Category: খেলাধুলা

  • তামিমের অবসর নতুন কোনো বিষয় না, আগে থেকেই জানি : পাপন

    তামিমের অবসর নতুন কোনো বিষয় না, আগে থেকেই জানি : পাপন

    স্পোর্টস ডেস্কঃ ওয়েস্ট ইন্ডিজের মাটিতে ক্যারিবীয়দের ধবল ধেলাইয়ের শুভক্ষণে হরিষে বিষাদ। হঠাৎ আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি থেকে অবসরের ঘোষণা তামিম ইকবালের। গত ছয় মাস ধরে তিনি আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি থেকে ছুটিতে ছিলেন। এ মাসেই সেই ছুটি শেষ হতো।

    এই ছয় মাসে অনেক কথা চালাচালি হয়েছে তামিমের টি-টোয়েন্টি খেলা নিয়ে। অবশেষে সব বিতর্কের অবসান হলো।
    রবিবার মিরপুরে বিসিবি পরিচালনা পর্ষদের সভা শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন বোর্ড প্রধান নাজমুল হাসান পাপন। এসময় তাকে তামিমের অবসরের বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে পাপন বলেন, ‘ওটা তো আগে থেকেই জানি।

    এটা তো নতুন কোনো বিষয় না। ‘

  • ক্যারিবীয়দের হোয়াইটওয়াশ করেই ছাড়লো বাংলাদেশ

    ক্যারিবীয়দের হোয়াইটওয়াশ করেই ছাড়লো বাংলাদেশ

    প্রথম দুই ওয়ানডেতে পাত্তাই পায়নি ওয়েস্ট ইন্ডিজ। শেষটিতে এসে কিছুটা লড়াই করলো স্বাগতিক দল। ১৭৮ রান নিয়েও লড়লো ৪৯তম ওভার পর্যন্ত। কিন্তু হিসেবি ক্রিকেট খেলা বাংলাদেশের সামনে সেই লড়াই টিকলো না। আরও একবার ওয়ানডে ফরম্যাটে টাইগারদের কাছে পর্যদুস্ত হলো ক্যারিবীয়রা।গায়ানায় সিরিজের তৃতীয় ও শেষ ওয়ানডেতে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে ৪ উইকেট আর ৯ বল হাতে রেখে হারিয়েছে তামিম ইকবালের দল। এতে করে তিন ম্যাচের সিরিজ ৩-০ ব্যবধানে জিতে নিয়েছে তারা।বিজ্ঞাপনটেস্ট আর টি-টোয়েন্টি সিরিজে ২-০ ব্যবধানে হেরেছিল বাংলাদেশ। ওয়ানডেতে এসে যেন তার শক্ত প্রতিশোধ নিলো। স্বাগতিকদের হোয়াইটওয়াশের লজ্জায় ডোবাল টাইগাররা।এবারও বোলাররাই অর্ধেক কাজ সেরে রেখেছিলেন। বাংলাদেশের সামনে লক্ষ্য ছিল ১৭৯ রানের। আরও একবার হেসেখেলেই জিতবে টাইগাররা, মনে হচ্ছিল শুরুতে।

    ২ উইকেটে ছিল বাংলাদেশের রান ছিল ৯৬। তবে গায়ানার উইকেট বলে কথা! সেখান থেকে আর ২০ রান যোগ করতে আরও ৩ উইকেট হারিয়ে বসে সফরকারীরা। হঠাৎ লড়াইয়ে ফেরে নিকোলাস পুরানের দল।এরপর মাহমুদউল্লাহ আর নুরুল হাসান সোহানের ব্যাটে আবারও স্বস্তি ফেরে টাইগার শিবিরে। ৩৭ বলে তারা যোগ করেন ৩১ রান। মাহমুদউল্লাহ খেলছিলেন ধীরগতিতে।

    শেষ পর্যন্ত তাকে ওয়াইড বলে বোকা বানিয়েছেন নিকোলাস পুরান। উইকেট ছেড়ে বেরিয়ে আসলে স্টাম্পিং হন ৬১ বলে ২৬ করা মাহমুদউল্লাহ। ১৪৭ রানে ৬ উইকেট হারায় বাংলাদেশ, আবারও আশায় বুক বাঁধে ওয়েস্ট ইন্ডিজ।সেই আশায় গুঁড়েবালি দিয়েছেন সোহান আর মেহেদি হাসান মিরাজ। ঠান্ডা মাথায় দেখেশুনে ম্যাচ বের করে নিয়েছেন এই যুগল। ৫৭ বলে ৩২ রানের অবিচ্ছিন্ন জুটি গড়েন তারা। সোহান ৩৮ বলে ৪ বাউন্ডারিতে ৩২ আর মিরাজ ৩৫ বলে ১৬ রানে অপরাজিত থাকেন।রান তাড়ায় নেমে ২০ রানে ভেঙেছিল বাংলাদেশের ওপেনিং জুটি। এর মধ্যে সিংহভাগ রানই আসে তামিম ইকবালের ব্যাট থেকে। ১১ বল খেলে প্রথম রানের খাতা খোলা শান্ত দুই বল পরই আলজেরি জোসেফের ডেলিভারিতে এজ হয়ে উইকেটরক্ষককে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন মাত্র ১ রানেই।

    শান্তকে হারানোর পর লিটন দাসের সঙ্গে ৫০ রানের আরেকটি জুটি (৬২ বলে) গড়েন তামিম। টাইগার দলপতি খেলছিলেন বেশ আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে। তবে ব্যক্তিগত ৩৪ রানে থামতে হয়েছে তাকে।৫২ বলে ৪ বাউন্ডারিতে ইনিংস সাজিয়ে ভুল শট খেলে বসেন তামিম। গোদাকেশ মোতিকে সুইপ করতে গিয়ে ফাইন লেগে ধরা পড়েন বাঁহাতি এই ওপেনার।তামিম ফিরলেও আরও একবার দারুণ এক ইনিংস বেরিয়ে এসেছে লিটন দাসে উইলো থেকে। ডানহাতি এই ব্যাটার তুলে নেন ক্যারিয়ারের ষষ্ঠ ওয়ানডে ফিফটি।যদিও ফিফটির পর বেশিক্ষণ টিকতে পারেননি লিটন। গোদাকেশ মোতির দারুণ এক ফিরতি ক্যাচে সাজঘরের পথ ধরেন মারকুটে এই ব্যাটার। ৬৫ বলে গড়া তার ৫০ রানের ইনিংসটি ছিল ৫ বাউন্ডারি আর ১ ছক্কায় সাজানো।এর ঠিক এক বল পরই আরেক ব্যাটার আফিফ হোসেনকেও (০) বোল্ড করে বাংলাদেশকে চাপে ফেলে দেন মোতি। ২৫তম ওভারে ডাবল উইকেট মেইডেন নেন ক্যারিবীয় বাঁহাতি এই স্পিনার।মোসাদ্দেক হোসেন খেলছিলেন দারুণ আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে। টানা দুই ওভারে একটি করে চার-ছক্কা হাঁকিয়ে দেন ভালো কিছুর ইঙ্গিত। কিন্তু ১৪ রানেই থামতে হয়েছে ডানহাতি এই ব্যাটারকেও।দারুণ বোলিং করা মোতিকে ডাউন দ্য উইকেটে খেলতে গিয়ে লংঅফ ফিল্ডারের হাতে ধরা পড়েন মোসাদ্দেক। ১১৬ রানে ৫ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে বাংলাদেশ। শেষ পর্যন্ত সেই চাপ কাটিয়ে জয় নিয়েই মাঠ ছেড়েছে টাইগাররা।ক্যারিবীয় বোলারদের মধ্যে সবচেয়ে সফল ছিলেন গোদাকেশ মোতি। ১০ ওভারে মাত্র ২৩ রানে তিনি নেন ৪টি উইকেট।এর আগে তাইজুল ইসলামের দুর্দান্ত বোলিংয়ে ১৭৮ রানেই গুটিয়ে যায় ওয়েস্ট ইন্ডিজ। ১০ ওভারে ২৮ রান খরচ করে টাইগার দলের বাঁহাতি স্পিনার একাই নেন ৫ উইকেট।গায়ানার প্রভিডেন্স স্টেডিয়ামে সিরিজে তৃতীয়বারের মতো টস জিতেছেন তামিম ইকবাল। আগের দুই ম্যাচের মতো এবারও আগে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন তিনি। বোলিং করতে নেমে প্রথম ওভার তুলে দেওয়া হয় আগের ম্যাচের সেরা নাসুম আহমেদের হাতে।প্রথম ওভারে ৪ রান খরচ করেন নাসুম। তবু তাকে আক্রমণ থেকে সরিয়ে নেন তামিম। দ্বিতীয় ওভার মোস্তাফিজকে দিয়ে করানোর পর বল তুলে দেওয়া হয় তাইজুলের হাতে। নিজের প্রথম বলেই দারুণ এক টার্নিং ডেলিভারিতে ফ্রন্ট ফুট ডিফেন্স করা কিংকে বোল্ড করেন তাইজুল।jagonews24নিজের পরের ওভারে আবারও দৃশ্যপটে হাজির এ বাঁহাতি স্পিনার। এবারও কিংয়ের মতোই দারুণ এক ডেলিভারি করেন হোপকে। সামনে পা বাড়িয়ে খেলতে গিয়ে ব্যাটে-বলে করতে পারেননি হোপ। ক্ষণিকের জন্য তার পা বেরিয়ে যায় পপিং ক্রিজ থেকে।সেই কয়েক মুহূর্ত সময়টাই যথেষ্ট ছিল সোহানের জন্য। তড়িৎ বেগে বেলস ফেলে দিয়ে স্টাম্পিংয়ের আবেদন করেন সোহান। রিপ্লেতে দেখা যায়, খুবই অল্প সময়ের ব্যবধানে হোপের বিদায়ঘণ্টা বাজিয়ে দিয়েছেন টাইগারদের উইকেটরক্ষক। যার সুবাদে তাইজুল পেয়ে যান দ্বিতীয় উইকেট।অন্য প্রান্তে বোলিং করতে থাকা মোস্তাফিজ দেখছিলেন তাইজুলের ঘূর্ণি জাদু। ইনিংসের ষষ্ঠ ও ব্যক্তিগত তৃতীয় ওভারে তিনিও যোগ দেন উইকেট শিকারের উৎসবে। ওভারের তৃতীয় বলটি ছিল মিডল স্টাম্পের ওপর হালকা ভেতরে ঢোকা ডেলিভারি। যেটি ব্যাটে-বলে করতে পারেননি ব্রুকস।বাংলাদেশের বোলার-ফিল্ডারদের জোরালো আবেদনে আঙুল তুলে দেন আম্পায়ার। কিছুক্ষণ ভেবে রিভিউ নেন ব্রুকস। রিপ্লেতে দেখা যায় মিডল স্টাম্পের ভেলসে হালকা ছুঁয়ে যেতো ডেলিভারিটি। মাঠের আম্পায়ার আউট দিয়ে দেওয়ায় সাজঘরে ফিরে যেতে হয় ৪ রান করা ব্রুকসকে।মাত্র ১৬ রানে ৩ উইকেট হারিয়ে গভীর খাদে পড়ে গিয়েছিল ওয়েস্ট ইন্ডিজ। সেখান থেকে দ্রুত রান তোলার বদলে উইকেটে টিকে থাকা দিকে মনোযোগ দেন নিকোলাস পুরান ও ক্যাসে কার্টি। ইনিংসের ১৬তম ওভারে গিয়ে পূরণ হয় ক্যারিবীয়দের দলীয় পঞ্চাশ।চতুর্থ উইকেটে দেখেশুনে ১২৮ বল খেলে দেন এই যুগল। যোগ করেন ৬৭ রান। থিতু হয়ে যাওয়া এই জুটিটি অবশেষে ভাঙেন নাসুম আহমেদ। কিছুতেই কিছু হচ্ছিল না। অবশেষে ইনিংসের ২৭তম ওভারে ফের নাসুমকে বোলিংয়ে আনেন তামিম।

    অধিনায়কের আস্থার প্রতিদান দিতে দেরি করেননি পুরো সিরিজেই দুর্দান্ত বোলিং করা নাসুম। বাঁহাতি এই স্পিনারকে তুলে মারতে গিয়ে মিডঅনে তামিমের হাতে ক্যাচ তুলে দেন কার্টি (৬৬ বলে ৩৩)।এরপর রানের গতি আরও কমে যায় ওয়েস্ট ইন্ডিজের। ৩৪ ওভারে ১০০ ছোঁয় ক্যারিবীয়রা। ওই সময় ৪৩ বলে মাত্র ১৬ রান তুলেছিলেন পুরান-রভম্যান পাওয়েল। পানি পানের বিরতির পর রানের গতি বাড়ানোর চেষ্টা করেন এই যুগল।৩৫তম ওভারে তাইজুলকে পুরানের এক বাউন্ডারিসহ ৮, পরের ওভারে মিরাজকে পাওয়েলের একটি ছক্কাসহ ৯ রান আসে। তবে তার ঠিক পরের ওভারেই দুর্দান্ত এক ডেলিভারিতে পাওয়েলকে (২৯ বলে ১৮) বোল্ড করেন তাইজুল।jagonews24এরপর আরও একটি সোহান-তাইজুল জুটির উইকেট। এক ম্যাচে দুই ব্যাটারকে স্টাম্পিং করে নজর কাড়েন সোহান। তাইজুলের করা ক্যারিবীয় ইনিংসের পঞ্চম ওভারে শাই হোপের পা একটু বেরিয়ে গিয়েছিল, চোখের পলকে তাকে স্টাম্পিং করেছিলেন সোহান।একইভাবেই ৩৯তম ওভারে কেমো পলের (৬) পা বেরিয়ে গিয়েছিল তাইজুলের ঘূর্ণি সামলাতে গিয়ে। সোহান আরও একবার বিদ্যুৎগতিতে করেছেন স্টাম্পিং। ১২৫ রানে ৬ উইকেট হারায় ওয়েস্ট ইন্ডিজ।একটা প্রান্ত ধরে ছিলেন ক্যারিবীয় অধিনায়ক নিকোলাস পুরান। তাকেই নিজের পঞ্চম শিকার বানান তাইজুল। ১০৯ বলে ৪ বাউন্ডারি আর ২ ছক্কায় ৭৩ রান করা পুরানকে দুর্দান্ত এক ডেলিভারিতে বোল্ড করেন টাইগার স্পিনার।এরপর শেষ উইকেটে ২৯ বলে ২৫ রান যোগ করেন আলজেরি জোসেফ আর রোমারিও শেফার্ড। জুটিটা থামতো পারতো ১৬ রানেই, ১৬৯ রানে অলআউট হয়ে যেতো ওয়েস্ট ইন্ডিজ। মোস্তাফিজুর রহমানের করা ৪৮তম ওভারের প্রথম বলেই আকাশে বল তুলে দিয়েছিলেন শেফার্ড, কভারে সহজ ক্যাচ ফেলে দেন তামিম।১২ রানে জীবন পাওয়া শেফার্ড শেষ ব্যাটার হিসেবে বোল্ড আউট হন ১৯ করে। শেষ উইকেটটি নেন নাসুম। ওয়েস্ট ইন্ডিজ থামে ৪৮.৪ ওভারে ১৭৮ রানে।নাসুম ৩৯ রানে নেন ২ উইকেট। ২৪ রানে ২ উইকেট মোস্তাফিজের। মোসাদ্দেক এক উইকেট পেলেও ১০ ওভারে খরচ করেন মাত্র ২৩ রান। এছাড়া আফিফ হোসেন ২ ওভারে ২, মেহেদি হাসান মিরাজ ৮ ওভারে ৬১ রান দিয়ে ছিলেন উইকেটশূন্য।

  • হঠাৎ টি-টোয়েন্টি থেকে অবসরের ঘোষণা তামিমের

    হঠাৎ টি-টোয়েন্টি থেকে অবসরের ঘোষণা তামিমের

    ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজে সামনে থেকে দলকে নেতৃত্ব দিলেন। ক্যারিবীয়দের হোয়াইটওয়াশ করলো বাংলাদেশ। তামিম ইকবাল হলেন সিরিজসেরা।

    বাংলাদেশের ক্রিকেটপ্রেমীদের রাত জাগা যেন সার্থক হলো। তৃপ্তি নিয়ে ঘুমোতে যাবেন সমর্থকরা। এমন সময়ে হঠাৎ চমকে উঠার মতো খবর। ক্যারিবীয় দ্বীপপুঞ্জ থেকে তামিম এক ফেসবুক পোস্টে জানালেন, টি-টোয়েন্টিতে তিনি সাবেক হয়ে গেছেন!

    তামিম তার ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে বাংলাদেশ সময় ভোর চারটার দিকে লিখেছেন, ‘আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে আজকে থেকে আমাকে অবসরপ্রাপ্ত হিসেবে বিবেচনা করুন। ধন্যবাদ সবাইকে।’

    দেশের হয়ে ৭৮ টি-টোয়েন্টিতে ২৪ দশমিক ১ গড় এবং ১১৭ স্ট্রাইকরেটে ১ হাজার ৭৫৮ রান করেছেন তামিম। দেশের প্রথম টি-টোয়েন্টি সেঞ্চুরিয়ানও তিনি।

    ২০২০ সালের মার্চের পর আর এ ফরম্যাটে দেখা যায়নি তামিমকে। গেল বছর সংযুক্ত আরব আমিরাতের মাটিতে অনুষ্ঠিত বিশ্বকাপেও খেলেননি। এরপর মাঝে ছয় মাস স্বেচ্ছায় বিরতিতে ছিলেন। এরইমধ্যে হঠাৎ দিলেন বিদায়ের ঘোষণা

  • অবশেষে বিশ্বকাপে খেলার যোগ্যতা অর্জন করলো জিম্বাবুয়ে

    অবশেষে বিশ্বকাপে খেলার যোগ্যতা অর্জন করলো জিম্বাবুয়ে

    এক সময় জিম্বাবুয়েকে ধরা হতো ক্রিকেটকের অন্যতম পরামশক্তি। অ্যান্ডি ফ্লাওয়ার, গ্র্যান্ট ফ্লাওয়ার কিংবা হিথ স্ট্রিকদের সময়কে বিবেচনা করে এমন তকমা দেওয়াটা অত্যুক্তি হবে না; কিন্তু সেই দেশটির ক্রিকেটই কিনা রাজনীতির নোংরা হস্তক্ষেপে হারিয়ে যেতে থাকলো। এমন এক অবস্থায় এসে জিম্বাবুইয়ানরা উপনীত হয়েছে যে, ক্রিকেটের উঠতি কিংবা উদীয়মান শক্তিগুলোও তাদেরকে এখন বলে-কয়ে হারাতে পারে।

    সেই জিম্বাবুয়ে ২০১৬ সালের পর থেকে বিশ্বকাপে অনুপস্থিত। ২০১৯ ওয়ানডে বিশ্বকাপ গেলো, ২০২১ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ গেলো- কোথাও নেই জিম্বাবুয়ে। কারণ, তারা বিশ্বকাপে খেলার যোগ্যতাই অর্জন করে না।

    অবশেষে ২০২২ অস্ট্রেলিয়া বিশ্বকাপে খেলার যোগ্যতা অর্জন করতে পারলো জিম্বাবুইয়নরা। তাদের সঙ্গে অস্ট্রেলিয়া বিশ্বকাপের শেষ দল হিসেবে টিকিট কেটে নিলো ইউরোপের দেশ নেদারল্যান্ডস।

    নিজেদের দেশে অনুষ্ঠিত বিশ্বকাপ কোয়ালিফাইং রাউন্ডের সেমিফাইনালে পাপুয়া নিউগিনিকে হারিয়ে অস্ট্রেলিয়ায় যাওয়ার টিকিট পেলো জিম্বাবুয়ে। আর নেদারল্যান্ডস হারিয়েছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে।

    আয়োজক হিসেবে বিশ্বকাপ খেলবে অস্ট্রেলিয়া। এছাড়া এরই মধ্যে বাংলাদেশ, আফগানিস্তান, ইংল্যান্ড, ভারত, নামিবিয়া, নিউজিল্যান্ড, পাকিস্তান, স্কটল্যান্ড, দক্ষিণ আফ্রিকা, শ্রীলঙ্কা ও ওয়েস্ট ইন্ডিজ গত আসরের ফলাফলের ভিত্তিতে সরাসরি বিশ্বকাপ খেলবে।

    এবার গ্লোবাল কোয়ালিফায়ার ‘বি’ থেকে নেদারল্যান্ডস ও জিম্বাবুয়ে বিশ্বকাপের টিকিট নিশ্চিত করেছে। শুক্রবার কোয়ালিফায়ারের প্রথম সেমিফাইনালে জিম্বাবুয়ে ২৭ রানে পরাজিত করে পাপুয়া নিউগিনিকে। দ্বিতীয় কোয়ালিফায়ারে নেদারল্যান্ডস ৭ উইকেটে হারিয়েছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে এ নিয়ে ৬ষ্ঠবার খেলবে জিম্বাবুয়ে এবং নেদারল্যান্ডস খেলবে ৫ম বার।

    বুলাওয়েতে অনুষ্ঠিত ম্যাচে পাপুয়া নিউগিনির বিপক্ষে প্রথমে ব্যাট করে ৫ উইকেট হারিয়ে ১৯৯ রানের বড় সংগ্রহ করেছিল জিম্বাবুয়ে। মাদভিরে ৪২, ক্রেইগ আরভিন ৩৮, চাকাভা ৩০ রান করেন। পাপুয়া নিউগিনির হয়ে আমিনি ২৮ রানে ২টি, বাউ ৩২ রানে নেন ২টি উইকেট।

    জবাব দিতে নেমে ৮ উইকেটে ১৭২ রান করে পাপুয়া নিউগিনি। উরা করেন সর্বোচ্চ ৬৬ রান। আমিনি করেন ৩১ রান। মুজরাবানি ২৪ রানে নেন ২ উইকেট।

    অন্যম্যাচে প্রথমে ব্যাট করতে নামা যুক্তরাষ্ট্রকে ১৩৮ রানে অলআউট করে দেয় নেদারল্যান্ডস। যুক্তরাষ্ট্রের হয়ে মোনানক প্যাটেল করেন ৩২ রান। ফন মিকেরিন এবং ডি লিডি নেন ২টি করে উইকেট। জবাবে ব্যাট করতে নেমে ৩ উইকেট হারিয়ে ১৩৯ রান করে নেদারল্যান্ডস। ডি লিডি করেন অপরাজিত ৯১ রান। ডাচদের জয় ৭ উইকেটের ব্যবধানে।

  • শত্রুতা নয় ‘প্রতিদ্বন্দ্বী’ কোহলিকে বরং সাহস জোগালেন বাবর

    শত্রুতা নয় ‘প্রতিদ্বন্দ্বী’ কোহলিকে বরং সাহস জোগালেন বাবর

    দুজনের মধ্যে সেরার লড়াইটা বেশ জম্পেশ। যদিও বিরাট কোহলি পরিসংখ্যানে অনেকটা এগিয়ে। তবে বাবর আজম ভবিষ্যতে কোহলির সব রেকর্ড ভেঙে দিতে পারেন, এমনটাই মনে করেন ক্রিকেট বিশ্লেষকদের অনেকে।

    পাকিস্তানি অধিনায়কের সাম্প্রতিক ফর্মই এভাবে ভাবতে বাধ্য করছে বিশ্লেষকদের। তার ঠিক উল্টো চিত্র যেন বিরাট কোহলির। একটা সময় যাকে মনে করা হতো শচিন টেন্ডুলকারের যোগ্য উত্তরসূরী, সেই কোহলিই দীর্ঘদিন ধরে ভুগছেন অবিশ্বাস্য রানখরায়।

    সবশেষ ৭৭ ইনিংসে একটি সেঞ্চুরিও নেই ভারতের সাবেক অধিনায়কের নামের পাশে। অবস্থা এমনই দাঁড়িয়েছে, খোদ তার দেশের লোকই দল থেকে বাদ দিতে বলছেন কোহলিকে।

    এমন সময়ে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ও ‘শত্রু দেশের’ ব্যাটিং জিনিয়াসের পাশে দাঁড়ালেন বাবর আজম। শুক্রবার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম টুইটারে বাবর তার ভেরিফায়েড পেজ থেকে কোহলির সঙ্গে একটি ছবি পোস্ট করে লিখেছেন, ‘এই সময়টা কেটে যাবে। শক্ত থাকো।’

    চলতি ইংল্যান্ড সফরেও রানের জন্য সংগ্রাম করতে হচ্ছে কোহলিকে। দুই দলের বাকি থাকা একমাত্র টেস্টে ব্যর্থতার পর টি-টোয়েন্টি সিরিজে আউট হন ১ ও ১১ রানে। এরপর চোটের কারণে প্রথম ওয়ানডেতে খেলতে না পারা কোহলি দ্বিতীয় ম্যাচে সাজঘরে ফেরেন ১৬ করেই।

    অন্যদিকে রানের বন্যা বইয়ে দিচ্ছেন বাবর। অধিনায়ক হওয়ার পর যেন আরও পরিণত হয়েছেন তিনি। আইসিসির ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি ব্যাটিং র্যাঙ্কিংয়ে শীর্ষে থাকা পাকিস্তানি তারকা টেস্ট র্যাঙ্কিংয়েও আছেন চারে।

  • কোহলির অনেক রেকর্ড ভেঙে ফেলুক বাবর: ইমাম

    কোহলির অনেক রেকর্ড ভেঙে ফেলুক বাবর: ইমাম

    দুজনের অভিষেক প্রায় দুই সময়ে। বাবর আজমের ক্যারিয়ার শুরুর আগেই বিশ্ব ক্রিকেটের অন্যতম সেরা ব্যাটার বিরাট কোহলি। শুধু ওয়ানডেতেই যেখানে ১২ হাজারের বেশি রান রয়েছে কোহলির। সেখানে তিন ফরম্যাট মিলেও দশ হাজার রান হয়নি বাবরের।

    তবু দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী দেশের সেরা ব্যাটার হওয়ায় বাবর ও কোহলির মধ্যে তুলনা চলছে গত কয়েক বছর ধরে। বিশেষ করে ২০১৯ সালের নভেম্বরের পর থেকে কোহলির সেঞ্চুরিখরা থাকায়, অনেকেই বাবরকে কোহলির চেয়ে এগিয়ে রাখছেন। সাম্প্রতিক সময়ের হিসেবে তারা খুব একটা ভুল নন।

    কোহলির সেঞ্চুরিখরা শুরুর সময় থেকে এখন পর্যন্ত তিন ফরম্যাটে ১১ সেঞ্চুরি ও ২৮ ফিফটিতে প্রায় চার হাজার রান করেছেন বাবর। অন্যদিকে প্রায় তিন বছর ধরে সেঞ্চুরি না পাওয়া কোহলি ২৪ হাফসেঞ্চুরিতে করেছেন মোটে ২৫৩৭ রান। এসময় বাবর খেলেছেন ৭৭ ইনিংস, কোহলি ৭৮টি।

    তাই স্বাভাবিকভাবেই সাম্প্রতিক সময়ের হিসেবে এগিয়ে রাখা হয় বাবরকে। তবে এতে খুব একটা সায় নেই পাকিস্তানের বাঁহাতি ওপেনার ইমাম উল হকের। তাই বলে যে, কোহলির পক্ষে কথা বলছেন ইমাম, তাও নয়। ইমামের ইচ্ছা, ক্যারিয়ার শেষে যেন কোহলির অনেক রেকর্ড ভেঙে দেন বাবর।

    ইমাম বলেছেন, ‘বিরাট কোহলি একজন কিংবদন্তি, এতে কোনো সন্দেহ নেই। একজন যদি ২৪০ ম্যাচ খেলে এবং আরেকজন যদি ৮০ ম্যাচ খেলে তাহলে দুজনের মধ্যে তুলনা করা উচিত নয়। তবে আমার কাছের বন্ধু এবং পাকিস্তানের অধিনায়ক হওয়ায় আমি চাই কোহলির অনেক রেকর্ড ভাঙুক বাবর।’

    দুজনের তুলনায় সায় না দিয়ে এ বাঁহাতি ওপেনার আরও বলেছেন, ‘তবে সত্যি বলতে, এখনই আমি দুজনের মধ্যে তুলনার কোনো অর্থ খুঁজে পাই না। একজনের (কোহলি) ১০ হাজারের বেশি রান রয়েছে। হ্যাঁ এটা সত্যি যে, দুজনের ক্যারিয়ার শেষে আমি চাই কোহলির চেয়ে ৩-৪ হাজার রান বেশি করুক বাবর।’

    ইমামের মতে, কোহলির চেয়ে বড় গেম চেঞ্জার ভারতের নতুন অধিনায়ক রোহিত শর্মা, ‘আমি মনে করি রোহিত শর্মার যে প্রতিভাটা রয়েছে, কোহলির তা নেই। তাদের দুজনকেই খেলতে দেখেছি আমি। তবে রোহিত যেভাবে খেলে, মনে হয় যেন রিপ্লেতে খেলা হচ্ছে। তার হাতে যেনো অনেক সময়।’

    তিনি আরও যোগ করেন, ‘পয়েন্টে ফিল্ডিং করার সুবাদে ব্যাটিংয়ের টাইমিং সম্পর্কে ভালো ধারণা রয়েছে আমার। কোহলি-রোহিত দুজনই আমার সামনে ব্যাট করেছে। কিন্তু রোহিত যেন বাড়তি সময় পায় সবসময়। সে চোখের পলকে ম্যাচ বদলে দিতে পারে। সেট হয়ে গেলে নিজের মর্জিমাফিক মারতে পারে।’

    উল্লেখ্য, বর্তমান সময়ে ইমাম উল হক নিজেও দারুণ ফর্মে রয়েছেন। ওয়ানডে ক্রিকেটে মাত্র ৫২ ম্যাচে ৯ সেঞ্চুরি ও ১৪ হাফসেঞ্চুরিতে ৫৪.৮৬ গড়ে ২৫২০ রান করেছেন ইমাম। যা সাম্প্রতিক সময়ে বিশ্বের যেকোনো ওপেনারের জন্যই ঈর্ষনীয় পরিসংখ্যান।

  • যে কারণে ‘এ’ দলের সঙ্গে পাঠানো হচ্ছে না মুমিনুলকে

    যে কারণে ‘এ’ দলের সঙ্গে পাঠানো হচ্ছে না মুমিনুলকে

    স্পোর্টস ডেস্কঃ ওয়েস্ট ইন্ডিজ সফরের টেস্ট সিরিজে দ্বিতীয় ম্যাচের একাদশ থেকে বাদ পড়েছিলেন সদ্য সাবেক অধিনায়ক মুমিনুল হক। দেশে তখন সংবাদমাধ্যমে বিসিবি সভাপতি নাজমুল হাসান পাপন জানিয়েছিলেন, আবারও ওয়েস্ট ইন্ডিজে পাঠানো হবে মুমিনুলকে। তবে সেটি ‘এ’ দলের সঙ্গে।

    বিসিবি প্রধানের ভাষ্য ছিল, ‘অবশ্যই মুমিনুলকে সেখানে (ওয়েস্ট ইন্ডিজে এ দলের সফর) পাঠানোর চিন্তা থাকবে।’ তিনি আরও যোগ করেছিলেন, ‘এগুলো তো আমার বলা কঠিন। আমি তো নির্বাচক, ম্যানেজমেন্ট, কোচিং স্টাফদের সঙ্গে কথা বলিনি। কারও সঙ্গে কথা বলিনি। তবে মনে হচ্ছে, এটা তো ওর জন্য দারুণ সুযোগ হতে পারে।’

    চলতি মাসের প্রথম দিকে বিসিবি সভাপতির এমন বক্তব্যের প্রেক্ষিতেই ধারণা করা হচ্ছিল আগস্টে বাংলাদেশ ‘এ’ দল যখন ওয়েস্ট ইন্ডিজ সফরে যাবে, সেই দলে হয়তো মুমিনুলও থাকতে পারেন। শেষ খবর, শুক্রবার ওয়েস্ট ইন্ডিজ সফরের জন্য এ দলের দুটি স্কোয়াড ঘোষণা করা হয়েছে। কোনোটিতেই নেই মুমিনুল হকের নাম।

    খুব স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠেছে, বিসিবি প্রধান মুমিনুলকে ফর্ম ফেরাতে এ দলের সঙ্গে ক্যারিবীয় দ্বীপপুঞ্জে পাঠানোর কথা বলেছিলেন। কিন্তু শেষ পর্যন্ত মুুমিনুল নেই কোথাও? এটা কেমন হলো?

    যদিও বিসিবি সভাপতির বক্তব্যে একটা বিষয় পরিস্কার ছিল। তা হলো মুমিনুলের এ দলের সঙ্গে ওয়েস্ট ইন্ডিজ যাওয়া না যাওয়া নির্ভর করছিল ক্রিকেট অপস, টিম ম্যানেজমেন্ট, কোচিং স্টাফ ও নির্বাচকদের মতামতের ওপর। তবে কি ক্রিকেট অপস ও নির্বাচকরাই মুমিনুলকে ওয়েস্ট ইন্ডিজ পাঠানোর পক্ষে মত দেননি? ক্রিকেট অপস প্রধান জালাল ইউনুস ও প্রধান নির্বাচক মিনহাজুল আবেদিন নান্নুর কথা শুনে তাই মনে হচ্ছে।

    প্রধান নির্বাচক নান্নুর সঙ্গে আলাপে অকপটে স্বীকার করেছেন, ‘মুমিনুলকে ওয়েস্ট ইন্ডিজে এ দলের সঙ্গে পাঠাতে হবে- পাপন ভাই আমাদের এমন কোনো বার্তা দেননি। তবে আমরা দুদিন আগে বিসিবি অফিসে ক্রিকেট অপস প্রধানের সঙ্গে বসেছিলাম। সেখানে মুমিনুল প্রসঙ্গ উঠেছিল। তাকে নিয়ে কথাও হয়েছে।’

    অন্যদিকে জালাল ইউনুস কথা বলেন ভিন্ন আঙ্গিকে। তিনি বলেন, ‘আমার মনে হয় মুমিনুল যে অবস্থায় আছে তার জন্য সেরা প্লাটফর্ম হলো এনসিএল ও বিসিএল। সেখানে রান করলে আত্মবিশ্বাস ফিরে আসবে।’

    যেহেতু সভাপতি মুমিনুলকে ওয়েস্ট ইন্ডিজে পাঠানোর ইচ্ছে প্রকাশ করেছিলেন, তাই বোর্ডের অন্যতম নীতি নির্ধারক জালাল ইউনুস আর মন্তব্যে যাননি। তবে ভেতরের খবর, ক্রিকেট অপস চেয়ারম্যান ও নির্বাচকরা একটি বিশেষ কারণে শেষ মুহুর্তে মুমিনুলকে এ দলের সঙ্গে ওয়েস্ট ইন্ডিজ পাঠানোর চিন্তা মাথা থেকে সরিয়ে ফেলেন।

    ক্রিকেট অপস চেয়ারম্যান ও প্রধান নির্বাচক মুখ ফুটে হ্যাঁ-না কিছু না বললেও আসলে কেন মুমিনুলকে ‘এ’ দলের সাথে ওয়েষ্ট ইন্ডিজ পাঠানো হলো না? কারণ খুঁজতে গিয়ে জানা গেছে ক্রিকেট অপস প্রধান ও নির্বাচকদের যৌথ সভায় একটি বিষয় নিয়ে কথা হয়েছে।

    তা হলো, মুমিনুল এখন অফ ফর্মে। এখন যদি তাকে ‘এ’ দলের হয়ে ওয়েস্ট ইন্ডিজ পাঠানো হয় আর তিনি যদি সেখানে গিয়েও ব্যর্থ হন তখন কী হবে? তখন তো কোনো পথই থাকবে না তাকে ফেরানোর। এতে মুমিনুলের আত্মবিশ্বাসেও চির ধরবে।

    এর চেয়ে তাকে এনসিএল ও বিসিএল খেলার সুযোগ করে দেওয়াকে বড় করে দেখা হচ্ছে। ভাবা হচ্ছে, ফর্মে ফেরা তথা নিজেকে খুঁজে পেতে এটি মুমিনুলের জন্য আদর্শ ক্ষেত্র বলে পরিগণিত হবে। যেখানে তিনি চিন্তাভাবনা ছাড়া নিজের মত করে মেলে ধরতে পারবেন এবং তারপর আবার জাতীয় দলে নিজের জায়গাও ফিরে পাবেন।

  • ৫২০ কোটি টাকায় রোনালদোর দলে আর্জেন্টাইন ডিফেন্ডার

    ৫২০ কোটি টাকায় রোনালদোর দলে আর্জেন্টাইন ডিফেন্ডার

    আয়াক্স থেকে আর্জেন্টাইন ডিফেন্ডার লিসান্দ্রো মার্টিনেজকে দলে ভেড়াচ্ছে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড। বিখ্যাত ইতালিয়ান ক্রীড়া সাংবাদিক এবং ট্রান্সফার বিশেষজ্ঞ ফ্যাবরিজিও রোমেনো এক টুইটে নিশ্চিত করেছেন এই খবর।

    রোমেনো জানিয়েছেন, ৫৫ মিলিয়ন ইউরোতে (বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৫২০ কোটি টাকা) আয়াক্স থেকে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডে যোগ দিতে সম্মত হয়েছেন মার্টিনেজ। ২০২৭ সাল পর্যন্ত তার সঙ্গে চুক্তি হচ্ছে ইউনাইটেডের।

    ২০১৭ থেকে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডে যোগ দেওয়ার আগ পর্যন্ত আয়াক্সেই ছিলেন এরিক টেন হাগ। ইউনাইটেডের দায়িত্ব নেওয়া এই কোচই যে লিসান্দ্রো মার্টিনেজকে দলে ভেড়াতে ক্লাবকে রাজি করিয়েছেন, বোঝাই যাচ্ছে।

    এর আগে মার্টিনেজ নিজেও বলেছিলেন, তিনি প্রিমিয়ার লিগে সাবেক কোচ এরিক টেন হাগের সঙ্গে যোগ দিতে আগ্রহী। আরেক ইংলিশ ক্লাব আর্সেনালও তাকে চেয়েছিল, কিন্তু মার্টিনেজের পছন্দ ছিল ইউনাইটেডই।

    শুরুতে মার্টিনেজের জন্য অন্যান্য সুযোগ-সুবিধাসহ ৪৫ মিলিয়ন ইউরো প্রস্তাব করেছিল ইউনাইটেড। কিন্তু আয়াক্স তাতে রাজি হয়নি। শেষ পর্যন্ত আরও ১০ মিলিয়ন বাড়িয়ে চুক্তি করেছে রেড ডেভিলরা। এখন শুধু আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসার অপেক্ষা।

  • ২০২৩ সালে আমাদের চারজনের শেষ বিশ্বকাপ: তামিম

    ২০২৩ সালে আমাদের চারজনের শেষ বিশ্বকাপ: তামিম

    মাশরাফি বিন মর্তুজা, মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ, মুশফিকুর রহিম, সাকিব আল হাসান ও তামিম ইকবাল- বাংলাদেশ দলের এ পাঁচ ক্রিকেটারকে একসঙ্গে ডাকা হতো ‘পঞ্চপান্ডব’ নামে। সময়ের পালাবদলে সেই পঞ্চপান্ডব এখন আর নেই। জাতীয় দল থেকে বহু দূরে রয়েছেন মাশরাফি।

    দেশের সফলতম অধিনায়ক এখন আর না থাকলেও, বাকি চারজন খেলে যাচ্ছেন জাতীয় দল। এর মধ্যে টেস্ট থেকে অবসর নিয়েছেন মাহমুদউল্লাহ, টি-টোয়েন্টি থেকে বিশ্রামে তামিম। ফলে এ চারজনকে একসঙ্গে পাওয়া যায় শুধুমাত্র ওয়ানডে ফরম্যাটের সিরিজে।

    চলতি ওয়েস্ট ইন্ডিজ সফরের ওয়ানডে সিরিজে অবশ্য চারজন একত্রে নেই। হজ পালনের জন্য ছুটি নিয়েছেন মুশফিক, বিশ্রাম চেয়ে পরিবারের সঙ্গে সময় কাটাতে গেছেন সাকিব। তবে সামনের দিনগুলোতে দলের অন্যতম চালিকাশক্তি হিসেবেই থাকবেন এ চারজন।

    যা আরও একবার মনে করিয়ে দিলেন ওয়ানডে দলের অধিনায়ক তামিম। বুধবার ওয়েস্ট ইন্ডিজকে ৯ উইকেটে উড়িয়ে দিয়ে সিরিজ নিশ্চিতের পর তামিম জানিয়ে দিলেন, ২০২৩ বিশ্বকাপে সম্ভাব্য সেরা দল সাজানোর প্রক্রিয়ায় রয়েছেন তারা। কেননা সেটিই হবে চারজনের শেষ বিশ্বকাপ।

    তামিম বলেছেন, ‘খুব সম্ভবত (ভারতে হতে যাওয়া) ২০২৩ সালের বিশ্বকাপটি আমাদের সবার জন্য অনেক বড় আসর হতে চলেছে। বিশেষ করে আমাদের চারজনের জন্য, যাদের এটিই শেষ বিশ্বকাপ। তাই আমরা সম্ভাব্য সেরা দল ও কম্বিনেশন নিয়ে এগোনোর পরিকল্পনাই করেছি।’

    বুধবার ১০৯ রানের লক্ষ্যে ৬২ বলে ৫০ রান নিয়ে অপরাজিত ছিলেন তামিম। অবশেষে ফিফটির দেখা পাওয়ায় সন্তুষ্টি তামিমের কণ্ঠে, ‘টেস্টে আমি যত রানই করেছি, ভালো খেলছিলাম। কিন্তু ইনিংস বড় করতে পারছিলাম না। এখন খুব স্বাভাবিকভাবেই এগিয়েছি। রান করতে পেরে ভালো লাগছে।’

    ছোট লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে উদ্বোধনী জুটিতে পরিবর্তন এনেছিল বাংলাদেশ। তামিমের সঙ্গে ডানহাতি ব্যাটার লিটন দাসের পরিবর্তে নামানো হয় বাঁহাতি ব্যাটার নাজমুল হোসেন শান্তকে। মূলত ক্যারিবীয় দলের দুই বাঁহাতি স্পিনারের কথা রেখেই নেওয়া হয় এমন সিদ্ধান্ত।

    আর এটি যে লিটনের পরিকল্পনা ছিল, তা জানিয়ে তামিম বলেছেন, ‘শান্তকে নিয়ে ওপেন করার বিষয়টা লিটনের দুর্দান্ত ভাবনা ছিল। ও এসে আমাকে বললো, ভাই আপনারা দুজন যদি ওপেন করেন কেমন হয়? কারণ বাঁহাতি স্পিনারটা ওদের মূল অস্ত্র ছিল।’

  • সিরিজ জয়ের লক্ষ্যে মাঠে নামবে বাংলাদেশ

    সিরিজ জয়ের লক্ষ্যে মাঠে নামবে বাংলাদেশ

    প্রিয় ফরম্যাটে ফিরেই নিজেদের জানান দিল বাংলাদেশ। তিন ম্যাচ ওয়ানডে সিরিজের প্রথম ম্যাচে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ৬ উইকেটের দাপুটে জয় পেয়েছে টাইগাররা। অথচ উইন্ডিজ সফরেই টেস্ট ও টি-টোয়েন্টিতে বাজেভাবে হেরেছিল সফরকারীরা।

    আজ গায়ানার প্রভিডেন্স স্টেডিয়ামে দ্বিতীয় ওয়ানডে সিরিজ জয়ের লক্ষ্যে মাঠে নামবে বাংলাদেশ। ম্যাচটি বাংলাদেশ সময় সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় অনুষ্ঠিত হবে।

    প্রথম ম্যাচজয়ী বাংলাদেশ দলের হয়ে তিন উইকেট নিয়ে ম্যান সেরা ছিলেন মেহেদী হাসান মিরাজ। আর এই স্পিন অলরাউন্ডার জানিয়েছেন এ ম্যাচ জিতেই সিরিজ নিশ্চিত করতে চান।

    ম্যাচ পূর্ব সংবাদ সম্মেলনে মিরাজ বলেন, ‘শেষ ম্যাচ পর্যন্ত তো অপেক্ষা করতে পারব না। কাল জিতলেই যেহেতু সিরিজ জিতব, একটু নির্ভার থাকতে পারব। অবশ্যই জেতার জন্যই তো খেলব। তবে আরও বেশি ফোকাসড থাকব।’

    বাংলাদেশ একাদশ (সম্ভাব্য):  তামিম ইকবাল (অধিনায়ক), লিটন দাস, নাজমুল হোসেন শান্ত, মাহমুদউল্লাহ, আফিফ হোসেন, নুরুল হাসান (উইকেটরক্ষক), মেহেদী হাসান মিরাজ, তাসকিন আহমেদ, নাসুম আহমেদ, শরীফুল ইসলাম, মোস্তাফিজুর রহমান।

    ওয়েস্ট ইন্ডিজ একাদশ (সম্ভাব্য): কাইল মেয়ার্স, শাই হোপ, শামারহ ব্রুকস, ব্র্যান্ডন কিং, নিকোলাস পুরান (অধিনায়ক ও উইকেটরক্ষক), রোভম্যান পাওয়েল, রোমারিও শেফার্ড, আকিল হোসেন, গুডাকেশ মোটি, অ্যান্ডারসন ফিলিপ, জায়ডেন সিলস।