় লঙ্কান বিস্ময় স্পিনার মাহিশ থিকসানাকে। কিন্তু তিনি বলার মত কিছুই করতে পারেননি। আজ চেন্নাই একাদশে দেখা যেতে পারে যুবদলের সেনসেশন রাজবর্ধন হাঙ্গারজিকারকে।

    অন্যদিকে, প্রথম ম্যাচে বিশাল স্কোর গড়ে হারলেও গত তিন ম্যাচেই জয় নিয়ে রীতিমত উড়ছে ব্যাঙ্গালুরু। তাদের অধিনায়ক ফ্যাফ ডু প্লেসি যদিও প্রত্যাশা মেটাতে পারেননি শেষ তিন ম্যাচে। তবে মিডল অর্ডারে বিরাট কোহলি, গ্লেন ম্যাক্সওয়েলরা থাকায় সে অভাব বোধ হয়নি।

    এদিকে ব্যক্তিগত কারণে আইপিএলের মাঝপথে সরে গেছেন ব্যাঙ্গালুরু পেসার হর্ষল প্যাটেল। তার বদলে আজ একাদশে জায়গা করে নেওয়ার কথা অসি পেসার জশ হ্যাজেলউডের।

    চেন্নাইয়ের সম্ভাব্য একাদশ
    রবিন উথাপ্পা, রিতুরাজ গাঁইকদ, মঈন আলি, আম্বাতি রাইডু, রবীন্দ্র জাদেজা (অধিনায়ক), শিভাম দুবে, মহেন্দ্র সিং ধোনি, ডোয়াইন ব্রাভো, ক্রিস জর্ডান, মাহিশ থিকসানা, রাজবর্ধন হাঙ্গারজিকার।

    ব্যাঙ্গালুরুর সম্ভাব্য একাদশ
    ফ্যাফ ডু প্লেসি (অধিনায়ক), অনুজ রাওয়াত, বিরাট কোহলি, গ্লেন ম্যাক্সওয়েল, শাহবাজ আহমেদ, দিনেশ কার্তিক, ডেভিড উইলি/জশ হ্যাজেলউড, ওয়ানিন্দু হাসারাঙ্গা, সিদ্ধার্থ কাউল, আকাশ দ্বীপ, মোহাম্মদ সিরাজ।

  • ভয়াবহ ব্যাটিংয়ে বিশাল ব্যবধানে হারলো বাংলাদেশ

    ভয়াবহ ব্যাটিংয়ে বিশাল ব্যবধানে হারলো বাংলাদেশ

    আরও একবার দক্ষিণ আফ্রিকার বাঁহাতি স্পিনার কেশভ মহারাজের সামনে মুখ থুবড়ে পড়লো বাংলাদেশ দল। দায়িত্বজ্ঞানহীন ব্যাটিংয়ের প্রদর্শনী করে দ্বিতীয় টেস্টেও হারলো ৩৩২ রানের বিশাল ব্যবধানে। গেবেখা টেস্টের দ্বিতীয় ইনিংসে ৪১৩ রানের লক্ষ্যে বাংলাদেশ অলআউট হয়েছে মাত্র ৮০ রানে।

    রোববার শেষ বিকেলে মাত্র ২৭ রান তুলতেই ৩ উইকেট হারিয়ে ফেলেছিল বাংলাদেশ। সেখান থেকে আজ (সোমবার) ম্যাচের চতুর্থ দিন মাত্র ৫৮ মিনিট ও ১৪.২ ওভারে বাকি ৭ উইকেট হারিয়েছে মুমিনুল হকের দল। প্রথম টেস্টে ২২০ রানের পর এই ম্যাচে ৩৩২ রানে হেরে হোয়াইটওয়াশ হলো বাংলাদেশ।

    ডারবানের কিংসমিডে সিরিজের প্রথম টেস্টের দ্বিতীয় ইনিংসে একাই ৭ উইকেট নিয়ে বাংলাদেশকে ৫৩ রানে অলআউট করে দিয়েছিলেন কেশভ মহারাজ। ধারাবাহিকতা ধরে রাখলেন গেবেগার সেইন্ট জর্জেস পার্কে দ্বিতীয় টেস্টে। এবারও ৭ উইকেট নিয়েছেন মহারাজ, মাত্র ৪০ রান খরচায়।

    দ্বিতীয় ম্যাচটি জিততে সময় কিংবা ওভারের কমতি ছিল না বাংলাদেশের জন্য। দ্বিতীয় ইনিংসে প্রায় ২০০ ওভারে করতে হতো ৪১৩ রান। কিন্তু ভয়াবহ ব্যাটিং ধসে সবমিলিয়ে মাত্র ২৩.৩ ওভারেই গুটিয়ে গেছে টাইগাররা। দলের পক্ষে দুই অঙ্ক ছুঁতে পেরেছেন মাত্র তিনজন ব্যাটার।

    আগেরদিন ৩ উইকেট হারিয়ে ২৭ রান করার পর আজ গুরুদায়িত্ব ছিল মুশফিকুর রহিম ও মুমিনুল হকের ওপর। কিন্তু মহারাজের করা দিনের দ্বিতীয় ওভারেই প্রথম স্লিপে ধরা পড়েন দলের অভিজ্ঞতম ব্যাটার মুশফিক। আউট হওয়ার আগে তার ব্যাট থেকে আসে মাত্র ১ রান।

    দ্বিতীয় ওভারে মুশফিককে দিয়ে শুরু, এরপর বেশিক্ষণ থাকতে পারেননি মুমিনুল এবং ইয়াসির আলি রাব্বিও। মহারাজের চতুর্থ শিকারে পরিণত হওয়ার আগে ৫ রান করেন মুমিনুল। অন্যদিকে ইয়াসির রাব্বি শূন্য রানে আউট হন সাইমন হার্মারের প্রথম শিকারে পরিণত হয়ে।

    এরপর সপ্তম উইকেটে ইনিংসের সর্বোচ্চ ২৫ রানের জুটি গড়েন লিটন দাস ও মেহেদি হাসান মিরাজ। ইনিংসের সর্বোচ্চ ২৭ রান করা লিটনকে স্ট্যাম্পিংয়ের ফাঁদে ফেলে নিজের ফাইফার পূরণ করেন মহারাজ। এরপর উইকেটের পেছনে ক্যাচ দিয়ে তার ষষ্ঠ শিকারে পরিণত হন ২০ রান করা মিরাজ।

    স্বীকৃত সব ব্যাটারদের উইকেট তুলে নিয়ে জয়ের জন্য আর বেশি অপেক্ষা করতে হয়নি প্রোটিয়াদের। স্কোরবোর্ডে কোনো রান যোগ না করেই শেষ ৩ উইকেট হারায় বাংলাদেশ। মহারাজ ৪০ রানে ৭ ও হার্মার নেন ৩৪ রানে ৩টি উইকেট। এ নিয়ে দ্বিতীয়বারের মতো এ দুজন মিলেই বাংলাদেশের সবকয়টি উইকেট নিলেন।

    ওয়ানডে সিরিজে দক্ষিণ আফ্রিকাকে ২-১ ব্যবধানে হারিয়ে সফরটি শুরু করলেও, শেষটা প্রত্যাশামাফিক হলো না বাংলাদেশের। স্বাগতিকদের অন্তত ছয়জন নিয়মিত খেলোয়াড় না থাকায় টেস্ট জয়ের বড় সুযোগ থাকলেও, দুই ম্যাচেই মিললো বড় ব্যবধানে পরাজয়।

  • রক্তাক্ত রোনালদো মেজাজ হারিয়ে ভাঙলেন ভক্তের মোবাইল

    রক্তাক্ত রোনালদো মেজাজ হারিয়ে ভাঙলেন ভক্তের মোবাইল

    সেরা চারে থাকতে হলে এভার্টনের বিপক্ষে জয়ই ছিল সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন। কিন্তু এমন ম্যাচেই কি না ১-০ গোলে হেরে বসে আছে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড! পুরো ম্যাচে একের পর এক চেষ্টা করে গেছেন রোনালদোরা, কিন্তু গোলের দেখাটাই পেলেন না তারা।

    উল্টো ম্যাচ শেষে দেখা গেলো রক্তাক্ত রোনালদো। ম্যাচে শেষে রোনালদো যখন তার পায়ের গার্ড খোলেন, তখন দেখতে পান, সেখানে আঘাতের চিহ্নের সঙ্গে রক্ত মাখামাখি হয়ে আছে। পরাজয়ের কারণে তার হৃদয়ে রক্তক্ষরণ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে পা থেকেও রক্তক্ষরণ হচ্ছিল সিআর সেভেনের।

    একে তো হারের কারণে মেজাজ হারিয়ে বসে আছেন, তারওপর পা রক্তাক্ত। মাঠ থেকে বের হওয়ার পথে দেখা যায় তাকে খুঁড়িয়ে হাঁটতে। এ সময় একটি অনাকাংখিত ঘটনাও ঘটিয়ে বসেন রোনালদো। মাঠ থেকে বের হওয়ার সময় টানেলের মুখে এক তরুণ ভক্তের মোবাইল আছাড় দিয়ে ভেঙে ফেলে দেন তিনি।

    এ নিয়ে তুমুল সমালোচনার শিকার ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো। শেষমেষ সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে এ ঘটনার জন্য দুঃখ প্রকাশ করেন তিনি। সেই ভক্তের কাছে ক্ষমাও চেয়েছেন। তবে ম্যানইউ বলছে, তারা এই ঘটনার তদন্ত করে দেখবে।

    গোডিসন পার্কে এভার্টনের কাছে ১-০ গোলে হারের পর টানেল থেকে বের হওয়ার সময় রোনালদোর ভক্তের হাত থেকে মোবাইল আছাড়া ফেলে দেয়ার ফুটেজ সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়ে যায়। প্রত্যক্ষদর্শী বলেন, ৩৭ বছর বয়সী এই ফুটবলার ভক্তের হাতে থাকা মোবাইলকে আছাড়া মেরে নিচে ফেলে দেন।

    পরে ইনস্টাগ্রামে দেয়া এক পোস্টে রোনালদো বলেন, ‘কঠিন সময়ে মেজাজ ঠিক রাখা সত্যিই খুব কঠিন। এই কঠিন মুহূর্তটারই আমরা মুখোমুখি হয়েছি। তবুও আমাদের সব সময়ই সম্মানজনক আচরণ করতে হবে। ধৈর্য্য ধরতে হবে। একই সঙ্গে সকল তরুণদের জন্যই আমাদেরকে উদাহরণ সৃষ্টি করতে হবে, যারা এই সুন্দর খেলাটাকে পছন্দ করেন।’

    ‘আমি এই বাজে ঘটনায় ক্ষমাপ্রার্থনা করতে চাই এবং যদি সম্ভব হয়, আমি চাই এই সমর্থককে আমন্ত্রণ জানাতে। ফেয়ার প্লে এবং স্পোর্টসম্যানশিপ দেখাতে ওল্ড ট্র্যাফোর্ডে তাকে একটি ম্যাচ দেখাতে চাই আমি।’

    ১৪ বছর বয়সী সেই ফুটবল সমর্থকের নাম জ্যাক হার্ডিং। তার মা সারাহ কেলি মিডিয়াকে বলেন, ‘খেলা শেষ হওয়ার পর ম্যানইউ ফুটবলাররা যখন মাঠ ছেড়ে যাচ্ছিল, তখন আমার ছেলে তাদের ভিডিও করছিল। প্রত্যেক খেলোয়াড়ের ভিডিও করছিলো, এ সময় রোনালদো পার হচ্ছিল। আমার ছেলেও অনেকটা ঝুঁকে গিয়ে ভিডিও করছিল। কারণ, ওই সময় রোনালদো নিচের দিকে ঝুঁকে গিয়ে নিজের মোজার গার্ড হাতে নিয়ে হাঁটতে শুরু করেন। ওই সময় দেখা যায় তার পা রক্তাক্ত। আমার ছেলে সেটাকেই ভিডিও করার চেষ্টা করছিল। সে কোনো কথাই কিন্তু বলেনি। রোনালদো দ্রুত হেঁটে যাচ্ছিল। এ সময় হঠাৎ করেই মেজাজ গরম করে ফেলেন এবং মোবাইলটাকে আছাড় মেরে ফেলে দেন আমার ছেলের হাত থেকে।’

  • শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কাবাডি খেলাকে বাধ্যতামূলক করার উদ্যোগ

    শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কাবাডি খেলাকে বাধ্যতামূলক করার উদ্যোগ

    জাতীয় খেলা কাবাডিকে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে বাধ্যতামূলক করার উদ্যোগ নেবে বাংলাদেশ কাবাডি ফেডারেশন। ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক এবং বাংলাদেশ পুলিশের ঢাকা রেঞ্জের ডিআইজি হাবিবুর রহমান বলেছেন, ‘আমরা বিষয়টি নিয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে বসবো। তাদের বলবো, যেন কাবাডি খেলাটাকে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বাধ্যতামূলক করা হয়।’

    হাবিবুর রহমান গত ৩১ মার্চ দুবাইয়ে অনুষ্ঠিত আন্তর্জাতিক কাবাডি ফেডারেশনের নির্বাচনে সহ-সভাপতি হয়েছেন। একই সঙ্গে তিনি সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন আন্তর্জাতিক কাবাডি ফেডারেশনের ডেভেলপমেন্ট কমিটিরও।

    কাবাডি ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক বলেছেন, ‘আমরা দেশের কাবাডির উন্নয়ন করতে চাই। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কাবাডিকে জাতীয় খেলা ঘোষণা করেছিলেন। এই খেলাটি যাতে বিশ্বের অনেক দেশ খেলে তা নিয়ে কাজ করবো আন্তর্জাতিক কাবাডি ফেডারেশনের সহ-সভাপতি হিসেবে। ফুটবল যেমন সারা বিশ্বে খেলে তেমন কাবাডিও যেন সেভাবে সম্প্রসারিত হয়, তা নিয়ে আমরা কাজ করবো। কাবাডি কূটনীতির মাধ্যমে বাংলাদেশের জাতীয় খেলাকে বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে দিতে হবে।’

    এক সময় কাবাডিতে এশিয়া ও দক্ষিণ এশিয়ায় বাংলাদেশের একটা ভাল অবস্থান ছিল। এখন ধীরে ধীরে অন্যরা এগিয়ে যাওয়ায় বাংলাদেশের সে অবস্থান নেই। এজন্য দরকার দেশের মধ্যেই কাবাডি খেলাকে আর সম্প্রসারিত করা।

    কাবাডি ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক বলেছেন, ‘আমরা কাবাডিকে বিকেএসপিতে অন্তর্ভূক্ত করেছি। এখন যদি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে এই খেলাটি বাধ্যতামূলক করা যায় তাহলে তৃণমূল থেকে কাবাডি খেলোয়াড় বেরিয়ে আসবে। বিষয়টি নিয়ে আমরা শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে কথা বলবো।’

    বাংলাদেশ কাবাডি ফেডারেশন পরপর দু’বছর জাঁকজমকভাবে বঙ্গবন্ধু কাপ আন্তর্জাতিক কাবাডি টুর্নামেন্ট আয়োজন করেছে। দু’বারই বাংলাদেশ চ্যাম্পিয়ন হয়েছে। জাতির পিতার নামের এই টুর্নামেন্টটিকে আন্তর্জাতিক কাবাডি ফেডারেশনের সূচিতে অন্তর্ভুক্ত করার উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশ কাবাডি ফেডারেশন।

    বাংলাদেশ বিশ্বকাপের আয়োজক হওয়ার চেষ্টা করছে। ২০১৬ সালের পর আর বিশ্বকাপ কাবাডি অনুষ্ঠিত হয়নি। চতুর্থ আসরের আয়োজক হওয়ার কথা ছিল বাংলাদেশের। করোনার কারণে বিশ্বকাপ হয়নি। বাংলাদেশ কাবাডি ফেডারেশনের কর্মকর্তারা আন্তর্জাতিক কাবাডি ফেডারেশনের কাছে আয়োজক হওয়ার আগ্রহের কথা জানিয়েছেন।

  • মোস্তাফিজের জাদুকরী বোলিংয়ের পরও জিততে পারলো না দিল্লি

    মোস্তাফিজের জাদুকরী বোলিংয়ের পরও জিততে পারলো না দিল্লি

    দিল্লি ক্যাপিট্যালসের হয়ে প্রথম ও শেষ- দুইটি গুরুত্বপূর্ণ ওভারই করেছিলেন মোস্তাফিজুর রহমান। এই দুই ওভারে মাত্র ১০ রান খরচায় নেন তিনটি উইকেট। বিশেষ করে ইনিংসের শেষ ওভারে মাত্র তিন রানে ২ উইকেট তুলে নেন দ্য ফিজ।

    সবমিলিয়ে এবারের আইপিএলে নিজের প্রথম ম্যাচে ৪ ওভারে মাত্র ২৩ রানে ৩ উইকেট নেন মোস্তাফিজ। তার এমন দুর্দান্ত বোলিংয়ের পরও ব্যাটারদের ব্যর্থতায় গুজরাট টাইটান্সের বিপক্ষে ম্যাচ জিতে বের হতে পারেনি দিল্লি।

    পুনের মহারাষ্ট্র ক্রিকেট স্টেডিয়ামে আগে ব্যাট করে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৬ উইকেট হারিয়ে ১৭১ রান করে গুজরাট। জবাবে ৯ উইকেট হারিয়ে ১৭১ রানের বেশি করতে পারেনি দিল্লি। যার ফলে টানা দ্বিতীয় জয় পেয়েছে গুজরাট।

    ১৭২ রানের লক্ষ্যে দিল্লির পক্ষে সর্বোচ্চ ৪৩ রান করেছেন দলের অধিনায়ক রিশাভ পান্ত। এছাড়া ললিত যাদব ২৫, রভম্যান পাওয়েল ২০, মানদ্বীপ সিং ১৮ রান করলেও কেউই বড় ইনিংস খেলতে পারেননি। ফলে মিলেছে ১৪ রানের পরাজয়।

    গুজরাটের পক্ষে ৪ ওভারে মাত্র ২৮ রান খরচায় ৪ উইকেট নিয়েছেন লকি ফার্গুসন। এছাড়া মোহাম্মদ শামির শিকার দুই উইকেট।

    এর আগে গুজরাট টাইটান্সের বিপক্ষে টস জিতে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয় দিল্লি ক্যাপিটালস। প্রথম ওভারেই মোস্তাফিজের হাতে বল তুলে দেন দিল্লি অধিনায়ক রিশাভ পান্ত।

    প্রথম দুই বলে মোস্তাফিজ দেন ১ রান করে। তৃতীয় ডেলিভারিতেই পান উইকেটের দেখা। অস্ট্রেলিয়ার ম্যাথু ওয়েডকে বোকা বানান মোস্তাফিজ দারুণ এক ডেলিভারিতে।

    এমনই ডেলিভারি, আউটের আবেদনে আম্পায়ারও সাড়া দেননি। বল যে ব্যাটে লেগে গেছে, বুঝতে পারেননি তিনি। রিভিউ নেন পান্ত। আলট্রাএজে দেখা যায়, বল ব্যাটে ছুঁয়ে গেছে। ওয়েড ফেরেন মাত্র ১ রানে।

    প্রথম ওভারে সবমিলিয়ে মোস্তাফিজ দেন ৭ রান। এরপর তাকে বোলিং থেকে সরিয়ে নেন পান্ত। আনেন পাওয়ার প্লের শেষ ওভারে। ষষ্ঠ ওভারে এসে উইকেট না পেলেও মাত্র ৪ রান খরচ করেন কাটার মাস্টার।

    এরপর ডেথ ওভারে মোস্তাফিজকে আনেন পান্ত। ১৭তম ওভারে ফিজ দেন ৯ রান। দুই ওভার বিরতি দিয়ে ২০তম অর্থাৎ শেষ ওভারটি করতে আসেন টাইগার পেসার।

    ওই ওভারে প্রথম বলে ডেভিড মিলার নিতে পারেন মাত্র ১ রান। দ্বিতীয় বলেই উইকেট। এক্সট্রা কভারে মারতে গিয়ে বল আকাশে তুলে দেন রাহুল তেয়াতিয়া (১৩)। তার পরের দুই বলে এক করে দুই রান।

    এবার অভিনব মনোহরকে (১) কাটারে বিভ্রান্ত করেন মোস্তাফিজ। স্লগ সুইপ করতে গিয়ে কভারে অক্ষর প্যাটেলের ক্যাচ হন এই ব্যাটার। শেষ বলে রশিদ খান ব্যাট লাগাতে না পারলে দৌড়ে বাই এক রান নেন।

  • চ্যালেঞ্জ নিয়ে পাকিস্তানকে হারিয়েই ছাড়লো অস্ট্রেলিয়া

    চ্যালেঞ্জ নিয়ে পাকিস্তানকে হারিয়েই ছাড়লো অস্ট্রেলিয়া

    অবশেষে পাকিস্তান সফরে জয়ের দেখা পেলো অস্ট্রেলিয়া। লাহোরের গাদ্দাফি স্টেডিয়ামে টেস্ট সিরিজের তৃতীয় ও শেষ ম্যাচে স্বাগতিকদের ১১৫ রানের ব্যবধানে হারিয়েছে প্যাট কামিন্সের দল। আগের দুই ম্যাচেও আধিপত্য ছিল তাদের। কিন্তু ড্র নিয়েই সন্তষ্ট থাকতে হয়েছিল।

    এবার শেষ ম্যাচে রীতিমতো চ্যালেঞ্জ নিয়েই পাকিস্তানকে হারালো তারা। লাহোর টেস্টের শেষ ইনিংসে জয়ের জন্য ১১৭ ওভারে ৩৫১ রান করতে হতো স্বাগতিকদের। তবে তাদেরকে ৯২.১ ওভারে ২৩৬ রানে অলআউট করে ম্যাচ জিতে নিয়েছে অসিরা। অফস্পিনার নাথান লিয়ন নিয়েছেন ৫ উইকেট।

    একইসঙ্গে দীর্ঘ ২৪ বছর পর পাকিস্তান সফরে গিয়ে, সেই ২৪ বছর আগের ফলই ফেরত আনলো অসিরা। ১৯৯৮ সালের পাকিস্তান সফরে তিন ম্যাচের টেস্ট সিরিজেও ১-০ ব্যবধানে জিতেছিল তারা। তবে সেবার জিতেছিল প্রথম ম্যাচ। এবার তারা জিতলো সিরিজের শেষ ম্যাচটি।

    আগেরদিন শেষ সেশনে ২৭ ওভার খেলে অবিছিন্ন জুটিতে ৭৩ রান যোগ করেছিলেন পাকিস্তানের দুই ওপেনার ইমাম উল হক ও আব্দুল্লাহ শফিক। ফলে আজ ম্যাচের শেষ দিন বাকি ছিল ৯০ ওভারে ২৭৮ রান। যা দেখে কোনো দলের পক্ষেই নিশ্চিত করে কিছু বলা সম্ভব ছিল না।

    তবে পঞ্চম দিনের খেলা শুরুর পর পাকিস্তানকে আর সুযোগই দেয়নি অস্ট্রেলিয়া। দিনের চতুর্থ ওভারেই সাজঘরের পথ ধরেন ২৭ রান করা শফিক। দলীয় একশ পার হতেই প্যাভিলিয়নে ফিরে যান অভিজ্ঞ আজহার আলি। তার ব্যাট থেকে আসে ৪৭ বলে ১৭ রান।

    লম্বা সময় ধরে একপ্রান্ত আগলে রাখা ইমামের বাঁধ ভাঙেন লিয়ন। ইনিংসের ৬২তম ওভারে ফেরার আগে ১৯৯ বলে ৭০ রান করেন তিনি। এরপর ফাওয়াদ আলম (১১) ও মোহাম্মদ রিজওয়ান (০) ফিরে যান অল্পেই। রিজওয়ানের বেলায় অবশ্য ভুল সিদ্ধান্ত দেন আলিম দার।

    তখন একটি রিভিউও বাকি ছিল পাকিস্তানের। কিন্তু নন স্ট্রাইকে থাকা অধিনায়ক বাবর আজম সেই রিভিউ নিতে দেননি রিজওয়ানকে। ফলে ১৬৭ রানে ৫ উইকেট হারিয়ে বিপদে পড়ে যায় পাকিস্তান। সেখান থেকে ষষ্ঠ উইকেটে স্পিনার সাজিদ খানের সঙ্গে ৪৬ রান যোগ করেন বাবর।

    পরপর দুই ওভারে বাবর (৫৬) ও সাজিদকে (২১) ফেরান নাথান লিয়ন ও মিচেল স্টার্ক। তখনই প্রায় নিশ্চিত হয়ে যায় অস্ট্রেলিয়ার জয়। পরে হাসান আলি একটি করে চার-ছয় মেরে পরাজয়ের ব্যবধান কমান শুধু। ইনিংসের ৯৩তম ওভারের প্রথম বলে নাসিম শাহকে বোল্ড করে ম্যাচ শেষ করেন অসি অধিনায়ক প্যাট কামিনস।

  • বিশ্বকাপ শেষ ইতালির

    বিশ্বকাপ শেষ ইতালির

    বাছাই পর্বেই শেষ হয়ে গেল ইউরো চ‍্যাম্পিয়নদের কাতার ২০২২ বিশ্বকাপে খেলার স্বপ্ন। নিজেদের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো টানা দুই আসরে খেলা হবে না ইতালির।

    প্লে-অফ সেমি-ফাইনালে বৃহস্পতিবার শেষ মুহূর্তে গোল খেয়ে নর্থ মেসিডোনিয়ার কাছে ১-০ ব্যবধানে হেরেছে ইতালি। ফলে ঘরের মাঠ থেকেই বিদায় হয়ে গেছে তাদের।

  • হ্যাটট্রিক ‘নার্ভাস নাইন্টি’র পর অবশেষে সেঞ্চুরি

    হ্যাটট্রিক ‘নার্ভাস নাইন্টি’র পর অবশেষে সেঞ্চুরি

    আরাফাত সানির করা লেগ মিডলের ডেলিভারিটি আলতো করে অনসাইডে ঠেলে দিয়েই কাঙ্ক্ষিত রানটি নিয়ে নিলেন লেজেন্ডস অব রুপগঞ্জের নাইম ইসলাম, পূরণ করলেন লিস্ট ‘এ’ ক্যারিয়ারের ১১তম সেঞ্চুরি। তবে এই সেঞ্চুরিটি আগেরগুলোর চেয়ে খানিক ব্যতিক্রমই বলতে হবে।

    কেননা এই সেঞ্চুরির আগের তিন ইনিংসেই নার্ভাস নাইন্টি তথা নব্বইয়ের ঘরে আউট হয়েছেন এ অভিজ্ঞ ব্যাটার। গাজী গ্রুপের বিপক্ষে ৯২, শেখ জামালের বিপক্ষে ৯৫ ও প্রাইম ব্যাংকের বিপক্ষে নাইম কাটা পড়েছিলেন ৯১ রানে গিয়ে। তিনবারই পুড়তে হয়েছে সেঞ্চুরি মিসের বেদনায়।

    অবশেষে ঢাকা প্রিমিয়ার লিগের চতুর্থ রাউন্ডের ম্যাচে জাদুকরী তিন অঙ্কের দেখা পেলেন নাইম। বিকেএসপির ৩ নম্বর মাঠে তার ব্যাটে চড়েই আবাহনী লিমিটেডের বিপক্ষে বড় সংগ্রহের দিকে ছুটছে রূপগঞ্জ। এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত ৪৬ ওভার শেষে রুপগঞ্জের সংগ্রহ ৬ উইকেটে ২৬৩ রান।

    টস হেরে ব্যাট করতে নামা রুপগঞ্জের শুরুটা তেমন ভালো ছিল না রপগঞ্জের। দলীয় ২৬ রানেই সাজঘরে ফিরে যান দুই ওপেনার আব্বাস মুসা (৫) ও তানজিদ হাসান তামিম (১৫)। তৃতীয় উইকেটে ৮৯ রানের জুটি গড়েন নাইম ইসলাম ও চিরাগ জানি। মাত্র ১ রানের জন্য ফিফটি মিস করেন চিরাগ।

    এরপর রকিবুল হাসানকে নিয়ে ৫৭ রান যোগ করেন নাইম। দলীয় ১৭২ রানে রকিবুল ফিরে গেলে সাব্বির রহমানের সঙ্গে মিলে রানরেট বাড়ানোর মিশনে মন দেন নাইম ইসলাম। একপর্যায়ে ৭৫ বলে ৬০ রানে ব্যাট করতে থাকা নাইম পরের ৪০ রান নেন মাত্র ২৪ বলে।

    ইনিংসের ৪৩তম ওভারের প্রথম বলে সেঞ্চুরি পূরণ করার পথে ৯৯ বলে ১০ চার ও ৩টি ছক্কা হাঁকান নাইম। সেঞ্চুরির পর আরও ১০ বল থেকে ২৪ রান করেন তিনি। যেখানে ছিল ৪টি চার ও একটি ছয়ের মার। সবমিলিয়ে ১৪ চার ও ৪ ছয়ের মারে ১০৯ বলে ১২৪ রানের ইনিংস খেলেন নাইম।

    অন্যদিকে এক চার ও দুই ছয়ের মারে ২০ বলে ৩০ রান করে আউট হয়েছেন সাব্বির রহমান।

  • সাকিব-তামিমদের জন্য ৩ কোটি টাকা পুরস্কার ঘোষণা পাপনের

    সাকিব-তামিমদের জন্য ৩ কোটি টাকা পুরস্কার ঘোষণা পাপনের

    দক্ষিণ আফ্রিকার মাটিতে ইতিহাস গড়ে ওয়ানডে সিরিজ জয়। সেঞ্চুরিয়নে তৃতীয় ও শেষ ওয়ানডেতে প্রোটিয়াদের ৯ উইকেটে হারিয়ে ২-১ ব্যবধানে সিরিজ নিজেদের করে নিয়েছে তামিম ইকবালের দল।

    বাংলাদেশের ওয়ানডে ইতিহাসের অন্যতম সেরা অর্জন নিঃসন্দেহে। দলের এই অর্জনে অভিনন্দন জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। মহাখুশি বিসিবি সভাপতি নাজমুল হাসান পাপনও। তিনি পুরো দলের সঙ্গে মোবাইলে কথা বলেছেন, সঙ্গে সঙ্গে বিসিবির পক্ষ থেকে ৩ কোটি টাকা পুরস্কারও ঘোষণা করেছেন।

    দক্ষিণ আফ্রিকায় দলের সঙ্গে অবস্থান করা বিসিবির ক্রিকেট অপারেশন্স কমিটির চেয়ারম্যান জালাল ইউনুস গণমাধ্যমের সঙ্গে আলাপে জানিয়েছেন এই খবর।

    জালাল ইউনুস বলেন, ‘আমার স্পিকার (মোবাইলের) অন করে দিয়েছিলাম। মাননীয় সভাপতি (নাজমুল হাসান) সাহেব পুরো দলের সাথে কথা বলেছেন। সবাই খুশি।’

    প্রধানমন্ত্রীও খেলা দেখেছেন তিনি বলেন, ‘মাননীয় প্রধানমন্ত্রীও খেলা দেখেছেন। উনিও সবাইকে অভিনন্দন জানিয়েছেন। সবাই আনন্দিত, এটা অবিশ্বাস্য জয়। দক্ষিণ আফ্রিকার মাটিতে সিরিজ জিতলাম, এতে সবাই আনন্দিত, বলার অপেক্ষা রাখে না।’

    সঙ্গে যোগ করেন জালাল ইউনুস, ‘একটা ঘোষণা ছিল এখানে। খেলোয়াড়রা তাৎক্ষণিক একটি ঘোষণা শুনতে চেয়েছিল। মাননীয় সভাপতি ৩ কোটি টাকা বোনাস ঘোষণা করেছেন খেলোয়াড়দের জন্য।’

    এসময় সিরিজ জয়ের প্রতিক্রিয়ায় জালাল বলেন, ‘দক্ষিণ আফ্রিকার মাটিতে দক্ষিণ আফ্রিকাকে সিরিজ হারানো অবিশ্বাস্য। এটা অবশ্যই ঐতিহাসিক এক জয়। কিছু দিন আগে দক্ষিণ আফ্রিকা ভারতকে হোয়াইটওয়াশ করেছে। আমরা সিরিজ জিতেছি, অবশ্যই বড় প্রাপ্তি।’

  • মা ও তিন সন্তান ভর্তি হাসপাতালে, দেশে ফিরবেন সাকিব?

    মা ও তিন সন্তান ভর্তি হাসপাতালে, দেশে ফিরবেন সাকিব?

    সাকিব আল হাসান কি দেশে ফিরে আসবেন? দেশে পরিবারের যা অবস্থা, তাতে চ্যাম্পিয়ন অলরাউন্ডারের নির্ঘুম রাতই কাটানোর কথা। দক্ষিণ আফ্রিকায় এখনও সকাল হয়নি, তাই নিশ্চিত করে জানা যায়নি সাকিব দেশে ফেরত আসবেন কি না?

    তবে দেশে সাকিবের পরিবার যে অবস্থায় আছে, তাতে তিনি ঢাকায় ফিরে আসলেও অবাক হওয়ার কিছু থাকবে না। কারণ তার পরিবারের প্রায় সবাই অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে।

    সাকিবের পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, তার স্ত্রী উম্মে আহমেদ শিশির ছাড়া মা, তিন সন্তান, শাশুড়ি সবাই অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে। সাকিবের মা হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে এভারকেয়ার হাসপাতালে।

    জানা গেছে, আগের দুদিন অচেতন ছিলেন সাকিবের মা শিরিন আক্তার। পরে পরশু রাতে তাকে এভার কেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

    এছাড়া সাকিবের একমাত্র ছেলে আইজাহ ও ছোট মেয়ে ইররামেরও শরীর ভালো নয়। ভাবা হচ্ছে, তাদের নিউমোনিয়া হয়েছে। তারা দুজনও এভারকেয়ার হাসপাতালে। সাকিবের বড় মেয়ে আলাইনাও ঠান্ডা জ্বরে আক্রান্ত। তাকেও একই হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে।

    এছাড়া সাকিবের শাশুড়ি ক্যান্সারের রোগী। তার চিকিৎসা চলছে সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে। এখন স্ত্রী শিশিরই একমাত্র সুস্থ। তিনিই সবার দেখভাল করে যাচ্ছেন।

    এরকম কঠিন পরিস্থিতিতে সাকিব দেশে ফিরে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন পরিবারের সদস্যের কাছে চলে আসবেন কি না সে বিষয়ে নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যায়নি। তবে আজ (সোমবার) এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।